ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৫:১৫:৫১

৬ষ্ঠ শ্রেণির বই ডিজিটাল হলো 

৬ষ্ঠ শ্রেণির বই ডিজিটাল হলো 

ডিজিটাল হলো ৬ষ্ঠ শ্রেণির ১৬টি পাঠ্যপুস্তক। ইন্টারনেট থেকে এখন যে কেউ ডাউনলোড করে পড়ার সুযোগ পাবে। পাঠ্যবইয়ে যেসব বিষয় বুঝতে সমস্যা হতো ডিজিটাল বইয়ে শব্দ, ছবি ও ভিডিও দেখে শিক্ষার্থীরা সহজেই তা বুঝতে সক্ষম হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ডিজিটাল পাঠ্যপুস্তক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এসব বিষয় তুলে ধরেন।    নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সহজভাবে পাঠ্যপুস্তক পড়তে পারে সে জন্য ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। বর্তমানে ৬ষ্ঠ শ্রেণির বই ডিজিটাল করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব পাঠ্যপুস্তক ডিজিটাল করা হবে। তিনি বলেন, শুধু আধুনিক প্রযুক্তি আর মোটা বই তুলে দিলে ভালো মানুষ হবে না, এ জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন হবে। সমাজের শিক্ষকতা পেশার চাইতে সম্মানজনক আর কোনও পেশা নেই। শিক্ষকরা ব্রত হিসেবে কাজ করছেন। শিক্ষকরাই আমাদের নিয়ামক শক্তি। তাদের প্রচেষ্টায় আমাদের সন্তানরা আধুনিক ও মানসম্মত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, এডিবি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ পার্কাস। এসি  
ইবিতে ছাত্রী হলে পানির দাবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ 

পানির সংকট সমাধানের দাবিতে রাতে হলের বাইরে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা।   মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে হল গেটের সামনে বিক্ষোভ করে তারা। পরে হল প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ১ দিনের মধ্যে পানির স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা হলে ফিরে যায়। হল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন  শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা হলের প্রধান ফটক খুলে সামনে অবস্থান নেয়।এ সময় তারা হল গেটের সামনে অবরোধ করে পানির স্থায়ী সমাধানের দাবি জানায়। ছাত্রীদের দাবি, ‘দীর্ঘ দুই মাস ধরে হলে হলে পানি সংকট। মাঝে মাঝেই পানি পাওয়া যায় না।বিষয়টি হল কতৃপক্ষকে জানালেও তারা কোন সমাধান করছে না। শেষ এক সপ্তাহ ধরে, পানির সংকট আরও তীব্র হয়েছে। দিনে দুই ঘন্টা পানি থাকে। যা দিয়ে আমাদের দৈনন্দিন কার্য শেষ হয় না। বাধ্য হয়ে এই মধ্য রাতে হলের সামনে আসতে হয়েছে। আমাদের আন্দোলন প্রভোস্ট স্যারের বিরুদ্ধে না। আমরা আমাদের পানির সংকটের স্থায়ী সমাধন চাই। ছাত্রীরা জানায়, সম্পূর্ণ হলে পানির সমস্যা নেই। শুধুমাত্র পুরাতন ব্লকে পানি সমস্যা। নতুন ব্লকে পানির সংকট নেই।   পরে ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক নাসিমুজ্জামান গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যর্থ হন। এরপর রাত ১২ টার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড.মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে আসলে শিক্ষার্থীদের সাথে বাক-বিতন্ডা শুরু হয়। পরে প্রভোস্টের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করে।  ছাত্রীদের দাবি, দীর্ঘ চারদিন ধরে হলের উত্তর ব্লক তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিষয়টি একাধিক বার হল প্রশাসনকে জানানোর পরও কোন সমাধান হচ্ছে না। ফলে হলের দক্ষিণ ব্লক বাথরুম, গোসলসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কাজ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। এ বিষয়ে হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা জানায়, গত চারদিন ধরে হলে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে আমরা সময় মত আমাদের প্রয়োজন মেটাতে পারছি না। হল প্রশাসনকে বিষয়টি জানলেও তারা এ বিষয়ে কর্ণপাত করছেন না। তাই বাধ্য হয়ে হল থেকে বের হয়েছি। এ বিষয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আগামীকাল সকাল থেকে কাজ শুরু হবে। আশা করছি, কালকের দিনের মধ্যেই পানি সংকটের সকল সমস্যা সমাধান যাবে।’   কেআই/এসি   

ঢাবি খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এ ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের মোট ৬৯টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ২৩৮৩টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৫,৭২৬জন।   আজ ঢাবি’র এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে বলা হয় , পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা টেলিযোগাযোগ করা যায় এরূপ কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস/যন্ত্র সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল কোর্ট দায়িত্ব পালন করবে। ভর্তি পরীক্ষার সিট-প্ল্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ধফসরংংরড়হ.বরং.ফঁ.ধপ.নফ ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এসি  

নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  

‘শেখ হাসিনার ঘোষণা, নিরক্ষর আর থাকবে না’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ‘জাতীয় শিক্ষা দিবস’ পালন করেছে। এ উপলক্ষে এতিমদের মাঝে যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে তারা। সোমবার বিকাল তিনটার দিকে ক্যাম্পাস সংলগ্ন শাহ মুনিরিয়া হেফয ও এতিম খানায় এ কর্মসূচি পালন করে শাখা ছাত্রলীগের ‘সিক্সটি নাইনের’ পক্ষের নেতা-কর্মীরা। ক্যাম্পাস সংলগ্ন শাহ মুনিরিয়া হেফয ও এতিম খানায় প্রায় ৬০জন এতিম শিশু শিক্ষার্থীর মাঝে নাস্তা ও খাতা-কলম বিতরণ করেন তারা।   কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আবু তোরাব পরশ, সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু, সদস্য সাঈদুল ইসলাম সাঈদ, ছাত্রলীগ নেতা মিযান শায়েখ, জহিরুল ইসলাম দীপু, সাঈদ করিম মুগ্ধ, মেহেদী হাসান, শাকিল, মিশুসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। চবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আবু তোরাব পরশ বলেন, সকল নাগরিকের জন্য নূন্যতম প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আপ্রাণ চেষ্টার অংশ হিসেবে শিক্ষা দিবস উপলক্ষে আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা চাই নিরক্ষর মুক্ত একটি বাংলাদেশ।   কেআই/এসি   

নতুন প্রজন্মকে হতে হবে আধুনিক বাংলাদেশের নির্মাতা

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র্যের অবসান ঘটিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে লক্ষ্য অর্জনে নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে। আধুনিক বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে প্রস্তুত করতে হবে। তাদেরকে যুগের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশ্বমানের শিক্ষা দিতে হবে। আজ শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে’এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা-২০১৮: কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান’শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিক্ষামন্ত্রী ডিআরইউ সদস্যদের সন্তানদের মধ্যে যারা কৃতি শিক্ষার্থী হিসেবে সংবর্ধনা পেয়েছেন তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং তারা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও দক্ষতায় নিজেদের বিকশিত করে দেশের সেবায় কাজ করবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আধুনিক ও দক্ষ নাগরিক তৈরির পাশাপাশি আমরা ভাল মানুষ তৈরি করতে চাই। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত ৯ বছরে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-বিদ্যুৎ ও খাদ্য উৎপাদনসহ দেশে সর্বক্ষেত্রে যে পরিবর্তন হয়েছে, এত অল্প সময়ে এ পরিবর্তন পৃথিবীর কোন দেশে হয়নি। বাংলাদেশ এখন সকল ক্ষেত্রে ভাল’র উদাহরণ। তিনি বলেন, আমাদের মান অনেক বাড়াতে হবে। তবে মান বাড়ছে না, একথা ঠিক নয়। এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য হচ্ছে মানসম্মত শিক্ষা। মান বাড়ানো এখন সারা দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ। আমরা সে কাজটাই করছি। আসন্ন জেএসসি পরীক্ষা নভেস্বরে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন। নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণের মাধ্যমে যেকোন ধরনের অনিয়ম থেকে অভিভাবক-শিক্ষকসহ সংশিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে এবং এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. গোলাম ফারুক। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী এবং সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী। সংবর্ধনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তাবাসসুম মোস্তফা অথই এবং এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত আতিয়া ফাইরুজ চৌধুরী। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসএসসিতে ১৭ জন এবং এইচএসসিতে ৬ জন সর্বমোট ২৩ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরা সবাই ডিআরইউ সদস্যদের সন্তান।  

স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ

আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তায় জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হওয়ার পরিপেক্ষিতে ওই মাসের ১১ তারিখের মধ্যে সবস্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষাবোর্ড। আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে পরীক্ষা। নির্বাচনের আগেই পরীক্ষার সব ধরনের কাজ শেষ হবে। সুষ্ঠুভাবে যথাসময়ে পরীক্ষা নিতে সব ধরনের নির্দেশনাও স্কুলে দেওয়া হয়েছে। বার্ষিক পরীক্ষা স্কুল কর্তৃপক্ষ নিলেও সময়সূচি ঠিক করে দেয় সংশ্লিষ্ট বোর্ড। এদিকে অষ্টম শ্রেণীর জেএসসি পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ নভেম্বর। নির্বাচনের আগে স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অভিভাবকরা। এ অবস্থায় অভিভাবকদের দাবি যতটা সম্ভব পরীক্ষা এগিয়ে নিয়ে আসার। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কথা ভেবে ও পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে আনার অভিভাবকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। / এআর /

শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করেননি সভাপতি  

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতির বিরুদ্ধে স্নাতকোত্তর শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে করা আবেদনপত্র গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিভাগের ৪১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সভাপতি মো. খালিদ কুদ্দুসের নিকট আবেদনপত্র নিয়ে গেলে তিনি তা গ্রহণ করেননি।    ৪১তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, চলতি বছরের ১৪জানুয়ারি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির নন থিসিস এবং ২৬ জুলাই থিসিস গ্রুপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এই ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির ফলাফলে অনেক ব্যবধান আছে। তাই ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের জন্য বিভাগের সভাপতির নিকট আবেদন পত্র নিয়ে যান তারা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইন দেখিয়ে সভাপতি আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেনি। এর আগে গত রোববার আবেদনপত্র নিয়ে গেলে সেদিনও নানা অজুহাতে তিনি আবেদনপত্র গ্রহণ করেননি। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি মো. খালিদ কুদ্দুস বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী বিভাগের সভাপতি ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের আবেদন গ্রহণ করতে পারেন না। আর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ভঙ্গ করতে পারি না। তাই আমি আবেদনপত্রটি গ্রহণ করিনি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক অসিত বরণ পাল বলেন,‘পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের কোন সুযোগ নেই। তবে ফলাফলের হিসেবে যদি কোন ভুল পাওয়া গেলে তা সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নিকট আবেদন করতে পারে।’ এ ব্যাপারে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন,‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩ অনুযায়ী ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের কোন সুযোগ নেই।’ কেআই/এসি    

হাবিপ্রবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেই কোনো কর্মসূচি  

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কোন কর্মসূচী পালন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ । মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৯৯ সালে আজকের এই দিনটিতে (১১ই সেপ্টেম্বর) তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। সেই থেকে ১১ই সেপ্টেম্বরকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পালন করে আসা হয়।   কিন্তু এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কোন কর্মসূচী পালন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।  এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে  অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে তাদের  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে থাকে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোন কর্মসূচী পালন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। তাহলে আমরা কি দিন দিন আমাদের ঐতিহ্যকে ভুলে যাচ্ছি?   আরেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। কিন্তু নেই কোন আয়োজন। ক্লাস-পরীক্ষা চলছে সঠিকভাবেই। কোন কর্মসূচীই নেই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে। সত্যি আমরা কী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দিনটি জাঁকজমকভাবে পালন করতে পারবো না। তাহলে এভাবেই কি সময়ের পরিক্রমায় হারিয়ে যাবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত ইতিহাস। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসুচী সম্পর্কে বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম জানান, ‘ঢাকায় আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম আছে। ১১ তারিখ সেখানে আমরা (উপাচার্য,রেজিস্ট্রার ও কোষাধ্যক্ষ) সহ সকল ডিন থাকবো। সে কারণে এবার আমরা কোন কর্মসূচি হাতে নিতে পারবো না। তিনি আরও বলেন, ‘গতবার আমরা পায়রা উড়িয়ে বিশবিদ্যালয় দিবস পালন করেছি। এবারও কিছু করার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার কারণে কোন কর্মসূচি পালন করতে পারছি না। এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘গবেষকদের প্রেসিডেন্সি পদক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় জন্য আমরা ঢাকায় অবস্থান করায় এবার দিবসটি উদযাপন করা যাচ্ছে না। আশা করি, আগামী বছর থেকে আমরা জাঁকজমকভাবে উদযাপন করতে পারবো। দিবসটিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন ।   কেআই/এসি   

‘গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে শিক্ষার উন্নয়নে সহায়তা করুন’

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদই আশা করি। খবর বস্তুনিষ্ঠ হলে আত্ম-সমালোচনার সুযোগ থাকে। তাই গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সহায়তা করুন। আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অ্যাডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ইরাব)-এর নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গভীর। সাংবাদিক বন্ধুরা শিক্ষা পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের বিরুদ্ধে যায় এমন সংবাদ ছাপলেও আমরা অখুশি হই না। বরং বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানার সুযোগ তৈরি হয়। গঠনমূলক সমালোচনা হলে ভুলটাকে সংশোধন করা যায়। এ সময় ‘ইরাব’ গঠনকে স্বাগত জানিয়ে এর সাফল্য কামনা করেন তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার চেয়ে কোনও খাত এতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষা সাংবাদিকরা কাজ করে চলছেন। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের উদ্ধৃতি দিয়ে অধ্যাপক আব্দুল মান্নান আরও বলেন, যে দেশে মিডিয়া স্বাধীন, সে দেশে কখনও কোনও অবস্থায় দুর্ভিক্ষ হবে না। ইরাব সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ঢালাওভাবে কোচিং সেন্টার চলছে। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে কোচিং সেন্টারের অনুমতি দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত শিক্ষকরা স্কুল-কলেজে চাকরি করতে পারবেন না। সংগঠনের পক্ষে প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের জন্য দুটি পুরস্কার চালুর দাবিও জানান তিনি। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফদতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার নিজামুল হকসহ আরও অনেকে। এসএইচ/

কাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস 

আগামীকাল শনিবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি নিয়েছে। চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষ হয়ে জীবন গড়ি।’ ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের মধ্যে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য তুলে ধরার লক্ষ্যে দিবসটি নির্ধারণ করা হয়। ১৯৬৬ সালে বিশ্বে প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দেশের সাক্ষরতা এবং বয়স্ক শিক্ষার অবস্থা তুলে ধরা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিল্পকলা একাডেমি পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। শোভাযাত্রায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান নেতৃত্ব দেবেন। এছাড়া শোভাযাত্রায় শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, গোলটেবিল বৈঠক ও টেলিভিশন টকশো আয়োজন করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশে বর্তমান সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। গতবার এই হার ছিল ৭২ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রী এই তথ্য জানান। এসি   

কেমন হবে জবির ভর্তি পরীক্ষা?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা লিখিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও মানবণ্টন সম্বন্ধে নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার দফতর সূত্রে জানা যায়, এবার ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিট-১ এ বিজ্ঞান শাখায় পদার্থ ও রসায়নসহ জীববিজ্ঞান অথবা গণিত বিষয়ে উত্তর লিখতে হবে। প্রতিটি বিষয়ে ৪ নম্বরের মোট ৬টি প্রশ্ন থাকবে এবং প্রতিটির উত্তর লিখতে হবে। এভাবে ৭২ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। এবারের প্রশ্নপত্র সম্পূর্ণ উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্য বইয়ের সিলেবাস থেকে তৈরি করা হবে। ইউনিট-২ এ মানবিক বিভাগে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে মোট ৪ নম্বরের ৬টি প্রশ্ন এবং বাংলাদেশ ও সমসাময়িক বিশ্বের শিল্পসাহিত্য অথবা আর্থ-সামাজিক বিষয়ে বাংলা অথবা ইংরেজিতে সীমিত সংখ্যক বাক্য লিখতে হবে। ইউনিট-৩ বাণিজ্য শাখায় হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ এবং গাণিতিক বুদ্ধিমত্তায় ৬টি করে মোট ২৪ নম্বরের প্রশ্ন এবং ভাষা জ্ঞান বিষয়ে সমসাময়িক ব্যবসা ও অর্থনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজিতে সীমিত সংখ্যক বাক্য লিখতে হবে। তবে সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা, এবং ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগে সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। শুধু বিষয়ভিত্তিক ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক নেওয়া হবে এবং পরীক্ষার ধরন বিভাগই ঠিক করবে। রেজিস্ট্রার দফতর সূত্রে আরও জানা যায়, এবার লিখিত পরীক্ষা ১ঘণ্টার পরিবর্তে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে ৭২ নম্বরের। এছাড়া বাকি ২৮ নম্বরের মধ্যে এসএসসির জিপিএ তে ১২ নম্বর এবং এইচএসসির জিপিএ তে ১৬ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক বিষয়টি জানতে চাইলে জবি উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান বলেন, এবার আমাদের ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক বিষয়টি নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী করা হয়েছে। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের বিষয়টিও খতিয়ে দেখার জন্য একটি খাতা একাধিক পরীক্ষক দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হবে। যাতে কেউ দুর্নীতির সুযোগ না পায়। উল্লেখ্য, এবার ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষ প্রয়োজনে আশে পাশের কয়েকটি ক্যাম্পাস। সম্পূর্ণ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া হবে। একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি