ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৯:৪৬

ব্লাড প্রেসারসহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা করবে পেয়ারা! 

ব্লাড প্রেসারসহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা করবে পেয়ারা! 

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। যা দেহের ভেতরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিকের থেকে বেশি মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।       পেয়ারার শরীরে এত মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং আরও সব উপকারি উপাদান উপস্থিত রয়েছে যে, তা শরীরকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।    সে সঙ্গে হাই ব্লাড প্রসারের কারণে আরও নানাবিধ রোগ যাতে মাথা চাড়া দিয়ে না ওঠে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। আমাদের দেশে যে হারে হাই ব্লাড প্রেসার এবং অন্যান্য নন- কমিউনিকেবল ডিজিজে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে প্রত্যেকেরই যে পেয়ারা খাওয়ার প্রয়োজন বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! প্রসঙ্গত, অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি’র মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে একদিকে যেমন স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, ঠিক তেমনি ব্লাড ভেসেলের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। শুধু তাই নয়, একাধিক উপকার পাওয়া যায়। আর একথা তো সবারই জানা আছে যে, পেয়ারায় প্রচুর মাত্রায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। তাই তো ডায়েটে আপাত ‘নন-এক্সপেনসিভ’ এই ফলটিকে জায়গা করে দিলে একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।    ১. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার কারণে নিয়মিত পেয়ারা খেলে দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং গ্লকোমার মতো রোগও দূরে থাকে।   ২. কিডনির ক্ষমতা বাড়ে: একাধিক গবেষণার পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া শুরু করলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে তার প্রভাবে কিডনির ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে, শরীরের কিডনি সংক্রান্ত কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ৩. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে: শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম লেভেল ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় পেয়ারা। শুধু তাই নয়, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং ক্ষতিকর কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য় করে এই ফলটি। তাই যাদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা নিয়মিত পেয়েরা খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন উপকার মিলবে।    ৪. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন বি-৩ এবং বি-৬ মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশন, অর্থাৎ স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি এবং মনোযোগের উন্নতি ঘটে।   ৫. ত্বক ফর্সা হয়: অল্প পরিমানে পেয়ারার খোসা নিয়ে তার সঙ্গে ডিমের কুসুম মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। ৬. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে পালায়:  পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই ফলটি যেহেতু গ্লাইকেমিক ইনডেক্সে একেবারে নিচের দিকে আসে, তাই পেয়েরা খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে এই ফলটি খেতে পারেন। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:   আপনাদের কি জানা আছে পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটা মজবুত করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এখানেই শেষ নয়, নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও ভিটামিন সি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো একেবারে ছোট বেলা থেকে বাচ্চাদের পেয়ারা খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। ৮.কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমে:    শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকলে পেটের রোগ যেমন কমে, তেমনি কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও দূরে পালায়। আর ফলের দুনিয়ায় পেয়ারায় মধ্যেই রয়েছে সব থেকে বেশি মাত্রায় ফাইবার। তাহলে আজ থেকেই পেয়ারাকে রোজের সঙ্গী বানান। দেখবেন কষ্ট একেবারে কমে যাবে।  ৯. ক্যান্সার প্রতিরোধ   মরণব্যাধি ক্যান্সারের মতো রোগকে থামাতে পারে একমাত্র প্রকৃতি। কারণ প্রকৃতির অন্দরেই রয়েছে সেই শক্তি, যা আমাদের ক্যান্সার রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। যেমন পেয়ারায়, এতে আছে লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল শরীরে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেস্ট এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে পেয়ারার কোন বিকল্প হয় না। (সূত্রঃ বোল্ড স্কাই)  কেআই/এসি       
প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে মিলবে ১১ উপকার

উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগরই বয়স ৪৫ এর নিচে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই একটা করে কলা খাওয়া উচিত। কারণ এই ফলটির ভিতরে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক সমস্যাও বাগে চলে আসে। যেমন ধরুন- হাড় শক্তপোক্ত হয় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বাস্তবিকই কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে কলাতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেটিনার ক্ষমতাও এতটা বৃদ্ধি পায় যে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনও ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘরির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? ফিকার নয়! এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নেবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই কারণেই তো অ্যাথেলিটদের রোজের ডেয়েটে আর কিছু থাকুক না থাকুক কলা থাকেই! ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার ভিতরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, কলার ভিতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো বেশ কিছু গবেষণায দেখা গেছে, রোজের ডায়েটে কলাকে জায়গা করে দিলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই আজকের যুবসমাজের সিংহভাগই যখন স্ট্রেস নামক সমস্যার শিকার, তখন নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই! পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। কিভাবে? এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে ঠিক সময় খাবার খাওয়া সুযোগ না পেলে ২-৪ টা কলা খেয়ে নিতে ভুলবেন না যেন! টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে শুনতে আজব লাগলেও এ কথা ঠিক যে শরীরের ইতি-উতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ফলটির ভিতরে উপস্থিত প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায় কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! প্রসঙ্গত, ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই তো টাইপ ১ এবং ২, দুই ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যদি এই মারণ রোগ থেকে দূরে রাখতে হয়, তাহলে কিন্তু নিয়মিত এই কলা খাওয়া মাস্ট! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত দারচিনি গুঁড়া খেলে ৯ উপকার মিলবে

ছোট-বড় নানা রোগ যাতে ঘাড়ে চেপে বসতে না পারে, তার বন্দোবস্ত করাটা আগে প্রয়োজন। কারণ এমনটা করলে শরীর আর অসুস্থ হবে না। ফলে ডাক্তারের আর প্রয়োজন পরবে না। এখন প্রশ্ন হল নানা রোগ থেকে বাঁচাতে শরীরকে শক্তপোক্ত বানানো যায় কীভাবে? এ ক্ষেত্রে উপায় তো অনেক অছে, তবে কম খরচে যদি ফল পেতে চান, তাহলে একটি প্রাকৃতিক উপাদানের উপর ভরসা রাখতে পারেন, যাকে সবাই দারচিনি নামে চিনে থাকি। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ডায়াটারি ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং নানাবিধ ভিটামিনে ভরপুর এই প্রকৃতিক উপাদানটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দারচিনি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে একদিকে যেমন উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তেমনি কমতে শুরু করে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। তাই অল্প বয়সেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে যদি না চান, তাহলে দারচিনির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না যেন! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে সাহায্য় করে সারাদিন কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন নাকি? তাহলে চোখকে বাঁচাতে নিয়মিত দারচিনি খাওয়া চাইই চাই! কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে দেহে এমন কিছু উপাদানের প্রবেশ ঘটে যে তার প্রভাবে চোখের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ড্রাই আই-এর মতো চোখের রোগের চিকিৎসাতেও দারুন কাজে আসে দারচিনি। অ্যালঝাইমারের মতো রোগকে দূরে রাখে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেন সেলের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। সেই সঙ্গে বেশ কিছু সেল শুকিয়ে যেতেও শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন তো কমেই, তার পাশাপাশি ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, এমনটা কিন্তু আপনার সঙ্গেও হতে পারে। তাই সময় থাকতে থাকতে দারচিনি খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন বয়স বাড়লেও তার প্রভাব মস্তিষ্কের উপর পরবে না। আসলে দারচিনির ভিতরে থাকা বেশ কিছু উপাদান নিউরনদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ব্রেনের মোটোর ফাংশনে এতটা উন্নতি ঘটায় যে কগনিটিভ ডিজেনারেশন বা মস্তিষ্কের বুড়ো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। রোগ-জীবাণুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা মেলে দারচিনিতে থাকা সিনেমেলডিহাইড নামক একটি এসেনশিয়াল অয়েল দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটা শক্তিশালী করে দেয় যে কোনও ধরনের জীবাণুই ধারে কাছে ঘেঁষার সাহস পায় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে দারচিনির মধ্যে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান রক্তচাপ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার এই দুটি রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসলে হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও চিন্তাই থাকবে না। সেই কারণেই তো যাদের পরিবারে এইসব মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়ম করে দারচিনি খাওয়ার পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকেরা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি মেটে শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে যে যে উপাদানগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তার মধ্যে অন্যতম। শুধু তাই নয়, শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ক্যানসারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর দারচিনি, সেই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রাই বৃদ্ধি করে শরীরের ভিতরে। এবার নিশ্চয় বুঝতেই পারছেন প্রতিদিন চারচিনির খাওয়ার প্রয়োজন কতটা। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দারচিনির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যানসার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। দেহের ভিতরে প্রদাহ হ্রাস পায় দেহের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ কোষেদের ক্ষতি হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে কোনওভাবে প্রদাহের মাত্র বৃদ্ধি না পায়, সে দিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? প্রতিদিন নিয়ম করে দারচিনি খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে! আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে একাধিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে, যা প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে নিজেকে এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের ডায়াবেটিসের মার থেকে বাঁচাতে দারিচিনির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা মাস্ট! কারণ এই মশলাটি শরীরে প্রবেশ করার পর বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যারা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের উৎপাদনও বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত কারি পাতা খেলে ৯ উপকার মিলবে

জাপানি বিজ্ঞানিদের করা একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, কারি পাতায় উপস্থিত ‘কার্বাজল অ্যাসকালোয়েড’ নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে একের পর এক ক্যানসার সেলেরা সব মারা পরতে শুরু করে। ফলে এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত কলোরেকটাল, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। তবে এমন উপকার পেতে ৩০-৪০ টা কারি পাতা পরিমাণ মতো পানিতে ফেলে পানিটা ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পাতাগুলো ছেঁকে নিয়ে সেই পানিতে এক চামচ মধু এবং অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে হবে। প্রতিদিন যদি এমনটা করতে পারেন, তাহলে দেখবেন উপকার মিলতে সময় লাগবে না। তা ছাড়া নিয়মিত নানাভাবে যদি কারি পাতা খাওয়া শুরু করা যায়, তাহলে যে শুধু ক্যানসার রোগই দূরে থাকে, তা নয়, সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক উপকারও পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে কারি পাতায় উপস্থিত আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ এবং আরও নানাবিধ মিনারেল এবং ভিটামিন শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের ভিতরে এমন কিছু রদবদল ঘটায় যে তার প্রভাবে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ড্রাই আই এবং দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দূর হয়। প্রসঙ্গত, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে কারি পাতা খাওয়ার পাশাপাশি আরও একভাবে এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে পরিমাণ মতো কারি পাতা নিয়ে চোখের উপর রাখতে হবে। তবে এই সময় চোখটা যেন বন্ধ থাকে। এভাবে দশ মিনিট থাকার পর পাতাগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। এভাবে প্রতিদিন চোখের পরিচর্যা করলে দেখবেন উপকার পাবেন একেবারে হাতে-নাতে! হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে প্রাচীন আয়ুর্বেদিক পুঁথিতে উল্লেখ পাওয়া যায়, কারি পাতায় উপস্থিত ল্যাক্সেটিভ প্রপাটিজ শুধু যে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তা নয়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদনদেরও বের করে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে। তাই যারা প্রায়শয়ই বদ-হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাদের কারি পাতাকে সঙ্গী বানানো মাস্ট! অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি মেটে এই উপাদানটির মাত্রা শরীরে যত বাড়তে শুরু করে, তত একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়। তাই সুস্থ শরীরের স্বপ্ন পূরণ করতে নিয়মিত কারি পাতা খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভিতরে প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে এই উপাদানটি, যা নিমেষে দেহের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পেট খারাপের চিকিৎসায় কাজে লাগে সকাল-বিকাল বাইরে খাওয়ার অভ্যাস আছে নাকি? তাহলে পেটকে ঠাণ্ডা রাখতে নিয়মিত কারি পাতাও থাওয়া উচিত। কেন এমন উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আসলে নিয়মিত কারি পাতা খাওয়া শুরু করলে পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে ডায়ারিয়ার প্রকোপ কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে কারি পাতার ভিতরে উপস্থিত কার্বেজল অ্যালকালয়েড নামক উপাদান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। লিভার চাঙ্গা হয়ে ওঠে প্রায় প্রতিদিনই কি অ্যালকোহল সেবন করেন? তাহলে তো নিয়মিত কারি পাতা খাওয়াও মাস্ট! কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ক্ষতিকর টক্সিনের হাত থেকে লিভারকে রক্ষা করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে লিভারের উপর অ্যালকোহলের কুপ্রভাবও পরে কম। এখন প্রশ্ন হল, লিভারের উপকারে কিভাবে খেতে হবে কারি পাতা? এ ক্ষেত্রে এক কাপ কারি পাতার রসে এক চামচ ঘি, অল্প পরিমাণে চিনি এবং গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। ত্বকের সংক্রমণের প্রকোপ কমায় শুনে অবাক হচ্ছেন? হবেন না! কারণ কারি পাতায় উপস্থিত শক্তাশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের স্কিন ইনফেকশন কামতে দারুন কাজে লাগে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে খাবারে দিয়ে প্রতিদিন কারি পাতা খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক লেভেলের উপরে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এখানেই শেষ নয়, কারি পাতায় উপস্থিত ফাইবারও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হার্টের ক্ষমতা বাড়ে কারি পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার খারপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে এলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জার্নাল অব চাইনিজ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে কারি পাতা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা তো কমেই, সেই সঙ্গে ভাল কোলেস্টরলের পরিমাণও বাড়তে শুরু করে। ফলে হার্টের কর্মক্ষমতার উন্নতি ঘটে। অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখে ফলিক এবং আয়রনে ভরপুর এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কনিকার মাত্রা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগ বেশিদিন দাপাদাপি করার সুযোগই পায় না। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে একটা খেজুরের সঙ্গে ২টি কারি পাতা খেলেই উপকার মেলে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত পালং শাকের রস খেলে ১১ উপকার মিলবে

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই শাকটির ভিতরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আরও নানাবিধ ভিটামিন এবং মিনারেল, যা শরীরে প্রবেশ করার পর ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। অন্যদিকে পালং শাকে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখার কারণে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ইতিউতি জমে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগে না। ওজন কমানোর পাশাপাশি পালং শাকে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদানগুলো আরও নানাভাবে শারীরিক উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন- হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে অ্যামাইনো অ্যাসিড হল এমন একটি উপাদান, যা মেটাবলিজম রেট বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রচুর মাত্রায় রয়েছে পালং শাকে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন এই শাকটির রস নিয়মিত খেলে কী হতে পারে! ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে পলং শাকে রয়েছে বিপুল পরিমাণে পটাশিয়াম। এই খনিজটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র সোডিয়াম বা লবণের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য ফিরে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, পালং শাকে থাকা ফলেটও ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগতে থাকা রোগীদের নিয়মিত পালং শাকের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে এই শাকটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জ্যান্থিন, যা রেটিনার ক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন এ আই আলসার এবং ড্রাই আইয়ের মতো সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ত্বকের ভিতরে প্রদাহ কমে পালং শাকের ভিতরে রয়েছে নিয়োক্সেথিন এবং ভায়োল্যাক্সানথিন নামক দুটি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা দেহের পাশাপাশি ত্বকের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর ত্বকের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমলে নানাবিধ স্কিন ডিজিজ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। পেশির ক্ষমতা বাড়ে জার্নাল অব কার্ডিওভাসকুলার নার্সিং- এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে পালং শাকের ভিতরে লুকিয়ে থাকা নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, হার্টের পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সারা শরীরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অন্যান্য পেশির শক্তি বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে একদিকে যেমন হাইপারলিপিডেমিয়া, হার্ট ফেলিওর এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সূর্যের অতিবেগুলি রশ্মির হাতে থেকে ত্বক রক্ষা পায় পালং শাকের ভিতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, যা অতি বেগুনি রশ্মির কারণে যাতে ত্বকের কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা যেমন কমে, তেমনি স্কিন ক্যানসারের মতো রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়। এ ক্ষেত্রেও পালং শাক এবং পানি এক সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগাতে হবে। তাহলেই দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। ব্রণের প্রকোপ কমে পরিমাণ মতো পালং শাক নিয়ে তার সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্টটা ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে মুখটা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে ত্বকের ভিতরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে সিবামের উৎপাদনও কমবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রণের প্রকোপ কমতে সময় লাগবে না। প্রসঙ্গত, নিয়মিত পালং শাকের রস খেলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়। তাই পালং শাক দিয়ে বানানো ফেসপ্যাক যদি মুখে লাগাতে ইচ্ছা না করে তাহলে পালং শাকের জুসও খেতে পারেন। ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায় পটাশিয়াম, ফলেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই শাকটি যদি প্রতিদিন খাওয়া যায়, তাহলে মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশ এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে পটাশিয়ামের দৌলতে মনোযোগ ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ক্যানসারের মতো মারণ রোগে দূরে থাকতে বাধ্য হয় পালং শাকে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ক্যানসার সে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে এই মারণ রোগটি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। চুল পড়ার হার কমে অতিরিক্ত হারে চুল পড়ছে নাকি? তাহলে আজ থেকেই চুলের পরিচর্যায় পালং শাককে কাজে লাগাতে শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত আয়রন, হেয়ার ফলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি দেদের ভিতরে লোহিত রক্ত কণিকার ঘাটতি দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে পালং শাকের রস বানিয়ে ভাল করে চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে দিতে হবে, সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। আর যদি এভাবে চুলের পরিচর্যা করতে মন না চায়, তাহলে নিয়মিত পালং শাকের রসও খেতে পারেন। কারণ এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়। ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পালং শাকে উপস্থিত ভিটামিন কে এবং ফলেট ত্বককে ফর্সা করে তোলার পাশাপাশি ডার্ক সার্কেলকে দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে পালং শাক দিয়ে বানানো পেস্ট যেমন মুখে লাগাতে পারেন, তেমনি পালং শাকের রস খেলেও সমান উপকার পাওয়া যায়। পালং শাকের রস বানানোর নিয়ম: হাফ কাপ পালং শাক নিয়ে তাতে অল্প করে আদা ফেলে দিতে হবে। এরপর তাতে পরিমাণ মতো লেবুর রস মিশিয়ে মিক্সিতে ফেলে সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে রস বানিয়ে নিতে হবে। এবার তাতে অল্প করে গোলমিরচ ফেলে পরিবেশন করতে হবে। প্রসঙ্গত, পালং শাকের রস খেতে যদি ইচ্ছা না করে, তাহলে প্রতিদিন এক বাটি করে পালং শাক সিদ্ধও খেতে পারেন। কারণ এমনটা করলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

হলুদ চা খেলে ১০ উপকার মিলবে

প্রতিটি মানুষেরই হুলদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চায়ের উপরকারিতা সম্পর্কে জানা উচিত। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ ফোটানো পানিতে পরিমাণ মতো হলুদ গুঁড়া, তার সঙ্গে মধু এবং অল্প করে আদা মিশিয়ে পান করলে শরীরে ভিটামিন সিসহ অন্যান্য ভিটামিনের প্রবেশ তো ঘটেই। সেই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়ামসহ আরও নানাবিধ মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। ফলে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় একাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হলুদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চা পান করা শুরু করলে শরীরে কার্কিউমিন নামক উপাদানের প্রবেশ ঘটে, যা শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার পাশাপাশি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দেহের ইতিউতি জমে থাকা মেদকে ঝরিয়ে ফলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। তাই অল্প সময়ে যদি মেদ ঝরাতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে টার্মারিক টিকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে চোখের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাস্তবিকই টার্মারিক টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে হলুদের ভিতরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে রেটিনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি চোখে প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে যাতে অন্ধত্বের মতো ভয়ঙ্কর কিছু না ঘটে, সে দিকেও খেয়াল রাখে। তাই যারা দিনের মধ্যে ৮-৯ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করুন, তাদের নিয়ম করে হলুদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চা পান করা উচিত। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে, হলুদে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, শরীরে যাতে ক্যানসার সেল জন্ম নিতে না পারে সে দিকে খেয়াল করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যানসার রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন হলুদ চা খাওয়া কতটা প্রয়োজন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরের ভিতরে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে থাকে, যার প্রভাবে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়ার স্বপ্ন একেবারে হাতের মুঠোয় চলে আসে। স্কিন টোনের উন্নতি ঘটে নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপই কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো মারাত্মক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও এই বিশেষ পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়ার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজন ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজম দূরে পালায়। স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের শরীরে থেকে বের করে দেয়। ফলে ব্রেন সেল ড্যামেজের আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে কার্কিউমিন মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে বুদ্ধির জোরও বাড়তে থাকে। হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া মাস্ট! অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগকে দূরে রাখে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন নামক উপাদান ব্রেন সেলের যাতে কোনওভাবে ক্ষতি না হয়, সে দিকে নজর রাখে। তাই নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া শুরু করলে ব্রেন পাওয়ার এতটা বৃদ্ধি পায় যে মস্তিষ্ক সম্পর্কিত কোনও রোগই ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। তাই যাদের পরিবারে এই ভয়ঙ্কর রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত হলুদ চা খাওয়া শুরু করা উচিত। এবার নিশ্চয় বুজে গেছেন, সাধারণ চায়ের পরিবর্তে টার্মারিক টি খাওয়ার প্রয়োজন কতটা...! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

কাঁচা শশা খেলে ১২ উপকাল মিলবে

শীতের মৌসুমে আমাদের ধারে কাছে এদের তেমন একটা দেখা যায় না। কিন্তু এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ গবেষণা বলছে, শরীরকে মজবুত এবং সচল রাখতে প্রতিদিন যে যে উপদানগুলোর প্রয়োজন পরে, তার সবকটাই মজুত রয়েছে শশাতে। যেমন ধরুন ভিটামিন কে, সি, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, রাইবোফ্লবিন, বি৬, ফলেট, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, আয়রন, সিলিকা, ক্যালসিয়াম এবং জিঙ্ক। এবার তাহলে বুঝেছেন নিশ্চয়, শুধু গরমকালে নয়, সারা বছর জুড়েই শশা খাওয়ার প্রয়োজন কতটা! শরীরকে চাঙ্গা রাখতে যে নিয়মিত শশা খাওয়া উচিত, সে সম্পর্কে না হয় কোনও সন্দেহ নেই! কিন্তু প্রশ্ন হল এই প্রাকৃতিক উপাদানটি পুষ্টির ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি শরীরের আর কী কী উপকার লেগে? হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, হার্টকে চাঙ্গা রাখতে বাস্তবিকই এই প্রাকৃতিক উপাদানটি কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে শশায় উপস্থিত লেরিসিরেসিনোল, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হার্টের কোনও ধনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে পরিবারে কি এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে? তাহলে রোজের ডায়েটে শশাকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, শরীরে প্রবেশ করার পর লবণের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে, যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। খনিজের চাহিদা মেটে খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই ত্বকের পরিচর্যায় শশাকে কাজে লাগিয়ে থাকেন। কেন এমনটা করেন, জানেন? আসলে শশার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম এবং সিলিকন। এই সবকটি খনিজ শরীরের উন্নতির পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যদি অল্প দিনেই তরতাজা ত্বক পেতে চান, তাহলে আজ থেকেই কাজে লাগানো শুরু করতে পারেন শশাকে। দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে দেহের তাপামাত্রা স্বাভাবিক রাখতে শাসা খাওয়াটা জরুরি। কারণ শশা দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে সানস্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে ত্বক পুড়ে গেলেও শশা লাগাতে পারেন। কারণ পোড়া ভাব কমাতে শশা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমে প্রকৃতির ডাক মানেই কি যন্ত্রণার অনুভূতি? তাহলে আজ থেকেই শশা খাওয়া শুরু করা উচিত। কারণ এমন ধরনের কষ্ট কমতে বাস্তবিকই শশার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটির ভিতরে উপস্থিত ফাইবার, শরীরের ভিতরে বর্জ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে একেবারে ঠিক শুনেছেন ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাস্তবিকই এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে শশা খাওয়া মাত্র শরীরের ভিতরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্যানসারের মতো রোগ দূরে থাকে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শশাতে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যানসার রোগকে প্রতিরোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায় শশার শরীরে উপস্থিত বিপুল পরিমাণ পানি দেহের ভিতরে প্রবেশ করা মাত্র ইতি উতি জমে থাকা টক্সিক উপাদনকে ধুয়ে মুছে বার করে দেয়। ফলে শরীরে বিষের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে কোনও ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে। শরীরের ভিতরে পানির অভাব দূর হয় দেহের ভিতরে পানির মাত্রা স্বাভাবিক থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। না হলে শরীর শুকিয়ে গিয়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তো প্রতিদিন শশা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তাদের মতে শশার শরীরে এত মাত্রায় পানি আছে, প্রায় ৯৬ শতাংশ, যে খুব সহজেই পানির ঘাটতি দূর করে ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা কমানো সম্ভব। ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয় শরীরকে সচল রাখতে ভিটামিনের প্রয়োজন পরে। সেই ভিটামিনের যোগান ঠিক রাখতে শাসা খাওয়া মাস্ট! কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, বি এবং এ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য় বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয় ৩০০ গ্রাম শশার প্রায় ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ২ গ্রাম ফাইবার, দিনের চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ৬২ শতাংশ ভিটামিন কে থাকে। সেই সঙ্গে থাকে দিনের চাহিদার ১০ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, ১৩ শতাংশ পটাশিয়াম এবং ১২ শতাংশ মেঙ্গানিজ। এই সবকটি উপাদানই আমাদের শরীরের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমনিকা পালন করে থাকে। তাই তো নিয়মিত পরিমাণ মতো শশা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ওজন কমে চোখে পরার মতো অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে সকাল-বিকাল শশা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ শশাতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে মজুত অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

শরীরের পক্ষে বিন কেন উপকারী?

সুস্থ জীবনযাপন করতে চাইলে প্রয়োজন অপরিহার্য পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খাওয়া জরুরি। সুষম খাবারের মধ্যে সবুজ শাকসবজির গুরুত্ব অপরিসীম। এমনই একটি সবুজ সবজি হচ্ছে বিন। এটিতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন সি। এর মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কেন খাবেন এই সবজি : ১) শক্তি বৃদ্ধিতে সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ রয়েছে। এটি শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২) ত্বক, চুল, নখ ও হাড়ের গঠনে সাহায্য সহজে দ্রবণীয় সিলিকন সমৃদ্ধ সবুজ বিন কোষ ও নখের গঠনে সাহায্য করে ও মজবুত করে। `হিলিং ফুড` বই অনুযায়ী বিনের মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে অস্টিওক‍্যালসিনকে এক্টিভেট করে হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। ৩) শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে লাঞ্চ ও ডিনারে সবুজ বিন খেলে তা শরীরের টক্সিন বাইরে বের করতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ জীবনযাপন করতে চাইলে আজই সবুজ শাকসবজি আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করুন। তথ্যসূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

মুলা খেলে ১০ উপকার মিলবে

শীত মানেই জীবাণুদের আড্ডা। আর আমাদের আশেপাশে জীবাণুদের সংখ্যা বাড়বে মানে শরীর খারাপ তো হবেই হবে। আর ঠিক এই কারণেই গরম ভাতের সঙ্গে মুলা তরকারি থাকা চাইই চাই! আসলে এই সবজিটিতে উপস্থিত ফলেট, ফাইবার, রাইবোফ্লবেন, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ক্যালসিয়াম দেহে প্রবেশ করার পর ভেতর এবং বাইরে থেকে শরীরকে এতটাই চাঙ্গা করে তোলে যে ক্ষতিকর জাবীণুদের মারে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সেই সঙ্গে আরও অনেক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে এই সবজিটিতে উপস্থিত ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে মুলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা রোজের ডায়েটে মুলাকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন! ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় একাধিক স্টাডিতে এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত মুলার রস খাওয়া শুরু করলে শরীরে ভিটামিন সি, জিঙ্ক এবং ফসফরাসের মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পায় যে এদের প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি একাধিক ত্বকের রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, মুলার পেস্ট মুখে লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়। ইমিউনিটির উন্নতি ঘটে মুলা এবং তার পাতায় উপস্থিত আয়রন এবং ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে তলে যে কোনও রোগই ধারে কাছে আসতে পারে না। সেই সঙ্গে শারীরিক ক্লান্তিও দূরে পালায়। কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায় আপনি কি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে তো মুলার রস আপনার রোজের সঙ্গী হওয়া উচিত। আসলে এতে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি বাইলের প্রবাহ যাতে ঠিক মতো হয় সে দিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমতে শুরু করে। ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয় একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত মুলার পাতা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে নানাবিধ ভিটামিনের পরিমাণ যেমন বাড়তে থাকে, তেমনি আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতিও দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায় ব্লাডার, কিডনি, প্রস্টেট এবং ডাইজেস্টিভ ট্র্যাকে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদানদের শরীর থেকে বের করে এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর কর্মক্ষমতা বাড়াতে মুলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, শরীরের কোণায় কোণায় জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের ক্ষতি করার আগে তাদের কডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়ার কাজটাও করে থাকে মুলার রস। প্রসঙ্গত, শরীর যত টক্সিক মুক্ত থাকবে, তত স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়বে। সেই সঙ্গে শরীর এবং মন চাঙ্গা এবং রোগ মুক্ত থাকবে। শরীরে ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় প্রতিদিন যদি মুলার রস খাওয়া যায়, তাহলে দেহের ভিতরে চোট-আঘাতের কারণে হওয়া জ্বালা-যন্ত্রণা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফ্লেমেশন এবং কিডনির প্রদাহও কমে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমাতেও মুলার রস নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। অ্যাস্থেমার চিকিৎসায় কাজে শ্বাস কষ্ট, সেই সঙ্গে হাঁচি-কাশিতে একেবারে জর্জরিত হয়ে পরেছেন? ফিকার নট! আজ থেকেই মুলার রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কষ্ট কমে যাবে। আসলে মুলার রস, লাং-এ জমতে থাকা মিউকাসের দেওয়ালকে ভেঙে দেয়। ফলে অল্প দিনেই অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে শুরু করে। এখানেই শেষ নয়, বমি ভাব, গলার ব্যথা এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায় বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে শরীরকে এই মারণ রোগের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিনিয়ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া উচিত। আর এই কাজে আপনাকে ব্যাপকভাবে সাহায্য় করতে পারে মুলা। কীভাবে? আসলে মুলার রসে উপস্থিত অ্যান্থোসায়ানিন এবং ভিটামিন সি শরীরের ভিতরে ক্যানসার সেলেরে জন্ম এবং বৃদ্ধির আটকায়। বিশেষত কোলন, ইন্টেস্টিনাল,স্টমাক এবং কিডনি ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতে এই পানীয়টি দারুনভাবে কাজে আসে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

সিদ্ধ আলু খেলে ৮ উপকার মিলবে

আলুকে নিয়ে অনেকের মনেই নানা সন্দেহ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন আলু খেলে ওজন নাকি আরও বেড়ে যায়। তবে জেনে রাখা উচিত যে সিদ্ধ আলু খেলে ওজন তো বাড়েই না, উল্টো নানা উপকার পাওয়া যায়। কারণ আলুতে উপস্থিত নানাবিধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করে একদিকে যেমন শরীরের ইতিউতি জমে থাকা মেদকে ঝরিয়ে ফেলে, তেমনি ক্যানসারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, সিদ্ধ আলু আরও নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে আলুতে উপস্থিত ফাইবার শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে চোখে পরার মতো। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায় নিয়মিত আলু সিদ্ধ খাওয়া শুরু করলে বাস্তবিকই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ে চোখে পরার মতো। আসলে আলুতে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর ব্রেন পাওয়ারকে নিমেষে বাড়িয়ে তুলতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তেমনি মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করতেও সাহায্য করে। তাই বুড়ো বয়স পর্যন্ত ব্রেন একেবাপরে ঘোড়ার মতো ছুটুক, এমমনটা যদি চান, তাহলে রোজের ডায়েটে সিদ্ধ আলুকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! ফাইবারের চাহিদা মিটবে মাঝারি মাপের একটা আলুতে প্রায় ২ গ্রামের কাছকাছি ফাইবার থাকে, যা সারা দিনের মোট ফাইবারের চাহিদার প্রায় ৮ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। প্রসঙ্গত, ডায়াটারি ফাইবার একাধিক রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো শরীরে যাতে কোনও সময় ফাইবারের ঘাটতি দেখা না দেয়, সে দিকে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এ ক্ষেত্রে আলুর কোনও বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না। ভিটামিন সি-এর যোগান ঠিক থাকবে শরীরকে সুস্থ রাখতে এই বিশেষ ভিটামিনটির কোনও বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না। আর নিয়মিত আলু খেলে শরীরে এই বিশেষ উপাদানটির ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই কারণেই তো আলুকে পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় বেশ উপরের দিকে জায়গা দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর হবে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, আলুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এই শরীরের আরও উপকারে লাগে। আর এ কথা জেনে রাখা ভাল যে কলাতে যে পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ রয়েছে অলুতে। তাই এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে ব্লাড প্রেসারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই এই সবজিটি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়, এই বলে আলুকে কোনওভাবেই কাঠগড়ার দাঁড় করানো উচিত নয়। বরং বেশি করে ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে আলুতে উপস্থিত ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং জিঙ্ক শরীরের ভিতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে, যে কোনও ধরনের ত্বকের রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, ত্বকের পরিচর্যায় আরেকভাবেও আলুকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে পরিমাণ মতো আলু নিয়ে তার পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টের সঙ্গে অল্প পরিমাণ মধু মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন দারুন ফল মিলতে শুরু করেছে। দেহের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমবে এই সবজিটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি দেহের ভিতরে প্রবেশ করা মাত্র প্রদাহের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে দেহের কোনও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে। সেই সঙ্গে আর্থ্রাইটিস এবং গাউটের মতো রোগের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। ক্যানসারের মতো রোগ দূরে পালাবে আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, যা শরীরের ভিতরে ক্যানসার সেলকে জন্ম নিতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে যে হারে ক্যানসার রোগের প্রতোপ বৃদ্ধি পয়েছে, তাতে আরও বেশি মাত্রায় সিদ্ধ আলু খাওয়ার প্রয়োজন বেড়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

লেবুর খোসা খেলে ১৩ উপকার মিলবে

লেবু খেলে যতটা শারীরিক উপকার পাওয়া যায়, তার থেকে অনেক বেশি পাওয়া যায় লেবুর খোসাটা খেলে। আসলে বেশ কিছু পরীক্ষার পর এ কথা পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে লেবুতে যে পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে, তার থেকে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি রয়েছে লেবুর খোসায়। সেই সঙ্গে মজুত রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ফলেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন- রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে বেশ কিছু কেস স্টাডি অনুসারে, লেবুতে উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার এবং ভিটামিন সি, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে দেহের রোগ প্রতিরোধি ব্যবস্থা দারুন শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণের মতো রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়। কিডনি স্টোনের মতো রোগ দূরে থাকে গবেষণায় এমনটা দেখা গেছে, নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে শরীরে সিট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যার প্রভাবে কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে থাকে না বললেই চলে। তাই এমন ধরনের রোগের খপ্পরে পরতে না চাইলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেতে ভুলবেন না যেন! কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমে লেবুর খোসায় উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু খেল দেখায় যে কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আলসার এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যাও কমে যায়। তাই প্রতিদিন সকালেই যাদের মল ত্যাগ করতে গিয়ে কষ্ট সহ্য করতে হয়, তাদের রোজের ডায়েটে লেবুর খোসকে অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়া আর যে কোনও উপায় নেই, তা তো বলাই বাহুল্য! ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায় লেবুর খোসায় উপস্থিত স্য়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ এবং লিমোনেন্স নামে দুটি উপাদান ক্যানসার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরের ভিতরে ক্যানসার সেলের জন্ম নেওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এখানেই শেষ নয়, লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিস সহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সারা শরীরে রক্তের প্রবাহে উন্নতি ঘটে লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র শরীরের ভিতরে এমন কিছু রদবদল হতে শুরু করে যে সারা শরীরে রক্তের সরবারহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোনায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। ফলে ছোট-বড় সব ধরনের রোগই দূরে পালায়। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে পেকটিন নামে একটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় থাকায় লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বিকে ঝড়িয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। হার্টের ক্ষমতা বাড়ে লেবুর খোসায় উপস্থিত পলিফেনল নামে একটি উপাদান শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণা রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের রাগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা প্রতিদিনের ডায়েটে লেবুর খোসাকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। লিভারে ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে লিভারের ভিতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, লেবুর খোসার ভিতরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা যেমন কমে, তেমনি ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। এই কারণেই তো বয়স ৩০-এর কোটা পরলেই প্রতিদিন লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে ফাইবার সমৃদ্ধ যে কোনও খাবার হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে লেবুর খেসায়। তাই তো বদ-হজন থেকে গ্যাস-অম্বল, যে কোনও ধরনের হজম সংক্রান্ত সমস্যায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুন উপকারে আসে। স্ট্রেসের মাত্রা কমে লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভিতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই তো এবার থেকে যখনই দেখবেন শরীর আর চলছে না, তখন অল্প করে লেবুর খেসা নিয়ে চটজলদি খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন উপকার মিলবে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ায় এই ১২টি খাবার

স্মৃতিশক্তি কমার মতো ঘটনা ঘটতে শুরু করলে আগামী সময়ে ডিমেনশিয়ার বা অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন থাকে, তেমনি নানাবিধ ব্রেন ডিজিও মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। তাই মনে রাখার ক্ষমতা কমার মতো ঘটনা ঘটলে যত শীঘ্র সম্ভব একটা ‘এম আর আই’ করে নিতে ভুলবেন না। সেই সঙ্গে খাওয়া শুরু করতে হবে এই প্রবন্ধে আলোচিত খাবারগুলো। তাহলেই দেখবেন মস্তিষ্ক নিয়ে আর কোনও চিন্তা থাকবে না। এ ক্ষেত্রে দুইটি প্রশ্ন। এম আর ই কেন করতে হবে এবং এই লেখায় আলোচিত খাবারগুলো কেন খেতে হবে? প্রথম প্রশ্নের উত্তর হল ওয়াশিংটন ইউনির্ভাসিটির গবেষকদের করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে, ‘এম আর আই’ হল একমাত্র একটি পরীক্ষা, যার সাহায্যে লক্ষণ প্রকাশের আনেক আগে থেকেই জেনে যাওয়া সম্ভব কোনও ধরনের ব্রেন ডিডিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে কি-না। আর এই প্রবন্ধে আলোচিত খাবারগুলো খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যে তার প্রভাবে ব্রেন পাওয়ার বাড়ে চোখে পরার মতো। আর ব্রেন পাওয়ার বাড়লে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এবং মস্তিষ্কের কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যে আর থাকে না, তা তো বলাই বাহুল্য! প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলো খাওয়া শুরু করলে ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ে সেগুলো হল- কফি ব্রেন পাওয়া বাড়াতে বাস্তবিকই এই পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। আসলে কফিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে এতটাই বাড়িয়ে তোলে যে অ্যালঝাইমারসের মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা কমে, শর্ট টার্ম মেমরি জোরদার হয়ে ওঠে এবং পার্কিনসনের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না। তবে দিনে ২ কাপের বেশি কফি খেতে যাবেন না যেন! টমাটো এই সবজিটিতে উপস্থিত ক্যারোটিনয়েড, লাইরোপেন এবং বিটা-ক্যারোটিন শরীরে প্রবেশ করার পর ব্রেনে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে ব্রেনের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধি এবং মনোযোগ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। ব্রকলি সালফারাফেন নামক একটি উপাদানে ভরপুর এই সবজিটি খাওয়া মাত্র শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ব্রেন সেলের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। আখরোট এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রা ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগে। সেই সঙ্গে দেহে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও বাড়ায়। ফলে সবদিক থেকে মস্তিষ্কের উপকার হয়। পালং শাক পালং শাকে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন কে, ফলেট এবং লুটেইন ব্রেনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুন কাজে আসে। ফলে নিয়মিত এই শাকটি খেলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার চোখ পরার মতো বৃদ্ধি পায়। হলুদ এই প্রকৃতিক উপাদানটি ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে দারুন কাজে আসে। আসলে হলুদে উপস্থিত বেশি কিছু কার্যকরি উপাদান একদিকে যেমন মস্তিষ্কের ভিতরে প্রদাহ কমায়, তেমনি অন্যদিকে বুদ্ধির বিকাশেও সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রায় তিন হাজার বছর পুরানো একটি আয়ুর্বেদিক পুঁথির খোঁজ মিলেছে, তাতেও ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে হলুদ কিভাবে কাজে আসে, সে বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। অলিভ অয়েল দক্ষিণ এশিয়ায় সাধারণত রান্না করতে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু যদি করা হয়, তাহলে দারুন উপকার মিলতে পারে। আসলে এই তেলটিতে রয়েছে পলিফনল নামে একটি উপাদান, যা ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে দারুন কাজে আসে। প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্টাডি চলাকালীন বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেছেন পলিফেনল নামক উপাদানটি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়য়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। শতমূলী এই প্রকৃতিক উপাদনটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার এবং এমন কিছু উপাদান, যা শরীরে মস্তিষ্কের উপকারি লাগে এমন ব্য়াকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ফলেট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদানও এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। জাম এই ফলটিতে উপস্থতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ব্রেন সেল যাতে শুকিয়ে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখে। সেই সঙ্গে ব্রেনের ভিতরে প্রদাহ কমানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ ব্রেন ডিজিজকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, যাদের পরিবারে অ্যালঝাইমারস বা ডিমেনশিয়ার মতো মস্তিষ্কের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা যদি প্রতিদিন জাম খেতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে। নারকেল তেল নারকেল তেলে উপস্থিত নিউরনের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকারক উপাদান যাতে মস্তিষ্কের ভিতরে কোনও ক্ষতি সাধন করতে না পারে, সে দিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, নিউরনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মস্তিষ্কের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান আরও দ্রুত গতিতে হতে থাকে। ফলে যে কোনও কাজ নিমেষে সম্পন্ন করতে কোনও কষ্টই করতে হয় না। ডিম এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় কোলিন এবং উপকারি কোলেস্টেরল, যা নিউরনের ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে ব্রেন পাওয়া বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ডিম খেলে দেহে বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা ব্রেন সেলের যাতে কোনওভাবে ক্ষতি না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখে। ফলে নানাবিধ ব্রেন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়। মাছ বেশি তেল রয়েছে এমন মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড নামে একটি উপাদান থাকে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারুন কাজে আসে। আসলে এই উপাদনটি ব্রেন সেলের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মস্তিষ্কের যে অংশটা স্মৃতিশক্তির আঁধার, সেই অংশের ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। ফলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

আখের রস খেলে ১৪ উপকার মিলবে

দিনের শেষে কর্মস্থল থেকে যখন বাসায় ফেরেন তখন কেমন লাগে? বেশিরভাগ দিনই নিশ্চয় মাথা যন্ত্রণা, মন-মেজাজ খারাপ, সেইসঙ্গে হরেক রকমের চিন্তা এবং স্ট্রেস তো থাকেই। আর ঠিক এই কারণেই ভয়টা! আসলে দিনের পর দিন স্ট্রেস সইতে সইতে ঘাড়ে চেপে বসে একাধিক মারণ রোগ। ফলে আয়ু কমে চোখে পরার মতো। আর তাই এমন চাপের পরিবেশে শরীরতে চাঙ্গা রাখাতে আখের রসের উপর ভরসা না রাখলে কিন্তু চলবে না! এই পানীয়টিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড, জিঙ্ক, থিয়ামিন এবং রাইবোফ্লেবিন, যা শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে স্ট্রেসের কারণে শরীরের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো থাকেই না, সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত সমস্যা দূরে করে আখের রসে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড মেয়েদের শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা দূরে থাকতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে বাচ্চার শারীরিক উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। এই কারণেই তো গর্ভাবস্থায় নারীদের নিয়মিত আখের রস খাওয়া পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। দেহের প্রতিটা অঙ্গের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আখের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত সেনসরি অর্গেন, রিপ্রাডাকটিভ অর্গেন এবং ব্রেনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আয়ুও বাড়ে চোখে পরার মতো। এবার নিশ্চয় বুঝেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে বাঁচতে আখের রস খাওয়ার প্রয়োজন কতটা। ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে একেবারে তলার দিকে থাকার কারণে আখের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। বরং এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই তো ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়ম খরে আখের রস খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ডায়াবেটিকদের একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে আখের রস খাওয়া উচিত। কারণ জেনে নেওয়া উচিত এই রসটি খেলে তাদের শরীরে অন্য় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে কি-না! রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতার উন্নতি ঘটে আখের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের ভিতরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, ক্যানসার রোগকে দূরে রাখতেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এবার বুঝেছেন তো আখের রস খাওয়াটা কতটা জরুরি। কনস্টিপেশনের মতো রোগ দূর পালায় আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, আখের রসে উপস্থিত ল্যাক্সেটিভ প্রপাটিজ বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটায়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমতে সময়ই লাগে না। সেই সঙ্গে আখে থাকা অ্যালকেলাইন প্রপাটিজ গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিডনির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আখের রসে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন সারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে কিডনি স্টোনের মতো সমস্যা দূর করতেও সাহায্য় করে। প্রসঙ্গত, কিডনি ফাংশনকে ঠিক রাখতেও আখের রসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এনার্জির ঘাটতি দূর হয় সারা দিন অফিস করে কি বেজায় ক্লান্ত হয়ে পরেছেন? তাহলে ঝটপট এক গ্লাস আখের রস খেয়ে ফেলুন। দেখবেন একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবেন। আসলে আখের ভিতরে থাকা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম এবং অন্য়ান্য় উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এনার্জির ঘাটতি দূর করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন এবং শরীর, দুইই চনমনে হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, আখের রস শরীরের ভিতরে প্লাজমা এবং বডি ফ্লইডের ঘাটতি মেটায়। এভাবেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়য়ে তোলে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে নানা কারণে কি গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে আজ থেকেই আখের রস খাওয়া শুরু করে দিন। দেখবেন হজম ক্ষমতা একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে। আসলে এই প্রকৃতিক উৎপাদনে উপস্থিত পটাশিয়াম, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হজমে সহায়ক একাধিক পাচক রসের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যে কারণে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। লিভারের ক্ষমতা বাড়ে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র সম্পর্কিত একাধিক বইয়ে এমন উল্লেখ পাওয়া যায় যে লিভারকে সুস্থ রাখতে আখের রস দারুন কাজে আসে। সেই কারণেই তো জন্ডিসের প্রকোপ কমাতে রোগীকে আখের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। শুধু তাই নয়, শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি প্রোটিনের চাহিদা মেটাতেও আখ বিশেষ ভূমিকা নেয়। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায় সম্প্রতি হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আখের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে ফ্লবোনয়েড নামক একটি বিশেষ উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই উপাদানটি ক্যানসার সেলেদের ধ্বংস করে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বর্তমানে যে হারে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে প্রায় সবারই যে প্রতিদিন আখের রস খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই! ত্বকের বয়েস কমে শরীরের বয়স বাড়লে ত্বকের বয়স তো বাড়বেই! কিন্তু আপনি যদি চান, তাহলে কিন্তু এমনটা আপনার সঙ্গে নাও হতে পারে। কীভাবে এমনটা সম্ভব? একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত আখের রস খেলে দেহের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্লেবোনয়েডের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। এই দুটি উপাদান ত্বক এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে শরীরের পাশাপাশি ত্বকের বয়স বাড়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে হাই কোলেস্টেরলের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই আখের রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে থাকা বেশ কিছু উপাদান খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও সাহায্য করে। মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকার কারণে নিয়মিত আখের রস খেলে হাড় শক্তপোক্ত তো হয়ই, সেই সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ক্যাভিটি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়। ব্রণের চিকিৎসায় কাজে আসে আখের রসে উপস্থিত আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড স্কিন সেলের উৎপাদন বাড়ায়ে ব্রণের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রণের দাগ কমাতেও সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো আখের রস নিয়ে মুলতানি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্ট ভাল করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ভেজা তোয়ালের সাহায্যে ভাল করে মুখটা পরিষ্কার করে নিতে হবে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি