ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৪১:১৬

শহর আক্রমণ করল ঝাঁকে ঝাঁকে ভালুক

শহর আক্রমণ করল ঝাঁকে ঝাঁকে ভালুক

সংখ্যায় তারা ৫০-এরও বেশি। দল বেঁধে ঢুকে পড়ল শহরে। ঘুরে বেড়াতে লাগল শহরের পথে ঘাটে, উঁকি দিতে শুরু করল বাড়িঘরেও। মেরুভালুকদের এই আশ্চর্য কাণ্ডে রাশিয়ার এক শহরে জারি হয় জরুরি অবস্থা। রাশিয়ার নোভায়া জেমলিয়ার বেলুশিয়া গিউবা শহরে ঝাঁকে ঝাঁকে মেরুভালুক প্রবেশ করে। গত ডিসেম্বর থেকেই এই ভালুকদের শহরের আশেপাশে দেখা যাচ্ছিল। তবে শহরের ভিতরে তাদের প্রবেশ এই প্রথম। জানা যায়, শহরের ভিতরে ভালুকরা রীতিমতো আগ্রাসী কেতায় ঘুরে বেড়ায়। তাদের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বাসিন্দারা বাইরে বেরতে ভয় পাচ্ছেন। স্কুলে যাতে পাড়ছে না পড়ুয়ারা। নগর কর্তৃরক্ষের তরফে এক প্রকার জুরুরি পরিস্থিতি জারি করা হয়েছে। কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভালুকদের যাতে কোনওভাবে আঘাত না করা হয়। শহর থেকে ভালুকদের বের করে আনতে বিশেষজ্ঞরা রওনা দেন। কেন ভালুকরা শহরে উঠে এল? প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন পরিবেশবিদরা। তাদের মতে, উত্তর মেরু অঞ্চলের উষ্ণায়নের ফলে খাবারে টান পড়েছে তাদের। নিতান্ত ক্ষুধার্ত হয়েই তারা নিকটবর্তী শহরে হানা দিয়েছে। সূত্র: এবেলা একে//
বিদ্যুৎবিহীন হাজার হাজার মানুষ

অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম নগরী সিডনিতে মারাত্মক ঝড় আঘাত হানায় শনিবার হাজার হাজার লোক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া ঝড়ের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন এবং জাতীয় ফুটবল ম্যাচ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।সিডনিতে শুক্রবার প্রচণ্ড ঝড়, বজ্রসহ প্রবল বৃষ্টি হয়। কিছু এলাকায় ৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে।সিডনির পশ্চিমাঞ্চলে ৩০ মিনিট ধরে ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে।এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ছবিতে নগরীর প্রধান সড়কসমূহে বন্যার পানিতে ডুবে থাকা গাড়ি, ভাঙা ট্রাফিক লাইট ও গাছ উপড়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।এদিকে বিদ্যুৎ কোম্পানী জানিয়েছে, প্রচণ্ড ঝড়ের সময়ে ৪০ হাজারেরও বেশি লোক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় ছিল। শনিবারেও পাঁচ হাজারেরও বেশি লোক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।সিডনি এলাকায় এক হাজারেরও বেশি লোক জরুরি সহায়তার জন্যে অনুরোধ জানিয়েছে। এদের বেশিরভাগই পানিতে ডুবে থাকা গাড়ি উদ্ধারের অনুরোধ জানিয়েছে। সরকারের জরুরি সেবা সংস্থার মুখপাত্র এ কথা জানান।এদিকে ঝড়ের কারণে সিডনি বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে বিলম্ব এবং নগরীর ট্রেন চলাচলেও বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে।ঝড়ের কারণে নারী ফুটবলারদের একটি জাতীয় ম্যাচের খেলা দুই দফায় ৪৫ মিনিট পেছাতে হয়েছে। খেলাটি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল। কিন্তু খেলার মাঝামাঝি বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।অষ্ট্রেলিয়ার উত্তর পূর্বাঞ্চলের কুইন্সল্যান্ড রাজ্যে ব্যাপক বন্যার পর উদ্ধার অভিযান চলার মধ্যেই সিডনিতে ঝড়ের এ তান্ডব বয়ে যায়।এসএ/

জীবন্ত নারীকে ছিঁড়ে খেল শুয়োরের পাল

বন্য শুয়োর হলেও কথা ছিল। এরা সবাই খামারের পোষা শুয়োর। কিন্তু তাদের মধ্যেই যে এমন ভয়াবহ প্রবৃত্তি জেগে উঠতে পারে, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনি কেউ। এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম রাশিয়ার উডমুরটিয়া জেলায়। খবরে প্রকাশ, শুয়োরের খামারটি ওই নারীরই। ৫৬ বছর বয়সী ওই নারী শুয়োরদের খাওয়াচ্ছিলেন। এমন সময়েই তিনি মৃগি রোগে আক্রান্ত হন এবং শুয়োরদের দঙ্গলে পড়ে যান। তার পরে শুয়োরেরা তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুয়োরেরা তাকে এতটাই আহত করে যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান। তার স্বামী তাকে মৃত অবস্থাতেই আবিষ্কার করেন। দেখা যায় নারী মাটিতে পড়ে রয়েছেন, তার বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ ও মুখ শুয়োরেরা ছিঁড়ে খেয়েছে। নারীর মৃত্যুর তদন্তে এসে গোয়েন্দারাও স্তম্ভিত হয়ে যান ঘটনার বীভৎসতায়। ২০১২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরিগনে এক কৃষককে এভাবেই খামারের শুয়োরেরা হত্যা করেছিল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পোষা শুয়োর সাধারণত এমন কাণ্ড ঘটায় না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই বিরল ঘটনাই ঘটেছে।  সূত্র: এবেলা একে//

পরমাণু চুক্তির প্রতি অনুগত থাকা উচিত: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতার প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুগত থাকার সিদ্ধান্তের পক্ষে কথা বলেছেন আমেরিকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরার্ড অরাড। বুধবার তার টুইটার পেইজে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমেরিকার চাপ ও হুমকি সত্ত্বেও সব দেশেরই এ সমঝোতার প্রতি শক্তভাবে অনুগত থাকা উচিত। এর আগে মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এডিটোরিয়াল বোর্ড মতামত দিয়েছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ইউরোপের অবস্থান নেওয়া উচিত। জেরার্ড অরাড তার টুইটের মাধ্যমে মূলত এ বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্য ফ্লপ করেছে এবং পরমাণু সমঝোতায় সই করা ইউরোপের দেশগুলো দুর্বল পরমাণু চুক্তি অনুসরণ করছে। তেহরান পরমাণু বোমা বানাতে পারে সে ভয়ও করছে না এসব দেশ। ওয়াল স্ট্রিট বলছে, ইউরোপের দেশগুলো মার্কিন অর্থনীতির প্রভাব উপেক্ষা করেই তাদের স্বাধীনতা প্রদর্শন করতে চাইছে। এসব বক্তব্য নাকচ করে জেরার্ড বলেন, পাঁচটি কারণে ইউরোপ এ চুক্তি অনুসরণ করছে সেগুলোর অন্যতম হলো- এটা একটা ভালো চুক্তি, ইরান এটা বাস্তবায়ন করছে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ চুক্তি অনুমোদন করেছে। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার আরও ১৩ বছরের কারাদণ্ড

ব্যাপকহারে দুর্নীতির অভিযোগে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডা সিলভাকে আরও ১২ বছর ১১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একটি কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য ব্যাপকহারে দুর্নীতি করেছিলেন বলে অভিযুক্ত হয়েছেন লুলা। তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে প্রায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।তবে গুয়ারুজা শহরের উপকূলে বীচের কাছে সম্পদ সংক্রান্ত মামলায় ইতোমধ্যেই ১২ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট। নতুন করে লুলাকে যে দণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে সে বিষয়ে তিনি আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তার নিজস্ব আইনজীবী।লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের সাবেক এই ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী এবং শক্তিশালী নেতা ২০০৩ এবং ২০১০ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।নিজের বিরুদ্ধে আনা সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লুলা (৭৩)। তার অভিযোগ, তিনি যেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে না পারেন সেজন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে তার বিরুদ্ধে এমন মনগড়া কাজ করা হচ্ছে।ফেডারেল বিচারপতি গ্যাব্রিয়েলা হার্ত জানিয়েছেন, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ওএস একটি ফার্মহাউসের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেছে যেটিতে প্রায়ই লুলাকে বহুবার যাতায়াত করতে দেখা গেছে। তবে লুলার বিচারপতি বলছেন, ওই ফার্ম হাউসটি লুলার নয় বরং তার বন্ধু ফার্নান্দো বিটারের। গত সপ্তাহে লুলার ভাইয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু কারাগার থেকে সেখানে যোগ দেয়ার অনুমতি পাননি তিনি।এসএ/

গির্জার নানরা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন: পোপ ফ্রান্সিস

গির্জার নানরা যাজকদের কাছে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন পোপ ফ্রান্সিস। পোপ ফ্রান্সিসের কথায় উঠে এসেছে যে যৌন নিপীড়নের শিকার নানদেরকে যৌনদাসী করে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় পোপ ফ্রান্সিসের পূর্বসূরি পোপ বেনেডিক্ট পুরো একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যে একটি ঐতিহাসিক সফরের সময় সাংবাদিকদের পোপ ফ্রান্সিস বলেন, নারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ হিসাবে দেখার প্রবণতাটি এখনো গির্জায় একটি সমস্যা হিসাবে রয়ে গেছে।তিনি বলেছেন, `যাজক এবং বিশপরা নানদের নিপীড়ন করেছেন। তবে গির্জা এখন এসব কেলেঙ্কারি নিয়ে সতর্ক হয়েছে এবং এটি বন্ধে কাজ করছে। বেশ কয়েকজন যাজককে বরখাস্ত করা হয়েছে। পোপ বেনেডিক্ট সাহস নিয়ে নারীদের একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিলেন, কারণ সেখানে যাজক বা প্রতিষ্ঠাতাদের হাতে নারীদের নিপিড়নের বিষয়টি যৌন দাসত্বে রূপ নিয়েছিল। পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, নানদের ওপর যৌন নিপিড়নের এখনো গির্জার একটি অব্যাহত সমস্যা, তবে কয়েকটি বিশেষ প্রতিষ্ঠানেই এগুলো ঘটছে, বিশেষ করে নতুনদের ক্ষেত্রে। আমি মনে করি, এটা এখনো ঘটছে, কারণ এটা এমন নয় যে, আপনি বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেও তা বন্ধ হয়ে যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, গির্জার নানরা যে যাজকদের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, সেটা এই প্রথমবারের মতো স্বীকার করলেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেছেন, এই সমস্যাটি মোকাবেলার চেষ্টা করেছে গির্জা, তবে এসব ঘটনা এখনো ঘটছে। গত নভেম্বর মাসে ক্যাথলিক গির্জার নানদের বৈশ্বিক সংগঠন জানায়, `ভয় ও নীরবতার সংস্কৃতির` কারণে নানরা গির্জার এই যৌন নিপীড়নের ব্যাপারে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারেননি। গির্জায় যাজকদের দ্বারা শিশু এবং তরুণদের ওপর যৌন নিপীড়নের লম্বা অভিযোগের মধ্যেই পোপ ফ্রান্সিস এই মন্তব্য করলেন। জানা গেছে, পোপ বেনেডিক্ট ২০০৫ সালে ফ্রান্সের কম্যুনিটি অফ সেন্ট জেন নামে নারীদের একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন।২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি রোমান ক্যাথলিক পত্রিকার কাছে স্বীকার করে যে, যাজকরা বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন, যা তাদের কৌমার্য রক্ষার ব্রতের সঙ্গে খাপ খায়না। ভারতে আরেকটি ঘটনায় গতবছর একজন বিশপকে গ্রেপ্তার কার হয়, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে একজন নানকে ১৩বার ধর্ষণ করেছেন। যদিও ওই যাজক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।গত বছর চিলিতে যাজকদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলেন গির্জার নানরা। এরপর তদন্ত শুরু করে ভ্যাটিকান। এ বিষয়ে ভ্যাটিকানের নারীদের ম্যাগাজিন, উইমেনস চার্চ ওয়ার্ল্ড বলছে, অনেক ঘটনায় নানরা ধর্মীয় বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও গর্ভপাত করাতে বাধ্য হয়েছেন। আরকে//

কার্ল মার্কসের সমাধিতে হামলা

লন্ডনের এক সমাধিক্ষেত্রে কার্ল মার্কসের সমাধির ওপর তৈরি স্মারক স্তম্ভটির ওপর দুস্কৃতকারীরা হামলা চালিয়ে সেটির বেশ ক্ষতি করেছে। গত সোমবার সকালে কার্ল মার্কসের সমাধি স্তম্ভের ওপর এই হামলার বিষয়টি প্রথম নজরে আসে। কার্ল মার্কসকে সমাহিত করা হয়েছিল লন্ডনের হাইগেট সমাধিতে। সেখানে তার স্মৃতি স্তম্ভের দেখাশোনা করে একটি বেসরকারি ট্রাস্ট, ‘ফ্রেন্ডস অব হাইগেট সেমিট্রি ট্রাস্ট’। এর প্রধান ইয়ান ডাংগাভেল বার্তা সংস্থা এএফপি’কে জানিয়েছেন, কেউ হাতুড়ি দিয়ে উপর্যুপরি এটির ওপর আঘাত হেনেছিল। হাইগেটে কার্ল মার্কসের সমাধির ওপর নির্মিত স্তম্ভটিতে যে মার্বেল পাথরের ফলক লাগানো আছে, সেখানে তার নাম এবং পরিবারের সদস্যদের নাম আছে। হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয় সেই ফলকের ওপরই। ইয়ান ডাংগাভেল বলছেন, ‘বিশেষ করে কার্ল মার্কসের নামটিকেই যেন আঘাত করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। কাজেই এটি কোনও নির্বিচার হামলা নয়, এটি কার্ল মার্কসকে লক্ষ্য করেই চালানো হামলা’। জার্মান বিপ্লবী এবং দার্শনিক কার্ল মার্কস তার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কাটিয়েছিলেন লন্ডনে। ১৮৪৯ সালে তিনি লন্ডনে আসেন এবং এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এখানেই কাটিয়েছেন। ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ ৬৪ বছর বয়সে তিনি মারা যান। কার্ল মার্কসের সমাধির ওপর যে স্তম্ভটি রয়েছে, সেটি নির্মিত হয় ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টির টাকায় ১৯৫৬ সালে। তিন দশমিক সাত মিটার উঁচু এই স্তম্ভটির মাথায় রয়েছে কার্ল মার্কসের একটি ব্রোঞ্জের আবক্ষ মূর্তি। আদি সমাধিতে লাগানো ফলকটিই পরে এই স্মৃতিস্তম্ভে লাগানো হয়েছিল। হাতুড়ির আঘাতে ফলকটির পাথর এবং লেখার বেশ ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে কার্ল মার্কসের নামের আশে-পাশে, তার স্ত্রীর মৃত্যু তারিখ এবং তাদের নাতি হ্যারি লংগুটের নামের ওপর। হ্যারি মাত্র চার বছর বয়সে মারা যান। কার্ল মার্কসের স্মৃতি স্তম্ভে এটাই প্রথম হামলা নয়। ১৯৭০ এর দশকে এটির ওপর পাইপ বোমা হামলা হয়। এটির ওপর রঙ মাখিয়ে বা শ্লোগান লিখে রাখার ঘটনাও ঘটেছে অতীতে। কার্ল মার্কসের স্মৃতি স্তম্ভ ব্রিটেন ‘গ্রেড-ওয়ান’ তালিকাভুক্ত ঐতিহাসিক স্থাপনার অংশ। এর মানে হচ্ছে ওই ঐতিহ্য অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি বছর শত শত পর্যটক হাইগেট সমাধিতে তার স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে যান। সূত্র: বিবিসি একে//

পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেল রাশিয়া, কিন্তু কেন?

যুক্তরাষ্ট্রের পর রাশিয়াও নিজেদেরকে পরমাণু অস্ত্র রোধের এক চুক্তি থেকে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। শীতল যুদ্ধের সময় করা এই চুক্তিটির নাম মধ্য-পাল্লার পরমাণু শক্তি চুক্তি যা সংক্ষেপে আইএনএফ নামে পরিচিত। এই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া এখন নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করবে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে সাময়িকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে এই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তিটি সই হয়েছিল ১৯৮৭ সালে। এই চুক্তিতে দুটো দেশের সব ধরনের পরমাণু অস্ত্রসহ স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ‘আমাদের মার্কিন অংশীদাররা ঘোষণা করেছে যে তারা এই চুক্তি বাতিল করছে। এখন আমরাও সেটা বাতিল করছি।’ তিনি বলেছেন, এবিষয়ে তাদের সব প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনার জন্যে দরজা খোলা রয়েছে। শনিবার পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোট নেটোর মহাসচিব জেনারেল ইয়েন্স স্টল্টেনবার্গ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইউরোপের সবগুলো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করছে, কারণ রাশিয়া গত কয়েক বছর ধরেই এই চুক্তি ভঙ্গ করে আসছে। ইউরোপে তারা নতুন নতুন পরমাণু শক্তিধর ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে।’ তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই চুক্তি মেনে চলার ব্যাপারে রাশিয়াকে যে ছ`মাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেটা তারা কাজে লাগাতে পারে। চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ রাশিয়া সবসময়ই প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, চুক্তিতে যে পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাদের কাছে তথ্যপ্রমাণ আছে যে রাশিয়া সেগুলোর তৈরি করছে। তার মধ্যে রয়েছে ৫০০ কিলোমিটার থেকে ৫,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। কোন কোন মার্কিন কর্মকর্তা এও বলেছেন যে রাশিয়া 9M729 ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করেছে, নেটোর কাছে যা SSC-8 নামে পরিচিত। এসব তথ্য প্রমাণ ওয়াশিংটনের মিত্র দেশগুলোর কাছে তুলে ধরলে তারাও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে সমর্থন করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়াকে ৬০ দিনের সময় দিয়েছিল চুক্তির শর্ত মেনে চলার জন্যে। তারা হুঁশিয়ার করে দিয়েছিল যে অন্যথায় ওয়াশিংটনও এই চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। আই এন এফ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে রাশিয়া বরং বলেছে যে যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব ইউরোপে ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরোধী ব্যবস্থা স্থাপন করেছে যা এই চুক্তির লঙ্ঘন। শনিবার প্রেসিডেন্ট পুতিন তার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করেছেন। তাদেরকে বলেছেন, তারা এখন নতুন অস্ত্র তৈরিকে কাজ শুরু করবেন। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় এরকম কালিবর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, নতুন হাইপারসনিক অস্ত্র। এসব হাইপারসনিক অস্ত্র শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ বেশি গতিতে ছুটে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। তবে পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ব্যয়বহুল অস্ত্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র মোতায়েন করার আগে তারাও কোথাও স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে না। এধরনের অস্ত্র প্রতিযোগিতার ব্যাপারে ইউরোপীয় দেশগুলো সবসময়ই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নেটোর মহাসচিব বলেন, ‘এসব নতুন ক্ষেপণাস্ত্র এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বহন করা যায়। এগুলো শনাক্ত করা কঠিন। এগুলো পরমাণু শক্তিধর। ইউরোপের যেকোনো শহরেও আঘাত হানতে সক্ষম।’ আইএনএফ চুক্তিতে কি ছিল? #যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৮৭ সালে। #অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের এই চুক্তিতে সব ধরনের পরমাণু অস্ত্র এবং স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। #রাশিয়ার এসএস-টোয়েন্টি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রও ক্রুজ মিসাইল স্থাপন করেছিল। এই ঘটনা ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভের জন্ম দেয়। #১৯৯১ সালের মধ্যে প্রায় ২,৭০০ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়। #দুটো দেশকেই একে অপরের স্থাপনা পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। #রুশ প্রেসিডেন্ট ২০০৭ সালে ঘোষণা করেন যে এই চুক্তি রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষা করছে না। #এর আগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী এক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

যে শহরে গেলেই পাবেন ৮ লাখ টাকা

পাহাড়ে ঘেরা ছবির মতো সুন্দর শহর। আধুনিক জীবন যাপনের বন্দোবস্তও মজুত। গিয়ে বসবাস শুরু করলেই হাতে গরম ৮ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। না, মোটেও গালগল্প নয়। ইতালির লোকানা নামের এই শহরে গিয়ে বসবাস করলে সেখানকার মেয়র ১০ হাজার মার্কিন ডলার প্রদান করবেন। উত্তর ইতালির পিডমন্টের এই ছোট শহরটির জনসংখ্যা এই মুহূর্তে ১ হাজার ৫০০। ইতালির বিখ্যাত শহর তুলিন থেকে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই শহরের জনসংখ্যা বিংশ শতকের গোড়ায় ছিল ৭ হাজার। কিন্তু ২০১৯-এ তা কমে ১ হাজার ৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। এই জনসংখ্যাই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে লোকানার মেয়র জভান্নি ব্রুনো মাত্তিয়েতের। তিনি লোকানোকে আবার গমগমে দেখতে চান। তাই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্ত থেকেই মানুষকে এখানে বসবাসের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন তিনি। তবে একটা শর্ত অবশ্যই রয়েছে। শর্তটি হল এই- বাসরত পরিবারকে বছরে কমপক্ষে ৫.৬৭ লাখ টাকা আয় করতে হবে এবং তাদের অন্তত একটি সন্তান থাকতে হবে। আর এই টাকা মেয়র পরিবারটিকে তিন বছর ধরে প্রদান করবেন। ইতালির বেশ কিছু শহর বিভিন্ন কারণে তাদের জনসংখ্যা হারিয়েছে। লোকানা তাদের অন্যতম। সেখানকার বেশির ভাগ বাসিন্দাই তুরিনে চলে গেছেন। ছাত্রসংখ্যা কমে যাওয়ায় বন্ধ হওয়ার মুখে সেখানকার স্কুল। ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু দোকান, পানশালা, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। এই সামান্য শর্ত পালন করতে পারলে অসামান্য সুন্দর এই শহরের বাসিন্দা হতে পারেন আপনিও। সূত্র: এবেলা একে//

৯৯ টাকায় বাগান বাড়ি!

সুন্দর সাজানো একটা শহর। নানা প্রাকৃতিক সম্পদে ঠাসা। এ শহরের বেশির ভাগ বাড়িতেই রয়েছে সাজানো বাগান। সে সব বাগান ফুলে-ফলে ভরা। আর এই বাড়িই আপনি পেয়ে যেতে পারেন মাত্র ৯৯ টাকায়! বিশ্বাস হচ্ছে না! এ খবর কিন্তু একশো ভাগ সত্যি! ইতালির ছোট্ট সুন্দর শহর সাম্বুকায় মাত্র ১ ইউরো দিলেই আপনি এমনই একটা সাজানো বাগান-বাড়ির মালিকানা পেয়ে যাবেন। তবে একটা শর্ত আছে। বাড়ির নতুন মালিককে বাড়ি কেনার তিন বছরের মধ্যেই সংস্কার করতে হবে। এরই সঙ্গে ‘সিকিউরিটি ডিপোজিট’ হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জমা দিতে হবে ৫ হাজার ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪ লাখ ৯৫ হাজার পাঁচশো ৫২ টাকার সমান। এই ‘সিকিউরিটি ডিপোজিট’-এর অর্থ অবশ্য বাড়ি সংস্কার হয়ে গেলেই ফেরত পেয়ে যাবেন বাড়ির নতুন মালিক। কী নেই এই শহরে! লাল আঙুরের চাষ হয় এখানে। এই সাম্বুকায় রয়েছে বিস্তীর্ণ আঙুরের ক্ষেত। ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের অঙ্গ সিসিলীয় ওয়াইনের জন্ম এখানেই। এখানকার বিশেষ পদ্ধতিতে বানানো রুটি আর পাস্তা বিখ্যাত। এবার নিশ্চয়ই ভাবছেন, সমুদ্রের নিকটবর্তী গাছপালা আর পাহাড়ে ঘেরা সুন্দর, সমৃদ্ধ এই শহরে বাড়ির দাম তাহলে এত সস্তা কেন? আসলে সাম্বুকার বেশির ভাগ বাসিন্দাই এখানকার পাঠ চুকিয়ে বড় শহরে চলে গেছেন। এর জন্য অবশ্য কিছুটা হয়েও দায়ি এখানকার অনুন্নত যোগাযোগ আর চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিক জীবনযাপনের তেমন সুযোগও ছিল না এখানে। তাই একে একে সাম্বুকার বেশির ভাগ বাসিন্দাই অন্যত্র চলে গেছেন। দ্রুত কমতে থাকে ২০১৬ সালে ইতালির সবচেয়ে সুন্দর শহরের তালিকায় মনোনয়ন পাওয়া সাম্বুকার জনসংখ্যা। কিছুটা বাধ্য হয়েই সাম্বুকার উপ-মেয়র জুসেপ্পে ক্যাসোপ্পো এ শহরে বাড়ি কিনতে আবেদন করেন মাত্র ১ ইউরোর বিনিময়ে। তার আবেদনে কাজও হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ শহরে বাড়ি কিনতে চেয়েছেন অনেকে। ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড থেকে জমা পড়েছে আবেদনপত্র। এই সুযোগে আপনিও এখানে বাড়ি কিনে নেবেন নাকি! সূত্র: জি নিউজ একে//

চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে দিলেন ট্রুডো

চীনে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত জন ম্যাককালামকে বরখাস্ত করেছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের সিনিয়র নির্বাহী মেং ওয়াংঝু’কে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর প্রসঙ্গে ম্যাককালাম বিতর্কিত মন্তব্য করার পর তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো। ট্রুডো এক বিবৃতিতে জানান, তিনি জন ম্যাককালামকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এর কারণ ব্যাখ্যা করেননি কানাডার প্রধানমন্ত্রী। গত বছরের ডিসেম্বর মাসের গোড়ার দিকে আমেরিকার আহ্বানে সাড়া দিয়ে কানাডার পুলিশ মেং ওয়াংঝুকে আটক করার পর চীনের সঙ্গে কানাডা ও আমেরিকার সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দেয়। ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের দায়ে ওয়াংঝুকে আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনায় রেখেছে কানাডা। হুয়াওয়ে এবং ওয়াংঝু নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের মার্কিন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি ম্যাককালামকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এরপর তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। গত মঙ্গলবার প্রথম ম্যাককালামের যে বক্তব্যটি বিতর্কের সৃষ্টি করে তা হলো, তিনি ওয়াংঝুকে গ্রেফতার ও তাকে আমেরিকার কাছে হস্তান্তরের বিষয়টিকে আইনের দৃষ্টিতে অত্যন্ত নড়বড়ে বলে মন্তব্য করেন। পরের দিন তিনি তার ওই বক্তব্যকে ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করে এর ফলে ‘দ্বিধাদ্বন্দ্ব’ তৈরি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু শুক্রবার তিনি আবার একই প্রসঙ্গের অবতারণা করে বলেন, আমেরিকা যদি ওয়াংঝুকে হস্তান্তরের অনুরোধ প্রত্যাহার করে তাহলে তা হবে কানাডার জন্য বড় পাওয়া। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি