ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:০৮:২০

গরমে ত্বককে সতেজ রাখবে এক টুকরো বরফ

গরমে ত্বককে সতেজ রাখবে এক টুকরো বরফ

খুব গরম পড়েছে, তার মধ্যে আবার কিছুদিন পরই শুরু হবে পূজোর উৎসব। গরম থাকলেও পূজো বলে কথা, তাই সাজগোজের বিষয়টা তো থাকবেই। কিন্তু গরমে মুখের সাজটা যেন ক্ষণস্থায়ী হয়ে যায়। যতই পার্লারে গিয়ে সাজুন না কেন গরমের ঘামে সব নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরমে ত্বককে সতেজ ও সাজটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে বরফের সাহায্য নিন। ১) বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন প্রত্যেকদিন৷ এবার একটি পাতলা সুতি রুমালের মধ্যে বরফ নিন৷ ওই বরফই হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন পুরো মুখ৷ এভাবেই দিনভরের ক্লান্তি কাটিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল৷ ২) সামনেই পূজো, এ সময় গরম যে থাকবে না, তার কি নিশ্চয়তা আছে৷ যদি গরম থাকে তাহলে পূজোর সাজের বারোটা বাজবে। তাই মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য মেকআপের শুরুতে প্রথমে তুলোতে টোনার নিন৷ ওই টোনার গোটা মুখে লাগান৷ এরপর একটি রুমালে জড়ানো বরফ গোটা মুখে ঘসুন৷ তারপরই লাগান ফাউন্ডেশন৷ দেখবেন, হাজার গরমেও মেকআপ থাকবে একইরকম৷ ৩) অতিরিক্ত গরমে মুখ তৈলাক্ত হয়ে যায়। আর তৈলাক্ত হলেই ব্রণর সমস্যায় ভুগতে হয়। তবে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে একখণ্ড বরফ৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে বরফ ব্রণে ঘসে নিন৷ এক রাতের মধ্যেই এর ফল পাবেন। ৪) চোখের নিচের অংশে ফোলা ভাবের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন একখণ্ড বরফ৷ কয়েক মিনিট পরেই এই ফোলাভাব দূর হয়ে যাবে। ৫) গরমে মুখে অতিরিক্ত র‌্যাশ উঠতে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই নিয়মিত পার্লারে যান৷ কিন্তু তারপরেও রয়েছে হাজারও সমস্যা৷ কারও মুখে ব়্যাশের পাশাপাশি দেখা দেয় মুখ লাল হতে৷ এই সব সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিবে একখণ্ড বরফ৷ ৬) অত্যন্ত শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বক কিংবা ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলেও বরফের কোনও তুলনা নেই৷ সকালে ও রাতে মাত্র দশ মিনিট ধরে বরফের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়৷ কেএনইউ/
রাতকে আরও রোম্যান্টিক করতে যেভাবে ঘরটি সাজাবেন 

প্রেম করার জন্য শুধু মনের মতো সঙ্গী পেলেই হয় না। দরকার হয় উপযুক্ত পরিবেশও। তবেই তো ভালোবাসা জমবে। না হলে লাইট কিংবা ঘুটঘুটে অন্ধকারে কি আর ভালবাসাবাসি চলে? ভালোবাসা জমাতে গেলে পরিবেশ তৈরি করতে হয়। আজ রাতে না হয় সেভাবেই সারপ্রাইজ দিন আপনার সঙ্গীকে।   বালিশ   বিছানা যে বালিশে সাজাবেন সেটি হোক না হৃদয় আকারের। যদি বাড়িতে না থাকে, তাহলে বাজার থেকে এমন দু’টো বালিশ কিনেও নিতে পারেন। তবে অবশ্যই রং সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। রং অবশ্যই হতে হবে লাল। কারণ এক্ষেত্রে লালের আবেদন আছে।  মোমবাতি  মোমবাতি সবসময় রোম্যান্সের আমেজ আনে। সুন্দর মোমদানির মধ্যে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। বাকি ঘর অন্ধকার করে দিন। ওই আলো আঁধারির খেলায় আপনার সঙ্গী মজে যেতে বাধ্য হবে। উপহার এমন দিনে উপহার কিন্তু মাস্ট। দামী হতে হবে এমন নয়। এমন দিনে চাই রোম্যান্টিক উপহার। যদি আপনার সঙ্গী বই পছন্দ করে তবে নির্দ্বিধায় কিনে ফেলুন কোনও রোম্যান্টিক গল্প বা উপন্যাসের বই। তার সঙ্গে থাকতে পারে এক বক্স চকোলেট। নাহলে গোলাপ কিংবা পছন্দের কিছু ফুল। কিন্তু গোলাপ যেন হয় লাল রঙের হয়। কারণ প্রেম জাগাতে লাল গোলাপের বিকল্প নেই।   পরের দিনের সকালের নাস্তা আমেজ কি শুধু রাতের জন্যই। প্রেম তো সকালে আরও ফুরফুরে মেজাজে হতে পারে। তাই সুন্দর রাতের পর যদি সুন্দর সকাল চান, তবে নিজে কষ্ট করে একটু তাড়াতাড়ি উঠে তার জন্য চা বানিয়ে ফেলুন। কারণ সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখের সামনে চা পেলে এমনিতেই মন ভাল হয়ে যাবে সঙ্গির। তা যদি নিজের কাছের মানুষের হাতে বানানো হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এমনিতেই আগের রাতের সুন্দর অভিজ্ঞতার রেশ তখনও কাটবে না।তার উপর যদি সকালেও এমন সারপ্রাইজ আসে, তাহলে গোটা বিষয়টাই জমে ক্ষীর।    কেআই/এসি   

মেক-আপ না তুলে ঘুমালে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

অনেক সময় শরীর ক্লান্ত থাকলে বা নিছকই ইচ্ছা না করলে আমরা মেক-আপ তুলি না। এ ভাবেই ঘুমিয়ে পড়ি বিছানায়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে স্থায়ীভাবে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সবচেয়ে স্পর্শকাতর চোখের মেক আপ। মেক আপের সময় এই দিকেই বেশি জোর দিই আমরা। এ দিকে চোখের মেক আপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়লে ভ্রূ ও চোখের পাতা ঝরে যায়। মেক আপের কেমিক্যাল চোখের নীচের অংশের ত্বকেরও ক্ষতি করে। ডার্ক সার্কল আসে সহজেই। অনেকেই লিপস্টিক ভাল করে না তুলে অথবা মুখের ফাউন্ডেশন ভাল করে না সরিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এতে মেক আপের গুঁড়োয় রোমকূপ আটকে যায়। এতে ব্রণ এবং ত্বকের অন্য সমস্যাও বাড়ে। লিপস্টিকের উপাদান ঠোঁটে বসে গিয়ে তাকে আরও শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে ঠোঁটের আশপাশে ডেড সেল তৈরি হয়। সুতরাং এ বার থেকে সাবধান হন এই বিষয়ে। মেক আপ তুলে সুস্থ রাখুন ত্বককে। সূত্র- আনন্দবাজার আরকে//

চুলে রং করার ৪টি ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে অনেকেই চুল রং করে থাকেন। পুরুষ-নারী উভয়েই নিজের মনের মতো করে চুল সাজিয়ে নেন পছন্দের রঙে। কিন্তু চুলে করা এই নানা ধরনের রঙের মারাত্মক ভয়াবহ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কি কি- ১) অ্যালার্জি অনেকের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল (সেনসিটিভ) হয়ে থাকে। ফলে সামান্য রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা মাত্রই অ্যালার্জির সমস্যা শুরু হয়ে যায়। পিপিডি অনেক বেশি অ্যালার্জি উদ্রেককারী রাসায়নিক পদার্থ যার প্রভাবে মাথার ত্বকে চুলকুনি, জ্বালা, ফুলে যাওয়া, র‍্যাশ ওঠা, খুশকি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়াও অ্যালার্জি যদি মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় তাহলে চোখ ফুলে যাওয়া, চোখ, নাক ও মুখের চারপাশের ত্বকে অ্যালার্জির প্রকোপে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। ২) অতিরিক্ত চুল পড়া শুধু সুন্দর দেখানোর জন্য চুলে রং করলেন। কিন্তু এই কারণে আপনার চুলই রইল না, তা তো কখনোই কাম্য নয়। চুলে অতিরিক্ত রং ব্যবহার করলে চুল ঝরে যাওয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। রঙের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ চুলের ফলিকল নষ্ট করে দেয়। ফলে চুলের মাঝখান থেকে চুল ভেঙে যেতে শুরু করে এবং নতুন চুল গজানোতেও বাধা সৃষ্টি করে। ৩) হাঁপানি অবাক হলেও একথা সত্য যে, চুলের রঙের জন্য হাঁপানির সমস্যা দেখা দিতে পারে বা বাড়তে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত চুল রং করেন, তাদের ত্বকে অ্যালার্জি বা হাঁপানি হওয়ার প্রবনতা অনেকটাই বেশি। এখানেও কাজ করে সেই একই ক্ষতিকর রাসায়নিক পিপিডি। ৪) ক্যান্সার দ্য অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি-র গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিপিডি  মানুষের ডিএনএ সেল নষ্ট করে ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন করতে পারে। এই রাসায়নিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দিতেও সক্ষম। যার ফলে স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। যদিও চুল রং করার রাসায়নিক মিশ্রণে এই পিপিডি নামক বস্তুটি অল্প পরিমাণে পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত। সূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর ঘরোয়া ৪ উপায়

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে কে না চায়। এর জন্য দামী ক্রিম, লোশন কিনেন অনেকেই। তবে অনেক সময় এ দামী ক্রিম কাজে আসে না বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তাই এবারের আয়োজনে আপনাদের জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিতে সাহা্য্য করবে। ১) হলুদের ব্যবহার অয়লি স্কিন অর্থাৎ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পিম্পল, কালচে দাগ, অ্যাকনে কত কী না হয়৷ তাই সবার আগে দরকার তৈলাক্ততা দূর করা৷ হলুদ বেটে বা গুড়িয়ে তাতে খানিকটা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে দিন৷ রোজ ব্যবহার করুন৷ মাস্কটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহে আপনি ফল পাবেন৷ ২) ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস মুখে বা নাকে ব্ল্যাকহেডস থাকলে দেখতে তো খারাপ লাগে আর আপনার কনফিডেন্সও হারিয়ে যায়৷ তাই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দূর করতে ডিম ও লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।এর জন্য ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ ত্বকের যে যে জায়গায় ব্ল্যাক হেডস হয় সেখানে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন৷ ৪০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ ৩)দুধ ত্বকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে দুধ ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে আপনার স্কিন নরম হবে৷ দুধের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে থকথকে পেস্ট বানান৷ সারারাত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখলে ভালো ফল পাবেন। ৪)দারুচিনি ত্বকে ব্রুণের সমস্যা কমাতে দারুচিনি খুব উপকারি৷ দারুচিনি গুঁড়ো করে নিয়ে লাগিয়ে ফেলুন৷ কয়েক ঘন্টা লাগাবার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ সপ্তাহে তিনবার করলেই যথেষ্ট৷ এতেই উপকার পাবেন৷ তবে পদ্ধতিগুলো ব্যবাহারের পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে পারেন। সূত্র: কলকাতা ২৪×৭ এমএইচ/ এআর

সঠিক মেক-আপের ৮ নিয়ম

বেশিরভাগ নারীই মেক-আপ করার সময় ভুল করে থাকেন। মনে রাখবেন, মুখে শুধু গাদাখানেক ফাউন্ডেশন আর কমপ্যাক্ট লাগালেই মেক-আপ হয় না। তার সঠিক পদ্ধতি রয়েছে। আর সেই অনুযায়ী মেক-আপ করলে তবেই মেলে পারফেক্ট লুক। ফেস পাউডার বেশি ফেস পাউডার ব্যবহার করলে বেশি ফর্সা লাগে। ঠিকঠাক মেক-আপের জন্য কখনই বেশিমাত্রায় ফেস পাউডার লাগানো উচিত নয়। ফাউন্ডেশন মেক-আপের জন্য অবশ্যই দরকার ফাউন্ডেশন। প্রথমে এটি মুখে লাগান, তারপর কনসেলারের সাহায্যে ঠিক করুন। তবেই মুখে চকচকে ভাব আসবে। তবে ত্বকের রং অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বাছা উচিত। হাতের তালুতে অল্প ফাউন্ডেশন নিয়ে মুখে লাগান। কনসেলার এ ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা প্রযোজ্য। এমন কনসেলার বাছুন যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই। তবে চোখের নিচে যখন কনসেলার লাগাবেন, তখন একটু হালকা শেডের কনসেলার বাছুন। তবে খেয়াল রাখুন শেড যেন অতিরিক্ত হালকা না হয়। ব্লাশ রাখুন ঠিকঠাক ব্লাশ আপনার মেক-আপকে যেমন অন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, তেমনই আপনার মেক-আপকে নষ্টও করে দিতে পারে। গোলাপি রং বেশি ব্যবহার করলে মেক-আপ ঘেঁটে যেতে পারে। তাই ব্লাশ-অন ব্যবহার করুন বুঝেশুনে। কাজল মেক-আপের ক্ষেত্রে চোখ খুব বড় জিনিস। কাজল ব্যবহার করুন চোখের কোণ থেকে। কাজলের কাজ শেষ হলে তবেই আইলাইনারের মেক-আপ শুরু করুন। সবশেষে মাসকারার কাজ। ঠোঁটের মেক-আপ লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে সব সময় লিপবাম ব্যবহার করুন। তারপর তার উপর লিপস্টিক দিন। তবে লিপ লাইনার দিয়ে ঠোঁট আঁকতে ভুলবেন না। টি-জোন ও জ-লাইন নাক ঘেমে যায়? এর জন্য দায়ী অয়েলি টি-জোন। এই জায়গায় ম্যাট প্রিমিয়ার ব্যবহার করুন। জ-লাইনের ক্ষেত্রেও অনেকে ভুল করেন। এই জায়গায় মেক-আপ ব্লেন্ড করে দিন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

চুলের রং নষ্টে ৯ ভুল

চুল মানুষের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। তাই চুলকে পছন্দনীয় ও আকর্শণীয় করতে চেষ্টার কোন ত্রুটি থাকে না। তবে প্রতিদিনের কিছু ভুল এ চুলের সৌন্দর্যকে বিলিন করে দিতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সে ভুল থেকে দূরে থাকায় ভালো। ১) চুল ডাই করার পর পরই শ্যাম্পু করা: এই ভুলটি বেশিরভাগ মানুষই করে থাকেন। চুল পার্লারে ডাই করা হোক বা বাসায়, অনেকেই ডাইয়ের গন্ধটা সহ্য করতে পারেন না এবং কয়েক ঘণ্টা পরেই শ্যাম্পু করে ফেলেন। এই কাজটি করা যাবে না মোটেই। চুল ডাই করার পর অন্তত ৭২ ঘণ্টা চুলে শ্যাম্পু করা হতে বিরত থাকুন। এতে দীর্ঘদিন আপনার ডাই অক্ষত থাকবে। ২) পার্লারে ডাই করার পর আবার নিজে নিজে ডাই করা: পার্লারে ডাই করে এসেছেন, অথচ রংটা ঠিক পছন্দ হচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই হেয়ার ডাই কিনে নিজে নিজেই আবার চুলে রং করতে বসে যান। এ কাজটি করলে চুলে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। খরচ কিছুটা বেশি হলেও পার্লারে গিয়েই চুলের রংটা ঠিক করে নিন। ৩) ঘন ঘন চুল ধোয়া: ডাই করা চুলে প্রতিদিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করলে রং মলিন হয়ে যাবে দ্রুত। এছাড়া হেয়ার ডাইয়ে থাকা রাসায়নিকের কারণে ডাই করা চুল প্রতিদিন ধোয়া হলে তা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তারমানে এই নয় যে নিয়মিত গোসল করা যাবে না। প্রতিদিন শ্যাম্পু না করে ২-৩ দিন পর পর শ্যাম্পু করুন। শ্যাম্পু করার সময়ে চুল বেশি ঘষাঘষি করবেন না। এছাড়া মাঝে মাঝে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। ৪) গরম পানিতে চুল ধোয়া: গরম পানিতে গোসল করলেও এই পানি মাথায় দেবেন না। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। গরম পানিতে চুল ধোয়ার ফলে একদিনেই রং মলিন হয়ে যেতে পারে। ৫) বিশেষ কন্ডিশনার ব্যবহার না করা: ডাই করা চুল খুব সহজেই শুষ্ক এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তাই ডাই করা চুলের জন্য বিশেষ কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত। এসব কন্ডিশনার চুলের ওপরে একটি বিশেষ প্রতিরোধী স্তর তৈরি করে এবং রং বেশিদিন ধরে রাখে। প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর এই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের গোড়ায় নয়, আগায় কন্ডিশনার মাখুন। ৬) তোয়ালে দিয়ে ঘষে চুল মোছা: ডাই করা চুল এমনিতেই দুর্বল হয়ে যায়। চুল ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে ঘষাঘষি করলে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে, রংটাও হালকা হয়ে যেতে পারে। চুল আলতো করে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন এবং বাতাসে শুকিয়ে নিন। ৭) কার্লার, স্ট্রেইটনার এবং ড্রায়ারের অতিরিক্ত ব্যবহার: ডাই করা চুলে তাপ দিলে ক্ষতি বেশি হয়। চুল নষ্ট হয়ে যাওয়া রোধ করতে প্রতিবার এসব যন্ত্র ব্যবহারের আগে চুলে হিট প্রটেকশন স্প্রে ব্যবহার করুন। এসব যন্ত্রের ব্যবহার যথাসম্ভব কমিয়ে দিন। ৮) চুলের বাড়তি যত্ন না করা: ডাই করা চুল যত্নের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়, বিশেষ করে গরমকালে। এ সময়ে চুলে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন বা হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাতে পারেন। এছাড়া চুলে রোদ লাগলে রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই রোদে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন বা চুল ঢেকে রাখুন। ৯) ঘন ঘন চুলে কালার করা: অনেকেই ভাবেন চুলে যত ঘন ঘন ডাই করানো যায়, চুল তত সুন্দর থাকবে। আসলে কিন্তু তা নয়! প্রতিবার কালার করার জন্য অন্তত ছয় সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। এতে চুলের ক্ষতি অনেক কম হয়, চুল থাকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। সূত্র- গুড হাউজকিপিং আরকে//

কোরবানি ঈদে সাজ হবে কেমন?

মুসলমানদের কোরবানি ঈদ মানেই হচ্ছে ত্যাগের উৎসব। এই দিনে পশুদের জবাহ করার মধ্যে দিয়ে উৎসব পালন করা হয়। এই দিনটায় মাংস খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঠিকই কিন্তু পাশাপাশি সাজগোজের বিষয়টা বাদ দেওয়া যায় না, যতই হোক ঈদ বলে কথা। কোরবানি ঈদের সকাল থেকেই দুপুর পর্যন্ত সবাইকে মাংস কাটাকাটি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজেকেও পরিপাটি করে তুলতে হবে। তাই এই ঈদে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে নিজে পরিপাটি হয়ে তৈরি হতে হবে। যেহেতু দুপুর পর্যন্ত মাংস কাটা শুরু থেকে অনেক কাজ করতে হবে তাই একটি সুতি আরামদায়ক পোশাক পরে নিয়ে নিন। তবে হ্যা, এই ঈদে বিকেলে নিজেকে ফ্রি রাখবেন। কেননা কোরবানি ঈদে বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় সময় পাওয়া যায় সাজ আর ঘোরাঘুরির জন্য। অবশ্য এবার ঈদে প্রচণ্ড গরম থাকার সম্ভাবনা থাকবে তাই সাজগোজের একটু বাছ-বিচার করা প্রয়োজন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোরবানির ঈদের আপনার সাজ কেমন হবে- সকাল বেলার সাজ ঘুম থেকে উঠেই গোসল সেরে নেওয়া ভালো, যেহেতু গরম থাকবে। মুখে ময়েশচারাইজার লাগিয়ে তার ওপর হালকা ভাবে কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিতে হবে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা তৈলাক্ত প্রুফ লোশোন ব্যবহার করবেন, এতে কাজ করার সময় মুখ ঘেমে তেলতেলে হয়ে যাবে না এবং আপনার চেহারার সতেজতা বজায় থাকবে। এরপর চোখের উপরের এবং নীচের পাতায় ঘন করে কাজল দিন এবং সেটা যেন অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ হয়। এবার ঠোঁটে হালকা কালারের লিপস্টিক লাগান। চুল অবশ্যই বাঁধুন। চুল বড় হলে খোপা করতে পারেন অথবা পেছনে পাঞ্চ ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখতে পারেন। কপালের সামনে দিয়ে কাটা ব্যাঙ্গস, ফ্রিঞ্জ অথবা লেয়ারটি এ সময় ছেঁড়ে রাখবেন না। কারণ মাংস কাটার কাজ ও রান্নার কাজ রয়েছে। সবশেষে কানে ছোট গোল্ড অথবা ইমিটেশনের স্টোন দেওয়া টপ পরতে পারেন। গৃহিণীরা হাতে চিকন গোল্ড প্লেটেড অথবা ইমিটেশনের চুড়ি পরতে পারেন। হয়ে গেল আপনার কোরবানির ঈদের দিনের বেলার সাজ। বিকেলের সাজ মেকাআপের সময় প্রথমে মুখ ক্লিনজিং মিল্ক অথবা স্ক্রাব দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লোশোন লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট পরে কোন ভালো মানের ম্যাট লিকুইড ফাউন্ডেশন লাগান। এর ওপর লুস পাউডার বুলিয়ে নিন। চোখ সাজাতে গাঢ় নীল, কালো অথবা ব্রোঞ্জ এর মত শেড দিতে পারেন। একে একে ভ্রু আঁকুন, চোখের ওপরের এবং নীচের পাতায় কাজল এবং মাস্কারা দিয়ে আপনার চোখের সাজ শেষ করুন। চেষ্টা করুন লিপস্টিক এবং ব্লাশনের রঙ কাছাকাছি রাখতে। ব্রাউন, পিচ অথবা পিঙ্ক হতে পারে আদর্শ চয়েজ। এ সময় চাইলে আপনি চুল খোলা রাখতে পারেন। গলায়, কানে এবং হাতে পরুন হালকা কোন গহনা। বাইরে ঘুরাঘুরির বাছাই করে নিতে পারেন ইমিটেশনের গহনা। এ সময় খেয়াল রাখবেন আপনার পোশাক ও জুতো জোড়া যেন আরামদায়ক হয়। কেএনইউ/       

খুশকি দূর করার ঘরোয়া ৫ উপায়

চুলের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে ড্যান্ড্রাফ বা খুশকি। চুলে খুশকি হলে খুব জ্বালাপোড়া করে এমনকি চুল ওঠা শুরু করে। এই খুশকি দূর করার জন্য অনেকেই ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যবহার করে। হয়তো খুশকি কিছুটা দূর হয় কিন্তু কেমিক্যাল দেওয়া শ্যাম্পু পরবর্তীতে চুলের ক্ষতি করতে পারে। তবে আয়ুর্বেদে রয়েছে এমন কয়েকটি উপকরণ যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আপনার চুলের যত্ন নেয়, ড্যান্ড্রাফের হাত থেকেও রেহাই দেয়। ১) নিম নিমপাতার পাতার একটি পেস্ট তৈরি করুন, একবাটি দইয়ে এই পেস্ট মিশিয়ে মাথায় লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ড্যান্ড্রাফের সঙ্গে দারুণ ভাবে কাজ করে। ২) ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস একটি ছোট পাত্রে দু’টি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে এক চামচ লেবুর রস মেশান। আধ ঘণ্টার জন্য চুলে লাগিয়ে রেখে দিন, তারপর জাতীয় শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডান্ড্রফ খুব শীঘ্রই অদৃশ্য হয়ে যাবে। ডিমের সাদা অংশ প্রোটিন সমৃদ্ধ, যা চুলের ভাল স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। ৩) আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলা খুশকি প্রতিরোধ করে। আমলা গুঁড়ো করে পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। ৮ থেকে ১০টা তুলসী পাতা অল্প করে পানি দিয়ে পেস্ট করে আমলার পেস্টের সাথে মেশান। হাত দিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান পেস্টটি। প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে শ্যাম্পু করে নিন। ৪) মেথি বা মেথি বীজ মেথি দানা উচ্চ প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ যা চুল পড়া এবং ড্যান্ড্রাফ প্রতিরোধে সহায়তা করে, তাছাড়াও চুলের শুষ্কতা, চুল ওঠা এবং চুলের পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যাও কমায় মেথি। রাতে তিন চামচ মেথি বীজ নিয়ে জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ব্লেন্ডারের সাহায্যে গুঁড়িয়ে নিন ওই মেথি। এবার মেথির এই পেস্টে এক চামচ লেবুর রস মেশান। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত এই পেস্ট প্রয়োগ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে নিন। ৫) আমলা, রিঠা ও শিকাকাই আমলা, রিঠা এবং শিকাকাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা আপনার চুল এবং মাথার জন্য আশ্চর্য উপকারে আসতে পারে। সংক্রমণজনিত জীবাণুগুলি অপসারণ করে আপনার চুলকে পরিষ্কার রাখতে রিঠা অত্যন্ত কার্যকরী। পাঁচ থেকে ছয়টি রিঠা, শিকাকাইয়ের ছয় থেকে সাত টুকরো এবং কয়েকটা আমলা জলে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে উঠে মিশ্রণটি ফুটিয়ে নিন এবং তারপর মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে নিন। ব্লেন্ডারের সাহায্যে মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু হিসাবে এই তরল মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/

সহজেই নখকে সাজিয়ে তুলবেন যে উপায়ে

নখের ধরনের উপর নির্ভর করে হাতের সৌন্দর্য৷ নেলপালিশ পছন্দ করেন না এমন নারীর সংখ্যা খুবই কম৷ কিন্তু রোজের অফিস, হাজারো কাজ সামলে নিয়ম মতো পার্লারে গিয়ে নখ সুন্দর করে তোলার মতো সময় কতজনের হাতেই বা রয়েছে৷ কিন্তু সময় নেই বলে কি নখের দিকে নজর না দিলে চলবে? তার চেয়ে বরং বাড়িতে বসেই নখের যত্ন নিন৷ সহজ কিছু উপায়েই নখকে সাজিয়ে তুলুন৷ হয়ে উঠুন আকর্ষণীয়৷ নখে শুধু নেলপালিশ লাগালেই তা সুন্দর হয়ে যান না৷ তার আগে বেশ কিছু পদ্ধতি আপনাকে অবলম্বন করতেই হবে৷ প্রথমে একটি তুলাতে নেলপলিশ রিমুভার লাগান৷ প্রতিটি নখ ভাল করে ওই তুলা দিয়ে মুছে নিন৷ নেলপালিশ লাগানো থাকলে তা তুলে নিন৷ পুরনো নেলপালিশের জন্য অনেক সময়ই নখে হলুদ দাগ তৈরি হয়৷ সেই দাগ তুলতে নখে লাগান টুথপেস্ট৷ মিনিটখানেক রেখে ভাল করে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন৷ এবার নখে নেলপালিশ লাগান৷ প্রথমবার নেলপালিশ লাগিয়ে ভাল করে শুকিয়ে নিন৷ মনে রাখবেন, ভিত ঠিক মতো তৈরি না হলে বাড়ি যেমন ভেঙে পড়ে, ঠিক তেমনই নেলপালিশের প্রথম কোট ঠিকঠাক না হলে নখের সৌন্দর্যও মাটি হয়ে যেতে পারে৷ নখ ছাড়া নখের আশেপাশেও নিশ্চয়ই নেলপালিশ লেগেছে? এবার পালা সেগুলো পরিষ্কারের৷ একটি তুলোতে করে রিমুভার নিন৷ নখের আশপাশের অংশ পরিষ্কার করুন৷ এরপর আরও একবার নেলপালিশ পরুন৷ ওই নেলপালিশ শুকাতে দিন৷ শুকিয়ে গেলে একটি তুলাতে করে পেট্রোলিয়াম জেলি নিন৷ ওই পেট্রোলিয়াম জেলি নখ ও নখের আশেপাশে লাগান৷  ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউরই এখন ফ্যাশনে ইন৷ খুব সহজ উপায়ে বাড়িতেও করে ফেলতে পারেন ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিউর৷ নখের সামনের অংশ কিছুটা ছেড়ে একটি কার্ড রাখুন৷ ওই ফাঁকা অংশে সাদা বা অন্য কোনও হালকা রঙের নেলপালিশ লাগান৷ তাহলেই দেখবেন বাড়িতে বসেই পেয়ে যাবেন ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিওর৷ শুধু নেলপালিশ পরলেই তো হবে না৷ নেলপালিশ কীভাবে নখে অনেকদিন একইরকম রাখবেন? তার জন্য রয়েছে উপায়৷ একটি পাত্রে বেশ কয়েকটি বরফ কুঁচি নিন৷ এরপর বরফগলা পানিতে কিছুক্ষণ নখগুলো ডুবিয়ে রাখুন৷ তারপর হাত ভাল করে মুছে নিন৷ আবারও লাগিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি৷ ব্যস! তাতেই কেল্লাফতে৷ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনুন ৩ মিনিটেই

নিজের ত্বককে সুন্দর করার জন্য কত ভাবেই না যত্ন নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, পার্লারে গিয়ে সপ্তাহে সপ্তাহে মোটা টাকা খরচ করা হয় একটু সতেজ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি যদি এত কিছু না করে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাত্র তিন মিনিট নিজের জন্য দিতে পারেন তাহলে নিজেই উপকৃত হবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই একটি কাজ করলেই প্রতিদিন সকালে পাবেন সতেজ, ঝলমলে ও দীপ্তিময় চেহারা। মুছে যাবে চোখের কোলের কালি, মুখের কালো দাগ। এতে দামি কোনও উপাদানের প্রয়োজন নেই। আপনার ঘরে থাকা খুব সাধারণ প্রসাধনী সামগ্রী দিয়েই জলদি এই রূপচর্চা সেরে নিতে পারবেন। আর হ্যাঁ, এতে কেবল বাইরে থেকেই আপনার চেহারা সুন্দর হবে না। হবে ভেতর থেকেও তরতাজা। উপকরণ গোলাপ জল এক টেবিল চামচ, জাফরানের দানা তিনটি, বিশুদ্ধ অ্যালোভেরা জেল আধা চা চামচ, সামান্য উষ্ণ গরম পানি, এক টেবিল চামচ কালোজিরা, এক টেবিল চামচ মধু। ব্যবহারের পদ্ধতি গোলাপ জলের মধ্যে জাফরানের দানা ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে আগের দিন থেকেই ভিজিয়ে রাখতে পারেন। যত বেশি ভিজিয়ে রাখবেন, তত বেশি তা কার্যকরী হবে। জাফরান রং ছেড়ে দিলে এই মিশ্রণে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিয়ে এক টুকরো তুলোর সাহায্যে পরিষ্কার মুখে এই মিশ্রণ ভাল করে মেখে নিন। মুখের উপর লাগানো প্রলেপ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানির মধ্যে কয়েক দানা জাফরান ও মধু মিশিয়ে খেয়ে ঘুমাতে যান। উপকারিতা ত্বকের রং উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে, ত্বক থেকে বলিরেখা ও কালো দাগ মুছে দিতে জাফরান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। জাফরান শুধু মাত্র বাইরে থেকেই কাজ করে না, ভেতর থেকেও ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। আর এই জাফরান যখন মধুর সঙ্গে খাওয়া হয়, তখন তার কার্যকারীতা বহুগুণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ত্বককে টানটান, নরম ও দাগহীন রাখতে অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে সতেজ ভাব দেয় যা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বজায় থাকে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যে কোনও ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে। রূপচর্চার সব চেয়ে আদি উপাদান হচ্ছে গোলাপ জল। নিয়মিত এর ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা বজায় থাকে এবং ত্বকের জেল্লা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

গায়ের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করে বেছে নিন লিপস্টিক

নারীদের সাজগোজের প্রিয় একটি অংশ হচ্ছে লিপস্টিক। আর কিছু সাজুক আর না সাজুক বাহিরে বের হওয়ার সময় টুপ করে একটু ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়ে বের হয়ে যান অনেকেই। দেখতেও বেশ সুন্দর লাগে। তবে যে কোনও রঙের লিপস্টিক দিলেই যে সুন্দর লাগবে তা কিন্তু নয়। স্কীনের সঙ্গে লিপস্টিকের রং ম্যাচ না করলে দেখতে খুব খারাপ লাগবে। তাই স্কীনের সঙ্গে ম্যাচ করেই লিপস্টিক পড়ুন। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের অধিকারিণী হলে লিপস্টিকের রঙের বিষয়ে আপনি সাহসী হয়ে উঠতেই পারেন৷ ভাবনাচিন্তা না করেই বেছে নিতে পারেন যে কোনও রং৷ সকালের অনুষ্ঠানে জন্য গোলাপি লিপস্টিক আদর্শ৷ বিকেলের কোনও অনুষ্ঠানের জন্য লালের যে কোনও শেড বেছে নিতেই পারেন আপনি৷   শ্যামবর্ণ কোনও অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় পোশাকের রং অনুযায়ী লিপস্টিক বেছে নেওয়াই ভাল৷ শ্যামবর্ণের মহিলাদের জন্য কমলার যে কোনও শেডে ঠোঁট রাঙাতেই পারেন আপনি৷ আপনার ইচ্ছানুযায়ী ক্রিমি, ম্যাট অথবা গ্লসি যে কোনও লিপস্টিক পরে হয়ে উঠতেই পারেন অপরূপা৷ কৃষ্ণবর্ণ গায়ের রং কালো নিয়ে খুঁতখুঁতুনি রয়েছে অনেকেরই৷ গায়ের রং নিয়ে ভাবনাচিন্তা না করে বরং মন দিন ঠোঁট রাঙানোর কাজে৷ গোলাপি অথবা মেরুন রঙে সাজিয়ে তুলুন নিজের ঠোঁট৷ ম্যাট শেড হলে বেছে নিতে পারেন যে কোনও লিপস্টিকই৷  লাল শেডের লিপস্টিক লাল লিপস্টিক পছন্দ করেন বেশিরভাগ নারীই৷ প্রায় সবার কালেকশনেই থাকে লাল লিপস্টিক৷ আপনার স্কিনটোন যাই হোক না কেন, ফরসা হোন বা কালো, ঠোঁট রাঙিয়ে তুলতেই পারেন লালের ছোঁয়ায়৷ ওয়াইল্ড বেরি কালো হোন বা ফর্সা, তাতে কি যায় আসে? পছন্দ হলে অনায়াসেই হাত বাড়াতেই পারেন ওয়াইল্ড বেরি শেডের লিপস্টিকের দিকে৷ কে বলতে পারে, ওয়াইল্ড বেরি ঠোঁটই হয়তো কারও মন ছুঁয়ে যেতে পারে৷ কেএনইউ/একে/

বর্ষায় নখের যত্ন নেবেন যেভাবে

বর্ষার এই ঝরঝর বৃষ্টিতে আমরা চুল ও পায়ের খুব ভালোভাবে যত্ন নেওয়ার চেষ্ট করি। কিন্তু কখনই নখের কথা চিন্তা করি না। অথচ এ সময় ত্বকের সঙ্গে নখেরও বেশি ক্ষতি হয়ে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে পা সবসময় ভিজে থাকার কারণে দেখা যায়, নখের কোণে ফাংগাল জাতীয় ঘা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে ভয়ানক কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া নখের চারপাশে চামড়া উঠতে থাকে এবং নখের রং পরিবর্তন হয়ে হলুদ রং ধারণ করে। মাঝে মাঝে নখের কোণ দিয়ে রক্ত-পুঁজও পড়তে থাকে। তাই এই বর্ষায় নখের যত্ন নেওয়া অতি জরুরি। বর্ষায় নখের যে কোনও রকম সংক্রমণ রোধ করতে হলে পা শুকনো রাখুন। বেশি ঘাম হলে মুছতে থাকুন। বৃষ্টিতে পা ভিজবেই, তবে এই ভেজাভাব যেন ত্বকে স্থায়ী না হয়। তাই ভেজা পা মুছে পাউডার ছড়িয়ে দিয়ে রাখুন। বাহির থেকে এসে রাতে শুতে যাওয়ার আগে উষ্ণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে ওর মধ্যে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট তারপর মুছে নিন। এতে নখে লেগে থাকা বৃষ্টির পানিতে ছিটকে আসা কাদা দূর হয়ে যাবে। পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। হ্যান্ড ও ফুট ময়েশ্চারাইজারই ব্যবহার করুন। কারণ এগুলোতে থাকে হাত-পায়ের ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট কার্যকরী উপাদান। বর্ষাকালে নখ দুর্বল হয়ে পড়ে। সহজে ভেঙে যায়। এই ঋতুতে রোজ দু’বার নখে পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারকেল তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে নখে ইনফেকশন হবে না। নখকে সুস্থ রাখতে ত্বকের ভেতরে পুষ্টি খুব দরকার। সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন, আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। গোসলের সময় কুসুম গরম পানিতে নিমপাতা ও লবণ দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে নখের ফাংগাল ইনফেকশনের প্রবণতা কম হবে। বর্ষার সময় পায়ের ও হাতের নখ যাতে ছোট থাকে সেইদিকে বেশি খেয়াল রাখবেন। কেএনইউ/ এআর   

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি