ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০:২৮:১১

মুখে ঘা হলে করণীয় ৭

মুখে ঘা হলে করণীয় ৭

চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, প্রায় দুশো রোগের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পায় মুখগহ্বরের ঘা-এর মাধ্যমে। মুখের ভেতরের মাংসে বা জিহ্বায় ঘা হয়, ব্যথা করতে থাকে, কিছু খেতে গেলে জ্বলে... মোটামুটি এগুলোই হচ্ছে মুখে ঘা এর প্রাথমিক লক্ষণ। অনেকেরই এ সবের সঙ্গে সঙ্গে মুখ ফুলে যাওয়া বা পুঁজ বের হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সাধারণত, মুখে গালের ভেতরের অংশে বা জিভে ঘা হয় কোনওভাবে কেটে ছিড়ে গেলে। আবার শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলেও এ সমস্যা দেখা দেয় অনেকেরর। খুব গরম পানীয় পান করলে বা কিছু চিবাতে গিয়ে গালের ভেতরে কামড় লাগলেও ঘা হতে পারে। কীভাবে সাবধানে থাকবেন- ১. মুখে আঘাতের বিষয়ে সাবধানে থাকবেন। দাঁত ব্রাশের সময় সতর্ক থাকবেন। দাঁত আঁকাবাঁকা থাকলে সেটার চিকিৎসা করান। ২. এ সমস্যা রোধের জন্য পরিমিত খাবার, ঘুম, মানসিকভাবে চাঙা থাকার চেষ্টা করবেন। কী করবেন ঘা হলে- যষ্টিমধু যষ্টিমধু মুখের ঘা দূর করতে বেশ কার্যকরী একটি উপাদান। এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দুই কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এটি দিয়ে কয়েকবার কুলি করুন। উপকার পাবেন। অ্যালোভেরা জেল অ্যালোভেরা জেল বা অ্যালোভেরার রস মুখের ঘা কমিয়ে দিতে পারে। অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক, যার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফিংগাল, অ্যান্টিভাইরাল উপাদান ক্ষত কমিয়ে দিতে পারে। নারকেল দুধ এক টেবিল চামচ নারকেল দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণ দিনে তিন থেকে চারবার ঘায়ের জায়গায় লাগান। মধু ছাড়া শুধু নারকেলের দুধ দিয়েও ক্ষত স্থানে মালিশ করতে পারেন। এবং ক্ষত দ্রুত সেরে যাবে। তুলসি কয়েকটি তুলসি পাতাসহ পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এটি দ্রুত মুখের ঘা প্রতিরোধ করে দেবে এবং মুখের ঘা হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেবে। টি ব্যাগ দ্রুত ব্যথা এবং জ্বালা দূর করতে টি ব্যাগ খুবই কার্যকর। একটি টি ব্যাগ ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে সেটি ঘায়ের জায়গায় লাগান। ব্যথা এবং ক্ষত দ্রুত সেরে যাবে। বরফ বা ঠাণ্ডা পানি মুখের ঘায়ের ব্যথা বেশি হলে এক টুকরা বরফ নিয়ে ঘায়ের স্থানে রাখুন। অথবা ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন। লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন, এটি মুখের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। লবঙ্গের রস এক টুকরা লবঙ্গ মুখে দিয়ে রাখুন বা লবঙ্গের রস দিয়ে ক্ষত স্থানটিতে লাগাতে পারেন। উপকার পাবেন। সূত্র: জিনিউজ একে//
সুনামহঞ্জে অর্ধশত গ্রামের নলকূপে আর্সেনিক (ভিডিও)

খাবার পানির সমস্যায় সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার অর্ধশত গ্রামের বাসিন্দারা। নলক’পের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক। তাই খাবার পানির একমাত্র উৎস ঝর্ণা আর খাল। গ্রীষ্মে সেগুলো শুকিয়ে গেলে সংকট হয়ে উঠে আরো তীব্র। ভারতীয় সীমান্ত ঘেষে সুনামগঞ্জের সদর, দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর উপজেলায় প্রায় ৫০টি গ্রাম । এসব গ্রামের বাসিন্দাদের অন্যতম প্রধান সমস্যা বিশুদ্ধ পানি। নেই গভীর নলকূপ। পানি আনতে হয় সীমান্ত পার হয়ে খাল ও ঝর্না থেকে। স্থানীয়রা জানায়, যেকটি টিউবওয়েল রয়েছে  সেগুলোর পানিতে আর্সেনিক আর আয়রন। এসব পানি পান করে রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়ার কথা বলছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। দ্রুত পানি সংকটের সমাধান দাবি গ্রামবাসীদের।

কিডনি সুস্থ রাখতে মেনে চলুন ৫ বিষয়

আধুনিক জীবনযাত্রা ও পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস আমাদের সুশৃঙ্খল জীবন কাটাতে অনেক সময়েই বাধা দেয়। ফলে অভ্যন্তরীণ ক্ষতি ঘটতেই থাকে নিরন্তর। যেমন কিডনি আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলেও প্রতি দিনের বেশ কিছু সাধারণ ভুলে এই অঙ্গের ক্ষতি হয় নানাভাবে। অনেক সময়ই আমরা যে সব ভুল করি, তা পরবর্তীকালে কঠিন রোগের আকার নেয়। ফলে প্রথম থেকেই নিয়ম মেনে চলা খুব দরকারি। মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে- এ কথা আমরা সবাই জানি। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলা আবশ্যিক। কিন্তু তার বাইরেও আমাদের বেশ কিছু অভ্যাস লিভারকে অসুস্থ করে তোলে। আমাদের রোজের কিছু কাজ আদতে ক্ষতি করে কিডনির। জানেন কি সে সব? দেখে নিন আর এড়িয়ে চলুন এ সব অভ্যাস। ১. কিডনিকে ভাল রাখতে খুব প্রয়োজন পানির। শরীর অনুযায়ী পানি কতটা প্রয়োজন, তার পরামর্শ নিন চিকিৎসকের কাছে। সেই অনুযায়ী পানি খান রোজ। প্রতি দিন পর্যাপ্ত পানি না খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। শীতকালেও পানি খাওয়ার পরিমাণ কমাবেন না। তেষ্টা না পেলেও সময় ধরে পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। ২. সামান্য ব্যথা হলেই পেন কিলার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই তা ত্যাগ করুন। কিডনির কোষের অতিরিক্ত ক্ষতি করে পেন কিলার। ব্যথা একান্ত অসহ্য হলে তবেই তা খান। ৩. খাওয়ার পাতে লবণ খান খুব? এ অভ্যাসে রাশ টানুন আজই। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিডনি। ৪. সুলভ শৌচালয় ব্যবহার করতে চান না, তাই বাইরে বেরলে আটকে রাখেন প্রস্রাব? এমন অভ্যাস কিন্তু শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। অনেকক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে তা কিডনিতে চাপ তো ফেলেই, এমনকি, চিকিৎসকদের মতে, এমন অভ্যাস দীর্ঘ দিন ধরে বজায় রাখলে অচিরেই নষ্ট হতে পারে কিডনি। ৫. মাংস খেতে ভালবাসেন? কিন্তু একটু রাশ টানুন। বরং পাতে বাড়িয়ে ফেলুন মাছ-শাকসবজির পরিমাণ। চর্বি কিডনির জন্য খুব ক্ষতিকারক। মাংসের ফাইবারও পরিমাণে বেশি হলে তা কিডনির উপর চাপ ফেলে। তাই ঘন ঘন মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকলে তা কমান, খেলেও খুব পরিমাণ মেপে খান। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মাথার পাশে মোবাইল রেখে ঘুমাবেন না

  বর্তমানে আমরা মোবাইল ও ইন্টারনেটে এতোটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি, চাইলেই এর ব্যবহার থেকে সরে আসা সম্ভব নয়। যেহেতু মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য নানাভাবে ক্ষতিকর। তাই প্রয়োজন মোবাইল ব্যবহারে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা। আসুন, আমরা সে বিষয়ে আলোকপাত করি। এক. দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। এক নাগাড়ে পনের মিনিটের বেশি কথা বলা কোনভাবেই উচিৎ নয়।দুই. দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে স্পিকারে বা হেডফোনে কথা বলুন। আপনার সেটটি শরীর থেকে দুই-তিন ইঞ্চি দূরে রেখে কথা বলুন। বাসায় বা অফিসে যদি ল্যান্ডফোন থাকে তাহলে ল্যান্ডলাইনে কথা বলুন, তবে হ্যান্ডসেটে ( তার বিহীন) নয়।তিন: যখন মোবাইল ফোনের সিগন্যাল দুর্বল থাকবে বা ব্যাটারির চার্জ কম থাকবে তখন মোবাইল ব্যবহারে বিরত থাকুন। চার: যানবাহন ( কার, বাস, ট্রেন, প্লেন) এবং লিফটে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিরত থাকুন। কারণ ধাতব বস্তুর নিকটবর্তী থাকলে রেডিয়েশনের মাত্রা বেড়ে যায়।পাঁচ: পকেট বা শরীরের সংস্পর্শে মোবাইল ফোন না রেখে ব্যাগে রাখুন। ছয়: জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দিবেন না। বিশেষ করে যাদের বয়স আঠারো বছরের কম। সাত: মাথার পাশে মোবাইল রেখে ঘুমাবেন না। কমপক্ষে কয়েকফুট দূরে রাখুন। যদি ফোনে এলার্ম সেট করতে চান এয়ারপ্লেন মুডে রাখুন। আট: ল্যাপটপ বা ট্যাবে কাজ করার সময় টেবিলে বসে করুন। কোলে বা বুকের ওপর কখনো রাখবেন না। নয়: মোবাইল ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় কখনো ব্যবহার করবেন না। দশ: ওয়াইফাই রাউটার আপনার বেডরুম বা যে রুমে আপনি বেশীরভাগ সময় কাটান তা থেকে দূরে রাখুন এবং রাতের বেলায় বন্ধ রাখুন। এগারো: অন্ধকারে মোবাইল, ল্যাপটপ ব্যবহারে বিরত থাকুন। কারণ অন্ধকারে মনিটর থেকে যে রশ্মি নির্গত হয় তা আমাদের চোখের জন্য ক্ষতিকর। বারো: যদি মোবাইলে কোন ভিডিও বা মুভি দেখতে বা গান শুনতে চান তাহলে আগে ডাউনলোড করে নিন। পরে এয়ারপ্লেন মুডে উপভোগ করুন।তেরো: শিশুরা যদি মোবাইল বা ল্যাপটপে গেম খেলতে চায় তাহলে এয়ারপ্লেন মুডে সেট করে দিন। উল্লেখ্য, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য আরও অনেক জিনিস আছে যা থেকে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ বা রেডিয়েশন নির্গত হয়। যেমন: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, এলইডি টিভি, এলইডি লাইট, রিমোট কন্ট্রোল, রেডিও ইত্যাদি। কাজেই এই জিনিশগুলো ব্যবহারেও আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। লেখক: ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, বারডেম হাসপাতাল।অনুলিখন: আলী আদনান এসএইচ/

শিশুর সঠিক বৃদ্ধিতে যেসব খাবার ও পুষ্টি প্রয়োজন!

একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন বাবা মায়ের এবং পরিবারের সবারই অনেক স্বপ্ন আর চিন্তাভাবনা চলে আসে। শিশুকে কি খাবার দিলে সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে! কি খাওয়াবে, কতটুকু খাওয়াবে এই চিন্তা প্রত্যেকেই করে থাকেন। অনক সময় সঠিক জ্ঞানের অভাবে শিশুদের পুষ্টি ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে শিশুদের বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় না। শিশু জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধই একমাত্র খাবার। শিশু জন্মের সময় মায়ের বুকে যে, হলদে আঠালো ও স্বচ্ছ দুধ নিঃসৃত হয় তাকে কলস্ট্রাম বলে। এর ভিতরে থাকে রোগ প্রতিরোধক উপাদান যা শিশুকে নানারকম সংক্রামক রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। নিচে শিশুদের পুষ্টি নিয়ে আলোচনা করা হলো- অনেকেই চিন্তা করেন কতটুকু দুধ খাওয়াতে হবে কতক্ষণ পর পর? শিশুর উপযুক্ত বেড়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত ক্যালরি দরকার। জন্ম থেকে ছয় মাস পর্যন্ত যে পরিমান ক্যালরি প্রয়োজন তা হলো প্রতি কিলোগ্রাম দেহের ওজনের জন্য প্রতিদিন ১২০ কিলোক্যালরি এবং সাত থেকে ১২ মাস পর্যন্ত প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য প্রতিদিন ১০০ কিলোক্যালরি। দেহের ওজন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোট ক্যালরি চাহিদা বাড়তে থাকে যদিও তখন প্রতি কিলোগ্রাম ওজনে ক্যালরির চাহিদা কমতে থাকে। জন্মের সময় শিশুর খাদ্য চাহিদা ৩৫০ থেকে ৫০০ কিলোক্যালরি থাকে। এক বছর বয়সে ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ কিলোক্যালরি হয়। ছয় মাস বয়সের পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার না দিলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এর কারণ হলো, দুধের চাহিদা পূরণ না হওয়া। শিশুর দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি দুধে ওই সময় না পাওয়া। যেমন ভিটামিন সি ও লোহা দুধে এত কম আছে যে এতে শিশুর চাহিদা পূরণ হয় না। আর জন্মের সময় শিশু মাত্রি গর্ভ থেকে যে পরিমাণ লোহা নিজের দেহে সঞ্চিত করে নিয়ে আসে, তা দিয়ে তার প্রয়োজন ছয় থেকে সাত মাস মিটতে পারে। এ সময় এই দুইটি পুষ্টির ঘাটতি হলে শিশুর এনিমিয়া হওয়ার আশংকা থাকে। এ সময় ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি` র চাহিদা বেশি হয়, যা শুধু দুধ থেকে পূরণ করা সম্ভব না। ভিটামিন সি` র জন্য ফলের রস, লোহার জন্য ডিমের কুসুম ও ভিটামিন এ ও ডি এর জন্য কডলিভার তেল খাওয়ানো ভালো। এটা না থাকলে গাঢ় সবুজ শাক ও গাজর ভালো করে সিদ্ধ করে ছেকে আশ বাদ দিয়ে খাওয়ানো যাবে। শিশুকে কিছুক্ষণ সকালের রোদে শুইয়ে রাখলে শিশুর ত্বকের নীচে ভিটামিন ডি তৈরি হয়, যা শিশুর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। জন্মের সময় বাংলাদেশের সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুর ওজন হয় ৩-৩.৫ কিলোগ্রাম। পুষ্টি চাহিদা ঠিকভাবে পালন করা হলে পাঁচ মাসে তার ওজন প্রায় দ্বিগুণ ও এক বছরে ৩ গুন হয়।এই ধারা ঠিক রাখতে শিশুকে প্রতিদিন সুষম খাবার দিতে হবে ছয় মাস বয়স থেকে। ভাত, ডাল ও সবজি, শাক সিদ্ধ করে ছেকে এক সঙ্গে মিশিয়ে সেই নরম খাদ্য ২/১ চামচ করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হয়। অনেকের ধারণা ভাত শিশুর জন্য ভালো না। কিন্তু ভাত অত্যন্ত সহজপাচ্য জন্য শিশুর জন্য খুবি উপযোগী। এর সঙ্গে ডাল ও নরম সিদ্ধ সবজি যেমন পেপে, গাজর, আলু বা কপি তেলহীন মাছ একসঙ্গে চটকিয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে সুজিও ভাতের মতো সহজপাচ্য। প্রিম্যাচিউরড শিশুদের দেহের গঠন যথাযথ রূপে হয় না এদের ওজন কম থাকে। এইসব শিশুদের খাওয়ানোর ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নিতে হয়। এদের ক্যালরি চাহিদা একটু বেশি থাকে অথচ পরিপাকের মতো ক্ষমতা থাকে না। এ সময়েও মায়ের দুধই সব চেয়ে উত্তম, তবে বিশেষ ফরমূলায় খাবার দিলে চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়। অপরিণত শিশুর প্রোটিন এর চাহিদা বেশি থাকে। প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য ৪-৫ গ্রাম প্রোটিন প্রতিদিন খাওয়াতে পারলে শিশুর ওজন দ্রুত বাড়বে।এভাবে প্রত্যেক শিশুর চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাবার দিলে শিশুর বৃদ্ধি সঠিকভাবে হবে।মনে রাখতে হবে এই বয়সটায় শিশুর আসল সময়। এখন যদি শিশু সঠিকভাবে সঠিক পুষ্টি নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে তাহলে বড় হয়েও সেইসব শিশু সুস্থ ও নীরোগ থাকতে পারবে। লেখক: পুষ্টিবিদ, ল্যাব এইড পল্লবী, ঢাকা। এসএইচ/

কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে দই

কোষ্ঠকাঠিন্যে একটি অস্ততিকর শারীরিক সমস্যা। মসলা্যুক্ত ভারী খাবারের কারণে মাঝে মাঝে এই সমস্যাটি দেখা দেয়। এই কোষ্ঠকাঠিন্যে ধীরে ধীরে বড় সমস্যার দিকে নিয়ে যায়। ফলে সঠিক চিকিৎসার অভাবে পাইলস বা কোলন কান্স্যার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যে থেকে নিরাময় পেতে খাবারের তালিকায় রাখুন দই। দইয়ে আছে ভিটামিন বি-২, ভিটামিন বি-১২, পটাসিয়াম, এবং ম্যাগনেসিয়াম। দুধের থেকে দই ভালে কাজ করে। দইয়ের ফাইবার পেটের নানান রোগে অব্যর্থ ওষুধ। তাজা ফলের সঙ্গে বা সূর্যমুখীর বীজের সঙ্গে দই মিশিয়ে খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ বেশিদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন- খাদ্যাভ্যাসজনিত কারণ : কম আঁশযুক্ত খাবার খেলে অনেক শিশু কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে পারে। গরুর দুধ খেলেও অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। শারীরিক ত্রুটি : অ্যানোরেকটাল স্টেনোসিস বা মলদ্বার জন্মগতভাবে বন্ধ থাকলে। স্মায়ুতন্ত্রের ত্রুটি : যেমন অ্যাগ্যাং লিওনোসিস করা, স্মায়ু ও মাংসপেশির ত্রুটি থাকলে। মানসিক প্রতিবন্ধী হলে। স্মায়ুর সমস্যা বা সেরেব্রাল পলসি থাকলে। শরীরের শক্তি কমে যাওয়া বা হাইপোটনিয়া হলে। হাইপোথাইরয়েডিজম হলে। বহুমূত্র রোগ হলে। শরীরে ক্যালসিয়াম বেশি হলে। রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস হলে। কোষ্ঠকাঠিন্যে উপকারী দই দই খাবারের অন্যতম ঐতিহ্য। আয়ুর্বেদের সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন হচ্ছে দই। আধুনিক বিজ্ঞানেও খাবারের বিষয়ে দইয়ের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। হজমের কাজে সহায়তা করতে দইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। দইয়ের শীতল বৈশিষ্ট্য আমাদের অন্ত্রের আরাম জোগায়। পুষ্টিবিদরা বলেন, দইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা কমায়। দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের কার্যকলাপ উন্নত করতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম হাড় শক্তিশালী করা ছাড়াও পুষ্টিপদার্থের শোষণে সাহায্য করে। নিয়মিত টকদই খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হবার সম্ভাবনা থাকবেই না। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/

তিন দশক ধরে ফ্রি রোগী দেখেন যিনি

কিশোরগঞ্জে গরীব-দুঃখী মানুষের ভরসার জায়গা ডা. ইসরাঈল হোসেন। যিনি সানন্দে বিনা টাকায় রোগী দেখে মনে তৃপ্তি পান। তিনি রোজ যে কয়জন রোগী দেখেন তাঁদের বেশিরভাগের কাছ থেকেই টাকা নেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা ইসরাঈল সারাদিনে যতজন রোগী দেখেন, তার মধ্যে অধিকাংশই দেখেন বিনামূল্যে। তার ঘনিষ্টজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি মাসে অন্তত ৩০০ জন রোগীই বিনামূল্যে দেখে থাকেন তিনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর  এই অনুশীলন। ২০ বছর ধরে তাঁর চিকিৎসা নিয়ে আসছেন শহরের গাইটাল শিক্ষকপল্লী এলাকার অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম। তিনি একুশে টিভি অনলাইনকে  জানান, একজন ডাক্তারের যেসব গুণাবলী থাকা দরকার, অনেকের মধ্যেই তা পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে ডা. ইসরাঈল হোসেন অনন্য। তিনি শুধু ডাক্তার হিসাবেই নয়, ব্যক্তি হিসাবেও অসাধারণ। জেলা শহরের খরমপট্টি এলাকার মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সাত্তার বকুল একুশে টিভি অনলাইনকে  বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তাকে আমি স্যালুট জানাই। ওনি শুধু আমাকে বিনামূল্যে চিকিৎসাই দেন না, তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও পেয়ে থাকি বিনা টাকায়। জানা গেছে, গ্রামের গরীব অসহায় মানুষের টাকার অভাবে চিকিৎসা না পাওয়া ও তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে বড় হয়েছেন ডা. ইসরাঈল। বিষয়টা তাঁকে খুবই পীড়া দিতো। এজন্যই মূলত তাঁর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন জাগে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে হয়ে উঠেন দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের ভরসাস্থল। কিশোরগঞ্জের এ চিকিৎসক গত তিন যুগ ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সেবা দিয়েছেন। কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার পূমদী ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন ইসরাঈল হোসেন । তার বাবার নাম সাবেদ আলী। যে সময়টাতে বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই প্রথম শ্রেণিতেই বাবাকে হারিয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে হয় তাকে । তবে তার মমতাময়ী মায়ের প্রেরণায় নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তোলেন তিনি। ছোট এক ভাই ও এক বোনকে নিয়ে একরকম সংগ্রামের মধ্যেই বেড়ে ওঠা ইসরাইলের স্কুল জীবন শুরু করে আতিরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে পূমদী ইসলামিয়া হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। হোসেনপুর মহাবিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেন। হোসেনপুর-গফরগাঁও পরীক্ষা কেন্দ্রে তিনি একমাত্র ছাত্র যিনি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর থেকে এলাকায় তিনি হয়ে উঠেন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণা। ছোটবেলা থেকেই আকাশছোঁয়া স্বপ্ন ছিল। কিন্তু তখনও তাঁর কল্পনায় আসেনি মেডিকেলে পড়াশোনা করে ডাক্তার হবেন। এইচএসসিতে চমকপ্রদ রেজাল্টের পর শিক্ষকদের পরামর্শেই সিদ্ধান্ত নেন মেডিকেলে পড়ার। প্রবল ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মেধা ও চেষ্টার ফলে ময়মনসিংহ মেডিকেলে চান্স পেয়েই নিজেকে মেলে ধরতে থাকেন তিনি। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৮২ সালে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। এমবিবিএস পাসের পরপরই সহকারী সার্জন ইনসার্ভিস ট্রেইনী হিসাবে ডাক্তারি পেশা শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার (এডহক) হিসাবে যোগ দেন। দ্রুততম সময়ে দশম বিসিএস পাশ করে স্বাস্থ্য ক্যাডারেও অন্তর্ভূক্ত হন তিনি । ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কাজ করেন।  ২০০৬ সাল থেকে দুই বছর কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আরএমও হিসাবে কাজ করেন। এর আগে নেত্রকোনার মদন হাসপাতালে দীর্ঘ 10 বছর ও শরীয়তপুর জেলায় দুবছর কাজ করে আবার কিশোরগঞ্জ প্রত্যাবর্তন করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন।  ৩৪ বছর সরকারি ডাক্তার হিসাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে ২০১৬ সালে তিনি অবসরে যান। অবসর! সে তো অবসর নয়। সরকারি চাকরি শেষ করে পুনরায় নিজেকে নতুন উদ্যমে আর্তমানবতার সেবায় চিকিৎসায় নিয়োজিত হন ডা. ইসরাঈল। বিনামূল্য আর স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা পেয়ে বিভিন্ন স্থান থেকেই চিকিৎসাবঞ্চিত অসহায় রোগীরা আসতে থাকে তার কাছে।  তবে ব্যস্ততম জীবনের যতটুকু সময়ই অবসর পান বই পড়া আর গান শুনেই সে সময় কাটান তিনি। বিনামূল্যে কেন চিকিৎসা দেন এমনটি জানতে চাইলে ডা. ইসরাঈল হোসেন একুশে টিভি অনলাইনকে  বলেন, আমি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি আর নিজের আত্মতৃপ্তি থেকে গরীব মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে যাচ্ছি। তারা যখন এসে অসহায়ত্বের কথা বলে, তখন  নিজের অজান্তেই কষ্ট অনুভব করি। তিনি বলেন, নানা সময়ে ডাক্তারদের ব্যাপারে নানা ধরনের কথা শোনা যায়। সব ডাক্তারই যে ভাল কাজ করে এটা বলা যাবে না, তবে ভুল বোঝাবুঝির সংখ্যাটাই বেশি। ডা. ইসরাঈলের চিকিৎসা সেবা নিয়ে কিশোরগঞ্জ শহরের হয়বতনগর এলাকার বাসিন্দা ও নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান একুশে টিভি অনলাইনকে  বলেন, এরকম কর্মনিষ্ট ও মানবসেবী ডাক্তার আমাদের সমাজে খুবই দরকার। সবসময় সব রোগীর সঙ্গেই সমান সদাচরন তার। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম একুশে টিভি অনলাইনকে  বলেন, ব্যক্তি হিসাবে ডাক্তার ইসরাঈল চমৎকার একজন মানুষ। শুনেছি প্রচুর পরিমাণ গ্রাম্য গরীব-অসহায় রোগী তার কাছে আসে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা নেয়। অন্যান্য ডাক্তাররা যেখানে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে তিনি গরিব অসহায়দের নিরবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন অফিসার ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ব্যক্তিগতভাবে ওনি একজন সৎ মানুষ। প্রত্যেক ডাক্তারই ফ্রি কিছু কিছু রোগী দেখেন। তবে ওনার ব্যাপারে আলাদাভাবে জেনে ভাল লাগলো । ওনার মত প্রত্যেক ডাক্তারেরই সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করা উচিত । / এআর /

৩টি উপাদানের মিশ্রণে নিরাময় হবে ডায়াবেটিস

যখন পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না বা যখন শরীর ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না, তখন ডায়াবেটিস দেখা যায়। এই রোগ রক্তে গ্লুকোজ বৃদ্ধি ঘটায়। আয়ুর্বেদে ডায়াবেটিসকে বিপাকীয় রোগ হিসেবেই চিহ্নিত করে। ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না, তবে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আযুর্বেদ অনুযায়ী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রেণে তিনটি উপাদানের মিশ্রণের কথা উল্লেখ করা হলো- ১) তেজপাতা তেজপাতা ইনসুলিন ফাংশন বাড়ায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় একমাস তেজপাতা খাওয়ার ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন ফাংশনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। তেজপাতার হাইপোগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্যগুলি ইনসুলিন বিপাকে সহায়তা করে। অপরিহার্য তেল এবং ফাইটোকেমিক্যালের জন্যই এই পাতা এত সক্রিয়। ২) হলুদ ভারতীয় রান্নাঘরের একটি অপরিহার্য অংশ হল হলুদ। হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে যা সংক্রমণ এবং প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় যে, হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক যৌগটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। এটি ​​রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়। ৩) অ্যালোভেরা জেল প্রাথমিক গবেষণায় দেখা যায় যে অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহার রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এই ইতিবাচক প্রভাবের কারণ হল, এতে থাকা লেকটিন,ম্যান্নান্সঅ্যান্থ্রাকুইনোনের মতো যৌগ। ডায়াবেটিসের জন্য আপনি কীভাবে তিন উপাদানের এই মিশ্রণটি তৈরি করতে পারেন তা দেখে নিন : উপকরণ ১) দুই থেকে তিনটি তেজপাতা। ২) আধা চা চামচ হলুদ এবং ৩) এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল। পদ্ধতি : রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে পিষে নিন কিংবা ব্লেন্ডার করে দুপুরে খাবার আগে আর রাত্রে খাবার আগে এই মিশ্রণটি খেতে হবে। ওষুধ এবং এই মিশ্রণ দুই খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিশ্চিত হন। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/  

হার্ট-লাং-কিডনি বাঁচাতে প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটুন

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে ১০ হাজার স্টেপ নেওয়া এবং ৩০ মিনিট জিমে ওয়ার্কআউট করার ফল একই। আর্থাৎ প্রতিদিন একটু হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় সব রোগে দূরে পালায় চোখের পলকে। তবে এখানেই শেষ নয়, চিকিৎসকদের মতে এই নির্দিষ্ট সংখ্যক স্টেপ নেওয়া শুরু করলে প্রায় ৩৫ ধরনের ক্রণিক রোগের খপ্পরে পরার আশঙ্কা হ্রাস পায়, যার কিছু কিছু নিয়ে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। প্রসঙ্গত, নিয়মিত ১০ হাজার স্টেপ নেওয়ার পরিবর্তে যদি দিনের বেশিরভাগ সময় বসে কাজ করেন, আর অফিস থেকে বাড়ি ফিরে নেটফ্লিক্স অথবা অ্যামাজন পাইমে ঘোরাঘুরি করেন, তাহলে যে যে শরীরিক উপতারিতাগুলো থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, সেগুলো হল- হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে ‘আমেরিকান একাডেমি অব অর্থোপেডিক সার্জেন’ নামক সংস্থার করা এক গবেষণা অনুসারে নিয়মিত ১ হাজার-১০ হাজার স্টেপ নিলে পুরো স্কেলিটনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ শরীরে উপস্থিত প্রতিটি হাড়ের শক্তি এত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যে অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। অনিদ্রার মতো সমস্যা দূর হয় বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যার প্রভাবে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যে কারণে অনিদ্রার মতো সমস্যা দূর হতে সময় লাগে না। তাই যারা রাতের পর রাত জেগে কাটান, তারা নিয়মিত ১০ হাজার স্টেপ নিতে ভুলবেন না যেন! ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে প্রতিদিন ২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করলে পেটের চর্বি বা ভিসারেল ফ্যাট কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের অন্যত্র জমে থাকা অতিরিক্ত মেদও কমে যায়। ফলে সার্বিকভাবে ওজন হ্রাস পায়। তাই যারা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন, তারা আজ থেকেই অল্প বিস্তর হাঁটা শুরু করে দিন। দেখবেন উপকার পাবেন। স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে স্মৃতিশক্তি কার কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের হিপোকম্পাস অংশের উপর। আর প্রতিদিন হাঁটলে হিপোকম্পাসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি এবং মনে রাখার ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই ব্রেন পাওয়ারকে যদি বাড়িয়ে তুলতে হয়, তাহলে নিয়মিত ১০ হাজার স্টেপ নিতে ভুলবেন না যেন! আয়ু বৃদ্ধি পায় ঘাম ঝড়িয়ে হাঁটতে হবে না, হলকা চালে ১০ হাজার স্টেপ হাঁটলেই উপকার মিলবে একেবারে হাতে-নাতে! কেমন উপকার? এই যেমন ধরুন কম বয়সে হঠাৎ মৃত্য়ুর হাত থেকে রক্ষা পাতে হাঁটার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। সেই সঙ্গে শরীরে সচলতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে একাধিক লাইফ স্টাইল ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আয়ুর বৃদ্ধি ঘটে। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে কয়েকজন জাপানি বিজ্ঞানির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ১০ হাজার স্টেপ নিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা যদি নিয়মিত একটু-আধটু হাঁটাহাঁটি না করেন, তাহলে কিন্তু বিপদ! হার্টের শক্তি বাড়ে চিকিৎসকদের মতে, সারা দিনে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার স্টেপ নিলে নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৮ শতাংশে কমে যায়। আর যদি এই সময়টা বাড়িয়ে ৪০ মিনিট হাঁটতে পারেন তাহলে তো কথায় নেই! সে ক্ষেত্রে হার্ট ডিজিজের কারণে অসুস্থ হয়ে পরার সম্ভাবনা প্রায় ১৮-২০ শতাংশ কমে যায়। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়া-কমা কম করে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লাঞ্চ এবং ডিনারের পর নিয়ম করে হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে এইটুকু কসরত করতেই পারেন বলে মনে হয়, তাই না! এনার্জির ঘাটতি দূর হয় ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার তত্ত্বাবধানে হওয়া এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা দিনে যে কোনও সময় ২০ মিনিট হাঁটলে সারা শরীরে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে এনার্জির ঘাটতি কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় দূর হয়। মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে একাধিক গবেষণায় ইতিমধ্যেই একথা প্রমাণিত হয়েছে, হলকা চালে কয়েক মিনিট হাঁটলেই মন ভাল হয়ে যায়। আসলে হাঁটার সময় আমাদের মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন নামে একটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা নিমেষে মন খারাপকে আনন্দে বদলে দেয়। ফলে ডিপ্রেশন এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। হাঁটলে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাঁটলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশকে যে হারে এই মারণ রোগের প্রকোপ বেড়েছে, তাতে নিয়মিত হাঁটার প্রয়োজনও যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ঘরে বসেই পরীক্ষা করুন রক্তচাপ! জেনে নিন সহজ পদ্ধতি 

চাইলে যে কোনো ক্লিনিক, হাসপাতাল বা ফার্মেসিতে আপনি রক্তচাপ পরিমাপ করতে পারেন। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি নিজেই ঘরে কিনে রাখেন একটি রক্তচাপ পরিমাপের যন্ত্র এবং নিজেই পরিমাপ করতে পারেন। কারণ, নিয়মিত কোনও ক্লিনিকে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এর চেয়ে নিজে রক্তচাপ পরীক্ষা করা শিখে নিয়ে একটি মেশিন কিনে ঘরে রাখলেই নিয়মিত হিসাব রাখতে পারবেন। আসুন শিখে নেওয়া যাক কী ভাবে মেশিনের মাধ্যমে রক্তচাপ পরিমাপ করতে হয়। রক্তচাপ পরিমাপের যন্ত্র দু’ ধরণের হয়, ডিজিটাল এবং অ্যানালগ। ডিজিটাল যন্ত্রে খুব বেশী কিছু করতে হয় না। এটি নিজে থেকেই রক্তচাপ পরিমাপ করে হিসেব বাতলে দেয়। অ্যানালগ পদ্ধতিতে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করতে হয় তার দুটি অংশ রয়েছে। একটি হচ্ছে মূল যন্ত্র যাতে রয়েছে একটি বাহুবন্ধনী, পরিমাপের মিটার এবং পাম্পার, যার মাধ্যমে রক্তচাপের পরিমাণ দেখা যায়। আর একটি হচ্ছে স্টেথোস্কোপ যা দিয়ে হার্ট বিট শুনে রক্তচাপ পরিমাপ করা হয়। অ্যানালগ পদ্ধতিতে রক্তচাপ পরিমাপের পদ্ধতি: • প্রথমে মূল যন্ত্রের বাহুবন্ধনী কুনুইয়ের ঠিক উপরে পেঁচিয়ে নিন ভাল করে। বাহুবন্ধনীর নিচে কুনুইয়ের ভাজে রক্তের শিরার উপরে চেপে ধরে রাখুন এবং কানে লাগান স্টেথোস্কোপটি। • এর পর মূল যন্ত্রের পাম্পারটির বাতাস বের হওয়ার স্ক্রুটি ভাল করে আটকে পাম্পার দিয়ে পাম্প করতে থাকুন এবং পাম্পারে লাগানো মিটারের কাটার দিকে নজর রাখুন। ২০০ থেকে ২২০ পর্যন্ত কাটা ওঠে, এমন ভাবে পাম্প করে পাম্পারে চাপ দেওয়া বন্ধ করে দিন। • এবারে সাবধানে বাতাস বের হওয়ার স্ক্রুটি অল্প করে খুলে অল্প করে বাতাস ছাড়তে থাকুন এবং মিটারের কাটার দিকে লক্ষ্য করুন। • মিটারের কাটা যে দাগে এলে আপনি স্টেথোস্কোপে প্রথম হার্টবিট শুনতে পাবেন সেই সংখ্যাটি লিখে রাখুন এবং মিটারের কাটা যে দাগে এলে আপনি স্টেথোস্কোপে সর্বশেষ হার্টবিট শুনতে পাবেন এই সংখ্যাটিও লিখুন। এই দুটি সংখ্যাই মূলত রক্তচাপের পরিমাপ নির্দেশ করে থাকে। • প্রথম যে হার্টবিটের সংখ্যাটি লিখেছেন, তা হচ্ছে সিস্টোলিক চাপ এবং সবার শেষের হার্টবিটের যে সংখ্যাটি লিখেছেন, তা হচ্ছে ডায়াস্টোলিক চাপ। একজন সুস্থ স্বাভাবিক পূর্ণ বয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপের পরিমাপ হচ্ছে ১২০/৮০। এই পরিমাপটি বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক অবস্থার প্রেক্ষিতে পরিবর্তিত হয়। এ ছাড়াও আপনি যদি হেঁটে, দৌড়ে বা কোনও কাজ করে আসেন তাহলে আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় পরিবর্তিত হবে। সে জন্য রক্তচাপ মাপার আগে অবশ্যই স্বাভাবিক থাকা জরুরি। • রক্তচাপের পরিমাপ যদি ১২০/৮০ থেকে উপরে থাকে, তাহলে উচ্চ রক্তচাপ, আর যদি নিচে থাকে তাহলে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যাকে নির্দেশ করে। জিনিউজ  এসি  

মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়

দাঁত নিয়ে অনেকের কষ্টের শেষ নেই। দাঁতের ব্যাথায় সুন্দর মুহুর্তগুলো হয়ে উঠে বিষাদময়। নানা কারণে দাঁতের সমস্যা হতে পারে। আবার কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে আমাদের দাঁত এবং মাড়ি প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে, দাঁতের সুরক্ষা নিয়ে একুশে টেলিভিশন অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন ডা. অরূপ রতন চৌধুরী।    মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যে রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ভুল উপায়ে দাঁতের যত্ন নিলে লাভ হবে না বরং পুরোটাই ক্ষতি হবে। তাই প্রয়োজন দাঁতের সঠিক যত্ন। এ জন্য আমাদের কিছু করণীয় রয়েছে। আমাদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সঙ্গে মুখের একটা সম্পর্ক আছে। মুখে যদি কোন ঘা হয়, প্রদাহ হয়, ইনফেকশান হয় তাহলে তার প্রভাব আমাদের শরীরে পড়ে। কীভাবে পড়ে? ধরুন, মুখে একটা ইনফেকশান হলো। সেটা মাড়ির রক্তের সঙ্গে মিশে হৃদপিন্ডে চলে যেতে পারে। এই প্রদাহ থেকে যে কোন একটা হার্ট ডিজিজ হতে পারে। তেমনি ভাবে ফুসফুসে হতে পারে, মস্তিষ্কে হতে পারে। লিভারে বা কিডনীতে হতে পারে। যৌন শক্তির উপর প্রভাব পড়তে পারে। অর্থাৎ মুখের স্বাস্থ্যের সাথে দেহের স্বাস্থ্যের একটি মিল রয়েছে। এখন জানতে হবে এজন্য আমাদের করণীয় কী? নাস্তার আগে দাঁত ব্রাশ নয়    আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করি। এটা প্রাচীন কালের অভ্যাস। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, আমরা সকালের নাস্তার পরে যেন দাঁত ব্রাশ করি। কারণ, সকালের নাস্তায় মুখের খাবার লেগে থাকে। দাঁত ব্রাশ না করলে সেটা নিয়ে আমরা অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে চলে যাই, ছেলে মেয়েরা স্কুলে চলে যায়। ফলে সারাদিন মুখে খাবার লেগে থাকে ও ব্যাকটেরিয়া উৎপাদিত হয়। এর ফলে মুখে প্রদাহ হয়, দাঁতে ক্যাবিজ হয়।   রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ আরেকটি কথা বিজ্ঞান খুব জোর দিয়ে বলছে। সেটি হল রাতে খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে যেন অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করি। ব্রাশ করে বিছানায় যাওয়ার পরে আমরা আর কিছুই খাবনা। ছেলে মেয়েদেরকেও এ ব্যাপারে সচেতন করব। এ নিয়ম মানলে অন্তত ৩০ ভাগ দাঁতে যে ক্যারিজ হয় তা আমরা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হব। ধূমপান, জর্দা ও তামাক পাতা বর্জন না বললেই নয়, মুখের রোগের সঙ্গে জর্দা, সাদা পাতা, ধূমপান এসবের সম্পর্ক রয়েছে। বিজ্ঞান বলছে, ধূমপায়ী, তামাক পাতা ও জর্দা যারা খেয়ে থাকেন তাদের মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। সুতরাং এখন থেকে যদি আমরা তামাক পাতা ও জর্দা খাওয়া বন্ধ করি, ধূমপান বন্ধ করি তাহলে ক্যান্সারের যে ঝুঁকি তা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি।    নিয়মিত সালাদ খাওয়া   আরেকটি কথা বলে আমি শেষ করব সেটা হলো আমাদের মুখের স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন কিছু পুষ্টিকর খাদ্য প্রয়োজন। আমরা ছেলেমেয়েদের শুধু ফার্স্টফুড খাওয়ানোর অভ্যাস করি। সেটা না করে আমরা তাজা ফল মূল ও শাক-সব্জি খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। তাহলে তাদের দাঁত ও মাড়ি সুস্থ থাকবে। যেমন ধরুন, প্রতিদিন একবাটি সালাদ আমরা দিতে পারি। এই সালাদে থাকবে শসা, গাজর, টমেটো, লেটুস পাতা। একটি লেবু চিপে তার পুরো রসটি সালাদের উপর দেওয়া যেতে পারে। তাহলে মুখে ও মাড়ীতে যে রোগগুলো হয়, মাড়ীর রক্তক্ষরণ হয় তা থেকে রক্ষা পাব। ভিটামিন সি ও ডি- এর অভাবে দাঁতে কেরিজ হয় সেগুলো আমরা প্রতিরোধ করতে পারি। তাই প্রতিদিন কিছু তাজা ফল পেয়ারা, আমলকি, জাম্বুরা, কমলালেবু- এই ধরনের ফল যদি খাই তাহলে আমাদের শরীরে ভিটামিন সি- র অভাব দূর হবে এবং দাঁত ও মাড়ী সুস্থ থাকবে। আআ/এসি    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি