ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:০৮:৩২

সবজান্তা মূকাকু!

সবজান্তা মূকাকু!

মূকাকু সব কিছুই জানেন। তার কাছে যা জানতে চাওয়া হয় তিনি সবই বলে দিতে পারেন। বাচ্চাদের বিভিন্ন পেশার সঙ্গে তিনি পরিচয় করিয়ে দেন। এরকম ৬৫টি পেশা সম্পর্কে তিনি জানেন। তবে মাঝে মাঝে গণ্ডগোল পাকিয়ে ফেলেন। মজা করে, আনন্দ দানের মাধ্যমে শিশুদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য দুরন্ত টিভি নিয়ে আসছে ‘দুরন্ত সময়’ নামে একটি ধারাবাহিক। সেখানে ‘মূকাকু’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় মুকাভিনেতা নিথর মাহবুব।      ৬৫ পর্বের এই অনুষ্ঠানটির দৃশ্য ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। এটি যৌথভাবে নির্মাণ করছেন পার্থ প্রতীম ও আবির। আগামী মাস থেকেই দুরন্ত টিভিতে এর প্রচার শুরু হবে।  মূকাকু চরিত্র নিয়ে নিথর মাহবুব বলেন, এই কাজটিতে আমার প্রচুর পরিশ্রম যাচ্ছে। এরপরও কাজটি করছি। দীর্ঘ দিন থিয়েটারে কাজ করেছি এখন টেলিভিশনে কাজ করছি। এই অনুষ্ঠানে আমি সবজান্তা একজন হিসেবে অভিনয় করছি। বাচ্চাদেরকে আনন্দ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। শিশুরাও খুব মজা পায়। তাদের সঙ্গে সময়টা আমি ভীষণ উপভোগ করছি। আমার অভিনয় জীবনের এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ। নিথর মাহবুব বলেন, আমাদের দেশের টিভি অনুষ্ঠানে মাইম অনেকটা উপেক্ষিত। মাইম নিয়ে আরও বেশি বেশি অনুষ্ঠান হওয়া উচিৎ। আমি ২০০০ সাল থেকে মাইম নিয়ে কাজ করছি। ২০০৬ সাল থেকে সারা দেশে মাইমকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করি। ২০০৮ সালে এসে ‘মাইম আর্ট’ নামে দল তৈরি করি। আমার সংগঠন থেকে অসংখ্যা ছেলে মেয়ে মাইম আর্ট শিখেছে। এখন টেলিভিশনে যদি মাইম নিয়ে নিয়মিত প্রোগ্রাম হয় তাহলে অনেকে কাজ করার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, বর্তমানে এই সিরিয়ালে আমি টানা ১৮ দিন কাজ করছি। ৩০ তারিখে এর শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে টিরিগিরি টক্কা নামে একই টেলিভিশনের আরেকটি সিরিয়ালে ‘বজলু চোর’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পাই। যেখানে যেতাম বা স্কুলের সামনে দিয়ে গেলে ছেলে-মেয়েরা আমাকে বজলু চোর বলে ডাক দিত। এটা খুব ভালো লাগতো যে অনেকে আমাকে এই চরিত্রের কারনে নতুনভাবে চেনে। ‘মূকাকু’ চরিত্রটি নিয়েও আমি খুব আশাবাদি। আশা করি সবাই সিরিয়ালটি দেখবে।      এসি    
সুরনদে ভাসিয়ে নাও, দেখতে যাও ‘সুরগাঁও’

স্থান-কাল-সময় নিরপেক্ষ ছোট্ট একটি গ্রাম ‘সুরগাঁও’। এখানে হত্যার বদলে হত্যা নয়, সুরের দ্বারা দূর করা হয় মনের অসুর। আবার চরম অন্যায়ের প্রতিবাদে মুখে হুল ফোঁটায় সবচেয়ে নিরীহ প্রাণী প্রজাপতিও। ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হবে প্রখ্যাত নাট্যকার মাসুম রেজার রচনা ও নির্দেশনায় দেশ নাটকের ২২তম প্রযোজনা ‘সুরগাঁও’। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন- কামাল আহমেদ, ফিরোজ আলম, মামুন চৌধুরী রিপন, কুদ্দুছ মাখন, সমাপন সরকার, মেহনাজ পারভিন বনী, ফাহিম মালেক ইভান, মেঘলা মায়া, তামিমা তিথি, জলি চৌধুরী, রোশেন শরিফ, শাহেদ নাজির, শাফিজ আল মামুন ও নয়ন মাহমুদ শূন্য প্রমুখ। সুর দিয়েছেন শিমুল ইউসুফ, আবহসঙ্গীত ইমানুর রশিদ খান, কণ্ঠ দিয়েছেন দিলরুবা খান, শিমুল খান, ইমানুর রশিদ খান। পোশাক পরিকল্পনা ওয়াহিদা মল্লিক জলি, নৃত্য মুনমুন আহমেদ। সহকারি নির্দেশক অয়ন চৌধুরী ও নির্দেশনা সহযোগী মামুন চৌধুরী রিপন। এসএ/

শিল্পকলায় আজ পালাকারের ‘উজানের মৃত্যু’

শিল্পকলা একাডেমিতে আজ প্রদর্শিত হবে পালাকার নাট্যদলের নাটক ‘উজানের মৃত্যু’। আজ সন্ধ্যা ৭টায় স্টুডিও থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে নাটকটি। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন শামীম সাগর। এতে অভিনয় করছেন আসাদুজ্জামান শুভ, সাজ্জাদ হোসেন নিষাদ, চারু পিন্টু, শতাব্দী সানজানা, সোনিয়া আক্তার, নির্ভানা ইভা। নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, নৌকাবাহক, সাদা পোশাক পরিহিত ব্যক্তি, কালো পোশাক পরিহিত ব্যক্তি হিসেবে (চরিত্রগুলোর নাম না থাকলেও নাট্যকার চিহ্নিত করেছেন) এ তিন চরিত্র শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ। স্ত্রী, তিন ছেলে, বেঁচে থাকার জন্য উর্বর জমি; সবই ছিল নৌকাবাহকের। কিন্তু কালে কালে সে হয়ে গেছে শূন্যহস্ত। তাই তার নৌকা বয়ে চলছে উজানের দিকে। সাদা পোশাক পরিহিত ব্যক্তি নৌকাবাহকের সহযাত্রী ও তার বাল্যবন্ধু। জীবন সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া নৌকাবাহকের অনুরূপ। আর কালো পোশাক পরিহিত ব্যক্তি উজানে যাত্রায় ভীত। কেননা প্রথাবদ্ধ অস্তিত্বহীন জীবনে তার কোনো সংশয় নেই। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প। এসএ/

চয়নিকার নাটকে মাহফুজ-মেহজাবিন

নতুন নাটক নির্মাণ করতে যাচ্ছেন নাট্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। নাটকের শিরোনাম ‘তোমারই প্রেমে প্রতিদিন’। এতে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ। তার বিপরীতে স্ক্রিন শেয়ার করবেন দেশের আরেকজন সু-অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। নাটকটিতে মাহফুজের নাম সজীব, যিনি ‘শর্ট টার্ম মেমোরি’ রোগে ভুগছেন। প্রতিদিন যা ঘটে, তিনি তা লিখে রাখেন। ঘটনাক্রমে তার সঙ্গে পরিচয় হবে মেহজাবিনের। এরপর প্রেম। নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, ‘দীর্ঘ ১৮ বছরের পরিচালনার ক্যারিয়ারে মাহফুজ আহমেদকে নিয়ে অনেক নাটক বানিয়েছি। এই রোমান্টিক হিরোকে আমি ম্যাজিকম্যান বলে ডাকি। আর মেহজাবিন তো এই সময়ের রোমান্টিক রাজকন্যা। মাহফুজ আগেই পরীক্ষিত আর মেহজাবিন এই সময়ের অন্যতম একজন মেধাবী অভিনেত্রী। তাই দুজনকে জুটি করে কাজটি অসাধারণ হবে বলে মনে করছি। এটি একটি লাভ স্টোরি নাটক। ২২-২৩ তারিখ হবে নাটকটির শুটিং।’ উল্লেখ্য, টিভি নাটক, চলচ্চিত্রে অভিনয়, মডেলিং ও উপস্থাপনার পাশাপাশি টিভি ধারাবাহিক নির্মাণ করে সুনাম কুড়িয়েছেন অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ। এই রোমান্টিক অভিনেতা ১৯৯৪ সালে চয়নিকা চৌধুরীর লেখা ‘বোধ’ নাটক প্রযোজনার মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী এ অভিনেতা নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন। নতুন করে তিনি ফারিয়া হোসেনের লেখা ‘তোমারই প্রেমে প্রতিদিন’ নামের এই নাটকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন।

উপস্থাপনায় মিথিলা

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিথিলা। নাটকে তার অভিনয় নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের কাছে আলাদাভাবেই একটা স্থান করে নিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে উপস্থাপনায়ও নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। গত সপ্তাহ থেকে বাংলাভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘আমার আমি’ উপস্থাপনা করছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি উপস্থাপনা প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, ‘অনেক দিন ধরে ‘আমার আমি’র প্রযোজক সাজ্জাদ হোসাইন বলছিলেন অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার জন্য। তা ছাড়া এটা তো অনেক পুরোনো জনপ্রিয় একটা অনুষ্ঠান। শুরুতে ভেবেছিলাম, আমি পারব না। কারণ, একটা নিয়মিত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করা মানে লম্বা সময়ের জন্য প্রতিশ্রুতি দেওয়া। আমার নিয়মিত কাজ করে সময় বের করতে পারব কি না, সন্দেহ ছিল। পরে অনেক সময় নিয়ে ভাবার পর উপস্থাপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম। যে অনুষ্ঠান একসময় অপি (করিম) আপু উপস্থাপনা করতেন, সেটা আমি উপস্থাপনা করছি, এটা একটা অন্য রকম ভালো লাগার ব্যাপার।’ তিনি আরও বলেন, ‘খুব একটা প্রেশার নেই। আড্ডার মতো করে আমি সবার সঙ্গে কথা বলি। আমার নিজের মনে যা জানার থাকে, আমি তা জানার চেষ্টা করি। সাবলীলভাবেই কাজটা হয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত অতিথি হয়ে যারাই এসেছেন, সবাই আমার পরিচিত। তাই এখনো প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করিনি। তা ছাড়া অনুষ্ঠানের প্রযোজক এদিক থেকে আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।’ এদিকে অন্যান্য বছরের মত এবার ঈদে ছোটপর্দায় তাকে খুব একটা দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার ঈদে আমি একদমই কাজ করার সুযোগ পাইনি। অফিশিয়াল কাজে অনেক দিন আফ্রিকায় ছিলাম। তাই ওভাবে কাজ করা হয়নি। তবে ঈদের পরের একটা কাজ নিয়ে অনেক কাছ থেকে রেসপন্স পেয়েছি। রেদওয়ান রনির বিয়ের দাওয়াত রইল। অনেক দিন পর মোশাররফ করিম ভাইয়ের সঙ্গে একটা কাজ করা হলো। এখনো অনেকে আমাকে এই নাটক দেখে ভালো লাগার কথা জানাচ্ছে। নাটকের নাম নিয়ে অনেকে এখনো মজা করছে।’ এসএ/

নতুন বিজ্ঞাপনে রিচি সোলায়মান

রিচি সোলায়মান। এক সময়ের হার্ডথ্রুব অভিনেত্রী। সুদর্শনী এ নায়িকার টিভি পর্দায় এক সময়কার উপস্থিতি দর্শকদের মাত করেছিল। এখনও তার নাটকের কাটতি শীর্ষে। তবে অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় অভিনয়টা নিয়মিত করা হয়ে উঠে না। মাঝে মধ্যে দেশে আসেন তিনি। এবারও ঈদের আগে স্বামী সন্তান নিয়ে দেশে এসেছেন। এসেই কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন। এবার অভিনয় করলেন বিজ্ঞাপনে। সঙ্গে রেখেছেন নিজের দুই সন্তানকে। হাসান মাহমুদ ফুয়াদের পরিচালনায় একটি শষ্য পণ্যের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে দেখা যাবে তাকে। এতে রিচির সঙ্গে তার দুই সন্তান পুত্র রায়ান ও কন্যা ইলমাকেও মডেল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে রিচি বলেন, এর আগে রায়ান ও ইলমা নাটকে অভিনয় করেছে। কিন্তু এবারই প্রথম আমার সঙ্গে বিজ্ঞাপনে কাজ করেছে। এজন্য নির্মাতাকে ধন্যবাদ।’ নির্মাতা জানান, শিগগিরই বিজ্ঞাপনটি দেশের প্রায় সব চ্যানেলে প্রচারে আসবে। চলতি সপ্তাহেই আবারও পরিবার নিয়ে আমেরিকায় উড়াল দেবেন বলে জানিয়েছেন রিচি। / এআর /

কখনো হার মানতে শিখিনি: ফারজানা বিথী  

তরুণ প্রজন্মের কাছে পছন্দের উপস্থাপিকা ফারজানা বিথী। বর্তমানে একজন ফ্যাশন সচেতন উপস্থাপিকা হিসেবেও তার রয়েছে বেশ সুনাম। মায়ের ইচ্ছেতে ২০০৪ সালে এটিএন বাংলার শিশুতোষ অনুষ্ঠান "শাপলা শালুক"-এর মাধ্যমে পথচলা শুরু তার। এরপর ২০১০ সালে একুশে টেলিভিশনে শিশু বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা হিসেবে তার প্রথম কাজ শুরু। একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে স্বদেশকে বিশ্বের দরবারে মেলে ধরবার তার ইচ্ছা।     স্বাধীন কোনো পেশায় কাজ করার স্বপ্ন থাকলেও তাতে দাঁড়ি পড়েছে। সময়ে ‘ইউটিলাইজ’ আর মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে যোগ দিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনে। স্বপ্ন দেখছেন ভিন্ন কিছু করার। হাঁটি হাঁটি পা পা করে শোবিজে শক্ত অবস্থান তৈরিতে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশন অনলাইনের মুখোমুখি হন তরুণ এ উপস্থাপিকা। ক্যারিয়ার ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।   কেমন আছেন? জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ।    শোবিজে কাজ করার স্বপ্ন কি ছোট বেলাতেই ছিল?   একদমই না।! আম্মুর খুব সখ ছিলো আমি মিডিয়াতে কাজ করি। সেই জন্য, নাচ, গান, অভিনয়, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন এসব আলটিমেটলি আমার কিছু ভালো লাগতো না। আম্মু তখন জোর করতেন, তাই বাধ্য হয়ে শেখা। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরা বলতো- আমি সবকিছুতেই পারদর্শী, আমি পারবো। শোবিজে আসলেন কীভাবে? আমি যখন উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলাম তখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডমিশনের জন্য চেষ্টা করি। ওইসময় কলেজ যেতে হতো না। তখন বাসায় থাকতাম অ্যাডমিশনের পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু ফ্রি টাইম পেতাম। তখন সময় কাটানোর জন্য টেলিভিশন দেখতাম। একদিন হঠাৎ করে একটি বেসরকারি চ্যানেলের একজন উপস্থাপিকাকে দেখছিলাম একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। তখন আমার দেখে মনে হলো ওই জায়গায় আমি হলে হয়তো তার থেকেও ভাল কিছু দেখাতে পারতাম। আমি অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হলাম। তখন আমার মনে হলো যে, হ্যাঁ আমি একজন উপস্থাপিকা হবো। কারণ- ওইদিন ওই অনুষ্ঠানটা দেখার পর একজন ভাল উপস্থাপিকা হবার প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছিলো। আর আমি যখন স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করতাম তখন আমার শিক্ষকরা আমাকে দিয়ে স্কুল-কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানগুলো উপস্থাপনা করাতেন। শিক্ষকরা বলতেন ফারজানা বিথি তুমি ভালো করতে পারবে। তোমাকে ছাড়া হবেই না! এরপর হঠাৎ একদিন একুশে টেলিভিশনের একজন প্রোগ্রাম প্রোডিউসার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। একটি টেকনোলজি ভিত্তিক প্রোগ্রামের উপস্থাপনা করার জন্য। যেহেতু আমার ইচ্ছা ছিলো সমসাময়িক উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ কারার তাই সুযোগটা হাতছাড়া করলাম না। ওই অনুষ্ঠানটির ৩০টি পর্ব হয়েছিলো, সব পর্ব গুলোতেই উপস্থাপিকা হিসেবে আমি কাজ করেছি। এরপর যমুনা টেলিভিশনে ৩ বছর কাজ করেছি। বর্তমানে এখন বিভিন্ন চ্যানেলে বিভিন্ন পার্টটাইম উপস্থাপনার কাজ করছি। আর হ্যাঁ, আমি আসলে উপস্থাপিকা হাওয়ার জন্য কোথাও কোন ধরনের কোর্স বা ট্রেনিং কিছুই করিনি। আমার মনে হয় এটা একটা আল্লাহ্ প্রদত্ত ক্ষমতা এবং রহমত বলতে পারেন। বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?    ব্যস্ততা বলতে আমি এখন তিনটি চ্যানেলে লাইভ প্রোগ্রামে উপস্থাপনা করছি। নিউজ টোয়েন্টিফোর, এসএটিভি, এনটিভি এরমধ্যে একটি হলো নিউজ টোয়েন্টিফোর -এর ‘শুভ সকাল বাংলাদেশ’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান। এনটিভিতে ‘মিউজিক অ্যান্ড রিদম’। এছাড়াও আরজে হিসেবে কাজ করছি ঢাকা এফএম ৯০.৪-তে।  উপস্থাপনা থেকে অনেকেই অভিনয় করছেন, এমন কোন পরিকল্পনা আছে কিনা?  হ্যাঁ, অনেকেই এখন অন্য পেশার পাশাপাশি উপস্থাপনা করছেন। তবে উপস্থাপিকা হিসেবে ফারজানা বিথি নামটা শুনতে আমার বেশি ভালো লাগে। এখানে অভিনয় করবো না বা নায়িকা হব না এমনটাও না। আমি চাই শুধু উপস্থাপিকা হিসেবে দর্শক আমাকে চিনুক। যদি আমার ব্যাটে-বলে মিলে যায়, খুব ভালো একটা গল্প বা আমার সঙ্গে যেটা যাবে এমন টাইপের গল্প পেলে অবশ্যই আমি অভিনয় করবো। কারণ আমার মতো একজন উপস্থাপিকার-উপস্থাপনা থেকে অভিনয় টাই বেশি করতে হয়। বিশেষ করে যখন আমার মন ভালো না, আমার পরিবার কেও অসুস্থ বা আমার নিজের শরীরটা খারাপ তার ১ঘন্টা পরে আমার একটা লাইভ প্রোগ্রাম, সেখানে গিয়ে কিন্তু আমি দর্শকদের বলতে পারিনা যে আমার মন ভালো নেই বা ‘আমি অসুস্থ’ আপনারা কিছু মনে করবেন না। হাজারো বাঁধা থাকলেও অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় হাসি মুখেই কিন্তু সেটা শেষ করতে হয়। আমার জীবনে এটাও একটা অভিনয়। তাই আমি মনে করি- একজন উপস্থাপিকার অভিনয় করার গুণ অবশ্যই থাকা দরকার। তা না হলে সে ভালভাবে উপস্থাপনাই করতে পারবে না। শোবিজ অঙ্গনে কখনও বিব্রতকর কোন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন? আমার এখন পর্যন্ত কোন বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি। তবে আমার আজকের যতটুকু অবস্থান তৈরি হয়েছে মিডিয়াতে তার জন্য আমাকে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। কঠিন সময় কে পিছনে ফেলে সামনে দিকে এগুতে হয়েছে। আমি কখনও জীবনের কাছে হার মানতে শিখিনি। জীবনে বাঁধা, ঝড় তো আসবেই। সেই ঝড়কে যে উপেক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে সেই তো জীবন যুদ্ধের প্রকৃত সৈনিক। হ্যাঁ, এটি সত্য ভালো-মন্দ সব পেশায় রয়েছে। আপনার আইডল কে? শোবিজে আসলে আমার কোন আইডল নেই। আমি মনে করি, একজন উপস্থাপকের নিজস্বতা থাকাটা খুবই জরুরি। সবাই নিজের জায়গায় ভালো করেন। তবে আমার পছন্দের উপস্থাপিকা নাবিলা আপু। পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের দেশের উপস্থাপকরা কী শব্দ দূষণের চর্চা করেন বলে মনে করেন? যে দেশের প্যাটার্ন যেরকম, তাই ওরা প্রমিত বাংলা চর্চা করে। আমি আমাদের দেশের অন্যান্য উপস্থাপকের কথা বলব না, আমি আমার প্রসঙ্গে যদি বলি-তাহলে আমি বলবো যে উপস্থাপনা এমন জিনিস যেখানে সহজ ভাষার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দর্শকের সামনে কোন কিছু মেলে ধরা উচিত। সেক্ষেত্রে যদি আমাকে বাংলা-ইংরেজি ভাষা মিশ্রণ করে দর্শককে বোঝাতে হয়, যেটা সহজে দর্শকের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা পাবে তাহলে সেভাবেই একজন উপস্থাপকের উপস্থাপনা করা উচিৎ। আমরা যারা এখন উপস্থাপনা করছি বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে যে বাংলা ভাষার অবহেলা করছি বা অবজ্ঞা করছি এইরকম না। জিনিসটা হলো, কীভাবে একটা জিনিসকে দর্শককের আছে সহজ ভাবে পৌঁছানো যায়। উপস্থাপনা হলো এক ধরনের ‌‘টিচিং আর্ট’ যেটা আপনি মানুষের কাছে খুবই সহজে পোঁছানোর একটা প্রক্রিয়া বলতে পারেন। ক্যারিয়ার হিসেবে ‘উপস্থাপনা’ কতটা সময়োপযোগী? আমি বলবো, বর্তমানে আমাদের প্রজন্মে ভালো উপস্থাপক-উপস্থাপিকার বেশ অভাব। কারণ, বেশিরভাগ সময় দেখা যাচ্ছে কেউ নাটকের দিকে ঝুঁকছেন, কেউ মডেল দিকে ঝুঁকছেন, কেউবা অন্য পেশায়। সেক্ষেত্রে উপস্থাপনায় খুবই কম। পুরোদস্তুর উপস্থাপনাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মতো মানুষ আমি খুবই কম দেখি। যারা মনে করেন যে আমি একজন ভালো উপস্থাপক হতে পারবো। আমার মধ্যে সেই যোগ্যতা আছে, আমি বলবো অবশ্যই তাদের উপস্থাপনায় আসা উচিত। দেখা যাচ্ছে, অনেকে আসলে প্রতিযোগীতা বেশি হবে কিন্তু সেক্ষেত্রে আমরা আরো ভালো কাজ পারবো। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, কেউ গান করছেন, কেউ নাটক করছেন, কেউ অভিনয় করছেন, কেউ সিনেমায় স্টার হয়ে গেছেন তাদেরকে নিয়ে এসে উপস্থাপনায় বসিয়ে দেওয়া আমি কখনোই যৌক্তিক মনে করি না। এই প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে এসে যারা আসলে সত্যিকার অর্থেই উপস্থাপক-উপস্থাপিকা হতে চান তাদেরকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। এমন তো নয় যারা উপস্থাপনা করতে আসেন তারা জ্ঞানহীন, তাদের মেধা নেই। সেজন্য স্টারদের দিয়ে করাতে হবে। তাদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত। তাদের প্রতিভা দেখানোর জন্য। যদি তারা কাজই না করতে পারে তাহলে তাদের প্রতিভা দেখাবে কীভাবে। আগামীতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান? বাংলাদেশের একটা ব্র্যান্ড হয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করতে চাই। ফারজানা বিথী একজন উপস্থাপিকা। এই নামটা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই নিজের কাজের যোগ্যতার মাধ্যমে। এসি   

রিচি সোলায়মানের দিনকাল 

ছোট পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান। ডাগর চোখ আর মায়াময় হাসি দিয়ে তিনি দর্শকদের আটকে রেখেছিলেন টিভি সেটের সামনে। দীর্ঘ দিন থেকে তিনি অভিনয়ে অনিয়মিত। তবে গেল ঈদে তাকে আবার দেখা গেছে টিভি পর্দায়। নাটক ও টেলিছবিতে তিনি ধরা দিয়েছেন নতুন রুপে।   রিচির স্বামী রাসেক মালিক থাকেন আমেরিকায়। সেই সুবাধে দুই সন্তান নিয়ে তিনি থাকেন সেখানে। মাঝে মাঝে তিনি দেশে আসেন। তখন পছন্দ অনুসারে কিছু নাটকে অভিনয় করেন। এবারের ঈদেও রিচি বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন। চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় নাটক `স্বপ্নগুলো তোমায় খোঁজে`, `তোমার আমার কথা`, টেলিছবি `চাঁদের আলোয়`, সারওয়ার রেজা রিমির রচনা ও তুহিন হোসেনের পরিচালনায় নাটক `ঠিকানা`, আশরাফুল চঞ্চলের রচনা ও মারুফ মিঠুর পরিচালনায় `১০০`, তানিয়া হোসেনের `গৃহভৃত্য`সহ আরও কিছু নাটকে তাকে পাওয়া গেছে। এ কাজগুলোর মাধ্যমে রিচি আবারও তার নিজের জাত চিনিয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকেও তিনি অভিনয় করছেন। রহমতুল্লাহ তুহিনের পরিচালনায় `নিউইয়র্ক থেকে বলছি`, আজাদ আবুল কালামের রচনা ও রুলীন রহমানের পরিচালনায় `রোড নং ৭, বাড়ী নং ১৩` ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তিনি। ধারাবাহিক দুটি যথাক্রমে দীপ্ত টিভি ও বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে। যদিও `নিউইয়র্ক থেকে বলছি` ধারাবাহিকের বেশিরভাগ শুটিং নিউইয়র্কেই শেষ করেছেন রিচি। রিচি বলেন,‘ অভিনয়ে আমি নিয়মিত নই, এরপরও অভিনয়ের মধ্যেই কিন্তু আমি রয়েছি। যখনই দেশে থাকি যত কাজই থাকুক না কেন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। এমনকি যখন আমেরিকা থাকি তখনও সুযোগ পেলে অভিনয় করি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা আছে বলেই কখনোই মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে পারি না।’ রিচির ইচ্ছা ছিল তার নানীর সঙ্গে ঈদ করার তাই এবারের ঈদে স্বামী রাসেক মালিক, তার দুই সন্তান রায়ান রিদওয়ান মালিক ও কন্যা ইলমা রায়া মালিককে নিয়ে চলে যান রংপুর নানীর বাড়িতে। চার প্রজন্মের চারজনকে একই ফ্রেমে বন্দি হয়ে সবাই যেন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। রিচি বলেন, `আমার কোল জুড়ে যখন আমার কন্যা ইলমা এলা, তখন থেকেই নানির ইচ্ছে ছিল যেন একটি ঈদ তার সঙ্গে করি। আমিও নানিকে কথা দিই তার সঙ্গে ঈদ করার। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। আবার আমরা চার প্রজন্ম একই ফ্রেমে বন্দি হলাম। এটাও আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া, অনেক অনেক ভালো লাগার। এই ভালো লাগা ব্যাখ্যা করে বোঝানো সম্ভব নয়। আজ আব্বু বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। আব্বুর শূন্যতাটা প্রতি মুহূর্তে ভীষণ মিস করি।`  এসি  

সবার উপরে মেহজাবিন

মেহজাবিন। নামটি শুনলেই একটি সুন্দর চেহারা সামনে ভেসে ওঠে। নিজের সুঅভিনয় দিয়ে ইতিমধ্যে মিডিয়ায় একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। গত বছর মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘বড় ছেলে’ নাটকের মধ্য দিয়ে দারুণ আলোচনায় আসেন মেহজাবিন। এই নাটকে অভিনয়ের চমক দেখিয়েছেন তিনি। গত ঈদে মেহজাবিন তার সেই সফলতা ধরে রাখেছিলেন। এই ঈদেও মেহজাবিন অনেক এগিয়ে। তার অভিনীত তেইশটি নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হয়েছে এবার। উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- জাকারিয়া সৌখিনের ‘যদি তুমি জানতে’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘গল্পটি হতেও পারতো ভালোবাসার’, মহিদুল মহিমের ‘রং বদল’, মাহমুদুর রহমান হিমির ‘তোমার অপেক্ষায়’, বি ইউ শুভর ‘হঠাৎ একদিন’, রুপক বিন রউফের ‘রাজা রানী রাজি’ ও আশফাক নিপুনের ‘লায়লা তুমি কি আমাকে মিস করো’। সর্বাধিক নাটক প্রচার প্রসঙ্গে মেহজাবিন বলেন, ‘নাটকের সংখ্যা গুনে অভিনয় করি না। তবুও দেখতে দেখতে অনেকগুলো নাটক প্রচার হলো। নির্মাতারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন এ জন্য তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নাটকের সংখ্যা বেশি হলেও মানের ক্ষেত্রে আমি আপস করিনি। প্রতিটি নাটকের গল্প ও চরিত্রে বৈচিত্র্য রয়েছে। দর্শক আমার কাছে যা প্রত্যাশা করেন সেটি পূরণ করার চেষ্টা থাকে আমার নাটকগুলোতে। এভাবেই আমি আগামীতেও অভিনয় করতে চাই।’ তবে মান ও অভিনয় দক্ষতার দিক দিয়ে বিচার করলে তার অভিনীত এসব নাটক বেশ সাড়া পড়েছে। এসএ/

অভিনয়ে নিয়মিত হচ্ছেন চাঁদনী

মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী চাঁদনী। কিছুদিন আগে বেশ আলোচনায় ছিলেন তিনি। পারিবারিক কিছু বিষয় তাকে নতুন করে আলোচনায় এনে দেয়। একটা সময় ছিল ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করতেন তিনি। এরপর দীর্ঘ বিরতিতে যান অভিনেত্রী। এ সময়ে চাঁদনীকে নৃত্যের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেলেও নাটকে দেখা যায়নি। নতুন খবর হচ্ছে- আবারও অভিনয়ে নিয়মিত হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি একটি খণ্ড নাটকের কাজ করেছেন। ‘শূন্যতায় পূর্ণতা’ শিরোনামের নাটকটি রচনা করেছেন আহসান হাবিব সকাল ও পরিচালনা করছেন তুষার খান। এ নাটকটিতে চাঁদনী একজন প্রতিবন্ধীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। অভিনয়ে নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে চাঁদনী বলেন, ‘আসলে ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ার কাজে যোগ দিয়েছি। তখন অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্য চর্চাও করেছি। দীর্ঘ একটা সময় আমি নিয়মিত ছিলাম অভিনয়ে। তবে ব্যক্তিগত কিছু কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে মাঝে কিছু সময় মিডিয়ার কাজ থেকে দূরে ছিলাম। এখন সেই ব্যস্ততা কমে আসায় আবার অভিনয়ে নিয়মিত হয়েছি। চেষ্টা করছি ভালো গল্প ও চরিত্র নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাওয়ার। দর্শক উৎসাহ দিলে এখন থেকে আমাকে নিয়মিতই অভিনয়ে দেখা যাবে। এছাড়া এখন নাচটাও বেশি করা হচ্ছে। বিভিন্ন কর্পোরেট শোয়ের পাশাপাশি স্টেজেও এখন নিয়মিত নাচ করছি।’ চাঁদনী অভিনিত নতুন নাটকটি শিগগিরই একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার হবে। এসএ/

ছোট পর্দায় পূর্ণিমার পছন্দের তারকা কে!

সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনের সহকারী ম্যানেজার-ক্রিয়েটিভ ইনচার্জ ও চিত্রনাট্যকার রুম্মান রশী খান তার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি সবার কাছে জানতে চান- মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, অপূর্ব, আফরান নিশো ছাড়া এ মুহূর্তে ছোট পর্দায় আপনার প্রিয় অভিনেতা কে? কিংবা কার ভেতর অসীম সম্ভাবনা দেখতে পান? মুহুর্তের মধ্যে এই প্রশ্নের জবাবে অসংখ্য মন্তব্য আসতে শুরু করে। অনেকেই অনেক তারকার নাম লিখে তাদের পছন্দের কথা প্রকাশ করেন। বসে ছিলেন না ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। তরুণদের মধ্যে ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদের নামটি তিনি পছন্দ করেন। সাম্প্রতিক সময়ের সাজ্জাদের কাজগুলো পূর্ণিমাকে মুগ্ধ করেছে। পূর্ণিমা তাই উত্তর দেন ইরফান সাজ্জাদ। অর্থাৎ মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, অপূর্ব, আফরান নিশো এর পরে পূর্ণিমা সম্ভাবনা দেখেন ইরফান সাজ্জাদের মধ্যে। পূর্ণিমা অবশ্য পরে তার মন্তব্যটি সরিয়ে নেন। উল্লেখ্য, এক সময়ের ঢালিউড কাঁপানো এই অভিনেত্রী ছোটপর্দায়ও কাজ করছেন। এসএ/

অভিনেত্রী রোমানা ঢাকায়

এক সময়ের পর্দ কাঁপানো অভিনেত্রী রোমানা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রবাসী। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি। রোমানা বলেন, দেশ ও প্রিয় মানুষের কথা কখনোই ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই অনেক ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করেছি দেশে আসার জন্য। এখন বাবা মোস্তাক আহমেদ খান আর মা সামিউন্নাহারের সঙ্গে কাটছে বেশিরভাগ সময়। অভিনয় প্রসঙ্গে রোমানা বলেন, এখন ঘরসংসার নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটছে। এজন্য অভিনয় নিয়ে নতুন করে কিছু ভাবছি না। দেশের ফেরার পর মিডিয়ার মানুষদের সঙ্গে খুব একটা যোগাযোগ করিনি। তার পরও এ অঙ্গনের প্রিয় কিছু মানুষ দেখা করেছেন। তাদের সঙ্গে বেশ কিছু সময় গল্প আর হাসি-আড্ডায় কাটিয়েছি। অভিনয়ের প্রস্তাবও পেয়েছি। কিন্তু অভিনয় নিয়ে আপাতত ভাবছি না- এ কথা জানিয়ে দিয়েছি সবাইকে। উল্লেখ্য, নব্বই দশকে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু রোমানা। এরপর মডেলিং, নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন রোমানা। সর্বশেষ ২০১৪ সালে রহমতুল্লাহ তুহিনের পরিচালনায় ‘যতো দূরে যাবে বন্ধু’ নাটকে অভিনয় করেন তিনি।এসএ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি