ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৩৩:৩১

ভালোবাসা দিবসে তাহসান-টিনার ‘শেষ দিন’

ভালোবাসা দিবসে তাহসান-টিনার ‘শেষ দিন’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে কণ্ঠশিল্পী তাহসান ও টিনার প্রথম দ্বৈত গান ‘শেষ দিন’। ‘মনে করো কাল বলে কিছু নেই, আজই সেই শেষ দিন; যা বলার আছে বলে দাও, জানোই তো মন খুলে সব বলা কত কঠিন; মনে করো, আজই শেষ দিন’- এমনই কাব্যকথায় সাজানো গানটি লিখেছেন গীতিকবি জুলফিকার রাসেল। যৌথভাবে সুর করেছেন তাহসান ও সাজিদ সরকার। সুরের পাশাপাশি গানের সঙ্গীতায়োজনও করেছেন সাজিদ সরকার। গানের ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে সিডি চয়েসের ইউটিউব চ্যানেলে। গানটি প্রসঙ্গে তাহসান বলেন, ‘কাব্যকথায় দারুণ একটি গল্প তুলে ধরা হয়েছে ‘শেষ দিন’ গানটিতে। সুর ও সঙ্গীতায়োজনে আছে ভিন্ন মাত্রা। টিনার গায়কিও শ্রোতার প্রশংসা কুড়াবে বলেই আমার ধারণা। সব মিলিয়ে ভক্তদের কাছে গানটি সময়োপযোগী আয়োজন বলেই মনে হবে। তাহসানের মতো একই মত পোষণ করেছেন কণ্ঠশিল্পী টিনা।এসএ/
‘হঠাৎ’-এ প্রশংসিত বালাম-সুজানার রসায়ন

দীর্ঘদিন পর আবারও নতুন গান এবং মিউজিক ভিডিও নিয়ে হাজির হয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী বালাম। গানের শিরোনাম ‘হঠাৎ’। এটি লিখেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি গানটির সুর এবং সঙ্গীতায়োজন করেছেন বালাম নিজেই। মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন পরাগ ও ভাস্কর। ভিডিওটি সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে। এতে মডেল হিসেবে বালামের পাশাপাশি সুজানা জাফরকেও দেখা গেছে। যাতে দুই তারকার রসায়ন প্রশংসিত বেশ হয়েছে। নতুন গান প্রসঙ্গে বালাম বলেন, ‘তাহসান ভাইয়ের লেখা গানের কথাগুলো বেশ চমৎকার। নান্দনিক দৃশ্যে ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে। মূলত গানের জন্য মডেল হিসেবে সামনে আসা। আমার বিশ্বাস দর্শক-শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে নতুন এ মিউজিক ভিডিওটি।’ এছাড়া আরও কয়েকটি নতুন গান নিয়ে কাজ করছেন বালাম। শিগগিরই এসব গানের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবেন তিনি। গানটির ভিডিও : এসএ/  

‘মধু হই হই’ গানের প্রকৃত শিল্পী রশীদ মাস্টার

‘এটা আমার প্রেমের একটা ইতিহাস। আমিতো প্রেম করছি, কিন্তু তাকে বিয়া-শাদি করতে পারি নাই। ওরে পাই নাই। ও আমারে যেরকম বলছিল, ওই রকম করে নাই। ওই উপলক্ষে আমি আমি গানটা গাইছি।’এ কথাগুলো আলোচিত ও জনপ্রিয় সঙ্গীত ‘মধু হই হই’র প্রকৃত শিল্পী আবদুর রশীদ মাস্টার। গানটির জন্মকথন বলতে গিয়ে এ দীর্ঘশ্বাস রশীদের কণ্ঠে। যদিও নানা শিল্পীর কণ্ঠে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান ‘মধু হই হই’ শোনা গেছে এবং যাচ্ছে। তবে এর প্রকৃত শিল্পী আবদুর রশীদ মাস্টার। এবারই প্রথম তিনি প্রকাশ্যে আসলেন। সেই সঙ্গে জানালেন তুমুল জনপ্রিয় এ গানটির পেছনের গল্প এবং তার ক্ষোভের কথা।প্রেমিকা ‘মীনারা’কে হারিয়ে এক সাধারণ মানুষের ভেতর জেগে ওঠে বিচ্ছেদের সুর। সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্রের তীরে বসে তিনি সৃষ্টি করেন একের পর এক গান; হৃদয়ের কষ্ট গাঁথেন সুরে ও কথায়।কিন্তু বাদ্যের তালে তালে তা সবার সামনে গাইতে পারেননি তখনই। জাহাজে করে আসা এক বিদেশি পর্যটক তার গান শুনে উপহার হিসেবে হাতে তুলে দেন ম্যান্ডোলিন।সে ম্যান্ডোলিন শিখে ২০০৪ সাল থেকে প্রকাশ্যে গান গাইতে শুরু করেন আব্দুর রশীদ মাস্টার। টুকটাক মার্শাল আর্ট জানায় লোকমুখে নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘মাস্টার’। বর্ষাকালে মাছ ধরতে সমুদ্রে যান তিনি আর শীতকালে সেইন্ট মার্টিন দ্বীপে আসা পর্যটকদের গান শোনান।প্রেমিকা মীনারার বিচ্ছেদে লেখা ‘মধু হই হই’ গানটির তার মুখ থেকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। আলমগীর অপু জানান, গানের মূল কথা পরিবর্তন করেই গাওয়া হয়েছে গানটি। এতে ক্ষোভ আছে রশীদের।তিনি বলেন, ‘পুরা গানটা কেউ গাইতে ফারে না। মূল গানটা কেউ বলে না। গানে একটা কথা আছে ‘কোন দুষহান ফাই ভালোবাসার মূল ন’দিলা’-এখানে সবাই বলে ‘কোন কারণে দাম ন’ দিলা’। গানের শেষে আমার নাম আছে সেটাও ব্যবহার করা হয় না।’উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক অনলাইন টেলিভিশন সিপ্লাসটিভির এডিটর ইন চিফ আলমগীর অপুর বক্তেব্যে জানা গেছে আব্দুর রশীদ মাস্টারের জীবনের গল্প। গত ৪ ফেব্রুয়ারি তার উদ্যোগেই সিপ্লাস টিভি লাইভে আসেন এ শিল্পী। এরপর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।এসএ/  

জন্মদিন পালন করে জরিমানা গুনলেন পপ তারকা

পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করে পাঁচ হাজার সোমোনি, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে পাঁচশো মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা দিয়েছেন তাজিকিস্তানের একজন জনপ্রিয় পপ তারকা ফিরুসা খাফিজোভা। তাজিকিস্তানের মুদ্রার নাম সোমোনি। জন্মদিন উদযাপনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন খাফিজোভা, যেখানে তাকে এবং তার বন্ধুদের মঞ্চে নাচ-গান করতে দেখা যায়। আর এই অপরাধেই তাজিকিস্তানের রাজধানী দাশানবের এক আদালত এই দণ্ড দিয়েছেন। কারণ দেশটির সংস্কার, প্রথা ও ঐহিত্য বিষয়ক আইনের আর্টিকেল আট অনুযায়ী, কেউ নিজের বাড়ির বাইরে জন্মদিনের আয়োজন করতে পারবেন না। মামলায় সরকারি কৌসুলি আইনটিকে জনগণের জন্য জরুরি বলে বর্ণনা করেন। ‘এই আইনের উদ্দেশ্য হলো, মানুষ অপ্রয়োজনীয় আয়েশে বা বিলাসে খরচ না করে নিজের পরিবারের পেছনে অর্থ ব্যয় করবে।’ কিন্তু তাজিকিস্তানের অনেক নাগরিক সামাজিক মাধ্যমে এই আইনটির প্রতি অসন্তোষ ব্যক্ত করছেন। একে ‘আজব আইন’ বলে বর্ণনা করে অনেকেই লিখছেন, এটা মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দ, এতে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। ফেসবুকে একজন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘মানে নেই এমন আইনের কী প্রয়োজন? আর এটা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র?’ আরেকজন ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘জন্মদিন পালন করবেন? আপনি বরং দুর্নীতি দমন বিভাগের লোকজন, কর কর্মকর্তা এবং সরকারি কৌসুলিদের দাওয়াত দিন। তাহলে আর কোনও সমস্যা থাকবে না।’ তাজিকিস্তানের এই আইন ২০০৭ সালে প্রণয়ন করা হয়, এবং ২০১৭ সালে সংস্কার করে আইনটির পরিধি আরও বাড়ানো হয়। শুরুতে কেবল দেশটির সংস্কার ও ঐহিত্য সংরক্ষণ এর লক্ষ্য ছিল, পরে বিবাহ, শেষকৃত্য এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই আইনে ধারা রয়েছে। বিয়েতে কতজন অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া যাবে, আর কত পদের খাবার পরিবেশন করা যাবে, সে বিষয়ে আইনে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। আবার পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যুর পর মুসলিম পরিবারে সাধারণ গরু-ছাগল জবাই করে যে ভোজের ব্যবস্থা করা হয়, এ আইনে সে ক্ষেত্রে একটি সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই আইন করাই হয়েছে, যাতে মানুষ অতিরিক্ত ব্যয় না করে। আর অনেক মানুষ যেমন বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যয় করতে গিয়ে ঋণের বোঝা মাথায় নেয়, সেটি ঠেকানোর জন্যই এই আইন বলবত করা হয়েছে। পশ্চিমা দেশের মানুষজন এই আইনটিকে নিয়ে মজা করলেও, খোদ তাজিকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা আইনটিকে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ মনে করেন। আর খাফিজোভা আইন ভঙ্গ করার দায়ে দণ্ড পাওয়া বা জরিমানা হওয়া প্রথম তারকা নন। দেশটির আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৮ সালে ৬৪৮ ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মার্কিন ডলারের মত জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি একে//

আইসিইউতে সোনু নিগম

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলেন সঙ্গীত শিল্পী সোনু নিগম। দ্রুত সুস্থ হতে আইসিইউতে ভর্তি হন তিনি।ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁয় ডিনার করার পরই আসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মুহুর্তেই পুরো শরীরে অ্যালার্জি ছড়িয়ে পড়ে তার। এ জন্য সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যান সোনু। যদিও দেরি হয়ে যায়। কারণ ধীরে ধীরে বীভৎস অবস্থা হতে থাকে।যদিও ঘটনাটি কয়েক দিন আগের। বান্দ্রার কুরলা কমপ্লেক্সে ডিনার করতে গিয়েছিলেন বলিউড গায়ক সোনু নিগম। আর সেখানকার খাবার খেয়েই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সোনু। সেখান থেকে তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।চিকিৎসা যাতে দ্রুত হয়, তাই আইসিইউতে ভর্তি হন সোনু। হাসপাতালের চিকিৎসকরাই তাকে এই পরামর্শ দেন।হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, দু’দিন চিকিৎসার পর গায়ক এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে তার আরও দিনকয়েক সময় লাগবে।উল্লেখ্য, সোনু নিগমের পরবর্তী কনসার্ট রয়েছে ওড়িশায়। মনে করা হচ্ছে সেই কনসার্টে যেতে পারবেন তিনি। তার তোড়জোড়ও শুরু করে দিয়েছেন শিল্পী।কিছুদিন আগে এক ভক্তের হাত মুচড়ে দেওয়ার জন্য খবরে এসেছিলেন সোনু নিগম। গত মাসের শেষের দিকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় তার। সেখানে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল এক ভক্ত সোনু নিগমের সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন। প্রিয় শিল্পীকে কাছে পেয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে তার কাঁধে হাত রেখেছিলেন ওই ভক্ত। কিন্তু মুহূর্তেই ঘটে যায় অঘটন। ভক্তের হাতটি ধরে মুচকে দেন সোনু।সূত্র : কলকাতা টুইন্টিফোরএসএ/

বব মার্লের জন্মদিন আজ

প্রখ্যাত জ্যামাইকান শিল্পী বব মার্লের জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জামাইকান এ রেইজ শিল্পী সেইন্ট এ্যানের নাইন মাইলের একটি বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। অবহেলিত মানুষের অধিকার, বর্ণবাদী প্রথার বিরোধীতা, জনগণের নানান ক্ষোভ ও প্রত্যাশা ইত্যাদি স্থান পেত তার গানে। তিনি একাধারে শিল্পী, গীটার বাদক, সুরকার ও গীতিকার। জীবনঘনিষ্ঠ গান গেয়ে বিশ্বজুড়ে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।মার্লে তার জ্যামাইকান নাগারিকদেরর মত কালো ছিলেন না। তার গায়ের বর্ন সাদা-কালোর মিশ্রণে গড়া। কেননা তার বাবা ছিলেন শ্বেতাঙ্গ বৃটিশ কর্মচারী। মা ছিলেন জামাইকান কৃষ্ণাঙ্গ। তাই স্কুলে তার কৃষ্ণাঙ্গ বন্ধুরা তাকে ‘সাদা বালক’ বলে ডাকতো। কিন্তু মার্লে সাদাদের দুনিয়ায় বিশেষ করে পাশ্চাত্যে ‘কালো মানুষ’ নামে খ্যাত হয়ে আছেন। কারন তিনি সর্বদা নির্যাতিত কালোদের অধিকারে গান গেয়েছেন।মাত্র ১৮ বছর বয়সে কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে ব্যান্ডদল গঠন করেছিলেন মার্লে। এরপর কখনো দলের হয়ে আবার কখনো এককভাবেই গানের অ্যালবাম বের করেছেন।‘বাফেলো সোলজার’, ‘নো ওম্যান’, ‘নো ক্রাই’, ‘গেট আপ স্ট্যান্ড আপ’, ‘ব্ল্যাক প্রগ্রেস’-এর মতো অনেক ভুবনকাঁপানো গান তার অনবদ্য সৃষ্টি।মার্লে ও তার ব্যান্ড ‘ওয়েলার্স’ ১৯৭৪ সালে ‘বার্নিন’ নামে যে অ্যালবামটি নিয়ে আসে তাতে ছিল বিখ্যাত গান ‘গেট আপ অ্যান্ড স্ট্যান্ড আপ’। ষাট ও সত্তরের দশকে দেশে দেশে উত্তাল জাতীয়তাবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে বিদ্রোহী মানুষের বুকে সাহস জুগিয়েছে এ গান।মার্লের সময় জ্যামাইকা সাম্প্রদায়িকতা আর অশান্তিতে পূর্ণ। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রেই অস্থিরতা চলছিল দেশটিতে। শ্বেতাঙ্গ-কৃষ্ণাঙ্গ বিভেদের কারণে সংঘাতও ছিল নিয়মিত ঘটনা। মার্লে নিজেও ছোটবেলা থেকেই সাদা-কালো দ্বন্দ্বে ভুগতেন।কিন্তু সুবিন্যস্ত জটাধারী চুলের মার্লে সবসময় মানবতার পক্ষে গান গাইতেন। তাই তার অবস্থান ছিল কৃষ্ণাঙ্গদের পক্ষে। নিপীড়িত আর খেটে খাওয়া মানুষের কাছে তিনি ছিলেন ব্যপক জনপ্রিয়।ফুসফুস ও মস্তিষ্কের ক্যান্সারের কারণে ১৯৮১ সালের ১১ মে এ স্বাধীনচেতা শিল্পীর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরেও বিশেষ করে জ্যামাইকায় বব মার্লের জনপ্রিয়তায় এতটুকুও ভাটা পড়েনি।এসএ/

জন্মদিনে তানিয়ার উপহারে বাকরুদ্ধ বাপ্পা মজুমদার 

আজকের এই দিনে পৃথিবীতে আসেন কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার জন্মদিন উপলক্ষে স্ত্রী অভিনয়শিল্পী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইন তাকে একটি আকর্ষণীয় পিয়ানো উপহার দিয়েছেন। এমন উপহার পেয়ে চমকে উঠেন এবং বাকরুদ্ধ হয়ে যান বাপ্পা।     সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি সে বিষয়টি প্রকাশ করেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বাপ্পা লেখেন, ‘আমি সত্যি সত্যিই বাকরুদ্ধ। এই মুহূর্তে আমি কোনো শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না অনুভূতি প্রকাশের। তবে এই অনুভূতি স্বর্গীয়। আর আমাকে স্বর্গীয় অনুভূতির ছোঁয়া দিয়েছে তানিয়া হোসাইন। সত্যিই আমি ভাষাহীন হয়ে গেলাম। এভাবে আমাকে বোকা বানানোর কোনো মানে হয়? বলো? ইহাকেই বলে, তব্দা খাইয়া বইসা গেলাম।’ এর আগে গত বছরের ১৬ মে রাতে ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা তানিয়া হোসাইনের সঙ্গে ঘরোয়াভাবে বাপ্পা মজুমদারের আংটিবদল অনুষ্ঠান হয়। আংটিবদলের একটি ছবি ২০ মে রাতে তানিয়া হোসাইন তার ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। ওই বছরের ২৪ জুন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে ঢাকা ক্লাবের সিনহা লাউঞ্জে খুব ছোট পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বাপ্পা ও তানিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিনয় ও সংগীতজগতের ঘনিষ্ঠজনরা। এসি    

লিজার ‘বিভোর হয়ে’

তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সানিয়া সুলতানা লিজা। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পুরনো গানের নতুন একটি ভিডিও নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। ‘বিভোর হয়ে’ শিরোনামের এই মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশ করেছে জিসান মাল্টিমিডিয়া।গানটির কথা লিখেছেন জিয়াউদ্দিন আলম, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন নাহিদ নোমান অরূপ। গানের ভিডিওচিত্রে লিজার সঙ্গে মডেল হয়েছেন নিলয় চৌধুরী ও মুমু। এটি নির্মাণ করেছেন খান মাহি।এ প্রসঙ্গে লিজা বলেন, ‘গানটি ২ বছর আগে করেছি। তখন লিরিক ভিডিও প্রকাশ হয়। শ্রোতাদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয় তখন। এবার গানটি ভিডিও করা হলো। আশা করছি এবারও শ্রোতা-দর্শকরা পছন্দ করবেন।’লিজা আরও বললেন, ‘আমি বছরে হাতেগোনা যে কয়টি গানের ভিডিও করেছি সেগুলো একেবারেই বাণিজ্যিক চিন্তা মাথায় রেখে করিনি। কারণ, আমি আমার পছন্দের কথা-সুরের গান গাইতে চাই। রাতারাতি হিট হয়ে যাওয়ার মতো গান নয় এগুলো। তবে দীর্ঘ সময় টিকে থাকার মতো। আমার বিশ্বাস এই গানটিও অনেক দিন টিকে থাকবে।’দেখুন ভিডিও : এসএ/  

‘কফি হাউজ’ নিয়ে নোবেলের ঝড়

কলকাতায় কফি হাউজে কফি খেতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে কলকাতার ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নেওয়া শিল্পী নোবেল। কফি হাউজের সহকারিরা তাকে পেয়ে অনুরোধ করে ‘কফি হাউজ ‘ নিয়ে বিখ্যাত গানটি যেন সে করে। তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে গতকাল শনিবার জি বাংলাতে গানটি পরিবেশন করে সাবইকে অভিভূত করে দেন নোবেল। কিছুক্ষণের জন্য সবাই হারিয়ে যায় গানের রাজ্যে। তার এই গানে রিতিমতো ঝড় উঠে।      নোবেলের গিটারের ঝংকারে মুগ্ধ সবাই। তার সঙ্গে মঞ্চে ছিল একদল বাদক। নতুন করে সংগীতায়োজন করা গানটিতে পাওয়া যায় এই সময়ের ছোঁয়া। সঙ্গে ছিলো কোরাসের সহশিল্পীরাও। বরাবরের মতো এবারও বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছেন নোবেল। বিচারকের আসনে বসা শ্রীকান্ত আচার্য, অলকা ইয়াগনিক ও শান্তুনু মৈত্র প্রসংশা করেন তার গায়কীর। রাতে গানটি প্রচারের পর ফেসবুকেও ছড়িয়েছে গানটি। জি বাংলার ফেসবুক পেজে গানটিতে লাইক পড়তে থাকে হাজার হাজার। নোবেলের এই গানের সঙ্গে তবলা বাজিয়েছেন যিনি একসময় মান্না দে’র সঙ্গেও তবলা বাজিয়েছেন। গান শুনে নোবেলের উদ্দেশ্যে শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, ‘তুমি গানটি গাইলে, এখানে দীপু দা রয়েছেন তবলাতে। উনি দীর্ঘদিন মান্না দার সঙ্গে বাজিয়েছেন। মান্না দা শেষ কয়েক দশকে যতগুলো গান গেয়েছেন, এই গানটা সুপার হিটের উপরেও যদি কিছু থাকে তাহলে তাই। তোমার কণ্ঠে গানটা শুনেও মুগ্ধ হয়ে গেছি। এই গান কোনো এক সময়ের না। এটা সব সময়ের, সর্বকালের।’ তবলা বাদককে পেয়ে নোবেল বলেন, ‘আমি চিনতাম না উনাকে, চেনার পর অনেক ভালো লাগছে, দিপু দা আমার সঙ্গে বাজালেন, সত্যিই এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ দিপুও স্মৃতিকাতর হয়ে বললেন, ‘মান্না দা’র সঙ্গে তিনবার বাংলাদেশে গেছি। তিনবারই এই গানটা গাইতেই হয়েছিল।’ মাঈনুল আহসান নোবেল ছোটবেলা থেকেই গান পছন্দ করতেন। গানের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেওয়া না থাকলেও নোবেল ভারতের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে জেমসের ‘মা’ গানটি গেয়ে বাজিমাত করেন। প্রত্যেকেই তার গানের প্রশংসা করেন। এছাড়া জেমসের ‘বাবা’, আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে’, মাইলসের ‘ফিরিয়ে দাও’সহ প্রতিটি গানই সবাইকে মুগ্ধ করে।     এসি      

২০ বছর পর গানে ফিরলেন সাব্বির নাসির

৯০ দশকের মিউজিশিয়ান সাব্বির নাসির। ২০ বছর পর আবার গানে ফিরলেন রোমান্টিক গান ‘ তুমি যদি বলো’ নিয়ে। গানটিতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নাসরিন নাসা। দাদার অনুপ্রেরণায় গানে আসা পলিটিক্যাল সায়েন্স- এ অনার্স ফাইনাল ইয়ার এ পড়া নাসরিন নাসার। ছোট পর্দায় অভিনয়ের পাশাপাশি গান করছেন তিনি। এটি তার প্রকাশিত দ্বিতীয় গান। নিয়মিত রেওয়াজ আর নিষ্টার সঙ্গে চর্চার মাধ্যমে নাসা তৈরি হচ্ছেন খুব তাড়াতাড়ি নিজেকে পেশাদার শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। তুমি যদি বলো গানটিতে তারই বহিঃপ্রকাশ টের পাওয়া যায়। অন্যদিকে ছোট বেলা থেকেই পারিবারিক সূত্রে গানের হাতে খড়ি সাব্বির নাসিরের। যখন থেকে গানকে নিজের সবচেয়ে কাছের সারথি করে নিয়েছিলেন তখন থেকেই খ্যাতিমান ওস্তাদদের কাছ থেকে গানের তালিম নেয়া, চর্চা চালিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে তাদের সান্নিধ্য নিয়েছেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। গানের সঙ্গেই নিজের মনকে তৈরি করছিলেন সংগীতের পূজারী, গায়ক ও লিড গিটারিস্ট হিসেবে। আরও একটু এগোনোর পরে ব্লুজ মিউজিকে বড় ভাইয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত হওয়া ১৯৮৫ সালে। সেই দিনগুলোতে রাতের পর রাত স্টুডিওতে গিটার বাজিয়েছেন নাম ভুলে যাওয়া শত শত গানে। সুফিবাদ নিয়েও কাটিয়াছেন অনেকটা সময়। ১৯৯৮ সালে ব্যান্ড মেটামরফোসিস- এর সাথে ‘জীর্ন শহরে বৃষ্টি নামে’ নামক প্রথম এলবাম বের করা। জিম মরিসন আর মার্ক নফলারে প্রভাবিত হয়েছেন সব সময়। কিছুটা অভিমান নিয়েই মিউজিককে ছেড়ে চলে আসেন নিভৃতে। এর পর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন দেশের স্বনামধন্য করপোরেট ব্যক্তিত্ব হিসেবে। ২০১৮ সালে সমসাময়িক মিউজিসিয়ান, বন্ধুদের অনুপ্রেরণা আর মিউজিকের প্রতি আজীবন ভালোবাসার টান তাকে আবার নিয়ে যায় স্টুডিওতে, হাতে আবার তুলে নেন পুরোনো সেই গিটার আর স্বভাবসুলভ আচরণ, নতুন কিছু করার তাগিদ থেকে তৈরি হলো ‘তুমি যদি বলো`। গাঙচিল এর ব্যানারে গানটি মুক্তি পেয়েছে গাঙচিল মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে। গানটির সু্রারোপ ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মুনতাসির তুষার। গানের কথা লিখেছেন তোফায়েল হোসেন তপন, সম্পাদনা তাহসিন হোসেন এবং ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফাহিম আরেফিন ইভান। উল্লেখ্য ওয়েলকাম টিউন হিসেবে গানটি গ্রামীনফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিক এবং এয়ারটেলে পাওয়া যাচ্ছে। ভিডিও…  

বিদায় নিলেন কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি!

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। প্রায়ই তিনি উঠে আসছেন সংবাদ পত্রের শিরোনামে। এবার আবারও তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিয়েছেন এই সঙ্গীত তারকা। বন্ধ করে দেয়ার আগে তিনি বলেন, ‘আমি মহাবিরক্ত। সময় যেমন নষ্ট হয় তেমনি গোপনীয়তাও থাকে না। তাই বিদায় নিলাম।’ ভক্ত ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফেসবুকে একাধিকবার অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফেসবুকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। তবে আসল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলেও ন্যান্সির নামে এখনও অনেক ভুয়া আইডি সক্রিয় রয়েছে। যেগুলো তিনি ব্যবহার করেন না। তাই ভক্তরা এসব আইডি ও পেজকে ন্যান্সির মনে করে প্রতারিত হতে পারেন। এসএ/  

প্রকাশ পেল সাদের ‘বাঁচি তোর নিঃশ্বাসে’ 

শিল্পী-সুরকার হিসেবে এরইমধ্যে বেশ কিছু গানের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছেন তরুণ প্রজন্মের সংগীতশিল্পী সাদ শাহ। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বছরের প্রথম গান নিয়ে এলেন তিনি।  গানটির শিরোনাম ‌‘বাঁচি তোর নিঃশ্বাসে’। এর কথা লিখেছেন ফয়সাল রাব্বিকীন। মমিন খানের সুরে গানটির সংগীতাযোজন করেছেন সাদ নিজেই।  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাইগার মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওসহ এ গানটি প্রকাশ পেয়ছে। গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন রাকিব আহমেদ। সাদের সঙ্গে মডেল হিসেবে পারফর্ম করেছেন শাকিলা পারভীন। সাদ শাহ গানটি প্রসঙ্গে বলেন, গানটির কথা-সুর বেশ মনের মতো হয়েছে। তার সঙ্গে মিল রেখে এর ভিডিওটি নির্মান করা হয়েছে। টাইগার মিডিয়াকে অনেক ধন্যবাদ এ গানটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সহযোগীতা করবার জন্য। আমার বিশ্বাস শ্রোতা-দর্শকদের কাছে গানটি ভালো লাগবে।  এসি    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি