ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৪২:৪২

‘মার্কিন জাহাজকে ‘পণবন্দী’ করার ক্ষমতা রাখে ইরান’

‘মার্কিন জাহাজকে ‘পণবন্দী’ করার ক্ষমতা রাখে ইরান’

সামরিক প্রযুক্তির দিক দিয়ে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ সেকেলে এবং ইরান ইচ্ছা করলে তা পারস্য উপসাগরে ‘পণবন্দী’ করতে পারে। এ কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান লেখক ও কালচার ওয়ার্স ম্যাগাজিনের সম্পাদক ই. মাইকেল জোন্স। সম্প্রতি ইরানের প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেছেন। গত সোমবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানকে মোকাবেলার জন্য আমেরিকা নতুন করে পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জন সি স্টেইনিস এবং তার সঙ্গে কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ বর্তমানে ভারত মহাসগর পাড়ি দিচ্ছে এবং চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে তা পারস্য উপসাগরে পৌঁছাবে। মাইকেল জোন্স বলেন, ‘জেনারেলরা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যা করে আমরা এখানে তাই দেখছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের প্রধান উপায় হিসেবে যুদ্ধজাহাজের পরিবর্তে বিমানবাহী জাহাজ আনা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘বিমানবাহী জাহাজ হচ্ছে বহনযোগ্য বিমানবন্দর। আপনি এগুলোকে বিশ্বের যেখানে প্রয়োজন সেখানে নিতে পারেন এবং শক্তি প্রদর্শন ও লোকজনকে হামলা করতে পারেন। কিন্তু এটা এখন সামরিক প্রযুক্তির দিক দিয়ে সেকেলে হয়ে গেছে।’ মাইকেল জোন্স বলেন, যদি মার্কিন বিমানবাহী জাহাজকে পারস্য উপসাগরে নেওয়া হয় তাহলে ইরানিরা হরমুজ প্রণালীতে অন্য জাহাজ ডুবিয়ে বিমানবাহী জাহাজকে আটকে দিতে পারে। পরিস্থিতি এমন হলে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজের চলার কোনো পথ থাকবে না। অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে কিনা। কেউ এ প্রশ্নের উত্তর জানে না। কাস্পিয়ান সাগরে মোতায়েন যুদ্ধজাহাজ থেকে প্রথমবার যখন রাশিয়া সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো তখন ভূমধ্যসাগর থেকে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পারস্য উপসাগরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে এটা এখন অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির হামলা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম কিনা। ফলে আমরা এখানে যা দেখছি তা হচ্ছে সেকেলে প্রযুক্তির শক্তি প্রদর্শন।  তথ্যসূত্র: পার্সটুডে  এমএইচ/
একজন বদমেজাজী পুরুষ যেভাবে বদলে গেলেন 

স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন মুহোযা জন পিয়েরে। তিনি স্ত্রীকে শুধুমাত্র সন্তান ভরণপোষণের উপলক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করতেন।    "আমি আমার বাবার উদাহরণ অনুসরণ করছিলাম; তিনি কখনও ঘরের কোনো কাজ করতেন না।" পিয়েরে বলেন, "আমি কখনো ঘরে ফিরে যদি দেখতাম কোনো কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে, আমি আমার স্ত্রীকে বকাঝকা করতাম এবং তাকে প্রহারও করতাম।" কিন্তু হঠাৎ অবস্থার পরিবর্তন হয় যখন পিয়েরে রান্না করতে শিখলেন। "পুরুষ মানুষ ঘরের কাজ করে না` - পুরুষদের মধ্যে বিদ্যমান সনাতন এই মানসিকতা পরিবর্তন করতে অভিনব একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে রুয়ান্ডার একটি সংস্থা। এই প্রকল্পের অধীনে সন্তান লালন পালন এবং গৃহস্থালির দেখাশোনা সংক্রান্ত কিছু বিষয়েও শিক্ষাদান করা হয় স্থানীয় পুরুষদের। এই উদ্যোগটি রুয়ান্ডার পূর্বাঞ্চলের মুউলিরে গ্রামে তৃণমূল পর্যায়ে পরিচালিত হওয়া একটি সামাজিক সংস্কারমূলক প্রকল্পের অংশ। রুয়ান্ডার পুরুষদের ঘরের কাজ করতে শেখানোর এই প্রকল্প হাতে নেয়ার মাধ্যমে দেশের ভেতরে পারিবারিক সহিংসতার হার কমানোর প্রচেষ্টা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সফলতা পাচ্ছে বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। মানসিকতার পরিবর্তন  `বান্দেবেরেহো` নামের ঐ প্রকল্পটির স্বেচ্ছাসেবীরা জন পিয়েরে`কে এমন কিছু কাজ করতে শিখিয়েছে যেগুলো তিনি আগে মনে করতেন যে শুধু নারীদের কাজ। "এখন আমি জানি কীভাবে রান্না করতে হয় এবং বাচ্চাদের কাপড় পরিষ্কার করতে হয়।" তবে জন পিয়েরে`র মানসিকতায় পরিবর্তন আনাটা কিন্তু সহজ ছিল না। জন পিয়েরে`র বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যরা যখন জানতে পারলো যে তিনি ঘরের কাজ করা শিখতে যাচ্ছেন তখন তাকে সবাই তিরস্কার করেছিল। "আমার পরিবারের সদস্য আর বন্ধুরা ধারণা করেছিল যে নিশ্চয়ই আমার স্ত্রী আমাকে জাদু করেছে। তারা আমাকে বলে, আসল পুরুষ কখনো রান্নার জন্য লাকড়ি যোগাড় করে না বা খাবার তৈরি করে না।" কিন্তু জন পিয়েরে যখন দেখলেন তার এই শিক্ষায় তার পরিবার দারুণভাবে উপকৃত হচ্ছে, তিনি তখন সেসব কথায় কান দেননি। তিনি বলেন, তার সন্তানদের সাথে তার সম্পর্ক ভালো হয়েছে এবং তার স্ত্রী এখন কলার ব্যবসা শুরু করেছেন, যার ফলে তাদের পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে; তারা তাদের ঘর বড় করেছেন। "আমার স্ত্রী এখন নিজের সুবিধা-মতো ব্যবসা করে এবং ঘরের কাজও করে, যার ফলে আমাদের পরিবার আগের চেয়ে অনেক ভাল অবস্থানে পৌঁছেছে। আগে আমার ধারণা ছিল স্ত্রীকে সবসময় ঘরে থাকতে হবে, যা এখন পাল্টেছে।" অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জন   জন পিয়েরে`র স্ত্রী মুসাবিমানা ডেলফিন বলেন আগে তার স্বাধীনতা ছিল সামান্য এবং তার দিন পার হতো ভয়ে ভয়ে। "কখনো আমার নিজেকে শুধু একজন শ্রমিক মনে হতো যে কিনা কোনো বেতনও পায় না।" মিজ ডেলফিন বলেন, "আমি কখনো চিন্তা করিনি যে একজন নারীর নিজের হাতে টাকা থাকতে পারে। কারণ ঘরের কাজ শেষ করে টাকা উপার্জন করার মত কাজ করার সময়ই কখনো ছিল না আমার হাতে।" "স্বামী ঘরের কাজে সাহায্য করার পর থেকে আমার হাতে অনেক সময় ও স্বাধীনতা রয়েছে।" এই প্রকল্পটির মূল পরিকল্পনাটি করা হয় ল্যাটিন আমেরিকায়। পিতৃত্বের দায়িত্ব সম্পর্কে মানুষকে অবগত করতে প্রচারণা চালায়, এমন একটি সংস্থা `মেনকেয়ার` এই প্রকল্পটির উদ্যোগ নিয়েছিল। `মেনকেয়ার`এর বিশ্বাস, শিশুদের দায়িত্ব এবং ঘরের কাজের অন্তত ৫০ শতাংশ পুরুষরা সম্পন্ন না করলে সত্যিকার অর্থে সমতা অর্জন করা সম্ভব না। এই প্রকল্প অংশ নেয়া দম্পতিদের তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, প্রকল্পে অংশ নেয়ার দুই বছরের মধ্যে পুরুষ সঙ্গীদের কাছ থেকে সহিংসতার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে আসে। তবে প্রকল্পে অংশ নেয়া পুরুষদের সঙ্গীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিবেচনা করে জানা যায় যে, এখনো প্রতি তিনজন নারীর একজন পারিবারিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। রুয়ান্ডার পুরুষ সম্পদ অধিদপ্তর, যাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিচালনায় এই প্রকল্পটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্পন্ন হয়েছে, তারা চায় এই `বান্দেবেরেহো` প্রকল্প আরো বেশি করে ছড়িয়ে পড়ুক রুয়ান্ডায়। জন পিয়েরে আর মুসাবিমানা ডেলফিন মনে করেন এই প্রকল্পে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুধু তাদের পরিবারই উপকৃত হয়নি, তাদের পুরো সম্প্রদায় উপকৃত হয়েছে। "আমাদের সম্প্রদায়ে যখন গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজন হয়, তখন আমাদের মতামত জানতে চাওয়া হয়। আমাদের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় কারণ আমাদের পরিবারে কোনো অভ্যন্তরীণ সমস্যা নেই", বলেন পিয়েরে। "আর নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার কথা না বললেই নয়; বিয়ের দশ বছর পর আমরা এখন আমাদের হানিমুনে আছি।" বিবিসি বাংলা এসি   

সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ২০

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে আত্মঘাতী গাড়ি হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৭ জন। শুক্রবার মোগাদিসুতে অবস্থিত দেশটির অপরাধ তদন্ত সংস্থার সদর দফতরের পাশে একটি হোটেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।  ওই দেশের পুলিশ জানিয়েছে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। শাফি নামের ওই হোটেলটিতে পরপর দুটি হামলার পর প্রহরী ও তদন্ত কর্মকর্তারা গুলি ছুড়তে শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হামলার প্রায় আধাঘণ্টা পরে শহরটির ব্যস্ত রাস্তায় তৃতীয় আরেকটি হামলা করেন সন্ত্রাসীরা। আলি নূর নামে পুলিশের এক ঊধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত জেনেছি এ হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই হোটেলের সামনের রাস্তা দিয়ে গপরিবহনে করে যাচ্ছিলেন। এমন সময় সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি চালালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। আমি নিশ্চিত নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে। এখন পর্যন্ত কোনো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত আল শাবাব জঙ্গিগোষ্ঠী সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা। এসএইচ/

পেট্রল চুরি করতে গিয়ে প্রাণ গেল ৩০ চোরের

পেট্রল চুরি করতে গিয়ে দক্ষিণ নাইজেরিয়ায় ৩০ চোরের প্রাণ গেল। নিহতরা তেল চুরি করতে গিয়ে মারা যান বলে জানান আহত এক চোর ও সেখানকার কর্মকর্তারা।  স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে আবা নামক শহরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ জনের বেশি। খবর আলজাজিরার। আহত নামদি তোচুকু পেট্রল চুরির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় ৩০ জনের পোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। নাইজেরিয়ার জাতীয় পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক মুখপাত্র বলেন, হতাহতরা পেট্রল চুরির উদ্দেশ্যে পাইপলাইনে ভাঙচুর করে এবং এ কারণে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ‘আসলে এ ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন, সঠিকভাবে তার হিসাব আমি দিতে পারব না। তবে এ অগ্নিকাণ্ড পেট্রল চুরির সময়ই ঘটেছে,’ বলেন ওই মুখপাত্র। এসি    

নিজেকেই বিয়ে করলেন এই কন্যা!

বিয়ের মণ্ডপে জড়ো হয়েছেন আত্মীয়-বন্ধুবান্ধব সবাই। আর তাদের সামনে সমস্ত রীতি-রেওয়াজ মেনে নিজের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধলেন উগান্ডার এক কন্যা। বয়স তিরিশ পেরিয়েছে! মা-বাবা চান, মেয়েকে সৎপাত্রে দান করতে। আত্মীয়-প্রতিবেশীদেরও সে নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু মেয়ে চান স্বপ্নের ডানায় ভর করে উড়তে- এই গল্পটা খুব চেনা, প্রায় প্রতিটা ঘরের। কিন্তু এই গল্পটাকেই বদলে দিতে চাইলেন উগান্ডার বাসিন্দা ৩২ বছরের লুলু জেমাইমা। দুর্দান্ত পড়াশোনা, সামনে দুরন্ত স্বপ্নের হাতছানি। পৃথিবী বিখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ার ডাক আসছে- কিন্তু লুলুর যোগ্যতা প্রমাণের জন্য সে সব যথেষ্ট ছিল না বাবা-মায়ের কাছে। তাদের একটাই দাবি, এবার যোগ্য ছেলেকে বিয়ে করে সংসারী হোক মেয়ে। শেষমেশ বাবা-মায়ের চাপে সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলেন লুলু। বিয়ে করবেন। এক গ্রাফিক শিল্পী-বন্ধুর সাহায্য নিয়ে নিমন্ত্রণ পত্র পাঠিয়ে দেন বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের। তবে কাকে বিয়ে করছেন! সবার প্রশ্নের উত্তরে সে দিন একটাই কথা বলেছিলেন লুলু, ‘পাত্র কে, সেটা সারপ্রাইজ।’ অবশেষে এসে গেল সেই দিন। ২৭ অগস্ট। দিনটা লুলুর জন্মদিনও। সে দিনই বিয়ে করবেন কন্যা। আসরে বিয়ের সাজে হাজির হলেন লুলু। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের ছাত্রী ঘোষণা করলেন, আর কাউকে নয়। নিজেকেই নিজে বিয়ে করছেন তিনি। কারণ তার কাছে নিজের পড়াশোনা, স্বপ্নের চেয়ে বড় কিছুই নয়। আর তাদের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধতে চান লুলু। বাবা-মা আসেননি অনুষ্ঠানে। লুলুর কথায়, ‘পরের দিন ওদের সঙ্গে কথা বলি। তখনও ওরা ধন্দে। খানিকটা আহতও হন। কিন্তু আমি শুধু বোঝাতে চেয়েছিলাম, আমি বিয়ের জন্য এখনও প্রস্তুত নই।’ ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ মিডিয়া (চলচ্চিত্র) বৃত্তি পান। স্নাতক পাশ করে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়ার জন্য আবেদন করেন লুলু। আসে ডাকও। ২০১৭ সালের আগস্টে সেখানে যোগ দেন। এর আগে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও জনসংযোগকারী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করেছেন। গোটা অনুষ্ঠানে লুলুর খরচ হয়েছে মাত্র ২ ইউরো। তা-ও সেটুকু যাতায়াত বাবদ। এক বান্ধবীর সৌজন্যে জোগাড় হয়ে গিয়েছিল বিয়ের গাউন। বিয়ের কেকটি বানিয়ে দিয়েছিল ভাই। আর অতিথিরা পানশালার খরচ নিজেরাই মিটিয়েছেন। তবে কোথা থেকে পেলেন এমন প্রথা ভাঙার সাহস? তার কথায়, ‘আমার ১৬ বছরের জন্মদিনে আমার বিয়ের বক্তৃতা তৈরি করে ফেলেছিলেন বাবা। আগে আমার জন্মদিনে মা আমার জন্য প্রার্থনা করতেন। ইদানিং তার সঙ্গে জুড়েছিল ভাল পাত্রের আর্জি। যে আমার যত্ন করবে, আমাকে ভাল রাখতে পারবে। আর আমি আমার ৩২ বছরের জন্মদিনে এমন একজনকে বিয়ে করলাম, যাকে নিয়ে আমি নিশ্চিত, সে আমায় ভাল রাখবেই।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মার্কিন বিমান হামলায় সোমালিয়ায় নিহত ১৮

সোমালিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় আল-শাবাবের ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা কমান্ড ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। গত শুক্রবার সোমালিয়ার লোয়ার জুবা প্রদেশে মার্কিন ও সোমালি সরকারি সৈন্যদের সঙ্গে আল শাবাব জঙ্গিদের সংঘর্ষের সময় মার্কিন বাহিনীর ডাকে বিমান হামলাটি চালানো হয় বলে জানানো হয়েছে। কমান্ডের এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও অংশীদার বাহিনীগুলো আক্রমণের মুখে পড়ার পর জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলাটি চালানো হয়। আমাদের বর্তমান মূল্যায়ন হচ্ছে এ ঘটনায় কোনো বেসামরিক নিহত বা আহত হয়নি।’ এদিকে সোমালিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীগুলো জঙ্গিগোষ্ঠী আল শাবাবের বিরুদ্ধে দেশটির জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। আল শাবাব ২০১১ সালে রাজধানী মোগাদিশু থেকে সরে যাওয়ার পর থেকে দখলকৃত অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে দলটি। সূত্র: আল-জাজিরা এমএইচ/  

তানজানিয়ায় দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০৯

পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দায়িয়েছে ২০৯ জনে। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে তানজানিয়ায় প্রেসিডেন্ট জন মাগুফলি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফেরির সব চালককে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। ফেরির ক্যাপ্টেনকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত যাত্রীসহ লেক ভিক্টোরিয়ার তানজানিয়া অংশের ইউক্রেওয়ি দ্বীপের কাছে নেইরিরে নামের ফেরিটি ডুবে যায়। পরে ফেরিটিকে উকোরা ও বুগোলোরা দ্বীপের মধ্যবর্তী উপকূলের কাছাকাছি উল্টানো অবস্থায় পাওয়া যায়। ফেরি দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে তানজানিয়ায় চারদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রিয় টেলিভিশন বলছে, ফেরিটিতে ধারণক্ষমতা একশ জন থাকলেও এতে চারশো’র বেশি যাত্রী ছিল।   সূত্র: সিএনএন এমএইচ/

নাইজেরিয়াতে কলেরায় ৯৭ জনের মৃত্যু

নাইজেরিয়ার ইয়োব এবং বর্নো রাজ্যে গত দু’সপ্তাহে তিন হাজারের বেশি কলেরা সংক্রমণের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গতাকাল শনিবার জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে, নাইজেরিয়ার ইয়োব এবং বর্নো রাজ্যে গত দু’সপ্তাহে ৩ হাজার ১২৬ জন কলেরায় আক্রান্ত হয়েছে।  এর মধ্যে গত শনিবার পর্ন্ত ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত বুধবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়,  নাইজেরিয়ার লেক শাদ এলাকায় ২০১৮ সালে ৫০০-এরও বেশি মানুষ কলেরা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত চার বছরের মধ্যে এটাই অঞ্চলটিতে কলেরার সবচেয়ে বড় সংক্রমণ। সূত্র: আল-জাজিরা এমএইচ/

তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবে ৪২জনের প্রাণহানি

তাঞ্জানিয়ায় একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উদ্ধার কর্মীরা শতাধিক যাত্রীকে জীবিত এবং ৩২ জনতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে দেশটির ভিক্টোরিয়া হ্রদে তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমভি নায়রেরে নামে ওই ফেরিটি ওকরা ও বুগলরা নামে দুটি দ্বিপের মাঝামাঝি স্থানে উল্টে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার কারণে ওই ফেরিডুবির ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের দাবি, ডুবে যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা দুই শতাধিক। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ভিক্টোরিয়া হ্রদের একই এলাকায় ফেরি দুর্ঘটনায় অন্তত ৫০০জনের মৃত্যু হয়। সূত্র: রয়টার্স একে//

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত কফি আনান

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। নিজ দেশ ঘানার আক্রার সামরিক সমাধি ক্ষেত্রে তাকে সমাহিত করা হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ছিল তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, দেশটির প্রধানমন্ত্রী, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নেতা ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা। পরিবার-স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় ছয় হাজার মানুষ ছিলেন শেষ বিদায়ে। উল্লেখ্য, ১৮ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের একটি হাসপাতালে ৮০ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন এই নোবেল জয়ী। কফি আনান ছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিবের দ্বায়িত্ব পালনকারী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দুই মেয়াদে দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তীতে সিরিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবেও দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি। জড়িত ছিলেন মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমস্যার সমধান প্রক্রিয়ায়। একে//

কেনিয়া পুলিশের ভয়ংকর কাণ্ড!

কেনিয়ায় দিনের বেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তার ভয়ংকর তাণ্ডব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।  কেনিয়ার এ পুলিশ কর্মকর্তা দুজন সন্দেহভাজন অপরাধীকে গুলি করে হত্যা করছে। মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ভিডিও ভাইরাল হবার পর লাখ-লাখ মানুষ সেটি দেখছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাটিতে উপুর হয়ে শুয়ে থাকা এক ব্যক্তির পিঠের উপর পা দিয়ে চেপে ধরে আছে সাধারণ পোশাক পরা এক পুলিশ কর্মকর্তা। আরেকজন ব্যক্তি এসে একটি পিস্তল দিয়ে গেলে একের পর এক গুলি চালায় সে পুলিশ কর্মকর্তা। মৃত্যু নিশ্চয় করার জন্য যাবার সময় আরো কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এ ভিডিওটি ধারণ করা হয়। সাদা পোশাকে যে পুলিশ কর্মকর্তা একের পর এক গুলি চালিয়ে দুজন সন্দেহভাজন অপরাধীকে হত্যা করেছে তাঁর নাম আহমাদ রশিদ। কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির শহরতলীর একটি এলাকায় অপরাধ নির্মূলের দায়িত্ব তার কাঁধে। মি: রশিদ বলেন, " আমাদের কিছু লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। এখানে অপরাধীদের যত নেতা আছে তাদের পাকড়াও করতে হবে যাতে এ এলাকায় কোন অপরাধ না ঘটে। সেটা তাদের জীবিত রেখে হোক, আর মৃতই হোক। কাজটা করতেই হবে। এখানে কোন ছাড় দেয়া যাবে না।" স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মি: রশিদকে ভালোবাসেন। নাইরোবির এক বাসিন্দা বলেন, "এ মানুষটি অপরাধীদের খুঁজে বের করে ধরছে এবং হত্যা করছে। সে কোন ঘুষ নেয় না।" "আমরা তার জন্য মসজিদে বসে দোয়া করি। আল্লাহ তাদের মঙ্গল করুক। আমি তাদেরকে শতভাগ সমর্থন করি। তারা আমাদের এখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে," বলেন আরেকজন বাসিন্দা। তবে অনেকে মি: রশিদ এবং তাঁর দলের নিন্দা করছে। কেনিয়ার হিউম্যান রাইটস কমিশনের জর্জ মোরারা মনে করেন, বুলেট এবং বন্দুক দিয়ে বিচার করা যায়না। যতক্ষণ পর্যন্ত একজন ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হবেনা ততক্ষণ পর্যন্ত সে নির্দোষ। মি: মোরারার মতে, "সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সংক্ষিপ্ত রাস্তা ব্যবহার করছি। কিন্তু আমি এটাকে খুব ভালোভাবে দেখছিনা। কারণ একটা সময় এ ধরণের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পুরো আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে।" নাইরোবির রাস্তায় পুলিশের দ্বারা বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাস্তায় মিছিল করেছে একদল মানুষ। এখানে যোগ দিয়েছিলেন লুসি, যার স্বামীকে পুলিশ কর্মকর্তা আহমেদ রশিদ গুলি করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বামীর কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন লুসি। মিস লুসি বলেন, " দুজন পুলিশ কর্মকর্তা একদিন বাড়িতে এসে আমার স্বামীকে বললো চলো। তারপর তাকে নিয়ে গেল। আমরা এখনো জানিনা তাঁর অপরাধ কী ছিল। আমার স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর আমরা সন্তানের জন্ম হয়। তার বয়স এখন ১৫ মাস। জীবন অনেক কঠিন" পুলিশ বলছে এখন পুলিশ যখন গুলি করে তখন তার যুক্তিসংগত কারণ থাকে। সে ধরণের পরিস্থিতিতে পুলিশকে গুলি করার অনুমতি দেয়া হয়। সূত্র: বিবিসি বাংলাএমজে/

লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবিতে শতাধিক যাত্রীর মৃত্যু

লিবিয়া উপকূলে একটি রাবারের নৌকা ডুবে ২০ শিশুসহ শতাধিক যাত্রী নিহত হয়েছেন। ত্রাণ সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স এর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এমনটা জানানো হয়েছে। গত ১লা সেপ্টেম্বর লিবিয়া উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকা দুটি। হঠাৎ একটি নৌকার ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ার পর আরেকটি ভাঙতে শুরু করে। এতেই ঘটে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা। এতে ভাঙ্গা নৌকার কিছু অবশিষ্টাংশ আঁকড়ে ধরে কয়েকজন যাত্রী বেঁচে গেছেন বলেও জানা গেছে। এমএসএফ নামে পরিচিত ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স জানায়, নৌকা ডুবে যাচ্ছে, এমন খবরে ইতালিয়ান কোস্টগার্ড তাদের সাহায্যের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা পৌঁছানোর পূর্বেই নৌকাটি ডুবে যায়। বেঁচে যাওয়া একজন এমএসএফকে বলেন, ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেলে এলোপাতাড়ি ঘুরতে থাকে নৌকাটি। সেসময় ১৬৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ২০ জন শিশু ছিলো নৌকায়। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি মোবাইল নেভিগেশনে দেখতে পান যে মালটা উপকূল বেশি দূরে না। তিনি বলেন, আমরা সাঁতার কাঁটতে পারছিলাম না। অল্প কয়েকজনের কাছে লাইফ জ্যাকেট ছিলো। যারা নৌকা কিংবা ভাঙা অংশ ধরে রাখতে পেরেছিলেন তারাই বেঁচে গেছেন। এমজে/

নাইজেরিয়ায় বিস্ফোরণে নিহত ৩৫

উত্তর নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩৫ জনের মৃত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক। সোমবার দেশটির নাসারাওয়া রাজ্যে একটি গ্যাস ট্যাঙ্কার ফেটে গিয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। নাইজেরিয়ার এসইএমএ তরফে জানানো হয়েছে, একটি পেট্রোল-স্টেশনে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। রাজধানী শহর আবুজার সঙ্গে উত্তর এবং দক্ষিণ নাইজেরিয়ার যোগযোগ রক্ষা করে লাফিয়া মাকুরাডি রোডো। আর এই রোডেই একটি পেট্রোল স্টেশনে গাড়িটি বিষ্ফোরণ করেছে। এসইএমএ-তে কর্মরত পরিচালক বলেন, গ্যাস বেরোনোর ফলেই এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছি ৩৫ জন এই দুঘটনায় মারা গেছে। যাদের মধ্যে অনেকে ঘটনাস্থলেই মারা যান। সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি