ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৫৭:২৪

সুস্থ সম্পর্ক গড়তে প্রয়োজন ৮টি উপকরণ

সুস্থ সম্পর্ক গড়তে প্রয়োজন ৮টি উপকরণ

প্রেম করা আর সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা এক নয়। সত্যিই যারা দীর্ঘস্থায়ী এবং সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান তাদের ভালবাসার মানুষের সঙ্গে, তাদের কাজটা কিন্তু খুব সহজ নয়। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং মনস্তত্ত্ববিদ আন্দ্রেয়া বনিওর একটি প্রতিবেদনে লিখেছেন সেই ৮টি উপকরণ প্রসঙ্গে, যা প্রয়োজন সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে- বিশ্বাস এটি সম্পর্ক তৈরির মূল ভিত্তি। এটা না থাকলে কোনও সম্পর্কই ভালভাবে দানা বাঁধতে পারে না। যতই আবেগপ্রবণ হোক সম্পর্ক, অচিরেই ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা যদি বিশ্বাস না থাকে।  আচরণ পারস্পরিক যোগাযোগ যত ভাল হবে, ততই বা পরস্পরের প্রতি প্রকাশভঙ্গিমা সৎ এবং সশ্রদ্ধ হবে। আন্দ্রেয়া লিখছেন, সব ক্ষেত্রেই এমনটা করতে পারেন না বেশিরভাগ মানুষ কিন্তু যদি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চান কেউ, তবে নিজেকে সংশোধন করা যায়।   ধৈর্য সব ক্ষেত্রেই এটা প্রয়োজন এবং দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য তো বটেই। সহমর্মিতা সম্পর্কে রয়েছেন মানেই দু’জন মানুষের চিন্তাভাবনা এক নাও হতে পারে। পার্টনারের মতামতের প্রতি সহমর্মিতা না থাকলে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি হতে পারে না। স্নেহ এবং আকর্ষণ এই দুয়েরই প্রয়োজন সঠিক মাত্রায়। ভালবাসার মানুষের প্রতি স্নেহশীল হওয়াটা যেমন প্রয়োজন, তেমনই তার প্রতি একটা আকর্ষণও থাকতে হয়। নমনীয়তা সম্পর্কে আপসের একটা বড় ভূমিকা থাকে। আন্দ্রেয়া লিখেছেন যে একদিন-আধদিন নয়, প্রতিদিন একাধিক বিষয়ে দু’জনকে যদি দু’জনের প্রতি নমনীয় থাকতে হবে। স্বীকৃতি ভালবাসাটাই বড় কথা নয়, ভালবাসার স্বীকৃতিটা প্রয়োজন। ছোট-বড় সমস্ত বিষয়ে পার্টনারের অবদানকে প্রকাশ্যে স্বীকার করাটা দরকার। প্রগতি সম্পর্ক তখনই দীর্ঘস্থায়ী হয়, যখন সেই সম্পর্ক এগিয়ে চলে, এক জায়গায় স্থবির হয়ে পড়ে না। সূত্র: এবেলা একে//
প্রেমিকা বা স্ত্রী বয়সে বড় হলে মাথায় রাখুন ৭টি টিপস

বয়সটা যে বিয়ের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নয়, সেটা বহু যুগ ধরেই সবার জানা। শুধু পুরুষতান্ত্রিক ঔদ্ধত্যে এতদিন দস্তুর ছিল এটাই যে স্বামী হবেন বয়সে বড়, স্ত্রী নন। তবে সামাজিক এই ট্যাবু কাটিয়ে উঠছেন অনেকেই। প্রেমিকা বা স্ত্রী যদি বয়সে বড় হন, তবে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত- ১. তিনি বয়সে বড় মানেই তিনি সবজান্তা নন। এমনটা যদি তিনি মনেও করেন তবে প্রথমেই এই ভ্রম কাটিয়ে দিন। বয়সের কারণে যদি তিনি ডমিনেট করতে থাকেন তবে সম্পর্কটা অচিরেই বিষিয়ে উঠতে বাধ্য। ২. প্রেমিকার বয়স ভুলে গিয়ে তার সঙ্গে সমবয়সীর মতো মিশতে হবে, তবেই সম্পর্কটা প্রাঞ্জল থাকবে এবং প্রেমিকার মনে কোনও কমপ্লেক্স তৈরি হবে না। ৩. স্ত্রী বা প্রেমিকার সামনে অল্পবয়সী মেয়েদের প্রশংসা করার সময়ে একটু সচেতন থাকতে হবে। এমন কিছু মন্তব্য না করে ফেলেন যাতে তার মনে আঘাত লাগে। ৪. এই ধরনের সম্পর্ককে পরিবার মেনে নিলেও, আত্মীয়স্বজনরা সব সময় মেনে নিতে পারেন না। খেয়াল রাখতে হবে যেন তারা আপনার প্রিয় মানুষীর বয়স নিয়ে কোনও বিদ্রুপ না করেন। যদি কেউ করেনও তেমন কিছু, প্রতিবাদ করাটা একজন পার্টনারের দায়িত্ব। ৫. শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেমিকা বয়সে বড় হলে তিনি অনেক সময় অল্প উৎকণ্ঠায় ভুগতে পারেন। খুব সংবেদনশীলতার সঙ্গে সেটাকে ডিল করতে হবে। তাকে বুঝতে দেওয়া চলবে না অথচ তিনি যাতে উৎকণ্ঠা থেকে বেরিয়ে আসেন, সেটা দেখতে হবে। ৬. আপনার বন্ধুরা প্রেমিকার থেকে বয়সে অনেকটা ছোট হলে তারা আপা বলবেন না প্রেমিকাকে নাম ধরে ডাকবেন সেটা একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন। এক এক জন মেয়ের এক এক মত থাকে এই বিষয়ে। সেটা জেনে নিয়ে বন্ধুদের আগে থেকে জানিয়ে দিন। ৭. প্রেমিকা বয়সে অনেকটা বড় হলে এটা সম্ভব যে হয়তো তিনি পেশাগতভাবে অনেকটা বেশি প্রতিষ্ঠিত আপনার চেয়ে। সেটা যেন হীনমন্যতার জন্ম না দেয়, বয়স ভুলে প্রেমটা যতটা সহজে গ্রহণ করেছেন, এই বিষয়টাও ততটাই সহজে গ্রহণ করুন। সূত্র: এবেলা একে//

নিশ্চিত ব্রেকআপ বাঁচাতে করণীয়

প্রেম ভেঙে যাচ্ছে- এই সংকেত প্রত্যেকেই পায়। প্রেমিক বা প্রেমিকা, দু’জনেই বুঝতে পারেন ভিতরে ভিতরে কীভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে সম্পর্কের সেতু। ব্রেকআপ জিনিসটা এমনই তার ধাক্কা সুদূরপ্রসারী হয় অনেক সময়ই। তবে চাইলে ব্রেকআপকে আটকানো সম্ভব। জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্রেকআপ বাঁচাতে কী কী করতে হবে- প্রথমে এটা ভেবে দেখুন, সত্যিই কি এই সম্পর্কটা আপনার কাছে আগের জায়গাতেই আছে? নাকি, সত্যিই সেটা ভেঙে দেওয়ার সময় এসেছে! এ প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই দিতে হবে। ভাল করে ভেবে তবেই সিদ্ধান্ত নিন। যদি সত্যিই আপনার সম্পর্ক আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে আর কোনও রকমের আনন্দ না দেয়, তার মানে সেই সম্পর্ক এবার সত্য়িই শেষ হওয়া দরকার। ব্রেকআপ থেকে বাঁচার সব থেকে ভাল উপায়, তেমন কারও সঙ্গে গভীর সম্পর্কে না যাওয়া, যার সঙ্গে আদৌ আপনার কোনও সম্পর্ক তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। যদি ভাল করে না ভেবে কোনও সম্পর্কে চটজলদি চলে যান, দেখবেন কিছু দিন যেতে না যেতেই সেই সম্পর্কের ভিতরকার অন্তঃসারশূন্যতা আপনার কাছে প্রকট হয়ে উঠবে। আপনার প্রেম যদি দীর্ঘকালীন হয় তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখুন কখনও অজ্ঞাতসারে যাতে কোনও সমস্যা আপনাদের সম্পর্কে ফাটল তৈরি করতে না পারে। এ ব্যাপারে সচেতন থাকুন। শুরুতেই যদি সেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, তবে অনায়াসেই তা থেকে বড় অঘটনের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়। আপনার সঙ্গীকে সম্মান করুন। তিনি আপনাকে সম্মান করছেন কি না সেটাও খেয়াল রাখুন। এবং অবশ্যই দু’জনে দু’জনকে প্রয়োজনীয় স্পেস দিন। যদি তা সত্ত্বেও দেখেন পানি ক্রমশ নাকের কাছে পৌঁছে গেছে, তাহলেও ঘাবড়াবেন না। একটা শেষ ও মরিয়া চেষ্টা করতেই পারেন। সঙ্গীর সঙ্গে লম্বা কথাবার্তা চালান। যদি সেও সমান মরিয়া হয় সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে, তাহলে সমাধানের সূত্র বেরিয়ে আসবেই। প্রেমে পড়ার সময় থেকেই একটা ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। যে কোনও সম্পর্ক, তা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, মাথায় রাখুন তা ভেঙে যেতেই পারে। আপনি নিশ্চয়ই চেষ্টা করবেন তা টিকিয়ে রাখতে। কিন্তু যদি তা না টেকে, তাহলে ভেবে রাখুন সত্যিই সম্পর্ক ভেঙে গেলে নিজেকে কী ভাবে সামলাবেন। এবং সেটা আগেভাগেই ভেবে রাখতে হবে। তাহলে ব্রেকআপ হয়ে গেলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। কষ্ট হবে। কিন্তু তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবেই। সূত্র: এবেলা একে//

শাশুড়ির মন জয় করার ৭ উপায়

এমনটা নয় যে একমাত্র পুত্রবধূরই দায়িত্ব শ্বশুরবাড়ির সবার সঙ্গে ভাল সম্পর্ক তৈরি করা। কিন্তু কিছুটা দায়িত্ব তার দিক থেকেও থেকেই যায়। শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কটা সহজ হয়ে গেলেই কিন্তু অনেকটা নিশ্চিন্ত হন মেয়েরা। রইল কয়েকটি সহজ টিপস— ১. শাশুড়িকে মা বলে ডাকতে অনেকের অসুবিধা হয় আর সেই আড়ষ্টতা ধরা পড়ে যায়। সেটা কিন্তু শাশুড়ির মোটেই ভাল লাগে না। তাই নতুন কোনও আদুরে নাম পাতিয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভাল। যেমন ‘মামণি’ বা ‘মামমাম’ ধাঁচের। এতে শাশুড়ি বরং খুশিই হবেন। ২. বিয়ের পরেই বেশিরভাগ মায়ের মনে হয় যে ছেলে বুঝি এখন বউয়ের, আর মায়ের নেই। ভাবনাটা অযৌক্তিক বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। তাই বিয়ের পর পরই ঝামেলা এড়াতে এবং শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কটা সহজ করতে প্রথম প্রথম একটু বেশি সময় দিন তাকে, সেটা বসার ঘরে হোক বা কিচেনে। ৩. শাশুড়ি যা ভালবাসেন, বই বা সিনেমা বা শপিং, সেই হবিতে তার সঙ্গী হয়ে যান। কখনও হঠাৎ করে বই উপহার দিন অথবা সিনেমার টিকিট কেটে সারপ্রাইজ দিন। এতেই তিনি বেশ খুশি হবেন। ৪. শাশুড়িকে সম্ভব হলে নিজে হাতে সাজান। একটু নতুন ধাঁচে চুল বেঁধে দেওয়া বা যেমন শাড়ি তিনি পরেন, তার চেয়ে অন্য রকম শাড়ি তাকে উপহার দেওয়া এই আর কী। নতুন হেয়ারকাটও ট্রাই করতে পারেন। ৫. মাঝেমধ্যে শাশুড়ির সঙ্গে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করুন এবং শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য আত্মীয়দের ট্যাগ করুন। এতে সম্পর্ক আরও সহজ হবে। ৬. কখনও শ্বশুর বা স্বামী অথবা শশ্বরবাড়ির অন্য কারও সঙ্গে শাশুড়িকে নিয়ে হাসিঠাট্টায় অংশ নেবেন না। বরং এ সব ক্ষেত্রে শাশুড়ির পক্ষ নিন অথবা চুপ করে থাকুন। ৭. স্বামীর উপর আপনার অধিকার বেডরুমের বাইরে খুব একটা প্রকাশ না করাই ভাল। ছেলেকে খেতে দেওয়া, ছেলের জামাকাপড় গুছিয়ে রাখা ইত্যাদি বিষয়গুলো শাশুড়িরা ছেলের বিয়ে দেওয়ার পরেও করতে থাকেন। এই সবে বেশি মাথা ঘামাবেন না। আগ বাড়িয়ে সে সব কিছু করতে গেলে বরং উলটো সমস্যা হতে পারে। শাশুড়িকে বরং সময় দিন, যাতে তিনি নিজেই ওই সব দায়িত্ব আপনার হাতে তুলে দেন। সূত্র: এবেলা একে//

মেয়েদের মন জয় করার সহজ ৫ উপায়

মনে করা হয়, মেয়েদের মনমতো উপহার খুঁজে পাওয়া খুবই শক্ত। আসলে শক্ত কিছুই নয় যদি সহজ করে ভাবতে পারা যায়। উপহার যে দামি হতে হবে তেমনটা নয়, উপহার নির্বাচন থেকে উপহার দেওয়ার কায়দা- পরতে পরতে আবেগটা থাকা চাই ভরপুর, তাহলেই মন গলবে। নিচে রইল এমন ৫টি উপহারের কথা যেগুলো ‘দামি’ নয় কিন্তু প্রিয় মানবীর মন জয় করবে সহজেই- ফটো ফ্রেম ফটো ফ্রেম, দামি, কমদামি সব রকমই পাওয়া যায়। এমন একটি ফ্রেমে প্রেয়সীর সঙ্গে নিজের ছবি বন্দি করে হাতে দিন। যে কোনও মেয়েই চায় ভালবাসার মানুষের সঙ্গে নিজের ফ্রেমবন্দি মুহূর্তটা অনন্ত হোক। কফি মগ প্রেয়সী যদি খুব গুরুগম্ভীর, ইন্টালেকচুয়াল ধাঁচের না হন, তবে এই উপহারটি দিয়ে দেখতে পারেন, আশাহত হবেন না- একটি কফি মগে লিখে দিন ‘পৃথিবীর সেরা প্রেমিকা’ অথবা ইংরেজিতে ‘ওয়ার্ল্ডস বেস্ট গার্লফ্রেন্ড এভার’। মন গলতে বাধ্য। স্কার্ফ স্কার্ফ হল পোশাকের এমন একটি অংশ, যা সব সময়েই কাজে লাগে এবং মেয়েরা সব রকম পোশাকের সঙ্গেই এটি ক্যারি করতে পারেন। তাছাড়া যে কোনও বয়সেই মেয়েদের এই উপহারটি দেওয়া যায়। উপহার নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকলে চোখ বুজে একটা ভাল স্কার্ফ কিনে ফেলুন। আংটি আংটি হল এমন একটা গয়না, যা সব মেয়েরাই তাদের প্রেমিকের থেকে পেতে পছন্দ করেন। ব্যতিক্রমদের সংখ্যা নেহাতই হাতে গোনা। আর আংটি মানেই তা মহার্ঘ হতে হবে এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। তবে আংটি দেওয়া মানে কিন্তু প্রেমে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া, প্রায়-এনগেজমেন্ট হয়ে যাওয়া। তাই আংটি দেওয়ার আগে একটু ভেবে নেওয়া জরুরি। আংটি পাওয়ার পরে বেশিরভাগ মেয়েই মনে করে যে এবার প্রেমটি পাকাপোক্ত সম্পর্কের দিকে এগোবে। ফুল ফুল- যখন-তখন, যে কোনও সময়। কথায় বলে, যে মানুষ ফুল এবং শিশুদের পছন্দ করে না, সেই মানুষের মধ্যে খুনে-সত্তা লুকিয়ে থাকে। আর যে প্রেমিক কখনও প্রেমিকাকে ফুল উপহার দেননি, তিনি আদতে প্রেমিকই নন। এই সহজলভ্য উপহারটিতে মেয়েদের মুখে হাসি ফোটানো যায় সবচেয়ে সহজে। সূত্র: এবেলা একে//

সম্পর্ক ভালো রাখার দাওয়াই ‘স্পর্শ’: গবেষণা

দম্পতিদের মধ্যে সম্পর্কের শুরুটা সব সময়েই ভাল হয় কিন্তু দীর্ঘ সময় সেটা ভাল রাখাটাই হল আসল চ্যালেঞ্জ। দু’জন দু’জনকে মনে মনে পাগলের মতো ভালবাসলেই হবে না, সেটা কাজে প্রমাণ করাটা প্রয়োজন যেমন, তেমনই স্পর্শ করে বুঝিয়ে দেওয়াটাও দরকার, এমনটাই বলছেন মনোবিদ এবং সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে অন্তত একবার উত্তেজক স্পর্শ প্রয়োজন দম্পতিদের মধ্যে। প্রতিদিনের এই রোম্যান্টিক মুহূর্তগুলো যদি না থাকে, তবে আর সম্পর্ককে প্রেম-ভালবাসা না বলে বিজনেস পার্টনারশিপ বলাই ভাল। ‘স্পর্শ’ কেন গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে একাধিক গবেষণা রয়েছে-  ১. মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টাচ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’-এর মনোবিদ টিফানি ফিল্ড এই বিষয়ে দীর্ঘ কয়েক দশক যাবত গবেষণা করছেন। তার বক্তব্য, ভালবাসার মানুষের স্পর্শ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, সেটা সম্পর্কজনিত স্ট্রেস হোক বা পেশাগত অথবা অন্য কোনও স্ট্রেস। ২. প্রায় একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা যায় কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পাভেল গোল্ডস্টেইনের বক্তব্যে। ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত তার একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে স্বামী বা স্ত্রী অথবা প্রিয় মানুষের স্পর্শ শারীরিক যন্ত্রণা প্রশমতি করতে প্রভূত সাহায্য করে। ৩. ভালবাসার মানুষকে জড়িয়ে ধরলে বা তাকে স্পর্শ করলে যে সম্পর্কের টান বাড়ে, সেটা বুঝতে গবেষণাপত্রের প্রয়োজন নেই। এই বিষয়ে কিনসে ইনস্টিটিউটের গবেষক হেলেন ফিশারের বক্তব্য, ‘স্পর্শ করা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি, আমাদের মস্তিষ্কই ওইভাবে তৈরি হয়েছে।’ এই সব দিক বিচার করেই সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ, থেরাপিস্ট, মনোবিদদের বক্তব্য, দিনের মধ্যে যত বেশিবার ভালবাসার মানুষকে স্পর্শ করা যায়, ততই ভাল থাকবে সম্পর্ক। কারও মতে, দিনে গড়ে ৮ থেকে ১০ বার মিনিংফুল টাচ-এ বৈবাহিক সম্পর্ক মজবুত হয়। আবার প্রেমিক-প্রেমিকারা যদি দিনে অন্তত একবার পরস্পরকে স্পর্শ করেন, তবে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।  সূত্র: এবেলা একে//

বন্ধুর মুখোশে লুকিয়ে থাকা শত্রু চেনার ৫ উপায়

বিষয়টা নতুন কিছু নয়, কমবেশি সবাইকেই জীবনে এমন মানুষের পাল্লায় পড়তে হয়েছে। ইংরেজিতে এই ধরনের মানুষের জন্য রয়েছে একটি মজার শব্দ- ‘ফ্রেনেমি’। অর্থাৎ এমন এক ‘ফ্রেন্ড’, যে কি না আদতে ‘এনিমি’। তাহলে কী করে চিনবেন এমন বন্ধুর মুখোশে শত্রুকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি লক্ষণ- ১. আপনি ভাল কিছু করলে, কোনও কঠিন কাজে সফল হলে, সেই বিশেষ ’বন্ধু’টি কিন্তু খুশি হন না। সেটা তার হাবেভাবে প্রকাশ পাবেই। যতটা উচ্ছ্বাস আপনি আশা করছেন, ততটা যদি না হয়, তবে সেটা একটি বড় লক্ষণ। ২. এই ধরনের মানুষ সর্বক্ষণ আপনার খুঁত ধরতে থাকে। আপনার চিন্তা-ভাবনা, রুচি-পছন্দ, কাজ, পোশাক-আশাক, আত্মীয়স্বজন, অন্য বন্ধুবান্ধব- সব কিছুই যেন তার চোখে খারাপ। ৩. ফ্রেনেমি চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হল যদি সেই ব্যক্তি যখন-তখন মজা করার ছলে আপনাকে জনসমক্ষে অপমান করেন। কোনটা মজা আর কোনটা অপমান, যে কোনও পরিণত মানুষ সেটা বোঝে। এমন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন। ৪. এই ধরনের মানুষেরা অত্যন্ত স্বার্থপর এবং আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন। নিজের কাজের সময়টুকু নিয়ে তারা খুব সচেতন। আপনার কোনও প্রয়োজনেই তারা কিন্তু সেই সময়টুকু দেবে না। ৫. ফ্রেনেমিরা সচরাচর খুবই উচ্চকিত ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট পছন্দ করেন। যে কোনও বন্ধুত্বেই ওঠাপড়া থাকে। কিন্তু ফ্রেনেমিরা সব সময় বন্ধুত্বে ক্রাইসিস চায়। ভাল থাকা তাদের পোষায় না। সূত্র: এবেলা একে//

হার্টের অসুখ ঠেকাতে রুটিনে যোগ করুন এই অভ্যাস

অনেকেই মনে করেন, হার্ট ভাল রাখতে গেলে সপ্তাহে পাঁচদিন কম করে ৩০ মিনিট বা সব মিলিয়ে ১৫০ মিনিট মাঝারি মাপের এমন ব্যায়াম করতে হয়, যাতে হার্টরেট বাড়ে। যেমন, জোর কদমে হাঁটা, জগিং, সাঁতার, সাইকেল চালানো ইত্যাদি৷ এবার হার্ট ভাল রাখতে আরও কিছু কৌশল ও উপায়ের কথা জানালেন গবেষকরা। সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা গেল, এর পাশাপাশি দিনে মিনিট ২০ যোগা, প্রাণায়াম, ধ্যান করলে শুধু যে হার্ট ভাল থাকে তা নয়, যে যে কারণে ইসকিমিক হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে- যেমন, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ইত্যাদিও নিয়ন্ত্রণে থাকে৷ বিভিন্ন গবেষণাপত্রে এর স্বপক্ষে যুক্তিও পাওয়া গেছে৷ ইউরোপিয়ান জার্নাল অব কার্ডিওভ্যাসকুলার নার্সিং পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রবন্ধে গবেষকরা জানিয়েছেন, অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগীরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো সপ্তাহে মাত্র ৩০ মিনিট হালকা যোগা করলে ১২ সপ্তাহের মাথায় তার হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ অনেক স্থিতিশীল হয়৷ মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়৷ উন্নত হয় জীবনযাপনের মান৷ ইসকিমিক হৃদরোগের এক বড় কারণ হল শুয়ে-বসে থাকা। গবেষকরা দেখেছেন, সপ্তাহে অন্তত দিন দুয়েক যোগা করলেও দশ সপ্তাহের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ আগের চেয়ে বেশি নিয়মনিষ্ঠ ও কর্মক্ষম হন৷ হৃদরোগের আশঙ্কা কমে৷ ‘অল্টারনেটিভ থেরাপিস ইন হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন’ জার্নালে‌ প্রকাশিত হয়েছিল এই প্রবন্ধ৷ এ ছাড়াও ‘আমেরিকান জার্নাল অব হাইপারটেনশন’-এ প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন মোটামুটি ৮ সপ্তাহ যোগা ও প্রাণায়ামের করার পরই উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ কমতে শুরু করে৷ শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো ও মানসিক চাপ কমানোই এর অন্যতম কারণ৷ এই গবেষণার জন্য ৪০ জন হৃদরোগীকে যথাযথ চিকিৎসার পাশাপাশি ৮–১০ সপ্তাহের মধ্যে ১৬ বার যোগা করানো হয়। দেখা যায়, অন্যান্য উন্নতি হওয়ার পাশাপাশি তাদের শ্বাসকষ্ট প্রায় ২২ শতাংশ কমে গেছে৷ ‘মেডিসিন অ্যান্ড সায়েন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই প্রবন্ধ৷ জার্নাল অফ অ্যামেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধ থেকে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে যে এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন নামে দ্রুত ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের যে মারাত্মক অসুখ আছে, যা থেকে যখন–তখন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, তার প্রকোপও কম থাকে নিয়মিত যোগা করলে৷ যদিও এই তত্ত্বকে দৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করতে আরও গবেষণার দরকার, কিন্তু কিছুটা যে উন্নতি হয়, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মনে সন্দেহ নেই৷ ৪৯ জন এট্রিয়াল ফিব্রিলেশনের রোগীকে যোগা করানোর পর দেখা যায় তাদের রক্তচাপ ও হার্টরেট খানিকটা কমেছে৷ ও বেশ কিছু দিন নিয়মিত করার পর বিপদের আশঙ্কা আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে৷ আসলে হৃদরোগ, মেদবাহুল্য, ডায়াবিটিস, মারাত্মক উচ্চ রক্তচাপ থাকলে যোগা শুরু করার আগে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ যোগা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি৷ অন্য ক্রনিক অসুখ থাকলেও একই কথা৷ ব্যথা–বেদনা থাকলে যথাযোগ্য সাবধানতা না গিয়ে যোগা করলে ব্যথা বেড়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়তে পারেন৷ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রেমিকার মুড ঠিক করার চটজলদি ৫ উপায়

প্রেমে মান-অভিমান-ঝগড়া তো থাকবেই। এছাড়া নানা কারণে প্রেমিকার মুড খারাপ থাকতেই পারে। কমবেশি সব প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে এই জিনিসটি হয়ে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রেমিকার রাগ ভাঙিয়ে সম্পর্কটাকে স্বাভাবিক করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না? আসলে সম্পর্কের কিছু দায়িত্ব থাকে এবং তার মধ্যে প্রথম দায়িত্ব হল পরস্পরের মন ভাল করা। না হলে আর সম্পর্কে থাকার কোনও মানে হয় কি? প্রেমিকার রাগ সপ্তমে চড়লে অথবা দুঃখে মন একেবারে টইটম্বুর হলে প্রেমিকেরই দায়িত্ব পড়ে প্রেমিকাকে ওই মানসিক অবস্থা থেকে বের করে নিয়ে আসা। এ ব্যাপারে কম-বেশি অভিজ্ঞ সবাই। নিচে রইল আরও কিছু টিপস- ললিপপ অথবা ডাব সব প্রেমিকা যে চকোলেট দিলে গলে যাবে, এমনটা ভাবা খুব ভুল। আসলে চকোলেট জিনিসটি পেয়ে পেয়ে সেটা বড্ড একঘেয়ে হয়ে গেছে। বরং প্রেমিকার জন্য নিয়ে যান ললিপপ অথবা একটা ডাব। এমন জিনিস নিয়ে মুড ঠিক করতে এসেছেন দেখে অত্যন্ত গম্ভীর প্রেমিকাও হেসে কুটিপাটি হবেন। বিরক্তির শেষ সীমায়  পৌঁছিয়ে দেওয়া মজার জোক শুনিয়ে মুড ঠিক করার চেষ্টা খুবই সেকেলে ব্যাপার। বরং এমন কিছু তাকে বলুন যাতে তিনি বিরক্তির শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়ে বেশ খানিকটা চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। যত বেশি চিৎকার, ততই তার মনের মধ্যে ঝিম ধরা দুঃখ কেটে যাবে। চেঁচামেচি শেষ হলে তিনি বেশ একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে স্বাভাবিক হবেন। অনেকটা সময় হাত ধরে থাকা জাদু কি ঝপ্পি সব সময়েই যে কোনও মানুষেরই মন ঠিক করতে কাজ দেয়। মুড খারাপ থাকলে প্রেমিকাকে একটা দীর্ঘ ঝপ্পি দিয়েই ক্ষান্ত হবেন না। হাতটা ধরে থাকুন অনেকটা সময়, যতক্ষণ সম্ভব। একটা কুইক ঝপ্পির চেয়ে, অনেকটা সময় হাত ধরে থাকা তাকে অনেকটা বেশি শান্তি দেবে। লং ওয়াক বাড়িতে বা অফিসে, যেখানেই তিনি থাকুন না কেন, তাকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে এসে বেরিয়ে পড়ুন লং ওয়াকে। যেখানে রাগ বা মন খারাপের উৎস, সেখানে যত বেশিক্ষণ তিনি থাকবেন, ততই খারাপ। কিন্তু এই বাড়ি বা অফিস থেকে তাকে হাইজ্যাক করা একটা আর্ট। এই ব্যাপারে প্রেমিককে একটু হাত পাকাতে হবে, একটু মাথা খাটাতে হবে এবং অনেকটা নির্লজ্জও হতে হবে (অনেকটা ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ ছবির মিমি চক্রবর্তীর মতো)। সম্ভাব্য শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের প্রশংসা হবু বা সম্ভাব্য শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের প্রশংসা যে কোনও মেয়েরই মুড ভাল করে দেয়। প্রেমিকাকে নিয়ে যা যা ভাল কথা বলেন আপনার বাড়ির লোক, সে সব বলুন তাকে (খানিকটা রং চড়িয়ে হলেও)। মুখে হাসি ফুটতে বাধ্য। সূত্র: এবেলা একে//

প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার ৩ কৌশল

আজকাল প্রেমের সম্পর্কগুলো অনেক দ্রুত ভেঙে যায়। আসলে নানান কারণেই সম্পর্কে ব্রেকআপ হয়। তবে সম্পর্ক শেষ মানেই কোনও রকম যোগাযোগই আর থাকবে না, এমন ভাবনা এই প্রজন্মের অনেকেই ভাবেন না। বরং প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখে চলায় বিশ্বাসী অনেকেই। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় এই ভাবনায় পথ হাঁটতে গেলে কখনও আরও বড় সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, প্রেম ভেঙে যাওয়া মানেই যে একজন মানুষ জীবন থেকেই ব্রাত্য হয়ে যান না, তার সঙ্গে নেহাত বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখাই যায়, এমন ভাবনা উদারতার কথাই বলে। কিন্ত দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই উদারতা অনেকের ক্ষেত্রেই সমস্যার কারণ হয়। কারণ বেশির ভাগই এই ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখার কৌশল জানেন না। কেবল বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রেই নয়, অনেক সময় প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে নানা ধরনের কাজের কারণেও যোগাযোগ রাখতে হয়। প্রাক্তনকে দেখলে অনেকের মধ্যেই মুহূর্তে পুরনো স্মৃতি, লুকিয়ে রাখা ক্ষোভ, অনুভূতি, নানা ভুল আবেগ মাথাচাড়া দেয়। সে সবের হাত ধরেই আসে জটিলতা। নতুন করে অপমানিত হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। আবার নিজের সম্মান বজায় রেখে, হাস্যাস্পদ না হয়েও প্রাক্তনের সঙ্গে সুন্দর একটা বন্ধুত্ব বা যোগাযোগ রাখতেই পারেন অনেকেই। তবে তার জন্য মাথায় রাখতে হবে বিশেষ কিছু বিষয়। দেখে নিন সে সব। নতুন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা নয় অতিরিক্ত আবেগ বা কখনও দেখনদারির কারণে অনেকে প্রাক্তন সঙ্গীকে দেখলেই তার বর্তমান সুখ, আনন্দ এ সব নিয়ে কথা শোনাতে ব্যস্ত থাকেন। কেউ বা প্রাক্তন সঙ্গীর প্রেম বা সম্পর্ক নিয়েও অতিরিক্ত কৌতুহল দেখিয়ে ফেলেন। এড়িয়ে চলুন এই স্বভাব। এতে কেবল জটিলতা বাড়ে তা-ই নয়, আপনার অতিরিক্ত কৌতুহল অন্যের চোখে নিজেকে ছোট করে দিতেও পারে। মনে রাখবেন, সম্পর্ক শেষ হয়েছে আবেগ আর কাজ করেনি বলেই। সুতরাং প্রাক্তন সঙ্গী আপনার সব কিছু খুব সহানুভূতির চোখে দেখবেন, এমন আশা না করাই ভাল। আবার তা দেখলেও যে সারাক্ষণ সেই সুযোগ নিয়ে যেতে হবে, এটাও কোনও কাজের কথা নয়। পুরনো কাসুন্দি নয় প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে দেখা হওয়া মানেই আপনার প্রতি তার ব্যবহার, ভুল-ঠিক, দোষ-ত্রুটি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়ে যাওয়া নয়। এটা আগে বুঝতে হবে। পুরনো সম্পর্ক থেকে বেরনোর পর কে কতটা ভাল আছেন, এ সব অতিরিক্ত প্রকাশে ছেলেমানুষিই প্রকাশ পায়। বরং দেখা হলে স্বাভাবিক ও সাধারণ থাকুন। খুব বেশি পুরনো স্মৃতি ঘাঁটতে বসলে মনে হবে আপনি সেই মুহূর্তগুলো থেকে বেরিয়ে আসতেই পারেননি। এমনকি, সেই মানুষটাকেও ভুলতে পারেননি। তাই বন্ধুত্ব বজার রাখতে হলে আগে অতীত থেকে সরুন। ঘন ঘন যোগাযোগ এড়ান বন্ধুত্ব বা কাজের সম্পর্কটুকু রাখতে গেলে কিছুটা সামাজিকতাও রাখতে হয়, তাই যোগাযোগ না রেখে চলা মুশকিল। কিন্তু পরিমিতিবোধকে বিসর্জন দেবেন না। যতটুকু যোগাযোগ দু’জনের পক্ষেই সম্মানের, সেটুকু বজায় রাখুন। খুব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা বা একে অন্যের সব বিষয়ে মতামত দেওয়া থেকে দূরে থাকুন। অনেকেই বন্ধুত্বের ছলে পুরনো সম্পর্কের উষ্ণতাই অনুভব করতে চান। নিজে কী তেমনই চাইছেন? সেটা আগে বুঝুন। যদি নিজেও চান, সম্পর্ক ফিরুক ফের, তবেই ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলুন, গাঢ় করুন বন্ধুত্ব। নয়তো কিছুটা সীমারেখা টেনে মেশাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

যে কারণে মানুষ বিশেষ কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়

একজন মানুষ অপর একজনের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবেন। কথাবার্তা, গুণ, রুচি ও চরিত্রের দৃঢ়তা এ সবই আকর্ষণের কারণ হিসাবে কাজ করবে। আর এ যদি বন্ধুত্ব বা প্রেমের স্বাভাবিক রসায়ন ভাবেন, তবে আপনি ভুল ভাবছেন! কারণ মানুষে-মানুষে আকর্ষণের নেপথ্যে না কি এর বাইরেও অনেক মনস্তাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে! মনোবিদ ও ব্যবহার বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোনের নানা কারিকুরি, চার পাশের অবস্থান, পরিস্থিতি এ সবের ভূমিকা ওই রূপ-গুণ-রুচি-মতের মিলের চেয়েও বেশি। ঠিক কী কী অদ্ভুত বিষয়কে প্রেমে পড়া বা বন্ধুত্ব স্থাপনের কারণ হিসেবে দাবি করছেন গবেষকরা? দু’জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া কোনও প্রত্যাশা বা ভিত্তিহীন কোনও প্রচারও ওই দুই মানুষের মনে এক অদ্ভুত প্রভাব ফেলে। দু’জন সহপাঠীকে নিয়ে তৈরি হওয়া কোনও গুজব তাদের সত্যিই কোনও সম্পর্কে বেঁধে দিয়েছে এমন নজির বিরল নয়। আবার তারকাদের ক্ষেত্রে রিল লাইফের সেরা জুটিরা রিয়েল লাইফেও প্রেমে পড়েছেন। দু’জনকে নিয়ে ক্রমাগত চর্চা- মানুষের হাইপোথ্যালামাসকে প্রভাবিত করে। প্রথম প্রথম উড়িয়ে দিলেও অবিরাম চর্চা চলতে থাকলে, তা নিয়ে উত্তেজিত হলে শরীরে যে হরমোনঘটিত আবেগ তৈরি হয়, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভালবাসার বীজ! বিজ্ঞানীদের মতে, চর্চা ও তাদের জুটি নিয়ে মানুষের নানা মন্তব্য প্রভাবিত করে মানুষকে। নৈকট্য বা কাছাকাছি অবস্থানকেও এই আকর্ষণের পিছনে কলকাঠি নাড়ার অন্যতম বিষয় হিসেবে ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। কোনও পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে থাকতে শুরু করা বা জীবনের একই পরিস্থিতির মোকাবিলা করাও একজনকে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। সুস্থ-স্বাভাবিক মনের মানুষের ক্ষেত্রে প্রেমে পড়ার অন্যতম কারণ এই সহানুভূতি। ক্লেটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, প্রেম বা সম্পর্কে এগোনোর ক্ষেত্রে শারীরিক চাহিদা ও মিলন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। পরিস্থিতিগত কারণে দু’জন মানুষ যদি দু’জনের প্রতি সম্মানসহ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন, তবে তাপিটুইটারি গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে মানসিক আকর্ষণেরও জন্ম দেয়। জৈবিক যে সব কারণে কোনও মানুষের প্রতি আকর্ষণ তীব্র হতে পারে, তার অন্যতম চেহারা। সাধারণত, রূপের চেয়েও শরীরের গঠন, উচ্চতা, পেশীবহুল চেহারা এ সব মানুষের হাইপোথ্যালামাসে ভাল লাগার বার্তা পৌঁছায়। তখনই ডোপামিন হরমোন মস্তিষ্কে প্রেমের বার্তা পৌঁছায়। কোনও মানুষের সঙ্গে তীব্র বিবাদ বা লাগাতার ছোটখাটো বিষয়ে সমস্যা লেগেই থাকে? সাবধান! এখান থেকেও প্রেমে পড়া অস্বাভাবিক নয় মোটেই। বরং এই সব খিটিমিটি উল্টো কখনও ডোপামিনকে উত্তেজিত করে। তাই ঝগড়ার মানুষটার প্রতিও কোথাও মায়া কাজ করে কোনও কোনও মানুষের মনে। বহু সিনেমাও এমন গল্পের সাক্ষী। প্রেমে পড়ার বেশির ভাগ কাজটাই হরমোনের খেলা। তাই ‘বিপরীত মেরু একে অন্যকে টানে’- এমন তত্ত্বে খুব একটা ভরসা জোগাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রা, কর্মব্যস্ত সময়ে মানুষ খুব সংঘাতে যেতে রাজি নন। তাই অনেক সময় মতাম্তরে ডোপামিন ক্ষরণ হয় না। বরং মতে মেলে এমন মানুষকেই সে বেছে নিতে চায়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ছয়টি লক্ষণ বলে দেবে পার্টনার আপনাকে ঠকাচ্ছে

কয়েক বছর জমিয়ে প্রেম করার পর বিয়ের প্রসঙ্গ আসতেই পিছিয়ে যাচ্ছে সঙ্গী?  সম্প্রতি যোগাযোগে রাশ টেনছেন তিনি? ফোনেও বেশির ভাগ সময়ই ব্যস্ত? আসলে সমস্যাগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত নয়। নিজেদের বা চার পাশের অনেকের জীবনেই এমন ঘটনার সাক্ষী থাকি আমরা। অথচ মনোবিদরা বলেন, বেশির ভাগ ‘ভুল’ সম্পর্কেই একটা সময়ের পর কিছু আচরণগত প্রকাশ দেখা যায়, যা দেখে আন্দাজ করা যায় আদৌ সম্পর্কটা সুস্থ আছে কি-না। মানুষটি আদৌ ঠকাচ্ছেন কি-না। মনোবিদদের মতে, অন্যের থেকে কিছু লুকানোর প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে, তাদের আচরণে বেশ কিছু অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে। আর দীর্ঘ দিন যাদের সঙ্গে সম্পর্ক, তারা এটি বুঝতে পারেন সহজে। প্রেমের সম্পর্কে এমন কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখলে সচেতন হোন এখনই। বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই যদি সঙ্গী সে সব আচরণ করেন, তাহলে বুঝবেন এই সম্পর্ক নিয়ে তিনিও আর আগ্রহী নন। তাই ঠকার আগেই সতর্ক হওয়া জরুরি। দেখুন তো, এমন কিছু ঘটনা আপনার বা কোনও পরিচিতর সঙ্গে ঘটছে না তো? হঠাৎই বন্ধুর মতো আচরণ হঠাৎই সঙ্গী পুরোদস্তুর বন্ধুর মতো আচরণ করছে কি? প্রেমে বন্ধুত্ব থাকতেই হয়, কিন্তু শুধুই বন্ধুত্ব ও প্রেমজ সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা ফারাক থাকে। প্রেমিক বা প্রেমিকার আচরণে যদি হঠাৎই স্রেফ বন্ধুত্বের ছাপ পান, তাহলে এখনই সচেতন হন। দেখা করা বা ফোন ধরায় অনীহা সঙ্গী দূরে থাকুন বা কাছে, নিত্য ব্যস্ততার মধ্যেও সঙ্গীকে সময় দেওয়ার জন্য হাতে সময় রাখা উচিত সবারই। কিন্তু হঠাৎই কোনও কারণ ছাড়াই দেখা করা বা ফোন করা এড়িয়ে যাচ্ছেন কি সঙ্গী? নানা ব্যস্ততার কথা দিনের পর দিন বলছেন। তার তরফ থেকে দেখা করার কোনও ইচ্ছা নজরে আসছে না। এমনকি, আপনাদের দীর্ঘ দিন দেখা না হওয়া বা ফোনে ভাল করে কথা না হওয়া নিয়েও তার কোনও অভিযোগ নেই! এমন হলে সতর্ক হোন। পরিচয় আপনাদের সম্পর্কের কথা তেমন করে কেউ না জানলে আলাদা বিষয়। কিন্তু বন্ধু বা পরিচিত মহল আপনাদের সম্পর্কে জানলেও সঙ্গী কি হঠাৎই আপনাদের এই সম্পর্ককে স্রেফ ‘বন্ধুত্বের’ মোড়কে পেশ করছেন সর্বত্র? এমন হলে তা কিন্তু চিন্তার কথা। দূরত্ব সময় দেওয়া তো কমেইছে, যোগাযোগ কমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সম্পর্কে কি আগ্রহও হারাচ্ছেন সঙ্গী? টুকটাক যত্ন, খোঁজ খবর এ সবে হঠাৎই ভাটা পড়ছে? নিকটতম সম্পর্কে দূরত্ব এলে এমনিই বোঝা যায়। কোনও ব্যস্ততা ছাড়া এমন হলে কথা বলুন সঙ্গীর সঙ্গে। অশান্তি প্রেমে ঝগড়া হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক নয়। তবে সাধারণত, ঝগড়া হয় ও তা সময়ের সঙ্গে মিটেও যায়। কিন্তু দিনের পর দিন কথায় কথায় অশান্তি ও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এলে এগোনোর আগে আবার ভাবুন। তুলনা সঙ্গীর পুরনো প্রেম নিয়েই কি ইদানীং বেশি কথা বলছেন? কিংবা আপনার সঙ্গে মাঝে মাঝেই তুলনা করে ফেলছে পূর্বের সঙ্গীর? এমন হলে সচেতন হোন। হয়তো পুরনো সম্পর্ক থেকে এখনও বেরিয়ে আসতেই পারেননি তিনি। আপনার মধ্যেও তাই পুরনো সঙ্গীর ছায়াই খুঁজে বেড়াচ্ছেন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রথম ডেটিংয়ে ১২টি বিষয় না মানলে বিপদে পড়বেন!

কর্মব্যস্ত জীবনে আলাদা করে মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার সুযোগ অনেকেরই হয় না। এ দিকে একেবারে অচেনা কারও সঙ্গে জীবনের বাকি সময় কাটাতেও রাজি নয় আধুনিক প্রজন্ম। তাই আজকাল জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের বিষয়ে অ্যাপ ও অনলাইনে ভরসা করছেন অনেকেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জনপ্রিয়তা বাড়ছে অনলাইন ডেটিং অ্যাপগুলোর। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেও মনের মতো মানুষকে খুঁজে পান অনেকই। তবে শুধু জীবনসঙ্গীই নয়, একাকীত্ব ঘোচাতে বন্ধুদের খুঁজে পেতেও অনেকেই দ্বারস্থ এমন অ্যাপগুলোর। এমন একতাকীত্বের নেপথ্যে মনোবিদরা আধুনিক জীবনযাত্রার জটিলতা ও সমাজতত্ত্বের নানা জটের কথা বললেও অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা তাতে ক্ষুণ্ণ হয় না। কিন্তু এই ধরনের ডেটিং সাইটে আলাপের পর ভাল লাগার মানুষটির সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলুন। দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে প্রথম দিনের এই ইমেজটি কার্যত অনেকটা কাজে আসে। তাই কেবল দেখা করাই নয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে মেনে চলুন বিশেষ কিছু নিয়ম। ১. প্রথমেই এমন একটা জায়গা বাছুন, যা আপনার চেনা এলাকার মধ্যে পড়ে ও জনবহুল। খুব ফাঁকা এলাকা, হোটেলের ঘর, বা অচেনা জায়গা দেখা করার জন্য বাছবেন না। পারলে ওই এলাকায় বিপদে পড়লে আপদকালীন কিছু ফোন নম্বর ফোনে মজুত রাখুন। ২. প্রথম থেকেই সৎ থাকুন। নিজের সম্পর্কে এমন কিছু বলবেন না, যা বিশ্বাসযোগ্য নয়। অকারণ মিথ্যা বলে ইমপ্রেস করারও চেষ্টা করবেন না। আপনি যেমন ঠিক সেভাবেই নিজেকে তুলে ধরুন সঙ্গীর সামনে। এতে ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক এগোলে জটিলতা আসবে না। ৩. প্রথম দিনই কথাবার্তার মাঝে নিজের কিছু স্বভাবগত ভুলের কথা বলে রাখুন। এতে আপনাকে বুঝতে সুবিধা হবে তার। ৪. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, দীর্ঘ দিনের আলাপ বা বন্ধুত্ব থেকে হওয়া প্রেমের যে ধরন, তার চেয়ে এই ধরনের আলাপ প্রকৃতিগতভাবেই বেশ আলাদা। তাই যদি সত্যিই এই সাক্ষাৎ থেকে কোনও সম্পর্ক তৈরির কথা ভাবেন, তাহলে খুব ছোট ছোট কেজো আলাপের বদলে এমন কোনও বিষয় নিয়ে কথা বলুন, যাতে সেই মানুষটির জীবনের বিশ্বাস, আদর্শ, শখ এ সব সম্পর্কে জানতে পারেন। প্রথম থেকেই আলাপে জড়তা কাটিয়ে এমনভাবে কথা বলুন, যেখানে কেবল নিজেদের কথাই নয়, সমাজ, রাজনীতি, চার পাশের কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও উঠে আসবে আলাপে। এতে মানুষটি সম্পর্কে ধারণা আরও স্বচ্ছ হবে। ৫. অনেকেই আলাপের শুরুতেই এই সাক্ষাৎকার নিয়ে উল্টো দিকের মানুষটা কতটুকু ভাবছেন, আদৌ তার সঙ্গে এই সম্পর্ক নিয়ে অপরজন কী ভাবছেন। এই কাঁচা কাজটা প্রথম দিনের সাক্ষাতে একেবারেই করবেন না। আজকাল প্রত্যেকেই সময় ও ধীরে এগনোয় বিশ্বাসী। প্রথম দিনের তাড়াহুড়ো উল্টোজনের ভাল না-ও লাগতে পারে। বরং নিজেই বলুন, সময় নিয়ে বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে ভাবতে। ৬. বাড়ি, পরিবার নিয়ে খুব গভীর কথা আলোচনা না করলেও মূলত দরকারি বিষয়গুলো জানুন। বাড়িতে কে কে আছেন, কেমনভাবে বেড়ে ওঠা, বাড়ির মানুষদের প্রতি তার মনোভাব এগুলো জানুন। ৭. প্রথম দিনই কোনও ভুল বোঝাবুঝি বা তর্ক এড়িয়ে যান। যদি কথা বলতে বলতে বোঝেন, মানুষটি আদৌ আপনার মনের মতো নয়, তাতেও অভদ্রতা না করে বুদ্ধি খাটিয়ে আলাপ থামিয়ে উঠে আসুন। তবে আপনার অপছন্দের প্রকাশ ব্যবহারে না হওয়াই উচিত। ৮. যদি বোঝেন, মানুষটি মনের মতো, কিন্তু কিছু অমিল আছে, তাদের থাকতে দিন। দু’জন মানুষের সব মিলতেই হবে এমন ধারণা থেকে সরুন। জীবনে চলার পথে অনেক পছন্দ-অপছন্দই বদলায়। কিন্তু জীবনের মূল আদর্শগত দিকগুলোর ভাবনায় আলাদা হলে সতর্ক হন। আরও এক বার বাবুন। ৯. আপনার পেশা ও আপনার বাড়ির মানুষ সম্পর্কে তিনি কী বাবছেন, আদৌ ভাবছেন কি-না এগুলোও মাথায় রাখুন। ১০. প্রথম দিনই খুব আবেগতাড়িত হয়ে বা উত্তেজনার বশে সব কথা উজাড় করবেন না। বিশ্বাস ও ভরসা তৈরি হওয়ার সময় দিন। ১১. প্রথম দিনই নিজের ও তার খুব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলবেন না। অতীতের সম্পর্ক নিয়েও কথা সে দিন এড়িয়ে চলুন। বরং সময় দিন সম্পর্কটাকে। নিজের ব্যক্তিত্ব ও কথায় এমন কিছু রাখুন যাতে পরের দিন দেখা করতেও রাজি হন সঙ্গী। ১২. যদি দেখেন পাশের মানুষটি আপনি না চাইলেও ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে প্রতিবাদ করুন ও দরকারে সেই জায়গা ত্যাগ করুন। ডেটিংয়ে আসা মানেই কিন্তু ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে দেওয়ার লাইসেন্স দেওয়া নয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি