ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৩৫:২০

২২ দিনের ৩ দিনই শুক্র-শনিবার

২০১৯ সালে সরকারি ছুটি

২২ দিনের ৩ দিনই শুক্র-শনিবার

২০১৯ সালের সরকারি  ছুটির খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী বছর ২২ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এতে দেখা গেছে, ৩ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। আবহাওয়া অধিদফতর, বাংলা একাডেমি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে করা তালিকাটি এখন মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদিত হতে পারে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে। জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। কোনো শুক্র ও শনিবার এই ছুটি পড়েনি। এর বাইরে খসড়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারী  শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১ মে মে দিবস, ১৮ মে বুদ্ধপূর্ণিমা, ৩১ মে জুমাতুল বিদা, ৫ জুন ঈদুল ফিতর, ১২ আগস্ট ঈদুল আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২৩ আগস্ট শুভ জন্মাষ্টমী, ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১০ নভেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)। নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে রয়েছে, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২১ এপ্রিল শবে-বরাত, ২ জুন শবে-কদর, ৪ ও ৬ জুন ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ১১ ও ১৩ আগস্ট ঈদুল আজহার আগে ও পরের দিন এবং ১০ সেপ্টেম্বর আশুরা। ঐচ্ছিক ছুটির (মুসলিম পর্ব) রয়েছে, ৪ এপ্রিল শবে-মেরাজ, ৭ জুন ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন, ১৪ আগস্ট ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন, ২৩ অক্টোবর আখেরি চাহার সোম্বা এবং ৯ ডিসেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ৪ মার্চ শিবরাত্রী ব্রত, ২১ মার্চ দোলযাত্রা, ৩ এপ্রিল হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ২৮ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৭ অক্টোবর দুর্গাপূজা (নবমী), ১৩ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৭ অক্টোবর শ্যামাপূজা। এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ৬ মার্চ ভস্ম বুধবার,১৮ এপ্রিল পুণ্য বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল পুণ্য শুক্রবার, ২০ এপ্রিল পুণ্য শনিবার, ২১ এপ্রিল ইস্টার সান-ডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি। ঐচ্ছিক ছুটির (বৌদ্ধ পর্ব) মধ্যে রয়েছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি, ১৬ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৩ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১৩ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব। কেআই/
মাত্র ৫ মিনিটেই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন! 

মাত্র ৫-৭ মিনিটেই মোবাইলের আইএমআইএ (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) পরিবর্তন করে ফেলা যায়। বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে খুব সহজে এই কাজটি করা হয়। চোরাই ও ছিনতাই করা মোবাইল সেটের আইএমআইএ নম্বর পরিবর্তন করে পুনরায় বিক্রি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ফ্ল্যাশ ডিভাইস ব্যবহার করে যেকোনও মোবাইল আনলক করে, অপরাধী চক্রের কাছে তুলে দিত।     মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) কাওরান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. এমরানুল হাসান একথা জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার অভিযান চালিয়ে ৫৩১টি মোবাইল চোরাই মোবাইল, দু’টি সিপিইউ ও আইএমইএই নম্বর পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত ৬টি ডিভাইসসহ আটক করে র‍্যাব-৩। আটক ১৫ জন ৫-৬ মাস ধরে এ কাজ করছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মোতালেব (২৬), রিপন (৩৭), মান্নান (৩৯), রাশেদ খান (২৪) আনিস মোল্লা (২৮) জাহিদুল ইসলাম (২১) পলক (১৯) রাশেদুল ইসলাম (২১) নাঈম সর্দার (১৮) স্বপন (২৬) রানা হামিদ (২২) মাসুদ রানা (২৪) নাজিম (২৬) কামাল হোসেন (১৭)। র‌্যাব চোরাই চক্রের বিরুদ্ধে সোমবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গুলিস্তান পাতাল মার্কেট ও ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ১১টি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় কাগজবিহীন পাঁচ শতাধিক মোবাইল। আটকৃকতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, ছিনতাই, চোরাই মোবাইল কিনে আইএমইআই পরিবর্তন করে নানান অপরাধে কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে আসছিল। অভিযানের সময় আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনের কাজ করছিল। তারা বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাত্র পাঁচ-সাত মিনিটের মধ্যেই আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে ফেলে। এছাড়া যেকোনও আন্ড্রয়েড মোবাইলের লক খুলে আবার বিক্রি করতো। র‍্যাব-৩ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান বলেন, ‘আইএমআইএ নম্বর পরিবর্তানের সময় কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। মাসুদ লাকুরিয়া এ চক্রে মূল হোতা। প্রায় ৬ মাস ধরে তারা এ কাজ করছে। মোতালেব ও মান্নান নামে দুজন নিজস্ব লোক দিয়ে দোকানে মোবাইল বিক্রি করতো।’ র‍্যাব-৩ এর সদস্যরা আলী ইলেকট্রনিক্স, সিমলা ইলেকট্রনিক্স, সাকিব ইলেকট্রনিক্স, আজমেরি ইলেকট্রনিক্স, আবির ইলেকট্রনিক্স, সুমাইয়া টেলিকম, ইলেকট্রনিক্স কর্নার, ইলোক কনিক্স কর্নার, আলামিন ইলেকট্রনিক্স, রহমত ইলেকট্রনিক্স এবং সিটি ইলেকট্রনিক্সে অভিযান চালায়। এসি 

ঘাতক দলাল নির্মূল কমিটির দাবি বাস্তবায়নের চিন্তা আছে ইসির

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পাঁচ দাবি বাস্তাবায়নের চিন্তা আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)র বলে জানিয়েছেন সংস্থাটি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বৈঠক শেষ সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সবনির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হুমকি প্রদানকারীদের শাস্তির আওতায় আনা জামায়াতের অনুসারীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে ঘোষণাসহ যে সকল দাবি নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হয়েছে এসব দাবি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশনের চিন্তা আছে। ঘাতক দলাল নির্মূল কমিটির কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৯২টি নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভোটের সংখ্যা ১২ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। যার বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ।   টিআর/    

সুষ্ঠু নির্বাচনে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৫ দফা দাবি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বৈঠকে বসেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়। ইসির কাছে কমিটির পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ঝুঁকিপূর্ণ সব নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হুমকি প্রদানকারীদের শাস্তির আওতায় আনা জামায়াতের অনুসারীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে ঘোষণা করতে হবে যে,তাদের সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই;নির্বাচনের সময় মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানবিরোধী এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা--বিদ্বেষ প্রচারকারীদের শাস্তির আওতায় আনা `৭১-এর গণহত্যাকারীদের সন্তান বা পরিবারের অন্যান্য সদস্য, যারা সর্বোচ্চ আদালতের রায় অগ্রাহ্য করছেন, তাদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অযোগ্য ঘোষণা এবং সেনাবাহিনীকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করলে তাদের অন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে বলে দাবিতে জানানো হয়। কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৯২টি নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভোটের সংখ্যা ১২ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। যার বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ। বৈঠকে সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত রয়েছেন। এতে কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল উপস্থিত রয়েছেন। টিআর/

মঈনুল পাকিস্তানি হানাদারদের দালালি করতো : প্রধানমন্ত্রী

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় সে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর দালালি করত। ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যে লোক একজন নারী সাংবাদিককে কটূক্তি করলো তার বাচনভঙ্গী ছিল খুব খারাপ। তার কাছে অাপনারা কী অাশা করবেন? অাজ সোমবার গণভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফর শেষে দেশে ফেরা উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের অায়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ইত্তেফাক থেকে সিরাজুদ্দীন সাহেবকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। এ জন্য সে ( মঈনুল হোসেন) কম দায়ী না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনী মোশতাক একটা দল করেছিল। মঈনুল হোসেন সেই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। খুনী বজলুল, ডালিম, পাশা এদের নিয়ে সে একটা দল করেছিল। তার রাজনৈতিক দলে কারা? জাতির পিতার অাত্মস্বীকৃত খুনীরা। তার কাছ থেকে ভালো ব্যবহার অার কী পাবেন? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ইত্তেফাকে একটা মার্ডার হয়। নিজে মার্ডার করে নিজের ভাইকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালিয়েছিল। কাকরাইলের বাড়ি নিয়েও ঝামেলা অাছে। সেখানেও একটা মামলা অাছে। অাপনারা সাংবাদিকরা পারলে খুঁজে দেখেন। কাজেই ওনার গুণের শেষ নাই। প্রধানমন্ত্রী অতীত স্মরণ করে বলেন, ওনি ( মঈনুল হোসেন) গিয়েছিলেন ব্যানিস্টারি পড়তে। পড়ে এসে তিনি সাহেব হলেন। মানিক কাকা (তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া) পান্তা ভাত খেতেন। কিন্তু মঈনুল সাহেব ইংরেজি খাবার ছাড়া খেতে পারতেন না। সে জন্য ইংরেজি রান্নার বাবুর্চি রাখা হলো। তার মা অামার মাকে এসব বুঝাতেন। সেই যুগে ১০০ টাকা দিয়ে ইংরেজি খাবার রান্নার জন্য বাবুর্চি রাখা হয়েছিল। কাক ময়ুরের পুচ্ছ পরলে যা হয় অার কী! প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক নারী সাংবাদিককে প্রকাশ্যে টকশোতে কটূক্তিতে করে অালোচনায় অাসেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। তার বাবা প্রথিতযশা সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। অা অা//এসএইচ/

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন সাঈদা মুনা তাসনিম, যিনি থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, সাঈদা মুনা তাসনিম নতুন দায়িত্বে নাজমুল কাওনাইনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। বিসিএস একাদশ ব্যাচের কর্মকর্তা তাসনিম এর আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন ও লন্ডনে বাংলাদেশ মিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ ও বহিঃপ্রচার অণুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন ১৯৯৩ সালে। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৮ সালে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং পরে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনকূটনীতি ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে সাঈদা তাসনিম তিন সন্তানের জননী। আরকে//

ঢাবির‘ঘ’ইউনিটে প্রশ্নফাঁস, অধিকতর তদন্তে ফের কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘ ইউনিটে গত বছরের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি যে কমিটি সেই ব্যর্থ কমিটিকেই আবার ঘ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসের তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আজ সোমবার চলতি বছরের ঢাবি ঘ ইউনিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এই অধিকতর তদন্তে এই কমিটি গঠন করা করা হয়। এবিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, সঠিক তদন্তে আবারও নতুন করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ( শিক্ষা ) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদকে প্রধান করে একটি কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য বাহালুল মজনুন চুন্নু, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার, ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। ২০১৭-১৮ সেশনে ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। সেই ব্যর্থ কমিটিকে কেন আবার অধিকতর তদন্ত কমিটিতে রাখা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, গত বছরের কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদেরকে দুই সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে। দেখা যাক। সব বিষয় তো আর উপাচার্য দেখেন না। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ঘ ইউনিটের (১২ অক্টোবর) পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। এই প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ১৬ অক্টোবর ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ করেন। এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র অনশন শুরু করে। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। ছাত্রলীগ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে আবার পরীক্ষা নেওয়ার দাবিসহ চার দফা দাবি জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ওই সময় ছাত্রলীগের দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন। উপাচার্য দেশে আসলে তিনি সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান। তবে গতকাল উপাচার্য দেশে এসে আজ অধিকতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে কি করা হয়েছে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী কে বলেন, সবগুলো আমাদের বিবেচনায় আছে। বিষয়টি আদালতে আছে। এটা নিয়ে পাবলিকলি কিছু বলতে চাচ্ছি না। টিআর/

সুশীলরা সুশীল-ই থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

সুশীল সমাজ সুশীল-ই থাকুক। নির্বাচনকালীন সরকারে এলে তাদের বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রয়োজনে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা বড় হবে। আজ সোমবার বিকাল ৪ টায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনার সদ্য সমাপ্ত সৌদি আরব সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারের পরিসর কেমন হবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অনেকগুলো মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। যদি মন্ত্রিপরিষদ ছোট করা হয় তাহলে অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তাদের একজন মন্ত্রীর কাঁধে অাসবে। ফলে প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন ব্যাহত হবে কিনা তাও দেখার বিষয়। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, অামি চাই প্রকল্পগুলো তাড়াতাড়ি শেষ হোক। সুশীল সমাজের কোনো প্রতিনিধি মন্ত্রিসভায় থাকবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুশীলরা সুশীলই থাক। মন্ত্রিত্ব পেলে তাঁদের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে চার দিনের সরকারি সফর শেষে গত শুক্রবার মধ্যরাতে দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌদি বাদশাহ এবং দুটি পবিত্র মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের আমন্ত্রণে তিনি এ সফরে গিয়েছিলেন। আরও পড়ুন : ছাল-বাকল মিলে ঐক্য করেছে: প্রধানমন্ত্রী অা অা//এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি