ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:২৮:৩৩

যে কারণে মানুষ বিশেষ কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়

যে কারণে মানুষ বিশেষ কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়

একজন মানুষ অপর একজনের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবেন। কথাবার্তা, গুণ, রুচি ও চরিত্রের দৃঢ়তা এ সবই আকর্ষণের কারণ হিসাবে কাজ করবে। আর এ যদি বন্ধুত্ব বা প্রেমের স্বাভাবিক রসায়ন ভাবেন, তবে আপনি ভুল ভাবছেন! কারণ মানুষে-মানুষে আকর্ষণের নেপথ্যে না কি এর বাইরেও অনেক মনস্তাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে! মনোবিদ ও ব্যবহার বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোনের নানা কারিকুরি, চার পাশের অবস্থান, পরিস্থিতি এ সবের ভূমিকা ওই রূপ-গুণ-রুচি-মতের মিলের চেয়েও বেশি। ঠিক কী কী অদ্ভুত বিষয়কে প্রেমে পড়া বা বন্ধুত্ব স্থাপনের কারণ হিসেবে দাবি করছেন গবেষকরা? দু’জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া কোনও প্রত্যাশা বা ভিত্তিহীন কোনও প্রচারও ওই দুই মানুষের মনে এক অদ্ভুত প্রভাব ফেলে। দু’জন সহপাঠীকে নিয়ে তৈরি হওয়া কোনও গুজব তাদের সত্যিই কোনও সম্পর্কে বেঁধে দিয়েছে এমন নজির বিরল নয়। আবার তারকাদের ক্ষেত্রে রিল লাইফের সেরা জুটিরা রিয়েল লাইফেও প্রেমে পড়েছেন। দু’জনকে নিয়ে ক্রমাগত চর্চা- মানুষের হাইপোথ্যালামাসকে প্রভাবিত করে। প্রথম প্রথম উড়িয়ে দিলেও অবিরাম চর্চা চলতে থাকলে, তা নিয়ে উত্তেজিত হলে শরীরে যে হরমোনঘটিত আবেগ তৈরি হয়, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভালবাসার বীজ! বিজ্ঞানীদের মতে, চর্চা ও তাদের জুটি নিয়ে মানুষের নানা মন্তব্য প্রভাবিত করে মানুষকে। নৈকট্য বা কাছাকাছি অবস্থানকেও এই আকর্ষণের পিছনে কলকাঠি নাড়ার অন্যতম বিষয় হিসেবে ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। কোনও পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে থাকতে শুরু করা বা জীবনের একই পরিস্থিতির মোকাবিলা করাও একজনকে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। সুস্থ-স্বাভাবিক মনের মানুষের ক্ষেত্রে প্রেমে পড়ার অন্যতম কারণ এই সহানুভূতি। ক্লেটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, প্রেম বা সম্পর্কে এগোনোর ক্ষেত্রে শারীরিক চাহিদা ও মিলন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। পরিস্থিতিগত কারণে দু’জন মানুষ যদি দু’জনের প্রতি সম্মানসহ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন, তবে তাপিটুইটারি গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে মানসিক আকর্ষণেরও জন্ম দেয়। জৈবিক যে সব কারণে কোনও মানুষের প্রতি আকর্ষণ তীব্র হতে পারে, তার অন্যতম চেহারা। সাধারণত, রূপের চেয়েও শরীরের গঠন, উচ্চতা, পেশীবহুল চেহারা এ সব মানুষের হাইপোথ্যালামাসে ভাল লাগার বার্তা পৌঁছায়। তখনই ডোপামিন হরমোন মস্তিষ্কে প্রেমের বার্তা পৌঁছায়। কোনও মানুষের সঙ্গে তীব্র বিবাদ বা লাগাতার ছোটখাটো বিষয়ে সমস্যা লেগেই থাকে? সাবধান! এখান থেকেও প্রেমে পড়া অস্বাভাবিক নয় মোটেই। বরং এই সব খিটিমিটি উল্টো কখনও ডোপামিনকে উত্তেজিত করে। তাই ঝগড়ার মানুষটার প্রতিও কোথাও মায়া কাজ করে কোনও কোনও মানুষের মনে। বহু সিনেমাও এমন গল্পের সাক্ষী। প্রেমে পড়ার বেশির ভাগ কাজটাই হরমোনের খেলা। তাই ‘বিপরীত মেরু একে অন্যকে টানে’- এমন তত্ত্বে খুব একটা ভরসা জোগাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রা, কর্মব্যস্ত সময়ে মানুষ খুব সংঘাতে যেতে রাজি নন। তাই অনেক সময় মতাম্তরে ডোপামিন ক্ষরণ হয় না। বরং মতে মেলে এমন মানুষকেই সে বেছে নিতে চায়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
ছয়টি লক্ষণ বলে দেবে পার্টনার আপনাকে ঠকাচ্ছে

কয়েক বছর জমিয়ে প্রেম করার পর বিয়ের প্রসঙ্গ আসতেই পিছিয়ে যাচ্ছে সঙ্গী?  সম্প্রতি যোগাযোগে রাশ টেনছেন তিনি? ফোনেও বেশির ভাগ সময়ই ব্যস্ত? আসলে সমস্যাগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত নয়। নিজেদের বা চার পাশের অনেকের জীবনেই এমন ঘটনার সাক্ষী থাকি আমরা। অথচ মনোবিদরা বলেন, বেশির ভাগ ‘ভুল’ সম্পর্কেই একটা সময়ের পর কিছু আচরণগত প্রকাশ দেখা যায়, যা দেখে আন্দাজ করা যায় আদৌ সম্পর্কটা সুস্থ আছে কি-না। মানুষটি আদৌ ঠকাচ্ছেন কি-না। মনোবিদদের মতে, অন্যের থেকে কিছু লুকানোর প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে, তাদের আচরণে বেশ কিছু অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে। আর দীর্ঘ দিন যাদের সঙ্গে সম্পর্ক, তারা এটি বুঝতে পারেন সহজে। প্রেমের সম্পর্কে এমন কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখলে সচেতন হোন এখনই। বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই যদি সঙ্গী সে সব আচরণ করেন, তাহলে বুঝবেন এই সম্পর্ক নিয়ে তিনিও আর আগ্রহী নন। তাই ঠকার আগেই সতর্ক হওয়া জরুরি। দেখুন তো, এমন কিছু ঘটনা আপনার বা কোনও পরিচিতর সঙ্গে ঘটছে না তো? হঠাৎই বন্ধুর মতো আচরণ হঠাৎই সঙ্গী পুরোদস্তুর বন্ধুর মতো আচরণ করছে কি? প্রেমে বন্ধুত্ব থাকতেই হয়, কিন্তু শুধুই বন্ধুত্ব ও প্রেমজ সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা ফারাক থাকে। প্রেমিক বা প্রেমিকার আচরণে যদি হঠাৎই স্রেফ বন্ধুত্বের ছাপ পান, তাহলে এখনই সচেতন হন। দেখা করা বা ফোন ধরায় অনীহা সঙ্গী দূরে থাকুন বা কাছে, নিত্য ব্যস্ততার মধ্যেও সঙ্গীকে সময় দেওয়ার জন্য হাতে সময় রাখা উচিত সবারই। কিন্তু হঠাৎই কোনও কারণ ছাড়াই দেখা করা বা ফোন করা এড়িয়ে যাচ্ছেন কি সঙ্গী? নানা ব্যস্ততার কথা দিনের পর দিন বলছেন। তার তরফ থেকে দেখা করার কোনও ইচ্ছা নজরে আসছে না। এমনকি, আপনাদের দীর্ঘ দিন দেখা না হওয়া বা ফোনে ভাল করে কথা না হওয়া নিয়েও তার কোনও অভিযোগ নেই! এমন হলে সতর্ক হোন। পরিচয় আপনাদের সম্পর্কের কথা তেমন করে কেউ না জানলে আলাদা বিষয়। কিন্তু বন্ধু বা পরিচিত মহল আপনাদের সম্পর্কে জানলেও সঙ্গী কি হঠাৎই আপনাদের এই সম্পর্ককে স্রেফ ‘বন্ধুত্বের’ মোড়কে পেশ করছেন সর্বত্র? এমন হলে তা কিন্তু চিন্তার কথা। দূরত্ব সময় দেওয়া তো কমেইছে, যোগাযোগ কমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সম্পর্কে কি আগ্রহও হারাচ্ছেন সঙ্গী? টুকটাক যত্ন, খোঁজ খবর এ সবে হঠাৎই ভাটা পড়ছে? নিকটতম সম্পর্কে দূরত্ব এলে এমনিই বোঝা যায়। কোনও ব্যস্ততা ছাড়া এমন হলে কথা বলুন সঙ্গীর সঙ্গে। অশান্তি প্রেমে ঝগড়া হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক নয়। তবে সাধারণত, ঝগড়া হয় ও তা সময়ের সঙ্গে মিটেও যায়। কিন্তু দিনের পর দিন কথায় কথায় অশান্তি ও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এলে এগোনোর আগে আবার ভাবুন। তুলনা সঙ্গীর পুরনো প্রেম নিয়েই কি ইদানীং বেশি কথা বলছেন? কিংবা আপনার সঙ্গে মাঝে মাঝেই তুলনা করে ফেলছে পূর্বের সঙ্গীর? এমন হলে সচেতন হোন। হয়তো পুরনো সম্পর্ক থেকে এখনও বেরিয়ে আসতেই পারেননি তিনি। আপনার মধ্যেও তাই পুরনো সঙ্গীর ছায়াই খুঁজে বেড়াচ্ছেন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রথম ডেটিংয়ে ১২টি বিষয় না মানলে বিপদে পড়বেন!

কর্মব্যস্ত জীবনে আলাদা করে মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার সুযোগ অনেকেরই হয় না। এ দিকে একেবারে অচেনা কারও সঙ্গে জীবনের বাকি সময় কাটাতেও রাজি নয় আধুনিক প্রজন্ম। তাই আজকাল জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের বিষয়ে অ্যাপ ও অনলাইনে ভরসা করছেন অনেকেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জনপ্রিয়তা বাড়ছে অনলাইন ডেটিং অ্যাপগুলোর। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেও মনের মতো মানুষকে খুঁজে পান অনেকই। তবে শুধু জীবনসঙ্গীই নয়, একাকীত্ব ঘোচাতে বন্ধুদের খুঁজে পেতেও অনেকেই দ্বারস্থ এমন অ্যাপগুলোর। এমন একতাকীত্বের নেপথ্যে মনোবিদরা আধুনিক জীবনযাত্রার জটিলতা ও সমাজতত্ত্বের নানা জটের কথা বললেও অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা তাতে ক্ষুণ্ণ হয় না। কিন্তু এই ধরনের ডেটিং সাইটে আলাপের পর ভাল লাগার মানুষটির সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলুন। দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে প্রথম দিনের এই ইমেজটি কার্যত অনেকটা কাজে আসে। তাই কেবল দেখা করাই নয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে মেনে চলুন বিশেষ কিছু নিয়ম। ১. প্রথমেই এমন একটা জায়গা বাছুন, যা আপনার চেনা এলাকার মধ্যে পড়ে ও জনবহুল। খুব ফাঁকা এলাকা, হোটেলের ঘর, বা অচেনা জায়গা দেখা করার জন্য বাছবেন না। পারলে ওই এলাকায় বিপদে পড়লে আপদকালীন কিছু ফোন নম্বর ফোনে মজুত রাখুন। ২. প্রথম থেকেই সৎ থাকুন। নিজের সম্পর্কে এমন কিছু বলবেন না, যা বিশ্বাসযোগ্য নয়। অকারণ মিথ্যা বলে ইমপ্রেস করারও চেষ্টা করবেন না। আপনি যেমন ঠিক সেভাবেই নিজেকে তুলে ধরুন সঙ্গীর সামনে। এতে ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক এগোলে জটিলতা আসবে না। ৩. প্রথম দিনই কথাবার্তার মাঝে নিজের কিছু স্বভাবগত ভুলের কথা বলে রাখুন। এতে আপনাকে বুঝতে সুবিধা হবে তার। ৪. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, দীর্ঘ দিনের আলাপ বা বন্ধুত্ব থেকে হওয়া প্রেমের যে ধরন, তার চেয়ে এই ধরনের আলাপ প্রকৃতিগতভাবেই বেশ আলাদা। তাই যদি সত্যিই এই সাক্ষাৎ থেকে কোনও সম্পর্ক তৈরির কথা ভাবেন, তাহলে খুব ছোট ছোট কেজো আলাপের বদলে এমন কোনও বিষয় নিয়ে কথা বলুন, যাতে সেই মানুষটির জীবনের বিশ্বাস, আদর্শ, শখ এ সব সম্পর্কে জানতে পারেন। প্রথম থেকেই আলাপে জড়তা কাটিয়ে এমনভাবে কথা বলুন, যেখানে কেবল নিজেদের কথাই নয়, সমাজ, রাজনীতি, চার পাশের কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও উঠে আসবে আলাপে। এতে মানুষটি সম্পর্কে ধারণা আরও স্বচ্ছ হবে। ৫. অনেকেই আলাপের শুরুতেই এই সাক্ষাৎকার নিয়ে উল্টো দিকের মানুষটা কতটুকু ভাবছেন, আদৌ তার সঙ্গে এই সম্পর্ক নিয়ে অপরজন কী ভাবছেন। এই কাঁচা কাজটা প্রথম দিনের সাক্ষাতে একেবারেই করবেন না। আজকাল প্রত্যেকেই সময় ও ধীরে এগনোয় বিশ্বাসী। প্রথম দিনের তাড়াহুড়ো উল্টোজনের ভাল না-ও লাগতে পারে। বরং নিজেই বলুন, সময় নিয়ে বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে ভাবতে। ৬. বাড়ি, পরিবার নিয়ে খুব গভীর কথা আলোচনা না করলেও মূলত দরকারি বিষয়গুলো জানুন। বাড়িতে কে কে আছেন, কেমনভাবে বেড়ে ওঠা, বাড়ির মানুষদের প্রতি তার মনোভাব এগুলো জানুন। ৭. প্রথম দিনই কোনও ভুল বোঝাবুঝি বা তর্ক এড়িয়ে যান। যদি কথা বলতে বলতে বোঝেন, মানুষটি আদৌ আপনার মনের মতো নয়, তাতেও অভদ্রতা না করে বুদ্ধি খাটিয়ে আলাপ থামিয়ে উঠে আসুন। তবে আপনার অপছন্দের প্রকাশ ব্যবহারে না হওয়াই উচিত। ৮. যদি বোঝেন, মানুষটি মনের মতো, কিন্তু কিছু অমিল আছে, তাদের থাকতে দিন। দু’জন মানুষের সব মিলতেই হবে এমন ধারণা থেকে সরুন। জীবনে চলার পথে অনেক পছন্দ-অপছন্দই বদলায়। কিন্তু জীবনের মূল আদর্শগত দিকগুলোর ভাবনায় আলাদা হলে সতর্ক হন। আরও এক বার বাবুন। ৯. আপনার পেশা ও আপনার বাড়ির মানুষ সম্পর্কে তিনি কী বাবছেন, আদৌ ভাবছেন কি-না এগুলোও মাথায় রাখুন। ১০. প্রথম দিনই খুব আবেগতাড়িত হয়ে বা উত্তেজনার বশে সব কথা উজাড় করবেন না। বিশ্বাস ও ভরসা তৈরি হওয়ার সময় দিন। ১১. প্রথম দিনই নিজের ও তার খুব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। অতীতের সম্পর্ক নিয়েও কথা সে দিন এড়িয়ে চলুন। বরং সময় দিন সম্পর্কটাকে। নিজের ব্যক্তিত্ব ও কথায় এমন কিছু রাখুন যাতে পরের দিন দেখা করতেও রাজি হন সঙ্গী। ১২. যদি দেখেন পাশের মানুষটি আপনি না চাইলেও ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে প্রতিবাদ করুন ও দরকারে সেই জায়গা ত্যাগ করুন। ডেটিংয়ে আসা মানেই কিন্তু ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে দেওয়ার লাইসেন্স দেওয়া নয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শীতে ত্বকের শুষ্কতাকে বিদায় করুন ঘরোয়া উপায়ে

বাতাসে হিমের পরশ লাগার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের উপর সেই হিমেল হাওয়ার প্রভাব নিয়ে আমরা সচেতন হয়ে পড়ি। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক টানতে শুরু করে। চামড়া কুঁচকে ফেটেও যায় অনেক সময়। তাই শীতে ত্বকের যত্ন নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হয় বইকি। নারী-পুরুষ নির্বিশেষ শুষ্ক ত্বকের শিকার হলেও মেয়েদের ত্বকের প্রকৃতি বেশি নরম হওয়ায় শীতে তাদের ত্বক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে। তাই শীত এলেই নিজেদের ত্বকে আর্দ্রতা ফেরানো নিয়ে কমবেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন মেয়েরা। নানা শীতোপযোগী ফেসিয়াল বা দামি ক্রিমে আস্থা রাখতে শুরু করেন। তবে খুব বেশি খরচ না করেও কিন্তু ত্বককে জেল্লাদার ও আর্দ্র রাখা যায়। এর জন্য, হাতের কাছে মজুত দু’টি জিনিসই যথেষ্ট। খরচও একেবারে পকেটসই। আপনার ত্বক যে প্রকৃতিরই হোক না কেন, গোটা শীত জুড়ে এক দিন অন্তর ব্যবহার করুন এই প্যাক। ত্বক তো শুষ্ক হবেই না, বরং এই শীতেও চামড়ায় আসবে আলাদা জেল্লা। জানেন, কীভাবে তৈরি করতে হবে? একটি কাচের পাত্রে ডিমের সাদা অংশ ও তিন চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মধু ঘন, তাই অল্প পানি দিয়ে ফেটিয়ে পাতলা করে নিন এই মিশ্রণ। ত্বকে মিনিট দশেক মাসাজ করার পর পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। মধু এমনিতেই প্রাকৃতিক টোনার ও ময়শ্চারাইজার। তার সঙ্গে ডিমের সাদা অংশের প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে নতুন কোষে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয়। তাই এই প্যাক শীতে খুবই কার্যকর। প্যাক শুকিয়ে গেলে ভাল করে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। যাদের ডিমের গন্ধে অসুবিধা হয়, তারা মুখ ধোওয়ার সময় ময়শ্চারাইজার দেওয়া আছে এমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। মধু ও ডিম আমাদের বাড়িতে প্রায় সারা বছরই থাকে। সুতরাং, এই উপকরণগুলো খুবই সহজলভ্য। তা ছাড়া মধু ও ডিম সব রকম ত্বকের সঙ্গেই খাপ খায়। ডিম খেলে অনেকের অ্যালার্জি হলেও, ডিমের সাদা অংশ ত্বকে লাগালে খুব একটা সমস্যা হয় না। তাই এই প্যাক শীতে বড় ভরসা হয়ে উঠতেই পারে আপনার। তবে ডিমে অ্যালার্জি নিয়ে খুব ভয় থাকলে এই প্যাকে ডিমের বদলে টক দইও ব্যবহার করতে পারেন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

একজন নারী কীভাবে বুঝবেন তার পুরুষ সঙ্গী একজন নিপীড়ক? 

তিনি সব সময়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনি কী করছেন বা কার সঙ্গে আছেন। আপনি যদি এসব কথার জবাব না দেন, তাহলে তিনি ক্ষেপে উঠছেন। তিনি আপনাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন যাতে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা এড়াতে হলে আপনার কী করা উচিত। যদি এরকম কোন বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে আপনার এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তাহলে সম্ভাবনা আছে যে, আপনি হয়তো একজন নিপীড়ক পুরুষের পাল্লায় পড়েছেন, যে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এটাই মনে করেন মেক্সিকোর মনোবিজ্ঞানী টেরে ডিয়াজ সেন্ড্রা। কিভাবে নিপীড়ক বা নির্যাতনকারী সঙ্গীকে চেনা যায়। এ বিষয়ে তিনি একটি বই লিখেছেন। এটা হয়তো এই শতাব্দীতে অদ্ভুত শোনাতে পারে, যখন আমরা লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রয়েছি। কিন্তু আমি বলবো, এই রোগীরা তাদের তাদের আধিপত্যবাদী,নিয়ন্ত্রণকারী আচরণের মধ্যে আটকে রয়েছে। বিবিসি মুন্ডো সার্ভিসকে তিনি বলছেন। ‘কিন্তু এটা ঘটছে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে।’ পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ টেরা ব্যাখ্যা করেছেন, কর্তৃত্ববাদী আচরণ কী? কীভাবে সেটি সনাক্ত করতে হয় এবং কীভাবে তা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়। মনোবিজ্ঞানী টেরে ডিয়াজ সেন্ড্রা বলছেন, প্রত্যেক নারীকেই তার নিপীড়ক পুরুষ সঙ্গী সম্পর্কে সতর্ক হওয়া উচিত কর্তৃত্ববাদী বা নিপীড়ক সঙ্গী বলতে কি বোঝায়? এমন একজন ব্যক্তি, যিনি রূঢ়, নিষ্ঠুর বা অমার্জিত এবং অসম্মানজনক আচরণ করে থাকেন। আমরা সবাই কোন না কোন সময় কর্তৃত্ববাদী আচরণ করে থাকি, কিন্তু একজন নিপীড়ক হিসাবে তাকেই বুঝতে হবে, যিনি কিছু অতিরিক্ত কিছু সুবিধা ব্যবহার করে। অন্য কোন ব্যক্তিকে তার ইচ্ছা,আগ্রহ, চাহিদা বা প্রয়োজনের কাছে নত হতে বাধ্য করে। একজন নিপীড়কের কৌশল কী হতে পারে? সাধারণভাবে বলতে গেলে আসক্তি, অন্যায় সুযোগ নেওয়া বা ভীতি দেখানো যার মধ্যে হুমকি দেওয়ার মতো আচরণও রয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটিকে বলা হয় ‘বিপথগামী নিপীড়ক’-এটি এমন এক ধরণের মানসিক আচরণগত ক্রুটি,যাদের আচরণে নিজেদের নিয়ে অত্যন্ত গর্ব প্রকাশ পেয়ে থাকে। তারা তাদের সঙ্গীকে পুরোপুরি অকার্যকর, নিশ্চুপ, বোধহীন করে ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই মেয়েটি নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, আসলে তারই দোষ। কেউ তার কথা শুনতে চায় না এবং তার অন্যকোন জীবনযাপনের ক্ষমতাও নেই। এরাই হচ্ছে চরম ধরণের নিপীড়ক। নিপীড়ক সঙ্গীর কিছু বৈশিষ্ট্য সঙ্গী বা সম্পর্কের পেছনে তিনি কোন সময় দিতে চান না অন্যদের প্রতি তার আচরণ অসম্মানজনক সবসময় তিনি প্রধান চরিত্রে বা মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চান অন্যদের আবেগ বা অনুভূতির কোন মূল্য তার কাছে নেই তিনি হচ্ছেন কর্তৃত্ববাদী এবং অধিকার খাটাতে চান নিজের কাজ বা প্রতিক্রিয়ার জন্য তিনি কোন দায়িত্ব নিতে চান না তার মতো না হলেই তার নিজের সঙ্গীসহ অন্যদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে থাকেন তিনি অনেক সময় এমন কৌতুক বা বিদ্রূপ করে থাকেন, তা যেন একটি খারাপ আচরণের ওপরের অংশের মতো তিনি নিজের সন্তুষ্টি আর যৌন চাহিদার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন মিথ্যা কথা বলেন অন্যদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে জয় পাওয়ার চেষ্টা করেন অনেক সময় তাকে বেশ আকর্ষণীয় বা মজাদার বলে মনে হয় মেয়েদের মধ্যেও কি নিপীড়ক আছে? অনেক সময় নিপীড়ন নির্ভর করে কে কোন অবস্থায় রয়েছে - তার ওপর। তবে সামাজিক অনেক কারণে নারীরা অন্য অনেক মানুষকে কেন্দ্র করে যেন একটি উপগ্রহের মতো জীবনযাপন করেন। যেমন সন্তান এবং সঙ্গীকে ঘিরে তাদের জীবনযাত্রা চলে। অন্যদিকে পুরুষরা মূলত তাদের জীবনে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে নারীরাও নিপীড়ক হতে পারেন। তিনি হয়তো তার সঙ্গীকে আবেগ তাড়িতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন অথবা হয়তো সন্তানদের ক্ষেত্রে দেখা সাক্ষাতে বিধি-নিষেধ দিতে পারেন। এমনকি খারাপ আচরণ বা সঙ্গীকে ছোট করে তোলার জন্য জন্য আরও কিছু উপায় ব্যবহার করতে পারেন বা অন্য ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করে তুলতে পারেন। নিপীড়ন করা কি জন্মগত? সোজা কথায় বলতে হলে, এখানে বেশ কিছু বিষয় জড়িত রয়েছে। অনেক মানুষ আছে, যারা নিপীড়ক হিসাবে জন্ম নেননি, কিন্তু তাদের আবেগপ্রবণ এবং রাগী ব্যক্তিত্ব রয়েছে। তাদের ধৈর্য কম থাকে,আগে থেকেই কোন কিছু ধারণা করে নেন এবং সহজ তৃপ্তি খোঁজেন। এ ধরণের মানুষজন সহজেই প্রতিক্রিয়া দেখান হয়তো অনিচ্ছাকৃত হলেও সেরকম আচরণ অনেক সময় অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় ছেলেদের ‘পুরুষ’ হতে শেখানো হয়। অনেক সংস্কৃতি এটা স্বাভাবিক একটি আচরণ, যার ফলে অনেকের মধ্যে একটি উঁচু মানসিকতা তৈরি হয়, এবং চরম বিপথগামী নিপীড়ক তৈরি করে। সুতরাং, নারীরাও নিপীড়ক তৈরি করছে? এক্ষেত্রে নারীরা এর মধ্যে জড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয় তারা নিপীড়ক তৈরি করে না। আমরা এমন একটি পিতৃতান্ত্রিক বিশ্বে বাস করি, যেখানে অনেক পরিস্থিতিতে মানুষ কর্তৃত্ব, দখল বা নিপীড়নের ব্যাপারগুলো স্বাভাবিক বা চাপিয়ে রাখতে চেষ্টা করে। যখন একজন নারী দৃঢ়, সরাসরি এবং খানিকটা উষ্ণ হয়ে ওঠেন, তখন তাকে ‘পাগলাটে’ যৌনতার দিক থেকে হতাশ বলে মনে করা হয়। কিন্তু একজন পুরুষের মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা গেলে তাকে বলা হয় শক্ত চরিত্র। নিপীড়করা কি পাল্টাতে পারে? তারা যদি চায় তাহলে অবশ্যই পারে। কিন্তু এটা খুবই কঠিন, কারণ যারা বাড়তি সুযোগ সুবিধা পেয়ে আসছে, তারা কেউ সেটি হারাতে চায় না। আপনার যদি এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে থাকে, যার মধ্যে এ রকম নিজেকে বড় ভাবার রোগ আছে এবং এসব নিপীড়কের বৈশিষ্ট্য দেখতে পান, তাহলে তার উচিত সেই সম্পর্ক থেকে পালানো। তবে হয়তো অনেক সময় দেখা যাবে যে, অনেক পুরুষ বলছে তারা কখনো বুঝতে পারেনি যে, তারা অন্যদের সাথে লড়াই করছে। অন্যদের পাল্টানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে এরকম ব্যক্তিরা হয়তো নিজেদের পাল্টে নিতে পারে। আপনি পুরুষদের কী বলবেন? পুরুষদের ক্ষেত্রে এজন্য বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে। অনেক সম্পর্কের বদলের ক্ষেত্রে নারীরা অনেক বেশি সহানুভূতি এবং মানসিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। বিচ্ছেদের কারণে পুরুষরা অনেক বেশি শারীরিক এবং মানসিক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তারা নিশ্চিত হতে পারে না যে, তারা যা সেজন্য তাদের কেউ আর ভালোবাসবে কিনা। অনেক পুরুষ মনে করে, তাদের শক্তিশালী হওয়া উচিত এবং সবকিছু রক্ষা করা উচিত। তাকে পেশার ক্ষেত্রেও সফল হওয়া উচিত। কিন্তু তাদেরও কষ্ট আছে। কিন্তু তারা মনে করে এটা নিয়ে কোন কথা বলা তাদের উচিত না। কারণ তাহলে তাদের হয়তো দুর্বল বলে মনে করা হতে পারে। কিন্তু যে পুরুষরা এই ধাপ পার হয়ে আসতে পারে তাদের জন্য বিশাল মুক্তি অপেক্ষা করছে। নারীদের জন্য পরামর্শ কী? প্রেম খুব চমৎকার একটি ব্যাপার কিন্তু আমাদের সবারই সেটা খোঁজা উচিত। কিন্তু অনেক নারী মনে করেন। প্রেম হচ্ছে একমাত্র জিনিস সেজন্য তারা ব্যক্তিত্বের অন্য কিছুকে আর গুরুত্ব দেন না। তাদের সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের উচিত ভালো প্রেমকে স্বাগত জানানো আর খারাপ প্রেমকে বিদায় জানানো। প্রেমকেই জীবনের একমাত্র বিষয় বলে ভাবা উচিত না। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা) কেআই/এসি      

লগ্ন বিচারে কেমন হতে পারে আপনার জীবনসঙ্গী? জেনে নিন   

আপনাদের জীবন কি এক অপরের জন্য। আপনি আর জীবনসঙ্গী কি ‘মেড ফর ইচ আদার’? যাদের বিয়ে হয়েছে বা যাদের বিয়ে হয়নি, দেখে নেওয়া যাক, জন্মকুণ্ডলীতে অনুযায়ী আমাদের জীবনসঙ্গী কেমন হতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে লগ্নের উপর ভিত্তি করে দেখে নেওয়া যাক আপনার জীবনসঙ্গী কেমন হতে পারে— ১) মেষ লগ্ন: এই লগ্নের জাতক বা জাতিকার জীবনসঙ্গী বেশ শৌখিন ও সুন্দর হয়। বিবাহিত জীবনে সর্বদা প্রেম-ভালবাসা অটুট রাখে।    ২) বৃষ লগ্ন: এই লগ্নের জাতক জাতিকাদের জীবনসঙ্গী কর্মজীবনে সফল হয়। তারা যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে চলতে পারে। তবে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে মত বিরোধ হয়েই থাকে। ৩) মিথুন লগ্ন: মিথুন লগ্নের জীবনসঙ্গী সামান্যতেই সন্তুষ্ট, উচ্চশিক্ষিত এবং হাসি-খুশি প্রকৃতির হয়ে থাকে। ভাল রান্না করতে জানে। ৪) কর্কট লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গীরা কঠোর পরিশ্রমী এবং অল্প কর্কশভাষী হয়ে থাকেন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিবাদ বা মনোমালিন্য লেগেই থাকে। ৫) সিংহ লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গী সৎ, পরিশ্রমী এবং শৌখিন হয়ে থাকে। এদের জীবনসঙ্গীরা দেখতেও বেশ সুন্দর হয়। ৬) কন্যা লগ্ন: কন্যা লগ্নের জীবনসঙ্গী সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, শৌখিন ও সুন্দর হয়। বাড়ি ঘর সাজাতে ও রান্না করতে ভালবাসে। ৭) তুলা লগ্ন: বিবাহের পর এই লগ্নের জাতক-জাতিকাদের আর্থিক উন্নতি হয়। তবে এই লগ্নের জীবনসঙ্গীরা বেশির ভাগ সময় বিবাদ-বিরোধে লিপ্ত থাকে। ৮) বৃশ্চিক লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গীরা বেশ সুন্দর, শৌখিন, উচ্চাকাঙ্খী হয়। এরা বাড়ি, গাড়ি ও বিলাসিতা পছন্দ করে। তবে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিবাদ বা মনোমালিন্য লেগেই থাকে। ৯) ধনু লগ্ন: এদের জীবনে একাধিক প্রেম আসে। শ্বশুরবাড়ি সংক্রান্ত সমস্যা থাকে। এই লগ্নের জাতক-জাতিকার জীবনসঙ্গীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা খুবই দুর্বল। ১০) মকর লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গী সুন্দর ও ফর্সা ও খুব নরম মনের হয়ে থাকে। দান-ধ্যান করতে ভালবাসে। সামান্যতেই সন্তুষ্ট থাকে। ১১) কুম্ভ লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গীরা খুবই প্রভাবশালী হতে পারে। বেশ সুন্দর, শৌখিন, উচ্চাকাঙ্খী হয়। এদের চোখের ও হার্টের সমস্যা হতে পারে। ১২) মীন লগ্ন: এদের জীবনসঙ্গীদের দেখে বয়সের তুলনায় কম বয়সের বলে মনে হয়। এরা ভোজনরসিক ও খুব বুদ্ধিসম্পন্ন হয়। তবে একটি কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এটি সাধারণ লগ্নের ভিত্তিতে একটি সাময়িক অনুমান মাত্র। নির্দিষ্ট কুণ্ডলী বিচার করলে অনেক বেশি তথ্য পাওয়া যায়। জিনিউজ   এসি    

হ্যান্ডসাম না হলেও মেয়েদের মন জেতা যায় ৬ উপায়ে

মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন। সূত্র: জিনিউজ একে//

যে বিষয়গুলোতে মেয়েরা প্রায়ই মিথ্যা বলে  

কারণে অকারণে অনেকে মিথ্যে কথা বলে থাকেন। মিথ্যে বলে আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক জোগাড় করা খুবই সাধারণ একটা বিষয়। এ ছাড়াও কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের চেষ্টা বা কোনও বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য মিথ্যে বলেন অনেকেই।        আর হ্যাঁ, মানুষ তার প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মিথ্যে বলে! আজকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হল এমন কিছু মিথ্যের কথা, যেগুলি মেয়েরাই বেশি বলে থাকেন। অন্যদের সঙ্গে তো বটেই, প্রেমিক বা স্বামীকেও এই মিথ্যেগুলো বেশীরভাগ মেয়েই বলেন।  ১) প্রাক্তন প্রেম: বর্তমান প্রেমিক বা স্বামীর কাছে প্রাক্তন প্রেমিকের ব্যপারে আসল সত্য কোনও মেয়েই বলেন না। এটাও সত্যি যে পুরুষেরাও সেটা শুনতে পছন্দ করেন না। এ বিষয়টা অবশ্য পুরুষদের ক্ষেত্রেও অনেকটাই বলা চলে। ২) প্রকৃত বয়স: মেয়েরাই নিজেদের বয়স নিয়ে সব চেয়ে বেশি মিথ্যে বলে থাকেন। নিজের বয়স কিছুটা কমিয়ে বলতে বা বিশেষ করে পুরুষদের সামনে বয়স লুকোতে তারা দ্বিধা করেন না। এর পেছনে একেক জনের একেক রকম যুক্তি বা উদ্দেশ্য থাকে। ৩) অন্য মেয়েদের বিষয়ে: অন্য মেয়েদের ব্যাপারে অনেক মেয়েই নিজের প্রেমিক বা স্বামীকে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে কথা বলে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে ঈর্ষা, নিরাপত্তাহীনতা বা হীনমন্যতা কাজ করে। ৪) সোশ্যাল মিডিয়ায় যা দেখান: সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের জীবনের বিষয়ে অযথা মিথ্যে তথ্য পরিবেশন করেন অসংখ্য মেয়েরা। নিজের যে ব্যক্তিগত বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় না বললেই নয়, সে বিষয়গুলিও অকারণ রং চড়িয়ে পরিবেশন করেন। ৫) স্বামীর উপার্জন: বিশেষ করে আমাদের সমাজের মেয়েরা স্বামীর উপার্জন নিয়ে প্রায়ই মিথ্যে বলেন। এ বিষয়ে সকলেই একটু বাড়িয়ে বলতে পছন্দ করেন। ৬) নিজের দোষ বা ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে: নিজের দোষ বা ভুলের ক্ষেত্রেও মেয়েরা পারদর্শী। বিশেষ করে স্বামী বা প্রেমিকের সামনে মেয়েরা কখনওই নিজের দোষ স্বীকার করেন না। বরং ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এটাই প্রমাণ করতে চান যে অন্য সকলেই দোষী বা ভুল বলছে কিন্তু তিনি দোষী নন বা তাঁর কোনও ভুল নেই। ৭) নিজের সৌন্দর্যের বিষয়ে: নিজেদের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য বেশীরভাগ মেয়েই চেষ্টার কোনও ত্রুটি করেন না। নানা রকম ডায়েট, রূপচর্চা, পার্লারে যাওয়া ইত্যাদি চলতেই থাকে। অথচ, মেয়েরা নিজেদের রূপচর্চার এই তথ্য কাউকে জানাতে রাজি নন। নিজের আসল সৌন্দর্য টিপসগুলোও মেয়েরা কখনোই কাউকে পুরোপুরি জানান না। উপরের বিষয়গুলোতে শুধু মেয়েরা নয়, পুরুষরাও মিথ্যে বলেন থাকেন। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বিষয়গুলিতে মেয়েদেরই মিথ্যে বলতে দেখা যায়। তবে এ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। এসি   

সম্পর্ক ভাঙলে অবসাদ কাটাবেন যেভাবে

প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর অনেকেই বেশ ভেঙে পড়েন। ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে থাকেন বা দুঃখের সিনেমা দেখে, প্রেমিক প্রেমিকার পুরনো চিঠি পড়ে, ছবি দেখে যায় সারা দিন। সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রণা কী জিনিস। তবে এ সব বোকা বোকা কাজ কিন্তু এবার বন্ধ করতে হবে। ব্রেক আপের অবসাদ কাটিয়ে উঠুন। ১। ব্রেক আপ মেনে নিন: সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর বেশির ভাগ মানুষই মেনে নিতে পারেন না। সাবেক বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে আবার মিলনের আশায় থাকেন তারা। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হওয়ার অলীক চিন্তা, ফোন করার আশায় সময় পেরিয়ে যায়। সারা দিন আগের কথা ভেবে ভেবে সময় নষ্ট হয়। শরীরও ভেঙে যায়। তাই সব থেকে আগে প্রয়োজন পরিস্থিতি মেনে নেওয়া। সম্পর্ক শেষ। এই সত্যিটা মেনে নিন। তবেই ব্রেক আপ কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ২। প্রেম সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বদলান: যে সংস্কৃতিতে আমরা বড় হয়ে উঠেছি, যে ধরনের গান শুনেছি, সিনেমা দেখেছি তাতে ছোট থেকেই বিশ্বাস করেছি ‘প্রেম জীবনে এক বারই আসে’। যদিও এই তত্ত্বের সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল নেই। কিন্তু নিজেদের বিশ্বাসের কারণে ব্রেক আপ হলে মনে করি সব শেষ। এবার এই বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসুন। নতুন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন, নিজেকে চিনতে শিখুন। ৩। একা থাকবেন না: ব্রেক আপের পর আমরা নিজেদের গুটিয়ে নিই। আড্ডা, পারিবারিক অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখে একা সময় কাটাতে চাই। এই ভাবে কিন্তু সমস্যা আরও বাড়বে। একা একা দুঃখ করলে আরও বেশি আবসাদের গভীরে চলে যাবেন। বাড়ির বাইরে বের হোন, সকলের সঙ্গে সময় কাটান। ৪। যোগাযোগ বন্ধ রাখুন: সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ একেবারে বন্ধ রাখুন। ফোন, টেক্সট থেকে বিরত থাকুন। আউট অফ সাইট, আউট অফ মাইন্ড তত্ত্বে বিশ্বাস রাখুন এই সময়। ৫। স্মৃতি আঁকড়ে থাকবেন না: অনেকে সাবেক সঙ্গীর ছবি, জামা সঙ্গে নিয়ে ঘুমোতে যান। এই সব ফিল্মি কাজ ছাডুন। এই সব মায়া কাটাতে হবে। বরং এই সব স্মৃতি ফেলে দিন। ৬। সম্পর্কে নির্ভরতা কাটান: সম্পর্কের ওপর নির্ভরতা খুব স্বাবাবিক। কিন্তু সম্পর্কটাই যখন নেই তখন নির্ভরতা করবেন কীসের? জীবনে প্রেমনই এক মাত্র নয়। আরও অনেক কিছু রয়েছে। ৭। জীবনকে অন্যভাবে দেখুন: আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়বেন না। প্রেম চলে গিয়েছে মানে জীবন থেকে ভালবাসা কিন্তু চলে যায়নি। আপনার বন্ধু, পরিবার, আত্মীয়রাও আপনাকে ভালবাসেন। তাদের কথা ভাবুন। জীবনের আনন্দের দিক, ভাল দিকগুলোর দিকে মন দিন। ৮। হুট করে সম্পর্কে জড়াবেন না: অনেকে প্রেম ভুলতে নতুন সম্পর্কে জড়াতে চান। এটা সব থেকে ভুল সিদ্ধান্ত। একটা সম্পর্ক পুরোপুরি কাটিয়ে না উঠে অন্য সম্পর্কে জড়ানো উচিত্ নয়। এই সব সম্পর্ক কখনই টেকে না। কিছু দিন একা থাকুন। নিজেকে চিনুন। তবেই আপনি সঠিক সঙ্গী বেছে নিতে পারবেন। আরকে//

হাই তোলার এই আশ্চর্য উপকারী দিকগুলি সম্পর্কে জানেন?  

হাই তোলাকে অনেকে খারাপভাবে দেখেন বা অনেকে মজা করে একে ‘ছোঁয়াচে’ বলে থাকে। আবার অনেকে এই হাই তোলাকে শারীরিক ক্লান্তি বা শরীরে অক্সিজেনের অভাবকে দায়ি করেন। অফিসের জরুরি মিটিং, কোনও সামাজিক বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাঝে বার বার হাই উঠতে থাকলে সত্যিই খুব অস্বস্তিতে পড়তে হয়। কিন্তু জানেন কি এই হাই তোলা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি? আসুন এ বার হাই তোলার আশ্চর্য উপকারী দিকগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।   ১) মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সঞ্চালন বৃদ্ধি করে: হাই তুললে শরীরে অনেক বেশি অক্সিজেন প্রবেশ করে। যখন আপনি হাই তোলেন, তখন ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং ফুসফুস থেকে খারাপ বায়ু বা কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়ে যায়। এর ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। ২) মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বা রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে: গবেষকেরা দেখেছেন যে, হাই তোলা মস্তিষ্কের উত্তেজনা প্রশমন করে মস্তিষ্ককে শিথিল করার পাশাপাশি মানসিক দক্ষতাও বৃদ্ধি করে। গবেষকেদের মতে, হাই তোলা স্নায়ু তন্ত্রের উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে এবং মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বা রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এ ছাড়াও হাই তোলার ফলে আমাদের শরীরে, শিরায়-উপশিরায় অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ হয়। ৩) চোখকে পিচ্ছিল করে: হাই তুললে চোখের পাশের অশ্রুগ্রন্থির উপর চাপ পরে। ফলে অক্ষিগোলক অশ্রুসিক্ত হয়ে পরিষ্কার হয় এবং আমাদের দৃষ্টি আরও স্বচ্ছ হয়ে ওঠে। ৪) কানের অস্বস্তি দূর করে: বিমানে বা এলিভেটর বা লিফটে করে উচ্চতায় ওঠার সময় অনেকের কানে ব্যথা, অস্বস্তি ও শ্রবণের সমস্যা হতে পারে (যেমন, কানে তালা লেগে যাওয়া)। আর এই সমস্যা উপশম হতে পারে হাই তোলার মাধ্যমে। গবেষকদের মতে, উচ্চতার দ্রুত পরিবর্তনের সময় হাই তোলায় কানের বায়ুর চাপের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। ৫) মাংসপেশিকে প্রসারিত করে: হাই তুললে মুখের ও বুকের মাংসপেশি প্রসারিত হয়। শরীরের দীর্ঘ ক্ষণের জড়তা বা আড়ষ্ঠতা মুহূর্তে উধাও হয়ে যায়।   ৬) তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ও অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় জানা গিয়েছে, হাই আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গ্রীষ্মকালে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা শীতকালের তুলনায় অনেকটাই বেশি থাকে। তাই গ্রীষ্মকালে তুলনামূলক ভাবে বেশি হাই ওঠে। জিনিউজ এসি    

স্নানঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে কিছু সহজ উপায় 

স্নানঘর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। শরীর মনকে সুস্থ রাখতে এই ঘরের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরি।অল্প সময় হলেও সেখানে যদি দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনা করেই এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার। এই দুর্গন্ধকে বিদায় জানানো কঠিন। সেক্ষেত্রে জেনে নিন সহজ কিছু উপায়, যা দুর্গন্ধ দূর করে স্নানঘরকে রাখবে ঝকঝকে তকতকে।    ১.বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা  স্নানঘরের ভেতরের পরিবেশ স্বাস্থ্যের অনুকূলে রাখতে ও দুর্গন্ধ তাড়ানো জরুরি। সঠিকভাবে বায়ু চলাচল ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। স্নানঘরে যদি ছোট জানালা থাকে, সেটি খুলে দিন যাতে করে বাতাস চলাচল করতে পারে। আপনি যখনই বাথরুম ব্যবহার করবেন তখনই ওভারহেড ফ্যানটি চালু করে দিন। এতে ভেতরে দুর্গন্ধ তৈরি হবে না। ২. চমৎকার ঘ্রাণ বাতাস বিশুদ্ধকারক কিংবা এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করেন অনেকেই। বাজারে নানা রকম এয়ার ফ্রেশনার পাওয়া যায়। রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী ঘ্রাণ কিনতে পারেন। এটিও বেশ সহজ ও সুবিধাজনক উপায় স্নানঘরের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ৩. সিলিকা জেলের ব্যবহার  ভেজা স্যাঁতসেঁতে ভাব থেকেও কখনও কখনও দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই সবসময় চেষ্টা করুন বাথরুম শুকনো রাখার। তাহলে দুর্গন্ধ চলে যেতে বাধ্য। এছাড়া ভেজা ভাব দূর করতে স্নানঘরের এক কোণে,পানি যাওয়ার পথে কিংবা যেখানে পানি জমে থাকে। সেসব স্থানে সিলিকা জেলের প্যাকেট রাখতে পারেন। নতুন যেকোনো কিছু কেনা হলেই সেসবের সঙ্গে সিলিকা জেল দেওয়া হয়। এখন থেকে সেসব সংরক্ষণ করতে পারেন। ৪. স্নানঘরে গাছ লাগান গাছ প্রাকৃতিক উপায়ে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। ফার্ন, লিলি, মানিপ্লান্ট ইত্যাদি রাখতে পারেন স্নানঘরেরও। এতে স্নানঘরের ভেতরের পরিবেশ যেমন ভালো থাকবে, তেমনি দুর্গন্ধও বিদায় নেবে। ৫. প্রাকৃতিক উপায়ে পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহে অন্তত একদিন খুব ভালোভাবে স্নানঘর পরিষ্কার করুন। স্নান ঘরের পরিচ্ছন্নতার উপর আপনার স্বাস্থ্য নির্ভর করে। সেই সঙ্গে আপনার রুচিবোধেরও পরিচয় তুলে ধরবে। বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের পাশাপাশি ব্যবহার করতে পারেন লেবু, ভিনেগার, বেকিং সোডার মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো। এসব ব্যবহারে স্নানঘর পরিষ্কার ও ঝকঝকে হয়ে উঠবে। সূত্র: উইকিহাউ      কেআই/এসি    

সঙ্গীর অপ্রকাশিত অতীত জানতে এই ৫টি প্রশ্ন করুন

আমাদের প্রত্যেকেরই এমন অনেক কথা থাকে যা বাবা-মা বা বন্ধুদের সঙ্গেও বলা যায় না৷ আর তখনই প্রচণ্ডভাবে প্রয়োজন পড়ে একজন যোগ্য জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীর৷ যিনি আপনার সমস্ত মনের কথা শুনবেন এবং প্রয়োজনে আপনাকে যথাযোগ্য যুক্তি দেবেন৷ ভালবাসা মানে কখনওই কেবল যৌনতা বা শারীরিক সম্পর্ক নয়৷ ভালবাসা মানে মনের কথা ভাগ করে নেওয়া৷ কেবল নিজের সম্পর্কে জানালেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না৷ একইভাবে নিজের পার্টনার সম্পর্কের আপনার সঠিক জ্ঞান থাকা উচিত৷ কিন্তু জানেন কি, এমন কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে যা সহজেই আপনাকে জানিয়ে দিতে পারে আপনার পার্টনারের অপ্রকাশিত অতীতকে? তাই সাহস থাকলে এই প্রশ্নগুলো একবার নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে করে দেখুন৷ চরম মুহূর্তের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা নিজেকে সাহসী প্রমাণ করতে চাইলে আপনার পার্টনারকে এই প্রশ্নটা করে দেখুন৷ জেনে নিন, তার অতীতের সেই চরম সত্যকে৷ এতে আপনারই লাভ হবে৷ সেই একই কাজ করার আগে আপনিও দু’বার ভাববেন৷ সবচেয়ে আনন্দদায়ক প্রশংসা কৌশলে জেনে নিতেই পারেন, কোন কথা বললে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীটি সবচেয়ে বেশি খুশী হন৷ তার কোন স্বভাব নিয়ে কথা বললে তার সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে বা কোন বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি খুশী করে৷ সবচেয়ে আরামদায়ক রাতের পোশাক রাতের কোন পোশাকে আপনার পার্টনার সবচেয়ে বেশি আরাম অনুভব করে বা রাতেরবেলা আপনাকে তিনি কোন পোশাকে দেখতে চান সেটা জানা আপনার দায়িত্বর মধ্যেই পরে৷ কারণ রাতের ওই মুহূর্তটা তো কেবল আপনাদের দু’জনেরই৷ ফলে নিজেদের সম্পর্কে গভীরে জানুন৷ মনের গভীরে থাকা যৌন আকাঙ্ক্ষা যৌনতার বিষয়ে প্রত্যেকের মনেই নিজ নিজ আকাঙ্ক্ষা থাকে৷ যাকে আমরা ইংরেজিতে ফ্যান্টাসি বলে থাকি৷ প্রত্যেকেই চান তাদের পার্টনারে সঙ্গে সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে৷ তবে সবক্ষেত্রে যে সেটা সত্যি হয় তা নয়৷ কিন্তু ভাবতে তো অসুবিধা নেই৷ সুকৌশলে জেনে নিন তো আপনার পার্টনারের সেই ফ্যান্টাসি বা গোপন যৌন আকাঙ্ক্ষাটি৷ এটা কিন্তু আপনারই অনেক সুবিধা করবে৷ সবচেয়ে পছন্দের সেক্স পজিশন যৌনতা নিয়ে প্রত্যেকেরই নিজস্ব ফ্যাসিনেশন থাকে৷ ঠিক যেমন আপনার উচিত নিজের পছন্দের সেক্স পজিশনটি পার্টনারকে জানান৷ তেমনই তারও পছন্দের পজিশনটা আপনার জানা উচিত৷ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি