ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩৪:৩৭

ইস্টার সানডে কি?

ইস্টার সানডে কি?

আজ ১ এপ্রিল, রোববার। খ্রিষ্টবিশ্বাসীরা আজ মহাসমারোহে পালন করছে মৃত্যুঞ্জয়ী প্রভু যিশুর গৌরবময় পুনরুত্থান মহোৎসব পাস্কা বা ইস্টার। আজ আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে, পালন করা হচ্ছে প্রভু যিশুর গৌরবময় পুনরুত্থান। হিব্রু ভাষায় পাস্কা মানেই হলো পেরিয়ে যাওয়া বা পার হয়ে যাওয়া। যিশুর পুনরুত্থান পাপের ওপর বিজয় এনেছে। মানুষকে পাপ থেকে মুক্ত করেছে। এই অর্থেই আজকের এই মহোৎসবের নাম পাস্কা। যিশুর পুনরুত্থানে মানুষের জীবনে উষার আলোর উদয় হয়েছে। তাই এই পর্বের নাম ইস্টার। বস্তুত, শনিবার রাত থেকেই এই নবজীবনের মহোৎসব শুরু হয়। শনিবার রাতে নিস্তার জাগরণী উপাসনায় যিশুর পুনরুত্থান ঘোষণা করা হয় এবং সবাই মেতে ওঠে পুনরুত্থানের আনন্দে। জ্বালানো হয় পুনরুত্থানের প্রদীপ, এক বিরাট আকারের মোমবাতি, যা ঘোষণা করে : যিশুর পুনরুত্থান মানুষের জীবনে এনেছে নতুন আলো, নতুন জীবন; যিশুর পুনরুত্থান দূরীভূত করেছে পাপের অন্ধকার; মানুষ মৃত্যুঞ্জয়ী যিশুখ্রিষ্টের সঙ্গে হয়েছে নবীভূত। আজকের এই মহোৎসব আলোর মহোত্সব। আজ নতুন সাজে ছোট-বড় সবাই পুনরুত্থানের খ্রিষ্টযাগে তথা উপাসনায় অংশগ্রহণ করে। উপাসনার পরেই চলে আপন আপন কৃষ্টিতে ইস্টারের শুভেচ্ছা বিনিময়। ঘরে ঘরে আজ আয়োজন করা হয় দই-চিড়া-মুড়ি-মুড়কির মতো হরেক রকম মুখরোচক আহারসামগ্রী। এতে অংশগ্রহণ করে ঘরের সবাই, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই। এসএ/
জগত আলোকিত হোক

যীশু জগতের আলো। বিশ্বের কোটি কোটি খ্রিষ্টধর্ম বিশ্ববাসীর এটাই বিশ্বাস। যীশু ধর্মের জন্যে, সত্যের জন্যে, মানুষের কল্যাণের জন্যে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর ছোঁয়ায় অসুস্থ সুস্থ হয়েছে, অন্ধ পেয়েছে দৃষ্টিশক্তি, নিষ্প্রাণ পেয়েছে প্রাণ। যীশু ছিলেন বিশ্বজনীন মমতার মূর্ত প্রতীক। মানুষের পরিত্রাণের জন্যে যীশুর ভালোবাসার দলিল হচ্ছে পবিত্র বাইবেল। পবিত্র বাইবেলে রয়েছে এক শাশ্বত অনুসরণ, ঈশ্বরের উপাসনা কর, সৃষ্টির সেবা কর আর অপেক্ষা কর যীশুর পুনরাগমনের। [যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল বাইবেল সোসাইটির ইংরেজি অনুবাদ The Holy Bible, New International Version থেকে কিছু বাণীর সরল বাংলা মর্মার্থ হচ্ছে বাইবেল কণিকা] ১) আমি ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নাই। আমিই ন্যায় বিচারক এবং ত্রাণকর্তা। পৃথিবীর মানুষেরা আমার দিকে প্রত্যাবর্তন কর, তোমরা পরিত্রাণ পাবে। কারণ আমিই একমাত্র ঈশ্বর, আর কোনো উপাস্য নাই। [ইশাইয়া ৪৫:২১-২২] সূত্র: কোয়ান্টাম কণিকা একে// এআর  

শুভ বড়দিন আজ

আজ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বিদের সবথেকে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’। এদিন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিস্ট জন্মগ্রহণ করেন। পবিত্র নগরী বেথেলহেমে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ঈশ্বরের বাণী মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং মানব সমাজকে ঈশ্বরের কৃপায় নিয়ে আসতে জন্ম হয় যীশু খ্রিস্টের। মানব জাতিকে পাপ মুক্ত করা এবং সঠিক পথে পরিচালনা করাই ছিল খ্রিস্টের মূল উদ্দেশ্য। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতই বাংলাদেশেও যথাযথ ভাব গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পালিত হয় বড়দিন। সকালে গির্জায় প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের দিনের আয়োজন। বাসা বাড়িতে তৈরি হবে কেক এবং বিশেষ খাবার।  বড়দিনকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত রাজধানী। ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই গীর্জা, হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়। গীর্জার পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানে আলোক সজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্ধ্যায় প্রজ্জলিত হবে মোমবাতি। লাগানো হয়েছে বড়দিনের অন্যতম আকর্ষন ‘ক্রিস্টমাস ট্রি’। অনেক হোটেল-রেস্টূরেন্টে আগত অতিথিদের স্বাগত জানাতে রাখা হয় সান্তা ক্লস। এ সময় শিশুদের চকলেট এবং উপহার দিয়ে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টে। বড়দিন উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বিঘ্নে বড়দিন উদযাপনের জন্য দেশজুড়ে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজধানীতে নিয়মিত সদস্যদের পাশাপাশি থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ।   এসএইচএস/এমআর  

যে কারণে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করেননি পোপ

মিয়ানমার সফরকালে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেন নি রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। কেনো তিনি এই শব্দটি এড়িয়ে গেলেন তা নিয়ে বহু জল্পনা কল্পনা ছিলো। অবশেষে পোপ নিজেই বিষয়টি পরিস্কার করলেন। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানে সংবাদকর্মীদের নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন তিনি। `রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করে মিয়ানমারে তিনি আলোচনার বন্ধ করতে চাননি বলেই শব্দটি ব্যবহার করেননি। পোপ ফ্রান্সিস জানান, আত্মতুষ্টি নয়, সংলাপের মাধ্যমে সংকট নিরসন চান বলেই রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেননি। তিনি বলেন, আমি জানি আমি যদি বক্তৃতায় ওই শব্দটি ব্যবহার করতাম, তারা (মিয়ানমার সরকার) হয়তো আমাদের মুখের ওপরই দরজা বন্ধ করে দিতো। কিন্তু আমি পরিস্থিতি, অধিকারের বিষয়গুলো বর্ণনা করেছি। নাগরিকত্বের অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করা উচিৎ নয়। এর ফলে আমি ব্যক্তিগতভাবে আলোচনার সুযোগ পেয়েছি।   সূত্র : সিএনএন /এমআর

ঢাকা ছাড়লেন পোপ

তিন দিনের সফর শেষে রোমের উদ্দেশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ঢাকা ত্যাগ করেছেন পোপ ফ্রান্সিস। শনিবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে পোপকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা পৌঁছান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সেখানে পোপ ফান্সিসকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এর আগে তিনি তিনদিনের সফরে মিয়ানমার গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ সফরকালে পোপ রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে মানবিক সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্ববাসির প্রতি আহ্বান জানান। সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অনুরোধও করেন তিনি। সফরের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ধর্মীয় উৎসব ‘হোলি মাস’-এ অংশ নেন তিনি। এ উৎসবে ৮০ হাজারেরও বেশি ক্যাথলিক খ্রিস্টান অংশ নেন। এরপর বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে আর্চ বিশপস আন্তধর্মীয় ও আন্তমাণ্ডলিক সমাবেশে নির্যাতিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ১৮ জনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসময় রোহিঙ্গারা পোপের কাছে তাদের নির্যাতন ও দুর্দশার বর্ণনা দেন। এর আগে সরকারের অনুমতি নিয়ে কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে ঢাকায় আনা হয়েছিল তিন পরিবারের ওই ১৮ রোহিঙ্গাকে। এই রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসে বেসরকারি সংস্থা কারিতাস। ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।   আর/টিকে

প্রার্থনার মাধ্যমে বিশ্বের মানুষের শান্তি কামনা করুন : পোপ

প্রার্থনা মাধ্যমে বিশ্বের মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণ ও সহযোগিতা কামনার আহ্বান জানিছেন পোপ ফ্রান্সিস। শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিস্ট ধর্মের বিশেষ সভা ও উপাসনায় যোগ দিয়ে পোপ ফ্রান্সিস এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যে বিশ্বাসের কারণে হাজার হাজার মানুষ এখানে যোগ দিয়েছেন। সেই বিশ্বাস নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করুন। মানুষের সাহায্য ও সহযোগিতায় নিজেকে উৎস্বর্গ করুন। সকলের উদ্দেশ্যে পোপ ফ্রান্সিস বলেন, অনেকে অনেক দূর থেকে এসেছেন। দুইদিন টানা কষ্ট করেও এসেছেন। বিশ্বাস রেখেছেন। এটিই বড় কথা। এভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যান। পর্বতের উপর যিশুর বাণীর মধ্যদিয়ে। নব অভিষিক্ত যাযকদের জন্য অনেক প্রার্থনা করতে হবে। তারা পূর্ণ অভিষেক লাভ করে যাযক হবেন। খ্রিস্ট বিশ্বাস হিসেবে সবার দায়িত্ব সহায়তা দেওয়া। তিনি বলেন, আপনারা যারা আসছেন তাদের কাছে আমার আহ্বান, যাযকদের সহায়তা করতে হয় প্রার্থনার মাধ্যমে। যাযকদের জন্য প্রার্থনা করতে কখনও কেউ যেন ক্লান্ত না হও। প্রার্থনা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে সহযোগিতা করো। সবশেষে সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এসময় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরাও প্রার্থনাসভায় যোগ দেন। পুরো আয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিল। উপাসনায় স্থানে তিল ধারনের ঠাঁই ছিলা না। এআয়োজনের স্বেচ্ছাসেবক প্রান্ত মার্টিন ক্রুশ বলেন, সকাল ৬টার পর উদ্যানের ছয়টি ফটক খুলে দেওয়া হয়। সবাইকে ঢুকতে দেওয়া সকাল ১০টা পর্যন্ত। সিলেট থেকে আসা আতিকের সঙ্গে কথা হয় ইটিভি অনলাইন প্রতিবেদকের সাথে তিনি জানান, আয়োজনে একটু বিশৃঙ্খলা থাকলেও পোপের বাংলাদেশে আগমনে আমরা সবাই গর্বিত, আনন্দিত। কে কোন ধর্মের সেটা দেখার বিষয় নয়, আমরা সবাই স্রষ্টার সৃষ্টি। উনি বাংলাদেশে শান্তির বাণী, মানবতার বার্তা নিয়ে এসেছেন। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পোপ। এরপর ক্যাথিড্রাল পরিদর্শন করবেন বিকেল ৪টায়। পরে ৪টা ১৫ মিনিটে রমনায় প্রবীণ যাযক ভবনে পোপের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশপদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তিনি ধর্মীয় বক্তব্য দেবেন, দেবেন নির্দেশনা। ৫টায় রমনার আর্চ বিশপ হাউসের মাঠে সভা রয়েছে। তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকায় এসেছেন পোপ। বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অভ্যর্থনা জানান পোপ ফ্রান্সিসকে। এ সময় পোপকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে ৩১৯ একর আয়তনের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যান। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পোপ ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে। ক্যাথলিক পুরোহিত হিসেবে তার অভিষেক হয় ১৯৬৯ সালে। পুরো আমেরিকা অঞ্চল এবং দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ তিনি।   টিআর

পোপ ফ্রান্সিস সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিষ্টধর্মীয় উপাসনা এবং যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। সারাদেশ থেকে  প্রায় আশি হাজার রোমান ক্যাথলিক উপানায় অংশ নেন। পোপের আগমন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘিরে আইন শৃঙ্খলা বহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে। এ সমাবেশে বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় প্রার্থনা করবেন পোপ। এছাড়া যিশুর অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিবেন তিনি। বাংলাদেশে আসার আগে মিয়ানমারেও একই ধরনের মুক্ত প্রার্থনা-সভায় পৌরহিত্য করেন পোপ। এ সময় তিনি সকল মানুষের মুক্তির জন্য  শান্তির পথে আসার আহ্বান জানান।   টিআর/এমআর

পোপ ফ্রান্সিস ঢাকায়

ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস ঢাকায় পৌঁছেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। বিমানবন্দর থেকেই পোপ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। সাভার থেকে যাবেন ঢাকার ধানমণ্ডিতে। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর বঙ্গবন্ধু জাদুঘর থেকে বঙ্গভবনে যাবেন। সেখানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন তিনি। বঙ্গভবনে দরবার হলে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন তিনি। রাতে বারিধারার ভ্যাটিকান দূতাবাসে থাকবেন পোপ ফ্রান্সিস।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি