ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৪১:৩৩

দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞাপনে শাকিব খান

দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞাপনে শাকিব খান

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। দুই বাংলায় সিনেমা নিয়ে বেশ ব্যস্ত তিনি। তবে এবার দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞাপনে ফিরছেন ঢালিউড কিং। টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের একটি বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে তাকে। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করছেন জনপ্রিয় নির্মাতা আদনান আল রাজীব। নির্মাতা বলেন, ‌‘বিজ্ঞাপনের গল্পের প্রয়োজনেই শাকিব খানকে নেয়া হয়েছে। এখানে ভক্তরা নতুনভাবে খুঁজে পাবেন শাকিবকে।’তিনি আরও জানান, সোমবার শাকিব খান বিজ্ঞাপনটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এরই মধ্যে রিহার্সালেও অংশ নিয়েছেন তিনি। এতে শাকিব খানের সঙ্গে দেখা মিলবে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার।আগামীকাল বৃহস্পতিবার টিভিসিটর শুটিং শুরু হবে। রাজধানীর মিরপুরে হবে এর দৃশ্যধারণ। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই এটি প্রচারে আসবে বলে জানা তিনি।উল্লেখ্য, এর আগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পাওয়ার এনার্জি ড্রিংকসের বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছিল শাকিব খানকে।এসএ/
বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণ করছেন ডিপজল

মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ঢালিউডের অন্যতম সেরা খলনায়ক। বাবা-মাকে হারানোর বেদনা থেকে এবার তিনি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রম। ইতিমধ্যে রাজধানীর মিরপুরে একটি বৃদ্ধাশ্রমের কাজ শুরু করেছেন তিনি। যার ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।ডিপজল জানান, আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০০ সিটের এ বৃদ্ধাশ্রমটি উদ্বোধন করা হবে। বাবা-মাকে হারানোর বেদনা থেকেই এ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি।দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের এই সেরা খলনায়ক বলেন, ‘বাবা-মা নাই বলেই আমার আগ্রহ বেশি। আমার মা দেড় বছর আগে মারা গেছেন। পৃথিবীতে উনিই আমার সবচেয়ে আপন ছিলেন। মা-বাবা যার নাই তার দুনিয়াতে কিছু নাই। মা থাকলে ভালো লাগত।’তিনি আরও বলেন, ‘যাদের বাবা-মা বেঁচে আছে তাদের যত্ন করুন। বাবা-মার ঠিকানা মাথায় হওয়া উচিত। আপনার বাবা-মাকে যদি বৃদ্ধাশ্রমে রাখি তাহলে আপনার চোখে খারাপ লাগার কথা। দয়া করে সবাই নিজ নিজ বাবা-মাকে আগলে রাখুন।’উল্লেখ্য, এক সময়ের দাপুটে এ খলনায়ক চলচ্চিত্রে এসেছিলেন নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। ঘটনাক্রমে খলনায়ক হিসেবে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। যাকে সবাই ‘ভয়ংকর বিষু’ হিসেবেও চেনে।১৯৮৬ সালে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘টাকার পাহাড়’ মুক্তি পায়। তারপর করেন ‘হাবিলদার’। বছর পাঁচেক পর কাজী হায়াতের ‘তেজি’ সিনেমাতে প্রথমবারের মতো ‘এন্টি হিরো’ হিসেবে পর্দায় হাজির হন। টানা একযুগের বেশি সময় খলনায়ক হিসেবে দাপট দেখিয়েছেন ঢাকার চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে।এসএ/

শুভেচ্ছাদূত পরীমনি

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি। সিনেমায় তাকে খুব একটা দেখা না গেলেও বিভিন্ন ভাবে আলোচনায় আছেন তিনি। এবার নায়িকা সংবাদের শিরোনামে উঠে আসলেন ভিন্ন ভাবে। জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী’র সঙ্গে প্রথমবারের মতো চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।মঙ্গলবাব ফেয়ার অ্যান্ড লাভলীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসাবে পরীমনি ‘ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড’র সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই করেন।ইউনিলিভারের অফিসে অনুষ্ঠিত হওয়া এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পরীমনি এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী আগামী দুই বছর পরী কাজ করবে স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড ফেয়ার অ্যান্ড লাভলীর হয়ে।নিজের ফেসবুকে এ নিয়ে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন ঢাকাই সিনেমার এ নায়িকা। সেখানে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, হোয়াট’স গোয়িং অন? তবে কারণটা জানাননি!পরীমনি জানান, ‘রং ফর্সকারী’ এই পণ্যের শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন তিনি। এ কারণে আগামী ২ বছর ইউনিলিভার বাংলাদেশের এই পণ্যটির বিজ্ঞাপনচিত্রসহ সমাজসেবামূলক কাজে তাকে দেখা যাবে।তিনি বললেন, ‘এর আগে দু-একজন অভিনেত্রী ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির হয়ে বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। তবে আমার দায়িত্ব একটু বেশি। কারণ, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি কোনও অভিনেত্রী হিসেবে এটার শুভেচ্ছাদূত হলাম আমি। আর প্রতিষ্ঠানটিও অনেক সামাজিক কাজ করে। যেটা আমিও করে আসছি। তাই তাদের হয়ে আরও বেশি এ ধরনের কাজে আমাকে পাওয়া যাবে।’পরীমনি জানান, শিগগিরই তাদের হয়ে বিজ্ঞাপনে অভিনয় করবেন তিনি। এছাড়া বেশ কিছু কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। উল্লেখ্য, পরীমনি ঢালিউডে আলোচিত নায়িকাদের একজন। সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার অনন্য অভিনয়ের কারণে দেশজুড়ে রয়েছে অসংখ্য ভক্ত। এসএ/  

জন্মদিনে তারেক মাসুদকে সম্মান জানাবে গুগল

চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের ৬২তম জন্মদিন ৬ ডিসেম্বর। আর এ দিন তাকে সম্মান জানিয়ে বিশ্বব্যাপী তার ডুডল প্রকাশ করবে সার্চ ইঞ্জিন গুগল। এছাড়া তারেক মাসুদের সাক্ষাৎকারধর্মী বই ‘চলচ্চিত্রকথা’ প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ।         গুগল থেকে এমন সম্মাননার জন্য তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ গুগল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটা সত্যিই অত্যন্ত সম্মানের যে গুগল কর্তৃপক্ষ তারেকের কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি জানাচ্ছে এই ভাবে। তারেক মাসুদ বাংলাদেশের অগ্রগামী নির্মাতাদের একজন ছিলেন। একই সাথে দেশে ও বিদেশে যেমন তার অসংখ্য গুণগ্রাহী ছিল, তেমনি অনেক তরুণ নির্মাতার কাছে ছিলেন অনুকরণীয় আদর্শ।” এছাড়া এ মাসেই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তারেক মাসুদের নির্বাচিত বক্তৃতা ও বিভিন্ন সময়ে তার বিশেষ সাক্ষাৎকারের সংকলন- ‘চলচ্চিত্রকথা: বক্তৃতা ও সাক্ষাৎকার’।   বইটি প্রকাশিত হচ্ছে কথাপ্রকাশ ও তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে। এটি সম্পাদনার দায়িত্বে আছেন ক্যাথরিন মাসুদ, প্রসূন রহমান, বেলায়াত হোসেন মামুন ও আফতাব হোসেন। তারেক মাসুদ ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার। মাটির ময়না (২০০২) তার প্রথম ফিচার চলচ্চিত্র, যার জন্য তিনি ২০০২-এর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন। তারেক মাসুদ ২০০১ সালে মানিকগঞ্জে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরসহ আরও তিনজন। এসি   

শেষ হলো ‘সাপলুডু’র শুটিং

টানা ৩১ দিন দৃশ্যধারণের পর শেষ হলো নতুন সিনেমা ‘সাপলুডু’র শুটিং। গোলাম সোহরাব দোদুলের পরিচালনায় সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ এবং বিদ্যা সিনহা মিম। এটি দোদুলের প্রথম সিনেমা। সমুদ্র সৈকতে সূর্য অস্তমিত হওয়ার সময় ক্যামেরা বন্দী করা হয়েছে শেষ অংশের দৃশ্য। সে সময় সমুদ্রপারে বসেছিলেন দুজন। তাদের খুব ভালোভাবে চেনা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে আরিফিন শুভ এবং মিমই হবেন এ দুজন।সিনেমা প্রসঙ্গে গোলাম সোহরাব দোদুল বলেন, ‘সিনেমার গান ও সাধারণ দৃশ্য সবই ধারণ করা হয়ে গেছে। এখন শুরু হবে সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ। তবে এডিট করতে গেলে হয়ত কিছু প্যাচ ওয়ার্ক করা লাগতে পারে।’ অ্যাকশন থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটি প্রযোজনা করছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া। পরিচালক জানান ‘সাপলুডু’ সিনেমাটিতে দর্শকদের জন্য থাকছে অনেক অনেক চমক।এসএ/

পর্দায় আসছে ‘শিশু জিহাদ’র মর্মান্তিক মৃত্যুর গল্প

সকলের মনে আছে নিশ্চয়! ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। এ দিন রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। জিহাদ নামের ছোট্ট ফুটিফুটে এক শিশু খেলতে খেলতে রেলওয়ে কলোনির পরিত্যক্ত পাইপের ভেতর পড়ে যায়। ৩০০ ফুট গভীর সেই পাইপ থেকে তাকে উদ্ধারও করা হয়। তবে সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়। ২৩ ঘণ্টা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে তার অবস্থান নিশ্চিত না হতে পেরে অভিযান শেষ করে ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু অভিযান শেষে কয়েক মিনিটের মধ্যে স্থানীয়দের চেষ্টায় পাইপের ভেতর থেকে জিহাদকে তুলে আনা হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান শিশুটি অনেক আগেই মারা গেছে। জিহাদের মৃত্যু সারাদেশের মানুষের মনে নাড়া দিয়েছিল।এবার সেই ঘটনা নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে চলচ্চিত্র। এ ঘোষণা দিলেন জাজ মাল্টি মিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ। তিনি রোববার নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ খবর জানান।আজিজ বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে দেশের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া নানান বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া, যাতে করে আমাদের মাঝে সামাজিক সচেতনতা বাড়ে। ‘দহন’ সিনেমাটি ছিল সেই যাত্রার দ্বিতীয় পদক্ষেপ। মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের যে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি তা আমাদের সাহস যোগাচ্ছে এই পথে এগিয়ে যাওয়ার। এভাবে নিয়মিত বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাগুলোকে আমরা রুপালী পর্দায় তুলে আনতে চাই। এখন থেকে আপনাদের জীবনের গল্পগুলোই হবে আমাদের চলচ্চিত্র নির্মাণের উপজীব্য বিষয়।’সিনেমাটির গল্পের মূল ভাবনা আব্দুল আজিজের। এর কাহিনি ও সংলাপ লিখবেন নাজিম উদ দৌলা। সিনেমার নাম ও নির্মাতা এখনো ঠিক হয়নি। তবে বাংলাদেশেরই নির্মাতাই নির্মাণ করবেন এটি। এসএ/

একজন আনোয়ার হোসেনের কথা 

বাংলাদেশের সিনেমাটোগ্রাফির জগতে আনোয়ার হোসেন অন্যতম একটি নাম। সিনেমাটোগ্রাফির কথা আসলে সর্বপ্রথম তার নামটিই সবার মানসপটে ভেসে উঠে। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র মধ্য দিয়ে সিনেমাটোগ্রাফির জগতে প্রবেশ করে সাফল্যের চূড়ায় উঠেছিলেন আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সিনেমাটোগ্রাফির ভাষার নান্দনিকতাবোধ সম্ভবত তার হাত ধরেই রচিত হয়েছিল।         কিংবদন্তি এই সিনেমাটোগ্রাফারের জন্ম ১৯৪৮ সালের ৬ অক্টোবর পুরান ঢাকায়। আরমানিটোলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডে তৃতীয় হয়েছিলেন। এরপর নটর ডেম থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হয়েছিলেন বুয়েটের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগে। সেখানেও ভালো ফলাফল করেন। তবে একসময় সিনেমাটোগ্রাফি’র উপর পড়াশোনা করতে পাড়ি জমান ভারতে। ১৯৬৭ সালে আলোকচিত্রের জীবন শুরু করেন আনোয়ার হোসেন। আনোয়ার হোসেন পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ তাকে খ্যাতির চূড়ায় নিয়ে যায়। এরপর তিনি বাবুল রহমানের ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী, সিবি জামানের ‘পুরস্কার’, নিয়ামত আলীর ‘দহন’, অন্য জীবন, তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’, ‘শ্যামলছায়া’র মতো ছবির সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন। অসম্ভব প্রতিভাধর এই শিল্পী কমনওয়েলথ গোল্ড মেডেলসহ ৬৮টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন।    আনোয়ার হোসেনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র যুগল পরিচালকের একজন মসিউদ্দীন শাকের। তিনি স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘আনোয়ার আমার দু’বছরের জুনিয়র ছিলেন। ষাট এর দশকে আমরা বুয়েটে স্থাপত্য বিভাগে ভর্তি হই। আমার দুই বছর পরই একই বিভাগে ভর্তি হন অনোয়ার। দেখতাম সে সব সময় ফটোগ্রাফিতে মেতে থাকতো। শহর বা গ্রামে গিয়ে নানা ধরনের ছবি তুলে সে আমাদের দেখাতো। এটা খুব ভালো লাগতো। পরে আমরা চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন শুরু করলে আনোয়ারকে সেখানে যুক্ত করি। এরপর ওই সময় পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে বৃত্তির ঘোষণা এল। এর আগে সেখানে বাদল রহমান, সালাউদ্দীন জ্যাকি তারাও পড়েছে। তখন আমি তাকে পুনেতে পড়াশোনা করার জন্য বললাম। সে কথা মতো তাই করেছিল। ’ মসিউদ্দীন শাকের বলেন, ‘ছয় বছর পর আমরা যখন ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’নির্মাণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন আনোয়ারকে চিঠি লিখলাম তুমি দেশে চলে এসো। সে কথা মতো চলে এলো। তারপর কাজ শুরু করলাম। দেখা গেল ফটোগ্রাফির জ্ঞান আর সিনেমাটোগ্রাফির ওপর পড়াশোনা দুই-ই মিলিয়ে আনোয়ার চমৎকার কাজ করলেন। এমন অনেক বিষয় ছিল, যেগুলো অন্য কেউ হলে অনেকক্ষণ বুঝিয়ে বলতে হতো। কিন্তু তাকে বোঝানোর দরকার হয়নি।’   আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কাজ করতে গিয়েই পরিচয় ঘটে ডলি আনোয়ারের। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র সেট থেকে যে প্রেম তাদের শুরু হয় একসময় এক সন্তানের মা ডলিকে বিয়ে করেন আনোয়ার। কিন্তু ১৯৯১ সালে ডলি আত্মহত্যা করলে আনোয়ার হোসেনের জীবন বিষাদে চেয়ে যায়। তারপর ১৯৯৫ সালে ফ্রান্সে পাড়ি জমান এই কীর্তিমান। সেখানে ১৯৯৬ সালে ফরাসি মেয়ে মারিয়ামকে বিয়ে করে আবারও নতুন জীবন শুরু করেন। বর্তমানে আকাশ হোসেন ও মেঘদূত হোসেন নামে আনোয়ার হোসেনের দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। আনোয়ার হোসেন ভালোবাসতেন নির্জনতা। ৭০ বছর বয়সে তিনি ঘুরে বেড়াতেন বন-বাদাড়ে। তার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর। ফ্রান্সে কিছুদিন থাকলেও বাকি দিনগুলো তিনি কাটাতেন গ্রামের বাড়িতে। দুই বছর আগে এই কিংবদন্তির সঙ্গে দেখা হয়েছিল- তিনি বলেছিলেন, গ্রামের ওই মেঠো পথ, বন-জঙ্গল আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। কিছু শিখতে চাইলে ওখানে চলে আসিস। আমি তোদের অপেক্ষায় থাকবো.......আনোয়ার হোসেনের অপেক্ষা আর শেষ হবে না। তিনি নিরবে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। শনিবার ১ ডিসেম্বর তার নিরব প্রস্থান ঘটে। বিদায় ঘটে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের। এসি    

আনোয়ার হোসেনকে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে 

আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ও বাংলাদেশের কিংবদন্তি আলোকচিত্র শিল্পী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেনকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনাল এ মারা যান তিনি। সেখান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।      সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় আনোয়ার হোসেনের মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘর থেকে শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক বেলায়েত হোসেন মামুন। মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোমবার সকালে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য আনোয়ার হোসেনের মরদেহ শহীদ মিনারে রাখা হবে। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মরিয়াম হোসেন এবং আনোয়ার হোসেনের দুই পুত্র আকাশ হোসেন ও মেঘদূত হোসেন আগামীকাল ফ্রান্স থেকে দেশে এসে পৌঁছাবেন।’ এসি    

শুক্রবার ৪৭ হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘দহন’ 

বছরের আলোচিত ছবি ‘দহন’ শুক্রবার দেশের ৪৭টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। ছবিটি প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ‘দহন’ সিনেমায় নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ আর নায়িকা চরিত্রে রয়েছেন পূজা চেরি। আরও রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।      সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েই দহন সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফি। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। বাসে ট্রেনে গাড়িতে আগুন দেয়। সেই আগুনে কখনো কখনো পুড়ে মরে আপনজন। অন্যদিকে মাদক আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে একেবারে শেষ করে দিচ্ছে। এমনই গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘দহন’। ‘দহন’ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, ফজলুর রহমান বাবু, সুষমা সরকার, রাজ রিপা, মুনিরা মিঠু, শিমুল খান প্রমুখ। সিনেমাটির সুর ও সংগীত করেছেন ইমন সাহা, আহমেদ হুমায়ুন ও কলকাতার আকাশ সেন। যেসব সিনেমা হলে ‘দহন’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে- ১। স্টার সিনেপ্লেক্স – বসুন্ধরা সিটি,ঢাকা ( ১১:০০, ১:৫০ , ৪:৩০, ৭:১০) ২। ব্লকবাস্টার সিনেমাস – যমুনা ফিউচার পার্ক(১১:৩০, ২:১৫, ৫:০০,৭:৪০)৩। শ্যামলী সিনেমা – ঢাকা( ১২:০০, ২:৪০, ৫:৩০, ৮:০০)৪। মধুমিতা সিনেমা- ঢাকা৫। বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড – ঢাকা৬। চিত্রামহল সিনেমা – ঢাকা৭। রানীমহল সিনেমা – ডেমরা৮। সিলভার স্কিন – চট্টগ্রাম ( শুক্রবার: ২:০০, ৪:১৫, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ২:৩০, ৪:৩০)৯। চম্পাকলি সিনেমা – টঙ্গী ১০। বর্ষা সিনেমা –জয়দেবপুর১১। নিউ মেট্রো সিনেমা – নারায়ণগঞ্জ ১২। সেনা সিনেমা – সাভার ১৩। মনিহার সিনেমা – যশোর ১৪। নন্দিতা সিনেমা – সিলেট১৫। ছায়াবাণী সিনেমা – ময়মনসিংহ১৬। আলমাস সিনেমা – চট্টগ্রাম১৭। সনিয়া সিনেমা – বগুড়া১৮। রুপকথা সিনেমা – পাবনা১৯। মডার্ন সিনেমা – দিনাজপুর ২০। অভিরুচি সিনেমা – বরিশাল২১। লিবার্টি সিনেমা- খুলনা২২। রাজ সিনেমা – কুলিয়ারচর২৩। মম-ইন–বগুরা২৪। কেয়া সিনেমা – টাঙ্গাইল২৫। মধুমতি সিনেমা- ভৈরব ২৬। শংখ সিনেমা – খুলনা২৭। শাপলা সিনেমা – রংপুর২৮। চন্দ্রিমা সিনেমা – শ্রীপুর২৯। আলমডাঙ্গা সিনেমা- আলমডাঙ্গা৩০। অনামিকা সিনেমা – পিরোজপুর৩১। বাবু সিনেমা- কিশোরগঞ্জ৩২। বৈশাখী সিনেমা – নরিয়া৩৩। ছন্দা সিনেমা – কালীগঞ্জ৩৪। দিনান্ত সিনেমা – কেশরহাট৩৫। গ্যারিশন সিনেমা – দয়ারামপুর৩৬। লাইটহাউজ সিনেমা – পারুলিয়া৩৭।মমতাজমহল সিনেমা – নীলফামারী৩৮। নসীব সিনেমা – শাপাহার৩৯। রাজু সিনেমা – ঈশ্বরদী ৪০। রঙ্গধনু সিনেমা – নজিপুর৪১।রুপালী সিনেমা – পাচবিবি৪২। শাহীন সিনেমা- বল্লাবাজার৪৩।সখী সিনেমা – হোসাইনপুর৪৪। সোনালী সিনেমা – ঘোড়াঘাট৪৫। সনি সিনেমা – ইসলামপুর৪৬। উল্লাস সিনেমা - বীরগঞ্জএবং ৪৭। কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (শো-টাইম - ৩:০০, ৬:০০) এসি   

পূজার অপেক্ষা

নায়িকা পূজা চেরি। শিশুশিল্পী থেকে নায়িকা। দর্শকদের ভালোবাসা আর সমর্থন পেয়ে ইতিমধ্যে হয়ে উঠেছেন প্রিয় অভিনেত্রী। পূজাও চান নায়িকা হিসেবে নয়, একজন অভিনেত্রী হয়ে দর্শকের মাঝে বেঁচে থাকতে। পূজার প্রথম সিনেমা ‘নুরজাহান’। সাফটা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। ওই সময় পোস্টারে পূজার ছবি দেখে দর্শকদের অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। সেই পূজা এখন জাত অভিনেত্রী হয়ে উঠছেন। ‘পোড়ামন-২’ এর পর এবার তার নতুন সিনেমা ‘দহন’ মুক্তির অপেক্ষায়। পূজা বলেন, ‘সেই ছোটবেলা থেকেই অভিনয় শিখছি। আরও শিখতে চাই। প্রতিনিয়ত শেখার মধ্য দিয়েই যাব। দর্শকদের ভালোবাসা আর সমর্থন পেলে আমিও তাদের একজন প্রিয় অভিনেত্রী হয়ে উঠতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।’ একজন নায়িকা হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সব গুণই এখন পূজার মধ্যে বিদ্যমান। ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিন পর পারফেক্ট নায়িকা এখন তিনি। গেল ঈদে টিভি অভিনেতা সিয়ামের সঙ্গে ‘পোড়ামন-২’ সিনেমা মুক্তি পায় পূজার। প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত এ সিনেমাটিই টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়াল তার। সুপার ডুপার হিটের তালিকায় চলে যায় সিনেমাটি। দর্শকদের অভিমত পূজা শাবনূরদের উত্তরসূরি। এবার পূজার অপেক্ষা নতুন মিশনের। ‘পোড়ামন-২’র একই নির্মাতা, একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এবং একই নায়কের সঙ্গে অভিনয় করেছেন নতুন সিনেমাতে। ‘দহন’ সিনেমাটি ‘পোড়ামন-২’-কেও ছাড়িয়ে যাবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানালেন পূজা।এ বিষয়ে পূজা বলেন, ‘এটি একটি পুরোপুরি মৌলিক গল্পের সিনেমা। এ ধরনের সিনেমা অনেক দিনই বাংলাদেশের মানুষ দেখেনি। তাই প্রত্যাশা করতেই পারি এটি দর্শকরা বেশ গ্রহণ করবেন।’এসএ/

ব্যাংককে আমজাদ হোসেনের চিকিৎসা শুরু হয়েছে    

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার ও লেখক কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব আমজাদ হোসেন। এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আছেন দুই ছেলে সোহেল আরমান ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুল।      আজ (বুধবার) সকাল থেকেই তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়। হাসপাতালটির নিউরোসার্জন ডা. টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের।   এর আগে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয় আমজাদ হোসেনকে। রাত দুইটায় থাইল্যান্ড পৌঁছানোর পরই দ্রুত ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। আমজাদ হোসেন হাসপাতালটির পাঁচ তলার ৫৩০ নম্বর কেবিনে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। আমাজাদ হোসেনের চিকিৎসার সম্পর্কে ডা. টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুন জানিয়েছেন, ‘আমজাদ হোসেনের কিডনিতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণে শুরুতেই কিডনির চিকিৎসা শুরু করেছেন তারা। ফুসফুসেও ইনফেকশন ধরা পড়েছে আমজাদ হোসেনের। এই জটিলতা কেটে গেলেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত চিকিৎসা শুরু হবে।’ এরইমধ্যে সিটি স্ক্যান করা হয়েছে আমজাদ হোসেনের।   তাঁর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল বলেন, ‘হাসপাতালে পৌঁছানোর পরই ডাক্তাররা আমাদের বলেছেন, আরও আগে নিয়ে আসলে ভালো হতো। বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে কিছুতেই তারা হাল ছাড়ছেন না। তারা আশার বাণীও শোনালেন আমাদের।’ মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নিয়ে থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। আমজাদ হোসেনের আরেক ছেলে সোহেল আরমান গণমাধ্যমকে  জানান, ‘মঙ্গলবার সাড়ে ১১ টার দিকে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল আসেন। তাকে পর্যবেক্ষণ করেন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া যাবে কি না? এরপর ব্যাংককের ডাক্তাররা তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান। তাকে সেখানকার বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, তিনি গত ১৮ নভেম্বর নিজ বাসভবনে ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমজাদ হোসেনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, তিনি ১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকে তিনি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। তিনি কালজয়ী কিছু চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তাঁর মধ্যে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতাপুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমনি’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘ভাত দে’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ ও ‘গোলাপী এখন বিলেতে’। ১৯৮১ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বরেণ্য এই নির্মাতা। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকে ভূষিত হন। গুণী এই পরিচালক ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।   এ ছাড়া শিশুসাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দু’বার অগ্রণী শিশুসাহিত্য পুরস্কার এবং ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বরেণ্য এই নির্মাতার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পরলে তাঁর উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ৪২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান  দেওয়া হয়। কেআই/এসি    

শাকিবের সঙ্গে মৌমিতা   

ঢালিউড কিং শাকিব খানের সঙ্গে এবার জুটি বাঁধছেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়েই সিনেমাটি নির্মাণ করছেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াত। প্রাথমিকভাবে সিনেমাটির নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বীর’। এই ছবির মধ্যে দিয়ে বর্ষীয়ান এই পরিচালক অর্ধশত সিনেমা নির্মাণের খাতায় নাম লেখাবেন। জানুয়ারিতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সম্প্রতি এই ছবিতে যুক্ত হয়েছেন মৌমিতা মৌ। ‘বীর’ ছবিতে মৌমিতা ছাড়াও থাকবেন আরও একজন নায়িকা। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়েই সাজানো হয়েছে সিনেমাটির চিত্রনাট্য।    মৌমিতা মৌ বলেন, ‘ছোট বেলা থেকে একসঙ্গে শাকিব খানের সঙ্গে বড় হয়েছি। তাকে আমার ভালো লেগে যায়। অবশেষে ভালোবেসে ফেলি। তার প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকি। তারপর....... গল্পটা এভাবে এগিয়ে যায়। আমার কাছে ভালো লেগেছে। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়েই সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। দুই নায়িকা নির্ভর চলচ্চিত্র। টান টান অনেক বিষয় থাকে গল্পতে, যা দর্শকদের ভালো লাগবে। ’  মৌমিতা সর্বশেষ মালেক আফসারি পরিচালিত ‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এসি       

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি