ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৩:২০

মাত্র তিন-চার দিনেই ত্বকে আনুন ঈর্ষণীয় জেল্লা

মাত্র তিন-চার দিনেই ত্বকে আনুন ঈর্ষণীয় জেল্লা

অফিস-ঘর সামলে আপনার হাতে সময় নেই ফেসিয়ালের? অবশ্য তা করলেও অনেক সময়ই ত্বকের চাকচিক্য ততটা ফেরে না, যতটা ফেরে ঘরোয়া যত্নে। এ ছাড়া ফেসিয়াল প্যাকে ব্যবহৃত রাসায়নিকও সব ত্বকের যত্নের পক্ষে ভাল নয়। তাহলে উপায়? রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক’দিনের মধ্যেই ত্বককে জেল্লাদার করে তুলতে হলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া কিছু যত্নে। তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে। দেখে নিন সে সব। ১. এই ক’দিন সকাল শুরু করুন খালি পেটে এক গ্লাস পানি খেয়ে। শরীরের টক্সিন দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি। চেহারায় চাকচিক্য ফেরানোর কাজ সহজ করবে পানি। সঙ্গে খাবারদাবারেও নজর দিন। এই ক’দিন এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত তেল-মশলা। ২. আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কোনও ক্লিনজার বা টোনার ব্যবহার করুন। বাইরে বেরনোর আগে ব্যবহার করুন সে সব। ৩. বাইরে বেরনোর সময় শরীরের খোলা অংশে অবশ্যই সানস্ত্রিন ব্যবহার করুন। ৪. মেকআপ করার দরকার পরলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই ক্লিনজার ও টোনার সহযোগে ভাল করে মেক আপ তুলে ময়শ্চারাইজার মাখুন। মেক আপ না তুললে সেখান থেকেই ত্বকের ক্ষতি শুরু হয়। ৫. অন্তত দু’দিন ফ্রুট প্যাক লাগান মুখে। ফেসপ্যাক তোলার পর অবশ্যই টোনার দেবেন ত্বকে। ৬. প্রতিদিন রাতে মধু, টক দই ও ওটসের মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। তার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। ৭. ভ্যালেন্টাইন’স ডে কিংবা বিয়েবাড়ি, বেরনোর আগের দিন ত্বককে স্ক্রাব করুন ভাল কোনও এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব দিয়ে। সাধারণত এই কয়েকটা নিয়ম মেনে চললেই আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই ত্বককে অনেকটা প্রাণবন্ত করতে পারবেন আপনি। তাহলে আর দেরি কেন? সূত্র: আনন্দবাজার একে//
চোখের কালো দাগ দূর করার সহজ ৬ উপায়

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান করে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা। গ্রিন টি গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি। খাবার বদলান  চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে। শসার ব্যবহার শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে। ভিটামিন সি চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে। ঠান্ডা চামচ বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন। Exclusive Amazon ডিল উপভোগ করুন, মহিলাদের বস্ত্র বিভিন্ন দামে স্টাইলিশ সম্ভার, Flipkart-এ প্রিমিয়ার ব্র্যান্ডের জিনিস, ফ্রি শিপিং Exclusive Amazon ডিল পান মহিলাদের পোশাক, জুতো, জুয়েলারি ও ঘড়িতে সিগারেট এড়িয়ে চলুন  খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু`টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল দূর করবেন যেভাবে   

শরীরে আঁচিল বড় রকমের একটি সমস্যা। ডাক্তার-কবিরাজ দিয়েও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ত্বকের এই উপবৃদ্ধি থেকে নিস্তার মেলে না। কিন্তু জানেন কি টাকা খরচ করে ওষুধ না খেয়েও ঘরোয়া জিনিস দিয়ে এর নিরাময় সম্ভব?     অ্যাপল সিডার ভিনিগার: ভিনিগারে ভেজানো তুলো আঁচিলের উপর রেখে দিন সারা রাত। পাঁচ দিন করুন। অ্যাপল সিডার ভিনিগারে প্রচুর অ্যাসিড রয়েছে। এই অ্যাসিড প্রাকৃতিক ভাবে জড়ুল পুড়িয়ে দেয়। ফলে জড়ুলের বৃদ্ধি রদ হয়। অ্যালভেরা: একটা অ্যালভেরা পাতা কেটে নিন। ভিতরের থকথকে জেলিটা ওই জায়গায় লাগিয়ে দিন। কয়েকদিন করলেই জড়ুল শুকিয়ে যাবে। নিজে থেকে ঝরেও যাবে। অ্যালোভেরার মধ্যে উপস্থিত ম্যালিক অ্যাসিড এই ম্যাজিক করে দেখাবে। বেকিং পাউডার: ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। মিশ্রণটা আঁচিলের উপর ভাল করে লাগিয়ে বেঁধে রাখুন জায়গাটা। সারা রাত এই ভাবে ফেলে রাখুন। দু-তিন দিন পর থেকেই ফল পেতে শুরু করবেন। ক্রমশ আঁচিল অদৃশ্য হয়ে যাবে। বেকিং পাউডার: ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। মিশ্রণটা আঁচিলের উপর ভাল করে লাগিয়ে বেঁধে রাখুন জায়গাটা। সারা রাত এই ভাবে ফেলে রাখুন। দু-তিন দিন পর থেকেই ফল পেতে শুরু করবেন। ক্রমশ আঁচিল অদৃশ্য হয়ে যাবে। রসুন: ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারি। অ্যালিসিন রয়েছে রসুনে। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে ওই জায়গায় লাগালে উপকার হবে।    কলার খোসা: কলা খেতে ভালবাসেন? খোসাটা ফেলবেন না। খোসার উৎসেচক ত্বককে রক্ষা করে। রোজ কলার খোসা জড়ুলের উপর ঘষলে ফল পাবেন।   এসি   

ত্বক পরিচর্যায় ঘরোয়া ৫ টোটকা

সারা দিনের ধুলাবালি, দূষণ ইত্যাদি থেকে ত্বককে বাঁচানোকে কেবল ‘শখের’ পরিচর্যা হিসেবে ধরলে ভুল হবে। বরং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে গেলে, ত্বকের নানা সমস্যা ঠেকাতেও এর প্রয়োজন আছে। বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া যাবে, সহজলভ্য উপাদান হবে এবং পকেটসই দামে মিলবে- এই তিন ফ্যাক্টরকে মাথায় রেখে রইল কিছু ফলের ফেসপ্যাক, যা আপনার ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হবে। কমলালেবু কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। এবার এর সঙ্গে এক চামচ ওটমিল, কয়েক ফোঁটা মধু ও এক চামচ টক দই মেশান। কমলালেবুর খোসা ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে ও ত্বককে পরিষ্কার করতে বিশেষ সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। ত্বকের বা বাইরে বেরলে শরীরের যে সব অংশ খোলা থাকে, সে সব স্থানে এই প্যাক মিনিট পনেরো মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন ভাল করে। আপেল খোসা ছাড়িয়ে আপেলের অর্ধেক অংশ বেটে নিন। এর সঙ্গে দু’চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। কিছু ক্ষম রাখার পর শুকিয়ে মধু শুকিয়ে গেলে আপেল বাটা সরিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন ত্বক। পাকা কলা যে কোনও প্রকার ত্বকের জন্যই এই প্যাক খুবই উপকারী। পাকা কলার তিন-চারটি স্লাইসের সঙ্গে এক চামচ মধু ও আধ চামচ দই মেশান। কলা প্রাকৃতিক টোনার। এর সঙ্গে মধু ও দইয়ের মিশেল ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করতে সাহায্য করে। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন এই প্যাক। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলেই চেহারায় আলাদা ঝলক দেখতে পাবেন। পেঁপে পাকা পেঁপের বীজ ছাড়িয়ে তিন-চারটা টুকরো করে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মিনিট পনেরো রেখে ধুয়ে ফেলুন। টম্যাটো টম্যাটো প্রাকৃতিক ট্যান রিমুভার। তীব্র রোদ থেকে ঘুরে এসে এই প্যাক মাখলে তা ত্বকের ট্যান সরাতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা ও টক দই মেশালে ত্বক তার পুরনো লাবণ্য ফিরে পাবে। কয়েক দিন রোদে খুব গোরাঘুরি করার পর নিষ্প্রাণ ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে ৬টি স্বভাব

ত্বক ভাল রাখতে কেবল যত্ন নিলেই চলে না, দরকার কিছু জরুরি বিষয়ে সতর্ক হওয়াও। কিন্তু দৈনিক জীবনযাপনে আপনিও কি এমন কিছু ভুল করে বসছেন, যার প্রভাবে আপনারও ত্বক সমস্যায় পড়ছে নিয়ত? তবে কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললেই মিটতে পারে সে সমস্যা। ত্বককে প্রাণবন্ত রাখতে কোন কোন স্বভাব আজই ছাড়তে হবে জানেন? তেল-মশলা খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করা তেল-মশলার পরিমাণ কমাতে না পারলে ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ প্রায় অসম্ভব। শরীরের অরিকিক্ত তেল ত্বকের কোষের মুখগুলোকে আটকে দেয়। এর প্রভাবে ব্রণের শিকার হতে হয় অনেককেই। গরম পানি সারা শীতকাল জুড়ে গরম পানিতে মুখ ধোন? পারলে আজই ছাড়ুন এই অভ্যাস। গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতাকে নষ্ট করে ও ত্বকের প্রয়োজনীয় তেলকে সরিয়ে দেয়। ফলে চামড়া কুঁচকে যাওয়া থেকে রুক্ষ হওয়া- সবটাই ঘটে গরম পানির কারণে। ব্লিচ ও স্ক্রাব ফর্সা হওয়ার ইচ্ছায় ব্লিচ ও স্ক্রাব করান অনেকেই। প্রথমেই মনে রাখতে হবে, গায়ের রং বদলানো অসম্ভব। ঘষেমেজে তাকে চটকদার বা জেল্লাদার করা যায় মাত্র। তাই ব্লিচ বা স্ক্রাবিংয়ে ফর্সা হওয়া যায়- এই মিথ ঝেড়ে ফেলুন। বরং বয়স ৪০ ছোঁওয়ার আগে ব্লিচ করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাও খুব বুঝে এবং ত্বকের অবস্থার উপর নির্ভর করে করানোই বুদ্ধিমানের কাজ। ঘন ঘন ব্লিচ বা স্ক্রাবিং ত্বককে ফর্সা তো করেই না, উল্টো ত্বককে কালচে করে দেয়। ধূমপান ত্বকের যত্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ধূমপান। শুধু হৃদরোগ বা ফুসফুসের ক্যানসার ডেকে আনাই নয়, ত্বকেরও প্রভূত ক্ষতি করে সিগারেটের নিকোটিন। এ ছাড়া সিগারেটের কার্বন মনো অক্সাইড ত্বকে অক্সিজেন পৌঁছানোর পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ত্বক শুকনো হয় দ্রুত। ইচ্ছামতো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ না মেনে ইচ্ছামতো ওষুধ কেনেন নিজেই? শরীরের জন্য তো বটেই, ত্বকের জন্যও খুব ক্ষতিকর এই স্বভাব। বেশ কিছু বাজারচলতি প্রচলিত ওষুধ অনেক সময় ত্বকের নানা ক্ষতি করে। সবার ত্বকের প্রকৃতিও সমান হয় না। সব ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না সব ধরনের ওষুধ। অথচ সে সব না জেনেই যথেচ্ছ ওষুধ কেনার এই ‘অসুখ’ ক্ষতি করে ত্বকেরও। প্রসাধনী বিজ্ঞাপনী চমক বা লোকমুখে শুনেই প্রসাধন কেনার স্বভাব আছে? তাহলে সতর্ক হোন। প্রত্যেকের ত্বকের প্রকৃতি আলাদা হওয়ায় সব প্রসাধন সামগ্রী সবার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না। তাই এ সব খুঁটিনাটি না জেনে, প্রসাধনীতে ব্যবহৃত উপাদান না জেনে তা কিনে ফেলা মোটেও উচিত কাজ নয়। তাই প্রসাধনী কেনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আপনার ত্বকে কোন কোন উপাদান নিরাপদ- তা জেনে তবেই কিনুন নতুন কোনও প্রসাধনী। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ত্বক-ঠোঁটের যত্নে ঘি

শীতে শুকনো ত্বক এবং ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় কমবেশি সবাই জেরবার থাকি। ফলে তড়িঘড়ি কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে রাসায়নিক-ভিত্তিক প্রসাধনী এবং ক্রিমের উপরেই আমাদের নির্ভর করতে হয়। কিন্তু আখেরে ক্ষতিকর এই সব প্রসাধনী আমাদের ত্বকের দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিই করে। বাজার ভিত্তিক ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রসাধনী পণ্যের উপর আপনার নির্ভরতা হ্রাস করে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ও প্রাকৃতিক পণ্য দিয়ে ত্বকের যত্ন নিন। ত্বক ভালো রাখতে সবার আগে সারা দিনে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না। কিছু বিশেষ উপাদান সহজেই আপনার রান্নাঘরে মিলবে যা আপনার ত্বকের যত্ন নিতে সাহায্য করবে। ঘি আপনার শুষ্ক ত্বকের জন্য পুষ্টিকর উপাদান। এতে অত্যাবশ্যক ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা আপনার ত্বক নরম এবং নমনীয় রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বকের কোষগুলোকে হাইড্রেট করে যা প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। আয়ুর্বেদে হলুদ এবং বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে ঘি ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কথা উল্লেখ আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক নরম এবং উজ্জ্বল ত্বক পেতে কীভাবে ঘি দিয়ে বাড়িতেই বানাবেন ফেসমাস্ক- ১. একটি বাটি নিন এবং ২ টেবিল চামচ ঘি, ২ টেবিল চামচ বেসন বা হলুদ নিন এবং পানি মেশান। ভাল করে তাদের মিশিয়ে নিন। ২. খুব বেশি শুষ্ক করে বানাবেন না। যদি দেখেন এই ফেসপ্যাকে বেশি পানি হয়ে গেছে তাহলে বেসন বা হলুদ মিশিয়ে নিন আরেকটু। ৩. আপনার মুখে এই ফেসপ্যাক প্রয়োগ করুন। ২০ মিনিটের জন্য ওভাবেই রেখে দিন। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সেরা ফল পেতে হলে এক সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন। ফাটা ঠোঁটের জন্য ঘি ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় ঘি একটি দুর্দান্ত ভালো ঘরোয়া প্রতিকার। এক চামচ ঘি গরম করে নিন। এর সঙ্গে সামান্য মধু মেশান। ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণ দিয়ে ঠোঁটে আলতো ম্যাসাজ করুন। প্রতিদিন এই ঘিয়ের ম্যাসাজ আপনার ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা কমাবে, ঠোঁট করবে নমনীয় ও আর্দ্র। সূত্র: এনডিটিভি একে//

ত্বকের ৩ সমস্যায় কাজে লাগান ডিম

মাছ, মাংসে অরুচি বা আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু ডিম ভালবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশি কঠিন। তবে শুধু শরীর-স্বাস্থ্য বা স্বাদের জন্যই নয়, ত্বকের জন্যেও ডিম অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। ত্বকের স্বাস্থ্য ফেরাতেও কাজে লাগাতে পারেন ডিম। ডিমের সাদা অংশে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান ত্বকের পরিচর্যায় খুবই উপকারী। তৈলাক্ত ত্বক, মুখের অবাঞ্ছিত লোম বা ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যায় আর পার্লারে ছুটতে হবে না। জেনে নিন মুখের ত্বকের কোন সমস্যায় কীভাবে ডিম কাজে লাগাতে পারেন- তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যার সমাধান তৈলাক্ত ত্বকে একাধিক সমস্যা মাথা চাড়া দেয়। ব্রণ-ফুসকুড়ি, ব্ল্যাক হেডস, কালচে ছোপ ইত্যাদি নানা সমস্যা হতে পারে তৈলাক্ত ত্বকে। ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে অত্যধিক তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। প্রথমে উষ্ণ পানি দিয়ে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এবার ডিমের সাদা অংশ পাতলা করে মুখে প্রলেপ দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার ওই প্রলেপ শুকিয়ে গেলে, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখ মোছার জন্য একটি নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন। তবে বেশি ঘষে মুখ মুছবেন না। মুখের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ মুখের ত্বকের অতিরিক্ত লোম আমাদের সৌন্দর্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে তো অবশ্যই এটি একটি সমস্যা। তাই অনেক নারীরাই পার্লারে গিয়ে থ্রেডিং করে থাকেন। তবে ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করেও মুখের ক্ষুদ্র অবাঞ্ছিত লোম দূর করা সম্ভব। সাধারণত গাল, কপাল বা ঠোঁটের উপরের অংশে অবাঞ্ছিত লোমের আধিক্য দেখা যায়। প্রথমে একটি ব্রাশ দিয়ে ডিমের সাদা অংশ পাতলা করে মুখে মেখে নিন। শুকিয়ে গেলে আরও একবার মাখুন। এভাবে ২-৩ বার করে ডিমের সাদা অংশ মেখে মাস্ক তৈরি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ওই প্রলেপ সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে, শুকনো চামড়ার মতো করে টেনে তুলে ফেলুন। দেখবেন মুখের অবাঞ্ছিত লোম আর নেই। ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যায় তৈলাক্ত ত্বকে, ধুলা-ময়লা জমে ব্রণ-ফুসকুড়ি সৃষ্ট হতে পারে। ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব মুহূর্তেই দূর হবে। তাই ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যার মোকাবিলায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্রণ আক্রান্ত অংশগুলোতে ডিমের সাদা অংশের প্রলেপ লাগিয়ে দিন। তবে খেয়াল রাখবেন, কোনও শক্ত ব্রাশ দিয়ে নয়, পরিষ্কার আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো ভাবে ব্রণ আক্রান্ত অংশগুলোতে ডিমের সাদা অংশের প্রলেপ লাগান। দ্রুত ভাল ফল পেতে এর সঙ্গে টক দই, দারচিনির গুঁড়া বা হলুদ যোগ করতে পারেন। সূত্র: জি নিউজ একে//

চোখের নিচের কালি দূর করার ৭ উপায়

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেকক্ষণ জাগতে হচ্ছে ইদানীং? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা। গ্রিন টি গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুইটি টি-ব্যাগ এক কাপ গরম পানি ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠাণ্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল পানিতেও টি-ব্যাগ ডুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের পানিটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠাণ্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি। খাবার বদলান চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নিচের কালি কমবে। শসার ব্যবহার শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটি চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে। ভিটামিন সি চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নিচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে। ঠাণ্ডা চামচ বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটটি চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নিচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন। সিগারেট এড়িয়ে খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যারা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তারাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু’টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে। ন্যুড আইলাইনার চোখ ক্লান্ত থাকলে চোখের পাতা বেশি পড়ে। ফলে আপনি যদি কালো মোটা আইলাইনার বেশি ব্যবহার করেন, তাহলে ওপরের পাতা থেকে বেশি পরিমাণে লাইনার নিচে ঝরবে। তাতে চোখের নিচে কালি পড়েছে বলে মনে হবে। এবং চোখকে বেশি ক্লান্ত দেখাবে। এ ক্ষেত্রে ন্যুড আইলাইনার ব্যবহার করুন। চোখকে কম ক্লান্ত দেখাবে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ত্বকের ক্ষতি আটকানোর ৬ উপায়

যারা স্বাস্থ্য সচেতন, তারা একসারসাইজ করেন ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে। কিন্তু এ সবের মধ্যে নজর সরে যায় ত্বকের থেকে। মানে, নিত্য চড়া মেকআপের ফলে ত্বকের যে মারাত্মক ক্ষতি হয়, তার থেকে নজর দিতে ভুলে যান অনেকেই। কিন্তু খুব সহজেই ত্বকের ক্ষতি আটকানো যায়। ত্বককে ডিটক্স করা যায়। তেমনই কয়েকটা সহজ পদ্ধতির সন্ধান দু’বার ক্লিনজ বছরের অন্য সময় হয়তো দিনের মাথায় একবার ত্বক ক্লিনজিং করেন। কিন্তু পার্টির মৌসুমে সেটা দু’বার করুন। সকালে একবার, রাতে একবার। মেকআপ, ময়লা এবং দূষিত পদার্থ দূর করার জন্য হালকা উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন। একদম নরম কাপড় এই উষ্ণ পানিতে ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। ক্লিনজিং অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। তাতে ত্বক নরম হবে। মুখের রোমকূপের মধ্যে থাকা দূষিত পদার্থ আরও সহজে পরিষ্কার করতে পারবেন এই ক্লিনজিং অয়েলের ব্যবহারে। পিল ত্বকের সহজাত উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে এবং ত্বককে ডিটক্স করতে পিলিং-এর জুড়ি নেই। যাদের খুব সেনসিটিভ ত্বক, তাদের অনেক সময় অ্যালার্জির সমস্যা হয় অতিরিক্ত পিলিং সলিউশন ব্যবহার করলে। সে ক্ষেত্রে কাপড়ে এই সলিউশন ভিজিয়ে নিয়ে সেটা ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। তারপর যদি সমস্যা না হয়, তাহলে দ্বিতীয় বার ব্যবহার করতে পারেন। মাড ডিটক্স সাধারণ ক্লিনজিং ফেস প্যাক ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার বা ডিটক্স করাই যায়। কিন্তু তার চেয়েও ভালো হয়, যদি আপনি মাড ডিটক্স করেন। এমন ফেস প্যাক কিনুন, যেটার মধ্যে মাড রয়েছে। এই ধরনের প্যাক আপনার ত্বককে অনেক গভীরে গিয়ে পরিষ্কার করবে। এবং রোমকূপ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে। স্বল্প মেকআপ মাথায় রাখবেন, পার্টির মৌসুমে চড়া মেকআপের কারণে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। তাই বছরের এই সময়টা মেকআপ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। যদি পার্টি না থাকে, মেকআপের মাত্রা কমিয়ে ফেলুন। যদিও বাড়ি থেকে বেরনোর সময় বা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় মেকআপের দরকার হয়। সে ক্ষেত্রে কোনও চড়া কসমেটিক নয়, ভালো মানের সাধারণ কাজল, লিপস্টিক ব্যবহার করুন। তাতে আপনার সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনই ত্বকের ক্ষতি কম হবে। ময়শ্চারাইজ করন চড়া মেকআপের ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই ত্বকের ক্ষতি হতে থাকে। এবং ত্বকের তলায় টক্সিন জমা হতে থাকে। দিনে এবং রাতে হালকা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। মনে রাখবেন কোনও একবার ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করার আগে, আগের বারের ময়শ্চারাইজার পরিষ্কার করে নেবেন। না হলে ত্বকে ময়লা জমে থাকবে। বেশি পানি খান মনে রাখবেন, শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো ডিটক্স হল পানি। পার্টির মৌসুমে ভারী খাবার হজম করার জন্য শরীরে বেশি পানি লাগে। আর পানি কম খেলে ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই এই সময় একটু বেশি পানি খান। তবে কতটা বেশি, তা বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই করা ভালো। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ওয়্যাক্সিং না শেভিং, ত্বকের জন্য কোনটা বেশি ক্ষতিকর?

সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তবে ত্বকের অতিরিক্ত লোম আমাদের সৌন্দর্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়ে ওয়্যাক্সিং বা শেভিংয়ের। কিন্তু অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘোরাফেরা করে, ত্বকের জন্য কোনটা বেশি ভালো— ওয়্যাক্সিং না শেভিং? আসুন জেনে নেওয়া যাক এর উত্তর... ১) শেভিংয়ে ব্যথা কম হয়। ওয়্যাক্সিং খুব বেদনাদায়ক। ২) শেভিং সময়সাপেক্ষ। ওয়্যাক্সিংয়ে সময় অপেক্ষাকৃত অনেক কম লাগে। ৩) শেভিংয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, র‌্যাশ বের হয়, লোমও ধীরে ধীরে মোটা হতে থাকে। ওয়্যাক্সিং করলে গোড়া থেকে লোম উঠে আসে। ফলে কয়েক সপ্তাহ ত্বক থাকে লোমহীন, কোমল। ৪) ওয়্যাক্সিং করলে ত্বক পুড়ে যেতে পারে, কালচে ছোপ পড়তে পারে। নষ্ট হয়ে যেতে পারে ত্বকের নমনীয়তা। শেভিংয়ের সময় ময়েশ্চারাইজর ব্যবহার করলে ত্বক পুড়ে যাওয়া বা ত্বকে কালচে ছোপ পড়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। ৫) বাজার চলতি সস্তার যে কোনও ওয়্যাক্স স্ট্রিপস ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়। খুব ভাল রেজার হলেও সেটা দিয়ে ২-৩ বারের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

চেহারায় যৌবন ধরে রাখার সহজ উপায়

ক্যালেন্ডারের নিয়মে বয়স তো বাড়বেই। হাজার চেষ্টা করেও তাকে আটকে রাখা যাবে না। কিন্তু চেহারায় বয়সের ছাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পারেন আপনি। তাও আবার একেবারেই নামমাত্র খরচে! চুলে পাক থেকে কুঁচকে যাওয়া ত্বক রুখতে প্রায়ই স্যাঁলোতে বেশ কিছুটা সময় কাটান অনেকেই। তবে সে সবে পকেটে চাপও পড়ে যথেষ্ট। আবার এক শ্রেণির কাছে ত্বক পরিচর্যার জন্য আলাদা করে কোনও সময় বা অর্থ থাকে না। কিন্তু ত্বকের কিছু কিছু যত্ন কমবেশি সকলেরই নেওয়া উচিত। তা হলে কি স্যাঁলো ছাড়া গতি নেই? তা কেন? বরং বাড়িতেই বানিয়ে নিন অ্যান্টি এজিং ফেসিয়াল মাস্ক। নিয়মিত ব্যবহারে জেল্লা তো বাড়বেই, সঙ্গে চেহারায় থাকবে না বয়সের ছাপ। বিভিন্ন ত্বকের জন্য বিভিন্ন মাস্ক বিশেষ কার্যকর। কোন ত্বকের জন্য কেমন মাস্ক কাজে আসবে দেখে নিন। শুষ্ক ত্বকের জন্য উপকরণ: ডিমের কুসুম, দই, মধু ও আমন্ড অয়েল। একটি বড় পাত্রে একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ দই, এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল একসঙ্গে নিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন।এই মিশ্রণ গাঢ় হয়ে এলে একেমুখে লাগিয়ে অন্তত দশ-পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন।শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। মধুপ্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি আপনার ত্বককে নরম করবে। আমন্ড ও ডিমের কুসুম ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে ও মৃত কোষ ঝরিয়ে ত্বককে পরিশোধিত করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকরণ: গাজর, মুসুর ডাল বাটা এবং মধু। গাজর ভাল করে সেদ্ধ করে, চটকে তার পেস্ট বানিয়ে নিন। এ বার পেস্ট করা গাজরের সঙ্গে যোগ করুন এক চামচ মুসুর ডাল বাটা ও এক টেব্ল চামচ মধু। এই মিশ্রণ কিছু ক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এর পর মুখ ধুয়ে এই মিশ্রণ আপনার ত্বকে লাগিয়ে মিনিট দশ রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গাজরে থাকা ভিটামিন এ এবং সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কুঞ্চন রোধ করে। মধু ত্বককে ময়শ্চারাইজ করার পাশাপাশিত্বকের জেল্লা বাড়ায় ও মুসুর ডাল বাটা ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে ত্বকের দাগছোপ দূর করে। সাধারণ ত্বকের জন্য উপকরণ: মধু,অ্যাভোকোডা ও ডিমের কুসুম। দু’চামচ মধু, এক চামচ অ্যাভোকাডো ও একটি ডিমের কুসুম একসঙ্গেমিশিয়ে নিন। এ বার ত্বক পরিষ্কার করে মুখে এই মিশ্রণটি মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন মুখ। অ্যাভোকাডো ও ডিমের কুসুম ত্বকের মৃতকোষ ঝরিয়ে ত্বককে টানটান রাখবে। মধু ত্বকের আর্দ্রতা বাড়িয়ে জেল্লা ধরে রাখবে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

নাকে-মুখে ব্ল্যাকহেডস দূর করবে আলু!

একুশে টেলিভিশন অনলাইন ডেস্ক: মানুষ তার মুখ নিয়ে সব সময় সচেতন। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত মুখের ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া। আর মুখের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল ব্ল্যাকহেডস।       আমাদের অনেকেরই নাকে ও মুখে ব্ল্যাকহেডস ওঠে। আর এই ব্ল্যাকহেডস নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই! পার্লারে গিয়ে স্ক্র্যাবিং, ফেসিয়াল, ক্লিনিং— কত কী না করি আমরা! তার পরেও সমস্যা কিন্তু থেকেই যায়। ব্ল্যাকহেডস-এর এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করতে আজ জেনে নিন আলুর ব্যবহার। অবাক হচ্ছেন! ত্বকের পরিচর্যায় আলু অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস-এর সমস্যায় এটির কার্যকারীতা অবিশ্বাস্য!   উপকরণ:১টি মাঝারি মাপের আলু,১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার,পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি। পদ্ধতি:১) একটি মাঝারি মাপের আলু ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন।   ২) এ বার আলুর টুকরোগুলো অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করুন বা মিহি করে বেটে নিন।৩) আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি সামান্য জল দিয়ে পাতলা করে নিন।৪) এ বার এই মিশ্রণটি একটি আইস ট্রেতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রেখে দিন।৫) ক্লিনজার বা সামান্য উষ্ণ পানি দিয়ে মুখ ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।৬) এ বার বরফ হয়ে যাওয়া আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণের টুকরো নিয়ে ত্বকের উপর (বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে) মালিশ করুন।৭) দিনে ২-৩ বার এই পদ্ধতিতে আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি দিয়ে ত্বকের ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে পারলে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।    এসি        

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি