ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২:১৮:২০

শাকিব-রোদেলার ‘একটু প্রেম দরকার’

শাকিব-রোদেলার ‘একটু প্রেম দরকার’

 ্সুপারস্টার শাকিব খান ও নবাগতা চিত্রনায়িকা মৃদুলা একটু প্রেম দরকার ছবির শুটিং চলছে গাজীপুরের পূবাইলে। এ ছবিতে তাদের রোমান্স উপভোগ করবেন দর্শকরা। ছবিতে চমক হিসেবে থাকছেন শাকিবের নিয়মিত নায়িকা শবনম বুবলি। ছবিতে মায়া নামে মন্ত্রীর মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করা এ নায়িকার সঙ্গেই শুধু প্রেম করেন না শাকিব, বুবলীর সঙ্গেও রয়েছে তার প্রেমের সম্পর্ক। এমনটায় জানা গেছে এ সিনেমার কাহিনীতে। উল্লেখ্য, ছবিটির প্রথমে নাম ছিল ‘একটি প্রেম দরকার মাননীয় সরকার’। পরপর দুবার নাম পাল্টে শেষ পর্যন্ত ছবির নাম রাখা হয়েছে ‘একটু প্রেম দরকার’। এসএইচ/
মুক্তির প্রথম দিনে ‘দেবী’র চমক, উচ্ছ্বসিত জয়া

অপেক্ষার পালা শেষ। শুক্রবার মুক্তি পেল অনম বিশ্বাস পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘দেবী’। সিনেমাটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত জয়া। কারণ সিনেমা মুক্তির আগেই কয়েকটি হলের অগ্রিম টিকেট বিক্রি হয়ে যায়। সেই সঙ্গে মুক্তির দিন ঢাকার বলাকাসহ অন্য হলে প্রতিটি শো ছিল হাউজফুল। এই বিষয়গুলো সিনেমার ব্যবসা ও জনপ্রিয়তা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমনকি মুক্তির আগে বিভিন্ন মাধ্যমে ‘দেবী’ টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন দর্শকরা। জয়া আহসান দর্শকদের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘মুক্তির আগে থেকে দর্শকরা আমাদের পাশে যেভাবে ছিলেন সেটিও আমাদের সফলতা। এরপর মুক্তির প্রথমদিনে দর্শকদের ভালোবাসায় মুগ্ধ। আশা করি সামনের দিনগুলোতেও দর্শকরা আমাদের সিনেমাটি ভালোভাবে গ্রহণ করবেন।’ উল্লেখ্য, সিনেমায় মিসির আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী।  রানু চরিত্রে জয়া আহসান। অন্যান্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শবনম ফারিয়া ও ইরেশ জাকেরকে। অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমাটি প্রযোজনাও করেছেন জয়া আহসান। এসএ/

২৯ প্রেক্ষাগৃহে মিসির আলী

বহুল প্রতিক্ষিত সিনেমা ‘দেবী’ মুক্তি পেয়েছে আজ শুক্রবার। এর মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে ২৯টি প্রেক্ষাগৃহে মিসির আলী প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় ধরা দিয়েছে। ‘দেবী’ মুক্তির দুদিন আগেই নির্ধারিত হয়েছে প্রেক্ষাগৃহ। অনম বিশ্বাস পরিচালিত সিনেমাটি রাজধানী ঢাকার ৭টি ও ঢাকার বাইরে ২২টি প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে।ঢাকায় মুক্তি পাবে ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’, ‘ব্লকবাস্টার’, ‘বলাকা’, ‘শ্যামলী’, ‘মধুমিতা’, ‘চিত্রামহল’ ও ‘পুনম’ প্রেক্ষাগৃহে। এছাড়াও ঢাকার বাইরে সান্তাহারের ‘পূর্বাশা’, কুমিল্লার ‘গ্যারিসন’, নারায়ণগঞ্জের ‘নিউ মেট্রো’, টঙ্গীর ‘চম্পাকলি, জয়দেবপুরের ‘বর্ষা’, সাভারের ‘সেনা’, চট্টগ্রামের ‘আলমাস’ ও ‘সিলভার স্ক্রিন’, বরিশালের ‘অভিরুচি’, সিলেটের ‘নন্দিতা’, খুলনার ‘লিবার্টি, যশোরের ‘মনিহার’, খুলনার ‘শঙ্খ’, দিনাজপুরের ‘মডার্ন’, রংপুরের ‘শাপলা’, পাবনার ‘রূপকথা’, কিশোরগঞ্জের ‘মানসী’, বগুড়ার ‘সোনিয়া’ ও ‘মম ইন’, ময়মনসিংহের ‘ছায়াবানী, নেত্রকোনার ‘হীরামন’ এবং শেরপুরের ‘সত্যবতী’তে মুক্তি পাবে। ‘দেবী’ সিনেমায় মিসির আলী চরিত্রে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়া রানু চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান ও নীলু হয়েছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন অনিমেষ আইচ ও ইরেশ যাকের। এদিকে আগামী ১০ নভেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরের প্রেক্ষাগৃহে ‘দেবী’ প্রদর্শনী হবে। শুরুতেই দেখা যাবে সিডনিতে। সিডনির অবার্নের রিডিং সিনেমায় ১০ নভেম্বর বেলা তিনটায় এবং ১১ নভেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় প্রদর্শিত হবে ‘দেবী’। এরপর ১৭ নভেম্বর সিডনির ইস্ট গার্ডেন সন্ধ্যা ছয়টায় এবং পার্থের ক্যারোসেলের হোয়াটস সিনেমা হলে বেলা তিনটায়, ১৮ নভেম্বর অ্যাডিলেডের ওয়ালিস সিনেমায় সন্ধ্যা ছয়টায় দেখা যাবে ‘দেবী’ সিনেমাটি। এসএ/  

‘আইয়ুব বাচ্চু একটা সবুজ বাংলা গান’

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ, জনপ্রিয় শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন৷ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান৷ তাঁর মৃত্যুতে সারা বাংলায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া৷  ‘‘মেঘনা নদীর উপর ছোট্ট একটা লঞ্চের ছাঁদ৷ এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চিত হয়ে শুয়ে ছিল প্রায় গোটা কুড়ি কিশোর৷ স্বল্প আয়ের কিছু অপরিচিত লোকও অন্ধকার আকাশের তারাদের সাথে জুটেছিল সুমনের গিটারে সায়েমের গলায় ‘সেই তারা ভরা রাতে’ শোনার জন্য৷ সেই রাত তো কবেই চলে গেছে জীবন থেকে...... আজ প্রায় বিশ বছর পর আপনি চলে গিয়ে মনে করিয়ে দিয়ে গেলেন আইয়্যুব বাচ্চু৷’’ আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর খবরে এভাবেই প্রতিক্রিয়া লিখেছেন একরামুল কবির নামের এক তরুণ শিক্ষক৷ আশির দশক থেকে শুরু করে প্রায় তিন যুগ ধরে এমন অসংখ্য কিশোরের অসংখ্য স্মৃতি বিনির্মাণে যে নামটি জড়িত তিনি কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চু৷ একজন গায়ক, গীতিকার ও সুরকার৷ একজন লিভিং রকস্টার৷ তাইতো এই তিন দশকের কিশোররা কেঁদে ভাসিয়েছেন ফেসবুকসহ সামাজিক গণমাধ্যম৷ লিখেছেন, ‘‘আমাদের একটা চমৎকার শৈশব-কৈশোর উপহার দেবার জন্য ধন্যবাদ৷’’ অভিনেতা আদনান ফারুক হিল্লোল লিখেছেন, ‘‘৯০ দশকের কিশোর-কিশোরীদের স্বপ্নকে এত তাড়াতাড়ি মাটি চাপা দিলেন বাচচু ভাই!’’ আবৃত্তিকার, উপস্থাপক ও লেখক শামসুজ্জোহা লিখেছেন, ‘‘একটা `কষ্ট` লুকিয়ে ছিল কী দারুন তারুণ্যের আড়ালে...উত্তাল কনসার্টে আর কোনোদিন গাইবেন না একটা কালো টি শার্ট, সানগ্লাস৷ আর বলবেন না, `গান হবে সারারাত`৷ আমরা নাচবো না বাচ্চু ভাইয়ের সাথে৷ হাতের গিটার আর কাঁদবে না৷ তবু কত তরুণ ঝাঁকড়া চুল আর হাতে গিটার নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন `আমি আইয়ুব বাচ্চু হবো`৷ আইযুব বাচ্চু একটা সবুজ বাংলা গান৷ একজন ফেরিওয়ালা৷’’ এই স্বপ্নের ফেরিওয়ালা লিখেছেন বাংলাদেশের গান৷ গেয়েছেন, ‘‘তুমি উদ্ধত মিছিলের স্রোতে গর্বিত মুখ, তুমি ভুল নায়কের হাতছানিতে মায়ের শুন্য বুক৷’’ বলেছেন যে, এই বাংলার বুকেই স্বপ্নের শুরু৷ এখানেই শেষ৷ তা প্রমাণ করতেই যেন দেশের মাটিতেই ত্যাগ করলেন শেষ নিঃশ্বাসটুকু৷ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বামবার নেতারাও। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যান্ডতারকা লাবু রহমান বলেছেন, ‘‘আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন একজন শিক্ষক৷ আমাদের দেশে ব্যান্ডসংগীতে এরকম শিক্ষক নেই বললেই চলে৷ তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত৷ আমরা সবাই তাঁকে মিস করব৷’’ স্বজনেরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সকালে বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন বাচ্চু৷ সোয়া নয়টার দিকে তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়৷ কিন্তু চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন৷ আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবি`র সদস্য শামিম জানান, বাচ্চু বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন৷ হৃদরোগের কারণে সপ্তাহ দুই আগেও একবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল৷ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সকালে তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ স্কয়ার হাসপাতালের মেডিকেল সার্ভিসের পরিচালক মির্জা নাজিমউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘সকালে উনার হার্ট অ্যাটাক হয়৷ সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাঁর ড্রাইভার তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন৷ তার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়৷’’ মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬৷ জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি`র প্রতিষ্ঠাতা দলনেতা ছিলেন বাচ্চু৷ ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ‘বস’ বা ‘এবি’৷ ব্যান্ড সংগীতের চর্চা শুরু করেন নব্বইয়ের দশকে৷ তাঁর গান যেমন দর্শক নন্দিত হয়েছে, তেমনি তাঁকে দুই বাংলাতেই করেছে সমান জনপ্রিয়৷ ‘সেই তুমি’, ‘রুপালি গিটার’, ‘ঘুমন্ত শহরে’, ‘ফেরারী এই মনটা আমার’, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘একদিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘চল বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘হাসতে দেখ, গাইতে দেখ’র মতো অসাধারণ সব গান তিনি উপহার দিয়েছেন৷ উপমহাদেশের সেরা গিটারিস্টও ছিলেন তিনি৷ দেশে-বিদেশে গিটারিস্ট হিসেবে তাঁর ছিল অনেক কদর৷ তরুণ প্রজন্মের কাছে কয়েক যুগ ধরে জনপ্রিয়তার তালিকায় শীর্ষে ছিলেন তিনি৷ মুখে মুখে ফিরেছে তাঁর গান৷ সাংস্কৃতিক সংগঠক নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শুক্রবার জুমার পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দা‌নে আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা হবে৷ তারপর মর‌দেহ রাখা হবে হিমঘরে৷ সন্তানরা বি‌দেশ থে‌কে ফির‌লে শ‌নিবার চট্টগ্রা‌মে পারিবা‌রিক কবরস্থা‌নে দাফন করা হ‌বে জনপ্রিয় এই ব্যান্ড শিল্পীকে৷ ডয়েচে ভেলে  এসি  

সালমানের সঙ্গে আমার বোঝাপড়া ছিল চমৎকার: শাবনূর

শাবনূর তাঁর সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী একজন চিত্রনায়িকা। ২৫ বছর আগে ‘চাঁদনি রাতে’ ছবির মধ্য দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে এই নায়িকার। প্রথম ছবি ‘চাঁদনি রাতে’ দিয়ে সাফল্য না পেলেও একসময় ঠিকই বাংলাদেশি সিনেমার রানি হয়ে ওঠেন শাবনূর। শাবনূরের সঙ্গে যে নামটি সবচেয়ে বেশি মানানসই সেটি হচ্ছে সালমান শাহ। অমর এ নায়কের সঙ্গে যে কয়টি ছবি শাবনূর করেছেন সবকটি ব্যবসা সফল হয়েছে। সবকটি দর্শক টেনেছে। একটা সময় সালমান-শাবনূরের ছবি রিলিজ হওয়া মানে চলচ্চিত্র পাড়ায় ডাক পড়ে যেতো। এ দু’জনের রসায়ন দর্শক এতোটা ভালোভাবে নিত যে, একটা সময় মনে করা শুরু করল তাঁরা শুধু পর্দায় জুটি নয়, বাস্তবিক অর্থেই তাঁদের মধ্যে প্রেম চলছে। সালমান মারা যাওয়ার পর নতুন জুটি নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে শাবনূরকে। দর্শক তাঁর সঙ্গে কাকে গ্রহণ করবে এটি ছিল ওই সময়ে কোটি টাকার প্রশ্ন। এ বিষয়ে কি বলেন শাবনূর? সালমানের সঙ্গে অভিনয়ের পাশাপাশি ওমর সানী ভাইয়ের সঙ্গেও কাজ করা হয়। সিনেমায় ওমর সানীর পাশাপাশি আমিন খানের সঙ্গেও পরিচালকেরা আমাকে নিয়ে কাজ শুরু করেন। একসময় রিয়াজের সঙ্গে আমার জুটি দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করে। এ ছাড়া ফেরদৌস, মান্না ভাই ও শাকিব খানের সঙ্গে ছবি করেছি। সালমান শাহ, ওমর সানী, মান্না, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান—সবার সঙ্গেই অভিনয় করা হয়েছে। জুটি হিসেবে কার সঙ্গে আপনার বোঝাপড়া চমৎকার ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুটি হিসেবে দর্শক আমার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেছে সালমান শাহকে। এখনো সবাই সালমান-শাবনূর জুটির কথা বলে। এরপর রিয়াজ ও আমার জুটি নিয়ে অনেক সুন্দর স্মৃতি আছে। এর বাইরে ওমর সানী, মান্না, ফেরদৌস, শাকিব—সবার সঙ্গে অভিনয় করেছি, কিন্তু জুটি হিসেবে নয়। তবে সবাই খুব দারুণ অভিনয়শিল্পী। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার ছিল শাবনূরের চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশে ২৫ বছর পূর্তি। এই দিনে দর্শকের ভাবনা জুড়েই ছিল সালমান-শাবনূরের কালজয়ী চলচ্চিত্রগুলো। এ দু’জনের ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘তোমাকে চাই’সহ অমর ছবিগুলো এখনো দর্শকদের হৃদয়ের ক্যানভাসে স্থান করে আছে। / এআর /

সালমানের মৃত্যু আমাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়: শাবনূর

দুই দশকেরও বেশি সময় বাংলা চলচ্চিত্রে রীতিমতো দাবিয়ে বেড়িয়েছেন নায়িকা শাবনূর। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শক ধরে রেখেছেন। একের পর এক অসাধারণ ছবি উপহার দিয়ে এ সুদর্শনী আজও দর্শকদের হৃদয়ের মণিকোটায় স্থান করে আছেন। শাবনূর তাঁর সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী একজন চিত্রনায়িকা। ২৫ বছর আগে ‘চাঁদনি রাতে’ ছবির মধ্য দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে এই নায়িকার। প্রথম ছবি ‘চাঁদনি রাতে’ দিয়ে সাফল্য না পেলেও একসময় ঠিকই বাংলাদেশি সিনেমার রানি হয়ে ওঠেন শাবনূর। ববিতা, কবরী, শাবানা, চম্পা, দিতির পরবর্তী সময়ে দেশের সিনেমায় রাজত্ব করেছেন এই নায়িকা। ২৫ বছরের পথ চলায় বহু তরুণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। শাবনূরের সঙ্গে যে নামটি সবচেয়ে বেশি মানানসই সেটি হচ্ছে সালমান শাহ। অমর এ নায়কের সঙ্গে যে কয়টি ছবি শাবনূর করেছেন সবকটি ব্যবসা সফল হয়েছে। সবকটি দর্শক টেনেছে। একটা সময় সালমান-শাবনূরের ছবি রিলিজ হওয়া মানে চলচ্চিত্র পাড়ায় ডাক পড়ে যেতো। এ দু’জনের রসায়ন দর্শক এতোটা ভালোভাবে নিত যে, একটা সময় মনে করা শুরু করল তাঁরা শুধু পর্দায় জুটি নয়, বাস্তবিক অর্থেই তাঁদের মধ্যে প্রেম চলছে। এমনকি সালমানের হত্যার পেছনেও অনেকে এই ‘সম্পর্ক’কে দায়ী করে থাকেন। অনেকেই বলাবলি করেন শাবনূরের সঙ্গে সালমানের মাখামাখি সহ্য করতে পারেন নি দুষ্টজনেরা। এর বলি হতে হয়েছে তাকে। সালমানের মৃত্যুর পর শাবনূরকে নাকি অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। এ বিষয়ে শানবনূর বলেন, চলচ্চিত্রে কাজ শুরুর তিন বছরের মাথায় সালমান শাহর মৃত্যুতে আমার অভিনয়জীবন চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখোমুখিও হতে হয়। সবকিছু সামলে নিয়ে আমি এগিয়ে চলি। কোনো অপপ্রচারকে পাত্তা দিইনি। আমি আমার মতো কাজটা করে গেছি। সালমান মারা যাওয়ার পর নতুন জুটি নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে শাবনূরকে। দর্শক তাঁর সঙ্গে কাকে গ্রহণ করবে এটি ছিল ওই সময়ে কোটি টাকার প্রশ্ন। এ বিষয়ে কি বলেন শাবনূর? সালমানের সঙ্গে অভিনয়ের পাশাপাশি ওমর সানী ভাইয়ের সঙ্গেও কাজ করা হয়। সিনেমায় ওমর সানীর পাশাপাশি আমিন খানের সঙ্গেও পরিচালকেরা আমাকে নিয়ে কাজ শুরু করেন। একসময় রিয়াজের সঙ্গে আমার জুটি দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করে। এ ছাড়া ফেরদৌস, মান্না ভাই ও শাকিব খানের সঙ্গে ছবি করেছি। সালমান শাহ, ওমর সানী, মান্না, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান—সবার সঙ্গেই অভিনয় করা হয়েছে। জুটি হিসেবে কার সঙ্গে আপনার বোঝাপড়া চমৎকার ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুটি হিসেবে দর্শক আমার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেছে সালমান শাহকে। এখনো সবাই সালমান-শাবনূর জুটির কথা বলে। এরপর রিয়াজ ও আমার জুটি নিয়ে অনেক সুন্দর স্মৃতি আছে। এর বাইরে ওমর সানী, মান্না, ফেরদৌস, শাকিব—সবার সঙ্গে অভিনয় করেছি, কিন্তু জুটি হিসেবে নয়। তবে সবাই খুব দারুণ অভিনয়শিল্পী। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার ছিল শাবনূরের চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশে ২৫ বছর পূর্তি। এই দিনে দর্শকের ভাবনা জুড়েই ছিল সালমান-শাবনূরের কালজয়ী চলচ্চিত্রগুলো। এ দু’জনের ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘তোমাকে চাই’সহ অমর ছবিগুলো এখনো দর্শকদের হৃদয়ের ক্যানভাসে স্থান করে আছে। / এআর /

সংবাদ পাঠক চঞ্চল-জয়া

এটা কোন সিনেমা নয়, এটা কোন নাটক নয়। নয় কোন বিজ্ঞাপনের চিত্র। দর্শক যা দেখেছেন সেটাই সত্য। দেশের জনপ্রিয় দুই তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও জয়া আহসান সংবাদ পাঠ করলেন। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘দেবী’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। অনম বিশ্বাস পরিচালিত এবং জয়া আহসানের ‘সি-তে সিনেমা’ প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রটি শুরু থেকেই প্রচার-প্রচারণার দিক দিয়ে নতুন নতুন চমক দেখাচ্ছে। ‘দেবী’র বিভিন্ন স্টাইলের প্রচারণার চমক এদেশের চলচ্চিত্র আগে কখনও দেখেনি। সেই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে দেখা গেছে নতুন চমক। প্রচারণার কৌশল হিসেবে গতকাল রাত ১০টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে চঞ্চল ও জয়া এসেছিলেন সংবাদ পাঠক হয়ে। টিভি পর্দায় দর্শকরা মাছরাঙা সংবাদ দেখার জন্য বসতেই চমকে যায়। হঠাৎ করেই দেখা যায় সংবাদ পাঠকের আসনে বসে আছেন খোদ ‘মিসির আলি’ চঞ্চল চৌধুরী এবং ‘রানু’ জয়া আহসান। রাত ১০টার মাছরাঙা সংবাদের পুরোটা সময় খুব সাবলীলভাবে পেশাদার সংবাদ পাঠকের মতোই তারা সংবাদ পরিবেশন করেন।চ্যানেল সূত্রে জানা গেছে, মাছরাঙা টেলিভিশন ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের সম্প্রচার সহযোগী। আর এ কারণে দর্শকদের নতুন চমক দেখানোর জন্যই সরাসরি সংবাদ পরিবেশন করেন জয়া আহসান ও চঞ্চল চৌধুরী।এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, ‌‌‌‌‌‌‘আমাদের মার্কেটিং কনসালটেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ীই আমরা সবাই মিলে সংবাদপাঠের বিষয়টি চূড়ান্ত করি। মাছরাঙা টেলিভিশনের সংবাদ বিভাগের দল বেশ গোছানো। আমাকে কোনো ধরনের দুশ্চিন্তাই করতে হয়নি। তাছাড়া বরাবরই আমি বিশ্বাস করে এসেছি সংবাদকক্ষের এ জায়গাটি বেশ সম্মানের, বেশ পবিত্র। তাই যেনতেনভাবে সংবাদ পড়তে চাইনি। যথেষ্ট মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই নিউজরুমে গিয়েছি। সবার আশীর্বাদ আমার সঙ্গে ছিল, তাই ভালোভাবেই হয়তো উতরে যেতে পেরেছি। এখন ভাবছি, যখন কেউ আর আমার অভিনয় দেখতে চাইবে না, তখন সংবাদ পাঠ করে নতুন পেশায় যোগ দেবো। হা হা হা।’চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘সংবাদপাঠের পরিকল্পনাটি বেশ অভিনব। কারণ চলচ্চিত্র প্রচারণার জন্য প্রচলিত মাধ্যমগুলোর পাশাপাশি সংবাদ পাঠের বিষয়টি আমার নিজেরও কখনো মাথায় আসেনি। সংবাদকর্মীরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের জন্য প্রতিনিয়ত সংবাদ তৈরি করেন, সংবাদ পাঠকরাও সে দায়িত্ব থেকে নিজেদের আসনে বসে ক্যামেরায় চোখ রেখে সংবাদ পড়েন। এতদিন বিষয়গুলো দেখে এসেছি, এবার স্বশরীরে অনুধাবন করলাম। এই অভিজ্ঞতা কখনো ভুলবার নয়। মাছরাঙা টেলিভিশনের সংবাদ বিভাগকে এ কারণে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ।’ উল্লেখ্য, দেশের ২৯টি প্রথম সারির প্রেক্ষাগৃহে শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘দেবী’।এসএ/  

‘মি-টু’ নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রিয়তি 

‘মি টু’ নিয়ে বলিউডে এখন ঝড় চলছে। সেই ঝড়ে অনেক রথি মহারথির নাম বেরিয়ে এসেছে। ঠিক এ সময় মি টু নিয়ে মুখ খুললেন মডেল অভিনেত্রী মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। তিনি তার ফেসবুকে এ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। নিচে সেটি তুলে ধরা হলো-   তিনি উল্লেখ করেন, এক পক্ষ সারাজীবনই চুপ থাকবে, যারা ফায়দা নেয়ার জন্যই উপরে উঠার সিঁড়ি হিসেবে willingly & Mutually একে অপরকে ব্যবহার করেছে এবং এখনো করছে। আরও লিখেন, একপক্ষ এক সময় হঠাৎ করে বারুদের মতো ফেটে যাবে, যারা আসলেই কাজ করতে আসে। কিন্তু এসে নোংরা শহরে নোংরা মানুষের পাল্লায় পড়ে ,তাদের যখন ফিরে যাওয়ার আর কোনো উপায় থাকে না, যেহেতু উপরের পক্ষ তৈরি থাকে তাদের জায়গা নেয়ার জন্য, একটা গেলে আরেকটা। অপ্সনের অভাব নেই। কিন্তু বিবেক তাদের দংশন করতে থাকে প্রতিনিয়ত। কাজটি তো অনৈতিক লেনদেন ছাড়াও তার মেধা/গুণ দিয়েও পেতে পারতো বা তাকে তো একটি সুযোগ দিতেও পারতো। হয়তো কেউ কম বয়সে না বুঝেই, মোহের বসে কিন্তু কঠিন সমাজ তাকে সুন্দর পথ না দেখিয়ে নোংরা পথের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, এমনটা তো না হতেই পারতো। তারা-ই যখন শক্ত অবস্থান এ যান, আর যখন কিছু হারানোর ভয় থাকে না তখন ই জোরালো গলায় মি-টু নিয়ে প্রতিবাদ করেন। তার মতে, একপক্ষ শুধু শুধুই নিজের ব্যক্তিগত আক্রোশ ঝারার জন্য ফ্রি তে বদনাম করার চেষ্টা করবে। তিনি মনে করেন, আরেকপক্ষ, শুরুতেই সবকিছুর প্রতিবাদ করে, নিজের ক্যারিয়ার শক্ত না করে প্রতিবাদ করবে, তাতে মানুষ হয় তাকে পাত্তা দিবে না আর না হয় মানুষ বলবে পাবলিসিটি করার জন্য বা মিডিয়ার এটেনসন এর জন্য এসব করছে, যেমন আমি- ২০১৫ সাল থেকেই বলছি তখন হ্যাশ ট্যাগ মি টু ছিল না, তৈরিও হয়নি। উল্লেখ্য এর মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী, যাদের এই মি-টু পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি কখনো। এসি   

বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি হাজার বার: শাবনূর

দুই দশকেরও বেশি সময় বাংলা চলচ্চিত্রে রীতিমতো দাবিয়ে বেড়িয়েছেন নায়িকা শাবনূর। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শক ধরে রেখেছেন। একের পর এক অসাধারণ ছবি উপহার দিয়ে এ সুদর্শনী আজও দর্শকদের হৃদয়ের মণিকোটায় স্থান করে আছেন। শাবনূর তাঁর সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী একজন চিত্রনায়িকা। ২৫ বছর আগে ‘চাঁদনি রাতে’ ছবির মধ্য দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে এই নায়িকার। প্রথম ছবি ‘চাঁদনি রাতে’ দিয়ে সাফল্য না পেলেও একসময় ঠিকই বাংলাদেশি সিনেমার রানি হয়ে ওঠেন শাবনূর। আরও পড়ুন : শাবনূরের সেরা দশ চলচ্চিত্র ববিতা, কবরী, শাবানা, চম্পা, দিতির পরবর্তী সময়ে দেশের সিনেমায় রাজত্ব করেছেন এই নায়িকা। ২৫ বছরের পথ চলায় বহু তরুণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। প্রেম-বিয়ের প্রস্তাব নিশ্চয়েই পেয়েছেন। এ বিষয়ে শাবনূর কি বলেন? প্রথম বিয়ের প্রস্তাব কবে পেয়েছিলাম, তা অবশ্য মনে নেই। কিন্তু এই জীবনে কতবার যে প্রেম আর বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি, তার সঠিক হিসেব নেই। এতটুকু বলতে পারি, হাজারেরও বেশি বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি। আরো পড়ুন : সালমানের সঙ্গে প্রেম নয়, ভাইবোনের সম্পর্ক ছিল: শাবনূর বাংলা চলচ্চিত্রে অমর জুটি সালমান-শাবনূর। এ দুজনের ছবি মানেই হিট। একটা সময় গুঞ্জন উঠে এ দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক  গড়ে উঠেছে। এবং সেই প্রেমের সূত্র ধরে নাকি শাবনূর সালমানকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। এ বিষয়ে শাবনূরের জবাব-  প্রেম নয়, সালমানের সঙ্গে আমার ভাইবোনের সম্পর্ক ছিল। সালমানের নিজের ছোট বোন ছিল না, তাই আমাকে ছোট বোনের মতোই দেখতেন। এটাও ঠিক, সালমান শাহ আর আমাকে নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু এসবের কোনোটিই সত্য নয়। ছোট বোন হিসেবে আমাকে তিনি ‘পিচ্চি’ বলে ডাকতেন। সালমানের মা-বাবাও আমাকে আদর করতেন। সালমানের কারণে আমাকে তাঁদের মেয়ে হিসেবেই দেখতেন। সালমান খুব আন্তরিক আর কাজপাগল ছিলেন। আমাদের দুজনের বোঝাপড়াটা ছিল চমৎকার। বলতে পারেন, একে অন্যের চোখের ইশারা বুঝতে পারতাম। / এআর /

সম্মাননা পেলেন পপি

সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা পপি। সুদর্শনী এই নায়িকা চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রথমবারের মতো ‘আলোকিত নারী সম্মাননা’য় ভূষিত হলেন। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে পপির হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, এমপি। এ সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘এবারই প্রথম চলচ্চিত্র অভিনয়ের জন্য আলোকিত নারী সম্মাননা পেলাম। এ সম্মাননা আমার জীবনের অন্য সম্মাননা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আমাকে সম্মানিত করার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের সব সফল নারীর সম্মানিত করা হল। তাই আমার এ সম্মাননা সব সফল নারীকে আমি উৎসর্গ করলাম।’ এর আগে পপি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন। / এআর /

‘দেবী’র সঙ্গে টক্কর দিবে ‘নায়ক’

চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরীর নতুন সিনেমা ‘নায়ক’। ১৯ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। তবে ঠিক একই দিনে মুক্তি পাবে জয়া ও চঞ্চল অভিনীত ‘দেবী’। কিন্তু এতে করে ‘নায়ক’ তার দর্শক হারাবে না বলে দাবি করেছেন মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করা ঢাকাই সিনেমার হিরো বাপ্পী চৌধুরী। গতকাল রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে বাপ্পী বলেন, ‘আমি জানি একই দিন দেবী চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাচ্ছে। আমার জানা মতে দেবী খুবই ভালো মানের একটি চলচ্চিত্র হতে যাচ্ছে। কারণ এটি হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক দিক থেকে দুই সিনেমার তুলনা করা ঠিক হবে না। দুই সিনেমার ভিন্ন ভিন্ন দর্শক রয়েছে।’ বাপ্পী বলেন, ‘আপনারা ইতোমধ্যে ট্রেলার দেখেছেন। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন নায়ক সিনেমায় আমি কীভাবে আসছি। এই সিনেমাতে আমি অনেক পরিণত, অনেক অ্যাকশন নির্ভর। তাছাড়া আমার সহ অভিনেত্রী অধরাও নতুন হিসেবে খুবই ভালো করেছে।’ উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘নায়ক’ সিনেমাটি। তবে অন্য এক সিনেমার প্রযোজকের মামলার শিকার হয়ে আটকে গিয়েছিল সিনেমাটি। সেই সব ঝামেলা শেষে অবশেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। এসএ/

মাহি-জয়ের ‘আনন্দ অশ্রু’

জান্নাত সিনেমায় সফল হওয়ার পর নতুন চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেছেন হালের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। সিনেমার নাম ‘আনন্দ অশ্রু’। ছবিতে নতুন নায়কের সঙ্গে কাজ করছেন মাহি। কে সে জানেন? জয় চৌধুরী। ত্রিভুজ প্রেমের এই সিনেমায় আরও একজন নায়ক আছেন। তিনি হলেন সায়মন সাদিক।    তিন মাস আগে ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিল সিনেমাটির শুটিং। সোমবার ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় শুরু হয় আনুষ্ঠানিক শুটিং। যেখানে একসঙ্গে প্রথমবারের মতো অংশ নেন সায়মন সাদিক, মাহিয়া মাহি এবং জয় চৌধুরী। ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে বিস্তৃত হবে সিনেমার কাহিনী। একই নামে বাংলাদেশের প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ এর একটি সিনেমা রয়েছে। তবে এই সিনেমার সঙ্গে পূর্বের সিনেমার কোন মিল নেই বলে জানিয়েছেন পরিচালক। এই সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন জয় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সিনেমায় দুই নায়কের এক নায়ক আমি। আমার চরিত্রটির মধ্যে বৈচিত্র্যতা আছে। ইতিবাচক ও নেতিবাচক- দুই ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে আমাকে।’ এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মাহির সঙ্গে অভিনয় করছেন জয়। তিনি মনে করেন মাহির সঙ্গে দর্শক তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, ‘মাহি ভালো অভিনেত্রী। তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা যে কারো জন্য দারুণ। সে খুব হেল্পফুল। ভালো একটি কাজ হবে বলে মনে করি।’ / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি