ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২১:৩৯:০৬

সুগঠিত পেলভিসের জন্য বাড়িতেই করুন যোগব্যায়াম

নিতম্বের মাঝের অংশ যা শরীরের জননতন্ত্রকে ধরে রাখে তা পেলভিস নামে পরিচিত। পেলভিক ফ্লোরের মাসল ও টিস্যুগুলো যদি দুর্বল হয় তাহলে মল বা মূত্রের বেগ চেপে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ সব ক্ষেত্রে কেগেল ব্যায়াম খুবই উপকারী। কেগেল ব্যায়াম পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই। বয়সের সঙ্গে পেলভিক মাসেল দুর্বল হয়ে যায়। কেগেল ব্যায়ামের মাধ্যমে পেলভিক পেশির শক্তি বাড়িয়ে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ভাল পারফর্ম্যান্স সম্ভব। ব্যায়ামগুলো বাড়িতেই করা যায়। এই আসনগুলোর মাধ্যমে রক্ত সঞ্চা‌লন বাড়িয়ে জেনিটাল, আনুস ও তার মধ্যবর্তী অঞ্চ‌লের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক শক্তিশালী পেলভিসের জন্য আসন- জেনিটালের জন্য প্রথম আসনের জন্য পদ্মাসন বা বজ্রাসনে বসুন। মূত্র ত্যাগ এবং চেপে রাখার চেষ্টার মতো করে মূত্রথলি সঙ্কোচন প্রসারণ করুন। ভিতরে টানার সময়ে শ্বাস ছাড়ুন, বাইরে বের করার সময়ে শ্বাস নিন। দিনে ৬ থেকে ৭ বার করুন।  আনুসের জন্য অশ্বিনী মুদ্রা করে সেতু বন্ধাসনে শুয়ে পড়ুন। এর পরে আনুস সঙ্কোচন ও নিঃসরণ করুন। যতক্ষণ পারবেন করে ফিরে আসুন শবাসনে। সঙ্কোচনের সময়ে প্রশ্বাস এবং নিঃসরণে নিশ্বাস নিন। একই ব্যায়াম সম্ভব বিপরীতকরণী আসনেও। এই আসনগুলো প্রয়োজনে চেয়ারে বসেও করতে পারেন। জেনিটাল ও আনুসের মাঝের অংশকে পেরিনিয়াম বলা হয়। পদ্মাসনে বসে সেই অংশ সঙ্কোচন প্রসারণের ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনিই পেলভিক সুস্বাস্থ্য পেতে পারেন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

মনের কষ্ট পুরুষরাই লুকিয়ে রাখে বেশি: গবেষণা

মেয়েদের তুলনায় পুরুষরাই তাদের মনের কষ্ট বেশি লুকিয়ে রাখে। সম্প্রতি আমেরিকার ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোস্তত্ত্ববিদ বিভাগের গবেষকগণ এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু গবেষক যৌথ প্রচেষ্টায় গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তারা মোট ১১টি পর্যায় সমীক্ষা এবং গবেষনা পরিচালনা করে এই তথ্য পেয়েছেন। এই গবেষনা থেকে যে তথ্য সামনে এসেছে তা হল, মনের দু:খ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা তা নিজেদের মধ্যেই আবদ্ধ রাখতে চেষ্টা করেন বেশিরভাগ সময়। মনস্তত্ত্ব বিভাগের গবেষকরা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, এই গবেষনা থেকে পুরুষ মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন তথ্য তাদের সামনে এসেছে । ১৮ থেকে ৭৭ বছরের পুরুষদের মধ্যে এই সমীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে বেশিরভাগ পুরুষরা দুঃখ নিয়ে খুব বেশি ভাবনা চিন্তা করেননা এবং এটি যে শেয়ার করা যায়, তা নিয়ে খুব বেশি আমলও দেন না। এমনকি নিজের খুব কাছের মানুষের কাছ থেকেও তারা এই সংক্রান্ত বিষয় গোপন করে যান। এই সমস্যাগুলি এড়ানোর জন্য পুরুষরা বাইরের জগত বা অন্য ধরনের কাজের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করে রাখেন। কিন্তু সর্বদা এর ফল ভাল হয় না বরং এই কারনে পুরুষদের মধ্যে মানসিক সমস্যা ক্রমাগত বাড়তে দেখা যাচ্ছে এমনটাই জানা গিয়েছে গবেষনা থেকে। নিজেদের সমস্যার কথা শেয়ার না করার ফলে তা এক সময়ে মাথার মধ্যে চেপে বসে এবং সমস্যাটি সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করে বিফল হলে তা মানসিক ভারসাম্যের পরিবর্তন ঘটায়। এছাড়াও সমস্যার হাত থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার জন্য পুরুষরা অনেক সময় অপরাধপ্রবন কাজের দিকে এগিয়ে যায় এবং অনেকসময় পরিস্থির আত্মহনন পর্যন্ত চলে যায়। তাই গবেষক ও মনস্তত্ববিদদের মত নিজের যে কোন সমস্যা কাছের মানুষের সঙ্গে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করুন। সূত্র-জিনিউজ আরকে//

ভেষজ উপায়ে চুল হাইলাইট করার ৪ পদ্ধতি

চুলের স্টাইলে বদল এনে সহজেই বদলে ফেলা যায় চেহারাও। আর চুলের স্টাইলের একটা অন্যতম অংশ হল চুল হাইলাইট করা। অনেকেই চুল হাইলাইট করতে ভালবাসেন। সাদা চুলকে কালো করার পাশাপাশি চুলের রঙে ভিন্নতা আনতে আজকাল হেয়ার ডাই বা কলপ ব্যবহার করছেন অনেকেই। কিন্তু বাজার থেকে কিনে আনা এসব রঙে থাকে অনেক রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য। এই ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশ্রিত হেয়ার ডাই ব্যবহারের ফলে মাথার ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি থেকে শুরু করে দেখা দেয় নানা রকম চর্মরোগ। ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশ্রিত এই সব হেয়ার ডাই ব্যবহারের ফলে অকালে অতিরিক্ত মাত্রায় চুল ঝরে গিয়ে টাক পড়ে যেতে পারে। তাহলে উপায়? উপায় আছে। জেনে নিন বাড়িতে বসে নিজেই কী করে চুল হাইলাইট করে নিতে পারবেন ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশ্রিত হেয়ার ডাই ব্যবহার না করেই। চায়ের লিকার ঘরোয়া উপায়ে চুলকে কন্ডিশনিং করতে চায়ের লিকারের চেয়ে ভাল উপাদান আর কিছু হতে পারে না। চুলকে হাইলাইট করার ক্ষেত্রেও চায়ের লিকার খুবই কার্যকর। তবে যে কোনও রকম চা নয়, এটি করতে ক্যামোমাইল টি ব্যাগ কিনে আনুন। টি ব্যাগ রাখুন গরম পানিতে, তা রং ছাড়তে শুরু করলে, ভাল করে গুলে নিন গরম পানির সঙ্গে। এবার সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে কিছুক্ষণ রোদে বসুন। বার তিনেক এমন করুন। হালকা লালচে আভার হাইলাইট পেয়ে যাবেন সহজেই। ভিনিগার ও মধুর মিশ্রণ এই উপায় অবলম্বন করতে হলে আগে থেকে বানিয়ে রাখুন প্যাক। দরকার কিছু ঘরোয়া জিনিস, যা সহজেই কিনে আনা যায়। ১ কাপ মধু, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, ১ টেবিল চামচ এলাচের গুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে নিন ২ কাপ ভিনিগার। মিশ্রণটি ঘন করে বানান। এবার আলাদা করে বেছে নিন কোন কোন চুলগুলোকে হাইলাইট করতে চাইছেন। সেখানে এই প্যাক লাগিয়ে একটা শাওয়ার ক্যাপ পরে চুল ঢেকে রাখুন। ঘুমানোর আগে এটা লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন, আর সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন। সুন্দর হাইলাইটে ভরে উঠবে চুল। লেবুর রস সবচেয়ে সস্তা উপায়ে দুর্দান্ত হাইলাইটের সমাধান লেবুর রস। একটি পাত্রে লেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মেশান। এবার চুলের গোছা আলাদা আলাদা করে ভাগ করে তাতে লাগিয়ে নিন এই মিশ্রণ। এর পর অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে চুল মুড়ে রাখুন। রোদে বসুন খানিকক্ষণ। চুল শুকালে সামান্য উষ্ণ গরম পানিতে শ্যাম্পু করে নিন। বার দুয়েক এমন করলেই দেখবেন, কেমন রং ধরেছে চুলে! কন্ডিশনার আর দারচিনি এই দুইয়ের মিক্সড ডাবলসে চুলে হবে দেখার মতো হাইলাইটস! কয়েকটা দারচিনি মিক্সারে গুঁড়িয়ে নিন। তার পর কন্ডিশনারের সঙ্গে মেশান। এবার কোনও ব্রাশ দিয়ে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভাল করে লাগিয়ে নিন এই প্যাক। তার পর মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে চুলে কোঁপা করে রাখুন। শাওয়ার ক্যাপে মাথা ঢেকে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ফেললেই চুলে ধরবে মনের মতো রং! এই কয়টা সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করুন আর চুলে আনুন চোখ ধাঁধানো হাইলাইট। সূত্র: জিনিউজ একে//

বক্ষের সৌন্দর্য বাড়াতে ঘরোয়া ৩ উপায়

প্লাস্টিক সার্জারির দয়ায় স্তনের আকার হামেশায় বাড়ানো যায়, তা আমারা সবাই জানি। তবে আমাদের সবার ক্ষেত্রে এই পথ বেছে নেওয়া সম্ভব নয়। তবে একটা পথ বন্ধ হয়ে গেলে যে অন্য পথ খুলে যায়। তাই সার্জারি নয়। কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বনে বাড়ান আপনার স্তনের আকার।  কারণ সুন্দর বক্ষ-যুগল সব মেয়েদের কাম্য। মাসাজ মাসাই স্তন বড় করার ভাল উপায়। যদিও স্তন বড় করার জন্য আজকাল বাজারে অনেক মাসা ওয়েল পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি চাইলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন ব্রেস্ট ম্যাসাজ ওয়েল। মধু আর সরিষার তেলের একটি মিশ্রণ তৈরি করে প্রতিদিন গোসলের আগে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ক্লক ও অ্যান্টি ক্লক অনুযায়ী ম্যাসাজ করুণ। একমাসের পর থেকে আপনি পার্থক্য বুঝতে পারবেন। জানিয়ে রাখি প্রকৃত সুন্দর বক্ষের সাইজ ৩৪ থেকে ৩৬। ব্যায়াম শুধু রোগা নয়। এমন কিছু ব্যায়াম আছে যা মেয়েদের স্তনের আকার বাড়াতে সাহায্য করে থাকে থাকে। নিয়মিত এই আসনগুলো করলে বুকের মাংস বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে স্তন ঝুলেও যায় না। পুষ্টিকর খাবার অনেক সময় পুষ্টির অভাবে বক্ষের আকার ছোট থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি অ্যামাইনো অ্যাসিড সম্পন্ন খাবার বেশি করে খান। ডিম, ছোলা, রাজমা, মাছ বেশি করে খান। এছাড়া খান প্রচুর পরিমাণে বিট। কারণ সমীক্ষায় দেখা গেছে বিট স্তনের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

মানসিক চাপে দেহের নানা সমস্যা দূর করে বরফ

দিনের বেশির ভাগ সময়ই নানা কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই। আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা- ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে এই মানসিক চাপ থেকে। তাই আমাদের প্রথমে মানসিক চাপ দূর করা উচিৎ। অনেকে মনে করতে পারেন, মানসিক চাপ তো চাইলেই দূর করা যায় না! তাহলে কীভাবে সম্ভব! উপায় আছে। মাত্র ১ টুকরো বরফ! এতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটা। বিশ্বাস হচ্ছে না? জেনে নিন উপায়। ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্ট আছে। আর সেই বিশেষ পয়েন্টে ১ টুকরা বরফ কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারলে আপনার দেহের নানা সমস্যা দূর করে দিতে পারে নিমেষেই। যেমন- ১) হজম সংক্রান্ত সমস্যা, ২) ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা, ৩) মানসিক চাপ, ৪) ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির সমস্যা, ৫) মাথাব্যথা, দাঁতে ব্যথা সহ শারীরিক নানা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার সমস্যা, ৬) শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা এবং কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা, ৭) থাইরয়েড সমস্যা, ৮) মেয়েদের মাসিকের সমস্যার সমাধানে আমাদের ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্টে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে ১ টুকরা বরফ। এবার জেনে নেওয়া যাক এর পদ্ধতি সম্পর্কে- ঘাড়ের ঠিক মাঝখানের যে পয়েন্টের নাম ফেং ফু। এই পয়েন্টটি খুঁজে বের করার পর ১ টুকরা বরফ এই পয়েন্টে ধরে রাখুন। ২০ মিনিট এই পয়েন্টে বরফের টুকরা ধরে রাখুন। নিয়মিত সকালে খাবার খাওয়ার আগে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই কাজটি করুন। তবে শুরুতেই ২০ মিনিট বরফ ধরে রাখা হয়তো সম্ভব হবে না। তাই প্রথম কয়েকটা দিন ৩০-৪০ সেকেন্ড বরফ ধরে ধরে রাখতে পারলেই হবে। খেয়াল করবেন, এই পয়েন্টে কিছুক্ষণ বরফ ধরে রাখার পর কিছুটা উত্তাপ অনুভূত হবে। নিয়মিত এই পদ্ধতি পালনে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিকভাবেও সুস্থতা বোধ করবেন। সূত্র: জিনিউজ একে//

চোখের নীচের কালচে ছাপ দূর করার ঘরোয়া উপায়

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অপর্যাপ্ত ঘুম, অসময় ঘুমের অভ্যাস, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়ার কারণে আপনি শুধু অসুস্থই হয়ে পড়বেন না, আপনার অনিয়মের ছাপ পড়বে আপনার চোখে-মুখে, চেহারাতেও। চোখের নীচে কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল এর মধ্যে অন্যতম। এই ছাপের ফলে চেহারা রুগ্‌ণ দেখায়। চিকিত্সকদের মতে, চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল নানা কারণে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে এই দাগ এলে তা ঘরোয়া কিছু সবজি, নিয়মিত পানিপান, ঘুম- এ সব দিয়েই দূর করা যায়। সহজলভ্য বেশ কিছু খাবার-দাবার চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল দূর করতে সহায়ক হতে পারে। পানি আমাদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য উপাদান হল পানি। নিয়ম মেনে পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল কমাতে পানির চেয়ে কার্যকর উপাদান আর কিছু হতে পারে না। জাঙ্ক ফুড, প্রচুর চা-কফি, ঠাণ্ডা পানীয়- এগুলো শরীরের পানি শোষণ করে। তাই এ সব যতটা সম্ভব কমিয়ে পর্যাপ্ত পানি খান। শশা শশা শরীরে পানির চাহিদা মেটায়। এ ছাড়াও শশায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে-র মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। শশায় থাকা সালফার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কলে শশার রস নিয়মিত ব্যবহারে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। তরমুজ তরমুজে পানি রয়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ। এতে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার, লাইকোপিন, ভিটামিন বি-১, বি-২, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলো চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে। টম্যাটো সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকানোর ক্ষমতা রয়েছে টম্যাটোর রসে। তাই টম্যাটোকে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। চোখের তলার কালচে ছাপ বা ডার্ক সার্কল দূর করতে টম্যাটো বিশেষভাবে সাহায্য করে। তিল তিলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ই, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তির জন্য অত্যন্ত উপকারী। চোখের তলার ডার্ক সার্কল দাগ দূর করতে তিলের উপর ভরসা করেন অনেক বিউটিশিয়ানরাও। এই সব খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ডার্ক সার্কলের সমস্যা দ্রুত দূর হবে। তবে হ্যাঁ, একই সঙ্গে অসময় ঘুমের অভ্যাস, অপর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের থেকেও নিজেকে দূরে রাখতে হবে। সূত্র: জিনিউজ একে//

তৈলাক্ত ত্বকের কালচে ভাব দূর করার ঘরোয়া উপায়

গরমকালে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ত্বকের তেল চিটচিটে ভাব একেবারেই কাটতে চায় না। তার উপর ধুলোবালি আটকে ব্রণের উপদ্রব তো আছেই। সেই সঙ্গে যুক্ত হয় তৈলাক্ত ত্বকের কালচে ভাব। ত্বক যত তৈলাক্ত হবে, ততই কালচে ভাব বাড়বে। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ারও উপায় আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক তৈলাক্ত ত্বকের কালচে ভাব দূর করার খুব সহজ একটি দুর্দান্ত সমাধান- উপকরণ ১টি পাকা কলা, ২ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু। পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি প্রথমে কলার খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে পিষে নিন বা চটকে নিন। এর পর এর সঙ্গে মধু ও লেবুর রস দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। এবার এই পেস্টটি গোটা ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। মুখ ও গলার ত্বকেও ভাল করে লাগাবেন। ১৫ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। এর পর মুখ ভাল করে ধুয়ে একটি তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে ত্বক শুকিয়ে নিন। তবে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঘষবেন না। চেপে ধরে পানি শুকিয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই প্যাক ব্যবহারেই খুব ভাল ফলাফল পাবেন। কেন এই ভেষজ প্যাকটি কার্যকরী? কলা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী। এটি ত্বকের কমলতাও বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আর লেবুর রস ত্বকের তেলতেল ভাব দূর করতে সহায়তা করে এবং ত্বকের উজ্জলতাও বৃদ্ধি করে। মধু একটি উচ্চ ওষধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল। এটি একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের ব্রণের সমস্যা দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে ময়েসচারাইজ করতে সাহায্য করে। সূত্র: জিনিউজ একে//

বছরের পর বছর জিন্স নতুন রাখার ৫ উপায়

নারী হোন বা পুরুষ, জিন্‌সের জনপ্রিয়তা সর্বত্রই। কেবল ফ্যাশনের জন্যই নয়, অনেকেই জিন্‌স পছন্দ করেন কম যত্নেও দীর্ঘ দিন টিকে থাকে বলে। কিন্তু কম যত্ন নেওয়া আর একেবারেই যত্ন না নেওয়ার মধ্যে ফারাকটা বেশির ভাগ সময়ে গুলিয়ে ফেলি আমরা। তাই বুঝে উঠতে পারি না, ঠিক কী কী উপায়ে জিন্‌সের যত্ন নেওয়া সম্ভব। আসলে কয়েকটা পদ্ধতি অবলম্বন করলেই কিন্তু নতুন জিন্‌সের প্যান্ট বছরের পর বছর সুন্দর ও নতুনের মতোই থাকতে পারে। জানেন সে সব কী কী? ১. কাচার আগে উল্টে নিন জিন্‌স। এতে সরাসরি সাবানের সংস্পর্শে এসে নষ্ট হয় না জিন্‌সের রং। রোদের হাত থেকে রং বাঁচাতে শুকোতেও দিন উল্টো করে। ২. জিন্‌স ভাল রাখতে তা কখনওই ওয়াশিং মেশিনে কাচবেন না। অনেকের মধ্যেই এই প্রবণতা দেখা যায়। ওয়াশিং মেশিনের কেন্দ্রাতিক শক্তি জিন্‌স-কাপড়ের সুতোর ক্ষতি করে। বরং ভাল ডিটারজেন্টে ডুবিয়ে হাতেই কাচুন জিন্‌স। ৩. অনেক সময়ই জিন্‌সে লাগা কোনও দাগ উঠতে চায় না সহজে। এমন হলে পানির সঙ্গে একটু লেবুর রস ও বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই মিশ্রণ পুরনো টুথব্রাশের সাহায্যে ঘষুন দাগের জায়গায়। তার পর তা কাচুন ডিটারজেন্ট দিয়ে। এতে সহজেই উঠবে দাগছোপ। ৪. তেলের দাগ কিন্তু এভাবে উঠবে না। তার জন্য বেবি পাউডার মাখান দাগের উপর। ওভাবেই রেখে দিন অনেকক্ষণ। তার পর কাচুন ডিটারজেন্ট দিয়ে। পাউডার শুষে নেবে তেলের দাগ। ৫. জিন্‌সের ভাঁজ, কাপড় সব ভাল রাখতে কাচার পরেই ইস্ত্রি করুন। একই জিন্‌স চার দিন পরা হলেই তা কেচে নিন, অনেকেই মাসের পর মাস জিন্‌স কাচেন না। এই অভ্যাসের জন্য জিন্‌স কাপড়ের খুব ক্ষতি হয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

পেটের চর্বি থেকে মুক্তির ৫ উপায়

মেদহীন আকর্ষণীয় পেটের অধিকারী হতে তো সবাই চান। খাবার নিয়ন্ত্রণ করছেন, নিয়মিত হাঁটাহাটি করছেন, ওজনও একটু একটু করে কমছে, কিন্তু পেটটা তো কিছুতেই কমছে না। অনেকেই এ অভিযোগ করে থাকেন। আসলে পেটের চর্বি বা মেদ অন্যান্য মেদের চেয়ে আলাদা এবং বেশি ক্ষতিকর। জেনে রাখা ভালো, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজন বাড়তে থাকে। আর পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকলে তো কথাই নেই। নিয়মিতভাবে বাড়তে থাকে ওজন। বড় বিষয় যে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে অন্য সব অঙ্গকে পেছনে ফেলে দেয় পেট। এ থেকে মুক্তির জন্য পরিশ্রমের বিকল্প নেই। কিন্তু পরিশ্রমের সঙ্গে যাদের সম্পর্ক নেই, তাদের সামনে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। আর চর্বি থেকে মুক্তির জন্য দৌড় বা হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম। চলুন জেনে নেওয়া যাক, আরও যে সব ব্যায়ামে পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়- সাইকেল চালানো জেনে রাখুন, সাইকেল চালানো কিন্তু দারুণ এক ব্যায়াম। এ ব্যায়ামে শরীরের চর্বি থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। আর সাইকেল চালানোয় শুধু যে শরীরের উপকার হয় তা নয়, উপকার হয় মনেরও। তবে উপকারটা নির্ভর করছে সাইকেলের গতির ওপর। দৌড় চর্বি কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় দৌড় বা হাঁটা। এ কাজটি করতে আপনার তেমন কিছু প্রয়োজন নেই। শুধু দরকার একজোড়া কেডস। দৌড় ও হাঁটার মধ্যে সবচেয়ে উপকারী দৌড়ে। এতে বেশি ক্যালরি ক্ষয় হয়। তাই বলে হাঁটাকে কম গুরুত্ব দিলে চলবে না। কারণ উপকারের লড়াইয়ে দৌড় থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই হাঁটা। সাঁতার শরীর মন চাঙ্গা রাখতে সাঁতারের চেয়ে ভালো ব্যায়াম আর হয় না। ৩০ মিনিটের সাঁতারে ৩০০ থেকে ১০০০ পর্যন্ত ক্যালোরি পোড়ানো সম্ভব। সাঁতার কাটলে শুধু পেটের ব্যায়ামই নয়, পুরো শরীরের ব্যায়াম হয়ে থাকে। এতে করে ঝরঝরে থাকে শরীর। সকাল-সন্ধা দুই বেলা নিয়ম করে সাতার কাটুন। দেখবেন অচিরেই আপনি ফিট হয়ে গেছেন। এক্সারসাইজ বল ক্রাউঞ্চ শরীরের অনেক অঙ্গই এ ব্যায়ামের সঙ্গে যুক্ত। এ জন্য দরকার একটি এক্সারসাইজ বল। এক্সারসাইজ বলের ওপর চিত হয়ে এমনভাবে শুতে হবে, যেন পিঠ বলের ওপর থাকে এবং পা দুটো মাটিতে থাকে। এবার হাত দুটো গুণ চিহ্নের আকারে বুক অথবা মাথার নিচে রাখতে হবে। পিঠকে এবার বলের স্পর্শে রেখে বুক ও মাথা ওপরের দিকে তুলে আবার আগের অবস্থানে ফিরতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, অনুশীলনের সময় যেন বল স্থির থাকে। ধনুকের মত বাঁকা হোন উপুর হয়ে শুয়ে নিন। এবার হাত দুটো শরীরের পাশেই রাখুন। এরপর পা ও হাত একই গতিতে উপরের দিকে তুলে হাত দিয়ে পায়ের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। পায়ের পাতা কিছুক্ষণ ধরে রেখে ছেড়ে দিন। আবার করুন। এভাবে এক বসায় কয়েকবার করা যেতে পারে। এ ব্যায়াম করার সময় খেয়াল করুন আপনি ধনুকের মত বাঁকা হতে পারছেন কি-না। তাহলে বুঝবেন আপনার ব্যায়ামের পদ্ধতি ঠিক আছে। একে//

কেমন হওয়া উচিত আপনার ভিজিটিং কার্ড?

আমরা প্রায় প্রত্যেকেই ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব ও ব্যবহার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। ভিজিটিং কার্ড কোনও নতুন সম্পর্কের সেতুবন্ধন ঘটাতে সাহায্য করে। কোনও অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে ভিজিটিং কার্ড। কারণ আপনার সংক্ষিপ্ত পরিচয় লিপিবদ্ধ রয়েছে এই ভিজিটিং কার্ডে। তাই অপরিচিত ব্যক্তির উপর প্রভাব ফেলতে হলে, নিজের সম্পর্কে যথাযথ ধারণা তৈরি করতে হলে প্রথমেই তার সামনে নিজেকে সঠিকভাবে মেলে ধরতে হবে। নিজেকে সংক্ষেপে যথাযথ প্রকাশের কাজটি কিন্তু মোটেই সহজ নয়। কারণ এমন সংক্ষিপ্ত কিন্তু আকর্ষণীয় করে কাজটি সম্পাদন করতে হবে যাতে তার উপর আপনার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়, স্বল্প স্থানে কীভাবে কাজটি সম্পাদন করবেন, তার হদিশ দিতে পারে বাস্তুশাস্ত্রই। আসুন জেনে নেওয়া যাক। ১) ভিজিটিং কার্ড তৈরির পূর্বেই কার্ডটির আকার, সাজসজ্জা, রঙের প্রয়োগ ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কারণ এগুলোর মাধ্যমেই সম্পর্ক সূত্র দৃঢ় হয়। ২) বাস্তু মতে ভিজিটিং কার্ডের প্রতিটি কোণ ৯০ ডিগ্রি হওয়া উচিত। বিষম কোণযুক্ত ভিজিটিং কার্ড যে কোনও সময়ে সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দিতে পারে। ৩) যে কোনও ধরনের টেলিফোন নম্বর বা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর লেখার জন্য বায়ুকোণ এবং উত্তর-মধ্য পর্যন্ত স্থানটি ব্যবহার করুন। ৪) কার্ডের ব্রহ্ম-স্থানে নিজের নাম লিখুন। যদি কার্ডের ব্রহ্ম-স্থানে নিজের নাম লেখার জায়গা না থাকে তাহলে পশ্চিম মধ্য থেকে নৈর্ঋত কোণ পর্যন্ত স্থানটিতে নিজের নাম লিখুন। বাস্তু মতে ও জ্যোতিষ বিচারের সাহায্যে ভিজিটিং কার্ড তৈরি করলে কার্ডের মাধ্যমে যে শুধুই সম্পর্কের বিস্তার হবে তাই নয়, সেই সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। আপনার জনসংযোগ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অধিকাংশেই সফল হবে। সূত্র: জিনিউজ একে//

বিরক্তি কমানোর চার উপায়

আমরা সবাই কখনও কখনও বিরক্ত হয়ে পড়ি। আর এর প্রভাব ভীষণভাবে পড়ে আমাদের মনের ওপর। আর এর ফলে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়, কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটে। কিন্তু বিরক্ত ভাব কমানোর কিছু কৌশল রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো- ঘুম জেনে রাখুন, বিরক্ত ভাব কমানোর একটি কার্যকর উপায় হচ্ছে ঘুম। খুব বিরক্ত লাগতে থাকলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিতে পারেন। দেখবেন এতে মেজাজ কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।  সূর্যের আলো সূর্যের আলোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘ডি’। আর ভিটামিন ‘ডি’র মধ্যে রয়েছে মেজাজ ভালো করার উপাদান। তবে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে সূর্যের আলোর সংস্পর্শে না যাওয়াই ভালো। কারণ এ সময় রোদে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি বেশি থাকে। যোগব্যায়াম দীর্ঘমেয়াদি চাপের ফলে কোনও কিছুর ওপর বিরক্ত লাগতে পারে। তাই চাপ কমাতে যোগব্যায়াম, গান শোনা, বই পড়া ইত্যাদি কাজ করতে পারেন।     হাঁটা-দৌড়ানো মানসিক চাপ কমাতে হাঁটা, দৌড়ানোর মতো বিষয়গুলো করতে পারেন। এমনকি নাচতেও পারেন। কারণ নাচলে মেজাজ ফুরফুরে হয়।  একে//

যে ৭ বদঅভ্যাসে চুল ঝরে পড়ে

চুল নারী-পুরুষের সৌন্দর্যের প্রতীক। এই চুলকে ধরে রাখার জন্য কত কি-না ব্যবহার করা হয়। কিন্তু অনেক সময় নিজের ভুল বদঅভ্যাসের কারণে চুল নষ্ট হয়ে যায় এবং দ্রুত চুল ঝরে পড়ে যায়। তাহলে জেনে নিন নিজেদের যে সব বদঅভ্যাসের কারণে চুল ঝড়ে পরে যাচ্ছে- চুল ধোয়ার আগে না আঁচড়ানো শ্যাম্পু করার আগে অনেকেই চুল আঁচড়ায় না। সারা দিনের ধুলো বালি চুলে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে চুলে লেগে থাকে জট। চুলে জট অবস্থায় শ্যাম্পু করার সময় চুলে আরও জট বেড়ে যায়। এতে চুল ঝরে পড়তে সময় লাগে না। তাই শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে নেওয়া উচিত। এতে চুলের জট খুলে যায় এবং সহজেই শ্যাম্পু করা যায়। ভেজা চুল আঁচড়ানো নিয়মিত করা ভূলগুলোর মধ্যে ভেজা চুল আঁচড়ানো অন্যতম। অনেকেই গোসলের পর ভেজা চুল আঁচড়িয়ে থাকেন। ভেজা অবস্থায় চুল নরম থাকে তাই চুল আঁচড়ালে চুল খুব সহজে চিরুনিতে উঠে আসে। যদি চুল আঁচড়ানোর খুব বেশি প্রয়োজন হয় তবে চুলের মাঝে আঙুল চালিয়ে নিতে পারেন। চুল শুকিয়ে আঁচড়ানোটাই শ্রেয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করা অনেকেই মনে করে থাকেন প্রতিদিন চুল শ্যাম্পু করা চুলের জন্য বেশ উপকারী। কিন্তু না এটি আপনার ভূল ধারণা। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলের গোড়ার প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায় আর এই কারণে আপনার চুল রুক্ষ হয়ে যায়। আর শ্যাম্পুর কেমিক্যাল চুলকে ভঙ্গুর করে ফেলে। এতে চুল ঝরে পড়ে যায়। হেয়ার ব্রাশ বা চিরুনি পরিষ্কার না করা চুলের সব ময়লা, ধুলা বালি চিরুনিতে লেগে যায়। এই ময়লা চিরুনি দিয়ে আবারও চুল আচড়ালে চুলের গোড়ায় সেই ময়লা লেগে যায়। তাই প্রতি সপ্তাহে চিরুনি পরিষ্কার করুন। আর কয়েক মাস পর পর চিরুনি পরিবর্তন করুন। চিরুনি পরিষ্কার করার জন্য ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। দীর্ঘক্ষণ টাওয়েল বা গামছা পেঁচিয়ে রাখা অনেকই গোসলের পর গামছা বা টাওয়েল দিয়ে অনেকক্ষণ চুল পেঁচিয়ে রাখে। এটি চুলের জন্য অনেক ক্ষতিকর। অনেকক্ষণ ভেজা টাওয়েল বা গামছা পেঁচিয়ে রাখার কারণে চুলের গোঁড়া দূর্বল হয়ে যায়। যার কারণে চুল ঝরে পড়ে। একই শ্যাম্পু ব্যবহার করা এই কাজটি বেশিরভাগই করে থাকে। একটি শ্যাম্পু যদি চুলে মানিয়ে যায় বার বার সেই একই শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এটি চুলের ক্ষতি করবে। তাই দুই মাস পর পর শ্যাম্পু পরিবর্তন করা উচিত। হেয়ার স্ট্রেইটনার ও হেয়ারড্রায়ার ব্যবহার চুলকে সাজাতে অনেকেই হেয়ার ড্রায়ার, ও স্ট্রেইটনার ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এগুলো ব্যবহার চুলের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এগুলোর অতিরিক্ত তাপমাত্রা খুব সহজেই চুলকে নিষ্প্রাণ করে ফেলে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়। কেএনইউ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি