ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৮:৫০

মোজার দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়

মোজার দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়

পা ঘামে। মোজায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ হয়। ভীষণ অস্বস্তি কাজ করে। জুতা খুললে আশপাশের লোকজনের টেকা দায়। এই জটিল সমস্যার সঙ্গে কমবেশী সবাই পরিচিত।  শীতকালে এই সমস্যাটি বেশী দেখা দেয়। মোজায় ভেজা ভেজা বা চটচটে ভাব থাকে। ঘেমে যাওয়া পায়ে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে, যার ফলে পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে মোজায় পারফিউম বা পাউডার মেখেও লাভ হয় না। তাহলে উপায়? উপায় আছে। জেনে নিন কী ভাবে মুক্তি পাবেন এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে। ১) বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পা পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং পায়ে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা সৃষ্টি করে। এতে করে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া এবং পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা আর থাকে না। পা খুব ভাল করে পরিষ্কার করে, হাতে সামান্য বেকিং সোডা নিয়ে পায়ে ভালো করে ঘষে নিন। এর ফলে পায়ে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হবে। চাইলে বন্ধ জুতোর ভেতরেও ছিটিয়ে নিতে পারেন খানিকটা বেকিং সোডা, এতেও অনেক উপকার পাবেন।   ২) লবন জলের ব্যবহার: নুন জল পায়ে ফাঙ্গাসের আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নুন জলের ব্যবহারে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা একেবারেই কমে আসে। রোজ বাড়িতে ফিরে সামান্য উষ্ণ গরম জলেতে নুন মিশিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট। পা ঘামার সমস্যা দূর হবে, সেই সঙ্গে আপনার পা ছত্রাকের আক্রমণ থেকেও রেহাই পাবে। আরও কয়েকটি উপায় সুতির মোজা ব্যবহার করুন। যাঁদের এমন সমস্যা হয়, তাঁদের ঘন ঘন চা বা কফি না খাওয়াই ভাল। মশলাদার (স্পাইসি) খাবারদাবার এড়িয়ে চলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার জুতোর ভিতরে সুগন্ধি পাউডার দিয়ে, ভাল করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝে মধ্যে জুতোগুলোকে রোদে দিন। একই মোজা দু’দিনে ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে গরম জলে একটু নুন ফেলে ভাল করে পা ধুয়ে নিন। ভাল করে পা মুছে, ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /
সুগন্ধি ব্যবহার করার ৪ সঠিক পদ্ধতি

সুগন্ধির ব্যবহারে রুচির পরিচয় মেলে। নিজেকে মোহনীয় ও অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে সুগন্ধি। তবে সুগন্ধি ব্যবহারের আগে সঠিক পদ্ধতি জেনে নেওয়া উচিত। না হয় সুগন্ধি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যটাই পূরণ হবে না। সুন্দর গন্ধটাই গায়ে ধরবে না। রূপসজ্জাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি সুগন্ধি ব্যবহারের কিছু পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো নিম্নরূপ-   সুগন্ধি গায়ে দেবেন কিভাবে: সুগন্ধি স্প্রে করার সময় শরীর ভিজিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ও ভুল উপায়। পাঁচ থেকে সাত সেন্টিমিটার দূর থেকে সুগন্ধি স্প্রে করা উচিত। এর চেয়ে বেশি দূর থেকে স্প্রে করা মানে হল সুগন্ধির অপচয়। কাপড়ে ব্যবহার করা: সরাসরি কাপড়ে সুগন্ধি স্প্রে করা ভুল। এইভাবে ব্যবহার করা হলে সুগন্ধি দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং কাপড়েও দাগ পড়ে যায়। যা দেখতেও ভালো লাগে না । বেশি স্প্রে করা: খুব বেশি সুগন্ধি ব্যবহার করা কেবল সবার মনোযোগ আকর্ষণ করে না বরং অস্বস্তিও তৈরি করে। তাছাড়া খুব বেশি সুগন্ধির ব্যবহার মাথাব্যথারও কারণ হতে পারে। ভুল স্থানে সুগন্ধির ব্যবহার: সুগন্ধি সাধারণত শরীরের ‘পালস পয়েন্ট’য়ে ব্যবহার করতে হয়, যেখানে শরীরের তাপ উৎপন্ন হয় এবং সুগন্ধির ছড়ায়। যেমন- হাতের কবজি, ‘কলার বোন’ বা কণ্ঠাস্থি ও নাভির অংশে। সুগন্ধির সঠিক ব্যবহার করতে চাইলে তা হাত ও চুলের উপরের অংশে অথবা শার্টের কলারে ব্যবহার করুন।

যেভাবে সাজাবেন বুক শেলফ

বই নেই এমন বাড়ি মেলা ভার৷ সব বই পড়া নেই, অথচ বই কেনা থেমে আছে এমন মানুষও খুঁজে পাওয়া মুশকিল৷ কিন্তু এত বই রাখবেন কোথায়? এর উত্তর, জামা-কাপড় রাখার স্টোরেজ যেমন ক্যাবিনেট বা আলমারি, তেমনই বইয়ের স্টোরেজ হল বুক শেলফ৷ তবে পছন্দ হল আর বুক শেলফ কিনে নিলাম তা নয়৷ বুক শেলফ দিয়ে ঘর সাজাবেন নাকি সেটা ঘরের অন্য আসবাবের সঙ্গে সাযুজ্য রাখবেন সেটা আগে দেখে নিতে হবে৷ কিন্তু বুক শেলফ যেমনই হোক, এই শেলফে বই সাজানো আর তার যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটা কিন্তু তার ডিজাইনের উপর নির্ভর করছে না৷ আসলে বই সাজানো ও তার যত্নের উপর আপনার ঘরের সৌন্দর্য নির্ভর করে৷ এবার শুরু করা যাক বই সাজানো দিয়ে৷ বুক শেলফে এমনভাবে বই সাজাবেন যাতে যে কোনও বই খুব সহজেই আপনি খুঁজে পেতে পারেন৷ এর জন্য প্রথমেই আপনার বুক শেলফে যত বই রয়েছে সব নামিয়ে ফেলুন৷ এরপর বেছে ফেলুন সেই বইগুলো৷ মানে, যেগুলো আপনার খুব নিকটবর্তী সময় আর প্রয়োজন নেই৷ ভালো করে সেগুলো একটা বক্স-এর মধ্যে প্যাক করে রাখুন৷ হয়তো এমন বক্স সংখ্যায় তিন চারটা হবে৷ সেই বইগুলো আর শেলফে থাকবে না৷ এর বাইরেও এমন অনেক বই আছে যেগুলো আপনার প্রয়োজন নেই৷ সেগুলো আলাদা করে কাউকে দিয়ে দিতে পারেন৷ এর ফলে দেখবেন আপনার বুক শেলফে বইয়ের সংখ্যা বেশ সীমিত হয়ে পড়ছে৷ আর অল্প সংখ্যক বই গুছিয়ে ফেলা খুবি সহজ৷ এরপর আসা যাক অন্য প্রসঙ্গে৷ লেখক, বিষয় বা বইয়ের নামের আদ্যক্ষর যা মিলিয়ে একটা তাকে আপনার পছন্দ মতো বইগুলো সাজিয়ে ফেলুন৷ এরপর যেটা মাথায় রাখবেন সেটা বইয়ের উচ্চতা বা বইয়ের প্রচ্ছদের রঙ৷ এর মাঝে একটা ভাগ করতে পারেন পড়া হয়েছে এমন বই আর পড়া হয়নি এমন বই৷ এভাবে ক্যাটাগরাইজ করে বইগুলো সাজিয়ে দিন বুক শেলফে৷ ভারি বই তাকের তলার দিকে রাখুন৷ খেয়াল রাখবেন বইয়ের স্পাইন যেন বাইরের দিকে থাকে৷ এবার সাজানো তো হল৷ তবে গোটাটাই যদি বই জায়গা করে নেয় সেটা অনেকটা ম্যারম্যারে লাগতে পারে৷ তাই বুক শেলফের কাছাকাছি রাখুন বাহারি টেবল ল্যাম্প বা বাহারি ইন্ডোরপ্ল্যান্ট৷ সবটা মিলিয়ে হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়৷ তবে খেয়াল রাখবেন এই ধরনের সাজগোজে কিন্তু যত্ন নিত্যদিনের প্রয়োজন হয়৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ঠোঁট আবেদনময়ী করে তোলবেন যেভাবে

চোখ আর ঠোঁট এই দুই’ই হল সৌন্দর্যের সোনার কাঠি আর রুপোর কাঠি। এই দুই কে আকর্ষণীয় করে রাখতে গেলে ক্রেজি আবেদনময়ী লুক আনতেই হবে। ছোঁয়াতে হবে মনকাড়া রঙের ছোঁয়া। চলুন জেনে নিই, ঠোঁট কে সেক্সি লুক দিতে চাইলে কোন লিপস্টিক লাগালে সবার নজরবন্দি হবেন আপনি। রেড: রেড লিপস্টিক ক্ল্যাসিক আবেদনের প্রথম সারিতেই ছিল। আর থাকবেও। তবে, টকটকে লাল লিপস্টিক না লাগিয়ে, রেড ওয়াইন রঙের লিপস্টিক লাগালে সব কমপ্লেকশনেই দারুন মানাবে। বার্গেন্ডি: লালের পাশাপাশি বার্গেন্ডি ও দারুন যাবে। যেকোনো পোশাকের সঙ্গে ভাল মানাবে। বেরি শেড: একটু গোলাপি শেডের লিপস্টিক খুব সহজেই নজর কাড়বে। তবে যারা ফর্সা গোছের তাঁদের ক্ষেত্রে গোলাপি শেড ভাল যাবে। পার্পল: লিপস্টিক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে চাইলে নিরাপদ অপশন পার্পল শেড। বাদামি: বাদামি শেডের ক্ষেত্রে, সম্পূর্ণ বাদামি শেড না লাগিয়ে একটু গোল্ডেন ব্রাউন শেড দিলে বেশি মানাবে। সূত্র: কলকতা টোয়েন্টি ফোর। / এআর /

বয়স বাড়লেও তারুণ্য ধরে রাখবেন যেভাবে

সময়ের স্রোতে বাড়ছে বয়স। আর বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে চেহারায় পড়ছে বয়সের ছাপ। বয়সকে কোন রকমেই থামিয়ে রাখতে না পারলেও আপনি চাইলেই চেহারায় ধরে রাখতে পারেন তারুণ্য। সেজন্য পার্লারে গিয়ে কাড়িকাড়ি টাকাও খরচ করতে হবে না। গবেষণায় জানা যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উপরের স্তরে আর্দ্রতা রক্ষাকারী মলিকিউলের পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এ থেকে বাচঁতে সারাদিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার ময়েশ্চারাইজার লাগান। হাইড্রেটিং সিরাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার ব্যাপারে খুবই কাজের। পাশাপাশি পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন, খাবারে রাখুন ফল, সালাদের মতো জিনিস। ত্বকের শুকনোভাব নিয়ে আর ভাবতে হবে না। বয়স ত্রিশে কোঠা পার হতে না হতেই চোখের চারপাশে সূক্ষ্ম রেখার আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। চোখের কোলে কালির সমস্যাও দেখা দেয় অনেকের। এর সমাধানে অন্যতম হাতিয়ার রেটিনল সমৃদ্ধ আই ক্রিম। রেটিনলে এ ভিটামিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ায় চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। তবে দিনের বেলায় রোদের মধ্যে কখনও আই ক্রিম লাগাবেন না। সবসময় রাতে শুতে যাওয়ার আগে আই ক্রিম লাগান। ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোলাজেনে ঘাটতি। বাজারে দুই ধরনের কোলাজেন সমৃদ্ধ অ্যান্টি-এজিং ক্রিম পাওয়া যায়। প্রথমটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, আর দ্বিতীয় ধরনের ক্রিমে সক্রিয় উপাদান হিসেবে কোলাজেন থাকে। কোন ধরনের ক্রিম আপনার উপযোগী, ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে জেনে নিন।  

চুলের যত্ন: সরিষার তেলের ৬ উপকার

সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলার অন্যতম কারন হলো এ তেলে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করায় এটি চুল পাকা রোধ করে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী। লম্বা চুল দেখতে আমাদের সকলেরই ভাল লাগে। কিন্তু নিজের চুল কীভাবে লম্বা করে তুলতে হয় তা বুঝেনা। দূষণ, জল, রাসায়নিক ইত্যাদির প্রভাবে আমাদের চুল রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু সরিষা তেল নিয়মিত ব্যবহারে আপনি সে সব সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সরিষা তেলে উপস্থিত উপাদান আমাদের চুল করে তোলে স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ এবং সুন্দর। ১. প্রাকৃতিক কন্ডিশনার সরিষা তেলে আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্বল রাখে। এছাড়া আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কন্ডিশনারের কাজ করে। ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি হয়। সরিষা তেল চুল মজবুত করতে সাহায্য করে। ২. নারিশ করে আজকাল চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা। এর কারণ চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া হতে পারে। চুলে নিয়মিত সরিষা তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।   ৩. ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সরিষা তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেল এবং ভিটামিন A, D, E ও K থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।    ৪. রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে           আপনার চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষা তেল মালিশ করুন। এর ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক ভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। চুল সুন্দর, বড়, মজবুত ও স্বাস্থ্যজ্বল করতে সরিষা তেল অত্যন্ত উপকারী। ৫. চুল বড় হতে সাহায্য করে সরিষা তেলে ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল বড় হতে সাহায্য করে। ৬. অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান বর্তমান সরিষা তেলে অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান থাকায় তা চুলের খুশকি ও চুলকানি দূর করে। ফাঙ্গাসে চুলের গোড়া বুজে গিয়ে চুল পাতলা হয়ে যায়। সে সমস্যা সমাধান করে সর্ষের তেল।

মেক-আপে ধরে রাখুন যৌবন

কথায় আছে নারীর বয়স কত এ কথা কাউকে জিজ্ঞেস করতে নেই। কারণ এ প্রশ্নই অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ হয়। কিন্তু কেন? হয়তো এর অন্যতম কারণ ম্লান হয়ে যাওয়া রূপ। কিন্তু এই অত্যাধুনিক যুগে প্রসাধন কিন্তু সেসব ঢেকে দিতে পারে। চল্লিশে বুড়ি হওয়ার কোনও গল্প এযুগে নেই। ঠিকমতো মেকআপ করতে পারলে আপনাকেও লাগতে পারে বছর পঁচিশের যুবতী। সবকিছু কিন্তু ওই দুই নয়নের মধ্যেই আবদ্ধ। তাই চোখ ভাল করে সাজিয়ে তোলা জরুরি। যদি চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কেল হয়ে যায়, তবে হালকা কনসিলার ব্যবহার করুন। ভাল করে সেটি ব্লেন্ড করুন। ভুলেও গ্লিটারে পাউডার শ্যাডো ব্যবহার করবেন না। এতে বলিরেখা আরও বেশি করে বোঝা যায়। জেল-বেসড শ্যাডো ও আইলাইনার ব্যবহার করুন। চোখ সুন্দর দেখাতে মাসকারা লাগিয়ে আইল্যাশ কার্ল করে দিন। ভ্রু অনেকসময়ই পার্থক্য গড়ে দেয়। যদি আপনার ভ্রু পাতলা হয় তাহলে সেটি ভাল করে আঁকুন। খেয়াল রাখবেন ভ্রু যেন শার্প হয়। এটি মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। ভ্রুয়ের নিচে একটু হাইলাইট করুন। এর জন্য কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁট কিন্তু সৌন্দর্যের কেন্দ্রবিন্দু: ঠোঁট পাতলা হলে কিন্তু প্রচুর অসুবিধা। গাঢ় রং এড়িয়ে চলুন। হালকা টোন ব্যবহার করুন। লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে ঠিক করে লিপ লাইন এঁকে নিন। আর একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, দাঁত যেন হয় ঝকঝকে। গালের মেকআপ করুন ঠিক করে: বয়স কম দেখানোর জন্য গালের মেক-আপের দিকে নজর দিন। সব সময় ন্যাচারাল লুক ব্লাশ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। নিজের স্কিন টোনের সঙ্গে যে রংটি মিশে যাবে, সেই রং বেছে নিন। গালের চারদিকে হালকা করে ব্লাশ-অন লাগিয়ে ব্লেন্ড করে দিন। আরকে//

ঘরোয়া পদ্ধতিতে কোঁকড়ানো চুল

কোঁকড়ানো চুল কমবেশি সবারই পছন্দ। কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষেরই কোঁকড়ানো চুল রয়েছে। যেকোনো উৎসব বা অনুষ্ঠানের সময় নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলেতে আপনিও আপনার চুলকে ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে কোঁকড়ানো চুল পেতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল কোঁকড়ানো করার পদ্ধতি- প্রথমে শ্যাম্পু করুন৷ চুলের ডগা পর্যন্ত কন্ডিশনার লাগান। এবার তোয়ালে দিয়ে আপনার চুল জড়িয়ে নিন। কোঁকড়ানো চুল পেতে ব্যবহার করুন হেয়ার স্প্রে৷ মুঠোতে চুল জড়িয়ে নিয়ে বানিয়ে নিন হাত খোঁপা৷ ৩০ মিনিট পর হাত খোঁপা খুলে চুল আঁচড়ে নিন৷ চুলের ক্ষতি ছাড়া এই পদ্ধতিতে খুব সইজেই কোঁকড়ানো চুল পেতে পারেন। ধরুন আপনার খুবসকালেই কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন৷ শ্যাম্পু করে নানা পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নেওয়ার সময় কোথায়? এমন যদি হয় তাহলে রাতেই ঘুমের আগে শক্ত করে চুল বেঁধে নিন৷ এরপর সকালে উঠে চুল খুলে আঁচড়ে নিন৷ ম্যাজিক দেখতে পাবেন নিজের চোখেই৷   এমএইচ/ এসএইচ/  

ত্বকের যন্ত্রে ঘরোয়া দুই ফেসমাস্ক

স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর ত্বক কে না চায়। আর সেটি যদি হয় মুখ, তাহলে আর কোনো কথাই নেই। কেননা ত্বকের মাধ্যমেই মানুষের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। তাই মুখকে পরিস্কার এবং সুন্দর রাখতে অনেকে বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এ সব প্রসাধনীর প্রায় বেশিরভাগই মুখের জন্য ক্ষতিকারক। তাই মুখের লাবণ্য ধরে রাখতে ২টি ঘরোয়া মাস্ক নিয়ে আলোচনা করা হলো-  ১) দুধ ও হলুদ মাস্ক কাঁচা দুধ ও হলুদের মাস্ক মুখ পরিস্কার রাখার অত্যন্ত কার্যকর। কাঁচা দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বক পরিস্কার এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে মুখের স্কিনকে নিরাপদ রাখে। উপদান-  *৪ চামচ হলুদের গুড়া *৫ থেকে ৬ চামচ কাঁচা দুধ ব্যবহারের পদ্ধতি একটি বাটিতে করে হলুদ ও কাঁচা দুধ ভালোভাবে মিক্স করে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এরপর আঙ্গুল দিয়ে মুখে ও ঘাড়ে পেস্টটি রাত পর্যন্ত লাগিয়ে রাখতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটি পরিস্কার করে নিতে হবে। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এটি ব্যবহার করতে পারেন।   ২) ডিমের ফেইস মাস্ক ডিমের সাদা অংশের মাস্ক মুখের ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ডিম মুখের ডার্ক সার্কেল কমাতে এবং মুখে লাবন্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করে। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধি ডিম মুখের স্কিনের ছোট ছোটা দাঁগ এবং মুখের ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে্ও কাজ করে থাকে।  উপাদান- ডিমের সাদা অংশ ব্যবহারের পদ্ধতি একটি পাত্রে ডিমের সাদা অংশ নিয়ে মাস্কা তৈরি করুন। এরপর মাস্কটি মুখে আলতো করে মেখে  ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ধূয়ে ফেলুন।  আপনি চাইলে মুখে লাগানো মাস্কটি সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে সকালে পরিস্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধূয়ে নিতে হবে। ভালো রেজাল্টের জন্য সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।    সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/  

সুস্থ ও মানসিক প্রশান্তিতে বেডরুমের রং! 

বেডরুমের রং নির্বাচনে সবাই রুচির প্রমাণ দেন। কারণ ওটাই আপনার একান্তই বিশ্রামের জায়গা। ওখানেই আপনি আপনার মতো করে থাকতে পারেন। ঘরে শান্তি বজায় রাখতে বাস্তুশাস্ত্রের সাহায্য নেয় মানুষ। কিন্তু আপনি কী জানেন বেডরুমের রং আপনার জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে। এই ব্যাপারে  বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন। শুধু তাই নয়, সমীক্ষা বলছে বেডরুমের রং যৌনতাকেও প্রভাবিত করে।   কেন একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা?     প্রায় ২ হাজার ব্রিটিশ দম্পতিতে নিয়ে এই সমীক্ষা চালিয়েছেন একটি সংস্থা। প্রতি সপ্তাহে ‘ইন্টিমেট এনকাউন্টার’ পরিমাপ করে তারা। দেখা যায়, বেডরুমের বিভিন্ন রং মানসিক অবস্থার উপর বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে। যৌনতা তো বটেই, স্বাস্থ্য ও ঘুমের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে বেডরুমের রং। নীল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষকে ঘুমোতে এই রং খুব সাহায্য করে। বেডরুমের দেয়ালে নীল রং করলে মস্তিস্ক হালকা হয়। আর সেই কারণেই ঘুম হয় ভালো। বেডরুমে নীল রং করলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। হৃদরোগের প্রবণতাও কমে যায়। হলুদ নীলের পরেই তালিকায় রয়েছে হলুদ রঙ। যেসব দম্পতিরা এই রং পছন্দ করেন, তারা বিশ্রামটাকে বেশিই প্রাধান্য দেন। রাতে গড়ে সাত ঘণ্টা ৪০ মিনিট ঘুমান তাঁরা। হলুদ রং দেহকে আরাম দেয়। ফলে উত্তেজনার উশমিত হয়।   ধূসর চাঁদের আলোর অনুভূতি এনে দেয় ধূসর রং। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রং ঘরে করা হলে ঘুম ভালো হয়। প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ঘুমায় মানুষ। যারা ঘরে এই রং করে, তারা সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুশীলন করতেও তাঁরা ক্লান্তি অনুভব করেন না। বেগুনি  বেগুনি রং লাক্সারি, সম্পদ আর রাজকীয়তার প্রতীক। স্বাস্থ্য তো বটেই এই রং যাদের বেডরুমে থাকে, তারা মানসিক ভাবে ভালো থাকে। এবং তাদের দাম্পত্য জীবন আরও সুখের হয়।    কেআই/এসি    

গরমে ত্বককে সতেজ রাখবে এক টুকরো বরফ

খুব গরম পড়েছে, তার মধ্যে আবার কিছুদিন পরই শুরু হবে পূজোর উৎসব। গরম থাকলেও পূজো বলে কথা, তাই সাজগোজের বিষয়টা তো থাকবেই। কিন্তু গরমে মুখের সাজটা যেন ক্ষণস্থায়ী হয়ে যায়। যতই পার্লারে গিয়ে সাজুন না কেন গরমের ঘামে সব নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরমে ত্বককে সতেজ ও সাজটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে বরফের সাহায্য নিন। ১) বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন প্রত্যেকদিন৷ এবার একটি পাতলা সুতি রুমালের মধ্যে বরফ নিন৷ ওই বরফই হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন পুরো মুখ৷ এভাবেই দিনভরের ক্লান্তি কাটিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল৷ ২) সামনেই পূজো, এ সময় গরম যে থাকবে না, তার কি নিশ্চয়তা আছে৷ যদি গরম থাকে তাহলে পূজোর সাজের বারোটা বাজবে। তাই মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য মেকআপের শুরুতে প্রথমে তুলোতে টোনার নিন৷ ওই টোনার গোটা মুখে লাগান৷ এরপর একটি রুমালে জড়ানো বরফ গোটা মুখে ঘসুন৷ তারপরই লাগান ফাউন্ডেশন৷ দেখবেন, হাজার গরমেও মেকআপ থাকবে একইরকম৷ ৩) অতিরিক্ত গরমে মুখ তৈলাক্ত হয়ে যায়। আর তৈলাক্ত হলেই ব্রণর সমস্যায় ভুগতে হয়। তবে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে একখণ্ড বরফ৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে বরফ ব্রণে ঘসে নিন৷ এক রাতের মধ্যেই এর ফল পাবেন। ৪) চোখের নিচের অংশে ফোলা ভাবের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন একখণ্ড বরফ৷ কয়েক মিনিট পরেই এই ফোলাভাব দূর হয়ে যাবে। ৫) গরমে মুখে অতিরিক্ত র‌্যাশ উঠতে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই নিয়মিত পার্লারে যান৷ কিন্তু তারপরেও রয়েছে হাজারও সমস্যা৷ কারও মুখে ব়্যাশের পাশাপাশি দেখা দেয় মুখ লাল হতে৷ এই সব সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিবে একখণ্ড বরফ৷ ৬) অত্যন্ত শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বক কিংবা ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলেও বরফের কোনও তুলনা নেই৷ সকালে ও রাতে মাত্র দশ মিনিট ধরে বরফের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়৷ কেএনইউ/

রাতকে আরও রোম্যান্টিক করতে যেভাবে ঘরটি সাজাবেন 

প্রেম করার জন্য শুধু মনের মতো সঙ্গী পেলেই হয় না। দরকার হয় উপযুক্ত পরিবেশও। তবেই তো ভালোবাসা জমবে। না হলে লাইট কিংবা ঘুটঘুটে অন্ধকারে কি আর ভালবাসাবাসি চলে? ভালোবাসা জমাতে গেলে পরিবেশ তৈরি করতে হয়। আজ রাতে না হয় সেভাবেই সারপ্রাইজ দিন আপনার সঙ্গীকে।   বালিশ   বিছানা যে বালিশে সাজাবেন সেটি হোক না হৃদয় আকারের। যদি বাড়িতে না থাকে, তাহলে বাজার থেকে এমন দু’টো বালিশ কিনেও নিতে পারেন। তবে অবশ্যই রং সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। রং অবশ্যই হতে হবে লাল। কারণ এক্ষেত্রে লালের আবেদন আছে।  মোমবাতি  মোমবাতি সবসময় রোম্যান্সের আমেজ আনে। সুন্দর মোমদানির মধ্যে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। বাকি ঘর অন্ধকার করে দিন। ওই আলো আঁধারির খেলায় আপনার সঙ্গী মজে যেতে বাধ্য হবে। উপহার এমন দিনে উপহার কিন্তু মাস্ট। দামী হতে হবে এমন নয়। এমন দিনে চাই রোম্যান্টিক উপহার। যদি আপনার সঙ্গী বই পছন্দ করে তবে নির্দ্বিধায় কিনে ফেলুন কোনও রোম্যান্টিক গল্প বা উপন্যাসের বই। তার সঙ্গে থাকতে পারে এক বক্স চকোলেট। নাহলে গোলাপ কিংবা পছন্দের কিছু ফুল। কিন্তু গোলাপ যেন হয় লাল রঙের হয়। কারণ প্রেম জাগাতে লাল গোলাপের বিকল্প নেই।   পরের দিনের সকালের নাস্তা আমেজ কি শুধু রাতের জন্যই। প্রেম তো সকালে আরও ফুরফুরে মেজাজে হতে পারে। তাই সুন্দর রাতের পর যদি সুন্দর সকাল চান, তবে নিজে কষ্ট করে একটু তাড়াতাড়ি উঠে তার জন্য চা বানিয়ে ফেলুন। কারণ সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখের সামনে চা পেলে এমনিতেই মন ভাল হয়ে যাবে সঙ্গির। তা যদি নিজের কাছের মানুষের হাতে বানানো হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এমনিতেই আগের রাতের সুন্দর অভিজ্ঞতার রেশ তখনও কাটবে না।তার উপর যদি সকালেও এমন সারপ্রাইজ আসে, তাহলে গোটা বিষয়টাই জমে ক্ষীর।    কেআই/এসি   

মেক-আপ না তুলে ঘুমালে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

অনেক সময় শরীর ক্লান্ত থাকলে বা নিছকই ইচ্ছা না করলে আমরা মেক-আপ তুলি না। এ ভাবেই ঘুমিয়ে পড়ি বিছানায়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে স্থায়ীভাবে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। সবচেয়ে স্পর্শকাতর চোখের মেক আপ। মেক আপের সময় এই দিকেই বেশি জোর দিই আমরা। এ দিকে চোখের মেক আপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়লে ভ্রূ ও চোখের পাতা ঝরে যায়। মেক আপের কেমিক্যাল চোখের নীচের অংশের ত্বকেরও ক্ষতি করে। ডার্ক সার্কল আসে সহজেই। অনেকেই লিপস্টিক ভাল করে না তুলে অথবা মুখের ফাউন্ডেশন ভাল করে না সরিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এতে মেক আপের গুঁড়োয় রোমকূপ আটকে যায়। এতে ব্রণ এবং ত্বকের অন্য সমস্যাও বাড়ে। লিপস্টিকের উপাদান ঠোঁটে বসে গিয়ে তাকে আরও শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে ঠোঁটের আশপাশে ডেড সেল তৈরি হয়। সুতরাং এ বার থেকে সাবধান হন এই বিষয়ে। মেক আপ তুলে সুস্থ রাখুন ত্বককে। সূত্র- আনন্দবাজার আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি