ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:২০:২১, বুধবার

চার্লি চ্যাপলিনের জন্মদিন আজ

চার্লি চ্যাপলিনের জন্মদিন আজ

পুরো নাম স্যার চার্লস স্পেনসার চ্যাপলিন জুনিয়র। ছিলেন একজন ব্রিটিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও সুরকার। হলিউড সিনেমার শুরুর সময় থেকে মধ্যকাল পর্যন্ত তিনি তার অভিনয় ও পরিচালনা দিয়ে সাফল্যের শিখরে আরোহণ করেন। চ্যাপলিনকে চলচ্চিত্রের পর্দায় শ্রেষ্ঠতম মূকাভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতাদের একজন বলেও বিবেচনা করা হয়। চলচ্চিত্র শিল্প জগতে চ্যাপলিনের প্রভাব অনস্বীকার্য। এই প্রতিভাধর অভিনেতার জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৬ এপ্রিল ইংল্যান্ডের দক্ষিণ লন্ডনের ওয়েলওর্থের বার্লো স্ট্রিটে। সেই সূত্রে আজ তার জন্মদিন। চ্যাপলিনের বাবার নাম চার্লস চ্যাপলিন আর মা হানা চ্যাপলিন। বাবা-মা দুজনই বিনোদন জগতে কাজ করতেন এ জন্য স্বাভাবিকভাবেই চার্লির ভেতরেও শৈল্পিক দিকগুলো কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। নাকের নিচে নকল ছোট গোঁফ, মাথায় টুপি, হাতে ছড়ি, ঢিলেঢালা প্যান্ট, আঁটসাঁট কোট, ঢাউস আকারের জুতো তাও আবার উল্টো করে হেঁটে বেড়াচ্ছেন আর তাই দেখে দর্শকরা হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাচ্ছে। লোকটি যখন হাসছে, দর্শকদের চোখে তখন জল। আর লোকটি যখন কাঁদছে, তখন দর্শকদের হাসতে হাসতে দম বন্ধ হবার জোগাড়। অত্যন্ত দারিদ্র্য ও কষ্টের মাঝে শৈশব পার করেছেন বলেই হয়তো তিনি খুব ভালো করেই উপলব্ধি করতেন, আনন্দ মানুষের জীবনে কতটা প্রয়োজন। বাবার অনুপস্থিতিতে পরিবারের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে তাকে নয় বছর বয়সের আগেই রোজগারে নামতে হয়। আর ১৪ বছর বয়সে মাকে পাগলাগারদে পাঠানো হয়। চ্যাপলিন তার শৈশব থেকেই শিশুশিল্পী হিসেবে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন রঙ্গশালায় সফর করেন এবং পরে একজন মঞ্চাভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। ১৯ বছর বয়সে তিনি স্বনামধন্য ফ্রেড কার্নো কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন, যারা তাকে যুক্তরাষ্ট্র সফরে নিয়ে যায়। চ্যাপলিন সেখানে হলিউড চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯১৪ সালে কিস্টোন স্টুডিওজের হয়ে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। অচিরেই তিনি তার নিজের সৃষ্ট ভবঘুরে ‘দ্য ট্রাম্প’ চরিত্রের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন এবং তার অনেক ভক্তকূল গড়ে ওঠে। ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পর্তুগালে ‘শার্লট’ নামে পরিচিত চ্যাপলিনের ট্রাম্প ভবঘুরে হলেও ব্রিটিশ ভদ্রজনোচিত আদব-কায়দায় সুসংস্কৃত এবং সম্মানবোধে অটুট। শার্লটের পরনে চাপা কোট, সাইজে বড় প্যান্ট, বড় জুতো, মাথায় বাউলার হ্যাট, হাতে ছড়ি আর অদ্বিতীয়তম টুথব্রাশ গোঁফ। চ্যাপলিন শুরুর দিক থেকেই তার চলচ্চিত্রগুলো পরিচালনা করতেন এবং পরবর্তীতে এসানে, মিউচুয়াল ও ফার্স্ট ন্যাশনাল করপোরেশনের হয়েও চলচ্চিত্র পরিচালনা চালিয়ে যান। ১৯১৮ সালের মধ্যে তিনি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের মর্যাদা লাভ করেন। নির্বাক চলচ্চিত্র যুগের অন্যতম মৌলিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চ্যাপলিন নিজের সিনেমাতে নিজেই অভিনয় করতেন, এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা, পরিচালনা, প্রযোজনা এমনকি সঙ্গীত পরিচালনাও করতেন। তার চলচ্চিত্রগুলোতে বৈরীতার সাথে দ্য ট্রাম্পের সংগ্রামের করুণ রসের স্ল্যাপস্টিক হাস্যরস বিদ্যমান ছিল। কয়েকটি চলচ্চিত্রে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়বস্তু ছিল এবং কয়েকটিতে আত্মজীবনীমূলক উপাদান ছিল। চার্লি চ্যাপলিনের ৭৫ বছরের দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনটি বাদে বাকি সব চলচ্চিত্রই ছিল নির্বাক। চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম কথা বলেন ১৯৪০ সালে, দ্য গ্রেট ডিকটেটর চলচ্চিত্রে। চার্লি চ্যাপলিন একাধারে অভিনেতা, গায়ক, চিত্রনাট্যকার, গল্প লেখক, পরিচালক, শিল্প নির্দেশক, সঙ্গীত পরিচালকসহ আরো বিভিন্ন বিশেষণে বিশেষিত। এই মানুষটি একটি দুর্বিষহ শৈশব পার করে এলেও জীবনের কাছে কখনো হার মানেননি। ১৯৭৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর চার্লি চ্যাপলিন প্রায় নিঃসঙ্গ অবস্থায় সুইজারল্যান্ডে মারা যান। ১৯৭৮ সালের ৩ মার্চ সুইজারল্যান্ডের করসিয়ার-সার-ভেভে গোরস্তান থেকে চুরি হয়ে যায় চার্লি চ্যাপলিনের মৃতদেহ। অবশেষে ১৮ মার্চ পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে এবং পুনরায় সমাহিত করা হয় চার্লি চ্যাপলিনকে। এসএ/  
ঢাকায় ‘শাজাম’ মুক্তি পাচ্ছে আজ

আজ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে ডেভিড এফ স্যান্ডবার্গ পরিচালিত সিনেমা ‘শাজাম’। ডিসি ইউনিভার্সের চলচ্চিত্র অ্যাকুয়াম্যানের বক্স অফিস কাঁপানো সাফল্যের পর ‘শাজাম’ নিয়েও দর্শকদের বেশ আগ্রহ দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক মুক্তির দিন থেকেই সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন বাংলাদেশের দর্শক। বিশেষ করে ঢাকার দর্শক। স্টার সিনেপ্লেক্সে আজ মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। এরই মধ্যে অভিনেতা জ্যাকারি লেভি প্রকাশিত ট্রেলার ও টিজারের মাধ্যমে ‘শাজাম’ অনেকের মন জয় করেছে। ১২ বছরের এতিম ছেলে বিলি ব্যাটসন। ছোটবেলায় সে বিভিন্ন প্রতিপালক বাবা-মায়ের কাছে বড় হতে থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ পরিবারেই সে বেশিদিন টিকতে পারে না। অনেক পরিবারে ঘোরাঘুরি করার পর অবশেষে একটি পরিবারে এসে থিতু হয়। এভাবে এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প। এসএ/

‘ডাম্বো’ উড়বে ঢাকায়

১৯৪১ সালের কথা। সেই সময় মুক্তি পায় ডিজনির চতুর্থ অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘ডাম্বো’। সিনেমাটির পরিচালক টিম বার্টন। এবার নতুন করে সেই সিনেমাটিকে বড় পর্দায় ফিরিয়ে আনছেন তিনি। এতে অভিনয় করেছেন কলিন ফেরেল, ইভা গ্রীন, মাইকেল কিটনের মত তারকারা। আগামীকাল শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি যাচ্ছে ‘ডাম্বো’। সিনেমাটির গল্পে দেখা যাবে, ছোট্ট একটা হাতির ছানার নাম ডাম্বো। তার কান দুটো বিরাট বড়। আর সেই কান নিয়ে সবাই হাসাহাসি করে। ঘটনাক্রমে মাকে হারিয়ে ডাম্বোকে চলে যেতে হয় সার্কাসে। কিন্তু সেই সার্কাসেই একদিন আবিষ্কার হলো ডাম্বোর অদ্ভুত ক্ষমতা। ডাম্বো উড়তে পারে! তার বিরাট দুটো কান ডানার কাজ করে। ডাম্বোর উড়তে পারার কথা ছড়িয়ে যায় সবখানে। সে বনে যায় সার্কাসের বড় স্টার। ইতিমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই এই আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। দেখুন ট্রেলার ভিডিও : এসএ/

নিজেকে উভকামী বললেন অম্বর হার্ড

অভিনেত্রী অম্বর হার্ড। জনি ডেপের প্রথম স্ত্রী। যদিও সে সংসার টিকেনি বেশিদিন। সম্প্রতি নিজেকে উভকামী বলে জানালেন এই অভিনেত্রী।  এক নিঃশ্বাসে তিনি বলেন, ‘আমার জন্ম টেক্সাসের অস্টিনে। এক ধার্মিক পরিবারে আমার বেড়ে ওঠা। আমার বাবা এসব দিক দিয়ে খুবই কড়া ছিলেন। আমি বেশি কথা বলতে ভালোবাসি, আমি নিরামিশাশি এবং হ্যাঁ আমি উভকামী। অর্থাৎ আমি নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রতি আকৃষ্ট। আর আমার প্রথম প্রেমিকা ছিল, প্রেমিক নয়।’ নিজের সম্পর্ক নিয়ে অম্বর আরও বলেন, ‘প্রথম যখন আমি একটি মেয়েকে প্রেম নিবেদন করেছিলাম সে কিন্তু আমায় ফিরিয়ে দিয়েছিল। কারণ তার পরিবার আমাকে মেনে নেয়নি। তারপর আমি প্রচুর কান্নাকাটি করেছিলাম। এরপর পাঁচ বছর আমার বাড়ির সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য যখন পুরস্কার পাওয়া শুরু করি তখন তার বাবা-মা আমার সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন। ভ্যান রি-এর সঙ্গে আমার সম্পর্ক তখন তুঙ্গে। দীর্ঘ ছয় বছরের সম্পর্কের পর আমি বেরিয়ে আসি। আর এখন অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। আমার কাছে ভালোবাসাই সব। সেখানে ছেলে বা মেয়ে কোনও বাধা নয়। আমি মানুষকে ভালোবাসতে জানি।’ এসএ/  

মাইকেল জ্যাকসনের খ্যাতি কি হুমকির মুখে?

মাইকেল জ্যাকসনকে অনেক দশক ধরে ‘পপ সম্রাট’ নামে  ডাকা হয়েছে। তিনি হলেন সর্বকালের সেরা তারকাদের একজন। কিন্তু ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ নামের একটি তথ্যচিত্র প্রচারের পর তার সেই সুনাম এখন প্রশ্নে মুখে পড়েছে। এ সপ্তাহে প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়েছে যে, জেমস সেফচাক এবং ওয়েড রবসন নামের দুইজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, শিশু থাকাকালে তাদের নির্যাতন করেছেন এই গায়ক। যদিও মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে, কিন্তু এই অভিযোগ তার নামের ওপর বিশাল এক কালো ছায়া তৈরি করেছে। ওই তথ্যচিত্রে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা নি:সন্দেহে অনেককে বিব্রত এবং অস্বস্তিতে ফেলবে। ওই দুইজন ব্যক্তি মাইকেল জ্যাকসনের দ্বারা নির্যাতনের যে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন, তা অনেককেই হতবাক করে দিতে পারে। তবে এই গায়ক দোষী নাকি নির্দোষ, তা নিয়ে সেলিব্রেটি এবং দর্শকদের মধ্যে বিভক্ত মতামত তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, ওই তথ্যচিত্রে মাইকেল জ্যাকসনকে একজন শিশু যৌন নির্যাতনকারী হিসাবে দেখানো হয়েছে। তবে অন্যরা এখনো তার পক্ষে রয়েছেন এবং মনে করেন যে, তিনি নির্দোষ। তবে পিআর কোম্পানি রাইট অ্যাঙ্গেলসের প্রতিষ্ঠাতা পল ব্লানচার্ড মনে করেন, মাইকেল জ্যাকসনের উত্তরাধিকারের ওপর এর কি প্রভাব পড়বে, তা এখনি বলা কঠিন। জ্যাকসনের ব্যাপারে এসব অভিযোগ শক্তভাবে নাকচ করে দিয়েছে তার পরিবার। তারা বলছে, এসব অভিযোগের উদ্দেশ্য হচ্ছে জ্যাকসনের সম্পত্তি থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। তার ভাগ্নে তাজ জ্যাকসন গণমাধ্যমকে বলেন, মাইকেল জ্যাকসন বেঁচে থাকলে এসব অভিযোগ শুনে কেঁদে ফেলতেন। তবে জ্যাকসনের মা এবং বোন এখনো এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করেননি। তার মেয়ে প্যারিস জ্যাকসন ওই তথ্যচিত্র প্রচারের পর থেকেই মিডিয়ার বাইরে রয়েছেন এবং এ বিষয়ে সরাসরি কোন মন্তব্য করেননি। তবে বৃহস্পতিবার একটি টুইট বার্তায় তিনি তার সমর্থকদের শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি নিজে যতটা না নিয়েছি, তার চেয়ে তোমরা আমার জীবনকে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছো।’ তিনি বলছেন, ‘অবিচার এবং হতাশার বিষয়ে আমি জানি এবং কিন্তু ক্ষোভ বা রাগের বদলে শান্ত মনকে ধরে রাখা বেশি যুক্তি সঙ্গত....বরং মনকে কোমল করলেই বেশি ভালো লাগে।’ ওই তথ্যচিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রদর্শন করার এইচবিও-র বিরুদ্ধে ১০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছে মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং কানাডাসহ বিশ্বের বেশ কিছু রেডিও স্টেশন মাইকেল জ্যাকসনের গান প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্যের রেডিও স্টেশনগুলো এখনো এ ধরণের পদক্ষেপ নেয়নি। গণমাধ্যম বলছে, তারাও ওই গায়ককে নিষিদ্ধ করেনি এবং তার গানগুলো বিবিসির অনুষ্ঠানে চলতে পারে। তবে মাস্ট ওয়াচ বিবিসি পডকাস্টের উপস্থাপক স্কট ব্রায়ান বলেছেন, তথ্যচিত্রটি দেখার পর তিনি তার আইফোন থেকে মাইকেল জ্যাকসনের ১৫টি গান মুছে ফেলেছেন। ‘কয়েকদিন পরে আমি একটি ক্যাফেতে বসে ল্যাপটপে কাজ করছিলাম আর তখন মাইকেল জ্যাকসনের একটি গান বাজতে শুরু করে। তখন আমি হেডফোন তুলে কানে লাগাতে বাধ্য হলাম, কারণ আমি কাজ মন দিতে পারছিলাম না। আমার খানিকটা অস্বস্তি লাগছিল।’ তবে রেডিও ১ শ্রোতা ক্রিস্টিন মনে করেন, মানুষ এখনো মাইকেল জ্যাকসনের গান শুনবে। ‘তিনি হচ্ছেন পপ সম্রাট। আমি এমনকি ভাবতেও পারিনা যে, কতজন গায়ক তাকে নিজের রোল মডেল হিসাবে নিয়েছে।’ ‘তার চমৎকার কিছু একক গান আর অ্যালবাম আছে। সুতরাং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে জানার সুযোগ দিতে হবে যে, তাদের অতীত গানগুলো কোথা থেকে এসেছে?’ সিম্পসনের একটি পর্বে লিওন কম্পোওস্কির জন্য ১৯৯১ সালে কণ্ঠ দিয়েছিলেন মাইকেল জ্যাকসন। তবে ওই এপিসোডটি এখন সব স্ট্রিমিং সার্ভিস থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সিম্পসনের নির্বাহী প্রযোজক জেমস এল ব্রুকস বলছেন, ‘আমাদের সামনে এই একটি মাত্র পথই খোলা রয়েছে।’ ব্রিটেনের জাতীয় ফুটবল জাদুঘর থেকে মাইকেল জ্যাকসনের একটি ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্ডি ব্রার মনে করেন, এই তথ্যচিত্রের ফলে মাইকেল জ্যাকসনের ব্রান্ড ইমেজের ওপর দীর্ঘমেয়াদি একটি ছাপ থেকে যাবে। আর ইন্টারনেটের কারণে মাইকেল জ্যাকসনের নামের সঙ্গে এসব অভিযোগ সবসময়েই দেখা যাবে। ‘আমি তার গান শুনে শুনে বড় হয়েছি এবং আমার তিনটি ছোট সন্তান রয়েছে। কিন্তু এত কিছু জানার পরেও তাদের আমি জ্যাকসনের গান শুনতে দেবো কিনা,তা নিয়ে আমাকে আবার ভাবতে হবে ’ তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নেয়ার কাইলি জেনার

২১ বছর বয়সী মার্কিন মডেল, অভিনেত্রী, রিয়েলিটি শো তারকা কাইলি জেনার। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা তালিকায় বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নেয়ার হিসেবে উঠে এসেছেন তিনি। তবে এই সম্পদ তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, গড়েছেন নিজের যোগ্যতায়। কারদাশিয়ান পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য কাইলি বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছেন তার কসমেটিকস ব্যবসার মাধ্যমে। তিন বছর আগে যাত্রা শুরু করা কাইলি কসমেটিকস গতবছর আয় করেছে ৩৬ কোটি ডলার। বিস্ময়ের সঙ্গে বলতে হয়- সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নেয়ার হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পথে ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গকেও ছাড়িয়ে গেছেন কাইলি জেনার। জাকারবার্গ বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিলেন ২৩ বছর বয়সে। এই সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় কাইলি জেনার ফোর্বসকে বলেছেন, ‌আমি ভবিষ্যত জানতাম না। আমি কিছু প্রত্যাশাও করিনি। তবে খবরটা সত্যিই ভালো। খুবই ‍উৎসাহব্যাঞ্জক। ফোর্বসের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির আসনটি ধরে রেখেছেন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রধান জেফ বেজোস। তার সম্পদের পরিমাণ গত এক বছরে ১৯ বিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ১৩১ বিলিয়ন ডলার। সূত্র : বিবিসি এসএ/

নিষিদ্ধ লেসবিয়ান লাভ স্টোরি জিতে নিলো পুরষ্কার

আফ্রিকার সবচেয়ে বড় ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অ্যাওয়ার্ড জিতে নিলো লেসবিয়ান লাভ স্টোরির। অথচ এর নায়িকার নিজ দেশেই সিনেমাটি নিষিদ্ধ। কেনিয়ার একজন অভিনেত্রী এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন একজন লেসবিয়ান বা নারী সমকামীর চরিত্রে। সঙ্গত কারণেই নিজ দেশে আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে মুভিটি। সেই অভিনেত্রী সামান্থা মুগাতসিয়াই সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার পেয়েছেন ফেসপ্যাকো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। এটি আফ্রিকার সবচেয়ে বড় ফিল্ম ফ্যাস্টিভ্যাল হিসেবে স্বীকৃত এবং এবার সেটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুরকিনা ফাসোতে। সমকামিতাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে গত বছরই এই ফিল্মটি নিষিদ্ধ করেছিলো নায়িকা সামান্থার দেশ কেনিয়ার ফিল্ম ক্লাসিফিকেশন বোর্ড। দেশটিতে সমকামিতা পুরোপুরি অবৈধ। এমনকি সমকাম দেশটিতে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যদিও দেশটির হাইকোর্ট আগামী মে মাসে একটি রুল দেয়ার কথা যে নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে কি-না। কেনিয়ার ফিল্ম ক্লাসিফিকেশন বোর্ড আগেই সতর্ক করেছিলো যে এ সিনেমায় কাউকে দেখা গেলে সেটি আইনের লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হতে পারে। সিনেমাটির নাম রাফিকি যার অর্থ বন্ধু। এখানে দু তরুণীর ভালোবাসার গল্পই উঠে এসেছে। তারা একে অন্যের সাথে সাক্ষাতের পর একজন আরেকজনের প্রেমে পড়েছেন। তাদের রোমান্স বা প্রেম ভালোবাসার ছিলো হোমোফোবিয়ার বিরুদ্ধে আবার তাদের দুজনের পরিবার ছিলো দু রাজনৈতিক মেরুর। উগান্ডার লেখক মনিকা আরাক ডি এনইয়েকুর লেখা ছোটো গল্প জাম্বুলা ট্রি`র ওপর ভিত্তি করেই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে। এ গল্পটি আগেই পুরস্কার জিতে নিয়েছিলো। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রের অ্যাওয়ার্ড জেতাকে টুইট বার্তায় স্বাগত জানিয়েছেন সিনেমাটির পরিচালক ওয়ানুরি কাহিয়ু। ফেসপ্যাকো চলচ্চিত্র উৎসবটির পঞ্চাশতম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে এবার। এখানে সেরা অভিনেতার পুরষ্কার পেয়েছেন দি মার্সি অফ দা জাঙ্গল মুভির মার্ক জিঙ্গা। এই ছবিটির পরিচালকও অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। বিবিসি বাংলা এসি  

বর্ণবাদ নিয়ে হলিউডের কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র

‘গ্রিন বুক’ এ বছর সেরা চলচ্চিত্রের অস্কার জিতে নিয়েছে৷ কিন্তু বর্ণবাদ নিয়ে এই প্রথম কোনো ছবি আলোড়ন তুললো এমন নয়৷ একই ইস্যুতে হলিউডে এর আগেও চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়েছে এবং প্রশংসা ও পুরস্কার জিতেছে৷ ছবিঘরে দেখে নিন৷ ২০১৯ সালের সেরা ছবি: গ্রিন বুক পিটার ফ্যারেলি পরিচালিত ‘গ্রিন বুক’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ হয়েছে বাস্তব কাহিনির উপর ভিত্তি করে৷ ভিগো মোর্টেনসেন (বামে) একজন গাড়ি চালকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যিনি পিয়ানিস্ট মাহেরসালা আলীকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ রাজ্যগুলোতে ঘুরে বেড়ান৷ তাঁর কাছে থাকে একটি সবুজ রঙের বই, যেখানে সেসব রেস্তোরাঁ আর মোটেলের তালিকা আছে, যেগুলো কেবল কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য৷ ‘ব্ল্যাকক্ল্যান্সম্যান’ এর জন্য অস্কার বেস্ট অ্যাডাপটেড স্ক্রিনপ্লে’র জন্য চলতি বছর অস্কার জিতেছে এই ছবিটি, যেটাতে বর্ণবাদকে উপজীব্য করা হয়েছে৷ পরিচালক স্পাইক লি সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন৷ ৭০ এর দশকে একটি গ্যাং-এর কর্মকাণ্ড তদন্ত করেন একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশ৷ এই ঘটনা নিয়েই সিনেমার কাহিনি গড়ে উঠেছে৷ ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ চলতি বছরে অস্কার পাওয়া চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি তৃতীয় ছবি, যা বর্ণবাদের সঙ্গে যুক্ত৷ ২০১৮ সালে মার্ভেলের চলচ্চিত্র ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ প্রথমবারের মতো কৃষ্ণাঙ্গ সুপারহিরোদের জনসমক্ষে এনেছে৷ ‘মিসিসিপি বার্নিং’ ভেঙে দেয় সব ট্যাবু ১৯৮৮ সালে অ্যালেন পার্কারের মুভি ‘মিসিসিপি বার্নিং’-এ তিন সমাজকর্মীর অন্তর্ধানের গল্প বলা হয়েছে৷ ‘ইনভিকটাস’ ২০০৯ সালে ইস্টউড দ্বিতীয়বারের মতো বর্ণবাদকে তাঁর চলচ্চিত্রের বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেন৷ ‘ইনভিকটাস’ খেলা নিয়ে একটি কাহিনি, যেখানে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় রাগবি দলের গল্প বলেছেন৷ জার্মান ভাষায় এই চলচ্চিত্রের নাম ‘শত্রুরা যেভাবে বন্ধু হলো’৷ এই চলচ্চিত্রে নেলসন ম্যান্ডেলার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মর্গ্যান ফ্রিম্যান৷ ‘দ্য বাটলার’ বর্ণবাদ নিয়ে শিক্ষণীয় চলচ্চিত্র এটি৷ ২০১৩ সালের এই ছবিতে ফরেস্ট হোয়াইটেকার এবং অপরাহ উইনফ্রে অভিনয় করেছেন৷ এই চলচ্চিত্রে আফ্রো-অ্যামেরিকান বাটলার ইউজেন অ্যালেন-এর গল্প বলা হয়েছে, যিনি আট জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করেছিলেন৷ ‘টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেভ’ ২০১৩ সালে মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটি এবং সে বছর সেরা ছবির অস্কার জিতে নেয়৷ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীতদাস প্রথা নিয়ে নির্মিত এটি৷ ব্রিটিশ পরিচালক স্টিভ ম্যাককুইন এই চলচ্চিত্রে দুর্দান্ত অভিনেতাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছেন৷ ২০১৭ সালের সেরা ছবি ‘মুনলাইট’ ব্যারি জেনকিন্স পরিচালিত ‘মুনলাইট’ চলচ্চিত্রে আফ্রো-অ্যামেরিকান এক ব্যক্তির গল্পকে তিন অধ্যায়ে দেখানো হয়েছে৷ এই ছবির সিনেমাটিক কাজ অসাধারণ৷ ফলে কোনো ধরণের মেলোড্রামা ছাড়া এই ছবির মূল উপজীব্য উপস্থাপিত হয়েছে৷ ‘আই অ্যাম নট ইওর নিগ্রো’ গত কয়েক দশক ধরেই বলিউডে বর্ণবাদকে ইস্যু করে চলচ্চিত্র, এমনকি তথ্যচিত্র নির্মাণ হয়েছে৷ হাইতির পরিচালক রাউল পেক ২০১৬ সালে অসাধারণ একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন যার নাম ‘‘আই অ্যাম নট ইওর নিগ্রো’৷ ডয়েচে ভেলে এসি    

অস্কারে সেরা অভিনেতা রামি মালেক, অভিনেত্রী অলিভিয়া কোলম্যান

হলিউডের ৯১তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্র এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের আসরে সেরা অভিনেত্রীর মুকুট জিতে নিয়েছেন অলিভিয়া কোলম্যান। ‘দ্য ফেভারিট’ ছবিতে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথমবার অস্কার পেলেন। অপরদিকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন রামি মালেক সাঈদ। ‘বোহেমিয়ান রাপসডি’ চলচ্চিত্রে ঝলক দেখানোর জন্য তিনি এ পুরস্কার পেলেন। যুক্তরাষ্ট্রের লসঅ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটার হলে সোমবার অস্কারের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এবার সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে গ্রিন বুক।একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন আলফনসো কুয়ারন। মেক্সিকান সিনেমা ‘রোমা’ নির্মাণ করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো অস্কার পেলেন। একই সিনেমার জন্য সেরা বিদেশি ভাষার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাহেরশালা আলি। ‘গ্রিন বুক’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি এ পুরস্কার জিতেন। মাহেরশালা দুই বছর আগেও ‘মুনলাইট’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার অস্কার জিতে নিয়েছিলেন। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন রেগিনা কিং, ইফ বেলে স্ট্রিট কুড টক ছবিটির জন্য। আর বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্রের পুরস্কারটি জিতে নিয়েছে আলফনসো কুয়ারনের ‘রোমা’ ছবিটি। মেক্সিকান এ ছবিটি নির্মিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ছবিটি সেরা ছবির জন্য মনোনয়ন পেলেও জিততে পারেনি। এ ছাড়া একাধিক ক্যাটাগরিতে অস্কার পেয়েছে গ্রিন বুক ও রোমা। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও যারা অস্কার পেলেন #সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্মের পুরস্কার জিতেছে স্পাইডারম্যান: ইনটু দ্য স্পাইডার-ভার্স। #সেরা অরিজিনাল সং-এর অস্কার জিতেছেন লেডি গাগা। #সেরা ডকুমেন্টারি ফিচার: ফ্রি সলো। #সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন: ব্ল্যাক প্যান্থার, হান্না বেচলার ও জে হার্ট। #সেরা কস্টিউম ডিজাইন: ব্ল্যাক প্যান্থার, রুট ই কার্টার। #সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: রোমা, আলফনসো কুরনার। #সেরা মেকআপ ও হেয়ারস্টাইল: ভাইস, গ্রেগ ক্যানমন, কেট বিসকো, প্যাট্রিসিয়া ডিহ্যানি। #সেরা সাউন্ড এডিটিং: বোহেমিয়ান রেপসোডি, পল ম্যাসি, টিম ক্যাভিগান, জন সেসলি। #বেস্ট অ্যানিমেটেড শর্টফিল্ম: বাও #বেস্ট ফিল্ম এডিটিং: বোহেমিয়ান রেপসোডি, জন অটোমেন। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

৯১তম অস্কারে সেরা চলচ্চিত্র গ্রিন বুক

হলিউডের ৯১তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্র এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে গ্রিন বুক। এটি হলিউডের সবচেয়ে মর্যাদার পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্রের লসঅ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটার হলে সোমবার অস্কারের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এবারের আসরে সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্রের পুরস্কারটি জিতে নিয়েছে আলফনসো কুয়ারনের ‘রোমা’ ছবিটি। মেক্সিকান এ ছবিটি নির্মিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। এছাড়াও এ আসরে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন অলিভিয়া কোলম্যান। ‘দ্য ফেভারিট’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথমবার এ পুরস্কার পেলেন।অন্যদিকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন রামি সাঈদ মালেক। বোহেমিয়ান রাপসাডি চলচ্চিত্রের জন্য তিনি এ পুরস্কার পেলেন। সেরা পরিচালক হয়েছেন আলফনসো কুয়ারন। মেক্সিকান সিনেমা ‘রোমা’ নির্মাণ করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো অস্কার পেলেন। একই সিনেমার জন্য সেরা বিদেশি ভাষার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে।  ‘গ্রিন বুক’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাহেরশালা আলি। তিনি দুই বছর আগেও ‘মুনলাইট’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার অস্কার জিতে নিয়েছিলেন। এদিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন রেগিনা কিং। তিনি ইফ বেলে স্ট্রিট কুড টক ছবির জন্য এ পুরস্কার পান। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

অস্কারের ৯১তম আসরের পর্দা উঠল

বিশ্ব সিনেমা অঙ্গনের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অস্কার। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের ডলবি থিয়েটারে ৯১তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত আসরের উদ্বোধন হয়। মর্যাদাপূর্ণ অস্কার পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে হলিউডের ডলবি থিয়েটার হলে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে সর্বশেষ আপডেট, ২০১৯ সালের অস্কারে সেরা বিদেশি ভাষার ছবির পুরস্কার জিতে নিয়েছে আলফনসো কুয়ারনের ‘রোমা’ ছবিটি। মেক্সিকান এই ছবিটি নির্মিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাহেরশালা আলি। ‘গ্রিন বুক’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি এই পুরস্কার জিতেন। মাহেরশালা দুই বছর আগেও ‘মুনলাইট’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার অস্কার জিতে নিয়েছিলেন। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন রেগিনা কিং, ইফ বেলে স্ট্রিট কুড টক ছবিটির জন্য। এছাড়া,সেরা এনিমেটেড ফিচার ফিল্মের পুরস্কার জিতেছে, স্পাইডারম্যান: ইনট্যু দ্য স্পাইডার-ভার্স। সেরা ডকুমেন্টারি ফিচার: ফ্রি সলো। সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন: ব্ল্যাক প্যান্থার, হান্না বেচলার ও জে হার্ট। সেরা কস্টিউম ডিজাইন: ব্ল্যাক প্যান্থার, রুট ই কার্টার। সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: রোমা, আলফানসো কুরনার। সেরা মেকআপ ও হেয়ারস্টাইল: ভাইস, গ্রেগ ক্যানমন, কেট বিসকো, প্যাট্রিসিয়া ডিহ্যানি। সেরা সাউন্ড এডিটিং: বোহেমিয়ান রেপসোডি, পল ম্যাসি, টিম ক্যাভিগান, জন সেসলি। বেস্ট ফিল্ম এডিটিং: বোহেমিয়ান রেপসোডি, জন অটোমেন। বেস্ট এনিমেটেড শর্টফিল্ম: বাও এবারের অস্কার আসর কিছুটা ব্যতিক্রম। কেভিন হার্ট অস্কার উপস্থাপনা থেকে সরে আসায় এবার আসরে নেই কোনও সঞ্চালক। গত ৩০ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম এমনটা ঘটলো। টিআর/

অস্কারের আসর বসছে আজ

আজ রাতে (বাংলাদেশ সময় ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোর) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে বসবে ৯১তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত আসর। সবার নজর তাই চলচ্চিত্র দুনিয়ার সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অস্কারের দিকে। প্রতি বছরের মতো এবারও টিভি পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে অনুষ্ঠানটি। আমেরিকার দর্শকরা ‘এবিসি’তে উপভোগ করতে পারবেন এ বর্ণাঢ্য আয়োজন। এ ছাড়াও বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে বিশ্বের ২২৫টি দেশের দর্শকরা অস্কার অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখতে পারবেন। বাংলাদেশের দর্শক অস্কার উপভোগ করতে পারবেন ভারতীয় চ্যানেল স্টার মুভিজে। বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দেখা যাবে অস্কার অনুষ্ঠান। এ সময়ে লালগালিচা মাতানো শুরু করবেন তারকারা। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ৭টা থেকে। এবারের আসরে আলফনসো কুয়ারন পরিচালিত ‘রোমা’ ও ইয়র্গেস লানতিমোসের ‘দ্য ফেভারিট’ সর্বোচ্চ ১০টি করে মনোনয়ন পেয়েছে। সেরা ছবি বিভাগে লড়াই করবে ব্ল্যাক প্যান্থার, ব্ল্যাকক্লান্সম্যান, বোহেমিয়ান রেপসোডি, দ্য ফেভারিট, গ্রিন বুক, রোমা, এ স্টার ইজ বর্ন ও ভাইস। সেরা পরিচালক বিভাগে লড়বেন স্পাইক লি (ব্ল্যাকক্লান্সম্যান), পাওয়েল পাওলিকস্কি (কোল্ড ওয়ার), ইয়র্গেস লানতিমোসের (দ্য ফেভারিট), আলফনসো কুয়ারন (রোমা) ও অ্যাডাম ম্যাককে (ভাইস)। সেরা অভিনেতা হওয়ার দৌড়ে লড়াই করবেন ক্রিস্টিয়ান বেল (ভাইস), ব্র্যাডলি কুপার (এ স্টার ইজ বর্ন), উইলেম দাফো (অ্যাট ইটারনিটিস গেট), রামি মালেক (বোহেমিয়ান রেসোডি) ও ভিগো মর্টেনসেন (গ্রিন বুক)। সেরা অভিনেত্রী বিভাগে লড়বেন ইয়ালিতজা আপারিতিও (রোমা), গ্লেন ক্লোস (দ্য ওয়াইফ), অলিভিয়া কোলম্যান (দ্য ফেভারিট), লেডি গাগা (এ স্টার ইজ বর্ন), মেলিসা ম্যাকার্থি (ক্যান ইউ এভার ফরগিভ মি)। এ ছাড়া আরও ২০টি বিভাগে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে এ পুরস্কার।এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি