ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:৩২:০১

কম্পিউটারের ক্ষতি থেকে চোখ ভালো রাখার উপায়

কম্পিউটারের ক্ষতি থেকে চোখ ভালো রাখার উপায়

  আধুনিক জীবনে প্রযুক্তির কল্যাণে দিন দিন কম্পিউটারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারাক্ষণ হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও কম্পিউটারের সামনে সময় কাটে আমাদের। যার ফলে বাড়ছে চোখের সমস্যা। প্রযুক্তি নির্ভর এই সময়ে ইলেক্ট্রনিক জিনিসের ব্যবহার ছাড়া দিনযাপনও সম্ভব নয়। তাই চোখর ওপর  চাপা পড়া খুব স্বাভাবিক বিষয়। ফলে অবসাদ, ক্লান্তি, মাথা যন্ত্রণা, ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তি জীবনের অঙ্গ হয়েই দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটার, ট্যাব, ফোনের বৈদ্যুতিক রশ্মি রেটিনার ওপর চাপ ফেলে, চোখের স্নায়ু এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে কম্পিউটার থেকে চোখকে রক্ষা করা যায়- কম্পিউটারের সামনে বসে দীর্ঘ ক্ষণ কাজ করতে হলে অবশ্যই স্ক্রিন ফ্রেন্ডলি চশমা ব্যবহার করুন। চোখে পাওয়ার না থাকলেও এই চশমা সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায়। তবে এর জন্য অবশ্যই পরামর্শ নিন চক্ষু বিশেষজ্ঞের। এমনকি, খুব কড়া আলো থেকেও চোখকে বাঁচান। টিভি দেখলেও তার আলো চোখের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেট করিয়ে নিন। চিকিৎসকদের মতে, মাঝে মাঝেই কম্পিউটারের জায়গা বদলান। যথেষ্ট আলো আছে এমন জায়গায় রাখুন কম্পিউটার। ল্যাপটপ ব্যবহারের সময়ও আলোর ঘাটতি যেন না হয়। অনেকেই কম আলোয় বসে ল্যাপটপে সিনেমা দেখেন, তা চোখের জন্য ভালো নয়। প্রতি আধ ঘণ্টা পর পর চোখে পানি দিন। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটায় চোখের স্নায়ুগুলি আরাম পায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশ কিছু চোখের ব্যায়াম করুন। চোখ বন্ধ রেখে চোখের পাতার উপর হাত রেখে ক্লক-ওয়াইজ এবং অ্যান্টি ক্লক ওয়াইজ ঘোরান৷ এতেও চোখ আরাম পাবে। এমন কিছু সহজ নিয়ম মানলেই সারা ক্ষণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসে কাজের পরেও চোখ থেকে জল পড়া, মাথা যন্ত্রণা, অবসাদ ইত্যাদি সমস্যাগুলিকে এড়ানো যাবে। সূত্র: জি নিউজ। এমএইচ/ এসএইচ/
স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য বেসনের হেয়ার মাস্ক

বেসন ত্বকের জন্য যেমন ভালো তেমনি চুলের জন্যও ভালো। বহুকাল ধরে বেসনকে ত্বকের  বিভিন্ন অসুবিধা এবং চুলের সমস্যার সমাধান ব্যবহার করা হয়I কারণ বেসনের মধ্যে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর পরিপোষক পদার্থ যেটা চুলের জন্য উপকারী। এটা আপনার চুলকে মজবুত ও স্বাস্থ্যকর বানায় এবং আপনার চুল কে করে তুলে সুন্দর। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন ধরেনের বেসন হেয়ার মাস্ক- ১) বেসনের সঙ্গে দই দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক দইয়ের সঙ্গে বেসন আপনার চুলের জন্য উপকারী। এই মিশ্রণটি আপনার চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করেI দই এ থাকা আন্টি অক্সিডেন্ট এবং ভালো ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা মাথা থেকে নোংরা পদার্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করেI ব্যবহার করার পদ্ধতি একটু বেসন নিয়ে অল্প দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এখন হলুদ যোগ করে পেস্ট তৈরি করুন। চুলে এই পেস্ট লাগিয়ে ৩০মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন। ২) বেসনের সঙ্গে অলিভ অয়েল দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক অলিভ অয়েল আপনার চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর। তাই এই তেলের সঙ্গে বেসন যোগ করুন। এই মিশ্রন আপনার চুলকে লম্বা এবং মজবুত করতে সাহায্য করেI ব্যবহার করার পদ্ধতি একটু বেসন এর সঙ্গে অলিভ অয়েল যোগ করে গাঢ় পেস্ট বানিয়ে নিনI চুলের গোড়াতে এই পেস্ট লাগিয়ে কিছু সময়ের জন্য রেখে দিন। সম্পূর্নভাবে চুল শুকিয়ে  যাওয়ার  আগে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) বেসনের সঙ্গে কাঠবাদাম দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক বেসন এবং কাঠবাদাম গুড়ার মিশ্রণ আপনার চুলকে স্বাস্থ্যকর, কালো এবং বাউন্সি করে রাখে। আপনার চুলের প্রাকৃতিক রং বজায় রাখতেও সাহায্য করেI ব্যবহার করার পদ্ধতি বেসন এবং কাঠবাদাম গুড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিনI এখন অল্প লেবুর রস এবং মধু এই মিশ্রণে যোগ করে পেস্ট তৈরি করবেনI এই মাস্ক চুলে লাগিয়ে কিছু সময়ের জন্য রেখে দিন।পানি দিয়ে ধুয়ে নিনI তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/একে/

সুস্থ লাইফস্টাইলের জন্য কার্যকরি ৬ টিপস

সুন্দর আর সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি হলো ভালো খাওয়া আর পর্যাপ্ত ব্যায়াম। দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা আরও প্রয়োজন। যে কোনও একটি কম বেশি হলেই দেখা দিতে পারে সমস্যা। সুতরাং সুস্থ থাকতে ভালো খাবারের পাশাপাশি শরীর চর্চাতেও মনোযোগী হতে হবে। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক সুস্থ লাইফস্টাইল জন্য কার্যকরি ৬টি টিপস- ধৈর্য্য ধরে খান যখন খিদে পাচ্ছে তখন খাচ্ছেন নাকি যখন ইচ্ছে হচ্ছে তখন খাচ্ছেন এই দুইয়ের পার্থ্যক্য করা খুব দরকার। যখন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন বা রেগে আছেন বা যদি প্রচন্ড আনন্দেও থাকেন তখন খাবার থেকে সতর্ক থাকুন। এই সময় আপনি অনিয়ন্ত্রিতভাবে খেয়ে ফেলেন। খাবার সময় টিভি দেখা বা মোবাইল ঘাঁটা বন্ধ করুন। মন দিয়ে খাবার খান। কী খাচ্ছেন তাতে মনোনিবেশ না করলে অধিক খেয়ে ফেলবেন। সময়সূচী মেনে ব্যায়াম নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র শরীরের জন্যই উপকারী নয়, মনের জন্যও উপকারী। নিয়মিত যোগাভ্যাস ও ব্যায়াম ভালো থাকার হরমোনগুলোর প্রবাহ বাড়ায়। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই সুস্থ্য থাকতে পারবেন।  খাবার বাদ দেবেন না ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিনের খাবার এড়িয়ে যাবেন না। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যেমন শরীরে যাবে না তেমনি আপনার শারীরে নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। একবার খাবার না খাওয়া মানে দ্বিতীয়বার খাবার সময় বেশি খেয়ে ফেলা। পানীয়র বদলে পানি খান বিভিন্ন প্রকার কোমল পানীয়র পরিবর্তে পানি খান বেশি। কেননা পানি আপনাকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়াও শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতেও পানি সাহায্য করে থাকে। কিছু খাবার বাদ দিন নানান জাঙ্কফুড এবং চকলেটের জন্য লোভ হওয়া স্বাভাবিক। মনে রাখবেন সুস্থ জীবনযাত্রা চালাতে গেলে মাঝেমাঝে কিছু জিনিস বাদ দেওয়া ভালো। কোনও বিশেষ উপলক্ষ্যে খান, তবে কেবল উপলক্ষ্যেই খান। খাবার নিয়ন্ত্রণ ডিনার টেবিলে বসে সব কিছুই চেখে দেখা ভালো। কিন্তু সব চেখে দেখতে গিয়ে বেশি খেয়ে নেবেন না। কতটা খাচ্ছেন তার উপরেও কিন্তু শরীরের অনেক বিষয় নির্ভর করে থাকে। সূত্র:  এনডিটিভি এমএইচ/একে/

ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচতে ঘরোয়া ৪ টোটকা

বর্ষা কাটতেই ঘরে ঘরে সর্দি, জ্বর৷ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপও৷ কীভাবে পরিবারকে রক্ষা করবেন এই রনংদেহী মশার হাত থেকে? তাহলে জেনে নিন কিছু রেমেডি- ১. পেপারমিন্টের তেল কিন্তু যে কোনও রকম মশার হাত থেকে বাঁচার মোক্ষম দাওয়াই৷ মাথায় রাখবেন, মিন্ট বা পুদিনার গন্ধ মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না৷ সে ক্ষেত্রে পেপারমিন্টের তেল আপনি মাখতে পারেন৷ এমনকি আপনার পোশাকেও সামান্য স্প্রে করে দিন এই পেপারমিন্ট অয়েল৷ চাইলে বসার ঘরের ভিতর ছোট্ট টবে পেপারমিন্ট রাখতে পারেন৷ কাজ দেবে৷ ২. এ রকমই উপকারি নিম তেল৷ যেকোনও রকম জীবানুকে নাশ করতে নিমের বিকল্প খুবই কম আছে৷ এখন বাজারে খুব অল্প দামেই অয়েল স্প্রে কনটেনার পাওয়া যায়৷ তেমনই একটা ঘরে কিনে আনুন৷ তার মধ্যে নিম তেল ভরে সকাল-সন্ধ্যা স্প্রে করুন৷ ডেঙ্গুর মশা বাপ বাপ বলে পালাবে৷ নিম তেলে কর্পূর মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করুন৷ মিনিট কুড়ি ঘরের দরজা বন্ধু করে রাখুন৷ উপকার পাবেন৷ ৩. নারকেল তেলের মধ্যে নিম তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন৷ এই তেল শরীরে মেখে বের হন৷ উপকার পাবেন৷ বিশেষ করে বাড়ির বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানোর আগে কিংবা গোসলের পর এই তেল মাখাতে পারেন৷ বাড়ির বয়স্করা বলেন, এই নারকেল তেল আর নিম তেল দিয়ে ঘরে প্রদীপও জ্বালানো যেতে পারে৷ মশা তাড়াতে এই টোটকাও কিন্তু বেশ কার্যকরী৷ ৪. মশা তাড়াতে ঘরে অনেকেই লিক্যুইড রিফিল ব্যবহার করেন৷ সে ক্ষেত্রে লিক্যুইড শেষ হয়ে গেলে ল্যাভেন্ডার অয়েল আর লেবুর রস মিশিয়ে ট্রাই করতে পারেন৷ লেবুর রসের বদলে চলতে পারে সিট্রোনেলা তেল কিংবা ইউক্যালিপটাস অয়েলও৷ সে ক্ষেত্রে স্প্রে করার বোতলটিতেও ভরে রাখতে পারেন এই মিশ্রণ৷ দু’ঘণ্টা পর পর ঘরে স্প্রে করুন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

সূর্যের তাপ থেকে চুল বাঁচানোর উপায়

সাজগোজ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷ তাই ত্বক, চুল, হাত-পা সবেরই খেয়াল রাখতে হয়৷ ত্বকের খুঁত না হয় আপনি মেকআপে দিয়ে ঢাকলেন, কিংবা ঘরোয়া পদ্ধতিতে সেই সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন৷ কিন্তু চুলের কী করবেন! স্প্লিট হেয়ার, রুক্ষতা, তুল পড়া সবকিছু এক মাসে রোধ করা বেশ কঠিন৷ এমনটাই ভাবছেন তো? যতটা কঠিন ভাবছেন ততটাও কঠিন নয়৷ সূর্যের প্রখর তাপ থেকে কীভাবে চুলকে বাঁচাবেন? কারণ সূর্যের তাপেই আপনার চুল সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয়৷ সঙ্গে ধুলোবালি তো রয়েছেই৷ স্কার্ফ দিয়ে ত্বক চাপা দিলেও চুল রক্ষা করা হয় না৷ তাই এই সামান্য নিয়মগুলো অনুসরণ করলেই সূর্যের প্রখর তাপ থেকে রক্ষা পাবে আপনার চুল৷ নিয়মিত তেল লাগান৷ সূর্যের প্রখর রশ্মি আপনার চুলের রঙ, শাইন ছিনিয়ে নেয়৷ তা ফিরিয়ে আনতে অবশ্যই সপ্তাহে তিনবার তেল লাগান৷ ওপর ওপর লাগবেন না৷ স্ক্যাল্পে ভালো করে মাসাজ করুন৷ আর অবশ্যই শ্যাম্পু করবেন৷ তেল মাথায় বেরলে ধুলো আরও বেশি করে আটকাবে৷ সারাদিন বাইরে থেকে যে ধুলো বালি চুলে জমে যায়, তা স্টিকিনেসের জন্য চুল থেকে সহজে ছাড়তে যায় না৷ আঠালো হয়ে গিয়ে স্ক্যাল্পে ময়লা বসে যায়৷ তাই এমনভাবে শ্যাম্পু করুন যাতে আপনার চুলের প্রত্যেকটা জায়গায় সঠিক মাসাজ হয়৷ শ্যাম্পু যেন ভালো করে চুলের এবং স্ক্যাল্পের প্রতিটা অংশে পৌঁছায়৷ শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার মাস্ট৷ অনেকেই ভাবেন কন্ডিশনার হয়তো আপনার চুলকে আরও রুক্ষ করে তুলছে৷ কিছু কন্ডিশনার শুষ্ক করে ঠিকই কিন্তু দামী কন্ডিশনার কিনলে আপনাকে এমন কিছু ভোগ করতে হবে না৷ শ্যাম্পু ভালো করে ধুয়ে ভালো করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন৷ এতে আপনি আশানুরূপ ফল পাবেন৷ চুলের আগা কাটা খুব জরুরি৷ যখনই দেখবেন চুলের আগা দুমুখো হয়ে যাচ্ছে সেই মুহূর্তেই চুলের আগা কেটে ফেলুন৷ নয়তো সেই একটা দুমুখো চুল থেকে বাকি চুলগুলোও নষ্ট হয়৷ এছাড়া আগা নষ্ট না হলেও তিন-চার মাসে এক-দুই ইঞ্চি করে চুল কাটা প্রয়োজন৷ বেরোবার আগে অবশ্যই সিরাম লাগান৷ সিরাম না লাগাতে চাইলে ভালো করে একটি স্কার্ফ দিয়ে পুরো চুলটা জড়িয়ে নিন৷ এতে ধুলোবালি কম ঢুকবে, সূর্যরশ্মিও পড়বে না৷ পানি খাওয়া ত্বকের পক্ষে ভালো তো শুনেছেন কিন্তু চুলের জন্যও একই রকমভাবে উপকারী পরিমাণ মতো পানি৷ সঠিক খাবারও আপনার চুলে অনেকটা প্রভাব ফেলে৷ বেশি করে চল খেলে আপনার চুলের শুষ্কতা দূর হবে৷ ঘরের বাইরে বেরোনোর সময় চুলে একটা রুমাল কিংবা ওড়না বেঁধে বেরোবেন। এতে করে চুলে ধুলো হবে কম। সেইসঙ্গে সূর্যের তাপও কম লাগবে। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

কম খরচে সুখী হওয়ার ৯ উপায়

শরীর ও মনের সুখ-শান্তির জন্য বহু টাকা খরচ করে ইয়োগা ক্লাস, ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট, ব্যয়বহুল স্পা অথবা স্বপ্নের দেশে লম্বা অবকাশ-যাপন- কোনটাই কার্যকর না-ও হতে পারে। আবার নিত্যদিনকার এমন কিছু সাদাসিধে ব্যাপার আছে যা হয়তো একজন মানুষের জীবনকে সুখী, স্বস্তিকর এবং সুন্দর করে তুলতে পারে। ঘরকে সবুজময় করে তোলা ঘরের ভেতর গাছপালা স্ট্রেস কমিয়ে দেয় এবং সুখকে বাড়িয়ে দেয়। কিভাবে? মৌলিক যে বিষয়টি সবাই জানানে, গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন ছাড়ে যা আমাদের বেঁচে থাকার শক্তি। কিছু কিছু গাছ বায়ুকে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। কারণ তারা বায়ু থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিককে টেনে নেয়। শরীরের পানির মাত্রা ঠিক রাখা মানুষের শরীরের প্রধান উপাদান পানি। প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর শরীরে ৫৫ শতাংশ এবং পুরুষের শরীরে ৬০ শতাংশ কার্যক্ষমতার জন্য পানি প্রয়োজন। সে কারণে শরীরে পর্যাপ্ত জলীয় থাকলে সুস্বাস্থ্য, শক্তির মাত্রা বাড়া এবং মনোযোগের শক্তি বাড়ে। যদি প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে বিস্বাদ মনে হয় তাহলে তার সঙ্গে লেবু বা শসা কিংবা আদার টুকরা মেশানো যেতে পারে। এমনকি পানি খাওয়ার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারলে তাদের জন্য ইন্টারনেট অ্যাপসও আছে যার মাধ্যমে পানি পানের জন্য রিমাইন্ডার পাঠানো হবে। নিজের কক্ষের নতুন সাজ-সজ্জা ঘর-বাড়ি কিভাবে সাজাই, সেটা আমাদের মেজাজের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। সেইসঙ্গে কতটা ঘুমাই এবং আমাদের এনার্জি লেভেল কেমন তাতেও প্রভাব ফেলে। যদি আপনি সেখানে নতুন রূপ দিতে চান তাহলে শোবার ঘর থেকে শুরু করুন। মুক্ত বাতাসের জন্য জানালা খুলে দিন, যতটা সম্ভব দিনের আলো ঘরে ঢোকার ব্যবস্থা রাখুন। পরিষ্কার রাখুন কাপবার্ডের সবকিছু এবং বিছানার তলা পরিচ্ছন্ন রাখুন। যদি আপনি একে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যেতে চান তাহলে গুরুত্ব দিতে পারেন চীনের প্রাচীন ফেং শুই পদ্ধতিকে। সে জন্য বইপত্র ঘাঁটাঘাঁটিও করতে পারেন। ফেং শুই দিয়ে বোঝানো হয় বায়ু ও পানি। ফেং শুইতে `চি` নামের সর্বজনীন শক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বলা হয়, মানব শরীরের অভ্যন্তর ও বাইরে এই শক্তিই সমস্ত কাজকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে ফেং শুই এর এই সূত্র মানুন বা নাই মানুন এটি অনুসরণ করে অন্তত দারুণ রুম লে-আউট পাওয়া যেতে পারে। বাড়িতে তুলির আঁচড় বাড়ির দেয়ালের রং মানুষের মুড বা মন-মেজাজের ওপর দারুণভাবে প্রভাব রাখে। সবুজ রং- প্রকৃতির প্রতিনিধিত্ব করে এই রং ঘরের ভেতর ভারসাম্য, সমন্বয় এবং শিথিলতা এনে দিতে পারে। নীল রং-একটি নান্দনিক গুণ সম্পন্ন রং। এটি প্রশান্তির এক অনুভূতি তৈরি করে এবং বিশ্রাম এনে দেয়। এ কারণে এই রং শোবার ঘরের জন্য সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। তবে লাল রং এড়িয়ে যাওয়া উচিত কারণ তা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসকে দ্রুত করে যা হার্ট-রেট এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। পাখিদের গান শুনলে হয়তো কুউ-কুউ- শোনায়, কিন্তু লন্ডনের বিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, পাখীদের গান বা কিচির-মিচির শব্দ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। স্বেচ্ছাসেবকদের একটি অ্যাপের মাধ্যমে তাদের মুড রেকর্ড করে রাখতে বলা হয়েছিল। এবং দেখা যায়, পাখীর গান, গাছপালা এবং আকাশ তাদের যে মানসিক প্রশান্তি এনে দিয়েছিল কয়েক ঘণ্টা সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তার রেশ ছিল। যদি আপনার পক্ষে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে পড়া সম্ভব না হয় এবং প্রকৃতির মাঝে ডুব দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে উপায়? বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে সে ব্যবস্থাও অসম্ভব নয়। পাখীর কিছু গান বা শব্দ ডাউন-লোড করে ফোনে সেভ করে নিয়ে হেড-ফোন দিয়ে শুনুন। আর চোখ বন্ধ করে ভাবুন প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পোষা বিড়াল গবেষণা বলছে, বিড়াল পোষার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। চার হাজারের বেশি আমেরিকান নাগরিকের ওপর দশ বছর ধরে চালানো গবেষণায় ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার স্ট্রোক ইন্সটিটিউট ইন মিনেপলিস এর গবেষকরা দেখেছেন, বিড়াল পুষেছেন এমন ব্যক্তিদের অন্যদের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে কিংবা স্ট্রোকে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ কম ছিল। হাসতে থাকুন নির্মল হাসি আমাদের পেশীগুলোকে আলগা করে, রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে, নাইট্রিক অক্সাইড বের করে দেয়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। হাসি স্ট্রেস হরমোন কমায় এবং শরীরের এন্ডোরফিন শিথিল করে যার ফলে আমাদের শরীর আরাম পায় এবং এটা প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। এটা ঠিক যে, হাসি সত্যিকারভাবেই শ্রেষ্ঠ ওষুধ। যে সব বন্ধুদের সঙ্গ আনন্দ দেয় তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, কমেডি দেখা ইত্যাদি হতে পারে সুন্দর সময় কাটানোর উৎস। আর ততটা সামাজিক না হলে ভিডিও দেখা যেতে পারে। কাজের ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দৃষ্টিভঙ্গি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ যেমন- সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ড- বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশগুলোর অন্যতম। কাজের ক্ষেত্রে সুখী এবং উন্নতির জন্য বেশকিছু কৌশল অনুসরণ করে থাকে সেখানকার মানুষেরা। সুইডেনে একটি রীতি প্রচলিত আছে যা ফিকা নামে পরিচিত, যার ফলে প্রতিদিন কফি ও কেক খাওয়ার জন্য বিরতি নিতে হয় যখন কলিগরা একত্র হন। তারা হয়তো কফির পাত্র নিয়ে বসে এবং সঙ্গে থাকে কিছু ঘরে বানানো খাবার। কর্মক্ষেত্রে ফিকা একধরনের অবশ্য পালনীয় রীতি। পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থতা এবং ভাল থাকার জন্য খাবার এবং ব্যায়ামের মতো মানসিক এবং শারীরিক বিশ্রাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম কম হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। স্ট্রেস হরমোন লেভেল বেড়ে যায়, উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতা দেখা যায়। আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের শরীরের ভেতর নানা কাজ চলে। ভাল ঘুমের জন্য পরিশ্রম দরকার। শোবার ঘরকে পরিষ্কার এবং নীরব রাখা দরকার, রাতে দেরি করে খাওয়াও বন্ধ করতে হবে। সেইসঙ্গে সব ধরনের ডিভাইসের আলো যাতে না থাকতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ ফোন বা ট্যাবলেট দিয়ে বেরনো সামান্য নীল আলোও আপনার ঘুম চোখ থেকে কেড়ে নিতে পারে। দিনের শেষভাগে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় বাদ দিতে হবে-এটাই তার সময়। সূত্র: বিবিসি একে//

বৃহস্পতিবার জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যে বিশেষ গুণটি থাকে!

মানুষ বিচিত্র রকমের। মানুষের চরিত্র সম্পর্কে বাইরে থেকে কিছুই বোঝা যায় না। কার মনে কী ধরনের গোপন চিন্তা লুকিয়ে আছে মানুষের ব্যবহার থেকে তা জানা সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, একজন মানুষ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করা যায় সে সপ্তাহের কোন বারে জন্মগ্রহণ করেছে তার ওপর। জেনে নেওয়া যাক ,বৃহস্পতিবার যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের চরিত্র কেমন হয়।    এদের স্বভাব কেমন হয়? কথাতেই বলে বৃহস্পতির দশা মানেই অর্থ, সম্পত্তি। বৃহস্পতিবারে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের জীবনে সম্পত্তি ও অর্থের প্রাচুর্য থাকা অসম্ভব নয়! এঁরা জীবনে যেকোনও কিছুই বড়সড় আকারে করতে ভালোবাসেন। এঁরা খুবই ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগোতে ভালোবাসেন। এঁরা জন্ম থেকেই কিছু শেখাতে পড়াতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এঁদের মধ্যে অনেক বেশি।   কেরিয়ার যাঁরা বৃহস্পতিবার জন্মান তাঁদের মধ্যে সকলকে তুষ্ট করে চলবার ব্যাপক ক্ষমতা থাকে। ফলে যেকোনও বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে এঁরা অনেক বেশি পটু হয়ে ওঠেন। ফলে যেকোনও উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে এঁরা বেশি উপযুক্ত। প্রেম এরা খুবই স্পষ্টবাদী হয়ে থাকেন। এদের ভেতরে যা রয়েছে তাই তারা বাইরে প্রকাশ করেন। ফলে প্রেমের ক্ষেত্রে কোনও লুকোচুরি করেন না এরা। এরা সঙ্গীকে খুশি রাখতে যাবতীয় স্বার্থ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত হন। প্রেমে এদের অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ, সঙ্গী তাতে সায় না দিলেই হয়ে যায় মুশকিল! বিয়ে এদের দাম্পত্য জীবনের ভাগ্য খুবই স্বস্তিকর হয়। সঙ্গীকে এরা সুখে রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন। তবে বিয়ের পর আর্থিক দিকে নজর দেওয়া এদের বেশি প্রয়োজন। এসি  

গায়ের গন্ধ দূর করার ঘরোয়া ৪ উপায়

বেশ কিছু মানুষের শরীর থেকে এমন বদ গন্ধ বের হয় যে তাদের কাছাকাছি ঘেঁষলে লিটার লিটার বমি করতে মন চায়, আচ্ছা আপনার শরীর থেকেও কি এমন বিতকুটে গন্ধ বের হয় নাকি? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে এই প্রবন্ধে চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন! কারণ এই লেখায় এমন কিছু ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যেগুলোকে কাজে লাগালে অল্প দিনেই বদ গন্ধ গায়েব হতে শুরু করে। ফলে পাবলিক প্লেসে সম্মানহানীর আশঙ্কা যায় কমে। প্রসঙ্গত, যে যে ঘরোয়া টোটকাগুলো এ ক্ষেত্রে দারুন কাজে আসে, সেগুলো হল- নারকেল তেল শুনতে আজব লাগলেও এ কথা একেবারে ঠিক যে গায়ের বদ গন্ধ দূর করতে নারকেল তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল নিয়ে শরীররে যে যে অংশে বেশি মাত্রায় ঘাম হয়, সেখানে লাগালেই দেখবেন অল্প সময়েই ঘামের গন্ধ দূর হয়ে যাবে। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এতে উপস্থিত অ্যাসিডিক এলিমেন্ট নিমেষে গায়ের গন্ধ সৃষ্টি করা ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে, যে কারণে গায়ের গন্ধের মাত্রা কমতে সময় লাগে না। এ ক্ষেত্রে এক কাপ পানির সঙ্গে হাফ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে সারা শরীরে লাগালেই দেখবেন উপকার মিলতে শুরু করেছে। মৌরি বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, এই প্রাকৃতিক উপাদানটির ভেতরে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে বিশেষ কিছু গ্যাস্ট্রিক জুসের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে গায়ের গন্ধের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। এখন প্রশ্ন হল এ ক্ষেত্রে কীভাবে কাজে লাগাতে হবে মৌরিকে? পরিমাণ মতো মৌরি নিয়ে তা গুঁড়ো করে নিতে হবে প্রথমে, তারপর তা এক কাপ পানি ফেলে পানিটা ফুটিয়ে নিতে হবে। কিছু সময় পরে পানিটা ছেঁকে নিয়ে তাতে অল্প পরিমাণে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। গ্রিন টি এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ট্য়ানিক অ্যাসিড গায়ের গন্ধ দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে উপাদান দুটি শরীরের সংস্পর্শে আসা মাত্র ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে, যে কারণে বদ গন্ধের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। এ ক্ষেত্রে পরিমাণ মতো পানি গ্রিন টির পাতা ভিজিয়ে পানিটা ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানিটা ঠাণ্ডা করে একটি তুলের সাহায্যে তা লাগিয়ে ফেলতে হবে শরীরের সেই সব অংশে, সেখানে ঘাম বেশি হয়, তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে! প্রসঙ্গত, কী কী ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগালে গায়ের গন্ধ কমবে, তা নয় তো জানলেন। কিন্তু এ কথা জানেন কি বিশেষ কিছু খাবারের সঙ্গে গায়ের গন্ধের সরাসরি যোগ রয়েছে, তাই তো শরীর থেকে বদ গন্ধ বেরোয়, এমনটা যদি না চান, তাহলে এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলাই ভাল। যেমন ধরুন- কার্বোহাইড্রেট বেশি রযেছে এমন খাবার শরীরে যাতে কোনও সময় এনার্জির ঘাটতি দেখা না দেয়, সে দিকে খেয়াল রাখে কার্বোহাইড্রেট। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতি হলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমেই যে ঘটনাটি ঘটে সেটি হল শরীর নিজেকে সচল রাখতে কিটোন বডি নামে এক ধরনের জ্বালানির উৎপাদন করতে শুরু করে। এই কিটোন বডি আবার একটোন নামে এক ধরনের উপাদানের জন্ম দেয়, যা বদ গন্ধের মাত্রা বৃদ্ধি করে। তাই তো গায়ের গন্ধের হাত থাকে বাঁচতে কার্বোহাইডের্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে কখনও ভুলবেন না। শতমূলী এই শাকটি খেলে শুধু গা থেকে নয়, প্রস্রাব থেকেও মারাত্মক গন্ধ বের হয়। আসলে এতে উপস্থিত মার্কেপটন নামে একটি গ্যাস, এই কুকর্মটি করে থাকে। তাই বাসে-ট্রামে অপ্রস্তুত পরিস্থিতিতে পরতে না চাইলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। পাঁঠার মাংস সুস্বাদু মটন কারি খেতে তো ভাল লাগেই। কিন্তু তার পরে সেই মটন কারি শরীরে ঢুকে কত কিছু যে করে থাকে সে বিষয়ে কি কোনও জ্ঞান আছে? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, রেড মিট খাওয়ার পর তার বেশিরভাগ অংশই একেবারে হজম হতে পারে না। ফলে যে অংশটা হজম না হয়ে পরে থাকে, সেটি ঘামের মাধ্যমে শরীরের বাইরে বেরিয়ে আসে। আর এমনটা যখন হতে থাকে তখন শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো আরও অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে গায়ের দুর্গন্ধ আরও আমারত্মক আকার নেয়। ঝাল মশলা দেওয়া খাবার সুস্বাদু পদের জন্ম আদা, রসুন এবং পেঁয়াজ ছাড়া সম্ভবই নয়। কিন্তু সমস্যাটা হল খাবারে উপস্থিত এই সব মশলা এবং প্রকৃতিকগুলোতে প্রচুর মাত্রায় সালফার থাকে। আর এ কথা তো কারও আজানা নেই যে গায়ে বদ গন্ধ সৃষ্টিতে সালফারের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো গরমকালে একটু কম মশলা দেওয়া খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। দেখবেন তাতে ফল পাবেন একেবারে হাতে-নাতে। অ্যালকোহল দুলতে থাকা বরফের সঙ্গে ঠাণ্ডা অ্যালকোহল যখন আমাদের গলা দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে, তখনই তা অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়ে ত্বকের ছিদ্রগুলো দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে সমস্যা আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই আপনি যদি ঘামের গন্ধের কারণে লজ্জায় ভোগেন, তাহলে এই ধরনের পানীয়ের থেকে দুরত্ব বজায় রাখাটাই ভাল। মাছ শরীর সুস্থ রাখতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের কোনও বিরল্প হয় না বললেই চলে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় থাকে মাছে। তাই তো সুস্থ জীবন পেতে মাছ খাওয়াটা জরুরি। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। মাছে কোলিন নামে একটি উপাদানও থাকে, যা গায়ের গন্ধকে বাড়িয়ে দেয়। আসলে অনেকেই মাছ খাওয়ার পর তা ভাল করে হজম করতে পারেন না। ফলে কোলিন নামক উপাদানটি এতটাই সক্রিয় হয়ে যায় যে ঘামের সঙ্গে ট্রিমেথিলেমিন নামে একটি উপাদান বেরতে শুরু করে, যা গন্ধের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বাঁধাকোপি আপনার গায়ে কি খুব গন্ধ হয়? তাহলে ব্রকলি, বাঁধাকোপি, ব্রাসেল স্প্রাউট এবং কর্নফ্লাওয়ার খাওয়া একেবারেই চলবে না। প্রসঙ্গত, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই সবজিগুলো শরীরকে চাঙ্গা রাখতে দারুন উপকারে লাগে ঠিকই, কিন্তু এতে উপস্থিত সালফার গায়ে মারাত্মক গন্ধ সৃষ্টি করে। তাই তো যাদের গায়ে খুব বদ গন্ধ হয়, তাদের এই সবজিগুলো খেতে মানা করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ফোসকা দূর করার ৫ উপায়

আমাদের পায়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে ফোসকা পরে। ফোসকা পরার নির্দিষ্ট কোনও সময় থাকে না, তবে গরম আর বর্ষায় ফোসকা পরার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে ফোসকা দূর করার বেশ কিছু সহজ উপায় রয়েছে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসেই ফোসকা দূর করা সম্ভব যা শরীরের কোনও রকম ক্ষতি করে না। ফোসকা দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়- ১) অ্যালোভেরা অ্যালভেরা আমাদের ত্বকের যে কোনও ধরণের সমস্যার সমাধান করতে পারে। অ্যালোভেরা ঠাণ্ডা হওয়ায় ফোসকার জ্বালাভাব দূর করতে সাহায্য করে। ফোসকায় কিছুটা অ্যালোভেরা লাগিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। এর ফলে কিছুক্ষণের জন্য জ্বালা বা চুলকানি দেখা দেবে কিন্তু তার ফলেই ফোসকা সেরে যাবে। শুকিয়ে যাওয়ার পর গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। যতদিন পর্যন্ত না নির্মূল হয় দিনে দুইবার একই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ২) গ্রিন টি গ্রিন টিতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং হিলিং উপাদান থাকে। এছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন থাকায় তা ব্যথা কমাতে এবং ফোসকার জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। গরম পানিতে একটা গ্রিন টি-এর ব্যাগ ভিজিয়ে তার মধ্যে বেকিং সোডা যোগ করুন। এরপর টিব্যাগ ঠাণ্ডা হলে ফোসকার ওপর প্রয়োগ করুন। বেকিং সোডায় অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান থাকে, যা ইনফেকশন হতে দেয় না। দিনে দুই-তিনবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ৩) অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ফোসকা দূর করার অন্যতম সহজ উপায়। অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে তুলো ভিজিয়ে ফোসকায় লাগিয়ে শুকানোর পর ধুয়ে ফেলতে হবে। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার লাগালে জ্বালা করতে পারে কিন্তু এই পদ্ধতি অবলম্বনে তিন-চার দিনের মধ্যেই ফোসকা সেরে যায়। ৪) ক্যাস্টার ওয়েল চুল বড় করতে, ঠোঁট সুন্দর করতে ক্যাস্টার ওয়েল ব্যবহার করা হয়। ফোসকা দূর করতেও ক্যাস্টার ওয়েল সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর আগে ফোসকায় ক্যাস্টার ওয়েল লাগিয়ে শুলে সকালে উঠেই দেখতে পাবেন ফোসকা সেরে গেছে। এছাড়াও অর্ধেক ক্যাস্টার ওয়েল এবং অর্ধেক সাদা ভিনেগার মিশিয়ে দিনে দুই-তিনবার ফোসকায় লাগালে সহজে ফোসকা দূর হয়। ৫) পেট্রোলিয়াম জেলি ফাটা ঠোঁট ছাড়াও পেট্রোলিয়াম জেলি ফোসকা দূর করতেও সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর আগে ফোসকায় পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। এর ফলে শুষ্কভাব এবং জ্বালা দূর হবে। এছাড়াও আপনি গরম পানিতে পনেরো মিনিট পা ভিজিয়ে, শুকনো কাপড়ে মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। গরম পানি ব্যথা কমাবে এবং ইনফেকশন দূর করবে আর পেট্রোলিয়াম জেলি পায়ের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/একে/

বৃষ্টিতে বাড়ির দেওয়ালকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?

বৃষ্টি হলেই বাড়ির ভিতর ও বাইরে স্যাঁতস্যাঁতে ও গুমোট ভাব৷ সোঁদা গন্ধ ও ভিজে দেওয়াল বাড়তি ঝামেলা তৈরি করছে? বাড়ির দেওয়ালের অবস্থার কথা ভেবে আপনার ভিতরে ঢুকতেই ইচ্ছা করছে না? মনে রাখবেন, এই সময় ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা থেকে জামাকাপড়ের যত্ন সবেতেই প্রয়োজন অতিরিক্ত মুনশিয়ানার। দেওয়ালকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন সেই টিপস রইল আপনার জন্য৷ আপনার বাড়ির দেওয়াল, ছাদ বা জানালার আশেপাশে কোনও ফাটল রয়েছে কি-না আগে নিশ্চিত হোন৷ ভাল করে দেখে নিন বাড়ির ছাদ, মেঝে ও দুই দেওয়ালের সংযোগ স্থলগুলো। কোথাও কোনও ফাটল বা আর্দ্রতা জমতে দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। আপনার বাড়িতে কোনও ফাটল থাকলে, তা কিন্তু দেওয়াল ও দেওয়ালের রং নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট৷ তাই বাড়িতে ফাটল থাকলে, আগে তা সারানোর বন্দোবস্ত করুন৷     বাড়ির দেওয়ালকে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব থেকে রক্ষা করতে পারে একমাত্র প্রাইমার৷ তাই প্রতি বছর বাড়ি রং করার অভ্যাস থাকলে বর্ষার আগেই তা সেরে ফেলুন। ভাল প্রাইমার ব্যবহার করুন৷ রং করার উপায় না থাকলে অন্তত প্রাইমার কিংবা হোয়াইট ওয়াশ করাতে পারেন। বৃষ্টিতে ছাদেরও ক্ষতি কিছু কম হয় না৷ তাই নিয়মিত নজর রাখুন ছাদে যেন ফাটল না তৈরি হয়৷ বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে অ্যাসবেসটসও লাগাতে পারেন ছাদের উপর৷ তেমন হলে ছাদের উপর লাগিয়ে নিন টাইলস৷ তবে টাইলসের রং কালো হয়ে যাচ্ছে কি-না, সেদিকে খেয়াল রাখুন৷ সপ্তাহে একদিন ওই টাইলস পরিষ্কার করুন৷ নাহলে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ানোর পরিবর্তে, অপরিষ্কার হয়ে উঠবে আপনার বাড়ি৷ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

নামের প্রথম অক্ষরই বলে দিবে আপনি কেমন মানুষ

কোনও ব্যক্তির নাম বা নামের প্রথম অক্ষরই তার ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র এমনটিই মত দিয়ে থাকে। আপনার নামের প্রথম অক্ষর থেকে আপনার ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনে নেওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নি নিজের সম্পর্কে - যদি ‘S’ হয় আপনার নামের ইংরেজি বানান অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর যদি ‘S’ হয়, তা হলে শাস্ত্র মতে আপনি প্রকৃত অর্থেই সত্যিকারের বন্ধু। বেশীর ভাগ সময় আপনি উদার ও সাহায্যকারী। আপনার মধুর ব্যবহারের জন্য লোকে আপনার প্রতি বিশেষ ভাবে আকর্ষিত হয়। আপনার প্রতি আপনার আশেপাশের বেশির ভাগ মানুষই খুব আস্থা রাখে, বিশ্বাস করে। আপনি অত্যন্ত শক্ত মনের মানুষ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আপনি আবেগ দ্বারা চালিত হন না, বিপদে তেমন বিচলিত হন না। যদি ‘U’ হয় আপনার নামের ইংরেজি বানান অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর যদি ‘U’ হয়, তা হলে শাস্ত্র মতে আপনি খুব উদ্যমী ও কৌতুহলী স্বভাবের মানুষ। আপনি যে কোনও অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে চলতে পারেন। আপনি ভ্রমণের বিষয়ে খুবই উৎসাহি এবং রোমাঞ্চকর কাজকর্ম করতে ভালোবাসেন। আপনি স্পর্শকাতর মনের মানুষ বলে অন্যের অনুভূতিকে আপনি নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। যদি ‘T’ হয়আপনার নামের ইংরেজি বানান অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর যদি ‘T’ হয়, তা হলে শাস্ত্র মতে আপনি খুবই স্পর্শকাতর প্রকৃতির মানুষ। আপনি পরিবর্তন খুব একটা ভালোবাসেন না। এক মুহূর্তে আপনি কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করলেন, ঠিক পরের মুহূর্তে তাকে তাচ্ছিল্য করলেন। আপনি নিজের ভাবনা চিন্তা, আবেগগুলোকে একান্ত ব্যক্তিগতভাবে গোপন রাখতেই ভালোবাসেন। আপনি খুব আশাবাদী প্রকৃতির মানুষ। যদি ‘V’ হয় আপনার নামের ইংরেজি বানান অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর যদি ‘V’ হয়, তা হলে শাস্ত্র মতে আপনি স্বাধীন ভাবে ও মুক্ত ভাবে চলাফেরা করতে ভালোবাসেন। আপনি স্বাধীনচেতা, কিছুটা আত্মকেন্দ্রীক প্রকৃতির মানুষ। আপনার ব্যাক্তিগত জীবনে বা স্বাধীন জীবনযাত্রায় কেউ হস্তক্ষেপ করুক, তা আপনি চান না। আপনি অত্যন্ত শক্ত হৃদয়ের মানুষ। জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতেও আপনি নিজেকে শান্ত, অবিচল রাখতে পারেন। যদি ‘Y’ হয় আপনার নামের ইংরেজি বানান অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর যদি ‘Y’ হয়, তা হলে শাস্ত্র মতে আপনি খুব আবেগপ্রবণ মানুষ। তবে আপনার মধ্যে যে আবেগ আছে, তার উপর আপনার ভীষণ নিয়ন্ত্রণ আছে। ফলে কদাচিৎ তার প্রকাশ ঘটে। আপনি খুবই রোমান্টিক প্রকৃতির মানুষ। আপনি স্বাধীন সত্ত্বা বিশিষ্ট একজন মানুষ। আপনার ভাবনা চিন্তা, কাজ-কর্মের ধরন একেবারে আলাদা। যদি ‘A’ হয় যদি কোনও মেয়ে বা ছেলের নাম ইংরেজির ‘A’ অক্ষর দিয়ে শুরু হয়, তা হলে এমন ব্যক্তি খুবই আকর্ষক হয়ে থাকেন। এই অক্ষরের ব্যক্তিরা ভালোবাসা এবং যে কোনও সম্বন্ধকে খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু এরা খুব বেশি রোম্যান্টিক হন না। বহু বাধা অতিক্রম করে সেই সমস্ত জিনিস লাভ করেন তারা। কিন্তু সাফল্য পেতে শুরু করলে এদের পিছনে ফিরে তাকাতে হয় না। সাফল্যের চূড়ায় থাকেন এরা। জীবনে সংঘর্ষ করতে হয়। কিন্তু অবশেষে নিজের লক্ষ্য জয় করেন। তবে এরা রাগী মেজাজের। এরা লোকেদের সঙ্গে দেখা করতে এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পছন্দ করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।এসএ/  

কাঁচা মরিচকে দীর্ঘ দিন টাটকা রাখবেন যেভাবে

চেরা মরিচ থেকে শুরু করে বাটা মরিচ- রান্নার মশলায় যোগ করে আলাদা মাত্রা। কম ঝাল খান কিংবা ঝাল খেতে পারেন না, এমন মানুষও রান্নায় আলাদা গন্ধ ও ঝাঁজ আনতে নিদেনপক্ষে একটা গোটা কাঁচামরিচ দেন।  অর্থাৎ মরিচ বিনা রান্নাঘর প্রায় নেই বললেই চলে। আবার রোজের মরিচ রোজ কিনে আনাও মুশকিলের। তাই অনেকেই বাজারে গিয়ে অনেকটা মরিচ একসঙ্গে কিনে আনেন। কিন্তু মরিচ দীর্ঘ দিন ঘরে জমিয়ে রাখার অনেক সমস্যা। সহজেই মরিচ শুকিয়ে যায়। নষ্টও হয়ে যায় সহজে। ফ্রিজে রাখলে সাময়িক তাজা থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে তা শুকিয়েই যায়। দীর্ঘ দিন মরিচ মজুত রাখতে চাইলে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। এতে মরিচকে রাখতে পারবেন সতেজ। জেনে নিন সে সব উপায়— ১. বায়ুরুদ্ধ কোনও ঢাকা পাত্র থাকলে তাতে রাখুন কাঁচামরিচ। রাখার আগে পাত্রের নীচে হালকা নরম কাপড় বিছিয়ে দেবেন। মরিচের বৃন্ত ছিঁড়ে রাখুন। এতে মরিচ সহজে পচে না। এবার মুখ বন্ধ পাত্রটি অন্য আর একটি নরম কাপড়ে ঢেকে নিন। বাড়ি থেকে দীর্ঘ দিনের জন্য কোথাও বেড়াতে গেলেও এইভাবে রেখে যেতে পারেন কাঁচামরিচ। এর পর এই পাত্র ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখতেও পারেন। ২. আরও ভাল ফল পেতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেঁচিয়ে রাখুন মরিচ। অনেকেই বাড়িতে অ্যালুমিনিয়ামের ফয়েলে টিফিন প্যাক করেন। তেমন ফয়েলে বৃন্তহীন মরিচ রাখুন। ভাল করে মুড়ে দিন তার দু’দিক। এর পর তাকে চালান করে দিন ফ্রিজে। ৫ ঘণ্টা রাখার পর ফ্রিজ থেকে বের করে বায়ুরোধক পাত্রে ঢুকিয়ে ফের রেখে দিন ফ্রিজে। এই উপায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কাঁচামরিচকে তাজা রাখবে। ৩. চেন টানা ছোট ব্যাগে রাখতে পারেন মরিচ। এ ক্ষেত্রেও মরিচর বৃন্ত ছিঁড়ে নেবেন। এই ব্যাগ ফ্রিজে রাখুন। তবে মনে রাখবেন, যে উপায়ই অবলম্বন করুন না কেন, তাতে দিন দশেকের বেশি মরিচকে তাজা রাখা যায় না। তাই দিন দশেক ব্যবহার করার মতোই মরিচ কিনুন এক বারে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি