ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:০৯:৫৫

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকার

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকার

উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সব চেয়ে সেরা উপাদানগুলোর অন্যতম সয়াবিন। ভিটামিন ও প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার আদতে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। আজকাল ডায়াবিটিকদেরও নিশ্চিন্তে সয়াবিন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আসলে এক বাটি ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে এক বাটি সয়াবিনে। যে কোনও প্রাণিজ প্রোটিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে সয়াবিন। তাই নিরামিষাশীদের ডায়েটে এই খাদ্য রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। প্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। শর্করা রয়েছে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণের হিসাবে এই খাদ্য অনেক পুষ্টিবিদেরই প্রথম পছন্দ। শরীরচর্চায় অভ্যস্তরা নিয়মিত ডায়েটে রাখেন সয়াবিন। জানেন কি কেন? দেখে নিন কী কী গুণ রয়েছে এই খাদ্যে। তার পর ডায়েটে ব্যবহার করুন সয়াবিন। ১. সয়াবিনের প্রোটিন মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সকে সতেজ রাখে, তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে সহজে ক্লান্তি আসে না। ২. সয়াবিনে প্রচুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে। হার্ট ও লিভারকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে এই খাবার। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে সয়াবিন। ৩. সয়াবিনে থাকা লেসিথিন মস্তিষ্ক গঠনের অন্যতম উপাদান। তাই সয়াবিন খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা তো বৃদ্ধি পায়ই সঙ্গে হাইপোথ্যালামাসকে সক্রিয় রাখে। ৪. সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ৫. সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে, যা অনিদ্রাজনিত অসুখ দূর করে সহজেই। ৬. মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা অত্যন্ত কার্যকর। কারণ সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ৭. সয়াবিনে অদ্রবণীয় ফ্যাট থাকায় তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ৮. যাদের শরীরে রক্ত কম, তারাও ডায়েট চার্টে রাখুন সয়াবিন। সয়াবিন রক্ত পরিশুদ্ধ করতেও কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
জিরার পানিতে মিলবে ১০ উপকার!

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, জিরা পানির এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক প্রপাটিজ, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল এবং নানা সব উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা নানাভাবে শরীরের উপকার করে থাকে। ১) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : রোজ ডায়েটের তালিকায় এই পানীয়টি রাখলে ত্বকের ভিতরের পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ত্বকের ভেতরে উপস্থিত টক্সিক উপদানেরা বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলে ত্বকের বয়স তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। ২) লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত জিরা পানি খেলে শরীরের ডায়াজেস্টিভ এনাজাইমের উৎপাদন বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরাও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ৩) রেসপিরেটরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : জিরায় উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর বুকে মিউকাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে, সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে নানাবিধ রেসপিরেটরি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ৪) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক। আর এমনটা হওয়া মানেই বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বল রোজের সঙ্গী। এমন অবস্থা যদি আপনারও হয়ে থাকে, তাহলে আজ থেকেই এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো জিরা ভিজিয়ে সেই পানি পান করা শুরু করুন। ৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে : জিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার এত সুন্দরভাবে হজম হতে শুরু করে যে ওজন বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফাইবার আরেকভাবেও ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। ৬) শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : নিয়মিত জিরা পানি পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে শরীর শুকিয়ে গিয়ে কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ৭) এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : জিরার ভিতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এনার্জি এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ক্লান্তি দূরে পালায়। ৮) ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে পালায় : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকাল বেলা খালি পেটে জিরে ভেজানো পানি খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। এই কারণেই তো ডায়াবেটিস রোগীদের জিরা ভেজানো পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ৯) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে জিরা পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স যেমন ঠিক হয়ে যায়, তেমনি পটাশিয়ামের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড প্রেসার কমতে শুরু করে। ১০) রোগ-প্রতিরাধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : জিরায় উপস্থিত আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। যেভাবে বানাবেন- একটা পাত্রে পরিমাণ মতো পানি এবং জিরা নিয়ে কম করে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানিটা ছেঁকে নিয়ে তাতে অল্প করে মধু মুশিয়ে ঝটপট খেয়ে ফলতে হবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/ এসএইচ/  

৮ সবজি বাড়িয়ে দিবে উচ্চতা!

বেঁটে বা খাটো হওয়াটা খুব দুঃখজনক বিষয়। দেখতেও অস্বাভাবিক লাগে। এ সময় মনে হয় লম্বা হলে কতই না ভালো হতো। সাধারনত বংশগত বৈশিষ্ট্যের উপর কার উচ্চতা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনেকটাই। কিন্তু বংশগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও পুষ্টির উপরও উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু কিছু সবজি উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত ও নারীর উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে উচ্চতা বিশেষ সবজিগুলো খাবার তালিকায় নিয়মিত রাখলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি। ১) ঢেঁড়স : উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক যে সবজিগুলি আছে, তার মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। ২) শালগম : শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। ৩) মটরশুঁটি : মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না। ৪) বাঁধাকপি : ধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। ৫) পালং শাক : পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ৬) সয়াবিন : সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই। ৭) ব্রোকলি : উচ্চতা বৃদ্ধিতে সবুজ রঙের এই সবজিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। ৮) কুমড়োর বিচি : কুমড়োর বিচি শরীরের নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু সারায়, এবং নতুন টিস্যুর গঠনেও সাহায্য করে। এছাড়া এই বিচিতে থাকা এ্যামিনো এ্যাসিড শরীরের বেড়ে ওঠায় খুব সাহায্য করে থাকে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/ এসএইচ/  

ক্ষুধা পেলে যে ৪ খাবার ভুলেও খাবেন না

প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে ঘরে যা থাকে তাই খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করি। কেননা ক্ষুধা পেলে খাবার না খাওয়া পর্যন্ত কিছুই ভালো থাকে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে ক্ষুধা মেটানো হয়। কিন্তু এ সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়, কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো খিদের সময়ে খেলে যেমন পেটের ক্ষিদে মিটবে না তেমনি শরীরের অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। তাহলে জেনে নিন, ক্ষুধার সময় যে ৪ ধরণের খাবার খাওয়া উচিত নয়- ১) ফল : খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটি আপেল বা একটি কলা খেয়ে কখনই পেটের ক্ষুধা মিটে না। বরং আপনার খিদে খিদে ভাব আরও বেড়ে যাবে। যদি ফল খেয়েই থাকেন তাহলে এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিত কোনও প্রোটিন ধরণের খাবার। ফলের সঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পিনাট বাটার বা পনির। ২) ঝাল খাবার : কোন কাজের জন্য দুপুরের খাবার সারতে দেরি হয়েছে। এ সময় প্রচণ্ড ক্ষিদে পেয়েছে, তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল ঝাল কোনও মুখরোচক খাবার খেয়ে বসলেন। এতে আপনার হজমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। তাই ঝাল ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না। ৩) কমলালেবু বা কফি : এই সব খাবার খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। এতে পেট খারাপ হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। সবজি পেটের জন্য এতোটা ক্ষতিকর না। তাই সবজির সালাদ খেতে পারেন। সেদ্ধ ডাল বা মুরগীর মাংসও (কম মশলাদার হলে চলবে) এ সময়ে খাওয়া যেতে পারে। ৪) বিস্কুট বা চিপস : এমনটা হতে পারে যে আপনি আর দুই ঘন্টা পর দুপুরের খাবার খাবেন। তাই এখন ভারী কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এগুলিতে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনও খাবার। যেমন, একটা স্যান্ডউইচ বা একটা কেক। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

অ্যালার্জি দূর করার জাদুকরী ভেষজ পানীয়

অনেকের শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে। অ্যালার্জির জন্য তেমন কোন চিকিৎসা না থাকলেও কিছু ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অ্যালার্জির ওষুধে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করা ভেষজ পানীয় দিয়েই এই অ্যালার্জি নিরাময় করা সম্ভব। এটি সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ভালো কাজ করবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ভেষজ পানীয় তৈরির পদ্ধতি এবং এর কার্যকারিতা- পানীয় তৈরির উপকরণ : ১) দুইটি আপেল। ২) দুইটি গাজর এবং ৩) একটি বড় বিট। পানীয় তৈরির পদ্ধতি : প্রতিটি উপকরণ ভাল করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার ব্লেন্ডারে বা জুসারে সবকটি উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে নিন বা জুসারে জুস তৈরি করে নিন। চাইলে না ছেঁকেও খেতে পারেন। কারণ, এই সবজি ও ফলের আশও খুব উপকারী। ব্যস তৈরি হয়ে গেল অ্যালর্জি নিরাময়ের জুস। এই জুস প্রতিদিন এক গ্লাস পান করে নিন। দেখবেন অ্যালার্জির সমস্যা অনেকটাই কমে গেছে। উপকারিতা : ১) আপেলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি এবং সি, যা আমাদের শরীরের পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূরে রাখে। ২) বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটেইন, এনজাইম এবং ভিটামিন এ যা গলব্লাডার ও লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়ক। ৩) গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং গাজরের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান লিভার এবং পরিপাকতন্ত্রকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ৭ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য এই সময়ের একটি পরিচিত রোগ। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এই রোগে ভোগেন। মূলত হজম ও পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে এটি দেখা যায়। কিছু খাবার আছে, যা খাওয়ার মাধ্যমে আপনি সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার ৭ খাবার- ১) মধু প্রতিদিন মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলেই দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট পরিষ্কার না হাওয়ার মতো সমস্যা একেবারে কমে যাবে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষভাবে কাজ করে। ফলে মধু খাওয়া মাত্র পেট পরিষ্কার হতে শুরু করে দেয়। এক্ষেত্রে দিনে ৩ বার, এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ করে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। ২)পালং শাক প্রতিদিন এই শাকটি খেলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। তাই যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে তাহলে হয় রান্না করে পালং শাক খাওয়া শুরু করে দিন। দেখবেন অল্প দিনেই কষ্ট কমে যাবে। প্রসঙ্গত, আরেক ভাবে পালং শাককে কাজে লাগানো যেতে পারে। এক গ্লাস পানির সঙ্গে ১ গ্লাস পালং শকের রস দিনে দুবার করে খেলে কনিস্টেপেশনের কোনও নাম গন্ধই থাকে না। ৩)আঙুর এতে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার, পেট পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। তাই বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিক না হলেই দিনে হাফ বাটি কাঁচা আঙুর অথবা আঙুরের রস খাওয়ার চেষ্টা করবেন। ৪) লেবু এতে উপস্থিত লেমোনাস, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি পেট পরিষ্কার রাখতে দারুন কাজে আসে। তাই কখনও যদি দেখেন ১-২ দিন ধরে পটি ঠিক মতো হচ্ছে না তাহলে ঝটপট লেবুর রস খেয়ে নেবেন। দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে ফল পাবেন। প্রসঙ্গত, গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাবেন। ৫) তিসি এতে রয়েছে বিপুল পরিমাণে ফাইবার এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা পেট পরিষ্কার রাখতে নানাদিক থেকে সাহায্য করে। তাই পটি পরিষ্কার হোক, বা না হোক, প্রতিদিন তিসি বীজ জলে গুলে পান করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। প্রসঙ্গত, এক গ্লাস জলে ১ চামচ তিসি বীজ গুলে কম করে ২-৩ ঘন্টা রেখে দিন। রাতে শুতে য়াওয়ার আগে পান করুন সেই জল। দেখবেন সকালে উঠে পেট পরিষ্কার করে পটি হয়ে যাবে। ৬) আঁশ-জাতীয় খাবার যেমন- পাতাবহুল সবজি খাবার তালিকায় রাখুন। স্বাভাবিকভাবে দেহের ময়লা বের করে দিয়ে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শষ্য, বাদাম, ওটস ও ডাল-জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকলে তা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। ৭) তিলের বীজ তিলের বীজ পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। এতে আছে অত্যাবশ্যকীয় তেল যা শরীরের পক্ষে ভালো। এই বীজ পেট পরিষ্কার করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। সূত্র : বোল্ডস্কাই   এমএইচ/

৩ টি কাঁচা মরিচে দূর হবে পেটের অসুখ

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুই থেকে তিনটে করে কাঁচা মরিচ খাওয়া শুরু করলে পেটের রোগসহ বিভিন্ন একাধিক রোগও দূরে হয়ে যাবে। কেননা কাঁচা মরিচে ডায়াটারি ফাইবার, সোডিয়াম, থিয়ামিন, রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, ফলেট, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬, পটাসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো উপাদান উপস্থিত রয়েছে। সুতরাং কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস করুন, তবে অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ খেলে পেটের ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। ১) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : কাঁচা মরিচ খাওয়া মাত্র শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি স্যালাইভার উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়, যে কারণে হজম ক্ষমতার এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে গ্যাস, অম্বল এবং বদহজমের মতো সমস্যা দূরে পালায় চোখের পলকে। ২) মন-মেজাজ চাঙ্গা হয়ে ওঠে : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ খেলে শরীরে এন্ডোরফিন নামক একটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে স্ট্রেসের প্রকোপ যেমন কমতে শুরু করে, তেমনি মন-মেজাজও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় পরার আশঙ্কা যায় কমে। ৩) রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : মরিচ রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন, যা দেহে প্রবেশ করা মাত্র রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই চাঙ্গা করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। ৪) সাইনাসের মতো রোগ দূরে পালায় : মরিচ উপস্থিত ক্যাপসিসিন মিউকাস মেমব্রেনের ভিতরে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঠাণ্ডা লাগার কারণে হওয়া নানবিধ শারীরিক সমস্যা যেমন কমে যায়, তেমনি সাইনাস ইনফেকশনের কষ্ট কমতেও সময় লাগে না। তাই যারা ঠাণ্ডা পরলেই খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেতে ভুলবেন না। ৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : আসলে কাঁচা মরিচ সবজি না ফল এই নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বিশেষজ্ঞরা একটা বিষয় মেনে নিয়েছেন যে প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে হজম ক্ষমতা এত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট সেলেরা এত মাত্রায় গলতে শুরু করে যে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে একেবারেই সময় লাগে না। ৬) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে : একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে, নিয়মিত কাঁচা মরিচ খাওয়া শুরু করলে ইনসুলিনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। ৭) শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় থাকে : আসলে এই উপাদানটি স্বাদ গ্রন্থিকে অ্যাকটিভ করে তোলার পাশাপাশি মস্তিষ্কের হাইপোথেলামাস অংশকে অতি মাত্রায় সচল করে তোলে। ফলে শরীরের তাপমাত্র এতটা কমে যায় যে গরমের খারাপ প্রভাব দেহের উপর পরার আশঙ্কা একেবারেই থাকে না। এই কারণেই তো আমাদের দেশ গরমকালে নানাভাবে কাঁচা মরিচ খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ৮) ক্যান্সারের থাকে : প্রতিদিনির ডায়েটে কাঁচা মরিচ রাখলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। এই উপাদানটি দেহে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে একেবারেই সময় নেয় না। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ৯) ব্যথা কমে : আসলে মরিচে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান দেহের ভিতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখাতে শুরু করে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমতে সময়ই লাগে না। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে এবং আলসারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও কাঁচা মরিচ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ১০) হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা মরিচে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ১১) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : মরিচে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন। এই দুটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর বলিরেখা গায়েব হতে শুরু করে। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। সেই সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/  

সুস্থ থাকতে ছয় নিয়ম!

পৃথিবীতে সুস্থ থাকতে সবাই চায়। কিন্তু অনেকেই সুস্থ জীবন যাপন করতে পারেন না। সুন্দর আর সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি হলো ভালো খাওয়া আর পর্যাপ্ত ব্যায়াম করা। দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। যে কোনও একটি কম বেশি হলেই দেখা দিতে পারে সমস্যা। সুতরাং সুস্থ থাকতে ভালো খাবারের পাশাপাশি শরীর চর্চাতেও ততখানিই জোর দিতে হবে। আর সুস্থ থাকার জন্য ছয়টি টিপস মেনে চলতে পারেন। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো- ধৈর্য্য ধরে খান-যখন খিদে পাচ্ছে তখন খাচ্ছেন নাকি যখন ইচ্ছে হচ্ছে তখন খাচ্ছেন এই দুইয়ের পার্থক্য করা খুব দরকার। যখন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছেন বা রেগে আছেন বা যদি খুব আনন্দেও থাকেন তখন খাবার থেকে সতর্ক থাকুন। এ সময় আপনি অনিয়ন্ত্রিতভাবে খেয়ে ফেলেন। খাবার সময় টিভি দেখা বা মোবাইল ঘাঁটা বন্ধ করুন। মন দিন খাবারে আর খাওয়ায়। কী খাচ্ছেন তাতে মনোনিবেশ না করলে অধিক খেয়ে ফেলবেন। অতিরিক্ত খাবার অভ্যাস পরিহার করতে হবে। সময়সূচি মেনে ব্যায়াম-আপনি বারবার ব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে শুনেছেন কারণ নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শরীরের জন্যই উপকারী নয়, মনের জন্যও উপকারী। ভালো থাকার হরমোনগুলির প্রবাহ বাড়ায় নিয়মিত ব্যায়াম। যেমনভাবে নিজের কাজ, মিটিং বা অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য সময় ঠিক করেন তেমনই ব্যায়ামের জন্যও সময় বের করুন। সঠিকভাবে ব্যায়াম করতে পারলে আপনার স্বাস্থ্য ও মন ভালো থাকবে। খাবার বাদ দেবেন না-ওজন কমানোর তাড়াহুড়োয় খাবার এড়িয়ে যাবেন না। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যেমন শরীরে যাবে না তেমনই আপনার নানান শারীরিক জটিলতার কারণও হয়ে উঠবে। এই খাবার না খাওয়ার অভ্যাসের কারণে আপনি বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন। সবজি আর নিয়ন্ত্রিত শর্করার মাত্রা বজায় রাখুন খাদ্যতালিকায় নিয়মিতভাবে। অন্য পানীয়ের বদলে জল খান-সান্ধ্যভোজের সঙ্গে বা মধ্যাহ্নভোজের সঙ্গে জ্যুস বা সোডা পান করতে ভালো লাগে। তবে চেষ্টা করুন সোডা বা জ্যুসের বদলে পানি পান করতে। পানির উপকারিতা অনেক। কোনও রকম ক্যালোরির অদলবদল না ঘটিয়ে পানি আপনাকে রাখবে সতেজ। তাই বলা যায়, সুস্থ থাকার জন্য পানির বিকল্প নেই। কিছু খাবার বাদ দিন-নানান জাঙ্কফুড এবং চকলেটের জন্য লোভ হওয়া স্বাভাবিক। মনে রাখবেন সুস্থ জীবনযাত্রা চালাতে গেলে মাঝেমাঝে কিছু জিনিস বাদ দেওয়া ভালো। কোনও বিশেষ উপলক্ষ্যে খান, তবে কেবল উপলক্ষ্যেই খান। এ ধরনের খাবার পরিহার করতে পারলে আপনার সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা বাড়বে কয়েকগুণ। অংশ নিয়ন্ত্রণ-ডিনার টেবিলে বসে সব কিছুই চেখে দেখা ভালো ব্যাপার। তবে মনে রাখুন, সব চেখেই দেখুন লোভে পড়ে বেশি খেয়ে নেবেন না। কতটা খাচ্ছেন তার ওপরেই কিন্তু শরীরের অনেক বিষয় নির্ভর করে থাকে। এই ছয়টি নিয়ম মানলে আপনি বলা যায়, আপনি সুস্থ থাকেবেন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

কোন ডিম উপকারী বেশি?

সাদা ডিম না কি লালচে ডিম— কোনটা ভালো, কোনটা খাওয়া বেশি উপকারী— এ নিয়ে দ্বন্দ্ব, তর্ক বা মতের শেষ নেই। এমনিতেই ডিম প্রায় সব বাড়িতে প্রতি দিনই কম-বেশি প্রয়োজন পড়ে। বাড়িতে শিশু থাকলে তো কথাই নেই। কিন্তু কোনটার উপকারিতা বেশি এ নিয়ে রয়েছে যতেষ্ট বিতর্ক। সে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, সাদা ডিম পাড়ে সাদা পালকের মুরগিরা। লাল ডিম পাড়ে গাঢ় রঙের পালকের মুরগি। এই দুই ধরনের মুরগির ক্ষেত্রে কি পুষ্টিগুণ বদলে যেতে পারে? সম্প্রতি এই নিয়ে গবেষণা চালালেন কর্নেল ইউনিভার্সিটির প্রাণীবিজ্ঞানের ভিজিটিং ফেলো ট্রো ভি বুই এক সর্বভারতীয় দৈনিকে জানিয়েছেন, এই দুই ধরনের ডিমে পুষ্টিগতভাবে বিশেষ কোনও তফাত নেই। তার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্কের এক দল গবেষকও। তবে তাদের মতে, লাল ডিমে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড একটু বেশি রয়েছে। কিন্তু এই পরিমাণ এতই অল্প যে তাতে খুব একটা ফারাক পড়ে না। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) মতে, একটি বড় (৫০ গ্রাম ওজনের) ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট ( যার মধ্যে ১.৫ গ্রাম মাত্র দ্রবণীয়)। সাদা ও লাল ডিমে এই পুষ্টিগুণের পরিমাণ প্রায় এক। তবে সে কথায় খানিক ভিন্ন সুর মেশালেন কলকাতার পুষ্টিবিদ সুমিত ঘোষ। তার মতে, লাল ডিমে য়ে টুকু ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি, সেটুকুও তো শরীরের পক্ষে লাভজনকই। তবে সে কথাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন দিল্লির পুষ্টিবিদ গীতা মালহোত্র। তার মতে, ওটুকু ফ্যাটি অ্যাসিড সেভাবে আলাদা করে কোনও ভূমিকা পালন করতে পারে না। সুতরাং, দুধরনের ডিমের খাদ্যগুণই যে প্রায় সমান— সে কথাই মেনে নিচ্ছে চিকিৎসা মহল। পুষ্টিগুণ না হয় এক, কিন্তু স্বাদ? গবেষকদের মতে, ডিমের স্বাদ নির্ভর করে মুরগিকে কীভাবে প্রজনন করানো হচ্ছে এবং মুরগির খাদ্যাভ্যাসের ওপর। সুতরাং, লাল হোক বা সাদা— ভালবেসে ডিম খান নিশ্চিন্তে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার। এসএইচ/

সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খাওয়ার লাভ জানেন? 

সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে আপনার অনেক উপকার বয়ে আনতে হবে। আপনার শরীরের অনেক রোগ অনায়াসে পালিয়ে যাবে। সুস্থ জীবন গড়তে এক কোয়া রসুন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং খাদ্যতালিকা নিয়ে এখন থেকেই সচেতন হন। পুষ্টিবিদদের মতে, এখন থেকেই সচেতনতা অবলম্বন করলে হঠাৎ অনিয়মের জেরে হওয়া অসুখবিসুখ সহজেই ঠেকানো যাবে।      ১. পুষ্টিবিদদের মতে, রসুন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। সকালে প্রাতঃরাশের আগে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রকোপ কমে অনেকটাই।২. রসুনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রসুন খুব উপকারী। ৩. রসুন খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। রসুনের রস হার্টের জন্যও খুব উপকারী।৪. রসুন টক্সিন দূর করতে ওস্তাদ। শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই শরীরের দূষিত পদার্থকে বার করে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে রসুন। ৪. বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন যকৃত এবং মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে। যকৃত ঠিক রাখার সঙ্গে পেটের নানা গোলমাল, ডায়ারিয়া ইত্যাদি সরাতে সাহায্য করে রসুন। হজমের সমস্যা মেটানো, ক্ষুধামান্দ্য ইত্যাদি রোধেও রসুন খুবই কার্যকর।৫. স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম এই সব্জি। আর মানসিক চাপ থেকে যাবতীয় অসুখকে রোধ করে রসুন।৬. কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ, যেমন নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধ করে রসুন। যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীর পথ্যে সারা দিনে কয়েক কোয়া রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। ৭. তবে রসুনে অনেকের অ্যালার্জি থাকে, তাঁরা রসুন না খেয়ে তার পরিবর্তে গরম জলে লেবু নিংড়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সূত্র: আনন্দবাজার এসি  

গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে খান ৭ খাবার

গত দু’দিন থেকে রাজধানীতে অতিরিক্ত গরম পড়েছে। এই তীব্র গরমে অসহ্যবোধ করছে জনজীবন। তবে যতই গরম পড়ুক না কেন কাজকর্ম তো করতেই হবে। তাই অতিরিক্ত গরমে পানি খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার রয়েছে যা শরীরকে ঠাণ্ডা ও সতেজ রাখতে বেশ সাহায্য করে। লাউ গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে লাউ খুব উপকার করে। লাউয়ের চেয়ে শরীর বেশি ঠাণ্ডা রাখে এমন খাবার খুব কমই আছে। আমাদের দেশে এটি সহজলভ্যতার কারণে খাবারের তালিকায় প্রথমে রাখা উচিত। সাধের লাউ শুধু বৈরাগী বানায় না, অনেক রোগের আরোগ্যেরও কারণ। তরমুজ তরমুজের মধ্যে ৯০ শতাংশই পানি থাকায় তা আপনার শরীরকে আরাম দেবে। ভিটামিন ‘এ’ও ‘সি’সমৃদ্ধ এই ফলে আরও আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। সবুজ শাক সবুজ পাতার শাকে কম ক্যালরির পাশাপাশি থাকে ৯২ শতাংশ পানি, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই অতিরিক্ত গরমে বেশি করে সবুজ শাক-সবজি খাওয়া প্রয়োজন। দই গরমে খাবার হিসেবে দইও খুব ভালো কাজ করে। বিশেষ করে টক দই। দই দিয়ে তৈরি লাচ্ছিও খেতে পারেন। দইয়ের ৮৫ শতাংশ পানি শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। ডাবের পানি ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী একটি প্রাকৃতিক পানীয়। সরাসরি ডাব থেকে পাওয়া যায় বলে এতে কোনো প্রকার কৃত্রিমতার ছোঁয়া নেই। দুপুরের কড়া রোদের তাপে একটুখানি ঠাণ্ডার পরশ পেতে ডাবের পানির তুলনা নেই। কলা ফলের মধ্যে কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ও ‘সি’র গুরুত্বপূর্ণ উৎস কলা। অতিরিক্ত ঘামের শরীর থেকে যে তরল বের হয়ে যায়, তা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে পটাশিয়াম। তাই গরমের ক্লান্তি কমাতে কলা খেতে পারেন। বাঙ্গী শরীর ঠাণ্ডা করতে এই ফলটির জুড়ি নেই। অনেকেই এই ফলটি খেতে পছন্দ করেন না, তবে গরমে শরীর ঠিক রাখতে এই ফলটির উপরে ভরসা করা যায়। কেএনইউ/

ওজন কামতে বর্জনীয় ৩ প্রকার খাবার

ওজন স্বাভাবিক রেখে নিজেকে আকর্ষণীয় করতে কে না চায়। কিন্তু আমারা এমন কিছু খাবার গ্রহণ করি যা ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী। তাই আসুন কিছু খাবার ত্যাগ করে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলি।   ১) এনার্জি ড্রিঙ্ক বোতলজাত এনার্জি ড্রিঙ্কও স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। চিকিৎসকের মতে, এ সমস্ত এনার্জি ড্রিঙ্ক সংরক্ষণ করে রাখার জন্য নানা রাসায়নিক মেশানো হয়, যা মেদ বৃদ্ধির জন্য দায়ী। ওবেসিটি কমাতে এই সব পানীয় থেকেও দূরে থাকুন। বরং শরীরচর্চা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, আনন্দে থাকা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমেই ভাল থাকার চেষ্টা করুন। ২) অতিরিক্ত কফি অতিরিক্ত চা-কফি শরীরের জন্য ভাল নয়। তার উপর আইস-টি বা আইস-কফি খাওয়ার অভ্যাস এখনই কমিয়ে ফেলুন। এমনকি ফ্রিজ থেকে সরাসরি ঠান্ডা পানি খেলেও এ সমস্যা বৃদ্ধি পায়। ৩) জাঙ্ক ফুড জাঙ্ক ফুডে এমন সমস্ত উপাদান থাকে, যা আমাদের শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, এর ফলে দেখা দিতে পারে ডায়াবিটিস, ব্লাড সুগারের মতো অসুখও। জানা গেছে, অতিরিক্ত পরিমানে ফাস্ট ফুড খেলে আমাদের শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পায়। ফলে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন দিতে হয়।   সূত্র: জি নিউজ। এমএইচ/ এসএইচ/  

যে খাবারগুলো রক্ষা করবে বায়ু দূষণের প্রভাব

বায়ু দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ২০৫০ সালের মধ্যে দ্বিগুণ মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে বলে লিডস ইউনিভার্সিটির সমীক্ষায় জানা গেছে। আর এই দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে ভিটামিন ‘সি’, ‘ই’ এবং ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবারগুলো। বায়ূ দূষণ সাধারণত শীতকালে বেশি দেখা যায়। এর ফলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। প্রতি বছর বায়ু দূষণের ফলে ব্যাপক হারে মানুষের মৃত্যু হয়। লিডস ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের একদল গবেষক পরীক্ষার মাধ্যমে জানিয়েছেন, কীভাবে এই ক্রমবর্ধমান সমস্যা থেকে মানুষের মুক্তি পাওয়া সম্ভব। গবেষকরা বলেন, দূষণ এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে দূষণের ফলে পৃথিবী মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় কয়েকটা খাবার যোগ করলে বায়ু দূষণের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে তারা জানায়। শীতকাল ছাড়াও যে খাবারগুলো সারা বছর আমাদের খাদ্য তালিকায় যোগ করা উচিত- ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার টক জাতীয় ফল যেমন কমলালেবু, লেবু ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ভিটামিন ‘সি’এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ খাবার ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ খাবার কোষ গঠনে অত্যন্ত সাহায্য করে। উদ্ভিজ্জ ভোজ্য তেল যেমন ক্যানোলা, সূর্যমুখী, জলপাই ইত্যাদি তেল ভিটামিন ‘ই’ এর উৎকৃষ্ট উৎস। এছাড়াও সূর্যমুখী বীজ ও আমন্ড বাদামেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ই’ থাকে। ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার ওমেগা ৩ ফ্যাতি অ্যাসিড বায়ু দূষণের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর কারণে হার্ট ও লিপিড প্রোফাইলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে ফ্ল্যাক্সসিড, তেলযুক্ত মাছ, রাজমা, বাজরার আটা, মেথি, সবুজ শাকসবজি ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস। সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/একে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি