ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৬:৪৫

রূপচর্চার এই ৫ ভুলই আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে

রূপচর্চার এই ৫ ভুলই আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে

রূপচর্চা নিয়ে একেবারেই কিছু ভাবেন না এমন মানুষের সংখ্যা কম। সাজগোজের সময় পছন্দের নানা প্রসাধনও ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে ত্বক পরিচর্যায় ও মেক আপের ক্ষেত্রে এমন কিছু ভুল আমরা প্রায়শই করে বসি, যার খেশারত দেয় আমাদের ত্বক। অ্যালার্জি থেকে শুরু করে ত্বকে র‌্যাশ এ সব অনেক সমস্যার কারণই কিন্তু মেক আপের ভুল। আপনিও কি এই সব ভুলের কারণে অজান্তেই প্রতি দিন নিজের ত্বককে ঠেলে দিচ্ছেন ক্ষতির দিকে? ত্বকের সমস্যা কমানো থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পেতে আজই বদলে ফেলুন এই স্বভাবগুলো। দেখে নিন প্রসাধন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী কী ভুল প্রায়ই করে থাকি আমরা। মেক আপ রিমুভ অধিকাংশ মানুষই বাড়ি ফেরার পর ক্লান্তির দোহাই দিয়ে মেক আপ না তুলেই ঘুমিয়ে পড়েন। কেউ কেউ আবার ভুলেই যান মেক আপ তোলার কথা। প্রসাধনী দ্রব্যের প্রায় সবই নানা রাসায়নিক পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি। মেক আপ না তুললে আপনার ত্বকের ভিতর সারা রাত ধরে মেক আপের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থগুলো শোষিত হয়। এর ফলে আপনার ত্বকে জ্বালা, ব্রণ এবং শুষ্ক ভাব দেখা দেয়। বাতিলের তারিখ বেশ কিছু প্রসাধনী দ্রব্য আছে, যা প্রয়োজনীয় হলেও সারা বছর কম ব্যবহৃত হয়। আবার কিছু প্রসাধনী রোজই আমাদের কাজে লাগে। তবে যে ধরনের প্রসাধন সামগ্রীই ব্যবহার করুন না কেন, এদের প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত কাজ করার ক্ষমতা থাকে। খারাপ হয়ে যায় ও ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে। প্রসাধন বা তার বাক্সের গায়ে এই দিনক্ষণ লিখে দেওয়া থাকে। কেনার সময় অবশ্যই সেই দিন দেখে কিনুন। ব্যবহারের আগেও দেখে নিন এই বাতিলের তারিখ। ত্বকের সমস্যাকে অবহেলা ত্বকে ফুসকুড়ি, ব্রণ বা র‌্যাশ এলেও অনেক সময় সে সব আমরা তোয়াক্কা করি না। তার উপরেই ত্বক পরিচর্যা নানা রাসায়নিক ব্যবহার করে ফেলি। বিভিন্ন ফেস প্যাকও লাগাই। এটি ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এমন স্বভাব থাকলে আজই বদলান। বিজ্ঞাপন সোশ্যাল সাইট বা গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। অনেকেই সে সবে মজে প্রসাধনী দ্রব্য কিনে ফেলেন। নিজের ত্বকের প্রকৃতি ও সমস্যা না জেনে শুধুই বিজ্ঞাপনের চমকে ভুলে কোনও দ্রব্য কেনার অভ্যাস থাকলে তাতে রাশ টানুন। ক্রমাগত বদল বার বার মেক আপে সামগ্রীর সংস্থা বদল করা অনেকেরই অভ্যাস। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্বভাবও ত্বকের খুব ক্ষতি করে। সাধারণত, একটি মেক আপ সামগ্রীর সঙ্গে ত্বকের খাপ খাওয়াতে এক মাস মতো সময় লাগে। কিন্তু অনেকেই আছেন, দিন কয়েকের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেই সেই সংস্থাকে ভুলে নতুন কোনও সংস্থার প্রসাধনী দ্রব্য কেনেন। ত্বকের উপর এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ত্বকেরই।  সূত্র: আনন্দবাজার একে//
শীতে ফাটা ঠোঁটের যত্নে ৬ টোটকা

গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে শীতকাল আমাদের মুক্তি দিলেও বাতাসের রুক্ষ্মতা আমাদের ত্বককে আরও রুক্ষ্ম করে তোলে। ফলে শীতকালে আমাদের ঠোঁট ফাটে, রুক্ষ্ম শুষ্ক হয়ে ওঠে। তাই এ সময় ঠোঁটের যত্নের প্রয়োজন। আমাদের রান্নাঘরে রোজকার প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঠোঁটের যত্নের উপাদান। আমাদের এবারের আয়োজনে থাকছে ঠোঁটের যত্নের কিছু ঘরোয়া টিপস। শীতে ঠোঁটের যত্নে কিছু ঘরোয়া টোটকা: ১) অ্যালোভেরা এটি একটি সহজলভ্য গাছ, আপনি নিজের বাড়ির বাগানের এই গাছ লাগিয়ে রাখতে পারেন। অ্যালোভেরা রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখলে শুষ্ক ঠোঁটের হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ২) ঘি এক ফোঁটা ঘি ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এটি ঠোঁটের শুষ্কতা কমিয়ে ঠোঁট নরম রাখতে সাহায্য করবে। ৩) মধু মধু ও গ্লিসারিনের পেস্ট বানিয়ে ঠোঁটে লাগান আর নরম ঠোঁট পান। ৪) গোলাপের পাপড়ি ও দুধ টাটকা গোলাপের পাপড়ি নিয়ে কাঁচা দুধে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর সারা দিনে অন্ততঃ তিন বার এটা ঠোঁটে লাগান। ঠোঁট হবে কোমল ও মসৃণ। ৫) চিনি চিনি স্ক্র্যাবার হিসেবে কাজ করে এবং মৃত কোষ ঠোঁট থেকে তুলে ঠোঁটকে নরম করে তোলে। ৬) নারকোল তেল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে নারকোল তেলের গুরুত্ব অনেক। অল্প একটু নারকোল তেল গরম করে ঠোঁটে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন ও সকালে উঠে নরম ঠোঁট পান। এই শীতে উপরিউক্ত পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করুন এবং আপনার ঠোঁটকে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করুন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/

যেভাবে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে মিটবে ঘামের সমস্যা

সুস্থ ত্বকের জন্য যত্ন তো নিতেই হয়। আর তাই ঋতু বিশেষে ত্বকের যত্নে বেশ কিছু পরিবর্তন আমরা করেই থাকি। আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ত্বককে ভাল রাখতে গেলে এ ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। তবে ত্বকের প্রাথমিক যত্নের যে ক’টি উপায় সারা বছরই কম-বেশি এক থাকে, তার অন্যতম একটি সানস্ক্রিন ব্যবহার। এর সান প্রিভেনটিভ ফ্যাক্টর বা এসপিএফ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়িতে থাকুন বা বাইরে, দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা খুব প্রয়োজন। মেঘলা আকাশ থাকলেও সানস্ক্রিন মাখারই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই সানস্ক্রিন নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ঘাম। অনেকেরই সানস্ক্রিনের প্রভাবে তীব্র ঘাম হয়। তাই ত্বক পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকলেও সানস্ক্রিন মাখতে চান না কেউ কেউ। আবার অনেকে ঘামের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে বারে বারে নানা সংস্থার তৈরি সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। তাতেও বিশেষ ফল হয় না। তবে দু’টি ছোট বিষয় জানা থাকলে এই ঘামের হাত থেকে বাঁচতে পারেন আপনিও। বার বার সংস্থা না বদলে আপনার ত্বকে সমস্যা তৈরি করে না এমন কোনও সানস্ক্রিনেই আস্থা রাখুন, কেবল মেনে চলুন দু’টি নিয়ম। তাতে ঘামের হাত থেকে যেমন রক্ষা পাবেন, তেমনই সূর্যের আলোয় পুড়বে না ত্বক। রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই সানস্ক্রিন কেনার সময় নির্দিষ্ট এসপিএফ কত তা দেখে নিন, আমাদের ধারণা, বেশি এসপিএফ মানেই বোধ হয় বেশি সূর্যালোক রোধ করা। এই ধারণা ঠিক নয়। সাধারণত, নির্দিষ্ট অঞ্চলের আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে এসপিএফ বাছা উচিত। এবার অবলম্বন করুন ছোট একটি কৌশল। সানস্ক্রিন মাখার আগে অবশ্যই তাতে সামান্য পানি মিশিয়ে নিন। সানস্ক্রিনের সঙ্গে পানির এই মিশ্রণ ভাল করে মেখে নিন শরীরে। পানির প্রভাবে শরীরের রোমকূপকে ঠাণ্ডা রাখবে, আবার সামস্ক্রিনের মধ্যে থাকা রাসায়নিকের ঘনত্বকেও পানি অনেকটা লঘু করে দেবে। ফলে ঘাম কমে যাবে অনেকটাই। কাজেই ঘামের ভয়ে সানস্ক্রিন মাখা বন্ধ করার কোনও কারণই নেই! বরং এই উপায়ে সানস্ক্রিন মেখে সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন ত্বক। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শীতকালে পা ফাটা রোধে ঘরোয়া সহজ উপায়

শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে শরীরের ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায় ও তা ফাটতে থাকে। পায়ের পাতায় এর প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। অনেকের আবার পা ফেটে রক্তও বেরতে থাকে। ফাটা পা যেমন দেখতে খারাপ লাগে তেমনই তা কষ্টদায়কও। পায়ের পাতার উপর সারা শরীরের ভর পড়ে, পথে ঘাটে ধুলোর সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে শরীরের এই অংশই। তাই এমনিতেই পায়ের পাতার জন্য অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন হয়। কিন্তু শরীরের নানা যত্ন নিলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে পায়ের পাতার দিকে খুব একটা নজর দিই না আমরা অনেকেই। তারই মাশুল গুনতে হয় শীতকাল এলে। তবে যদি চান, তবে এই শীতেও আপনার পায়ের তলা থাকতে পারে নরম ও তেলা। খরচও খুব নামমাত্র। সহজলভ্য দু’-তিনটি উপাদানই এর জন্য যথেষ্ট। এই উপায়ে পায়ের যত্ন নিলে গোটা শীতকাল পা তো ফাটবেই না, বরং রুক্ষ ও ফেটে যাওয়া ত্বকের অংশও মোলায়েম হয়ে উঠবে। জানেন কী স‌েই উপায়? একটি পাত্রে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল নিন। এতে মিশিয়ে নিন গরম গলানো মোম। এ বার মোম জমে যাওয়ার আগেই ঈষদুষ্ণ এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন পায়ের তলায়। তবে এর পর খুব বেশি হাঁটাচলা করবেন না, তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে পারলে ভাল হয়। সকালে উঠে পায়ে জমে যাওয়া মোম-তেলের মিশ্রণ ফেলে দিয়ে ধুয়ে নিন পা। শীতে প্রায় রোজই এই উপায়ে যত্ন নিতে পারেন পায়ের তলার। এতে পা ফাটা দূর হওয়ার সঙ্গে পায়ের তলা পরিষ্কার ও নরম থাকবে। আরও ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দু’-তিন দিন এই মিশ্রণের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধুও মেশাতে পারেন। পায়ের নিচে অনেক স্নায়ু থাকে। তাই এই উষ্ণ মিশ্রণ সেখানে মাখালে তার প্রভাবে শরীর গরম থাকে, ঘুমও ভাল হয়। এভাবেই সারা দিন পরিশ্রমের পর রাতে ঘুমনোর আগে মিনিট পাঁচেক সময় আর পকেটসই খরচেই এবার শীতে পায়ের তলাকে রাখুন আরামদায়ক ও মসৃণ। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ত্বকের যত্নে টুথপেস্টের এই ব্যবহারগুলো জানেন?

ত্বকের পরিচর্যাতে টুথপেস্টের ব্যবহার সম্পর্কে কোনও ধারণা আছে? আসলে ত্বকের যত্নে টুথপেস্ট থেকে মিলতে পারে এমন কিছু চমকপ্রদ উপকারিতা, যা বাজার চলতি নামী-দামি সৌন্দর্যবর্ধক প্রসাধনীও দিতে পারে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ত্বকের সমস্যার সমাধানে টুথপেস্টের আশ্বর্যজনক ব্যবহার। ব্রণের সমস্যায় ব্রণের সমস্যাতেও টুথপেস্ট দারুন কার্যকরী। বিশেষ করে ব্যথাযুক্ত ব্রণের ক্ষেত্রে। রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণের উপর টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণের ফোলা ভাব অনেক কমে গেছে আর ব্যথাও অনেক কম। হোয়াইট হেডস-এর সমস্যায় ধুলা-ময়লা, দূষণ, মেকআপ ইত্যাদির কারণে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে। ফলে দেখা দেয় ব্ল্যাক হেডস। ব্ল্যাক হেডস-এর পূর্ববর্তী অবস্থা হল হোয়াইট হেডস। এতে লোপকূপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। যে সব জায়গায় এই হোয়াইট হেডস রয়েছে যেমন, নাক, কপাল, চিবুক- সে সব জায়গায় পুরু করে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগান। শুকিয়ে গেলে খুঁটে খুঁটে তুলে ফেলুন। এরপর ভাল করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল মিলবে চমকে দেওয়ার মতো! মুখের বলিরেখার সমস্যায় শুধু যে বয়স বাড়লেই ত্বকে বলিরেখা পড়ে, তা কিন্তু নয়! অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণেও আকালে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। টুথপেস্টকে পানিতে মিশিয়ে পাতলা করে নিন। এবার মুখ, গলায়, ঘাড়ে এটির প্রলেপ লাগান। না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পেস্ট শুকিয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এভাবে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। বলিরেখার সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে। অনুজ্জ্বল ত্বকের সমস্যায় চটজলদি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে টুথপেস্টের জুড়ি মেলা ভার! বাইরে যাবার আগে যদি ত্বকের যত্ন নেবার জন্য যথেষ্ট সময় না থাকে তাহলে ব্যবহার করুন টুথপেস্ট। সাধারণ ফেসওয়াসের মতোই টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ত্বক। সূত্র: জিনিউজ একে//

শীতে ত্বকের সুরক্ষায় ৪ ঘরোয়া উপায়

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা যা জেরোসিস নামে পরিচিত। এটি এমন এক ত্বকের অবস্থা যা ত্বকের বাইরের স্তরে আর্দ্রতার অভাব ঘটায়। চিকিত্সা না হলে শুষ্ক ত্বকে ফাটল, সাদা দাগ এবং সংক্রমণ দেখা যায়। শুষ্ক ত্বক সাধারণত গরম বা ঠান্ডা আবহাওয়া, গরম পানিতে স্নান এবং কম আর্দ্রতার পরিবেশগত কারণেও ঘটে। শুষ্ক ত্বক সাধারণত অস্থায়ী এবং সাধারণত শীতকালে এই সমস্যা বাড়ে। অতএব, শুষ্ক ত্বক আর্দ্র রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুষ্ক ত্বকের সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য ঘরোয়া প্রতিকার- ১) নারকেল তেল আমরা সবাই নারকেল তেলের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা জানি। শুষ্ক ত্বকের চিকিত্সা করতে দুর্দান্ত কাজ করে প্রাকৃতিক নারকেল তেল। নারকেল তেল শুষ্ক ত্বকের চিকিত্সার জন্য পেট্রোলিয়াম জেলি হিসাবে নিরাপদ এবং কার্যকর। এই তেল উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বকের হাইড্রেশন উন্নত করে এবং ত্বকে লিপিডের (চর্বি) সংখ্যা বৃদ্ধি করে। ২) দুধ যদি ত্বকে চুলকানি বোধ করেন এবং আপনার ত্বকে সাদা দাগ দেখতে পান তবে ঠান্ডা দুধ ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা দুধ একটি কাপড় ভিজিয়ে তা পাঁচ থেকে দশ মিনিটের জন্য আপনার ত্বকে প্রয়োগ করুন। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড আপনার শুষ্ক ত্বকের জন্য বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে। যদি ত্বকে চুলকানি বোধ করেন এবং আপনার ত্বকে সাদা দাগ দেখতে পান তবে ঠান্ডা দুধ ব্যবহার করতে পারেন। ৩) দই আপনার ত্বকে দই প্রয়োগ করলে মুখে ময়শ্চারাইজারের পরিমাণ ঠিক থাকে এবং ব্রেকআউটের বিরুদ্ধেও তা লড়াই করতে পারে। মুখে দই প্রয়োগ করলে তা আপনার ত্বক নরম এবং ময়শ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। এটি আপনার ত্বককে একটি মসৃণ টেক্সচার দেয়। আপনার ত্বকে সাদা দই প্রয়োগ করুন এবং প্রায় পনেরো মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন। তারপর উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। শুষ্কতা হ্রাস করতে সপ্তাহে কয়েকবার বা প্রতিদিনই দই প্রয়োগ করতে পারেন। ৪) মধু শুষ্ক ত্বকের জন্য আরেকটি দুর্দান্ত ঘরোয়া প্রতিকার হল মধু। মধু খুবই ময়শ্চেরাইজিং, এবং শুষ্কতা কমিয়ে ত্বক নরম করতে সাহায্য করবে। মধুতে অনেক ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে এবং এতে অ্যান্টিমাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। আপনি ফেস মাস্ক হিসাবে কাঁচা মধু প্রয়োগ করতে পারেন। শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিনবার মধু প্রয়োগ করলে আপনার ত্বকের শুষ্কতা এবং সাদা দাগগুলি হ্রাস পাবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য আরেকটি দুর্দান্ত ঘরোয়া প্রতিকার হল মধু। তথ্যসূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

ঘাড়ের জেদি দাগ দূর করার ঘরোয়া ৪ উপায়

রূপচর্চায় সর্বাধিক গুরুত্ব পায় আমাদের মুখ৷ তারপর আসে হাত এবং পা৷ তারপর, অন্যান্য বডি পার্টগুলো৷ বেশিরভাগ সময়ই আমরা গুরুত্ব দিই না আমাদের ঘাড়ের অংশকে৷ যার ফলে অনেক সময় বিচ্ছিরি কালো ছোপও দেখা যায়৷ সুন্দর গ্লোয়িং মুখ আর শুষ্ক, দাগে ভরা ঘাড়৷ যা খুবই বেমানান৷ অনেকে চটজলদি সলিউশন পেতে দৌড়ান বিউটি পার্লারে৷ পকেটের টাকা তো যায়ই, তবুও মেলে না মনমত সমাধান৷ কিন্তু বাড়িতে বসেই পেতে পারেন এই জেদি সমস্যার সমাধান৷ খুবই কম খরচে৷ যেখানে প্রয়োজন কয়েকটি সাধারণ গৃহস্থালী দ্রব্যের৷ যেগুলোর নিয়মিত ব্যবহার ম্যাজিকের মত কাজ করবে৷ আর নিমেষে ছু মন্তর করবে দাগের সমস্যাকে৷ তালিকাতে রইল একাধিক ঘরোয়া উপাদান৷ বেসন বেসনের পদ খেতে কে না ভালবাসে৷ সে তেলেভাজাই হোক বা অন্যকিছু৷ হকের রকমের জিভে পানি আনা পদ তৈরির এই উপাদান আপনার ত্বকের জন্যও ভীষণ উপকারী৷ ত্বককে করতে পারে গ্লোয়িং এবং ফ্রেস৷ ডেড সেল রিমুভ করতে মোক্ষম কাজ করে এটি৷ তাই এটিকে ব্যবহার করেই বানিয়ে ফেলতে পারেন হোমমেড প্যাক৷ প্যাক বানাতে বেসনের সঙ্গে অল্প হলুদ গুড়া এবং গোলাপ জল মিশিয়ে নিন৷ এরপর মিশ্রণটিকে ভাল করে ঘাড়ের উপর লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন৷ টমেটো ব্রণের সমস্যায় টমেটো ভীষণই কার্ষকরী৷ এছাড়া সানবার্ণ এবং ডালস্কিনের জন্যও বিশেষ উপকারী৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের গুণে ভরপুর থাকে উপাদনটি৷ টমেটোর সঙ্গে অল্প মধু মিশিয়ে নিয়ে দাগের জায়গাতে লাগিয়ে নিন৷ কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন৷ লেবু ন্যাচারাল ব্লিচের কাজ করে লেবু৷ এছাড়া লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে, যেটি স্কিন ব্রাইটেনিংয়েরও কাজ করে৷ অলিভ ওয়েলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্কিনে অ্যাপ্লাই করুন৷ এক মাস টানা মিশ্রনটির ব্যবহার করুন৷ ফল পাবেন একবারে হাতেনাতে৷ দুধ কাঁচা দুধ ব্যবহার করতে পারেন ঘাড়ের দাগ তোলার জন্য৷ লো-ফ্যাটযুক্ত দুধ নিয়ে তুলার সাহায্য ঘাড়ে দাগের অংশগুলোতে অ্যাপ্লাই করুন৷ ভাল করে শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন৷ টানা এক মাস নিয়মিত লাগান৷ নিজের চোখেই দেখতে পারেন পরিবর্তন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ত্বকের সমস্যায় ব্যবহার করুন তেঁতুলের ফেসওয়াশ

কোনও বিশেষ রান্নাতে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ করতে তেঁতুলের জুড়ি মেলা ভার৷ কিন্তু জানেন কী নিমেষে আপনার ত্বকের জৌলুস ফিরিয়ে আনতে পারে এই ফলটি? মাড়ম্যাড়ে জেল্লাহীন ত্বককে মুহূর্তে বানাবে গ্লোয়িং, আকর্ষণীয়৷ তাই এবার ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন তেঁতুলের ফেসওয়াশ৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে সেই ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে৷ কখনও চামড়া ঝুলে যাওয়ার সমস্যা তো কখনও জেদি দাগের সমস্যা৷ ত্বকের সমস্যা যেন পিছু ছাড়ে না৷ কিন্তু এই ধরণের সমস্যাকে এক চুটকিতে দূর করবে রান্নাঘরের এই অতি সাধারণ উপাদানটি৷ যেটির নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে সফট, গ্লোয়িং এবং সুন্দর৷ শুধু তাই নয়, যৌবনকেও ধরে রাখতে সক্ষম এই উপাদান৷ পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়ামের মত উপাদানগুলো প্রচুর পরিমাণে থাকে তেঁতুলের মধ্যে৷ অনেকেই হয়ত জানেন না, তেঁতুলের মধ্যে প্রোটিনের পরিমাণও থাকে যথেষ্ট পরিমাণে৷ এছাড়াও, তেঁতুলের মধ্যে অ্যাসিড জাতীয় উপাদান থাকার জন্য এটি খুব ভাল ফেস ক্লিনার এবং টোনারের কাজ করে৷ ত্বককে হেলদি রাখতে ত্বককে ডিপ ক্লিন করাটাও ভীষণ জরুরি৷ কীভাবে বানাবেন তেঁতুলের ফেসওয়াশ? প্রথমেই আসা যাক উপাদানের বিষয়ে৷ ট্যামারিন্ড ফেসওয়াশ তৈরির উপাদান খুবই কম৷ তেঁতুলের জুস (দুই চামচ), মধু (এক চামচ), দই (এক চামচ), আমন্ড ওয়েল (এক চামচ), গোলাপ জল (এক চামচ), ভিটামিন-ই পাওডার (হাফ চামচ)৷ এই হল ফেসওয়াশ তৈরির গুটিকয়েক উপাদান৷ এবার প্রণালী৷ তেঁতুলের সঙ্গে দই ভালভাবে মিশিয়ে নিন৷ মিশ্রণটিতে ভিটাইন-ই যোগ করুন৷ এবার অন্য একটি পাত্রে গোলাপ জল, মধু এবং আমন্ড ওয়েল নিয়ে একটি মিশ্রণ বানান৷ সেটিকে আগের মিশ্রণটির সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন৷ ব্যাস! এবার রেডি আপনার ট্যামারিন্ড ফেসওয়াশ৷ মিশ্রণটিকে একটি এয়ারটাইট পাত্রে ভরে রাখুন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

উকুনের সমস্যা দূর করার শতভাগ কার্যকর ভেষজ

চুলের গোড়া ভেজা থাকলে, চুল ময়লা থাকলে উকুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। ছোটরা তো বটেই, বড়রাও উকুনের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আর উকুন এমন একটি জিনিস, যা বাড়িতে একবার প্রবেশ করলে সবার মাথায় ছড়িয়ে যায়। উকুনের সমস্যা একবার শুরু হলে একেবারেই পিছু ছাড়তে চায় না। এদিকে উকুন নাশক শ্যাম্পু ব্যবহারে উকুনের সমস্যা কমে ঠিকই, কিন্তু এতে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাবে অনেকেরই চুল পড়ে অর্ধেক হয়ে যায়। তাই বাড়িতেই তৈরি করে রাখতে পারেন উকুননাশক সিরাম। এটা বেশ কিছু দিন ঘরে রেখে ব্যবহার করা যাবে। উপাদানগুলি সবই সহজলভ্য। এ বার জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায়ে উকুননাশক সিরাম তৈরি ও ব্যবহারের পদ্ধতি। সিরাম তৈরি করার উপকরণ- আমলকির তেল ৫০ গ্রাম, তিলের তেল ১০০ গ্রাম, কালোজিরা তেল ১০০ গ্রাম এবং নিম পাতা গুঁড়ো ২-৩ টেবিল চামচ। সিরাম তৈরি করার পদ্ধতি- সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। খুব হালকা করে গরম করুন। খেয়াল রাখবেন যেন ফুটে না ওঠে। ঠান্ডা করে বোতলে ভরে রাখুন। ব্যবহারবিধি: ১) তেল ব্যবহার শুরুর আগে বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব বদলে নিতে হবে এবং গরম পানি দিয়ে ঘরের তা ধুয়ে নিতে হবে। ২) সবকিছু বদলে ফেলার পর মাথায় তেলটি দিয়ে ভাল করে মালিশ করতে হবে। এর সঙ্গে অন্য কিছু মেশানো যাবে না। যাদের মাথায় উকুনের কামড়ে ঘা হয়ে গিয়েছে, তাদের একটু জ্বলতে পারে প্রথম প্রথম। মাথার তালুতে ও পুরো চুলে ভাল করে মালিশ করতে হবে। ৩) সিরাম মালিশ করার ২-৩ ঘণ্টা পর মিহি দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল ভাল করে আঁচড়াতে হবে। ৪) সব মিলিয়ে মোটামুটি ৩-৪ ঘণ্টা রাখার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ৫) এই ভেষজ সিরাম ২-৩ বার ব্যবহারেই বুঝতে পারবেন যে, উকুনের পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। সপ্তাহখানেক নিয়মিত ব্যবহারে উকুনের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। তবে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই সিরাম অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। তথ্যসূত্র : জি নিউজ এমএইচ/  

ভুল পদ্ধতিতে দাড়ি কাটায় কমে যেতে পারে স্পার্ম কাউন্ট: গবেষণা

জীবনযাত্রায় বদল ও ভুল খাদ্যাভাসে বাড়ছে বন্ধাত্ব। কোনো কোনো দেশে জেনারেশন গ্যাপ সৃষ্টি করছে। পরিসংখ্যান বলছে ৩০-৫০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ি পুরুষরাই। বন্ধ্যাত্বের চিকিত্সা অবশ্যই আছে, তবে তা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তবে অনিয়মিত ডায়েট, মাত্রাতিরিক্ত মানসিক বা শারীরিক চাপ ছাড়াও আরও একটি কারণ সম্প্রতি সামনে এসেছে যা পুরুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি অভ্যাস যা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে অনেকটাই। আর সেই অভ্যাসটি হল দাড়ি কামানোর সময় শেভিং ক্রিমের ব্যবহার। গবেষকরা বলছেন, বাড়িতে বা সেলুনে দাড়ি কাটার সময় সুগন্ধি, দামী শেভিং ক্রিম আর আফটার শেভ ব্যবহার করলে স্পার্ম (বীর‌্য) কাউন্ট কমে যেতে পারে! মার্কিন গবেষণার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যেসব পুরুষেরা দাড়ি কামানোর সময় শেভিং ক্রিমের ব্যবহার করেন তাদের স্পার্ম কাউন্ট কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে৷ ম্যাসাচ্যুসেটস আমহার্স্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাঁদের ওই রিপোর্টে বলেছেন, অধিকাংশ শেভিং ক্রিমেই মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার বাড়িয়ে তুলছে আশঙ্কা। রাসায়নিক মিশ্রিত এই ক্রিমগুলির ব্যবহারের ফলে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। ত্বক ও স্বাস্থ্যের ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে কমে যেতে পারে শুক্রাণু উৎপাদন ক্ষমতাও। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু শেভিং ক্রিমে মিলেছে থ্যালেট নামের এক ধরনের রাসায়নিকের উপস্থিতি। প্লাস্টিকের জিনিসপত্রের নমনীয়তা বাড়ানোর জন্য সাধারণত এই রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়। এই থ্যালেট শুক্রাণুর প্রোটিনকে ভেঙে দেয়। ফলে শুক্রাণু পরিণত হতে পারে না এবং এর উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেয়। গবেষকদের মতে, একটি শুক্রাণুর পরিণত হতে স্বাভাবিকভাবে সময় লাগে ৭২ দিন। থ্যালেটের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুক্রাণুর প্রোটিন। ফলে বাধাপ্রাপ্ত হয় সেই প্রক্রিয়া। যার ফলেই কমে যেতে পারে স্পার্ম কাউন্ট। শুধু তাই নয়, কর্মক্ষমতাও হারাতে পারে শুক্রাণু। ফলে পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

পার্লারে ছুটছেন? ফিটকিরিতেই পাবেন ম্যাজিক 

ফিটকিরি নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমরা জানি পানি পরিশ্রুত করতে ফিটকিরির ব্যবহার করা হয়৷ কিন্তু শুধু তাই নয় ফিটকিরির রয়েছে বিভিন্ন উপকারিতা৷ আপনি হয়ত জানেনই না ত্বকের যত্ন নিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ফিটকিরি৷ তাই অতি সহজেই কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন দেখে নিন৷     মুখে ব্রণ হয়েছে৷ একটার পর একটা ফেসওয়াস বদলাচ্ছেন৷ কিন্তু কিছুতেই ব্রণ কমছে না৷ তাহলে নিয়মিত ব্রণতে একটু ফিটকিরি ঘষে নিন৷ প্রতি মাসে মুখের ট্যান পরিষ্কার করার জন্য পার্লারে টাকা খরচা করে যাচ্ছেন৷ অথচ আপনি জানেনই না এক চামচ মুলতানি মাটি, দু’চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক বানানো যায়৷ প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে মাখুন। দ্রুত উপকার পাবেনই৷ কথা বলতে গেলে মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে৷ সবার সামনে মন খুলে কথা বলতে পারছেন না৷ দাঁতের ফাঁকে ব্যাকটেরিয়া জমেই এই দুর্গন্ধ হয়৷ ফিটকিরি ব্যবহার করলে আপনি এই সমস্যার সমাধান পাবেন৷ এক গ্লাস উষ্ণ গরম জলে অল্প পরিমাণ নুন ও ফিটকিরির গুড়ো মেশান৷ তারপর সেটি দিয়ে কুলকুচি করুন৷ সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দিনে দুইবার কুলকুচি করুন৷ এতে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারবে না৷ ফলে দুর্গন্ধ হওয়ার আর সম্ভাবনা থাকবে না৷ মুখের ভিতরে ঘা হয়েছে৷ কিছুই খেতে পারছেন না৷ ঘা-এর জায়গায় ফিটকিরি লাগান৷ প্রথমে একটু জ্বালা করবে৷ কিন্তু মুখের ঘা তাড়াতাড়ি শুকবে। তবে ফিটকিরি লাগিয়ে মুখের লালা গিলে ফেলবেন না। বয়স বাড়ছে৷ ত্বকে তার ছাপও পড়ছে৷ আর চিন্তা নেই মুখে ফিটকিরি ঘষে নিন৷ তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন৷ শিশুরা স্কুল যাচ্ছে৷ পাঁচ জনের সঙ্গে থেকে মাথায় উকুন নিয়ে বাড়ি ফিরছে৷ জলে ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল মেশান। মিশ্রণটি ১০ মিনিট ধরে মাথার স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন৷ তারপর শ্যাম্পু করে নিন। দ্রুতই ফল মিলবে। কলকাতা ২৪ এসি   

চুলের যত্নে জোজোবা তেল

মানুষের সৌন্দর্য্যের আধার চুলে। সুন্দর চুল আপনাকে আরো বেশি আকর্ষনীয় করে তুলতে সাহায্য করে। তাই সুন্দর চুল পেতে আপনাদের জন্য রইল জোজবা তেলের বর্ণনা।    জোজোবা তেল চুলের যত্ন নিতে চাইলে সবথেকে কার্যকর হল জোজবা তেল। এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং ই এবং জিঙ্ক, তামার মতো উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি খুব বেশি চটচটে বা তৈলাক্তও হয় না, তাই বিশ্ব জুড়ে সকলেরই সবথেকে প্রিয় জোজোবা তেলই। জোজবা তেলের গুণাগুণ * জোজবা তেল চুলের গোড়া মজবুত করে। * নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। * রুক্ষ-শুষ্ক চুলের সমস্যা দূর করে। * এতে থাকা শতকরা ৯৮ ভাগ মনোস্যাচুরেইটেড ফ্যাট ও দুই শতাংশ স্যাচুরেইটেড ফ্যাট যা মাথার গভীরে প্রবেশ করে চুল ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। * মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। * মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও খুশকি নিয়ন্ত্রণ করে। * চুলের উজ্জ্বলতা, স্থিতিস্থাপকতা ও কোমলতা ধরে রাখে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি