ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৪৪:১৫

লুচি আলুর দম রেসিপি বানাবেন যেভাবে

লুচি আলুর দম রেসিপি বানাবেন যেভাবে

যে কোন দিনেই বাঙালির একবেলার খাবার হিসেবে লুচি আলুর দম দারুণ জনপ্রিয়। এই শৌখিন খাবারটা অবাঙালির পুরি ও দম আলুর বাঙালি রুপ বলতে পারেন। বাঙালিদের জন্য পুরিটা হয় ময়দা,আর আলুর দমে দেওয়া বাঙালি গরম মশলা পদটার স্বাদটাই আলাদা করে দেয়। খাটনি ও সময় দুটোই লাগে এটা বানাতে,কিন্তু এর যা স্বাদ,তার জন্যে এইটুকু খাটনি মেনে নেওয়াই যায়। মুচমুচে ফুলকো লুচি ও তার সাথে মশলাদার আলুর দমের যুগলবন্দী, শুনলেই জিভে পানি এসে যায়। কী করে বানাবেন এই দুটি? এখানে দেখুন খাবারটা বানানোর ভিডিও ও ছবিসহ বিস্তারিত বিবরণ। লুচি আলুর দম বানানোর প্রণালী-   বাঙালি গরম মশলা: দারচিনি টুকরো - ৩ এলাচ - ৪ লবঙ্গ - ৫ লুচির জন্য: ময়দা - ১ কাপ ঘি - ১ টেবিল চামচ নুন - ১ চা চামচ পানি - ১/৬ কাপ তেল - ভাজার জন্য আলুর দমের জন্য: ছোট আলু সেদ্ধ করা (খোসা ছাড়ান) - ২০ টা (৩৫০ গ্রা) তেল - ২ টেবিল চামচ তেজ পাতা - ২ জিরে - ১ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা (কুচনো) - ১ চা চামচ চিনি - ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা - ১টা গোটা পেঁয়াজ আদা (কুচনো) - ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ টমেটো বাটা (পিউরি) - ২টা টমেটো নুন - স্বাদ অনুসারে লাল লঙ্কার গুঁড়ো - ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো - ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো -১ চা চামচ পানি- ১/২ কাপ ঘি - ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি: ১.একটা গরম করা প্যানে দারচিনির টুকরোগুলো দিন। ২.এলাচ ও লবঙ্গ দিন তাতে। ৩.রঙ বদলানো না অবধি ভাজুন। ৪.একটা মিক্সিতে ঢেলে নিন। ৫.ভাল করে গুঁড়ো করে বানিয়ে ফেলুন বাঙালি গরম মশলা। ৬.একটা পাত্রে ময়দা নিন। ৭.এক চা চামচ নুন দিন এতে। ৮.এতে হাফ চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান। ৯.এতে অল্প অল্প করে জল মেশান (১/৬ কাপ মত) এবং ভাল করে ময়দাটা মেখে ফেলুন। ১০.ময়দাটা মেখে ১৫-২০ মিনিট চাপা দিয়ে রাখুন। ১১.এদিকে ওই ছোট ছোট সেদ্ধ আলুগুলো একটা কাটা চামচ দিয়ে ফুটো ফুটো করে রাখুন। ১২.একটা প্যানে ২ চামচ তেল নিন। ১৩.এতে গোটা জিরে ও তেজ পাতা দিন। ১৪.কুচনো লঙ্কা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ১৫.এতে এবার চিনি মেশান, যতক্ষণ না চিনিটা ভাল করে গলে যায়। ১৬.পেঁয়াজ বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন কিছুক্ষণ। ১৭.আদা,রসুন ও টমেটো দিয়ে ভাল করে মেশান এবার। ১৮.ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন ৫-৬ মিনিটের জন্য। ১৯.ঢাকনা খুলে নুন ও লঙ্কা গুঁড়ো দিন। ২০.এবার পরবে জিরে ও ধনের পাওডার। ভাল করে মেশান। ২১.আবার ঢাকা দিয়ে ৪-৫ মিনিট রান্না করুন। ২২.ঢাকনা খুলে, এবার ছোট সেদ্ধ করা আলুগুলো দিন। ভাল করে মশলার সাথে মিশিয়ে নিন। ২৩.অর্ধেক কাপ মত জল দিন। ২৪.আবার ঢাকা দিয়ে, তাপটা বাড়িয়ে মিনিট ৫ মত রান্না হতে দিন। ২৫.এবার ঢাকনা খুলে গরম মশলাটা ছড়িয়ে দিন। ২৬.অর্ধকে চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান ও একপাশে রেখে দিন। ২৭.এবার ময়দার গোলাটা নিয়ে ছোট ছোট সমান মাপের লেচি করুন। হাত দিয়ে একটু চেপটে নিন। ২৮.এবার বেলুনিতে একটু ঘি মাখিয়ে নিন। ২৯.ছোট গোল আকারের পুরির মত করে বেলে নিন। ৩০.প্যানে যথেষ্ট পরিমাণে তেল দিয়ে গরম করুন। ৩১.এবার বেলে রাখা লুচি তেলে ছেড়ে দিন। ৩২.ফুলে উঠলে উলটে দিন। ৩৩.দুদিকটা ভাজা হয়ে গেলে হালকা বাদামি রঙ ধরলে বুঝবেন হয়ে গেছে। ৩৪.গরম ফুলকো লুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন আলুর দম। নির্দেশনা: ১. আলুটা ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। ২. চিনিটা মেসাতে একেবারে প্রথমে মশলার সঙ্গে। আরও কিছু তথ্য: পরিবেশনের মাপ - ১ জনের ক্যালরি - ৫৬৮ ক্যালরি ফ্যাট - ১৮.৬ গ্রা প্রোটিন - ১৮.৩ গ্রা কার্বোহাইড্রেট - ৭৫.২ গ্রা চিনি - ৩.২ গ্রা ফাইবার - ৫.৬ গ্রা এসি    
রেসিপি: বাসন্তী পোলাও

বাসন্তী পোলাও আর মাংস৷ এ যেন অবিচ্ছেদ্য জুটি৷ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথিদের খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন৷ এছাড়া বাড়ির সদস্যদের জন্যও বানাতে পারেন মজাদার এ রেসিপি। কীভাবে করবেন? দেখে নিন- উপকরণ মোটামুটি ১৪-১৫ জনকে আমন্ত্রণ করলে এই পরিমাণ উপকরণ নিতে পারেন- ১. দুই কেজি গোবিন্দভোগ চাল, ২. লবণ ৫০ গ্রাম লবণ, ৩. চিনি ২০০ গ্রাম, ৪. হলুদগুঁড়া ৫০ গ্রাম, ৫. তেল ৩০০ মিলি, ৬. ঘি ৪০০ গ্রাম, ৭. কাজুবাদাম ২০০ গ্রাম, ৮. কিশমিশ ১৫০ গ্রাম, ৯. লবঙ্গ ১৬টি, ১০. জয়িত্রী ২৪টি, ১১. তেজপাতা ১০টি, ১২. ছোট এলাচ ১৬টি, ১৩ ছোট দারচিনির টুকরা ৬টি, ১৪. দেড় লিটার পানি। যেভাবে রান্না করবেন - খুব ভালো করে ঠাণ্ডা পানিতে গোবিন্দভোগ চাল ধুয়ে নিন৷ এরপর ভেজা চাল শুকিয়ে নিন কিছুক্ষণ৷ শুকিয়ে যাওয়া চালে ঘি, হলুদ, আধ চাচামচ লবণ, গরম মশলার গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ এরপর একটি কড়াই গরম করে তাতে ২ টেবিল চামচ ঘি দিন৷ তাতে কাজু কিশমিশ দিয়ে নাড়তে থাকুন৷ একু সোনালি রং হলে তা নামিয়ে নিন৷ এরপর আবার কড়াইয়ে ঘি একটু গরম করে তাতে তেজপাতা এবং শুকনা গোটা গরম মশলা দিয়ে নাড়ুন৷ ভালো গন্ধ বের হলে চাল দিন৷ এবার বাদাম, কিশমিশ, চিনি দিয়ে আঁচ কমিয়ে পানি দিন৷ প্রায় ১৫ মিনিট পরে চেক করুন৷ দেখবেন হয়ে এসেছে৷ নামানোর পর দুই টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন এতে৷ অনেকে আবার আতর অথবা গোলাপ জলও দিয়ে থাকেন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//  

ছুটির দিনে সুস্বাদু  ফিস খিচুড়ি

ছুটির দিন মানেই ঘুম থেকে দেড়িতে ওঠা। অফিসে যেতে হয় না। কাজের তেমন তাড়া থাকেনা। আর এর সাথে যদি দুপুরের খাবারটা সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি হয় তাহলেতো কোনো কথাই নেই। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন এই সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি: উপকরণ *পরিমাণ মতো বাসমতী চাল *যে কোনও মাছের কাঁটা ছাড়া পিস *মুগ ডাল-২ কাপ *মটরশুঁটি-২ টেবিল চামচ *একটা পেঁয়াজ কুচি *রসুন কুচি-১ কাপ *আদা কুচি-২ চা চামচ *গোলমরিচ গুড়ো-২ চা চামচ *হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ *জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ *গোটা জিরা- হাফ চা চামচ *তেল- ২ টেবিল চামচ *লবণ পরিমাণ মতো *ঘি- হাফ চা চামচ *ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ *লেবুর রস-২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে মাছের পিসগুলোতে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, অল্প অলিভ অয়েল ও অল্প লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা৷ একটি পাত্রে চাল আর ডাল একসঙ্গে নিয়ে ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করুন৷ তেল গরম হয়ে আসলে একে একে জিরা ও পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে বাদামী করে ভেজে নিন৷ এবার এতে আদা কুচি, রশুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ ও অল্প পানি দিয়ে মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে নিন৷ এবার পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল ও ডাল জল ঝড়িয়ে কড়াই দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন৷ তিন চার মিনিট মশলার সঙ্গে চাল ও ডাল ভালো করে নাড়িয়ে দুই কাপ পানি দিন৷ তারপর একে একে মটরশুঁটি, ধনেপাতা কুচি, মেরিনেট করে রাখা মাছের টুকরাগুলি ছড়িয়ে দিন৷ এরপর ঢাকনা লাগিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন চাল সিদ্ধ হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিন৷ এতেই মাছ সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং পানি পরিমাণমতো দিলে খিচুড়ি ঝরঝরে হবে৷ তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন মাছ দেওয়ার পর নাড়াচাড়া করলে মাছ ভেঙ্গে যাবে৷ খিচুড়ি হয়ে আসলে নামানোর আগে অল্প ঘি ছিটিয়ে দিতে পারেন৷ টমেটো, পেয়াজ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইশি ফিস খিচুড়ি৷ তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪×৭ এমএইচ/

বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু ‘এগ কাঠি রোল’

ছোট থেকে বড় প্রায় সবারই পছন্দ ডিমের নানা পদ৷ আর তা মাথায় রেখেই নিচে দেওয়া হল বিকেলে খাওয়ার মতো ডিম দিয়ে তৈরি কাঠি রোল৷ তবে হ্যাঁ, যাদের ডিম খেলে সমস্যা হয়, তারা পারলে এড়িয়ে যান৷ ডিমের পরিবর্তে অ্যাড করে নিন অন্য কিছু৷ এগ কাঠি রোল তৈরির উপকরণ ১. তিনটি ডিম, ২. ময়দা এক কাপ, ৩. তেল দুই টেবিল চামচ, ৪. লবণ পরিমাণ অনুযায়ী, ৫. পেঁয়াজ কুচি, ৬. গাজর কুচি, ৭. বাঁধাকপি কুচি, ৮. কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো, ৯. বিট লবণ, ১০. চাট মশলা, ১১. ধনে গুঁড়া, ১২. গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো, ১৩. তেঁতুলের সস অথবা মেয়োনিজ পরিমাণ মতো প্রণালী প্রথমে পরোটার ডো তৈরির জন্য সব উপকরণ (ময়দা ১ কাপ, তেল ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ অনুযায়ী) মিশিয়ে নিন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে ১৫ মিনিট সেটি ঢেকে রাখুন। ১৫ মিনিট পর পরোটা বেলে নিন৷ মনে রাখবেন, আটা নয়, তেল দিয়েই এটি বেলতে হবে। এবার একটি তাওয়া বা প্যানে পরটাগুলোকে অল্প সেঁকে নিতে হবে, তেল দেওয়া যাবে না৷ এবার ৩টি ডিম কিছুটা লবণ দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে। প্রতিটি পরটার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ডিমের মিশ্রণ ঢালতে হবে। পরোটার ওপর ডিমের মিশ্রণ দিয়ে দুপৃষ্ঠে হালকা লাল করে ভেজে নিন৷ এবার তেলে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বাঁধাকপি কুচি, সামান্য কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে একে একে বিট লবণ, চাট মশলা, ধনিয়া গুঁরা, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে চার-পাঁচ মিনিট নেড়ে নামিয়ে ফেলুন। এই সবজিটা একটু ক্রাঞ্চি হবে। এরপর ডিম পরোটার মাঝে সবজি দিন, তেঁতুলের সস দিয়ে (অথবা এইসব সস খেতে ইচ্ছে না হলে মেয়োনিজও দিতে পারেন) টমেটো সস যোগ করে মুড়িয়ে রোল করুন। এবার টুথপিক দিয়ে সেটি আটকে দিন৷ তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু এগ কাঠি রোল৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

রেসিপি: চকলেট ও ছানার পায়েস

শীতকাল মানেই নতুন গুড়৷ আর গুড় মানেই পিঠা পুলি পায়েস৷ তাই এই সময় ঘরে ঘরে পিঠা পুলি পায়েস তো হয়েই থাকে৷ গুড় বা চিনির পায়েস তো অনেক খেয়েছেন৷ এবার একটু চকলেট ও ছানার পায়েস খেয়ে দেখুন তো কেমন লাগে৷ ছোটো বড় সবারই চকলেট শুনেই জিভে পানি আসে৷ তবে জেনে নিন কিভাবে করবেন এই চকলেট ও ছানার পায়েস৷ প্রথমে জেনে নিন চকোলেটের পুডিং তৈরির উপকরণ। ডার্ক চকোলেট নিন ২০০ গ্রাম। প্রণালি প্রথমে একটি পাত্রে চকলেট গলিয়ে নিন৷ তবে হ্যাঁ সরাসরি তাপে বসাবেন না৷ চকলেট গলে গেলে ইচ্ছেমতো আকৃতির পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন৷ ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্র থেকে তুলে নিন৷ ছানার পায়েস তৈরির উপকরণ ১. ছানা ১০০ গ্রাম ২. চিনি ৩৫০ গ্রাম ৩. ময়দা ২ গ্রাম ৪. কর্নফ্লাওয়ার ১ গ্রাম ৫. দুধ ১ লিটার ৬. পেস্তা কুচি ৪ থেকে ৫ টি ৭. সামান্য জাফরান প্রণালি ছানা, ময়দা, কর্ণ ফ্লাওয়ার ও পরিমাণ মতো পানি দিয়ে একসঙ্গে মেখে নিন৷ লক্ষ রাখবেন খুব ঘন বা পাতলা যেন না হয়৷ তারপর ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন৷ তারপর চিনি ও পানি দিয়ে রস তৈরি করে নিন৷ এরপর ওই রসের মধ্যে বলগুলোকে ভিজিয়ে রেখে দিন৷ দেখবেন বলগুলো যেন রসে সম্পূর্ণটা ডুবে থাকে৷ কিছুক্ষণ পর রস শুষে নিয়ে বলগুলো ফুলে উঠবে৷ এরপর দুধ ঘন করে গরম করে নিন৷ তারপর চিনির রস থেকে ছানার বলগুলো তুলে ঘন করে নেওয়া দুধের মধ্যে রেখে দিন কিছুক্ষণ৷ ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন৷ এবার আগে থেকে তৈরি করে রাখা চকোলেটের পুডিং-এর উপর পায়েস দিয়ে পরিবেশন করুন চকলেট ও ছানার পায়েস৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

বড়দিনের বিশেষ রেসিপি: সরিষার তেলে মুরগির তেহারি

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ বড়দিন। আজ মঙ্গলবার উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সারা বিশ্বে বড়দিন উদযাপন করছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। আর বড়দিন মানেই স্পেশাল রান্না। তেমনই একটি স্পেশাল রেসিপি সরিষার তেলে মুরগির তেহারি। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপিটি বানানোর উপায়- উপকরণ ১. মুরগি ১ টা ছোট পিস করে কাটা, ২. হাফ কাপ দই, ৩. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, ৪. আদা বাটা ২ টেবিল চামুচ, ৫. রসুন বাটা ১ চা চামচ, ৬. পেয়াজ বাটা ১ চা চামচ, ৭. এলাচ ৩-৪ টা, ৮. জয়ফল বাটা হাফ চা চামচ, ৯. দারচিনি ২-৩ টা, ১০. লবঙ্গ কয়েকটা, ১১. তেজপাতা ২-৩ টা, ১২. তেল ৪ টেবিল চামচ, ১৩. লবণ স্বাদমত। প্রণালী প্রথমে মুরগির সঙ্গে উপরের সবকিছু মেখে মেরিনেট করে রাখুন ১ ঘণ্টা। তারপর একদম অল্প পানি দিয়ে এটাকে রান্না করুন ২৫ মিনিট। তারপর হালকা ঝোল থাকবে, তেল উপরে উঠে আসলেই বুঝবেন যে তৈরি। বিরিয়ানির জন্য ১. কালোজিরা পোলাও চাল / বাসমতি চাল ৩ কাপ, ২. হাফ কাপ সরিষার তেল, ৩. লবণ স্বাদমত, ৪. কাঁচা মরিচ ৯-১০টি। প্রণালি প্রথমে বড় একটা হাড়িতে সরিষার তেল দিয়ে তাতে চাল আর লবণ দিয়ে দিন। চালটা একটু ভেজে নিয়ে ৫ কাপ ফুটন্ত গরম পানি আর সঙ্গে রান্না করা মুরগির টুকরাগুলো দিয়ে নেড়ে দিন। বেরেস্তা দিয়ে দিন। এবার চুলার আঁচটা বাড়িয়ে দিন। চালটা যখন ফুলে উঠবে আর পানি শুকাতে থাকবে তখন আঁচ একদম কমিয়ে উপরে কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢাকনা আটকে দমে দিয়ে দিন ২০ মিনিট-এর জন্য। মনে রাখবেন, সরাসরি চুলায় দেবেন না। নিচে একটি তাওয়া দিয়ে দিন। তাওয়া না থাকলে একটা হাড়িতে গরম পানি দিয়ে তার উপর তেহারির হাঁড়ি বসিয়ে দিন। ঢাকনা ভালোভাবে লাগিয়ে দেবেন। ভালো করে খেয়াল রাখবেন ভাপ যেন বের না হয়। মনে রাখবেন, বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। কারণ বেশি নাড়াচাড়া করলে চাল ভেঙে যাবে। এরপর নামিয়ে গরম গরম সালাদের সঙ্গে পরিবেশন করুন। একে//

বড়দিনের বিশেষ রেসিপি: খাসির কোরমা

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ বড়দিন। এ দিনটি উৎসবের আবহ নিয়েই আসে। বড়দিন মানেই স্পেশাল রান্না। তেমনই একটি স্পেশাল রেসিপি খাসির কোরমা। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপিটি বানানোর উপায়- উপকরণ ১. খাসির মাংস এক কেজি, ২. আদাবাটা এক টেবিল চামচ, ৩. দারচিনি বড় চার টুকরা, ৪. তেজপাতা দুটি, ৫. লবণ দুই চা চামচ, ৬. ঘি আধা কাপ, ৭. কাঁচা মরিচ আটটি, ৮. কেওড়া দুই টেবিল চামচ, ৯. তরল দুধ দুই টেবিল চামচ, ১০. পেঁয়াজবাটা সিকি কাপ, ১১. রসুনবাটা দুই চা চামচ, ১২. এলাচ চারটি, ১৩. টক দই আধা কাপ, ১৪. চিনি চার চা চামচ, ১৫. দেশি পেঁয়াজকুচি আধ কাপ, ১৬. লেবুর রস এক টেবিল চামচ, ১৭. জাফরান আধা চা চামচ (দুই টেবিল চামচ তরল দুধে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন)। প্রণালি প্রথমে মাংস টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সব বাটা মসলা, গরম মসলা, টক দই, সিকি কাপ ঘি ও লবণ দিয়ে মেখে হাত ধোয়া পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন। এরপর মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিন। পানি অর্ধেক টেনে গেলে কেওড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পাশের চুলায় বাকি ঘি গরম করে পেঁয়াজকুচি সোনালি রং করে ভেজে মাংসের হাঁড়িতে দিয়ে ফোঁড়ন দিন। এবার চিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দুধে ভেজানো জাফরান ওপর থেকে ছিটিয়ে দিয়ে আরও পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর ঢাকনা খুলে লেবুর রস দিয়ে হালকা নেড়ে আঁচ একেবারে কমিয়ে তাওয়ার ওপর ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টার মতো দমে রাখুন। যখন কোরমা মাখা মাখা হয়ে বাদামি রং হবে এবং মসলা থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন করুন। একে//

বড়দিনের বিশেষ ৫ রেসিপি

আজ মঙ্গলবার খ্রিস্টানদের ঘরে ঘরে উৎসবের আনন্দধারা। সাজানো হয়েছে গো-সালা, ক্রিসমাস ট্রি আর বর্ণময় বাতি দিয়ে। এই দিনে সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালন করছেন। বড়দিন মানেই কেক। বড়দিন মানেই স্পেশাল রান্না। তেমনই স্পেশাল কিছু রেসিপি- মিল্ক কফি চকলেট মুজ উপকরণ গরম পানি ১ কাপ, ১ টেবিল চামচ কোকো পাউডার, ১ টেবিল চামচ ইনস্ট্যান্ট কফি, ২ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ আগার আগার পাউডার। প্রস্তুত প্রণালী উপকরণগুলো একসঙ্গে চুলার মধ্যে দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিতে হবে যখন উপকরণগুলো। একসঙ্গে মিশে ঘন হয়ে আসবে তখন সেখানে আধা কাপ চকলেট চিপস দিয়ে দিতে হবে এবং সর্বশেষে আধা কাপ উইপ ক্রিম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর নিজের পছন্দমত বাটিতে এই উপকরণগুলো অল্প করে ঢেলে নিতে হবে এবং ২০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে দেখে দিতে হবে। এবার আরেকটি পাত্রে এক কাপ দুধ আধা কাপ কনডেন্স মিল্ক ১ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার এবং আধা কাপ হুইপড ক্রিম ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে নিতে হবে। সব শেষে ১ চা চামচ আগার আগার পাউডার দিয়ে ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে। এবার চকলেটের উপকরণটি একটু ঠাণ্ডা হয়ে এলে তার ওপরে উপকরণটি ঢেলে দিতে হবে। যখন এই উপকরণটি সেট হয়ে যাবে তখন চকলেট এ উপকরণটি আরেকবার ঢেলে দিতে হবে। এভাবেই হয়ে যাবে মিল্ক চকলেট কফি মুগ। চকলেট ব্রাউনি উপকরণ ময়দা ১/২ কাপ, ডিম ২টি, তেল ১/২ কাপ, চিনি ১/২ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১/৪ কাপ, চকলেট কালার ১ টেবিল চামচ, বাদাম ১ কাপ, কোকো পাউডার ৩ টেবিল চামচ, কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ, বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালী একটি বাটিতে দুটি ডিম ভেঙ্গে তা বিট করে নিতে হবে। এরপর চিনি দিয়ে ৫ মিনিট খুব ভালো করে বিট করতে হবে। এরপর আধা কাপ কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে আরও এক মিনিট বিট করব। এবার ময়দা বেকিং পাউডার কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে মিশিয়ে ডিমের মিশ্রণে চেলে দিয়ে দিব। এরপর স্প্যাচুলা দিয়ে মিশিয়ে নিব। এবার তেলের মধ্যে চকলেট কালার চকলেট ফ্লেভার ও কোকো পাউডার ভালো করে মিশিয়ে নিব। এই মিশ্রণটি ঢেলে দিব এবং স্প্যাচুলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিব। সর্বশেষে বাদাম কুঁচি দিয়ে হালকাভাবে কেকের মিশ্রনের মধ্যে মিশিয়ে নিব। এরপর একটি লম্বা ট্রেতে বেকিং পেপার বিছিয়ে তার মধ্যে হালকা তেল মেখে ব্রাউনির মিশ্রণটি ঢেলে দিব। ১৬০ ডিগ্রি প্রিহিটেড ওভেনে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট বেক করে নেব। এভাবে খুব সহজে ঘরে তৈরি করে নিতে পারবেন চকলেট ব্রাউনি। চকলেট প্যানা কোটা উপকরণ এক কাপ দুধ, আধা কাপ হুইপ ক্রিম, আধা কাপ কনডেন্সড মিল্ক, ৩ টেবিল চামচ চিনি, ১ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স, আধা কাপ চকলেট চিপস। প্রস্তুত প্রণালী চকলেট প্যানা কোটা দুইটি ধাপে প্রস্তুত করতে হয়। প্রথমধাপে আমরা চকলেটের উপকরণ কি প্রস্তুত করে নিব। এর জন্য চুলায় একটি পাত্রে এক কাপ দুধ, আধা কাপ হুইপ ক্রিম, আধা কাপ কনডেন্সড মিল্ক, ৩ টেবিল চামচ চিনি, ১ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স ভালো করে মিশিয়ে নিব, এরপর আধা কাপ চকলেট চিপস দিয়ে খুব ভালো করে নেড়েচেড়ে নিতে হবে এবার ১ টেবিল চামচ আগার আগার পাউডার দিব এবং সবগুলো একসঙ্গে ভালো করে নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নিব যখন উপকরণটি ঘন হয়ে আসবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিব। নিজের পছন্দমত গ্লাসে প্রথমে চকলেট এ উপকরণটি ঢেলে নিব। এরপর দ্বিতীয় ধাপের জন্য লাগবে এক কাপ হুইপড ক্রিম ১ কাপ কনডেন্স মিল্ক ১ টেবিল-চামচ আগার আগার পাউডার ১ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স এবং ৩ টেবিল চামচ চিনি। এই উপকরণগুলো ভালো করে চুলার মধ্যে মিশিয়ে যখন দেখব উপকরণগুলো ঘন হয়ে এসেছে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিব এবং আগে থেকে ফ্রিজে সেট করে রাখা চকলেটে মিশ্রণে ওপর এই মিশ্রণটি ঢেলে দিব। এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে সেট করার পর মনের মত সাজিয়ে পরিবেশন করব লোভনীয় ডেজার্ট চকলেট প্যানা কোটা। মেরাং কুকিস উপকরণ দুটি ডিমের সাদা অংশ ১৫০ গ্রাম, চিনি ১/২ চা চামচ ভ্যানিলা ফ্লেভার। প্রস্তুত প্রণালী চুলায় একটি পাত্রে গরম পানি নিতে হবে। পানি যখন গরম হয়ে যাবে তখন তার ওপর একটি হিট গ্রুফ বাটি দিয়ে তার মধ্যে ডিমের সাদা অংশ এবং চিনি মিশিয়ে নিতে হবে নাড়তে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত চিনি ডিমের পানির সঙ্গে মিশে যায়। যখন ডিমের পানির সঙ্গে চিনি মিশে যাবে সে সময় বাটিটি চুলা থেকে সরিয়ে মিশ্রণটি এগ বিটার দিয়ে বিট করতে হবে ৮ থেকে ১০ মিনিট বিট করার পর যখন সাদা অংশ এবং চিনি ভালো হয়ে মিক্স ওয়েব ফোম তৈরি হয়ে যাবে তখন দিয়ে দিতে হবে এক চামচ ভ্যানিলা এবার ৩০ সেকেন্ড বিট করে নিব। এবার একটি লম্বা ট্রেতে বেকিং পেপার বিছিয়ে নিব। এরপর ডিমের সাদা অংশ এবং চিনির মিশ্রণটি একটি পাইপিং ব্যাগে ভরে নিজের প্রয়োজনমতো সেপ দিতে হবে। এখন ১০০ ডিগ্রি প্রিহিট ওভেনে মিশ্রণটি ৯০ মিনিট বেক করে নিব। এভাবেই হয়ে যাবে বাচ্চাদের খুব পছন্দের একটি খাবার মেরাং কুকিজ। সুইস রোল উপকরণ ডেকোরেশন ক্রিমের জন্য লাগবে মাখন ২৫ গ্রাম, আইসিং সুগার ২৫ গ্রাম, একটি ডিমের সাদা অংশ, ময়দা ২৫ গ্রাম। সুইস রোল বেটারের জন্য লাগবে ৩টি ডিম, তরল দুধ ৩০ গ্রাম, তেল ৩০ গ্রাম, এক চিমটি লবন, চিনি ৬০ গ্রাম, ভ্যানিলা এসেন্স ১চা চামচ, ভিনেগার ১চা চামচ, ময়দা ১২০ গ্রাম। প্রস্তুত প্রণালী ডেকোরেশনের জন্য প্রথমে মাখন একটি বাটিতে নিয়ে এগ বিটার দিয়ে বিট করে নিতে হবে ২ মিনিট এরপর এর মধ্যে আইসিং সুগার দিয়ে আরও ৫ মিনিট বিট করতে হবে। এবার ডিমের সাদা অংশ দিয়ে আরও ৫ মিনিট বিট করে নিব। ময়দা দিয়ে ভাল করে স্প্যাচুলা দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপরেই উপকরণটি প্রয়োজনীয় রং দিয়ে একটি বেকিং ট্রেতে বেকিং পেপার বিছিয়ে তার ওপর তেল ব্রাশ করে মনের মত ডিজাইন দিয়ে দিতে হবে। সুইস রোলের জন্য একটি পাত্রে ডিমের কুসুমের সঙ্গে তরল দুধ তেল লবন ভ্যানিলা এসেন্স হোয়াইট ভিনেগার ৪০ গ্রাম চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ২০ গ্রাম চিনি দিয়ে আরেকটি পাত্রে ভালো করে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। কুসুমের মিশ্রনটি সঙ্গে সাদা অংশের মিশ্রণটি খুব হালকাভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এই মিশ্রণটি বেকিং ট্রেতে ডিজাইনের মিশ্রনে ওপর ঢেলে দিতে হবে। এবার প্রিহিট ওভেনে ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট বেক করে নিতে হবে। এরপর ট্রে থেকে নামিয়ে বেকিং পেপারটি হাল্কা করে সরিয়ে গরম অবস্থাতেই রোলটি পেঁচিয়ে নিতে হবে। এবার ঠাণ্ডা হয়ে গেলে প্যাঁচানোটি খুলে তার মাঝে আপনার পছন্দের হুইপ ক্রিম অথবা বাটার ক্রিম দিয়ে নিতে পারেন। এভাবেই হয়ে যাবে সুইস রোল।

রেসিপি: স্পাইসি ফিস খিচুড়ি

এই শীতে দুপুরের খাবারটা যদি একটু স্পাইসি হয়, তবে কেমন হয়? এই ধরুন গরম গরম স্পাইসি ফিস খিচুড়ি৷ তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বানাবেন এই স্পাইসি ফিস খিচুড়ি৷ উপকরণ ১. পরিমাণ মতো বাসমতি চাল ২. যে কোনও মাছের কাঁটা ছাড়া ফিলে টুকরা ৩. মুগ ডাল-২ কাপ ৪. মটরশুঁটি-২ টেবিল চামচ ৫. একটা পেঁয়াজ কুচি ৬. রসুন কুচি-১ কাপ ৭. আদা কুচি-২ চা চামচ ৮. গোলমরিচ গুড়া-২ চা চামচ ৯. হলুদ গুঁড়া- ১ চা চামচ ১০. জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ ১১. গোটা জিরা- হাফ চা চামচ ১২. তেল- ২ টেবিল চামচ ১৩. লবণ পরিমাণ মতো ১৪. ঘি- হাফ চা চামচ ১৫. ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ ১৬. লেবুর রস-২ টেবিল চামচ প্রণালি প্রথমে মাছের ফিলেগুলোকে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, অল্প অলিভ অয়েল ও অল্প লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা৷ একটি পাত্রে চাল আর ডাল একসঙ্গে নিয়ে ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করুন৷ তেল গরম হয়ে আসলে একে একে গোটা জিরা ও পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে বাদামি করে ভেজে নিন৷ এবার এতে আদা কুচি, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, পরিমাণ মতো লবণ ও অল্প পানি দিয়ে মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে নিন৷ এবার পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল ও ডাল পানি ঝড়িয়ে কড়াই দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন৷ তিন চার মিনিট মশলার সঙ্গে চাল ও ডাল ভালো করে নাড়িয়ে দুই কাপ পানি দিন৷ তারপর একে একে মটরশুঁটি, ধনেপাতা কুচি, মেরিনেট করে রাখা মাছের টুকরাগুলো ছড়িয়ে দিন৷ এরপর ঢাকনা লাগিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন চাল সিদ্ধ হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিন৷ এতেই মাছ সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং পানি পরিমাণমতো দিলে খিচুড়ি ঝরঝরে হবে৷ তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন মাছ দেওয়ার পর নাড়াচাড়া করলে মাছ ভেঙ্গে যাবে৷ খিচুড়ি হয়ে আসলে নামানোর আগে অল্প ঘি ছিটিয়ে দিতে পারেন৷ টমেটো, পেয়াজ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইসি ফিস খিচুড়ি৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

রেসিপি: মুর্গ খোবানী

চিকেন মোটামুটি সারা বছরই মধ্যবিত্তের পকেটসই দামে পাওয়া যায়। চিকেনের কত রকমের সুস্বাদু রেসিপি রয়েছে। যে কোনও একটা বেছে নিলেই হল! চিলি চিকেন, চিকেন কোর্মা, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, চিকেন রেজালা, চিকেন দো-পেঁয়াজা, সেজুয়ান চিকেন... আরও কত লোভনীয় পদ রয়েছে চিকেনের। যত খুশি মন ভরে চেটে পুটে খান। কারণ চিকেনে ডাক্তারেরও তেমন কোনও বারন নেই। আজ শিখে নিন চিকেনের দুর্দান্ত একটি পদ মুর্গ খোবানী রান্নার সহজ কৌশল। মুর্গ খোবানীর বিশেষত্বই হচ্ছে আলুবোখরা। এই রান্নায় আলুবোখরা দেওয়া হয় বলেই এটি দেখতে একটু লালচে রঙের হয়। আজ চেখে দেখতে পারেন চিকেনের সুস্বাদু এই পদটি। ভাল লাগবে। মুর্গ খোবানী বানাতে লাগবে ১. চিকেন ছোট ছোট টুকরা করে কাটা ১ কেজি, ২. রসুন বাঁটা ১ চামচ, ৩. পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, ৪. আদা বাঁটা ১ চামচ, ৫. আলুবোখরা- আধা কাপ, ৬. এলাচ বড় ২টি, ৭. দারচিনি বড় ১টা, ৮. টমেটো ছোট ছোট টুকরা করে কাটা ২টি, ৯. তেল আধা কাপ, ১০. লবণ পরিমাণ মতো। মুর্গ খোবানী বানানোর পদ্ধতি একটি প্যানে তেল গরম করে নিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে বেরেস্তা করে নিন। এবার তাতে চিকেনের টুকরাগুলো, আদা বাঁটা ও রসুন বাঁটা দিয়ে একসঙ্গে ভেজে নিন। তার পর দারচিনি, এলাচ, টমেটো ও লবণ দিয়ে নেড়ে ভাল করে অন্তত মিনিট পাঁচেক কষিয়ে নিন। এর পর মাঝারি আঁচে দিয়ে ঢেকে রাখুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে আলুবোখারা দিয়ে আরও মিনিট খানেক মাঝারি আঁচে ঢেকে রাখুন। আলুবোখারা নরম হলেই আঁচ থেকে নামিয়ে ফেলুন। ব্যস, এবার গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে পানি আনা মুর্গ খোবানী। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: মিষ্টি কুমড়ার কোর্মা

বাজারে বেশ কিছু সবজি আছে, যেগুলো শুধু শীতকালেই পাওয়া যায়। আবার শীতকালেই কিছু শাক-সবজির দেখা মেলে না। তবে বছরের যে কোনও ঋতুতে একটা সবজি সস্তায় সব সময় পাওয়া যায়, কুমড়া। কুমড়া ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। তাই আজ রইল কুমড়োর মিষ্টি মিষ্টি কোর্মা বানানোর রেসিপি। ভাত বা রুটি, দুটির সঙ্গেই খেতে ভাল লাগে। এই পদ তৈরি করাও খুবই সহজ। গরম গরম মিষ্টি কুমড়ার কোর্মা লুচি বা পরোটার সঙ্গেও দুর্দান্ত লাগে খেতে। চলুন শিখে নেওয়া যাক কুমড়োর মিষ্টি মিষ্টি কোর্মা বানানোর সহজ কৌশল। কুমড়ার কোর্মা বানাতে লাগবে ১. মিষ্টি কুমড়া ৫০০ গ্রাম ছোট ছোট টুকরা করে কাটা, ২. এক চা চামচ পাঁচ ফোড়ন, ৩. দুইটি শুকনো মরিচ, ৪. গোটা কাঁচা মরিচ ৫-৬ টি, ৫. দুইটি পেঁয়াজ স্লাইস করা, ৬. বাদাম বাটা এক টেবিল চামচ, ৭. টক দই ১/৪ কাপ (ফেটিয়ে নেওয়া), ৮. ধনে পাতা কুচি পরিমাণ মতো, ৯. সরিষার তেল পরিমাণ মতো, ১০. সামান্য চিনি, ১১. লবণ স্বাদ মতো। কুমড়ার কোর্মা বানানোর পদ্ধতি মিষ্টি কুমড়া ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে সামান্য লবণ মাখিয়ে রাখুন। প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনো মরিচ ও পাঁচ ফোড়ন দিন। এর পর কুমড়াগুলো তেলে ছেড়ে দু’পাশ হালকা ভেজে নিন। এ বার এতে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজসহ বাকি সব উপকরণ দিয়ে দিন। তবে ধনেপাতা এখন দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে ১ কাপ পানি দিয়ে সামান্য কষিয়ে নিন। রান্না থেকে তেল ছাড়লে ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মিনিট খানেক ঢেকে রাখুন। ব্যস, এ বার আঁচ থেকে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়ার কোর্মা। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: চিলি গার্লিক চিকেন

মুখরোচক যে কোনও পদ মানেই চিকেন। মন ভরে চেটে পুটে খান, ডাক্তারের বারণ নেই। সারা বছর মোটামুটি মধ্যবিত্তের পকেটসই দামে পাওয়া যায়। চিকেনের কত রকমের সুস্বাদু রেসিপি রয়েছে। যে কোনও একটা বেছে নিলেই হল! চিলি চিকেন, চিকেন দো-পেঁয়াজা, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, চিকেন রেজালা, চিকেন কোর্মা, সেজুয়ান চিকেন... আরও কত লোভনীয় পদ রয়েছে চিকেনের। এই সব লোভনীয় পদ সামনে পেলে কী আর ছাড়া যায়! আজ শিখে নেওয়া যাক রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু চিলি গার্লিক চিকেন। চিলি গার্লিক চিকেন বানাতে লাগবে ১. চিকেন ১ কেজি (বোনলেস, ছোট ছোট টুকরা করে কাটা), ২. রসুন কুচি ৪ টেবিল চামচ, ৩. মাখন ৩ টেবিল চামচ, ৪. স্বাদ মতো লবণ, গোল মরিচের গুঁড়া আর চিলি ফ্লেক্স, ৫. স্বাদ মতো পেঁয়াজ কলি (মিহি কুচি করা), ৬. তেল ২ কাপ (৫০-৬০ গ্রাম), ৭. চালের গুঁড়া আধা কাপ। চিলি গার্লিক চিকেন বানানোর পদ্ধতি ছোট ছোট চিকেনের টুকরাগুলো ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর চালের গুঁড়া, অর্ধেক রসুন কুচি, লবণ, চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে আলতো করে মেখে নিন। এবার তেল গরম হলে চিকেনের টুকরাগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে ফেলুন। এবার কড়াইতে মাখন দিন। মাখনের মধ্যে রসুন কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। রসুনের গন্ধ বের হলে ভাজা চিকেনের টুকরাগুলো দিয়ে দিন। স্বাদ অনুযায়ী চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া আরও একবার উপর থেকে ছড়িয়ে দিন। ৪-৫ মিনিট ভাল করে নেড়েচেড়ে ভাজুন। পেঁয়াজ কলি কুচি ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন রেস্তোরাঁর মতো চিলি গার্লিক চিকেন। সূত্র: জিনিউজ একে//

রেসিপি: ডিমের পাতুরি

ডিম পছন্দ করেন না, এমন মানুষের তালিকাটা বোধহয় খুব একটা দীর্ঘ হবে না। সকালের খাবার থেকে নৈশভোজ... সর্বত্র বিরাজমান ডিম। অমলেট, ভুজিয়া বা সিদ্ধ, যেভাবেই রান্না করুন, ডিম সহজেই উপাদেও হয়ে ওঠে নিজ গুণে। আর সরিষা দিলে যে কোনও খাবারের স্বাদই বেড়ে যায় বহুগুণ। আজ একটু পাতুরি চেখে দেখুন। পাতুরি বললেই অবশ্য মাছের কথাই মনে হয়। ভেটকি, ইলিশ, চিংড়ি... আরও কত রকম মাছের পাতুরির স্বাদ বাঙালি জানে। তবে আজ পাতে থাক ডিমের পাতুরি। ডিমের পাতুরি বানাতে লাগবে ১. সিদ্ধ ডিম ৪টি, ২. দুই চামচ জিরা গুড়া, ৩. দুই চামচ গরম মশলার গুঁড়া, ৪. দুই চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, ৫. ময়দা ৫০ গ্রাম, ৬. আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি, ৭. ধনেপাতা ২ আঁটি, ৮. দুই চামচ কাঁচা মরিচ বাটা, ৯. আধা কাপ পোস্ত বাটা, ১০. এক কাপ নারকেল কোরানো, ১১. রসুন ৪ কোয়া, ১২. সামান্য চিনি, ১৩. পরিমাণ মতো সরিষার তেল, ১৪. স্বাদ মতো লবণ, ১৫. আগুনে সেঁকে রাখা কলা পাতা। ডিমের পাতুরি বানানোর পদ্ধতি সাদা আর কালো সরিষা, নারকেল কোরা, রসুন, পোস্ত, কাঁচামরিচ ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন। ২০-২৫ মিনিট পরে সব কিছু একসঙ্গে মিহি করে বেটে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করুন। ডিম সেদ্ধ করে মাঝামাঝি সমানভাবে কেটে নিন। ময়দা পানিতে গুলে ব্যাটার বানিয়ে নিয়ে প্রতিটা ডিমের টুকরা তাতে ডুবিয়ে হালকা তেলে ভেজে তুলে নিন। আলাদাভাবে আর একটা পাত্রে তেল গরম করে হলুদ দিয়ে পেঁয়াজ ভেজে নিন। এর পর লবণ-চিনি আর সরিষা-পোস্ত-নারকেলের মিশ্রণ ঢেলে ১০ মিনিট কষিয়ে নিন। এবার এই মশলার মধ্যে ভাজা ডিম দিয়ে হালকাভাবে নেড়ে নিন। মিনিট দুয়েক পর ওপরে ধনেপাতা আর কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল ছড়িয়ে কলা পাতার মধ্যে মশলা মাখানো সিদ্ধ ডিম মুড়ে সুতা অথবা টুথপিক দিয়ে আটকে নিন। এর পর একটা প্যানে তেল গরম করে মুড়ে রাখা কলা পাতাগুলো দিয়ে ঢেকে দিন। পাতার দুই দিক লাল হয়ে পুড়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে পানি আনা ডিমের পাতুরি। সূত্র: জিনিউজ একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি