ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩১:২১

ক্যারিয়ারে দ্রুত উন্নতি করার ৪ উপায়

ক্যারিয়ারে দ্রুত উন্নতি করার ৪ উপায়

একটানা খাটুনির মাধ্যমে অনেক সময় সফলতা বা অর্থ উপার্জন সম্ভব হয় না। আবার সিনিয়রদের তোষামোদ করেও তা করা সম্ভব নয়। তোষামোদ করে সাময়িক সফলতা বা অর্থ পেলেও পরবর্তী জীবনে আপনাকে তা ভোগ করতে হবে। তাই আপনাকে কাজের ক্ষেত্রে কৌশলী এবং সৎ হতে হবে।   কৌশলী ও সৎ হওয়ার মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে সহজেই খ্যাতি অর্জন করার পাশাপাশি অর্থও উপার্জন করতে পারবেন।  এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কর্মক্ষেত্রে দ্রুত টাকা উপার্জনের অন্যতম কয়েকটি টিপস:  ১) কাজকে সহজভাবে নিন কাজকে কঠিনভাবে না নিয়ে সহজভাবে নিন। কর্মক্ষেত্রে আপনার দায়িত্ব কি কি তা ভালোভাবে বুঝে নিন। এরপর সে অনুযায়ী নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলুন। কোনো কাজকেই কঠিনভাবে নেওয়া যাবে না। কর্মস্থলে নিজেকে একজন যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলুন। ২) কোন বিষয়ে আপনি দক্ষ তা খুঁজে বের করুন জীবনে সফলতা বা অর্থকড়ি আয়ের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানো। আপনি কোন কোন বিষয়ে দক্ষ তা আপনি ভালোভাবেই জানেন। ঠিক সে অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলুন। সফলতা আপনার কাছে ধরা দেবেই। এ ক্ষেত্রে কোনোভাবেই হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের দক্ষতা এবং কাজের উপর বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।     ৩) কাজের জায়গায় সৎ থাকুন সততার সাথে কাজ করে যান। কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী কাজ করে যান। আপনাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা সঠিকভাবে পালন করুন। আপনার কাজে দিয়ে বসকে জানান দিন যে আপনি কাজের প্রতি কতটা আন্তরিক এবং দায়িত্বশীল। এভাবে বস আপনার ওপর সন্তুষ্ট হবেন এবং সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দেবেন।       ৪) কোম্পানির নীতি সম্পর্কে জানুন কোম্পানিতে নিজের জায়গা শক্ত করার জন্য কোম্পানির লক্ষ-উদ্দেশ্য এবং নীতি সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন। সে অনুযায়ী কাজ করে যান। কোম্পানিকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের মতো করে ভাবুন। সমন্বয় করার মাধ্যমে তা কাজে পরিণত করুন।  তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া     এমএইচ/  
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন- প্রস্তুতি (পর্ব ১)

দেশ থেকে প্রায়ই ইমেইল বা ইনবক্সে নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলো পাই। এ বিষয়গুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অনেকে শুরুতেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব তথ্য একসঙ্গে পাওয়া যায় না, তাই একদম প্রাথমিক খুঁটিনাটি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য আমার এই লিখাটি। আমি ধীরে ধীরে সবগুলো দেওয়ার চেষ্টা করছি। আজ বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রথম পর্ব। এখান থেকে আপনি ব্যাসিক কিছু বিষয়ে জানতে পারবেন আশা করি । প্রথমে কিছু প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে চাই। FAQ (Frequently Asked Question) * দেশের বাহিরে Higher Study (Masters/PhD) করতে চাই, কিভাবে শুরু করতে হবে? * আমার আন্ডারগ্রাজুয়েটের সিজিপিএ কম, আমার কি স্কলারশিপ হবে? * অনেক প্রফেসরকে ইমেইল করেছি কিন্তু কোনও রিপ্লাই পাচ্ছি না, কেন? * IELTS-এর স্কোর কত লাগবে? ও IELTS ছাড়া কি স্কলারশিপ হবে না? * বাহিরে পিএইচডি/মাস্টার্স করতে চাই, আমার কোন পাবলিকেশন নেই, কি করব? * আমি অ্যাডমিশন পাচ্ছি কিন্তু স্কলারশিপ পাচ্ছি না, কিভাবে পাব? বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে কিছু পার্থক্য থাকলেও, বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য (ভর্তি ও স্কলারশিপ) সাধারণত যে সব ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়: * ব্যাচেলর (এবং মাস্টার্স)-এর সিজিপিএ * একজন প্রফেসর * Language Test Score (IELTS/TOEFL) * LOR (Letter of Recommendation) * SOP (Statement of Purpose)/Motivation letter  * CV/ Resume * পাবলিকেশন নিজেকে প্রস্তুত করতে করণীয় ১. সিজিপিএ: ভাল সিজিপিএ (৩.৫ এর উপরে) ভর্তিতে খুবই সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেকের ধারণা অনেক ভাল সিজিপিএ ছাড়া ভর্তি ও ফান্ড পাওয়া যায় না, এ ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। আমার পরিচিত কয়েকজন এখন নামকরা কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে যাদের সিজিপিএ- ৩.৫ এর নিচে। সিজিপিএ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শর্ত হিসেবে সিজিপিএ-৩.০ -৩.২৫ ও চায়। তবে এক্ষেত্রে ও IELTS / TOEFL এর স্কোর যত বেশি হবে তত ভাল। সিজিপিএ এর সঙ্গে মোটিভেশন লেটার, সিভি, পাবলিকেশন এসবও গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে।  ২. IELTS -এর প্রস্তুতি ও স্কোর: ভর্তি ও স্কলারশিপের আরেকটি প্রধান শর্ত হলো আইইএলটিএস স্কোর । আমার জানামতে সব ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে Language Test Score চায় (যেমন, IELTS স্কোর: সাধারণত ৬ থেকে ৭), মনে রাখবেন স্কোর যত ভাল হবে আপনার গ্রহণযোগ্যতা তত বাড়বে। বেসিক লেভেল স্ট্রং করে একটু সময় নিয়ে আয়েল্টস পরীক্ষা দিলে আশানুরূপ স্কোর আসার সম্ভাবনা বেশি । IELTS এর জন্য ক্যামব্রিজ সিরিজ ৫-৯ এর বইগুলো বেশ সহায়ক ভুমিকা পালন করে। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবেন, এটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে। আমার মতে অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভাল । (বিস্তারিত পর্ব-৪ এ ) ৩. প্রফেসর ম্যানেজ করা: পছন্দের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব পেইজ থেকে সাবজেক্ট ও প্রফেসর বাছাই করে তার তথ্য ও ইমেইল আইডি সংগ্রহ করতে হবে। যেহেতু এডমিশন ও স্কলারশিপ পাওয়ার মোক্ষম উপায় প্রফেসর ম্যানেজ করা, তাই প্রফেসরের গবেষণার ধরন ভালভাবে জেনে এবং খুব সতর্কতার সাথে প্রথম ইমেইলটা করতে হবে। অনেক সময় ইমেইলের কোন উত্তর পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে ধৈর্য্য ধরে ও সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে ইমেইল করতে হবে। আরেকজনের ইমেইল বা গুগল সার্চ করে ধারণা নেওয়া যাবে কিন্তু কপি পেস্ট করে ইমেইল করা ঠিক না। (বিস্তারিত পর্ব-২ ও ৩ এ ) ৪. পাবলিকেশন বা রিসার্চ অভিজ্ঞতা বাড়ানো: ভালো মানের জার্নালে পাবলিকেশন থাকলে পিএইচডি/ মাস্টার্স স্কলারশিপ পেতে সুবিধা হয়। যাদের সুযোগ আছে তাদের ভাল পাবলিকেশনের সংখ্যা বাড়াতে হবে, কিন্তু যাদের সুযোগ নেই তারা দেশে থিসিস/প্রোজেক্ট করে রিসার্চ অভিজ্ঞতা বাড়াতে পারেন । পিএইচডি ও মাস্টার্স উভয়ের ক্ষেত্রে পাবলিকেশন বা রিসার্চ অভিজ্ঞতা গুরুত্তপূর্ণ, তবে কিছু মাস্টার্স প্রোগ্রামে পাবলিকেশনের শর্ত শিথিল আছে। ৫. এসওপি তৈরি করা: এখানে আপনি নিজেকে তুলে ধরবেন। মনে রাখবেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এটিকে বিশেষ বিবেচনা করে থাকে। একটি সুন্দর Statement of Purpose –এর কারণে আপনি ভর্তির জন্য বিবেচিত হতে পারেন। নিজের অভিজ্ঞতা, কেন এ বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি তা নিয়ে সুস্পষ্ট করে লিখতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের Statement of Purpose –এর জন্য নিজস্ব ফরম্যাট রয়েছে সে ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করুন। (বিস্তারিত পর্ব-৬ এ ) ৬. এলওআর তৈরি করা: এটা আসলে আপনার পরিচিত যেমন আপনার সুপারভাইজার, বিভাগীয় শিক্ষক কিংবা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশপত্র। ক্ষেত্র ভেদে ২/৩ টা লাগতে পারে। রিকমেন্ডেশন লেটারে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে ছাত্র বা ছাত্রীটির কোথায় দুর্বলতা ও কোথায় তার দক্ষতা আছে এবং সে যে বিষয়ে পড়তে ইচ্ছুক তাতে তার অভিজ্ঞতা কতটুকু তাও উল্লেখ থাকতে হবে। (বিস্তারিত পর্ব-৭ এ ) ৭. সিভি তৈরি করা: সিভি হতে হবে প্রফেশনাল ও ইনফরমেটিভ । মোটামুটি গুরুত্বপূর্ন যেমন একাডেমিক যোগ্যতা, গবেষণার অভিজ্ঞতা/প্রজেক্ট, পাবলিকেশন এবং অ্যাওয়ার্ড (যদি থাকে) স্পষ্টভাবে শুদ্ধ ইংরেজি লিখতে হবে। আরেকজনের সিভি হুবহু কপি পেস্ট না করে, সেই ফরমেট থেকে ধারণা নিয়ে নিজের মত করে লিখা ভাল। আর যে ল্যাবে যেতে চান তার সঙ্গে পরিকল্পনা ঠিক রেখে খুব মার্জিতভাবে আপনার কথা উপস্থাপন করুন। (বিস্তারিত পর্ব-৫ এ ) প্রতিটি ধাপ আবার আলাদা করে বর্ণনা করেছি, তা কয়েক পর্বে উপস্থাপন করবো। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর। পিএইচডি গবেষক, টোকিও মেট্রপলিটান ইউনিভার্সিটি, জাপান। একে//

বিদেশে পড়তে যেতে চাইলে মাথায় রাখুন ৫ বিষয়

আপনি কি বিদেশে পড়তে যেতে চান? তাহলে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন- কেন বিদেশে পড়তে চান। কেননা এসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আপনার ভবিষ্যৎ। তাই কারণ যাই হোক, নোট বইয়ে সে সব লিখুন। প্রাথমিক শর্ত পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করাই প্রধান কাজ। পরীক্ষার ফলের চেয়ে সত্যিকার শিক্ষা কাজে আসবে এখানে। তাই ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে। যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাচ্ছেন তার খরচ বহন করা আপনার পক্ষে সম্ভব কি-না, সেটাও মাথায় রাখুন। আর -GRE, SAT, GMAT এবং  IELTS বা TOFEL-এ ভালো স্কোর না থাকলে বিদেশে পড়াশোনার চেষ্টা না করাই ভালো। কারণ এসবে ভালো স্কোর না থাকলে বৃত্তি মিলবে না- এটি নিশ্চিত। কোর্স বাছাই পেশাগত উন্নতির পাশাপাশি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছতে কোন পেশা আপনার জন্য উপযুক্ত তা খুঁজে বের করুন। কাঙ্ক্ষিত কোর্সে পড়াশোনা শেষে কোথায় কর্মক্ষেত্র গড়ে তুলবেন এবং সেখানে এর সুবিধা বা সম্ভাবনা এবং অসুবিধা ও প্রতিবন্ধকতার মাত্রা কতটুকু তা যাচাই করুন। ক্রেডিট ট্রান্সফার দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো একটি কোর্সে কিছুদিন পড়াশোনা করেছেন বা করছেন। এখন আপনি ওই কোর্সেই বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। সে ক্ষেত্রে দেশে সম্পন্নকৃত কোর্সটির ক্রেডিট গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এক্সেমশন দাবি করতে পারেন। আপনার কোর্সটির জন্য কতটুকু ক্রেডিট পাবেন তা নির্ধারণ করবে ওই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দেশ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। কারণ একেক দেশে পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধা একেক রকম। স্কলারশিপের খোঁজখবর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। সেসব বিশ্ববিদ্যলয়ের খোঁজ খবর নিন। এ ছাড়াও এই তিনটি লিংক ধরে নিজেই খুঁজে বের করতে পারেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপের খোঁজখবর- -http://www.online-dhaka.com/ 105_511_0-higher-education-abroad.html - http://www.online-dhaka.com/index .php?action=summary_details&cid= 511&parent=105 - http://www.online-dhaka.com/ 105_511_9543_0-Visva-Bharati-Santiniketan.html|  বর্তমানে প্রায় প্রতিটি দেশেরই বিভিন্ন বিভাগের নিজস্ব সরকারি ওয়েবসাইট আছে। নির্দিষ্ট দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট খুঁজে ভিজিট করুন এবং সেখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খরচ, স্কলারশিপ তথ্য, আবাসন ব্যবস্থা, জীবনধারা, আবহাওয়া, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত জানার পর উপযুক্ত দেশ নির্বাচন করুন। একে//

এশিয়ায় দরকার হবে আড়াই লাখ নতুন পাইলট

আপনি কি চাকরি খুঁজছেন? তাহলে একজন এয়ারলাইন পাইলটের প্রশিক্ষণ নিন এবং এরপর চীনে চলে যান। কারণ উড়োজাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোয়িং পূর্বার্ভাস দিচ্ছে যে আগামী দুই দশকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে হাজার হাজার পাইলট, টেকনিশিয়ান এবং কেবিন ক্রু দরকার হবে। সেখানে এত বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে যে মানুষের বিমান ভ্রমণ অনেক বাড়বে। বোয়িং এর হিসেবে ২০৩৭ সাল নাগাদ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২ লাখ ৪০ হাজার পাইলট এবং ৩ লাখ ১৭ হাজার কেবিন ক্রুর চাহিদা তৈরি হবে। এদের অর্ধেকেরই চাকরি হবে চীনে। এই অনুমান যদি সঠিক হয়, সেটি বিমান পরিবহন খাতে দক্ষ জনশক্তির সংকট আরও তীব্র করে তুলবে। কারণ এখনই যথেষ্ট দক্ষ পাইলটের ঘাটতি আছে এই সেক্টরে। বোয়িং হিসেব করে দেখেছে, কেবল চীনেই দরকার হবে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫শ পাইলট। আর দক্ষিণ এশিয়ায় দরকার হবে ৪২ হাজার ৭শ ৫০ জন পাইলটের। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তার কিছু বেশি, ৪৮ হাজার ৫শ। বোয়িং নিজেই একটি পাইলট তৈরির কর্মসূচি চালায়। কিন্তু তারা যে পরিমাণ পাইলট প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করবে, সেটি এই খাতের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বোয়িং এর ট্রেনিং এন্ড প্রফেশনাল সার্ভিসেস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কিথ কুপার বলেন, পুরো অঞ্চলে পাইলটের চাহিদা বাড়তেই থাকবে এবং এবং আগামী কয়েক বছর ধরে তা চলবে। বিশ্লেষকরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে, যদি যথেষ্ট পাইলট তৈরি করা না যায়, বিমান পরিবহন খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে। বোয়িং এর চিফ এক্সিকিউটিভ ডেনিস মুইলেনবার্গ বলছেন, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেটা উড়োজাহাজ নির্মাণের খরচ বাড়াতে পারে। তার মতে বিমান পরিবহন খাতের প্রবৃদ্ধি অনেকখানি নির্ভর করে মুক্ত বাণিজ্যের ওপর। সূত্র: বিবিসি একে//

চাকরি বদলের আগে যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

  এক অফিসে কাজ করতে করতে বিরক্ত হয়ে গেছেন। কিংবা এই অফিসে কাজের মানের গতি বাড়ছে না এতে আপনারও গতি বাড়ছে না তাই পরিবর্তন করতে চাইছেন। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু হুট করে চাকরি ছেড়ে দেওয়া অথবা পরিবর্তন করাটা আপনার জন্য কি ভালো হবে? এতে ক্ষতির সম্মুখিনও হতে পারেন। তাই চাকরি পরিবর্তন করার আগে কিছু বিষয় ভেবে নিন। এতে আপনার জন্য মঙ্গল হবে। ১) কেন পরিবর্তন করবেন চাকরি পরিবর্তন করার আগে আগে ভেবে দেখুন, কেন পরিবর্তন করতে চাইছেন। কখনই হুট করে পরিবর্তন করবেন না। অফিসে আপনার সমস্যাটা কোথায়। সেই সমস্যার জায়গাটা সমাধান করা যায় কি না। এগুলো আগে ভেবে দেখুন, তারপর যদি না হয় তাহলে পরিবর্তনের কথা চিন্তা করুন। ২) নতুন অফিসে সুবিধা কেমন চাকরি পরিবর্তন করে যে নতুন অফিসে যাবেন সেই অফিসে পুরোনো অফিসের মতো সুবিধা নাও থাকতে পারে। তাই পরিবর্তন করার আগে ভাবুন আপনি এই অফিস ছাড়বেন কি না। এক অফিসে বিরক্ত লাগছে ঠিকই কিন্তু আপনি যে সুবিধাগুলো পাচ্ছেন এই সুবিধাগুলোতো সেখানে পাবেন না। ৩) পরিবারের অবস্থা চাকরি ছাড়ার পরিকল্পনা অবশ্যই নিখুঁত হওয়া চাই। নয়তো পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিপদে পড়তে হবে। নতুন চাকরি বা আয়ের উপায় ঠিক না করে বর্তমান চাকরি ছাড়া উচিত নয়। এতে পরিবারের মধ্যে যেমন হতাশা আসবে তেমনি নিজের মধ্যেও এক ধরনের হতাশা তৈরি হবে। ৪) কাজের অবস্থান আপনি যেখানে কর্মরত আছেন সেখানে আপনার কাজের অবস্থান বেশ উঁচু পর্যায়ে। কিন্তু যেখানে পরিবর্তন করে যেতে চাইছেন সেখানে হয়তো সেই পর্যায়ে নাও থাকতে পারেন বরং আরো ছোট পদে চাকরি হয়েছে সেইক্ষেত্রে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার আগে ভাবুন। ৫) এটাও থাকছে না, ওটাও থাকছে না হুট করে চাকরি পরিবর্তন করে নতুন অফিসে যোগ দিলেন। পরে আপনার পোস্টে নতুন লোক নিয়েছে। এদিকে নতুন অফিসে আপনি সব পারবেন, আপনার সব কাজ ভালো লাগবে মনে করলেন কিন্তু তা ঘটলো না। পরে নতুন চাকরি ছেড়ে দিযে আপনি পুরোনো অফিসেই ফিরে যেতে চাইছেন কিন্তু সেটা আর সম্ভব না। কারণ সেই পোস্ট আর ফাঁকা নেই। দেখা গেল, আপনি দুটোই হারিয়ে ফেললেন। সুতরাং এই সব চিন্তা রেখে চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবুন। কেএনইউ/ এআর  

ক্যারিয়ারের শুরুতে যে ৬ টি বিষয় মেনে চলবেন

শিক্ষাজীবন শেষে ক্যারিয়ারের শুরুটা আমাদের অনেকের জন্যই বেশ কঠিন একটা সময়। কোন খাতে কীভাবে ক্যারিয়ার শুরু করবেন সেটাই অনেকে বুঝে উঠতে পারে না। তবে যেদিকেই আপনি ক্যারিয়ার শুরু করেন না কেন কিছু বিষয় আছে যা সব ক্ষেত্রেই দরকার হবে। ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল এমন বেশ কয়েকজন নতুনদের জন্য তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের পরামর্শের ভিত্তেই লেখা এই প্রতিবেদনটি হতে পারে আপনার মূল গাইডলাইন। ১. লক্ষ্য থাকতে হবে বড় কথায় বলে মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। তাই আপনি ততটাই বড় বা সফল হতে পারবেন যতটা হওয়ার স্বপ্ন আপনি দেখেন। ক্যারিয়ারে আপনি কতটা উপরে উঠতে চান তার একটি সময় অনুযায়ী তালিকা তৈরি করুন। যেমন আগামী ২ বছরে নিজেকে কোন স্থানে আনতে চান তা কাগজে কলমে লিখুন। কিছু দিন পর ফলোআপ করুন যে আপনার লক্ষ্য অর্জনে আপনি কতটূকু এগিয়েছেন। আপনার অবস্থানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করছেন তাদের অবস্থা দেখুন। তাদের বেতন, শ্রম এগুলো বিবেচনা করে মূল্যায়ন করুন যে আপনি কোন অবস্থানে আছে। পাশাপাশি, যেসব প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত ভালো এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার চেষ্টা করুন। আপনার আশেপাশে ইন্ডাস্ট্রি দ্রুত বদলে যাবে। তাই এমন একটি ট্রেনেই উঠুন যার গতি অন্যদের থেকে বেশি আর যার নিজের গন্তব্যে পৌছানোর তাগিদ আছে। ২. সফলদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করুন সফল হতে হলে সফলদের সাথে আপনার যোগাযোগ রাখা উচিত। এতে করে আপনি তাদের থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। তাদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধানের কৌশল, সফল হওয়ার গল্প এগুলো থেকে আপনি অনেককিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। তাই এদের সাথেই আপনার যোগাযোগ রাখা উচিত। ক্যারিয়ারে উপরে উঠতে এরা আপনাকে অনেক সাহায্যও করতে পারে। ৩. ভালো একাডেমিক জ্ঞান একাডেমিক ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে কারো যোগ্যতা যাচাই হয়তো সবসময় ঠিক না। তবে একাডেমিক জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে যোগ্যতা যাচাই করা যেতেই পারে। আপনার সিজিপিএ কম হলেও আপনি একজন ভালো কর্মী হতে পারেন। তবে আপনার একাডেমিক জ্ঞান ভালো না থাকলেও সিজিপিএ শুধুই একটি সংখ্যা আপনার জন্য। তাই যে বিষয় নিয়েই পড়াশুনা করেন না কেন তার ওপর ভালো দখল আপনার থাকা চাই। শুধু তাই নয়, যে বিষয়ে আপনি পড়াশুনা করেছেন সেই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের সর্বশেষ খবরাখবর আপনার জানা থাক চাই। জানেন তো, স্মার্ট তারাই যাদের কাছে তথ্য থাকে! ৪. কাজের জায়গাও গুরুত্বপূর্ণ আপনি কোথায় কাজ করছেন তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মোটা অংকের টাকা আয় করা যায় এমন স্থানে চাকরি করলে এমনিতেই আপনার বেতন বেশি হবে। সেইসাথে উপার্জিত টাকা কম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যয় করার চেষ্টা করুন। একটি উদাহরণ দিয়ে বললে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আপনি যদি ইউরোপ বা আমেরিকার কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন আর তা যদি বাংলাদেশের মতো দেশে ব্যয় করেন তাহলে খুব সহজেই এখানে একটা বাড়ি করতে পারবেন। যা হয়তো সেই দেশগুলোতে কঠিন। অথবা এই দেশে থেকে উপার্জন করা কঠিন। পাশাপাশি আপনি যে প্রতিষ্ঠানেই কাজ করুন না কেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে কাজ করার তাগিদ থাকা চাই আপনার মধ্যে। কারণ, প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক সিদ্ধান্ত যারা নেয় আপনি সেখানে তাদের সাথে কাজ করবেন। ৫. যোগাযোগ দক্ষতা সবকিছু ছাপিয়ে আপনাকে যে বিষয়টি মাস্টার হতে হবে তা হচ্ছে যোগাযোগ দক্ষতা। অনেকের ভালো যোগাযোগ থাকার পরেও ক্যারিয়ারে বেশিদূর যেতে পারেন না। এর কারণ হলো যোগাযোগের মানুষ থাকলেও তার হয়তো যোগাযোগের দক্ষতা ছিল না। এই বিষয়টিতে যদি আপনি ভালো হতে পারেন তাহলে খুব সহজেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নজরে পরে যেতে পারেন আপনি। আপনার চিন্তাভাবনা ও লক্ষ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারবেন আপনি। ৬. প্রতিনিয়ত নিজেকে শিক্ষা দিন আপনি হয়তো একটি বিষয়ে দক্ষ এবং বেশ ভালো অবস্থানেই আছেন। এর মানে এই না যে, আপনি সেখানেই থেমে থাকবেন। ব্যবসায়িক খাত দ্রুত পরিবর্তনশীল। তাই নতুন নতুন ধারণার সাথে আপনার পরিচিত থাকতে হবে। আপনাকে এমন এক ব্যক্তি হতে হবে যে শুধু একটি কাজই পারেন না। বরং একাধিক খাতের একাধিক বিষয়ে আপনাকে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই নিজেকে সবসময় কিছু না কিছু শিক্ষা দিন আর তৈরি রাখুন। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস //এস এইচ এস//টিকে

চাকরির ভাইভায় পরীক্ষকদের পছন্দের পোশাক

যদিও ব্যক্তির দক্ষতা, অভিজ্ঞতা বা কতোটা কর্মক্ষম তা পোশাক-পরিচ্ছদে বোঝা যায় না, তারপরেও পোশাক হলো ব্যক্তিত্বের প্রতীক। চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার আগে কেমন প্রস্তুতি নিবেন তা নির্ভর করে চাকরির ধরন ও পদের ওপর। চলুন জেনে নিই সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার আগে কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন- উজ্জ্বল রংকে না অতিরিক্ত উজ্জ্বল রং এড়িয়ে চলুন। বরং চেষ্টা করুন, সাদা, কালো, নেভি ব্লু, বাদামি বা ছাই রঙের মতো কিছু রঙের পোশাক নির্বাচন করতে। পূর্বপ্রস্তুতি সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার অন্তত একদিন আগেই পোশাক নির্বাচন করে রাখুন। সেগুলোকে ভালোভাবে আয়রন করে গুছিয়ে রাখা উচিত। ফুলহাতা শার্ট হালকা রঙের ফুলহাতা শার্টের সঙ্গে কালচে রঙের স্যুট অথবা কালচে রঙের শার্টের সঙ্গে হালকা রঙের স্যুট হতে পারে সাক্ষাৎকারের জন্য সঠিক পছন্দ। ফরমাল জুতা পোশাকের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জুতা। জুতার সঠিক নির্বাচন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি হিসেবে কাজ করে। তাই কালো বা তামাটে রঙের ফরমাল জুতা নির্বাচন করা যেতে পারে। আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ও রঙের সমন্বয় জুতার রঙের সঙ্গে মিল রেখে বেল্টের রং বাছাই করুন। সেই সঙ্গে লক্ষ রাখুন সেগুলো যেন দৃষ্টিকটু না হয়। একে//টিকে  

চাকরি পাওয়ার সহজ  ৪ উপায়

প্রতিযোগিতার বাজারে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখা কঠিন কাজ৷ প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনার৷ আর তাই প্রত্যেকেই কিছু প্ল্যানস বানান৷ লক্ষ্য পূরণের প্রস্তুতি নেন৷ সেই তালিকায় যদি নতুন চাকরির পরিকল্পনা থাকে৷ তবে চেষ্টা করুন নিজেকে পরিণত করার৷ সেই জন্য সবসময় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন এমন ধারণা কিন্তু ভুল৷ এক্ষেত্রে প্রযুক্তির সাহায্য নিন৷ অনেক ধরণের সাইট রয়েছে যা আপনাকে সঠিক পথের সন্ধান দিতে পারে৷ কয়েকটি পদক্ষেপ, যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে- একটি নতুন ভাষা শিখুন ২০১০ সালের এক সার্ভেতে দেখা গেছে মাত্র ১৮ শতাংশ আমেরিকান মাতৃভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা জানেন৷ নতুন একটি ভাষা শেখার মাধ্যমে অন্যান্য প্রতিযোগীদের থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখতে পারেন, আরও একধাপ৷ এখন প্রশ্ন কোথায় শিখবেন? চিন্তার কারণ নেই৷ প্রযুক্তির সহয়তায় সারা বিশ্ব এখন আপনার হাতের মুঠোয়৷ বিভিন্ন ধরণের অনলাইন কোর্স রয়েছে৷ যেগুলির মাধ্যমে নিজের দখলে আনতে পারেন আরও একটি ভাষাকে৷ বিজনেস্ এবং মার্কেটিং দক্ষতাকে শানিয়ে নিন বাণিজ্যিক চিন্তাভাবনাকে মজবুত ও সঠিক দিক দিতে সাহায্য নিন অনলাইন বিসনেস কোর্সগুলির৷ শুধুমাত্র কাজের জায়গায় নয়, ব্যাক্তিগত জীবনেও অনেকভাবে সহয়তা করবে কোর্সগুলি৷ নতুন কিছু কোড শিখুন এটি ভবিষ্যৎ ইন্টারভিউগুলোতে সুযোগ বাড়াবে৷ নিজেকে যদি ডেভালপারের পদে দেখতে চান তবে, এটাই সঠিক সময়৷ নানা ধরণের অনলাইন সাইট রয়েছে৷ যেমন Codecademy.com৷ যেখান থেকে বিনামূল্যে ৬ টি পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে পারেন৷ মার্কেটে ডেটা সায়েন্সের বেশ চল রয়েছে ডেটা সায়েন্সের বাজারে নিজের জায়গা বানানোর জন্য আজই শুরু করুন প্রস্তুতিপর্ব৷ এক্ষেত্রে, অনলাইন সাইট বা ইউনির্ভাসিটিগুলির পেশাদারদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন৷ সূত্র: কলকাতা২৪x৭ একে// এআর

৭ উপদেশ মেনে চললে ক্যারিয়ারে সাফল্য আসবেই

আমরা সবাই সফল ক্যারিয়ার গড়তে চাই। সবাই যে শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে তা কিন্তু নয়। তাহলে সফল এবং ব্যর্থ এই দুই শ্রেণীর মধ্যে মূল পার্থক্যটা কোথায়? ভারতের মোটিভেশনাল স্পিকার বা অনুপ্রেরণামূলক বক্তা সিদ্ধার্থ ৭টি উপায় বলে দিয়েছেন যা মেনে চললে ক্যারিয়ারে সফলতা ধরা দেবেই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত তাঁর উপদেশগুলো ভাষান্তর করে তুল ধরা হলো- ১) লক্ষ্য স্থির করুণ এখনই আগামীকাল কী কী কাজ করবেন বা করা দরকার তা আজকেই নির্ধারণ করে রাখুন। শুধু নির্ধারণই না; সেগুলোকে নোটবুকে লিখে রাখুন। আর পরের দিন কাজগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করুণ। কোনো কাজ হয়ে গেলে কাজটির তালিকার পাশে টিক চিহ্ন দিন। এভাবে করে প্রতিটি কাজ শেষ করুন। দিন শেষে আপনি নোটবুকে নজর দিলে যখন দেখবেন যে আপনি সব কাজ শেষ করতে পেরেছেন তখন নিজের কাছেই খুব ভালো লাগবে। এক ধরণের আত্মবিশ্বাস অনুভব করবেন। শুরুতে শুরুতে হয়তো সবগুলো কাজ শেষ করতে পারবেন না। যেগুলো শেষ করতে পারেননি সেগুলো কেন শেষ করতে পারেননি তাও লিখে রাখুন। আর সেই কারণ থেকে সমাধান বের করুন। ২) কাজ করুন মন দিয়ে যে কাজই আপনি করুন না কেন তাতে মনযোগ দিন। যে বিষয়গুলো আপনার মনযোগে বিঘ্ন ঘটায় যেমন মুঠোফোন, ইন্টারনেট এধরনের বস্তু থেকে সেসময় দূরে থাকুন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে মুঠোফোন ব্যবহার করা আমাদের অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে ধীরগতি এনে দেয়। প্রয়োজনে কাজের কিছু সময় মোবাইল সাইলেন্ট রাখুন অথবা মোবাইলের ডাটা কানেকশন বন্ধ রাখেন। ৩) একসঙ্গে অনেক কাজ নয় আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে, একসঙ্গে কয়েকগুলো কাজ করতে পারলেই বুঝি দক্ষ হওয়া যায়। বিষয়টি একটি কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের মস্তিষ্ক শুধু একটি মাত্র কাজের দিকে জোর দিতে পারে। অনেকগুলো কাজ একসাথে করতে গেলে সফলভাবে শেষ করার চেয়ে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই একটি কাজ শুরু করলে সেটি শেষ করে তারপর অন্য কাজ করুন। ৪) মানসিক এবং আবেগীয়ভাবে সুস্থ থাকুন যখন আপনি কোন কাজ স্বাচ্ছন্দে করবেন তখন কাজটিতে আপনি ভালো করবেন। তাই কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে হলে আপনি সেই কাজটিই করুন যা করতে আপনি ভালবাসেন। আর যদি তা করতে না পারেন তাহলে যে কাজটি আপনার করতে হবে তাকেই ভালবেসে করুন। আপনি যদি একজন চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তাহলে অপছন্দের কোনো কাজও যদি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আপনাকে করতে বলেন আর সেই কাজটি যদি না করে কোন উপায় না থাকে তাহলে একটি হাসি দিয়ে কাজটি করে ফেলুন। যে আপনাকে বেতন দিচ্ছেন তাঁর সঙ্গে বেশি তর্কে জড়াবেন না। তাদেরকে শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন। যদি না পারেন তাহলে নিজেকে বদলান। যদি সেটিও না পারেন তাহলে চাকরি বদলান। তবুও ঝগড়াঝাটি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে পারলে তা আপনাকে মানসিক এবং আবেগের দিক থেকেও সুস্থ রাখবে। ৫) টানা কাজ নয় দিনটি আপনি কতটা নিয়ন্ত্রিতভাবে শেষ করছেন তাঁর ওপর নির্ভর করে আপনার কর্মদক্ষতা। আর এর জন্য আপনাকে থাকতে হবে শারীরিকভাবে সুস্থ। দিনে অন্তত ১ঘন্টা শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। কাজের চাপে না খেয়ে থাকাটা কর্মক্ষেত্রে আপনাকে শক্তি যোগাবে না। তাই পানি ও খাবার গ্রহণে অনিয়ম করা যাবে না। এছাড়া কোথাও টানা ১ ঘন্টার বেশি সময় বসে থাকবেন না। এক ঘন্টা পর পর প্রয়োজনে অফিসের মধ্যেই খানিকটা পায়চারি করে নিন। পরবর্তী সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় নিন। ৬) সহকর্মীদের মাঝে কিছু কাজ ভাগ করে দিন সহকর্মীদের মাঝে যদি কাজ ভাগ করে দিতে না পারেন তাহলে আপনার দক্ষতা প্রকাশ পাবে না। এই গুণটি আপনার মধ্যে না থাকলে বুঝে নিন যে, সব কাজ আপনাকেই করতে হবে। প্রথম দিকে বিষয়টি আপনার অধ:স্তন কর্মীদের দিয়ে শুরু করতে পারেন। আপনার অধীনে থাকা কোন কর্মী যে কাজটি করতে পারে তাকে সেটি করতে দিন। আপনি তাঁর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করুন। তবে এর মানে এই না যে, সব কাজ আপনি অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেবেন। অন্যদের দেওয়া কাজের থেকে বড় পরিসরের কাজ আপনি করুন। এটা দেখে আপনার দলের কর্মীরা অনুপ্রাণিতও হবে। জুনিয়রদের সঙ্গে এমন দৃষ্টান্ত রাখুন যে আপনি এখনও কাজ করেন। ৭) দক্ষতায় ঝালাই দিন শিক্ষার যেমন শেষ নেই তেমনি দক্ষতারও শেষ নেই। আপনিই সবথেকে দক্ষ এমন দাম্ভিকতায় থাকার কোন মানে হয় না এই যুগে। আপনি খুবই দক্ষ হলেও সেই দক্ষতায় ধাঁর দিন। যে দক্ষতা নিয়ে আপনি অনেক পথ পাড়ি দিয়েছেন সময়ের বিবর্তনে সেই দক্ষতা কার্যকর নাও থাকতে পারে। বাজারে চলমান বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নতুন করে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। অনলাইনে কোর্স করতে পারেন। করতে পারেন নিয়মিত ক্লাসও। এভাবে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন আর বাজারে তা বিক্রি করুন। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান টাইমস //এস এইচ এস// এআর  

ভাইবায় যে ৮ লক্ষণ দেখে বুঝবেন চাকরি অনিশ্চিত

পড়ালেখা শেষ হতে না হতেই মাথায় চাকরির চিন্তা এসে পরে। কেননা জীবনের কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ করতে চাকরি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাকরির কথা ভাবলেই কি চাকরি হয়ে যায়! এরজন্য রয়েছে পূর্ব-প্রস্তুতি। যে কোন চাকরি করতে গেলেই আগে ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হতে হয়। ইন্টারভিউ চাকরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইন্টারভিউ ভালো হলে চাকরি হয়ে যায়, আর যদি ভালো না হয় তাহলে চাকরি অনিশ্চিত। ইন্টারভিউয়ে প্রশ্নকর্তার প্রশ্নই বলে দিবে আপনার চাকরি হবে কি না।  তবে কিছু কিছু লক্ষণ আছে দেখলেই বুঝা যাবে চাকরি অনিশ্চিত। সেগুলো জানিয়ে দেওয়া হলো-    ১) খেয়াল রাখুন কতক্ষণ ধরে ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে? সেটা যদি খুব অল্পসময়ের জন্য হয় তাহলে বুঝতে হবে চাকরিটা অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু নামধাম জিজ্ঞেস করে বিদায় করে দিবে। ২) যে পদের জন্য আপনি ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন, সে বিষয়ে কোন প্রশ্ন নিয়ে অলোচনাই করছে না, বরং অবান্তর কিছু প্রশ্ন করেছে? এর অর্থ হলো আপনার চাকরিটা হচ্ছে না। শুধু একটু সময় নষ্ট করে ছেড়ে দেবেন। ৩) পরপর প্রশ্ন করা হচ্ছে কি না, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি ঠিকঠাক প্রশ্ন আসে, তাহলে ঠিকই আছে। কিন্তু যদি একই প্রশ্ন পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে করতে থাকে তাহলে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বুঝে নিতে হবে। আপনাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে। ৪) আপনাকে যদি নেওয়ার ইচ্ছে থাকে, তাহলে যারা নিচ্ছেন তারা ইন্টারভিউয়ে চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। আপনার চোখে চোখ রেখে কথা না বললে বুঝতে হবে সমস্যা রয়েছে। ৫) খেয়াল রাখুন, যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তার ভাবভঙ্গি কেমন। তিনি যদি পেছনে গা এলিয়ে দেন, আপনার কথা শুনেও না শোনার ভান করেন, তাহলে বুঝে নিন যে আপনার চাকরিটা আর হচ্ছে না। ৬) প্রশ্নকর্তা যদি আপনার মঙ্গল কামনা করে তাহলে বুঝবেন সেটা মোটেও মঙ্গলের জন্য নয়। সামান্য কথা বলার পরেই আপনাকে ‘ধন্যবাদ’ দেওয়া হলো এবং আপনার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করা হবে। আপনার মঙ্গল কামনা করছি।’ এই ধরনের কথা বলেলে বুঝবেন সেই যোগাযোগ আর হবে না। ৭) আপনি কেন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ দিতে চান? ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান? এ ধরনের প্রশ্ন না করলে বুঝবেন ইন্টারভিউ ভালো হচ্ছে না। ৮) ইন্টারভিউ শেষে সাধারণত একটি হাসি বিনিময় হয়। ইন্টারভিউ ভালো হলে সেই হাসি হয় উজ্জ্বল। কিন্তু খারাপ হলে হাসি হয় সৌজন্যতার কিংবা বিদ্রুপের। কেএনইউ/ এআর           

‘শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারলেই কল সেন্টারে চাকরি’

যদিও বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, কিন্তু আমরা অধিকাংশ লোকই সঠিক ও শুদ্ধভাবে বাংলা উচ্চারণ করতে পারি না। এটা শুধু গ্রামের নয়, বরং শহরাঞ্চলে অনেক শিক্ষিত মানুষ এই ভুল প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে।  অথচ এই ভুল কাটিয়ে উঠতে পারলেই দেশের মোট বেকারদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের চাকরির ব্যবস্থা করা সম্ভব। এমনটিই মনে করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদুল হক।রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে দু’দিনব্যাপী বিপিও সামিটের দ্বিতীয় দিনে আজ সোমবার সকালের সেশনে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। সামিটের এক ফাঁকে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে আহমেদুল হক বলেন, বিশ্বে ৩৫ টি দেশে বাংলা ভাষা-ভাষী লোক বাস করছে। বাংলায় নিয়মিত কথা বলে ৩৫ কোটি মানুষ। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লবের ফলে কল সেন্টারগুলোতে প্রতিনিয়ত তরুণ তরুণীদের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু পর্যাপ্ত দক্ষ তরুণ তরুণীর সংকট এ বাজারে রয়েছে।এসব কল সেন্টারে কাজ করার জন্য কেমন দক্ষ কর্মী দরকার এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদুল হক বলেন, কে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লো, কোন বিষয়ে স্নাতক সেটা এখানে দেখা হয় না। তার উচ্চারণ কতটুকু শুদ্ধ ও সুন্দর আদব-কেতা কেমন তা এখানে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। আহমেদুল হক আরও বলেন, বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিলেও তাদের মধ্যে দক্ষতা দেখা যায় না। কেউ যদি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে দক্ষ না হয়, বিশ্ববিদ্যালয় তাকে স্নাতক ডিগ্রী দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, বিপিও সামিটের শেষ দিন আজ। এ বছরের মধ্যে ১ লাখ তরুণের চাকরির বাজার সৃষ্টিতে ও দক্ষ জনশক্তি তৈরী করাই এর উদ্দেশ্য।আআ / এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি