ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৪৪:৪০

‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি  

‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি  

হিন্দুধর্ম মতে বিশেষ বিশেষ তিথি বা লগ্নে নির্দিষ্ট নদী-মোহনায় গোসল খুবই পবিত্র। এতে দেহ-মনের শুদ্ধি ঘটে। আর যিনি জীবনে অন্তত একবার কুম্ভ গোসল করেন, তার পুণ্য অর্জন নিশ্চিত, এমনটাই মনে করা হয়। এই ধরনের গোষ্ঠী গোসলে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাহানি হয় নারীদের। পানিতে ভেজা যে কোনও কাপড় শরীরে লেপ্টে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে কোনও কুম্ভমেলায়, পুণ্য গোসলে ব্যস্ত নারীদের এই স্বাভাবিক দৃশ্য আদৌ স্বাভাবিক থাকে না। পরমুহূর্তেই কয়েকশো ক্লিকে বন্দি হয়ে যায় তাদের সেই অস্বস্তির ছবি, যা কারও কাছে বিকৃত কামের সুড়সুড়ি আর কারও কাছে নিছকই একটা ছবি! দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই প্র্যাকটিসকেই তুখোড় জবাব দিল এ বছর ভারতের উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদের কুম্ভে, নারী পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি’। দেখতে সাধারণ শাড়ির মতোই, বাসন্তী রঙের জমি ও সবুজ পাড়। কিন্তু এই শাড়ির উপরে রয়েছে একটি ওয়াটারপ্রুফ কোটিং। যতখুশি গোসল করলেও এই শাড়ি ভিজবে না, লেপ্টে যাবে না শরীরের সঙ্গে। অর্থাৎ গোসল হল, বসন সিক্তও হল, কিন্তু আব্রু বজায় রইল নারীদের। এই অভিনব ভাবনাটি হিন্দুস্তান ইউনিলিভার গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড ‘হামাম’-এর ‘গোসেফআউটসাইড’ ক্যাম্পেনের অঙ্গ, যার পরিকল্পনা ও রূপদানের দায়িত্বে ছিল বিখ্যাত বিজ্ঞাপন সংস্থা ‘ওগিলভি’। এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত ‘কুম্ভ ২০১৯’-এ, ১১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে, ‘সরস্বতী গোসল’-এর দিন পুণ্যার্থী নারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই শাড়ি। ইউনিলিভার গোষ্ঠীর স্কিন ক্লিনজিং ভার্টিকালের জেনারেল ম্যানেজার হরমন ধিলোঁ বলেন, ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ির উদ্যোগটি শুধুই নারীদের মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে নয়, পাশাপাশি আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন খুবই জরুরি।’ সূত্র: এবেলা একে//
সুস্থ সম্পর্ক গড়তে প্রয়োজন ৮টি উপকরণ

প্রেম করা আর সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা এক নয়। সত্যিই যারা দীর্ঘস্থায়ী এবং সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান তাদের ভালবাসার মানুষের সঙ্গে, তাদের কাজটা কিন্তু খুব সহজ নয়। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং মনস্তত্ত্ববিদ আন্দ্রেয়া বনিওর একটি প্রতিবেদনে লিখেছেন সেই ৮টি উপকরণ প্রসঙ্গে, যা প্রয়োজন সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে- বিশ্বাস এটি সম্পর্ক তৈরির মূল ভিত্তি। এটা না থাকলে কোনও সম্পর্কই ভালভাবে দানা বাঁধতে পারে না। যতই আবেগপ্রবণ হোক সম্পর্ক, অচিরেই ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা যদি বিশ্বাস না থাকে।  আচরণ পারস্পরিক যোগাযোগ যত ভাল হবে, ততই বা পরস্পরের প্রতি প্রকাশভঙ্গিমা সৎ এবং সশ্রদ্ধ হবে। আন্দ্রেয়া লিখছেন, সব ক্ষেত্রেই এমনটা করতে পারেন না বেশিরভাগ মানুষ কিন্তু যদি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক চান কেউ, তবে নিজেকে সংশোধন করা যায়।   ধৈর্য সব ক্ষেত্রেই এটা প্রয়োজন এবং দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য তো বটেই। সহমর্মিতা সম্পর্কে রয়েছেন মানেই দু’জন মানুষের চিন্তাভাবনা এক নাও হতে পারে। পার্টনারের মতামতের প্রতি সহমর্মিতা না থাকলে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি হতে পারে না। স্নেহ এবং আকর্ষণ এই দুয়েরই প্রয়োজন সঠিক মাত্রায়। ভালবাসার মানুষের প্রতি স্নেহশীল হওয়াটা যেমন প্রয়োজন, তেমনই তার প্রতি একটা আকর্ষণও থাকতে হয়। নমনীয়তা সম্পর্কে আপসের একটা বড় ভূমিকা থাকে। আন্দ্রেয়া লিখেছেন যে একদিন-আধদিন নয়, প্রতিদিন একাধিক বিষয়ে দু’জনকে যদি দু’জনের প্রতি নমনীয় থাকতে হবে। স্বীকৃতি ভালবাসাটাই বড় কথা নয়, ভালবাসার স্বীকৃতিটা প্রয়োজন। ছোট-বড় সমস্ত বিষয়ে পার্টনারের অবদানকে প্রকাশ্যে স্বীকার করাটা দরকার। প্রগতি সম্পর্ক তখনই দীর্ঘস্থায়ী হয়, যখন সেই সম্পর্ক এগিয়ে চলে, এক জায়গায় স্থবির হয়ে পড়ে না। সূত্র: এবেলা একে//

ওষুধ ছাড়াই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়

শরীর ভাল রাখতে খাওয়াদাওয়ার প্রতি সচেতনতা বেড়েছে। কঠোর নিয়ম মেনে চলতে পারলেও খাবারের পাতে ভিটামিন, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট বা ফ্যাটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেন অনেকেই। কিন্তু এত কিছু ভাবার মাঝেও বাদ পড়ে যায় অনেক কিছুই। বিশেষত ফাইবার। ডায়েটে ফাইব্রাস ফুড কম পড়ে যাচ্ছে কি না তা আমরা খুব একটা মাথায় আনি না। তাই ফাইবার নিয়ে তেমন সতর্কতাও চোখে পড়ে না। অথচ এর হাত ধরেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হানা দেয় শরীরে। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি নাজেহাল করে। সে ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারই রুখে দিতে পারে এই সমস্যা। দ্রবণক্ষম ডায়েটারি ফাইবারে আস্থা তাই রাখতেই হয়। দ্রবণক্ষম ডায়েটারি ফাইবার কী? জলে দ্রবীভূত হয় যে সব ফাইবার, তারাই এককথায় ‘দ্রবণক্ষম ফাইবার’। এ সব খাবার অন্ত্রে দ্রবীভূত হয়ে জেলির ন্যায় একটি থকথকে জিনিসে পরিণত হয় যা মলত্যাগে সাহায্য করে। ওটস, ব্রাউন রাইস, তাল, আলুবোখরা এগুলিতে এমন ফাইবার থাকে। প্রতি দিন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় নাজেহাল হতে হয় এমন মানুষের, জানেন কি, কী কী খাবারে রুখে দিতে পারেন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা, তাও ওষুধের শরণ না নিয়েই? ​ফাইবারের জোগান ঠিক রাখতে পাতে রাখুন আমন্ড। প্রতি দিনের খাবারের তালিকায় রাখুন ব্রাউন ব্রেড বা ব্রাউন রাইস। এতে ফাইবারের পরিমাণ অন্যান্য খাবারের চেয়ে বেশি। প্রতি দিন তা করতে না পারলে অন্তত আটার রুটি রাখুন পাতে। ভাত থেকেও প্রচুর ফাইবার পাওয়া যায়। কিন্তু ওবেসিটির কারণে ভাত এড়িয়ে আটার রুটিতে আস্থা রাখুন। প্রোটিন ডায়েট শরীরের পক্ষে উপকারী। কিন্তু বেশি প্রোটিন খেতে হলে সঙ্গে ফাইবারের মাত্রা বাড়ান। প্রতি দিন সন্ধ্যায় কয়েকটা আমন্ড ও অঙ্কুরিত ছোলা খান। মুগের দানাও খেতে পারেন। কালো বা সবুজ মুগের দানা তেল ছাড়া কড়ায় নেড়েচেড়ে কৌটোবন্দি করে রাখুন। এতে ফাইবারের মাত্রা বেশ বেশি। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে বা ওজন বাড়ার ভয়ে অনেকেই যে কোনও কপি এড়িয়ে চলেন। তাই প্রতি দিনের ডায়েটে পেঁপে, ব্রকোলি, গাজর, বিট বিনস রাখুন ডায়াটে। প্রতি দিন একটা করে ফল খান। কোষ্ঠকাঠিন্যের অসুখ থাকলে বেদানা এড়িয়ে চলুন। তার বদলে আপেল, পেয়ারা, কলা খান। বিভিন্ন শস্যদানা ও সবজির বীজেও উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যে এ সব যোগ করলেও সুফল পাবেন। প্রতি দিন টক দই খান। এতে শরীরের টক্সিন দূর হয়। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

অল্প খরচে কিডনিতে পাথর দূর করার উপায়

শরীরে পানির ঘাটতি যেন না হয় তা দেখা, মল-মূত্রজনিত কোনও সমস্যার প্রতি নজর রাখা, বা তলপেটে-কোমরে একটানা ব্যথা থাকলে তা  নিয়ে সতর্ক থাকা— রোজকার জীবনে কিডনির খেয়াল রাখা বলতে এইটুকুই। তবে বাস্তব বলছে, এটুকু খেয়ালও ঠিকঠাক রাখতে পারি না আমরা। তাই কিডনির নানা সমস্যা থেকে ক্রনিক অসুখ প্রায়ই হানা দেয় শরীরে। বিশেষ করে রেনাল স্টোনে ভুগছেন এমন মানুষ কম নেই। জীবনযাপনের ভুলত্রুটি, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, পানি খাওয়ার অনভ্যাস ইত্যাদি রেনাল স্টোনের অন্যতম কারণ। নেফ্রোলজিস্ট অভিজিৎ তরফদারের মতে, কিডনিতে পাথর ক’টি আছে এবং কোথায়, কেমন অবস্থায় রয়েছে এগুলির উপরই এই অসুখের উপসর্গ নির্ভর করে। পাথর নানা আকারের হয়। সাধারণত, পাথরের সংখ্যা কম ও আকার খুব ছোট হলে তা কোনও রকম উপসর্গ ছাড়াই শরীরে থেকে যেতে পারে। ওষুধের মাধ্যমে তা গলিয়ে দেওয়া বা শরীরের বাইরে বার করে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু সংখ্যায় বেশি বা আকারে বড় হলে তা কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে বইকি। তখন অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও পড়ে। তেব ঘরোয়া কিছু নিয়ম মানলে এই অসুখ ঠেকিয়ে রাখা সহজ হয়। কিন্তু জানেন কি, খুব নিয়ম মেনে বা তটস্থ থেকে কিডনির যত্ন না নিয়ে সারা জীবন কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললেও কিডনি ভাল থাকে। আসুন, উপায়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। রেনাল স্টোন মূলত অতিরিক্ত ক্যালশিয়াম থেকে হয়। তাই ডায়েটে নজর রাখুন। প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাবেন না। ডায়েটে এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।  সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় জলটুকু রোজ জোগান দিন। এতে কিডনি সব সময় ভাল থাকবে। এ ছাড়াও কিডনিতে স্টোন রুখতে প্রতি দিন খালি পেটে উষ্ণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে তা নিয়মিত খান। গরম জলে মিশিয়ে খাওয়ার কারণে লেবু থেকে অম্লজাতীয় সমস্যাও তৈরি হয় না। তাই এই মিশ্রণ জিনে যত বার খুশি খাওয়া যেতে পারে। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনির ভিতরে কোনও পাথর তৈরি হলে, তাকে ছোট ছোট টুকরোয় ভেঙে দেয়। তাই তা সহজেই মূত্রনালি দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। তবে কিডনিতে ইতিমধ্যেই পাথর জমে গেলে তা ঘরোয়া উপায়ে কমানোর চেষ্টা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

প্রেমিকা বা স্ত্রী বয়সে বড় হলে মাথায় রাখুন ৭টি টিপস

বয়সটা যে বিয়ের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নয়, সেটা বহু যুগ ধরেই সবার জানা। শুধু পুরুষতান্ত্রিক ঔদ্ধত্যে এতদিন দস্তুর ছিল এটাই যে স্বামী হবেন বয়সে বড়, স্ত্রী নন। তবে সামাজিক এই ট্যাবু কাটিয়ে উঠছেন অনেকেই। প্রেমিকা বা স্ত্রী যদি বয়সে বড় হন, তবে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত- ১. তিনি বয়সে বড় মানেই তিনি সবজান্তা নন। এমনটা যদি তিনি মনেও করেন তবে প্রথমেই এই ভ্রম কাটিয়ে দিন। বয়সের কারণে যদি তিনি ডমিনেট করতে থাকেন তবে সম্পর্কটা অচিরেই বিষিয়ে উঠতে বাধ্য। ২. প্রেমিকার বয়স ভুলে গিয়ে তার সঙ্গে সমবয়সীর মতো মিশতে হবে, তবেই সম্পর্কটা প্রাঞ্জল থাকবে এবং প্রেমিকার মনে কোনও কমপ্লেক্স তৈরি হবে না। ৩. স্ত্রী বা প্রেমিকার সামনে অল্পবয়সী মেয়েদের প্রশংসা করার সময়ে একটু সচেতন থাকতে হবে। এমন কিছু মন্তব্য না করে ফেলেন যাতে তার মনে আঘাত লাগে। ৪. এই ধরনের সম্পর্ককে পরিবার মেনে নিলেও, আত্মীয়স্বজনরা সব সময় মেনে নিতে পারেন না। খেয়াল রাখতে হবে যেন তারা আপনার প্রিয় মানুষীর বয়স নিয়ে কোনও বিদ্রুপ না করেন। যদি কেউ করেনও তেমন কিছু, প্রতিবাদ করাটা একজন পার্টনারের দায়িত্ব। ৫. শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেমিকা বয়সে বড় হলে তিনি অনেক সময় অল্প উৎকণ্ঠায় ভুগতে পারেন। খুব সংবেদনশীলতার সঙ্গে সেটাকে ডিল করতে হবে। তাকে বুঝতে দেওয়া চলবে না অথচ তিনি যাতে উৎকণ্ঠা থেকে বেরিয়ে আসেন, সেটা দেখতে হবে। ৬. আপনার বন্ধুরা প্রেমিকার থেকে বয়সে অনেকটা ছোট হলে তারা আপা বলবেন না প্রেমিকাকে নাম ধরে ডাকবেন সেটা একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন। এক এক জন মেয়ের এক এক মত থাকে এই বিষয়ে। সেটা জেনে নিয়ে বন্ধুদের আগে থেকে জানিয়ে দিন। ৭. প্রেমিকা বয়সে অনেকটা বড় হলে এটা সম্ভব যে হয়তো তিনি পেশাগতভাবে অনেকটা বেশি প্রতিষ্ঠিত আপনার চেয়ে। সেটা যেন হীনমন্যতার জন্ম না দেয়, বয়স ভুলে প্রেমটা যতটা সহজে গ্রহণ করেছেন, এই বিষয়টাও ততটাই সহজে গ্রহণ করুন। সূত্র: এবেলা একে//

বাবা-মাকে কখনও বলবেন না এই ৫টি কথা

খুব কম অভিভাবকই রয়েছেন যারা সন্তানের যথেষ্ট যত্ন নেন না। সন্তান প্রতিপালন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, সেটা সবাই জানেন-বোঝেন। কিন্তু সবার প্রতিপালনের ধরনটা এক রকম হয় না। কেউ হয়তো একটু বেশি বকাবকি করেন, কেউ কম। সন্তান বড় হলে, তার যখন নিজস্ব ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়, তখন সে একটু একটু করে বাবা-মায়ের কথার উপর কথা বলতে শুরু করে। এটা ঠিক কী ভুল, সেই বিচার এক কথায় সম্ভব নয়। সবটাই পরিস্থিতি এবং পাত্রপাত্রীর উপর নির্ভর করে। কিন্তু কিছু কথা এমন রয়েছে যা বাবা-মাকে কখনও না বলাই ভাল- ১. ‘আমি তোমাকে ঘৃণা করি’- সন্তান যত বড়ই হোক বা যত ছোটই হোক বয়সে। এই কথাটা যে কোনও অভিভাবকের কাছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ২. ‘তোমরা আমাকে জন্ম দিলে কেন’- সন্তানকে বকাবকি করার সময়ে বা তার কোনও বিষয়ে অসুবিধা প্রকাশ করলে অনেক সময়েই অভিভাবকদের এই কথা শুনতে হয়। বিশেষ করে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় এই অভিযোগ। কিন্তু এই কথাটাও সবচেয়ে বেশি আঘাত করে তাদের। ৩. ‘তুমি বোন বা ভাইকে বেশি ভালবাসো’- অভিভাবকের কাছে তার সব সন্তানই সমান। হয়তো স্নেহের বহিঃপ্রকাশটা এক একজনের ক্ষেত্রে এক এক রকম হয়ে থাকে। কিন্তু এটা কখনওই ভাবা উচিত নয় যে অন্য সন্তানকে তিনি বেশি ভালবাসেন এবং সেটা ভেবে তাকে কটু কথা বলা একেবারেই উচিত নয়। ৪. ‘তোমরা যদি আমার বাবা-মা না হতে তবে ভাল হত’- সম্ভবত প্রথম কথাটির চেয়েও এই কথাটি অনেক বেশি কষ্ট দেয় অভিভাবকদের। ৫. ‘তোমাকে এখন সময় দিতে পারব না’- বাবা-মায়েরা সন্তানকে বড় করে তোলার সময়ে অনেক আত্মত্যাগ করেন কিন্তু উলটোটা সব সময়ে দেখা যায় না। যদি সত্যিই বয়স্ক অভিভাবককে সময় দিতে না পারা যায় ব্যস্ততার কারণে, তাহলেও সেটা এভাবে বলা কখনওই কাজের কথা নয়।  সূত্র: এবেলা একে//

আনারস দিয়ে তৈরি হচ্ছে শাড়ি-গয়না!

বেনারসি নয়। বিয়েতে কনে সাজবে ‘আনারসি’ শাড়িতে। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই। কারণ কাঞ্জিভরম, সিল্ক, তাঁত, সুতির শাড়ি পরতেই অভ্যস্ত নারীরা। তাই বলে আনারসি! তাও আবার বিয়ের সাজের জন্য!  শাড়ির নাম শুনেই প্রথমে যে শব্দ মনে আসে সেটা আনারস। ওই রসালো ফল থেকেই কি শাড়ি? আনারসের পাতা থেকে তৈরি সুতা দিয়ে শাড়ি বুনে তাক লাগিয়েছেন ভারতের শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরের নারীরা। এমনকি, সেই সুতা থেকে তৈরি হচ্ছে সাজগোজের গয়নাও! আনারস গাছ কাটার পর সেই গাছের পাতা থেকে সুতা বের করে ও সেই সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করা হয়। কয়েক বছরের প্রচেষ্টার পর আনারসের সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। এর আগে দু’বার সুতা দিয়ে শাড়ি বা বস্ত্র তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সফল হতে পারেননি তার। ফের ২০১৮ সাল থেকে নতুন করে কাজ শুরু করে সফল হন। জানা গেছে, ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় একটি আনারসের মেলাতে গিয়ে প্রথম আনারস গাছ থেকে সুতা তৈরির বিষয়টি দেখতে পান আনারস চাষি অরুণ মণ্ডল। তিনিই বিধাননগরে গিয়ে একইভাবে সুতা তৈরির কাজ শুরু করেন। এর আগে আশির দশকে ড. যতীন বিশ্বাস ও তারপর ক্যালিপ্সো বেঙ্গল ফুডস নামে একটি সংস্থা আনারস থেকে সুতা তোরির উদ্যোগ নিলেও সফল হননি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

মাত্র তিন-চার দিনেই ত্বকে আনুন ঈর্ষণীয় জেল্লা

অফিস-ঘর সামলে আপনার হাতে সময় নেই ফেসিয়ালের? অবশ্য তা করলেও অনেক সময়ই ত্বকের চাকচিক্য ততটা ফেরে না, যতটা ফেরে ঘরোয়া যত্নে। এ ছাড়া ফেসিয়াল প্যাকে ব্যবহৃত রাসায়নিকও সব ত্বকের যত্নের পক্ষে ভাল নয়। তাহলে উপায়? রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক’দিনের মধ্যেই ত্বককে জেল্লাদার করে তুলতে হলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া কিছু যত্নে। তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে। দেখে নিন সে সব। ১. এই ক’দিন সকাল শুরু করুন খালি পেটে এক গ্লাস পানি খেয়ে। শরীরের টক্সিন দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি। চেহারায় চাকচিক্য ফেরানোর কাজ সহজ করবে পানি। সঙ্গে খাবারদাবারেও নজর দিন। এই ক’দিন এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত তেল-মশলা। ২. আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কোনও ক্লিনজার বা টোনার ব্যবহার করুন। বাইরে বেরনোর আগে ব্যবহার করুন সে সব। ৩. বাইরে বেরনোর সময় শরীরের খোলা অংশে অবশ্যই সানস্ত্রিন ব্যবহার করুন। ৪. মেকআপ করার দরকার পরলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই ক্লিনজার ও টোনার সহযোগে ভাল করে মেক আপ তুলে ময়শ্চারাইজার মাখুন। মেক আপ না তুললে সেখান থেকেই ত্বকের ক্ষতি শুরু হয়। ৫. অন্তত দু’দিন ফ্রুট প্যাক লাগান মুখে। ফেসপ্যাক তোলার পর অবশ্যই টোনার দেবেন ত্বকে। ৬. প্রতিদিন রাতে মধু, টক দই ও ওটসের মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। তার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। ৭. ভ্যালেন্টাইন’স ডে কিংবা বিয়েবাড়ি, বেরনোর আগের দিন ত্বককে স্ক্রাব করুন ভাল কোনও এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব দিয়ে। সাধারণত এই কয়েকটা নিয়ম মেনে চললেই আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই ত্বককে অনেকটা প্রাণবন্ত করতে পারবেন আপনি। তাহলে আর দেরি কেন? সূত্র: আনন্দবাজার একে//

লুচি আলুর দম রেসিপি বানাবেন যেভাবে

যে কোন দিনেই বাঙালির একবেলার খাবার হিসেবে লুচি আলুর দম দারুণ জনপ্রিয়। এই শৌখিন খাবারটা অবাঙালির পুরি ও দম আলুর বাঙালি রুপ বলতে পারেন। বাঙালিদের জন্য পুরিটা হয় ময়দা,আর আলুর দমে দেওয়া বাঙালি গরম মশলা পদটার স্বাদটাই আলাদা করে দেয়। খাটনি ও সময় দুটোই লাগে এটা বানাতে,কিন্তু এর যা স্বাদ,তার জন্যে এইটুকু খাটনি মেনে নেওয়াই যায়। মুচমুচে ফুলকো লুচি ও তার সাথে মশলাদার আলুর দমের যুগলবন্দী, শুনলেই জিভে পানি এসে যায়। কী করে বানাবেন এই দুটি? এখানে দেখুন খাবারটা বানানোর ভিডিও ও ছবিসহ বিস্তারিত বিবরণ। লুচি আলুর দম বানানোর প্রণালী-   বাঙালি গরম মশলা: দারচিনি টুকরো - ৩ এলাচ - ৪ লবঙ্গ - ৫ লুচির জন্য: ময়দা - ১ কাপ ঘি - ১ টেবিল চামচ নুন - ১ চা চামচ পানি - ১/৬ কাপ তেল - ভাজার জন্য আলুর দমের জন্য: ছোট আলু সেদ্ধ করা (খোসা ছাড়ান) - ২০ টা (৩৫০ গ্রা) তেল - ২ টেবিল চামচ তেজ পাতা - ২ জিরে - ১ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা (কুচনো) - ১ চা চামচ চিনি - ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা - ১টা গোটা পেঁয়াজ আদা (কুচনো) - ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ টমেটো বাটা (পিউরি) - ২টা টমেটো নুন - স্বাদ অনুসারে লাল লঙ্কার গুঁড়ো - ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো - ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো -১ চা চামচ পানি- ১/২ কাপ ঘি - ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি: ১.একটা গরম করা প্যানে দারচিনির টুকরোগুলো দিন। ২.এলাচ ও লবঙ্গ দিন তাতে। ৩.রঙ বদলানো না অবধি ভাজুন। ৪.একটা মিক্সিতে ঢেলে নিন। ৫.ভাল করে গুঁড়ো করে বানিয়ে ফেলুন বাঙালি গরম মশলা। ৬.একটা পাত্রে ময়দা নিন। ৭.এক চা চামচ নুন দিন এতে। ৮.এতে হাফ চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান। ৯.এতে অল্প অল্প করে জল মেশান (১/৬ কাপ মত) এবং ভাল করে ময়দাটা মেখে ফেলুন। ১০.ময়দাটা মেখে ১৫-২০ মিনিট চাপা দিয়ে রাখুন। ১১.এদিকে ওই ছোট ছোট সেদ্ধ আলুগুলো একটা কাটা চামচ দিয়ে ফুটো ফুটো করে রাখুন। ১২.একটা প্যানে ২ চামচ তেল নিন। ১৩.এতে গোটা জিরে ও তেজ পাতা দিন। ১৪.কুচনো লঙ্কা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ১৫.এতে এবার চিনি মেশান, যতক্ষণ না চিনিটা ভাল করে গলে যায়। ১৬.পেঁয়াজ বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন কিছুক্ষণ। ১৭.আদা,রসুন ও টমেটো দিয়ে ভাল করে মেশান এবার। ১৮.ঢাকা দিয়ে ফুটতে দিন ৫-৬ মিনিটের জন্য। ১৯.ঢাকনা খুলে নুন ও লঙ্কা গুঁড়ো দিন। ২০.এবার পরবে জিরে ও ধনের পাওডার। ভাল করে মেশান। ২১.আবার ঢাকা দিয়ে ৪-৫ মিনিট রান্না করুন। ২২.ঢাকনা খুলে, এবার ছোট সেদ্ধ করা আলুগুলো দিন। ভাল করে মশলার সাথে মিশিয়ে নিন। ২৩.অর্ধেক কাপ মত জল দিন। ২৪.আবার ঢাকা দিয়ে, তাপটা বাড়িয়ে মিনিট ৫ মত রান্না হতে দিন। ২৫.এবার ঢাকনা খুলে গরম মশলাটা ছড়িয়ে দিন। ২৬.অর্ধকে চামচ ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান ও একপাশে রেখে দিন। ২৭.এবার ময়দার গোলাটা নিয়ে ছোট ছোট সমান মাপের লেচি করুন। হাত দিয়ে একটু চেপটে নিন। ২৮.এবার বেলুনিতে একটু ঘি মাখিয়ে নিন। ২৯.ছোট গোল আকারের পুরির মত করে বেলে নিন। ৩০.প্যানে যথেষ্ট পরিমাণে তেল দিয়ে গরম করুন। ৩১.এবার বেলে রাখা লুচি তেলে ছেড়ে দিন। ৩২.ফুলে উঠলে উলটে দিন। ৩৩.দুদিকটা ভাজা হয়ে গেলে হালকা বাদামি রঙ ধরলে বুঝবেন হয়ে গেছে। ৩৪.গরম ফুলকো লুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন আলুর দম। নির্দেশনা: ১. আলুটা ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। ২. চিনিটা মেসাতে একেবারে প্রথমে মশলার সঙ্গে। আরও কিছু তথ্য: পরিবেশনের মাপ - ১ জনের ক্যালরি - ৫৬৮ ক্যালরি ফ্যাট - ১৮.৬ গ্রা প্রোটিন - ১৮.৩ গ্রা কার্বোহাইড্রেট - ৭৫.২ গ্রা চিনি - ৩.২ গ্রা ফাইবার - ৫.৬ গ্রা এসি    

চোখের কালো দাগ দূর করার সহজ ৬ উপায়

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান করে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা। গ্রিন টি গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি। খাবার বদলান  চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে। শসার ব্যবহার শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে। ভিটামিন সি চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে। ঠান্ডা চামচ বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন। Exclusive Amazon ডিল উপভোগ করুন, মহিলাদের বস্ত্র বিভিন্ন দামে স্টাইলিশ সম্ভার, Flipkart-এ প্রিমিয়ার ব্র্যান্ডের জিনিস, ফ্রি শিপিং Exclusive Amazon ডিল পান মহিলাদের পোশাক, জুতো, জুয়েলারি ও ঘড়িতে সিগারেট এড়িয়ে চলুন  খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু`টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

সকালে পর্যাপ্ত শক্তি পেতে ৫ খাবার

দিনের শুরুতে সব থেকে বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যবিদরা। তারপর দিন এগনোর সঙ্গে সঙ্গে খাবারের পরিমাণ কমানো উচিত। রাতের শেষ খাবারটা হবে সবচেয়ে অল্প আহার। এর কারণ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেটাবলিক রেট পড়ে যেতে শুরু করে। তাই খাবারে থাকা পুষ্টিগুণ আমাদের শরীর দিন শেষের সময় পুরোমাত্রায় গ্রহণ করতে পারে না। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক পরিপূর্ণ শক্তির জন্য দিনের শুরুতে কি খাবেন সে সম্পর্কে- হোল গ্রেন পাউরুটি বাজারে নানা ধরেনর পাইরুটি পাওয়া যায়। কিন্তু তার সব ক`টা যে শরীরে সমান ভাবে কাজ করে তা নয়। কোনওটায় কিছু উপকারী উপাদান থাকে, কোনওটা আবার শরীরের জন্য ততটাও ভালো নয়। এখন হোল-গ্রেন পাউরুটি খুবই সহজলোভ্য। এতে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক কোনও কিছুই নেই। হোল-গ্রেন রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তাচাপ সঠিক মাত্রায় বজায় রাখতেও সাহায্য করে। প্রোটিন সকালের শুরুতে প্রোটিন খাওয়া ভালো। কারণ সেক্ষেত্রে চট করে অনেকটা এনার্জি পাওয়া যায়। এর প্রধান মাধ্যম হতে পারে ডিম। ডিম সিদ্ধ করে, তাকে পিস পিস করে কেটে নিন। তার সঙ্গে কাঁচা টমেটো চাকা চাকা করে কেটে নিন। আর হোল-গ্রেন ব্রেডের সঙ্গে নিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্যান্ডউইচ। এতে পিওর অলিভ অয়েলে অল্প ভাজা স্পিনাচ মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে ভিটামিন আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও পেয়ে যাবেন। হয়ে গেল প্রোটিনের পূরণ। রান্না করবেন না সকাল বেলা রান্না করতে চান না? তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সেক্ষেত্রে স্যান্ডউইচ বানানো বা ডিম সিদ্ধ করার পরিকল্পনা রাখতে পারবেন না। তাহলেও পূরণ হতে পারে প্রোটিনের চাহিদা। এ জন্য আপনার দরকার ইয়োগার্ট। পেট ভরবে। ক্যালসিয়াম আর প্রোটিনও থাকে ইয়োগার্টে। ফলে সেদিক থেকেও আপনি লাভবান। সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন পছন্দের ফল। মরশুমি ফলে ভিটামিনের পরিমাণ থাকে খুবই বেশি। তাতে ইয়োগার্ট যেমন সুস্বাদু হয়ে গেল, তেমনই পুষ্টিগুণও পেলেন পুরোমাত্রায়। সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন খেজুর-কাজু-কিসমিসের মতো শুকনো ফলও। স্মুদি স্যান্ডউইচ, ডিম সিদ্ধ তো নয়ই, সকালে ইয়োগার্ট খেতেও যদি পছন্দ না করেন, তাহলে আপনার ব্রেকফাস্টের সহজ সমাধান স্মুদি। ইয়োগার্টের সঙ্গেই কয়েকটা জিনিস মিশিয়ে যে স্মুদি তৈরি করে ফেলতে পারবেন, তাতে মিটে যাবে ব্রেকফাস্টের এনার্জির চাহিদা। হাফ কাপ নন-ফ্যাট ইয়োগার্টে সঙ্গে হাফ কাপ অরেঞ্জ জুস, কিছুটা শুকনো বেরি জাতীয় ফল আর কলা। এই হল সারা সকাল চালানোর মতো পুষ্টিগুণ সম্পন্ন স্মুদি তৈরির উপাদান। এগুলোকে একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে স্মুদিমেকারে চালিয়ে নিন। অরেঞ্জ জুস পছন্দ না হলে ম্যাঙ্গো জুসও দিতে পারেন। এমনকী গরমের সময় মিশিয়ে নিতে পারেন অল্প কয়েক টুকরো আমও। রেডি দুর্দান্ত স্মুদি। পর্যাপ্ত পানি পুষ্টির বিষয়টা তো না হয় সামলানো গেল। কিন্তু মনে রাখবেন, খাবারের সঙ্গে শরীরকে পর্যাপ্ত পানি দিতে হবে। কারণ শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে গেলে পুষ্টিগুণ কাজে আসবে না। এবং ভারী খাবার খাওয়ার পর পর্যাপ্ত পানি না খেলে সেই খাবার হজম করতেও সমস্যা হবে। তাই এই বিষয়টির দিকেও নজর দিতে হবে। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি