ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ৮:৩৯:০৬

মহাকাশে ১০ কোটিরও বেশি আবর্জনা রয়েছে

মহাকাশে ১০ কোটিরও বেশি আবর্জনা রয়েছে

মহাকাশে নানাধরনের ১০ কোটিরও বেশি আবর্জনা রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে এই আবর্জনার মধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে পুরনো স্যাটেলাইটের ফেলে দেওয়া যন্ত্রপাতি, রকেট বা স্যাটেলাইটের ছুটে যাওয়া বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ। পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এসব বিপুল পরিমাণ আবর্জনা সরানোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছে জাপান। অটোম্যাটিক কার্গো মহাকাশযানটির নাম দেওয়া হয়েছে সারস পাখি বা জাপানি ভাষায় কোনোতোরি। অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের তার দিয়ে তৈরি প্রায় ৭০০ মিটার লম্বা একটি দড়ির সাহায্যে মহাকাশে থাকা আবর্জনার গতি স্তিমিত করে সেটিকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। মাছ ধরার জাল তৈরি এমন একটি সংস্থা এই যন্ত্রটি বানাতে সাহায্য করেছে। এসব বস্তুর অনেকগুলোই পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ২৮ হাজার কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত উচ্চগতিতে চলছে এবং যে কোনও সময় কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে এগুলোর সংঘর্ষের মাধ্যমে বিশ্বের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত উৎক্ষেপিত প্রথম স্যাটেলাইট, স্পুৎনিক মহাকাশে পাঠানোর পর থেকে গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এসব আবর্জনা মহাকাশে জমা হয়েছে। স্যাটেলাইটের মধ্যে সংঘর্ষ এবং স্যাটেলাইট ধ্বংসকারী অস্ত্রের পরীক্ষার ফলে এই অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, পিচ্ছিল এবং ইলেক্ট্রো ডায়নামিক দড়িটি কোনও বস্তুকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো শক্তি উৎপাদন করবে। এসব আবর্জনাকে সেটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের দিকে ঠেলে দেবে এবং যার ফলে বস্তুটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//
যে কারণে আকাশে আস্ত চাঁদ পাঠাচ্ছে চীন

রাস্তায় জ্বলবে না স্ট্রিট ল্যাম্প। ফলে ইলেকট্রিকও পুড়বে অনেক কম। সেই উদ্দেশে একেবারে অসাধ্য সাধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। আকাশে একটা আস্ত চাঁদ বসিয়ে দেবে তারা। আর তা থেকেই আলো হবে রাস্তাঘাট। দেশটির একটি শহরে উৎক্ষেপণ করা ওই চাঁদ আকাশ থেকে চারপাশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা আলোকিত করবে। ২০২০ সালে সেই চাঁদটি শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংগদু শহরে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। ওই অঞ্চলের ওপরে নিক্ষেপ করা এই উপগ্রহটি সত্যিকারের চাঁদের চেয়ে আটগুণ বেশি আলো দেবে। উপগ্রহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রকল্পের কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সের একজন শিল্পীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তারা। ওই শিল্পী আকাশ থেকে পৃথিবীতে আয়নার একটি নেকলেস ঝুলিয়ে দেওয়ার কথা প্রথম কল্পনা করেছিলেন। চেংগদু অ্যারোস্পেস সায়েন্সে টেকনোলোজি মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক্স সিস্টেম রিসার্স ইন্সটিটিউট কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান উ চুংফেন্ড ১০ অক্টোবর কৃত্রিম চাঁদ নামের এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। এমন চাঁদের ব্যাপারে উ চুংফেন্ডকে সংশয়ের কথা জানালে তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে এটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আর বর্তমানে আমরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে ২০২০ সালের মধ্যে আমরা এটিকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পারবো। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ফেসবুকের পদ থেকে জাকারবার্গকে সড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব

একের পর এক অভিযোগের তীর আসছে ফেইসবুকের বিরুদ্ধে। এর সূত্র ধরে ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মার্ক জাকারবার্গ পরেছেন চরম বিপাকে। এমনকি ফেসবুকে তার পদ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ তাকে এ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ারও প্রস্তাব করেছে। সম্প্রতি ফেসবুকের চারটি বড় পাবলিক ফান্ড জাকারবার্গের সড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। কিন্তু আলোচনা করলেও ফেসবুকের বেশির ভাগ শেয়ার জাকারবার্গের অধীনে থাকায় তা খুব একটা সম্ভব নয়। তবে এর মাধ্যমে কোনো লাভ না হলেও ফেসবুকের সমস্যা সমাধানে আগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী বছরের মে মাসে ফেসবুকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই ওই সভাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির বড় শেয়ারহোল্ডাররা এই দাবী উত্থাপন করছে। এরই মধ্যে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মার্কিন নির্বাচনের ভোটারদের তথ্য বেহাত হওয়ার অভিযোগ,  দুই কোটি ৯০ লাখ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার মতো বড় বড় অভিযোগ উঠেছে। সূত্র : দ্যা ইন্ডিপেনডেন্ট এমএইচ/  

সঠিক ঘুমে সাহায্য করবে এই অ্যাপ: গবেষণা

স্মার্টওয়াচের জন্য বিশেষভাবে বানানো হয়েছে অ্যাপ, স্লিপগার্ড (SleepGuard)৷ সঠিক ঘুমের জন্য টিপস দেবে অ্যাপটি।  ইউকে ও নর্থইস্টের গবেষকদের দৌলতেই গ্রাহক অ্যাপটিকে পেতে চলেছেন৷ ইতিমধ্যেই অ্যাপটি ১৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর পরীক্ষা করা হয়েছে৷ যেটির মাধ্যমে স্লিপ কোয়ালিটি পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ শুধু তাই নয়, কম ঘুম, অনিদ্রার কারণ খোঁজার চেষ্টা করা হয়৷ স্বাভাবিকের থেকে কম ঘুম বা অনিদ্রার কারণ কী, কীভাবেই বা মুক্তি পাওয়া সম্ভব এই সমস্যা থেকে তারই সমাধানে সাহায্য করবে এই নয়া প্রযুক্তি৷ এমনটাই আশা করছেন গবেষকরা৷ কিন্তু খুব সহজেই এই ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে৷ কীভাবে? বেডরুমের আলোতে পরিবর্তন, বেশি শব্দকে এড়িয়ে যাওয়া, শয়নভঙ্গি এবং হাতের পজিশন পরিবর্তন করে এই সমস্যা থেকে খানিক মুক্তি পাওয়া যেতে পারে৷ স্লিপগার্ড প্রধানত ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিস ক্যাপচার করে থাকে৷ গবেষকরা জানাচ্ছেন, বডি মুভমেন্টের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত এই স্লিপ কোয়ালিটির বিষয়টি৷ স্লিপগার্ড সাধারণত চারটি বেসিক স্লিপ পসচারকে ক্যাপচার করতে পারে৷ সঠিক ঘুমের সঙ্গে শয়নভঙ্গির খুবই গভীর সম্পর্ক রয়েছে৷ অনেকেই পেটের উপর হাত রেখে ঘুমান৷ যেটিকে অস্বস্তির কারণ বলা যেতে পারে৷ যার ফলে ব্যাঘাত হতে পারে ঘুমে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো যেভাবে চুরি হচ্ছে!

প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি তৈরী হচ্ছে। আর প্রত্যেকটিতেই থাকছে প্রচুর পরিমানে দুর্বলতা। কোন হ্যাকার ওই প্রযুক্তিতে দুর্বলতা খুঁজে বের করতে পারলেই তা হ্যাক করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবে অনায়াসেই। সম্প্রতি ব্যাক্তিগত তথ্য চুরির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে একাধিক সংস্থা৷ কিন্তু, কীভাবে হয় এই তথ্য চুরি? উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে এসেছে নানা তথ্য৷ অনেক সময়ই বিভিন্ন ধরণের অনলাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকেন ব্যবহারকারীরা৷ বিজেতাদের দেওয়া হয় পুরষ্কারও৷ তবে, সেজন্য রয়েছে বেশ কিছু বৈধ অ্যাপ৷ যারা বিক্রেতাদের থেকে গিফ্ট কার্ড কোডগুলিকে কিনে নেন৷ ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ধরণের ওয়েবসাইটগুলি৷ আর, সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই সাইবার ক্রিমিনালরা সংগ্রহ করছে ইউজারদের গোপন তথ্য৷ ক্যাসপারস্কি ল্যাবের এক আধিকারিক বলেন,‘ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে কিছু পাওয়ার মনোভাবই সাইবার ক্রিমিনালদের প্রতারণার সুযোগ করে দিচ্ছে৷ যদিও, গুরুত্বপূর্ণ কিছু না করেই তারা বেশিরভাগ সময় কাটান, সঙ্গে অর্থের অপচয়ও করে থাকেন৷ তাই, শুধুমাত্র বৈধ ও বিশস্ত সাইটগুলির থেকেই গিফ্টকার্ড সংগ্রহ করুন৷’ গিফ্টকার্ডের কোড পাওয়ার জন্য ইউজারকে প্রমান করতে হয় তিনি রোবট নন৷ আর সেন্যই ব্যবহারকারীকে একাধিক লিঙ্ক এবং টাস্ক করতে হয়৷ উদারহণ হিসেবে বলা যায়, অনেকসময়ই ইউজারকে একটি ফর্ম ফিলাপ করতে বলা হয়৷ যেটিকে ফোন নম্বর, ই-মেল সহ অন্যান্য তথ্যাদির প্রয়োজন পড়ে৷ এরপর, গ্রাহক পান অর্থহীন কোডটি৷ এভাবেই দিনের পর দিন নিজের অজান্তে সাইবার ক্রিমিনালদের আয় বৃদ্ধি করে চলেছে ব্যবহারকারীরা৷ তাই, এই ধরণের লিঙ্কগুলিকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে নিষেধ করছেন ক্যাসপারস্কি ল্যাবের গবেষকরা৷ ফাঁদগুলিকে এড়িয়ে যাওয়াই প্রতারণা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়, এমনটাই মনে করছেন তাঁরা৷ উল্লেখ্য, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও স্কাইপের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ স্মার্টফোনে ব্যবহার হচ্ছে ম্যালওয়্যার। যা প্রতিনিয়ত এসব অ্যাপ থেকে গোপনীয় অনেক তথ্য চুরি করছে। পালো আল্টো নেটওয়ার্ক নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা সম্প্রতি স্পাইডিলার নামের এমন একটি উন্নত অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার আবিষ্কার করেছেন যা কিনা ৪০টি অ্যাপ থেকে প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে।

মানুষের চোখের কৃত্রিম রেটিনা কোষ আবিষ্কার!

জন্মগত বা আঘাতজনিত কারণে কারও রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরিণতি অন্ধত্ব। সেই দৃষ্টিহীনদের দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে মানুষের চোখের কৃত্রিম রেটিনা কোষ তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির (জেএইচইউ) বিজ্ঞানীরা। তারা দাবি করেছেন, সম্প্রতি ল্যাবরেটরিতে তারা মানুষের চোখের কৃত্রিম রেটিনা কোষ তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন, যা অন্ধত্বের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে । গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন জন্মের সময় একটি কোষের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ গর্ভের মধ্যেই কোন কাজের জন্য কোন কোষ কেমন স্টেম সেলে পরিণত হয়। রেটিনা নিয়ে গবেষণায় প্রথমে তারা বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন মানুষের চোখ কীভাবে নীল, লাল এবং সবুজ রঙ চিনতে পারে। তবে এটি সহজ ছিল না। কারণ ল্যাবরেটরিতে এ ধরনের গবেষণা সাধারণত করা হয় ইঁদুর বা মাছের ওপর। কিন্তু মানুষের সঙ্গে যেহেতু ইঁদুর বা মাছের দৃষ্টিশক্তি মেলে না, তাই গবেষণা নিয়ে তারা সমস্যায় পড়েছিলেন। এভাবেই বর্ণের সংবেদনশীলতা নিয়ে গবেষণা করতে করতে একসময় বিজ্ঞানীরা মানুষের চোখের কৃত্রিম রেটিনাই বানিয়ে ফেলেন। যদিও কৃত্রিম রেটিনা এখনও কোনো মানুষের ওপর পরীক্ষা করা হয়নি। বিজ্ঞানী রবার্ট জনস্টন জানান, খালি চোখে সাধারণত মানুষ সবকিছু দেখে একটি ডিশের মতো চ্যাপ্টা আকারে। সম্প্রতি থাইরয়েড ও দৃষ্টির বর্ণ সংবেদনশীলতা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই তারা ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিম রেটিনা তৈরিতে সক্ষম হন। গবেষক কিয়ারা এলডার্ড বলেন, মানুষের চোখের ট্রাইক্রোমেটিক কালার ভিশন তাকে অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের থেকে আলাদা করেছে। কৃত্রিম রেটিনা তৈরির মধ্য দিয়ে বিজ্ঞানীরা বুঝতে চেষ্টা করেছেন কীভাবে এই কোষ আমাদের বিভিন্ন রঙ দেখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এরই মধ্যে তারা রেটিনাতে নীল রঙ দেখতে সাহায্যকারী কোষও শনাক্ত করেছেন। এখন লাল ও সবুজ রঙ দেখতে সাহায্য করা কোষ শনাক্তের কাজ চলছে। সূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান ও সায়েন্স অ্যালার্ট।  

সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্যামেরা ‘টি-কাপ’ আসছে 

প্রযুক্তিতে মানুষ যত বেশি এগিয়ে যাচ্ছে, ততই এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। প্রতিযোগিতাময় এ বিশ্বে প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে। নতুন কিছু আবিষ্কারের সাথে সাথে পুরোনো গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পিছনে পড়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্যামেরা আবিষ্কারের দাবি করেছে একদল গবেষক। ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকদের তৈরি এ ক্যামেরার নাম টি-কাপ।        গবেষকরা বলছেন, প্রযুক্তিবিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির এ ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে ১০ ট্রিলিয়ন ফ্রেম ধরা যায়। এ ক্যামেরা প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে সময়কে ফ্রেমে আটকে ফেলা যাবে, অর্থাৎ আলো অত্যন্ত ধীরগতিতে দেখা সম্ভব হবে।    তাদের দাবি, আলো ও বস্তুর মধ্যে অধরা যে মিথস্ক্রিয়া রয়েছে তা এ ক্যামেরার উন্নয়নের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে।   বর্তমান ছবি তোলার পদ্ধতিতে আলট্রাশট লেজার পালস ব্যবহার করে জড় নমুনার ছবি তোলা যায়। তবে অনেক ক্ষণস্থায়ী বস্তুর ছবি তোলার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি উপযুক্ত নয়। রিয়েল টাইমে ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তোলার গতির ক্ষেত্রে এটি রেকর্ড গড়েছে। এটি নতুন প্রজন্মের মাইক্রোস্কোপে ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া বায়োমেডিক্যাল, বস্তুবিজ্ঞানের মতো নানা কাজে ব্যবহার করা যাবে।     গবেষক জিনইয়াং লিয়াং বলেন, ক্যামেরার গতি আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। গতি বাড়ালে প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন (এক হাজার ট্রিলিয়ন) ফ্রেম ধরা সম্ভব হবে।     এসি      

ইউটিউবে ঢুকতে গেলে `Error 500’ দেখাচ্ছে!!   

  সম্প্রতি ইউটিউব ব্যবহারকারীরা  গুগলের ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা ইউটিউব ব্যবহার করতে পারছেন না বলে টুইট করছেন। ইউটিউবে ঢুকতে গেলে `Error 500’ দেখাচ্ছে। এ সমস্যার কারণে ইউটিউবে কোনো কিছু আপলোড করা, লগ ইন করা বা ভিডিও দেখার মতো কোনো কাজই করা যাচ্ছে না। বিশ্বের অনেক দেশে থেকেই ইউটিউব ব্যবহারকারীরা এ সমস্যায় পড়ছেন। ইউটিউব ব্যবহার করতে না পারার এই সমস্যাটি মূলত ‘ইন্টারনাল সার্ভার এরর’ বার্তা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, ইউটিউবের সমস্যা নিয়ে অনেকেই টুইট করেছেন বলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে। তারা বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার কথা বলেছে। এ ছাড়া যাঁরা ইউটিউবের সমস্যা সম্পর্কে জানিয়েছেন তাঁদের ধন্যবাদ দিয়েছে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ টুইটে জানিয়েছে, হঠাৎ কেন এ সমস্যাটি হচ্ছে—এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। এটি ঠিক হলে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। সাময়িক সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানান, যেকোনো অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমা চাইছি এবং আপনাদের এ বিষয়ে জানানো হবে। ইউটিউবের সমস্যা হতে থাকায় মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে অনেকেই #YouTubeDOWN ব্যবহার করে টুইট করেন। টুইটার ইন্ডিয়ার শীর্ষ ট্রেন্ড হিসেবে উঠে এসেছে এ বিষয়টি। উল্লেখ্য, ফরচুন লর্ড নামের একটি ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্যমতে, প্রতিদিন এ সাইটে প্রায় ৫০০ কোটি ভিডিও দেখা হয়ে থাকে। ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষ ইউটিউব ব্যবহারে বেশি আগ্রহী বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। ১৮-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ শতাংশ, ২৫-৩৪ বছরের মধ্যে ২৩ শতাংশ, ৩৫-৪৪ বছরের মধ্যে ২৬ শতাংশ, ৪৫-৫৪ বছরের মধ্যে ১৬ শতাংশ, ৫০-৬৪ বছরের মধ্যে ৮ শতাংশ, ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ৩ শতাংশ ইউটিউব দেখে থাকেন। অবশিষ্ট ১৪ শতাংশ ব্যবহারকারীর বয়স নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্বজুড়ে আচমকা বন্ধ ইউটিউব, ফের সচল

বিশ্বজুড়ে আচমকা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল ইউটিউব। বুধবার সকাল থেকে ইউটিউব পেজটি খুললেও তাতে কোনও ভিডিও দেখা বা আপলোড করা যাচ্ছিল না। ফলে সমস্যায় পড়েন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানায়, সমস্যাটি এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা দিয়েছিলো। এ সময় কম্পিউটারের ডেস্কটপ থেকে ইউটিউবে প্রবেশ করে সাইটের বিভিন্ন ক্যাটাগরি দেখা গেলেও কোনও ভিডিও দেখা এবং আপলোড করা সম্ভব হচ্ছিলো না। স্মার্টফোন ও ট্যাবেও একই অবস্থা দেখাচ্ছিলো। ইউটিউবে প্রবেশ করতে না পারায় ব্যবহারকারীদের অভিযোগ নজরে আসে কর্তৃপক্ষের। টুইট বার্তায় ইউটিউবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউটিউব, ইউটিউব টিভি এবং ইউটিউব মিউজিকে প্রবেশ সমস্যা বিষয়ে আমাদের জানানোর জন্য ইউটিউব ব্যবহারকারীদের ধন্যবাদ। সমস্যা সমাধানে কাজ করা হচ্ছে।সাময়িক অসুবিধার জন্য ইউটিউবের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়। এদিকে সকাল ৯টার দিকে আবারও সচল হয় জনপ্রিয় ভিডিও সাইটটি।এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি