ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩৪:৫১

ক্রমেই প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে মানুষ

ক্রমেই প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে মানুষ

আধুনিক এই যুগে প্রতিনিয়ত নামে বেনামে নতুন নতুন ভোগ্য পণ্য বা খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। মোড়ক বা প্যাকেটজাত এই সব পণ্যগুলোকে বিভিন্নভাবে আকর্ষণীয় করে ভোক্তাদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এগুলোকে অনেকে ওরগানিক বা প্রাকৃতিক খাবার বলে চালিয়ে দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তা কিন্তু প্রাকৃতিক পণ্য নয়। পণ্যগুলোকে পচনের হাত রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। এ রাসায়নিক দ্রব্যগুলোর কোন কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এগুলো অনেক সময় ক্যান্সারের মতো বড় বড় রোগের কারণ। এ সমস্ত পণ্যগুলোর পাশ্বপতিক্রিয়া নিয়ে একাধিক গবেষণাও বের হয়েছে। তাই ভোক্তারা এখন আস্তে আস্তে প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুকে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি ঝুকার কয়েকটি কারণ- ১) প্রাকৃতিক পণ্যগুলো পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশে কোনো ক্ষতি করে না। ২) প্রাকৃতিক খাবারগুলো যে কোনো ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য থেকে মুক্ত। তাই ভোক্তারা প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। ৩) প্রাকৃতিক খাবারগুলো কোনো কারখানায় প্রস্তুত করা হয় না। তাই এগুলোর স্বাস্থ্যগুণ নষ্ট হয় না। স্বাস্থ্যের জন্য এই খাবারগুলো খুবই ভালো। ৪) প্রাকৃতিক খাবারগুলো স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এজন্য মানুষ ক্রমেই প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে সড়ে গিয়ে প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।   এমএইচ/ এসএইচ/      
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে দই 

কোষ্ঠকাঠিন্য এমন একটি অবস্থা যেখানে মল শুষ্ক ও কঠিন হয়ে যায়। এর কারণ হল খাদ্যে পর্যাপ্ত ফাইবার না থাকা, অপর্যাপ্ত পানি খাওয়া, ব্যায়ামের অভাব, বেশি মাংস খাওয়া, এবং অন্যান্য আরও অনেক কারণ। আপনি কি নিয়মিত এই সমস্যায় ভুগছেন?  তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক দই কিভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।         কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দই- আয়ুর্বেদের সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন হচ্ছে দই। আধুনিক বিজ্ঞানেও খাবারের বিষয়ে দইয়ের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। হজমের কাজে সহায়তা করতে দইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। দইয়ের শীতল বৈশিষ্ট্য আমাদের অন্ত্রের আরাম জোগায়। দিল্লির পুষ্টিবিদ ডা. রূপালী দত্ত বলেন, ‘দইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা কমায়। দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের কার্যকলাপ উন্নত করতে সাহায্য করে। দিয়ে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্তিশালী করা ছাড়াও পুষ্টিপদার্থের শোষণে সাহায্য করে।"      দইয়ে আছে ভিটামিন বি-২, ভিটামিন বি-১২, পটাসিয়াম, এবং ম্যাগনেসিয়াম। দুধের থেকে দই হজম করা সোজা। দইয়ের ফাইবার পেটের নানান রোগে অব্যর্থ ওষুধ। তাজা ফলের সঙ্গে বা সূর্যমুখীর বীজের সঙ্গে দই মিশিয়ে খেতে পারেন।       তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/এসি    

শিশুদের দ্রুত বিকাশে প্রোটিনসমৃদ্ধ ৪ খাবার

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই। তাই শিশুর পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে শিশুদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সরবরাহ করা।   প্রেটিন পেশী গঠন ছাড়াও শরীরের হাড় মজবুত এবং শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রেটিন সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি শাক-সবজি সম্পর্কে-  ১) ব্রোকলি বাচ্চারা সাধারণত সবুজ শাক-সবজি খেতে পছন্দ করে না। কিন্তু প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ব্রোকলি আপনি সহজেই আকর্ষণীয় উপায়ে বাচ্চাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। আপনি ব্রোকলি দিয়ে কাটলেট, চিপস তৈরি করতে পারেন। অথবা সবজি হিসেবে মাছের সাথে রান্না করতে পারেন। ২) সবুজ মটরশুটি সবুজ মটরশুটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি যেমন সুস্বাদু ‍তেমনি স্বাস্থ্যকর।  একা কাপ মটরশুটিতে সাধারণত আট গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাই মটরশুটি সুন্দর উপায়ে রান্না করে বাচ্চাদের খাওয়াতে পারেন। এতে বাচ্চাদের দ্রুত শরীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে। ৩) মাশরুম এক কাপ মাশরুমে সাধারণত তিন গ্রাম প্রোটিন থাকে। মাশরুম বিভিন্ন উপায়ে আপনাদের বাচ্চাদের খাওয়াতে পারেন। ভাজী করে বা তরকারি হিসেবেও তা আপনিও রান্না করতে পারেন। এটি বাচ্চাদের শরীরিক ও মানসিক বিকাশে অনেক সাহায্য করে।   ৪) আলু খোঁসাসহ একটি মাঝারি আকারের আলুতে সাধারণত পাঁচ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আলু আমরা বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে বাচ্চাদেরকে খাওয়াতে পারি। তরকারী হিসেবে বাচ্চাদের আলু খাওয়াতে পারেন।  তবে আলু ভেজে শিশুদের খাওয়ানো উচিত নয়।   তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/  

বিশেষ কাজের আগে দই খেলে অন্য উপকার

কোনও শুভ কাজে বেরনোর সময়ে অনেকে দই খান। এর পিছনে কিন্তু একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। একটি সর্বভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভবত শরীরের জন্য দইয়ের উপকারিতার কথা মাথায় রেখেই প্রাচীনকাল থেকেই এই রীতি চালু হয়েছে। আসলে দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এ ছাড়াও দইয়ে থাকে ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্লোবিন, ভিটামিন বি সিক্স, এবং ভিটামিন বি ১২-এর মতো পুষ্টিগুণ। যে কারণে দই খেলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিকঠাক থাকে। ফলে কেউ যদি কোনও বিশেষ কাজে বেরনোর আগে কিছু না খেয়েও এক বাটি টক দই চিনি দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে যান, তাহলে অনেকক্ষণ সতেজ থাকা যায়। দুর্বলতা গ্রাস করে না। এ ছাড়াও দই খেলে হাড় মজবুত হয়, পেটের সমস্যাও হয় না। টক দই চিনি দিয়ে মিশিয়ে খেলে এর উপকারিতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সূত্র: এবেলা একে//

থাইরয়েড সমস্যা দূর করুন ভেষজ উপাদানে

থাইরয়েড শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি। থাইরয়েডের প্রধান কাজ হলো মেটাবলিজম এবং মস্তিষ্ক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করা। সমস্যার শুরুটা হয় যখন থাইরয়েড গ্রন্থির গোড়ায় ছোট একটি মাংসপিণ্ড বেড়ে ওঠে, যা হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। থাইরয়েডের ভারসাম্যহীন অবস্থা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কিছু প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান। এই ভেষজগুলো কেউ চাইলে এমনিতেই খেতে পারে অথবা চা তৈরি করে অথবা ক্যাপসুল বা ঔষধ হিসেবে খেতে পারে। তাই থাইরয়েড গ্রন্থির থেকে সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়ার জন্য সঠিক পরিমানে সেসব ভেষজ ঔষধ গ্রহন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সবারই উচিত এসব ভেষজ উপাদান গুলো সম্পর্কে জেনে রাখা এবং যে উপাদানটি যার জন্য ভালো কাজ করে তা গ্রহণ করা। ১. আদা: অনন্য ঔষধিগুন সম্পন্ন আদা সাধারণত বমি বমি ভাব ও পেটের সমস্যার জন্য বেশ ভাল কাজ করে আবার এটি থাইরয়েডের জন্যও আদর্শ। এর কারন হচ্ছে আদা তে রয়েছে উচ্চ মাত্রার জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম যা থাইরয়েডের অবস্থা ভালো রাখতে প্রয়োজন। তবে উপকারিতা বেশি পেতে হলে অবশ্যই তাজা আদা গ্রহণ করতে হবে। ভাল উপকার পেতে আদা কুচি খাওয়া যায় বা আদা দিয়ে চা তৈরি করা খাওয়া যায়। আদা দিয়ে তৈরি করা চা কুসুম গরম অবস্থায় অর্গানিক মধু মিশিয়ে খেলে খুবই উপকার পাওয়া যায়। গরম অবস্থায় মধু কখনো মেশানো যাবে না কারন এতে মধুর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। ২. তিসিবীজ: এটিও সাধারণত হজমতন্ত্রের জন্য বেশ উপকারী কারন হচ্ছে এটি উচ্চখাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ। তিসিবীজ থাইরয়েডের জন্যও ঔষধের মত কাজ করে। যাদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ কম হয় তাদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ভাবে তিসিবীজ খেলে সেই নিঃসরণের পরিমান বৃদ্ধি পায়।খুব বেশি পরিমান না খেয়ে প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ করে খেলে এর সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে। তিসিবীজ গুড়ো করে যেকোনো পানীয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন নয়তো যেকোনো খাবারের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। ৩. বিছুটি পাতা: এই পাতা অতিরিক্ত কার্যকরী ও কম কার্যকরী দুই ধরনের থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রেই উপকারী। এটি থাইরয়েডের টনিক হিসেবে খেতে বলা হয় কারন এতে থাকে প্রচুর পরিমাণ আয়োডিন যা খেলে এই পুষ্টি উপদানের অভাব পূরণে ঔষধের মত কাজ করে। এই পাতা দিয়ে চা তৈরি করে খাওয়া হচ্ছে সবচেয়ে সহজ ও উপকারী। এগুলো ছাড়াও প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন বাদাম, ডাল, মাছ ও মুরগি খেতে পারেন। শস্য জাতীয় খাবার খেতে হবে আর চিনি, ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার ও টিনজাত খাবার বর্জন করুন। কম কার্যকর থাইরয়েডের সমস্যার জন্য প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফল ও ভেষজ উপাদানে পাওয়া যায় যেমন ব্রকলি, স্কোয়াস, জাম্বুরা, রসুন ইত্যাদি। / এআর

কফিতেই বাড়বে আয়ু: গবেষণা

কফির কাপে চুমুক দিয়ে শুরু করুন সকাল৷ কারণ নিয়ম করে কফি খেলেই বাড়বে আয়ু৷ জানাচ্ছে গবেষণা৷ সম্প্রতি কফি খাওয়া ও দীর্ঘজীবি হওয়ার মধ্যে একটি লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের উপর বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চালানো হয়৷ যেখানে গবেষণা অর্ন্তভুক্ত প্রত্যেককেই দিনে ১-৮ কাপ কফি খাওয়ানো হয়৷ যার ফলাফল জামা ইন্টারনাল মেডিসিন নামে একটি মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷ ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সিটিটিউটের এক গবেষক জানাচ্ছেন, ‘যারা প্রতিদিন ২-৩ কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাব কম৷ অন্যদিকে, যারা কফি খাননি তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি কফি খাওয়া ব্যক্তিদের থেকে ১২ শতাংশের বেশি৷’ পুরনো তথ্য ঘেঁটে উঠে এসেছে আরও একটি বিষয়৷ যেখানে বলা হয়, দিনে ৩-৪ কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের উপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে৷ যেটি আবার গত বছর ব্রিটিশ মেডিকাল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷ প্রায় একই তথ্য উঠে এসেছে স্প্যানিশ গবেষকদের হাতে৷ সেখানেও দেখা গেছে, যারা দিনে চার কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম৷ তাই নিয়ম করে কপি খান৷ যা আপনার কাজের ক্লান্তিকে দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কমাবে মৃত্যুর ঝুঁকিকে৷ তাই সকালটা কফির কাপ হাতে নিয়ে শুরু করুন৷ যেটি আপনার দিনকে করে তুলুক তরতাজা এবং ফ্রেস৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

পূজোতে শরীর সুস্থ্য রাখতে যে ১২টি খাবার নিয়মিত খাবেন   

পুজো মানেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া। বিশেষ করে দুর্গাপুজোয় থাকে বাহারি সব খাবারের আয়োজন, যা থেকে স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরাও নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন না। তাই তো জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার মাঝে হারিয়ে যায় সকলেই। যতখুশি খান কিন্তু খেয়াল রাখবেন বেশি খাওয়ার কারণে যেন কোনও রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় না পড়তে হয়।     পুজোর আগে নিজের শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার সাথে যে ১২টি খাবার নিয়মিত খাবেন:   ১. টমাটো: জার্মান গবেষকদের করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে এত মাত্রায় ভিটামনি সি-এর প্রবেশ ঘটে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর ইমিউনিটি একবার চাঙ্গা হয়ে উঠলে কোনও রোগই যে ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, তা তো বলাই বাহুল্য!    ২. গ্রিন টি: নিয়মিত যদি দুকাপ করে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করেন, তাহলে দেহের অন্দরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর হয়। এই উপাদানটি শরীরের ইতিউতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই তো বলি বন্ধু নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে যদি বেঁচে থাকতে চান, তাহলে গ্রিন টির ভক্ত হয়ে উঠতে দেরি করবেন না যেন! ৩. পালং শাক: প্রতিটি বাঙালিই মায়ের পেট থেকেই যে যে খাবারগুলির প্রতি দুর্বলতা নিয়ে জন্মায়, তার মধ্যে অন্যতম হল পালং শাক। তবে এই ভাললাগাটা নানাভাবে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটনার পাশাপাশি ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৪. আদা: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আদায় উপস্থিত জিঞ্জেরল নামে একটি উপাদান শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমাতে দারুন উপকারে লাগে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা উপশমেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. জাম: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! ছোট্ট এই ফলটি বাস্তবিকই নানা রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে জামের শরীরে উপস্থিত ভিটামিন সি, ই এবং বেশ কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নানাভাবে এই কাজে সাহায্য করে থাকে। তাই তো বলি বন্ধু, এমন বিষাক্ত পরিবেশের মাঝে শরীরকে যদি বাঁচাতে হয়, তাহলে প্রতিদিন এক বাটি করে জাম খেতে ভুলবেন না যেন! ৬. রাঙা আলু: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই সবজিটিতে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন এবং নানাবিধ উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন যে কোনও রোগই মারণ ছোবল মারতে পারে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! ৭.দই: লাঞ্চের পর নিয়ম করে এক কাপ টক দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যেই ডাক্তারের নাম ভুলতে বসেছেন। আসলে দুগ্ধজাত এই খাবারটি শরীরে প্রবেশ করার পর শরীরে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। ফলে একদিকে যেমন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তেমনি অন্যদিকে হাড়ও খুব শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে বুড়ো বয়সে গিয়ে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ৮. মাশরুম: নানা রোগের মার থেকে বাঁচাতে যে যে রোগগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তার অন্যতম হল মাশরুম। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শ্বেত রক্ত কণিকার কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে জটিল হোক কী সাধারণ, কোনও রোগই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে দেহের অন্দরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে রোগের মারে শরীর ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।     ৯. কমলা লেবু এবং পাতি লেবু: পাতি লেবু, মৌসাম্বি লেবু এবং কমলা লেবুকে চিকিৎসা পরিভাষায় সাইট্রাস ফল বলা হয়ে থাকে। এই ফলগুলির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ করার জন্য় দেহের অন্দরে যে সৌনিকেরা প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে, তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হওয়া মাত্র দৈহিক ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে কোনও রোগই কামড় বসাতে পারে না।  ১০. ব্রকলি: এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ, সি এবং ই। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি খনিজও। এই পুষ্টিকর উপদানগুলি শরীরকে ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালি করে দেয় যে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত, ব্রকলি যে পরিবারের সদস্য, ফুলকপিও সেই একই পরিবারের একজন। তাই ব্রকলি খেতে ইচ্ছা না হলে কব্জি ডুবিয়ে ফুলকপি দিয়ে বানানো নানা পদও খেতে পারেন। এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়।  ১১. রসুন: ইমিউন স্টেস্টেটকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি হার্টকে সুস্থ রাখতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান ব্লাড প্রেসার এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে রসুনের অন্দরে থাকা সালফার, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলে ভাইরাল ফিবার থেকে সংক্রমণ, কোনও কিছুকেই ধারে কাছে আসতে দেয় না।     ১২. হলুদ: অর্থ্রাইটিস রোগকে আটকানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হলুদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, হলুদে কার্কিউমিন নামেও একটি উপাদান থাকে, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।  এসি    

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার চার ঘরোয়া টোটকা

বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য। কমবেশি সবাই এ রোগে ভোগে থাকেন। এটি বেশ অস্বস্তিকর। দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্যে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য কম হলে এটি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে পারেন। ১.  আদা বা পুদিনা চা আদা অথবা পুদিনার চা বেশ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এসব চা পান করতে পারেন। ২. স্বাস্থ্যকর চর্বি চর্বি সব সময় শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। সঠিক ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যতালিকায় তেল বা চর্বি রাখা জরুরি। তাই খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন। জলপাইয়ের তেল, ক্যাস্টর অয়েল এগুলো রাখতে পারেন। এসব তেল কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। ৩. লেবু পানি সাইট্রাস ফুডের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও পুষ্টি। এগুলো শরীরের ভারসাম্যের জন্য উপকারী। লেবু সাইট্রাস ফুড। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। লেবু পানি পান হজম ভালো করতে কাজ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। ৪. আঁশযুক্ত খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে আঁশযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। আঁশ রয়েছে সবুজ শাকসবজিতে। এ ছাড়া সিরিয়াল, বাদাম, ওটস ইত্যাদির মধ্যে রয়েছে আঁশ। এগুলোও খেতে পারেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া। / এআর /

ওজন কমাতে কার্যকরী ৪ খাবার

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যার ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকসহ মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে বাঁচাতে আজই ওজন নিয়ন্ত্রণে মন দিন। ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ডায়েটে পরিবর্তন আনা। ওজন কামানোর ৪টি কার্যকরী খাবার- ১) পেয়ারা যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো সম্ভব। এটি যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের সমস্যা দূর করতেও বেশ কার্যকরী। প্রায় ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে ২৬০ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। এটিকে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। এটি শরীর স্কিন ভালো রাখতেও কার্যকর। ২) ব্রকলি ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। ৩) পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। ৪) বাঁধাকপি দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকোপিকে রাখতে ভুলবেন না। এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকরী ৪ খাবার

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যার ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকসহ মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে বাঁচাতে আজই ওজন নিয়ন্ত্রণে মন দিন। ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ডায়েটে পরিবর্তন আনা। ওজন কামানোর ৪টি কার্যকরী খাবার- ১) পেয়ারা যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো সম্ভব। এটি যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের সমস্যা দূর করতেও বেশ কার্যকরী। প্রায় ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে ২৬০ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। এটিকে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। এটি শরীর স্কিন ভালো রাখতেও কার্যকর। ২) ব্রকলি ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। ৩) পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। ৪) বাঁধাকপি দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকোপিকে রাখতে ভুলবেন না। এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

যে কারণে প্রতিদিন ডিম খাবেন?

মুরগি ও হাঁসের পুষ্টিগুণে ভরপুর ডিম একদিকে খাদ্য উপাদান হিসেবে যেমন সহজলভ্য, অন্যদিকে ডাক্তার ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা ব্যালেন্স ডায়েট হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দেন। শারীরিক ও মানসিক গঠনের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন ডিম রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তার ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। মুরগীর ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখাটা আবশ্যক। ডিমে প্রচুর ভিটামিন এ, ডি এবং ই থাকে। সেই সঙ্গে থাকে বি-১২, রিবোফ্লাভিন এবং ফলেট। এছাড়াও আয়োডিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক এবং সেলেনিয়াম থাকে ডিমে। যেগুলো মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যাদের শরীরে এইচডিএল (হাই-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন) কম থাকে, তাদের হৃদপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন দুটি ডিম খেলে এইচডিএল বৃদ্ধি পায়। হৃদপিণ্ডে সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। সকালের নাস্তার সবচাইতে মজাদার এবং পুষ্টিকর খাবার হলো ডিম। খুব সহজেই ভেজে বা সেদ্ধ করে খাওয়া যায় বলে অনেকেরই প্রতিদিনের নাস্তায় ডিম থাকে। তবে ডিম খাওয়া নিয়ে অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। বিশেষ করে একটির বেশি দুটি ডিম খাওয়াকে ক্ষতিকর বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু গবেষণায় জানা গেছে যে দুটি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তো নয়ই বরং উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমে যে পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে তা মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। ডিমে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য উপকারী। তবে দুটো ডিম খেলে খেয়াল রাখতে হবে দিনের অন্যান্য খাবারের দিকেও। শিশুর বয়স ছয় মাস অতিবাহিত হলেই তাকে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ানো যেতে পারে। আর ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দুটি করে ডিম রাখাটা স্বাভাবিক। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক গঠন মজবুত হয়ে থাকে। মানব শরীরে ডিমের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতাগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো- ডিম বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাডিমে উপস্থিত সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে দিনে দুটি ডিম খেলে বিভিন্ন ইনফেকশন, ভাইরাস এবং ছোটখাটো অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়ডিমে আছে অ্যামিনো এসিড কোলিন যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও প্রতিদিন দুটি ডিম উপকারী। ডিম ওজন কমায় বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালের নাস্তায় প্রোটিন বেশি থাকলে দ্রুত ওজন কমে। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় দুটি টিম দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকবে এবং সারাদিন অন্যান্য উচ্চ ক্যালরির খাবার খাওয়ার পরিমাণ করবে। চোখের জন্য ভালোডিমে আছে লুটেইন। লুটেইন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে অন্যান্য পাখির ডিমের তুলনায় মুরগির ডিমে লুটেইনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই দিনে দুটি মুরগির ডিম খেলে রেটিনা সুরক্ষিত থাকবে। বিষন্নতা দূর করেমনটা খারাপ লাগছে? দুটো ডিম খেয়ে নিন। কারণ ডিমে আছে ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি বিষন্নতা দূর করতে সহায়তা করে। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি