ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৩১:৪৮

হুমায়ুন ফরিদীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

হুমায়ুন ফরিদীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রখ্যাত অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের আজকের এই দিনে অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। প্রতি বছর ঠিক যখন সবাই ফাল্গুনের উৎসবে মেতে ওঠে, তখন ফরিদীর ভক্তদের মনে একটা শূন্যতা নাড়া দেয়।দেশের বিনোদন জগতের শক্তিমান একজন অভিনেতা ছিলেন হুমায়ুন ফরিদী। নিজের চরিত্রকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলতেন তিনি। দর্শকরাও হারিয়ে যেতেন সেই অভিনয়ের মায়া জালে। তিনি দাপটের সঙ্গে খল চরিত্রে অভিনয় করলেও ইতিবাচক চরিত্রেও তার অভিনয় ছিল অতুলনীয়। শুধু সিনেমা নয় টেলিভিশন নাটক এবং মঞ্চেও তার অভিনয় দেখার জন্য মুখিয়ে থাকতেন দর্শকরা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন বাংলাদেশে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধে যোগ দেন তিনিও। যুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি তার পড়াশুনা সম্পন্ন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে তিনি সেলিম আল দীন সহচার্যে আসেন। সেলিম আল দীনের ‘শকুন্তলা’ নাটকের তক্ষক চরিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। ১৯৮২ সালে তিনি ‘নীল নকশার সন্ধানে’ নাটকে অভিনয় করেন। এটি ছিল তার প্রথম টেলিভিশন নাটক। এরপর একে একে অভিনয় করেছেন ‘ভাঙ্গনের শব্দ শোনা যায়’, ‘সংশপ্তক’, ‘দুই ভাই’, ‘শীতের পাখি’ এবং ‘কোথাও কেউ নেই’- এর মত দর্শকপ্রিয় নাটকে। ‘হুলিয়া’, ‘জয়যাত্রা’, ‘শ্যামলছায়া’, ‘একাত্তরের যিশু’, ‘আনন্দ অশ্রু’সহ অনেক সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।এসএ/
প্রয়াণ দিবসে হুমায়ুন ফরিদীকে শ্রদ্ধা

‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে উকিল, বাকের ভাইয়ের ভাষায় নাম্বার ওয়ান ‘ধুনকর’, মানে যিনি তুলোধুনো করেন প্রতিপক্ষের উকিলকে; সেই উকিল ইয়াকুব আলী সরকার।বাকের ভাই এর মামলাটা তিনি হেরে গেলেন বদি’র মিথ্যা সাক্ষীর কারণে। কোর্ট থেকে বদির বেরিয়ে যাবার সময় রাগে গজগজ করে তিনি যখন বদিকে বলেন, ‘বদি, ইচ্ছে করলে এই মামলা আমি ধূলোয় উড়িয়ে দিতে পারতাম, শুধু তোমার কারণে পারি নি… ইউ … ইউ..!’‘নীতু তোমাকে ভালোবাসি’ নাটকে কাজীর চরিত্র। শমি কায়সার কাজী অফিসে অপেক্ষা করছেন জাহিদ হাসানের জন্য। সেই কাজি অফিসের কাজি তিনি। কিছুক্ষণ পরপর এসে ইচ্ছে করেই শমিকে বিরক্ত করছেন। একবার জিজ্ঞেস করেন, ‘চা খাবেন..?’ আরেকবার জিজ্ঞেস করেন, ‘পত্রিকা এনে দিই..?’জাহিদ হাসানের আসতে দেরী হওয়ায় শেষমেশ এসে বলেন, ‘ম্যাডাম আপনি চলে যান.. ছেলে আসবে না।’ শমি খুব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘কেন?’তখন তিনি ডেলিভার করলেন সেই বিখ্যাত ডায়লগ, ‘এরকম অসংখ্য ঘটনা দেখেছি। ছেলে এসেছে তো মেয়ে আসে নাই, মেয়ে এসেছে তো ছেলে আসে নাই। এমনও হয়েছে যে সাক্ষী দুজন উপস্থিত.. কিন্তু ছেলে-মেয়ে কেউই আসে নাই.. হা! হা! হা!’জাত অভিনেতা ছিলেন হুমায়ুন ফরিদী, রক্তে মিশে ছিলো অভিনয়, নাট্য জগতের সবাই বুঝে ফেলেছিল ধূমকেতুর জন্ম হয়েছে, একদিন শাসন করবে এই যুবক। সেদিনের হিসেব এক চিলতেও ভুল হয়নি, এরপর টানা তিন দশক তার ক্যারিশম্যাটিক, তার ম্যাজিকাল অভিনয়ে বুঁদ করে রেখেছিলেন পুরো বাঙালি অভিনয় প্রিয় জাতিকে।২০১২ সালের পর থেকে এ দেশের মিডিয়া জগতে একটি স্থায়ী আফসোস তৈরি হয়েছে। এই আফসোসের দীর্ঘশ্বাস শোনা যায় প্রায়ই। পরিচালক- হোক সেটা সিনেমা, নাটক, টেলিফিল্ম অথবা মঞ্চের- সবারই এক আফসোস- এমন শক্তিমান অভিনেতা ছাড়া মনের মতো চরিত্র ফুটিয়ে তোলা মুশকিল। সেই মনের মতো চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার মানুষটি আর নেই! সবার দীর্ঘশ্বাস-‘এ দেশে এ ক্যারেক্টার কেবল ফরিদী ভাই-ই পারতেন।’ ফরিদী নেই, তাই চরিত্রটাও চিত্রায়নের সুযোগ নেই। দীর্ঘশ্বাস বাড়ে। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। মিডিয়াপাড়া থেকে টেলিভিশন স্ক্রিন, সিনেমার পর্দা, মঞ্চের আলো-আঁধারি- সব জায়গায় তীব্র হয়ে বাজে তার অনুপস্থিতি। শ্রদ্ধাঞ্জলি বা আবেগ নয়, এটা স্পষ্ট অভাব। অপূরণীয় অভাব। এই অভাব পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণই বলতে হয়। ফাল্গুনের প্রথম দিনে চলে যান তিনি। ওল্ড টাউনের জাদুবাস্তবতার গলি, জাহাঙ্গীরনগরের মুক্তমঞ্চের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল এরিনা, থিয়েটারের দিনরাত এককরা মহড়া-প্র্যাকটিস-সংলাপ, এফডিসির রংমহল- সবই কেমন ফাঁকা ফাঁকা- শূন্য। ফরিদীর অনুপস্থিতি তীব্র হয়ে দেখা দেয়। প্রথম ফাগুনের আগুন রঙা দিনে চড়া এক বিষাদের সুর। জীবনকে যাপন করেছেন আপনি, আপনাকে যাপন করার সুযোগ দেননি৷ প্রবলভাবে বেঁচে ছিলেন আমৃত্যু৷ আপনার বেঁচে থাকা ছিলো গোপনে, গহিনে আশাবাদী মানুষের মতো৷ ঠিক যেমন আমৃত্যু অতি সযত্নে লুকিয়ে রেখেছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা। ১৯৭৮ সালে মাসিক গণসাহিত্য পত্রিকায় তার রচিত ‘ছায়া’ শিরোনামের কবিতাটি আমাদের জানান দিয়ে যায়, তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। ‘এই মাটি, মৃত্তিকার গান হঠাৎ হারিয়ে যায়নিরাকার সন্ধ্যা বৃক্ষের ফোঁকরে বাঁধে বাসাকুলবতী কালোবউ নদীজলে ধুয়ে ফেরে বাসন-কোসনহাওয়া কাঁপে হাওয়া, ঘাসের সান্নিধ্যে ঘুমোয়বিন্দুজলে স্বচ্ছন্দ সংসার সুখ নীচে যত টুনীর পায়েরএকা একা কিশোরীর স্নেহ-ডোবা চোখে ভর করেদুপুরের নির্জন ভীতি নিসহায় উনুনে পড়ে জলআমার ঘরের পাশে লম্বিত সুপুরীর গাছতবুও অপেক্ষা ক’রে মেঘে মেঘে ভিজে যায় বেলাএই নদী ভেজে কাক ঘাটে বাঁধা নৌকোরসুশীল পাটাতন; উচ্ছিষ্ট কচুরীর ফুল।’জীবনভর শুধু অভিনয়ই করে গেছেন। নিজেই বলতেন ‘অভিনয় ছাড়া আর কিছুই পারি না আমি’। ভীষণ কৌতুকপ্রিয় মানুষ ছিলেন। নাটকের সেটে নাকি সদা সবাইকে কৌতুকে মাতিয়ে রাখতেন। এত কৌতুক মনে রাখেন কীভাবে, প্রশ্নের উত্তরে একবার বলেছিলেন, জীবনটাই তো কৌতুক, আমরা কেউ থাকব না, থাকবে শুধু কৌতুক। নিজের জীবনের সাথে কৌতুক করতে করতে অস্তাচলে যাওয়া হুমায়ূন ফরিদীর অভাব কখনোই পূরণ হবার না। একান্ত ব্যক্তিজীবনে অসম্ভব অভিমানী এই শিল্পী জীবনকে পিষে-ঘষে-পুড়িয়ে জীবন ধরার চেষ্টা করে গেছেন। এখনো চোখ মুদলে তাঁর অট্টহাসিতে কাঁচ ভাঙার শব্দ শুনি। বিস্ময় জাগানিয়া অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী এখনো আমাদের ঘোরের মধ্যে নিয়ে যান। ফরিদী আছেন পৃথিবীর সব নাট্যমঞ্চের ড্রেসিং রুমে, পাটাতনে আছেন রূপোলি পর্দার আড়ালে, থাকবেন অনন্তকাল।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ুন ফরিদী প্রচুর বাকী খেতেন। তখনকার দোকানদারদের এই বাকী নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই, তারা গর্ব করেন। কথিত আছে যে,হুমায়ুন ফরিদী একবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সুমন নামের একজনঠাট্টা করে বলেছিলো : ‘আপনার আলবেরুন এর ক্যান্টিনে এখনো ৩১৯ টাকা বাকী রয়েছে, পরিশোধ করে যাবেন’জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এইটা পরিশোধ করব না।’সবাই পরিশোধ না করার কারন শুনতে চায়?উনি উত্তরে বলেন : আমি এই ক্যান্টিন, হল, ক্যাম্পাস, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা মানুষের কাছে ঋণী হয়ে থাকতে চাই সারাজীবন’ আমাদের একজন হুমায়ুন ফরীদি ছিলেন, হুমায়ুন ফরীদি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল হৃদয় গভীরের শ্রদ্ধা ভালবাসায় সিক্ত হয়ে।প্রয়াণ শব্দটা তাই বড্ড বেমানান লাগে তোমায়।তুমি তাই ছিলে, আছ,থাকবে।আআ/এসএ/

একুশে পদকের পর সংসদ সদস্য সুবর্ণা

অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। তরুণ প্রজন্মের কাছে আইডল তিনি। বিশেষ করে শোবিজ অঙ্গনে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র। আর তাই এবার অভিনয়ে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে দেওয়া হচ্ছে একুশে পদক। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রের শীর্ষ এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এবার পেলেন আরও এক নতুন খবর। একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মনোনীত হয়েছেন অভিনেত্রী। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে গণভবন থেকে ৪১জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঘোষিত সে তালিকায় ২২ নম্বরে ঢাকা থেকে সুবর্ণা মুস্তাফার নাম দেখা যায়। পরে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র থেকেও খবরটির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এদিকে একুশে পাওয়ার পর থেকেই সহকর্মীদের উঞ্চ অভ্যর্থনায় ভাসছেন এ কালের এই চিরো তরুণী অভিনেত্রী। এমপি হওয়ার খবর পাওয়ার পর সে অভ্যর্থনা আরও বেড়ে গেছে কয়েকগুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাকে এজন্য অভিনন্দন জানাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ১৫ জানুয়ারি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে আবেদনপত্র বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ। চারদিনে মনোনয়নপত্র বিক্রি হয় ১৫১০টি। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই মনোনয়ন গ্রহণ করেন। এসএ/  

একুশে পদক পাচ্ছেন সুবর্ণা মুস্তাফা   

গত তিন দশক ধরে অভিনয় জগতে জ্বলজ্বল করছে সুবর্ণা মুস্তাফা নামটি। বাংলাদেশের নাট্যজগতে বিশেষ একটি স্থান তিনি দখল করে আছেন। তার অভিনয় মুগ্ধতা এখনো সবাইকে আবিষ্ট করে রাখে।  আশি-নব্বই দশকে আফজাল হোসেন, হুমায়ুন ফরীদির সঙ্গে তার জুটি বেঁধে অভিনয় ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেইসাথে হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও চলচ্চিত্রে দারুণ সব চরিত্রে কাজ করে সুবর্ণা পৌঁছে গিয়েছেন সব শ্রেণির মানুষের কাছে।   গুণী এই অভিনেত্রী দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পেয়েছেন বহু স্বীকৃতি ও পুরস্কার। সেই সাফল্যের মুকুটে যোগ হতে যাচ্ছে এবার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। একুশে পদক পাচ্ছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য দেশের জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এ পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন তিনি। বুধবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে। সে তালিকায় রয়েছে সুবর্ণা মুস্তাফার নাম। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে একুশে পদক তুলে দেবেন। অনেকেই তার পদক পাওয়াতে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত ফেসবুকে সুবর্ণা মুস্তাফাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘অনন্ত অভিনন্দন সুবর্ণা মুস্তাফা। বাংলাদেশের নাট্য জগতকে আপনার অসাধারণ অভিনয়শৈলী দিয়ে সমৃদ্ধ করবার স্বীকৃতিস্বরূপ আপনাকে একুশে পদক প্রদান করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। ভালবাসা অফুরান।’ অভিনেত্রী রুনা খান লিখেছেন, ‘অভিনন্দন..অভিনন্দন..অভিনন্দন...প্রাণঢালা অনন্ত অভিনন্দন...! তোমার একুশে পদক প্রাপ্তিতে আমরা গর্বিত, সম্মানিত। শ্রদ্ধা এবং অফুরান ভালোবাসা তোমার জন্য। খুব..খুব..খুব আনন্দিত তোমার এই অর্জনে সুবর্ণা আপা।’ এবারে সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে সংস্কৃতি অঙ্গনের আরও পাঁচজন একুশে পদক পাচ্ছেন। তারা হলেন কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী, খায়রুল আনাম শাকিল, লাকী ইনাম, লিয়াকত আলী লাকী এবং মরনোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন পপগুরু আজম খান। এসি     

‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’র বিজ্ঞাপনে পূর্ণিমা

চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। এবার তিনি নতুন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন। তবে কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন নয়। তিনি ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’-এর বিজ্ঞাপনে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের জনসচেতনমূলক কাজের অংশ হিসেবে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন সৈয়দ আপন আহসান।নয় মাস যাকে গর্ভধারণ, শরীরের রক্তবিন্দু দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলা, তীব্র কষ্টের মধ্য দিয়ে যাকে পৃথিবীর আলোয় নিয়ে আসা; সেই সন্তানের জন্যই তো জীবন বাজি রাখা যায়। শত বিপদ বিপর্যয় থেকে সন্তানকে আগলে রাখতে পৃথিবীর প্রতিটি মা জড়িয়ে রাখতে চান বুকের মধ্যে। চিরায়ত সেই সত্যকে এবার পর্দায় তুলে ধরলেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা। পৃথিবীর অনেক দেশে অপরিণত শিশু জন্ম নেয়। যাদের অর্থনৈতিক সামর্থ্য আছে তারা যথাযথভাবে সেসব শিশুর চিকিৎসা করাতে পারেন। কিন্তু যারা অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল নয় তাদের জন্যই মূলত এই ক্যাঙ্গারু বেবি কেয়ার সিস্টেম। যথাযথভাবে ক্যাঙ্গারু বেবি কেয়ারের নিয়ম মেনে চললে অপরিণত শিশু সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে- বিজ্ঞাপনে সেই বার্তাটিই তুলে ধরা হয়েছে। শিগগিরই বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হবে বলে জানা গেছে।এসএ/

মার্চে ‘বীর চট্টলা মূকাভিনয় উৎসব’

প্লাটফর্ম মনোমাইম বাংলাদেশ আগামি ১ ও ২ মার্চ চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘বীরচট্টলা মূকাভিনয় উৎসব ২০১৯’। দুই দিন ব্যাপি এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রথমসারির চার জন মূকাভিনেতা তাদের একক মূকাভিনয় প্রদর্শন করবেন। তারা হলেন প্যান্টোমাইম মুভমেন্টের রিজোয়ান রাজন, জেন্টলম্যান প্যান্টোমাইমের রাজ ঘোষ, অনাদিকল্পের মাসউদুর রহমান ও দ্য ম্যামার এর মূকাভিনেতা শহিদুর বশর মুরাদ। চারজন মূকাভিনেতাকে নিয়ে এ ধরণের আয়োজন বাংলাদেশে প্রথম। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের শিল্পচর্চায় প্রতিষ্ঠিত এবং বাংলাদেশের মূকাভিনয় চর্চায় খুব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এর মাধ্যমে যারা বাংলাদেশে একক মূকাভিনয় চর্চা করছেন তারা আরও বেশি উৎসাহিত হবেন বলে উৎসবের আয়োজকরা আশা করেন। উৎসবের আয়োজন নিয়ে প্লাটফর্ম মনোমাইম বাংলাদেশের বৈঠকে দেশের দু’জন নারী মূকাভিনেতাকে সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। যারা দীর্ঘ দিন যাবৎ নানা প্রতিকূলতার মধ্যে তাদের মূকাভিনয় চর্চা করে আসছেন। তারা হলেন- চট্টগ্রামের অনাদিকল্পের সাদিয়া আফরীন এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশানের মৌসুমি মৌ। বর্তমানে অনেক নারীই এই শিল্পচর্চায় আগ্রহী হয়ে আসছেন। এই সম্মাননা তাদেরকে নিয়মিতভাবে মূকাভিনয় চর্চায় অনুপ্রাণিত করবে বলে আয়োজকরা বিশ্বাস করেন। প্রসঙ্গত, দেশে মূকাভিনয়ের চর্চায় এগিয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের মূকাভিনয় চর্চায় যুকান্তকারী পদক্ষেপ রেখেছে এখানকার শিল্পীরা। তাই কেউ কেউ চট্টগ্রামকে মূকাভিনয়ের রাজধানী হিসেবেও চিহ্নিত করে থাকেন। এসএ/      

ঈশানা ও সাব্বিরের ‘মুসকিল আছান প্রাঃ লিঃ’    

ধারাবাহিক নাটক ‘মুসকিল আছান (প্রাঃ) লিঃ’ এর শুটিং শুরু হয়েছে। এই নাটকে অভিনয় করছেন ঈশানা ও সাব্বির আহমেদ। ধারাবাহিকটি মোট ১০৪ পর্বের হবে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির শুটিং হয়।       কমেডি ধাঁচের ধারাবাহিকটি রচনা করেছেন মিজানুর রহমান নাসরু। যুগলভাবে নাটকটি পরিচালনা করছেন এস এম রুবেল রানা ও মিজানুর রহমান নাসরু’। ধারাবাহিক সম্পর্কে পরিচালক এস এম রুবেল রানা বলেন, এটি কমেডি টাইপের ধারাবাহিক। দর্শক দেখে খুব মজা পাবে। তিনটি অঞ্চলের ভাষায় ওপর নির্মিত হচ্ছে। ছলিম নোয়াখালির, মজনু বরিশাল, মাহিন পাবনা অঞ্চলের। আবার তারা তিনজন ঘনিষ্ট বন্ধু। পড়াশুনা শেষ হলেও চাকরি না পাওয়ায় তারা হতাস। বাসা ভাড়া দিতে না পারায় একসময় বাড়িওয়ালা তাদেরকে বের করে দেন। এই তিন বন্ধু এরপর আশ্রয় নেন শবনম চৌধুরীর বাড়িতে। সেখানে তিন বন্ধু তার মেয়ে নীলার প্রেমে পড়ে যান। শুরু হয় নানা নাটকীয়তা। এভাবে গল্পটি হাস্য রসের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়।  ধারাবাহিকটিতে ঈশানা ও সাব্বির আহমেদ ছাড়াও অভিনয় করছেন, মনিরা মিঠু, তানিয়া বৃষ্টি, ঝুনা চৌধুরী, আফরোজা বানু, অলিউল হক রুমী, সায়েকা আহমেদ, দিলু, জামিল, অনামিকা যুথী, শীখা মৌ, চাষী আরিফুল ইসলাম, তারিক স্বপন, ফাতেমা হীরা সহ আরও অনেকে।    ধারাবাহিকটি প্রযোজনা করছেন আতৈচি ভিশন ইন্টারন্যাশনাল। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন মুকিতুর রহমান। পরিবেশনায় রয়েছেন ক্রিয়েটিভ ফিল্মস।        এসি    

সিরিয়ালে আসছে ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’  

‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’ সিনেমাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে আছে। এর গানগুলো এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। মাত্র ২০ লাখ টাকায় ১৯৮৯ সালে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়। এরপর বাংলা চলচ্চিত্রে যোগ হয় নতুন অধ্যায়। সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে ছবিটি আয় করে ২৫ কোটি টাকা। এই ছবিতে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ।    সিনেমাটির সাফল্যে দেখে পরবর্তীতে কলকাতায় এটি পুনরায় নির্মাণ করা হয়। এই ছবিতে নায়ক ছিলেন চিরঞ্জিত আর নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন অঞ্জু ঘোষ। সেখানেও ছবিটি ব্যাপক ব্যবসা করে। এবার ভারতে সিরিয়াল হয়ে আসছে ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’। কালজয়ী এই সিনেমাকে টিভি পর্দায় নিয়ে আসছেন ভারতের নতুন বাংলা টিভি চ্যানেল ‘সান বাংলা’। এটি ধারাবাহিক হিসেবে প্রচার করা হবে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সপ্তাহে সোম থেকে শুক্রবার প্রতিদিন রাত আটটায় (বাংলাদেশ সময়) দেখানো হবে ধারাবাহিকটি। সান বাংলার সাতটি নতুন ধারাবাহিকের মধ্যে একটি ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’। প্রধান ভূমিকায় দেখা যাবে রবি শাও এবং স্নেহা দাসকে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সুরিন্দর ফিল্মস আর এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর শ্রাবন্তী। রবি শাও কলকাতার জি বাংলার সিরিয়াল ‘রাধা’ ও স্টার জলসার ‘জীবন জ্যোতি’তে অভিনয় করেছেন।‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’ নিয়ে তিনি খুবই উত্তেজিত। বললেন, ‘চরিত্রটা খুব চ্যালেঞ্জিং। এর আগে যে দুটো চরিত্র করেছি, দুটোই একেবারেই শহুরে ধনী পরিবারের ছেলে। আর এখানে পুরো ব্যাপারটাই আলাদা, ফ্যান্টাসি গল্প আর আমি রাজকুমার। স্টোরি লাইনটা খুব ইন্টারেস্টিং। অনেক ড্রামা রয়েছে এবং চরিত্রে অনেক শেডস আছে। আমি খুব এক্সাইটেড।’ এসি   

নিজের হলুদ সন্ধ্যায় নাচলেন শবনম ফারিয়া (ভিডিও)  

আগামী মাসের প্রথমদিনই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। তার আগেই সেরে নিলেন হুলদ সন্ধ্যা। জমকালো আয়োজনে নাচে গানে শেষ হলো অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।      তবে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি আলোচনায় অন্য কারণে। এ দিন ফারিয়া নিজেই নেচে-গেয়ে কোমর দুলিয়ে সবাইকে মাতিয়ে রাখেন। ইতিমধ্যে তার নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েগেছে। শবনম ফারিয়ার আকদ হয়েছিল গত বছর। তার বর হারুনুর রশীদ অপু একটি বেসরকারি বিপণন সংস্থার জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক। বিয়ের প্রস্তুতির জন্য গত ১৫ দিন অভিনয় থেকে ছুটি নিয়েছেন শবনম ফারিয়া। শনিবার রাতে রাজধানী গুলশানের একটি পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শবনম ফারিয়ার বিয়ের গায়ে হলুদ। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান, তিশা, টয়া, তানিয়া আহমেদ, সাদিয়া জাহান প্রভা। ফারিয়েকে সঙ্গ দিয়েছেন অভিনেতা সজল, তৌসিফ মাহবুব, ইরফান সাজ্জাদ, সঙ্গীতশিল্পী কোনাল, বাঁধন সরকার পূজা প্রমুখ। এদিন শবনম ফারিয়া তার হলুদ অনুষ্ঠানে একটু অন্যরকমভাবেই এসে হাজির হন। পালকিতে বসে গানের তালে নাচতে নাচতে হলুদের অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন ফারিয়া। অতিথিদের সঙ্গে মঞ্চেও ফারিয়াকে কোমর দোলাতে দেখা যায়। এসময় অন্যরা তার সঙ্গ দেয়। সবাই মিলে মাতিয়ে রাখে পুরো হলুদ অনুষ্ঠান। আর অনুষ্ঠানে বর অপু আসেন হলুদ রঙের ভেসপায় চড়ে। বর আসার পর সবাই তাকে স্বাগত জানায়।   এসি    

অন্তর্জালে নায়লার ওয়েব সিরিজ   

নায়লা নাঈমকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। পেশায় একজন চিকিৎসক হলেও অভিনয় দিয়েই অলোচনায় থাকেন তিনি। তার প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘জামাইবাবু বৌদি অ্যান্ড কিলার’ ইতিমধ্যে অন্তর্জালে প্রকাশ পেয়েছে। এর আগে মিউজিক ভিডিও ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করে তিনি আলোচনায় ছিলেন। এবার নিয়ে আসলেন ভিন্ন ঢংয়ের ওয়েব সিরিজ।      গত ২৪ জানুয়ারি ‘জামাইবাবু বৌদি অ্যান্ড কিলার’ ওয়েব সিরিজটি কলকাতার শট-কাট ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পায়। স্বল্পদৈর্ঘ্যটির সংলাপ ও চিত্রনাট্যে তৈরি করেছেন পরিচালক শামীমুল ইসলাম শামীম। আর প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশের টুম্পা আহম্মেদ ও কলকাতার শর্মা। ওয়েব সিরিজে নায়লার বিপরীতে অভিনয় করেছেন অভিনেতা সাঈফ চন্দন ও আকাশ নিবিড়। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন আকাশ নিবিড়।  নতুন এই কাজ সম্পর্কে নায়লা নাঈম বলেন, ‘আমি প্রথমবারের মতো এমন একটি কাজ করলাম। এর আগে বিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও এবং আইটেম গানে কাজ করেছি। এই কাজ নিয়ে একটু ভয়ে আছি। কারণ আগের কাজগুলো দর্শক ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। এই কাজটি কিভাবে গ্রহণ করবে জানিনা। আমি সবাইকে বলবো আপনারা ওয়েব সিরিজটি দেখুন। আপনাদের ভালো লাগলেই আমার স্বার্থকতা। স্বল্পদৈর্ঘ্যটির ব্যাপ্তি ৩০ মিনিট। এতে রয়েছে একটি গান। আকাশ নিবিড়ের লেখা ও সুরে গানটি গেয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় শিল্পী বেলাল খান। গানের সংগীতায়োজন করেছেন শামীম মাহমুদ।        এসি     

শুভ জন্মদিন সালাউদ্দিন লাভলু

দর্শকপ্রিয় অভিনেতা, নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সালাউদ্দিন লাভলুর জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৬২ সালের ২৪ জানুয়ারি কুষ্টিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। জেলার জুগিয়া গ্রামে এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তির জন্ম। বাবা মোঃ সদর উদ্দিন পেশায় একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মা রোকেয়া খাতুন ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। বলতে গেলে এক প্রকার নাটক পাগল মানুষ তিনি। গ্রামে বেড়ে ওঠা লাভলু ১৯৭৯ সালে চলে আসেন ঢাকায়। এরপর আরণ্যক নাট্যদলে থিয়েটারে যোগদান করেন। এখানে তিনি ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে পথ নাটকেরও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। মঞ্চই তাকে আজকের লাভলুতে পরিণত করেছে।  টিভি নাটকে লাভলু প্রথম অভিনয় করেন আবদুল্লাহ ইউসুফ ইমাম পরিচালিত ‘দিন রাত্রির খেলা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল খ ম হারুনের পরিচালনায় ‘শংকিত পদযাত্রা’ নাটকটি। তবে সে সময় তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘কোন কাননের ফুল’-এ ‘বুড্ডা আমার ইড্ডা করবে’ সংলাপটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। মাসুম রেজার রচনায় লাভলু পরিচালিত প্রথম টিভি নাটক ছিল ‘কৈতব’। এতে অভিনয় করেছিলেন আলী যাকের, গোলাম মুস্তাফা ও খালেদ খান। এটি ছিল প্যাকেজের দ্বিতীয় নাটক। ১৯৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচার হয়েছিল এটি। একুশে টিভির জন্য তিনি প্রথম ধারাবাহিক নাটক নির্মাণ করেন হাফিজ রেদুর লেখায় ‘গহরগাছি’। নাটকটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। এরপর তার পরিচালিত ‘রঙের মানুষ’, ‘ভবের হাট’, ‘সাকিন সারিসুরি’, ‘ঘরকুটুম’, ‘কবুলীয়তনামা’ ধারাবাহিক নাটকগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পায়। সালাউদ্দিন লাভলু নির্মিত একমাত্র চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘মোল্লা বাড়ির বউ’। এতে অভিনয় করেছিলেন রিয়াজ, মৌসুমী ও শাবনূর। এসএ/  

অবশেষে মুখ খুললেন জেসিয়া

কিছুদিন ধরে একটি ভিডিও ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে প্রেমিক সালমান মুক্তাদিরের বাসার সামনে গিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জেসিয়া ইসলামকে ভাঙচুর করতে দেখা যায়। যা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্ন ভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত কাউকে কথা বলতে দেখা যায়নি এই আলোচিত ও বিতর্কিত জুটিকে। অবশেষে এ বিষয়ে মুখ খুললেন জেসিয়া। শুক্রবার ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তায় সেদিনের অপরিপক্ক আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বক্তব্য দেন। পাশাপাশি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছেন।জেসিয়া বলেন, ‘আমি জানি, সেদিন ওভার রিয়্যাক্ট করেছি। এটা করা ঠিক হয়নি। প্রত্যেকটা সম্পর্কে ঝগড়া কিংবা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে। প্রত্যেকটা সম্পর্কে এটা সাধারণ একটা বিষয়। এটা ভাবার কিছু নেই যে, আমাদের (সালমান-জেসিয়া) জীবনের সেই সমস্য হচ্ছে। যা হোক, যে সেদিন ভিডিওটা রেকর্ড করে ফেসবুকে ছেড়েছে, তাকে বিনীত অনুরোধ করব পরবর্তী সময়ে এমন কোনো ভিডিও যেন তিনি না ছাড়েন। আপনার জীবনে কিংবা পরিবারে যদি সমস্যা হয়, সেটা আপনি রেকর্ড করতে পারেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘দয়া করে পুরো ঘটনা না জেনে ফেসবুকে কিছু শেয়ার করবেন না। সেদিন আমার রাগ নিয়ন্ত্রণ করার দরকার ছিল, যেটা আমি করিনি। শুরু থেকে আমি আমার ভালো ভাবমূর্তি ধরে রাখতে পারিনি। ভবিষ্যতে আমি ভালো কিছু করতে চাই, যেটা দেখে সবাই গর্ববোধ করবে।’প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ বিজয়ী জেসিয়া ইসলাম। অন্যদিকে, ইউটিউবার হিসেবে জনপ্রিয় সালমান মুক্তাদির। বেশকিছু নাটক-টেলিছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। দেখা গেছে বিজ্ঞাপনেও। দুজনকে বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় একান্ত অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবিও প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এসএ/

অভিনেতা তানভীর সুমনের আত্মহত্যা     

অভিনেতা তানভীর হাসান ওসমানী সুমন (৪২) আত্মহত্যা করেছেন। গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তকে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। রাজধানী উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।       খবর পেয়ে শুক্রবার উত্তরা থানার এসআই আব্দুর রহিম দুপুর সাড়ে ১২টায় উত্তরা (পূর্ব) ৪ নম্বর সেক্টরের ৩৫ নম্বর বাসার দ্বিতীয়তলার শোয়ার রুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যান। এসআই আব্দুর রহিম বলেন, শোয়ার রুম থেকে ফ্যানের সঙ্গে চাদর দিয়ে ফাঁস অবস্থায় এ অভিনেতার লাশ উদ্ধার করে মর্গে নিয়ে যাই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে। তানভীর সুমনের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজার থানার পশ্চিম লথিফপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আনোয়ার উল্লাহ উসমানি। সুমন মঞ্চ টিভি, চলচ্চিত্রের অভিনেতা ও পরিচালক ছিলেন। তার ৭ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এসি     

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি