ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:০৮:১৩

গ্রামীণফোন ও ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি

গ্রামীণফোন ও ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং গ্রামীণফোন ও মাইক্রোসেভের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় মাইক্রো-মার্চেন্ট সাপ্লাই চেইনে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভাপনি পণ্য ও টেকসই ব্যবসায়িক মডেল চালুর লক্ষে ব্যাংক এশিয়া ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের সঙ্গে ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়া প্রাথমিকভাবে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর এবং শেরপুর জেলায় মাইক্রো মার্চেন্ট লেভেলে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদান করবে। ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাজিব কুমার গুপ্ত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অর্থমন্ত্রণালয়ের ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিভিশনের সচিব মো. আসাদুল আলম, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ফার্স্ট সেক্রেটারি মেনফ্রেড ফার্নলজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. নাজিমুদ্দিন, ডি নেট-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল হোসেন, ব্যাংক এশিয়ার এসইভিপি ও চ্যানেল ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান সরদার আখতার হামিদ, গ্রামীণ ফোনের হেড অব ফিনান্সিয়াল সার্ভিস রাশেদা সুলতানা এ সময় উপিস্থিত ছিলেন। এসএইচ/
আড়ংয়ের ৪০ বছর পূর্তি উৎসব শুরু বৃহস্পতিবার

বৃহস্পতিবার ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আড়ং-এর তিন-দিনব্যাপী ৪০ বছর পূর্তি উৎসব। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসবটির নাম দেওয়া হয়েছে “আড়ং ফোরটি ইয়ার্স ফেস্টিভাল”, যেখানে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশের হস্তশিল্পের ঐতিহ্য এবং কারুশিল্পীদের সাফল্যের গল্প। মঙ্গলবার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আড়ং এবং ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস এর সিনিয়র ডিরেক্টর তামারা হাসান আবেদ বলেন, “আড়ং বাংলাদেশের মানুষের একটি সম্মিলিত প্রয়াস। একেবারে গ্রামীণ নারী থেকে শুরু করে ওস্তাদ কারুশিল্পী, ডিজাইনার এমনকি প্রশাসনিক কর্মকর্তা পর্যন্ত, প্রতিটি পর্যায়ে সবারই রয়েছে সমান অবদান। বাংলাদেশ এবং আড়ং বেড়ে উঠেছে একইসঙ্গে। আমাদের এই উৎসব সেই ভালোবাসার, সেই সম্পর্কের উৎসব। গত চার দশক ধরে যেই কারুশিল্পীরা আমাদের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এই উৎসব তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উৎসব”। ২৫-২৭ অক্টোবর তিন-দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে, হস্তশিল্প প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকছে বেশ কয়েকটি কর্মশালা যেখানে দর্শনার্থীরা সরাসরি কারু ও হস্তশিল্পীদের কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ফ্যাশন শো এবং কনসার্ট। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেরা হস্ত ও কারুশিল্পী এবং উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ফ্যাশন শো-তে প্রদর্শিত হবে হারস্টোরি, তাগা এবং তাগা ম্যান ব্র্যান্ডের নতুন পোশাক। আর কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন নগর বাউল জেমস, জলের গান, নেমেসিস এবং মিনার। দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বেশ কয়েকটি খাবারের স্টল, বাচ্চাদের জন্য আলাদা জায়গা এবং পার্টনার প্রতিষ্ঠানের স্টলে বিশেষ সুবিধায় কেনাকাটার ব্যবস্থা। আড়ং প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, গ্রামীণ কারু ও হস্তশিল্পীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে। গত ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশের আবহমান ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটিয়ে নিজেকে দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে আড়ং। বর্তমানে আড়ংয়ের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছেন ৬৫ হাজারেরও বেশি কারু ও হস্তশিল্পী। তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি হচ্ছে দেশজুড়ে আড়ংয়ের ২০টি আউটলেটে। এসএইচ/

ডিজিটাল আর্থিক সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ দিক সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরতে হয়ে গেল দিনব্যাপী এক কর্মশালা। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আজ মঙ্গলবার এ কর্মশালার আয়োজন করে জাতিসংঘের  ক্যাপিটাল ডিভিলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ)। ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ শীর্ষক এ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস, ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম বাংলাদেশের (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, ইআরএফ সাধারণ সম্পদক এস এম রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন ফ্যাসিলিটেটর ড. ক্লিনসিক অ্যান্ড্রিউজ।তিনি তার উপস্থাপনায় বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার অগ্রগতি, পশ্চাদপদতাসহ নানাবিধ দিক নিয়ে আলোচনা করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (ডিএফএস)’র সুবিধা অসুবিধা দুটি দিকই আছে।তবে অসুবিধার তুলনায় সুবিধাটাই বেশি।ব্যাংকিং সুবিধা ডিজিটাল হয়েছে বিধায় আজ মুহুর্তে আমাদের অর্থনৈতিক লেনদেন সম্ভব হচ্ছে।এ সেবা গ্রামীণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করবো আপনার একটা ভুল প্রতিবেদন যেন কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখবেন। ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম বলেন, ২০১১ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার ফলে আর্থিক লেনদেনে যেমন গতি বেড়েছে। তেমন তা সাধারণের দোর গোড়ায় পৌঁছেছে। তবে এ সেবা এখনও অনেকটা ইংরেজি ভার্সনের হওয়ায় তা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝে উঠতে পারছে না। তাই অপারেটরদের সাধারণের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশে এ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে বাংলা ভার্সনে ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে। একুশে টেলিভিশনের পরিকল্পনা সম্পাদক ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, ইউএনসিডিএফ খুব সময় উপযোগী একটা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। বর্তমান সময়ে আমরা সবকিছুতেই ডিজিটালাইজড হচ্ছি। এ ধরণের কর্মশালার মাধ্যমে এর ব্যবহারের দিক যেমন জানা যায়, তেমন ক্ষতিকর দিকও জানা যায়।প্রয়োজনের দিক বিবেচনায় আশা করবো ইউএনসিডিএফ আগামীতে আরো প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ সুবিধা রয়েছে।এর মাধ্যমে মানুষ আজ লেনদেনে সময় বাঁচাতে পারছে। স্বচ্ছতা রক্ষা করতে পারছে।নানাবিধ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছে।তাই চমৎকার এ বিষয়টির উপর ইআরএফ কার্যালয়ে আরো একটি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব রাখছি।        

বিআরবি কেবল এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  

দীর্ঘ ৪০ বছর অতিক্রম করেছে বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড। বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক শিল্পখাতে বিআরবি একটি জনপ্রিয় নাম। আমদানির পরিবর্তে নিজস্ব কারখানায় কেবল উৎপাদনের মাধ্যমে বিআরবি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের শিল্পায়নের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করে।  ফলে বাংলাদেশ এখন কেবল উৎপাদন শিল্পে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে। এ ক্ষেত্রে বিআরবি পথিকৃৎ ভুমিকা পালন করছে। তবে শুরু থেকে বিআরবি’র পথ চলা অতটা মসৃণ ছিল না। নানা ছড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে।    ১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর মোঃ মজিবুর রহমান কুষ্টিয়া শহরের পাশেই বি আর বি ক্যাবল ইন্ডাষ্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর সফলতার সিড়ি বেয়ে একের পর এক গড়ে তোলেন তিনি আরো চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠান।        এ প্রসঙ্গে বিআরবি কেবল এর চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, বিআরবি’র শুরুর ইতিহাসটা ছিল দূর্গম, তবে সে সময় বাজার দখলের এত তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল না। আর এখন বাজার দখলের চরম প্রতিযোগিতা সত্বেও চল্লিশ বছরের দীপ্ত যৌবনে বিআরবি বিশ্ব জয়ের তীব্র নেশায় ছুটে চলেছে নিরন্তর। বয়ে এনেছে সাফল্যে। সাফল্যের এ ধারাবাহিকতায় ‘অন্যতম বিশ্বে...বাংলাদেশে শীর্ষে’ শ্লোগানকে লালন করে আজ আমরা ৪০ বছরে বিশ্ব জুড়ে। আর এ জন্য আমি গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বিআরবি কেবল এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাণী দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। তিনি তার দেওয়া বাণীতে বলেন, বিআরবি গ্রুপ মুক্তবাজার অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। মেরিন কেবল, অপটিক্যাল ফাইবার কেবল, আমদানি বিকল্প এক্সট্রা হাইভোল্টেজ কেবলসহ বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি যে সুখ্যাতি অর্জন করে চলেছে, তা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। বিআরবি কেবল এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাণী দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া আরও শুভেচ্ছা বাণী দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রমুখ।  এসি    

আজ জরুরি বৈঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা

দেশের শেয়ারবাজারে একের পর এক বড় দরপতন ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা। মঙ্গলবার রাজধানীর ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কার্যলয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), আইসিবি, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), স্টক এক্সচেঞ্জসহ স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিরা। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারে চলতি বছরের সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭৯ পয়েন্ট। এমন পতনে প্রায় দুই বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে মূল্য সূচকটি। বড় দরপতনের পাশাপাশি লেনদেন খরাও দেখা দিয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় তিন মাস ধরে দেশের শেয়ারবাজার একপ্রকার দরপতনের মধ্যে রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আস্থাসংকট। এ কারণে পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে আইসিবিকে দুই হাজার কোটি টাকার বন্ড ছেড়ে তার কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে বাধ্যতামূলক নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। তবে এ সুসংবাদ আসার পরও বাজারপতনের হাত থেকে রক্ষা পায় না। বরং দরপতনের মাত্র আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতেই জরুরি বেঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। একে//

এসআইবিএল এবং এস ১১ লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর   

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) এবং এস ১১ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২২ অক্টোবর) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব কাজী ওসমান আলীর উপস্থিতিতে প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান ও এসইভিপি কাজী ওবায়দুল আল ফারুক এবং এস ১১ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সারোয়ার জাহান মোর্শেদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায় এস ১১ লিমিটেড সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএমইএম) উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।     এ সময় এসআইবিএল এর এসভিপি ও এসএমই ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং এস ১১ লিমিটেডের পরিচালক (এইচআর এন্ড মার্কেটিং) নাজমুল হুদা সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কেআই/এসি    

পদ্মা ইসলামী লাইফের নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ প্রফেসর এনআরএম বোরহানউদ্দিনকে চেয়ারম্যান ও দেওয়ান নুরুল ইসলাম এফসিএ’কে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। রোববার প্রতিষ্টানটির পরিচালনা পর্ষদের ১৫৬তম সভায় এসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রফেসর এনআরএম বোরহানউদ্দিন এরআগে সিটি ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেভেন্স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে দেওয়ান নুরুল ইসলাম এফসিএ ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট হিসেব দায়িত্ব পালন করছেন।  

ফ্রান্সের সিয়াল ফুড ফেয়ারে বাংলাদেশের ‘প্রাণ’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের মেলা সিয়াল ফুড ফেয়ারে নবমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় দুইটি স্টলে পাঁচ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। প্যারিসের নর্ড ভিলপান্তে প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ মেলায় বিশ্বের ১০৯টি দেশের প্রায় সাত হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে। প্রাণ গ্রুপের স্টলগুলো সাজিয়েছে জুস এন্ড বেভারেজ, কনফেকশনারি, স্নাকস, বিস্কুট এন্ড বেকারি, কুলিনারি, মসলা ও ফ্রোজেন ক্যাটগরির পণ্য দিয়ে। এবারের মেলায় ২০ টির মত নতুন পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে এলোভেরা জুস, গামি ক্যান্ডি, প্রোটিন বার, চকোলেট কোটেড কোকোনাট বার, চকোলেট কৃকিজ। প্রাণ এক্সর্পোট লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সিয়াল ফুড ফেয়ার বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমাদৃত। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নেয়। তিনি আরও বলেন, এ মেলায় অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল নতুন নতুন ক্রেতা খোঁজার মাধ্যমে প্রাণ গ্রুপের রফতানি আয় বৃদ্ধি করা। তাছাড়া এই মেলার মাধ্যমে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা কাজে লাগিয়ে প্রাণ নতুন নতুন পণ্য তৈরি করে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, পণ্য উৎপাদনে প্রাণ সবসময় গুনগতমানকে গুরুত্ব দেয়। আর সে কারণেই প্রাণ পণ্য শুধু দেশের বাজারে নয় বিশ্ব বাজারেও ক্রমাগতভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করছে। তিনি আরও জানান, বিশ্বের ১৪১টি দেশে প্রাণ এর পণ্য রফতানি হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্য রফতানি করেছে প্রাণ গ্রুপ। এসএইচ/

পিকেএসএফের উদ্যোগে বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘মেধা ও মননে সুন্দর আগামী’ – এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮’। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত দিনব্যাপী এই সম্মেনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজনীন সুলতানা, সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ, পিকেএসএফ, এবং সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসলেও দারিদ্র্য দূরীকরণ এখনও সরকারের মূল লক্ষ্য। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে যার মধ্যে ১ কোটি মানুষ অতিদরিদ্র। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উন্নতির ধারা বজায় রাখতে হবে কমপক্ষে আগামী ৭ থেকে ১০ বছর, তবেই দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে ১০ ভাগের নীচে। তিনি আরও বলেন, একটা যুদ্ধপীড়িত দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মাটি ও মানুষের উপযুক্ত ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। আজকের কিশোর-কিশোরীরা সেই আহ্বান হৃদয়ে ধারণ করে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং তাদের নেতৃত্বেই ২০৪১ সালের মধ্যেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, টেকসই উন্নয়নের প্রধান শর্ত হচ্ছে কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না। এই মূলমন্ত্র নিয়েই পিকেএসএফ তার কার্যক্রম এমনভাবে সাজিয়েছে যেন নৃগোষ্ঠী, সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, বয়স নির্বিশেষে সবাই টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি মানবমর্যাদা নিশ্চিত হয়। সমন্বিত এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮-এর আয়োজন। আপন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে বলীয়ান ভবিষ্যত জাতি গঠনে পিকেএসএফ-এর এই কার্যক্রম আগামীতে আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দেশবরেণ্য এই অর্থনীতিবিদ। মাতৃগর্ভ থেকে শুরু করে প্রবীণকাল পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের জন্য পিকেএসএফ-এর পৃথক কার্যক্রম রয়েছে উল্লেখ করে পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-চর্চার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশের মাধ্যমে উন্নয়নকে টেকসই করার লক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ পরিচালনা করছে পিকেএসএফ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘শিশু অধিকার আইন’ প্রণয়নের মাধ্যমে জাতির ভবিষ্যত নেতৃত্ব গঠনের যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার আলোকেই পিকেএসএফ-এর এই কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, মানব উন্নয়নসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ যে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে, আজকের কিশোর-কিশোরীরা সেই অগ্রযাত্রাকে ভবিষ্যতে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাবেক এই মুখ্যসচিব। কিশোর-কিশোরীদের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনাবিষয়ক বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কার্যক্রম) মো. ফজলুল কাদের। তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে মেধা, মনন ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বিকাশের বিকল্প নেই। যাত্রাশুরুর মাত্র দুই বছরে মাঠপর্যায়ে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ যে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে, তা ভবিষ্যতে এই কর্মসূচির পরিধি প্রসারে উৎসাহব্যঞ্জক ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় বুনিয়াদ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সম্মেলনে অংশ নেওয়া কিশোর-কিশোরীদের ‘মেধা ও মননে সুন্দর আগামী’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার শপথ পাঠ করান পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। এছাড়া, সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কিশোর, একজন কিশোরী ও একজন শিক্ষক বক্তব্য দেন। দিনব্যাপী সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে ছিলো ‘আনন্দঘন অংশগ্রহণমূলক শিখনের মাধ্যমে নেতৃত্ব ও নৈতিকতা’বিষয়ক একটি কর্মশালা। সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। সম্মেলনের শেষাংশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেখানে সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এমপি উপস্থিত থেকে কিশোর-কিশোরীদের অনুপ্রাণিত করেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় পিকেএসএফ শিশু-কিশোর ও তরুণদের উন্নত সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ও ক্রীড়ামনস্ক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ পরিচালনা করছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ১১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লক্ষ শিক্ষার্থীর মাঝে সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাইকৃত ৭১০ কিশোর-কিশোরী অংশ নেয় এই সম্মেলনে। এসএইচ/  

পুষ্পধারা প্রপার্টিজের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আবাসন খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান পুষ্পধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মতিঝিলে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আবাসন কোম্পানির তিন হাজার গ্রাহক। গ্রাহক সমাবেশে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক আক্তার হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক মঈন উদ্দিন খান, অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, জাতীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাক্রম বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. রিয়াজুল হাসান, ডায়াগ্রাম সিকিউরিটির চেয়ারম্যান মেজর মাহমুদুল হাসান, ক্যাপ্টেন এ কে এম চিশতী, কোটালিপাড়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান চঞ্চল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুষ্পধারার চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলীনূর ইসলাম, পুষ্পধারার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ মিয়া বুলু, মহাব্যবস্থাপক আবু বকর সিদ্দিক, আব্দুল্লাহ আল মামুন।সমাবেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, ‘সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মাসেতু হংকংয়ের আদলে গড়ে উঠবে। এই এলাকা হবে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। পদ্মাসেতু নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে ওই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান বহুগুণে বেড়ে যাবে। আশা করি মানুষের সুষ্ঠু আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে পুষ্পধারা পদ্মাসেতু কেন্দ্রিক অর্থনীতির অংশীদার হবে। সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হবে পুষ্পধারা।’ জাতীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাক্রম বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘গ্রাহকরা পুষ্পধারার মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠার চার বছরে পুষ্পধারা গ্রাহকদের যে আস্থা অর্জন করেছে আশা করি আগামীতেও তা অটুট থাকবে।’পুষ্পধারা ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলীনূর ইসলাম বলেন, ‘পুষ্পধারা প্রপার্টিজ নিছক ব্যবসা নয়, গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে সচেষ্ট। প্রতিষ্ঠার পর প্রতিষ্ঠানটি যে সাফল্য ও সুনাম অর্জন করেছে তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পুষ্পধারার মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (শাশ্বত মনির)। অনুষ্ঠানে শেয়ার হোল্ডার, এলিট গ্রাহক, সাধারণ গ্রাহকরা র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে পুরস্কার জিতে নেন। প্রথম পুরস্কার মালয়েশিয়ার যুগল টিকেট পান পুষ্পধারার গ্রাহক শরিফুল ইসলাম।২০১৪ সালে পুষ্পধারা যাত্রা শুরু করে। পদ্মা সেতু এলাকায় ‘পদ্মা ইকো সিটি’ ও ‘পদ্মা ভ্যালি’ নামে দুটো প্রকল্প রয়েছে। আরকে//

‘পরিবেশ বিপর্যয় রোধের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি’

বিশিষ্ট পানি বিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাত বলেছেন, পরিবেশ বিপর্যয় রোধের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে দ্বীপগুলো মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। দেশের দক্ষিনাঞ্চলসহ বিস্তীর্ন এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা কসমোপলিটান রোটারি ক্লাবের অভিষেকে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা গভর্নর এএফএম আলমগীর, ডেপুটি গভর্নর আবুল খায়ের চৌধুরী, রকিব সরদার, ক্লাব সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন পাটোয়ারী, সেক্রেটারি হোসনে আরা পলি, সাইফুর রহমান, মনিরুল আলম, মুসবাহ্ আলিম, সৈয়দ সাইফুল হক মিন্টু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক গভর্নর জালাল ইউ আহমেদ, সেলিম রেজা, শামসুল হুদা, ড. ইসতিয়াক জামান, এসএএম শওকত হোসেন, গভর্নর নমিনি মো. রুবাইয়াত হোসেন, এম. এ আলী ভূইয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, কসমোপলিটান রোটারি আর্ত মানবতার সেবায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অনান্য খাতে ব্যপক মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিজ্ঞপ্তি। একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি