ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:৩৮:০৯

তীব্র সেশন জটের কবলে জবি

তীব্র সেশন জটের কবলে জবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন অনুষদের বেশির ভাগ বিভাগে তীব্র সেশন জট সৃষ্টি হয়েছে। বিভাগগুলোর জটের কারণে শিক্ষার্থীদের ছয় মাস সময়ের এক সেমিস্টার শেষ করেতে লাগছে আট মাস। ফলে শিক্ষার্থীদের চার বছর মেয়াদী স্নাতক শেষ করতে পাঁচ বছর এবং স্নাতকোত্তরসহ শেষ করতে সাত বছরের বেশি সময় লাগছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মূল্যবান সময়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ একাডেমিক রুটিন অনুযায়ী ক্লাস-পরীক্ষা নিতে শিক্ষকদের অনীহা ও স্বেচ্ছাচারিতা, সান্ধ্যকালীন কোর্সে বেশি সময় দেওয়া এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে ব্যস্ত এবং ক্লাসরুম সংকটের কারণে সেশনজট আরো তীব্র হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বিভাগ নাট্যকলায় সেশন জটের অবস্থা বেশি ভয়াবহ। এ নতুন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তা সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সেশন জটে ভুগছেন। বিভাগটিতে দীর্ঘদিন ধরে সেকশন অফিসার না থাকায় বিভাগের প্রশাসনিক কাজও শিক্ষকদের করতে হয়। নবীন শিক্ষকরা পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলী ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষ না হওয়ায় বিভাগটির একাডেমিক কার্যক্রম ধীর গতিতে চলছে। নাট্যকলা বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা দেড় বছর পিছিয়ে এখনও ৭ম সেমিস্টারে ক্লাস করছেন। ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ১ বছর পিছিয়ে যথাক্রমে ৬ষ্ঠ ও ৫ম সেমিস্টারে ক্লাস করছেন। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও ইতোমধ্যে ৬ মাস পিছিয়ে পড়েছে। এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের ছয় মাস মেয়াদী সেমিস্টার শেষ করতে আট মাস সময় লাগছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সেমিস্টারের নির্ধারিত ক্রেডিট ক্লাস শেষ হলেও পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর কয়েকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও সমস্যার সমাধান মেলেনি। এছাড়া বিভাগটিতে ক্লাসরুম সংকটের কারণে এক ব্যাচের পরীক্ষা হলে অন্য ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এজন্যও শিক্ষার্থীরা বিভাগটির সেশনজটের ভোগান্তিতে পড়ছে । বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের সেশন জট সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের ক্লাস পরীক্ষায় কোনও ধরনের একাডেমিক রুটিন মানা হয় না। শিক্ষকরা ইচ্ছা মাপিক ক্লাস নেন। বিভাগের সেমিস্টারের এক মিডটার্ম পরীক্ষায় সময় দিয়ে তিন থেকে চারবার সময় পেছানোর অভিযোগ আছে। ফলে বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ১ বছর জটে এখনও মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারের ফল দেয়নি, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের  শিক্ষার্থীরা সাত মাস জটে মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারে, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও এক বছর জটে এখন স্নাতক ৬ সেমিস্টারের ফল না দেওয়ায় ৭ম সেমিস্টার পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা হচ্ছে না। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় চলমান অন্যান্য ব্যাচগুলোর সঙ্গে পিছিয়ে পড়ছেন প্রায় সাত মাস। বিভাগটির প্রতি শিক্ষাবর্ষের ছয় মাস মেয়াদী এক সেমিস্টার শেষ করতে গড়ে আট মাস করে সময় লাগছে। কিন্তু ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে চালু হওয়া ইংরেজি বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সেও চিত্র উল্টো। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষকরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা না নিয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্সের ক্লাস পরীক্ষায় ব্যস্ত। এছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকই রাজধানীর বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন চাকরি করেন। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালুকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন নামে নতুন বিভাগটির অবস্থাও নাজুক। বিভাগটির প্রথম ব্যাচ ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এক বছর ও ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭ মাস পিছিয়ে ক্লাস করছেন। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ১ম সেমিস্টার ১১ মাসে শেষ করে সবেমাত্র ২য় সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা দেড় বছরের জটে রয়েছেন। তাদের এখনো মাস্টার্স ২য় সেমিস্টারের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা হয়নি। বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীরা প্রায় ৮ মাস পিছিয়ে ক্লাস করছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের এক বছরের জটের ফলে বিভাগটিতে মাস্টার্স পর্যায়ে একই সঙ্গে তিনটি ব্যাচের ক্লাস হচ্ছে। এছাড়া রসায়ন ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে দেড় বছর, ২০১৫-১৬ ছয় মাস, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীরা ৬ মাস, ২০১৫-১৬ সেশনে ৪ মাস পরিসংখ্যান ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ৬ মাস, আইন বিভাগ ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের যথাক্রমে ৬ ও ৮ মাস, অর্থনীতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীরা ১ বছর জটে মাস্টার্স ১ম সেমিস্টারে, ইতিহাসের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীরা ৬ মাসের জটে এখন মাস্টার্স ৭ম সেমিস্টারে এবং ফার্মেসি ও গণিত বিভাগের প্রায় সবকটি বিভাগেই ৬ থেকে ৮ মাস পর্যন্ত পিছিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। জবি নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদেও সেশনজটের বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী মাসে সব ব্যাচের পরীক্ষা নিয়ে সেশনজট কমিয়ে আনা হবে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, সেশন জট দূর করতে সব বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার সময় ঘোষণা করে তারা এ সমস্যার সমাধান করবেন।
সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ শুরু

  সরকারি হাইস্কুলে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের প্রায় ৪শ’সরকারি হাইস্কুলে এই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলো। আজ থেকে রাজধানীর ৪১টি হাইস্কুলে ভর্তির আবেদন করা যাবে। বাকি সাড়ে ৩শ’ স্কুলে আবেদন নেওয়া হবে ৩ ডিসেম্বর থেকে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান এ তথ্য জানান । তিনি জানান, আবেদন গ্রহণ শেষে ১৭ ডিসেম্বর শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। শেষ হবে ২০ ডিসেম্বর। শিক্ষার্থী বাছাই শেষ হলে নির্বাচনী কাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটিয়ে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ মোতাবেক এ সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য মাউশি www.dshe.gov.bd এবং টেলিটকের উল্লিখিত ভর্তির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে স্কুল ভর্তি সামনে রেখে নীতিমালা প্রকাশ করেছে । নীতিমালা অনুযায়ী, এবার স্কুলগুলোতে ১০৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী হবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং শিক্ষা বিভাগ কোটায়। বাকি ১০০ শতাংশের মধ্যে ৪০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকা কোটার এবং অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় পূরণ করা হবে। ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০, এর মধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান-১০০। এর মধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। এমএইচ/ 

ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কাল

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান/ইঞ্জিনিয়ারিং) বিবিএ ও বিফার্ম কোর্সের ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।       এমসিকিউ পদ্ধতিতে আগামীকাল ৩০ নভেম্বর সকালে ‘এ’ ইউনিটে মোট ১৭টি কেন্দ্রে ও বিকেলে ‘বি’ ইউনিটে মোট ২৫টি কেন্দ্রে এবং ১ ডিসেম্বর সকালে ‘সি’ ইউনিটে মোট ১১টি কেন্দ্রে ও বিকেলে ‘ডি’ ইউনিটে মোট ৮টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন জানান, ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্তক রয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিটের ১৫টি বিভাগে ৮১৫ টি আসনের জন্য মোট ৪৮ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আসন বিন্যাসসহ ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডসহ ওয়েব সাইট www.mbstu-admission.org থেকে জানা যাবে। এসি     

অনুমোদন ছাড়াই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ! 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ বাংলদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে অনুমোদন নেই। বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী’ স্নাতক (বি. ফার্ম) কোর্স বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।       বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী স্নাতক (বি. ফার্ম) কোর্স বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাক্রেডিটেশন (অভিস্বীকৃতি)/সাময়িক অ্যাক্রেডিটেশন প্রাপ্ত দেশের ৪০টি সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সেই তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। অথচ বিভাগটি ইউজিসি থেকে অনুমোদন পেয়ে ২০১৭-১৮ সেশন থেকে ৫০টি আসন নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যক্রম শুরু করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফার্মেসী আইন ২০১৩ (বিশেষ বিধান) এর (ফার্মেসী অধ্যাদেশ ১৯৭৬) ধারা ১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের অনুমোদন ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী স্নাতক (বি.ফার্ম) শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা আইনের পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগ চালু করতে হলে অবশ্যই তাদেরকে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন (অভিস্বীকৃতি) গ্রহন করতে হবে। ফার্মেসী স্নাতক (বি.ফার্ম) শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগকে অবশ্যই বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। শুধুমাত্র ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাক্রেডিটেশন (অভিস্বীকৃতি)/সাময়িক অ্যাক্রেডিটেশন প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে বি.ফার্ম কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীগণই পরবর্তিতে ফার্মেসী কাউন্সিল থেকে ফার্মাসিস্ট হিসেবে পেশাগত রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে অবৈধভাবে ফার্মেসী স্নাতক (বি.র্ফাম) কোর্স পরিচালনা করছে এরুপ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জোরালো ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।   উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-১৮ সেশন থেকে ফার্মেসী বিভাগ চালু হয়। বর্তমান বিভাগটিতে ৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছে। এবছর ২০১৮-১৯ সেশনে ৫০টি আসনে ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে ফার্মেসী বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রক্রিয়া চলছে, আমরা আনুমোদন পাওয়ার পক্ষে। আমাদের জানিয়েছে তারা পরিদর্শনে আসবে। আমাদের একটা সমস্য হয়েছে আমাদের তো কোন ল্যাব নেই। আমরা ল্যাবের বিষয়টি চিঠির মাধ্যেমে ভিসি স্যারকে জানিয়েছি। আশা করি এ সমস্য খবু শিঘ্র্র্র্রই সমাধান হবে। এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. হারুন উর রশিদ আশকারী বলেন, এটা হয়তো কোন কমিউনিকেশান গ্যাপ হয়েছে। আমরা সেখানে অন্তর্ভূক্তি করণের চেষ্টা চালাবো। আশা করি এ সমস্য থাকবেনা খুব শিঘ্রই আমরা অনুমোদন পেতে সক্ষম হব।  এসি     

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিভাগ পেয়েছেন হৃদয় সরকার   

‘সেরিব্রাল পালসি’তে আক্রান্ত আলোচিত হৃদয় সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)তে নিজের পছন্দের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।  আজ (বুধবার) এই বিভাগে ভর্তির বিষয় নির্ধারিত হওয়ার পর এ তথ্য জানা গেছে।            হৃদয় গণমাধ্যমকে জানান, ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হতে পেরে ভীষণ খুশি। কেননা তিনি এই বিভাগেই পড়তে চেয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি । গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দিন মা সীমা সরকারের কোলে করে পরীক্ষার হলে নিয়ে আসেন হৃদয় সরকারকে। শারীরিক ভাবে অক্ষম ছেলে হৃদয় সরকারকে নিয়ে মায়ের জীবন যুদ্ধের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। মাতৃত্বের এমন আকুতি দেশ- বিদেশের মানুষকে ব্যাপক নাড়া দেয়।    হৃদয় সরকারকে নিয়ে মায়ের এমন ভালোবাসা বিশ্বের ১০০ অনুপ্রেরণাদায়ী মায়ের তালিকায় আসন করে নেন হৃদয়ের মা সীমা সরকার।  ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি তাদের করা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বের ১০০ অনুপ্রেরণাদায়ী ও প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ৮১তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মা-ছেলের অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের গল্প।    প্রসঙ্গত, ভর্তি পরীক্ষায় হৃদয় সরকার বাংলা অংশে ৯ দশমিক ৩০, ইংরেজি অংশে ১৪ দশমিক ৪০ ও সাধারণ জ্ঞান অংশে ২৭ দশমিক ৯০ নম্বরসহ মোট ১২০ দশমিক ৯৬ নম্বর পেয়ে ৩ হাজার ৭৪০ তম হন। উল্লেখ্য, প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তির আবেদন করেছিলেন হৃদয় সরকার। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটার ফরম সংগ্রহ করতে গেলে তাকে জানানো হয় তিনি ওই কোটার মধ্যে পড়েন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিতে প্রতিবন্ধী কোটায় শুধু দৃষ্টি, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী-এই তিন ধরণের প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ কোটা প্রযোজ্য। এখানে শারীরিক বা অন্য কোন ধরণের প্রতিবন্ধীরা কোটায় ভর্তি হতে পারবেন না। এই খবর শুনে হৃদয় এবং তার মা ভেঙে পড়েন। এ সময় আবারও আলোচনায় আসেন হৃদয় সরকার। এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী কোটার বিধিমালায় সংস্কার এনে শারীরিক প্রতিবন্ধীদেরও যুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ তৈরি হয় হৃদয় সরকারের।    কেআই/এসি    

জমকালো আয়োজনে পালিত হলো পিইউবি’তে র‍্যাগ ডে 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পড়াশোনার মানের দিক থেকে উচ্চ সারিতে অবস্থান করছে দি পিপলস্ ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি)। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয় এবং এখন পর্যন্ত সুনামের সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয় মাথা উঁচু করে শিক্ষাদানসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।    মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) বিবিএ বিভাগ এর ৪২ এবং ৪৩ ব্যাচের উদ্দ্যেগে দি পিপলস্ ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি)র আসাদগেটের প্রথম ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে র‍্যাগ ডে এবং কালচারাল প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। বেশ ঝাঁকজমক ভাবেই আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে প্রেরণাদায়ক বক্তব্য রাখেন বোর্ড অব ট্রাস্টির মাননীয় সদস্য সচিব (বিওটি) প্রফেসর ড: শামীমা নাসরিন সাহেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড: একেএম সালাউদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন বিবিএ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর গোপাল চন্দ্র সাহা। আরো উপস্থিত ছিল সকল বিভাগের চেয়ারম্যান ,প্রভাষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দরা।  এসি  

টাকা ফেরত দিলেন যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুল

যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠার পর তা ফেরত দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।      প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান ও টাকা ফেরত না দিলে ব্যবস্থা গ্রহণের তথ্য কানে আসার পর আজ রবিবার অনেকটা নাকে খত দিয়ে সে টাকা হাতে হাতে ফেরত দিলো স্কুল কর্তৃপক্ষ। দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযানে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সত্যতা পায় দুদক। অতিরিক্ত আদায় করা টাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান হাওলাদার, সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নাসরীন নাহারের যৌথ নামে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডে (যাত্রাবাড়ী শাখা) গচ্ছিত রাখেন। অভিযানের পর স্কুল কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে আদায় করা ২১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়ার লিখিত অঙ্গীকার করে। দুদকের নির্দেশ অনুযায়ী আজ ২৫ নভেম্বর স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাকদের হাতে তাদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুজ্জামান হাওলাদার। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুল জেডিসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিশেষ ক্লাসের নাম করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছে। তারা ফরম ফিলাপের বোর্ড ফি বিজ্ঞান বিভাগের ১৯’শ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শাখা ১৭৫০ টাকাসহ মোট ৬৬০০ টাকা করে নিয়েছে। এতে অনেকে বাড়তি টাকা দিতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে দুদকের নিকট এ নিয়ে অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুজ্জামান হাওলাদার বলেন, আমরা মোটেই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নিচ্ছি না। আমরা সরকারি পরিপত্রের আলোকে বিশেষ ক্লাসের জন্য সরকার নির্ধারিত ১২০০ টাকার সঙ্গে দুইটি মডেল টেস্টের জন্য ১০০০ টাকা নিচ্ছি। এখানে বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এরপরও যেহেতু এটা নিয়ে কথা উঠেছে তাই আমরা টাকা ফেরত দিয়ে দিচ্ছি। সরকার থেকে এ নিয়ে নির্দেশনা আছে এর বাইরে আমরা কিছু করি নি। ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা ২১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা আজ ছাত্র ছাত্রীদের ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এবিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা তা এখনি মন্তব্য করা যাচ্ছে না। লায়লা আক্তার নামে একজন অভিভাবক তিনি বলেন, আমার ছেলের নাম হিমেল। তাকে আমি বিশেষ ক্লাস করাতে চাই। কারণ এই সময়টা সে স্কুলে কাটাচ্ছে। এতে করে আমিও নিশ্চিন্ত হচ্ছি। এখনকার ছেলে মেয়েরা বাবা ইয়াবাসহ নানা কিছুতে আসক্ত হচ্ছে। সেখান থেকে এটাতো ভালো। তারা তিনমাস স্কুলে আটকা থাকলো। পড়াশোনার মধ্যে থাকলো। এটাকে আমি ভালো মনে করছি। তবে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনেকের মাঝে এ নিয়ে দ্বিমতও রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী তায়েবা বলেন, আমরা অনেকেই এ ধরণের বিশেষ ক্লাস চাই না। কারণ আমরা বাইরে প্রাইভেট পড়ি, অনেকের বাসায় শিক্ষক আছে। তাই এখানে আবার পড়ার ইচ্ছে নেই। আমাদের সাইন্স বিভাগের বেশিরভাগই বিশেষ ক্লাসের বিপক্ষে।    মানবিক শাখার ছাত্রী নাদিয়া আক্তার বলেন, তিনমাসে কোচিংসহ মোট আমরা ৬৬০০ টাকা দিচ্ছি এটা খুব বেশি না। আমরা আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ কোচিং করতে চাই। যেহেতু আমাদের পরীক্ষা সামনে তাই স্কুলের এই বিশেষ ক্লাস আমাদের দরকার। কিন্তু এখানে বিজ্ঞান শাখার কেউ কেউ চাচ্ছে না। এ জন্য ঝামেলা তৈরি হয়েছে। আজকে আমাদের টাকা ফেরত দিয়ে দিচ্ছে।   এসি    

সমাপনীর প্রশ্ন ফাঁসে শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে এবার সাময়িক বরখাস্ত হলেন হারুনুর রশিদ নামে এক শিক্ষক। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার গণিত বিভাগের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় শনিবার বিকেলে জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। উপজেলা পরিষদ বিদ্যা নিকেতনের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। জানা যায়, পৌর শহরে মাতৃছায়া কোচিংয়ে উপজেলা পরিষদ বিদ্যা নিকেতনের শিক্ষক হারুনুর রশিদ সরকারি আদেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ পান শিক্ষক হারুনুর রশিদ প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুর রহমান অভিযান পরিচালনা করে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা পান। অভিযানে আজ রোববার (২৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার গণিত প্রশ্ন কোচিং সেন্টারে উপস্থিত অভিভাবকদের মোবাইলে পাওয়া যায়। আরকে//

আসন সংকটে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে ৮০ আসন বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের পর্যাপ্ত স্থানের অভাব থাকলেও আসনগুলো অধিকাংশ ফাঁকা থাকে।  এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বই নিয়ে লাইব্রেরিতে প্রবেশ করতে না দেওয়ায়, লাইব্রেরিতে বসে পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে অধিকাংশ শিক্ষার্থী।    বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে ৪০টি আসন বিশিষ্ট একটি রুম থাকলেও পরে আরও একটি রুম বরাদ্দ দিলে ৮০টি আসনে রুপান্তরিত হয়। যা সাড়ে ৬ হাজার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।   লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ হারানোর পিছনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অন্যতম অভিযোগ হচ্ছে, লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত বইয়ের অভাব। যে বইগুলো রয়েছে কোর্সের সাথে মিল নেই। বাহিরের বই নিয়ে প্রবেশে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কোনো অবস্থাতেই বাহিরের বই নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। এতে শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রতিনিয়ত।  এই বিষয়ে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, লাইব্রেরী থেকে যে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার তা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছি আমরা। এখানে পর্যাপ্ত বই নেই। নিজস্ব বইপত্র নিয়ে প্রবেশ রয়েছে অনেক বাঁধা। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা তাদের লাইব্রেরিতে আসার মতো আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। তাই লাইব্রেরির আসনগুলো অধিকাংশ সময় ফাঁকা থাকে।’ শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, শিট ছাড়া আর কোনো কিছু নিয়েই লাইব্রেরিতে ঢুকতে দেওয়া হয় না। ভেতরে মাঝে মাঝে বই খোঁজতে খোঁজতেই সময় চলে যায় শিক্ষার্থীদের। লাইব্রেরি কার্ড তৈরির বিষয় নিয়েও শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একটা লাইব্রেরি কার্ড পেতেও সপ্তাহেরও বেশিও সময় লেগে যায়। যে বইগুলো রয়েছে তার একাধিক কপি নাই। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার জন্য বলেন।   লাইব্রেরির সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মহিউদ্দিন মোহাম্মদ তারিক ভূইয়া বলেন, বড় পরিসরের রুম বরাদ্দ পেলে  শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরীতে বই নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ফটোকপি মেশিন ক্রয় করা হবে কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘এই রকম পরিকল্পনা আমাদের নেই। ই-লাইব্রেরীতে সাড়ে ৩ হাজার বই ও সাড়ে ৭ হাজার জার্নাল পড়া যাবে বলে তিনি জানান। কেআই/এসি    

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে প্রতি আসনে লড়বে ৬০ শিক্ষার্থী

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান/ইঞ্জিনিয়ারিং) বিবিএ ও বিফার্ম কোর্সের ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনে বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ৬০ জন শিক্ষার্থী।      সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ‘এ’ ইউনিটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিটের ১৫টি বিভাগে ৮১৫টি আসনের জন্য মোট ৪৮ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।    এবার ‘এ’ ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য ৮৪ জন পরীক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।    ‘এ’ ইউনিটে তিনটি বিভাগে ১৭০টি আসনের জন্য ১৪ হাজার ২০৮ জন, ‘বি’ ইউনিটের ছয়টি বিভাগে ২৯৫টি আসনের জন্য ২০ হাজার ৩৪৯ জন, ‘সি’ ইউনিটের চারটি বিভাগে ২৩০টি আসনের জন্য ৮ হাজার ৯৯৩ জন এবং ‘ডি’ ইউনিটের দুটি বিভাগে ১২০টি আসনের জন্য ৫ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।     এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৩০ নভেম্বর সকালে ‘এ’ ইউনিটে মোট ১৭টি কেন্দ্রে ও বিকেলে ‘বি’ ইউনিটে মোট ২৫টি কেন্দ্রে এবং ১ ডিসেম্বর সকালে ‘সি’ ইউনিটে মোট ১১টি কেন্দ্রে ও বিকেলে ‘ডি’ ইউনিটে মোট ৮টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন জানান, ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ যেকোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্তক রয়েছে।  আসন বিন্যাসসহ ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডসহ ওয়েব সাইট www.mbstu-admission.org থেকে জানা যাবে। কেআই/এসি   

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু রোববার

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সারা দেশে শুরু হচ্ছে রোববার। শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এসব তথ্য জানান। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন ও ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা ২৮ হাজার ৮২৬ জন কম। ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে যার মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। এই পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় ২৩ হাজার ৪৭২ জন ছাত্র-ছাত্রী বেশি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, এবারের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৮৬ জন বেশি। এটি আশাব্যঞ্জক যে মেয়েরা প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেন, এবছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ৭ হাজার ৪১০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে ৭ হাজার ৩৯৮টি এবং দেশের বাইরে ১২টি কেন্দ্র। উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২২ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২২ নভেম্বর আরবি, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং আকাইদ ও ফিকাহ্ বিষয় অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় টায় শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় শেষ হবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি