ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮ ২:২১:২৪

মুখে বলিরেখা-বয়সের ছাপ দূর করার ৩ উপায়

মুখে বলিরেখা-বয়সের ছাপ দূর করার ৩ উপায়

ত্বকে যদি বয়সের ছাপ পড়ে, তাহলে মনে বয়সের ছাপ আটকায়, এমন সাধ্য কার? চোখের কোণে বা ঠোঁটের পাশে অবাঞ্ছিত ভাঁজ পড়লেই তাই শিয়রে চিন্তা। কিন্তু ত্বকের বয়স ধরে রাখার চাবিকাঠি আপনার কাছেই রয়েছে। মুখে বলিরেখা, ভাঁজ ও অকাল-বার্ধক্য এড়াতে তিনটি জিনিস মহৌষোধির মতো কাজ করে। চলেন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো- গ্রিন টি দিনে ২-৩ কাপ গ্রিন টি খেলে শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয়। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতেও সাহায্য করে গ্রিন টি। তাই চায়ের বদলে গ্রিন টি খেতেই পারেন। বেদানা বেদানায় অ্যান্টি অক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি থাকে। ত্বক শিথিল হওয়া আটকাতে বেদানার জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া ত্বকে কালো ছোপ থাকলে তাও দূর হয় বেদানা খেলে। তাই ডায়েটে বেদানা বা বেদানার রস রাখুন। জোজোবা অয়েল ত্বককে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখতে পারে এই তেল। ক্লিলজিং ও ময়েশচরাইজিংয়েও জোজোবা অয়েল ব্যবহৃত হয়। তাই ত্বক টান টান রাখতে নিয়মিত ব্যবহার করুন জোজোবা অয়েল। সূত্র: এবেলা একে//
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে কী করবেন? জেনে নিন! 

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ুক, এটা সবাই চায়। আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ করুন, সেই সঙ্গে স্কিনে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে আসুক।       স্কিনের পরিচর্যায় যে যে প্রাকৃতিক উপাদানগুলোকে লাগাতে হবে। আসুন জেনে নিই সে সব উপাদান সম্পর্কে-   ১. বাদাম: অল্প সময়ে ত্বককে ফর্সা করে তুলতে বাদামের কোনও বিকল্প হয় না। এ ক্ষেত্রে ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালমন্ড তেলকে যেমন কাজে লাগাতে পারেন, তেমনি ইচ্ছা হলে পরিমাণ মতো বাদাম নিয়ে তার পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যাবে। বাদামে রয়েছে উপস্থিত ভিটামিন ই এবং আরও অনেক উপকারি উপাদান, ত্বককে ভিতর থকে সুন্দর করে তোলে, সেই সঙ্গে ড্রাই স্কিনের মতো সমস্যাও দূর হয়। ফলে স্কিন সুন্দর হয়ে উঠতে একেবারেই সময় লাগে না।    ২. অ্যাভোকাডো: মাত্র ৪-৫ দিনের মধ্যেই ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠুক, ত্বকের পরিচর্যায় অ্যাভোকাডকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে একটা অ্যাভোকাডো নিয়ে প্রথমে তা ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর তা দিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ভাল করে লাগিয়ে নিতে হবে মুখে। এবার ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে প্রথমে দুধ, তারপর জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা। এভাবে প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নিলে স্কিনে পুষ্টিকর উপাদানের মাত্রা এতটা বেড়ে যাবে যে তার প্রভাবে ত্বক ফর্সা হয়ে উঠতে দেখবেন সময়ই লাগবে না।   ৩.আমের খোসা এবং দুধ: গরমকালে রাতের বেলা গরম গরম দুধে আম মিশিয়ে খেতে সুস্বাদু লাগে! কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে দুধের সঙ্গে আমের খোসার মিশিয়ে ত্বকে লাগালে দারুন উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো দুধে অল্প করে আমের খোসা মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তারপর সেই মিশ্রনটা মুখে, গলায় এবং ঘারে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে দিয়ে ধুয়ে নিন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন ত্বকের চরিত্র বদলাতে শুরু করে দিয়েছে।    ৪. টমেটো: এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় লাইকোপেন নামক একটি উপাদান, যা সব ধরনের ত্বকের দাগ মিলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মৃত কোষেদের স্থর সরিয়ে দেয়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। এখন প্রশ্ন হল, ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে টমাটোকে? এক্ষেত্রে ১-২ টা টমাটো ব্লেন্ডারে ফেলে তার সঙ্গে ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এরপর সেই মিশ্রনটা ভাল করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।   ৫. গোলাপ জল: এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ভিতর থেকে ত্বককে পরিষ্কার করে। ফলে স্কিন সুন্দর এবং তুলতুলে হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে সম পরিমাণে গোলাপ জল এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখে লাগিয়ে ফেলুন। সারারাত রেখে সকালে মুখটা ধুয়ে নিন। এমনটা মাত্র দু`দিুন করলেই দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে উঠেছে। ইচ্ছা হলে মুলতানি মাটির সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়েও মুখে লাগাতে পারেন। এমনটা করলেও সমান উপকার পাবেন।   ৬. ডাবের পানি: শুধু তৃষ্ণা মেটাতে নয়, ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতেও ডাবের পানির কোনও বিকল্প নেই। দিনে দু`বার যদি ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধোয়া যায়, তাহলে ত্বক ফর্সা হতে একেবারে সময়ই লাগে না। শুধু তাই নয়, মুখের দাগ মেটাতেও এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি দারুন কাজে আসে। ৭. মধু এবং দই: পরিমাণ মতো দই অল্প করে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই পেস্টটা কম করে ১৫ মিনিট মুখে মাসাজ করে নিন। প্রসঙ্গত, মধু ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে আর লেবুর রস এবং দইয়ে মিশ্রনে উপস্থিত ভিটামিন-সি ত্বককে উজ্জ্বল এবং ফর্সা করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।  ৮. অ্যালোভেরা: অল্প করে অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তাতে পরিমাণ বাদাম গুঁড়ো মিশিয়ে একটা মিশ্রন বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রনটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫-৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেল ত্বককে ফর্সা করার পাশপাশি নানাবিধ স্কিন ডিজিজে প্রকোপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অন্যদিকে, বাদাম গুঁড়ো মুখে জমে থাকা ময়লা এবং ব্ল্যাক হেডস দূর করতে দারুন কাজে আসে। ৯. ডিম: ত্বককে ফর্সা করে তুলতে ডিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। চাই তো ত্বকের পরিচর্যায় ডিমকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে একটা ডিমের কুসুম নিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিয়ে সেটি সারা মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর কম করে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দু`বার এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগাতে শুরু করলে দেখবেন ফর্সা ত্বক পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগবে না।    ১০. লেবুর রস: একটা লেবু থেকে রস সংগ্রহ করে তাতে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রনটি ততক্ষণ পর্যন্ত মুখে ঘষতে থাকুন, যতক্ষণ না চিনিটা ত্বকের সঙ্গে একেবারে মিশে যায়। যখন দেখবেন এমনটা হচ্ছে, তখন মুখটা ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ফর্সা ত্বক পেতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি দারুন কাজে আসে। তাই যারা অল্প দিনেই অপরূপ সুন্দর হয়ে উঠতে চান তারা অবশ্যই কাজে লাগান এই পদ্ধতিটিকে। আসলে এই মিশ্রনটিতে উপস্থিত চিনি ত্বকের উপরি অংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্থরকে সরিয়ে দেয়। ফলে স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, লেবুর রসে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড ত্বককে ফর্সা করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি কাজে লাগানোর পর মনে করে মুখে ময়েসচারাইজার লাগাতে ভুলবেন না যেন!  ১১. দুধ এবং কলা: অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তার উপর যদি দুধকে কাজে লাগানো হয়, তাহলে তো কথাই নেই! এক্ষেত্রে একটা কলাকে নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন পেস্টটা যেন একেবারে মিহি হয়ে যায়। তবেই ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। (সুত্রঃ বোল্ডস্কাই)    কেআই/এসি   

হোয়াইটনিং ফেসপ্যাক বানানোর ঘরোয়া পদ্ধতি

এটা নিশ্চয়ই জানেন, মধুর মতো উপকারী প্রাকৃতিক ভেষজ তরল খুব কমই আছে৷ খেলেও উপকার৷ মাখলেও উপকার৷ মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট৷ যা ত্বককে তরতাজা, প্রাণবন্ত রাখে৷ নিয়মিত মধু ত্বকের বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে৷ মধুতে প্রচুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে যা ব্রণ, পিম্পলের অত্যাচার রুখতে সাহায্য করে৷ চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই মধু ব্যবহার করে কিভাবে চটজলদি ত্বককে করে তুলবেন জেল্লাদার, প্রাণবন্ত, সোনালী আভাযুক্ত৷ একইসঙ্গে নরম, কোমলও৷ তাহলে শিখে নিন মধু দিয়ে হোয়াইটনিং ফেসপ্যাক তৈরির নিয়ম৷ এই ফেসপ্যাক তৈরি করতে মধু ছাড়াও লাগবে গমের আটা, টাটকা টমেটোর রস, কাঁচা দুধ৷ কিভাবে বানাবেন এই প্যাক! একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ চামচ গমের আটা নিন৷ সঙ্গে ১/২ চামচ মধু, ১ চামচ টমেটোর রস৷ এবার তাতে আন্দাজমতো কাঁচা দুধ দিন৷ চামচ দিয়ে ভালোভাবে মিশ্রনটি তৈরি করুন৷ খেয়াল রাখবেন মিশ্রনটি যেন স্মুথ পেস্টের মতো হয়৷ এবার ক্লিনজার বা ফেস ওয়াশ দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে হালকা করে টাওয়াল দিয়ে মুখ মুছে তাতে ফেসপ্যাকটি লাগান৷ এ ক্ষেত্রে স্কিন ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন৷ কিংবা আঙুল দিয়েও নিচ থেকে উপরের দিকে প্যাকটি লাগাতে পারেন৷ এক টানে প্যাকটি লাগানোর চেষ্টা করুন৷ এবার প্যাকটি শুকাতে দিন৷ দেখবেন যেন ত্বকে টান না ধরে৷ এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখটা ভালো করে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন৷ মেরে কেটে এর জন্য আপনাকে ২০ মিনিট সময় ব্যয় করতে হবে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

উজ্জ্বল ত্বক পেতে ঘরোয়া ৫ উপায়

আমাদের সবারই উজ্জ্বল হতে বেশ লাগে। আর তাই একটু উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি। কিন্তু কেমিক্যাল আমাদের কোমল ত্বকের অনেক ক্ষতি করে। আর সেটা জেনেও সুন্দর দেখানোর জন্য আমরা অনেক সময় কেমিক্যালের আশ্রয় নিই। কিন্তু কেমিক্যালের আশ্রয় না নিয়েও উজ্জ্বল থাকা সম্ভব। কিভাবে জানতে চান? তাহলে আপনার জন্য রইল সাধারণ কিছু উপাদান দিয়ে নিরাপদে ফর্সা হওয়ার কিছু টিপস- ১. দুই চামচ টক দইয়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন৷ ভালো করে ফেটিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন৷ তারপর সেই পেস্ট মুখে লাগিয়ে আধ ঘণ্টার মতো রেখে দিন৷ এর মধ্যেই আপনার পেস্টটি একেবারে শুকিয়ে যাবে৷ তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এতে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে এবং নরমও হবে৷ ২. কফি কিংবা কোকো পাউডার অল্প করে একটি পাত্রে নিয়ে নিন৷ কোকো পাউডারের সঙ্গে এক-দুই চামচ মধু মিশিয়ে মুখে, গলায় এবং ঘাড়ে লাগিয়ে নিন৷ তারপর ভালো করে মাসাজ করতে থাকুন৷ শুকিয়ে যাওয়ার পর সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিন৷ এতে ত্বকের ভাজ দূর হয়৷ ৩. ডিমের সাদা অংশ নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে দিন৷ ব্ল্যাকহেডসের কারণে ত্বকের অনেকাংশ কালো লাগে দেখতে৷ সেটাই দূর করতে এই পেস্টটা লাগিয়ে ফেলুন৷ অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখার পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন৷ একদিন পেস্টটি ব্যবহার করলেই অনেকদিন এর এফেক্ট থাকে৷ ৪. পরিমাণ মতো দুধের সঙ্গে টমেটো পিউরি মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে ফেলুন৷ সারা রাত এই পেস্টটি লাগিয়ে রাখলে খুবই উপকারী৷ যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে বেশ অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখুন৷ তাতে আপনার ত্বকের ট্যান উঠবে৷ উজ্জ্বলও হবে৷ ৫. বিশুদ্ধ হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে খাঁটি নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন৷ অয়লি স্কিনের জন্য এই পেস্ট খুবই উপকারী৷ মুখে প্রায় এক ঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন৷ এতে ত্বকও ভালো হয়৷ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও মেটে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

রং ফর্সাকারী ক্রিম কি আসলেই ত্বক ফর্সা করে? 

বিশ্বের অনেক দেশের মতো ত্বকের সুরক্ষা এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নানা রকমের প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়ে থাকে বাংলাদেশেও।  এসব পণ্যে নানা ধরনের রাসায়নিক মিশ্রিত থাকার কারণে বিশ্বজুড়েই প্রসাধনী ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ এসব রাসায়নিক অনেকের ত্বকের জন্য কোন সুরক্ষা বা সৌন্দর্য বৃদ্ধি তো করতে পারেই না, বরং সেটি ক্ষতিকরও হয়ে ওঠতে পারে। বিশেষ করে রং ফর্সাকারী ক্রিমগুলো নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। ক্রিম কি আসলেই ফর্সা করে?   লেজার মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক ডা. ঝুমু জাহানারা খান বলছেন, আসলে কোন ক্রিমই শরীরের রংকে ফর্সা করতে পারে না। কারণ ত্বকের রঙের সাথে শরীরের ভেতরের অনেক উপাদান জড়িত রয়েছে। ``আমরা কখনোই গায়ের রংকে সাদা করতে পারি না, উজ্জ্বল করতে পারি। আমাদের ত্বকের স্বাভাবিক যে মেলানোসাইড সেলগুলো আছে, যা রঞ্জক তৈরি করে, সেটাই আমাদের গায়ের রংটা ধারণ করে। এটা ত্বক রক্ষায় অনেকভাবে কাজ করে। `` তিনি বলছেন, ``এখন বাজারে অনেক সস্তা ক্রিম এসেছে, যেগুলোয় অনেক ভারী রাসায়নিক এবং ক্ষতিকারক পদার্থ রয়েছে। এগুলো খুব তাড়াতাড়ি হয়তো ফর্সা বা সাদা ইফেক্ট দিয়ে দেয়, কিন্তু কিছুদিন পরেই সেটা বরং ত্বকের জন্য নানা ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। যেমন ত্বকটা হয়তো খুব লাল হয়ে ওঠে, জ্বলছে বা রোদে যেতে পারছে না। বাংলাদেশের বাজারে যেগুলো পাওয়া যায়, তার বেশিরভাগ ক্রিমই আসলে এরকম।`` ``আমাদের উচিত, নিজেদের যে স্বাভাবিক সৌন্দর্য রয়েছে, সেটাকেই ঠিকভাবে রাখা এবং যত্ন করা। মনে রাখতে হবে, সাদা হয়ে যাওয়া সম্ভব না। তবে কিছু মেডিকেশন আছে যেগুলোয় ত্বক হয়তো উজ্জ্বল হয়।`` বলছেন ঝুমু খান। কিন্তু যেভাবে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে অহরহ শরীরের ত্বক ফর্সা করার বিজ্ঞাপন বা ঘোষণা দেয়া হয়, তাহলে সেগুলো কতটা বিশ্বাসযোগ্য? ডা: ঝুমু জাহানারা খান বলছেন, ``মেডিকেল পণ্যের ওপর নানা নজরদারি আছে, আইন আছে। কিন্তু কসমেটিকস পণ্যের ক্ষেত্রে সেটা নেই। সে কারণে ওরা যা খুশি তাই, অনেক আজেবাজে জিনিসও কনজ্যুমার পণ্য হিসাবে বাজারে ছাড়া হয়। যেমন ফর্সা করার সস্তা ক্রিম তো অবশ্যই ত্বকের ক্ষতি করবে।`` তিনি বলছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একজনের কথা শুনে আরেকজন পণ্য ব্যবহার করেন। কিন্তু একেকজনের ত্বক একেক রকম হওয়ায় কারো কারো জন্য সেটা চরম ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের বাজারে প্রসাধনীর কি অবস্থা? ``আমাদের উচিত, নিজেদের যে স্বাভাবিক সৌন্দর্য রয়েছে, সেটাকেই ঠিকভাবে রাখা এবং যত্ন করা। মনে রাখতে হবে, সাদা হয়ে যাওয়া সম্ভব না।`` বলছেন ডা: ঝুমু জাহানারা খান বাংলাদেশের যেসব প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর বেশিরভাগেই ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা স্বাস্থ্য ও পরিবেশর জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। তারা বাংলাদেশের নামীদামী ৩৩টি প্রসাধনী পণ্য পরীক্ষা করে সবগুলোয় ক্ষতিকর উপাদানের অস্তিত্ব পেয়েছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশের হেয়ার জেল, বেবি লোশন, বিউটি ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনীতে আর্সেনিকসহ বিভিন্ন রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি শিশুদের জন্য ব্যবহৃত হয়, এমন প্রসাধনীতেও বিষাক্ত উপাদানের অস্তিত্ব রয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। তারা বলছে, নামীদামী পণ্যগুলোর মধ্যেই তারা এসব উপাদান পেয়েছে, তাহলে কমদামী অন্য পণ্যের কি অবস্থা, তা সহজেই অনুমেয়। এসব পণ্যের ব্যাপারে ক্রেতা বা বিক্রেতাদের মধ্যে খুব একটা সচেতনতা দেখা যায় না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজারে ক্ষতিকারক উপাদানের কসমেটিকস রয়েছে। বাংলাদেশের গবেষকরা বলছেন, প্রসাধনী পণ্যের ব্যাপারে ক্রেতা বা বিক্রেতাদের খুব একটা সচেতনতা দেখা যায় না।বাংলাদেশের ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বক ফর্সা বা উজ্জ্বল করতে গিয়ে অনেকেই উল্টো ক্ষতির মুখে পড়েন। মুখের ত্বকে দাগ তৈরি হওয়া, রোদে বা তাপের মধ্যে যেতে না পারা, চুলকানি বা লালচে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও তৈরি হয়। ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টারের মনোবিজ্ঞানী ইসরাত শারমিন রহমান বলছেন, সৌন্দর্যের জন্য চেষ্টা করতে গিয়ে যখন সেটি উল্টো সৌন্দর্য হানির কারণ হয়, সেটি অনেকের ওপর মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। তিনি বলছেন, যিনি নিজেকে আরো সুন্দর করার চেষ্টা করেছেন, বা কোন ক্ষত ঢাকার চেষ্টা করছেন, তিনি যখন উল্টো ত্বকের সমস্যায় পড়েন, সেটা তার ওপর মানসিকভাবে অনেক প্রভাব ফেলে। হয়তো অনেকে তাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করে। তখন তার মধ্যে রাগ তৈরি হয়, হতাশা তৈরি হয়। তিনি হয়তো নিজেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। এটা তার আত্মবিশ্বাসের ওপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেকের মধ্যে `অস্বীকার করার` প্রবণতাও তৈরি হয়। তারা এসব দাগ বা ত্বকের ক্ষতি ঢাকতে গিয়ে আরো বেশি ক্ষতি করে ফেলেন, বলছেন চিকিৎসকরা। বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন? বাংলাদেশের প্রসাধনী ও রূপচর্চা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কানিজ আলমাস খান। তিনি বলছেন, হুট করে বা অন্যদের দেখে কোন প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত না। কারণ একজনের ত্বকের জন্য সেটি ঠিক হলেও, আরেকজনের জন্য সেটি ভালো নাও হতে পারে। ``বাসায় বসে ত্বকের জন্য হার্বাল পণ্য ব্যবহার করা ভালো। ডিম, দুধ, মধু, দই শসা- সমস্ত কিছু ত্বকের জন্য ভালো। তৈলাক্ত ত্বক বা শুষ্ক ত্বক অনুযায়ী এসব পণ্য তারা ত্বকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এগুলোতে ক্ষতিকর কিছু নেই।`` তিনি বলছেন, ``অনেক রং ফর্সাকারী ক্রিমেই ত্বক পাতলা হয়ে যায় বা ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। পরে দেখা যায়, তারা রোদে বের হতে পারছেন না বা অন্য কিছু ব্যবহার করতে পারছেন না। পরে পুরো ত্বকের ব্যাপারটি তাদের আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।`` ``এ কারণে আমি সবাইকে বলতে চাই, রং ফর্সাকারী ক্রিমের দিকে একেবারেই না তাকানোর জন্য। বরং সবাইকে বলবো, ঝকঝকে সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর একটি ত্বকই যথেষ্ট, ফর্সা হওয়া জরুরি নয়।`` বিবিসি বাংলা     এসি   

দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতে চান? এখনই খান এগুলো 

ব্রণ, হলুদ দাঁতের মতো বিভিন্ন অ্যাপিরিয়ান্সে আপনার কনফিডেন্স অনেকটাই কম হয়ে যায়৷ ব্রণ দূর করার নানা উপায় আপনি পাবেন ঠিকই তবে দাঁত সাদা করার সেরকম উপায় নেই বলে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান৷ থাকলেও সবকটা কার্যকরী নয়৷ তাই দাঁত সাদা করার জন্য কী কী খাবেন দেখে নিন৷ নিত্যদিন শসা খেতে পারেন, এতে আপনার দাঁত পরিষ্কার থাকবে৷    রোজ না হলেও প্রায়ই পনির খান৷ পনির আপনার দাঁতকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি মজবুতও করে৷ অনেকেই বলে চ্যুইংগাম চেবাতে৷ এতে নাকি আপনার দাঁত পরিষ্কার হয়৷ সেটা ভুলেও করবেন না৷ তার বদলে গ্রিন টি খান প্রতিদিন৷ মেদ ঝরবে দাঁতও পরিষ্কার হবে৷ দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতে রোজ নারকেল খেতে পারেন৷ নারকেল খেলে দাঁতের সাদা ভাব ধীরে ধীরে ফুটে উঠবে৷ এছাডা়ও স্ট্রবেরি খেতে পারেন৷ দাঁতকে মজবুত করতে সাহায্য করে স্ট্রবেরি৷ এবং দাঁতের ক্ষতি হওয়া থেকে বাঁচায়৷ বিভিন্ন ধরণের সেলেরি খেলে দাঁতও পরিষ্কার হয়৷ এটা অনেকেই জানেন না৷   রোজ একটা করে কাঁচা হলুদ খেলে আপনার দাঁত পরিষ্কার তো হবেই৷ সঙ্গে দাঁতের ক্ষয়ক্ষতিও দূর করবে পাশাপাশি মজবুতও করবে৷ কলকাতা ২৪   এসি  

উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন এই ঘরোয়া পদ্ধতি   

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অনেকেই নানা ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে থাকেন। তেমনি একটি উপকরণ হলো- দুই চামচ টক দইয়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন৷ ভালো করে ফেটিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন৷ তারপর সেই পেস্ট মুখে লাগিয়ে আধ ঘন্টা মতোন রেখে দিন৷ এর মধ্যেই আপনার পেস্টটি একেবারে শুকিয়ে যাবে৷ তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এতে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে এবং নরমও হবে৷    কফি কিংবা কোকো পাউডার অল্প করে একটি পাত্রে নিয়ে নিন৷ কোকো পাউডারের সঙ্গে এক-দুই চামচ মধু মিশিয়ে মুখে, গলায় এবং ঘাড়ে লাগিয়ে নিন৷ তারপর ভালো করে মাসাজ করতে থাকুন৷ শুকিয়ে যাওয়ার পর সাধারণ তাপমাত্রার জলে ভালো করে ধুয়ে নিন৷ এতে ত্বকের ভাজ দূর হয়৷    ডিমের সাদা অংশ নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে দিন৷ ব্ল্যাকহেডসের কারণে ত্বকের অনেকাংশ কালো লাগে দেখতে৷ সেটাই দূর করতে এই পেস্টটা লাগিয়ে ফেলুন৷ অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখার পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন৷ একদিন পেস্টটি ব্যবহার করলেই অনেকদিন এর এফেক্ট থাকে৷ পরিমাণ মতো দুধের সঙ্গে টমেটো পিউরি মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে ফেলুন৷ সারা রাত এই পেস্টটি লাগিয়ে রাখলে খুবই উপকারী৷ যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে বেশ অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখুন৷ তাতে আপনার ত্বকের ট্যান উঠবে৷ উজ্জ্বলও হবে৷   বিশুদ্ধ হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে খাঁটি নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন৷ অয়লি স্কিনের জন্য এই পেস্ট খুবই উপকারী৷ মুখে প্রায় এক ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন৷ এতে ত্বকও ভালো হয়৷ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও মেটে৷ এসি   

টক দইয়ের ৭ কার্যকর স্বাস্থ্যগুণ

দুধের মতো দইয়েরও রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। আর এ কারণেই দই শারীরিক নানা সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকরী। প্রতিদিন নিয়ম করে মাত্র ১ কাপ দই খেলে নানা শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।আসুন জেনে নেওয়া যাক টক দইয়ের অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্যগুণ। ১) কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি শারীরিক সমস্যা। টক দইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়াও নিয়মিত টক দই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ২) অতিরিক্ত তেল ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাও দূর করতে পারে টক দই। টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে। ৩) টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং টক দই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম যা রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। আর এ কারণে কার্ডিওলজিক্যাল সমস্যা, স্ট্রোক এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি কমায়। ৪) কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে অনেক সময় অনেক টক্সিন জমে থাকে। আর নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস রক্ত পরিশোধনে কাজ করে রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। ৫) উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতেও টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টরল কমায় এবং সেই সঙ্গে কমায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি। ৬) অনেকেই দুধ খেতে পারেন না। অর্থাৎ, অনেকেরই ল্যাকটোস ইন্টলারেন্সের সমস্যা রয়েছে। ফলে দুধ সহজে হজম হতে চায় না। তারা অনায়েসেই দুধের পরিবর্তে টক দই খেতে পারেন। ৭) ওজন কমানোর জন্য অনেক চেষ্টা করতে থাকেন অনেকেই। ওজন কমানোর মূল হাতিয়ার হিসেবে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। সূত্র: জি নিউজ   এমএইচ/

ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করুন সহজলভ্য উপকরণ!

আকর্ষণীয় সুন্দর ত্বক কে না চাই। ত্বকের যত্নে সচেতন কম বেশি সবাই। ত্বকের মলিনতা দূর করতে আপনি কত কি প্রসাধনী সামগ্রি ব্যবহার করছেন। কিন্তু আপনি জানেন কী এসব রাসায়নিক উপাদান ত্বকের পরিচ্ছন্নতা এনে দিলেও এটি কতটা ক্ষতিকারক। কিন্তু দীর্ঘদিন ত্বকের উজ্জলতা ধরে রাখতে হলে প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর নির্ভর করা উচিত। ঘরে বসেই সহজলভ্য এমন কিছু উপকরণ, যা নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন যা সব সময় আপনার নাগালের মধ্যে রয়েছে।    হলুদ: কাঁচা হলুদ বাটা, বেসন ও দুধ দিয়ে নরম ও মিহি প্যাক তৈরি করা যায়। এই প্যাক মুখে ও গলায় লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয় ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন এ প্যাক লাগালে ত্বকে উজ্জলতা ছড়াতে শুরু করবে। কারণ হলুদে রয়েছে কারকিউমিন, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক বলে পরিচিত। এটি ত্বকে ফ্রি রেডিক্যালসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচায়। তাছাড়া হলুদ ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়তা করে। বেসন ও দুধ ত্বকের অবাঞ্ছিত ময়লা দূর করে। নারকেল তেল:   নারকেল তেল হালকা গরম করে ত্বকে লাগিয়ে আলতো করে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করে নিন। চাইলে ত্বকে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন ত্বক এক্সফলিয়েট করার জন্য চিনির সঙ্গে পরিমাণ মতো নারিকেল তেল মিশিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে। শুষ্ক ও নিষ্প্রভ ত্বকের জন্য নারিকেল তেল খুবই উপকারী। এর মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের পুষ্টি সাধন করে। লেবুর রস: ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে লেবুর রস ও চিনি খুব ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। এই দুটো উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে ত্বকের মধ্যে ১০ মিনিট ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’দিন এই ভাবে ত্বকের যত্ন নিন। চিনির দানা ত্বকের মরা কোষ অপসারণ করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে লেবুর রস ত্বক পরিষ্কার করে, ব্লিচ করে ও ট্যান দূর করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা  বাড়াতে প্রাকৃতিক সেরা উপাদান হচ্ছে লেবু। ঘরে তৈরি উপটান: উপটান হচ্ছে ত্বকে ব্যবহারের এমন এক ধরণের যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। ঘরে বসেই উপটান তৈরির জন্য মসুরের ডালের গুঁড়ো, চালের গুঁড়ো ও আমন্ডের গুঁড়োর সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে ওটমিল গুঁড়ো করে মেশাতে পারেন। এবার একটি  পটে রেখে দিন। ব্যবহারের সময় পানি, গোলাপজল বা দুধ দিয়ে মিহি পেস্ট করে ত্বকে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে এলে আলতো করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার এ প্যাক ত্বকে লাগাতে ভুলবেন না। অলিভ অয়েল:   অলিভ অয়েল যে ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে, এ কথা কারোরই অজানা নয়। ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে অলিভ অয়েল ত্বকে লাগান। মুখের ক্ষেত্রে বিশেষ করে কপাল, নাক ও গালে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। এসব জায়গায় মরাকোষ বেশি জন্মে। এরপর হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখের ওপর চেপে ধরে রাখুন। এতে লোমকূপ উন্মুক্ত হবে। এভাবে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড রাখুন। দুধ:  বেসনের সঙ্গে দুধ ও মধু মিশিয়ে ঘন মিহি পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’দিন এভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। ত্বকের সুস্থতা ধরে রাখার জন্য এটি অনেক পুরনো একটি সমাধান। কাঁচা দুধে রয়েছে ত্বকের জন্য উপযুক্ত ফ্যাট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন, অন্যদিকে মধু ময়েশ্চারাইজার ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে খ্যাত। (সূত্র: স্টাইলক্রেজ) কেআই/এসি   

ময়েশ্চারাইজার নয়, নরম ত্বক পেতে মাখুন গ্লিসারিন

গ্লিসারিন উদ্ভিদ উত্স থেকে উদ্ভূত একটি বর্ণহীন এবং গন্ধহীন তরল। দীর্ঘদিন ধরে সারা বিশ্বেই সৌন্দর্য ধরে রাখার আর ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য গ্লিসারিন আস্থা অর্জন করেছে। চামড়ার সমস্যা নিয়ে আমরা কমবেশি সকলেই ভুক্তভোগী। রুক্ষ শুষ্ক প্রাণহীন ত্বক, অথবা ব্রণ আর র‍্যাশের সমস্যা কমিয়ে নরম স্বাভাবিক সুন্দর ত্বক পেতে কে না চান! বাজার চলতি নানান ময়েশ্চারাইজার দূরে সরিয়ে রাখুন, ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক সহজ উপাদান গ্লিসারিন। গ্লিসারিন আপনার ত্বকের সমস্যাগুলি কমাতে সাহায্য করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। গ্লিসারিন উদ্ভিদ উত্স থেকে উদ্ভূত একটি বর্ণহীন এবং গন্ধহীন তরল। দীর্ঘদিন ধরে সারা বিশ্বেই সৌন্দর্য ধরে রাখার আর ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য গ্লিসারিন আস্থা অর্জন করেছে। সমস্ত প্রসাধনীএই গ্লিসারিন থাকে। তবে ভালো ত্বক পেতে সরাসরিই ত্বকে লাগান গ্লিসারিন। 1. ক্লিনসার হিসাবে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন প্রধানত শর্করা এবং অ্যালকোহল জৈব যৌগ দ্বারা গঠিত। ত্বকের বাড়তি তেল, ময়লা এবং মেকআপ সরিয়ে গভীরভাবে ত্বক পরিষ্কার করার ক্ষমতা আছে গ্লিসারিনের। ক্লিনসিং মিল্কের পরিবর্তে, আপনি আপনার মুখ পরিষ্কার করতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন।   মুখ ভালো করে ভিজিয়ে নিন তারপর একটি তুলোর বলের উপর গ্লিসারিন নিন কয়েক ফোঁটা। সারা মুখে লাগান। এছাড়াও আপনি এক টেবিলচামচ গ্লিসারিনে তিন টেবিল চামচ দুধ যোগ করতে পারেন, সারারাত এভাবে রেখে দিতে পারেন।   2. ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসাবে ব্যবহার করুন যাদের শুষ্ক চামড়া নিয়ে হামেশাই সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের জন্য গ্লিসারিন ভীষণই উপকারী। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বাড়ায় এবং ত্বক নরম করতে সাহায্য করে। গ্লিসারিন চামড়া থেকে স্বাভাবিক জলীয় পদার্থের বাস্পীভূত হয়ে যাওয়া রোধ করে, ত্বকে জলীয় পদার্থ ধরে রেখে একে আর্দ্র রাখে। তাছাড়া, এটি ত্বকের স্পর্শযোগ্যতা উন্নত করে কোষের বৃদ্ধি ঘটায়।   আপনার ত্বকে সরাসরি গ্লিসারিন প্রয়োগ করুন অথবা ভিটামিন ই তেল দিয়ে মেশান। ঘুমের আগে গ্লিসারিন দিয়ে ত্বকের ম্যাসাজ করুন এবং সারারাত রেখে দিন।   3. ত্বকের সমস্যা এড়াতে গ্লিসারিন ভীষণ মৃদু সুতরাং সব ধরণের ত্বকের জন্যই এটি উপকারী। উদ্ভিদ-ভিত্তিক এই তেল চামড়া জ্বালা এবং লাল লাল ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। গ্লিসারিন ত্বকের জলীয় ভারসাম্য বজায় রাখে। অথচ এর জন্য কোনও অতিরিক্ত সেবাম নিঃসরণও হয় না। ফলে ব্রণও কম হয়।   এক অংশ গ্লিসারিন নিন এবং তার দ্বিগুণ গোলাপজল। ত্বকের টোনার হিসাবে এটি ব্যবহার করুন। এমজে/    

রূপচর্চায় লেবু-ডিম-ভিনেগার কতটা উপকারী জানেন?

ইন্টারনেট, ইউটিউবের যুগ আসার আগে রূপ চর্চার নানা টিপস দিতেন মায়েরা। এছাড়াও রাঁধুনি, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, মানসিক সমস্যায় কাউন্সেলিং করতেন তারা। কিভাবে ত্বক মসৃণ হবে, দীঘল কালো কেশ হবে ঘরোয়া নানা সামগ্রীর ব্যবহার করেই সেগুলো অর্জনের চেষ্টা চলতো। ছোটবেলা থেকে হয়ত বাড়িতে দেখেছেন মুখমণ্ডলে বেসন মেখে রীতিমতো ভুত সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছে বড় বোন। অথবা সপ্তাহে একদিন চুলে ডিম বা দই লাগাচ্ছেন অন্য কেউ। খাওয়ার সামগ্রী কিন্তু সেগুলো দিয়ে ঘরোয়াভাবে রূপচর্চা করা হতো বা এখনও হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো কাজে লাগে কি-না সে নিয়ে মন্তব্য করছেন আসল বিউটিশিয়ানরা। এর ব্যবহার সম্পর্কে হয়ত শুনেছেন। বেসন পানি দিয়ে মাখিয়ে থকথকে করে নিতে হবে। তার পর সেগুলো ত্বকে মাসাজ করতে হবে। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু প্রসাধন বিজ্ঞানী ফ্লোরেন্স আদেপজু বলছেন, ‘ঘি খুব আঠালো বস্তু। এতে যে উচ্চমাত্রায় চর্বি রয়েছে যা ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। আমি বিউটি টিপ হিসেবে এটিকে না বলবো। আর ছোলা দিয়ে বানানো বেসন হয়ত ত্বক মসৃণ করতে কিছুটা আসতে পারে। কিন্তু দেখুন এগুলোতো ত্বকে লাগানোর জন্য বানানো হয় না। তাই রূপ চর্চায় এর ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।’ নরম চুল পেতে ডিম খসখসে চুল অনেকেরই খুব অপছন্দ। শ্যাম্পুর পরে কন্ডিশনার দিলে চুল নরম হয় বলে বিউটিশিয়ানরা বলে থাকেন। নারীর দীঘল কালো চুল নিয়ে এই উপমহাদেশে নানা গল্প রয়েছে। চুলে ডিম মাসাজ করে তা ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধোয়ার পর নাকি চুল নরম হয়। কাচা ডিমের গন্ধ একদম সুখকর না হলেও বহু মেয়েদের এটি ব্যাবহার করতে দেখা যায়। হেয়ার আর্টিস্ট টলু আগোরো বলছেন, ‘আমাদের চুলের ভেতরটাতে রয়েছে প্রোটিন। আমাদের শরীরে সঠিক পরিমাণে প্রোটিন থাকলে সেটি চুলের গোঁড়াকে শক্ত করে। এতে চুল ভাঙা বা আগা ফাটা কমে।’ ‘তবে ডিমে যে প্রোটিনের অণু রয়েছে তা চুলের কাণ্ডের জন্য অনেক বড়। ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামতে তা কাজ করে এই ধারনার সঙ্গে আমি একমত নই।’ লেবুর রসে শরীরে পশম ব্লিচ করা শরীরের লোম অনেকের অপছন্দ। অনেকেই হাত, পা ও মুখমণ্ডলের ত্বকের অতিরিক্ত লোম তুলে ফেলেন। অনেকে পাতলা লোম ব্লিচ বা সাদা করেন। লেবুর রসের এই ক্ষমতা আছে বল মেনে করা হয়। লেবুর রসে মধু মিশিয়ে লোমের উপর লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে রোদে বসে থাকলে লোমের রঙ হালকা হয় বলে বিশ্বাস করেন অনেকে। স্টাইলিস্ট ম্যাগাজিনের বিউটি এডিটর লুসি পার্টিংটন ঠিক সরাসরি বলছেন যা এটি কাজে আসে। তবে তিনি এর ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে সাবধান করে দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, ‘ত্বকে মধু মিশ্রিত লেবুর রস লাগিয়ে রোদে বসে থাকলে সূর্যের আলোতে ত্বক কি পরিমাণে পুড়ে যাবে চিন্তা করুনতো একবার। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি শরীরের লোমকে সহজভাবে নিন। লোকে কি ভাবল তাতে কি আসে যায়?’ চুল চকচকে করতে ভিনেগার কুচকুচে কালো লম্বা চুল রীতিমতো আভা ছড়াচ্ছে। এ অঞ্চলে সুন্দর মেয়েদের যখন বর্ণনা দেওয়া হয় তখন এমন চকচকে চুল তাদের থাকতেই হবে। এক বাটি হালকা গরম পানিতে ভিনেগার গুলিয়ে তা দিয়ে সপ্তাহে অন্তত একবার চুল ধুলে নাকি তেমন আভা ছড়ানো চুল পাওয়া যায়। হেয়ারড্রেসার ড্যানিয়েল ফারলে ম্যাকসুইনি বলছেন, ‘ভিনেগারের পরিষ্কার করার ক্ষমতা আসলেই আছে। এতে যে অ্যাসিড রয়েছ তা যা চুলে জমা যে কোনও ময়লা পরিষ্কার করে। তাতে চুল চকচক করবে সেটাই স্বাভাবিক। অ্যাসিড হয়ত চুল মসৃণও করে। তবে যাদের চুল শুষ্কও তাদের এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।’ সূত্র: বিবিসি এমএইচ/একে/  

সানস্ক্রিন ছাড়াই ত্বকের সতেজতা আনুন ৫ উপায়ে

প্রচণ্ড রোদে বাইরে বের হওয়া মুশকিল। এতে ত্বক পুড়ে গিয়ে কালচে হয়ে যায়। সানস্ক্রিন দিয়ে ত্বকের পুড়ে যাওয়া ভাব না হয় কমাবেন, কিন্তু সানস্ক্রিনের কেমিক্যালসে ত্বকের অভ্যন্তরীন ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয় না। তাই সানস্ক্রিন ছাড়াই কিছু সহজ উপায়ে ত্বকের জেল্লাদার ফিরিয়ে আনুন। ১) সরষের তেল রোদে পুড়ে বাড়ি ফিরলে ত্বকে মখে নিন সরষের তেল। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ট্যান বলে কোনও বস্তুই আর নেই ত্বকে। ২) আলুর রস আলু বেটে সেই রস লাগান ত্বকে। আলুর রস ত্বকের ট্যান তো কমাবেই, এ ছাড়া চামড়ার জেল্লা বাড়াতেও সাহায্য করে আলুর রস। ৩) গোলাপ জল গোসলের সময় জলে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। গোলাপ জল সানবার্ন কমাতে ওস্তাদ। তবে সব চেয়ে ভাল হয়, যদি বাড়িতেই গোলাপের পাপড়ি বেটে সেই রস ঘষতে পারেন ত্বকে। ৪) অ্যালোভেরা জেল অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পোড়া দাগ তোলায় এর জুড়ি নেই। সরাসরি অ্যালোভেরার জেল লাগান পোড়া ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি মুখ ধুয়ে শশার রস মেখে নিন। খানিক ক্ষণ রেখে আবার ধুয়ে ফেলুন ঠান্ডা পানি। পোড়া দাগের সমস্যা মিটবে সহজেই। ৫) টি ব্যাগ কয়েকটি টি ব্যাগ পানি ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। খানিকক্ষণ বাদে সেই পানি নরম একটা কাপড় ভিজিয়ে নিন। পোড়া ত্বকের উপর সেই বরফশীতল তোয়ালে রাখুন। কমবে পোড়া দাগ। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/  

ত্বকে অতিরিক্ত ফেসিয়ালে ৭ ক্ষতি হতে পারে   

ত্বককে ফর্সা ও কালো দাগ দূর করার জন্য ফেসিয়াল করা হয়। ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা হয় এবং ত্বকের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। কিন্তু ত্বকের প্রকৃতি না বুঝে ফেসিয়াল করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি হয়। এছাড়াও অতিরিক্ত ফেসিয়ালের ফলে ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে অল্পতেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।        অতিরিক্ত ফেসিয়াল করা এবং নিয়ম না মেনে ফেসিয়াল করলে যেসব ক্ষতি হতে পারে সেগুলো জেনে নেওয়া যাক- ১) ত্বক চুলকায় পার্লারে ফেসিয়াল করার সময় যেসব ক্রিম কিংবা পণ্য ব্যবহার করা হয় তাতে অনেক ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে। যেগুলো পরবর্তীতে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী। কেমিক্যালগুলো ত্বকের কোষের ক্ষতি করে। ফলে ত্বক জ্বালাপোড়া করে এবং চুলকায়।    ২) মুখের ত্বক ঝুলে যাওয়া অনেকেই আছেন যারা একদিন পর পর কিংবা প্রতিদিন ফেসিয়াল করতে চান, তাদের ত্বক অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। কেননা মুখের চামড়া খুবই নরম হয়ে থাকে, আর সেই ত্বকে যদি প্রতিদিন ম্যাসাজ করা হয় তাহলে চমড়া ঝুলে যাবে। এতে দ্রুত নিজেকে বার্ধক্য দেখাবে। ৩) ত্বকে অ্যালার্জি বাড়ে বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়ালে ভিন্ন ভিন্ন পণ্য ব্যবহার করা হয়। অনেকেই আছেন যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের ক্ষেত্রে এসব পণ্য ব্যবহারে অ্যালার্জি আরও বেড়ে যায়। এতে ত্বকে লাল লাল ফুসকুড়িসহ আরও নানা সমস্যা হতে পারে। ৪) ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ফেসিয়াল করালে ত্বকের আর্দ্রতার উপস্থিতি কমে যায়। এতে বাইরের ত্বক অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে ত্বক অমসৃণ এবং বিবর্ণ হয়ে পড়ে। ৫) লালচে ভাব ত্বকে চলে আসে ফেসিয়ালের সময় এমন কিছু শক্তিশালী কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ নাও খেতে পারে। এতে ত্বকে একটা লালভাব চলে আসে। এমনকি ত্বকের উজ্জ্বলতাও চলে যায়। ৬) ত্বক শুষ্কতা ভাব চলে আসে নিয়মিত ফেসিয়াল করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা এবং ত্বকের পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। এতে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। ৭) ত্বকে বিভিন্ন ধরনের দাগ দেখা দিবে   মুখের কালো দাগ কমাতে অনেক সময় বিউটিশিয়ানরা তাদের নখ কিংবা নানা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন। এগুলো সঠিকভাবে ব্যবহারে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এর বিপরীতে গেলেই কেটে যেতে পারে কিংবা আরও বড় কোন দাগ হতে পারে। কেএনইউ/এসি    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি