ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৪:১৯:০৩

ধ্রুব মিউজিক কটেজে শেখ মহসিনের ‘বাউলা অন্তর’  

ধ্রুব মিউজিক কটেজে শেখ মহসিনের ‘বাউলা অন্তর’  

অডিও ফিতার যুগের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শেখ মহসিন ইউটিউব যুগে সবার কাছে পরিচিত হয়েছেন ‘ময়না’ গানের মাধ্যমে। এবার ‘বাউলা অন্তর’ শিরোনামে আরো একটি গানের অডিও-ভিডিও নিয়ে হজির হচ্ছেন প্রতিভাবান এই কন্ঠশিল্পী । গানটি প্রকাশ করেছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। ডিএমএস, তাদের ফোক গানের ইউটিউব চ্যানেল ‘ধ্রুব মিউজিক কটেজে প্রকাশ করবে গানটি। গানটির কথা ও সুর করেছেন শেখ মহসিন নিজেই আর সংগীতায়োজন করেছেন সচি সামস্ । মানিকগঞ্জের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত নাসির। ভিডিওতে মডেল হিসেবে আছেন হামজা। তার সাথে জুটি বেঁধেছেন মডেল আদিবা ইভা । থাকছে শেখ মহসিনের উপস্থিতিও ।    শেখ মহসিন বলেন, মানিকগঞ্জের চমৎকার কিছু লোকেশনে দুই দিন খুব যত্ন করে ডায়নামিক ডিরেক্টর সৈকত নাসির ভাই নির্মাণ করেছেন। এক অসাধারণ হৃদয় ছোঁয়া গান ও যুগান্তকারী দৃষ্টিনন্দন মিউজিক ভিডিও `বাউলা অন্তর`। আশা করছি দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগবে।’ গানটির ভিডিও নিয়ে সৈকত নাসির বলেন, ‘মহসিনের কণ্ঠ এক কথায় অসাধারণ। গানটির সুর ভালো হয়েছে। গান এখন শোনার পাশাপাশি দেখার বিষয়টাও গুরুত্বপূর্ণ। সে কথা মাথায় রেখে গানটির গল্পনির্ভর একটি ভিডিও স্রোতারা দেখতে পারবেন। আমার কাছে মনে হয় দর্শক- শ্রোতা হতাশ হবেন না । ২৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ (ডিএমএস) এর ফোক গানের ইউটিউব চ্যানেল ‘ধ্রুব মিউজিক কটেজ’-এ অবমুক্ত করা হবে ‘বাউলা অন্তর’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে ডিএমএস ওয়েব সাইট, জিপি মিউজিক এবং বাংলালিংক ভাইবে।      এসি    
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে চার শিল্পীর উপহার

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানাতে তাকে নিয়ে গান গেয়েছেন সংগীতাঙ্গনের কয়েকজন নবীন শিল্পী। ‘তুমি জনতার মঞ্চে এসে দাঁড়ালে/ লাল সবুজের পতাকা দোলে/ তুমি জনতার মঞ্চে এসে দাঁড়ালে/ হৃদয়ে বাংলাদেশ কথা বলে।’- এমনই কথায় গানটি গেয়েছেন এই প্রজন্মের চার তরুণ কণ্ঠশিল্পী কিশোর দাশ, পুলক অধিকারী, পুতুল ও লিজা। গানটি লিখেছেন সুজন হাজং। যাদু রিচিলের সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন সুমন কল্যাণ। ইতিমধ্যে গানটির রেকর্ডিং হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে গাইতে পেরে উচ্ছ্বসিত তরুণ এ শিল্পীরা। এ বিষয়ে সুমন কল্যাণ জানান, গানটি কথা ও সুর চমৎকার। উৎসাহ এবং আন্তরিকতার সঙ্গে গানে কণ্ঠ দেয়ার জন্য চার শিল্পীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। গীতিকবি সুজন হাজং বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ম্যাজিক্যাল নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ গানটি করার মাধ্যমে আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে গানটি ভিডিওসহ প্রকাশ করা হবে। উদ্যোক্তারা জানান,  গানটি হবে তাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য জন্মদিনের উপহার। উল্লেখ্য, সুমন কল্যাণের সঙ্গীতায়োজনে এর আগেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান হয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত সেই গানে কন্ঠ দিয়েছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ, ফাহমিদা নবী, কোনাল ও পুলক। এসএ/

প্রকাশ পেয়েছে ইমরানের ‘এ জীবনে যারে চেয়েছি’

প্রকাশ পেয়েছে প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ স্মরণে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরানের নতুন গান ‘এ জীবনে যারে চেয়েছি’। সালমান শাহ অভিনীত ‘প্রিয়জন’ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানের রিমেক এটি। ইমরানের সংগীতায়োজনে গানটি গাওয়ার পাশাপাশি এতে অভিনয়ও করেছেন তিনি। পর্দায় তার সঙ্গী হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। গানটি প্রকাশের পর এটি এখন পর্যন্ত দেখা হয়েছে প্রায় দেড় লাখ বার। ১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রানা নাসের পরিচালিত ‘প্রিয়জন’ চলচ্চিত্রে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন এন্ড্র কিশোর ও সাবিনা ইয়াসমিন। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখায় গানটির সুর করেছিলেন আলম খান। আজ ১৯ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ’র জন্মদিন উপলক্ষে গানটি নতুন করে গাইলেন ইমরান। গানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্মরণ করলেন ইমরান বলেন, ‘সালমান শাহ আমাদের স্বপ্নের নায়ক। আমার অনেক পছন্দ তাকে। আর ছোটবেলা থেকে যার গান শুনে প্লেব্যাক শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি তিনি হচ্ছেন এন্ড্রু কিশোর দাদা। গানটির আরেক শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম এবং সুরকার আলম খান চাচারও অনেক বড় ভক্ত আমি। গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির চাচা। সব ভালোলাগাকে এক করেতে চেয়েছি এই ট্রিবিউটের মাধ্যমে। গানের মূল সুরটি ঠিক রেখে সংগীতায়োজন করার চেষ্টা করেছি।’ সালমানের জন্মদিনের আগে ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় অনুপম মিউজিকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় গানটি। গানের ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। ভিডিও দেখুন :   এসএ/  

‘কাপ সং’ দিয়ে ভাইরাল হওয়া অবন্তীর গল্প

ডাক নাম অবন্তী। পুরো নাম অবন্তী দেব সিঁথি। বেড়ে ওঠা জামালপুরে। মফস্বল শহরের আলো-ছায়ায় বেড়ে ওঠা অবন্তী কখনো ভাবেননি কণ্ঠশিল্পী হবেন। গান গেয়ে মানুষের মন জয় করার চিন্তা তো আরও অনেকদূরে। নিজের ভেতর গুটিয়ে থাকা একটি মেয়ে। ছোটবেলায় বড়বোনের পাশে বসে গান শুনতেন। সেখান থেকেই গানের প্রতি আগ্রহ বাড়ে। এভাবেই একসময় নিজেই বাদ্যযন্ত্র নিয়ে গেয়ে ওঠেন মিতালী মুখার্জি, সাবিনা, রুনার গান। বড় বোন পড়াশোনার চাপে গান ছেড়ে দেন। কিন্তু অবন্তী শুরু করেন ভালোভাবে। মা-বাবাও মেয়ের গানের প্রতি আগ্রহ দেখে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। ওস্তাদ সুশান্ত দেব কানু’র কাছ থেকে নেন গানের তালিম। এক কথায় ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে যোগাযোগ তার। জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক আর দিগপাইত শামসুল হক ডিগ্রি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থী থাকার সময় গান গেয়ে পরিচিতি পান তিনি। গিটার আর হারমোনিয়াম বাজানো শিখেছেন সেই ছোটবেলাতেই। কলেজে পড়ার সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও গান করতেন অবন্তী। ২০০৩ ও ২০০৪ সালে লোকগান ও নজরুলসংগীত গেয়ে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন। এ ছাড়া ২০০৫ সালে ক্ল্যাসিক্যাল ও লোকসংগীত গেয়ে পেয়েছেন ‘ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান স্বর্ণপদক’। ২০০৬ সালে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় নিজের নাম লেখান, কিন্তু শুরুতেই থেমে যায় তার স্বপ্ন। প্রথম ৫৫ জনের ঘরে এসেই ছিঁটকে পড়েন অবন্তী। তারপর পড়ালেখার কারণে গানের জগত থেকে একটু দূরে অবস্থান করেন। তবে মনের মধ্যে সেই সুর প্রতিনিয়ত বেজে ওঠে। থেমে থাককে পারেননি অবন্তী। ২০১১ সালের কথা। অবন্তী তখন ঢাকায় বাস করেন। নিজেই গান শেখানো শুরু করেন। ছাত্রদের গান শেখানোর পাশাপাশি নিজের চর্চাটাও শুরু করেন পুরোদমে। ২০১২ সালে আবারও নাম লেখান ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায়। এবার আর পিছিয়ে পড়া নয়, আস্তে আস্তে জায়গা করে নেন সেরা দশে। কিন্তু বিধিবাম, পরবর্তী রাউন্ডে বাদ পড়ে যান। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। এতো সময় যে গল্পটা হলো তা সাধারণ এক সঙ্গীত প্রেমী অবন্তীর গল্প। কিন্তু এরপরে অবন্তী সিঁথি সবার সামনে উপস্থিত হন অন্য এক আলো নিয়ে। সেই প্রথম তাকে দেশের মানুষ চিনেছে ফেসবুকে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে নজড় কেড়েছিলেন তিনি। খালি গলায় গান গাইছিলেন। বাদ্যযন্ত্র বলতে তেমন কিছুই ছিল না। ফয়েল পেপার, ধাতব মুদ্রা আর প্লাস্টিকের দুটি কাপ। সুরের মায়াজাল তৈরি করে গেয়ে চলছিলেন ‘যেখানে সীমান্ত তোমার …’। একবার নয়, বেশ কয়েকবার গানটি শুনে নিজের অজান্তেই সবাই বলে উঠেছেন- ‘আহা, কী মিষ্টি গলা! কী নিখুঁত পারফরমেন্স!’ লাখ লাখ ভিউয়ার্স দেখে ফেলেছে অবন্তীর সেই ভিডিওটি। কেউ কেউ মেয়েটির গলার প্রশংসা করার পাশাপাশি রূপেরও প্রশংসা করে। এক কথায় শিক্ষিত সুন্দরী অবন্তী। তবে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর সবাই তাকে কাপ সিঙ্গার বলে ডাকতে শুরু করে। ক্লোজআপ ওয়ানে সেরা দশে থাকার কল্যাণে স্টেজ শো-সহ গান গেয়ে উপার্জনের পথটা খুলে যায় অবন্তীর। এরইমধ্যে দুটি সিনেমার দুটি প্লেব্যাকে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। সায়মন তারিক পরিচালিত ‘মাটির পরী’ ও ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ‘পাগলা দিওয়ানা’ সিনেমাতে গান গেয়েছেন। এবার আমরা প্রবেশ করব কাপ সঙ্গীতের নেপথ্যের গল্পে। প্রথম বাংলাদেশি মেয়ে, যে ‘কাপ সং’ পারফর্ম করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। যে কারণে অবন্তীকে আজ সবাই চেনে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণের গল্পটি শোনা যাক অবন্তীর মুখেই। ‘আমি কখনো ভাবিনি কাপ সং আমাকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে দেবে। দুই তিন-ঘণ্টার ব্যাবধানে হাজার হাজার দর্শক মিলবে। খুলেই বলি, বেশ কিছুদিন আগের ঘটনা। ইউটিউবে দুটি বিদেশি মেয়ের কাপ সং পারফর্ম দেখে ভালো লাগে আমার। এরপর ইউটিউব ঘেঁটে কাপ সংয়ের ওপর কিছু টিউটোরিয়াল দেখে নিই। পরে নিজে নিজেই চেষ্টা করি। কয়েকটি গান ট্রাই করার পর ভাবলাম যে এবার নিজের কিছু গান ভিডিও করে ইউটিউবে ছাড়লে কেমন হয়! নিজের ইউটিউব চ্যানেলে নিজের গান পোস্ট করার মজাই আলাদা। এরই মধ্যে একদিন বাসার সবাই চলে গেছে গ্রামের বাড়ি। একা বাড়িতে বসে ভিডিও করে ফেললাম ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ গানটি। তখন সন্ধ্যা। গানটি আপলোড করে ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে আমি ঘুমিয়ে পড়ি। ঘণ্টা দুয়েক পরে ফেসবুকে ঢুকে দেখি প্রচুর নোটিফিকেশন। আমি তো দেখে অবাক। সাধারণত এত লাইক এত কমেন্ট কখনো আমি পাইনি। ফেসবুকে ঢুকে দেখি প্রায় ২০ হাজার ভিউয়ার্স। এরপর অন্য আরেকটি পেজে দেখলাম আমার এই গানটি। সেখানে প্রায় ৫ লাখ ভিউয়ার্স। আমি, তো তাজ্জব।’ সেই যে শুরু এখন তার যাত্রা আরও প্রশস্ত হয়েছে। ইউটিউবের মাধ্যমে ‘কাপ সং’ উপহার দিয়ে প্রথম দফায় ভালোই ভাইরাল হন অবন্তী সিঁথি। তবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতীয় একটি টিভি চ্যানেলে তিনি যা দেখিয়েছেন, সেটি দেখলে চমকে যাবেন সবাই। রবিবার সকাল থেকে অবন্তীর গাওয়া ও শিস বাজানো কিশোর কুমারের ‘আকাশ কেন ডাকে’ গানটি ভাইরাল হয়ে ঘুরছে দুই বাংলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শনিবার রাতে ভারতের জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’র মঞ্চে এসে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন বাংলাদেশের মেয়ে অবন্তী সিঁথি। তার কণ্ঠ, কাপ মিউজিক আর শিস শুনে বিস্ময়কর এক ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন। তার পরিবেশনা দেখে উপস্থিত বিচারক শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, মোনালী ঠাকুর, পণ্ডিত তন্ময় বোস, রূপঙ্কর বাগচী, জয় সরকার ও শুভমিতার মতো নন্দিত শিল্পী-সুরকাররা আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। করতালি আর প্রশংসায় ভাসিয়ে দেন বাংলাদেশের অবন্তীকে। এই অনুষ্ঠানের নতুন পর্বের শুটিংয়ে অবন্তী সিঁথি এখন ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন। এবারের পরিবেশনাটি এরকম প্রশংসিত হওয়া প্রসঙ্গে অবন্তীর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘সম্মানিত বিচারকদের অ্যাপ্রিসিয়েশন পেয়ে আমি আসলে কথা হারিয়ে ফেলেছিলাম। স্টেজে দাঁড়িয়ে তখন নিজের হৃদস্পন্দন শুনতে পাচ্ছিলাম। ভাবতেই পারিনি এই পরিবেশনা সবার এতটা ভালো লাগবে। আমি খুব খুশি।’ এসএ/

কলকাতা মাতালেন বাংলাদেশের ভাইরাল কন্যা অবন্তী

অবন্তী সিঁথি। ইউটিউবের মাধ্যমে ‘কাপ সং’ উপহার দিয়ে ভাইরাল হন তিনি। সোলস ব্যান্ডের ‘কেন এই নিঃসঙ্গতা’ আর কুমার বিশ্বজিতের ‌‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ শিরোনামের গান দুটি ভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে গেয়ে চমকে দিয়েছিলেন সবাইকে। এবার দেখা গেলো তার নতুন চমক। শনিবার ভারতের একটি টিভি চ্যানেলে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে অবন্তী চমকে দিলেন ওপার বাংলার দর্শকদের। এরপর রবিবার সকাল থেকে অবন্তীর গাওয়া ও শিস বাজানো কিশোর কুমারের ‘আকাশ কেন ডাকে’ গানটি ভাইরাল হয়ে যায়। যা এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে দুই বাংলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভারতের জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’র মঞ্চে এসে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন বাংলাদেশের মেয়ে অবন্তী সিঁথি। তার কণ্ঠ, কাপ মিউজিক আর শিস অতিথি সহ ভারতীয় সঙ্গীতপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। অবন্তীর এই বিস্ময়কর পরিবেশনা দেখে উপস্থিত বিচারক শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, মোনালী ঠাকুর, পণ্ডিত তন্ময় বোস, রূপঙ্কর বাগচী, জয় সরকার ও শুভমিতার মতো নন্দিত শিল্পী-সুরকাররা আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। করতালি আর প্রশংসায় ভাসিয়ে দেন বাংলাদেশের মেয়েটিকে। অবন্তীর আলোচিত সে গানের ভিডিও :   এসএ/

মনির খানের কণ্ঠে এ আর রাজের লেখা গান

ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতশিল্পী তৌফিক ইমামের প্রিয় শিল্পী মনির খান। সঙ্গীতে আসার পর থেকেই স্বপ্ন ছিল প্রিয় গায়কের সঙ্গে গান করবেন। সম্ভাবনাময় তরুণ গীতিকার এ আর রাজের কথায় অবশেষে পূরণ হলো সেই স্বপ্ন। তৌফিকের নতুন অ্যালবাম ‘এক মনেরি মালিক’-এর একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন মনির খান। গানটির শিরোনামও ‘এক মনেরি মালিক’। এ আর রাজের লেখা এই গানটির সুর করেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতপরিচালক মিল্টন খন্দকার। গানটির ভিডিওতেও দেখা যাবে মনির খানকে। এই অ্যালবামেই এ আর রাজের লেখা ও সুরে ‘ওরে বন্ধু সোনারে’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তৌফিক ইমাম। শিগগিরই মনির খানের ইউটিউব চ্যানেল এমকে এন্টারটেইনমেন্টে প্রকাশিত হবে অ্যালবামের গানের ভিডিও। এ বিষয়ে মনির খান বলেন, আট-নয় বছর ধরে গানের সঙ্গে যুক্ত তৌফিক ইমাম। ভক্ত অনেক রকম হয়। ও একটু অন্য রকম। কয়েক বছর ধরে লেগে আছে। ওর কমিটমেন্ট আমার পছন্দ হয়েছে। এই প্রথম কোনো ভক্তের অনুরোধে গাইলাম। তৌফিক ইমাম বলেন, আমার আইডল সঙ্গীতশিল্পী মনির খান। জানতাম আমার স্বপ্নের কথা জানলে তিনি রাজি হবেন। তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আশা করছি, গানটি শ্রোতারা পছন্দ করবেন। এ আর রাজ বলেন, মনির খান আমার খুব পছন্দের একজন শিল্পী। আমার লেখা গান যখন মানির খানের মতো খ্যাতিমান একজন শিল্পীর কণ্টে অনুরনিত হয়। তখন আমার ভালো লাগাটা অনেকগুণে বেড়ে যায়, এটা বলার উপেক্ষা রাখে না। আশা করি শ্রতারা আমার লেখা ও মনির খানের কণ্ঠের এ গান শুনে আনন্দ পাবে। আরকে//

ইউটিউব মাতাচ্ছে ‘দাওয়াত’

রেদওয়ান রনি নির্মিত গত ঈদের টেলিছবি ‌‘বিয়ের দাওয়াত রইলো’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এবার মুক্তি পেলো এতে ব্যবহৃত ‘দাওয়াত’ শিরোনামের গানটি। মোশাররফ করিম, মিথিলা, স্পর্শিয়া, মনোজ কুমার, সুমন পাটোয়ারী, মুকিত জাকারিয়া অভিনীত হাস্যরসাত্মক ‘বিয়ের দাওয়াত রইলো’ ঈদে দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দিয়েছে। এবার এলো প্রতীক্ষিত ‌‘দাওয়াত’ গানের ভিডিও। ‌‘মন খুলে হয়ে যা রে লাউড, দাওয়াতে নাচবে ফুল ক্রাউড’- এমন কথার বিয়ের গানের সঙ্গে নেচেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া। তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন মোশাররফ করিম ও মিথিলা। গানটি দেখা যাচ্ছে বাংলাফ্লিক্স ও বাংলাঢোলের ইউটিউব চ্যানেলে। শর্মি হোসেইন ও অম্লান চক্রবর্তীর কথায় এর সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন অম্লান চক্রবর্তী। আর গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তৃষা চ্যাটার্জি। ভিডিও দেখুন : এসএ/

সালমান শাহ স্মরণে ইমরানের গান

প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ স্মরণে গাইলেন ও অভিনয় করলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান। সালমান শাহ অভিনীত ‘প্রিয়জন’ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গান ‘এ জীবনে যারে চেয়েছি’ গানটির রিমেক করলেন সংগীতশিল্পী ইমরান। নিজের সংগীতায়োজনে গানটি গাওয়ার পাশাপাশি এতে অভিনয়ও করেছেন তিনি। পর্দায় তার সঙ্গী হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। ১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রানা নাসের পরিচালিত ‘প্রিয়জন’ চলচ্চিত্রে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন এন্ড্র কিশোর ও সাবিনা ইয়াসমিন। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখায় গানটির সুর করেছিলেন আলম খান। আগামি ১৯ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ’র জন্মদিন উপলক্ষে গানটি নতুন করে গাইলেন ইমরান। এ সময় গানটির সংশ্লিষ্টদের স্মরণ করলেন ইমরান বলেন, ‘সালমান শাহ আমাদের স্বপ্নের নায়ক। আমার অনেক পছন্দ তাকে। আর ছোটবেলা থেকে যার গান শুনে প্লেব্যাক শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি তিনি হচ্ছেন এন্ড্রু কিশোর দাদা। গানটির আরেক শিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন ম্যাডাম এবং সুরকার আলম খান চাচারও অনেক বড় ভক্ত আমি। গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির চাচা। সব ভালোলাগাকে এক করেতে চেয়েছি এই ট্রিবিউটের মাধ্যমে। গানের মূল সুরটি ঠিক রেখে সংগীতায়োজন করার চেষ্টা করেছি।’ সালমানের জন্মদিনের আগে ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় অনুপম মিউজিকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে গানটি। গানের ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। এসএ/

রুনা সামাদের ‘একমুঠো রোদ্দুর’ (ভিডিও)

প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী রুনা সামাদ। তার কণ্ঠের জাদুতে ইতিমধ্যে তিনি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পেয়েছেন শ্রোতাদের অফুরন্ত ভালোবাসা। প্রতিনিয়ত গেয়ে যাচ্ছেন নতুন নতুন গান। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের গুণী সংগীত পরিচালক আলী আকবর রূপুর সর্বশেষ কাজ নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে তার নতুন অ্যালবাম ‘একমুঠো রোদ্দুর’। রুনা সামাদের কণ্ঠে দেশের প্রথিতযশা গীতিকারদের কথায় এই অ্যালবামটি বরেণ্য এই সুরকারের শেষ স্বাক্ষর।‘গানের ডালি’ থেকে প্রকাশিত এই গানগুলোর কথা লিখেছেন আলী আকবুর রূপুর দীর্ঘদিনের সাথী লিটন অধিকারী রিন্টু, বাকীউল আলম, আবু ইসহাক হোসেন।অ্যালবামের গান প্রসঙ্গে গীতিকার লিটন অধিকারী রিন্টু বলেন, বাংলা গানের ক্ষেত্রে এই অ্যালবামটি অন্যতম স্মৃতির স্বাক্ষর হয়ে থাকবে। আমাদের জন্য তো বটেই। এই অ্যালবামটির কাজ নিয়ে রুপু ভাই তার শেষ দিনগুলোতেও ভেবেছেন। একই সঙ্গে রুনা সামাদের কণ্ঠ ও গায়কী নিয়েও আমরা খুব আশাবাদী।গানগুলোর প্রশংসা করেছেন কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎসহ অনেকেই। দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, রুনা সামাদ গুণী একজন কণ্ঠশিল্পী। বিশেষ গান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তার রুচিবোধের প্রশংসা করতেই হয়। আলী আকবর রূপু আমার একাধিক গানের স্রষ্টা। এমন গুণী সুরস্রষ্টা শেষ কাজের স্মৃতিস্মারক হয়ে থাকবে এই অনবদ্য অ্যালবামটি। গানগুলো শুনতে ক্লিক করুন : এসএ/

সঙ্গীতশিল্পী ন্যান্সি ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও তার স্বামী নাজিমুজ্জামান জায়েদকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবিতে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করা হয়েছে। কলেজের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সামিউন্নাহার শানুর ওপর নির্যাতনের বিচার দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন সহপাঠীরা। শানুর ওপর নির্যাতনের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলার হুকুমের আসামি হলেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও তার স্বামী নাজিমুজ্জামান জায়েদ। ওই মামলার পর গত ৭ সেপ্টেম্বর শানুর স্বামী ন্যান্সির ছোট ভাই শাহরিয়ার আমান সানিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলার অপর দুই আসামি ন্যান্সি ও তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এসএ/  

আগুনের গানে সালমান শাহ

প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে নিয়ে একটি নতুন গানে কণ্ঠ দিলেন আগুন। ‘লাভ ইউ সালমান শাহ’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন নিহার আহমেদ এবং সুর করেছেন মুরাদ নূর। ১২ সেপ্টেম্বর গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, সালমান শাহ অভিনীত ২৭টি সিনেমার নাম ব্যবহার করে এ গানটির কথা লেখা হয়েছে। এটি নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকেই হোমওয়ার্ক করছিলেন সুরকার, গীতিকার ও শিল্পী। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের জন্মদিন অনুষ্ঠান উদযাপন করবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। সেই অনুষ্ঠানেই গানটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এর আগেই এ গানের মিউজিক ভিডিও তৈরি করা হবে। গানটি প্রসঙ্গে আগুন বলেন, ‘সালমান শাহ ছিল আমার খুব কাছের বন্ধু। ওর অকালে চলে যাওয়াটা আসলেই কষ্টের। অল্প সময়ে এত জনপ্রিয়তা পাওয়া সবার ভাগ্যে জোটে না। তাকে নিয়ে নতুন গান গেয়েছি। অসম্ভব সুন্দর এবং মিষ্টি একটি গান এটি। গানটি শ্রোতারা গ্রহণ করলে আমাদের সবার পরিশ্রম সার্থক হবে।’ এসএ/  

গীতিকবি নজরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী আজ 

‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’সহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানের গীতিকার ও মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯০ সালের এই দিনে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তার রচিত অসংখ্য গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’, ‘হাজার মনের কাছে প্রশ্ন রেখে’, ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে’, ‘দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা’, ‘ডাকে পাখি খোল আঁখি’, ‘আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়’, ‘আমার মনের আকাশে আজ জ্বলে শুকতারা’ ইত্যাদি। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় জন্ম নেয়া এ গীতিকবি ১৯৯১ সালে ‘পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’ সিনেমাতে শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।এসএ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি