ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৭:৩১

মন্ত্রীদের কাছে বয়সসীমা ৩৫-এর যৌক্তিকতা উপস্থাপন

মন্ত্রীদের কাছে বয়সসীমা ৩৫-এর যৌক্তিকতা উপস্থাপন

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করণের দাবীতে মন্ত্রীদের কাছে যৌক্তিকতা তুলে ধরলেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। আজ শুক্রবার রাতে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর কার্যালয়ে মন্ত্রীদের কাছে এ দাবি তুলে ধরা হয় বলে পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন-অর-রশিদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ ভূইয়াসহ ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করে ৩৫ এর যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী মাসে চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছর করে দেওয়া হবে। এ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আমরা ইশতেহারে বয়স বৃদ্ধির কথা বলেছিলাম এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি তোমরা অপেক্ষা কর দ্রুত সময়ের মধ্যে বয়স বৃদ্ধি করা হবে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তোমাদের বিষয়টি যৌক্তিক। আশা করি প্রধানমন্ত্রী অল্প কিছু দিনের মধ্যেই এটি বাস্তবায়ন করবেন। ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে। এটি নিয়ে সরকার কাজ করছে। এসময় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ (কেন্দ্রীয় কমিটির ) অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মারজুক হোসেন মিলন, সাহাব উদ্দীন শিহাব, বিজিত সিকদার, মুকুল হোসেন, ফুয়াদ আলম, হেমন্ত পাল, কামাল হোসেন, কাউসার আহমেদ সহ প্রমুখ। আরকে//
কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো বৃহত্তর ধানুয়াঘাটা সোসাইটি

পাবনা জেলার ধানুয়াঘাটা কেন্দ্রিক ফরিদপুর, চাটমোহর, আটঘরিয়া, ভাঙ্গুড়া উপজেলার ৩১টি স্কুলের জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭৮ জন ছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে বৃহত্তর ধানুয়াঘাটা সোসাইটির পক্ষ থেকে। আজ শুক্রবার সোসাইটির সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম মনিরের স্বার্বিক তত্বাবধানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। ধানুয়াঘাটা বাজারে এক অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন- মোহাম্মাদ ওবায়দুর রহমান, ওসি, ফরিদপুর, চেয়ারম্যান মো. সেলিম রেজা, অধ্যক্ষ মো. তোরাব আলীসহ সব স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনসাধারণ।প্রত্যন্ত পল্লীর ছাত্রছাত্রীদেরকে শিক্ষায় উৎসাহিত এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এসএইচ/

শিক্ষা ব্যবস্থায় কোচিং নির্ভরতা কেন এ পর্যায়ে?

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কোচিং সেন্টার নির্ভরতা দিনেদিনে বাড়ছে। যার ফলে কোচিং সেন্টারগুলোতেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।কিন্তু কেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এই কোচিং নির্ভরতা বাড়ছে? কেনইবা তাদেরকে এ নির্ভরতা থেকে সরিয়ে আনা যাচ্ছে না? বিবিসি’র প্রকাশিক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার কারণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকার একজন অভিভাবকের সাথে কথা বলে বিবিসি। তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা।তার এক মেয়ে সপ্তম শ্রেণীতে এবং এক ছেলে উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র। দুজনেই ঢাকার নামকরা দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। দুই জনই কোচিং সেন্টারে যান।দুই শিক্ষার্থীর ওই অভিভাবক বলেন, যেহেতু আমরা দুজনেই কর্মজীবী, সেজন্য আমরা বাচ্চাদের বাসায় সময় দিতে পারি না। যদি সময় দিতে পারতাম তাহলে তাদের কোচিং সেন্টারে যাবার প্রয়োজন হতো না। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন বা ক্যাম্পে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা রাশেদা কে. চৌধুরী বলছেন, কোচিং এর চাহিদা তৈরি হয়েছে, সেটির বড় কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন অনেকটাই পরীক্ষা এবং নম্বর কেন্দ্রিক হয়ে গেছে। ফলে এর পেছনে ছুটছে সবাই। রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, উচ্চতর পর্যায়ে যাবার আগে একজন শিক্ষার্থীকে চারটি পাবলিক পরীক্ষা দিতে হয়। এটা পৃথিবীর কোন দেশেই নেই। আমাদের গবেষণা বলছে, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দেবার আগে ৮৬ শতাংশ শিশু শিক্ষার্থীরা কোচিং এ যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোন শিক্ষক তাঁর নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। কিন্তু প্রতিষ্ঠার প্রধানের অনুমতি নিয়ে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে পড়াতে পারবে। কিন্তু এ সংখ্যা দৈনিক ১০ জনের বেশি হতে পারবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোতে শিক্ষকের চেয়ে শিক্ষার্থীর অনুপাত বেশি। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে একজন শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০জন। এমন অবস্থায় শ্রেণীকক্ষে পাঠদান দিয়ে কুলিয়ে উঠা তাদের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। কোচিং সেন্টারগুলো অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নম্বর পাওয়ার কলা-কৌশল শিখিয়ে দেয় বলে উল্লেখ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষক মজিবুর রহমান। বাংলাদেশে স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় শ্রেণী কক্ষের বাইরে শিক্ষার্থীরা নানা ভাবে শিক্ষকদের সহায়তা নিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গৃহশিক্ষক রাখা, নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছে দলবদ্ধভাবে পড়া এবং ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠা বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে গিয়ে পড়া। এসব কোচিং সেন্টারের সাথে অনেক ক্ষেত্রেই স্কুলের শিক্ষকদের কোন সম্পর্ক নেই। ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় কনফার্ম নামে একটি কোচিং সেন্টারে বসে কথা বলছিলাম প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মুস্তাফা পাটোয়ারীর সাথে। এ কোচিং সেন্টারটিতে তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় আড়াইশ শিক্ষার্থীকে কোচিং করানো হয়।পাটোয়ারী বলেন, কোন কোচিং সেন্টার জোর করে কিংবা প্রতারণা করে শিক্ষার্থীদের টানতে পারে না। তারা উপকৃত হচ্ছে বলে এসব কোচিং সেন্টারে আসছে। কেউ যদি ভালো পড়ায় মানুষ তাকে খুঁজে বের করবে। যে কোন লোক বললেই তার কাছে কেউ পড়তে যাবে না," বলছিলেন মি: পাটোয়ারী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, আগের চেয়ে পাঠ্যক্রম আরো সহজ হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী যাতে বিষয়গুলো পড়ে বুঝতে পারে, সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে পাঠ্যক্রম। বিষয়গুলো এমন জটিল না যে কেউ পড়িয়ে না দিলে তারা শিখবে না। অভিভাবকরা বলেছেন কখনো-কখনো কোচিং এ যাবার প্রয়োজন যেমন তৈরি হয়, আবার অনেক সময় অভিভাবকরা অবচেতন মনে এক ধরণের প্রতিযোগিতায়ও লিপ্ত হচ্ছেন। ঢাকার আজিমপুরের এক অভিভাবক সে কথাই বললেন। অভিভাবকরা হুজুগের বশে আছেন। অনেক বোঝেন না যে ভর্তি করতেই হবে নাকি না করলেও চলবে। বিষয়গুলো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনেকের মাঝেই এমন এক ধারণা তৈরি হয়েছে যে কোচিং-এ না গেলে হয়তো সে পিছিয়ে যাচ্ছে। কখনো-কখনো শিক্ষকরা কোচিং এ যেতে বাধ্য করেন, এ কথা যেমন সত্য তেমনি অনেক সময় শিক্ষার্থীরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে কোচিং এ যায়। ঢাকার একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র বলছিলেন, তিনি সবসময় কোচিং এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। তবে তাঁর অনেক সহপাঠী মনে করেন, কোচিং করা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় কোচিং এর উপর যে নির্ভর শীলতা বেড়েছে সেটি কমিয়ে আনা যায় কিভাবে? এমন প্রশ্নে রাশেদা কে চৌধুরী বলছেন, পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা যত কমিয়ে আনা যাবে, কোচিং এর ব্যাপকতাও খানিকটা কমবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে বলা আছে যে অষ্টম শ্রেণীর আগে কোন পাবলিক পরীক্ষা থাকবে না। এছাড়া অষ্টম ও দ্বাদশ শ্রেণীর আগে কোন পাবলিক পরীক্ষা থাকার প্রয়োজন নেই বলে শিক্ষানীতিতে বলা আছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কোচিং নির্ভরতা কিবা কোচিং বাণিজ্য যেভাবে গড়ে উঠেছে জন্য কোন একটি কারণ দায়ী নয়। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো শ্রেণীকক্ষ যদি শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ সম্ভব না হয়, তাহলে নানা কৌশলে কোচিং বাণিজ্য টিকে থাকবে। আরকে//

‘শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের চেয়ে বেশি লাভজনক আর হতে পারে না’

একটি রাষ্ট্রের জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের চেয়ে বেশি লাভজনক আর হতে পারে না। তাই বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য নিরাশভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ‘প্রথম পুণর্মিলনী’ অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন চত্বরে এ পুণর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত হয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সব আন্দোলনের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিকভাবে জড়িত। তাছাড়া এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যতম অবদান রেখে চলেছে। এ সময় তিনি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, ভালো ম্যানেজার হিসেবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংল গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, তোমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময়। তখন বহু সংকট ও সমস্যার মধ্যে দিয়ে আজ তোমরা জীবনের ভালো লাগার সময় পার করছো। তিনি আরও বলেন, তোমাদের এই পুণর্মিলনী বিশাল বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব চেয়ে বড় প্লাটফর্ম হবে এটা। অনুষ্ঠানে রাশেদুল ইসলাম পল্লবের সভাপতিত্বে দিনা আফসানার সঞ্চলনায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শওকত জাহাঙ্গীর, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম মোস্তফা, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ইএমবিএ প্রোগ্রামের ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের হেড অব এক্টিভেশন মো. সানাউল সিকদার, ওয়ালটন গ্রুপের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (মার্কেটিং) ফিরোজ আলম এবং শাহরিয়ার স্টিল মিলস্ লিমিটেডের ডিরেক্টর শেখ মো. আজহার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সারা দিনব্যাপী স্মৃতিচারণ, বন্ধুত্বের মেলনবন্ধন, জমকালো কনসার্ট আয়োজন করা হয়। কনসার্ট অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষার্থীরা গানের তালে তালে নেচে গেয়ে অন্যরকম আমেজ সৃষ্টি করে। এসএইচ/

বর্ণাঢ্য বসন্ত বরণ ও ভালোবাসার উৎসবে মুখরিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নেওয়া হয় সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাঙ্গালির এই ঐতিহ্যকে লালন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ মেতে উঠে ভিন্নধর্মী এক উৎসবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গানের সুরে,নৃত্যের তাল ও বাদ্যের ঝংকারে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো ক্যাম্পাস প্রাঙ্গন। বসন্ত বরণের এই সাংস্কৃতিক আয়োজন মুগ্ধ করে সবাইকে। একই উৎসবেই বরণ করে নেওয়া হয় এবাবের নবীণ শিক্ষার্থীদের। বসন্তের এই রঙিন আয়োজনে সকাল থেকে শত শত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত বসন্ত মঞ্চে উপস্থিত হয়ে নিজেদের বর্ণিল সাজে সাজিয়ে তোলে। নিজেদের বসন্তের সাজে সাজতে শিক্ষার্থীদের খোঁপায়-গলায় ও মাথায় শোভা পায় বিভিন্ন ফুলের মালা। হলুদ শাড়ি পরে, মাথায় খোঁপা বেঁধে মেয়েরা এসেছেন উৎসবে। আর শিক্ষক-ছাত্র সবাই যেন বাসন্তি পোশাক আর ফুল দিয়ে সেজেছেন বসন্তকে বরণ করে নিতে। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ যেন আরেক রঙ্গমেলা। এভাবে নৃত্যের ছন্দ-তালে বরণ করে নেওয়া হলো ঋতুরাজ বসন্তকে। সুর ও বাদ্যের তাল আনন্দ বাড়িয়ে দেয় উৎসবের এই দিনব্যাপী আয়োজনে। উৎসবে ছিল বসন্ত কথন, প্রতী বন্ধনী, পরিবেশিত হয়েছে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য। এ সময় আইন বিভাগের প্রধান মো.রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মনসুর মুসা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মনিরুল ইসলাম মাসুম, সহকারী রেজিস্ট্রার আবু মোহাম্মদ মোকাম্মেল। আরোও উপস্থিত ছিলেন, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো.নাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র প্রভাষক ফারাহ্ ইকবাল, সহকারী প্রভাষক তৌহিদা সরকার, সহকারী প্রভাষক আজিজুল হক সুজন, সহকারী প্রভাষক সোহরাব হোসেন, সহকারী প্রভাষক শহিদুল ইসলাম, সহকারী প্রভাষক মো.আল-আমিন। এদিকে, একই দিনে ক্যাম্পাসে লেগেছে ভালোবাসার ছোঁয়া, হৃদ স্পন্দনে জেগেছে ভালোবাসার আহবান।  একদিকে বসন্ত বরণ অন্যদিকে বিশ্ব ভালোবাসার এই দিনে গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও লেগেছে আনন্দের হাওয়া। বসন্তের সাথে ভালোবাসা কেন্দ্রিক বিভিন্ন গান, কবিতা, নাটক ও ভালোবাসর স্মৃতিকে ঘিরে সাজানো হয় অনুষ্ঠানটি। পুরো ক্যাম্পাস আঙিনা নেচে ওঠে বসন্ত আর ভালোবাসার আহবানে। দিনব্যাপী বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও নবীন বরণের এই আয়োজনে উচ্ছাসিত হয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কেআই/  

বিশ্ব পরিমন্ডলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শীতা অর্জনের বিকল্প নেই

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিশ্ব পরিমন্ডলে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে হলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শীতা অর্জন করতে হবে। শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর এ জন্য চাই দক্ষ ও আলোকিত মানব সম্পদ। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন ও উক্ত বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। উপাচার্য তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে সময়ের প্রতি নিষ্ঠাবান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে যথাসময়ে শিক্ষাজীবন শেষ করে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে কাঙ্খিত ভূমিকা রাখার আহবান জানান। দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের কোর্স শিক্ষক মাছুম আহমেদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চবি প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোমিনুল ইসলাম ও আফরিন সাদী। নবীনদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন সিদরাতুল মুনতাহা। অনুষ্ঠানে উক্ত বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কেআই/

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসা দিলেন চবি শিক্ষার্থীরা

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এদিনে সবাই কম বেশি প্রিয়জনদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সবাই যখন প্রিয়জনের সান্নিধ্যে সময় কাটাচ্ছে ঠিক সে সময় ব্যতিক্রমী ভালোবাসার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গঠিত সামাজিক সংগঠন ‘পথের পাঁচালি’। বৃহস্পতিবার দুপুরে চবির বুদ্ধিজীবী চত্বরে ‘পথের পাঁচালি’ এবং ‘লাভ ফর চিল্ড্রেন’ এ আয়োজন করেন। এর মধ্যে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষা-সামগ্রী, খাবার বিতরণ, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠার দেড় বছরে পথশিশুদের শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি দিবসগুলোতে বিশেষ আয়োজন করে সংগঠনটি। তারই অংশ হিসেবে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়। ৩৫ জন পথশিশু ‘পথের পাঁচালি’র তালিকাভূক্ত থাকলেও আয়োজনটিতে ছিল ৫৫ জন পথশিশু। উক্ত আয়োজন সম্পর্কে পথের পাঁচালির সভাপতি ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, আমরা সপ্তাহের দু’ দিন ঘণ্টাব্যাপী সুবিধাবঞ্চিতদের শিক্ষা দিয়ে থাকি। আমাদের সাময়িক লক্ষ্য হচ্ছে এ বছরে তাদের শিক্ষা কেন্দ্রিক সকল ব্যয়ভার বহন করা। সামনে এটা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে জুনিয়রদেরও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন শিক্ষার্থী চাইলে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। উল্লেখ্য, ‘মুকুলে না ঝরে প্রস্ফুটিত হোক জ্ঞানের আলোয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৭ সালের মে মাস থেকে সামাজিক কার্যক্রম শুরু করে পথের পাঁচালি। বাংলা বিভাগে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত ১৫ জন সদস্য এর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার বিকাল চারটা থেকে ঘণ্টাব্যাপী পথশিশুদের শিক্ষা দিয়ে থাকে তারা। তাদের শিক্ষা সামগ্রীর ব্যয়ভার বহনে সংগঠনের সদস্যরা নিজ থেকে চাঁদা দিয়ে থাকে। এছাড়াও বিশেষ আয়োজনে সমাজের গুণিব্যক্তিদের সহযোগিতা নেওয়া হয়। কেআই/  

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিঙ্গেল সোসাইটির বিক্ষোভ মিছিল

‘প্রেমের  মন্দিরে তালা, বন্ধুত্ব দরজা খোলা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সিঙ্গেল সোসাইটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শালবন বিহারে এসে শেষ হয়। এরপর মুক্তমঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। এ সময় সিঙ্গেল সোসাইটির সভাপতি কুবির ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিয়ামুল আরাফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাওন এর সঞ্চলনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তরা বলেন, যারা ডাবল হওযার চেষ্টায় আছেন তাদের পদত্যাগের জন্য বলা হয়। ফেসবুকের টাইমলাইন সিঙ্গেলের তকমা ও স্টাটাস দেওয়ার জন্য আহবান করা হয়। ‘ভালোবাসা কেউ পাবে কেউ পাবে না, তা হবে না তা হবে না। কুবির মাটি সিঙ্গেল সোসাইটির ঘাঁটি এ রকম নানান স্লোগানে মুখরিত ছিলো পুরো ক্যাম্পাস। ১২ তম ব্যাচের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, আজকাল প্রেমগুলো শুধুমাত্র লাভ লোকসানের হিসেব নিকাশের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে দেখা যায় না অনেকেই তাই সম্পর্কগুলো খুব দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে ও ঘটে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। আমরা এই রকম প্রেম-ভালোবাসার তীব্র নিন্দা জানাই। ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী অপু তার ভাষ্য মতে,‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস মানে কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার প্রেমকে বুঝায় না। এই দিনটিতে একটি মানুষ তার চারপাশের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সকল সদস্যদের ভালোবাসা নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করতে পারে এটাই তার বিশেষত্ব। সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাওন বলেন, বিয়ের আগে অবৈধ প্রেম পরিহার করে বৈধ প্রেমে আসার। ভালোবাসা দিবসে কেউ বঞ্চিত হবে তা হবে না তা হবে না। এ বিষয়ে সংগঠনের সভাপতি নিয়ামুল আরফাত বলেন, প্রেম যেন সার্বজনীন হয়। বিয়ের আগে তথাকথিত প্রেম বিসর্জন দিয়ে সার্বজনীন প্রেমে আসার আহবান জানান। তিনি আরও দাবি জানান, প্রশাসন যেন ক্যাম্পাসের অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গায় লাইটিং এর ব্যাবস্থা করে। কেআই/  

চুয়েট কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর কর্মচারী ক্লাবের ২০১৮-১৯ সালের নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে মো. ফজলুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আজিজুর রহমানসহ বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছেন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মানবিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, নির্বাচন কমিশনার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান খান এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চীফ টেকনিক্যাল অফিসার মোহাম্মদ হারুন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বিজয়ী অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. শাহ্ আলম মিয়া, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল ফাহাদ খান, অর্থ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান শাহ্, দপ্তর সম্পাদক মো. সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবু সাদাত, প্রচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. শফিউল মোস্তফা এবং নির্বাহী সদস্য মো. বাবুল মিয়া, মো. তসলিম উদ্দীন, মো. হুমায়ূন কবির, মো. সালাউদ্দীন আলম ও মো. জিহাদ বিশ্বাস। কেআই/

পিঠা উৎসবে মেতেছে ক্যাম্পাস

‘রঙে ঐতিহ্য মিলন মেলায়, পিঠা উৎসবে আয় ছুটে আয়’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শেখ হাসিনা’ চত্বরে বাংলা বিভাগে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। এ সময় হরেক রকম পিঠায় উৎসবে মেতে উঠেছিল পুরো বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার  দুপুরে  এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.খোন্দকার নাসির উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর রফিকুনেচ্ছা আলী, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. এ. সাত্তার, ইন্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বি কে বালা, আইন অনুষদের ডিন আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, রেজিষ্টার প্রফেসর ড. নুরউদ্দিন, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক  জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ। পিঠা মেলার উদ্বোধন শেষে এক আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক -শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম বাংলার নানা ধরনের পিঠাসহ স্টলগুলোয় ছিল প্রায় শতাধিক প্রকারের পিঠার সমাবেশ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, চন্দ্রপুলি,রসমাধুরি,হৃদয়হরণ,ঝালকুলি,কস্তুরি পিঠা,ইলিশ পইটা,নারকেলের বরফি,পাটিসাপ্টা,নকশি পিঠা উল্লেখযোগ্য। পিঠা উৎসব সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন বলেন,‘পিঠা পুলি বাঙালিদের অন্যতম ঐতিহ্য, কিন্তু বর্তমানে এই ইতিহ্যের চর্চা অনেকটা কমে এসেছে। মূলত এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের পিঠাপুলির সাথে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে আমরা প্রতিবছর এই উৎসব আয়োজন করে থাকি। এ উৎসবে গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠার সমাহার থাকে। আমাদের শিক্ষার্থীরা এই উৎসব অত্যন্ত উপভোগ করে। আমি মনে করি সকলের উচিত আমাদের ঐতিহ্য এ সকল পিঠাপুলি তৈরির চর্চা বৃদ্ধি করা। কেআই/

বিডিইউ’র ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির ফল প্রকাশ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ’ (বিডিইউ) প্রথমবারের মতো স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির ফল প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (http://bdu.ac.bd) এবং ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট http://admission.bdu.ac.bd - তে এক যোগে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ফল প্রকাশ করা হয়। ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট এবং ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে তাদের ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া আবেদনকারীদের ভর্তি আবেদন ফরমে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বছর (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে) প্রথম বারের মত একাডেমিক কার্যক্রম চালু হওয়ায় ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ’র ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রথম বারের ভর্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ’র ভিত্তিতে দুটি বিভাগে ৫০ জন করে মোট ১০০ জন আবেদনকারীকে ভর্তির জন্য মনোনীত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মনোনীত আবেদনকারীরা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পুরণ ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের রকেটের মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। এ বছর প্রথম বারের মত দুটি অনুষদের অধীনে দুটি বিভাগে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। প্রথম বার চালু হওয়া দুটি অনুষদ হলো ক.) প্রকৌশল অনুষদ খ.) শিক্ষা ও গবেষণা অনুষদ। এর মধ্যে প্রকৌশল অনুষদের অধীনে রয়েছে একটি বিভাগ ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং শিক্ষা ও গবেষণা অনুষদের অধীনে রয়েছে অন্য একটি বিভাগ আইসিটি ইন এডুকেশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর জানান, প্রথম বারের ভর্তিতে ৮ হাজার ৫০৫ জন ভর্তির জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে ২ হাজার ২১১ জনের এসএসসি এবং এইচএসসি দুটিতেই জিপিএ ৫ রয়েছে। সেখান থেকে সর্বোচ্চ মেধার ভিত্তিতে ১০০ জন আবেদনকারীকে ভর্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। উপাচার্য বলেন, প্রথম বারের ভর্তির আবেদনে ছাত্র এবং ছাত্রীদের অনুপাত ৬৫: ৩৫ এর মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে মেধা তালিকায় ছাত্র এবং ছাত্রীর অনুপাত ৭০: ৩০। এখানে উল্লেখ্য যে দুটি বিভাগের মধ্যে আইসিটি ইন এডুকেশনে মেধা তালিকায় মেয়ে শিক্ষার্থী প্রথম হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান তরুণ প্রজন্ম নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। তাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে বাংলাদেশকে টেকসই ও পরিকল্পিত উন্নয়নের দিকে নিয়ে যেতে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন শেখ হাসিনা। অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর জানান, আমরা ১০০ জন তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই শিক্ষাবর্ষে কাজ করবো। অমাদের লক্ষ্য এই তরুনদের বিশ্বমানের প্রযুক্তিবিদ হিসেবে গড়ে তোল। এবং তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্ব দানের উপযোগী করে গড়ে তোল। একে//

“বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আগামী প্রজন্ম” শীর্ষক সেমিনার

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আগামী প্রজন্ম’ শীর্ষক এক সেমিনার ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ -এর স্থায়ী ক্যাম্পাসে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আগামী প্রজন্ম’ শীর্ষক এক সেমিনার ও নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করীম, বাংলাদেশ যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আলহাজ্ব মাইনুল হোসাইন খান নিখিল ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোশাররফ এম. হোসাইন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী নুরুজ্জামান বলেন, ‘সুনাগরিক সৃষ্টিতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।’ তিনি সুনাগরিক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কর্মকান্ড দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সমাজ উন্নয়নে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, অবিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে উঠে।  

জবিতে প্রেম বঞ্চিতদের বিক্ষোভ

বিশ্ব ভালবাসা দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বঞ্চিত প্রকৃত প্রেমিক সংঘের ব্যানারে  প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীদের একাংশ। ভালবাসা দিবসে নিজেরা প্রেম বঞ্চিত দাবি করে আমার ভাই সিঙ্গেল কেন জবাব চাই, কেউ পাবে, কেউ পাবে না তা হবে না তা হবে না’, ‘দুষ্টু প্রেমিক নিপাত যাক, প্রকৃত প্রেমিক মুক্তি পাক স্লোগান দিতে থাকেন তারা। বুধবার সকালে র‌্যালিটি বের হয়ে ক্যাম্পাসে প্রদক্ষিণ শেষে রফিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় সংঘটনটির সভাপতি ইমরান হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি নিবন্ধ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক আয়িক হাসানসহ বঞ্চিত প্রকৃত প্রেমিক সংঘের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমানসম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেন্টাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন’। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত ‘জুনো’ উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি