ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:১২:১০

রেসিপি: চিলি গার্লিক চিকেন

রেসিপি: চিলি গার্লিক চিকেন

মুখরোচক যে কোনও পদ মানেই চিকেন। মন ভরে চেটে পুটে খান, ডাক্তারের বারণ নেই। সারা বছর মোটামুটি মধ্যবিত্তের পকেটসই দামে পাওয়া যায়। চিকেনের কত রকমের সুস্বাদু রেসিপি রয়েছে। যে কোনও একটা বেছে নিলেই হল! চিলি চিকেন, চিকেন দো-পেঁয়াজা, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, চিকেন রেজালা, চিকেন কোর্মা, সেজুয়ান চিকেন... আরও কত লোভনীয় পদ রয়েছে চিকেনের। এই সব লোভনীয় পদ সামনে পেলে কী আর ছাড়া যায়! আজ শিখে নেওয়া যাক রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু চিলি গার্লিক চিকেন। চিলি গার্লিক চিকেন বানাতে লাগবে ১. চিকেন ১ কেজি (বোনলেস, ছোট ছোট টুকরা করে কাটা), ২. রসুন কুচি ৪ টেবিল চামচ, ৩. মাখন ৩ টেবিল চামচ, ৪. স্বাদ মতো লবণ, গোল মরিচের গুঁড়া আর চিলি ফ্লেক্স, ৫. স্বাদ মতো পেঁয়াজ কলি (মিহি কুচি করা), ৬. তেল ২ কাপ (৫০-৬০ গ্রাম), ৭. চালের গুঁড়া আধা কাপ। চিলি গার্লিক চিকেন বানানোর পদ্ধতি ছোট ছোট চিকেনের টুকরাগুলো ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর চালের গুঁড়া, অর্ধেক রসুন কুচি, লবণ, চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে আলতো করে মেখে নিন। এবার তেল গরম হলে চিকেনের টুকরাগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে ফেলুন। এবার কড়াইতে মাখন দিন। মাখনের মধ্যে রসুন কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। রসুনের গন্ধ বের হলে ভাজা চিকেনের টুকরাগুলো দিয়ে দিন। স্বাদ অনুযায়ী চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া আরও একবার উপর থেকে ছড়িয়ে দিন। ৪-৫ মিনিট ভাল করে নেড়েচেড়ে ভাজুন। পেঁয়াজ কলি কুচি ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন রেস্তোরাঁর মতো চিলি গার্লিক চিকেন। সূত্র: জিনিউজ একে//
রেসিপি: ডিমের পাতুরি

ডিম পছন্দ করেন না, এমন মানুষের তালিকাটা বোধহয় খুব একটা দীর্ঘ হবে না। সকালের খাবার থেকে নৈশভোজ... সর্বত্র বিরাজমান ডিম। অমলেট, ভুজিয়া বা সিদ্ধ, যেভাবেই রান্না করুন, ডিম সহজেই উপাদেও হয়ে ওঠে নিজ গুণে। আর সরিষা দিলে যে কোনও খাবারের স্বাদই বেড়ে যায় বহুগুণ। আজ একটু পাতুরি চেখে দেখুন। পাতুরি বললেই অবশ্য মাছের কথাই মনে হয়। ভেটকি, ইলিশ, চিংড়ি... আরও কত রকম মাছের পাতুরির স্বাদ বাঙালি জানে। তবে আজ পাতে থাক ডিমের পাতুরি। ডিমের পাতুরি বানাতে লাগবে ১. সিদ্ধ ডিম ৪টি, ২. দুই চামচ জিরা গুড়া, ৩. দুই চামচ গরম মশলার গুঁড়া, ৪. দুই চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, ৫. ময়দা ৫০ গ্রাম, ৬. আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি, ৭. ধনেপাতা ২ আঁটি, ৮. দুই চামচ কাঁচা মরিচ বাটা, ৯. আধা কাপ পোস্ত বাটা, ১০. এক কাপ নারকেল কোরানো, ১১. রসুন ৪ কোয়া, ১২. সামান্য চিনি, ১৩. পরিমাণ মতো সরিষার তেল, ১৪. স্বাদ মতো লবণ, ১৫. আগুনে সেঁকে রাখা কলা পাতা। ডিমের পাতুরি বানানোর পদ্ধতি সাদা আর কালো সরিষা, নারকেল কোরা, রসুন, পোস্ত, কাঁচামরিচ ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন। ২০-২৫ মিনিট পরে সব কিছু একসঙ্গে মিহি করে বেটে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করুন। ডিম সেদ্ধ করে মাঝামাঝি সমানভাবে কেটে নিন। ময়দা পানিতে গুলে ব্যাটার বানিয়ে নিয়ে প্রতিটা ডিমের টুকরা তাতে ডুবিয়ে হালকা তেলে ভেজে তুলে নিন। আলাদাভাবে আর একটা পাত্রে তেল গরম করে হলুদ দিয়ে পেঁয়াজ ভেজে নিন। এর পর লবণ-চিনি আর সরিষা-পোস্ত-নারকেলের মিশ্রণ ঢেলে ১০ মিনিট কষিয়ে নিন। এবার এই মশলার মধ্যে ভাজা ডিম দিয়ে হালকাভাবে নেড়ে নিন। মিনিট দুয়েক পর ওপরে ধনেপাতা আর কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল ছড়িয়ে কলা পাতার মধ্যে মশলা মাখানো সিদ্ধ ডিম মুড়ে সুতা অথবা টুথপিক দিয়ে আটকে নিন। এর পর একটা প্যানে তেল গরম করে মুড়ে রাখা কলা পাতাগুলো দিয়ে ঢেকে দিন। পাতার দুই দিক লাল হয়ে পুড়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে পানি আনা ডিমের পাতুরি। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: ফুলকপির কালিয়া

ফুলকপি ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন বোধহয়। আজ শিখে নিন ফুলকপির জিভে পানি আনা পদ ফুলকপির কালিয়া। কালিয়া বললে যাদের শুধু মাছ বা মাংসের কথাই মনে হয়, তারা আজ চেখে দেখুন সুস্বাদু নিরামিষ এই পদটি। ভাত বা রুটি, সবের সঙ্গেই খেতে পারেন ফুলকপির কালিয়া। ফুলকপির কালিয়া বানাতে লাগবে ১. বড় মাপের ফুলকপি ১টা (বড় টুকরা করে কাটা), ২. মটরশুটি ১ কাপ, ৩. এলাচ ৩-৪টি, ৪. শুকনো মরিচ ২টি, ৫. তেজপাতা ২টি, ৬. সাদা জিরা ১ চামচ, ৭. আদা গুঁড়া ১ চামচ (আদা বাটাও দেওয়া যেতে পারে), ৮. জিরাগুঁড়া ২ চামচ, ৯. হলুদ গুঁড়া দেড় চামচ, ১০. কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়া ১ চামচ, ১১. লাল মরিচের গুঁড়া ১ চামচ, ১২. গরম মশলা গুঁড়া আধা চা চামচ, ১৩. টমেটো পিউরি ১ কাপ, ১৪. লবণ স্বাদ মতো, ১৫. তেল পরিমাণ মতো। ফুলকপির কালিয়া বানানোর পদ্ধতি ফুলকপি আর মটরশুটি গরম পানিতে লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে ফুলকপি আর মটরশুঁটির লবণ, হলুদ, মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইয়ে আবার তেল দিয়ে এলাচ, সাদা জিরা,শুকনো মরিচ, তেজপাতা ফোড়ন দিন। একটা বাটিতে হলুদ, কাশ্মীরি, মরিচের গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া জিরাগুঁড়া, আদাগুঁড়া বা আদা বাটা দিয়ে গুলে নিন। এবার এই মিশ্রণটি তেলে ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ কষিয়ে টমেটো পিউরি দিয়ে দিন। ভাল করে কষিয়ে লবণ দিন। তেল ছেড়ে এলে ফুলকপি আর মটরশুঁটি দিয়ে দিন। অল্প গরম পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ফুটতে দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে গরম মশলা গুঁড়া ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ রেখে গরম ভাত, রুটি, পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম ফুলকপির কালিয়া। সূত্র: জিনিউজ একে//

বাংলাদেশ এগ রেসিপি কনটেস্ট অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ এগ রেসিপি কনটেস্ট ২০১৮ এর গ্র্যান্ড ফিনালে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বজনীন পুষ্টি এবং ডিম রান্নায় সৃষ্টিশীলতা ও বৈচিত্রময়তাকে উৎসাহ দিতে এর আয়োজন করেছে যৌথভাবে দেশের প্রথম ফুড ম্যাগাজিন স্বাদকাহন, পুষ্টিসমৃদ্ধ ডিমের পথিকৃত ব্র্যান্ড পূর্নভা এবং বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল লিমিটেডের সুপরিচিত ব্র্যান্ড রুপচাঁদা। নির্বাচিত ৩০ জন শেফ অংশ নেন দিনব্যাপী এই আয়োজনে। সকালে রাজধানীর ফ্লেমেনকো কনভেনশন সেন্টারে গ্র্যান্ড ফিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কৃষি উপস্থাপক রেজাউল করিম সিদ্দিক, ওয়ার্ল্ড এগ কমিশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোরশেদ আলম, পূর্ণভার হেড অব মার্কেটিং ড. লাবনী আহসান, স্বাদকাহন সম্পাদক, ইশরাত জাহান দিলরুবা প্রমুখ। শেফদের রেসিপি ও আনুসঙ্গিক দক্ষতা যাচাই করেন কালিনারি জাজ সিমরা খান, মৌরি ইশরাত খান ও শামসুন্নাহার। বিচারক প্যানেলে আরও ছিলেন পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান এবং চিত্রশিল্পী খুরশিদা আক্তার। আগামী ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ এগ রেসিপি কনটেস্ট ২০১৮ এর সেরা তিন শেফের নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর ২৮ ডিসেম্বর এক অনুষ্ঠানে এই বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হবে। প্রথম বিজয়ী পাবেন ফ্রিজ, দ্বিতীয় বিজয়ী, মাই্ক্রোওভেন এবং তৃতীয় বিজয়ী পাবেন ইলেকট্রিক ওভেন। উল্লেখ্য, পুরষ্কার বিতরণের দিনেই প্রকাশিত হবে বাংলাদেশ এগ রেসিপি এ্যালবাম ২০১৮। এতে থাকবে এবারের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজনসহ ৫০ জন শেফের বাছাই রেসিপি। এসএইচ/

রেসিপি: ডাল কিমা

ডাল কিমা পাকিস্তানের একটি জনপ্রিয় পদ। লাঞ্চ বা ডিনারে রুটি, পরোটা বা পোলাও-এর সঙ্গে ডাল কিমা থাকলে পেট আর মন- দু-ই ভরে যাবে। ডাল কিমা বানাতে লাগবে ১. ছোলার ডাল ১০০ গ্রাম, ২. মাংসের কিমা ৩৫০ গ্রাম, ৩. নারকেল কোরা ৪ টেবিল চামচ, ৪. রসুন বাটা ৫-৬ কোয়া, ৫. আদা বাটা ১ চা চামচ, ৬. পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, ৭. পোস্ত বাটা ১ চা চামচ, ৮. ধনে পাতা কুচি হাফ চা চামচ‚ ৯. গোটা জিরা ১ চা চামচ‚ ১০ শুকনো মরিচ ২টি খোলায় ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে, ১১. লবণ, চিনি আন্দাজ মতো, ১২. তেঁতুল গোলা ২ টেবিল চামচ, ১৩. মরটশুঁটি আধা কাপ, ১৪. গরমমশলা ১ চা চামচ। ডাল কিমা বানানোর পদ্ধতি প্রথমে কিমা সিদ্ধ করে নিয়ে পানি ফেলে তুলে রাখুন। এবার ডাল এবং কিমা লবণ দিয়ে একসঙ্গে সিদ্ধ করুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে তেজপাতা, পেঁয়াজ-আদা-রসুন বাটা দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিন। মশলার রং একটু বাদামি হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে এতে নারকেল এবং পোস্ত বাটা দিয়ে দিন। সঙ্গে যোগ করুন ভাজা মশলার গুঁড়া। ভাল করে নেড়ে নিন মিশ্রণটি৷ এবার এই মিশ্রণে আন্দাজ মতো চিনি এবং তেঁতুল গোলা পানি দিন। লবণের স্বাদ ঠিক হয়েছে কি-না দেখে নিন। শেষে গরমমশলা যোগ করে আঁচ থেকে নামিয়ে রাখুন। গরম থাকতে থাকতেই এর মধ্যে মরটশুঁটি ছড়িয়ে দিন আর উপর থেকে ধনে পাতার কুচি। লাঞ্চ বা ডিনারে রুটি, পরোটা বা পোলাও-এর সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ডাল কিমা। সূত্র: জিনিউজ একে//

হাতে তৈরি চকলেট রেসিপি

চকলেট পছন্দ করেন না এমন মানুষ পৃথিবীতে খুজেঁ পাওয়া কঠিন। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্য‌ন্ত সকলেই কম বেশী চকলেট খেতে পছন্দ করে। আর এটা যদি হাতে তৈরি হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আপনাদের জন্য এবার হাতে তৈরি চকলেট রেসিপি দিয়েছেন ভারতের বেঙ্গলুরের শেফ রাহুল কুমার। উপকরণ- ১) ৪০০ গ্রাম ডার্ক চকলেট ২)৫০ মিলি মাখন ৩)১০০ মিলি ফ্রেস ক্রীম ৪)২০০ গ্রাম ডার্ক চকলেট হ্যান্ডমেড চকলেট যেভাবে তৈরী করবেন- ১) চকলেট ও মাখনটা যেন গলিয়ে নিন। ২) উষ্ণ গরম ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ৩) একদিকে সরিয়ে রাখুন। ৪) আপনার পছন্দ মাতো চকলেটের আকার দিয়ে রেখে দিন। ৫) সাজানোর জন্য ড্রাই ফ্রুটস ব্যবহার করতে পারেন সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/  

পেটের মেদ কমাতে ৩ জুস

পেটের মেদ কমাতে শরীরচর্চা থেকে শুরু করে জিমে যাওয়া এবং খাদ্য তালিকায় পরিবর্তনসহ আমরা কত কিছুই না করি। তবে এবার আপনাদের সঙ্গে এমন তিনটি জুসের কথা শেয়ার করবো যা পান করার মাধ্যমে আপনি সহজেই পেটের মেদ কমাতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাব পেটের মেদ কমাতে তিনটি জুস সম্পর্কে- ১) শসার জুস শসা এমন একটি সবজি যার বেশিরভাগই পানি। এতে ক্যালোরি অনেক কম আর তাই ওজন কমানোর জন্য বেশ ভালো একটি খাবার। শসার জুস তৈরি করলে এতে থাকা পানি এবং ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরা রাখে। ফলে খাওয়া কম হয় এবং ওজন কমে। ২) করল্লার জুস কাঁচা করল্লার জুস পান করতে খুবই বিস্বাদ লাগতে পারে। কিন্তু তা পেটের মেদ কমাতে খুবই উপকারী। কয়েক কেজি পর্যন্ত ওজন কমাতে পারে এই জুস। নিয়মিত করল্লার জুস পানে লিভার সুস্থ থাকে এবং তা মেদ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া করল্লায় ক্যালোরি অনেক কম। এটাও ওজন কমাতে কাজে আসে। ৩) আমলকীর জুস আমলকী মেটাবলিজম বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। ওজন দ্রুত কমানোর জন্য মেটাবোলিজম বাড়ানো জরুরি। এই জুসের সঙ্গে যোগ করতে পারেন কিছুটা মধু। এতে সারাদিন আপনার শরীর তরতাজা থাকবে। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং ব্যায়াম করার পাশাপাশি এই জুসগুলো পান করতে পারেন। তবে এই জুসগুলোর স্বাদ বাড়াতে এর সঙ্গে গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস, আদার রস ও মধু মেশাতে পারেন। সূত্র: এনডিটিভি। এমএইচ/ এসএইচ/

চিংড়ি খিচুড়ির রেঁসিপি

বর্ষা-বাদলার এই আবহাওয়ায় খিচুড়ি-র থেকে ভালো পদ আর কি হতে পারে? বোধহয় হতে পারে না। আর সঙ্গে যদি থাকে চিংড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় চিংড়ি খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে বানাবেন চিংড়ি খিঁচুড়ি। চিংড়ি খিচুড়ির উপাদান- *ছোট চিংড়ি— ২০০ গ্রাম *বাসমতি চাল— ২ কাপ *মুগ ডাল— ১ কাপ *মুসুর ডাল— ১ কাপ *টমেটো— ১টি *পেঁয়াজ— ২টি *আদা বাটা— ২ চামচ *কড়াইশুটি— ১ কাপ *কাঁচা লঙ্কা— ৪-৫টি (স্বাদ মতো) *শুকনো লঙ্কা— ২-৩টি *শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো— আধা টেবিল চামচ *হলুদ গুঁড়ো— আধা চা চামচ *এলাচ— ৪-৬টি *দারচিনি— ১টি টুকরো (মাঝারি মাপের) *তেজপাতা— ২-৩টি *সরষের তেল— পরিমাণ মতো *লবণ— স্বাদ মতো *চিনি— সামান্য। চিংড়ি খিচুড়ি বানানোর পদ্ধতি— চাল, ডাল ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এ বার কড়াইতে পাত্রে সরষের তেল গরম করে তেজপাতা, দারচিনি, শুকনো লঙ্কা আর এলাচ ফোড়ন দিন। এ বার অল্প আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি আর টোম্যাটোর টুকরো ও কড়াইশুঁটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো, নুন, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো মেশান। অল্প চিনি দিন। এ বার কড়াইতে চিংড়িগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা কষতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিন। এক সঙ্গে সমস্ত উপকরণ নাড়তে থাকুন। ৪-৫ মিনিট পরে চার কাপের মতো গরম পানি ঢেলে পাত্রটি ঢেকে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। খিচুড়ি যদি বেশি শুকনো লাগে, তবে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। আঁচ থেকে নামানোর পর ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে খিচুড়ি থেকে। তবে চাইলে না-ও দিতে পারেন। ব্যস, এ বার গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক চিংড়ি খিচুড়ি। সূত্র: জি নিউজ। এমএইচ/ এসএইচ/

রেসিপি : পাউরুটি দিয়ে রসমালাই

যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন না তাদের জন্য রসমালাই অন্যতম মিষ্টান্ন খাবার। রসমালাই খেতে চাইলে দোকানে যেতে হয়। তবে আপনি চাইলে দোকানে না গিয়ে ঘরে বসেই রসমালাই তৈরি করে খেতে পারেন। ঘরে পাউরুটি থাকলেই আপনি সহজেই তৈরি করতে পারবেন। জেনে নিন এর রেসিপি- উপকরণ : ১) দুধ দেড় লিটার। ২) কনডেন্সড মিল্ক এক কৌটা। ৩) লবণ ও চিনি স্বাদ মতো। ৪) জাফরান এক চিমটি। ৫) এলাচ তিনটি। ৬) দারুচিনি একটি। ৭) তেজপাতা একটি। ৮) কাঠ বাদাম। ৯) পাউরুটির ছোট এক প্যাকেট। প্রণালি: প্রথমে দুধের সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ঘন ঘন নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়। একটু ঘন হয়ে গেলে দুধের মধ্যে কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে দিন। এখন কাঠ বাদাম ও দুধে ভেজানো জাফরান মেশান। দুধ জ্বাল দিয়ে তিনভাগের এক ভাগ করে নেবেন। এলাচ, দারুচিনি ও তেজপাতা তুলে ফেলে দিন। পাউরুটি গোল গোল করে কেটে নিন। দুধ একটু ঠাণ্ডা করে পাউরুটি দিন। এবার ঘণ্টা দুয়েক ফ্রিজে রেখে বের করে পরিবেশন করুন মজাদার পাউরুটির রসমালাই। কেএনইউ/

রেসিপি: চিংড়ি খিচুড়ি

বর্ষা-বাদলার এই আবহাওয়ায় খিচুড়ির থেকে ভাল পদ আর বোধহয় হয় না। আর সঙ্গে যদি থাকে চিংড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় চিংড়ি খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বানাবেন চিংড়ি খিঁচুড়ি- চিংড়ি খিচুড়ি বানাতে লাগবে ১. ছোট চিংড়ি- ২০০ গ্রাম ২. বাসমতি চাল- ২ কাপ ৩. মুগ ডাল- ১ কাপ ৪. মুসুর ডাল- ১ কাপ ৫. টোম্যাটো- ১টি ৬. পেঁয়াজ- ২টি ৭. আদা বাটা- ২ চামচ ৮. কড়াইশুটি- ১ কাপ ৯. কাঁচা মরিচ- ৪/৫টি (স্বাদ মতো) ১০. শুকনা মরিচ- ২/৩টি ১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া- আধা টেবিল চামচ ১২. হলুদ গুঁড়া- আধা চা চামচ ১৩. এলাচ- ৪/৬টি ১৪. দারচিনি- ১টি টুকরা (মাঝারি মাপের) ১৫. তেজপাতা- ২/৩টি ১৬. সরিয়ার তেল- পরিমাণ মতো ১৭. লবণ- স্বাদ মতো ১৮. চিনি- সামান্য। চিংড়ি খিচুড়ি বানানোর পদ্ধতি চাল, ডাল ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। এবার কড়াইতে পাত্রে সরিয়ার তেল গরম করে তেজপাতা, দারচিনি, শকনা মরিচ আর এলাচ ফোড়ন দিন। এবার অল্প আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি আর টোম্যাটোর টুকরা ও কড়াইশুঁটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক চিমটে হলুদ গুঁড়া, লবণ, শুকনা মরিচ গুঁড়া মেশান। অল্প চিনি দিন। এবার কড়াইতে চিংড়িগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা কষতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিন। এক সঙ্গে সমস্ত উপকরণ নাড়তে থাকুন। ৪-৫ মিনিট পরে চার কাপের মতো গরম পানি ঢেলে পাত্রটি ঢেকে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। খিচুড়ি যদি বেশি শুকনা লাগে, তবে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। আঁচ থেকে নামানোর পর ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে খিচুড়ি থেকে। তবে চাইলে না-ও দিতে পারেন। ব্যস, এবার গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক চিংড়ি খিচুড়ি। সঙ্গে নিয়ে নিন পছন্দসই ভাজা। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: সুস্বাদু চিকেন ঝাল ফ্রাই

মুরগির মাংস কমবেশি সবারই পছন্দ। আর এই মুরগির মাংসের রয়েছে নানা পদ। আপনিও মুরগির মাংস দিয়ে নানা ঘরোয়া পদ তৈরি করতে পারেন। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন চিকেন ঝাল ফ্রাই রেসিপি- উপকরণ *মুরগি- ১টি ( দেড় কেজি ) *পেঁয়াজ ৫-৬টি *আদা বাটা ২ চা-চামচ *রসুন বাটা ১ চা-চামচ *মরিচের গুঁড়া -১ চা-চামচ *হলুদ পরিমান মত *তেল আধ কাপ *এলাচ ৪টি *দারুচিনি ৩-8 টুকরা *টমেটো সস-২ টেবিল-চামচ *কাঁচা মরিচ- ৫-৬টি। *লবণ পরিমাণ মত প্রস্তুত প্রণালী- প্রথমে মুরগির ১২-১৫ পিস আলাদা করে ধুয়ে রাখুন৷ কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি দিন। লালচে ভাব হয়ে আসলে মুরগির টুকরাগুলো দিয়ে ভাজতে থাকুন। লবণ দিয়ে দিন। আরও কিছুক্ষণ ভেজে এতে সব মশলা দিয়ে ঢেকে দিয়ে ১ মিনিট সেদ্ধ করুন। এরপর ১ কাপ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে মুরগি সেদ্ধ করতে থাকুন। মোটামুটি পানি শুকিয়ে আসলে তাতে টমেটো সস ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও ১৫ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। অনেক সময় বাচ্চারা আলু ঝাল ফ্রাইয়ের সঙ্গে আলু খেতে পছন্দ করে। তাই আলুও দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে যখন টম্যাটো সস দেবেন তখন আলুগুলো টুকরা করে দিয়ে দিবেন। এখন এই ঝাল ফ্রাইয়ের ওপর ধনে পাতা দিয়ে দিন। এবার আপনিও চিকেন ফ্রাই পরিবেশন করতে পারবেন। এমএইচ/একে/

মুখরোচক লাউ-চিংড়ি রেসিপি

আজকাল পিজ্জা-বার্গার-চিকেন ফ্রাইয়ের ভিড়ে যেন হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালি মুখরোচক খাবারগুলো। বাঙালি মুখরোচক খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো লাউ-চিংড়ি রেসিপি। তাই এবারের আয়োজনে আপনাদের জন্য থাকছে  লাউ-চিংড়ি রেসিপি। উপাদান ১) এক কেজি কচি লাউ ছোট ছোট টুকরো করে কাটা ২) ছোট বা মাঝারি মাপের চিংড়ি ২০০ গ্রাম (চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারেন বা খোসাসহ রাখতে পারেন) ৩) হলুদ-মরিচ-ধনেগুড়া মিলিয়ে ২ চা চামচ ৪) পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ ৫) রসুন বাটা ১ চা চামচ ৬) আদা বাটা আধা চা চামচ ৭) লবণ স্বাদমতো ৮) তেল ২ টেবিল চামচ ৯) টমেটো কুচি আধা কাপ ১০) ধনেপাতা কুচি সামান্য ১১) দুধ আধা কাপ ১২) কাঁচামরিচ কয়েকটা (স্বাদমতো)। লাউ-চিংড়ি বানানোর পদ্ধতি প্রথমে কড়াইতে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ, রসুন, আদা বাটা ও গুঁড়া মশলাগুলো দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর বাটা ও গুঁড়া মশলাগুলো দিয়ে কষিয়ে নেওয়ার পর চিংড়ি আর টমেটো টুকরা দিয়ে আবার কষিয়ে নিন। এরপর মশলা ভুনা হয়ে এলে এতে লাউ দিয়ে ২ কাপ গরম পানি দিন। লবণ ছড়িয়ে দিয়ে নেড়ে ১৫-২০ মিনিট রান্না করুন। এবার রান্নায় দুধ দিয়ে সামান্য চিনি ছড়িয়ে দিন। কাঁচামরিচ লম্বা লম্বা ফালি, ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিয়ে আরও ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন, লাউ সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত। ব্যস, এবার আঁচ থেকে নামিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মুখরোচক লাউ-চিংড়ি। এমএইচ/একে/

রেসিপি: সাবুদানা ক্ষীর

সাবুদানা ক্ষীর ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন উপেলক্ষে তৈরি করতে দেখা যায়। শেষ পাতেও  এটি অনেকের কাছে জনপ্রিয়। আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে সাবুদানা ক্ষীর তৈরি কারা যায়- উপকরণ *১/২ কাপ সাবুদানা * ৪ কাপ দুধ * ৪ টেবিল চামচ চিনি * ১/৪ চা চামচ উদ্ভিদের শুকিয়ে নেওয়া বীজের গুঁড়া * ১/২ কাপ পানি তৈরি করবেন যেভাবে ১) সাবুদানা ধুয়ে দু’ঘণ্টা ধরে শুকিয়ে নিতে হবে। ২) বড় পাত্রে মধ্যম আঁচে দুধ গরম করতে হবে। ৩) দুধ ফুটে উঠলে সাবুদানা ঢেলে দিন। নরম না হওয়া পর্যন্ত ১০-১৫ মিনিট ধরে নাড়তে থাকুন। ৪) চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর গ্যাসের আঁচ কমিয়ে উদ্ভিদের শুকিয়ে নেওয়া বীজের গুঁড়া দিয়ে দিন। ৫) ঘন না হয়ে আসা পর্যন্ত ৫-৭ মিনিট ধরে নাড়তে থাকুন। ৬) ঘন হয়ে আসলে চুলা নামিয়ে ঠাণ্ডা বা গরম গরম পরিবেশন করুন। সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/একে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি