ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:৪২:২৪, বুধবার

রেসিপি: মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপ

রেসিপি: মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপ

বাচ্চাদের খাওয়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় কমবেশি সবাইকেই। আর ঠিকঠাক না খেয়ে অপুষ্টিতে ভুগতেও দেখা যায় বাচ্চাদের। আপনার বাড়ির বাচ্চার জন্য ভেজিটবল স্যুপ ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে শুধু বাচ্চা নয়, সবার জন্যই উপকারি এই স্যুপ। উপকরণ ১. টমেটো, গাজর, সবুজ মটর, বিনস ৩ কাপ ২. স্বাদানুসারে লবণ ৩. জিরা পাউডার ১/২ চা চামচ ৪. গোলমরিচ পাউডার ১/২ চা চামচ ৫. গরম করতে হবে ৬. তেল ১ চা চামচ ৭. কয়েকটি কারি পাতা যেভাবে বানাবেন সবজি কেটে প্রেসার কুকারে দু’কাপ পানি দিয়ে ভালো করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর ছাকনিতে ভালো করে ছেঁকে নিতে হবে। এবার স্বাদ পেতে মিশ্রণে যোগ করুন গরম তেল, ধনিয়া পাতা, লবণ, জিরা পাউডার ও গোল মরিচ। এখন গরম গরম পরিবেশন করুন। সূত্র: এনডিটিভি একে//
মজাদার ৫টি চাট রেসিপি

যে কোনও উৎসবের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে খাওয়াদাওয়ার বিষয়টি। এখানে ৫ টি বিশেষ চাটের রেসিপি রইল যা অবশ্যই কোনও উৎসব বা উৎসব ছাড়াই বানিয়ে ফেলুন বাড়িতে- দহি ভাল্লা চাটনি এবং মশলা দিয়ে বানানো সমস্ত খাবারের মধ্যে দহি ভাল্লার মতো মনোগ্রাহী খাবার খুব কম আছে। দহি ভাল্লা যে কোনও উৎবেই বাড়িতে বানাতে পারেন। বন্ধুদের আড্ডাতে এই খাবারই জমাতে পারে বিকেলের জমাটি গল্পে। মাল্টিগ্রেন সেভ পুরি উত্সব মানেই যে পেট খারাপের খাবার খাওয়া এমনটা যারা মনে করেন তাদের জন্য এই পদটি আদর্শ। এই সেভ পুরিতে সবুজ মটরশুটি, আলু, অ্যাভোকাডো, ধনে, টমেটো, পুদিনা চাটনি এবং তেঁতুলের চাটনি থাকে। সবকটিই পরিমাণ মতো দিলে শরীরের পক্ষে ভালো। আলু চাট চটপটে, সুস্বাদু মশলা দিয়ে ভাজা আলুর সঙ্গে দিতে হবে চাটনির, কাটা পেঁয়াজ, তাজা ধনে এবং লেবুর রস। বিকেলে এই সুস্বাদু স্ন্যাক্স বানাতে পারেন বাড়িতেই। আলু টিক্কি সুগন্ধি মশলা, ডাল এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে মাখা আলুর পুর দিয়ে বানানো ভাজা আলুর প্যাটিজ। তেঁতুল বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে মিলিয়ে খেলেই অসামান্য জমে যাবে আড্ডা। পাপড়ি চাট ভাজা এবং ক্রিসপি পাপড়ি দিয়ে মিষ্টি দই, তাজা চাটনি এবং চাট মশলা দিয়ে বানানো পাপড়ি চাটের মতো মুখরোচক আর কিছুই নেই। এই সুস্বাদু চাট দোলের প্রধানতম স্ন্যাক্স। মিস করবেন না। সূত্র: এনডিটিভি একে//

প্রোটিনে পূর্ণ ৩টি স্যুপ

ওজন কমাতে চাইলে শারীরিক কসরতের কোনও বিকল্প নেই। তবে সঙ্গে দরকার ঠিকমতো ডায়েট প্ল্যানেরও। আর সেই জন্যই এখানে রইল তিনটি প্রোটিন সমৃদ্ধ স্যুপের সন্ধান। এই স্যুপে পানির ভাগ বেশি থাকায় আপনার দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকবে। তার উপরে প্রোটিন আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করবে। তাই চলুন জেনে নিই এই তিনটি স্যুপের রেসিপি- ক্লিয়ার চিকেন স্যুপ আপনি কি চিকেন ভালোবাসেন? তাহলে এটা আপনার জন্য সেরা রেসিপি। চিকেন প্রোটিনের পাওয়ারহাউস। এর মধ্যে একটু গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। হজমও হবে বাড়বে স্বাদও। চানা স্যুপ চিকেন স্যুপের বদলে খেতে পারেন ছোলার স্যুপ। এতে খুব সামান্য ক্যালোরি, আর প্রচুর প্রোটিন। ইচ্ছা হলে ডিনারেও এটা খাওয়া যায়। কটেজ চিজ ও পালংশাকের স্যুপ দুটির মধ্যেই প্রচুর প্রোটিন বর্তমান। আর দুটিই স্বাস্থ্যকর উপাদান। তাহলে আর অপেক্ষা কেন। বানিয়ে ফেলুন পছন্দের স্যুপ। সূত্র: এনডিটিভি একে//

রেসিপি: মিষ্টি দই বানানোর সহজ পদ্ধতি

উৎসব,অনুষ্ঠান বা পুজো পার্বণ হোক,বাঙালি বাড়িতে মিষ্টি দই এক অপরিহার্য অঙ্গ। ঘন দুধের সাথে চিনি গলিয়ে সেটাকে এমনি দই-র মত গেঁজিয়ে বা বসিয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টি দই। এই মিষ্টি দেওয়া দইটি বানানো খুবই সোজা। কিন্তু দইটা বসতে সময় লেগে যায় প্রায় ১০-১২ ঘন্টা মত। সরযুক্ত ঘন দুধকে আরও ঘন করে প্রায় শুরু থেকে অর্ধেকে পরিণত করতে হবে। তারপর তাতে মেশাতে হয় গলানো চিনি। এরপর এতে দই মিশিয়ে বসতে দেওয়া হবে ফ্রিজে। এই যে সাদা টক দই এর টক ভাব, তার সাথে গলানো চিনির মিষ্টত্ব, দুটো মিলিয়ে একটা দারুণ স্বাদ নেয় এই পদটি। যদি মনে হয় একবার বাড়িতে চেষ্টা করে দেখবেন, চিন্তার কী আছে! জেনে নিন কিভাবে বানাবেন মিষ্টি দই: প্রয়োজনীয় উপাদান #দুধ - ৭৫০ মিলি #চিনি - ৭ ১/২ টেবিল চামচ #পানি - ১/৪ কাপ #টাটকা দই - ১/২ কাপ #বাদাম - সাজানোর জন্য প্রয়োজনমত যেভাবে তৈরি করবেন ১.একটা গরম প্যানে দুধটা ঢালুন। ২.এরপর এটা ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিন। ৩.অন্যদিকে অন্য একটা প্যানে চিনি দিন। ৪.হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। ৫.এই নাড়াচাড়া করার মধ্যে মাঝে মাঝে গ্যাসটা বন্ধ করুন, আবার চালান। যাতে চিনিটা নিচে না ধরে যায়। ৬.বারবার এরকম করতে করতে এক সময় দেখবেন চিনিটা পুরো গলে গেছে এবং একটা হালকা বাদামি রঙ ধরেছে।  ৭.এবার গ্যাসটা পুরো বন্ধ করে পানি দিন। ৮.ভাল করে মিশিয়ে একপাশে রেখে দিন। ৯.দুধটা অর্ধেক হয়ে গেলে,এবার এতে এই চিনির শিরাপটা ঢেলে দিন। ১০.ভাল করে মিশিয়ে গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন। ১১.ঠাণ্ডা হতে দিন। মোটামুটি উষ্ণ গরম অবস্থায় এলে দেখুন। ১২.এবার টাটকা টক দইটা এর মধ্যে দিয়ে মেশান। ১৩.পরিবেশনের জন্য কেনা ছোট মাটির মটকায় এটা এবার ঢেলে নিন। ১৪.এবার এই মাটির মটকাগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে দিন। ১৫.১০-১২ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন। ১৬.পরিবেশনের আগে ফয়েল সরিয়ে ওপরে কুচনো বাদাম দিয়ে সাজিয়ে দিন। এমএইচ/

রেসিপি: চিংড়ি টিক্কা মশলা

চিংড়ি মানেই জিভে পানি আনা একটা নাম। গরম ভাতের সঙ্গে চিংড়ি, কে না পছন্দ করে? সামুদ্রিক এই মাছটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি প্রোটিনে ভরপুর। বাড়িতে চিংড়ি রান্না করা অতি সহজ, এখানে আমরা যে রেসিপিটা দিচ্ছি, সেটার স্বাদ যেমন একটু অন্যরকম, তেমনি বাড়িতে অতি সহজে বানিয়ে ফেলতে পারবেন এই রেসিপি। এই রান্নাটা করার সময়তেই সুগন্ধে ভরে উঠবে চারদিক, আর আপনার মনে হবে না যে এই খাবার কারও সঙ্গে ভাগ করে নিতে। উপকরণ প্রথমে ২০-২৫টা মোটা মোটা চিংড়ি (পরিষ্কার করে বাছা) ম্যারিনেটের জন্য ১. পরিমাণ মতো লেবুর রস ২. লবণ ১ চা চামচ ৩. মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ ৪. আদা-রসুনের পেস্ট ১ চা চামচ গ্রেভির জন্য ১. দই ১/২ কাপ ২. ক্রিম ১/৪ কাপ ৩. পেঁয়াজ ২টি কুচি করে কাটা ৪. টমেটো (পিউরি) ৩টি ৫. কাশ্মীরি মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ৬. লবণ ১ চা চামচ ৭. হলুদ ১ চা চামচ ৮. গোটা জিরা ১ চা চামচ ৯. গরম মশলার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ১০. আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ ১১. মাখন টেবিল চামচ ১২. তেল ২ টেবিল চামচ ১৩. তন্দুরি মশলা ১ চা চামচ তৈরি করবেন যেভাবে প্রথমে একটা বাটির মধ্যে লেবুর রস, লবণ, আদা-রসুন বাটা ও মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এই পাত্রের মধ্যে চিংড়িগুলো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য ম্যারিনেট করুন। কড়াইতে মাখন গরম করে চিংড়িগুলো ঢেলে দিন, ৫ থেকে ৬ মিনিট ভালো করে নাড়ুন, যতক্ষন না সুসিদ্ধ হচ্ছে। তারপর একটা পাত্রে ঢেলে দিয়ে আলাদা করে রাখুন। এবার এই কড়াইয়ের মধ্যেই একটা চামচ তেল দিয়ে তার মধ্যে জিরা ফোড়ন দিন। ধোঁয়া ওঠার পরে তার মধ্যে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে চার থেকে পাঁচ মিনিট নাড়তে থাকুন। কড়াইতে আদা-রসুন বাটা, লবণ, মরিচের গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে নাড়িয়ে মিশিয়ে নিন। টমেটো পিউরি তৈরি করে কড়াইতে ঢালুন। তিন থেকে চার মিনিট রাখুন ও মিশ্রণটি নরম হতে দিন। এবার আঁচ ঢিমে করে কড়াইতে ক্রিম, দই ও গরম মশলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর ঝোলের মধ্যে চিংড়ি ও তন্দুরি মশলা দিয়ে মিশিয়ে নিন, স্বাদানুসারে লবণ দিতে ভুলবেন না। এবার পছন্দানুসারে নান বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

চিকেন মাঞ্চুরিয়ানের সহজ রেসিপি

চিকেন মাঞ্চুরিয়ানের জন্ম চীনে না হলেও ভারতবর্ষে একে চাইনিজ পদ হিসেবেই খায়৷ চিকেন মাঞ্চুরিয়ান আসলে স্বাদে অনন্য। আসুন শিখে নেওয়া যাক চিকেন মাঞ্চুরিয়ান তৈরির রেসিপি: উপাদান ম্যারিনেশনের জন্য #চিকেন কিমা-২৫০ গ্রাম #একটা ডিমের সাদা অংশের অর্ধেকটা #গোলমরিচ গুঁড়ো-১/৮ চা চামচ #সয়া সস-১ চা চামচ #চিলি পাউডার-২ চিমটি #কর্ন ফ্লাওয়ার-২ টেবিল চামচ #রাইস ফ্লাওয়ার-২ টেবিল চামচ #আদা, রসুন বাটা-১ চা চামচ #লবণ-স্বাদ মতো #তেল-প্রয়োজন মতো মাঞ্চুরিয়ান সসের জন্য #রসুন কুচি-১ টেবিল চামচ #আদা কুচি-আধা টেবিল চামচ #পেঁয়াজ-১টা মাঝারি #সয়া সস-দেড় চা চামচ #রেড চিলি সস-২ টেবিল চামচ #ভিনেগার-১ চা চামচ #চিকেন স্টক-১ কাপ #কর্নফ্লাওয়ার-২ চা চামচ #পানি-৩ টেবল চামচ #লবণ-স্বাদ মতো #চিনি-আধ চা চামচ #ডুমো করে কাটা ক্যাপসিকাম-৩/৪ কাপ #পেঁয়াজকুচি-সবুজ ও সাদা অংশ আলাদা করে তৈরির পদ্ধতি চিকেন মাঞ্চুরিয়ান-চিকেন, সয়া সস, লবণ, আদা-রসুন বাটা, লাল মরিচ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে নিন৷ ডিমের সাদা অংশ ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন৷ চিকেন কিমা ১০-১২টা ভাগে ভাগ করে নিয়ে গোল গোল বল তৈরি করে নিন৷ ময়দা, ডিমে কোট করে তেল গরম করে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন৷ খেয়াল রাখবেন চিকেন যেন ভিতর থেকে ভাল করে সিদ্ধ হয়৷ মাঞ্চুরিয়ান সস-কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবল চামচ পানিতে গুলে নিন৷ আরেকটা ছোট বাটিতে ভিনিগার, রেড চিলি সস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন৷ চিকেন ভাজা তেল আধা টেবল চামচ মতো কড়াইতে রেখে বাকিটা তুলে রাখুন৷ ওই তেলে আদা, রসুন দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না সুন্দর গন্ধ বেরোয়৷ পেঁয়াজ দিয়ে নাড়ুন যতক্ষণ না স্বচ্ছ হচ্ছে৷ এর মধ্যে ক্যাপসিকাম দিয়ে ২ মিনিট নাড়ুন৷ এরপর আস্তে আস্তে সসগুলো মিশিয়ে দিন৷ বুদবুদ কাটতে শুরু করলে পানিতে গোলা কর্নফ্লাওয়ার ও ১ কাপ স্টক দিন৷ ভাল করে মিশে বুদবুদ কাটলে চিকেনের বল দিয়ে দিন৷ ৫-৬ মিনিটের বেশি ফোটাবেন না৷ পেঁয়াজকুচি দিয়ে টস করে নামিয়ে নিন৷ এমএইচ/

মুচমুচে মাশরুম পাকোড়া রেসিপি

ভেজ পাকোড়া মানেই আলু, ধনেপাতা বা ফুলকপি নয়। আপনি চাইলে মাশরুম দিয়েও পাকোড়া তৈরি করতে পারেন। এটি অনেকের কাছেই অত্যন্ত সুস্বাদু। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক সহজে মাশরুম পাকোড়া তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে:  উপাদান #মাশরুম-১ কাপ #ব্রেড ক্রাম্ব-২ কাপ #লাল মরিচ-স্বাদ অনুযায়ী #পেঁয়াজ-২টা # পানি-প্রয়োজন মতো #লবণ-স্বাদ অনুযায়ী #কর্ন স্টার্চ-২ টেবিল চামচ #রিফাইন্ড অয়েল-২ কাপ #ধনেপাতা কুচি-আধ চা চামচ বানানোর পদ্ধতি পেঁয়াজ ও মাশরুম ভাল করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন৷ মরিচ ও ধনেপাতা একসঙ্গে কুচিয়ে রাখুন৷ একটা বড় বাটিতে মাশরুম, ব্রেড ক্রাম্ব, পেঁয়াজ, কর্ন স্টার্চ, মরিচ, ধনেপাতা, লঙ্কাগুঁড়ো একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন৷ শেষে চিজ দিয়ে আবার ভাল করে মেশান৷ লবণ দিন৷ এবার একটা তলামোটা পাত্র আঁচে বসান৷ মাঝারি আঁচে রিফাইন্ড অয়েল গরম করুন৷ অল্প অল্প করে মিশ্রণ দিয়ে সোনালি মুচমুচে করে ভেজে নিন৷ টোম্যাটো সস বা ধনেপাতার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম মাশরুম পকোড়া৷ এমএইচ/

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ‘জেবুন্নেসার রকমারি রেসিপি’

প্রখ্যাত রন্ধনশিল্পী ও জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত রেসিপি লেখক জেবুন্নেসা বেগম এর রান্না বিষয়ক বই ‘জেবুন্নেসার রকমারি রেসিপি’ এখন অমর একুশে বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। প্রকাশনা সংস্থা মুক্তধারা নিউইয়র্ক রান্না বিষয়ক এই বইটি প্রকাশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। ১৬০ পৃষ্ঠার এই বইটিতে ১৩৯টি রেসিপি’র রঙিন ছবি রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন রকম খাবারের মধ্যে ভাত, মাংস, মাছ, সববি, ভর্তা, বেকড, ডেজার্ট, গ্রিল, সালাদ ও মিষ্টান্নের নানাবিধ রেসিপি’র প্রস্তুত প্রণালি ও উপকরণের বর্ণনা বইটিতে রয়েছে। একুশে গ্রন্থমেলার মুক্তধারা নিউইয়র্ক স্টল নাম্বার ১০০/১২-১০০/১৩ (বাংলা একাডেমির বর্ধিত ভবন প্রাঙ্গণে) বইটি পাওয়া যাচ্ছে। বইটির লেখক রন্ধনবিদ জেবুন্নেসা বেগম, মুক্তধারা নিউইয়র্ক এর কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা, রন্ধনবিদ কল্পনা রহমান, সোহেলী শামীম, ফাতেমা আজিজ, ইয়াসমীন সুলতানা রামা, নাসরিন হোসেন, আবিদা সুলতানাসহ অন্যান্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। একে//

লুচি আলুর দম রেসিপি বানাবেন যেভাবে

যে কোন দিনেই বাঙালির একবেলার খাবার হিসেবে লুচি আলুর দম দারুণ জনপ্রিয়। এই শৌখিন খাবারটা অবাঙালির পুরি ও দম আলুর বাঙালি রুপ বলতে পারেন। বাঙালিদের জন্য পুরিটা হয় ময়দা,আর আলুর দমে দেওয়া বাঙালি গরম মশলা পদটার স্বাদটাই আলাদা করে দেয়। খাটনি ও সময় দুটোই লাগে এটা বানাতে,কিন্তু এর যা স্বাদ,তার জন্যে এইটুকু খাটনি মেনে নেওয়াই যায়। মুচমুচে ফুলকো লুচি ও তার সাথে মশলাদার আলুর দমের যুগলবন্দী, শুনলেই জিভে পানি এসে যায়। কী করে বানাবেন এই দুটি? এখানে দেখুন খাবারটা বানানোর ভিডিও ও ছবিসহ বিস্তারিত বিবরণ। লুচি আলুর দম বানানোর প্রণালী-   বাঙালি গরম মশলা: দারচিনি টুকরো - ৩ এলাচ - ৪ লবঙ্গ - ৫ লুচির জন্য: ময়দা - ১ কাপ ঘি - ১ টেবিল চামচ নুন - ১ চা চামচ পানি - ১/৬ কাপ তেল - ভাজার জন্য আলুর দমের জন্য: ছোট আলু সেদ্ধ করা (খোসা ছাড়ান) - ২০ টা (৩৫০ গ্রা) তেল - ২ টেবিল চামচ তেজ পাতা - ২ জিরে - ১ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা (কুচনো) - ১ চা চামচ চিনি - ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা - ১টা গোটা পেঁয়াজ আদা (কুচনো) - ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ টমেটো বাটা (পিউরি) - ২টা টমেটো নুন - স্বাদ অনুসারে লাল লঙ্কার গুঁড়ো - ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো - ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো -১ চা চামচ পানি- ১/২ কাপ ঘি - ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি: ১.একটা গরম করা প্যানে দারচিনির টুকরোগুলো দিন। ২.এলাচ ও লবঙ্গ দিন তাতে। ৩.রঙ বদলানো না অবধি ভাজুন। ৪.একটা মিক্সিতে ঢেলে নিন। ৫.ভাল করে গুঁড়ো করে বানিয়ে ফেলুন বাঙালি গরম মশলা। ৬.একটা পাত্রে ময়দা নিন। ৭.এক চা চামচ নুন দিন এতে। ৮.এতে হাফ চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান। ৯.এতে অল্প অল্প করে জল মেশান (১/৬ কাপ মত) এবং ভাল করে ময়দাটা মেখে ফেলুন। ১০.ময়দাটা মেখে ১৫-২০ মিনিট চাপা দিয়ে রাখুন। ১১.এদিকে ওই ছোট ছোট সেদ্ধ আলুগুলো একটা কাটা চামচ দিয়ে ফুটো ফুটো করে রাখুন। ১২.একটা প্যানে ২ চামচ তেল নিন। ১৩.এতে গোটা জিরে ও তেজ পাতা দিন। ১৪.কুচনো লঙ্কা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ১৫.এতে এবার চিনি মেশান, যতক্ষণ না চিনিটা ভাল করে গলে যায়। ১৬.পেঁয়াজ বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন কিছুক্ষণ। ১৭.আদা,রসুন ও টমেটো দিয়ে ভাল করে মেশান এবার। ১৮.ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন ৫-৬ মিনিটের জন্য। ১৯.ঢাকনা খুলে নুন ও লঙ্কা গুঁড়ো দিন। ২০.এবার পরবে জিরে ও ধনের পাওডার। ভাল করে মেশান। ২১.আবার ঢাকা দিয়ে ৪-৫ মিনিট রান্না করুন। ২২.ঢাকনা খুলে, এবার ছোট সেদ্ধ করা আলুগুলো দিন। ভাল করে মশলার সাথে মিশিয়ে নিন। ২৩.অর্ধেক কাপ মত জল দিন। ২৪.আবার ঢাকা দিয়ে, তাপটা বাড়িয়ে মিনিট ৫ মত রান্না হতে দিন। ২৫.এবার ঢাকনা খুলে গরম মশলাটা ছড়িয়ে দিন। ২৬.অর্ধকে চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান ও একপাশে রেখে দিন। ২৭.এবার ময়দার গোলাটা নিয়ে ছোট ছোট সমান মাপের লেচি করুন। হাত দিয়ে একটু চেপটে নিন। ২৮.এবার বেলুনিতে একটু ঘি মাখিয়ে নিন। ২৯.ছোট গোল আকারের পুরির মত করে বেলে নিন। ৩০.প্যানে যথেষ্ট পরিমাণে তেল দিয়ে গরম করুন। ৩১.এবার বেলে রাখা লুচি তেলে ছেড়ে দিন। ৩২.ফুলে উঠলে উলটে দিন। ৩৩.দুদিকটা ভাজা হয়ে গেলে হালকা বাদামি রঙ ধরলে বুঝবেন হয়ে গেছে। ৩৪.গরম ফুলকো লুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন আলুর দম। নির্দেশনা: ১. আলুটা ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। ২. চিনিটা মেসাতে একেবারে প্রথমে মশলার সঙ্গে। আরও কিছু তথ্য: পরিবেশনের মাপ - ১ জনের ক্যালরি - ৫৬৮ ক্যালরি ফ্যাট - ১৮.৬ গ্রা প্রোটিন - ১৮.৩ গ্রা কার্বোহাইড্রেট - ৭৫.২ গ্রা চিনি - ৩.২ গ্রা ফাইবার - ৫.৬ গ্রা এসি    

রেসিপি: বাসন্তী পোলাও

বাসন্তী পোলাও আর মাংস৷ এ যেন অবিচ্ছেদ্য জুটি৷ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথিদের খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন৷ এছাড়া বাড়ির সদস্যদের জন্যও বানাতে পারেন মজাদার এ রেসিপি। কীভাবে করবেন? দেখে নিন- উপকরণ মোটামুটি ১৪-১৫ জনকে আমন্ত্রণ করলে এই পরিমাণ উপকরণ নিতে পারেন- ১. দুই কেজি গোবিন্দভোগ চাল, ২. লবণ ৫০ গ্রাম লবণ, ৩. চিনি ২০০ গ্রাম, ৪. হলুদগুঁড়া ৫০ গ্রাম, ৫. তেল ৩০০ মিলি, ৬. ঘি ৪০০ গ্রাম, ৭. কাজুবাদাম ২০০ গ্রাম, ৮. কিশমিশ ১৫০ গ্রাম, ৯. লবঙ্গ ১৬টি, ১০. জয়িত্রী ২৪টি, ১১. তেজপাতা ১০টি, ১২. ছোট এলাচ ১৬টি, ১৩ ছোট দারচিনির টুকরা ৬টি, ১৪. দেড় লিটার পানি। যেভাবে রান্না করবেন - খুব ভালো করে ঠাণ্ডা পানিতে গোবিন্দভোগ চাল ধুয়ে নিন৷ এরপর ভেজা চাল শুকিয়ে নিন কিছুক্ষণ৷ শুকিয়ে যাওয়া চালে ঘি, হলুদ, আধ চাচামচ লবণ, গরম মশলার গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ এরপর একটি কড়াই গরম করে তাতে ২ টেবিল চামচ ঘি দিন৷ তাতে কাজু কিশমিশ দিয়ে নাড়তে থাকুন৷ একু সোনালি রং হলে তা নামিয়ে নিন৷ এরপর আবার কড়াইয়ে ঘি একটু গরম করে তাতে তেজপাতা এবং শুকনা গোটা গরম মশলা দিয়ে নাড়ুন৷ ভালো গন্ধ বের হলে চাল দিন৷ এবার বাদাম, কিশমিশ, চিনি দিয়ে আঁচ কমিয়ে পানি দিন৷ প্রায় ১৫ মিনিট পরে চেক করুন৷ দেখবেন হয়ে এসেছে৷ নামানোর পর দুই টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন এতে৷ অনেকে আবার আতর অথবা গোলাপ জলও দিয়ে থাকেন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//  

ছুটির দিনে সুস্বাদু  ফিস খিচুড়ি

ছুটির দিন মানেই ঘুম থেকে দেড়িতে ওঠা। অফিসে যেতে হয় না। কাজের তেমন তাড়া থাকেনা। আর এর সাথে যদি দুপুরের খাবারটা সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি হয় তাহলেতো কোনো কথাই নেই। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন এই সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি: উপকরণ *পরিমাণ মতো বাসমতী চাল *যে কোনও মাছের কাঁটা ছাড়া পিস *মুগ ডাল-২ কাপ *মটরশুঁটি-২ টেবিল চামচ *একটা পেঁয়াজ কুচি *রসুন কুচি-১ কাপ *আদা কুচি-২ চা চামচ *গোলমরিচ গুড়ো-২ চা চামচ *হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ *জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ *গোটা জিরা- হাফ চা চামচ *তেল- ২ টেবিল চামচ *লবণ পরিমাণ মতো *ঘি- হাফ চা চামচ *ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ *লেবুর রস-২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে মাছের পিসগুলোতে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, অল্প অলিভ অয়েল ও অল্প লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা৷ একটি পাত্রে চাল আর ডাল একসঙ্গে নিয়ে ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করুন৷ তেল গরম হয়ে আসলে একে একে জিরা ও পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে বাদামী করে ভেজে নিন৷ এবার এতে আদা কুচি, রশুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ ও অল্প পানি দিয়ে মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে নিন৷ এবার পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল ও ডাল জল ঝড়িয়ে কড়াই দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন৷ তিন চার মিনিট মশলার সঙ্গে চাল ও ডাল ভালো করে নাড়িয়ে দুই কাপ পানি দিন৷ তারপর একে একে মটরশুঁটি, ধনেপাতা কুচি, মেরিনেট করে রাখা মাছের টুকরাগুলি ছড়িয়ে দিন৷ এরপর ঢাকনা লাগিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন চাল সিদ্ধ হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিন৷ এতেই মাছ সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং পানি পরিমাণমতো দিলে খিচুড়ি ঝরঝরে হবে৷ তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন মাছ দেওয়ার পর নাড়াচাড়া করলে মাছ ভেঙ্গে যাবে৷ খিচুড়ি হয়ে আসলে নামানোর আগে অল্প ঘি ছিটিয়ে দিতে পারেন৷ টমেটো, পেয়াজ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইশি ফিস খিচুড়ি৷ তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪×৭ এমএইচ/

বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু ‘এগ কাঠি রোল’

ছোট থেকে বড় প্রায় সবারই পছন্দ ডিমের নানা পদ৷ আর তা মাথায় রেখেই নিচে দেওয়া হল বিকেলে খাওয়ার মতো ডিম দিয়ে তৈরি কাঠি রোল৷ তবে হ্যাঁ, যাদের ডিম খেলে সমস্যা হয়, তারা পারলে এড়িয়ে যান৷ ডিমের পরিবর্তে অ্যাড করে নিন অন্য কিছু৷ এগ কাঠি রোল তৈরির উপকরণ ১. তিনটি ডিম, ২. ময়দা এক কাপ, ৩. তেল দুই টেবিল চামচ, ৪. লবণ পরিমাণ অনুযায়ী, ৫. পেঁয়াজ কুচি, ৬. গাজর কুচি, ৭. বাঁধাকপি কুচি, ৮. কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো, ৯. বিট লবণ, ১০. চাট মশলা, ১১. ধনে গুঁড়া, ১২. গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো, ১৩. তেঁতুলের সস অথবা মেয়োনিজ পরিমাণ মতো প্রণালী প্রথমে পরোটার ডো তৈরির জন্য সব উপকরণ (ময়দা ১ কাপ, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ অনুযায়ী) মিশিয়ে নিন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে ১৫ মিনিট সেটি ঢেকে রাখুন। ১৫ মিনিট পর পরোটা বেলে নিন৷ মনে রাখবেন, আটা নয়, তেল দিয়েই এটি বেলতে হবে। এবার একটি তাওয়া বা প্যানে পরটাগুলোকে অল্প সেঁকে নিতে হবে, তেল দেওয়া যাবে না৷ এবার ৩টি ডিম কিছুটা লবণ দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে। প্রতিটি পরটার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ডিমের মিশ্রণ ঢালতে হবে। পরোটার ওপর ডিমের মিশ্রণ দিয়ে দুপৃষ্ঠে হালকা লাল করে ভেজে নিন৷ এবার তেলে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বাঁধাকপি কুচি, সামান্য কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে একে একে বিট লবণ, চাট মশলা, ধনিয়া গুঁরা, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে চার-পাঁচ মিনিট নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। এই সবজিটা একটু ক্রাঞ্চি হবে। এরপর ডিম পরোটার মাঝে সবজি দিন, তেঁতুলের সস দিয়ে (অথবা এইসব সস খেতে ইচ্ছে না হলে মেয়োনিজও দিতে পারেন) টমেটো সস যোগ করে মুড়িয়ে রোল করুন। এবার টুথপিক দিয়ে সেটি আটকে দিন৷ তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু এগ কাঠি রোল৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

রেসিপি: চকলেট ও ছানার পায়েস

শীতকাল মানেই নতুন গুড়৷ আর গুড় মানেই পিঠা পুলি পায়েস৷ তাই এই সময় ঘরে ঘরে পিঠা পুলি পায়েস তো হয়েই থাকে৷ গুড় বা চিনির পায়েস তো অনেক খেয়েছেন৷ এবার একটু চকলেট ও ছানার পায়েস খেয়ে দেখুন তো কেমন লাগে৷ ছোটো বড় সবারই চকলেট শুনেই জিভে পানি আসে৷ তবে জেনে নিন কিভাবে করবেন এই চকলেট ও ছানার পায়েস৷ প্রথমে জেনে নিন চকোলেটের পুডিং তৈরির উপকরণ। ডার্ক চকোলেট নিন ২০০ গ্রাম। প্রণালি প্রথমে একটি পাত্রে চকলেট গলিয়ে নিন৷ তবে হ্যাঁ সরাসরি তাপে বসাবেন না৷ চকলেট গলে গেলে ইচ্ছেমতো আকৃতির পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন৷ ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্র থেকে তুলে নিন৷ ছানার পায়েস তৈরির উপকরণ ১. ছানা ১০০ গ্রাম ২. চিনি ৩৫০ গ্রাম ৩. ময়দা ২ গ্রাম ৪. কর্নফ্লাওয়ার ১ গ্রাম ৫. দুধ ১ লিটার ৬. পেস্তা কুচি ৪ থেকে ৫ টি ৭. সামান্য জাফরান প্রণালি ছানা, ময়দা, কর্ণ ফ্লাওয়ার ও পরিমাণ মতো পানি দিয়ে একসঙ্গে মেখে নিন৷ লক্ষ রাখবেন খুব ঘন বা পাতলা যেন না হয়৷ তারপর ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন৷ তারপর চিনি ও পানি দিয়ে রস তৈরি করে নিন৷ এরপর ওই রসের মধ্যে বলগুলোকে ভিজিয়ে রেখে দিন৷ দেখবেন বলগুলো যেন রসে সম্পূর্ণটা ডুবে থাকে৷ কিছুক্ষণ পর রস শুষে নিয়ে বলগুলো ফুলে উঠবে৷ এরপর দুধ ঘন করে গরম করে নিন৷ তারপর চিনির রস থেকে ছানার বলগুলো তুলে ঘন করে নেওয়া দুধের মধ্যে রেখে দিন কিছুক্ষণ৷ ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন৷ এবার আগে থেকে তৈরি করে রাখা চকোলেটের পুডিং-এর উপর পায়েস দিয়ে পরিবেশন করুন চকলেট ও ছানার পায়েস৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি