ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ৭:৫৯:৫২

চ্যারিটেবল নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে খালেদা জিয়া

চ্যারিটেবল নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম চলা নিয়ে রিভিশন খারিজ করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন খালেদা জিয়া। গত রোববার (১৪ অক্টোবর) ওই রিভিশন খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। পরবর্তী বিচারিক আদালত এ মামলার রায়ের জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ঠিক করেছেন।বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) আপিল বিভাগে এ আবেদনের কথা জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরের মাঠে নির্মিত অস্থায়ী আদালত ভবনে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ চলছিল। নিরাপত্তার কারণ উল্লেখ করে ৪ সেপ্টেম্বর ওই মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এ মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০ সেপ্টেম্বর এক আদেশে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশে দেন। এর বিরুদ্ধে গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিভিশন আবেদনটি করেন খালেদা জিয়া। যেটি ১৪ অক্টোবর খারিজ হয়ে যায়। আরকে//
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ: সাবেক ইউএনওকে ৮ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদকে ৮ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা এ মামলায় বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের দু’টি ধারায় মামুনার রশীদকে দোষী সাব্যস্থ করা হয়। দুর্নীতি দমন আইনের ২০০৪ সালের আইনের ২৬ (২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। রায়ে তাকে ৮ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৮৮ টাকার সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া রায় ঘোষণার সময় মামুনুর রশীদ উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন মামুনুর রশিদকে তার নিজের নামে ও পরিবারের নামে থাকা সম্পত্তির হিসাব দাখিলের নির্দেশ দেয়। তখন তিনি নিজের নামে ও পরিবারে নামে ৪১ লাখ ৫৭ হাজার ৬১৩ টাকার সম্পত্তির হিসাব প্রদর্শন করেন। পরে দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সম্পদ বিবরণীতে তিনি ১১ কোটি ৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক হেলাল উদ্দিন শরীফ বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। একে//

সাংবাদিক ফরহাদ খাঁ দম্পতি হত্যা মামলায় দুই জনের যাবজ্জীবন  

সাংবাদিক ফরহাদ খাঁ দম্পতি হত্যা মামলার আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের রায়ে হাইকোর্ট ফরহাদের ভাগ্নে নাজিমুজ্জামান ইয়ন ও তার বন্ধু রাজু আহমেদকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীন কারাদণ্ড দিয়েছেন।    মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল। দুই আসামির ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, মনসুরুল হক চৌধুরী, আহছান উল্লাহ ও সুব্রত সাহা। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাড়া বাসায় খুন হন দৈনিক জনতার তৎকালীন সিনিয়র সহ-সম্পাদক ফরহাদ খাঁ ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন। এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এ সাংবাদিক ফরহাদের ভাগ্নে নাজিমুজ্জামান ইয়ন ও তার বন্ধু রাজু আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। এরপর গত ৭ আগস্ট থেকে এ মামলার ওপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে মামলার পেপারবুক থেকে এজাহার, অভিযোগপত্র, আসামি ও সাক্ষীদের জবানবন্দি ও নিম্ন আদালতের রায় উপস্থাপন ও তা পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর গত ১১ অক্টোবর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার( ১৬ অক্টোবর) দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। এসি    

পায়েল হত্যা মামলা যাচ্ছে বিশেষ মনিটরিং সেলে

পায়েল হত্যা মামলাকে `চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা` হিসেবে অভিহিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং সেলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে আজ। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিয়ে সেটি চট্টগ্রামে স্থানান্তরের  ব্যাপারেও বাদীর আবেদন গৃহীত হয়েছে আজ (সোমবার)।   মুন্সিগঞ্জ জেলা চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা বিষয়ক মনিটরিং কমিটির সভায় আজ এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতিও মুন্সিগঞ্জের ডিসি শায়লা ফারজানা। পদাধিকার বলে এ কমিটির সদস্য সচিব হচ্ছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম। এ প্রসঙ্গে ডিসি শায়লা ফারজানা বলেন, ` পায়েল হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং সেলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। এ ব্যাপারে আজকের বৈঠকে জেলা চাঞ্চল্যকর মামলা বিষয়ক মনিটরিং কমিটির সভায় সম্মতি দিয়েছে সবাই। আমাদের পাঠানো সুপারিশে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবে মন্ত্রণালয়। ` অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, `আজকের বিশেষ সভায় পায়েল হত্যা মামলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবাই এ ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছে। তবে মামলাটি চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা যাবে কী না সেটি আমরা মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে জানাবো। এ ব্যাপারে বাদীর আবেদন আমরা গ্রহণ করেছি। বিশেষ এ বৈঠকে পুলিশ সুপারের পক্ষে আজ প্রতিনিধিত্ব করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। বৈঠকে মুন্সিগঞ্জের পিপি, পায়েল হত্যা মামলার বাদী গোলাম সোহরাওয়ার্দী বিপ্লব ও পায়েলের ভগ্নিপতি আইয়ুব আলীও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য গত ২২ জুলাই হানিফ পরিবহনের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার মিলে ঐ বাসের যাত্রী পায়েলকে নির্মমভাবে আহত করে নদীতে ফেলে হত্যা করে। ৩ অক্টোবর ৩ জনকে আসামী করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। হানিফ পরিবহনের মালিক মো: হানিফকে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ইতিমধ্যে ফাঁসির দন্ড দিয়েছে আদালত। এ ঘটনার পর চট্টগ্রামে হানিফ পরিবহনের কাউন্টারে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ। কেআই/এসি    

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিনের মেয়াদ বাড়লো

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আগামি ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট।   সোমবার(১৫ অক্টোবর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে আদেশ দেন।     এ মামলায় ৬ আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি রয়েছেন। বাকি তিন আসামি এখনও পলাতক আছেন। খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার বাকি দুই আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পলাতক তিনজন হলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। প্রঙ্গত,গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার ১১দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন । পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বাড়ানোর জন্য দুদকের করা আবেদনে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত। তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল এই আদালতে শুনানি হচ্ছে। মামলায় খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্ট চার মাসের জামিন দেন। পরবর্তীতে কয়েক দফা তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।  কেআই/এসি    

অস্পষ্ট প্রেসক্রিপশন লেখায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

এবার অস্পষ্ট অক্ষরে পাঠ অনুপযোগী প্রেসক্রিপশন (চিকিৎসাপত্র) লেখার কারণে মামলা দায়ের হলো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও পরিচালকের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে। আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদকের পক্ষে তার আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এই আবেদন করেন বলে ওই আইনজীবী নিশ্চিত করেন। পাঠ উপযোগী করে প্রেসক্রিপশন লেখা সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে করা এ মামলায় বিবাদীরা হলেন- হাসপাতালের ডেন্টাল সার্জন ডা. প্রজ্ঞা পারমিতা রায় ও পরিচালক ডা. সারোয়ার জাহান। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে বলে জানান মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি ওই টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদকের মা চিকিৎসার জন্য যান। ওই সময় ডেন্টাল সার্জন ডা. প্রজ্ঞা পারমিতা রায় চিকিৎসাপত্র দেন। লেখা দুর্বোধ্য হওয়ায় চিকিৎসাপত্রে উল্লেখিত ওষুধ কিনতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় রোগীর স্বজনদের। ওষুধের দোকানিরা চিকিৎসাপত্রে কী লেখা আছে তা চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হন। পরে ওই ঘটনায় রোগীর ছেলে তার আইনজীবীর মাধ্যমে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও ডেন্টাল সার্জনকে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য সাতদিন সময় দেয়া হয়। কিন্তু জবাব না দেয়ায় এই আবেদন করা হয়। ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে চিকিৎসকদের স্পষ্ট অক্ষরে পাঠ উপযোগী ব্যবস্থাপত্র লেখার নির্দেশ দেয়। আরকে//

৬০ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি নাহার হত্যা মামলায় র‌্যাবের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে ৬০ বারের মতো মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছানো হলো। আদালতে শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা আবু ইউসুফ এ তথ্য নিশ্চিত করছেন। সোমবার মামলাটিতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মোরশেদ আল মামুন ভূঁইয়া নতুন এ দিন ধার্য করেন। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। এরপরই রুনি ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। এরপর ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি র‍্যাব। এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি ৮ জন। অন্য আসামিরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি। টিআর/

ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সেনা সদর দপ্তরের জিডি

বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেছে সেনা সদর। সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টেলিভিশনের একটি টক-শোতে বর্তমান সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করেন তিনি। গত শুক্রবার সেনা সদরের মেজর এম রকিবুল আলম বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় এই জিডি করেন, যার নম্বর ৪৯৮।ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করছেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার সেনা সদরের একজন মেজর বাদী হয়ে একটা জিডি করেছেন। জিডি নম্বর ৪৯৮। জিডিটি আমরা তদন্ত শুরু করেছিলাম। পরে এটি তদন্তের জন্য ডিবির (ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন ডিবি এটি তদন্ত করবে। প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টেলিভিশনের একটি টক-শোতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, "দেখেন, এটা ছোট দেশ, আমরা একে-অপরকে চিনি। তবে অনেকগুলো তাদের বিরুদ্ধে পার্শ্ব সারকুমেস্টেনশিয়াল এভিডেন্স যে, আর্জেস গ্রেনেড কোত্থেকে এসেছে? দেখেন, আর্জেস গ্রেনেড, আমি জানি না, সময়টি মিলে কিনা, আমাদের বর্তমান চিফ অব আর্মি আজিজ সাহেব চট্টগ্রামের কমান্ডার ছিলেন, জিওসি ছিলেন, কমান্ড্যান্ট ছিলেন। তার ওখান থেকে একটা ব্যাপক সংখ্যক সমরাস্ত্র, গোলাগুলি চুরি হয়েছিল, হারিয়ে গেছিল, বিক্রি হয়ে গেছিল এবং এজন্য একটা কোর্ট মার্শালও হয়েছিল আজিজের নামে, জেনারেল আজিজের নামে কোর্ট মার্শালও হয়েছিল।" এদিকে, গত শনিবার (১৩ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) একটি বিজ্ঞপ্তিতে ড. জাফরুল্লাহর এই মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অসত্য বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়, "বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ চাকরি জীবনে কখনোই চট্টগ্রামে জিওসি বা কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন না।" উল্লেখ্য, ঐ একই দিনে (১৩ অক্টোবর) সেনা প্রধানকে নিয়ে তার ভুল তথ্য দেওয়া এবং বিরূপ মন্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। টিআর/

খালেদার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে

পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার বিচারিক কার্যক্রম আদালতে চলার আদেশ স্থগিত চেয়ে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর ফলে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কারাগারেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে। তবে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১০ অক্টোবর এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ রোববার দিন ধায্য ছিলো। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একে//

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি