ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৫:১২:৩৬

দীপিকা কীভাবে সহ্য করে রণবীরকে, প্রশ্ন অক্ষয়ের!   

দীপিকা কীভাবে সহ্য করে রণবীরকে, প্রশ্ন অক্ষয়ের!   

বলিউডের দুই সুপারস্টার তারকা দীপিকা-রণবীরের বিয়ের তারিখ নিয়ে লোক মুখে ব্যাপক গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিয়ে নিয়ে রোববার নিজের বিয়ের দিন প্রকাশ্যে এনে সকলকে চমকে দিয়েছেন দীপিকা।     আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর দু’দিন ব্যাপী তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছে জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন তিনি। তাঁদের বিয়ে নিয়ে তারকারা যখন উচ্ছ্বসিত, তখন রণবীর-দীপিকার রসায়ন নিয়ে বিশেষ প্রশ্ন ছুঁড়লেন বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমার!   এদিকে করণ জোহরের ‘কফি উইথ করণ সিজন সিক্স’- এর প্রথম পর্ব ইতিমধ্যেই সম্প্রচারিত হয়েছে। যে পর্বে হাজির হয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন ও আলিয়া ভাটের মত জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই এই পর্বের বিভিন্ন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ‘কফি উইথ করণ’ এর পরবর্তী পর্বের বেশকিছু ভিডিও। যে পর্বে দেখা যাবে অক্ষয় কুমার ও রণবীর সিং জুটিকে। তবে এরই মধ্যে শোয়ের প্রমো সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে শোতে অমন্ত্রিত আক্কি, রণবীরের কার্যকলাপ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। অক্ষয়কে বিন্দুমাত্র কথাই বলতে দিচ্ছেন না রণবীর। এই কাণ্ড-কারখানাতেই অতিষ্ঠ অক্ষয় কুমার বিষ্মিত হয়ে বলেই বসেন, মানতেই হবে দীপিকার অসীম সহ্য ক্ষমতা যে রণবীরের মতো ছেলে সহ্য করেন। আর অক্ষয়ের এই প্রতিক্রিয়ার পরই রণবীর ও অক্ষয় দু`জনেই হাসিতে ফেটে পডেন।   একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অক্ষয় কুমার ও রণবীর সিং একে অপরের কার্যকলাপ নিয়ে মজা করতে শুরু করেন তারা।   কেআই/এসি      
জন্মদিনে দু:স্থ শিশুদের সঙ্গে সময় কাটবে পরীমনির

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পনীমনি। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এ পর‌্যন্ত ২৩ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর প্রায় সবগুলোই হিট। কাল ২৪ অক্টোবর ঢালিউডের এই ডানাকাটা পরীর জন্মদিন। জন্মদিনে বিশেষ প্লান কার না থাকে। তবে পরীমনির পরিকল্পনা একটু ব্যাতিক্রম।   ‘প্রতিবছরের মতো ইচ্ছে আছে এবারও কিছু সুবিধাবঞ্ছিত শিশুর সঙ্গে সময় কাটানোর। আর সন্ধ্যায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি আমার কাছের বন্ধু বান্ধবদের জন্য’- বলে পরীমনি। পরীর জন্মদিনের প্রতিটি অনুষ্ঠানেই আলাদা ড্রেসকোড থাকে। এবারও সেটা থাকছে কি-না-এমন প্রশ্নে পরীর জবাব, গত বছর তো নীল-সাদা রংয়ের পোশাক পরতে বলেছিলাম সবাইকে। এবার ছেলেদেরকে বলেছি কালো পোশাক পরতে আর মেয়েদেরকে বলা হয়েছে সোনালী রঙের পোশাক পরতে। বিশেষ দিনে কী ধরনের উপহার পেতে ভালোবাসেন? এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, উপহারের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দ বই এবং ফুল। এই দুইটি জিনিসকে বেশি প্রেফার করি। তাই যদি কেউ আমাকে উপহার দিতে চায় আমি চাইব, তিনি যেন আমাকে বই ও ফুল দেন। প্রিয় লেখকের মধ্যে যদি জিজ্ঞেস করেন, তাহলে শুরু থেকে শেষ অবধি একজনই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উনি আমার কোন রকমের পছন্দ এটা আমি বলে বুঝাতে পারব না। যখন খুব ছোট ছিলাম তখন থেকেই তার লেখার প্রতি আমার অনেক টান ছিল। / এআর /

আমার হাসিটাই সবচেয়ে বড় শত্রু: পরীমনি

হালের সারাজাগানো চিত্রনায়িকা পরীমনি। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। পরী মনিকে দর্শক ভালোবাসে তাঁর মিষ্টি হাসির জন্য। এই মায়াবী হাসিই বহু তরুণের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। অনেককে পাগল করে দিয়েছে তার হৃদয় নিংড়ানো হাসি। কিন্তু পরীমণি বলেন ভিন্ন কথা। এই হাসির জন্যই নাকি তাঁকে সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। কিভাবে-জানতে চাইলে ডানাকাটা এই পরী বলেন, একবার কেউ একজন এসে কেঁদে কেঁদে বলছেন, ‘আই লাভ ইউ, তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।’ তো পুরুষ মানুষ এভাবে অনেক জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদছিল। যা দেখেই আমি হেসে দিয়েছিলাম। এরকম পরিস্থিতিও পড়তে হয়। পরীমণিকে যেকোনো পোশাকেই ভালো লাগে। তার পছন্দের পোশাক সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাড়ি পরতে ভালো লাগে। পছন্দের রং সাদা। তবে সব ধরনের ও সব রঙের শাড়িই আমার ভালো লাগে। বিশেষ করে দেশীয় তাঁত, জামদানি, সুতি শাড়িগুলোর সঙ্গে নিজেকে অনায়েসে মানিয়ে নিতে পারি। শাড়ি পরার ক্ষেত্রে কখন কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছি, তার উপর নির্ভর করে শাড়ির ধরন ও রংটা বাছাই করি। যেমন ধরুন বাসায় থাকলে কী পরব? কোনো মহড়তে গেলে কী পরব? পার্টিতে গেলে কেমন শাড়ি পরব? সব মিলিয়ে কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছি তার উপর নির্ভর করে শাড়ি পরা হয়। / এআর /

যমজ সন্তানের জন্মদিন পালন করলেন সঞ্জয় ও মান্যতা 

বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও তার স্ত্রী মান্যতা নিজেদের যমজ সন্তান শরণ ও ইকরার জন্মদিন পালন করলেন দুবাইয়ে। সন্তানদের অষ্টম জন্মদিনে দু`জনেই ইন্সটাগ্রামে সুন্দর মেসেজ পোষ্ট করেন। সঞ্জয় কেক কাটার আগের মুহূর্তে চারজনের ছবি শেয়ার করেন। মান্যতা বার্থডে লাঞ্চের ছবি দেন।    সঞ্জয় লেখেন, ‘‘ঈশ্বর তোমাদের আজীবন আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিন। হ্যাপি বার্থডে বাচ্চারা।’’ দুভাগে উৎসব হয়েছে। সেখানে তারা থিম কেকও কেটেছে। শরণের কেক ছিল ব্যাটল রয়্যাল ভিডিও গেমের অনুপ্রেরণায় তৈরি। ইকরার কেক ডল থিমের। শরণ ও ইকরা সঞ্জয়ের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। সঞ্জয় ও প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার সন্তান ত্রিশলা। সে দাদু-দিদার কাছে থাকে। তাকে এই জন্মদিনে দেখা যায়নি। সঞ্জয়কে শেষবার সাহেব বিবি আউর গ্যাংস্টার থ্রি-তে দেখা গিয়েছে। আগামী দিনে তার হাতে রয়েছে, কলঙ্ক ‌নামে একটি সিনেমা। সঞ্জয়ের সঙ্গে মাধুরী দিক্ষীত, বরুন ধাওয়ান, আলিয়া ভাটও সেখানে আছেন। পরিচালক করণ জোহর। সঞ্জয় গিরিশ মালিক পরিচালিত তোরবাজেও এবং আশুতোষ গোয়ারিকরের পানিপতেও রয়েছেন। সঞ্জয় সড়ক ২-এ পূজা ভাটের সঙ্গে দেখা যাবে। এসি    

দীপিকার পর বলিউডে আরেক যুগলের বিয়ে 

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন রণবীর ওদীপিকা পাড়ুকোন। তাদের বিয়ের খবরে বলিউডে হইচই শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে শোনা গেল আরও এক বলিউড সেলেব্রিটি বসতে চলেছেন বিয়ের পিঁড়েতে। নভেম্বরে দীপিকার বিয়ের পর, ডিসেম্বরে বিয়ে করতে চলেছেন বিখ্যাত কমেডিয়ান কপিল শর্মা।     এবছরের ডিসেম্বরের ১২ তারিখ বিয়ে করতে চলেছেন কপিল শর্মা। গার্লফ্রেন্ড গিনি শর্মাকে বিয়ে করতে চলেছেন কপিল শর্মা। ডিসেম্বর মাসে জলন্ধরে আয়োজিত হতে চলেছে এই বিয়ে। খুব একটা ছোটোখাটো আয়োজন নয়, বরং রাজকীয় আয়োজনে জলন্ধরে বিয়ে করতে চলেছেন কপিল ও গিনি। তবে বিয়ের আসর নিয়ে আর কোনও তথ্য প্রকাশ করতে চাননি কপিল। তেব জলন্ধরে যে কপিল শর্মার বিয়ে নিয়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে , তা বলাই বাহুল্য। এসি    

বিপাকে রাজ-শুভশ্রী

বিয়ের পর দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন টালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী আর পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। গত ১১ মে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর এটাই তাদের প্রথম পূজা। আর পূজায় তারা দু’জন একসঙ্গে চুটিয়ে আনন্দ করেছেন। পূজার ছবি দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। সেগুলো নিয়ে বেশ আলোচনাও চলছে। কিন্তু একটি ভুলের কারণে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে` খ্যাত এ নায়িকাকে। আনন্দবাজার জানায়, আরেক অভিনেতা জয়দীপ কুণ্ডুর পারিবারিক পূজোয় নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন এ দম্পতি। সিঁদুর খেলার পর বিসর্জনে নাচতেও দেখা গিয়েছে তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভশ্রী একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেখানে প্রথম সিঁদুর খেলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন তিনি। সবাইকে বিজয়ার শুভেচ্ছাও জানান। ঠিক এখানেই প্রশ্ন তুলছেন ওয়েব অডিয়েন্সের একটা অংশ। গাড়ি চালানোর সময় ভিডিও শুট করা কি ঠিক? আবার সিটবেল্ট ছাড়াই বা কী ভাবে গাড়ি চালাচ্ছেন, এ সব নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। যেখানে সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ নিয়ে এত প্রচার চলছে, সেখানে কতটা সচেতনার পরিচয় দিলেন তিনি? / এআর /

বিব্রত ববিতা

একসময়ের সারাজাগানো অভিনেত্রী ববিতা। চলচ্চিত্র থেকে এখন অনেকটাই দূরে। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে কানাডায় সময় কাটাচ্ছেন। বেশ কয়েটি বিষয় নিয়ে বেশ বিব্রত হচ্ছেন।  ববিতা গণমাধ্যমকে বলেন, ফেসবুকে আমার কোন আইডি নেই। কিন্তু অনেকে বলছেন আমার একাধিক আইডি রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি ভীষণ বিব্রত হচ্ছি। সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই না জেনে এই দুটি ফেসবুক আইডিতে যুক্ত আছেন বিধায় অনেকেই একের পর এক এই দুটি ফেক আইডি’তে ববিতার সঙ্গে বন্ধু হচ্ছেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ববিতা বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং ফরিদা আক্তার ববিতা নামে দুটি আইডি বন্ধের জন্য সবাইকে রিপোর্ট করতে বিশেষ অনুরোধ করেছেন। ববিতা বলেন, আমি আমার মতো করেই জীবন যাপন করতে পছন্দ করি। আমার চলাফেরা, আমার চিন্তা ভাবনা, আমার ভালোলাগা মন্দলাগা ফেসবুকে প্রকাশ করতে হবে বিষয়টি এমন নয়। তাছাড়া আমি অভ্যস্তও নই। যতোটুকু প্রয়োজন ততোটুকুর জন্যই নিজেকে সময়ের চাহিদায় গড়ে তোলার চেষ্টা করি আমি। কিন্তু আমার নামে দুটো ভুয়া ফেসবুক আইডি প্রকাশ করে যারা প্রতিনিয়ত আমার হয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, উস্কানিমূলক কথা লিখছেন তা মোটেও কাম্য নয়। আমি একজন শিল্পী। রাজনীতিকে আমি শ্রদ্ধা করি, কিন্তু আমি রাজনীতি করি না। যাইহোক আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছেও বিশেষভাবে অনুরোধ করবো বিষয়টির দিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্য। একজন শিল্পীকে অযথা হয়রানির মধ্যে ফেলা কারোরই উচিত নয়।’ বর্তমানে ছেলের সঙ্গে কানাডায় সময় কাটাচ্ছেন ববিতা। দেশে ফিরবেন আগামী নভেম্বরে। / এআর /

‘দেবী’ দেখে মুগ্ধ শাবনূর-অপি

‘দেবী’ রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে সিনেমা পাড়ায়। দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় নায়িকা জয়া আহসানের প্রথম প্রযোজনা এটি। শুরু থেকেই বেশ আলোচিত হচ্ছিল সিনেমাটি। মুক্তি পাওয়ার এর প্রশংসা করেছেন দর্শকরা। শিল্পীরাও ছবি দেখে মুগ্ধ। মন ছুঁয়েছে তাঁদের। এমনটিই জানালেন ঢালিউলের দর্শকপ্রিয় নায়িকা শাবনূর ও নাটকের নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম। রাজধানীর যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাসে গতকাল সোমবার রাতে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পী ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ‘দেবী’র গেট টুগেদার শোর আয়োজন করা হয়। সেখানে চিত্রনায়িকা শাবনূরও এসেছিলেন। তাঁকে হলে পেয়ে খুশির আমেজে ছিলেন ‘দেবী’র দুই অভিনেত্রী জয়া আহসান ও শবনম ফারিয়া। ‘দেবী’ দেখে এর প্রশংসা করেন শাবনূর। বলেন, ‘সবার অভিনয় দারুণ হয়েছে!’ ছবিটি থেকে মুগ্ধ অপি করিম প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ছবির কলাকুশলীদের। তিনি বলেন, ছবির সবকিছুই প্রশংসার দাবিদার। অনম বিশ্বাস তাঁর ‘দেবী’ নিজস্ব সুর, তাল, লয়ে গড়েছেন। আমি সেই দেবীতে ভেসে যেতে পেরেছি অবলীলায়। সুন্দর। সাধুবাদ জানাই। সময়ের আলোচিত নায়ক আরিফিন শুভও ছবিটির প্রশংসা করেছেন বললেন, আমি তো এখনো ঘোরের মধ্যে আছি। গত শুক্রবার সারা দেশে মুক্তি পেয়েছে ‘দেবী’। ছবিতে মিসির আলী চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরী এবং রানু চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। এ ছাড়া এতে অভিনয় করেছেন শবনম ফারিয়া, অনিমেষ আইচ, ইরেশ যাকের প্রমুখ। / এআর /

রাখির বিরুদ্ধে কেন তনুশ্রী মামলা করলেন জানেন?  

‘মি-টু’ আন্দোলনের জেরে এবার তনুশ্রী দত্ত মানহানি মামলা করলেন অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে। মানহানির খোরপোশ হিসেবে ১০ কোটি টাকা চেয়েছেন রাখির থেকে৷    তনুশ্রীর আইনজীবী নিতিন সতপুতে জানিয়েছেন, “আমরা রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছি৷ আমার মক্কেলের চরিত্র নিয়ে বেশ খারাপ মন্তব্য করেছেন৷ এই কারণে তাঁকে আমার মক্কেলকে ১০ কোটি টাকা দিতে হবে৷ টাকা না দিলে শাস্তি হবে তাঁর৷”    নানা-তনুশ্রীর বিতর্কে কেউ কেউ তনুশ্রীর পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন৷ অন্যদিকে নানা পাটেকারের হয়ে কথা না বললেও নিঃশব্দে তাঁকে সমর্থনও করেছেন অনেকে৷ এসব কন্ট্রোভার্সির মধ্যে নাম উঠে এসেছিল রাখি সাওয়ান্তেরও৷ ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির আইটেম সংয়ে তনুশ্রীকে রিপ্লেস করেছিলেন রাখি৷ ২০০৮ এ রিপ্লেস করার পর রাখি, তনুশ্রীর সম্বন্ধে নানা রকমের মন্তব্য করেছিলেন৷ ‘তনুশ্রীর গায়ে কী হীরে-সোনা লাগানো আছে যে ওকে ছোঁয়া যাবে না? পুরোটাই পাব্লিসিটির জন্য করেছে ও৷ আইটেম নাম্বারে একটু ক্লোজ তো আসতেই হয়৷ ইমরান হাশমির সঙ্গে ইন্টিমেট দৃশ্য শ্যুট করার সময় তো তনুশ্রীর তো কোনও অসুবিধা হয়নি, তাহলে নানা পাটেকারের কী দোষ৷’ এছাডা়ও ১০ বছর পর তনুশ্রী আবারও সেই ঘটনার উল্লেখ করে বলেছিলেন, “আমার রিপ্লেসমেন্ট রাখি সাওয়ান্ত৷ সবথেকে বড়ো অপমান৷ অন্তত আরও একটু ক্লাসি কাউকে আনতে পারতে৷ আমার জায়গায় রাখিকে আনার কোনও দরকার ছিল? আর এর থেকেও বড়ো বিষয় হল, আমি পরে শুনেছিলাম, সেটে এসে আমার সম্বন্ধে অজস্র খারাপ কথা বলেছে ও৷ একজন নারী হয়ে এই ধরণের মন্তব্য কেউ করে কী করে৷ নারী হিসেবে রাখি যে কী সেটা সবাই জানে৷”” তনুশ্রীর এই স্টেটমেন্টের পর একটি সাংবাদিক বৈঠকে সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি৷ তনুশ্রী দত্ত মাদক সেবন করতেন, তাঁর সব অভিযোগ মিথ্যে, নানা পাটেকারের মতো মানুষ হয় না, তনুশ্রীর আসলে মাথার ঠিক নেই৷ একের পর এক বিভিন্ন কথা বলে গিয়েছেন রাখি৷ তাঁর কথায়, “হ্যাঁ আমি ক্লাসি নই৷ আমার কোনও স্ট্যান্ডার্ড নেই, কিন্তু তনুশ্রী কী? এতদিন ধরে চুপ ছিল কেন? ১০ বছর ধরে কি কোমায় ছিল যে মুখ খুলতে পারেনি৷ ইংরেজিতে দু-একটা কথা বলল আর সবাই ওটাকে সত্যি মেনে ওকে সমর্থন করছে৷ সেটে তো আমিও ছিলাম, ওখানে কেউ নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে কথা বলেনি৷” এসি    

নতুন লুকে ক্যানসারে আক্রান্ত সোনালি

কয়েক মাস ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত বলিউড অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে। তার লড়াইয়ের জার্নি তিনি গোপন করেননি। বরং সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত নিজের আপডেট দিয়েছেন। কেমোথেরাপির পর চুল বিহীন মাথাতেও ছবি পোস্ট করেছেন। ফের প্রকাশ্যে এলেন নতুন লুকে। নিউ ইয়র্কে চিকিত্সা চলছে সোনালির। সদ্য যে ছবিটি তিনি শেয়ার করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে উইগ পরে রয়েছেন নায়িকা। তিনি লিখেছেন, ‘কখনও খুব খারাপ পরিস্থিতিতে দারুণ মানুষদের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। এমন কোনও আগন্তুক যে হঠাত্ই আসে এবং বন্ধু হয়ে যায়।...’ জনৈক হেয়ার স্টাইলিস্ট সোনালির জন্য বিভিন্ন রকম উইগ তৈরি করে দিয়েছেন। কোনওটা ছোট চুলের, কোনওটা বা বড়। সব ক’টি লুকই দারুণ পছন্দ হয়েছে অভিনেত্রীর। ওই হেয়ারস্টাইলিস্টকে সোনালি দেবদূত বলেও আখ্যা দিয়েছেন। মারণ রোগের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানতে নারাজ সোনালি। সাহসই তার একমাত্র সম্বল। সোনালি লিখেছিলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে আমি কিছু ভাল দিন কাটিয়েছি, কিছু খারাপ। কোনও কোনও দিন এত যন্ত্রণা হত...। আমার মনে হত শারীরিক ব্যথা মানসিকভাবেও দুর্বল করে দিত। অনেক খারাপ দিন কাটিয়েছি। নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই চলত। কিন্তু কেমোথেরাপির পর, অপারেশনের পর ভাল দিন এসেছে।’ ইরফান খানের পর সোনালির ক্যানসারের খবরে রীতিমতো উদ্বিগ্ন বলিউড। ফেসবুক ও টুইটারে নিজেদের দুশ্চিন্তার কথা প্রকাশ করে অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন বহু তারকা। সুজান খান, গায়ত্রী জোশী, অনুপম খের, দিয়া মির্জার মতো তারকারা সোনালির সঙ্গে দেখাও করে এসেছেন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চট্টগ্রামে ফ্যাশন শো দিয়ে যাত্রা করলো সেইলর

পাহাড় নদীর অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা চট্টগ্রাম। এখানকার রয়েছে ইতিহাস সমৃদ্ধ, গৌরবময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। অন্তরঙ্গ-বহিরঙ্গ দু’ভাবেই এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক প্রকাশ উচ্চ, প্রকট, জোরদার, আন্তরিক ও অহংময়তা। যাপিত জীবনের নানা অনুষঙ্গে তার প্রবলতর উপস্থিতি খুব সহজেই অন্য অঞ্চলের মানুষের চোখে পড়ে। এখানকার মানুষের ভাষা, ব্যবহার্য সামগ্রী, ধরণ-ধারণের বিভিন্ন রূপ অন্যদের থেকে আলাদা মর্যাদার আসন দিয়েছে চট্টগ্রামকে। সৌন্দর্য- সৌকর্যেও ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামে তাই এবার নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে গত ২০ অক্টোবর থেকে যাত্রা শুরু করলো ইপিলিয়ন গ্রুপের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড সেইলর। স্থানীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার যুগপৎ মেলবন্ধনেই এগিয়ে যেতে চায় সেইলর। ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘সেইলর’ গতানুগতিক ফ্যাশন ভাবনার বাইরে এথনিক, ক্যাজুয়াল বা ফরমাল এবং পাশ্চাত্য কাটের ফিউশন পোশাকে তুলে ধরতে চায়। এ বিষয়ে সেইলর এর চিফ অপারেটিং অফিসার রেজাউল কবির জানান, ‘সমকালীন ফ্যাশন ট্রেন্ড অনুসরণ করেই সেইলর প্যাটার্ন ও ডিজাইনে ‘পরিবর্তন’ তুলে ধরবে পোশাকের ক্যানভাসে। চট্টগ্রামের বনেদী ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং নানা গৌরবময় ইতিহাসের ধারক হয়ে সেইলরও এগিয়ে আসতে চায় পোশাকের নতুনত্ব নিয়ে। নতুনত্ব সঙ্গে তারুণ্য নিয়ে ব্র্যান্ড হিসেবে সেইলর-ও হতে চায় এখানকার মানুষের ব্র্যান্ড।’ পূর্ব নাসিরাবাদের বায়েজিত বোস্তামী রোডে সেইলর এর নতুন স্টোরটি প্রায় ৭ হাজার বর্গফুটে সুসজ্জিত। আধুনিক স্থাপত্যশৈলী এবং নান্দনিক অন্দরসজ্জায় সাজানো হয়েছে সেইলর এর ১২তম এই আউটলেট। ক্রেতা আগ্রহ বাড়াতে আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত সেইলরের নতুন এই স্টোরটিতে থাকছে ক্র্যাচ এন্ড উইন অফার। এতে গ্রাহক প্রতিটি শপিং এ কেনাকাটায় পাবেন একটি করে ক্র্যাচ কার্ড। যাতে নূন্যতম ২০ থেকে শতভাগ মূলছাড় সুবিধা ছাড়াও থাকবে ঢাকা ব্যাংকক ঢাকা বিমানের টিকেট, পাঁচতারকা হোটেলে থাকাসহ বিবিধ উপহার। দর্শকনন্দিত উপস্থাপিকা মারিয়া নূরের সঞ্চালনায় বর্ণাঢ্য ফ্যাশন শো দিয়ে উদ্বোধন করা হয় চট্টগ্রামে সেইলরের প্রথম এই স্টোরটি। দেশসেরা র‌্যাম্প মডেলদের ৪টি পৃথক কিউতে তুলে ধরা হয় পোশাকের নতুনত্ব। এতে এথনিক, ফরমাল ও ক্যাজুয়াল এবং আসন্ন শীতের পোশাক সংগ্রহ প্রদর্শনের পাশাপাশি থাকে শিশুদের বর্ণিল পোশাক নিয়েও একটি আলাদা ফ্যাশন কিউ। পাঞ্জাবি, টিউনিক, সালোয়ার-কামিজ বা টপস, শার্ট- প্যান্ট বা পলো সবই প্রদর্শিত হয় কিউগুলোতে। সালোয়ার-কামিজের গলা ও হাতার বৈচিত্র্য, লেয়ারিং, দৈর্ঘ্য এবং পোশাকের ক্যানভাসে নানা নিরীক্ষাধর্মী কাজ ফুটিয়ে তোলা হয়। পাশ্চাত্য ঘরণার টপস এবং পোশাকের কাট নিয়েও থাকে কিছু পোশাকের ফ্যাশন কিউ। তরুণদের পাঞ্জাবি-কোটিতে দেখানো হয় ফিটিংস বৈচিত্র্যতা। আসন্ন শীতের পোশাক কেমন হবে, পার্টি টু ফরমাল কিংবা ক্যাজুয়াল স্ট্রিট ফ্যাশনের একটা রূপরেখাও তুলে ধরা হয় পাশ্চাত্য ঘরনার পোশাকের মাধ্যমে। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় আয়োজিত  এই শো’র কিউতে অংশ নেন ৩০ জন র‌্যাম্প মডেল। পুরো ফ্যাশন শোটির কোরিওগ্রাফি করেন মাহামুদুল হাসান মুকুল।  ফ্যাশন কিউয়ের আগে আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদ্বোধনী যাত্রায় সবিশেষ উপস্থিতি দিয়ে শুভকামনা জ্ঞাপন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, ইপিলিয়ন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আল মামুনসহ সেইলর ও ইপিলিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, শো এর পুরো আয়োজনটি দেখা যাবে সেইলর এর ফেসবুক ফ্যান পেইজেও। কেআই/ এসএইচ/

বিয়ের পর বলিউড সিনেমায় যারা সুপারস্টার হয়েছেন  

বিয়ে করলে ক্যারিয়ার শেষ। তাই আগে কেরিয়ার। পরে বিয়ে। এই ভাবনাই সাধারণত ঘোরাফেরা করে আমাদের মাথায়। কিন্তু এই তত্ত্বকেই কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিয়ের পরেই অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল বেশ কয়েক জন বলিউড তারকার। এবং তার পরেই তাঁদের সুপারস্টার হওয়া। সেই তালিকায় রয়েছেন শাহরুখ, আমিরের মতো প্রথম সারির তারকারা। আর কারা রয়েছেন সেই তালিকায় একনজরে দেখে নেওয়া যাক।    ‘দিওয়ানা’ ছবিটি দিয়েই বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল শাহরুখ খানের। ‘দিওয়ানা’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯২ সালে। কিন্তু তারই আগে ১৯৯১ সালে গৌরীর গলায় মালা পরিয়ে ফেলেছিলেন শাহরুখ। শিশু অভিনেতা হিসেবে বহু আগেই বলিউডে ডেবিউ ছবি করে ফেলেছিলেন আমির খান। তবে প্রথম যে ছবিতে আমির খানকে মুখ্য ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল সেটি ‘ক্যায়ামত সে ক্যায়ামত তক’। সেই ছবি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৮ সালে। আর তার আগেই ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করে ফেলেছিলেন আমির খান। দশ বছর বয়সে ‘ইনকিলাব’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন রাজ কাপূর। সেটা ১৯৩৫ সালে। তার পরে ১৯৪৭ সালে মুখ্য ভূমিকায় তাঁকে দেখা গিয়েছিল ‘নীল কমল’ ছবিতে। যদিও ১৯৪৬ সালে কৃষ্ণা মলহোত্রর সঙ্গে বিয়ের পর্বটা সেরে ফেলেছিলেন রাজ কাপূর। ১৯৭৩ সালে ‘ববি’ ছবিটি দিয়ে বলিউডে ডেবিউ হয়েছিল ডিম্পল কাপাডিয়ার। তখন ডিম্পলের বয়স ছিল ১৬ বছর। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আট মাস আগেই রাজেশ খন্নার সঙ্গে বিয়ে হয়ে গিয়েছিল ডিম্পলের। ১৯৯১ সালে বয়সে ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংহকে বিয়ে করেছিলেন সাইফ আলি খান। তার প্রায় দুই বছর পরে ১৯৯৩ সালে সাইফ আলি খানের প্রথম ছবি ‘আশিক আওয়ারা’ মুক্তি পেয়েছিল। বলিউডে পা রাখার আগেই বিয়ে করে ফেলেছিলেন আয়ুস্মান খুরানা। ২০১২ সালে আয়ুস্মানের প্রথম ছবি ‘ভিকি ডোনর’ মুক্তি পেয়েছিল। তবে তার আগেই ২০১১ সালে তাহিরা কাশ্যপের গলায় মালায় পরিয়ে ফেলেছিলেন আয়ুস্মান। বয়ফ্রেন্ড ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে ২০১১ সালে বিয়ে করে ফেলেছিলেন সানি লিওন। আর ২০১২ সালে বলিউডে সানির প্রথম ছবি রিলিজ করে ‘জিসম ২’। ২০০৬ সালে অভিনেতা সত্যদীপ মিশ্রকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি। আর ২০০৮ সালে অদিতির প্রথম ছবি মুক্তি পায় ‘দিল্লি সিক্স’। তবে তার কিছু দিনের মধ্যেই ‘ইয়ে শালি জিন্দেগি’ ছবিতে অদিতির অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন দর্শক। সুধীর মিশ্রর ‘খোয়া খোয়া চাঁদ’ ছবিটি দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল মাহি গিলের। কিন্তু তার বহু আগেই বিয়ে করে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী। গল্ফার জ্যোতি সিংহ রনধাওয়ার সঙ্গে ২০০১ সালে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিংহ। আর বলিউডে চিত্রাঙ্গদা সিংহের প্রথম ছবি ‘হাজারো খোয়াইশে অ্যায়সি’ মুক্তি পায় ২০০৩ সালে। যদিও ২০১৪ সালে ডিভোর্স হয়ে যায় চিত্রাঙ্গদা সিংহ। এসি   

বঙ্গবন্ধুর পছন্দের গানের কথা জানালেন শেখ হাসিনা

‘হাসিনা : অ্যা ডটার্স টেল’ নামে একটি ডকুমেন্ট্রি ফিল্ম তৈরি হচ্ছে। এতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তাদের বাবাকে কীভাবে দেখেছেন, কেমন ছিল সেই দিনগুলো, সেই কথাই উঠে এসেছে। বঙ্গবন্ধুর পছন্দ, অপছন্দ, ভালোলাগা এসবও স্থান পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে প্রকাশ পেয়েছিল ছবির প্রথম ঝলক। রোববার রাতে প্রকাশ পেয়েছে ছবির একটি গান। ‘আমার সাধ না মিটিল, আশা না ফুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা’ শিরোনামের গানটির সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বিভিন্ন দৃশ্য। কিন্তু কেন এই গানটি ব্যবহার করা হল? উত্তর পাওয়া যায় গানের প্রথম অংশেই। নেপথ্য কন্ঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, ‘বাবা করাচি থেকে ঢাকা ফিরে এলেন। তখন এই গানটা, পান্না লালের গাওয়া ‘‘আমার সাধ না মিটিল, আশা না ফুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা’ বারবার শুনে যাচ্ছেন, বারবার শুনে যাচ্ছেন।’ নতুন করে গানটির সংগীতায়োজন করা হয়েছে। কলকাতার দ্বেবজ্যোতি মিশ্র নতুন করে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন এবং গেয়েছেনও। গানটির পাশাপাশি গানের মধ্যেই তিনবার আছে শেখ হাসিনার কণ্ঠ। ভিডিওটির একদম শেষ ভাগে নেপথ্য কণ্ঠে শেখ হাসিনা কথা বলেছেন তার নিজেকে নিয়ে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার কোনো স্মৃতি রাখতে চাই না। এগুলো অপাংক্তেও, প্রয়োজন নাই। এটা হলো একদম রূঢ় বাস্তবতা।’

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি