ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৭:৪১

শোয়ার ঘর থেকে দূরে রাখুন এই ১০টি জিনিস

শোয়ার ঘর থেকে দূরে রাখুন এই ১০টি জিনিস

রোজকার ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন লেগে থাকে বেঁচে থাকার লড়াই। চলতে থাকে টিকে থাকার লড়াই। টাকার পিছনে প্রতিনিয়ত ছুটে চলি কারণ আমরা জানি আর মানিও যে টাকাই জীবনের শান্তির একটা বড় কারণ। কেননা যদি টাকার অভাবটা কমে তাহলেই চিন্তার একটা বড় অংশ কমে যায়। এই জন্য সারাদিন কাজের মধ্যে ডুবে থাকার পর সাময়িক শান্তি খুঁজি কোথাও ঘুরতে গিয়ে। কখনও অফিস থেকে ফেরার পথে ক্লাবে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে বা কখনও অতিপরিচিত চায়ের দোকানে ভিড় জমাই। সবশেষে ফিরে আসি নিজের বাড়িতে। সারাদিনের ক্লান্তির পর আরামের শেষ ঠিকানা আমাদের নিজের বাড়ি। পাঁচতলা বাড়ি হোক বা দুই কামরার ছাদ দেওয়া বাড়ি, নিজের বাড়ি নিজের শান্তির আঁতুড়ঘর। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন যে এই বাড়ির নিজের ঘরটা কেমন করে সাজানো উচিত? আমরা তো বাইরেটা সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করি, কিন্তু অগোছালো ঘর বা বলা ভালো আপনার নিজের বেডরুমটা ঠিক কেমন রাখা উচিত? আপনার সব সময়ের এই বেডরুম আপনার মানসিক শান্তির পিছনে কিন্তু অনেকটা গুরুত্ব রাখে। আপনার বেডরুম যাতে আপনার জীবনে নেগেটিভ প্রভাব না ফেলে, তার জন্য কি কি করা উচিৎ নয়, সেই নিয়েই আপনার জন্য রইলো আজকের ১০টি পরামর্শ। অফিসকে ঘরে আনবেন না সারাদিন অফিসে কাজ করে বাড়িতে আমরা শান্তির জন্যে আসি। কাজের থেকে একটু হালকা হতে আমাদের বাড়িতে আসা। কিন্তু নিজের সঙ্গে সময় দিতেই হোক বা নিজের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে, অফিসের কাজের চাপ বেডরুম পর্যন্ত না আসতে দেওয়াই ভালো। অফিসের কাজের পেপার বা ফাইল সামনে থাকলে অন্তরঙ্গ বা নিভৃত, কোনও মুহূর্তই আপনার জন্য শান্তির হবে না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমা করবেন না নিজের বেডরুমকে যথাসাধ্য সাধারণ রাখুন। অযথা অতিরিক্ত আসবাবপত্র দিয়ে ঘর ভরিয়ে রাখবেন না। বিছানার উপর জামাকাপড়ের স্তূপ বা বই এর স্তূপ দিয়ে ভরিয়ে রাখবেন না। মনে রাখবেন এগুলোর জন্য ওয়ার্ড্রোব বা বুকশেলফ আছে। ইলে্ট্রনিক্ গ্যাজেটকে না ইলে্ট্রনিক্ গ্যাজেটকে চেষ্টা করুন বেডরুমের বাইরে রাখতে। শুনতে হয়ত হাস্যকর শোনাবে কিন্তু এটা সত্যি। কারণ আমরা জানি আজকের দিনে এই গ্যাজেট আমাদের সময় কতটা নষ্ট করে দেয়। ফোনে সব সময় মুখ গুঁজে থাকতে থাকতে নিজস্ব সময় আর জায়গা টুকুও যে কমতে থাকে, এটা আমাদের মনে থাকে না। তাই চেষ্টা করুন দিনের শেষটা যেন মোবাইল ফোন কেড়ে না নেয়। এঁটো বাসন থাক ঘরের বাইরে অনেক সময় হোম ডেলিভারির খাবার প্যাকেট খুলে আমরা আলসেমিতে বেডরুমে এনেই খেতে থাকি। বা কখনও চা বা কফি খেয়ে সেই কাপ ওখানেই ফেলে রাখি। এটা অস্বাস্থ্যকর এবং দৃষ্টিনন্দন নয়। খাবার পরে সেই প্লেট বা কাপ বা প্যাকেট বাইরে কিচেনে রেখে আসুন। টিভিকে না বলুন বেডরুমে যদি আপনি অবিবাহিত হন তাহলে হয়তো টিভি আপনার জন্য একটা সময় পর্যন্ত আপনাকে সময় কাটাতে সাহায্য করবে। কিন্তু বিবাহিত হলে আপনি কখনোই চাইবেন না একটা যান্ত্রিক মাধ্যমের বিনোদন আপনার অন্তরঙ্গ মুহূর্তকে নষ্ট করুক। এছাড়াও অনেক সময় আমরা ঘুম আসছে না এই অজুহাতে টিভি চালিয়ে রাখি। এই স্বভাব আমাদের ঘুমানোর অভ্যাস অনেকভাবে পাল্টে দেয়। পোষ্যকে রাখুন বাইরে অনেকেই এটা শুনলে কানে আঙুল দেবেন বা হাসবেন। অনেকে বলবেন যে আমাকে ছাড়া আমার পোষ্য ঘুমাতে পারে না। কিন্তু এটা পরীক্ষামূলকভাবে সত্যি। আপনার রোজকার রুটিন আর আপনার পোষ্যর রোজকার নিয়ম এক না। আপনি নিশ্চয় চাইবেন না সারাদিনের ক্লান্তির পর আপনার ঘুম আপনার পোষ্যর মাঝরাতে ডাকাডাকি বা পায়চারিতে ভেঙে যাক। অতিরিক্ত কৃত্রিম আলো অতিরিক্ত আলো না রাখার চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন আপনার ড্রইং রুম আর বেডরুমের মধ্যে তফাৎ থাকা জরুরি। অতিরিক্ত আলো যাতে আপনার শান্তি বিঘ্নিত না করে, সে দিকে লক্ষ্য রাখুন। ক্যাকটাস রাখবেন না বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বলা হয় যে বেডরুমে ক্যাকটাস বা অন্য কোনও কাঁটা গাছ রাখবেন না। কারণ বাস্তু মতে এতে সম্পর্কের শান্তি বিঘ্নিত হয়। ঘর সাজানোর অন্য ফুল বা বনসাই বা অর্কিড ব্যবহার করুন। ভাঙ্গা কাঁচকেও না বলুন বাস্তু মতে, ভাঙ্গা কাঁচ হলো সম্পর্ক ভাঙার প্রতীক। তাই বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক, আপনার সম্পর্কের খাতিরে ভাঙ্গা কাঁচ বা ভাঙ্গা আর্শি না রাখা ভালো। ধূমপান/অ্যালকোহল বেডরুমে না আপনি বিবাহিত হন বা অবিবাহিত, সঙ্গী থাকুক বা না, নেশা করার অভ্যাস বেডরুম পর্যন্ত না আনাই শ্রেয়। আমাদের অতিরিক্ত ডোপামিনের আরামের জন্য আমাদের অবচেতন মন সব সময় ওই নেশার দিকে ঝুঁকে থাকে। এই অভ্যাস হয়তো আপনার পছন্দের হলেও আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের নাও হতে পারে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//
মেকআপের খরচ বাঁচানোর ৫ উপায়

মেয়েরা সাজতে ভালোবাসে। এই ভালোলাগা বা ভালোবাসা তাদেরকে আলাদা করে শিখিয়ে দিতে হয় না। ছোট থেকেই এটা জন্মে যায়। আজকের দিনে বাইরে বেরোলে কোনও প্রসাধন বা মেকআপ ব্যবহার না করে কেউ খুব একটা যায় না। আগের দিনে এই চলন কম থাকলেও বাজারে যত নানান প্রসাধনী সামগ্রী এসেছে, ততো নারীমহল এর দিকে আকৃষ্ট হয়েছে। এর জন্য প্রতি বছরে হিসাব করলে হয়তো খরচও খুব একটা কম নয়। প্রতিযোগিতার বাজারে ক্রমাগত বাড়তে থাকে এই প্রসাধনী সামগ্রী বা মেকআপের দাম। বাড়তে থাকে অলিতে গলিতে বিউটি পার্লার। সাধ থাকলেও অনেক সময় অনেকের দাম দিয়ে পার্লার যাওয়ার সাধ্য থাকে না। অনেক সময় সম্ভব হয় না দাম দিয়ে মেকআপের জিনিস কেনা। বাড়তে থাকা প্রতিদিনের খরচে সাজগোজ যেন আপনার কাছে বোঝা হয়ে দাড়াতে থাকে। তাহলে কি করবেন? খরচকে নিজের বাজেটে রেখে আপনার সাজগোজে যাতে বাধা না পরে, তার জন্য আজ রইলো কিছু টিপস। কেনার আগে চিন্তা করুন আমরা অনেক সময়ই একবারে বড়ো প্যাক কেনার জন্য ভাবি। আমাদের ধারণা থাকে একবারে বেশি পরিমাণ কিনলে কোম্পানি তার দামও কমিয়ে রাখবে। কিন্তু এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অনেক সময় ব্র্যান্ড তার প্রোডাক্ট বা পণ্যের দাম বাড়িয়ে রাখে। তাই বড়ো প্যাক বা ফ্যামিলি প্যাক কেনার আগে ভালো করে দেখে নিন। এছাড়াও অনেক সময় আজ যে প্রোডাক্ট কিনছেন, কাল অন্য প্রোডাক্ট বাজারে এলে তা যদি আপনার পছন্দের হয়, তবে আপনার কেনা বড়ো প্যাক কেনা অহেতুক নষ্ট হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন স্টোরে গিয়ে স্যাম্পল ফাইল নিয়ে আগে দেখে নেওয়া না হলে ছোট প্যাক কিনে ব্যবহার করা। সব জিনিস আপনার জন্য নয় অনেক সময় আমরা ঠিক বেঠিক না ভেবে কোনও পণ্য কিনে নিই। আমাদের পরিচিত কাউকে ব্যবহার করতে দেখে যদি ভালোলাগে, আমরাও মনস্থির করি কিনে নেওয়ার। সেটা চোখের কাজল, মাসকারা, লিপস্টিক বা অন্য যে কোনও কিছু হতে পারে। এটা বোঝার চেষ্টা করুন যে সব প্রসাধনী সামগ্রী আপনার সঙ্গে নাও যেতে পারে। অথবা আপনার পছন্দের ব্র্যান্ড হয়তো নতুন কোনও প্রোডাক্ট বাজারে আনল, আপনি কিনবেন বলে মনস্থির করে নিলেন। হয়তো সেই নতুন প্রোডাক্ট আপনার দরকারী নাও হতে পারে। তাই কেনার আগে যাচাই করুন আদৌ নতুন প্রসাধন কি আপনার জরুরি বা দরকার আছে। যাচাই করে এবং সম্ভব হলে প্রথমে পরখ করে নিয়ে তবেই কিনুন। অপেক্ষাকৃত কম দামি জিনিস কিনুন আমরা সব সময় ভাবি দাম দিয়ে জিনিস কিনলে তা অবশ্যই ভালো হবে। কম দামি জিনিস হয়তো অতটা ভালো নাও হতে পারে। আমাদের এই চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে অনেক কোম্পানি নিজেদের প্রোডাক্টের দাম বাড়িয়ে রাখে। কোনও পণ্য কেনার আগে তাই অন্য ব্র্যান্ডের জিনিসের উপাদানগুলো দেখে নিন। একই উপাদান থাকলে শুধু শুধু কেন কোম্পানির নাম দেখে দাম দিয়ে তা কিনবেন? অফারে কিনুন বছরের অন্যান্য সময় কোনও ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ে তা কিছুটা কমে। কোম্পানি এটা করে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার জন্য এবং তার বিক্রি বাড়ানোর জন্য। কেনাকাটা সেই সময় করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের মেম্বারশিপ কার্ড দিয়ে থাকে তার ক্রেতাদের। সেগুলোও আপনার জন্যে কাজের হতে পারে যদি আপনি কমবেশি একই ব্র্যান্ডের জিনিস শুধু ব্যবহার করে থাকেন। প্রাকৃতিক মেকআপ বেছে নিন বাজার চলতি কসমেটিক্সের উপর ভরসা না করে অনেক সময় প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েও নিজের রূপ জেল্লা বাড়াতে পারেন। পুরনো দিনে এত কসমেটিক্সের যোগান ছিল না। তখন ত্বকের যত্ন নিতে কিন্তু ভরসা ছিল প্রাকৃতিক উপাদানই। বিভিন্ন ফল বা ফুলের রস, বা কোনও প্যাক আপনার চুলের বা ত্বকের যত্ন একইভাবে নিতে পারে যেভাবে আপনার রোজকার প্রসাধন নেয়। হয়তো কিছুটা সময় সাপেক্ষ ঠিকই, কিন্তু আপনার মেকআপের পিছনে খরচ বাঁচাতে এর ভূমিকা কিন্তু অনেকটাই। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নেলপালিশ সম্পর্কে ১০টি টিপস

খুব কম বা হাতে গোনা নারী ছাড়া প্রায় সব নারীরাই সাজতে ভালোবাসেন। নিজেকে সাজানোর মধ্যে তারা তৃপ্তি পান। রূপ নিয়ে অহংকার না রাখলেও সব নারীরাই চান সবাই তার কদর করুক। নিজের মত করে সাজানোর পরে তারিফ শুনলে একটু হলেও বেরিয়ে আসে খুশির হাসি। আজকের দিনে তাই সাজার সরঞ্জামের অভাবও নেই। পোশাকে যেমন রোজ নতুন নতুন ডিজাইন আসছে, তেমনি নিজের চুল, ত্বক বা নখের জন্যে ব্যবহার করার প্রসাধনী সামগ্রীর বিপণনও বাজারে নজরকাড়া। আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলাদা আলাদা প্রসাধনী। এর মধ্যে অনেক সময় ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় জানতেও পারি না যে একই জিনিস হয়তো অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়। তেমনি একটা বহুল ব্যবহৃত প্রসাধন সামগ্রী হলো নেলপালিশ। রোজকার এর ব্যবহারে অনেক সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজকের টপিকে রইলো সেগুলো কে ঠিক করার ঘরোয়া টোটকা। আসুন দেখে নেওয়া যাক। ভেসলিন ব্যবহার করুন নেলপালিশ পরতে গিয়ে অনেক সময় দেখা যায় আঙুলের চারপাশে লেগে যাচ্ছে। সেটা তুলতে গেলে আবার নখের উপরের পালিশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর সমাধান খুব সহজ। নেলপালিশ পরার আগে নখের ধার বরাবর একটু ভেসলিন লাগিয়ে নিন। এবার পরুন। আগের সমস্যা আর হবে না। আইব্রো ব্রাস নখের আশেপাশে পালিশ লাগলে অনেক সময় নিখুঁতভাবে তোলা আর এক সমস্যা। ধারালো কিছু দিয়ে তুলতে গেলে কেটে যাওয়ার ভয় থাকে। এই ক্ষেত্রে আইব্রো ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে দেখুন, আপনার পরিশ্রম বৃথা যাবে না। ঘষে ব্যবহার করুন অনেকে দেখে থাকেন যে নেলপালিশ পরতে গেলে কনটেইনার থেকে বের করার সময় বুদবুদ লেগে থাকে। এই সমস্যার সমাধানও আছে। ব্যবহারের আগে কনটেইনার টাকে একটু দুই হাতের চেটোতে ঘষুন। দেখবেন আর বুদবুদ থাকবে না। টি-ব্যাগ ব্যবহার করুন নেলপালিশ পরতে গেলে একটু বড়ো নখের দরকার হয়। অনেকের নখ পাতলা থাকার জন্য নখের সামনে ভেঙে যায় বা ফেটে যায়। এই অবস্থায় সামনে কোনও অনুষ্ঠান থাকলেও সাজগোজ মাটি হয়। এর সমাধানও এবার আপনার হাতের মুঠোয় আছে। বাড়িতে ব্যবহার করা টি ব্যাগ আছে তো? অল্প একটু কাগজ ওই ব্যাগ থেকে কেটে নিন। হালকা আঠা দিয়ে ভাঙ্গা নখের উপর কাগজটা লাগান। এর উপর আবার হালকা করে একটু আঠার প্রলেপ দিন। ব্যাস, এবার সাজিয়ে নিন আপনার নখ মনের মত নেলপালিশ দিয়ে। উষ্ণ পানিতে গলবে অনেক সময় বহুদিন ব্যবহার না করলে নেলপালিশ জমে যায়। কনটেইনার এর ঢাকনা খোলা বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। অল্প একটু পানি হালকা গরম করে একটা পাত্রে নিন। তার মধ্যে কন্টেইনারটি বসিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক পর দেখুন আপনার নেলপালিশ পরার জন্য রেডি। ভিনিগার দিয়ে মুছে নিন নেলপালিশ পরার আগে নিজের নখ ভিনিগার দিয়ে একটু মুছে নিন। তারপর নেলপালিশ পরুন। দেখবেন রং অনেকক্ষণ বেশি থাকবে আর জেল্লাও বেশি থাকবে। কুকিং অয়েল ব্যবহার করুন অনেকে বলে থাকেন যে নেলপালিশ পরতে গেলে অনেক আগে থেকে পরতে হয় না হলে শুকাতে অনেকক্ষণ সময় নেয়। নেলপালিশ পরার পরে হালকা করে কুকিং অয়েল লাগিয়ে রাখুন। আঙুল শুকাতে সময় কম নেবে। আঁঠার কাজ করবে নেলপালিশ হাতের কাছে আঠা নেই? কোনও চিঠি বা খাম এর মুখ বন্ধ করতে চান? ক্লিয়ার নেলপালিশ একটু লাগিয়ে চেপে ধরুন। আপনার চিঠি বা খাম পাঠানোর জন্য তৈরী। আংটি পরতে কাজে লাগবে আঙুলে অনেক সময় আংটি পরলে মেটালের দাগ হয়ে যায়। পরার আগে একটু ক্লিয়ার নেলপালিশ লাগিয়ে নিন আংটিতে। দেখবেন দাগ আর পড়বে না। দেশলাই সমস্যা সমাধান অনেক সময় যারা ক্যাম্পিংয়ে যান, দেশলাই কাঠি বৃষ্টিতে ভিজে গেলে আর জ্বলতে চায় না। একটু নেলপালিশ লাগিয়ে একটা কভার দিয়ে দিন বারুদের উপর। আর দেশলাই কাঠি না জ্বলার সমস্যা থাকবে না। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//  

মেকআপের জন্য সঠিক ফাউন্ডেশান বাছবেন যেভাবে

ছোট কোনও অনুষ্ঠানে যান বা বড় কোনও উৎসব, মেকআপ আপনার দরকার হবেই। নিজেকে যত্ন করে সাজিয়ে তোলার জন্যে পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে মানানসই মেকআপ অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই মেকআপের জন্যে বাজারে রয়েছে একের পর এক প্রসাধনী সামগ্রী। যার মধ্যে ফাউন্ডেশন অন্যতম। একটা নিখুঁত, নিটোল মেকআপের জন্যে ফাউন্ডেশনের গুরুত্ব নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।কিন্তু অনেক সময় নিজের ত্বক অনুযায়ী ঠিক ফাউন্ডেশন খুঁজে নেওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ত্বকের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফাউন্ডেশন না নিলে, ভালো ব্র্যান্ডের দাম দিয়ে কেনাটাও আপনাকে হতাশ করবে। কেমন করে নিজের জন্য উপযুক্ত ফাউন্ডেশন বেছে নেবেন, কি কি গুণাবলী খুঁজবেন, কেমন করে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন? এই সব নিয়েই আপনার জন্যে রইলো কিছু দরকারি টিপস। আপনার ত্বকের ধরন আগে আপনার ত্বকের ধরন যাচাই করুন। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, বা আপনি যেখানে থাকেন সেখানে যদি খুব গরম থাকে, সে ক্ষেত্রে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন ওয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা আরও জরুরি। খুব ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। ভারী ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের লোমকূপ আটকে দেয়। এতে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যাদের ক্ষেত্রে ব্রণ সমস্যা বেশি আছে, তারা কেনার সময় দেখে নিন ফাউন্ডেশনে স্যালিসিলিক অ্যাসিড আছে কি না। দরকার হলে হালকা ফাউন্ডেশন বেছে নিন। শেড যেভাবে বাছবেন ফাউন্ডেশন কিনতে গেলে অনেক ফাউন্ডেশন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। পারলে যাওয়ার আগে বাড়িতে অনলাইনে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ফাউন্ডেশন সম্পর্কে জেনে নিন। স্টোরে গিয়ে দরকারে বিশেষজ্ঞর সঙ্গে আলোচনা করে নিন। নিজের হাতে অল্প লাগিয়ে দেখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে যদি ত্বকের সঙ্গে ফাউন্ডেশনের শেড মিলে যায় তবেই কিনুন। স্টোরের আলো অনেক সময় সঠিক রং চেনার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। সে ক্ষেত্রে বাইরে সূর্যের আলোয় মিলিয়ে নিন। দরকার হলে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করেও নিতে পারেন। যেভাবে ব্যবহার করবেন ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের উপর একটা প্রলেপ দিয়ে দেয়। তাই কখনোই সরাসরি ত্বকের উপর ফাউন্ডেশন লাগাবেন না বা না লাগানোর চেষ্টা করবেন। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তার পরে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে ত্বক ভালো করে ধুয়ে এক্সফলিয়েট করে নিন। ফাউন্ডেশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু নিজের আঙ্গুল ব্যবহার করা সব থেকে ভালো। চেষ্টা করবেন মুখের সঙ্গে গলার বা ঘাড়ের উপরেও একইভাবে ফাউন্ডেশন লাগানো হলো কি না। দুটি জায়গার শেড মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। সানস্ক্রিন এসপিএফ আছে কি না দেখে নিন আগেই বললাম যে ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের উপর একটা প্রলেপের মত থাকে তাই বাইরে দিনের বেলায় বেরোতে গেলে সানস্ক্রিন খুবই দরকার। কারণ অতিরিক্ত সূর্যের আলো আপনার ত্বকে ট্যান এর কারণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশন কেনার সময় এসপিএফ আপনার ফাউন্ডেশনে আছে কি না দেখে নিন। গরম বা ঠাণ্ডার সময় পরিবেশের তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে বলে আলাদা আলাদা ফাউন্ডেশন কিনে রাখতে পারেন। অন্যান্য সময় এই দুই ফাউন্ডেশন মিশিয়েও ব্যবহার করা সম্ভব। তবে শুধু নিজের পছন্দ বা ধারণার উপর না থেকে অন্য কারও থেকে দ্বিতীয় মতামত নিন। আপনার ফাউন্ডেশন আদৌ আপনার ত্বকের সঙ্গে মিলছে কি না জেনে নিন। তবে যাদের মেকআপে অ্যালার্জি আছে বা ময়েশ্চারাইজার মাখলেও অ্যালার্জি হয়, তারা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। খুব সংবেদনশীল ত্বক হলে ফাউন্ডেশনের ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া ভালো সাময়িক সময়ের জন্য। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

এই লিপ আর্টের দাম সাড়ে চার কোটি টাকা!

প্রায় ১২৬টি হিরা, যার মোট দাম প্রায় ৪ কোটি ৪৭ লাখ লাখ টাকা, তা দিয়ে ঠোঁট সাজিয়ে নাম উঠল গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। কারণ এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দামি ‘লিপ আর্ট’! অস্ট্রেলিয়ার হিরা বিক্রেতা সংস্থা ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর ৫০তম প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে তারা এই লিপ আর্ট-এর আয়োজন করেছিল। ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর এই লিপ আর্ট-এ শার্লি অক্টাভিয়া নামের একজন মডেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল যার ঠোঁট সেজে ওঠে ১২৬টি হিরাতে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বিখ্যাত মেক আার্টিস্ট ভ্লাদা হ্যাগেরটি সাজিয়েছেন শার্লি অক্টাভিয়ার ঠোঁট। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কাজে প্রায় ২২ দশমিক ৯২ ক্যারেট ওজনের হিরা ব্যবহার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর ১২৬টি হিরা আর ভ্লাদা হ্যাগেরটির প্রায় আড়াই ঘণ্টার পরিশ্রমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি লিপ আর্ট হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম উঠেছে এই উদ্যোগের। ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভ্লাদা হ্যাগেরটি জানান, তাদের বহুদিনের গবেষণা ও পরিশ্রম সফল হল। সূত্র: জি নিউজ একে//

ধূমপানের ফলে কালচে ঠোঁট, ঘরোয়া ৬ সমাধান

ধূমপান যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, সে কথা সকলেই জানেন। ধূমপানের অভ্যাসের ফলে শ্বাসনালী বা ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে আরোও নানা রকম জটিল রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। ধূমপানের অভ্যাসের ফলে আর একটা সমস্যা দেখা দেয়। সেটা হল ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া। যারা ধূমপান করেন তাদের বেশির ভাগেরই ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়ে যায়। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার কয়েকটি সহজ ঘরোয়া কৌশল সম্পর্কে- ১) পাতি লেবু আর চিনি পাতি লেবুর পাতলা একটি টুকরোর উপরে খানিকটা চিনি ছড়িয়ে দিয়ে রোজ ঠোঁটে মালিশ করুন। চিনি এখানে স্ক্র্যাবারের কাজ করে। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে আর লেবু ঠোঁটের কালো হয়ে যাওয়া চামড়াকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ২) পাতি লেবুর রস আর গ্লিসারিন পাতি লেবুর রসের সঙ্গে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে ঠোঁটে মাখুন। দিন দশেকের মধ্যেই ফারাক চোখে পড়বে। ৩) মধু, চিনি আর বাদামের তেল মধু, চিনি আর বাদামের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি দিয়ে নিয়মিত ঠোঁটে মালিশ করুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার কোমলতাও বাড়াবে। ৪) টমেটোর রস প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে টমেটোর রস ঠোঁটে মাখুন। এতে আপনার ঠোঁট উজ্জ্বল হবে। ৫) চিনি আর মধু মধু আর চিনির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে মিনিট দশেক আলতো ভাবে ঠোঁটে মাখুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ৬) দুধ বা টক দই ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক অ্যাসিড খুবই উপকারী। দুধ বা টক দইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ল্যাক্টিক অ্যাসিড। দুধ বা টক দই তুলোয় নিয়ে প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে ঠোঁটে মালিশ করুন। এটি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতেও সাহায্য করে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

মোজার দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়

পা ঘামে। মোজায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ হয়। ভীষণ অস্বস্তি কাজ করে। জুতা খুললে আশপাশের লোকজনের টেকা দায়। এই জটিল সমস্যার সঙ্গে কমবেশী সবাই পরিচিত।  শীতকালে এই সমস্যাটি বেশী দেখা দেয়। মোজায় ভেজা ভেজা বা চটচটে ভাব থাকে। ঘেমে যাওয়া পায়ে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে, যার ফলে পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে মোজায় পারফিউম বা পাউডার মেখেও লাভ হয় না। তাহলে উপায়? উপায় আছে। জেনে নিন কী ভাবে মুক্তি পাবেন এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে। ১) বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পা পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং পায়ে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা সৃষ্টি করে। এতে করে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া এবং পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা আর থাকে না। পা খুব ভাল করে পরিষ্কার করে, হাতে সামান্য বেকিং সোডা নিয়ে পায়ে ভালো করে ঘষে নিন। এর ফলে পায়ে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হবে। চাইলে বন্ধ জুতোর ভেতরেও ছিটিয়ে নিতে পারেন খানিকটা বেকিং সোডা, এতেও অনেক উপকার পাবেন।   ২) লবন জলের ব্যবহার: নুন জল পায়ে ফাঙ্গাসের আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নুন জলের ব্যবহারে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা একেবারেই কমে আসে। রোজ বাড়িতে ফিরে সামান্য উষ্ণ গরম জলেতে নুন মিশিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট। পা ঘামার সমস্যা দূর হবে, সেই সঙ্গে আপনার পা ছত্রাকের আক্রমণ থেকেও রেহাই পাবে। আরও কয়েকটি উপায় সুতির মোজা ব্যবহার করুন। যাঁদের এমন সমস্যা হয়, তাঁদের ঘন ঘন চা বা কফি না খাওয়াই ভাল। মশলাদার (স্পাইসি) খাবারদাবার এড়িয়ে চলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার জুতোর ভিতরে সুগন্ধি পাউডার দিয়ে, ভাল করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝে মধ্যে জুতোগুলোকে রোদে দিন। একই মোজা দু’দিনে ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে গরম জলে একটু নুন ফেলে ভাল করে পা ধুয়ে নিন। ভাল করে পা মুছে, ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

সুগন্ধি ব্যবহার করার ৪ সঠিক পদ্ধতি

সুগন্ধির ব্যবহারে রুচির পরিচয় মেলে। নিজেকে মোহনীয় ও অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে সুগন্ধি। তবে সুগন্ধি ব্যবহারের আগে সঠিক পদ্ধতি জেনে নেওয়া উচিত। না হয় সুগন্ধি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যটাই পূরণ হবে না। সুন্দর গন্ধটাই গায়ে ধরবে না। রূপসজ্জাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি সুগন্ধি ব্যবহারের কিছু পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো নিম্নরূপ-   সুগন্ধি গায়ে দেবেন কিভাবে: সুগন্ধি স্প্রে করার সময় শরীর ভিজিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ও ভুল উপায়। পাঁচ থেকে সাত সেন্টিমিটার দূর থেকে সুগন্ধি স্প্রে করা উচিত। এর চেয়ে বেশি দূর থেকে স্প্রে করা মানে হল সুগন্ধির অপচয়। কাপড়ে ব্যবহার করা: সরাসরি কাপড়ে সুগন্ধি স্প্রে করা ভুল। এইভাবে ব্যবহার করা হলে সুগন্ধি দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং কাপড়েও দাগ পড়ে যায়। যা দেখতেও ভালো লাগে না । বেশি স্প্রে করা: খুব বেশি সুগন্ধি ব্যবহার করা কেবল সবার মনোযোগ আকর্ষণ করে না বরং অস্বস্তিও তৈরি করে। তাছাড়া খুব বেশি সুগন্ধির ব্যবহার মাথাব্যথারও কারণ হতে পারে। ভুল স্থানে সুগন্ধির ব্যবহার: সুগন্ধি সাধারণত শরীরের ‘পালস পয়েন্ট’য়ে ব্যবহার করতে হয়, যেখানে শরীরের তাপ উৎপন্ন হয় এবং সুগন্ধির ছড়ায়। যেমন- হাতের কবজি, ‘কলার বোন’ বা কণ্ঠাস্থি ও নাভির অংশে। সুগন্ধির সঠিক ব্যবহার করতে চাইলে তা হাত ও চুলের উপরের অংশে অথবা শার্টের কলারে ব্যবহার করুন।

যেভাবে সাজাবেন বুক শেলফ

বই নেই এমন বাড়ি মেলা ভার৷ সব বই পড়া নেই, অথচ বই কেনা থেমে আছে এমন মানুষও খুঁজে পাওয়া মুশকিল৷ কিন্তু এত বই রাখবেন কোথায়? এর উত্তর, জামা-কাপড় রাখার স্টোরেজ যেমন ক্যাবিনেট বা আলমারি, তেমনই বইয়ের স্টোরেজ হল বুক শেলফ৷ তবে পছন্দ হল আর বুক শেলফ কিনে নিলাম তা নয়৷ বুক শেলফ দিয়ে ঘর সাজাবেন নাকি সেটা ঘরের অন্য আসবাবের সঙ্গে সাযুজ্য রাখবেন সেটা আগে দেখে নিতে হবে৷ কিন্তু বুক শেলফ যেমনই হোক, এই শেলফে বই সাজানো আর তার যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটা কিন্তু তার ডিজাইনের উপর নির্ভর করছে না৷ আসলে বই সাজানো ও তার যত্নের উপর আপনার ঘরের সৌন্দর্য নির্ভর করে৷ এবার শুরু করা যাক বই সাজানো দিয়ে৷ বুক শেলফে এমনভাবে বই সাজাবেন যাতে যে কোনও বই খুব সহজেই আপনি খুঁজে পেতে পারেন৷ এর জন্য প্রথমেই আপনার বুক শেলফে যত বই রয়েছে সব নামিয়ে ফেলুন৷ এরপর বেছে ফেলুন সেই বইগুলো৷ মানে, যেগুলো আপনার খুব নিকটবর্তী সময় আর প্রয়োজন নেই৷ ভালো করে সেগুলো একটা বক্স-এর মধ্যে প্যাক করে রাখুন৷ হয়তো এমন বক্স সংখ্যায় তিন চারটা হবে৷ সেই বইগুলো আর শেলফে থাকবে না৷ এর বাইরেও এমন অনেক বই আছে যেগুলো আপনার প্রয়োজন নেই৷ সেগুলো আলাদা করে কাউকে দিয়ে দিতে পারেন৷ এর ফলে দেখবেন আপনার বুক শেলফে বইয়ের সংখ্যা বেশ সীমিত হয়ে পড়ছে৷ আর অল্প সংখ্যক বই গুছিয়ে ফেলা খুবি সহজ৷ এরপর আসা যাক অন্য প্রসঙ্গে৷ লেখক, বিষয় বা বইয়ের নামের আদ্যক্ষর যা মিলিয়ে একটা তাকে আপনার পছন্দ মতো বইগুলো সাজিয়ে ফেলুন৷ এরপর যেটা মাথায় রাখবেন সেটা বইয়ের উচ্চতা বা বইয়ের প্রচ্ছদের রঙ৷ এর মাঝে একটা ভাগ করতে পারেন পড়া হয়েছে এমন বই আর পড়া হয়নি এমন বই৷ এভাবে ক্যাটাগরাইজ করে বইগুলো সাজিয়ে দিন বুক শেলফে৷ ভারি বই তাকের তলার দিকে রাখুন৷ খেয়াল রাখবেন বইয়ের স্পাইন যেন বাইরের দিকে থাকে৷ এবার সাজানো তো হল৷ তবে গোটাটাই যদি বই জায়গা করে নেয় সেটা অনেকটা ম্যারম্যারে লাগতে পারে৷ তাই বুক শেলফের কাছাকাছি রাখুন বাহারি টেবল ল্যাম্প বা বাহারি ইন্ডোরপ্ল্যান্ট৷ সবটা মিলিয়ে হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়৷ তবে খেয়াল রাখবেন এই ধরনের সাজগোজে কিন্তু যত্ন নিত্যদিনের প্রয়োজন হয়৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ঠোঁট আবেদনময়ী করে তোলবেন যেভাবে

চোখ আর ঠোঁট এই দুই’ই হল সৌন্দর্যের সোনার কাঠি আর রুপোর কাঠি। এই দুই কে আকর্ষণীয় করে রাখতে গেলে ক্রেজি আবেদনময়ী লুক আনতেই হবে। ছোঁয়াতে হবে মনকাড়া রঙের ছোঁয়া। চলুন জেনে নিই, ঠোঁট কে সেক্সি লুক দিতে চাইলে কোন লিপস্টিক লাগালে সবার নজরবন্দি হবেন আপনি। রেড: রেড লিপস্টিক ক্ল্যাসিক আবেদনের প্রথম সারিতেই ছিল। আর থাকবেও। তবে, টকটকে লাল লিপস্টিক না লাগিয়ে, রেড ওয়াইন রঙের লিপস্টিক লাগালে সব কমপ্লেকশনেই দারুন মানাবে। বার্গেন্ডি: লালের পাশাপাশি বার্গেন্ডি ও দারুন যাবে। যেকোনো পোশাকের সঙ্গে ভাল মানাবে। বেরি শেড: একটু গোলাপি শেডের লিপস্টিক খুব সহজেই নজর কাড়বে। তবে যারা ফর্সা গোছের তাঁদের ক্ষেত্রে গোলাপি শেড ভাল যাবে। পার্পল: লিপস্টিক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে চাইলে নিরাপদ অপশন পার্পল শেড। বাদামি: বাদামি শেডের ক্ষেত্রে, সম্পূর্ণ বাদামি শেড না লাগিয়ে একটু গোল্ডেন ব্রাউন শেড দিলে বেশি মানাবে। সূত্র: কলকতা টোয়েন্টি ফোর। / এআর /

বয়স বাড়লেও তারুণ্য ধরে রাখবেন যেভাবে

সময়ের স্রোতে বাড়ছে বয়স। আর বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে চেহারায় পড়ছে বয়সের ছাপ। বয়সকে কোন রকমেই থামিয়ে রাখতে না পারলেও আপনি চাইলেই চেহারায় ধরে রাখতে পারেন তারুণ্য। সেজন্য পার্লারে গিয়ে কাড়িকাড়ি টাকাও খরচ করতে হবে না। গবেষণায় জানা যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উপরের স্তরে আর্দ্রতা রক্ষাকারী মলিকিউলের পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এ থেকে বাচঁতে সারাদিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার ময়েশ্চারাইজার লাগান। হাইড্রেটিং সিরাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার ব্যাপারে খুবই কাজের। পাশাপাশি পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন, খাবারে রাখুন ফল, সালাদের মতো জিনিস। ত্বকের শুকনোভাব নিয়ে আর ভাবতে হবে না। বয়স ত্রিশে কোঠা পার হতে না হতেই চোখের চারপাশে সূক্ষ্ম রেখার আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। চোখের কোলে কালির সমস্যাও দেখা দেয় অনেকের। এর সমাধানে অন্যতম হাতিয়ার রেটিনল সমৃদ্ধ আই ক্রিম। রেটিনলে এ ভিটামিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ায় চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। তবে দিনের বেলায় রোদের মধ্যে কখনও আই ক্রিম লাগাবেন না। সবসময় রাতে শুতে যাওয়ার আগে আই ক্রিম লাগান। ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোলাজেনে ঘাটতি। বাজারে দুই ধরনের কোলাজেন সমৃদ্ধ অ্যান্টি-এজিং ক্রিম পাওয়া যায়। প্রথমটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, আর দ্বিতীয় ধরনের ক্রিমে সক্রিয় উপাদান হিসেবে কোলাজেন থাকে। কোন ধরনের ক্রিম আপনার উপযোগী, ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে জেনে নিন।  

চুলের যত্ন: সরিষার তেলের ৬ উপকার

সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলার অন্যতম কারন হলো এ তেলে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করায় এটি চুল পাকা রোধ করে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী। লম্বা চুল দেখতে আমাদের সকলেরই ভাল লাগে। কিন্তু নিজের চুল কীভাবে লম্বা করে তুলতে হয় তা বুঝেনা। দূষণ, জল, রাসায়নিক ইত্যাদির প্রভাবে আমাদের চুল রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু সরিষা তেল নিয়মিত ব্যবহারে আপনি সে সব সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সরিষা তেলে উপস্থিত উপাদান আমাদের চুল করে তোলে স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ এবং সুন্দর। ১. প্রাকৃতিক কন্ডিশনার সরিষা তেলে আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্বল রাখে। এছাড়া আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কন্ডিশনারের কাজ করে। ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি হয়। সরিষা তেল চুল মজবুত করতে সাহায্য করে। ২. নারিশ করে আজকাল চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা। এর কারণ চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া হতে পারে। চুলে নিয়মিত সরিষা তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।   ৩. ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সরিষা তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেল এবং ভিটামিন A, D, E ও K থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।    ৪. রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে           আপনার চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষা তেল মালিশ করুন। এর ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক ভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। চুল সুন্দর, বড়, মজবুত ও স্বাস্থ্যজ্বল করতে সরিষা তেল অত্যন্ত উপকারী। ৫. চুল বড় হতে সাহায্য করে সরিষা তেলে ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল বড় হতে সাহায্য করে। ৬. অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান বর্তমান সরিষা তেলে অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান থাকায় তা চুলের খুশকি ও চুলকানি দূর করে। ফাঙ্গাসে চুলের গোড়া বুজে গিয়ে চুল পাতলা হয়ে যায়। সে সমস্যা সমাধান করে সর্ষের তেল।

মেক-আপে ধরে রাখুন যৌবন

কথায় আছে নারীর বয়স কত এ কথা কাউকে জিজ্ঞেস করতে নেই। কারণ এ প্রশ্নই অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ হয়। কিন্তু কেন? হয়তো এর অন্যতম কারণ ম্লান হয়ে যাওয়া রূপ। কিন্তু এই অত্যাধুনিক যুগে প্রসাধন কিন্তু সেসব ঢেকে দিতে পারে। চল্লিশে বুড়ি হওয়ার কোনও গল্প এযুগে নেই। ঠিকমতো মেকআপ করতে পারলে আপনাকেও লাগতে পারে বছর পঁচিশের যুবতী। সবকিছু কিন্তু ওই দুই নয়নের মধ্যেই আবদ্ধ। তাই চোখ ভাল করে সাজিয়ে তোলা জরুরি। যদি চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কেল হয়ে যায়, তবে হালকা কনসিলার ব্যবহার করুন। ভাল করে সেটি ব্লেন্ড করুন। ভুলেও গ্লিটারে পাউডার শ্যাডো ব্যবহার করবেন না। এতে বলিরেখা আরও বেশি করে বোঝা যায়। জেল-বেসড শ্যাডো ও আইলাইনার ব্যবহার করুন। চোখ সুন্দর দেখাতে মাসকারা লাগিয়ে আইল্যাশ কার্ল করে দিন। ভ্রু অনেকসময়ই পার্থক্য গড়ে দেয়। যদি আপনার ভ্রু পাতলা হয় তাহলে সেটি ভাল করে আঁকুন। খেয়াল রাখবেন ভ্রু যেন শার্প হয়। এটি মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। ভ্রুয়ের নিচে একটু হাইলাইট করুন। এর জন্য কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁট কিন্তু সৌন্দর্যের কেন্দ্রবিন্দু: ঠোঁট পাতলা হলে কিন্তু প্রচুর অসুবিধা। গাঢ় রং এড়িয়ে চলুন। হালকা টোন ব্যবহার করুন। লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে ঠিক করে লিপ লাইন এঁকে নিন। আর একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, দাঁত যেন হয় ঝকঝকে। গালের মেকআপ করুন ঠিক করে: বয়স কম দেখানোর জন্য গালের মেক-আপের দিকে নজর দিন। সব সময় ন্যাচারাল লুক ব্লাশ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। নিজের স্কিন টোনের সঙ্গে যে রংটি মিশে যাবে, সেই রং বেছে নিন। গালের চারদিকে হালকা করে ব্লাশ-অন লাগিয়ে ব্লেন্ড করে দিন। আরকে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি