ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:১৬:৪৭, বুধবার

কলেজ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা

কলেজ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা

কলেজ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অনশন ভেঙ্গেছেন ঢাকা কলেজের সামনে আমরণ অনশনে থাকা চার শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ জুস পান করিয়ে এই চার শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙান। অনশন ভাঙানোর আগে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ শিক্ষার্থীদের চলমান সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে রাতে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন কিছুদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। তিনি আরও জানান, সাত কলেজে শিক্ষার উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয় আজ বুধবার অধ্যক্ষ সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বৈঠকে সাত কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষকে আগামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সভায় উত্থাপন করতে পরামর্শ দেওয়া হবে। এর আগে ঢাকা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানেরা শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করলেও তেমন কোনও আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।  রাতে উপাধাক্ষ আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন। এই সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির সরকারি সাত কলেজের তীব্র সেশনজট, ত্রুটি পূর্ণ ফলাফল এবং ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে ঢাকা কলেজের গেটের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন তারা। শরুতে তিন শিক্ষার্থী দিয়ে অনশণ শরু হলেও বিকালে আরও এক শিক্ষার্থী যুক্ত হন। টিআর//
ইবিতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে বেতন ও ফি কমানোর দাবি

বেতন ও ভর্তি ফিসহ অন্যান্যা ফি কমানোর দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রশাসন ভবন অবরোধ করে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। আবরোধের সময় আন্দোলনকারী দুই শিক্ষার্থী গায়ে কেরোসিন তেল ঢালে। বেতন ফি কমানো না হলে আত্মহত্যার হুমকি দেয় তারা। মঙ্গলবার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে তারা ক্যাম্পাসে মিছিল ও মানববন্ধন করেন। পরে সকাল ১০টা থেকে ১টা পযর্ন্ত প্রশাসন ভবনের প্রধান ফটক অবরোধ করে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন ভবন অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা, বাবার রক্ত যদি সেই চুষতে হবে, প্রাইভেট না হয়ে পাবলিক কেন তবে??, ছাত্রের টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নয়, হৈ হৈ রৈ রৈ এত টাকা গেল কই, এক দফা এক দাবি বেতন ফি কমাতে হবে ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে সেখানে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্মণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আনিছুর রহমান, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান উপস্থিন হন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন শিক্ষকরা। পরে আন্দোলনকারীদের ১০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে উপাচার্যের আলোচনার প্রস্তাব দিলে তারা প্রত্যাখ্যান করেন। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারী দুই ছাত্র গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি ফিসহ অন্যান্যা ফি চারগুণ বৃদ্ধি করে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার করা হয়। এখন প্রতি বছর সাড়ে ৯ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। যা আগে ছিল ৩ হাজার। এত টাকা বহন করা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে আমাদের অনেক বন্ধু ফরম ফিলাপ করতে পারছে না। এ সকল ফি না কমানো পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। পরে বেলা ১টার দিকে প্রশাসন ভবন থেকে সরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও কয়েক জন শিক্ষার্থী প্রধান ফটক সংলগ্ন ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ ম্যুরালের পাদদেশে অমরণ অনশন করেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পযর্ন্ত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আমরা ফি বৃদ্ধি করেছি। তাও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম। এটা একটা মিমাংসীত ইস্যু। এদিকে সকাল ১১টার সময় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত পাঁচ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন করছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এ অনসন চলবে জানায় শিক্ষার্থীরা। এ প্রতিবেদন লেখা পযর্ন্ত শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান বলেন, বিষয়টি যেহেতু যথাযথ প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে আসতে হবে। ফ্যাকাল্টি মিটিং হয়ে একাডেমিক সভায় আসলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবো। এসি  

পাঁচ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে তিন শিক্ষার্থী

সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থী আমরণ অনশন করছেন। অনশনকারী তিন শিক্ষার্থী হলেন- সাইফুল ইসলাম, আবু নোমান এবং সাকিব। এরা সকলেই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা কলেজের মূল গেটের সামনে অনশন করছেন তারা। আমরণ অনশনের অংশ নেয়া ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৭-১৮ সেকশনের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা যেই দাবিগুলো নিয়ে এখানে এসেছে। সেই দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আমরা আমরণ অনশন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখানে অনশন করবো। এদিকে আজ সকালে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে নীলক্ষেত মোড়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সমূহ—১. পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ একটি বর্ষের সকল বিভাগের ফলাফল একত্রে প্রকাশ করতে হবে।২. ডিগ্রী, অনার্স, মাস্টার্স সকল বর্ষের ফলাফল গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ প্রকাশসহ খাতার পুনঃমূল্যায়ন করতে হবে।৩. সাত কলেজ পরিচালনার জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন চাই।৪. প্রতি মাসে প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টে প্রতি কলেজে দুইদিন করে মোট ১৪ দিন ঢাবির শিক্ষকদের ক্লাস নিতে হবে।৫. সেশনজট নিরসনের লক্ষ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশসহ ক্রাশ প্রোগ্রামের চালু করা। টিআর/

নীলক্ষেতে সড়ক অবরোধ করে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ৫ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এর পর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ কর অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছ টাকা দিচ্ছ বাঁশ, সময় শেষে সর্বনাশ’- এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাবির অধিভুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাস সাত কলেজের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তার পর মানববন্ধন, অনশন কর্মসূচি সর্বশেষ সিদ্দিকের (তিতুমির কলের শিক্ষার্থী) চোঁখের বিনিময়ে ঢাবি আমাদের কার্যক্রম ধীরগতিতে শুরু করে। প্রায় দুই বছর দুই মাস অতিবাহিত হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কোনো সুফল ভোগ করতে পারছেন না। বিলাল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাবি আমাদের যে মান অনুযায়ী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে, সেই মান অনুযায়ী ক্লাসে পড়ানো হয় না। এমনও বিষয় আছে- পাঁচটির বেশি ক্লাস হয় না। নানা অজুহাতে ক্লাস বন্ধ থাকে। শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সমস্যাগুলো নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের কাছে গেলে উনারা বলেন, ঢাবি তোমাদের সব কার্যক্রম করছে, আর ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে গেলে বলে সাত কলেজের শিক্ষকরা সভা করে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এভাবেই শিক্ষাথীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়।  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সমূহ— ১. পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ একটি বর্ষের সকল বিভাগের ফলাফল একত্রে প্রকাশ করতে হবে। ২. ডিগ্রী, অনার্স, মাস্টার্স সকল বর্ষের ফলাফল গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ প্রকাশসহ খাতার পুনঃমূল্যায়ন করতে হবে। ৩. সাত কলেজ পরিচালনার জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন চাই। ৪. প্রতিমাসে প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টে প্রতি কলেজে দুইদিন করে মোট ১৪ দিন ঢাবির শিক্ষকদের ক্লাস নিতে হবে। ৫. সেশনজট নিরসনের লক্ষ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশসহ ক্রাশ প্রোগ্রামের চালু করা। টিআর/

ঢাবিকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে হাবিপ্রবি

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ফুটবল দল। সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। একের পর এক আক্রমণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নিতে থাকে তারা। অবশেষে প্রথমার্ধে দলের অধিনায়ক গোলাম সারোয়ার তাকওয়া-এর আক্রমনের সুফল পায় হাবিপ্রবি ফুটবল দল। প্রথম অর্ধে ১-০ ব্যবধান রেখে মাঠ ছাড়ে হাবিপ্রবি। বিরতি শেষে আক্রমণের ধার আরো বাড়ায় হাবিপ্রবি দল। মুহুর্মুহু আক্রমণে ঢাবি রক্ষণভাগকে তারা ব্যাস্ত করে রাখে। আক্রমণের এক মুহূর্তে দলের ক্যাপ্টেন তাকওয়া তার ২য় গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায় বিজয়ের দিকে। অবশেষে ২-০ গোলে বিজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হাবিপ্রবি ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে হেট্রিকসহ এখন পর্যন্ত দলের হয়ে ৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হচ্ছেন দলের এই তরুণ অধিনায়ক গোলাম সারোয়ার তাকওয়া । আগামী ২৪ তারিখে গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বনাম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার খেলায় যে দল জয় লাভ করবে সে দলের সাথে আগামী ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে হাবিপ্রবি ফুটবল দল । উল্লেখ্য,আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় হাবিপ্রবি ফুটবল দল গ্রুপ পর্বে ১ম খেলায় জবি ফুটবল দলকে ৬-০ গোলে, ২য় খেলায় কুয়েট ফুটবল দলকে ২-০ গোলে ও ৩য় খেলায় ঢাবি ফুটবল দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে। এসি  

বিজয় একাত্তর হলে সিনিয়র-জুনিয়রদের হাতাহাতি!

শবে বরাতের খাবারকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে সিনিয়র -জুনিয়রদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত ১টার দিকে হলের অতিথি কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিজয় একাত্তর হলের জিএস নাজমুল হাসান নিশান শবে বরাত উপলক্ষে রাতে তার কর্মীদের জন্য খাবারের আয়োজন করে। এরপর নিশানের অনুসারী চতুর্থ বর্ষের তোফায়েল আহমেদ সহ কয়েকজন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য অতিথি কক্ষে ডাকে। তারপর অতিথি কক্ষে খেতে গেলে এদের মধ্যে কয়েকজন যারা হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদের অনুসারী তারা খাবার না খেয়ে বের হতে চাইলে এক পর্যায়ে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মাঝে হাতাহাতি হয়। এই বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের জিএস নাজমুল হাসান নিশান বলেন, ‘শবে বরাত উপলক্ষে রাতে হলের সবার জন্য আমি খাবারের আয়োজন করেছিলাম। হলের সিনিয়ররা-জুনিয়রদের নিয়ে হলের গেস্ট রুমে খেতে গেলে এক পর্যায়ে হারুনের অনুসারী দ্বিতীয় বর্ষের কয়েকজন শাওন নামের তৃতীয় বর্ষের একজনকে মারধর করে। ঘটনা শুনে এরপর আমি নিচে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি।’ এই বিষয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গেস্ট রুমে আমাদের সবার অনুসারীরাই ছিল। গেস্ট রুমে যখন চতুর্থ বষের শিক্ষার্থী তোফায়েল দ্বারা প্রথম বর্ষের যোবায়ের হোসেন জিদ্দাকে মারার খবর ছড়িয়ে পড়ে তখন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা সেখানে যায়। এরপর মূলত তাদের সবার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।’ এই বিষয়ে জানতে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এজিএম শফিউল আলম ভূইয়াকে ফোন দিলে বলেন, ‘আমি ছুটিতে ঢাকার বাইরে আছি। ঘটনার বিষয়ে এখনো কিছু জানি না।’ এসি  

ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট শুরু ২৫

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এর উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইসিবিএম)-২০১৯’। আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল ২০১৯) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে শুরু হচ্ছে শিক্ষার্থী-গ্র্যাজুয়েট ও গবেষকদের এই মিলনমেলা। দ্বিতীয়বারের মতো তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করছে ব্র্যাক বিজনেস স্কুল। শিক্ষামন্ত্রী ড. দিপু মনি শুক্রবার (২৬ এপ্রিল ২০১৯) প্রধান অতিথি হিসেবে এই সম্মেলন এর উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ভিনসেন্ট চ্যাং, পিএইচডি। ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মাহবুব রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসিআই গ্রুপের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা ও কনফারেন্সের প্রোগ্রাম চেয়ার মামুন হাবিব উপস্থিত থাকবেন। রোববার, (২৭ এপ্রিল ২০১৯) সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। কনফারেন্সে ৪টি মূল প্রবন্ধ, ৯টি আমন্ত্রিত প্রবন্ধ, ৮টি শিল্প সংক্রান্ত প্রবন্ধ ও ২৮টি প্যারালাল সেশনে বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ১৭০টি প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে। সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে ২৫০ জন অংশগ্রহণ করবেন। যার মধ্যে রয়েছেন মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, সুইডেন, কানাডা, নাইজেরিয়া, তাইওয়ান ও ভারতসহ ১১ দেশের ৪০ জন দেশি-বিদেশি শিক্ষক-গবেষক। সম্মেলনের শেষ দিনে ‘ইন্ডাস্ট্রি টক’ এর আয়োজন করা হয়েছে যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠান এর শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন। আন্তর্জাতিক এই কনফারেন্সটির প্লাটিনাম স্পন্সর এসিআই লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, আবদুল মোনেম লিমিটেড, আইপিডিসি ফিনান্স লিমিটেড ও রানার মটরস লিমিটেড এবং সিলভার স্পন্সর হচ্ছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও বিকাশ। এসএইচ/

জীবন যুদ্ধে হার না মানা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আযাহারুল

কোনো সমস্যাই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আযাহারুল ইসলামের সামনে। জন্মের পর থেকেই ভালোভাবে পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগ হয়নি তার। নিজের উদ্যম আর ইচ্ছা শক্তি দিয়েই শেষ করেছেন পড়ালেখা। প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে মানুষ পৃথিবীকে জয় করতে পারে। সেটিই করে দেখিয়েছেন আযাহারুল। অনার্স ও মাস্টার্স-এ প্রথম বিভাগে পাশ করে চমকে দিয়েছেন সবাইকে।  এই অদ্যম মনোবল নিয়ে আযাহারুল এখন চালিয়ে যাচ্ছেন জীবন যুদ্ধ। শুধু তাই নয় বর্তমানে রাজধানীর একটি স্কুলে খন্ডকালীন বাংলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। আযাহারুল ইসলামের জন্ম জামালপুর জেলায় এক হতদরিদ্র কৃষক পরিবারে। পরিবারে চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে আযাহারুল দ্বিতীয়। লেখাপড়া শেষ করে ভাল শিক্ষক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে দেশের সেবা করতে চান তিনি। নানা-প্রতিবন্ধকতার পরও সে পড়ালেখায় সফল হয়ে সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সিংহজানী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ভাল ফলাফল করে ভর্তি হন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে। এইচএসসি ও অনার্স-এ একই কলেজ থেকে পড়াশুনা করে প্রথম বিভাগে পাশ করে সবাইকে চমকে দেন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে এসে ২০০৮-২০০৯ সেশনে মাস্টার্সে ভর্তি হন আযাহারুল। ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়ে তোর চোখে আর ঘুম নেই। ভালো ফলাফলের আশায় দিনরাত পড়াশুনা করতে থাকেন। অবশেষে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আযাহারুল সবাইকে চমকে দিয়ে প্রথম বিভাগে পাশ করেন। বর্তমানে টিচার্স ট্রেনিং কলেজে এম এডের শিক্ষার্থী তিনি। থাকেন ঢাকা কলেজের ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রাবাসে ৩০৮ নং রুমে। গতকাল শনিবার ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে আযাহারুলের সঙ্গে কথা হয় একুশে টেলিভিশন অনলাইন প্রতিবেদকের। এসময় তিনি তার জীবনের সাফল্য ও সংগ্রামের কথা বর্ণনা করেন। আযাহারুলের মা ছেলে সম্পর্কে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, আযাহারুলের চোখে আলো না থাকলেও ছোটবেলা থেকে নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করতো। তার প্রবল ইচ্ছা শক্তি ও অদম্য আগ্রহ তাকে এতো দূর নিয়ে এসেছে। সে অন্যান্য স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের মতো কলেজে গিয়ে ক্লাস করে। নিজে মোবাইল চালায়। নিজের হাতে খাওয়া দাওয়া করে। ফুটবল-ক্রিকেট খেলাসহ নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করে। আমার ছেলে শিক্ষক হয়ে আলোকিত মানুষ গড়তে চায়। আযাহারুল ইসলাম বলেন, মা বাবার প্রচন্ড আগ্রহ ও সবার সহযোগিতায় আমি এই পর্যন্ত এসেছি। পড়াশুনা শেষ করে ভাল শিক্ষক হয়ে দেশ সেবা করতে চাই। এই অবস্থানে আসতে গিয়ে কোন প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়েছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে এখানে আসতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় হলো যখন স্কুল কলেজে পড়তাম তখন বন্ধুরা আমাকে মেনে নিতে পারেনি। এমনকি অনেক শিক্ষক খারাপভাবে কথা বলতো। তারা বলতো- পড়ালেখা করে তুমি কি করবা, ভালো অংঙ্ক-ইংরেজি জাননা। তুমি পারবা না। এসব কথা আমাকে খুব কষ্ট দিত। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করার।  আযাহারুল এক বুক কষ্ট নিয়ে বলেন, বিভিন্ন পরীক্ষায় শিক্ষকরা আমাকে নম্বর কম দিতো। তবুও আমি হাল ছাড়েনি। আনেক সংগ্রাম আর কষ্টের পর এই অবস্থানে এসেছি। আমি সবাইকে বলবো- আপনারা আমার মতো এই সমাজে আরও যারা আছে তাদেরকে যদি সহযোগিতা করতে না পারেন, অবহেলা করবেন না। টিআর/

প্রশ্নপত্রে পর্ন তারকার নাম: সেই শিক্ষককে সাময়িক অব্যাহতি

প্রশ্নপত্রে দুই পর্ন তারকার নাম ছাপা হওয়ায় ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের সহকারী শিক্ষক শংকর চক্রবর্তীকে বাধ্যতামূলক সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শনিবার  রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়প্রকাশ সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জয়প্রকাশ সরকার আরও জানান, রোববার (২১ এপ্রিল) রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচালক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসবেন। দায়িত্বে অবহেলায় ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হবে কি না ওইদিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ১৭ এপ্রিল, বুধবার রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের বহু নির্বাচনি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, ‘বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কী?’ এই প্রশ্নের সম্ভাব্য যে চারটি উত্তর দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ছিল পর্ন তারকা মিয়া খালিফার নাম! তবে তার নাম লেখা হয় ‘মিয়া কালিফা’। এছাড়া বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস ‘আম-আঁটির-ভেঁপু’র (প্রশ্নে আঁটি বানানে চন্দ্রবিন্দু নেই) রচয়িতার সম্ভাব্য নাম হিসেবে রাখা রয়েছে সাবেক পর্ন তারকা অভিনেত্রী সানি লিয়নের নাম! এমন অদ্ভুত প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেয় বিদ্যালয়টি। এসএইচ/

আটককৃতদের না ছাড়লে টিএসসিতেই থাকবেন আন্দোলনকারীরা

সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আজ শনিবার বিকেল চারটার দিকে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ নামে আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, মানববন্ধন শুরুর আগেই সেখান থেকে পরিষদের সাত নেতাকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ৷ পরে আটকদের মুক্তিসহ চাকরির বয়স ৩৫ করার দাবিতে বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন করছেন এই শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, আটকদের না ছাড়লে টিএসসিতেই থাকেবেন তারা। বিক্ষোভে রয়েছেন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবি অনুযায়ী, আটককৃতরা হলেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনার রশিদ, আনিসুল হক, মো. শামীম, বিনয়, মো. সাকিব, মো. মানসুর ও আলী আশরাফ৷ বিক্ষোভে থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সুদীপ পাল বলেন, শনিবার বিকেলে তাঁরা শাহবাগ মোড়ে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মানববন্ধন শুরুর আগেই সেখান থেকে তাঁদের সাতজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়৷ আটকদের মুক্তি ও চাকরির বয়স ৩৫ বছর করার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন তারা৷ দাবি আদায় না হলে তাঁরা আমরণ অনশনের মতো কঠোর কর্মসূচিতেও যেতে পারেন৷ শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান জানান, শাহবাগে আন্দোলন-কর্মসূচি করতে এলেই তারা রাস্তা অবরোধ করেন৷ এই মুহূর্তে এই এলাকায় মেট্রোরেলের কাজ চলছে৷ রাস্তা অবরোধ করলে চরম জনদুর্ভোগ হবে৷ তাই কর্মসূচি থেকে ৪-৫ জনকে কথা বলার জন্য থানায় ডেকে নেওয়া হয়েছে৷ এসএইচ/

নদী দখল ও দুষণ মুক্ত করার দাবিতে হাবিপ্রবিতে মানববন্ধন

পরিবেশবাদী ছাত্র-যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর ১৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে "নদী দখল, দূষণ বন্ধ কর ও নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ নিশ্চিত করণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০ টায় দিনাজপুর জেলা শাখার ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেইট সংলগ্ন দিনাজপুর -ঢাকা মহাসড়কের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আধঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গসহ অর্ধশতাধিক লোক অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধনে কৃষি অনুষদের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো.খালিদ ইমরান, কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল মান্নান ও কৃষি অনুষদের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ নাজমুল হাসান। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। অনাদিকাল থেকে নদীর পানির দ্বারাই আমাদের সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি, কৃষি ও মানব জীবন সিঞ্চিত হচ্ছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় একাদশ শতাব্দীতে আমাদের নদীর সংখ্যা দেড় হাজারের মতো থাকলেও এখন তা ২৩০ এ নেমে আসছে। যার ১৭টি নদীই মৃত প্রায়। নদীর পাড়ে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা, কল-কারখানার বর্জ্য নিষকাশন, যত্রতত্র কেমিক্যালের ব্যবহারের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ আজ ব্যহত হচ্ছে । ফলে আমাদের মাছে –ভাতে বাঙালির যে ইতিহাস যে ঐতিহ্য তা হারাতে বসেছি। আমাদের এখনই এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে, প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই যুবরাই লড়বে, সবুজ পৃথিবী গড়বে ‘স্লোগানের স্বার্থকতা বাস্তবায়িত হবে । সভাপতির বক্তব্যে, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ খালিদ ইমরান বলেন, " নদী দখল, দূষণ বন্ধ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষে আমরা মাঠপর্যায় পর্যন্ত কাজ করবো, যাতে করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পারি। পরিবেশ ও নদী দূষণের যে কুফল রয়েছে সে সম্পর্কে মানুষকে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। "আমি মনে করি, প্রত্যকে নিজ নিজ জায়গা থেকে যদি আমরা সচেতন হই, তাহলে একদিন সুজলা-সুফলা সবুজ –শ্যামল পৃথিবী গড়ে ওঠবে। উল্লেখ্যে যে, পরিবেশবাদী যুব সংগঠন “গ্রীণ ভয়েস” ২০০৫ সালের আজকের এই দিনে যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘ দুই বছর শেষে ২০০৭ সালে এসে নিবন্ধিত হয় । এটি পরিবেশ দূষণের প্রতিবাদে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেছে । এসি  

শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ

পঞ্চদশ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ শুক্রবার। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্কুল ও স্কুল পর্যায়-২ এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের পরীক্ষায় দেশের আট লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ইতিমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার প্রবেশপত্র যথাসময়ে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে আপলোড করে প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। প্রবেশপত্রে প্রার্থীর পরীক্ষার ভেন্যু ও সময় উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট www.ntrca.gov.bd থেকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন প্রার্থীরা। (http://ntrca.teletalk.com.bd/admitcard/index.php) ওয়েবসাইটে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নতুন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। গত ২৮ নভেম্বর ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। মামলাজনিত কারণে প্রায় এক বছর পর নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এরপর ৫ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে। ২৬ জুলাই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্কুল ও স্কুুল পর্যায়-২ নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৭ জুলাই একই সময়ে হবে কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা। এসএ/  

হাবিপ্রবিতে নুসরাত হত্যার বিচার দাবীতে মানববন্ধন

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেট সংলগ্ন দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে তারা এই মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করে। আধ ঘন্টাব্যাপী এই মানবব্ন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। মানব বন্ধনে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক প্রফসর ড.মো.ফেরদৌস মেহবুব এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. এ.টি.এম সফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. বলরাম রায়, সহ সম্পাদক প্রফেসর ডা. এসএম হারুন-উর-রশীদ, প্রফেসর ডা.বেগম ফাতেমা জোহরা প্রমুখ। কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা.আসাদুজ্জামান জেমি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দ্বীপা, রাব্বি, স্নিগ্ধাসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় একটি প্রতিষ্ঠান, সেখানেও আজ আমার বোন কিংবা মা কেউই নিরাপদ নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসেও আমরা যদি নিরাপদ থাকতে না পারি তাহলে নিরাপত্তা পাবো কোথায়? আজ আমার বোন খুন হয়েছে তো কাল অন্যজন খুন হবে। আমাদের সোচ্চার হতে হবে এখনই! এক্ষুণই এসব নরপশুদের বিরুদ্ধে কঠিন থেকে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, যারা এই ঘৃণ্য অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, তাদের সকলকে যেন দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়। তাদের যেন এমন শাস্তি দেয়া হয়, যাতে করে পরবর্তীতে কেউ এই ঘৃণ্য অপকর্ম করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে। ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. বলরাম রায় বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন মমতাময়ী মা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যিনি শপথ গ্রহণের পূর্বে নারী নির্যাতন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। যেখানে কোন নারী নির্যাতন থাকবে না। তারই ধারাবাহিকতায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি সকলের উপস্থিতে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসকে কলঙ্কমুক্ত ও নারী নির্যাতন মুক্ত ক্যাম্পাস ঘোষণা করতে চাই। এরই প্রেক্ষিতে আমি মাননীয় উপাচার্যের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাতে চাই, তদন্ত কমিটি যে রায় দিয়েছে তার ভিত্তিতে নারী নির্যাতনকারী রমজান আলী সহ এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বহিস্কার করে ক্যাম্পাসকে কলঙ্কমুক্ত, নারী নির্যাতনমুক্ত ক্যাম্পাস ঘোষণা করা হোক। এবং সেই সাথে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নুসরাত হত্যার সাথে জড়িত সিরাজ-উদ-দৌলা সহ সকল খুনীদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এরপর তিনি সকলকে, যেখানে অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদ গড়ে তোলার জন্যও আহবান জানান । এসি  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি