ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৪:২৫:৩৯

যে কারণে গ্রিসের এই শহর ঢাকা পড়েছে মাকড়সার জালে

যে কারণে গ্রিসের এই শহর ঢাকা পড়েছে মাকড়সার জালে

যে দিকে চোখ যায়, মাকড়সার জাল। যেন দৈত্যের মতো বিশালাকায় সাদা ফেনায় ছেয়ে গেছে গোটা সমুদ্রতট। দক্ষিণ গ্রিসের শহর আইতোলিকোর সমুদ্রতটে এ ছবি প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু কেন, তা জানেন কি? মাকড়সা দেখলেই যারা ভয়ে পালান, তাদের কাছে এ যেন দুঃস্বপ্ন! এক-আধটা মাকড়সার জাল নয়, গ্রিসের ওই শহরের সি-বিচে প্রায় ১ হাজার ফুট দীর্ঘ জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সে জাল। যেন মাকড়সারা এক সঙ্গে মিলে হামলা চালিয়েছে। ইউটিউবে শহরের এই ছবির একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন জিয়ানিস জিয়ানাকোপৌলস। স্ট্রেচ স্পাইডার নামে পরিচিত এই মাকড়সার পোশাকি নাম টেট্রাগনাথা এক্সটেনসা। উপকূলবর্তী এলাকাতেই এদের বসবাস। ছোটখাটো-রোগাপাতলা চেহারার এই মাকড়সারা ডাঙার থেকে পানিতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে যাতায়াত করতে পারে। মলিকিউলার বায়োলজিস্ট মারিয়া চাটজাকি জানিয়েছেন, এই মাকড়সাগুলো মানুষের কোনও ক্ষতি করে না। গ্রিসের আথেন্স থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে আইতোলিকোতে এই ছবি দেখা যায় কেন? মলিকিউলার বায়োলজিস্ট মারিয়া চাটজাকি সে উত্তরও দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসলে ওই জালের আড়ালে অসংখ্য মাকড়সা তাদের যৌনক্রিয়া চালায়। মেঘের মতো সাদা জালে ছেয়ে যায় গোটা শহরের সমুদ্রতট, গাছপালা, গাড়ির ছাদ, পরিত্যক্ত বোটের গায়ে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
আগুন নিয়ে খেলছে ওয়াশিংটন : মস্কো

রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার কারণে চীনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যে কারণে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া ও চীন। মস্কো বলছে যে ওয়াশিংটন আগুন নিয়ে খেলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগেই হুমকি দিয়েছিল ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী রাশিয়ার কাছ থেকে কোন দেশ অস্ত্র কিনলে তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। সম্প্রতি চীন রাশিয়ার কাছ থেকে সুখই যুদ্ধ বিমান এবং ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণ-যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে। তাই চীনের সেনাবাহিনীর ক্রয় শাখা এখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন। এসবের মধ্যে রয়েছে ১০টি সুখই যুদ্ধবিমান এবং এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র। এই বিভাগ এবং তার পরিচালক লি শাংফু এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোন রফতানি লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন না এবং মার্কিন অর্থ ব্যবস্থায় অংশ নিতে পারবেন না। ওয়াশিংটন বলছে, রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কিনে চীন রাশিয়ার উপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে। ২০১৪ সালে ইউক্রেনে মস্কোর হস্তক্ষেপের জবাবে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞায় তখন যোগ দেয়নি চীন। এতে ক্ষুব্ধ চীনের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র বলেছেন, তারা ট্রাম্প প্রশাসনকে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছেন - অন্যথায় তাদের এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। সূত্র : বিবিসি এসএ/  

৩০ কেজি ওজনের বাঁধাকপি ফলিয়ে তাক লাগালেন এক কৃষক 

চোখের সামনে ৩০ কেজির ওজনের বাঁধাকপি দেখলে চোখ কপালে উঠতেই পারে৷ ব্রিটেনের নিউপোর্টে এই ঘটনা ঘটেছে৷ নিউপোর্টের এক কৃষক নাম ইয়ান নিল৷   এমনই বড় বড় সবজি ফলানোতে নাম ডাক রয়েছে ইয়ানের৷ নর্থ ইয়র্কশায়ারে হ্যারোগেট ফ্লাওয়ার শো-তে একটি প্রদর্শনীতে এই ৩০ কেজি ওজনের বাঁধাকপি নিয়ে হাজির হন এই কৃষক৷ ফ্লাওয়ার শো’তে এত বড় সবজি দেখে সকলেই অবাক হয়েছেন৷ অনেকে মনে করেন ইয়ানের হাতে জাদু আছে৷ তবে ইয়ান জানান, তাঁর এলাকায় এই সব সবজি এত বড় হতে পারে কারণ ভালো ফলনের জন্য যা যা উপকরণ বা উপাদান প্রয়োজন তা সবই এখানে পাওয়া যায়৷     ৭৫ বছর বয়সী ইয়ান বাঁধাকপি ছাড়া নর্থ ইয়র্কশায়ারের হ্যারোগেট অটাম ফ্লাওয়ার শো’তে বাঁধাকপি ছাড়াও বড় গাজর এবং বড় বিটরুট প্রদর্শন করে পুরস্কার অর্জন করেন তিনি৷ তাঁর ওই একটি গাজরের ওজন ৪ কেজি এবং একটি বিটরুটের ওজন ১৯ ওজন৷ বুঝতেই পারছেন, চমকের পর চমক! ইয়ান জানান, গাজর এবং বিটরুট ফেরত নিতে গিয়ে তা রান্নার কাজে ব্যবহার করলেও, বাঁধা কপিটি তিনি বিক্রি করতে পারেন ৷কারণ ওই ভারি বাঁধাকপি ফেরত নিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টকর৷ প্রসঙ্গত, সব থেকে ভারি বাঁধাকপির রেকর্ড রয়েছে ৬২ কেজির, যা আমেরিকার স্কট রবের কৃতিত্ব৷ অন্যদিকে বিশ্বে সব থেকে বড় বিটরুটের জন্য এখনও পর্যন্ত ইয়ান নিল তাঁর জায়গা পাকা করে রেখেছেন৷ ২০০১ সালে তিনি ২৩.৪ কেজির বিটরুটের ফলন করেছিলেন৷ কলকাতা২৪    কেআই/এসি     

‘আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প চায় বিভিন্ন দেশ’

এশিয়া ও ইউরোপের অনেক দেশ আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের বিকল্প মুদ্রা ব্যবহার করতে চায় বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। গতকাল রোববার মস্কোয় তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, মার্কিন সরকার ডলারের সরবরাহকারী হিসেবে  এমন কিছু ব্যবহার করছে যার কারণে এই আন্তর্জাতিক মুদ্রার প্রতি আস্থা কমে গেছে। এছাড়াও যেসব দেশ আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলার পরিহার করতে চায় তাদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এসব দেশ এখন এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা পুরোপুরি পরিহার করা সম্ভব এবং এ কাজ যত দ্রুত করা যায় তত মঙ্গল। এদিকে এর আগে শুক্রবার(১৪ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেছিলেন, তার ব্যাংক মার্কিন ডলারের ব্যবহার পরিত্যাগ করার নীতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইরান বহুদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লেনদেন থেকে ডলার বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি তুর্কি সরকারও একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছে। ইতোমধ্যে রাশিয়ার একটি বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান আন্দ্রে কোস্তিন সম্প্রতি রাশিয়ার আন্তর্জাতিক লেনদেন থেকে ডলার সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা পেশ করছেন। সূত্র : পার্সটুডে এমএইচ/

ব্রেক্সিট ইস্যুতে নতুন করে গণভোটের দাবি লন্ডন মেয়রের

ব্রেক্সিট কার্যকর হলে ব্রিটেনে বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। শুধু তাই নয়, দেশটির আশু অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঠেকাতে নতুন গণভোটের দাবি জানিয়েছেন তিনি। লন্ডনের দৈনিক পত্রিকা অবজারভারে লেখা এক প্রবন্ধে সাদিক খান ব্রিটিশ সরকারের তুমুল সমালোচনা করেন। খান বলেন, ব্রেক্সিট ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রিটিশ সরকার যে আচরণ করছে, তা খুবই বিপদজনক। প্রতিটি পদক্ষেপেই তেরেসার মের সরকার অপরিপক্কতার পরিচয় দিচ্ছেন। ব্রেক্সিট কার্যকর হলে, ব্রিটেনে কি পরিমাণ বেকারত্ব বাড়বে, তা একবারও চিন্তা করেনি বর্তমান সরকার। এদিকে লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসনেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আছে ব্রিটেন। এরপরই দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এমজেএমজে/

লটারি জেতার পর স্বামীকে বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হলেন যিনি

যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজশায়ারে লটারি জেতার পরও স্বামীকে বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হয়েছেন এক নারী। কারণ ওই নারী প্রায়ই স্বামীর সঙ্গে লটারি জেতা নিয়ে মিথ্যা বলে মজা করতেন। মিথ্যাবাদী রাখালের কথা তো নিশ্চয়ই মনে আছে? প্রতিদিন বাঘ বাঘ করে মানুষকে ভয় দেখাতো সে। এর ফলে সত্যিসত্যি যে দিন বাঘ এসেছিল সে দিন তাকে কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। প্রতিদিন এমনই মজা করত ওই নারী। তাই তার স্বামীও বিষয়টির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তাই যখন চারলোট এসে এ সব বিষয়ে কথা বলতেন তখন তা উড়িয়ে দিতেন ড্যানিয়েল পিয়ার্ট। কিন্তু এই দফা সত্যি সত্যি এক মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট জিতেও কোনোভাবে স্বামীকে বিশ্বাস করাতে পারছিলেন ওই নারী। শেষ পর্যন্ত লটারি জেতার বিষয়টির একটি স্ক্রিনশট স্বামীকে পাঠিয়ে বিশ্বাস করাতে সমর্থ হন তিনি। এ মেসেজ দেখে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে যান পিয়ার্ট। এখন লটারি জেতার টাকায় একটি বড় বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন ওই দম্পতি। সূত্র: স্কাই নিউজ একে//

ইয়েমেন শিশুদের জন্য নরকে পরিণত হয়েছে

‘ইয়েমেন এখন শিশুদের জন্য নরকে পরিণত হয়েছে’- বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। ইউনিসেফের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, দেশটির এক কোটি ১০ লাখ শিশু চরম খাদ্য সংকট ও নানা ধরনের অসুখে ভুগছে। এদের অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়ে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা `সেভ দ্য চিলড্রেন` বলেছে, প্রায় ৪০ লাখ শিশু এতটাই খাদ্য সংকটে রয়েছে যে, তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারলে মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে যাবে। হুদায়দা বন্দরে সামরিক সংঘাত ইয়েমেনের লাখ লাখ শিশুর খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে উঠেছে। গত ১৩ জুন থেকে হুদায়দা বন্দর দখলের লক্ষ্যে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে। ইয়েমেন মানবিক ত্রাণ সরবরাহের প্রধান পথ হচ্ছে হুদায়দা বন্দর। সূত্র : আল জাজিরা এসএ/

মিত্রদের ওপর আঘাত সহ্য করা হবে না, পুতিনের হুঙ্কার

শুধু রাশিয়া-ই নয়, দেশটির যে কোনো মিত্রের ওপর আঘাত আসলে রাশিয়া হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নিজের দেশের সামরিক বাহিনীর মহড়াগুলোকে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক আখ্যা দিয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়া ও আমাদের মিত্রদের যে কোনো মূল্যে রক্ষা করা হবে। রাশিয়া, চীন ও মঙ্গোলিয়ার অংশগ্রহণে ভস্টক-২০১৮ সামরিক মহড়া পরিদর্শনের সময় আজ বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট পুতিন এসব অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, রুশ সামরিক বাহিনীকে আরো অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে। এসব সরঞ্জাম রাশিয়া ও মিত্রদের রক্ষার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। পুতিন বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা আমাদের দায়িত্ব। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের পর এটাই সবচেয়ে বড় মহড়া চালাচ্ছে রাশিয়া। এতে রাশিয়ার তিন লাখ সেনার পাশাপাশি চীনের সেনা রয়েছে সাড়ে তিন হাজার। গত মঙ্গলবার মহড়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা চলবে। রাশিয়ার পাঁচটি অঞ্চলে এ মহড়া চলছে। এতে অংশ নিচ্ছে রাশিয়ার হাজার হাজার ট্যাংক, কম্ব্যাট হেলিকপ্টার, জঙ্গিবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন। এমজে/

হাঙ্গেরীর ভোটাধিকার রহিত করল ইইউ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবজ্ঞা করায় হাঙ্গেরির ‍বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আজ বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনসভার সদস্যরা হাঙ্গেরির ইইউ পার্লামেন্টে ভোটাধিকার রহিত করার উদ্যোগ নেন।   হাঙ্গেরীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৪৪৮ জন সদস্য ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট দেন ১৯৭ জন এবং ভোট দানে বিরত থাকে ৪৮ জন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিরোধিতা করায় হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। পক্ষে ভোট দাতা ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের সদস্য জুদিথ সার্জেনটিনি ভোট শেষে বলেন, হাঙ্গেরীর বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা এ পার্লামেন্টের জন্য একটি ইতিবাচক বিষয়।   এদিকে হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই উদ্যোগকে নিন্দা জানিয়ে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেটার সিজজারতো বলেন, হাঙ্গেরির জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই উদ্যোগ মেনে নেয়নি বরং নিন্দা জানিয়েছে। তিনি এটিকে হাঙ্গেরির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক ধরণের ব্লাকমেইল বলে অভিহিত করেন। তিনি আরো বলেন, দেশান্তর বা অনুপ্রবেশ একটি ভালো বা দরকারি পদ্ধতি হতে পারে না বরং তা বন্ধ করা দরকার। প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত ২০১০ সালে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ক্ষমতায় এসে গণমাধ্যম, আইন বিভাগ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিতে থাকে যাতে তাঁরা অ্যাসাইলামা সিকারদের ইউরোপ প্রবেশ বন্ধের পক্ষে থাকে। এটিকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের লংঘন বলছে ইইউ। সূত্র: আল-জাজিরা / এমএইচ/ এআর    

জার্মান যাজকদের বিরুদ্ধে হাজারো শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ

জার্মান ক্যাথলিক চার্চের ধর্মযাজকরা সে দেশের ৩ হাজার ৬০০শ-এর বেশি শিশুকে নানাভাবে নির্যাতন করেছেন বলে ফাঁস হওয়া একটি প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে। প্রায় ৭০ বছর ধরে, ১৯৪৬ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সময়ে এ সব ঘটনা ঘটেছে। জার্মানির তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে চার্চের ওপর ওই অনুসন্ধানী গবেষণাটি করেছে। এর লেখকরা বলছেন, সত্যিকারের নির্যাতনের ঘটনা হয়তো আরও অনেক ব্যাপক। কারণ অনেক তথ্যই ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে বা বিকৃত করা হয়েছে। চার্চের নিজেদের করা তদন্তেই এ সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির ১ হাজার ৬৭০ জন যাজক ৩ হাজার ৬৭৭ নাবালকের ওপর যৌন হামলা করেছেন। জার্মান সংবাদপত্র স্পিগেল অনলাইন এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। এ প্রসঙ্গে চার্চের একজন মুখপাত্র বলেন, এটি খুবই উদ্বেগের এবং অসম্মানজনক। সারা বিশ্বের রোমান ক্যাথলিক চার্চে যে দশকের পর দশক ধরে যৌন নির্যাতনের ঘটনার তথ্য প্রকাশ হয়ে আসছে, তারই ধারাবাহিকতায় জার্মানির এ সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ৩৮ শতাংশ অভিযুক্ত নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে হালকা ধরণের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অথচ প্রতি ছয়টি অভিযোগের মধ্যে একটি অন্তত ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে। নির্যাতনের শিকার বেশিরভাগই ছেলে শিশু, যাদের বয়স গড়ে ১৩ বছরের নীচে। অনেক সময় এ সব নির্যাতনকারী নতুন এলাকায় কাজ করতে গিয়েছেন, যেখানে কাউকে তাদের আগের অপরাধের বিষয়ে কোনও সতর্ক করা হয়নি। জার্মান বিশপদের একটি সম্মেলনে চার্চের মুখপাত্র বিশপ স্টিফান একেরমান বলছেন, এই গবেষণায় যেভাবে যৌন নির্যাতনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তাতে এটি খুবই উদ্বেগের এবং লজ্জাজনক। এ দিকে, স্পিগেলের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি ভ্যাটিকান। তবে বুধবার অন্য একটি আয়োজনে কিভাবে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিশপদের একটি সম্মেলন ডেকেছেন পোপ ফ্রান্সিস। সূত্র: বিবিসি এমএইচ/একে/

স্ক্রিপাল কাণ্ডে অভিযুক্তরা অপরাধী নয়: পুতিন

প্রাক্তন রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল এবং তারা মেয়েকে নার্ভ এজেন্ট দিয়ে খুন করার চেষ্টার ঘটনায় যে দু’জন সন্দেহভাজনের নাম উঠে এসেছে, তারা কোনও অপরাধী নন- এমন দাবিই করলেন খোদ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারা বক্তব্য, ওই দু’জন সাধারণ নাগরিক। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের নাম আলেকজান্ডার পেত্রোভ এবং রুশলান বশিরভ। তারা রুশ সেনার গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য বলে ব্রিটেনের দাবি। পুতিন এ দিন বলেছেন, তারা প্রশাসন ওই দু’জনের খোঁজ পেয়েছে। তারা শীঘ্রই প্রকাশ্যে এসে নিজেদের কথা জানাবেন। ভ্লাদিভস্তক থেকে পুতিন বলেছেন, ‘আমরা জানি, ওরা কারা। ওদের খুঁজে পাওয়া গেছে। আমার আশা, ওরা নিজেরাই এগিয়ে এসে সব কিছু বলবেন। সেটাই সবার জন্য ভাল হবে। ওরা অপরাধী নন। আশ্বাস দিচ্ছি, ভবিষ্যতে সবটা স্পষ্ট হবে।’ স্ক্রিপাল এবং তারা মেয়ে ইউলিয়াকে  তাদের স্যালিসবেরির বাড়িতে নার্ভ এজেন্ট দিয়ে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যমের দাবি, পুতিন যেভাবে জানাচ্ছেন, যে ওই দু’জন শীঘ্রই মুখ খুলবেন, তা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ। তবে প্রশ্ন হল, তারা কারা? কারণ ব্রিটেন সরকারও যে দু’টো নাম প্রকাশ করেছে, সেগুলো আসল নয়। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এবং ব্রিটেনের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস জানিয়েছে, ওই দু’জনকে অভিযুক্ত করার জন্য যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ আছে। ২ মার্চ রুশ পাসপোর্ট নিয়েই ওই দু’জন মস্কো থেকে লন্ডনে আসেন। পুলিশের দাবি, তার দু’দিন পরে স্যালিসবেরির উইল্টশায়ার শহরে স্ক্রিপালের বাড়ির সামনের দরজায় নার্ভ এজেন্ট নোভিচক ছিটিয়ে যান ওই দু’জন। ওই দিনই বেলার দিকে রাশিয়া ফিরে যান তারা। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদের বক্তব্য, ৪০-এর আশপাশে বয়স ওই দু’জনের। রাশিয়ার বাইরে পা রাখলেই তাদের গ্রেফতার করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। রাশিয়া তার নাগরিকদের প্রত্যর্পণ করে না, তাই ব্রিটেনের তরফে এই নিয়ে কোনও অনুরোধ পাঠানো হবে না রুশ সরকারের কাছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কোনও দেশে তারা যদি যায়, তার জন্য ইউরোপীয় গ্রেফতারি পরোয়ানা রাখা হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

রাশিয়ায় একদিনে আটক ৮ শতাধিক

চাকরিতে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদ করায় রাশিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে আট শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে রাশিয়াভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ওভিডি-ইনফো। রোববার রাজধানী মস্কোসহ রাশিয়ার ৮০টির বেশি শহরে অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সে সময় ওই আটকের ঘটনা ঘটে। কারাগারে অন্তরীণ বিরোধীদলীয় নেতা আলেক্সেই নাভালনির আহ্বানে এ বিক্ষোভ আয়োজিত হয়। নাভালনি চাকরিতে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর সরকারি ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে আসছিলেন। গত মাসে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের নিয়মভঙ্গের দায়ে দেশটির আদালত তাকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেন। জানা গেছে, ১৯টি শহর থেকে মোট ৮৩৯ জনকে আটক করা হয়। সবচেয়ে বেশি আটকের ঘটনা ঘটে সেন্ট পিটাসবার্গে, সেখান থেকে ৩৫৪ জনকে আটক করা হয়। আরেক শহর ইয়েকাটারিনবার্গ থেকে আটক করা হয় ১২৯ জনকে। যদিও মস্কো বলছে, ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বয়স বাড়ানোর সরকারি ওই পরিকল্পনা অনুসারে ২০১৯ থেকে ২০৩৬ সালের ভেতর অবসরের বয়সসীমা ক্রমান্বয়ে বেড়ে পুরুষদের জন্য হবে ৬০ থেকে ৬৫ বছর এবং নারীদের জন্য ৫৫ থেকে ৬০। নারীর বয়সসীমা শুরুতে ৬৩ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর কথা ভাবলেও পরে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সে পরিকল্পনা শিথিল করেন। প্রসঙ্গত, চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সরকারের এ পরিকল্পনা পুতিনের জনপ্রিয়তাকে অনেক কমিয়ে দিয়েছে। সূত্র : বিবিসি এসএ/  

‘পড়াশোনার খরচ চালাতে মাদক ব্যবসা করি’

কাগজে কলমে হ্যারি অন্য দশজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মতই সাধারণ শিক্ষার্থী। যুক্তরাজ্যের অন্যান্য অনেক শিক্ষার্থীর মত তিনি স্টুডেন্ট লোন নিয়েছেন এবং তা পরিশোধের লক্ষ্যে তার নানা পরিকল্পনাও আছে। তবে অবাক করা বিষয় হলো, প্রতিদিন সন্ধ্যায় গড়ে ২০ জনের মত গ্রাহককে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করেন তিনি। হ্যারি বলেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই ব্যাপকভাবে মাদকের চল রয়েছে।কারো না কারো কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করেন, তাই সেই কেউ না কেউ আমি হলে ক্ষতি কি! গতবছরের ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের অপরাধ গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ১২ লাখ মানুষ বেআইনি মাদক গ্রহণ করেছে। হ্যারি জানান, আপনি যখন শিক্ষার্থী, তখন আপনার আশেপাশের প্রায় সবাইকেই দেখবেন কোনো না কোনো মাদক গ্রহণ করছে। তাই এই বাজারটা ধরতে পারা সহজ। হ্যারি`র এই পার্ট টাইম ব্যবসার প্রধান সমস্যা - এটি সম্পূর্ণ অবৈধ। বেআইনিভাবে কোকেন, এমডিএমএ বা ম্যাজিক মাশরুমের মত ক্লাস এ মাদক সরবরাহ করার অপরাধে যুক্তরাজ্যে বিশাল অঙ্কের অর্থ জরিমানা বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের মাতো শাস্তি হতে পারে। কেটামিনের মত ক্লাস বি মাদকের ব্যবসার জন্য শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদন্ড। এই ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত হ্যারি এবং তার ইচ্ছা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে ফেলার পাশাপাশি এই কাজও থামিয়ে দেবেন। হ্যারি মনে করেন, বয়সের সাথে সাথে মাদককে দূরে সরিয়ে জীবন গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে মাদক বিক্রি করলেও এর বাইরে কোথাও মাদক সরবরাহের পরিকল্পনা নেই হ্যারি`র। তিনি জানান, নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়ায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও তার কাছ থেকে মাদক কিনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে লেনদেন করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা যে ধরণের ঝুঁকি বোধ করে, তার ক্ষেত্রে তেমনটা মনে করে না তারা। শুরুতে অবশ্য হ্যারি মাদক বিক্রেতা নয়, সেবনকারী ছিল। নিজের ব্যবহারের মাদক বন্ধুদের কাছে মাঝেমধ্যে বিক্রি করতেন তিনি। বেশীদিন মাদক বিক্রেতা হিসেবে থাকতেও চান না তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ বহন করার জন্যই এই পথ বেছে নিয়েছেন তিনি। ছাত্রজীবনে পরীক্ষামূলকভাবে মাদক ব্যবহারের বিষয়টি অনেকটাই স্বীকৃত। বিল ক্লিনটন থেকে শুরু করে বরিস জনসন পর্যন্ত অনেক রাজনীতিবিদও ছাত্রজীবনে মাদক ব্যবহারের কথা খোলামেলাভাবে স্বীকার করেছেন। সূত্র : বিবিসি বাংলা এমএইচ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি