ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৫৪:২২

বাবা-মাকে কখনও বলবেন না এই ৫টি কথা

বাবা-মাকে কখনও বলবেন না এই ৫টি কথা

খুব কম অভিভাবকই রয়েছেন যারা সন্তানের যথেষ্ট যত্ন নেন না। সন্তান প্রতিপালন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, সেটা সবাই জানেন-বোঝেন। কিন্তু সবার প্রতিপালনের ধরনটা এক রকম হয় না। কেউ হয়তো একটু বেশি বকাবকি করেন, কেউ কম। সন্তান বড় হলে, তার যখন নিজস্ব ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়, তখন সে একটু একটু করে বাবা-মায়ের কথার উপর কথা বলতে শুরু করে। এটা ঠিক কী ভুল, সেই বিচার এক কথায় সম্ভব নয়। সবটাই পরিস্থিতি এবং পাত্রপাত্রীর উপর নির্ভর করে। কিন্তু কিছু কথা এমন রয়েছে যা বাবা-মাকে কখনও না বলাই ভাল- ১. ‘আমি তোমাকে ঘৃণা করি’- সন্তান যত বড়ই হোক বা যত ছোটই হোক বয়সে। এই কথাটা যে কোনও অভিভাবকের কাছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ২. ‘তোমরা আমাকে জন্ম দিলে কেন’- সন্তানকে বকাবকি করার সময়ে বা তার কোনও বিষয়ে অসুবিধা প্রকাশ করলে অনেক সময়েই অভিভাবকদের এই কথা শুনতে হয়। বিশেষ করে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় এই অভিযোগ। কিন্তু এই কথাটাও সবচেয়ে বেশি আঘাত করে তাদের। ৩. ‘তুমি বোন বা ভাইকে বেশি ভালবাসো’- অভিভাবকের কাছে তার সব সন্তানই সমান। হয়তো স্নেহের বহিঃপ্রকাশটা এক একজনের ক্ষেত্রে এক এক রকম হয়ে থাকে। কিন্তু এটা কখনওই ভাবা উচিত নয় যে অন্য সন্তানকে তিনি বেশি ভালবাসেন এবং সেটা ভেবে তাকে কটু কথা বলা একেবারেই উচিত নয়। ৪. ‘তোমরা যদি আমার বাবা-মা না হতে তবে ভাল হত’- সম্ভবত প্রথম কথাটির চেয়েও এই কথাটি অনেক বেশি কষ্ট দেয় অভিভাবকদের। ৫. ‘তোমাকে এখন সময় দিতে পারব না’- বাবা-মায়েরা সন্তানকে বড় করে তোলার সময়ে অনেক আত্মত্যাগ করেন কিন্তু উলটোটা সব সময়ে দেখা যায় না। যদি সত্যিই বয়স্ক অভিভাবককে সময় দিতে না পারা যায় ব্যস্ততার কারণে, তাহলেও সেটা এভাবে বলা কখনওই কাজের কথা নয়।  সূত্র: এবেলা একে//
পোশাকের দাগ দূর করার ঘরোয়া ৩ উপায়

যে কোনও কাপড় থেকেই চা বা হলুদের দাগ তোলা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সাদা কাপড় হলে আরও বেশি করে এই সমস্যার সম্মুখীন হই আমরা। জামাকাপড়ের এমন নাছোড় দাগ তোলার জন্য অনেক সময়ই কেবল সাবান ও ডিটারজেন্টের উপর ভরসা করা যায় না। বরং আস্থা রাখতে হয় কিছু ঘরোয়া কৌশলের উপর। জামাকাপড়ে এমন দাগ লাগলে তা দেখতে যেমন খারাপ লাগে, তেমনই অনেক সময় এই দাগের জন্য পোশাকটি পরার উপযুক্ত থাকে না। জানেন কি, এমন সমস্যায় পড়লে দাগ তোলার জন্য কোন কোন উপায়ের শরণ নিতে হবে? দেখে নিন সে সব। লেবু-লবণ দাগ লাগা অংশে পাতিলেবুর রস মাখিয়ে রেখে দিন কিছুক্ষণ। এর পর তাতে লবণ মাখিয়ে ডিটারজেন্টে ধুয়ে নিন। সহজে দাগ উঠবে। পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে সেই পানি গরম করুন। গরম করার সময় আরও কয়েক কুচি লেবু ওতে যোগ করে নিন। এবার সেই পানি পোশাক কাচার পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এই পানিতে জামাকাপড় ধুলে জামায় লেগে থাকা নাছোড় দাগ উঠবে সহজে। ভিনিগার আধ কাপ পানিতে কিছুটা ভিনিগার যোগ করুন। এবার সেই মিশ্রণ দাগের জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। ভিনিগারের অ্যাসিডের দাগ শোষণ করার ক্ষমতা প্রবল। এর পর সাধারণ ডিটারজেন্টে ধুয়ে নিন পোশাক। বেকিং সোডা তিন টেবিল চামচ বেকিং সোডা পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সেই ঘন মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন দাগ লাগা অঞ্চলে। ঘণ্টাখানেক রাখার পর সেই পোশাক ভাল করে কেচে নিন। ভদকা দাগ লাগা অঞ্চলে ভদকা ঘষলে দাগ ওঠে সহজে। এক চামচ ভদকা দাগ লাগা অঞ্চলে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। তার পর পোশাকটি ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শক্ত মাংস সুসিদ্ধ করার সহজ উপায়

ছুটির দুপুর হোক বা কর্মব্যস্ততার দিনের রসনাতৃপ্তি, ঘরোয়া মাংসের ঝোলেই মাংসাশী বাঙালি খুঁজে পায় তার পাতের আরাম। তবে মাংসের স্বাদ কেবল রান্নার উপরেই নয়, নির্ভর করে তা কেনার উপরেও। শক্ত মাংস খাওয়া যেমন শরীরের জন্য ভাল নয়, তেমনই তা খাওয়াও কষ্টকর। বরং সুসিদ্ধ, নরম মাংসই খাওয়ার জন্য উপযোগী। অনেকেই মাংস সুসিদ্ধ করার জন্য তাকে প্রেসার কুকারে রান্না করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও মাংস সেদ্ধ হয় না এমনও দেখা যায়। মাংস যতই শক্ত হোক, তাকে নরম করার কিছু ঘরোয়া কৌশল জানলে তা সেদ্ধ করা অনেক সহজ হয়। জানেন কি এমন সব উপায়? ১. মাংস কীভাবে কাটা হচ্ছে, তার উপরও নির্ভর করে তা শক্ত হয়ে ছিবড়ে হয়ে যাবে কি না। মাংস কাটানোর সময় ফাইবার যে দিকে রয়েছে সে দিকের মাংসই বেশি করে নিন এবং ফাইবারের দিক করেই মাংস কাটান। ২. মশলার সঙ্গে মাংস কতক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখছেন তার উপর মাংসের স্বাদ নির্ভর করে, সেদ্ধ হওয়ার অঙ্ক নয়। তাই সেই মিথ ভুলে যান। বরং মটন ম্যারিনেশনের সময় বা কষানোর সময় টক দই ও পেঁপেবাটা যোগ করুন এতে। চিকেন তুলনামূলকভাবে নরম। তাই এর সঙ্গে পেঁপেবাটা যোগ না করলেও চলে। তবে মাংস ধোয়ার সময় ছিবড়ে বা শক্ত বলে মনে হলে, চিকেনে পেঁপের পরিবর্তে লেবুর রস বা ভিনিগার যোগ করুন। ​৩. মাংস রান্নার সময় ঢিমে আঁচে একটু সময় নিয়ে কষান। শক্ত মাংস যত কষাবেন, তত নরম হবে। তাই হাতে সময় নিয়ে মাংস রান্না করলে মাংস নরম হয়। ৪. মাংস কিনে এনে শুধু লবণ মাখিয়ে তাকে ম্যারিনেট করে রাখুন। লবণের প্রভাবে মাংসের শক্ত ভাব অনেকটা দূর হয়। ভাল করে মাংস ধুয়ে লবণ মাখিয়ে আধ ঘণ্টা রাখার পর তা ম্যারিনেট করুন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শীতকালে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখুন ৫ উপায়ে

শীতকালে রাস্তাঘাটে প্রচুর পরিমাণ ময়লা ও ধূলা-বালি থাকে। এ সময় নিজেকে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন না রাখলে একাধিক চর্ম রোগ হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা এ সময় পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য কিছু নিয়ম জানিয়ে দিয়েছেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক নিম্নের এই নিয়মগুলো সম্পর্কে: পায়ের যত্ন নিন শীতকালে নিয়মিত স্নান না করলেও সাবান দিয়ে পা ধুতে ভুলবেন না। কারণ, যে ধরনের জুতোই পরুন না কেন, পায়ে প্রচুর জীবাণু বা ব্যাক্টেরিয়া থেকে যায়। তাই পায়ের তলা, আঙ্গুলের খাঁজগুলি ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এর পাশাপাশি জুতো পরার সময় সম্ভব হলে পায়ে ও জুতার ভেতরে সামান্য পাউডার বা পারফিউম ছিটিয়ে দিন। চুলের যত্ন নিন অনেকেরই চুল দু-একদিন না ধুলেই আঠালো চিটচিটে হয়ে যায়। ফলে চুলে দুর্গন্ধও হয়। শীতকালে প্রতিদিন চুল না ভেজালেও ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। ড্রাই শ্যাম্পু স্প্রে করার পর ভাল করে মাথা আঁচড়ে নিন। সম্ভব হলে প্রতিদিন অন্তত ৫-৬ বার চুলে ব্রাশ করুন। ঘুমানোর আগে পারফিউম হয়তো কাজের চাপে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়ে গেছে।রাতে স্নান না করে যে সকালে স্নান করবেন, তারও উপায় নেই! সে ক্ষেত্রে কী করবেন! এ ক্ষেত্রে ঘুমানোর আগেই গায়ে বডি স্প্রে বা পারফিউম মেখে নিতে পারেন। তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে পারফিউম দেওয়া উচিত। ঢিলেঢালা পোশাক পরুন শীতকালে কখনওই আঁটসাঁট পোশাক পরা উচিত নয়। আঁটসাঁট পোশাক পরলে শরীরে ঘাম বা দুর্গন্ধ হয় বেশি। তাই শীতকালে ঢিলেঢালা পোশাক। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

চাপের মধ্যে হৃদযন্ত্র ভালো রাখার ১০ উপায়

এখন মানসিক চাপ বা এক কথায় যাকে বলে স্ট্রেস আমাদের নত্য সঙ্গী। পারিবারিক সমস্যা হোক কিংবা অর্থনৈতিক চাপ, বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতি হোক কিংবা কাজের চাপ- একটা না থাকলে অন্যটা সঙ্গী হয়েই দাঁড়ায়। আর সেই কারণেই স্ট্রেস এখন সমাজবিজ্ঞানী থেকে চিকিৎসক, সবার কাছেই অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়। আর স্ট্রেসের প্রভাবে সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হার্ট বা হৃদযন্ত্র। তাই যদি আপনি স্ট্রেসে আক্রান্ত হন, অবিলম্বে কয়েকটি পদক্ষেপ করুন হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য। মেডিটেশন ঘুম থেকে উঠেই হলে ভালো, না হলে দিনের অন্য সময়ও কে নিতে পারেন মেডিটেশন বা প্রাণায়ম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এই প্রাণায়মের কারণে। তাই হৃদযন্ত্রেও চাপ কম পড়ে। স্ট্রেস থেকে শরীর বাঁচাতে এটা হোক প্রথম পদক্ষেপ। একসারসাইজ একটু ফ্রিহ্যান্ড, বা একটু স্ট্রেচ শরীরের জন্য খুব ভালো। এতে যে পেশির নমনীয়তা বাড়ে, তাই নয়, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে, হৃদযন্ত্রেও চাপ কম পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে একসারসাইজ শুরু করা উচিত। কারণ সবার শরীরে সব ধরনের একসারসাইজ সঠিকভাবে কাজ করে না। হাসি থাকুক দিনের একটা সময় বরাদ্দ রাখুন এমন কোনও বই বা সিনেমার জন্য, যা আপনাকে নির্মল আনন্দ দেবে। তারচেয়েও ভালো হয় যদি এমন কোনও সঙ্গীর সঙ্গে দিনের একটা সময় কাটাতে পারেন, যার সঙ্গ আপনাকে খুশি রাখে, তাহলেও আপনার স্ট্রেস কমবে। কারণ হাসি শরীরের জন্য খুব উপকারি। কান্নাও থাকুক স্ট্রেসে আক্রান্ত হলে নিজেকে বাকি সব কিছু থেকে সরিয়ে নিয়ে একা কাঁদতে পারেন। কান্নায় স্ট্রেস অনেকটাই বেরিয়ে যায় মন থেকে। দ্রুত মন সাফ করার সহজ সমাধান এটি। চিকিৎসকরা অনেক সময়ই বাচ্চাদের জোর করে কাঁদাতে বলেন। কারণ কাঁদলে হৃদযন্ত্রের শক্তি বাড়ে। বড়দের ক্ষেত্রেও কথাটা মিথ্যে না। পোষ্যর সঙ্গ স্ট্রেস কমানোর ক্ষেত্রে পোষ্যর বড় ভূমিকা রয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, যাদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে, তাদের হৃদরোগের আশঙ্কা অন্যদের থেকে অনেকটাই কম হয়। শুধু কুকুর বা বিড়াল নয়, বাড়িতে অ্যাকোয়ারিয়াম থাকলেও, তার সামনে সময় কাটান। মন ভালো হবে। শারীরিক সম্পর্ক পরিসংখ্যান বলছে, যে সব পুরুষরা সপ্তাহে দু’দিন যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন, তাদের হৃদযন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। নারীদের ক্ষেত্রেও কথাটা সত্যি। তবে সংখ্যার হিসাবে বিষয়টা তাদের ক্ষেত্রে কত, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে নারীদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন হরমোন হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে, তা প্রমাণিত। পর্যাপ্ত ঘুম প্রতিদিন নিয়ম করে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতেই হবে। তারচেয়ে বেশি ঘুম যেমন ভালো নয়, তেমনই তার চেয়ে কম ঘুমও স্ট্রেস বাড়িয়ে দেবে। যারা স্ট্রেসে বেশি পরিমাণ আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে ঘুমের সময় নিয়ে কোনও কার্পণ্য করা যাবে না। হাঁটায় জোর প্রতিদিন কিছুটা সময়- অন্তত ১৫ মিনিট- বরাদ্দ রাখুন হাঁটার জন্য। তবে মনে রাখবেন, এই হাঁটাটা যেন দিনের আলোতে হয়। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর শরীরের মেটাবলিক রেট কমে যায়। তখন হাঁটলে হৃদযন্ত্রের লাভ অতটাও হয় না, যতটা রোদে হাঁটলে হয়। দলগত সময় কোনও না কোনও দলে নিজেকে জুড়ে নিন। হতে পারে সেটা কোনও ফিল্মওয়াচার ক্লাব, বা হাইকিং টিম। আগেকার দিনে অনেকেই ডাকটিকিট ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট সময় কাটাতেন। এখন তার পরিমাণ কমেছে। কিন্তু এই ধরনের হবি সংক্রান্ত কোনও একটা দলের সঙ্গে যুক্ত হলে স্ট্রেস কমে। ভালো সময় কাটানোর সম্ভাবনা বাড়ে। লিখে রাখুন স্ট্রেসের কারণ যেটা, সেটা লিখে ফেলুন। মনোবিদরা বলেন, স্ট্রেস নিয়ে লেখার সময় যেহেতু আপনাকে যুক্তিসঙ্গত ব্যাখা দিতে হয়, তাই স্ট্রেসের কারণটা আরও বেশি পরিষ্কার হয়ে যায় আপনার কাছে। তাই তাদের মত, যেটা নিয়ে মানসিক চাপ হচ্ছে, সেটা লিখে রাখুন। তাতেই চাপের অর্ধেকটা কমে যাবে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ঘরেই বানিয়ে নিন মাকড়সা তাড়ানোর স্প্রে

বাড়িতে মাকড়সার উৎপাত কি খুব বেড়ে গেছে? ঘরের আনাচে কানাছে বার বার ঝুল জমছে! ভাবছেন, এই মাকড়সার উৎপাত থেকে কী করে নিস্তার পাওয়া যায়! উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক। ঘরের আনাচে কানাচে বিভিন্ন ধরণের পোকামাকড়ের পাশাপাশি মাকড়সাও ঘাপটি মেরে থাকে। এমন একটি উপায় আছে, যার প্রভাবে মাকড়সা আপনার ঘরের ধারে কাছেও ঘেঁষবে না। আর এর খরচও সমান্যই। বাজারে উপলব্ধ যে কোনও পোকা-মাকড় মারার স্প্রের তুলনায় অনেক কম! এবার মাকড়সা তাড়ানোর স্প্রে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বানাবেন, তা জেনে নেওয়া যাক। উপকরণ ও পদ্ধতি প্রথমে ১ কাপ সাদা ভিনেগার আর ১ কাপ পানি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার সেই মিশ্রণ ঘরের আনাচে কানাচে স্প্রে করুন। বিশেষ করে ঘরের সেই সব কোনায় স্প্রে করুন যেখানে মাকড়সার উত্পাত বেশি। ভিনেগারের মধ্যে রয়েছে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, যার গন্ধ পেলেই মাকড়সা ওই এলাকা ছেড়ে পালাবে। তাহলে বাজার চলতি নানা রকম কীট-পতঙ্গনাশক স্প্রে দাম দিয়ে না কিনে ব্যবহার করে দেখুন ঘরোয়া এই মিশ্রণ। হাতেনাতে ফল পাবেন। সূত্র: জি নিউজ একে//

ব্রণ দূর করার ঘরোয়া ৬ উপায়

মুখে গোটা বেরনো বা ব্রণ হওয়াটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। কিন্তু যখন এই সমস্যা হয়, তখন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। বয়ঃসন্ধির সময় তো বটেই নানা বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। লোমকূপের তলায় তৈলনিঃসরণ গ্রন্থি এবং মৃত কোষের জুগলবন্দিতে এই সমস্যা হয়। ব্রণ বেরলে অনেকেই দৌড়ান চিকিৎসকের কাছে। আবার অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু বাড়িতে হাতের কাছেই রয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজে সমাধান করা যায় এই সমস্যার। শসা কেবল খাদ্যগুণই নয়, শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসাকে অন্যভাবে ব্যবহার করতে পারেন। শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন। টুথপেস্ট ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ায়র ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বেরয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন। তবে বেশি নয়, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ব্রণের জায়গায়। সমস্যা না হলে পরিমাণ বাড়ান। গ্রিন টি গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্য়াগ থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন। অ্যাসপিরিন খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন। রসুন রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে এটা করলে পরদিন সকালে ত্বকের উন্নতি টের পাবেন। লেবুর রস তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

সঞ্চয়ের সহজ ৬ উপায়

অনেকভাবেই আমরা টাকা জমানোর চেষ্টা করি। কিন্তু তারপরও মাসের শেষের দিকে গিয়ে মনে হয়, মাসটা যদি একটু তাড়াতাড়ি শেষ হতো! কিন্তু এমনটা হবে না যদি মেনে চলা যায় ৬টি সহজ উপায়। জেনে নিন সংক্ষেপে- ১। কোন খাতে কতও টাকা ব্যয় করতে চান বা প্রয়োজন- আগে সেটা ভেবে নিন। টাকা জমাতে হবে ভাবলেই যে তা করা যায়, তা নয়। মাসের শেষে ঠিক কতো টাকা জমালে নিজের উপর চাপ পড়বে না, আগে সেটা দেখে নিন। তার পরে অল্প অল্প করে জমানোর সেই অঙ্কটা বাড়িয়ে ফেলুন। ২। মাসে কত খরচ হয়, তা অবশ্যই হিসাব করুন- মাসের যে খরচগুলো না করলেই নয় তার একটা হিসাব করুন। তা বাদ দিয়ে অনর্থক যে খরচ হয়, চেষ্টা করুন তা কমিয়ে ফেলতে। ৩। খরচ করার পরে যা বাঁচবে তা থেকে সঞ্চয় করে অনেকে। তা না করে, আগে সঞ্চয় করুন। ৪। বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে গিয়ে আনন্দ করতে সব সময়েই ভাল লাগে। কিন্তু এই আনন্দটাই যদি ঘরে বসে করেন, অনেকটাই সাশ্রয় হবে। ৫। ব্যাঙ্কে টাকা রাখা মানেই যে তা সঠিক সঞ্চয়ের উপায় তা সব সময় নয়। তার থেকে ভেবেচিন্তে অন্য জায়গাতেও ইনভেস্ট করতে পারেন, যার ফলে পরবর্তী সময়ে লাভবান হবেন আপনি। ৬। এখন অনলাইনেই কেনাকাটি করতে পছন্দ করেন সবাই। প্রয়োজনীয় জিনিস বাদে অন্য কিছু কেনার হলে তা সঙ্গে সঙ্গে অর্ডার না করে ‘শপিং কার্ট’-এ রেখে দিন। ৭২ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরে আপনি হয়তো ভুলেই যাবেন সেই বস্তুটি কেনার কথা। সূত্র: এবেলা একে//

দীর্ঘদিন ডিম সংরক্ষণের পদ্ধতি

নানা পদে ডিমের উপর ভরসা রাখেন বেশির ভাগ মানুষ। আট থেকে আশি- ডিম প্রায় প্রতি দিনই সব বাড়িতে কম-বেশি আনা হয়। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে এর প্রয়োজন আরও বেড়ে যায়। তাই প্রায় রোজ দোকানে ছুটতে হয়। তবে আপনি চাইলে ডিম বাড়িতেই সংরক্ষণ করতে পারবেন প্রায় এক বছর পর্যন্ত! বিশ্বাস হচ্ছে না! জেনে নিন পদ্ধতি- ১. দোকান থেকে কিনে আনার পর যে ডিমগুলো সংরক্ষণ করতে চান সেগুলো আলাদা করে নিন। ২. এবার পরিষ্কার একটি পাত্রে ডিমগুলো ফাটিয়ে নিন। ফাটানো ডিমগুলোতে সামান্য একটু লাবণ মিশিয়ে ডিমগুলো ফেটিয়ে নিতে হবে। তবে খুব বেশি ফেটানোর প্রয়োজন নেই। ৩. এবার এই ডিমের গোলাকে ছোট ছোট পাত্রে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। বরফ জমানোর ট্রের মধ্যে আইস কিউবের মতো করেও সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে ডিম দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যেতে পারে। ভাবছেন স্বাদ এবং পুষ্টিগুণে হেরফের হবে না তো? নিশ্চিন্তে থাকুন। তবে ডিম এভাবে সংরক্ষণের আগে খেয়াল রাখতে হবে ফ্রিজ যেন পরিষ্কার থাকে। সূত্র: জি নিউজ একে//

চুল বাড়াতে চাইলে মেনে চলুন ৫টি বিষয়

চেহারায় সৌন্দর্য যোগ করে চুল। তা কেবল সুন্দরই করে না, চেহারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যক্তিত্বও তৈরি করে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষ তাই চুলের যত্ন নিতে চান সবাই। কেবল চুল ঝরা বা শুষ্ক চুল রুখে দেওয়ার উপায় জানাই শেষ কথা নয়, সুন্দর চুল পেতে হলে জানতে হয় সহজে চুল বাড়ানোর পদ্ধতিও। অনেকেরই অভিযোগ থাকে, ঠিক মতো চুল বাড়ছে না। রাপুনজেলের মতো একঢাল লম্বা চুল যে হতেই হবে, তা নয়, অনেকেই ছোট চুল পছন্দ করেন। কিন্তু চুলের আকার যেমনই হোক, স্বাভাবিক হারে তার বৃদ্ধিও প্রয়োজন। চুল একটা সময়ের পর আর না বাড়লে তা চুলের অস্বাস্থ্যকেই ইঙ্গিত করে। তাই ছোট চুল হোক বা বড়, চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলা খুব জরুরি। বিশেষ করে যারা একঢাল লম্বা চুল পছন্দ করেন, তাদের জন্যও এই সব কৌশল অত্যন্ত কার্যকর। তেল বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল অনেকেই চুলে তেল দেন না, প্রায় রোজই শ্যাম্পু করেন। কন্ডিশনারসহ শ্যাম্পু চুলের জন্য উপকারী। কিন্তু শ্যাম্পুর সঙ্গে তেলেও মন দিতে হবে বইকি! সপ্তাহে দু’দিন নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে গরম করে মাথার ত্বকে মাসাজ করুন। বালিশে যাতে তেল না লাগে, সেভাবে মাথায় কাপড় বা নরম তোয়ালে জড়িয়ে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। এতে চুলের গোড়া শক্ত হবে ও চুল সহজে ভাঙবে না। তেল থেকে যেটুকু খাবার চুল পায়, তাও মিলবে। রাসায়নিক নয় চুলের বৃদ্ধি বজায় রাখতে হলে শ্যাম্পুর দিকে নজর দিন। সিলিকন, সালফাইটমুক্ত কম ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু চুলের জন্য ভাল। অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু স্টাইল ও ফ্যাশনে সাহায্য করলেও তা আদতে চুলের গোড়ার ক্ষতি করে ও বৃদ্ধি আটকায়। চুল খুব বেশি ঘষাও ভাল নয়। শ্যাম্পুর সময় প্রয়োজনের বেশি চুল ঘষবেন না ও কখনওই গরম পানি দেবেন না চুলে। কন্ডিশনার কন্ডিশনারের ক্ষেত্রেও বাছাইয়ের বিষয়ে খুব সাবধান হতে হবে। রাসায়নিকমুক্ত ও প্রাকৃতিক তেল যেমন বাবাসু, নারকেলযুক্ত তেল, মধু ইত্যাদি সমৃদ্ধ কন্ডিশনার বাছুন। বালিশ চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় এ সবেও নজর দিতে হবে। চুল নিজেই প্রাকৃতিক উপায়ে তেল তৈরি করে তার গোড়াকে ভাল রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু একটানা সুতি, পলিয়েস্টার বা রেয়নের ওয়াড়ে শুলে চুলের তেল শুষে নেয় তারা। তাই চেষ্টা করুন সিল্কের ওয়াড় ব্যবহার করতে। ঘুমনোর সময় চুল বেঁধে নিন। এটা বালিশের সঙ্গে ঘষা খাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। না বলুন চুলের বাড়বাড়ন্ত স্বাভাবিক রাখতে গেলে কিছু বিষয় এড়াতেই হবে। খুব বেশি হিট নেওয়া চলবে না। এমন কিছু স্টাইলে চুল কাটা, যেখানে প্রচুর কুচো চুল বাদ পড়ে (মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ, ক্রিয়েটিভ কাট ইত্যাদি) এড়াতে হবে তা-ও। এতে চুলের গোছা পাতলা হয় ও সামঞ্জস্য আসা খুবই সময়সাপেক্ষ বিষয় হয়ে ওঠে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

গলা জ্বালা বা চোঁয়া ঢেকুর ওঠা আয়ত্তে আনার উপায়

সামান্য মশলাজাতীয় খাবার খেলেই গলা জ্বালা, চোঁয়া ঢেকুর, আর তার পরেই মুঠো মুঠো গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খাওয়া। খাদ্যাভ্যাসে কোনও সমস্যা এলেই তাকে এভাবে ঠেকিয়ে রাখতে চান অনেকেই। কিন্তু যখন-তখন ঘন ঘন গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ভাল নয় বলে মত চিকিৎসকদের। সব সময় খুব নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করা যায় না যেমন, তেমনই কোনও দিন ভারী খাওয়াদাওয়া হলেই গ্যাস-অম্বলের শিকার হতে হবে, এটাও কোনও কাজের কথা নয়। বরং শরীরের নানা উৎসেচকেরই ক্ষমতা আছে সেই অনিয়মের সঙ্গে লড়ার। কিন্তু ঘন ঘন গ্যাস-অম্বলের ওষুধ খেতে খেতে আমরা শারীরিক সেই ক্ষমতাকে ভোঁতা করে দিয়ে ওষুধনির্ভর হয়ে পড়ি। তার চেয়ে রোজের রুটিনে কিছু অদলবদল ঘটিয়েই কব্জায় রাখতে পারেন এই গলাজ্বালা, চোঁয়া ঢেকুরের মতো অসুখ। দেখে নিন সে সব উপায়। ১. গলা জ্বালা বা চোঁয়া ঢেকুরের উপদ্রব ঠেকাতে খাবার থেকে আজই বাদ দিন চিনি। পারলে গুড় বা গুড়ের বাতাসা দিন তার পরিবর্তে। নারকেলের চিনি ব্যবহার করতে পারলেও ভাল। ২. যতটা লবণ এখন খান, তার চেয়ে ২ গ্রাম মতো কমিয়ে দিন রোজের খাবার থেকে। কেবল তেল-মশলাই নয়, অতিরিক্ত লবণ গ্যাস-অম্বলের জন্য দায়ী। ৩. অসময়ে চা-কফি অনেক ক্ষেত্রে অম্বল ডেকে আনে। বিশেষ করে বয়স বাড়লে যখন-তখন চা-কফি খাবেন না। অনেক সময় দুধ-চা থেকে অনেকের সমস্যা আসে। তেমন হলে লিকার চা খাওয়া অভ্যাস করুন। ৪. খিদে পেলে অনেকটা খেয়ে ফেলা আমাদের স্বভাব। খিদে পেলে বা নিমন্ত্রণ বাড়িতে খেতে বসার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে পেটে অনেকটা জায়গা কমে যায়, ফলে অনেক খাবার খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমে। ৫. ভাল করে চিবিয়ে খাবার খান। তাড়াহুড়োয় ভাল করে না চিবনোর ফলে ভাল করে হজম হয় না খাবার। এতে অম্বলের প্রবণতা বাড়ে। ৬. কোনও ধরনের খাবারে অ্যালার্জি থাকলে তা এড়িয়ে চলুন। বেশি রাতে দুধ বা ফল খাবেন না। ৭. শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি খান। ৮. প্যাকেটজাত ফলের রস, ঠাণ্ডা পানীয়, সোডা ইত্যাদি এড়িয়ে কাঁচা ফল, ডাবের পানি ইত্যাদি যোগ করুন ডায়েটে। ৯. সকালে উঠে খালি পেটে গ্যাসের ওষুধ না খেয়ে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। এতে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে শরীর সুস্থ থাকবে। খাওয়াদাওয়ার আধ ঘণ্টা বাদে বাদেও এই পানি খেতে পারেন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চুলের নানা সমস্যা দূর করার ঘরোয়া সহজ উপায়

এই শীতে চুলের শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব কমাতে মাসে একটা হেয়ার স্পা কিংবা হেয়ার ট্রিটমেন্টের দ্বারস্থ হন অনেকেই। আপনি কি সেই সময়টুকুও পাচ্ছেন না? ক্রমে শুষ্ক ও পাতলা হয়ে যাচ্ছে চুল? তাহলে আপনি ভরসা করতেই পারেন বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ের, যা মোটেও সময়সাপেক্ষ নয় এবং নিয়ম করে ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় অব্যর্থ হয়ে ওঠে। তবে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় ও কৌশল রয়েছে, যা মেনে চললে চুল ঝরে যাওয়া বা পাতলা হওয়া থেকে রেহাই মিলবে দ্রুত। সহজলভ্য উপাদান ও নামমাত্র খরচে চুলের এই সব যত্ন নিয়ে এই শীতেও চুলকে রাখুন জেল্লাদার ও সুস্থ। ১. একেবারেই কোনও পরিচর্যার সময় না পেলে সপ্তাহে তিন দিন রাতে গরম তেল মালিশ করার মতো মিনিট দশেক সময় হাতে রাখুন। নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে গরম করে চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকে ভাল করে আঙুল দিয়ে মালিশ করে মাথা ঢেকে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন। ২. কখনও ভুলেও চুলে গরম পানি দেবেন না। শীতে সারা শরীরে গরম পানি দিয়ে গোসল করলেও চুলে পানি দিলে তা অবশ্যই ঠাণ্ডা পানি দিন। গরম পানি চুলের গোড়া আলগা করে চুল ঝরিয়ে দেয়। মেলানিনের ক্ষতি করে চুলের কালো রং নষ্ট করে দেয়। ৩. চুল শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে? ছুটির দিনে গোসল করতে যাওয়ার আগে ডিম ফেটিয়ে তাতে দই মিশিয়ে নিন। গোসলে যাওয়ার আগে এই প্যাক চুলে লাগিয়ে রেখে দিন মিনিট পনেরো। তার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল। তবে এই প্যাক মেখে শুতে যাবেন না। প্যাক শুকিয়ে যাওয়া অবস্থায় খুব বেশিক্ষণ চুলে না রেখে দেওয়াই ভাল।​ ৪. শ্যাম্পু বাছুন আপনার চুলের স্বাস্থ্য ও প্রকৃতি অনুযায়ী। প্রতি বার শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। ৫. প্লাস্টিকের দাঁড়াওলা চিরুনি ব্যবহার করেন? এতে মাথার ত্বকের ক্ষতি হয়। চুলের গোড়া ফাটার জন্য এটিও অন্যতম কারণ। ভাল হয় যদি কাঠের দাঁড়ার চিরুনি ব্যবহার করতে পারেন। ৬. আমন্ড তেল চুলের জন্য খুবই উপকারী। আমন্ড তেল গরম করে তা দিয়ে পাঁচ মিনিট মাসাজ করে মিনিট পনেরো রেখে ধুয়ে ফেলুন চুল। সপ্তাহে দু’দিন করলেও অনেকটাই উপকার পাবেন। ৭. পাতে রাখুন সবুজ শাক-সবজি, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ও ফল। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চুল থেকে চুইংগাম ছাড়ানোর সহজ উপায়

ছোটদের বা বড়দের চুলে চুইংগাম লাগতেই পারে! কিন্তু চুলে চুইংগাম একবার লেগে গেলে তা ওঠানো রীতি মতো সমস্যার। চুইংগাম এঁটে থাকা চুল হয়তো শেষ পর্যন্ত কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না! এর পর অসমান দৈর্ঘ্যের সেই চুল নিয়ে বিব্রত থাকতে হয় বেশ কিছু দিন। কিন্তু এই সহজ পদ্ধতি জানা থাকলে এত ঝক্কি আর পোহাতে হবে না আপনাকে। খুব সহজেই চুল থেকে চুইংগাম ছাড়াতে পারবেন। আর তার জন্য প্রয়োজন একটু লবণ আর কয়েক টুকরা বরফ। চুলে চুইংগাম আটকে গেলে জোর করে চুল থেকে তা ছাড়াতে যাবেন না। তাতে সেটা আরও বেশি করে চুলে আটকে যাবে। চুলকে আগে একটু লবণ পানিতে ভিজিয়ে নিন। লবণ পানি দিলে কি হবে জানেন? সেই ভেজা চুলের তাপমাত্রা কমে আসবে। এর পর চুলে আটকে থাকা চুইংগামের ওপরে বরফের টুকরা ঘষতে থাকুন। লবণ পানির প্রভাবে বরফ গলতে সময় লাগবে। ফলে বরফ ভালভাবে কাজ করবে। আর বরফের প্রভাবে ঠাণ্ডা হয়ে শক্ত হয়ে আসবে চুইংগামের টুকরাটি। ফলে এটি সহজেই চুল থেকে আলাদা হয়ে যাবে, ফলে আর চুল কেটে চুইংগাম আলাদা করতে হবে না! এ ছাড়াও চুলের চুইংগাম আটকে থাকা অংশটি বাজারে উপলব্ধ যে কোনও বেশি ঝাঁজ-যুক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস দিয়ে ভেজালে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি চুল থেকে আলাদা হয়ে যাবে। সূত্র: জি নিউজ একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি