ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৩২:০৬

৬৯ বছর বয়সে বাবা হলেন রিচার্ড গিয়ার

৬৯ বছর বয়সে বাবা হলেন রিচার্ড গিয়ার

পুরুষের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী। যেটি আবারও প্রমাণ করলেন হলিউডের স্বনামধন্য অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার। ৬৯ বছর বয়সে দ্বিতীয়বারের মত বাবা হয়েছেন তিনি। তার এ সন্তানের মা আলেজান্দ্রা সিলভা (৩৫)। এটাই এ দম্পতির প্রথম সন্তান। অভিনেতার ছেলের নাম রাখা হয়েছে আলেক্সান্ডার। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে গিয়ার ও সিলভার সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত বছর বিয়ে করেন তারা। সিলভা সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর তাকে নিয়ে তিব্বতের ধর্মগুরু দালাইলামার আশির্বাদ নিয়েছিলেন গিয়ার। এর আগে অভিনেত্রী ক্যারি লাওয়েলকে বিয়ে করেছিলেন গিয়ার। সে সংসারে গিয়ারের ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলে আছে। তার নাম হোমার। এদিকে প্রথম সংসারে আলবার্ট (৬) নামে এক ছেলে আছে স্ত্রী সিলভার।সূত্র : হ্যালোএসএ/
বিয়ে করলেন জেনিফার লরেন্স

বিয়ে করছেন হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। নিউইয়র্কের এক পরিচালকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার। এ বিয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন লরেন্সের ম্যানেজার ডেকান ক্রনিকেল।জেনিফার লরেন্সের বর পরিচালক কুক ম্যারোনি। যিনি থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে। তিনি একটি আর্ট গ্যালারির মালিক।ডেকান ক্রনিকেল জানান, কুক ম্যারোনির সঙ্গে আংটি বদলও হয়ে গেছে লরেন্সের। গত বছরের জুনের দিকে তাদের পরিচয় হয়।জানা যায়, লরেন্সের ঘনিষ্ঠ বন্ধু লরার মাধ্যমেই কুকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। পরে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এক পর্যায়ে সেটি বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। তবে এ বিষয়ে দুজনের কারও পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এর আগে হলিউডের বিখ্যাত পরিচালক ড্যারেন অ্যারেনস্ফির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল লরেন্সের। কিন্তু সেটি ভেঙে যায়। তাদের বয়সের ব্যবধান বেশি হওয়ায় সেটি টিকেনি বলে অনেকের মতামত।এসএ/

দিদির ধর্ষকদের বিরুদ্ধে লড়বেন ঋতুপর্ণা

শুরু হল সন্দীপ চৌধুরীর পরিচালনায় `বিদ্রোহিনী` ছবির কাজ। `আহারে` ছবির বাংলা ব্রোসিওর লঞ্চ। আবুধাবির ফিল্ম উৎসব সেরে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এ বার ‘বিদ্রোহিনী’ ছবির কাজে হাত দিলেন। ছবিতে ঋতুপর্ণা তার দিদির ধর্ষকদের ধরার জন্য লড়ে যাবেন। ছবির বিষয়ে গল্ফগ্রিনের ঝোড়ো বস্তিতে বসে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, অঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে আমার কাজ করা হয়নি। ওঁর ছেলে সন্দীপের সঙ্গে কাজ করে সেই শূন্যতা পূরণ করতে চাই। ‘বিদ্রোহিনী’ খুব শক্তিশালী ছবি। একজন মেয়ের বাইরে আর ঘরের লড়াই তুলে ধরবে ছবিটা। এ ছবিতে তিনি কেবল একজন আইপিএস অফিসার নন। একজন বোন যিনি দিদির ধর্ষকদের ধরার জন্য লড়াই করবেন। একজন স্ত্রী যিনি নিজের সংসার বাঁচাতে প্রথাগত সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। ঋতুপর্ণার সঙ্গে এ ছবিতে কাজ করছেন জিতু কামাল। একজন মহিলার বিদ্রোহ কতখানি দর্শকদের ছুঁয়ে যাবে এখন সেটাই দেখার। সূত্র-আনন্দবাজার আরকে//

গর্ভে সন্তান না থাকার প্রমাণে মুখ খুললেন প্রিয়াংকা

গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন বলি অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। সম্প্রতি বলি মহলে গুঞ্জন রটে, মা হতে চলেছেন এই অভিনেত্রী। গুঞ্জন বাতাশে ভেসে হলিউডেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে মুখরোচক রটনাও যোগ হয় এর সঙ্গে। বলিমহলের অনেকেই বলেন, বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন প্রিয়াংকা। এ কারণে তড়িঘড়ি করে নিকের সঙ্গে গাট বাঁধেন তিনি। এ খবরে সামাজিক যোগাযাগমাধ্যমে হইচই পড়ে যায়। তবে এমন গুঞ্জনে মোটেই চটেননি জাংলি বিল্লি খ্যাত এই অভিনেত্রী। উল্টো তিনি এ বিষয়ে খোলামেলা জবাব দিলেন। মার্কিন সমাজকর্মী ও সঞ্চালিকা এলেন ডিজেনারেস সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার নেন প্রিয়াংকার। বলতে গেলে বিয়ের পর প্রথম বার টেলিভিশনে মুখোমুখি হয়েছিলেন পিগি চপ্স। সেই সাক্ষাৎকারে এলেন প্রিয়াংকাকে একটু ঘুরিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়েন, ১০ বছরের ছোট নিকের সঙ্গে বিয়ে করলেন, এটা শুধুই পরস্পরের প্রতি গভীর প্রেম, নাকি অন্য কিছু রয়েছে? জবাবটা স্পষ্ট করে পেতে এরপর সরসারি এলেন প্রিয়াংকাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি অন্তঃসত্ত্বা, এ খবরের সত্যতা কী? জবাবে প্রিয়াংকা বলেন, একেবারেই সত্যি নয়। নিককে ভালোবেসেই বিয়ে করেছি। এরপর তিনি যে অন্তঃসত্ত্বা নন তার প্রমাণ ওই অনুষ্ঠানেই দিলেন প্রিয়াংকা। তিনি বলেন, মা হওয়ার মতো সুখবর কখনওই গোপন রাখার বিষয় নয়। তবে আমি অন্তঃসত্ত্বা নয়। ঠিক তখনই এলেনের অনুরোধে টাকিলা শট নামের অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়তে চুমুক দিয়ে প্রিয়াংকা বলেন, অন্তঃসত্ত্বা হলে আমি কখনও অ্যালকোহল ছুঁয়েও দেখতাম না। জানেনইতো গর্ভের সন্তানের জন্য এসব পানীয় নিষিদ্ধ। এরপর তিনি হেসে বলেন, এবার বিশ্বাস হলো তো? আরকে//

শাহিদ কাপুরের শ্যুটিং সেটে দুর্ঘটনা, যুবকের মৃত্যু

শাহিদ কাপুরের ছবির শ্যুটিং সেটে ঘটে গেল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তিনি বর্তমানে ভারতের উত্তরাখণ্ডের মুসৌরিতে ‘কবীর সিং’ ছবির অভিনয়ের জন্য রয়েছেন। দক্ষিণী ছবির অনুকরণে তৈরি হচ্ছে এই ছবিটি। জানা যাচ্ছে শ্যুটিং সেটের মধ্যেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয় রামু নামে এক জেনারেটর অপরেটরের।  জানা যাচ্ছে রামু দেরাদুনের প্রেমনগরের একটি জেনারেটর কোম্পানির হয়ে কাজ করেন।গত বৃহস্পতিবার ‘কবীর সিং’-এর শুটিং চলাকালীন জেনারেটর ঠিক মতো কাজ করছে কিনা তা দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। সে সময় জেনারেটরের ফ্যানে মাফলার আটেকে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। গুরুতর জখম অবস্থায় মুসৌরির এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় রামুকে। তবে তার মাথার চোট গুরুতর হওয়ায় তাকে বাঁচানো যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর হোটেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাদের হোটেলে এধরনের ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন। যদিও ছবির প্রযোজক সংস্থার তরফে রামুর পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, কবীর সিং ছবিতে এক নেশাগ্রস্ত পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় দেখা যাবে শাহিদ কাপুরকে। ছবিতে তার বিপরীতে দেখা যাবে কিয়ারা আডবাণীকে। ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে এবছরের ২১ জুন। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা

২০১৯ সালে অস্কারে মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১০ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ‘দ্য ফেভারিট’ ও ‘রোমা’ সিনেমা দুটি। সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’, ‘ব্ল্যাক্কক্লান্সম্যান’, ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসডি’, ‘দ্যা ফেভারিট’, ‘গ্রিন বুক’, ‘রোমা’, ‘এ স্টার ইজ বর্ন’ ও ‘ভাইস’।সেরা পরিচালক বিভাগে- স্পাইক লি (ব্ল্যাক্কক্লান্সম্যান), পাওয়েল পাওলিকস্কি (কোল্ড ওয়ার), ইয়োর্গোস ল্যান্থিমোস (দ্যা ফেভারিট), আলফান্সো কোয়েরন (রোমা), অ্যাডাম ম্যাককে (ভাইস)। সেরা অভিনেতা বিভাগে- ক্রিস্টিয়ান বেল (ভাইস), ব্র্যাডলি কুপার (এ স্টার ইস বর্ন), উইলেম দাফো (অ্যাট ইটারনিটিস গেট), রামি মালেক (বোহেমিয়ান র‍্যাপসডি), ভিগো মর্টেনসেন (গ্রিন বুক)। সেরা অভিনেত্রী বিভাগে- ইয়ালিতজা আপারিতিও (রোমা), গ্লেন ক্লোস (দ্য ওয়াইফ), অলিভিয়া কোলম্যান (দ্যা ফেভারিট), লেডি গাগা (এ স্টার ইজ বর্ন), মেলিসা ম্যাকার্থি (ক্যান ইউ এভার ফরগিভ মি?)প্রসঙ্গত, ৯১তম বার্ষিক অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড দেয়া হবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। হলিউড ও হলিউড সেন্টারের ডলবি থিয়েটার থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে এবিসি। এসএ/

মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে বিতর্ক

জনপ্রিয় পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন মারা গেছেন প্রায় দশ বছর আগে। মৃত্যুর এত বছর পরও তাকে নিয়ে এখনো বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এবারের বিতর্কের জন্ম একটি তথ্যচিত্রকে ঘিরে। একসময় দুনিয়া মাতানো এই সঙ্গীত শিল্পিকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ এই মাসেই প্রথম প্রদর্শনী হবে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে। কিন্তু তার আগেই সেটি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে যে ‘মাইকেল জ্যাকসন শিশুদের যৌন নিপীড়ন করতেন।’ যে অভিযোগ এর আগেও অনেকবার উঠেছে। তবে এই তথ্যচিত্রে তার কাছে যৌন নিপীড়নের শিকার বলে দাবি করছেন এমন দুজনের সাক্ষাৎকার রয়েছে। যাতে দেখা গেছে দুই জন পুরুষ বলছেন, তাদের বয়স যখন সাত ও দশ বছর তখন মাইকেল জ্যাকসন দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তারা। দুজনের বয়স এখন তিরিশের কোঠায়। ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর জ্যাকসনের কাছে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এমন অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ২০০৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ একবার ‘নেভারল্যান্ড’ নামে পরিচিত তার খামারবাড়িতে তল্লাসি চালিয়েছিলো। এই খামারবাড়িটির নামেই তথ্যচিত্রটির নামকরণ। এই অভিযোগে সেই সময় মাইকেল জ্যাকসনকে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। তবে ২০০৫ সালে তাকে এই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত। ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ তথ্যচিত্রে বর্ণনা করা হয়েছে যে, ‘জনপ্রিয়তাকে ঘিরে তার যে ক্ষমতা তৈরি হয়েছিলো, তারকাদের ঘিরে শিশুদের মনে যে ধরনের চরম উন্মাদনা তৈরি হয়, মাইকেল জ্যাকসন সেটির অপব্যবহার করতেন, ছলচাতুরীর অবলম্বন করতেন।’ দুই পর্বের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেছেন ড্যান রিড। এটি তৈরির পেছনে রয়েছে এইচবিও ও চ্যানেল ফোর-এর মতো বড় বড় নাম। রিড, এইচবিও ও চ্যানেল ফোর যৌথভাবে তথ্যচিত্রটির প্রযোজক। মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার এই তথ্যচিত্রের দাবিকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছে। এক বিবৃতিতে তথ্যচিত্রটি দিয়ে মাইকেল নামটিকে অপব্যবহারের এক ‘জঘন্য চেষ্টা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে জুন মাসের ২৫ তারিখ কয়েকটি ঔষধের অতিরিক্ত বা ভুল প্রয়োগে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়েছিলো। তথ্যসূত্র : বিবিসি এমএইচ/

এক নজরে বিজয়ীদের তালিকা

হলিউডের টিভি ও চলচ্চিত্রে সেরা কাজের স্বীকৃতি দিতে ১৯৪৪ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস। এর আয়োজন করে থাকে হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসে ৬ জানুয়ারি রাতে (বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল) অনুষ্ঠিত হয় গোল্ডেন গ্লোবসের ৭৬তম আসর।এ আয়োজনে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন মিলিয়ে ২৭টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে গোল্ডেন গ্লোবে কারিগরি বিভাগে কোনও পুরস্কার দেওয়া হয় না। অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, লেখক ও প্রযোজকরা সেরা কাজের জন্য পেয়েছেন গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। এবারের আসর উপস্থাপনা করেন অভিনেতা-কমেডিয়ান অ্যান্ডি স্যামবার্গ ও অভিনেত্রী সান্ড্রা ওহ। এক নজরে দেশে নিন বিজয়ীদের তালিকা-সেরা চলচ্চিত্র (ড্রামা) : বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডিসেরা চলচ্চিত্র (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : গ্রিন বুকসেরা অভিনেতা (ড্রামা) : রামি মালেক (বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডি)সেরা অভিনেত্রী (ড্রামা) : গ্লেন ক্লোজ (দ্য ওয়াইফ)সেরা অভিনেতা (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : ক্রিশ্চিয়ান বেল (ভাইস)সেরা অভিনেত্রী (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : অলিভিয়া কোলম্যান (দ্য ফেভারিট)সেরা পার্শ্ব অভিনেতা : মাহেরশালা আলি (গ্রিন বুক)সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী : রেজিনা কিং (ইফ বিয়েল স্ট্রিট কুড টক)সেরা পরিচালক : আলফনসো কুয়ারন (রোমা)সেরা চিত্রনাট্য : গ্রিন বুক (পিটার ফ্যারেলি, নিক ভ্যাললঙ্গা, ব্রায়ান কারি)সেরা মৌলিক সুর : ফার্স্ট ম্যান (জাস্টিন হারউইৎজ)সেরা মৌলিক গান : শ্যালো (অ্যা স্টার ইজ বর্ন)সেরা অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র : স্পাইডার-ম্যান: ইন্টু দ্য স্পাইডার-ভার্সসেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র : রোমা (মেক্সিকো)সেসিল বি. ডিমিলে অ্যাওয়ার্ড (আজীবন সম্মাননা) : জেফ ব্রিজেসটেলিভিশনে সেরাসিরিজ (ড্রামা) : দ্য আমেরিকানস (এফএক্স)সিরিজ (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : দ্য কোমিনস্কি মেথড (নেটফ্লিক্স)অভিনেতা (ড্রামা) : রিচার্ড ম্যাডেন (বডিগার্ড)অভিনেত্রী (ড্রামা) : সান্ড্রা ওহ (কিলিং ইভ)অভিনেতা (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : মাইকেল ডগলাস (দ্য কোমিনস্কি মেথড)অভিনেত্রী (মিউজিক্যাল অথবা কমেডি) : র‌্যাচেল ব্রসনাহান (দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেইসেল)অভিনেতা (টেলিভিশন সিরিজ/টেলিভিশন মুভি) : ড্যারেন ক্রিস (দ্য অ্যাসাসিনেশন অব জান্নি ভারসাচে : আমেরিকান ক্রাইম স্টোরি)অভিনেত্রী (মিনি সিরিজ অথবা টেলিভিশন ফিল্ম) : প্যাট্রিসিয়া আর্কেট (এস্কেপ অ্যাট ড্যানমোরা)পার্শ্ব অভিনেতা (টেলিভিশন সিরিজ/টেলিভিশন মুভি) : বেন হুইশো (অ্যা ভেরি ইংলিশ স্ক্যান্ডাল)পার্শ্ব অভিনেত্রী (টেলিভিশন সিরিজ/টেলিভিশন মুভি) : প্যাট্রিসিয়া ক্লার্কসন (শার্প অবজেক্টস)সেরা টেলিভিশন সিরিজ/টেলিভিশন মুভি : দ্য অ্যাসাসিনেশন অব জান্নি ভারসাচে: আমেরিকান ক্রাইম স্টোরি (এফএক্স)প্রথম ক্যারল বার্নেট অ্যাওয়ার্ড (আজীবন সম্মাননা) : ক্যারল বার্নেটএসএ/

অবশেষে মাইলি-লিয়ামের বিয়ে সম্পন্ন

মার্কিন পপতারকা মাইলি সাইরাস। তার দীর্ঘ সময়ের সঙ্গী অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা লিয়াম হোমসওয়ার্থ। অবশেষে দুজনের চার হাত এক হয়েছে। বিয়ে করেছেন এই জুটি। সম্প্রতি মাইলি বিয়ের কিছু ছবিও প্রকাশ করেছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে গত রবিবার। টুইটারে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন মাইলি সাইরাস। যাতে দেখা গেছে, তাকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করে রেখেছেন স্বামী লিয়াম হোমসওয়ার্থ। ছবির শিরোনাম দিয়েছেন, ১০ বছর পরে। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়ের পোশাক পরে নাচছেন মাইলি। আর তা ভিডিও করছেন লিয়াম। জানা গেছে, ঘরোয়া আয়োজনের সেই বিয়েতে তাদের পরিবারের লোকজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, এক দশক আগে ‘দ্য লাস্ট সং’ ছবির সেটে দেখা হয় তাদের। এরপর ২০১২ সালে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। যদিও পরে তাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে ২০১৫ সালে আবারও একসঙ্গে  দেখা যায় তাদের। সেসময় তারা আবারও বাগদানের ঘোষণা দেন। সূত্র : বিবিসিএসএ/

চরম দ্বন্দ্ব, তবুও এক সঙ্গে দুই রাজবধূ

কিছুদিন আগে তাদের মধ্যে ছিল চরম দ্বন্দ্ব। বিশ্ব মিডিয়াতেও সেই খবর প্রকাশ পায় ঘটা করে। রাজবধূ বলে কথা। তবে সেই বিভেদ ভুলে গিয়ে আবারও এক হলেন তারা। বড়দিনের উৎসবে একসঙ্গে দুই ব্রিটিশ রাজবধূ কেট ও মেগানকে দেখা গেছে। এদিন স্যান্ড্রিংহামে চার্চে একসঙ্গে দেখা গেছে তাদের। এদিন সেন্ট মেরি ম্যাগডালেন চার্চ প্রাঙ্গণে কেট ও মেগানকে স্বাগত জানাতে ভিড় করেছিল সাধারণ মানুষ। তারা হাত নেড়ে হাসি মুখে সবাইকে অভিবাদন জানান।প্রসঙ্গত, এ বছর ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাবেক হলিউড তারকা মেগান মের্কেল। তার সঙ্গে বড় রাজবধূ ডাচেস অব ক্যামব্রিজ কেটের সম্পর্ক ভালো নয় বলে সম্প্রতি গুঞ্জন ছড়ায়। এমনকি তারা বড়দিন একসঙ্গে পালন করবেন না বলেও গুঞ্জন ওঠে। তবে সেটি তারা মিথ্যা প্রমাণিত করলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবর, রানীর নির্দেশেই একসঙ্গে বড়দিন উদযাপনে বাধ্য হয়েছেন তারা। রাণী এলিজাবেথ বলে দিয়েছেন, কেট-মেগানের মধ্যে যতই দূরত্ব তৈরি হোক তা যেন জনসম্মুখে না দেখানো হয়।সূত্র: ডেইলি মেইলএসএ/  

চ্যাপলিনের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র

চার্লি চ্যাপলিন চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা কৌতুকাভিনেতা ও পরিচালক। তার কর্মজীবনের স্থায়িত্ব প্রায় ৭৫ বছর। এখানে তার করা চলচ্চিত্রের তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। মেকিং অব লিভিং (১৯১৪), দ্য ট্রাম্প (১৯১৪), কিড অটো রেসেস অ্যাট ভেনিস (১৯১৫), এ ডগস লাইফ (১৯১৭), শোল্ডার আর্মস (১৯১৮), দ্য কিড (১৯২১), দ্য সার্কাস (১৯২৬), সিটি লাইটস (১৯৩১), মডার্ন টাইমস (১৯৩৬), দ্য গ্রেট ডিক্টেটর (১৯৪০), দ্য গোল্ড রাশ (১৯৪২), লাইম লাইট (১৯৫২), এ কিং অব নিউইয়র্ক (১৯৫৭) প্রভৃতি। সিটি লাইট ১৯৩১ সালে নির্মিত একটি নির্বাক হাস্যরসাত্মক প্রেমের চলচ্চিত্র। এ চলচ্চিত্রটি চার্লি চ্যাপলিনের কাহিনী, পরিচালনা ও প্রযোজনায় নির্মিত। এটি কমেডি-রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ক্যাটাগরিতে আজও এক নম্বর স্থান দখল করে আছে। হাস্যরসের মধ্য দিয়ে চ্যাপলিনের চলচ্চিত্রে উঠে এসেছিল সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতিসহ তৎকালীন বিভিন্ন রাজনৈতিক সমস্যা, দুটি বিশ্বযুদ্ধ, হিটলারের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকারসহ নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়বস্তু। প্রতিটি চলচ্চিত্রেই চ্যাপলিন কোনো না কোনো বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন এবং তিনি সেটা করেছিলেন তার চিরচেনা দ্য ট্রাম্প স্টাইলে। বিশেষ করে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে তার রাজনৈতিক জ্ঞানের যে পরিস্ফুটন দেখা যেত তা ছিল সত্যিই অসাধারণ। এসএ/  

কিংবদন্তি অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

২৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৭। এদিন চিরনিদ্রায় শায়িত হন বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রশিল্পী চার্লি চ্যাপলিন। ১৮৮৯ সালের ১৬ এপ্রিল তিনি লন্ডনে জন্ম গ্রহণ করেন (যদিও তার জন্মতারিখ নিয়ে কিছুটা সন্দেহ রয়েছে)। তার পুরো নাম স্যার চার্লস স্পেনসার চ্যাপলিন জুনিয়র। চার্লির জন্মের নির্দিষ্ট কোনো দলিল-দস্তাবেজ আজও উদ্ধার হয়নি। এমনকি জন্মস্থান নিয়েও রয়ে গেছে সন্দেহ। তিনি নিজেও ফ্রান্সকে তার জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ১৮৯১ সালের স্থানীয় আদমশুমারি থেকে জানা যায়, চার্লি তার মা হান্না চ্যাপলিন এবং ভাই সিডনির সঙ্গে দক্ষিণ লন্ডনের বার্লো স্ট্রিটে থাকতেন, এটি কেনিংটনের অন্তর্গত। ইতিমধ্যে তার বাবা চার্লস চ্যাপলিন জুনিয়রের সঙ্গে তার মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায়। চ্যাপলিনের শৈশব কাটে প্রচণ্ড দারিদ্র্য আর কষ্টের মধ্য দিয়ে। পিতৃহারা চ্যাপলিন অবর্ণনীয় কষ্ট ও দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হয়েছেন। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দক্ষিণ লন্ডনের একটি শহরে বিভিন্ন বাড়িতে ভাড়া থাকতেন চ্যাপলিন। ভাড়া দিতে না পারায় প্রায়ই তাদের বাসা থেকে বের করে দেয়া হতো। এভাবে তাড়া খাওয়ার চেয়ে চ্যাপলিন পার্কের বেঞ্চিতে ঘুমাতেই বেশি পছন্দ করতেন। চার্লি একটি মুদির দোকানেও কিছুদিন কাজ করেছিলেন। সেখানে কাজ চলে যাওয়ার পর কাজ নিয়েছিলেন একটি ডাক্তারখানায়। সেখানে কাজ চলে যাওয়ার পর লোকের বাড়িতে বাসন মাজার কাজে লেগে যান চার্লি। এক কাচের কারখানা, রঙের দোকান, লোহার দোকান, ছাপাখানা, খেলনা কারখানা, কাঠ চেরাই কল, কাগজ বিক্রি ইত্যাদি নানা কাজের মধ্যে তিনি যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন।তার মা-বাবা দু’জনেই মঞ্চাভিনয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাই এ পেশাতে আসা তার কাছে সহজ ছিল। চ্যাপলিন সেই সময়ের জনপ্রিয় লোকদল ‘জ্যাকসন্স এইট ল্যাঙ্কাশায়ার ল্যাডস’-এর সদস্য হিসেবে নানা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এরপর ১৪ বছর বয়সে তিনি উইলিয়াম জিলেট অভিনীত শার্লক হোমস নাটকে কাগজওয়ালার চরিত্রে অভিনয় করেন। এ সুবাদে তিনি ব্রিটেনের নানা প্রদেশ ভ্রমণ করেন ও অভিনেতা হিসেবে তিনি যে খুবই সম্ভাবনাময়- তা সবাইকে জানিয়ে দেন।১৮৯৮ সালে ৯ বছর বয়সে চ্যাপলিন একটি নাচের দলে যোগ দেন। ওই দলটির সঙ্গে যুক্ত থেকে নাচ দেখিয়ে কিছু অর্থ-কড়ি রোজগার করতেন। সেই রোজগার দিয়েই চ্যাপলিন দিন কাটাতেন। ওই নাচের দলে চ্যাপলিন কমেডিয়ানের ভূমিকা পালন করতেন। ১৯ বছর বয়সে ‘ফ্রেড কার্নো’ থিয়েটার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইংল্যান্ড থেকে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯১৪ সালে ২৫ বছর বয়সে প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করেন চার্লি চ্যাপলিন। নাম ছিল ‘মেকিং এ লিভিং’। সিনেমার পরিচালক ছিলেন ফ্রান্সের অরি লোর্মা। এক রিলের এ সিনেমাটি প্রদর্শনের মেয়াদ ছিল মাত্র দশ মিনিট। এটিতে চার্লি অভিনয় করেন খামখেয়ালি উচ্ছৃংখল প্রকৃতির যুবকের চরিত্রে।১৯১৪ সালে তার নিজের সৃষ্ট দ্য ট্রাম্প বা ভবঘুরে চরিত্রটি দিয়ে তিনি বিশ্ব চলচ্চিত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে মানুষকে হাসানোর মতো দুরূহ কাজটি শুধু অঙ্গভঙ্গি দিয়ে যিনি করতেন অত্যন্ত সফলভাবে। সাদাসিধে ভবঘুরে একটা মানুষ, যার পরনে নোংরা ঢিলেঢালা প্যান্ট, শরীরে জড়ানো জীর্ণ কালো কোট, পায়ে মাপহীন জুতো, মাথায় কালো মতো হ্যাট আর হাতে লাঠি। যে ব্যাপারটি কারও চোখ এড়ায় না তা হচ্ছে লোকটির অদ্ভুত গোঁফ। তিনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন আর ঘটাচ্ছেন অদ্ভুত সব কাণ্ড-কারখানা। আর এসব দেখেই হেসে কুটিকুটি হচ্ছেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। এরপর অনেক ঘটনা।১৯৭৭ সালের শুরু থেকেই চার্লি চ্যাপলিনের শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। ১৯৭৭ সালের ২৫ ডিসেম্বরে চার্লি প্রায় নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা যান সুইজারল্যান্ডের কার্সিয়ারে। ওই দেশের ডিঙ্গিতে চার্লির শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এরপর ঘটে একটা দুর্ঘটনা। পরের বছর চার্লির মৃতদেহ চুরি হয়ে যায়। ১৬ দিন পর তা উদ্ধার করে আবার সমাহিত করা হয় ।এসএ/    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি