ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৭:০৭:৫৭

বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে অসলো যাচ্ছে টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের বিজয়ীরা

বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে অসলো যাচ্ছে টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের বিজয়ীরা

টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম-২০১৮-তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে নরওয়ের রাজধানী অসলো যাচ্ছে সায়মা মেহেদী খান এবং সামিন আলম। টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের বাংলাদেশ অংশের বিজয়ী হয়ে অসলো যাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র এই দুই শিক্ষার্থী।  
সৌরশক্তির চালকবিহীন গাড়ি উদ্ভাবন পটুয়াখালীর তরুণের (ভিডিও)

সৌরশক্তিতে চলছে গাড়ি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে দুর্ঘটনা। এমন ফোর হুইলার উদ্ভাবন করেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার তরুণ শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান শাওন। চলছে গাড়ি চালকবিহীন। জ্বালানি তার সূর্যের আলো। গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। নাম তার স্মার্ট গ্রিন কার। এমন গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান শাওন।  তিন বললেন, একাগ্রতা আর আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর এই আবিষ্কার। গাড়িটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে বেশ কিছু সেন্সর যা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্ঘটনা এড়াতে পারে। সোলার প্যানেল যোগান দেয় গতিবেগের শক্তি। রয়েছে স্মার্ট সিকিউরিটি সিষ্টেমও। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাপাতি আর প্রযুক্তির প্রতি দারুন আগ্রহী শাওন। এমন একটি উদ্বাভনের স্বপ্ন লালন করেছেন দীর্ঘদিন। সৌরচালিত গাড়ির প্রসার হলে পরিবেশে দূষণরোধে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক। এরই মধ্যে এমন যানবাহন তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই ল্যাবে প্রস্তাবনা দিয়েছে শাওন।

দুস্থদের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের ওয়েবসাইট

দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা, দুস্থ, অসহায় ও বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশে প্রথম বারের মত কান্ডারী বিডি নামে একটি মাইক্রো ক্রাউডফান্ডিং ওয়েবসাইটের যাত্রা  শুরু করেছে। এটি শুরু করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে প্লাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে রুয়েটের উপাচার্য, অনুষদের ডীন, বিভিন্ন কোম্পানীর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুস্থ, অসহায়, বেকার জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করে দিতে ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার সাহায্যার্থে, দেশের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে ১ টাকা থেকে শুরু করে যেকোন সংখ্যক টাকা দান করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। একই সাথে পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে পরিচালনা করা হবে বলেও জানানো হয়। প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়, কেউ সাহায্যের আবেদন করলে সাহায্যপ্রার্থীর নাম, ঠিকানা, আর্থিক অবস্থা ইত্যাদির বিবরণ গেজেটেড অফিসার বা রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে এবং সংগৃহীত সম্পূর্ণ অর্থ গেজেটেড অফিসারের মাধ্যমেই সাহায্যপ্রার্থীকে তুলে দেওয়া হবে। কান্ডারীতে সাহায্য নেওয়া বা সাহায্য করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কান্ডারিবিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন পল্লব বলেন, ‘১ টাকার একটি কয়েন আমাদের মানিব্যাগের কোনে পড়ে থাকে, হারিয়েও যায়। কিন্তু এই একটা কয়েনই বাঁচাতে পারে একটা মানুষের প্রাণ, পরিবর্তন করতে পারে একটা পরিবারের জীবনযাত্রা, বা সফল করতে করতে পারে একটি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট যা পরিবর্তন করে দিতে পারে দেশের ভবিষ্যত। এই পরিবর্তনকামী মানুষদের প্লাটফর্মই kandaribd.com।’ এমএইচ/  

নারী উদ্যোক্তাদের ‘স্পার্কল ফেইরিস’ এর বর্ষপূর্তি

নারী উদ্যোক্তাদের ফেসবুক গ্রুপ ‘স্পার্কল ফেইরিস’র ১ম বর্ষপূর্তি’ অনুষ্ঠান এবং রাইজিং স্টার গ্রুপ এর মিনি জি টু জি অনুষ্ঠিত হয়েছে।   সম্প্রতি রাজধানী ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে বর্নাঢ্য ও জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়ে তরুণ এ উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা হয়।   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ টিভি, রেডিও স্বদেশ, স্বদেশ নিউজ২৪ এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির জয়েন সেক্রেটারি আরজে সাইমুর রহমান।   বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন - লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১৮ এর টপ টেন জনপ্রিয় মডেল সেরিনা মজুমদার, জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী নুসরাত জাহান নিপা ও জেসমিন মৌসুমী এবং কন্ঠশিল্পী তারেক হামিম । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী উদ্যোক্তাদের ফেসবুক গ্রুপ ‘স্পার্কল ফেইরিস’ ও পালকির কর্ণধার মেহজাবিন মালিহা মুমু। তিনি বলেন, মূলত বাসায় বসে শুধু ফেসবুকে চ্যাটিং না করে পাশাপাশি অনলাইনে বিজনেস করে নারীরা নিজেদের সাবলম্বী করতে পারে তারই একটি চেষ্টা ‘স্পার্কল ফেইরিস’ গালস গ্রুপের। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই তারা এগিয়ে চলেছে নিজেদের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে। তাই সফলভাবেই ১ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সঙ্গে রয়েছে রাইজিং স্টার গ্রুপের মেম্বার। গতবারের অনেক নারী স্পন্সরদের পাশাপাশি নতুন অনেক নারী এখানে যুক্ত হয়েছেন। স্পার্কল ফেইরিস ও রাইজিং স্টার এর সকল স্পন্সর ও মেম্বাররা সহযোগিতা করেছে। আর স্পেশাল ধন্যবাদ আমাদের সবার প্রিয় আরজে সাইমুর রহমানকে। যিনি এত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের অনুষ্ঠানে এসে প্রধান অতিথি হিসেবে সময় দিয়েছেন এবং অনেক সাপোর্ট করেছেন। আর মডেল সেরিনা, নিপা, মৌসুমি ও তারেক ভাইকে ধন্যবাদ। সবার সহযোগিতা ও ভালবাসা নিয়ে আগামীতে আরো বড় পরিসরে অনুষ্ঠান করবো। সবাই আমার এই গ্রুপ ও পালকি পেজের জন্য দোয়া করবেন। অনুষ্ঠানে ছিল মন মাতানো নাচ, গান, র‍্যাম্প, ফটো সেশন, ক্রেস্ট গিভিং সিরিমনি, র‍্যাফেল ড্র ও লাঞ্চ। অনুষ্ঠানে অনলাইন মিডিয়া পার্টনার ছিল স্বদেশ টিভি। এসি     

৩৬ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার সাঁতার!

মাথার ওপর জ্বলছে গনগনে সূর্য, কখনও বা বৃষ্টি। পার হচ্ছেন গ্রামের পর গ্রাম। সঙ্গে চলছে ইঞ্জিনচালিত বড় দুটি নৌকা ও দুটি ডিঙি। তাতে শতাধিক উৎসুক জনতা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখছেন তাকে। তিনি সাঁতার কাটছেন আর কাটছেন। এভাবেই গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত নদীপথে ৩৬ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার পাড়ি দিলেন নেত্রকোনার মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য। ৬৭ বছর বয়সী এই সাঁতারু প্রতি ঘণ্টায় তিন কিলোমিটারের বেশি পথ সাঁতরাচ্ছেন। নিজস্ব রেকর্ড তৈরির লক্ষ্যেই তার এই সাঁতার। জানা যায়, গত সোমবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী ভোগাই নদের সেতুসংলগ্ন এলাকা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার পাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। মদন উপজেলা নাগরিক কমিটি ও নালিতাবাড়ী পৌরসভা যৌথভাবে দূরপাল্লার এই সাঁতারের আয়োজন করে। নদীপথে ওই পথ আসতে তাকে নালিতাবাড়ী ছাড়াও ময়মনসিংহের তারাকান্দা, ফুলপুর, ধোবাউড়া, নেত্রকোনার পূর্বধলা, দুর্গাপুর, সদরসহ ছয়টি উপজেলা পার হতে হয়েছে। গন্তব্যে আসতে বাকি আছে আটপাড়া ও মদন উপজেলা। আজ বুধবার দুপুরের দিকে গন্তব্যস্থল মদনের দেওয়ান বাজার ঘাট এলাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে এই মুক্তিযোদ্ধার। সাঁতারে নামার আগে ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য বলেন, আমি একটি রেকর্ড করতে চাই। এ ক্ষেত্রে বয়স কোনও বিষয় না। চেষ্টা থাকলে সবই সম্ভব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় এমএসসি পাস করা ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য সাঁতার কেটে এ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে চারটি পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতেও দূরপাল্লার সাঁতার প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন ক্ষিতীন্দ্র। একে//

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান ২১ অক্টোবর   

দেশে তৃতীয়বারের মতো ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আগামী ২১ অক্টোবর প্রদান করা হবে। দেশ গঠনে তরুণদের সৃজনশীল উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে প্রতি বছরের মতো এবারও তরুণদের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’  প্রদানের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদানের লক্ষ্যে এবার তরুণদের নেতৃত্বে দেশ গঠনে এগিয়ে যাওয়া শীর্ষ স্থানীয় ৩০ সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করা হবে।  সোমবার ইয়াং বাংলার সেক্রেটারিয়েট ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’র (সিআরআই) নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তৃতীয়বারের মত জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদানের লক্ষ্যে আবেদন পত্র আহ্বান করা হচ্ছে। এ বছর এই আয়োজনে অংশ নিতে অনলাইনে আবেদন ফরম ছাড়া হয়েছে ২১ আগস্ট। বরাবরের মত এবারো ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণেরা অনলাইনে অবেদন করতে পারবেন। http://youngbangla.org/ member/joy-bangla-youth-award- 2018.php লিংকে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন ইয়াং বাংলার অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে http://www.youngbangla.o rg/। আবেদনের শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮। ১০টি বিভাগে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরষ্কার প্রদান করা হবে। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর বিশেষভাবে শীর্ষ আবেদনকারীদের বাছাই করা হবে। পরবর্তীতে এই বাছাইকৃত সংগঠনগুলোর কাজ ও সমাজে তার প্রভাব দেখার জন্য মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণে যাবে ইয়াং বাংলা টিম। সেখান থেকে শীর্ষ ৩০ সংগঠনকে বাছাই করা হবে। ২০ অক্টোবর ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজনের প্রথম দিন বাছাইকৃত এই সংগঠনগুলোর তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ সেশন আয়োজন করা হবে যেখানে তাদের সংগঠন নিয়ে কাজ করে যাওয়ার পথে বাঁধা এবং তা থেকে উৎরানোর মাধ্যমে আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে (২১অক্টোবর) বরাবরের মতই বিজয়ী সংগঠনগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ‘ভিশন ২০২১’-কে লক্ষ্যে রেখে দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে তাদের নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনগুলোকে উত্থাপন করার জন্যই ২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর আত্মপ্রকাশ করে ইয়াং বাংলা।১৫ হাজারের বেশি সেচ্ছাসেবী এবং দুইশ’টির বেশি সংগঠনকে সাথে নিয়ে চলা এই সংগঠনটির বর্তমানে সদস্য সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। প্রথমবার ৩০টি তরুণ নেতৃত্বাধীন সংগঠনকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০১৭ সালে সারাদেশের ৪৪টি জেলা ও ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জন্য দেড় হাজার আবেদন জমা পড়ে। এদের মধ্য থেকে একশ’টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয় এবং চূড়ান্ত পর্বে মনোনীত হয় ৫০টি সংগঠন। সেখান থেকে ৩০টি সংগঠনকে চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া-ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার পায় সংগঠনগুলো। পরবর্তীতে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে ১০টি সংগঠনের হাতে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। কেআই/এসি    

নিজেদের উদ্যোগেই বাল্য বিয়ে  বন্ধ করছে ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়েরা

এক সময় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বিয়ে দেওয়া হতো অল্পবয়সী মেয়েদের। অভিভাবকের চাপে মেয়েরা বাধ্য হতো বিয়ের পিড়িতে বসতে। কিন্তু এখন সেই দৃশ্যপট ভিন্ন, বেড়েছে সচেতনতা। নিজেদের বাল্য বিয়ে  ঠেকাতে প্রশাসনের সহায়তা নিচ্ছে মেয়েরা। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের তথ্য মতে, ২০০৯, ১০ ও ১১ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শতকরা ৫৫ ভাগ মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার আগেই ঝরে পড়তো। তাদের অধিকাংশই বাল্য বিয়ের শিকার। দরিদ্রতা, যৌতুক এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিতেন অভিভাবকরা। আর অল্প বয়সেই সন্তানের মা হওয়ায় জটিল রোগে আক্রান্ত হতো এসব মেয়ে। পাশাপাশি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটতো অহরহ। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামে একটি উদ্ভাবনী ধারণা পাঠান। সেই ধারণা থেকেই ২০১৬ সালে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে স্টুডেন্টস ডাটা বেজ ও সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়। এখন অভিভাবকরা তাদের স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের গোপনে বিয়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছে এসব মেয়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, ব্যাপক প্রচারনায় গ্রামাঞ্চলে গণজাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৬২টি স্কুল ও মাদ্রাসার ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে স্টুডেন্ট ডাটা বেজের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া কাজী ও নিকাহ রেজিস্ট্রার এবং পুরোহিতদের পাশাপাশি পাড়া মহল্লায় গঠন করা হয়েছে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ কমিটি।   একে// 

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি সুলতানা পারভিনকে

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের জকতলা গ্রামের সুলতানা পারভিনকে। জন্ম থেকে বিকলঙ্গ পা নিয়ে এইচএসসি পাশের পর এখন বাঁশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন তিনি। প্রবল ইচ্ছা শক্তি নিয়ে এগিয়ে চলেছেন সুলতানা পারভীন। জন্ম থেকে দুই পা বিকলঙ্গ। ছোট্টবেলা থেকে বাবা আর বোনের কাধে ভর করে স্কুলে যাওয়া। বাবার অনুপ্রেরণায় পথচলা। এখন বাঁশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুলতানা। ৮ ভাই বোনের মধ্যে ৭ম সুলতানা। ১৯৯৮ সালে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। শিক্ষিক হিসেবে নিয়োগ পান ২০১০ সালে। প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে প্রতিবন্ধিরাও দক্ষভাবে সমাজকে আলোকিত করতে পারে, বললেন সুলতানা। তার দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন শিক্ষার্থীসহ স্কুল কর্তৃপক্ষ।  প্রতিবন্ধিরাও পারে সমাজে ভূমিকা রেখে প্রতিষ্ঠিত হতে- তারই দৃষ্টান্ত সুলতানা পারভীন। একে//

"উই"এর ঈদ আড্ডা 

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি হোটেলে উই’র সভাপতি নাসিমা আক্তার নিসার সভাপত্বিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ আড্ডা। এতে উপস্থিত ছিলেন অনলাইন ই-কমার্সের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০ নারী উদ্যোক্তা। বিভিন্ন ধরনের সভা-সেমিনার ছাড়াও ‘উই’ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অলাইন মাকেটিং নিয়ে বিভিন্ন ইভেন্ট ও মেলার আয়োজন করে থাকে।  অনলাইনে বিজনেস করে সফলতা পাওয়া "অপরাজিতা" দের প্ল্যাটফর্ম উই এর আড্ডায় অংশ নেন চল্লিশ জন প্রতিষ্ঠীত নারী উদ্যোক্তা। অংশগ্রহণকারী নারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এই ধরণের আয়োজনের জন্য মুখিয়ে থাকেন। উই এর প্রতিষ্টাতা ও চেয়ারম্যান নাসিমা আক্তার নিশা বলেন, "যান্ত্রিকতার বাইরে একটি দিন হলো আমাদের জন্য।সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ "উই" এর পাশে থাকার জন্য।" আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দিনব্যাপী আয়োজনে রেফেল ড্র, লাঞ্চ, ঈদ উপহার বিতরণ, আনলিমিটেড ফটোগ্রাফি ছিলো। ভবিষ্যতে "উই" নারীদের জন্য আরো বেশকিছু উদ্যোগ হাতে নিচ্ছে, যেগুলোতে প্রচুর নারীকে দক্ষ মানবসম্পদে রুপান্তর করবে। এসি  

জ্ঞানের মশাল নিয়ে দুই তরুণীর পথচলা [ভিডিও]  

সমাজের শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত শিশুদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য দুই শিক্ষার্থী গড়ে তুলেছেন বৈকালিক স্কুল। সেখানে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে অন্তত ৬৫ শিশু। মৌসুমী ও শাকিলার এমন উদ্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই।    মৌসুমী ও শাকিলা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এগিয়ে এসেছেন এই দুই তরুণী। মাত্র একজন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু করলেও এখন ৬৫ শিশুকে বিনামূল্যে পাঠদান করছেন তারা। মৌসুমী ও শাকিলা কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। প্রথমদিকে কলেজের ক্লাস শেষে হারুয়া এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে বসতো তাদের বৈকালিক স্কুল।  বর্তমানে পৌরসভার একটি কক্ষ ব্যবহার করছেন তারা। মৌসুমী ও শাকিলার এমন উদ্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই। কিনে দিচ্ছেন শিশুদের জন্য বই, খাতা, কলম ও ব্যাগ। দুই শিক্ষার্থীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী। ভিডিও:  এসি  

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে দুই তরুণী

মৌসুমী ও শাকিলা। কিশোরগঞ্জে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের দুই শিক্ষার্থী। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এগিয়ে এসেছেন এই দুই তরুণী। গড়ে তুলেছেন বৈকালিক স্কুল। সেখানে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে অন্তত ৬৫ শিশু। মাত্র একজন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু করলেও এখন ৬৫ শিশুকে বিনামূল্যে পাঠদান করছেন তারা। মৌসুমী ও শাকিলা গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। প্রথমদিকে কলেজের ক্লাস শেষে হারুয়া এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে বসতো তাদের বৈকালিক স্কুল। বর্তমানে পৌরসভার একটি কক্ষ ব্যবহার করছেন তারা।  মৌসুমী ও শাকিলার এমন উদ্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই। কিনে দিচ্ছেন শিশুদের জন্য বই, খাতা, কলম ও ব্যাগ। দুই শিক্ষার্থীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী। একে//

ঢাকায় অবসরে কি করেন তরুণীরা? 

ঢাকা সবচেয়ে ব্যস্ততম নগরী। এই শহরে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কয়েক লাখ তরুণী চাকরি করেন। তাদের অনেকে ঢাকায় যেমন পরিবারের সঙ্গে থাকেন, আবার অনেকে একাই বসবাস করছেন। কিন্তু নিয়মিত চাকরির বাইরে কেমন তাদের অবসর জীবন? এত বড় একটি শহরে তাদের বিনোদনের কতটা সুযোগ রয়েছে?    ঢাকায় নানা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে কয়েক লাখ তরুণী চাকরি করছেন। কিন্তু অফিস আর বাসার নিয়মিত রুটিনের বাইরে তারা কি করেন? ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন আমেনা আখতার। তিনি ভালো আয় করেন, কিন্তু বলছেন, নিজের বিনোদনের কথা চিন্তা করার সময় তাকে পারিবারিক অনুশাসন আর সমাজের কথাও চিন্তা করতে হয়। তিনি বলছেন, ``আমার একজন স্বাধীনতা মতো, নিজের ইচ্ছামতো নিরাপদে ঘুরবো ফিরবো সেটা এখানে সম্ভব না। যেমন হয়তো অফিসের পর বন্ধুদের সাথে ঘুরলাম, এরপর রাত ৯টা বা ১০টায় বাসায় ফিরে বিশ্রাম নিলাম, যাতে আমার রিফ্রেশমেন্টও হল, ঘোরাফেরাও হল আবার কাজও হল, কিন্তু এই ঢাকাতে সম্ভব না।`` এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন ``আমি যে সোসাইটিতে থাকি, সেখানে রাত ১০টার সময় যদি কোন মেয়ে বাসায় যায়, তখন অনেক কথা উঠবে। এজন্য সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তাই মেয়েদের স্বাধীনতার জন্য সমাজেরও পরিবর্তন দরকার।`` বাংলাদেশের তরুণীরা বলছেন, ঘুরে বেড়ানো বা রেস্তোরায় খাওয়া তাদের বিনোদনের অন্যতম উপায় ঢাকার তরুণী চাকরিজীবীরা বলছেন, ঢাকায় চলাচলের সমস্যা, যানজট আর নিরাপত্তা অভাবের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের ঘরে সামাজিক মাধ্যমে বা টেলিভিশন দেখে সময় বেশি কাটে। তার বিবাহিত তরুণীদের অফিসের বাইরে সংসার সামলাতে অনেক সময় কেটে যায়। তাহেরা সুলতানা নামের একজন তরুণী বলছেন, ``একজন ছেলের মতো আমরা ইচ্ছা করলেই বাইরে যেতে বা ঘুরাফিরা করতে পারছি না। এ কারণেই সামাজিক মাধ্যম গুলোতেই আমাদের বেশি সময় কাটছে। এর মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই বেশিরভাগ সময় কাটে।`` অনেকে শপিং মলে ঘুরে বেড়াতে বা কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। এর বাইরে তাদের কাটানোর আরেকটি উপায় কোন উপলক্ষ ধরে রেস্তোরায় খাওয়া দাওয়া করা। আমেনা আখতার যেমন বলছেন, ``অনেক সময় পরিবার বা বন্ধুদের কেউ বলে, ভালো লাগছে না, চলো কোথাও থেকে ঘুরে আসি। কিন্তু কোথায় ঘুরতে যাবো? পার্কের যে অবস্থা, সেখানে তো যাওয়া যায় না। নিরাপত্তার অভাব। তখন চিন্তা করি, একটা ভালো রেস্তোরায় গিয়ে আজ একজন খাওয়াচ্ছে, কাল আরেকজন। এটাই যেন এখন আমাদের সবচেয়ে বড় বিনোদন হয়ে দাঁড়িয়েছে।`` তবে একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী কানিজ ফাতেমা বলছেন, মেয়েদের জন্য ঢাকার মতো একটি মহানগরীতে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা থাকা উচিত। তিনি বলছেন, ``এরকম যদি কোন জায়গা বা সংস্থা থাকতো, যেখানে গিয়ে মেয়েরা ছেলেদের মতো সময় কাটাতে পারবে, যেমন টেনিস, ব্যাডমিন্টন বা গলফ খেলতে পারবে, তাহলে খুব ভালো হতো। ঢাকায় যে দুই একটি ক্লাব রয়েছে, সেখানে সবাই যেতে পারে না বা অনেকগুলো মেয়েদের জন্য নিরাপদও না। তাই সবার জন্য এরকম জায়গা হলে অনেকে যেতে পারতো।`` এসব ক্ষেত্রে সমাজের মনোভাবেরও পরিবর্তন দরকার বলে তিনি মনে করেন। সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফা বলছেন, গত দুই দশকের তুলনায় বিনোদনের বিষয়ে নারীদের মনোভাবের অনেক পরিবর্তন হয়েছে সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, গত দুই দশকের তুলনায় বাংলাদেশের মেয়েদের সামাজিক অবস্থানের যেমন অনেক পরিবর্তন হয়েছে, তেমনি তাদের অবসর বা সময় কাটানোর ধরনেরও অনেক পরিবর্তন এসেছে। সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফা বলছেন, এক সময় বই পড়া বা সপ্তাহে একদিন সিনেমা দেখার মধ্যে যে বিনোদন সীমাবদ্ধ ছিল, তা এখন গণ্ডি পেরিয়ে দেশের ভেতরে বাইরে ভ্রমণেও রূপান্তরিত হচ্ছে। সামিনা লুৎফা বলছেন, ``গত দুই দশকে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত নারীরা অনেক বাইরে এসেছে। অবসর নিয়ে তাদের ধারণাও অনেক পাল্টে গেছে। অনেকে হয়তো কর্পোরেট চাকরি শেষে, যানজট ঠেলে আসা যাওয়ার পর বিনোদনের ইচ্ছাটাও থাকে না। আবার নিরাপত্তারও অনেক অভাব আছে। তারপরেও নিজের বিনোদন নিয়ে নারীদের মনোভাবের অনেক পরিবর্তন হয়েছে।`` ``হয়তো আমাদের দেশে ক্লাব, পাব এগুলো সে অর্থে নেই বা যা আছে, তাও হাতেগোনা উচ্চবিত্তদের গণ্ডির মধ্যে। কিন্তু সেটাই তো একমাত্র বিনোদন নয়।`` সামিনা লুৎফা বলছেন, ``আগে যেমন শুধু সিনেমা দেখতে যাওয়া ছাড়া বা বই পড়া ছাড়া নারীদের তেমন কিছু করার ছিল না। কিন্তু এখন তারা সামাজিক মাধ্যমে অনেক সময় কাটাচ্ছেন। পাশাপাশি দল বেধে ঘুরতে যাচ্ছেন। আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার কারণে তার নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বেড়েছে। এখন তারা একা বা দল বেধে ঘুরতে যেতে পারেন। এগুলো কিন্তু দুই দশক আগেও ছিল না।`` সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, একটি মহানগরী হিসাবে ঢাকার বাসিন্দাদের বিনোদনের যেসব সুযোগসুবিধা থাকা উচিত তার অনেক কিছুই হয়তো এখনো পর্যাপ্ত নয়, আর মেয়েদের জন্য তা আরো অপ্রতুল। তবে তাদের মতে, ধীরে হলেও সেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা   এস ইউ আহমদ /এসি    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি