ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৪৭:২৩

সম্পর্কে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনতে পারে ৬ অভ্যাস

সম্পর্কে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনতে পারে ৬ অভ্যাস

লম্বা, সুস্থ সম্পর্ক চান? তবে এর জন্য খুব ধনী হওয়ার দরকার নেই। আবার খুব বেশি আবেগী হওয়ারও দরকার নেই। কিছু ছোট ছোট কাজেই খুশি রাখা যায় ভালোবাসার মানুষটিকে। আর এমন অভ্যাসেই দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক পূর্ণতা পায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই অভ্যাসগুলো- পর্যাপ্ত ঘুমান আসলে রাতে ঘুম ভালো না হলে আপনি ক্লান্ত হয়ে যাবেন। এর ফলে আপনার মেজাজ খারাপ থাকবে। সেইসঙ্গে কোনও কাজেও মনোযোগ দিতে পারবেন না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো এর ফলে আপনি অল্পতেই রাগারাগি করবেন। কিন্তু ভালো ঘুম হলে আপনার মেজাজ ভালো থাকবে। এর ফলের সঙ্গী হিসেবেও ভালো হবেন আপনি। তাই সম্পর্কে যত সমস্যাই থাকুক না কেন, পর্যাপ্ত ঘুমানো উচিত। ছোট ছোট কাজ করে দিন জেনে রাখুন, সকালে এক কাপ কফি তৈরি করা, বা দিনের শেষে সঙ্গীর জন্য একটা চকলেট কিনে আনাই ভালোবাসা টিকিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট। দেখবেন, দুজনেই যখন একে অপরের জন্য এই ছোট ছোট কাজগুলো করবেন তখন সম্পর্ক হবে অটুট। প্রশংসা করুন আমরা সঙ্গীর ছোট ছোট কাজগুলোকে তেমন পাত্তা দিই না। কিন্তু তার এই ছোট ছোট কাজগুলোর প্রশংসা করাটাও খুব জরুরি। যেমন, ঘর গুছিয়ে রাখার জন্য জন্য ধন্যবাদ দিতে পারেন, রান্নার প্রশংসা করতে পারেন। ছোট ছোট উপায়ে প্রকাশ করুন ভালোবাসা মনে রাখবেন, সম্পর্ক রক্ষায় স্পর্শ খুব জরুরি। কিন্তু তারমানে শুধু বিছানায় যাওয়া নয়। এ ক্ষেত্রে বাইরে গেলে হাত ধরে থাকা, আলিঙ্গন করাটাও অনেক জরুরি। ভুল স্বীকার করা সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক সুস্থ রাখতে ও তার মানসিক কষ্ট দূর করতে ভুল স্বীকার করাটা জরুরি। তাই ভুল করে এরপর তা নিয়ে ঝগড়া না করে ভুল স্বীকার করুন। কথা বলার সময় বের করুন সারাদিন জীবনসঙ্গীর সঙ্গে অনেক কথাই হয়। কিন্তু খেয়াল করে দেখুনতো শুধু দুজনে দুজনকে নিয়ে কথা হয় কী? নিজেদের সম্পর্ক, সুখ-দুঃখ, প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলার জন্যেও কিন্তু সময় রাখা উচিত! একে//
মন ভাল রাখার কিছু উপায়

আমাদের মন ভালো থাকলেই শরীর ভালো থাকে। দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আমাদের মন ভালো থাকলেই শরীর ভালো থাকে। দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সবসময় ভালো থাকতে পারে না, যদি তার আত্মিক বা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না হয়। মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন: মনের ভাব সব সময় প্রকাশ করা উচিত। কাছের মানুষদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিলে যেমন আনন্দ বহু গুণ বেড়ে যায়, তেমনই দুঃখ ভাগ করে নিলে দুঃখ অনেক কমে যায়। কম ঘুম হলে মনের উপর চাপ বাড়ে, ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমনো উচিত। সঠিক ডায়েট মন ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই সুষম খাবার খেতে হবে। মা, বাবা, ঠাকুমা, ঠাকুর্দা, ভাই, বোন আর ভাল বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভাল থাকবে। মোবাইলে চ্যাট না করে সামনাসামনি কথা বললে মনের অসুখ পালিয়ে যায়। সপ্তাহে এক দিন কিছু ক্ষণ সময় ছুটি উপভোগ করা দরকার। ভাল লাগার জিনিস তা গান শোনাই হোক বা বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাওয়া— যা ভাল লাগে তা-ই করতে হবে।নিয়মিত শরীরচর্চা করে ওজন ঠিক রাখা দরকার। ওজন বাড়লে ডিপ্রেশন বাড়ে।  টিআর

দেরিতে বিয়ে হলে মানসিক ৬ সমস্যায় ভোগেন নারীরা

আজকাল বেশিরভাগ নারী-পুরুষেরা দেরিতে বিয়ে করার পক্ষে। তবে জেনে রাখা ভালো, একটি নির্দিষ্ট বয়সের মাঝেই বিয়ে করে ফেলা ভালো। কেননা দেরিতে বিয়ে করলে বেশিরভাগ নারীই কিছু মানসিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। এমনকি যারা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন নারী, তাদের মাঝেও দেখা যায় অনেক ব্যাপার। কখনও কাজ করে ঈর্ষা, কখনও সামাজিক চাপ, কখনও একাকীত্ব। এর ফলে অনেকেই নিজের মাঝে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু সমস্যা সম্পর্কে, যেগুলো তৈরি হয় দেরিতে বিয়ে হলে। বিষণ্ণ হয়ে যাওয়া সমবয়সী সব বন্ধু-বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেছে? স্বভাবতই বিয়ের পর সবাই নিজের পৃথিবী নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে যার বিয়ে হয়নি, তিনি হয়ে পড়েন একা, বিষণ্ণ। আর সেই বিষণ্ণতা থেকেই মনের মাঝে জন্ম নেয় হতাশা। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা যে সমাজে সঠিক সময়ে বিয়ে না হলে একটি মেয়ে হয়ে ওঠে সবার চক্ষুশূল, সেই সমাজে বিয়েতে দেরি হলে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। এমন পরিস্থিতিতে অনেক নারীই নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন আর ক্রমশ গুটিয়ে নিতে থাকেন জীবন থেকে। কিন্তু ভুলেও এই কাজটি করবেন না। মনে রাখবেন, জীবনটা আপনার। তাই আপনার জীবনে মাথা উঁচু করে আপনাকেই বাঁচতে হবে। নিজেকে অযোগ্য মনে করা পাত্রী দেখাবার প্রক্রিয়াটা খুব অপমানজনক অনেকের কাছে। কারণ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর নিজেকে অনেকেই অযোগ্য মনে করতে শুরু করেন অনেকে। কিন্তু মনে রাখবেন, কোনও পুরুষের আপনাকে পছন্দ হয়নি মানেই আপনি অযোগ্য নন। তবে এ ক্ষেত্রে সম্ভব হলে ঘটা করে পাত্রী দেখার আয়োজনটা এড়িয়ে যান। এতে অনেকটাই স্বস্তি পাবেন। ভুল মানুষকে বেছে নেওয়া অনেক নারীই ভুল মানুষটিকে বেছে নেন বিয়ের জন্য। কারণটা ক্রমাগত পারিবারিক ও সামাজিক চাপ। কিন্তু এই ভুলটি কখনও করবেন না। মনে রাখবেন, একটাই জীবন এবং এই জীবনে একটি ভুল বিয়ে আপনার অশান্তি কমাবে না বরং বাড়বে। ঈর্ষা হওয়া বিয়ে হয়ে যাওয়ায় খুব কাছের বান্ধবীটি হয়তো এখন আর আপনাকে সেভাবে সময় দিতে পারেন না। কারণ সে নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত ও সুখী। এমন অবস্থায় ঈর্ষার একটা বোধ খোঁচা দিতেই পারে আপনাকে। এ ক্ষেত্রে নিজেকে বিষয়টা বোঝানোর চেষ্টা করুন, একদিন আপনারও এমন চমৎকার একজন জীবনসঙ্গী হবে। নিজেকে হাস্যকর করে ফেলা অনেক নারীর মনের মাঝে ক্রমাগত ঘুরতে থাকে যে ‘বয়স পার হয়ে যাচ্ছে’! আর এই পার হয়ে যাওয়া বয়সকে টেক্কা দিতে একজন জীবনসঙ্গীর জন্য আকুল হয়ে ওঠেন অনেকেই। এমনটা করতে গিয়ে নিজেকে হাসি ও করুণার পাত্রে পরিণত করে ফেলেন তারা। কিন্তু মনে রাখবেন, এসবে তেমন কোনও ফল নেই। বরং  এসব করে কেবল সামাজিক মর্যাদাতেই খাটো হচ্ছেন আপনি। একে//

ছেলেরা সম্পর্ক করতে চান না ৬ কারণে

ভালোবাসা নাকি অনেক সময় নিজের অজান্তেই উঁকি দেয়। দুটি মন বাঁধা পরে এক সুঁতোয়। তবে অনেকেই চান না সম্পর্কে জড়াতে। মূলত ৬ টি কারণে ছেলেরা ভালোবাসার বাধনে বাঁধা পড়তে চান না। যাঁরা বিবাহিত, তাঁরা মনে করেন, ‘একাই ভাল ছিলাম’। আবার যাঁরা নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন, তাঁরা একজন মনের মতো সঙ্গীর খোঁজ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। বিবাহিত জীবন সম্পর্কে বা নিছক প্রেমের সম্পর্কে থাকার ক্ষেত্রেও অনেকেরই অনীহা কাজ করে। অনেকেই মনে করেন, সম্পর্কে জড়ালে বোধহয় জীবন তার স্বাভাবিক ছন্দ বা স্বাধীনতা হারাবে! এমনই বেশ কিছু যুক্তিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা একা থাকতে পছন্দ করে। তবে এক একজনের একা থাকার কারণ একেক রকম। যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞানী লিসা ফায়ারস্টোন জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমীক্ষা চালিয়ে ২০ হাজারেরও বেশি ‘সিঙ্গল’পুরুষের মতামত সংগ্রহ করে যে উত্তরগুলি পাওয়া যায় সেগুলিকে ৪৩টি বিভাগে ভাগ করা হয়। এই উত্তরগুলি বিশ্লেষণ করে মনোবিজ্ঞানীরা মোট ৬ টি কারণ জানতে পারেন। ‘ইভলিউশনারি সাইকোলজিকাল সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয় এই ৬ টি কারণ। ছেলেদের সম্পর্কে জড়াতে না চাওয়ার ৬টি প্রধান কারণ হল— ১) ছেলেদের সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে মূলত আত্মবিশ্বাসের অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই তারা একা থাকতে চায়। ২) অনেকে বলেছেন, সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা খুব বেশি মাথা ঘামাতে চান না। ৩) অনেকে তাদের ভেঙে যাওয়া সম্পর্ককে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এবং তাঁরা যে মহিলাদের আর বিশ্বাস করতে পারেন না, সেটাও বলেছেন। ৪) সমীক্ষায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে ৬৬০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারীর উত্তর ছিল— তাঁরা দেখতে ভাল নয় বলে একা থাকতে চান। ৫) অনেকে বলেছেন, সম্পর্ক গড়তে তাঁদের কোনও রকম ইচ্ছেই নেই।  ৬) সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, অনেক পুরুষই নাকি ‘ফ্লার্ট’ করতে পারেন না। তাঁরা খুবই ইন্ট্রোভার্ট ও লাজুক। তাই মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে জড়তা অনুভব করেন। তাই তাঁরা একা থাকতেই পছন্দ করেন।  সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

ব্রেক-আপ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার তিন উপায়

প্রেমের সম্পর্কে ব্রেক আপ হতেই পারে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সমস্যাজনক পর্ব হল পুরনো স্মৃতি থেকে বেরোনো। প্রাক্তন সম্পর্কের সঙ্গে সমস্ত মায়া কাটিয়ে নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া কঠিন কাজ। তবে যাই হোক, প্রাক্তন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে গিয়ে কয়েকটা বিষয় কখনোই করবেন না। মাথায় রাখবেন এই কয়েকটি প্রসঙ্গ। বারবার ফোন করবেন না মনে হতেই পারে ভীষণ মিস করছেন আপনি তাকে। কিন্তু এই মিস করাটা সয়ে নিতে হবে। যদি সত্যিই বেরিয়ে আসতে চান, বদল চান জীবনে তাহলে ফোন করবেন না। বরং নম্বর মুছে ফেলুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লক করে দিন। সেই স্মৃতি থেকে বেরোতে যা যা করতে হয় তাই করুন। পুরোনো স্মৃতি নিয়ে পড়ে থাকবেন না অতীতে আটকে থাকার থেকে সে সব ভুলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করাই ভালো। হতেই পারে পুরোনো স্মৃতির জায়গা নিল নতুন নতুন মুহূর্ত। সেই মুহূর্ত তৈরির জন্য চেষ্টা করুন। সচেতনভাবে প্রাক্তনের সঙ্গে কাটানো সুখস্মৃতি এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করুন। খারাপ চিন্তা করবেন না আমরা অনেকেই বিষণ্ণতাকে আরও ঝাঁকিয়ে বসার সুযোগ করে দিই। দুঃখের গান শুনে, বা বারবার ব্রেক আপের কথা লোককে বলে। সারাক্ষণ মনের মধ্যে খারাপ চিন্তাই ঘোরে। তবে এই চিন্তার কোনও ভালো দিক নেই। এ সমস্ত বিষয়গুলো আরও জটিলতা বাড়ায়। সূত্র: এনডিটিভি একে//

কর্মক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা পেতে যা করবেন 

নিজের গুণাগুণ এবং কর্তৃত্ব প্রকাশের অন্যতম জায়গা হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে। সবাই চায় নিজেকে জনপ্রিয় করে তুলতে। কিন্তু সঠিক আচার-আচরণ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে অনেক সময় তা করা সম্ভব হয় না। এজন্য এমন কিছু মানবীয় গুণাবলি অর্জন করা দরকার যার মাধ্যমে সহজেই কর্মক্ষেত্রে নিজেকে জনপ্রিয় করে তুলা সম্ভব।     আসুন জেনে নেওয়া যাক এরকম কিছু মানবিক গুণাবলি-    ১) হাসি মুখে কথা বলা সহকর্মী এবং অন্যান্য কর্মচারিদের সাথে সবসময় হাসিমুখে কথা বলার চেষ্টা করুন। হাসি এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি অনেক অসাধ্যকে সাধন করতে পারেন যা অনেক টাকার বিনিময়ে করা সম্ভব নয়।    ২)অন্যকে অগ্রাধিকার দিন অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে আপনি সহজেই তার কাছে জনপ্রিয় হতে পারেন। খাবার টেবিল থেকে শুরু করে আলোচনার টেবিলে অন্যকে আগে অগ্রাধিকার দিন। যেমন ধরুন-আপনি ও আপনার অরেকজন সহকর্মী একসাথে নাস্তার টেবিলে বসে আছেন। ওয়েটার তখন একজনের জন্য খাবার নিয়ে আসল। তখন ওই খাবারটি আপনি না নিয়ে আপনার সহকর্মীকে দিয়ে দিন। এতে আপনি যে তাকে ভালোবাসেন বা তাকে আপনি গুরুত্ব দেন তা সে উপলব্ধি করতে পারবে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই তার হৃদয় জয় করতে পারবেন। ৩)কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন  অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার মাধ্যমে আপনি সহজেই মন জয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে যে আপনার সাথে কথা বলছে বা সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। প্রয়োজনে তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকুন। এর মাধ্যমে সহজেই আপনি তার হৃদয় জয় করতে পারেন। ৪) সাহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন   এ পৃথীবিতে চলতে ফিরতে গেলে মানুষ সমস্যায় পতিত হবে এটাই স্বাভাবিক। ধরুন-আপনার একজন সহকর্মী হঠাৎ বিপদে পড়েছে- তার টাকার প্রয়োজন বা তাকে সঙ্গ দিতে হবে। এমতাবস্থায় আপনার কাছে যদি টাকা থাকে তাহলে তাকে সাহায্য করতে পারেন। কিন্তু টাকা না থাকলেও তার এ অবস্থায় তাকে সমবেদনা জানান এবং কথা দিয়ে যদি কোনো সাহায্য করা যায় সে চেষ্টা করুন।       ৫)কাজের কৃতিত্ব দিন আপনার একটি কাজ করে দিয়েছে বা অফিসের একটি কাজ করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জন করেছে সে অবস্থায় তার কাজের কৃতিত্ব দিন। এতে আপনার প্রতি তার কৃতজ্ঞতাবোধ জাগ্রত হবে। অন্যসময় সে আপনাকেও কৃতিত্ব দেবে। এমএইচ/এসি   

যেসব পেশায় বিবাহবিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়ে! 

আমাদের দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সম্পর্কে ভাঙ্গণের পেছনে রয়েছে অসংখ্য যুক্তি। গবেষকরা এখনও বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা কিংবা পরামর্শ দিতে পারনি। তবে ঠিক কী কী কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়ে তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রের কিছু বিষয় নিয়ে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি দেখা দেয়, যার  ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রবণতা বেড়েই চলেছে।  বায়োলজি লেটারস জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘আপনি যদি এমন জায়গায় চাকরি করেন যেখানে আপনার বিপরীত লিঙ্গের প্রাধান্য বেশি থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আপনি বিবাহবিচ্ছেদের ঝুঁকিতে আছেন। এ বিষয়টি নারীর তুলনায় পুরুষের ক্ষেত্রে বেশি যায়। নারী-প্রধান পেশায় কর্মরত পুরুষের বিবাহবিচ্ছেদের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় ১৫ গুণ। অন্যদিকে, পুরুষ-প্রধান পেশায় কর্মরত নারীর বিবাহবিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়ে ১০ শতাংশ।  এই গবেষণার জন্য ডেনমার্কের ২০ বছরের সকল বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এত বেশি তথ্য থাকায় খুব ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।   সুইডেনের স্টকহোম ইউনিভার্সিটির ড. ক্যারলাইন উগলা এই গবেষণার মূল লেখক ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আপনার কর্মক্ষেত্রে বিপরীত লিঙ্গের মানুষ বেশি কিনা, তা নিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের ঝুঁকি সরাসরি বাড়াতে পারে। গবেষণায় একটি চমকপ্রদ একটি তথ্য উঠে এসেছে। সাধারণত উচ্চ শিক্ষিত মানুষের মাঝে ডিভোর্স এর সংখ্যা কম। কিন্তু এই গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি খাটে না। যেসব উচ্চশিক্ষিত পুরুষ নারী-প্রধান পেশায় কাজ করেন,তাদের মাঝে বরং ডিভোর্স এর সংখ্যা বেশি হয় কম-শিক্ষিত পুরুষের তুলনায়। নারীদের মাঝে আবার আয়ের এমন কোনো প্রভাব দেখা যায় না।  গবেষকরা দাবি করেছেন, এই বিষয়ে আর অনেক বিস্তারিত গবেষণা হতে পারে। এসব তথ্য পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষা, সম্পর্কের দৈর্ঘ্য এবং সন্তানের উপস্থিতি এসব বিষয় বিবেচনা করেছিলেন। ভবিষ্যতের গবেষণায় অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে যেমন মানুষটির ব্যক্তিত্ব । এছাড়া সময়ের সাথে সাথেও এই গবেষণার ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে। (সূত্র: আইএফএলসায়েন্স) কেআই/এসি   

সহজ উপায়ে সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করবেন যেভাবে

গরম থেকে স্বস্তি পেতে সিলিং ফ্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা ঘর পরিষ্কার রাখতে চাই, ধুলো থেকে মুক্তি পাওয়া সত্যিই কঠিন। ঘরের ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করা যায়, কিন্তু মাথার উপর সিলিং ফ্যান নিয়ে সব সময় পরিস্কার করা যায় না।    ওপরে থাকায় সহজে পরিষ্কার করা যায় না। ফলে অনেক বেশি ময়লা জমে, এটি দেখতে খারাপ লাগে। বাতাসের সঙ্গে ধুলো পুরো ঘরে ছড়িয়েও যায়। সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করা বেশ ঝামেলারও বটে, সময়ও লাগে অনেকক্ষণ!    কঠিন এই কাজটি নিমিষেই করা যায় কীভাবে? আসুন জেনে নিই, ফ্যান পরিষ্কার করতে হলে প্রথমে একটি পুরোনো বালিশের কভার নিন। এটি দিয়ে ফ্যানের ব্লেডের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ঢেকে দিন। বালিশের কভারটি দু’হাত দিয়ে পাখার ব্লেডের ওপরে চেপে ধরে বাইরের দিকে টান দিন। এবার দেখুন, ফ্যানের সব ময়লা চলে এসেছে। এভাবেই সবগুলো ব্লেড পরিষ্কার করে নিতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত, একবার হলেও এভাবে ফ্যান পরিষ্কার করুন। দেখবেন ফ্যানের সঙ্গে ঘরও পরিষ্কার থাকবে।   কেআই/এসি    

পর্ণগ্রাফি যৌনজীবনে সর্বনাশ ডেকে আনছে না তো?

পর্ন ছবি দেখা এখনকার যুগে জলভাত। আইনিভাবে পর্নগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধ হলেও লুকিয়ে চুরিয়ে চলতে থাকে এর মজা নেওয়ার পালা। তবে এই পর্নগ্রাফি কিন্তু আপনার যৌন জীবনে ডেকে আনতে পারে সর্বনাশ। এর জন্যই কিন্তু প্রথম রাতে শেষ হয়ে যেতে পারে সম্পর্ক। কারণ এখানে এমন অনেক কিছু দেখায় যেগুলো আদতে বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অর্গাজম তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল মহিলাদের অর্গাজম। পর্নোগ্রাফিতে দেখা যায় স্বমেহনের পর খুব তাড়াতাড়ি অর্গাজম হয় মহিলাদের। একথা কিন্তু একেবারেই সত্যি নয়। মহিলাদের অর্গাজম হতে দেরি হয় বিস্তর। এমনকী মাঝেমধ্যে মহিলাদের অর্গাজম হয়ই না। পারফেক্ট বডিপর্নছবিতে যারা অভিনয় করেন, তাদের সবসময় পারফেক্ট ফিগার হয়। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় না একেবারেই। সবার ফিগার যে পারফেক্ট হবে, এমন নয়। আশা করাটাও তো ভুল। সবার দেহে কিছু না কিছু খুঁত থাকে। স্তনের গঠন বা পুরুষাঙ্গের আকার সবার পারফেক্ট থাকে না। তাই পর্নোগ্রাফিতে দেখা সবকিছুই যে বাস্তবে হয়, এমন নয়। সেদিক থেকেও হতাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফোরপ্লেযৌনতার আগে যে পর্নোগ্রাফিতে ফোরপ্লে দেখায় না, এমন নয়। কিন্তু ওখানে সেই সময়টা থাকে খুব কম। বাস্তব জীবনে যৌনতার ক্ষেত্রে ফোরপ্লের একটা মারাত্মক ভূমিকা থাকে। যৌনতার স্বাদই পাওয়া যায় ফোরপ্লে থেকে। বেশিরভাগ সময়ই এই ফোরপ্লে দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়। যৌনতার সময় শব্দসঙ্গমের সময় অনেক ক্ষেত্রে মেয়েরা শব্দ করে। পর্নোগ্রাফিতেও এমন দেখা যায়। বাস্তবেও যে এমন হয় না, তা নয়। কিন্তু সবসময় যে এমন ঘটনা ঘটবে, তা নয়। সেক্স পোজিশন পর্নোগ্রাফি ও বাস্তব জীবনের এক্ষেত্রে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। পর্নোগ্রাফিতে যে সেক্স পোজিশন দেখানো হয়, সেগুলি সবসময় বাস্তবে প্রয়োগ করা সম্ভব হয় না। উলটে এই পোজিশনগুলি প্রয়োগ করতে গেলে সঙ্গীর কাছ থেকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি