ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:১৯:১৮

পরীক্ষায় ভালো করার ১০ টিপস!

পরীক্ষায় ভালো করার ১০ টিপস!

  পরীক্ষায় ভালো করা নিয়ে অনেকের ভীতি কাজ করে। পড়াশোনায় ভালো করেন, কিন্তু পরীক্ষা এলেই আর ভালো করতে পারেন না। কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যায়। অনেক সময় ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার পরও পরীক্ষায় খারাপ হয়ে যায়। তাই পরীক্ষায় ভালো করার জন্য নিম্নে ১০টি টিপস তুলে ধরা হলো- টিপস ১এবারও ভালো গ্রেড পেলাম না। সবই কপাল! আসলে আমাকে দিয়ে আর হবে না। এর পরিবর্তে ভাবুন, ব্যর্থতা-সাফল্যের চাবিকাঠি। আপনি যখন ব্যর্থ হবেন, তারপরই পণ করুণ আপনি ভালো করবেন। সে অনুযায়ী পড়াশোনা করুন, দেখবেন ভালো করতে পারবেন পরীক্ষায়। টিপস ২ভালো রেজাল্ট করতে হলে জিনিয়াস হওয়া প্রয়োজন। আমি তো আর জিনিয়াস না। আমাকে দিয়ে কি আর ভালো কিছু হবে? সাধারণ মেধা দিয়ে কীভাবে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব এটা জানতে পড়ুন- ‘ভালো রেজাল্ট ! ওরে বাবা জিনিয়াসরাই পারে কেবল !’ টিপস ৩পড়ায় আমার একটুও মন বসে না। আর পড়লেও কিছু মনে থাকে না। ভাবুন- কীভাবে পড়লে আপনার মনে থাকবে। পড়ুন- ‘মনে রাখার কৌশল’ টিপস ৪বাবার মতে আমি একটা গাধা। ব্রেন বলে আমার মাথায় কিছু নাই। আসলে বাবা ঠিকই বলে। অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে নয়; বরং নিজেকে আত্মবিশ্বাসী ভাবতে শিখুন….. পড়ুন- ‘আপনিও পারবেন’ টিপস ৫স্যার বলেছেন, তুই কীভাবে পারবি? তোর তো রন্ধ্রে রন্ধ্রে আলসেমি। নতুন করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পাওয়ার জন্যে পড়ুন- ‘আলস্য দ্য ডেস্টিনেশন হেল’ টিপস ৬এত পড়ালেখা করে কি হবে? এত কষ্ট করে না হয় একটা ভালো রেজাল্ট পাব। বিনিময়ে আর কী মিলবে! পড়ালেখা করে আসলেই কী মিলবে এজন্যে পড়ুন- ‘আপনি কি সত্যিই চান’ টিপস ৭বুয়েট/মেডিকেল/বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইনি। আমার জীবন ব্যর্থ। যদি এই ব্যর্থতাকে ভিত্তি করে আপনি সাফল্যের আত্মকাহিনী গড়তে চান, তবে পড়ুন- ‘ব্যর্থতার বিবমিষা’ টিপস ৮পরীক্ষা দিয়ে কী আর হবে! এই সাবজেক্টে কি জিপিএ ‘এ’/ ফার্স্টক্লাস পাওয়া যায়? পরীক্ষাভীতির কারণ জানার জন্যে পড়ুন- ‘ছাত্রজীবন সুখের জীবন যদি না থাকত’ টিপস ৯এত সমস্যা নিয়ে কি ভালো করা যায়? শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কীভাবে সফল হওয়া যায়, এটা জানতে পড়ুন- ‘সমস্যা থেকে সম্ভাবনায়’ টিপস ১০এত পড়েও কিছু হলো না। আমার কপালটাই খারাপ। এ জাতীয় নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে পড়ুন- ‘না’ থেকে ‘হাঁ’উপরে উল্লিখিত টিপসগুলো ভালো করে অনুসরণ করতে পারলে পরীক্ষায় সফল হতে পারেন। এর পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। যে যত বেশি পরিশ্রম করতে পারবে সে ততো সফলতা পেতে পারেন। তাই টিপসগুলোর পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরীক্ষায় ভালো করা যেতে পারে। এসএইচ/
চাকরি পেতে জরুরি কিছু টিপস!

বর্তমানে চাকরি যেন সোনার হরিণ। দিনের পর দিন চাকরিপ্রার্থী বাড়ছে কিন্তু সেই তুলনায় চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে না। তবে, চাকরি পেতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। চাকরি উপযোগী করে প্রস্তুত করতে হবে নিজেকে। তাহলেই চাকরি নামক সোনার হরিণের দেখা মিলবে। নিম্নে কিছু কৌশল তুলে ধরা হলো- সিভি তৈরি-সিভি তৈরির সময় মনে রাখবেন নিজেকে যত আকর্ষণীয় করতে পারবেন ততই আপনার ডাক পড়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই সিভি যেন-তেনভাবে তৈরি না করে এর প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিন। সিভিতে ভুল করা যাবে না। সিভি ভুরের কারণেও অনেক মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয় না। আর সিভির ভুলকে অনেক প্রতিষ্ঠান তার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারনা করে ফেলেন। তাই যেন-তেনভাবে সিভি তৈরি না করে মনোযোগ দিয়ে সিভি তৈরি করুন। আরেকটি বিষয় যে বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান সেই বিষয়ে সিভি তৈরি করুন তাহলে আপনার চাকরি পেতে সহজ হবে। জনসংযোগ বা যোগাযোগ- চাকরির খবরের জন্যে স্রেফ পত্রিকার বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর না করে পরিচিতদের মাধ্যমেও খোঁজ নিন। এ খবর নেওয়া শুরু করুন পড়াশোনা চলাকালীন থেকেই। সব সময় মনে রাখবেন পরিচিতদের রেফারেন্সে কাজ পাওয়া মানেই ‘মামা-চাচা’র জোর নয়। বরং আজকের বিশ্বে দক্ষ জনসংযোগ হলো অন্যতম গুণ। আপনি ভালো যোগাযোগ করতে পারেন তাহলে আপনার চাকরি পাওয়াটা সহজ হয়ে যাবে। তাই বলা যায়, ভালো যোগাযোগ করতে পারলে ভালো চাকরি পাওয়াটা আপনার জন্য সহজ হবে। ইন্টারভিউ/সাক্ষাৎকার-বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা হলো সর্বশেষ ধাপ। অতএব আগের সবগুলো বাছাইয়ে নির্বাচিত হওয়ার পরও এই ধাপে বাদ পড়ে গেলে আপনার পুরো চেষ্টাটাই মাটি! তাই এ ব্যাপারে সতর্ক হোন। তবে, চাকরিপ্রার্থীকে সাক্ষাৎকারের সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন তার পোশাক-কথাবার্তা ইত্যাদি। আপনি ভালো করে গুছিয়ে কথা বলতে পারলে সাক্ষাৎকার দাতা আপনার প্রতি খুশি হয়ে চাকরিও দিতে পারেন। এর বাইরেও কিছু কৌশল জানা থাকা দরকার। চাকরিপ্রার্থীকে বাংলা ও ইংলিশে আবেদনপত্র লেখা জানতে হবে। অনেক উদ্যোক্তাই অভিযোগ করে থাকেন, অনেক চাকরিপ্রার্থী ভালো করে একটা আবেদনপত্র লিখতে পারে না। তাদের কিভাবে চাকরি দেই। তাই যেকোনো সময় বাংলা এবং ইংলিশে আবেদন লেখার যোগ্যতা থাকতে হবে। তাহলে চাকরি পাওয়াটা সহজ হতে পারে। এসএইচ/

ক্যারিয়ারে দ্রুত উন্নতি করার ৪ উপায়

একটানা খাটুনির মাধ্যমে অনেক সময় সফলতা বা অর্থ উপার্জন সম্ভব হয় না। আবার সিনিয়রদের তোষামোদ করেও তা করা সম্ভব নয়। তোষামোদ করে সাময়িক সফলতা বা অর্থ পেলেও পরবর্তী জীবনে আপনাকে তা ভোগ করতে হবে। তাই আপনাকে কাজের ক্ষেত্রে কৌশলী এবং সৎ হতে হবে।   কৌশলী ও সৎ হওয়ার মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে সহজেই খ্যাতি অর্জন করার পাশাপাশি অর্থও উপার্জন করতে পারবেন।  এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কর্মক্ষেত্রে দ্রুত টাকা উপার্জনের অন্যতম কয়েকটি টিপস:  ১) কাজকে সহজভাবে নিন কাজকে কঠিনভাবে না নিয়ে সহজভাবে নিন। কর্মক্ষেত্রে আপনার দায়িত্ব কি কি তা ভালোভাবে বুঝে নিন। এরপর সে অনুযায়ী নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলুন। কোনো কাজকেই কঠিনভাবে নেওয়া যাবে না। কর্মস্থলে নিজেকে একজন যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলুন। ২) কোন বিষয়ে আপনি দক্ষ তা খুঁজে বের করুন জীবনে সফলতা বা অর্থকড়ি আয়ের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানো। আপনি কোন কোন বিষয়ে দক্ষ তা আপনি ভালোভাবেই জানেন। ঠিক সে অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলুন। সফলতা আপনার কাছে ধরা দেবেই। এ ক্ষেত্রে কোনোভাবেই হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের দক্ষতা এবং কাজের উপর বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।     ৩) কাজের জায়গায় সৎ থাকুন সততার সাথে কাজ করে যান। কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী কাজ করে যান। আপনাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা সঠিকভাবে পালন করুন। আপনার কাজে দিয়ে বসকে জানান দিন যে আপনি কাজের প্রতি কতটা আন্তরিক এবং দায়িত্বশীল। এভাবে বস আপনার ওপর সন্তুষ্ট হবেন এবং সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দেবেন।       ৪) কোম্পানির নীতি সম্পর্কে জানুন কোম্পানিতে নিজের জায়গা শক্ত করার জন্য কোম্পানির লক্ষ-উদ্দেশ্য এবং নীতি সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন। সে অনুযায়ী কাজ করে যান। কোম্পানিকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের মতো করে ভাবুন। সমন্বয় করার মাধ্যমে তা কাজে পরিণত করুন।  তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া     এমএইচ/  

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন- প্রস্তুতি (পর্ব ১)

দেশ থেকে প্রায়ই ইমেইল বা ইনবক্সে নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলো পাই। এ বিষয়গুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অনেকে শুরুতেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব তথ্য একসঙ্গে পাওয়া যায় না, তাই একদম প্রাথমিক খুঁটিনাটি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য আমার এই লিখাটি। আমি ধীরে ধীরে সবগুলো দেওয়ার চেষ্টা করছি। আজ বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রথম পর্ব। এখান থেকে আপনি ব্যাসিক কিছু বিষয়ে জানতে পারবেন আশা করি । প্রথমে কিছু প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে চাই। FAQ (Frequently Asked Question) * দেশের বাহিরে Higher Study (Masters/PhD) করতে চাই, কিভাবে শুরু করতে হবে? * আমার আন্ডারগ্রাজুয়েটের সিজিপিএ কম, আমার কি স্কলারশিপ হবে? * অনেক প্রফেসরকে ইমেইল করেছি কিন্তু কোনও রিপ্লাই পাচ্ছি না, কেন? * IELTS-এর স্কোর কত লাগবে? ও IELTS ছাড়া কি স্কলারশিপ হবে না? * বাহিরে পিএইচডি/মাস্টার্স করতে চাই, আমার কোন পাবলিকেশন নেই, কি করব? * আমি অ্যাডমিশন পাচ্ছি কিন্তু স্কলারশিপ পাচ্ছি না, কিভাবে পাব? বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে কিছু পার্থক্য থাকলেও, বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য (ভর্তি ও স্কলারশিপ) সাধারণত যে সব ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়: * ব্যাচেলর (এবং মাস্টার্স)-এর সিজিপিএ * একজন প্রফেসর * Language Test Score (IELTS/TOEFL) * LOR (Letter of Recommendation) * SOP (Statement of Purpose)/Motivation letter  * CV/ Resume * পাবলিকেশন নিজেকে প্রস্তুত করতে করণীয় ১. সিজিপিএ: ভাল সিজিপিএ (৩.৫ এর উপরে) ভর্তিতে খুবই সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেকের ধারণা অনেক ভাল সিজিপিএ ছাড়া ভর্তি ও ফান্ড পাওয়া যায় না, এ ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। আমার পরিচিত কয়েকজন এখন নামকরা কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে যাদের সিজিপিএ- ৩.৫ এর নিচে। সিজিপিএ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শর্ত হিসেবে সিজিপিএ-৩.০ -৩.২৫ ও চায়। তবে এক্ষেত্রে ও IELTS / TOEFL এর স্কোর যত বেশি হবে তত ভাল। সিজিপিএ এর সঙ্গে মোটিভেশন লেটার, সিভি, পাবলিকেশন এসবও গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে।  ২. IELTS -এর প্রস্তুতি ও স্কোর: ভর্তি ও স্কলারশিপের আরেকটি প্রধান শর্ত হলো আইইএলটিএস স্কোর । আমার জানামতে সব ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে Language Test Score চায় (যেমন, IELTS স্কোর: সাধারণত ৬ থেকে ৭), মনে রাখবেন স্কোর যত ভাল হবে আপনার গ্রহণযোগ্যতা তত বাড়বে। বেসিক লেভেল স্ট্রং করে একটু সময় নিয়ে আয়েল্টস পরীক্ষা দিলে আশানুরূপ স্কোর আসার সম্ভাবনা বেশি । IELTS এর জন্য ক্যামব্রিজ সিরিজ ৫-৯ এর বইগুলো বেশ সহায়ক ভুমিকা পালন করে। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবেন, এটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে। আমার মতে অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভাল । (বিস্তারিত পর্ব-৪ এ ) ৩. প্রফেসর ম্যানেজ করা: পছন্দের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব পেইজ থেকে সাবজেক্ট ও প্রফেসর বাছাই করে তার তথ্য ও ইমেইল আইডি সংগ্রহ করতে হবে। যেহেতু এডমিশন ও স্কলারশিপ পাওয়ার মোক্ষম উপায় প্রফেসর ম্যানেজ করা, তাই প্রফেসরের গবেষণার ধরন ভালভাবে জেনে এবং খুব সতর্কতার সাথে প্রথম ইমেইলটা করতে হবে। অনেক সময় ইমেইলের কোন উত্তর পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে ধৈর্য্য ধরে ও সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে ইমেইল করতে হবে। আরেকজনের ইমেইল বা গুগল সার্চ করে ধারণা নেওয়া যাবে কিন্তু কপি পেস্ট করে ইমেইল করা ঠিক না। (বিস্তারিত পর্ব-২ ও ৩ এ ) ৪. পাবলিকেশন বা রিসার্চ অভিজ্ঞতা বাড়ানো: ভালো মানের জার্নালে পাবলিকেশন থাকলে পিএইচডি/ মাস্টার্স স্কলারশিপ পেতে সুবিধা হয়। যাদের সুযোগ আছে তাদের ভাল পাবলিকেশনের সংখ্যা বাড়াতে হবে, কিন্তু যাদের সুযোগ নেই তারা দেশে থিসিস/প্রোজেক্ট করে রিসার্চ অভিজ্ঞতা বাড়াতে পারেন । পিএইচডি ও মাস্টার্স উভয়ের ক্ষেত্রে পাবলিকেশন বা রিসার্চ অভিজ্ঞতা গুরুত্তপূর্ণ, তবে কিছু মাস্টার্স প্রোগ্রামে পাবলিকেশনের শর্ত শিথিল আছে। ৫. এসওপি তৈরি করা: এখানে আপনি নিজেকে তুলে ধরবেন। মনে রাখবেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এটিকে বিশেষ বিবেচনা করে থাকে। একটি সুন্দর Statement of Purpose –এর কারণে আপনি ভর্তির জন্য বিবেচিত হতে পারেন। নিজের অভিজ্ঞতা, কেন এ বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি তা নিয়ে সুস্পষ্ট করে লিখতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের Statement of Purpose –এর জন্য নিজস্ব ফরম্যাট রয়েছে সে ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করুন। (বিস্তারিত পর্ব-৬ এ ) ৬. এলওআর তৈরি করা: এটা আসলে আপনার পরিচিত যেমন আপনার সুপারভাইজার, বিভাগীয় শিক্ষক কিংবা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশপত্র। ক্ষেত্র ভেদে ২/৩ টা লাগতে পারে। রিকমেন্ডেশন লেটারে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে ছাত্র বা ছাত্রীটির কোথায় দুর্বলতা ও কোথায় তার দক্ষতা আছে এবং সে যে বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক তাতে তার অভিজ্ঞতা কতটুকু তাও উল্লেখ থাকতে হবে। (বিস্তারিত পর্ব-৭ এ ) ৭. সিভি তৈরি করা: সিভি হতে হবে প্রফেশনাল ও ইনফরমেটিভ । মোটামুটি গুরুত্বপূর্ন যেমন একাডেমিক যোগ্যতা, গবেষণার অভিজ্ঞতা/প্রজেক্ট, পাবলিকেশন এবং অ্যাওয়ার্ড (যদি থাকে) স্পষ্টভাবে শুদ্ধ ইংরেজি লিখতে হবে। আরেকজনের সিভি হুবহু কপি পেস্ট না করে, সেই ফরমেট থেকে ধারণা নিয়ে নিজের মত করে লিখা ভাল। আর যে ল্যাবে যেতে চান তার সঙ্গে পরিকল্পনা ঠিক রেখে খুব মার্জিতভাবে আপনার কথা উপস্থাপন করুন। (বিস্তারিত পর্ব-৫ এ ) প্রতিটি ধাপ আবার আলাদা করে বর্ণনা করেছি, তা কয়েক পর্বে উপস্থাপন করবো। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর। পিএইচডি গবেষক, টোকিও মেট্রপলিটান ইউনিভার্সিটি, জাপান। একে//

বিদেশে পড়তে যেতে চাইলে মাথায় রাখুন ৫ বিষয়

আপনি কি বিদেশে পড়তে যেতে চান? তাহলে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন- কেন বিদেশে পড়তে চান। কেননা এসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আপনার ভবিষ্যৎ। তাই কারণ যাই হোক, নোট বইয়ে সে সব লিখুন। প্রাথমিক শর্ত পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করাই প্রধান কাজ। পরীক্ষার ফলের চেয়ে সত্যিকার শিক্ষা কাজে আসবে এখানে। তাই ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে। যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাচ্ছেন তার খরচ বহন করা আপনার পক্ষে সম্ভব কি-না, সেটাও মাথায় রাখুন। আর -GRE, SAT, GMAT এবং  IELTS বা TOFEL-এ ভালো স্কোর না থাকলে বিদেশে পড়াশোনার চেষ্টা না করাই ভালো। কারণ এসবে ভালো স্কোর না থাকলে বৃত্তি মিলবে না- এটি নিশ্চিত। কোর্স বাছাই পেশাগত উন্নতির পাশাপাশি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছতে কোন পেশা আপনার জন্য উপযুক্ত তা খুঁজে বের করুন। কাঙ্ক্ষিত কোর্সে পড়াশোনা শেষে কোথায় কর্মক্ষেত্র গড়ে তুলবেন এবং সেখানে এর সুবিধা বা সম্ভাবনা এবং অসুবিধা ও প্রতিবন্ধকতার মাত্রা কতটুকু তা যাচাই করুন। ক্রেডিট ট্রান্সফার দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো একটি কোর্সে কিছুদিন পড়াশোনা করেছেন বা করছেন। এখন আপনি ওই কোর্সেই বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। সে ক্ষেত্রে দেশে সম্পন্নকৃত কোর্সটির ক্রেডিট গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এক্সেমশন দাবি করতে পারেন। আপনার কোর্সটির জন্য কতটুকু ক্রেডিট পাবেন তা নির্ধারণ করবে ওই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দেশ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। কারণ একেক দেশে পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধা একেক রকম। স্কলারশিপের খোঁজখবর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। সেসব বিশ্ববিদ্যলয়ের খোঁজ খবর নিন। এ ছাড়াও এই তিনটি লিংক ধরে নিজেই খুঁজে বের করতে পারেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপের খোঁজখবর- -http://www.online-dhaka.com/ 105_511_0-higher-education-abroad.html - http://www.online-dhaka.com/index .php?action=summary_details&cid= 511&parent=105 - http://www.online-dhaka.com/ 105_511_9543_0-Visva-Bharati-Santiniketan.html|  বর্তমানে প্রায় প্রতিটি দেশেরই বিভিন্ন বিভাগের নিজস্ব সরকারি ওয়েবসাইট আছে। নির্দিষ্ট দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট খুঁজে ভিজিট করুন এবং সেখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খরচ, স্কলারশিপ তথ্য, আবাসন ব্যবস্থা, জীবনধারা, আবহাওয়া, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত জানার পর উপযুক্ত দেশ নির্বাচন করুন। একে//

এশিয়ায় দরকার হবে আড়াই লাখ নতুন পাইলট

আপনি কি চাকরি খুঁজছেন? তাহলে একজন এয়ারলাইন পাইলটের প্রশিক্ষণ নিন এবং এরপর চীনে চলে যান। কারণ উড়োজাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোয়িং পূর্বার্ভাস দিচ্ছে যে আগামী দুই দশকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে হাজার হাজার পাইলট, টেকনিশিয়ান এবং কেবিন ক্রু দরকার হবে। সেখানে এত বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে যে মানুষের বিমান ভ্রমণ অনেক বাড়বে। বোয়িং এর হিসেবে ২০৩৭ সাল নাগাদ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২ লাখ ৪০ হাজার পাইলট এবং ৩ লাখ ১৭ হাজার কেবিন ক্রুর চাহিদা তৈরি হবে। এদের অর্ধেকেরই চাকরি হবে চীনে। এই অনুমান যদি সঠিক হয়, সেটি বিমান পরিবহন খাতে দক্ষ জনশক্তির সংকট আরও তীব্র করে তুলবে। কারণ এখনই যথেষ্ট দক্ষ পাইলটের ঘাটতি আছে এই সেক্টরে। বোয়িং হিসেব করে দেখেছে, কেবল চীনেই দরকার হবে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫শ পাইলট। আর দক্ষিণ এশিয়ায় দরকার হবে ৪২ হাজার ৭শ ৫০ জন পাইলটের। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তার কিছু বেশি, ৪৮ হাজার ৫শ। বোয়িং নিজেই একটি পাইলট তৈরির কর্মসূচি চালায়। কিন্তু তারা যে পরিমাণ পাইলট প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করবে, সেটি এই খাতের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বোয়িং এর ট্রেনিং এন্ড প্রফেশনাল সার্ভিসেস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কিথ কুপার বলেন, পুরো অঞ্চলে পাইলটের চাহিদা বাড়তেই থাকবে এবং এবং আগামী কয়েক বছর ধরে তা চলবে। বিশ্লেষকরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে, যদি যথেষ্ট পাইলট তৈরি করা না যায়, বিমান পরিবহন খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে। বোয়িং এর চিফ এক্সিকিউটিভ ডেনিস মুইলেনবার্গ বলছেন, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেটা উড়োজাহাজ নির্মাণের খরচ বাড়াতে পারে। তার মতে বিমান পরিবহন খাতের প্রবৃদ্ধি অনেকখানি নির্ভর করে মুক্ত বাণিজ্যের ওপর। সূত্র: বিবিসি একে//

চাকরি বদলের আগে যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

  এক অফিসে কাজ করতে করতে বিরক্ত হয়ে গেছেন। কিংবা এই অফিসে কাজের মানের গতি বাড়ছে না এতে আপনারও গতি বাড়ছে না তাই পরিবর্তন করতে চাইছেন। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু হুট করে চাকরি ছেড়ে দেওয়া অথবা পরিবর্তন করাটা আপনার জন্য কি ভালো হবে? এতে ক্ষতির সম্মুখিনও হতে পারেন। তাই চাকরি পরিবর্তন করার আগে কিছু বিষয় ভেবে নিন। এতে আপনার জন্য মঙ্গল হবে। ১) কেন পরিবর্তন করবেন চাকরি পরিবর্তন করার আগে আগে ভেবে দেখুন, কেন পরিবর্তন করতে চাইছেন। কখনই হুট করে পরিবর্তন করবেন না। অফিসে আপনার সমস্যাটা কোথায়। সেই সমস্যার জায়গাটা সমাধান করা যায় কি না। এগুলো আগে ভেবে দেখুন, তারপর যদি না হয় তাহলে পরিবর্তনের কথা চিন্তা করুন। ২) নতুন অফিসে সুবিধা কেমন চাকরি পরিবর্তন করে যে নতুন অফিসে যাবেন সেই অফিসে পুরোনো অফিসের মতো সুবিধা নাও থাকতে পারে। তাই পরিবর্তন করার আগে ভাবুন আপনি এই অফিস ছাড়বেন কি না। এক অফিসে বিরক্ত লাগছে ঠিকই কিন্তু আপনি যে সুবিধাগুলো পাচ্ছেন এই সুবিধাগুলোতো সেখানে পাবেন না। ৩) পরিবারের অবস্থা চাকরি ছাড়ার পরিকল্পনা অবশ্যই নিখুঁত হওয়া চাই। নয়তো পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিপদে পড়তে হবে। নতুন চাকরি বা আয়ের উপায় ঠিক না করে বর্তমান চাকরি ছাড়া উচিত নয়। এতে পরিবারের মধ্যে যেমন হতাশা আসবে তেমনি নিজের মধ্যেও এক ধরনের হতাশা তৈরি হবে। ৪) কাজের অবস্থান আপনি যেখানে কর্মরত আছেন সেখানে আপনার কাজের অবস্থান বেশ উঁচু পর্যায়ে। কিন্তু যেখানে পরিবর্তন করে যেতে চাইছেন সেখানে হয়তো সেই পর্যায়ে নাও থাকতে পারেন বরং আরো ছোট পদে চাকরি হয়েছে সেইক্ষেত্রে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার আগে ভাবুন। ৫) এটাও থাকছে না, ওটাও থাকছে না হুট করে চাকরি পরিবর্তন করে নতুন অফিসে যোগ দিলেন। পরে আপনার পোস্টে নতুন লোক নিয়েছে। এদিকে নতুন অফিসে আপনি সব পারবেন, আপনার সব কাজ ভালো লাগবে মনে করলেন কিন্তু তা ঘটলো না। পরে নতুন চাকরি ছেড়ে দিযে আপনি পুরোনো অফিসেই ফিরে যেতে চাইছেন কিন্তু সেটা আর সম্ভব না। কারণ সেই পোস্ট আর ফাঁকা নেই। দেখা গেল, আপনি দুটোই হারিয়ে ফেললেন। সুতরাং এই সব চিন্তা রেখে চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবুন। কেএনইউ/ এআর  

ক্যারিয়ারের শুরুতে যে ৬ টি বিষয় মেনে চলবেন

শিক্ষাজীবন শেষে ক্যারিয়ারের শুরুটা আমাদের অনেকের জন্যই বেশ কঠিন একটা সময়। কোন খাতে কীভাবে ক্যারিয়ার শুরু করবেন সেটাই অনেকে বুঝে উঠতে পারে না। তবে যেদিকেই আপনি ক্যারিয়ার শুরু করেন না কেন কিছু বিষয় আছে যা সব ক্ষেত্রেই দরকার হবে। ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল এমন বেশ কয়েকজন নতুনদের জন্য তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের পরামর্শের ভিত্তেই লেখা এই প্রতিবেদনটি হতে পারে আপনার মূল গাইডলাইন। ১. লক্ষ্য থাকতে হবে বড় কথায় বলে মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। তাই আপনি ততটাই বড় বা সফল হতে পারবেন যতটা হওয়ার স্বপ্ন আপনি দেখেন। ক্যারিয়ারে আপনি কতটা উপরে উঠতে চান তার একটি সময় অনুযায়ী তালিকা তৈরি করুন। যেমন আগামী ২ বছরে নিজেকে কোন স্থানে আনতে চান তা কাগজে কলমে লিখুন। কিছু দিন পর ফলোআপ করুন যে আপনার লক্ষ্য অর্জনে আপনি কতটূকু এগিয়েছেন। আপনার অবস্থানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করছেন তাদের অবস্থা দেখুন। তাদের বেতন, শ্রম এগুলো বিবেচনা করে মূল্যায়ন করুন যে আপনি কোন অবস্থানে আছে। পাশাপাশি, যেসব প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত ভালো এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার চেষ্টা করুন। আপনার আশেপাশে ইন্ডাস্ট্রি দ্রুত বদলে যাবে। তাই এমন একটি ট্রেনেই উঠুন যার গতি অন্যদের থেকে বেশি আর যার নিজের গন্তব্যে পৌছানোর তাগিদ আছে। ২. সফলদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করুন সফল হতে হলে সফলদের সাথে আপনার যোগাযোগ রাখা উচিত। এতে করে আপনি তাদের থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। তাদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধানের কৌশল, সফল হওয়ার গল্প এগুলো থেকে আপনি অনেককিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। তাই এদের সাথেই আপনার যোগাযোগ রাখা উচিত। ক্যারিয়ারে উপরে উঠতে এরা আপনাকে অনেক সাহায্যও করতে পারে। ৩. ভালো একাডেমিক জ্ঞান একাডেমিক ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে কারো যোগ্যতা যাচাই হয়তো সবসময় ঠিক না। তবে একাডেমিক জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে যোগ্যতা যাচাই করা যেতেই পারে। আপনার সিজিপিএ কম হলেও আপনি একজন ভালো কর্মী হতে পারেন। তবে আপনার একাডেমিক জ্ঞান ভালো না থাকলেও সিজিপিএ শুধুই একটি সংখ্যা আপনার জন্য। তাই যে বিষয় নিয়েই পড়াশুনা করেন না কেন তার ওপর ভালো দখল আপনার থাকা চাই। শুধু তাই নয়, যে বিষয়ে আপনি পড়াশুনা করেছেন সেই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের সর্বশেষ খবরাখবর আপনার জানা থাক চাই। জানেন তো, স্মার্ট তারাই যাদের কাছে তথ্য থাকে! ৪. কাজের জায়গাও গুরুত্বপূর্ণ আপনি কোথায় কাজ করছেন তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মোটা অংকের টাকা আয় করা যায় এমন স্থানে চাকরি করলে এমনিতেই আপনার বেতন বেশি হবে। সেইসাথে উপার্জিত টাকা কম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যয় করার চেষ্টা করুন। একটি উদাহরণ দিয়ে বললে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আপনি যদি ইউরোপ বা আমেরিকার কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন আর তা যদি বাংলাদেশের মতো দেশে ব্যয় করেন তাহলে খুব সহজেই এখানে একটা বাড়ি করতে পারবেন। যা হয়তো সেই দেশগুলোতে কঠিন। অথবা এই দেশে থেকে উপার্জন করা কঠিন। পাশাপাশি আপনি যে প্রতিষ্ঠানেই কাজ করুন না কেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে কাজ করার তাগিদ থাকা চাই আপনার মধ্যে। কারণ, প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক সিদ্ধান্ত যারা নেয় আপনি সেখানে তাদের সাথে কাজ করবেন। ৫. যোগাযোগ দক্ষতা সবকিছু ছাপিয়ে আপনাকে যে বিষয়টি মাস্টার হতে হবে তা হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা। অনেকের ভালো যোগাযোগ থাকার পরেও ক্যারিয়ারে বেশিদূর যেতে পারেন না। এর কারণ হলো যোগাযোগের মানুষ থাকলেও তার হয়তো যোগাযোগের দক্ষতা ছিল না। এই বিষয়টিতে যদি আপনি ভালো হতে পারেন তাহলে খুব সহজেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নজরে পরে যেতে পারেন আপনি। আপনার চিন্তাভাবনা ও লক্ষ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারবেন আপনি। ৬. প্রতিনিয়ত নিজেকে শিক্ষা দিন আপনি হয়তো একটি বিষয়ে দক্ষ এবং বেশ ভালো অবস্থানেই আছেন। এর মানে এই না যে, আপনি সেখানেই থেমে থাকবেন। ব্যবসায়িক খাত দ্রুত পরিবর্তনশীল। তাই নতুন নতুন ধারণার সাথে আপনার পরিচিত থাকতে হবে। আপনাকে এমন এক ব্যক্তি হতে হবে যে শুধু একটি কাজই পারেন না। বরং একাধিক খাতের একাধিক বিষয়ে আপনাকে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই নিজেকে সবসময় কিছু না কিছু শিক্ষা দিন আর তৈরি রাখুন। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস //এস এইচ এস//টিকে

চাকরির ভাইভায় পরীক্ষকদের পছন্দের পোশাক

যদিও ব্যক্তির দক্ষতা, অভিজ্ঞতা বা কতোটা কর্মক্ষম তা পোশাক-পরিচ্ছদে বোঝা যায় না, তারপরেও পোশাক হলো ব্যক্তিত্বের প্রতীক। চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার আগে কেমন প্রস্তুতি নিবেন তা নির্ভর করে চাকরির ধরন ও পদের ওপর। চলুন জেনে নিই সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার আগে কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন- উজ্জ্বল রংকে না অতিরিক্ত উজ্জ্বল রং এড়িয়ে চলুন। বরং চেষ্টা করুন, সাদা, কালো, নেভি ব্লু, বাদামি বা ছাই রঙের মতো কিছু রঙের পোশাক নির্বাচন করতে। পূর্বপ্রস্তুতি সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার অন্তত একদিন আগেই পোশাক নির্বাচন করে রাখুন। সেগুলোকে ভালোভাবে আয়রন করে গুছিয়ে রাখা উচিত। ফুলহাতা শার্ট হালকা রঙের ফুলহাতা শার্টের সঙ্গে কালচে রঙের স্যুট অথবা কালচে রঙের শার্টের সঙ্গে হালকা রঙের স্যুট হতে পারে সাক্ষাৎকারের জন্য সঠিক পছন্দ। ফরমাল জুতা পোশাকের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জুতা। জুতার সঠিক নির্বাচন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি হিসেবে কাজ করে। তাই কালো বা তামাটে রঙের ফরমাল জুতা নির্বাচন করা যেতে পারে। আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ও রঙের সমন্বয় জুতার রঙের সঙ্গে মিল রেখে বেল্টের রং বাছাই করুন। সেই সঙ্গে লক্ষ রাখুন সেগুলো যেন দৃষ্টিকটু না হয়। একে//টিকে  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি