ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮ ২:১৫:০১

মেক-আপে ধরে রাখুন যৌবন

মেক-আপে ধরে রাখুন যৌবন

কথায় আছে নারীর বয়স কত এ কথা কাউকে জিজ্ঞেস করতে নেই। কারণ এ প্রশ্নই অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ হয়। কিন্তু কেন? হয়তো এর অন্যতম কারণ ম্লান হয়ে যাওয়া রূপ। কিন্তু এই অত্যাধুনিক যুগে প্রসাধন কিন্তু সেসব ঢেকে দিতে পারে। চল্লিশে বুড়ি হওয়ার কোনও গল্প এযুগে নেই। ঠিকমতো মেকআপ করতে পারলে আপনাকেও লাগতে পারে বছর পঁচিশের যুবতী। সবকিছু কিন্তু ওই দুই নয়নের মধ্যেই আবদ্ধ। তাই চোখ ভাল করে সাজিয়ে তোলা জরুরি। যদি চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কেল হয়ে যায়, তবে হালকা কনসিলার ব্যবহার করুন। ভাল করে সেটি ব্লেন্ড করুন। ভুলেও গ্লিটারে পাউডার শ্যাডো ব্যবহার করবেন না। এতে বলিরেখা আরও বেশি করে বোঝা যায়। জেল-বেসড শ্যাডো ও আইলাইনার ব্যবহার করুন। চোখ সুন্দর দেখাতে মাসকারা লাগিয়ে আইল্যাশ কার্ল করে দিন। ভ্রু অনেকসময়ই পার্থক্য গড়ে দেয়। যদি আপনার ভ্রু পাতলা হয় তাহলে সেটি ভাল করে আঁকুন। খেয়াল রাখবেন ভ্রু যেন শার্প হয়। এটি মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। ভ্রুয়ের নিচে একটু হাইলাইট করুন। এর জন্য কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁট কিন্তু সৌন্দর্যের কেন্দ্রবিন্দু: ঠোঁট পাতলা হলে কিন্তু প্রচুর অসুবিধা। গাঢ় রং এড়িয়ে চলুন। হালকা টোন ব্যবহার করুন। লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে ঠিক করে লিপ লাইন এঁকে নিন। আর একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, দাঁত যেন হয় ঝকঝকে। গালের মেকআপ করুন ঠিক করে: বয়স কম দেখানোর জন্য গালের মেক-আপের দিকে নজর দিন। সব সময় ন্যাচারাল লুক ব্লাশ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। নিজের স্কিন টোনের সঙ্গে যে রংটি মিশে যাবে, সেই রং বেছে নিন। গালের চারদিকে হালকা করে ব্লাশ-অন লাগিয়ে ব্লেন্ড করে দিন। আরকে//
ঘরোয়া পদ্ধতিতে কোঁকড়ানো চুল

কোঁকড়ানো চুল কমবেশি সবারই পছন্দ। কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষেরই কোঁকড়ানো চুল রয়েছে। যেকোনো উৎসব বা অনুষ্ঠানের সময় নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলেতে আপনিও আপনার চুলকে ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে কোঁকড়ানো চুল পেতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল কোঁকড়ানো করার পদ্ধতি- প্রথমে শ্যাম্পু করুন৷ চুলের ডগা পর্যন্ত কন্ডিশনার লাগান। এবার তোয়ালে দিয়ে আপনার চুল জড়িয়ে নিন। কোঁকড়ানো চুল পেতে ব্যবহার করুন হেয়ার স্প্রে৷ মুঠোতে চুল জড়িয়ে নিয়ে বানিয়ে নিন হাত খোঁপা৷ ৩০ মিনিট পর হাত খোঁপা খুলে চুল আঁচড়ে নিন৷ চুলের ক্ষতি ছাড়া এই পদ্ধতিতে খুব সইজেই কোঁকড়ানো চুল পেতে পারেন। ধরুন আপনার খুবসকালেই কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন৷ শ্যাম্পু করে নানা পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নেওয়ার সময় কোথায়? এমন যদি হয় তাহলে রাতেই ঘুমের আগে শক্ত করে চুল বেঁধে নিন৷ এরপর সকালে উঠে চুল খুলে আঁচড়ে নিন৷ ম্যাজিক দেখতে পাবেন নিজের চোখেই৷   এমএইচ/ এসএইচ/  

ত্বকের যন্ত্রে ঘরোয়া দুই ফেসমাস্ক

স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর ত্বক কে না চায়। আর সেটি যদি হয় মুখ, তাহলে আর কোনো কথাই নেই। কেননা ত্বকের মাধ্যমেই মানুষের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। তাই মুখকে পরিস্কার এবং সুন্দর রাখতে অনেকে বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এ সব প্রসাধনীর প্রায় বেশিরভাগই মুখের জন্য ক্ষতিকারক। তাই মুখের লাবণ্য ধরে রাখতে ২টি ঘরোয়া মাস্ক নিয়ে আলোচনা করা হলো-  ১) দুধ ও হলুদ মাস্ক কাঁচা দুধ ও হলুদের মাস্ক মুখ পরিস্কার রাখার অত্যন্ত কার্যকর। কাঁচা দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বক পরিস্কার এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে মুখের স্কিনকে নিরাপদ রাখে। উপদান-  *৪ চামচ হলুদের গুড়া *৫ থেকে ৬ চামচ কাঁচা দুধ ব্যবহারের পদ্ধতি একটি বাটিতে করে হলুদ ও কাঁচা দুধ ভালোভাবে মিক্স করে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এরপর আঙ্গুল দিয়ে মুখে ও ঘাড়ে পেস্টটি রাত পর্যন্ত লাগিয়ে রাখতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটি পরিস্কার করে নিতে হবে। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এটি ব্যবহার করতে পারেন।   ২) ডিমের ফেইস মাস্ক ডিমের সাদা অংশের মাস্ক মুখের ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ডিম মুখের ডার্ক সার্কেল কমাতে এবং মুখে লাবন্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করে। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধি ডিম মুখের স্কিনের ছোট ছোটা দাঁগ এবং মুখের ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে্ও কাজ করে থাকে।  উপাদান- ডিমের সাদা অংশ ব্যবহারের পদ্ধতি একটি পাত্রে ডিমের সাদা অংশ নিয়ে মাস্কা তৈরি করুন। এরপর মাস্কটি মুখে আলতো করে মেখে  ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ধূয়ে ফেলুন।  আপনি চাইলে মুখে লাগানো মাস্কটি সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে সকালে পরিস্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধূয়ে নিতে হবে। ভালো রেজাল্টের জন্য সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।    সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/  

সুস্থ ও মানসিক প্রশান্তিতে বেডরুমের রং! 

বেডরুমের রং নির্বাচনে সবাই রুচির প্রমাণ দেন। কারণ ওটাই আপনার একান্তই বিশ্রামের জায়গা। ওখানেই আপনি আপনার মতো করে থাকতে পারেন। ঘরে শান্তি বজায় রাখতে বাস্তুশাস্ত্রের সাহায্য নেয় মানুষ। কিন্তু আপনি কী জানেন বেডরুমের রং আপনার জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে। এই ব্যাপারে  বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন। শুধু তাই নয়, সমীক্ষা বলছে বেডরুমের রং যৌনতাকেও প্রভাবিত করে।   কেন একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা?     প্রায় ২ হাজার ব্রিটিশ দম্পতিতে নিয়ে এই সমীক্ষা চালিয়েছেন একটি সংস্থা। প্রতি সপ্তাহে ‘ইন্টিমেট এনকাউন্টার’ পরিমাপ করে তারা। দেখা যায়, বেডরুমের বিভিন্ন রং মানসিক অবস্থার উপর বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে। যৌনতা তো বটেই, স্বাস্থ্য ও ঘুমের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে বেডরুমের রং। নীল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষকে ঘুমোতে এই রং খুব সাহায্য করে। বেডরুমের দেয়ালে নীল রং করলে মস্তিস্ক হালকা হয়। আর সেই কারণেই ঘুম হয় ভালো। বেডরুমে নীল রং করলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। হৃদরোগের প্রবণতাও কমে যায়। হলুদ নীলের পরেই তালিকায় রয়েছে হলুদ রঙ। যেসব দম্পতিরা এই রং পছন্দ করেন, তারা বিশ্রামটাকে বেশিই প্রাধান্য দেন। রাতে গড়ে সাত ঘণ্টা ৪০ মিনিট ঘুমান তাঁরা। হলুদ রং দেহকে আরাম দেয়। ফলে উত্তেজনার উশমিত হয়।   ধূসর চাঁদের আলোর অনুভূতি এনে দেয় ধূসর রং। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রং ঘরে করা হলে ঘুম ভালো হয়। প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ঘুমায় মানুষ। যারা ঘরে এই রং করে, তারা সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুশীলন করতেও তাঁরা ক্লান্তি অনুভব করেন না। বেগুনি  বেগুনি রং লাক্সারি, সম্পদ আর রাজকীয়তার প্রতীক। স্বাস্থ্য তো বটেই এই রং যাদের বেডরুমে থাকে, তারা মানসিক ভাবে ভালো থাকে। এবং তাদের দাম্পত্য জীবন আরও সুখের হয়।    কেআই/এসি    

গরমে ত্বককে সতেজ রাখবে এক টুকরো বরফ

খুব গরম পড়েছে, তার মধ্যে আবার কিছুদিন পরই শুরু হবে পূজোর উৎসব। গরম থাকলেও পূজো বলে কথা, তাই সাজগোজের বিষয়টা তো থাকবেই। কিন্তু গরমে মুখের সাজটা যেন ক্ষণস্থায়ী হয়ে যায়। যতই পার্লারে গিয়ে সাজুন না কেন গরমের ঘামে সব নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরমে ত্বককে সতেজ ও সাজটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে বরফের সাহায্য নিন। ১) বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন প্রত্যেকদিন৷ এবার একটি পাতলা সুতি রুমালের মধ্যে বরফ নিন৷ ওই বরফই হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন পুরো মুখ৷ এভাবেই দিনভরের ক্লান্তি কাটিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল৷ ২) সামনেই পূজো, এ সময় গরম যে থাকবে না, তার কি নিশ্চয়তা আছে৷ যদি গরম থাকে তাহলে পূজোর সাজের বারোটা বাজবে। তাই মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য মেকআপের শুরুতে প্রথমে তুলোতে টোনার নিন৷ ওই টোনার গোটা মুখে লাগান৷ এরপর একটি রুমালে জড়ানো বরফ গোটা মুখে ঘসুন৷ তারপরই লাগান ফাউন্ডেশন৷ দেখবেন, হাজার গরমেও মেকআপ থাকবে একইরকম৷ ৩) অতিরিক্ত গরমে মুখ তৈলাক্ত হয়ে যায়। আর তৈলাক্ত হলেই ব্রণর সমস্যায় ভুগতে হয়। তবে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে একখণ্ড বরফ৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে বরফ ব্রণে ঘসে নিন৷ এক রাতের মধ্যেই এর ফল পাবেন। ৪) চোখের নিচের অংশে ফোলা ভাবের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন একখণ্ড বরফ৷ কয়েক মিনিট পরেই এই ফোলাভাব দূর হয়ে যাবে। ৫) গরমে মুখে অতিরিক্ত র‌্যাশ উঠতে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই নিয়মিত পার্লারে যান৷ কিন্তু তারপরেও রয়েছে হাজারও সমস্যা৷ কারও মুখে ব়্যাশের পাশাপাশি দেখা দেয় মুখ লাল হতে৷ এই সব সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিবে একখণ্ড বরফ৷ ৬) অত্যন্ত শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বক কিংবা ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলেও বরফের কোনও তুলনা নেই৷ সকালে ও রাতে মাত্র দশ মিনিট ধরে বরফের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়৷ কেএনইউ/

রাতকে আরও রোম্যান্টিক করতে যেভাবে ঘরটি সাজাবেন 

প্রেম করার জন্য শুধু মনের মতো সঙ্গী পেলেই হয় না। দরকার হয় উপযুক্ত পরিবেশও। তবেই তো ভালোবাসা জমবে। না হলে লাইট কিংবা ঘুটঘুটে অন্ধকারে কি আর ভালবাসাবাসি চলে? ভালোবাসা জমাতে গেলে পরিবেশ তৈরি করতে হয়। আজ রাতে না হয় সেভাবেই সারপ্রাইজ দিন আপনার সঙ্গীকে।   বালিশ   বিছানা যে বালিশে সাজাবেন সেটি হোক না হৃদয় আকারের। যদি বাড়িতে না থাকে, তাহলে বাজার থেকে এমন দু’টো বালিশ কিনেও নিতে পারেন। তবে অবশ্যই রং সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। রং অবশ্যই হতে হবে লাল। কারণ এক্ষেত্রে লালের আবেদন আছে।  মোমবাতি  মোমবাতি সবসময় রোম্যান্সের আমেজ আনে। সুন্দর মোমদানির মধ্যে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। বাকি ঘর অন্ধকার করে দিন। ওই আলো আঁধারির খেলায় আপনার সঙ্গী মজে যেতে বাধ্য হবে। উপহার এমন দিনে উপহার কিন্তু মাস্ট। দামী হতে হবে এমন নয়। এমন দিনে চাই রোম্যান্টিক উপহার। যদি আপনার সঙ্গী বই পছন্দ করে তবে নির্দ্বিধায় কিনে ফেলুন কোনও রোম্যান্টিক গল্প বা উপন্যাসের বই। তার সঙ্গে থাকতে পারে এক বক্স চকোলেট। নাহলে গোলাপ কিংবা পছন্দের কিছু ফুল। কিন্তু গোলাপ যেন হয় লাল রঙের হয়। কারণ প্রেম জাগাতে লাল গোলাপের বিকল্প নেই।   পরের দিনের সকালের নাস্তা আমেজ কি শুধু রাতের জন্যই। প্রেম তো সকালে আরও ফুরফুরে মেজাজে হতে পারে। তাই সুন্দর রাতের পর যদি সুন্দর সকাল চান, তবে নিজে কষ্ট করে একটু তাড়াতাড়ি উঠে তার জন্য চা বানিয়ে ফেলুন। কারণ সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখের সামনে চা পেলে এমনিতেই মন ভাল হয়ে যাবে সঙ্গির। তা যদি নিজের কাছের মানুষের হাতে বানানো হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এমনিতেই আগের রাতের সুন্দর অভিজ্ঞতার রেশ তখনও কাটবে না।তার উপর যদি সকালেও এমন সারপ্রাইজ আসে, তাহলে গোটা বিষয়টাই জমে ক্ষীর।    কেআই/এসি   

মেক-আপ না তুলে ঘুমালে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

অনেক সময় শরীর ক্লান্ত থাকলে বা নিছকই ইচ্ছা না করলে আমরা মেক-আপ তুলি না। এ ভাবেই ঘুমিয়ে পড়ি বিছানায়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে স্থায়ীভাবে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সবচেয়ে স্পর্শকাতর চোখের মেক আপ। মেক আপের সময় এই দিকেই বেশি জোর দিই আমরা। এ দিকে চোখের মেক আপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়লে ভ্রূ ও চোখের পাতা ঝরে যায়। মেক আপের কেমিক্যাল চোখের নীচের অংশের ত্বকেরও ক্ষতি করে। ডার্ক সার্কল আসে সহজেই। অনেকেই লিপস্টিক ভাল করে না তুলে অথবা মুখের ফাউন্ডেশন ভাল করে না সরিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এতে মেক আপের গুঁড়োয় রোমকূপ আটকে যায়। এতে ব্রণ এবং ত্বকের অন্য সমস্যাও বাড়ে। লিপস্টিকের উপাদান ঠোঁটে বসে গিয়ে তাকে আরও শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে ঠোঁটের আশপাশে ডেড সেল তৈরি হয়। সুতরাং এ বার থেকে সাবধান হন এই বিষয়ে। মেক আপ তুলে সুস্থ রাখুন ত্বককে। সূত্র- আনন্দবাজার আরকে//

চুলে রং করার ৪টি ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে অনেকেই চুল রং করে থাকেন। পুরুষ-নারী উভয়েই নিজের মনের মতো করে চুল সাজিয়ে নেন পছন্দের রঙে। কিন্তু চুলে করা এই নানা ধরনের রঙের মারাত্মক ভয়াবহ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কি কি- ১) অ্যালার্জি অনেকের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল (সেনসিটিভ) হয়ে থাকে। ফলে সামান্য রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা মাত্রই অ্যালার্জির সমস্যা শুরু হয়ে যায়। পিপিডি অনেক বেশি অ্যালার্জি উদ্রেককারী রাসায়নিক পদার্থ যার প্রভাবে মাথার ত্বকে চুলকুনি, জ্বালা, ফুলে যাওয়া, র‍্যাশ ওঠা, খুশকি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়াও অ্যালার্জি যদি মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় তাহলে চোখ ফুলে যাওয়া, চোখ, নাক ও মুখের চারপাশের ত্বকে অ্যালার্জির প্রকোপে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। ২) অতিরিক্ত চুল পড়া শুধু সুন্দর দেখানোর জন্য চুলে রং করলেন। কিন্তু এই কারণে আপনার চুলই রইল না, তা তো কখনোই কাম্য নয়। চুলে অতিরিক্ত রং ব্যবহার করলে চুল ঝরে যাওয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। রঙের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ চুলের ফলিকল নষ্ট করে দেয়। ফলে চুলের মাঝখান থেকে চুল ভেঙে যেতে শুরু করে এবং নতুন চুল গজানোতেও বাধা সৃষ্টি করে। ৩) হাঁপানি অবাক হলেও একথা সত্য যে, চুলের রঙের জন্য হাঁপানির সমস্যা দেখা দিতে পারে বা বাড়তে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত চুল রং করেন, তাদের ত্বকে অ্যালার্জি বা হাঁপানি হওয়ার প্রবনতা অনেকটাই বেশি। এখানেও কাজ করে সেই একই ক্ষতিকর রাসায়নিক পিপিডি। ৪) ক্যান্সার দ্য অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি-র গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিপিডি  মানুষের ডিএনএ সেল নষ্ট করে ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন করতে পারে। এই রাসায়নিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দিতেও সক্ষম। যার ফলে স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। যদিও চুল রং করার রাসায়নিক মিশ্রণে এই পিপিডি নামক বস্তুটি অল্প পরিমাণে পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত। সূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর ঘরোয়া ৪ উপায়

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে কে না চায়। এর জন্য দামী ক্রিম, লোশন কিনেন অনেকেই। তবে অনেক সময় এ দামী ক্রিম কাজে আসে না বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তাই এবারের আয়োজনে আপনাদের জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিতে সাহা্য্য করবে। ১) হলুদের ব্যবহার অয়লি স্কিন অর্থাৎ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পিম্পল, কালচে দাগ, অ্যাকনে কত কী না হয়৷ তাই সবার আগে দরকার তৈলাক্ততা দূর করা৷ হলুদ বেটে বা গুড়িয়ে তাতে খানিকটা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে দিন৷ রোজ ব্যবহার করুন৷ মাস্কটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহে আপনি ফল পাবেন৷ ২) ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস মুখে বা নাকে ব্ল্যাকহেডস থাকলে দেখতে তো খারাপ লাগে আর আপনার কনফিডেন্সও হারিয়ে যায়৷ তাই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দূর করতে ডিম ও লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।এর জন্য ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ ত্বকের যে যে জায়গায় ব্ল্যাক হেডস হয় সেখানে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন৷ ৪০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ ৩)দুধ ত্বকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে দুধ ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে আপনার স্কিন নরম হবে৷ দুধের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে থকথকে পেস্ট বানান৷ সারারাত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখলে ভালো ফল পাবেন। ৪)দারুচিনি ত্বকে ব্রুণের সমস্যা কমাতে দারুচিনি খুব উপকারি৷ দারুচিনি গুঁড়ো করে নিয়ে লাগিয়ে ফেলুন৷ কয়েক ঘন্টা লাগাবার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ সপ্তাহে তিনবার করলেই যথেষ্ট৷ এতেই উপকার পাবেন৷ তবে পদ্ধতিগুলো ব্যবাহারের পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে পারেন। সূত্র: কলকাতা ২৪×৭ এমএইচ/ এআর

সঠিক মেক-আপের ৮ নিয়ম

বেশিরভাগ নারীই মেক-আপ করার সময় ভুল করে থাকেন। মনে রাখবেন, মুখে শুধু গাদাখানেক ফাউন্ডেশন আর কমপ্যাক্ট লাগালেই মেক-আপ হয় না। তার সঠিক পদ্ধতি রয়েছে। আর সেই অনুযায়ী মেক-আপ করলে তবেই মেলে পারফেক্ট লুক। ফেস পাউডার বেশি ফেস পাউডার ব্যবহার করলে বেশি ফর্সা লাগে। ঠিকঠাক মেক-আপের জন্য কখনই বেশিমাত্রায় ফেস পাউডার লাগানো উচিত নয়। ফাউন্ডেশন মেক-আপের জন্য অবশ্যই দরকার ফাউন্ডেশন। প্রথমে এটি মুখে লাগান, তারপর কনসেলারের সাহায্যে ঠিক করুন। তবেই মুখে চকচকে ভাব আসবে। তবে ত্বকের রং অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বাছা উচিত। হাতের তালুতে অল্প ফাউন্ডেশন নিয়ে মুখে লাগান। কনসেলার এ ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা প্রযোজ্য। এমন কনসেলার বাছুন যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই। তবে চোখের নিচে যখন কনসেলার লাগাবেন, তখন একটু হালকা শেডের কনসেলার বাছুন। তবে খেয়াল রাখুন শেড যেন অতিরিক্ত হালকা না হয়। ব্লাশ রাখুন ঠিকঠাক ব্লাশ আপনার মেক-আপকে যেমন অন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, তেমনই আপনার মেক-আপকে নষ্টও করে দিতে পারে। গোলাপি রং বেশি ব্যবহার করলে মেক-আপ ঘেঁটে যেতে পারে। তাই ব্লাশ-অন ব্যবহার করুন বুঝেশুনে। কাজল মেক-আপের ক্ষেত্রে চোখ খুব বড় জিনিস। কাজল ব্যবহার করুন চোখের কোণ থেকে। কাজলের কাজ শেষ হলে তবেই আইলাইনারের মেক-আপ শুরু করুন। সবশেষে মাসকারার কাজ। ঠোঁটের মেক-আপ লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে সব সময় লিপবাম ব্যবহার করুন। তারপর তার উপর লিপস্টিক দিন। তবে লিপ লাইনার দিয়ে ঠোঁট আঁকতে ভুলবেন না। টি-জোন ও জ-লাইন নাক ঘেমে যায়? এর জন্য দায়ী অয়েলি টি-জোন। এই জায়গায় ম্যাট প্রিমিয়ার ব্যবহার করুন। জ-লাইনের ক্ষেত্রেও অনেকে ভুল করেন। এই জায়গায় মেক-আপ ব্লেন্ড করে দিন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

চুলের রং নষ্টে ৯ ভুল

চুল মানুষের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। তাই চুলকে পছন্দনীয় ও আকর্শণীয় করতে চেষ্টার কোন ত্রুটি থাকে না। তবে প্রতিদিনের কিছু ভুল এ চুলের সৌন্দর্যকে বিলিন করে দিতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সে ভুল থেকে দূরে থাকায় ভালো। ১) চুল ডাই করার পর পরই শ্যাম্পু করা: এই ভুলটি বেশিরভাগ মানুষই করে থাকেন। চুল পার্লারে ডাই করা হোক বা বাসায়, অনেকেই ডাইয়ের গন্ধটা সহ্য করতে পারেন না এবং কয়েক ঘণ্টা পরেই শ্যাম্পু করে ফেলেন। এই কাজটি করা যাবে না মোটেই। চুল ডাই করার পর অন্তত ৭২ ঘণ্টা চুলে শ্যাম্পু করা হতে বিরত থাকুন। এতে দীর্ঘদিন আপনার ডাই অক্ষত থাকবে। ২) পার্লারে ডাই করার পর আবার নিজে নিজে ডাই করা: পার্লারে ডাই করে এসেছেন, অথচ রংটা ঠিক পছন্দ হচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই হেয়ার ডাই কিনে নিজে নিজেই আবার চুলে রং করতে বসে যান। এ কাজটি করলে চুলে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। খরচ কিছুটা বেশি হলেও পার্লারে গিয়েই চুলের রংটা ঠিক করে নিন। ৩) ঘন ঘন চুল ধোয়া: ডাই করা চুলে প্রতিদিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করলে রং মলিন হয়ে যাবে দ্রুত। এছাড়া হেয়ার ডাইয়ে থাকা রাসায়নিকের কারণে ডাই করা চুল প্রতিদিন ধোয়া হলে তা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তারমানে এই নয় যে নিয়মিত গোসল করা যাবে না। প্রতিদিন শ্যাম্পু না করে ২-৩ দিন পর পর শ্যাম্পু করুন। শ্যাম্পু করার সময়ে চুল বেশি ঘষাঘষি করবেন না। এছাড়া মাঝে মাঝে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। ৪) গরম পানিতে চুল ধোয়া: গরম পানিতে গোসল করলেও এই পানি মাথায় দেবেন না। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। গরম পানিতে চুল ধোয়ার ফলে একদিনেই রং মলিন হয়ে যেতে পারে। ৫) বিশেষ কন্ডিশনার ব্যবহার না করা: ডাই করা চুল খুব সহজেই শুষ্ক এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তাই ডাই করা চুলের জন্য বিশেষ কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত। এসব কন্ডিশনার চুলের ওপরে একটি বিশেষ প্রতিরোধী স্তর তৈরি করে এবং রং বেশিদিন ধরে রাখে। প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর এই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের গোড়ায় নয়, আগায় কন্ডিশনার মাখুন। ৬) তোয়ালে দিয়ে ঘষে চুল মোছা: ডাই করা চুল এমনিতেই দুর্বল হয়ে যায়। চুল ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে ঘষাঘষি করলে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে, রংটাও হালকা হয়ে যেতে পারে। চুল আলতো করে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন এবং বাতাসে শুকিয়ে নিন। ৭) কার্লার, স্ট্রেইটনার এবং ড্রায়ারের অতিরিক্ত ব্যবহার: ডাই করা চুলে তাপ দিলে ক্ষতি বেশি হয়। চুল নষ্ট হয়ে যাওয়া রোধ করতে প্রতিবার এসব যন্ত্র ব্যবহারের আগে চুলে হিট প্রটেকশন স্প্রে ব্যবহার করুন। এসব যন্ত্রের ব্যবহার যথাসম্ভব কমিয়ে দিন। ৮) চুলের বাড়তি যত্ন না করা: ডাই করা চুল যত্নের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়, বিশেষ করে গরমকালে। এ সময়ে চুলে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন বা হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাতে পারেন। এছাড়া চুলে রোদ লাগলে রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই রোদে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন বা চুল ঢেকে রাখুন। ৯) ঘন ঘন চুলে কালার করা: অনেকেই ভাবেন চুলে যত ঘন ঘন ডাই করানো যায়, চুল তত সুন্দর থাকবে। আসলে কিন্তু তা নয়! প্রতিবার কালার করার জন্য অন্তত ছয় সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। এতে চুলের ক্ষতি অনেক কম হয়, চুল থাকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। সূত্র- গুড হাউজকিপিং আরকে//

কোরবানি ঈদে সাজ হবে কেমন?

মুসলমানদের কোরবানি ঈদ মানেই হচ্ছে ত্যাগের উৎসব। এই দিনে পশুদের জবাহ করার মধ্যে দিয়ে উৎসব পালন করা হয়। এই দিনটায় মাংস খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঠিকই কিন্তু পাশাপাশি সাজগোজের বিষয়টা বাদ দেওয়া যায় না, যতই হোক ঈদ বলে কথা। কোরবানি ঈদের সকাল থেকেই দুপুর পর্যন্ত সবাইকে মাংস কাটাকাটি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজেকেও পরিপাটি করে তুলতে হবে। তাই এই ঈদে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে নিজে পরিপাটি হয়ে তৈরি হতে হবে। যেহেতু দুপুর পর্যন্ত মাংস কাটা শুরু থেকে অনেক কাজ করতে হবে তাই একটি সুতি আরামদায়ক পোশাক পরে নিয়ে নিন। তবে হ্যা, এই ঈদে বিকেলে নিজেকে ফ্রি রাখবেন। কেননা কোরবানি ঈদে বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় সময় পাওয়া যায় সাজ আর ঘোরাঘুরির জন্য। অবশ্য এবার ঈদে প্রচণ্ড গরম থাকার সম্ভাবনা থাকবে তাই সাজগোজের একটু বাছ-বিচার করা প্রয়োজন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোরবানির ঈদের আপনার সাজ কেমন হবে- সকাল বেলার সাজ ঘুম থেকে উঠেই গোসল সেরে নেওয়া ভালো, যেহেতু গরম থাকবে। মুখে ময়েশচারাইজার লাগিয়ে তার ওপর হালকা ভাবে কমপ্যাক্ট পাউডার বুলিয়ে নিতে হবে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা তৈলাক্ত প্রুফ লোশোন ব্যবহার করবেন, এতে কাজ করার সময় মুখ ঘেমে তেলতেলে হয়ে যাবে না এবং আপনার চেহারার সতেজতা বজায় থাকবে। এরপর চোখের উপরের এবং নীচের পাতায় ঘন করে কাজল দিন এবং সেটা যেন অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ হয়। এবার ঠোঁটে হালকা কালারের লিপস্টিক লাগান। চুল অবশ্যই বাঁধুন। চুল বড় হলে খোপা করতে পারেন অথবা পেছনে পাঞ্চ ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখতে পারেন। কপালের সামনে দিয়ে কাটা ব্যাঙ্গস, ফ্রিঞ্জ অথবা লেয়ারটি এ সময় ছেঁড়ে রাখবেন না। কারণ মাংস কাটার কাজ ও রান্নার কাজ রয়েছে। সবশেষে কানে ছোট গোল্ড অথবা ইমিটেশনের স্টোন দেওয়া টপ পরতে পারেন। গৃহিণীরা হাতে চিকন গোল্ড প্লেটেড অথবা ইমিটেশনের চুড়ি পরতে পারেন। হয়ে গেল আপনার কোরবানির ঈদের দিনের বেলার সাজ। বিকেলের সাজ মেকাআপের সময় প্রথমে মুখ ক্লিনজিং মিল্ক অথবা স্ক্রাব দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লোশোন লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট পরে কোন ভালো মানের ম্যাট লিকুইড ফাউন্ডেশন লাগান। এর ওপর লুস পাউডার বুলিয়ে নিন। চোখ সাজাতে গাঢ় নীল, কালো অথবা ব্রোঞ্জ এর মত শেড দিতে পারেন। একে একে ভ্রু আঁকুন, চোখের ওপরের এবং নীচের পাতায় কাজল এবং মাস্কারা দিয়ে আপনার চোখের সাজ শেষ করুন। চেষ্টা করুন লিপস্টিক এবং ব্লাশনের রঙ কাছাকাছি রাখতে। ব্রাউন, পিচ অথবা পিঙ্ক হতে পারে আদর্শ চয়েজ। এ সময় চাইলে আপনি চুল খোলা রাখতে পারেন। গলায়, কানে এবং হাতে পরুন হালকা কোন গহনা। বাইরে ঘুরাঘুরির বাছাই করে নিতে পারেন ইমিটেশনের গহনা। এ সময় খেয়াল রাখবেন আপনার পোশাক ও জুতো জোড়া যেন আরামদায়ক হয়। কেএনইউ/       

খুশকি দূর করার ঘরোয়া ৫ উপায়

চুলের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে ড্যান্ড্রাফ বা খুশকি। চুলে খুশকি হলে খুব জ্বালাপোড়া করে এমনকি চুল ওঠা শুরু করে। এই খুশকি দূর করার জন্য অনেকেই ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যবহার করে। হয়তো খুশকি কিছুটা দূর হয় কিন্তু কেমিক্যাল দেওয়া শ্যাম্পু পরবর্তীতে চুলের ক্ষতি করতে পারে। তবে আয়ুর্বেদে রয়েছে এমন কয়েকটি উপকরণ যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আপনার চুলের যত্ন নেয়, ড্যান্ড্রাফের হাত থেকেও রেহাই দেয়। ১) নিম নিমপাতার পাতার একটি পেস্ট তৈরি করুন, একবাটি দইয়ে এই পেস্ট মিশিয়ে মাথায় লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ড্যান্ড্রাফের সঙ্গে দারুণ ভাবে কাজ করে। ২) ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রস একটি ছোট পাত্রে দু’টি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে এক চামচ লেবুর রস মেশান। আধ ঘণ্টার জন্য চুলে লাগিয়ে রেখে দিন, তারপর জাতীয় শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডান্ড্রফ খুব শীঘ্রই অদৃশ্য হয়ে যাবে। ডিমের সাদা অংশ প্রোটিন সমৃদ্ধ, যা চুলের ভাল স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। ৩) আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলা খুশকি প্রতিরোধ করে। আমলা গুঁড়ো করে পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। ৮ থেকে ১০টা তুলসী পাতা অল্প করে পানি দিয়ে পেস্ট করে আমলার পেস্টের সাথে মেশান। হাত দিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান পেস্টটি। প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে শ্যাম্পু করে নিন। ৪) মেথি বা মেথি বীজ মেথি দানা উচ্চ প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ যা চুল পড়া এবং ড্যান্ড্রাফ প্রতিরোধে সহায়তা করে, তাছাড়াও চুলের শুষ্কতা, চুল ওঠা এবং চুলের পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যাও কমায় মেথি। রাতে তিন চামচ মেথি বীজ নিয়ে জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ব্লেন্ডারের সাহায্যে গুঁড়িয়ে নিন ওই মেথি। এবার মেথির এই পেস্টে এক চামচ লেবুর রস মেশান। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত এই পেস্ট প্রয়োগ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে নিন। ৫) আমলা, রিঠা ও শিকাকাই আমলা, রিঠা এবং শিকাকাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা আপনার চুল এবং মাথার জন্য আশ্চর্য উপকারে আসতে পারে। সংক্রমণজনিত জীবাণুগুলি অপসারণ করে আপনার চুলকে পরিষ্কার রাখতে রিঠা অত্যন্ত কার্যকরী। পাঁচ থেকে ছয়টি রিঠা, শিকাকাইয়ের ছয় থেকে সাত টুকরো এবং কয়েকটা আমলা জলে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে উঠে মিশ্রণটি ফুটিয়ে নিন এবং তারপর মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে নিন। ব্লেন্ডারের সাহায্যে মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু হিসাবে এই তরল মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি