ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:০৯:০১

মিয়ানমারের ৫ জেনারেলের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা আরোপ  

মিয়ানমারের ৫ জেনারেলের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা আরোপ  

মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন চালিয়েছে। এমন অভিযোগ উঠেছে দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির পাঁচ জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া।       আর এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পদক্ষেপ অনুসরণ করল দেশটি। মঙ্গলবার এক ঘোষণায় অস্ট্রেলিয়া জানায়, নৃশংসতা পরিচালনায় একটি বিশেষ অভিযানের নির্দেশ দেয়া একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলসহ এসব সেনা কর্মকর্তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারেইস পেইন বলেন, অং কেইউ জো, মোং মোং সোয়ে, অং অং, থান ও এবং কিং মোং সোয়ে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী। তাদের নেতৃত্বে একটি সেনা ইউনিট রোহিঙ্গা নিপীড়ন চালিয়েছে। তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নি পোস্ট এসি   
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম এরদোগান

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিমের তালিকায় সবার শীর্ষে উঠে এসেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। জর্ডানভিত্তিক রয়্যাল ইসলামিক স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।    রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার প্রতি বছর শীর্ষ ৫০০ প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। ২০১৯ সালে প্রকাশনায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ এবং তৃতীয় স্থানে আছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ ইবনে আল হুসাইন। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের আগস্টে তুরস্কের প্রথম জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এরদোগান। এর পর ২০১৮ সালে তিনি দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পান। এরদোগান ক্ষমতায় থাকার সময় তুরস্কে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সংবিধান সংস্কার এবং বিশ্ব পরাশক্তি হিসেবে পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে তুরস্ক। আর এসবই তাকে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, এর আগে রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের জরিপে ২০১৬ সালে অষ্টম ও ২০১৭ সালে পঞ্চম স্থানে ছিলেন এরদোগান। উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে সংস্থাটি তালিকা প্রকাশ করে আসছে। চলতি মাসে দশমবারের মত এ তালিকা প্রকাশ করেছে তারা। সূত্র: ডেইলি সাবাহ একে//

১২ বছর পর ফিজিতে ব্রিটিশ রাজপরিবার

ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সদস্য প্রিন্স হ্যারি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মেগান প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সফরে অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, টোংগা এবং নিউজিল্যান্ডে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন। ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করে মঙ্গলবার ফিজিতে এসে পৌঁছেছেন। ১২ বছর পর ফিজিতে এটি হলো ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রথম ভ্রমণ। এর আগে মিলিটারি বিদ্রোহের কারণে দেশটিতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় হ্যারি ও ম্যাগানকে ব্রিটিশ ও ফিজির ঐতিহ্যবাহী পোশাক পড়তে দেখা গেছে। এদিকে ফিজির প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক বাইনিমারমা এই দম্পত্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়াও ফিজিতে পৌঁছার পর অনেক নর-নারী এবং স্কুল শিক্ষার্থী তাদেরকে আনন্দের সাথে বরণ করে নেন। এর আগে ফিজিতে ব্রিটিশ রয়েল পরিবার ভ্রমণ করেছিল ২০০৬ সালের জুলাই মাসে।   তথ্যসূত্র: রয়টার্স এমএইচ/

উত্তাল সমুদ্রের উপর চালু হলো ৫৫ কি.মি. সেতু

উত্তাল সমুদ্রের উপর নির্মিত বিশ্বের দীর্ঘতম সেতুটি উদ্বোধনী করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মঙ্গলবার ৫৫ কিলোমিটার বা ৩৪ মাইল দীর্ঘ সেতুটি তিনি খুলে দেন। দেশটির মুল ভূখণ্ডের ঝুহাই শহরের সঙ্গে এ সেতু সংযুক্ত করবে হংকং ও ম্যাকাওকে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে আগে যেখানে এ পথ পাড়ি দিতে তিন ঘণ্টার মতো সময় ব্যয় হতো, সে ক্ষেত্রে এখন লাগবে মাত্র আধা ঘণ্টা। তবে প্রকৌশলী ও স্থাপত্যের দিক থেকে দুর্দান্ত হলে সেতুটি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে বিস্তর এবং একে অনেকেই ইতোমধ্যে ‘শ্বেতহস্তী’ আখ্যায়িত করছে। কারণ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় বিশ বিলিয়ন ডলার বা দু’হাজার কোটি ডলার। আর নির্মাণকালীণ নিরাপত্তা নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা শুনতে হচ্ছে চীনকে। কারণ নির্মাণ কাজ চলার সময় নিহত হয়েছে ১৮ জন শ্রমিক। সেতুটির বিশেষত্ব কী? এ সেতুটি দক্ষিণ চীনের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় শহর হংকং, ম্যাকাও এবং ঝুহাইয়ের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করবে। শক্তিশালী মাত্রার টাইফুন কিংবা ভূমিকম্প প্রতিরোধী এ সেতুটি তৈরি করতে চার লাখ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে, যা দিয়ে ৬০টি আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা সম্ভব। সেতুটির প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার পার্ল নদীর ওপর দিয়ে গেছে আর জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে ছয় দশমিক সাত কিলোমিটার রাখা হয়েছে সাগরের নীচে টানেলে এবং এর দু অংশের মধ্যে সংযোগস্থলে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম দ্বীপ। আর বাকি অংশ সংযোগ সড়ক, ভায়াডাক্ট আর ভূমিতে টানেল যা ঝুহাই ও হংকংকে মূল সেতুর সঙ্গে যুক্ত করেছে। কিন্তু কেন এটি নির্মাণ করতে হলো? এটি আসলে হংকং, ম্যাকাও এবং আরও নয়টি শহরকে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর সাগর এলাকা তৈরি প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ সেতু নির্মাণ করেছে চীন। এর আগে ঝুহাই থেকে হংকং যেতে সময় লাগতো চার ঘণ্টার মতো। সেখানে নতুন এ সেতুর কারণে সেখানে লাগবে মাত্র আধা ঘণ্টা। এ এলাকায় এখন প্রায় ছয় কোটি আশি লাখ মানুষ বসবাস করে। কেউ চাইলেই সেতুটি অতিক্রম করতে পারবে ? না পারবে না। যারা সেতু পাড়ি দিতে চান তাদের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে আর সব যানবাহনকেই টোল দিতে হবে। এ সেতুতে কোনও গণপরিবহণ থাকবে না। তবে যাত্রী ও পর্যটকদের জন্য শাটল বাস থাকবে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে দিনে প্রায় নয় হাজার দুশো যানবাহন এ সেতু দিয়ে চলাচল করবে। এর খরচ উঠবে তো? সংযোগ সড়ক ও কৃত্রিম দ্বীপসহ সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছে দু’হাজার কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু সেতুর মূল অংশ নির্মাণেই খরচ হয়েছে প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার। কর্মকর্তারা বলছে, দেশটির অর্থনীতিতে এটি প্রায় ১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করবে যদিও এ ব্যাখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিবিসি নিউজ চাইনিজ এর তানিয়া চান বলছেন, ‘যথেষ্ট পরিমাণ গাড়ি চলতে না দিলে এটি কিভাবে টেকসই হবে আমি নিশ্চিত নই। আমি নিশ্চিত যে নির্মাণ ব্যয় আমরা ফেরত আনতে পারবো না’। বিবিসি চাইনিজের হিসেবে টোল থেকে বছরে আসবে মাত্র আট কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর এ সব কারণেই সমালোচকরা এর নাম দিয়েছেন ‘শ্বেতহস্তী’। সূত্র: আল জাজিরা, মবিবিসি একে//

ইন্সট্রাগ্রামে অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়ার খবর দিলেন অ্যামি শুমার

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা কমিডিয়ান ও অভিনেত্রী অ্যামি শুমার অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়ার খবর দিলেন। তাঁর প্রথম সন্তান জন্ম খুব শিগগিরই পৃথিবীতে আসছে বলে জানান তিনি। সোমবার অ্যামি তার ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন। ওই পোস্টে তার স্বামী ক্রিস ফিশারকেও দেখা যায়। অ্যামি বলেন, ‘আমি অন্ত:স্বত্ত্বা’। সিউমার একজন বেস্ট সেলিং লেখক হিসেবেও পরিচিত।  রাজনৈতিকভাবেও  তিনি স্পষ্টবাদী। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনিত দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক ব্রেট কাভানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ক্রিস ফিশারের সঙ্গে  অ্যামি সুমারের বিয়ে হয়।   তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

উত্তাল সমুদ্রের উপর ৫৫ কি.মি সেতুর উদ্বোধন আজ

চীনের মুল ভূখণ্ডের ঝুহাই শহরের সঙ্গে ৫৫ কিলোমিটার বা ৩৪ মাইল দীর্ঘ এ সেতু সংযুক্ত করবে হংকং ও ম্যাকাওকে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে আগে যেখানে এ পথ পাড়ি দিতে তিন ঘণ্টার মতো সময় ব্যয় হতো, সে ক্ষেত্রে এখন লাগবে মাত্র আধা ঘণ্টা। আজ মঙ্গলবার ঝুহাইতে সেতুটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রকৌশলী ও স্থাপত্যের দিক থেকে দুর্দান্ত হলে সেতুটি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে বিস্তর এবং একে অনেকেই ইতোমধ্যে ‘শ্বেতহস্তী’ আখ্যায়িত করছে। কারণ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় বিশ বিলিয়ন ডলার বা দু’হাজার কোটি ডলার। আর নির্মাণকালীণ নিরাপত্তা নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা শুনতে হচ্ছে চীনকে। কারণ নির্মাণ কাজ চলার সময় নিহত হয়েছে ১৮ জন শ্রমিক। সেতুটির বিশেষত্ব কী? এ সেতুটি দক্ষিণ চীনের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় শহর হংকং, ম্যাকাও এবং ঝুহাইয়ের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করবে। শক্তিশালী মাত্রার টাইফুন কিংবা ভূমিকম্প প্রতিরোধী এ সেতুটি তৈরি করতে চার লাখ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে, যা দিয়ে ৬০টি আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা সম্ভব। সেতুটির প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার পার্ল নদীর ওপর দিয়ে গেছে আর জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে ছয় দশমিক সাত কিলোমিটার রাখা হয়েছে সাগরের নীচে টানেলে এবং এর দু অংশের মধ্যে সংযোগস্থলে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম দ্বীপ। আর বাকি অংশ সংযোগ সড়ক, ভায়াডাক্ট আর ভূমিতে টানেল যা ঝুহাই ও হংকংকে মূল সেতুর সঙ্গে যুক্ত করেছে। কিন্তু কেন এটি নির্মাণ করতে হলো? এটি আসলে হংকং, ম্যাকাও এবং আরও নয়টি শহরকে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর সাগর এলাকা তৈরি প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ সেতু নির্মাণ করেছে চীন। এর আগে ঝুহাই থেকে হংকং যেতে সময় লাগতো চার ঘণ্টার মতো। সেখানে নতুন এ সেতুর কারণে সেখানে লাগবে মাত্র আধা ঘণ্টা। এ এলাকায় এখন প্রায় ছয় কোটি আশি লাখ মানুষ বসবাস করে। কেউ চাইলেই সেতুটি অতিক্রম করতে পারবে ? না পারবে না। যারা সেতু পাড়ি দিতে চান তাদের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে আর সব যানবাহনকেই টোল দিতে হবে। এ সেতুতে কোনও গণপরিবহণ থাকবে না। তবে যাত্রী ও পর্যটকদের জন্য শাটল বাস থাকবে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে দিনে প্রায় নয় হাজার দুশো যানবাহন এ সেতু দিয়ে চলাচল করবে। এর খরচ উঠবে তো? সংযোগ সড়ক ও কৃত্রিম দ্বীপসহ সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছে দু’হাজার কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু সেতুর মূল অংশ নির্মাণেই খরচ হয়েছে প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার। কর্মকর্তারা বলছে, দেশটির অর্থনীতিতে এটি প্রায় ১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করবে যদিও এ ব্যাখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিবিসি নিউজ চাইনিজ এর তানিয়া চান বলছেন, ‘যথেষ্ট পরিমাণ গাড়ি চলতে না দিলে এটি কিভাবে টেকসই হবে আমি নিশ্চিত নই। আমি নিশ্চিত যে নির্মাণ ব্যয় আমরা ফেরত আনতে পারবো না’। বিবিসি চাইনিজের হিসেবে টোল থেকে বছরে আসবে মাত্র আট কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর এ সব কারণেই সমালোচকরা এর নাম দিয়েছেন ‘শ্বেতহস্তী’। সূত্র: বিবিসি একে//

ব্রেক্সিট প্রায় চূড়ান্ত, একটু ধৈর্য ধরুন : তেরেসা মে

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়া-সংক্রান্ত ব্রেক্সিট চুক্তির ৯৫ শতাংশ শর্তই চূড়ান্ত হয়েছে। দরকষাকষির শেষ ধাপে আইনপ্রণেতাদের ধৈর্যশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। তিনি ব্রেক্সিট বিরোধীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। সেই সঙ্গে বেক্সিট ইস্যুতে দরকষাকষির শেষ দিকে এসে আইনপ্রণেতাদের তাঁর পাশে থাকার আহ্বান জানান। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণে এ কথা জানান তেরেসা মে। এ সময় ব্রেক্সিট আলোচনার অচলাবস্থা কাটাতে সম্ভাব্য সব ধরনের পন্থা অবলম্বনের কথাও জানান ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। ব্রেক্সিটের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে রয়েছে আয়ারল্যান্ডের সীমান্ত-সংক্রান্ত বিষয়টি। ডিসেম্বরে ইইউ সামিটের আগেই এ ধরনের বাধা কাটিয়ে ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত হবে বলে বিশ্বাস করেন মে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পূর্ণ সদস্যভুক্ত স্বাধীন দেশ আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে রয়ে যাওয়া নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড একই ভূখণ্ডে হওয়ায় সেখানে সীমান্তে কতটা নজরদারি জারি করা হবে, এ নিয়ে মূলত আলোচনার শুরু। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের সঙ্গে থেকে ইইউ থেকে আলাদা হয়ে গেলে আইরিশরা এখনকার মতো অবাধে উভয় দেশে যাতায়াত করতে পারবে কি না, প্রতিবার পাসপোর্ট দেখাতে হবে কি না এ সংশয় থেকে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সীমান্তে কড়াকড়ির ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামলে তার দায় ব্রিটেন নেবে কি না, তা জানতে চায় ইইউ ও আয়ারল্যান্ড। যদিও এ নিয়ে ব্রেক্সিটপন্থী রক্ষণশীল দল এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি ইইউকে ছাড় দেওয়ার বিপক্ষে। আর উভয় পক্ষের শক্ত অবস্থানের কারণে চাপে রয়েছে তেরেসা মে সরকার। এসবের পরও ব্রিটেন ও ইইউ আশা করে, আগামী বছরের ব্রেক্সিট দিবসের আগেই পার্লামেন্টে চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে পাস হবে। সূত্র : রয়টার্স। / এআর /

যে কথা বলে বিপাকে পড়েছেন নওয়াজ শরিফ

২০০৮ মুম্বাই হামলায় অভিযুক্তরা সবাই পাকিস্তানি ছিল, একথা বলেই বিপাকে পড়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গিয়ে শরিফ বলেছেন, পাকিস্তানকে ভালোবেসেই ভারত ছেড়েছিল আমার পরিবার। এই মামলায় জড়িত রয়েছেন আরও এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহীদ খাকান আব্বাসী ও পাক সাংবাদিক সিরিল আলমেডা। এদিন এরাও আদালতের শুনানিতে নিজেদের পক্ষ থেকে জবাব দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতরে মুম্বাইয়ের ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় অন্তত ১৬৬ জন নিহত হয়েছেন। জানা যায়, ১০ জন পাক জঙ্গি ওই হামলা চালায়, যাদের মধ্যে ৯ জন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। আর জীবিত আটক হওয়া আজমল কাসাভকে পরে ফাঁসি দেওয়া হয়। এদিন নওয়াজ শরীফ বলেন, যিনি দেশকে পরমাণু শক্তিধর করে তুলেছে, সে কীভাবে দেশদ্রোহী হতে পারে? উপনির্বাচনে যার দল সবথেকে বেশি ভোট পেল সে কীভাবে দেশদ্রোহী হতে পারে। আমি লাখ লাখ পাকিস্তানির প্রতিনিধিত্ব করি, তাহলে কী তারা বিশ্বাসঘাতক? উল্লেখ্য, নওয়াজ শরীফের বাবা মিঞা মোহাম্মদ শরীফ। তারা থাকতেন পাঞ্জাবের জাতি উমরায়। ১৯৪৭-এ লাহোরে চলে যায় তার পরিবার। একে//

সমালোচনার মধ্যেও সৌদি প্রিন্সের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন কর্মকর্তার

সৌদি সরকার বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যায় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের হাত থাকার অভিযোগ ক্রমেই জোড়ালো হচ্ছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সচিব স্টিভেন মুনচিন সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি সোমবার রিয়াদে তার সঙ্গে দেখা করেন। এই সাক্ষাৎকার সম্পর্কে সৌদি আরবের রাষ্ট্রিয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, তাদের এই বৈঠকে সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোড়ালো হবে। তবে এই বৈঠক সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও ধরণের মন্তব্য আসেনি। এদিকে গত ২ অক্টোবরে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর সাংবাদিক জামাল খাশোগি আর বেরিয়ে আসেননি। সৌদি আরব প্রথমে দাবি করেছিল, খাশোগি কাজ শেষে কনস্যুলেট থেকে বের হয়ে গেছেন। এরপর শুক্রবার সৌদি আরব স্বীকার করেছে,  কনস্যুলেটের ভেতরেই নিহত হয়েছেন। হাতাহাতির ঘটনায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

সৌদির সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি বাতিল করবে কানাডা!

সৌদির আরবের সঙ্গে এক হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সৌদি আরব তার দেশ থেকে ক্রয় করা অস্ত্রের অপব্যবহার করছে বলে প্রমাণিত হলে তিনি এ চুক্তি বাতিল করবেন বলে ঘোষণা দেন। তিনি গতকাল সোমবার কানাডার পার্লামেন্টে এ কথা বলেন। তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটের মধ্যে রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির পাশবিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন ব্যাপক হৈ চৈ হচ্ছে তখন ট্রুডো এ ঘোষণা দিলেন। তিনি বলেন, কানাডা থেকে রফতানি করা অস্ত্র মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করেই ব্যবহার করতে হবে। এর আগেও আমরা আমাদের অস্ত্রের অপব্যবহার আঁচ করতে পেরে অস্ত্র রফতানি বন্ধ করেছিলাম এবং আবারও তা করতে দ্বিধা করব না। ২০১৪ সালে দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক হাজার ৩০০ কোটি ডলারের এক চুক্তি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সৌদি আরবকে অস্ত্র দিয়ে যাচ্ছে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো সোমবার পার্লামেন্টে জানান, খাশোগি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। শনিবার ফ্রিল্যান্ড বলেছিলেন, খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে সৌদি আরব যে ব্যাখ্যা দিয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

পুলিশ হতে চাইলে ‘কুমারীত্ব’ পরীক্ষা করতে হবে ইন্দোনেশিয়ার নারীদের

পুলিশ বাহিনীতে নারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এজন্য কুমারী হতে হবে নারীদের। সেই সঙ্গে হতে হবে সুন্দরীও। এমনকি যেসব নারী পুলিশে যোগ দিতে চান তাদের ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নামের একটি পরীক্ষা দিতে হবে। যার মাধ্যমে জানা যাবে আবেদন করা ওই নারী আসলেই কুমারী কি না। সম্প্রতি ফেসবুকে ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ বাহিনীতে নারী সদস্য নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, পুলিশে চাকরি পেতে হলে নারীদের কুমারী হতে হবে। সেই সঙ্গে হতে হবে সুন্দরী। যদিও ইন্টারনেটে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ার পর বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছে দেশটি। যাকে পুরুষশাসিত সমাজের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলোকে নৈতিকতাবিরোধী শারীরিক পরীক্ষা বলা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার এমন সিদ্ধান্তে নড়েচড়ে বসেছে বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলো। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মুখপাত্র আন্দ্রে হারসোন জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ বাহিনী মনে করছে, সক্রিয় যৌন জীবন আছে, এমন কোনো নারীকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। এটা নারী স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় অন্যতম বাধা। উল্লেখ্য, ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে বিশ্বজুড়ে। অনেকেই এই পরীক্ষাকে অপমানজনক ও অবৈজ্ঞানিক বলে বর্ণনা করেছেন। এভাবে পরীক্ষা করা কোনো নারীর জন্য যৌন হেনস্তার শামিল। সূত্র : এবিসি নিউজ এসএ/

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে খাশোগির প্রেমিকা, পাশে আছে তুরস্ক

এ মূহুর্তে সৌদি আরব-তুরস্ক ও আমেরিকার প্রধান ইস্যু সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনা। এরই মধ্যে খাশোগি হত্যার রহস্য প্রায় উদঘটন হয়ে গেছে। অনেক নাটকিয়তার পর এটা পরিস্কার যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সৌদি আরব প্রথমে অস্বিকার করলেও এখন মোটা মুটি পরিস্কার যে সৌদি কনস্যুলেটের মধ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার রহস্য উদঘটনে অন্যতম স্বাক্ষী খাশোগির প্রেমিকা হ্যাতিস সেঙ্গিজ। তার জীবন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও তাকে ২৪ ঘন্টার নিরাপত্তা দিচ্ছে তুরস্ক সরকার। খাশোগির নিখোঁজের ঘটনা মিডিয়াকে হ্যাতিসই প্রথম জানিয়েছিলেন।   ইস্তাম্বুল গভর্নরের অফিসে থেকে একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হ্যাতিস সেঙ্গিজকে নিরাপত্তা দিতে হবে। এ নির্দেশের ফলে ইস্তাম্বুল পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তাকে নিরাপত্তা দেবে। জানা যায়, হ্যাতিস ইস্তাম্বুলে একজন ডক্টরাল স্টুডেন্ট। এদিকে, সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা খুন করেছে বলে দাবি করেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের। রবিবার মার্কিন টিভি চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটি দাবি করে বলেছেন, এটা ছিল `ভয়ঙ্কর ভুল`। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে খাশোগির মৃত্যুর ঘটনায় আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে ফের সরে এসেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর আগের এক বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, জামাল খাশোগি সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পরপরই সেখানে উপস্থিত সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার হাতাহাতি শুরু হয়। সে সময় কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে মারামরির ঘটনায় খাশোগি নিহত হয়েছেন। সূত্র : বায়োগ্রাফিক বিডি এসএ/

ইমরানের সরকার দেশ পরিচালনায় ‘অক্ষম’: জারদারি

তেহরিক-ই-ইনসাফ প্রধান ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার দেশ পরিচলানায় ‘অক্ষম’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি।  গতকাল শনিবার এক নিউজ কনফারেন্সে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি এ সময় দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে একই প্ল্যাটফর্মে এসে তেহরিক-ই-ইনসাফ সরকারকে অয়োগ্য বলে ঘোষণা করার আহ্বান জানান।   এসময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সঙ্গে সম্ভাব্য সাক্ষাতের কথা জানান। জারদারি বলেন, আমরা যখন ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসি, তখনও কিন্তু আমরা এরকম অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। তখন আমরা এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে নওয়াজ শরীফের দল ‘পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ’ আমাদের পদক্ষেপগুলোকে বাতিল করে দিয়েছিল। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ কর্তৃক পরিচালিত সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি।     তথ্যসূত্র: ডন     এমএইচ/

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি