ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:২১:৩০

‘পাকিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করতে চায় ইরান’

‘পাকিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করতে চায় ইরান’

পাকিস্তানের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও বেশি শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি দু’দেশের ব্যাংকিং খাতের মধ্যে সহযোগিতা বিস্তারের আহ্বান জানিয়ে এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো অপসারণের ওপরও জোর দিয়েছেন। তেহরানে ছয় আঞ্চলিক দেশের পার্লামেন্ট স্পিকারদের বৈঠকের অবকাশে পাকিস্তানের স্পিকার আসাদ কায়সার গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমেরিকার দাম্ভিকতা ও নিষেধাজ্ঞা প্রতিহত করার লক্ষ্যে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। প্রেসিডেন্ট রুহানি সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, আমেরিকা, পাশ্চাত্য ও ইহুদিবাদী ইসরাইল তার দেশে তৎপর সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। হাসান রুহানি বলেন, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহেযাগিতা জোরদার দু’দেশের দীর্ঘ সীমান্তকে নিরাপদ করে তুলতে পারে। পাকিস্তানে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে অপহৃত সাত ইরানি সীমান্তরক্ষীকে মুক্ত করার জন্য ইসলামাবাদ অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে তেহরান আশা করছে। সাক্ষাতে পাক পার্লামেন্ট স্পিকার আসাদ কায়সার তার দেশের সীমান্তবর্তী ইরানের বন্দরনগরী চবাহারে সন্ত্রাসী হামলায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটনে ইরানকে সব রকম সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন। শুক্রবার চবাহারে সন্ত্রাসী হামলায় দু’জন নিহত ও অপর ৪২ জন আহত হন। সূত্র: পার্সটুডে একে//
অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে আমেরিকা : রুহানি

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে। শনিবার তেহরানে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় একথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। সম্মেলনে ইরানের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, মার্কিন অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের বিশেষ প্রমাণ হচ্ছে- ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকার সরে যাওয়া এবং তেহরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা। মহান ইরানি জাতির ওপর মার্কিন একতরফা ও অবৈধ নিষেধাজ্ঞা সন্ত্রাসবাদের সুস্পষ্ট রূপ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।হাসান রুহানি বলেন, অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের অর্থ হচ্ছে- অর্থনীতি নিয়ে কোনো একটি দেশের মধ্যে ভয় সৃষ্টি এবং অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সেই দেশের আর্থিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করা। তিনি আরো বলেন, ইরান হচ্ছে সন্ত্রাসবাদের সবচয়ে বড় শিকার এবং মারাত্মকভাবে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পো একটি দেশ। তবে এসব ক্ষতির পরও ইরান সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াই থেকে সরে যাবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধ লড়াই এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে অংশ নেয়া দেশগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন। গত বছর প্রথম এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানে।সূত্র : পার্সটুডেএসএ/  

কৃষ্ণসাগরে মহড়া চালাচ্ছে মস্কো

ইউক্রেন ও পশ্চিমাদের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই কৃষ্ণসাগরে নৌ মহড়া চালাচ্ছে রাশিয়া। মহড়ায় রাশিয়া ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপেযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়াও চালাচ্ছে।গত ২৫ নভেম্বর ক্রিমিয়ার কাছে আজোভ সাগরের কের্চ প্রণালী থেকে ইউক্রেনের তিনটি জাহাজ আটক করার পর রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন ও পশ্চিমা কয়েকটি দেশের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া কৃষ্ণসাগরে নৌ মহড়া শুরু করল। এ মহড়ায় রুশ সাবমেরিন রোসটোভ-অন-ডন বি-২৩৭ এবং স্টারি অস্কোল বি-২৬২ অংশ নিচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত সেনা মোতায়েন করা হবে মহড়ায় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া, রুশ যুদ্ধজাহাজকে এস্কর্ট করে নেয়া এবং সাগরে শত্রুর লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার বিষয়েও মহড়া চালানো হয়। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে। মহড়ায় কৃষ্ণসাগরের সাবমেরিন ইউনিট অংশ নিচ্ছে এবং গভীর সাগরে যুদ্ধের অনুশীলন করছে। তবে এ মহড়া কবে শুরু হয়েছে এবং কবে শেষ হবে সে সম্পর্কে কিছু জানায় নি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।এসএ/

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিএসএফের ২ জওয়ান নিহত

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণের ফলে জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে ভারতীয় এক সেনা ও আধাসামরিক বাহিনী বিএসএফের এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। দু’টি আলাদা ঘটনায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কুপওয়াড়া ও রাজৌরি জেলায় জওয়ানরা নিহত হন।বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মিরের কুপওয়াড়া জেলার মছিল সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিবর্ষণে ভারতীয় এক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা কর্নেল রাজেশ কালিয়া বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনারা জম্মু-কাশ্মিরের কুপওয়াড়া জেলার মছিল সেক্টরে বিনাপ্ররোচনায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। সেনাবাহিনী দ্রুত পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাগুলির কঠোর জবাব দিয়েছে। উভয়পক্ষের গুলি বিনিময়ের মধ্যে ঘটনায় এক সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়েছে।’নিহত সেনাবাহিনীর রাইফেলম্যান রাজেশ কুমারের বাড়ি উত্তর প্রদেশের এটায়।প্রসঙ্গত, কাশ্মির উপত্যকায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয়বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা। উরি সেক্টরে গত বুধবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণের ফলে ভারতীয় এক সেনাসদস্য আহত হয়েছিলেন।অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজৌরি জেলার সুন্দেরবানি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে স্নাইপার হামলায় বিএসএফের ১২৬ ব্যাটেলিয়ানের এক জওয়ান নিহত ও অন্য একজন আহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, ওই ঘটনায় কনস্টেবল পরানজিৎ বিশ্বাস ও সিপাহী মনসা রাম গুলিবিদ্ধ হলে তাদেরকে দ্রুত হেলিকপ্টারের সাহায্যে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কনস্টেবল পরানজিৎ বিশ্বাস মারা যান। অন্য জওয়ানের অবস্থা স্থিতিশীল।সূত্র : পার্সটুডেএসএ/

আফগানিস্তানে জোট বাহিনীর বিমান হামলায় ১৯ জঙ্গি নিহত

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় ফারাহ প্রদেশে ন্যাটো নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর বিমান হামলায় স্থানীয় এক তালেবান নেতাসহ অন্তত ১৯ জঙ্গি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় এক কর্মকর্তা এ কথা জানান। প্রদেশিক পুলিশের মুখপাত্র মুহিবুল্লাহ্ মুহিব বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে বলেন, বুধবার রাতে খাকি সাফেদ জেলার নাইদি এলাকায় তালেবানদের আস্তানা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে স্থানীয় তালেবান নেতা আগা মির আদালাত ও তার ১০ সহযোগী জঙ্গি নিহত হয়। আদালাত গোলযোগপূর্ণ ওই এলাকার ২শ’ জঙ্গির নেতা ছিলেন। মুহিব আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী বালা বুলুক জেলায় প্রায় একই সময়ে পৃথক বিমান হামলায় আট তালেবান জঙ্গি নিহত হয়। তিনি বলেন, বালা বুলুকে এই অভিযানে তালেবানের তিনটি প্রতিরক্ষা শিবির ধ্বংস হয়। সূত্র: বাসস একে//

ইন্দোনেশিয়ায় হামলায় নিহত ১৬ জনের লাশ উদ্ধার

ইন্দোনেশিয়ার গোলযোগপূর্ণ পাপুয়া প্রদেশ থেকে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ১৬ জনের লাশ উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী এ কথা জানিয়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীরা সেখানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী তৎপরতা চলছে। তবে এই দীর্ঘকালীন বিদ্রোহী তৎপরতার মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংস ঘটনা। বিদ্রোহী হামলায় নিহতরা নির্মাণ শ্রমিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সামরিক কমান্ডার বিনসার পানজাইতান বলেন, লাশগুলোকে দুর্গম পার্বত্য দুগা জেলা থেকে তিমিকা শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। রোববার এই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি পাপুয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১৬টি লাশ পাওয়া গেছে।’ মৃতদের সনাক্ত করা হয়নি। সেনাবাহিনী এই হত্যাকা- সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এর আগে এক প্রতক্ষ্যদর্শীর বরাত দিয়ে সেনাবাহিনী অন্তত ১৯ জনের নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। এর আগে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই ঘটনায় ২৪ জন থেকে ৩১ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী জানায়, এদের সবাই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ঠিকাদার কোম্পানির অধীনে কাজ করছিল কি-না তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ঠিকাদার কোম্পানির সাত কর্মীসহ আরও ১৫ জনকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই অঞ্চলে বিদ্রোহীদের মোকাবিলা করতে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে। সোমবার থেকে বিদ্রোহীদের হামলায় এক সেনা নিহত ও অপর দুইজন আহত হয়েছেন। সূত্র: বাসস একে//

খাশোগির দুই হত্যাকারির বিরুদ্ধে তুরস্কের পরোয়ানা 

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুই সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে তুরস্ক। এই দুই ব্যক্তি সৌদি যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে।   বুধবার ইস্তাম্বুলের চিফ প্রসিকিউটরের দফতর জানিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তি হলো আল আসিরি এবং সৌদ আল কাহাতানি। তারা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে জামাল খাসোগিকে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।   তুরস্কের কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, এই পরোয়ানার মাধ্যমে বুঝা যাচ্ছে যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব কোনো ব্যবস্থা নেবে না। এছাড়া, আরও বহু ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে বলেও তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন। জামাল খাসোগিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সৌদি আরব যে পাঁচজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে আটক করেছে তাদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা শাখার উপপ্রধান আহমেদ আল আসিরি এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিডিয়া উপদেষ্টা কাহাতানি রয়েছেন। কাহাতানি এর আগে খাসোগিকে স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে নানাভাবে প্রলোভিত করার চেষ্টা করেছিল এবং এমনকি তাকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চাকরি দেয়ার লোভ দেখিয়ে সৌদি আরবে ফেরত নিতে চেয়েছিল। তবে আমেরিকার ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগি কাহাতানির এসব প্রস্তাবকে নিজের জন্য ফাঁদ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এসি    

সৌদি যুবরাজ ‘পাগল ও বিপজ্জনক: মার্কিন সিনেটর 

সৌদি  ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ‘পাগল ও বিপজ্জনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।   সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান দলীয় এই সিনেটর বলেছেন, যুবরাজ সালমান `একটি ধ্বংসাত্মক বল`, `পাগল`, এবং `বিপজ্জনক` লোক। সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রধান জিনা হ্যাসপেল মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটে ব্রিফিং করেন। এই ব্রিফিং-এর পরেই সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ওই মন্তব্য করেন। লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, আমার `দৃঢ় আত্মবিশ্বাস` ছিল যে, সাংবাদিক খাশোগিকে হত্যায় যুবরাজ সালমান জড়িত। এদিকে, মার্কিন সিনেটররা মন্তব্য করেন, জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনায় যুবরাজ সালমানের ভূমিকা ছিল। এ বিষয়ে তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিশ্চিত। প্রসঙ্গত, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। যুবরাজ সালমানের নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র: বিবিসি কেআই/এসি     

বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করবে রোবট কুকুর

এয়ারপোর্টে ঢুকে আপনি দেখলেন আপনার লাগেজ ব্যাগটি একটি কুকুর এসে শুঁকে চলে গেল। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ)-কে এ ভাবেই নিরাপত্তার কাজে সাহায্য করে থাকে এই সব কুকুরেরা। তবে আগামিদিনে এই দৃশ্য আর নাও দেখা যেতে পারে।নিরাপত্তার কাজে সিআইএসএফকে সাহায্য করতে রক্ত-মাংসের কুকুরের বদলে আসতে চলেছে ফ্যাক্টরিতে তৈরি রোবট কুকুর। আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, জাপান, কোরিয়ার মতো দেশগুলিতে নিরাপত্তার জন্য এই ধরনের রোবট কুকুর ব্যবহার করা হয়। এ বার সেই পথে হাঁটার কথা ভাবছে ভারতের বিমানবন্দরগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ। গত সপ্তাহে কানাডার মন্ট্রিয়লে অনুষ্ঠিত হয়েছিল গ্লোবাল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি সিম্পোজিয়াম ২০১৮। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) এই সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিআইএসএফের ডিজি রাজেশ রঞ্জন ও অতিরিক্ত ডিজি এম এ গণপতি। সেখানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আইসিএও-র অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ফলপ্রসু আলোচনা করেছেন সিআইএসএফের এই দুই শীর্ষ অফিসার। সিআইএসএফের এক অফিসার বলেছেন, ‘আমেরিকার ট্রান্সপোর্ট সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিএসএ)-এর সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিলই। নিরাপত্তায় আরও প্রযুক্তিগত সহায়তার পথে হাঁটতে এবার আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি করব।’ রোবট কুকুরের নিয়োগ ছাড়াও সিটি স্ক্যান নির্ভর হাত ও কেবিন লাগেজের পরীক্ষা, বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের ব্যাপারেও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে ওই সভায়। বিমান পরিবহণকে ব্যবহার করে সোনা পাচার, ড্রাগ পাচার ও বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রবণতা সারা বিশ্ব জুড়েই ক্রমবর্ধমান। ভারতেও বিভিন্ন বিমানবন্দর দিয়ে ড্রাগ ও সোনা পাচারের চেষ্টার খবর প্রায়শই সামনে আসে। তাই বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে এই ধরনের অপরাধ রুখতে শুধু মানব দক্ষতার উপর নির্ভর করে থাকতে চায় না সিআইএসএফ। পাশাপাশি পুরোদস্তুর প্রযুক্তি ব্যবহার করার পথেও হাঁটতে চায় তারা। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তি নির্ভর করতে ইতিমধ্যেই দেশের কিছু বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক স্ক্যানার সিস্টেম চালু করেছে সিআইএসএফ। সে জন্যই রোবট কুকুরের ব্যবহারও খুব শীঘ্রই শুরু করতে চায় তারা।  তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার  এমএইচ/

ভারতের শক্তিশালী কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বিগ বার্ড’ আকাশে   

দক্ষিণ আমেরিকার ফরাসি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে আকাশে উড়ল  ভারতের সব থেকে শক্তিশালী কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বিগ বার্ড’। এই কৃত্রিম উপগ্রহের ওজন ৫,৮৫৪ কেজি। এটি হচ্ছে ভারতের সব থেকে ভারী এবং শক্তিশালী কৃত্রিম উপগ্রহ। ভারতীয় সময় রাত দুইটা সাত মিনিটে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)। দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানার ফরাসি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র স্পেসপোর্ট থেকে আকাশে পাঠানো হয়েছে বিগ বার্ডকে। এই কৃত্রিম উপগ্রহের জন্য নিশ্চিত ভাবেই প্রযুক্তিগত দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে ভারত। আরও উন্নত হবে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর পর থেকে দেশের অধিকাংশ বিমানেই মিলবে ইন্টারনেট পরিষেবা। পাশাপাশি কেবল দিয়ে ইন্টারনেট যেখানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়, সেই সব দুর্গম জায়গাতেও পাওয়া যাবে ইন্টারনেট পরিষেবা। অর্থাৎ, আরও কার্যকরী হবে ডিজিটাল ইন্ডিয়া। ইসরো প্রধান শিভান জানিয়েছেন, ‘জি স্যাট -১১ হল পরবর্তী প্রজন্মের যোগাযোগ বা কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। সারা ভারতে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার উন্নতিতে এই স্যাটেলাইটের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। নতুন প্রজন্মের বিভিন্ন পরিষেবা এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাবে দেশের মানুষ।’ জি স্যাট-১১, যাকে বিজ্ঞানীরা ডাকছেন ‘বিগ বার্ড’ নামে, বানাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি  টাকা। তার জীবনকাল পনেরো বছর, এমনটাই জানাচ্ছে ইসরো। এই মুহূর্তে আকাশে সবকটি ভারতীয় কৃত্রিম উপগ্রহের ক্ষমতা  যোগ করলে যা হয়, তার থেকেও বেশি ক্ষমতা ‘বিগ বার্ড’-এর। ৫,৮৫৪ কিলোগ্রাম ওজনের কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর ক্ষমতা এই মুহূর্তে ভারতের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিতে নেই। সেই কারণে ভাড়া করা হয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার ফরাসি উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি, সংবাদ সংস্থাকে এমনটাই জানানো হয়েছে ইসরোর তরফে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার  এমএইচ/

ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা এরদোগানের  

ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। ভেনিজুয়েলা সফরের সময় সোমবার দেশটির রাজধানী কারাকাসে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে বৈঠক কালে তিনি এ সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি কারাকাসের সঙ্গে আংকারার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে এমন কোনো আমরা পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারি না।’ এরদোগান বলেন, পুরো জাতিকে শাস্তি দিয়ে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করা যায় না। এসময় মাদুরোকে বন্ধু আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে হামলা মোকাবেলা করছেন। তবে এ ধরনের হুমকির মুখেও আংকারা ভেনিজেুয়েলার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য কাজ করবে। এজন্য সব রকমের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে  এমএইচ/

জাতিসংঘে হামাস-বিরোধী খসড়া প্রস্তাব: ইরানের নিন্দা

  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আমেরিকার পক্ষ থেকে উত্থাপিত হতে যাওয়া হামাস-বিরোধী একটি প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের নিন্দা জানিয়ে তৈরি খসড়া প্রস্তাবটি যাতে পাস হতে না পারে সেজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে বলে জানিয়েছে তেহরান। হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ও ফিলিস্তিনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে এক টেলিফোলাপে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। তিনি ইহুদিবাদী ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীকার আন্দোলনের প্রতি ইরানের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আজ (মঙ্গলবার) রাতে আমেরিকা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করতে যাচ্ছে যাতে ‘ইসরাইলে রকেট নিক্ষেপ ও সহিংসতা উসকে দেওয়া’র জন্য হামাসকে দায়ী করা হয়েছে। টেলিফোনালাপে জাওয়াদ জারিফ বলেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে আনা এই প্রস্তাব আটকে দে্ওয়ার জন্য মুসলিম দেশগুলোর পাশাপাশি প্রগতিশীল দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে ইরান।  তিনি বলেন, প্রস্তাবটি জাতিসংঘ ঘোষণা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রামের পরিপন্থি। সোমবার ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ আন্দোলনও জাতিসংঘে হামাস-বিরোধী প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।  তথ্যসূত্র: পার্সটুডে  এমএইচ/

ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঝুঁকির মধ্যে থাকা শীর্ষ ১৫টি দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের নামও। অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সবচেয়ে কম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে কাতার। নতুন একটি জরিপে দাবি করা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের ১৫টি দেশ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে নবম স্থানে। এছাড়া, ১৫টি দেশের মধ্যে ৯টি বিভিন্ন দ্বীপদেশ। ২০১৮ বিশ্ব ঝুঁকি প্রতিবেদনে ১৭২ টি দেশের ভূমিকম্প, সুনামি, হারিকেন এবং বন্যার ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব দুর্যোগ মোকাবিলা করার মতো সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। জার্মানির রুহর বিশ্ববিদ্যালয় বোখাম এবং ডেভেলপমেন্ট হেল্প অ্যালায়েন্স নামে একটি জার্মান বেসরকারি মানবিক সংস্থা যৌথভাবে এই গবেষণা পরিচালনা করে। এই জরিপে, গবেষকরা মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিশুদের দুর্দশার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুসারে বিশ্বব্যাপী প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে একটি দুর্যোগ-প্রবণ এলাকায় বসবাস করে। এছাড়াও, জাতিসংঘের পরিসংখ্যানেও দেখা যায় যে, গত বছর সংঘাত-সংঘর্ষ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বয়স ১৮ বছরের নীচে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের স্তর বেড়ে যাওয়াসহ নানা কারণে তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেশিরভাগ দ্বীপদেশের নাম। এরমধ্যে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভানুয়াতু দ্বীপটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, তারপরেই রয়েছে প্রতিবেশী দেশ টোঙ্গা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আরেক দ্বীপদেশ ফিলিপিন্স। যার মোট লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ কোটি। তবে জার্মান গবেষকরা মনে করেন ওশেনিয়া সার্বিকভাবে সবচেয়ে ঝুঁকি-প্রবণ অঞ্চল। তাদের মতে আফ্রিকার দেশগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হিসেবে শীর্ষ ৫০টি দেশের তালিকায় যেমন স্থান পেয়েছে। তেমনি সামাজিক বিপর্যয়ের তালিকাভুক্ত ১৫টি দেশের মধ্যে ১৩টি আফ্রিকা-ভুক্ত। এমন পরিস্থিতিকে গবেষকরা এমন চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এজন্য তারা উদাহরণ হিসেবে টানেন ইউরোপকে। সম্প্রতি ইউরোপের দেশগুলোতে বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে তীব্র দাবদাহ আঘাত হানে। অনেক স্থানে খরা দেখা দেয়ায় সেখানকার কৃষিখাত সরাসরি ক্ষতির শিকার হয়েছিল। তবে ইউরোপের দেশগুলো সে সময় এই তাপদাহ মোকাবিলায় যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সেগুলোকে ইতিবাচক উদাহরণ হিসাবে নেয়ার কথা বলছেন গবেষকরা। তবে ঝুঁকির এই সূচকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কার পাশাপাশি সেই দুর্যোগ মোকাবিলায় সেই দেশ কতোটুকু প্রস্তুত সেটাও বিবেচনায় নেয়া হয়। সেক্ষেত্রে হিসাব করা সেই দেশগুলোয় নির্মিত ভবনগুলোর পরিস্থিতি বা বিল্ডিং কোড, দারিদ্রসীমার মাত্রা এবং দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দেয়ার পরিকল্পনা। এ কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ-প্রবণ হওয়া সত্ত্বেও অনেক দেশের নাম ঝুঁকির তালিকায় নেই। যেমন প্রতিনিয়ত ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা জাপান এবং চিলি। এই দুই দেশের নাম শীর্ষ ২০ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের বাইরে রয়েছে। এছাড়া হল্যান্ড যারা কিনা শত শত বছর ধরে সমুদ্রের স্তর বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছে। অথচ ঝুঁকির তালিকায় তাদের অবস্থান ৬৫টিতে। এদিকে মিসরের মতো অন্যান্য দেশগুলোর প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম। ঝুঁকির তালিকায় দেশটির অবস্থান ১৬৬টিতে হলেও দুর্যোগ মোকাবিলা ও বিপর্যয়ের সূচকে তারা জাপানের চাইতেও খারাপ অবস্থানে রয়েছে। কারণ দেশটি সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে ২০১৮ সালকে একটি সচেতনতার বছর বলে আখ্যা দিয়েছেন গবেষকরা। মানুষের মধ্যে এবারই এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকাটা কতো জরুরি।  তথ্যসূত্র: বিবিসি  এমএইচ

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি