ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩০:০৭

হাতে তৈরি চকলেট রেসিপি

হাতে তৈরি চকলেট রেসিপি

চকলেট পছন্দ করেন না এমন মানুষ পৃথিবীতে খুজেঁ পাওয়া কঠিন। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্য‌ন্ত সকলেই কম বেশী চকলেট খেতে পছন্দ করে। আর এটা যদি হাতে তৈরি হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। আপনাদের জন্য এবার হাতে তৈরি চকলেট রেসিপি দিয়েছেন ভারতের বেঙ্গলুরের শেফ রাহুল কুমার। উপকরণ- ১) ৪০০ গ্রাম ডার্ক চকলেট ২)৫০ মিলি মাখন ৩)১০০ মিলি ফ্রেস ক্রীম ৪)২০০ গ্রাম ডার্ক চকলেট হ্যান্ডমেড চকলেট যেভাবে তৈরী করবেন- ১) চকলেট ও মাখনটা যেন গলিয়ে নিন। ২) উষ্ণ গরম ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ৩) একদিকে সরিয়ে রাখুন। ৪) আপনার পছন্দ মাতো চকলেটের আকার দিয়ে রেখে দিন। ৫) সাজানোর জন্য ড্রাই ফ্রুটস ব্যবহার করতে পারেন সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/  
পেটের মেদ কমাতে ৩ জুস

পেটের মেদ কমাতে শরীরচর্চা থেকে শুরু করে জিমে যাওয়া এবং খাদ্য তালিকায় পরিবর্তনসহ আমরা কত কিছুই না করি। তবে এবার আপনাদের সঙ্গে এমন তিনটি জুসের কথা শেয়ার করবো যা পান করার মাধ্যমে আপনি সহজেই পেটের মেদ কমাতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাব পেটের মেদ কমাতে তিনটি জুস সম্পর্কে- ১) শসার জুস শসা এমন একটি সবজি যার বেশিরভাগই পানি। এতে ক্যালোরি অনেক কম আর তাই ওজন কমানোর জন্য বেশ ভালো একটি খাবার। শসার জুস তৈরি করলে এতে থাকা পানি এবং ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরা রাখে। ফলে খাওয়া কম হয় এবং ওজন কমে। ২) করল্লার জুস কাঁচা করল্লার জুস পান করতে খুবই বিস্বাদ লাগতে পারে। কিন্তু তা পেটের মেদ কমাতে খুবই উপকারী। কয়েক কেজি পর্যন্ত ওজন কমাতে পারে এই জুস। নিয়মিত করল্লার জুস পানে লিভার সুস্থ থাকে এবং তা মেদ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া করল্লায় ক্যালোরি অনেক কম। এটাও ওজন কমাতে কাজে আসে। ৩) আমলকীর জুস আমলকী মেটাবলিজম বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। ওজন দ্রুত কমানোর জন্য মেটাবোলিজম বাড়ানো জরুরি। এই জুসের সঙ্গে যোগ করতে পারেন কিছুটা মধু। এতে সারাদিন আপনার শরীর তরতাজা থাকবে। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং ব্যায়াম করার পাশাপাশি এই জুসগুলো পান করতে পারেন। তবে এই জুসগুলোর স্বাদ বাড়াতে এর সঙ্গে গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস, আদার রস ও মধু মেশাতে পারেন। সূত্র: এনডিটিভি। এমএইচ/ এসএইচ/

চিংড়ি খিচুড়ির রেঁসিপি

বর্ষা-বাদলার এই আবহাওয়ায় খিচুড়ি-র থেকে ভালো পদ আর কি হতে পারে? বোধহয় হতে পারে না। আর সঙ্গে যদি থাকে চিংড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় চিংড়ি খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে বানাবেন চিংড়ি খিঁচুড়ি। চিংড়ি খিচুড়ির উপাদান- *ছোট চিংড়ি— ২০০ গ্রাম *বাসমতি চাল— ২ কাপ *মুগ ডাল— ১ কাপ *মুসুর ডাল— ১ কাপ *টমেটো— ১টি *পেঁয়াজ— ২টি *আদা বাটা— ২ চামচ *কড়াইশুটি— ১ কাপ *কাঁচা লঙ্কা— ৪-৫টি (স্বাদ মতো) *শুকনো লঙ্কা— ২-৩টি *শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো— আধা টেবিল চামচ *হলুদ গুঁড়ো— আধা চা চামচ *এলাচ— ৪-৬টি *দারচিনি— ১টি টুকরো (মাঝারি মাপের) *তেজপাতা— ২-৩টি *সরষের তেল— পরিমাণ মতো *লবণ— স্বাদ মতো *চিনি— সামান্য। চিংড়ি খিচুড়ি বানানোর পদ্ধতি— চাল, ডাল ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এ বার কড়াইতে পাত্রে সরষের তেল গরম করে তেজপাতা, দারচিনি, শুকনো লঙ্কা আর এলাচ ফোড়ন দিন। এ বার অল্প আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি আর টোম্যাটোর টুকরো ও কড়াইশুঁটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো, নুন, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো মেশান। অল্প চিনি দিন। এ বার কড়াইতে চিংড়িগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা কষতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিন। এক সঙ্গে সমস্ত উপকরণ নাড়তে থাকুন। ৪-৫ মিনিট পরে চার কাপের মতো গরম পানি ঢেলে পাত্রটি ঢেকে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। খিচুড়ি যদি বেশি শুকনো লাগে, তবে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। আঁচ থেকে নামানোর পর ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে খিচুড়ি থেকে। তবে চাইলে না-ও দিতে পারেন। ব্যস, এ বার গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক চিংড়ি খিচুড়ি। সূত্র: জি নিউজ। এমএইচ/ এসএইচ/

রেসিপি : পাউরুটি দিয়ে রসমালাই

যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন না তাদের জন্য রসমালাই অন্যতম মিষ্টান্ন খাবার। রসমালাই খেতে চাইলে দোকানে যেতে হয়। তবে আপনি চাইলে দোকানে না গিয়ে ঘরে বসেই রসমালাই তৈরি করে খেতে পারেন। ঘরে পাউরুটি থাকলেই আপনি সহজেই তৈরি করতে পারবেন। জেনে নিন এর রেসিপি- উপকরণ : ১) দুধ দেড় লিটার। ২) কনডেন্সড মিল্ক এক কৌটা। ৩) লবণ ও চিনি স্বাদ মতো। ৪) জাফরান এক চিমটি। ৫) এলাচ তিনটি। ৬) দারুচিনি একটি। ৭) তেজপাতা একটি। ৮) কাঠ বাদাম। ৯) পাউরুটির ছোট এক প্যাকেট। প্রণালি: প্রথমে দুধের সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ঘন ঘন নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়। একটু ঘন হয়ে গেলে দুধের মধ্যে কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে দিন। এখন কাঠ বাদাম ও দুধে ভেজানো জাফরান মেশান। দুধ জ্বাল দিয়ে তিনভাগের এক ভাগ করে নেবেন। এলাচ, দারুচিনি ও তেজপাতা তুলে ফেলে দিন। পাউরুটি গোল গোল করে কেটে নিন। দুধ একটু ঠাণ্ডা করে পাউরুটি দিন। এবার ঘণ্টা দুয়েক ফ্রিজে রেখে বের করে পরিবেশন করুন মজাদার পাউরুটির রসমালাই। কেএনইউ/

রেসিপি: চিংড়ি খিচুড়ি

বর্ষা-বাদলার এই আবহাওয়ায় খিচুড়ির থেকে ভাল পদ আর বোধহয় হয় না। আর সঙ্গে যদি থাকে চিংড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই! তাহলে আজ অন্য সব পদ দূরে সরিয়ে রেখে পাত ভরে উঠুক লোভনীয় চিংড়ি খিঁচুড়িতে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বানাবেন চিংড়ি খিঁচুড়ি- চিংড়ি খিচুড়ি বানাতে লাগবে ১. ছোট চিংড়ি- ২০০ গ্রাম ২. বাসমতি চাল- ২ কাপ ৩. মুগ ডাল- ১ কাপ ৪. মুসুর ডাল- ১ কাপ ৫. টোম্যাটো- ১টি ৬. পেঁয়াজ- ২টি ৭. আদা বাটা- ২ চামচ ৮. কড়াইশুটি- ১ কাপ ৯. কাঁচা মরিচ- ৪/৫টি (স্বাদ মতো) ১০. শুকনা মরিচ- ২/৩টি ১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া- আধা টেবিল চামচ ১২. হলুদ গুঁড়া- আধা চা চামচ ১৩. এলাচ- ৪/৬টি ১৪. দারচিনি- ১টি টুকরা (মাঝারি মাপের) ১৫. তেজপাতা- ২/৩টি ১৬. সরিয়ার তেল- পরিমাণ মতো ১৭. লবণ- স্বাদ মতো ১৮. চিনি- সামান্য। চিংড়ি খিচুড়ি বানানোর পদ্ধতি চাল, ডাল ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। এবার কড়াইতে পাত্রে সরিয়ার তেল গরম করে তেজপাতা, দারচিনি, শকনা মরিচ আর এলাচ ফোড়ন দিন। এবার অল্প আদা বাটা, পেঁয়াজ কুচি আর টোম্যাটোর টুকরা ও কড়াইশুঁটি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক চিমটে হলুদ গুঁড়া, লবণ, শুকনা মরিচ গুঁড়া মেশান। অল্প চিনি দিন। এবার কড়াইতে চিংড়িগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা কষতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিন। এক সঙ্গে সমস্ত উপকরণ নাড়তে থাকুন। ৪-৫ মিনিট পরে চার কাপের মতো গরম পানি ঢেলে পাত্রটি ঢেকে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। খিচুড়ি যদি বেশি শুকনা লাগে, তবে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। আঁচ থেকে নামানোর পর ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে খিচুড়ি থেকে। তবে চাইলে না-ও দিতে পারেন। ব্যস, এবার গরম গরম পরিবেশন করুন মুখরোচক চিংড়ি খিচুড়ি। সঙ্গে নিয়ে নিন পছন্দসই ভাজা। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: সুস্বাদু চিকেন ঝাল ফ্রাই

মুরগির মাংস কমবেশি সবারই পছন্দ। আর এই মুরগির মাংসের রয়েছে নানা পদ। আপনিও মুরগির মাংস দিয়ে নানা ঘরোয়া পদ তৈরি করতে পারেন। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন চিকেন ঝাল ফ্রাই রেসিপি- উপকরণ *মুরগি- ১টি ( দেড় কেজি ) *পেঁয়াজ ৫-৬টি *আদা বাটা ২ চা-চামচ *রসুন বাটা ১ চা-চামচ *মরিচের গুঁড়া -১ চা-চামচ *হলুদ পরিমান মত *তেল আধ কাপ *এলাচ ৪টি *দারুচিনি ৩-8 টুকরা *টমেটো সস-২ টেবিল-চামচ *কাঁচা মরিচ- ৫-৬টি। *লবণ পরিমাণ মত প্রস্তুত প্রণালী- প্রথমে মুরগির ১২-১৫ পিস আলাদা করে ধুয়ে রাখুন৷ কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি দিন। লালচে ভাব হয়ে আসলে মুরগির টুকরাগুলো দিয়ে ভাজতে থাকুন। লবণ দিয়ে দিন। আরও কিছুক্ষণ ভেজে এতে সব মশলা দিয়ে ঢেকে দিয়ে ১ মিনিট সেদ্ধ করুন। এরপর ১ কাপ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে মুরগি সেদ্ধ করতে থাকুন। মোটামুটি পানি শুকিয়ে আসলে তাতে টমেটো সস ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও ১৫ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। অনেক সময় বাচ্চারা আলু ঝাল ফ্রাইয়ের সঙ্গে আলু খেতে পছন্দ করে। তাই আলুও দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে যখন টম্যাটো সস দেবেন তখন আলুগুলো টুকরা করে দিয়ে দিবেন। এখন এই ঝাল ফ্রাইয়ের ওপর ধনে পাতা দিয়ে দিন। এবার আপনিও চিকেন ফ্রাই পরিবেশন করতে পারবেন। এমএইচ/একে/

মুখরোচক লাউ-চিংড়ি রেসিপি

আজকাল পিজ্জা-বার্গার-চিকেন ফ্রাইয়ের ভিড়ে যেন হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালি মুখরোচক খাবারগুলো। বাঙালি মুখরোচক খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো লাউ-চিংড়ি রেসিপি। তাই এবারের আয়োজনে আপনাদের জন্য থাকছে  লাউ-চিংড়ি রেসিপি। উপাদান ১) এক কেজি কচি লাউ ছোট ছোট টুকরো করে কাটা ২) ছোট বা মাঝারি মাপের চিংড়ি ২০০ গ্রাম (চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারেন বা খোসাসহ রাখতে পারেন) ৩) হলুদ-মরিচ-ধনেগুড়া মিলিয়ে ২ চা চামচ ৪) পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ ৫) রসুন বাটা ১ চা চামচ ৬) আদা বাটা আধা চা চামচ ৭) লবণ স্বাদমতো ৮) তেল ২ টেবিল চামচ ৯) টমেটো কুচি আধা কাপ ১০) ধনেপাতা কুচি সামান্য ১১) দুধ আধা কাপ ১২) কাঁচামরিচ কয়েকটা (স্বাদমতো)। লাউ-চিংড়ি বানানোর পদ্ধতি প্রথমে কড়াইতে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ, রসুন, আদা বাটা ও গুঁড়া মশলাগুলো দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর বাটা ও গুঁড়া মশলাগুলো দিয়ে কষিয়ে নেওয়ার পর চিংড়ি আর টমেটো টুকরা দিয়ে আবার কষিয়ে নিন। এরপর মশলা ভুনা হয়ে এলে এতে লাউ দিয়ে ২ কাপ গরম পানি দিন। লবণ ছড়িয়ে দিয়ে নেড়ে ১৫-২০ মিনিট রান্না করুন। এবার রান্নায় দুধ দিয়ে সামান্য চিনি ছড়িয়ে দিন। কাঁচামরিচ লম্বা লম্বা ফালি, ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিয়ে আরও ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন, লাউ সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত। ব্যস, এবার আঁচ থেকে নামিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মুখরোচক লাউ-চিংড়ি। এমএইচ/একে/

রেসিপি: সাবুদানা ক্ষীর

সাবুদানা ক্ষীর ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন উপেলক্ষে তৈরি করতে দেখা যায়। শেষ পাতেও  এটি অনেকের কাছে জনপ্রিয়। আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে সাবুদানা ক্ষীর তৈরি কারা যায়- উপকরণ *১/২ কাপ সাবুদানা * ৪ কাপ দুধ * ৪ টেবিল চামচ চিনি * ১/৪ চা চামচ উদ্ভিদের শুকিয়ে নেওয়া বীজের গুঁড়া * ১/২ কাপ পানি তৈরি করবেন যেভাবে ১) সাবুদানা ধুয়ে দু’ঘণ্টা ধরে শুকিয়ে নিতে হবে। ২) বড় পাত্রে মধ্যম আঁচে দুধ গরম করতে হবে। ৩) দুধ ফুটে উঠলে সাবুদানা ঢেলে দিন। নরম না হওয়া পর্যন্ত ১০-১৫ মিনিট ধরে নাড়তে থাকুন। ৪) চিনি মিশিয়ে নিন। এরপর গ্যাসের আঁচ কমিয়ে উদ্ভিদের শুকিয়ে নেওয়া বীজের গুঁড়া দিয়ে দিন। ৫) ঘন না হয়ে আসা পর্যন্ত ৫-৭ মিনিট ধরে নাড়তে থাকুন। ৬) ঘন হয়ে আসলে চুলা নামিয়ে ঠাণ্ডা বা গরম গরম পরিবেশন করুন। সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/একে/

রেসিপি: মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপ

শিশুদের খাওয়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় কমবেশি সবাইকে। আর ঠিকঠাক না খেয়ে অপুষ্টিতে ভুগতেও দেখা যায় বাচ্চাদের। আপনার বাড়ির বাচ্চার জন্য ভেজিটবল স্যুপ ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে শুধু বাচ্চা নয়, সবার জন্যই উপকারি এই স্যুপ। মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপের উপকরণ- *৩ কাপ টোমাটো, গাজর, সবুজ মটর, বিনস *স্বাদ অনুযায়ী লবণ *১/২ চা চামচ জিরা পাওডার *১/২ চা চামচ গোলমরিচ পাওডার *১ চা চামচ তেল *কয়েকটি কারি পাতা   মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপ যেভাবে তৈরী করবেন ১) সবজি কেটে প্রেসার কুকারে দু কাপ পানি দিয়ে ভালো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ২) ব্লেন্ডারে ভালো করে মিশিয়ে নিন ৩) রতারপর ছাকনিতে ভালো করে ছেঁকে নিতে হবে ৪) স্বাদ পেতে মিশ্রণে যোগ করুন গরম তেল, ধনিয়া পাতা, লবন, জিরে পাওডার ও গোল মরিচ ৫) গরম গরম পরিবেশন করুন   সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/

গোলাপ জাম রেসিপি

শুভ কাজ মানেই মিষ্টি মুখ। যে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে বিয়ে-সাদিতে মিষ্টি না হলে কি চলে। তবে এসব আয়োজনে আপনি চাইলে নিজের হাতেই মিষ্টি তৈরি করতে পারেন। কী ভাবছেন ? এত কাজের মাঝে মিষ্টি বানানো সময় কোথায় ? তাহলে বলি রেসিপি জানা থাকলে গোলাপ জামের মতো জিভে জল আনা এই মিষ্টিটি খুব অল্প সময়েই বানিয়ে নেওয়া যায়। তার আগে হাতের কাছে জোগড়া করে নিন খোয়া, ময়দা, চিনির সিরা আর জাফরান। তাহলে আর কী নিজে হাতে মিষ্টি বানিয়ে চমকে দিন পরিবারের সবাইকে। গোলাপ জাম উপকরণের-   *৩০০ গ্রাম খোয়া *৩ চামচ ময়দা *৩ চামচ চিনি *হাফ লিটার পানি *এক চিমটি জাফরান *২০০ গ্রাম রিফাইন তেল গোলাপ জাম কিভাবে তৈরী করবেন- ১) একটি বাটিতে খোয়া ও ময়দা মিশিয়ে নিন ২) গোলাপ জামের মতো গোলা পাকিয়ে নিন ৩) এরপর চিন চামচ চিনি ও আফ লিটার জল গরম করে চিনির সিরা বানিয়ে নিন তাতে জাফরান মিশিয়ে নিন ৪) একটি পাত্রে তেল নিয়ে গোলপ জাম ভেজে নিন লাল করে ৫) এরপর চিনির সিরায় ভিজিয়ে রাখুন গোলাপ জাম ৬) গরম গরম পরিবেশন করুন এমএইচ/এসি      

চালকুমড়া-মোচা- বেগুন দিয়ে ইলিশের রেসিপি

‘ঝোলে ঝালে অম্বলে তোমাকে চাই’ বলে হাঁক পাড়লেও চালকুমড়া বা কালো জিরা বাটা দিয়ে ইলিশের পদ রান্নার সাহস দেখাতে ক’জন পারেন! হাতের কাছে রেসিপি পেয়ে গেলে এক বার ভরসা করে চেষ্টা করেই দেখুন না। কথা দিতে পারি, এ সব রেসিপি চাখলে আপনার জিভের সঙ্গে মনেও আরাম আনবে। আপনার হাতযশ আর শেফের পরামর্শ- দুই মিলে ইলিশ উৎসব জমে উঠুক। মোচা ইলিশের পাতুরি কলাপাতার মোড়ক খুলতেই চমক। মোচার পরতে মোড়া সুস্বাদু ইলিশ। মোচা-চিংড়িকে গুনে গুনে গোল দিতে পারে একেবারে অভিনব স্বাদের মোচা-ইলিশের পাতুরি। উপকরণ ১. মোচা: সেদ্ধ করে মেখে রাখা– ২ কাপ ২. আলু ভাপিয়ে টুকরা করা– আধ কাপ ৩. শর্ষে তেল– ৫০ গ্রাম ৪. আদা ও জিরা বাটা– আধ চামচ করে ৫. কাঁচা মরিচ কুঁচি– ২ চামচ ৬. চেরা কাঁচা মরিচ– ২টি ৭. কলাপাতা ৮. ইলিশের স্টক– এক কাপ ৯. লবণ, চিনি– স্বাদ অনুযায়ী ১০. হলুদ– যৎসামান্য প্রণালী মাছে লবণ, তেল ও হলুদ মাখিয়ে অল্প ভেজে তুলে রাখুন। বাকি তেলে জিরা ফোড়ন দিয়ে আদা ও জিরা বাটা দিয়ে কষে নিয়ে আলুর টুকরা ও মোচা দিয়ে নেড়েচেড়ে স্টক এবং লবণ, মিষ্টি, কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে নামিয়ে রাখুন। কলাপাতা সেঁকে তেল মাখিয়ে মোচার বেড বানিয়ে তার ওপর মাছ রেখে মুড়ে নিন। ভাপে সেদ্ধ করে কলাপাতা খুলে মরিচ সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ইলিশ চালকুমড়া ভাজা চালকুমড়ার সুক্তো বা ঘণ্টর সঙ্গে কম-বেশি সব বাঙালিরই পরিচয় আছে। কিন্তু দুধসাদা চালকুমড়ার মধ্যে কাঁটা ছাড়া ইলিশের পুর ভরা। মচমচে ভাজায় কামড় দিলেই মুখে মধুর বিস্ফোরণ। উপকরণ ১. কাঁটা ছাড়ানো ইলিশ– ২০০ গ্রাম ২. চালকুমড়ার স্লাইস– ৮ টুকরা সামান্য ভাপিয়ে নেওয়া ৩. পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি– এক চামচ করে ৪. শর্ষেবাটা– ৩ চামচ ৫. হলুদ– সামান্য ৬. ময়দা ও কর্ন ফ্লাওয়ার– আধ কাপ করে ৭. ডিম– একটি ৮. লবণ– স্বাদ অনুযায়ী ৯. সাদা তেল– ভাজার জন্য প্রণালী ইলিশে অল্প লবণ হলুদ দিয়ে ভাপিয়ে রাখুন। ময়দা কর্ন ফ্লাওয়ারের সঙ্গে লবণ ও ডিম দিয়ে ব্যাটার তৈরি করে রাখুন। মাছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কুঁচি মিশিয়ে নেড়ে পুর তৈরি করুন। এবারে ভাপানো চালকুমড়ার মাঝখানে পুর দিয়ে ব্যাটারে ডুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে গরমা গরম পরিবেশন করুন। কালোজিরা বাটা ইলিশ দেখতে অচেনা, কিন্তু স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। গরম ভাতের সঙ্গে জমে যাবে। উপকরণ ১. ইলিশ– ২ পিস (রিং করে কাটা) ২. ফিশ স্টক– ২ কাপ, (ইলিশের) ৩. কালোজিরা বাটা– ২ চামচ ৪. শর্ষের তেল– ৬ টেবিলচামচ ৫, কাঁচামরিচ বাটা ও হলুদ গুঁড়ো– আধ চামচ করে ৫. চৌকা করে কাটা কুমড়া– ৪ টুকরা ৬. লবণ– স্বাদ অনুযায়ী ৭. কাঁচামরিচ চেরা– ৪টি, সাজানোর জন্য ৮. আমচুর– সামান্য প্রণালীৎ ইলিশের টুকরা পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে লবণ, হলুদ, আমচুর, কাঁচামরিচ বাটা ও তেল মাখিয়ে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে ১০মিনিট। শর্ষের তেল গরম করে মাছ হালকা করে ভেজে তুলে রেখে তাতে কুমড়োর টুকরা ভেজে নিয়ে বাটামশলা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে কাঁচামরিচ ও শর্ষের তেল ছড়িয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। ঢাকাই ভুনা ইলিশ শর্ষের সঙ্গে জিরা আদাবাটার সঙ্গতে জমে উঠেছে ঢাকাই ভুনা ইলিশ। এর স্বাদ না নিলে পস্তাতে হবে। ইলিশের স্টক দিয়ে বানানো গ্রেভির স্বাদ একেবারে অন্য ধারার। উপকরণ ১. ইলিশ– ২ পিস ২. স্টক– ২ কাপ ৩. পেঁয়াজ কুঁচি – ১ কাপ ৪. টম্যাটো কুঁচি– ১ চামচ ৫. রসুনবাটা– ১/২ চামচ ৬. শর্ষেবাটা– ১ চামচ ৭. আদাবাটা– ১ চামচ ৮. জিরাবাটা– ১ চামচ ৯. মরিচবাটা– ১/২ চামচ ১০. হলুদগুঁড়া– সামান্য ১১. শর্ষের তেল– ৫০ গ্রাম ১২. লবণ– স্বাদ অনুযায়ী প্রণালী মাছে লবণ, হলুদ ও সামান্য তেল মাখিয়ে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। কড়ায় তেল দিয়ে পেঁয়াজ ভাজুন। লালচে হয়ে এলে রসুন, আদাসহ সব মশলা দিয়ে কষে নিন। কষা হয়ে সুগন্ধ বেরোলে স্টক ঢেল দিন, ফুটে উঠলে মাছ দিন। সেদ্ধ হয়ে এলে কাঁচামরিচ দিয়ে গরমাগরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। ইলিশ-বেগুনের যুগলবন্দি ইলিশের পেটে ডিম থাকলে নাকি মাছের স্বাদ যায় কমে। কিন্তু যদি পেটি ভরা থাকে বেগুনভর্তা দিয়ে, আহা সে যে কি স্বাদু না খেলে বোঝা মুশকিল। উপকরণ ১. মাঝারি আকারের বেগুন – ১টি ২. ইলিশ – ২পিস ৩. স্টক– ১/২কাপ ৪. শর্ষের তেল– ৫০ গ্রাম ৫. রসুনকুঁচি– ১ চামচ ৬. পেঁয়াজকুঁচি– ২ চামচ ৭. মরিচকুঁচি– অল্প ৮. মরিচবাটা– ১ চামচ ৯. হলুদ– সামান্য ১০. লবণ– স্বাদ অনুযায়ী ১১. কাঠকয়লা– এক টুকরা ১২. মাখন– সামান্য প্রণালী বেগুন লম্বালম্বি কেটে পুড়িয়ে রাখুন। সামান্য লবণ, হলুদ, মরিচ ও তেল দিয়ে ইলিশ ম্যারিনেট করে রাখুন। পোড়া বেগুন মেখে নিয়ে প্যানে তেল দিয়ে রসুন ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ ও মরিচ কুঁচি দিয়ে নেড়েচেড়ে বেগুন মেশান। লবণ দিয়ে নামিয়ে রাখুন। একটা পাত্রে বেগুনভর্তা রেখে পাশে জ্বলন্ত কাঠকয়লার ওপর মাখন ছড়িয়ে ধোঁয়া উঠলে চাপা দিয়ে রাখুন। অন্যদিকে, মাছ দুটি এ পিঠ-ও পিঠ করে হালকা করে ভেজে নিন। বেগুনভর্তার ওপর ইলিশ ভাজা রেখে ও মাঝখানে বাকি বেগুন দিয়ে মাছ সামান্য ভাপিয়ে নিয়ে মরিচ সাজিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন বেগুন ইলিশের যুগলবন্দি। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

রেসিপি: লেমন চিকেন

স্বাদ বদলের জন্য কত আর রেস্তোরাঁয় যাবেন! তাই মুখ বদলাতে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তোরাঁর মতো পদ। আজ শিখে নিন রেস্তোরাঁর মতো লেমন চিকেন বানানোর সহজ কৌশল। চিকেনের সঙ্গে লেবুর টক-মিষ্টি স্বাদ... এক কথায় তোফা! লেমন চিকেন বানাতে লাগবে ১. চিকেন ১ কেজি ২. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ ৩. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ ৪. গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ ৫. পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ ৬. কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ ৭. দই ১ টেবিল চামচ ৮. লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ ৯. লবণ, চিনি স্বাদমতো ১০. তেল ১ কাপ ১১. ঘি ১ টেবিল চামচ ১২. গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ লেমন চিকেন বানানোর পদ্ধতি চিকেন, গোলমরিচ, লেবুর রস ও লবণ দিয়ে অন্তত ১ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। প্যানে তেল গরম হলে মেখে রাখা চিকেন ভেজে নিন হালকা বাদামি করে। চিকেন তুলে তেলে পেঁয়াজ কুচি সোনালি করে ভেজে কিছুটা তুলে নিয়ে বাকিটুকুর মধ্যে সব বাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে দই দিন। এবার চিকেন দিয়ে অল্প আঁচে দমে রাঁধুন। চিকেন সিদ্ধ হলে ঘি ও চিনি দিন। কম আঁচে রাখুন। তেল ওপরে উঠলে নামিয়ে বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করুন টক-মিষ্টি লেমন চিকেন। সূত্র: জিনিউজ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি