ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:১২:২১

বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধান শিক্ষক

বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধান শিক্ষক

নাম বাবর অালি। তবে সবাই বাবর মাস্টার নামেই চেনে। নিজের বাড়ির এক চিলতে উঠানই তার স্কুল। সকালে নিজে পড়ে আর বিকেলে অন্যদের পড়ায়। প্রায় ১৬ বছর ধরে এভাবেই নিজের শেখা অন্যদের শিখিয়ে এসেছে বাবর। ১৬ বছরে প্রায় ৫ হাজার শিশুকে শিক্ষিত করেছে বাবর। কলকাতা থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার একটি স্কুলে নিজেও পড়াশুনা করে বাবর। সম্প্রতি এই বাবর আলিকে বিবিসি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে ঘোষণা করে। এছাড়া ২০০৯ সালে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে মাত্র ৯ বছর বয়সে নিজস্ব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকারী বাবর আলিকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হয়। এবং ২০০৯ সালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-আইবিএন তাকে ‘রিয়েল হিরোজ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে। এছাড়াও এনডিটিভি তাকে ‘ইন্ডিয়ান অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার প্রদান করে। বাবর জানান, বাড়ি থেকে স্কুল যাওয়ার পথে প্রতিদিন সমবয়সী ছেলেমেয়েগুলোকে দেখে কষ্ট হতো ওর। ওরা রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস কুড়াতো তখন, কেউ আবার বিড়িও বানাতো। ছেলেটা ভাবতো- কেন ওরা পড়ার সুযোগ পায় না? দশ বছর বয়সে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া বাবর আলি তখন থেকেই ভাবতে থাকে ওদের জন্য কিছু করা যায় কিনা। সেই থেকে শুরু। তিনি জানান, ২০০২ সাল থেকে তাদের উঠানটাই আনন্দ শিক্ষা নিকেতন হয়ে যায়। নিজের বোন সহ মাত্র ৮ জন ছেলেমেয়ে নিয়ে স্কুল শুরু হয় তার। আজ শুধু সেখানকার নয়, গোটা বিশ্বের কমবয়সী প্রধান শিক্ষকে পরিণত হয় বাবর । বিকেল বেলা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে নিজের বাড়ির উঠানে পেয়ারা গাছের তলায় ওই ছেলেমেয়েগুলোকে লেখাপড়া শেখায় বাবর। বাবরের বাবা-মা খুব বেশি শিক্ষিত না হলেও ছেলের এ উদ্যোগে তারা পাশে আছেন। তা নিয়ে মা-বাবার গর্বের শেষ নেই। কারণ একটি শিক্ষিত সমাজ গড়তে লড়ছে বাবর। নিয়ম করে গণিত, বিজ্ঞান, ভূগোল পড়াচ্ছে তাদের। আর শেখাচ্ছে ঝরঝরে বাংলায় লিখতে। জানা যায়, মাঝে মাঝেই ক্লাস থেকে চক চুরি হতো। শিক্ষকরা ধরেও ফেলেন, এটা বাবরেরই কাজ। কিন্তু তারা যখন জানতে পারেন, কেন বাবর চক চুরি করে? এর পর থেকে প্রতি সপ্তাহে এক প্যাকেট করে চক স্কুলের শিক্ষকরা বাবরের হাতে তুলে দেন। পরিবার ও স্কুলের চেষ্টায় সেই শিশুদের স্কুলের পোশাক, বই ও অন্যান্য পড়ার সামগ্রী দেয় বাবর। এ ধরনের শিশুর পরিবারের লোকজনদের বোঝাতে সমর্থ হয় বাবর। তারাও স্কুলে পাঠাতে রাজি হন বাচ্চাদের। তাই ২০১৫ সালে উঠান থেকে একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হয় বাবরের স্কুল। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে একটি বেসরকারি স্কুল হিসেবে স্বীকৃতিও পায় স্কুলটি। গত ১৬ বছরে প্রায় ৫ হাজার শিশুকে শিক্ষিত করেছে বাবর। বেশ কয়েকজন আবার সেই স্কুলেই শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছে। ২৫ বছর বয়সী বাবর নিজে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছে। এখন ইতিহাসে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছে।
সিংহী হত্যা করল তাঁর আট বছরের পুরুষ সঙ্গীকে

যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় আট বছর ধরে একই খাঁচায় থাকার পর একটি সিংহী তার সঙ্গী পুরুষ সিংহকে হত্যা করেছে। এই সিংহীর নিজের তিন বাচ্চা বা শাবকের বাবা ছিল পুরুষ সিংহটি। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানাপোলিস চিড়িয়াখানায় ১২ বছর বয়সী জুরি নামের সিংহী এবং ১০ বছর বয়সী নায়াক নামের পুরুষ সিংহ আট বছর ধরে একসাথে ছিল। তারা তিনটি শাবকের জন্ম দেয় ২০১৫ সালে। চিড়িয়াখানার কর্মিরা ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু ধারণা করতে পারছেন না। তারা কারণ অনুসন্ধান করার কথা বলছেন। কর্মকর্তারা বলেছেন, সিংহীটি তার চোয়াল দিয়ে সঙ্গী পুরুষ সিংহের ঘাড় চেপে ধরে রেখে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে বলে তাদের মনে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব বিষয় পর্যালোচনা করে তারা কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাবে। ফেসবুকে কতৃপক্ষ আরও লিখেছে যে, আফ্রিকান সিংহ নায়াক ছিল অসাধারণ একটা সিংহ এবং তারা তাকে আর পাবে না। চিড়িয়াখানাটির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই এই দুই সিংহের খাঁচায় অস্বাভাবিক গর্জন শুনতে পেয়ে তারা কর্মিরা সেখানে ছুটে যান। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন যে, সিংহী জুরি সঙ্গী পুরুষ সিংহ নায়াকের ঘাড় শক্ত করে ধরে রেখেছে। তারা অনেক চেষ্টা করেও সিংহ দু`টিকে আলাদা করতে পারেননি। কর্তৃপক্ষ বলেছে, এই দু`জনের মধ্যে তারা কখনও আক্রমণাত্বক স্বভাব তারা দেখেনি। ঘটনার ব্যাপারে তাদের শোক যেনো কাটছে না। চিড়িয়াখানাটির কিউরেটর ডেভিড হাগান সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিড়িয়াখানায় যেসব প্রাণী বাস করছে, প্রত্যেকের সাথে তাদের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে এই ঘটনাটি অনেকটা পরিবারের কোন সদস্যকে হারানোর মতো শোকে তারা রয়েছেন। ঘটনার সময় শাবক বা বাচ্চা তিনটি খাঁচার বাইরে অন্য জায়গায় ছিল। কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চিড়িয়াখানায় সিংহদের যেভাবে রাখা হয়, এখনই তাতে কোন পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। সাফারি পার্কে সিংহীরা প্রায়ই সিংহদের তাড়া করে থাকে, কিন্তু এই জুটির ক্ষেত্রে হঠাৎ কি হলো, সেটা কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারছে না। ঘাড়ের জখমের কারণে দমবন্ধ হয়ে সিংহটির মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি   এমএইচ/

পাওয়া গেলো দু’মাথা বিশিষ্ট দুর্লভ সাপ

এর আগে হয়তো দুই মাথা বিশিষ্ট সাপের কথা শুনেছেন। হয়তো কেউ কেউ দেখেছেন। আবার কেউ শুনলেও বাস্তবে দেখেননি। এবার সন্ধান পাওয়া গেলো দু’মাথা বিশিষ্ট একটি দুর্লভ সাপ। এটি কোনো সাধারণ সাপ নয়, কপারহেড সাপ। সম্প্রতি কেন্টাকির এক দম্পতি নিজেদের বাড়িতে এই দু’মাথার কপারহেড সাপটি দেখতে পান। যা পরবর্তীতে রাখা হয়েছে স্থানীয় বন্যপ্রাণী সেন্টারে। এক ফেসবুক পোস্টে সালাতো ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার জানিয়েছে, ‘এটি খুবই দুর্লভ সাপ। লেসলি কাউন্টির এক কাপল এটিকে সালাতো ওয়াইল্ডলাইফ এডুকেশনে সেন্টারে দান করেছেন। কপারহেড সাপটি জন্মেছে এ মাসেই। দু`টি মাথা, দু`জোড়া চোখ, দু`টি জিভও রয়েছে তাদের। যা কাজও করছে।’ গত ১৮ অক্টোবর সেন্টার ঘোষণা করেছে যে- সাপটি সুস্থ রয়েছে। যা জনগণের দেখার জন্য প্রদর্শিত হবে। কেন্টাকি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ রিসোর্স স্টেট হার্পেটোলজিস্ট জন ম্যাকগ্রেগর জানান, ‘জঙ্গলে দু`মাথার সাপ দু`তিন বছর অন্তর পাওয়া গেলেও দু`মাথার কপারহেড এই প্রথম। কেন্টাকিতে পাওয়া বিষাক্ত সাপের চারটি প্রজাতির মধ্যে কপারহেড অন্যতম। সূত্র : এনডিটিভি এসএ/  

মৃত্যুর নাটক সাজিয়ে রাজপ্রাসাদে বসবাস

মৃত্যুর পর মানুষের জীবনে কী হয় তা সঠিক করে এবং নিশ্চিত ভাবে কেউই কিছু বলতে পারে না। তবে এটা সত্য যে- মৃত্যুর পর সব মানুষই অন্য এক জীবনে পা রাখে। যে জগৎ এই পৃথীবির জগৎ থেকে একেবারেই ভিন্ন হবে। একেক ধর্ম অনুযায়ী বিশ্বাসটাও এক এক রকম। সব ধর্মেরই বিশ্বাস শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায় পার্থিব জীবন। কিন্তু এবার জানা গেছে ভিন্ন এক খবর। ‘মৃত্যুর পর’ ইউক্রেনের এক ব্যক্তি বসবাস করছেন একটি রাজপ্রাসাদে। মজার এই খবরটি সম্পর্কে তাহলে জানা যাক। কিছুদিন আগে ইউক্রেনের সুপরিচিত ওই ব্যক্তির ‘মৃত্যু হয়’। দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক হওয়া ওই ব্যক্তি পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে মিথ্যা মৃত্যুর নাটক প্রচার করেন। এরপর লোকজন দিয়ে টাকা-পয়সা খরচ করে ডেথ সার্টিফিকেটও তৈরি করে নেন। ভিন্ন নামে পাসপোর্ট করে দেশ ছেড়ে আশ্রয় নেন ফ্রান্সে। আর সেখানে তিনি বসবাস করছেন রাজকীয় এক প্রাসাদে। কিন্তু পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বেশিদিন রাজপ্রাসাদে রাজত্ব করা হয়নি তার। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে রাজপ্রাসাদ থেকে এবার শ্রীঘরে কাটাচ্ছেন তিনি। ধরা পড়ার পর তার এ রাজকীয় জীবন প্রকাশ পেয়েছে এবং ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র : টাইম ডট কম এসএ/

ক্যাফেতে পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে মাছ

নাগরিক জীবনের সীমাহীন ব্যস্ততা ভুলে প্রিয়জনের সঙ্গে নিরিবিলি বসে সুখের মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করতে পছন্দ করেন সবাই। আর তাই একটু সুযোগ পেলেই প্রিয়জন, পরিবার-পরিজনকে নিয়ে সময় কাটান বিনোদন কেন্দ্রে, ক্যাফে, রেস্টুরেন্টে। শুধু খাওয়াই নয়, ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য প্রিয়জনের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই রেস্টুরেন্টে খেতে যান অনেকে। ক্যাফেতে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে সুখের মুহূর্ত উপভোগ করছেন, আর জলে ডুবে থাকা আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ভাবুন তো, যদি কোনো ক্যাফেতে বসে আপনি এরকম ভিন্ন কোনো অনুভূতি পান, তবে কেমন লাগবে। একদিকে ক্যাফেতে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে সুখের মুহূর্ত উপভোগ করছেন, আর অন্যদিকে জলে ডুবে থাকা আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এরকমই একটি ব্যাতিক্রমি ক্যাফে অ্যানিমেল ক্যাফে। ক্যাফেটি ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরে অবস্থিত। অ্যানিমেল ক্যাফেতে গেলে আপনি এক কাপ গরম কফি উপভোগ করতে পারবেন। সঙ্গে পাবেন বিড়াল, কুকুরের মতো অত্যন্ত আদুরে সব পোষা প্রাণী। কিন্তু ভিয়েতনামের এমিক্স কফি পৃথিবীর একমাত্র ক্যাফে, যেখানে গেলে আপনি পাবেন এক অন্যরকম অনুভূতি। এমক্সি কফি ক্যাফেতে রয়েছে দুটি প্লাবিত মেঝে। আর সেখানে ছাড়া রয়েছে ছোট-বড় শত শত মাছ। এই ক্যাফেতে আপনি চেয়ারে বসে থাকবেন, আর আপনার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ডুবে থাকবে পানিতে। প্রিয়জনের মুখোমুখি বসে কফিতে চুমুক দিচ্ছেন, আর আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে হরেক  রঙের দৃষ্টিনন্দন মাছ।  রঙবেরঙের মাছের এই ক্যাফেতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে দুটি কাজ অবশ্যই করতে হবে, আর তা হলো জুতা খুলে বাইরে রাখতে হবে এবং পা পরিস্কার করে তারপর ঢুকতে হবে। তবেই আপনি প্রিয়জনের সঙ্গে সেখানে আপনার সেরা মুহূর্তটি কাটাতে পারবেন। অন্যথায় আপনি সেখানে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। এমিক্স ক্যাফের এই আইডিয়া এসেছে ২৩ বছরের তরুণ গুইয়েন ডক হোয়ার মাথা থেকে। তিনি চেয়েছিলেন অ্যানিমেল ক্যাফের ধারণায় ভিন্নমাত্রা যোগ করতে। 

৩৭ বছর ধরে পিৎজা খাচ্ছেন যিনি

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মানুষদের মধ্যে পিৎজা প্রেম অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি৷ ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ পিৎজা অপারেটরসের তথ্য অনুযায়ী, মোট জনবসতির ৯৩ শতাংশ মাসে একদিন পিৎজা খেয়ে থাকে৷ তাই আমেরিকানদের পিৎজা প্রেমী বললেও ভুল বলা হবে না৷ মাইক রোমান, নিউ জার্সির বাসিন্দা৷ যিনি দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ডিনারে প্লেন চিজ পিৎজা খেয়ে নজির গড়ছেন৷ সম্প্রতি নিউ জার্সির বাসিন্দা রোমান বিষয়টি পডকাস্টের মাধ্যমে সামনে আনেন৷ এই পিৎজা প্রেমী জানান, এখন তার বয়স ৪১ বছর৷ পিৎজা খাওয়ার অভ্যেসটি খুব ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়৷ যদিও খাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট খুঁতখুঁতে তিনি৷ রোমান যোগ করেন, বাড়ির লোকেরা বারবার বলা সত্বেও কোনও কাজ হয়নি৷ এরপর থেকে তিনি প্রতি রাতেই ডিনারে পিৎজা খেতে শুরু করেন৷ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ধীরে ধীরে পিৎজা খাওয়ার প্রতি ভালোলাগা বাড়তে শুরু করে এবং ডিনার টাইম ক্রমশই স্পেশাল হয়ে ওঠে৷ তিনি এও জানান, পিৎজা খেয়ে তিনি কখনও বোর হবেন না৷ দীর্ঘদিন যাবত পিৎজা খাওয়ার ফলে তার স্বাস্থ্যের উপর কোনও খারাপ প্রভাব পড়েনি৷ তিনি যথেষ্ট সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

বিয়ের গাউন সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে!

বিয়ের পোশাক জীবনে সাধারণত একবারই পরা হয়। বর্নিল সাজে অতিথিদের সামনে হাজির হয় বর কণে। পুরো আয়োজনে অতিথিদের আকর্ষণের অনেক বস্তু থাকলেও কণের পোশাকের প্রতি কমবেশি সবারই আলাদা নজর থাকে। আর সে পোশাকই যদি ‘ব্যতিক্রম’ কিছু হয় তাহলে তো চোখ তোলারই জো নেই। এমনটিই হয়েছে চীনের প্রত্যন্ত একটি গ্রামে। ২৮ বছর বয়সী তান লিলি নামে এক তরুণী সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে বিয়ের পোশাক তৈরি করে বেশ আলোচিত হয়েছেন। পোশাকটি তৈরিতে সিমেন্টের ব্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে ৪০টি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তার ইউনিক পোশাকের সেই ছবি। বাড়ি তৈরির পর তান লিলি’র ঘরে ৪০টি সিমেন্টের ব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। বৃষ্টিস্নাত এক বিকেলে হঠাৎ খেয়ালের বশে তিনি ওই সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে গাউন আকৃতির একটি বিয়ের পোশাক তৈরি করে ফেলেন। এরপর সেই পোশাক পরিহিত ছবি ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেন। যা এখন আলোচিত। ১৮ বছর বয়সে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া তানের বাবা চার বছর আগে ক্যান্সারে মারা যান। গত বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বৃষ্টি থাকায় মাঠে না গিয়ে চোখের সামনে পড়ে থাকা সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে মাত্র তিন ঘণ্টায় বিয়ের এ পোশাকটি তৈরি করে ফেলেন। সূত্র: সিনহুয়া। / এআর /

১২ বছর পর ফুটে যে ফুল

ফুল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শণ। ফুল ভালোবাসার প্রতীক। প্রতি বছরই নতুন করে গাছে গাছে ফুল ফোটে। কিন্তু প্রকৃতিতে এমন একটি গাছ আছে যে গাছে ফুল ফুটে ১২ বছর পর পর। এমনই একটি ফুলের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালায়। সেখানে নীলকুরিঞ্জি নামের নীল রঙের এক অদ্ভুত ফুল আছে যা ১২ বছর পর পর ফুটে। এ এলাকার আদিবাসীদের কাছে নীলকুরিঞ্জি শুভবার্তার প্রতীক। এর বৈজ্ঞানিক নাম স্ট্রোবিল্যান্থেস কুনথিয়ানা। এই ফুলটি ভারতের তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যের নীলগিরি পাহাড়ে বেশি পাওয়া যায়।  স্থানীয়দের কাছে এটি কুরুঞ্জি নামেও পরিচিত। নীলকুরিঞ্জি ফুল প্রায় ২৫০ প্রজাতির হয়ে থাকে । এর মধ্যে শুধু ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ৪৬টির মতো প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। ফুলটির বৈশিষ্ট্য: *এই ফুলটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ১২ বছর পর পর ফুটা। *ফুলটি দেখতে অনেকটা ঘন্টার মতো। *ফুলগুলো যখন ফুটে তখন নীল-বেগুণি রঙ্গের গালিচার মতো মনে হয়। *ফুলগুলো সাধারণত থোকায় থোকায় ফোটে। * কুঁড়ি থেকে ফুল ফোটা পর্যন্ত প্রতিনিয়ত রং বদলাতে থাকে। ফুলের এরকম নান্দনিক পরিবর্তন দেখার জন্য দেশ-বিদেশর পর্যটকরা ভীড় করেন এখানে। নিজের মাতো করে প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চান তারা। তথ্যসূত্র: বিবিসি / এআর /

দ. কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি হওয়ার কারণ

জানেন এমনও দেশ আছে যেখানে আপনি ভোট দিতে না গেলে বিপুল জরিমানা দিতে হয়! চলুন এমনই বেশ কিছু অদ্ভুত ভিনদেশি নিয়ম সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক- লা চানক্লা ছোটদের নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর অস্ত্র। লা চানক্লাকে নিয়ে ঠিক এমনটাই বলা হয়। এটা আসলে চপ্পল। লাতিন আমেরিকা এবং স্পেনে মা-দাদীরা চপ্পল দিয়েই ছোটদের শাসন করে থাকেন। ইউরোপের বেশ কিছু দেশে যেখানে বাচ্চাদের শাসন করলে জেল পর্যন্ত যেতে হতে পারে, সেখানে ইউরোপেরই এক দেশে এ রকম ব্যবস্থা চমকে দেয়। ভোট না দিলে জরিমানা নির্বাচন ঘিরে প্রতিটা মানুষের আলাদা মতামত থাকে। অনেকেই ভোট দেন না এবং সগর্বে ঘোষণাও করেন। কিন্তু জানেন কি অস্ট্রেলিয়ায় এমন করা মানা। কারণ ভোট না দিলে সেখানে জরিমানা করা হয়। যেমন সম্প্রতি তাসমানিয়ায় নির্বাচনে ৬ হাজার ব্যক্তি অংশ নেননি। তাদের ২৬ ডলার করে জরিমানা হয়েছে। চার্চ ট্যাক্স চার্চগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে রাখার জন্য ১৯৩৯ সালে অ্যাডলফ হিটলার এটা চালু করেন। এই আইন অনুযায়ী একজন আয়করদাতাকে তার মোট করের ৮-৯ শতাংশ চার্চ ট্যাক্স দিতে হয়। অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, আইসল্যান্ড, ইতালি, সুইডেনে এখনও এই আইন চালু রয়েছে। ব্যাটেল অফ অরেঞ্জ ফেব্রুয়ারি বা মার্চের শুরুতে ‘ব্যাটেল অফ অরেঞ্জ’ উৎসব হয় উত্তর ইতালির শহর ইভরিয়ায়। একে অপরের দিকে কমলালেবু ছোড়েন অংশগ্রহণকারীরা। শোনা যায়, এটা প্রতীকী উৎসব। অতীতে রাজার হাত থেকে ভায়োলেটা নামে এক মেয়েকে বাঁচাতে পাথর ছোড়েন গ্রামবাসীরা। পাথরের প্রতীকই এখানে কমলালেবু। পুরো পরিবার এক বাইকে পুরো পরিবার চলেছে একটা বাইকে চেপে! এক সময়ে এই ছবিটা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছিল। প্রচুর হাসাহাসিও হয়েছিল। খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি। কিন্তু পাকিস্তানে এই ছবি মোটেই বিরল নয়। যদিও পাকিস্তানেও এটা বেআইনি। কারণ এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি কলাপাতায় একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া ইন্দোনেশিয়ার একটি রীতি বট্রাম। যেখানে একটি কলাপাতায় একসঙ্গে অনেকে বসে খাওয়া দাওয়া করেন। এতে মানুষের মধ্যে ঐক্য বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি! ভারত বা আমেরিকা বা অন্য কোনও দেশের ২ বছরের শিশুর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২ বছরের শিশুর মধ্যে আসলে বয়সের পার্থক্য কিন্তু ১ বছর! কেন? কারণ দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই শিশুদের বয়স ধরা হয় ১ বছর। ফলে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের যে কোনও বয়সের মানুষের চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি হয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

যুদ্ধ করবে রোবট সেনা, লড়াই হবে মহাকাশেও: গবেষণা

অদূর ভবিষ্যতে মহাকাশেও যুদ্ধ হবে। আর সেই লড়াইয়ে অংশ নেবে রোবট সেনা। যুদ্ধে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রয়োগে কমতে থাকবে আবেগ, অনুভূতির গুরুত্ব। এমনটিই বলা হয়েছে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন এক গবেষণায়। ভবিষ্যতে ব্রিটেনকে কী ধরণের প্রতিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে? - সে সম্পর্কে আগাম ধারণা দিতেই ‘দ্য ফিউচার স্টার্ট টুডে’ শিরোনামে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে। ব্রিটেন ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং অস্ট্রেলিয়া সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞরা এই গবেষণা রিপোর্ট তৈরিতে অংশ নেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যদিও আরো অনেকদিন হয়তো যুদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মুখ্য ভূমিকা মানুষেরই থাকবে, কিন্তু রোবটের ক্রমবর্ধমান প্রয়োগ এবং আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কারণে যুদ্ধের মৌলিক চরিত্র বদলে যাবে। আবেগ, অনুভূতির গুরুত্ব কমতে থাকবে। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে রণাঙ্গনে মোতায়েনের জন্য জিন অদল-বদল করে, ওষুধ প্রয়োগে বিশেষ ধরণের মানব সেনা তৈরির সম্ভাবনা প্রবল। এসব সৈন্যদের শারীরিক এবং মানসিক শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা হবে সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণ শ্রেয় । বলা হয়েছে, দিন দিন প্রযুক্তির যে দ্রুত উন্নতি হচ্ছে, তাতে আগামী ৩০ বছরে মানুষের ক্ষমতা দ্রুত হারে বাড়তে থাকবে। যুদ্ধক্ষেত্রে এসব প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং সেইসাথে মানুষ ও যন্ত্রের সমান্তরাল ব্যবহারে সামরিক ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাব। তবে একই সাথে রিপোর্টে বলা হয়েছে - রাষ্ট্রের "নীতি, নৈতিকতা এবং আইনি" সীমানা স্পষ্ট করতে হবে। সূত্র : বিবিসি। / এআর /

ব্যাংকের সিলিং থেকে বেরিয়ে এলো দেড় মিটার অজগর

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের ন্যানিং শহরের একটি ব্যাংকে মিটিং চলাকালে হঠাতই সিলিং থেকে বেরিয়ে আসে বড়সড় এক অজগর! সে সময়ে ব্যাংকের এক কোনায় দাঁড়িয়ে মিটিং করছিলেন কয়েকজন সহকর্মী। এতে সবাই হতচকিত হয়ে যায়। জানা যায়, আরেকটু হলে একজনের গায়ের ওপরেই পড়ছিল দেড় মিটার লম্বা সে অজগরটি। তবে গায়ের ওপর না পড়লেও আকস্মিক এমন ঘটনায় আতঙ্কিত কর্মীরা কোনোক্রমে লাফিয়ে সরে যায় সেখান থেকে। ব্যাংকটির সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, একটি কর্নারে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে মিটিং করছিলেন ব্যাংকের অধঃস্তন কয়েকজন কর্মী। মিটিং চলাকালেই সিলিং থেকে একজনের পাশ ঘেঁষে পড়ে দেড় মিটার লম্বা একটি অজগর। আতঙ্কিত কর্মীরা তখন কোনোরকমে সেখান থেকে সরে যান। এরই মধ্যে মাথা তুলে এগোতে শুরু করে অজগরটি। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এক পর্যায়ে একটি সোফার পেছনে আশ্রয় নেয় অজগরটি। পরে অজগরটিকে সেখান থেকে সরাতে সাপ ধরার পেশাদার লোকজনদের খবর দেওয়া হয়। তারা এসে বস্তাবন্দি করে নিয়ে যায় অজগরটি। তবে বড় এই অজগরটি কীভাবে ব্যাংকের সিলিং পর্যন্ত পৌঁছাল বা ব্যাংকের ভেতরেই বা কীভাবে ঢুকলো তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সূত্র: বিবিসি। / এআর /  

পাঁচ মাস বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ

বয়স মাত্র ৫ মাস। ঘুরেছেন ৫০ টি অঙ্গরাজ্য। তাও আবার যুক্তরাষ্ট্রের মতো শহরগুলো। মাত্র এক সপ্তাহে এই মাইলফলক ছুঁলেন এই শিশু। নাম হারপার ইয়েটস। হারপার ইয়েটস হলো কানাডার বাসিন্দা সিন্ডি লিম এবং ট্রিসট্যান ইয়েটসের কন্যা।  ওই দম্পত্তিটি ছুটি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোতে ভ্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন। হরপারের জন্মের আগে এই দম্পত্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৯ টি অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ করেছিল। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন যে যুক্তরাষ্ট্রের বাকী ৩১ টি অঙ্গরাজ্যে ভ্রমণ করবেন। কিন্তু পরে তারা সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে তাদের সন্তানকে নিয় পুরো ৫০ টি অঙ্গরাজ্যেই ভ্রমণ করেন। লিম বলেন, কোনো রেকর্ড গড়ার জন্য এই ভ্রমণে অংশগ্রহণ করিনি। আমরা মূলত নিজেদের সময়টাকে ভালোভাবে উপভোগ করতে চেয়েছি।  এটা ছিল আমাদের জীবনের সবচেয়ে ভালো সময় কাটানো। হরপারের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ করে ৩ বছরের কম বয়সী শিশু রেকর্ড অর্জন করেন। হরপারের মা-বাবা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে পৌঁছার পর তাদের মেয়েকে নিয়ে ছবি তুলেছেন এবং তাদের ইন্ট্রাগ্রামে শেয়ার করেছেন। এসময় তারা বিভিন্ন বিজয় সূচক চিহৃ ব্যবহার করেছেন।  শিশুটির মা-বাবা মনে করেন, এই ভ্রমণ তাদের জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা। তথ্যসূত্র: সিএনএন এমএইচ/  

চাঁদের পাথর নিলামে!

নিলাম হবে চাঁদের পাথর। ওজন প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি। এমন বিশাল আকারের চাঁদের টুকরার দাম নিলামে আকাশছোঁয়া হতে চলেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ওই পাথরের দাম উঠতে পারে ৫ লক্ষ ডলার। সারা বিশ্বে এর থেকে বড় চাঁদের টুকরা আর পাওয়া যায়নি। বস্টনে অবস্থিত এক মার্কিন নিলাম সংস্থা ওই নিলামের আয়োজন করেছে। অনলাইনে ওই নিলাম হবে বলে জানা গেছে। এই চাঁদের পাথর পৃথিবীতে এসেছিল বহু বছর আগে, চাঁদের সঙ্গে কোনও ধূমকেতুর সংঘর্ষের ফলে। বিভিন্ন সময়ে চাঁদের পাথর পাওয়া গেছে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে। কিন্তু এত বড় টুকরা এর আগে পাওয়া যায়নি। মোট ৬টি টুকরা রয়েছে ওই চাঁদের পাথরে। যার মধ্যে সব থেকে বড় টুকরোটির ওজন প্রায় ৩ কেজি।  কারা কিনতে পারে এই পাথর? এক ঐতিহাসিক মিউজিয়ামের কথা শুনা যাচ্ছে। ওই মিউজিয়াম ছাড়াও কোনও কোনও সৌখিন ধনী ব্যক্তিও টার্গেট করতে পারেন চাঁদের টুকরাকে। হাজার হোক, হাতে চাঁদ পাওয়া বলে কথা। ক্ষমতায় কুলোলে কে চাইবে না সেই স্বপ্ন সত্যি হোক।  সূত্র: এবেলা একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি