ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:২৮:২৮

আঙ্গুলের ছাপেই মিলবে সন্তানের ভবিষ্যৎ

আঙ্গুলের ছাপেই মিলবে সন্তানের ভবিষ্যৎ

সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকরা খুব চিন্তিত থাকেন। এমন কি ভবিষ্যৎ জানার জন্য জ্যোতিষীর কাছেও আশ্রয় নেন। তবে এবার আধুনিকযুগে সেই চিন্তা বদলে গেছে। সন্তান কি বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে, কোন বিষয়ে পড়াশোনা করলে উন্নতির সম্ভাবনা বেশি, তা জানতে ডিএমআইটি (ডার্মাটোগ্লাইফিক্স মাল্টিপল ইন্টেলিজেন্স টেস্ট) ও ব্রেন ম্যাপিং পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন অনেক অভিভাবক। সন্তানের দু’হাতের আঙুলের ছাপ কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে তা থেকে জন্মগত প্রতিভার আন্দাজ পাওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মানুষের মস্তিষ্ক বাঁ এবং ডান দু’ভাগে বিভক্ত। বাঁ দিকের মস্তিষ্কের সঙ্গে ডান হাত এবং ডান দিকের মস্তিষ্কের সঙ্গে বাঁ হাতের সরাসরি যোগ রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, কারও বাঁ দিকের মস্তিষ্ক সক্রিয় হলে তার মধ্যে বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যুক্তিপূর্ণ ভাবনা, উপস্থিত বুদ্ধি, যন্ত্রের প্রতি আগ্রহ, ভাষা শেখার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি হয়। ডান মস্তিষ্ক যাদের বেশি সক্রিয়, তারা বহু ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের অধিকারী। সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তি, নাচ, গান প্রভৃতিতে আগ্রহও তাদের বেশি বলে দাবি করা হয়। ডিএমআইটি বিশেষজ্ঞেরা প্রথমে স্ক্যানারে পড়ুয়ার দু’হাতের আঙুলের ছাপ নেন। এর পরে কম্পিউটারে আঙুলের রেখাগুলির বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই করে তার সহজাত দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার চেষ্টা হয়। চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি হলে অভিভাবকদের তা ব্যাখ্যা করেন বিশেষজ্ঞেরা। অনেক সময়ে বাবা-মা এবং সন্তানকে একসঙ্গে বসিয়ে চলে কাউন্সেলিং। প্রসঙ্গত আমেরিকা, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিএমআইটি জনপ্রিয়। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে দেশে ডিএমআইটি নিয়ে গবেষণার জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন বারাক ওবামা। মুম্বই, দিল্লির অনেক স্কুলও পড়ুয়াদের ডিএমআইটি করাতে শুরু করেছে। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/ এসএইচ/
মেয়েরা যে ৫ কারণে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে

সম্পর্কে শুধু স্বামীই প্রতারণা করে না, করে মেয়েরাও। মূলত আধুনিকযুগে স্বামী-স্ত্রী চাওয়া-পাওয়া ভিন্ন বিধায় তাদের কারণগুলোও ভিন্ন হয়ে থাকে। যেটা স্বামীর কাছে কোন বিষয়ই নয় সেটা হয়তো স্ত্রীর কাছে অনেক বড় বিষয়। এ রকম মতোপার্থক্য থাকার কারণে মেয়েরা অনেক সময় স্বামীর কাছ থেকে দূরে সরে যেতে চায়। তখন তাদের আশ্রয় নিতে হয় প্রতারণার। ১) সম্পর্ক এখন সহজলভ্যতা মনোবিদরা বলছেন, সমাজের সব থেকে বড় সমস্যাই হল সহজলভ্যতার ধারণা। অনেক কিছুর মতো সম্পর্কও এখন অনেক সহজলভ্য বলে মনে করেন অনেকেই। একটু চেষ্টা করতে পারলেই যেন মিলে যায় সব সমস্যার সহজ সমাধান। এই মানসিকতা ঢুকে পড়েছে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। ২) মেয়েদের আত্মাভিমান একটু বেশি মনোবিদরা ধারণা করেছেন, মেয়েদের আত্মাভিমান ছেলেদের তুলনায় একটু বেশিই। মেয়েরা স্বভাবগতভাবে একটু অভিমানী হয়ে থাকেন। ফলে, কোনও সম্পর্কে যদি আত্মাভিমানে আঘাত লাগে, তা হলে তাঁরা সেই সম্পর্কে টিকে থাকতে চান না। তাই অনেক ক্ষেত্রে আত্মাভিমানে আঘাত লাগলে ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে প্রতারণাকেই বেছে নেন। ৩) মানসিক বিকার সব থেকে মারাত্মক ট্রেন্ডটি দেখা দিয়েছে হালফিলে। স্রেফ মজার জন্য মন নিয়ে খেলার প্রবণতা। মনোবিদরা বলছেন, এও এক ধরনের মানসিক বিকার। অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজে আনন্দ পাওয়া। ৪) সমাজে মানিয়ে নেওয়ার বিষয় মনোবিদদের মতে, আজকাল সমাজে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটাই অনেক কমে গিয়েছে। নিজের ক্যারিয়ারের ঝক্কি সামলে সম্পর্কের সূক্ষ্ম দিকগুলির মানিয়ে নেওয়ার সময় কোথায়? এ ক্ষেত্রেও মেয়েরা সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে প্রতারণার রাস্তাই বেছে নেন। ৫) যৌন স্বাদে ভিন্নতা আনতে আধুনিক যুগের ছেলেদের মত মেয়েরাও অনেক বেশি আধুনিক হয়ে গেছে। ছেলেরা যেমন বিভিন্ন যৌন স্বাদ পেতে ভালোবাসেন তেমনি এমন অনেক মেয়ে আছেন যারা বিভিন্ন ছেলেদের সঙ্গে যৌন স্বাদ গ্রহণ করতে চান। এরা এক পুরুষের মাঝে সকল সুখ খুঁজে পায় না। এ কারণেও এই মেয়েরা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। কেএনইউ/

শ্বশুরবাড়িতে যে ৯ নিয়ম মেনে চলবেন 

মেয়েদের বিয়ে হলে্ই নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে চলে যেতে হয়। আর সেখানে নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজনকে মানিয়ে নেওয়া খুব কষ্টকর হয়ে যায়। কেননা শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্কটি পুরোটা ভিন্ন। কিন্তু কোন উপায় নেই এই পরিবেশে, এই মানুষদের সঙ্গেই বাস করতে হবে। তাই তাদের সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে চলা যায় সেই নিয়ম জেনে নেওয়া জরুরী।     ১) সঙ্গীর সাহায্য নিন, তার কাছ থেকে জেনে নিন কেমন আচরণে পরিবার বিব্রতবোধ করে। সকলের পছন্দ-অপছন্দ জানুন, সকলের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখুন। এতে আপনার জন্যে সহজ হবে। আজীবন কাজে আসবে তথ্যগুলো।      ২) প্রতিটি বাড়ির কিছু আলাদা নিয়ম থাকে। যেমন- সকাল ৮ টায় নাস্তা বা রাত ৯ টায় রাতের খাবার ইত্যাদি। বাড়ির নিয়মগুলো ভালোভাবে জেনে নিন। যতক্ষণ সকলের সঙ্গে আছেন, চেষ্টা করুন নিয়মগুলো মেনে চলতে। পরিবারের একজন দলছুট হয়ে নিয়ম ভঙ্গ করলে শুরুতেই খারাপ প্রভাব পড়ে।   ৩)বিবাহিত জীবনের সবচাইতে বড় সম্বল হচ্ছে ম্যাচিউরিটি। দাম্পত্যে ম্যাচিউর আচরণ আপনাকে যা দিতে পারবে, অন্য কিছুই তা পারবে না। পরিবারের সকলকে বোঝার চেষ্টা করুন, ক্ষমা করতে শিখুন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক রক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। কোথায় আপনাকে কী করতে হবে, সহজেই বুঝে যাবেন। মনে রাখবেন, আনন্দ বিনিময় করা খুব সহজ। কেবল চাই একটুখানি চেষ্টা। ৪) শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়ের সাথে আর্থিক লেনদেন একদমই পরিহার করুন। উপহার দেওয়া বা সাহায্য করা এক ব্যাপার, কিন্তু ধার-দেনার মাঝে একেবারেই যাবেন না। টাকা সম্পর্ক নষ্ট করার মূল। ৫) বয়সে বড় সকলের জন্যেই সম্মান ও ছোটদের জন্যে স্নেহ বরাদ্দ রাখুন। হয়তো মনে মনে আপনি মানুষটিকে পছন্দ করেন না। কিন্তু যেহেতু তারা আত্মীয়, সম্মান ও স্নেহ তাঁদের প্রাপ্য। ৬) ভনিতা করে বা অভিনয় করে ভালোবাসা পাওয়া যায় না। হয়তো আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি যেমন পছন্দ করেন, আপনি তেমন নন। কিন্তু তাই বলে নিজেকে তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী করার চেষ্টা করে লাভ নেই। আপনি যেমন আছেন, সেভাবেই তাঁদের মন জয় করার চেষ্টা করুন। নিজেকে বদলে ফেলে কিছুই পাবেন না। ৭) শ্বশুরবাড়ির কারো ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনে নাক গলাবেন না। যেচে পড়ে উপদেশ দিতে যাবেন না। কেবল তখনই কথা বলুন, যখন অন্য পক্ষ সেটা শুনতে চায়। ৮) নিজেকে শান্ত রাখতে শিখুন। নিজের পরিবারেও অনেক কিছু আমাদের পছন্দ হয় না। সেখানে শ্বশুরবাড়ির সবকিছু বা সবাইকে আপনার ভালো লাগবে, এমনটা ভাবা অনুচিত। নতুন সবকিছুকেই খারাপ মনে না করে কিছুদিন চেষ্টা করেই দেখুন ভালো লাগে কিনা। ৯) কিছু ব্যাপার আগেই নির্ধারণ করে রাখুন। সম্পর্কের সীমারেখা থাকা জরুরী, তাই স্বামী-স্ত্রী মিলে ঠিক করুন ব্যাপারগুলো। যেমন- শ্বশুরবাড়িতে কী দেবেন আর কীভাবে, উৎসব-অনুষ্ঠানে কী হবে, কোন ব্যাপারগুলোতে আপনারা কথা বলবেন আর কোনগুলো এড়িয়ে যাবেন ইত্যাদি। কেএনইউ/এসি       

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর যা করবেন!

প্রেমের সম্পর্কে ব্রেক আপের থেকেও সমস্যাজনক পর্ব হল পুরনো স্মৃতি থেকে বেরোনো। সাবেক সম্পর্কের সঙ্গে সমস্ত মায়া কাটিয়ে নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া কঠিন কাজ। সমস্যাকে ফেলে এগিয়ে যাওয়া নিছক কোনও অপশন নয়। এটা আবশ্যিক। আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যই তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। শুধু নিজের জন্য সময় এবং স্থান বের করা শেষ কথা না। নতুন মানুষের সঙ্গে দেখা করতে হবে, কথা বলতে হবে, নিজেকে মেলে ধরতে হবে। তাই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর কিভাবে সামলিয়ে উঠবেন। এ সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলো ধরা হলো- বারবার ফোন করবেন না-মনে হতেই পারে ভীষণ মিস করছেন আপনি তাকে, কিন্তু এই মিস করাটা সয়ে নিতে হবে। যদি সত্যিই বেরিয়ে আসতে চান, বদল চান জীবনে তাহলে ফোন করবেন না। বরং নম্বর মুছে ফেলুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লক করে দিন। সেই স্মৃতি থেকে বেরোতে যা যা করতে হয় তাই করুন। পুরোনো স্মৃতি নিয়ে পড়ে থাকবেন না-অতীতে আটকে থাকার থেকে সেসব ভুলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করাই ভালো। হতেই পারে পুরোনো স্মৃতির জায়গা নিল নতুন নতুন মুহূর্ত। সেই মুহূর্ত তৈরির জন্য চেষ্টা করুন। সচেতনভাবে সাবেকের সঙ্গে কাটানো সুখস্মৃতি এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করুন। খারাপ চিন্তা করবেন না-আমরা অনেকেই বিষণ্ণতাকে আরও জাঁকিয়ে বসার সুযোগ করে দিই। দুঃখের গান শুনে, বা বার বার ব্রেক আপের কথা লোককে বলে, সারাক্ষণ মনের মধ্যে খারাপ চিন্তাই ঘোরে। এই চিন্তার কোনও সমর্থক দিক নেই। এ সমস্ত আরও জটিলতা বাড়ায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

বিয়ে করার আগে দেখে নিন এই বিষয়গুলো!

প্রেমই কিন্তু সবকিছু নয়। বিয়ে করতে গেলে আগে পিছু কাজ করা উচিৎ। তার জন্য যা কিছু পরীক্ষা করতে হয়,তা অবশ্যই করণীয়। সব না হলেও বিয়ের আগে অন্তত কিছু বিষয় খতিয়ে দেখা উচিৎ। তাহলেই বোঝা যাবে ওই ব্যক্তি সত্যিই আপনার সঙ্গি হওয়ার যোগ্য কি না। ১) আপনাকে নিজের থেকে ছোট মনে করে? আপনার সঙ্গী কি মনে করে সে বিশাল কিছু, আর আপনি নেহাতই নগণ্য। এমন হলে কিন্তু সাবধান। সঙ্গির প্রতি যদি বিন্দুমাত্র সম্মান না থাকে, তাহলে কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক টেকে না। বিয়ে তো বিপদে পড়বেই। তাই এ ক্ষেত্রে দু’বার ভাবুন। ২) আপনার পরিবার আর বন্ধুদের কীভাবে দেখে? আপনার সঙ্গী আপনার পরিবার ও বন্ধুদের কেমন শ্রদ্ধা করে? সে তার নিজের পরিবারকে যতটা শ্রদ্ধা করে, ততটা কি আপনার পরিবারকেও করে? নাকি এখানে কোন ফাঁকফোকর আছে? সে তার নিজের বন্ধুদের সঙ্গে যতটা সময় কাটায়,আপনার বন্ধুদের সঙ্গে ততটাই সময় কাটাতে দেয়? ভেবে দেখুন। ৩)আপনাকে সমর্থন করে কি না? আপনার সঙ্গী আপনাকে সমর্থন করে কি না? এটা কিন্তু খুব দরকারি। বিয়ে মানে সারা জীবনের সম্পর্ক। এক্ষেত্রে একজন তো আশা করবেই তার সঙ্গী সব সময় তার সঙ্গে থাকুক। তাকে সমর্থন করুন। সম্পর্কের মধ্যে যদি আপনি মানসিক শান্তি না থাকে তাহলে এসবের  মূল্য কি আছে?   ৪) তথ্য গোপন করে কি না? আপনার সঙ্গী আপনার থেকে কোন কথা গোপন করে কি না? ঝামেলা এড়ানোর জন্য যদি কিছু না বলে, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু আপনাকে না বললে ঝামেলা। এর মানে সে আপনাকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতে পারছে না।এই পরিস্থিতিতে বিয়ে করবেন কি না ভেবে দেখুন? কেআই/ এসএইচ/

এয়ারকন্ডিশনে দীর্ঘক্ষণ থাকার সমস্যা ও প্রতিকার  

এয়ারকন্ডিশনের উপর আমরা ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। অফিসে ৮-৯ ঘণ্টা টানা সেন্ট্রাল এসি-তে থাকতে থাকতে বাড়িতে ফিরে পাখার হওয়া যেন গায়েই লাগতে চায় না। তাই এখন প্রায় ঘরে ঘরেই এয়ারকন্ডিশনারের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এই এয়ারকন্ডিশনারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে।   আসুন এয়ারকন্ডিশনার অতিরিক্ত ব্যবহারের কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আলোচনা করা যাক- ১)ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া  বেশি সময় এয়ারকন্ডিশনের পরিবেশে থাকলে ত্বক তার আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। যদি কেউ ত্বক আর্দ্র করার কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে তিনি শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। ২)শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা আপনি যদি দিনের বেশিরভাগ সময় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে থাকেন তাহলে বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। এয়ারকন্ডিশনার শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সংক্রমণকে বাড়িয়ে দিতে পারে। ৩)অসুস্থতা এবং অবসাদ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সব মানুষ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেশি সময় থাকেন, তারা মাথা ব্যথা এবং অবসাদে বেশি ভোগেন। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘর আপনার ঠাণ্ডার সমস্যা, ফ্লু-এর প্রকোপ বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে। ৪)চোখের সমস্যা  এয়ারকন্ডিশনার চোখের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। যারা চোখে লেন্স ব্যবহার করেন, তারাও এ সমস্যায় ভূগতে পারেন।  এ ছাড়াও এয়ারকন্ডিশনার বেশ কিছু রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দেয়। যেমন, ব্লাড প্রেসার, আর্থাইটিস, বিভিন্ন ধরণের স্নায়ুর সমস্যা ইত্যাদি। এ ছাড়া অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও মারাত্নক আকার ধারণ করতে পারে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকেও নিজেকে সুস্থ রাখার উপায়- *এয়ারকন্ডিশনার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত করতে হবে। *আপনার ঘরের তাপমাত্রা ২১-২৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখুন। খেয়াল রাখবেন, ঘরের তাপমাত্রা যেন ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম না হয়।    *ঠাণ্ডার মরসুমে এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহার না করাই ভাল। *ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে লোশন এবং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। *মাঝে মধ্যে মুখ, হাত জল দিয়ে ধুয়ে নিন। প্রয়োজনে চাদর ব্যবহার করুন। এমএইচ/এসি    

বিয়ে করার আগে দেখে নিন ৮টি বিষয়

বিয়ে করতে গেলে আগপিছু ভেবে করা উচিত। তার জন্য যা কিছু পরীক্ষা করতে হয়, তা অবশ্যই করণীয়। তবে সব না হলেও বিয়ের আগে অন্তত কিছু বিষয় খতিয়ে দেখে নেওয়া উচিত। তাহলেই বোঝা যাবে ওই ব্যক্তি সত্যিই আপনার সোলমেট হওয়ার যোগ্য কি-না। আপনাকে নিজের থেকে ছোট মনে করে? আপনার পার্টনার কি মনে করে সে বিশাল কিছু, আর আপনি নেহাতই নগণ্য। এমন হলে কিন্তু সাবধান। উলটোদিকের মানুষটার জন্য যদি বিন্দুমাত্র সম্মান না থাকে, তাহলে কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক টেকে না। বিয়ে তো বিপদে পড়বেই। তাই এ ক্ষেত্রে দু’বার ভাবুন। আপনার পরিবার আর বন্ধুদের কীভাবে দেখে? আপনার সঙ্গী আপনার পরিবার আর আপনার বন্ধুদের শ্রদ্ধা করে? সে তার নিজের পরিবারকে যতটা শ্রদ্ধা করে, ততটা কি আপনার পরিবারকেও করে? নাকি এখানে বিরাট ফাঁক রয়েছে? সে তার নিজের বন্ধুদের সঙ্গে যতটা সময় কাটায়, আপনাকেও কি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে ততটাই সময় কাটাতে দেয়? ভেবে দেখুন। সমর্থন পান তো? এটি কিন্তু খুব দরকারি জিনিস। বিয়ে মানে সারা জীবনের সম্পর্ক। এ ক্ষেত্রে একজন তো আশা করবেই উলটোদিকের মানুষটা সব সময় তার সঙ্গে থাকুক। তাকে সমর্থন করুন। সম্পর্কের মধ্যে যদি আপনি মানসিক শান্তি না পান, মূল্য কিন্তু চোকাতে হবে আপনাকেই। নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আপনি থাকেন? জীবনে যে কোনও সিদ্ধান্ত একসঙ্গে বসে, আলোচনা করে স্বামী স্ত্রীর নেওয়া উচিত। এমনটা আপনার ক্ষেত্রে হয় তো? মানে আপনার প্রেমিক আপনার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করে তো? নাহলে কিন্তু সাবধান হোন। তথ্য গোপন করে? আপনার সঙ্গী কি আপনার থেকে কথা গোপন করে? ঝামেলা এড়ানোর জন্য যদি কিছু না বলে, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু আপনাকে না বললে মুশকিল। এর মানে সে আপনাকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করে না। এই পরিস্থিতিতে বিয়ে করবেন তো? ঝগড়া সামলানোর চেষ্টা কতটা? ঝগড়ার পর সে কি তার নিজের ইগো ধরে বসে থাকে? নাকি আপনাকে মানানোর চেষ্টা করে? খুব হালকা বিষয়। কিন্তু এখান থেকেই আপনি তার জীবনে আপনার গুরুত্বের কথা বুঝতে পারবেন। সম্পর্কের জন্য ম্যাচিওর? অনেক সময় দেখা যায় যারা ভাল প্রেমিক, তারা ভাল স্বামী হতে পারে না। দায়িত্ব নিতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে। আবার অনেক সময় দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে প্রেম উবে যায়। এমন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি? দেখে নিন। কারণ ম্যাচিওরিটি কিন্তু রাতারাতি আসে না। পজেসিভনেস আপনাকে কি আপনার সঙ্গী অতিরিক্ত পজেসিভ? আপনার উপর অতিরিক্ত অধিকারবোধ ফলায়? আর এর জন্য কি আপনার কখনও দমবন্ধ মনে হয়? দেখা গেছে, এ সব প্রথম প্রথম ভাল লাগলেও পরে হাসফাঁস দশা হয়। তাই বিয়ে করার আগে সবকিছু ভালভাবে দেখে নিন। না হয় সম্পর্ক নিয়ে সমস্যায় পড়বেন আপনিই। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

আপনার ওজন বাড়ার ৫ কারণ 

সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসে ছুটছেন। নয়ত উঠেই খেতে বসে গেলেন। কিন্তু সকালের এমন কিছু কাজ আছে যা করলে সহজেই আপনি আপনার ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। পেটের মেদ কমাতে হলে সকালটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাদ্যভ্যাস, ব্যায়াম এবং ঘুম ওজন কমাতে দরকারি। কিন্তু সকাল সকাল কিছু ভুলের কারণে আপনার ওজন কমানোর লক্ষ্য বরবাদ হয়ে যেতে পারে। জেনে নিন, এই ভুলগুলো আপনিও করছেন না তো? ১) সকালে ব্যায়াম না করা   গবেষণা বলে, সকালে ব্যায়াম করলে বেশি ক্যালোরি খরচ হয় এবং ওজন বাড়া ঠেকায়। খালি পেটে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে চর্বিও দূর হয়। তারমানে এই নয় যে সকাল সকাল জিমে ছুটতে হবে। আপনি বাড়িতে ও বাড়ির আশেপাশেই কিছু ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন হাঁটা, জগিং, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা স্কিপিং। সকালে আধা ঘণ্টার ব্যায়ামও অনেক উপকারে আসে। ২) সকালে পানি পান না করা   সারা বিশ্বের ডায়েটিশিয়ান, নিউট্রিশনিস্ট এবং ফিটনেস এক্সপার্টরা এ বিষয়ে একমত যে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করাটা সুস্থতার জন্য যেমন জরুরি, ওজন কমাতেও তেমনি জরুরি। পানি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর এবং মেটাবলিজম বাড়াতে কাজে আসে। এছাড়া সকালে দুয়েক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করলেও ওজন এবং পেটের মেদ কমে। ৩) সকালের রোদ গায়ে না মাখা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সকালের রোদ কিন্তু আপনার ওজন কমাতে কাজে আসে। সূর্যের আলো মেটাবলিজম বাড়াতে কাজে আসে এবং আপনাকে শক্তি দেয়। ৪) নাশতায় প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া অনেকেই সকালবেলায় তাড়ায় থাকেন। তারা প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের ওপরেই নির্ভরশীল। এসব খাবারের মাঝে রয়েছে সিরিয়াল, গ্রানোলা বার, পাউরুটি, কুকি ইত্যাদি। এসব খাবারে থাকা কৃত্রিম ফ্লেভার এবং প্রিজার্ভেটিভস শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া এসব খাবার খেলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ওজন কমাতে সকালবেলা ঘরে তৈরি খাবার বা সাধারণ টাটকা খাবার খেতে পারেন। যেমন ফল, বাদাম, ওটস, ফলের স্মুদি ইত্যাদি। ৫) সকালে নাশতা না করা অনেকেই ভাবেন, একবেলা খাবার না খেলে ওজন কমবে। এই ধারণাটি খুবই ভুল! সকালের নাশতা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। নাশতা করার সাথে সাথে মেটাবলিজম দ্রুত হয়। এছাড়া সকালে নাশতা না করলে সারাদিনই আপনার ক্লান্তি লাগবে এবং এটাসেটা খেতে ইচ্ছে হবে। ফলে ওজন কমার বদলে বেড়ে যাবে। এ কারণে সকালে ভরপেট নাস্তা করা উচিত। সূত্র: এনডিটিভি এসি    

‘নির্জনতা’ অ্যানথ্রোপোফোবিয়া নয় তো?  

নির্জনতা এক ধরণের রোগ। নিজেকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখা এটি কোন স্বাভাবিক ঘটনা না। অনেক সময় এরা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষদের দেখলে ভয় পায়। পৃথিবীর সকল মানুষকেই ভয় পেয়ে থাকেন তাহলে বিষয়টি মোটেও আর স্বাভাবিক বলা চলে না! কারণ, এই ভয় পাওয়াটা হতে পারে একটি মানসিক রোগের লক্ষণ। রোগটির নাম হল অ্যানথ্রোপোফোবিয়া।   অ্যানথ্রোপোফোবিয়া কোনও সাধারণ মানসিক রোগ নয়। পরিস্থিতি, বিষয় বা নির্দিষ্ট কোনও কারণ ছাড়াই সব মানুষকে ভয় পাওয়া বা এড়িয়ে চলার প্রবনতা অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার লক্ষণ হতে পারে।   চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য দেওয়া হলো-  অ্যানথ্রোপোফোবিয়া হওয়ার কারণ কি? মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ সমীরচন্দ্র দাস জানান, নিউরোলজিক্যাল কোনও সমস্যা থেকে এই রোগের উৎপত্তি। তবে অটিজমের সঙ্গে অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার তেমন কোন সম্পর্ক নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই রোগটির নির্দিষ্ট কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না এবং এই সমস্যাটি যে কোনও মানুষের, যে কোনও বয়সেই হতে পারে। বিশেষত, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার প্রকোপ অধিক লক্ষ্য করা যায়। অতীতের কোনও বিশেষ ঘটনা, কোনও ভয়, মানসিক আঘাতের ফলে অ্যানথ্রোপোফোবিয়া শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ওই চিকিৎসক আরও জানান, যে সকল ব্যক্তিরা অত্যধিক হীনমন্যতায় ভোগেন, বিভিন্ন কারণে একাকিত্বের শিকার, তাঁদের মধ্যেই অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার প্রকোপ অধিক লক্ষ্য করা যায়।    অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার লক্ষণ সমূহঃ ১) এই রোগের মূল লক্ষণ হল, যেকোনও মানুষকে ভয় পাওয়া। যেকোনও মানুষকে ভয়ের চোখে দেখতে থাকেন এই রোগে আক্রান্তরা রোগীরা। ২) কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলে ভয় পাওয়া, চোখ মুখ শুকিয়ে যাওয়া এবং শরীরে কাঁপুনি ওঠা। ৩) মুখ চোখ রক্তবর্ণ হয়ে যাওয়া এবং ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া অথবা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। ৪) হার্টবিট খুব অল্প সময়ের মধ্যে বৃদ্ধি পাওয়া।  ৫) মানুষের সঙ্গে না মেশা এবং ঘরের অন্ধকারে নিজেকে বন্দি করে বসে থাকা। ৬) মানুষ দেখলেই ভয়ে চিৎকার করে ওঠা এবং পরিচিত মানুষকেও চিনতে না পারা। ৭) নির্জনতার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ অনুভব করা। ৮) সামাজিক, পারিবারিক উত্সব অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলা ইত্যাদি। অ্যানথ্রোপোফোবিয়া রোগের চিকিৎসা: মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ সমীরচন্দ্র দাসের মতে, সাধারণ অন্যান্য মানসিক রোগের মতো না হলেও অ্যানথ্রোপোফোবিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে মনরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে বিভিন্ন থেরাপি এবং কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমেই এই রোগটি পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। তবে অবহেলার কারণে এই রোগটি মারাত্মক হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত অনেক দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তিনি জানান, এই রোগ যত আগে ধরা পড়বে, তত দ্রুত তা সারিয়ে তোলা সম্ভব। তাঁর লেখা ‘হিপনো কাউন্সেলিং’ নামের বইটিতেও অ্যানথ্রোপোফোবিয়া এ জাতীয় বিভিন্ন মনোরোগ, সেগুলোর লক্ষণ বা চিকিত্সার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তিনি। সুতরাং, নিজের মানসিক সমস্যাগুলোকেও শারীরিক অসুখের মতোই যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে চিকিত্সা করানো জরুরি। (সূত্রঃ জি২৪)   কেআই/এসি    

ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার জন্য বিজ্ঞাপন! 

কয়েক মাস আগে, ‘মালিককে ঘুম থেকে তোলার জন্য কর্মী চাই’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল। কিন্তু কার জন্য এমন বিজ্ঞাপন, সেই প্রশ্নেই সরগরম ছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। তবে সম্প্রতি উত্তরটা মিলেছে। জানা গেছে, এক ভারতীয় কোটিপতির কিশোরী-কন্যা সবে ভর্তি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার যাতে কোনও রকম অসুবিধা না-হয়, তার জন্যই এত আয়োজন। স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ় বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছে ওই মেয়েটি। তার মধ্যেই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে সে। জুটে গিয়েছে ‘সব চেয়ে অভিজাত’-এর তকমাও।      এক সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ উইলিয়াম ও কেট। কিন্তু সেই সময় উইলিয়াম অন্য পাঁচ জন শিক্ষার্থীর মতোই থাকতেন। তাই ভারতীয় কোটিপতি-কন্যার জন্য এমন আয়োজনে হতভম্ব অনেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী বরাবরই বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত। পুরো চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটাতে হবে বলে এরকম আয়োজন। বাড়ির আদরের মেয়ের যাতে কষ্ট না-হয়, তার জন্য বিলাস-ব্যসনের এলাহি আয়োজন করেছে পরিবারটি। প্রথমেই সেন্ট অ্যান্ড্রুজ়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি একটি বিশাল বাড়ি কিনে ফেলেছে তারা। মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়ে মেয়েকে সঙ্গ দেবেন তার বাবা-মা-ভাই। কিন্তু মেয়ের কাজ কে করবে? তার জন্যই তো নিয়োগ করা হয়েছে ১৩ জন কর্মীকে। আর এই কর্মী নিয়োগ করার জন্যই যোগাযোগ করা হয়েছিল এক অভিজাত নিয়োগকারী সংস্থা ‘সিলভার সোয়ান’-এর সঙ্গে। তারা একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, শহরতলিতে ঘরের কাজের জন্য ১৩ জন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী চাই। তাদেরকে বেতন দেওয়া হবে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড।   এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞাপনে এ-ও বলা ছিল যে, ঘরের কাজের মহিলাকর্মীকে কর্মশক্তিতে ভরপুর, উচ্ছল হতে হবে। ওই মহিলাকর্মীর কাজ হল— রুটিন অনুযায়ী অন্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, ওয়ারড্রোব গ্রুমিং ও মেয়েটির ব্যক্তিগত শপিংয়ে সাহায্য করা। শুধু তা-ই নয়, মেয়েটিকে যথাসময়ে ঘুম থেকে উঠানো। সূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/এসি    

আবেগে ভেসে বার বার ভুল করছেন? যেভাবে নিজেকে শুধরাবেন 

যা মনে আসে তাই করে বসেন। রাগ হলে মেরে আধমরা করে ফেলেন। দুমদাম কাজ করে বসলেন। যা দেখেন তাই কেনেন। খরচের সীমা নেই। প্রেমে পাগল হয়ে সব ছেড়েছুড়ে তাঁর জন্য অসাধ্যসাধন করেন। এসবে এক সময় নিজেই বলেন আর নয়। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। এমন নাছোড় আগেবের বশে পড়ে ক্ষতি যা হয়েছে তা বলার নয়৷ তাই মুক্তি চাইছেন এমন অতিরিক্ত আবেগের হাত থেকে৷ কিন্তু জানেন কীভাবে মুক্তি মেলে এ থেকে?    যে কোনও কাজের মূলে থাকে আবেগ আর যুক্তি৷ কখনও যুক্তি আগে আসে কখনও আবেগ৷ অধিকাংশ মানুষ কম–বেশি দু’টির মিশেলেই কাজ করেন৷ হঠকারীদের প্রথমে আবেগ আসে, প্রবলভাবে৷ আর আসামাত্র তাঁরা কাজটা করে ফেলেন৷ এরপর যখন যুক্তি আসে, শুরু হয় আফসোস৷ ভেবে দেখুন, আপনারও কি এরকম হয়? এমন যদি আপনারও হয়, তবে হতাশ হবেন না, আবেগে করা কাজ যে সবসময় খারাপ হয়, তা নয়৷ বহু ভাল কাজই আবেগের বশে করা হয়ে থাকে৷ কিন্তু মুশকিল হল ভাল আবেগের সঙ্গে অনেক সময় খারাপ আবেগও আসে৷ তাকে সামলাতে না পারলে কিছু ভুল হয়৷ ভুল আবেগ সামলাতে না পারার একটা বড় কারণ স্পর্শকাতরতা৷ আপনি হয়তো অল্পেই আঘাত পান৷ এবং ভাবনা–চিন্তা কম করেন বলে আঘাত পাওয়ামাত্র প্রত্যাঘাত করে ফেলেন৷ আবেগকে যুক্তির লাগাম পরাতে না পারলে মুক্তি নেই৷ রাতারাতি পারবেন না৷ কিন্তু একটু ভাবনা–চিন্তা করে কয়েকটি পদক্ষেপ নিলে দেখবেন কাজটা যত কঠিন ভেবেছিলেন, তত কঠিন নয়৷ ১. এ কাজের প্রথম ধাপ হল কিছু করে ফেলার আগে একটু সময় নেওয়া৷ কোনও ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু করে ফেলার তীব্র আবেগ জাগামাত্র থেমে যান৷ ঠিক করুন, এই মুহূর্তে কিছু বলবেন না বা করবেন না৷ ঘটনার মধ্যে থাকুন৷ দেখুন কী ঘটছে, কে কী বলছেন৷ কিন্তু নিজের মুখে কুলুপ লাগিয়ে দিন৷ হাবভাব ও মুখের চেহারাও যথাসম্ভব স্বাভাবিক রাখুন৷ ২. ভাল করে ভেবে দেখুন, যে কোনও আবেগই কিন্তু সময়ের সঙ্গে কেটে যায়৷ নতুন আবেগ পুরনোর জায়গা নেয়৷ যা কাটে না তা হল ঝোঁকের মাথায় বলে ফেলা কথা বা ভুল কাজ৷ নিজেকে একটু সময় দিলে এই সব ভুলের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন৷ ৩. ধৈর্য কম হলে এ রকম পরিস্থিতিতে কিছু না করে চুপ করে বসে থাকা খুব কঠিন৷ কাজেই কী করে ধৈর্য বাড়াবেন তা নিয়েও ভাবনা–চিন্তা করুন৷ ধৈর্যশীল মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করলে কিছুটা কাজ হতে পারে৷ ৪. মনে রাখবেন, রাগ–দুঃখ–অভিমানের ধাক্কা সহ্য করা এক ধরনের মানসিক ব্যায়াম৷ প্রথমে কষ্ট হয়৷ কিন্তু চালিয়ে গেলে আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যায়৷ কাজেই পরিস্থিতি যত বিরূপই হোক, আপনি চুপ করে থাকুন, কিংবা দু’–চার কথায় বিষয়টা বুঝে নিন৷ কিন্তু অস্থিরতা কাটার আগে পর্যন্ত মতামত দেবেন না৷ সিদ্ধান্ত নেবেন না৷ ৫. অস্থিরতা অসহ্য হলে মন ঘোরাতে হবে৷ ভিজ্যুয়াল ইমেজারি এবং সুইচ অফ–সুইচ অন অভ্যাস করুন৷ অর্থাৎ অশান্তির বিষয়টা নিয়ে ভাবা বন্ধ করে অন্য কোনও বিষয় নিয়ে ভাবা শুরু করুন৷ ৬. মন ঘোরাতে ব্যায়াম করা বা আড্ডা মারা চলতে পারে৷ বই পড়তেও পারেন৷ গান শুনতে পারেন৷ অর্থাৎ মন ঘোরাতে যা ইচ্ছে তাই করুন৷ শুধু সেই মুহূর্তে রিঅ্যাক্ট করবেন না৷ সূত্র: আনন্দবাজার এসি   

যে পদ্ধতিতে বুঝবেন প্রেমিক মিথ্যা বলছে 

দু’জনের মধ্যে প্রেম চলছে। কিন্তু মাঝে মধ্যে আপনার কাছে মনে হচ্ছে সঙ্গী আপনাকে ঠকাচ্ছে। মিথ্যা বলছে বা কিছু একটা লুকাচ্ছে। এ সময় আপনি কী করবেন। আপনার ধারণা সঠিক কিনা সেটা বুঝবেন কীভাবে? গবেষণায় দেখা যায় কল্পনা থেকে সত্য ঘটনা আলাদা করতে পারার ক্ষেত্রে নারীরা রীতিমতো অন্তর্জ্ঞানী। মানসিকস্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে কয়েকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হল, যা আপনার ধারণার সত্যতা যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   অতিরিক্ত আত্মরক্ষামূলক আচরণ: যে মিথ্যা বলে সে অকারণেই খুব বেশি আত্মরক্ষার চেষ্টা করে এবং যে কোনো প্রশ্নেই খুব বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে যায়। সরাসরি চোখের দিকে তাকায় না এবং সরাসরি উত্তর না দিয়ে অযথা কথা ঘোরাতে থাকে। এমনকি সে আপনার সঙ্গে খারাপ ও আক্রমনাত্মক আচরণও করতে পারে যে, আপনি কেনো তাকে সন্দেহ করছেন! তার কাছে কোনো উত্তর নেই: যে সত্য কথা বলে সে কোনো দ্বিধা ছাড়াই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপনার সঙ্গে কথা বলবে। অন্যদিকে যে মিথ্যা বলছে সে আপনাকে জটিল ও চতুর উত্তর দেবে এবং দেরি করানোর চেষ্টা করবে। অপ্রস্তুতভাবে কথা বলা: মিথ্যা বলার সময় সঙ্গীর কথার ভঙ্গি বেশ অপরিচিত ও অপ্রস্তুত মনে হতে পারে। মানুষ যখন মিথ্যা বলে বা কিছু গোপন করতে চায় তখন তার স্বাভাবিক কথন ভঙ্গি ও স্বরে অবচেতনভাবেই পরিবর্তন আসে। তার মাঝে অস্বস্তি, মানসিক বিষ্ফোরণ ও দীর্ঘক্ষণ চুপ হয়ে থাকার প্রবণতা দেখা দেয়। কথার বিষয় বস্তু পরিবর্তন করতে চাওয়া: তার ভুলগুলো ধরে ফেললে বা পরাস্ত্র হওয়ার উপক্রম হলে কথার মূল বিষয়বস্তু পরিবর্তনের চেষ্টা করে। যার কোনো কিছু লুকানোর নেই সে কখনই বিষয়বস্তুর পরিবর্তন করতে চাইবে না। একজন মিথ্যুক তার কথার সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক বর্ণনা তুলে ধরবে। এতে আপনি নিজে দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন এবং যেমনটা চলছে তেমনই চলতে দেবেন। আরও কিছু বিষয়: মাঝে মধ্যে সঙ্গী কথা বলতে বলতে খেই হারিয়ে ফেলতে পারে বা তার আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে। তার কথা মন দিয়ে শুনুন এবং কোনো অপ্রাসঙ্গিকতা দেখা দিলে তাকে জিজ্ঞেস করুন। সে কি সবসময় লুকোচুরি করে, তার ফোন কি সবসময় পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে অথবা তার ‘সার্ফিং হিস্ট্রি’ সরানোর বিষয়ে সে সব সময় সচেষ্ট থাকে? এমনটা যদি হয় তাহলে বুঝতে হবে সে কিছু লুকাচ্ছে। নিজেকেই একবার জিজ্ঞেস করে দেখুন যার লুকানোর মতো কিছু নেই সে কেনো এত তৎপর থাকবে সব কিছু আড়াল করতে! আর মনে রাখবেন- শুধু পুরুষদের জন্য নয়, নারীদের ক্ষেত্রেও উপরের বিষয়গুলো ঘটতে পারে। এসি   

প্রিয় বন্ধুকে বিয়ে করলে ৪ সমস্যা হতে পারে

বন্ধুত্ব ছাড়া যে ভালবাসা হয় না এমন মত অনেকেরই। বন্ধুকেই তো মনের সব কথা খুলে বলা যায়। আর এমন ধারণা থেকেই প্রিয়তম বন্ধুটিকে অনেকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন। কিন্তু গবেষণা বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই এমন সিদ্ধান্ত কিন্তু বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। দাম্পত্যের গেরোয় বন্ধু ও বন্ধুতাও জানলা দিয়ে পালিয়ে যায়। প্রিয় বন্ধুকে বিয়ে করলে ঠিক কী কী সমস্যা হতে পারে জানেন? ১. প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে প্রেম হলে অনেক ক্ষেত্রেই তাড়াতাড়ি বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়ে কাপল। আর প্রেম সাগরে ডুব দিলে ব্যক্তিগত লক্ষ্য গৌণ হয়ে যায়। একে অপরের হাত ধরেই কেটে যাবে বাকিটা জীবন, এমন মনোভাব তৈরি হলেই সমস্যা। ভাল চাকরি বা উন্নতির সুযোগ পেলেও পরস্পরের থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা তখন বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। ২. গভীর বন্ধুত্বকে প্রেম ভাবার ভুলও করে বসেন অনেকে। পরস্পরের পছন্দ-অপছন্দ, ভাল-মন্দের খেয়াল রাখাটাকে অনেকে ভুলবশত ভালবাসা বলে ধরে নেন। আর সেই বন্ধুত্ব পরিণয়ে পরিণত হওয়ার পর প্রশ্ন জাগে, প্রেম কোথায়? দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বন্ধুতা এক জিনিস, আর বন্ধুকে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে ভালবাসা অন্য জিনিস। সেই আবেগ-ঘনিষ্ঠতা না থাকলে বন্ধুত্বও যেন তিক্ত হয়ে ওঠে। ৩. দাম্পত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ যৌনতা। যৌন জীবন সুখের হলে ভালবাসায় গভীরতা বাড়ে। অটুট হয় বিয়ের সম্পর্ক। কিন্তু যিনি খুব ভাল বন্ধু, তিনি যে ভাল যৌনসঙ্গীও, তেমনটা নাও হতে পার। বন্ধুত্বের ভালবাসার টান আর যৌন আকাঙ্খা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর এখানেই সম্পর্কে চিড় ধরে। ৪. দুই প্রিয় বন্ধুর মধ্যে বচসা শুরু হলে বিতর্ক কী মোড় নেয় বোঝা দায়। কিন্তু সে ঝগড়ায় যে কেউই হার মানতে চান না, তা বলাই বাহু্ল্য। কে কাকে থামাবেন, কেই বা কাকে সান্ত্বনা দেবেন! যিনি এককালে তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে নানা ঝড় ঝঞ্ঝায় আপনার পাশে দাঁড়িয়েছেন, এখন তো শত্রুপক্ষ তিনি নিজেই। দাম্পত্যের গেরোয় সেই বন্ধুই কেমন যেন অচেনা হয়ে যায়। তাই বেস্ট ফ্রেন্ডকে বেটারহাফ বানানোর আগে সবদিক ভেবে নেওয়াই শ্রেয় নয় কি? সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি