ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:১৮:৫৬

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকার

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকার

উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সব চেয়ে সেরা উপাদানগুলোর অন্যতম সয়াবিন। ভিটামিন ও প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার আদতে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। আজকাল ডায়াবিটিকদেরও নিশ্চিন্তে সয়াবিন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আসলে এক বাটি ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে এক বাটি সয়াবিনে। যে কোনও প্রাণিজ প্রোটিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে সয়াবিন। তাই নিরামিষাশীদের ডায়েটে এই খাদ্য রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। প্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। শর্করা রয়েছে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণের হিসাবে এই খাদ্য অনেক পুষ্টিবিদেরই প্রথম পছন্দ। শরীরচর্চায় অভ্যস্তরা নিয়মিত ডায়েটে রাখেন সয়াবিন। জানেন কি কেন? দেখে নিন কী কী গুণ রয়েছে এই খাদ্যে। তার পর ডায়েটে ব্যবহার করুন সয়াবিন। ১. সয়াবিনের প্রোটিন মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সকে সতেজ রাখে, তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে সহজে ক্লান্তি আসে না। ২. সয়াবিনে প্রচুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে। হার্ট ও লিভারকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে এই খাবার। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে সয়াবিন। ৩. সয়াবিনে থাকা লেসিথিন মস্তিষ্ক গঠনের অন্যতম উপাদান। তাই সয়াবিন খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা তো বৃদ্ধি পায়ই সঙ্গে হাইপোথ্যালামাসকে সক্রিয় রাখে। ৪. সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ৫. সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে, যা অনিদ্রাজনিত অসুখ দূর করে সহজেই। ৬. মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা অত্যন্ত কার্যকর। কারণ সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ৭. সয়াবিনে অদ্রবণীয় ফ্যাট থাকায় তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ৮. যাদের শরীরে রক্ত কম, তারাও ডায়েট চার্টে রাখুন সয়াবিন। সয়াবিন রক্ত পরিশুদ্ধ করতেও কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
জিরার পানিতে মিলবে ১০ উপকার!

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, জিরা পানির এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক প্রপাটিজ, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল এবং নানা সব উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা নানাভাবে শরীরের উপকার করে থাকে। ১) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : রোজ ডায়েটের তালিকায় এই পানীয়টি রাখলে ত্বকের ভিতরের পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ত্বকের ভেতরে উপস্থিত টক্সিক উপদানেরা বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলে ত্বকের বয়স তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। ২) লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত জিরা পানি খেলে শরীরের ডায়াজেস্টিভ এনাজাইমের উৎপাদন বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরাও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ৩) রেসপিরেটরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : জিরায় উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর বুকে মিউকাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে, সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে নানাবিধ রেসপিরেটরি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ৪) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক। আর এমনটা হওয়া মানেই বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বল রোজের সঙ্গী। এমন অবস্থা যদি আপনারও হয়ে থাকে, তাহলে আজ থেকেই এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো জিরা ভিজিয়ে সেই পানি পান করা শুরু করুন। ৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে : জিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার এত সুন্দরভাবে হজম হতে শুরু করে যে ওজন বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফাইবার আরেকভাবেও ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। ৬) শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : নিয়মিত জিরা পানি পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে শরীর শুকিয়ে গিয়ে কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ৭) এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : জিরার ভিতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এনার্জি এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ক্লান্তি দূরে পালায়। ৮) ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে পালায় : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকাল বেলা খালি পেটে জিরে ভেজানো পানি খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। এই কারণেই তো ডায়াবেটিস রোগীদের জিরা ভেজানো পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ৯) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে জিরা পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স যেমন ঠিক হয়ে যায়, তেমনি পটাশিয়ামের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড প্রেসার কমতে শুরু করে। ১০) রোগ-প্রতিরাধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : জিরায় উপস্থিত আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। যেভাবে বানাবেন- একটা পাত্রে পরিমাণ মতো পানি এবং জিরা নিয়ে কম করে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানিটা ছেঁকে নিয়ে তাতে অল্প করে মধু মুশিয়ে ঝটপট খেয়ে ফলতে হবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/ এসএইচ/  

৮ সবজি বাড়িয়ে দিবে উচ্চতা!

বেঁটে বা খাটো হওয়াটা খুব দুঃখজনক বিষয়। দেখতেও অস্বাভাবিক লাগে। এ সময় মনে হয় লম্বা হলে কতই না ভালো হতো। সাধারনত বংশগত বৈশিষ্ট্যের উপর কার উচ্চতা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনেকটাই। কিন্তু বংশগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও পুষ্টির উপরও উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু কিছু সবজি উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত ও নারীর উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে উচ্চতা বিশেষ সবজিগুলো খাবার তালিকায় নিয়মিত রাখলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি। ১) ঢেঁড়স : উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক যে সবজিগুলি আছে, তার মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। ২) শালগম : শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। ৩) মটরশুঁটি : মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না। ৪) বাঁধাকপি : ধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। ৫) পালং শাক : পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ৬) সয়াবিন : সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই। ৭) ব্রোকলি : উচ্চতা বৃদ্ধিতে সবুজ রঙের এই সবজিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। ৮) কুমড়োর বিচি : কুমড়োর বিচি শরীরের নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু সারায়, এবং নতুন টিস্যুর গঠনেও সাহায্য করে। এছাড়া এই বিচিতে থাকা এ্যামিনো এ্যাসিড শরীরের বেড়ে ওঠায় খুব সাহায্য করে থাকে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/ এসএইচ/  

সানস্ক্রিন ছাড়াই ত্বকের সতেজতা আনুন ৫ উপায়ে

প্রচণ্ড রোদে বাইরে বের হওয়া মুশকিল। এতে ত্বক পুড়ে গিয়ে কালচে হয়ে যায়। সানস্ক্রিন দিয়ে ত্বকের পুড়ে যাওয়া ভাব না হয় কমাবেন, কিন্তু সানস্ক্রিনের কেমিক্যালসে ত্বকের অভ্যন্তরীন ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয় না। তাই সানস্ক্রিন ছাড়াই কিছু সহজ উপায়ে ত্বকের জেল্লাদার ফিরিয়ে আনুন। ১) সরষের তেল রোদে পুড়ে বাড়ি ফিরলে ত্বকে মখে নিন সরষের তেল। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ট্যান বলে কোনও বস্তুই আর নেই ত্বকে। ২) আলুর রস আলু বেটে সেই রস লাগান ত্বকে। আলুর রস ত্বকের ট্যান তো কমাবেই, এ ছাড়া চামড়ার জেল্লা বাড়াতেও সাহায্য করে আলুর রস। ৩) গোলাপ জল গোসলের সময় জলে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। গোলাপ জল সানবার্ন কমাতে ওস্তাদ। তবে সব চেয়ে ভাল হয়, যদি বাড়িতেই গোলাপের পাপড়ি বেটে সেই রস ঘষতে পারেন ত্বকে। ৪) অ্যালোভেরা জেল অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পোড়া দাগ তোলায় এর জুড়ি নেই। সরাসরি অ্যালোভেরার জেল লাগান পোড়া ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি মুখ ধুয়ে শশার রস মেখে নিন। খানিক ক্ষণ রেখে আবার ধুয়ে ফেলুন ঠান্ডা পানি। পোড়া দাগের সমস্যা মিটবে সহজেই। ৫) টি ব্যাগ কয়েকটি টি ব্যাগ পানি ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। খানিকক্ষণ বাদে সেই পানি নরম একটা কাপড় ভিজিয়ে নিন। পোড়া ত্বকের উপর সেই বরফশীতল তোয়ালে রাখুন। কমবে পোড়া দাগ। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/  

ডাবের পানির ৪ গুণ

বর্ষাকাল শেষ, তবুও যেন ভ্যাপসা গরম। এমন গরমে অসুখের প্রকোপ বাড়ে তার মধ্যে পেটের অসুখ, জ্বর এসবই বেশি দেখা দেয়। এসময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীতো ওষুধ চলে, এর পাশাপাশি পেটকে ঠাণ্ডা রাখতে নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে এ সময় প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে সবচেয়ে বেশি উপকার হবে। কেননা ডাবের পানি শুধু পেটের সমস্যাই মেটায় এমন নয়, এর আরও অনেক শারীরিক গুণও রয়েছে। ১) ডাবের পানি শরীরে পানির ভারসাম্য রাখে। অনেক সময়ই অতিরিক্ত তেল-মশলা, ঠাণ্ডা পানীয় এ সব আমাদের শরীরে পানির চাহিদা বাড়ায়। তাই ক্ষতিকর খাবারের বদলে ডায়েটে রাখুন ডাবের পানি। ২) ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, সোডিয়াম রয়েছে। তাই শরীরে এই সব খনিজের অভাব রুখে দিতে পারে ডাবের পানি। প্রতিদিন এই ডাবের পানি ডায়েটে রাখলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বাড়ে। পটাশিয়াম থাকায় ডায়ারিয়া রুখতে এই পানি খুব প্রয়োজনীয়। ৩) ডাবের পানি প্রাকৃতিক ভাবেই স্যালাইন ওয়াটারের কাজ করে। ক্লান্তি কমাতে, শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে খুব উপকারী এই পানি। সমুদ্র উপকূলে বা রোদে যারা কাজ করেন তারা দিনে দু’তিনটি ডাবও খেতে পারেন। ​৪) ডাবের পানি বেশ কিছু উপকারী উৎসেচক থাকায় তা হজম অত্যন্ত সাহায্য করে। অনেকেরই ভারী কিছু খাওয়ার পর ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার অভ্যাস আছে। সে অভ্যাসে রাশ টেনে ডাবের পানি খান ঠাণ্ডা পানীয়র পরিবর্তে। কেএনইউ/

মেয়েরা যে ৫ কারণে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে

সম্পর্কে শুধু স্বামীই প্রতারণা করে না, করে মেয়েরাও। মূলত আধুনিকযুগে স্বামী-স্ত্রী চাওয়া-পাওয়া ভিন্ন বিধায় তাদের কারণগুলোও ভিন্ন হয়ে থাকে। যেটা স্বামীর কাছে কোন বিষয়ই নয় সেটা হয়তো স্ত্রীর কাছে অনেক বড় বিষয়। এ রকম মতোপার্থক্য থাকার কারণে মেয়েরা অনেক সময় স্বামীর কাছ থেকে দূরে সরে যেতে চায়। তখন তাদের আশ্রয় নিতে হয় প্রতারণার। ১) সম্পর্ক এখন সহজলভ্যতা মনোবিদরা বলছেন, সমাজের সব থেকে বড় সমস্যাই হল সহজলভ্যতার ধারণা। অনেক কিছুর মতো সম্পর্কও এখন অনেক সহজলভ্য বলে মনে করেন অনেকেই। একটু চেষ্টা করতে পারলেই যেন মিলে যায় সব সমস্যার সহজ সমাধান। এই মানসিকতা ঢুকে পড়েছে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। ২) মেয়েদের আত্মাভিমান একটু বেশি মনোবিদরা ধারণা করেছেন, মেয়েদের আত্মাভিমান ছেলেদের তুলনায় একটু বেশিই। মেয়েরা স্বভাবগতভাবে একটু অভিমানী হয়ে থাকেন। ফলে, কোনও সম্পর্কে যদি আত্মাভিমানে আঘাত লাগে, তা হলে তাঁরা সেই সম্পর্কে টিকে থাকতে চান না। তাই অনেক ক্ষেত্রে আত্মাভিমানে আঘাত লাগলে ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে প্রতারণাকেই বেছে নেন। ৩) মানসিক বিকার সব থেকে মারাত্মক ট্রেন্ডটি দেখা দিয়েছে হালফিলে। স্রেফ মজার জন্য মন নিয়ে খেলার প্রবণতা। মনোবিদরা বলছেন, এও এক ধরনের মানসিক বিকার। অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজে আনন্দ পাওয়া। ৪) সমাজে মানিয়ে নেওয়ার বিষয় মনোবিদদের মতে, আজকাল সমাজে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটাই অনেক কমে গিয়েছে। নিজের ক্যারিয়ারের ঝক্কি সামলে সম্পর্কের সূক্ষ্ম দিকগুলির মানিয়ে নেওয়ার সময় কোথায়? এ ক্ষেত্রেও মেয়েরা সম্পর্ক থেকে মুক্তি পেতে প্রতারণার রাস্তাই বেছে নেন। ৫) যৌন স্বাদে ভিন্নতা আনতে আধুনিক যুগের ছেলেদের মত মেয়েরাও অনেক বেশি আধুনিক হয়ে গেছে। ছেলেরা যেমন বিভিন্ন যৌন স্বাদ পেতে ভালোবাসেন তেমনি এমন অনেক মেয়ে আছেন যারা বিভিন্ন ছেলেদের সঙ্গে যৌন স্বাদ গ্রহণ করতে চান। এরা এক পুরুষের মাঝে সকল সুখ খুঁজে পায় না। এ কারণেও এই মেয়েরা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। কেএনইউ/

ক্ষুধা পেলে যে ৪ খাবার ভুলেও খাবেন না

প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে ঘরে যা থাকে তাই খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করি। কেননা ক্ষুধা পেলে খাবার না খাওয়া পর্যন্ত কিছুই ভালো থাকে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে ক্ষুধা মেটানো হয়। কিন্তু এ সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়, কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো খিদের সময়ে খেলে যেমন পেটের ক্ষিদে মিটবে না তেমনি শরীরের অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। তাহলে জেনে নিন, ক্ষুধার সময় যে ৪ ধরণের খাবার খাওয়া উচিত নয়- ১) ফল : খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটি আপেল বা একটি কলা খেয়ে কখনই পেটের ক্ষুধা মিটে না। বরং আপনার খিদে খিদে ভাব আরও বেড়ে যাবে। যদি ফল খেয়েই থাকেন তাহলে এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিত কোনও প্রোটিন ধরণের খাবার। ফলের সঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পিনাট বাটার বা পনির। ২) ঝাল খাবার : কোন কাজের জন্য দুপুরের খাবার সারতে দেরি হয়েছে। এ সময় প্রচণ্ড ক্ষিদে পেয়েছে, তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল ঝাল কোনও মুখরোচক খাবার খেয়ে বসলেন। এতে আপনার হজমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। তাই ঝাল ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না। ৩) কমলালেবু বা কফি : এই সব খাবার খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। এতে পেট খারাপ হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। সবজি পেটের জন্য এতোটা ক্ষতিকর না। তাই সবজির সালাদ খেতে পারেন। সেদ্ধ ডাল বা মুরগীর মাংসও (কম মশলাদার হলে চলবে) এ সময়ে খাওয়া যেতে পারে। ৪) বিস্কুট বা চিপস : এমনটা হতে পারে যে আপনি আর দুই ঘন্টা পর দুপুরের খাবার খাবেন। তাই এখন ভারী কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এগুলিতে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনও খাবার। যেমন, একটা স্যান্ডউইচ বা একটা কেক। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

যে ৫ কারণে কমছে না ওজন

ওজন কমানোর জন্য কত নিয়ম মেনেই না ব্যায়াম করছেন। খাওয়া-দাওয়াতেও প্রচণ্ড ছাঁট-কাট। তবুও যেন ওজন কমছে না! কোনো কিছুতেই কমতি রাখেন নি। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন ওজন কমছে না- ১) মেটাবলিজম আগের অবস্থান ধরে রাখতে চাইছে ওজন না কমার পেছনে এই কারণটা অনেকাংশে দায়ী। প্রতিদিন নিয়ম মেনে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যায়াম করে যাচ্ছেন কিন্তু ওজন কমছে না কিছুতেই। এর একটা কারণ হতে পারে আপনার বিপাকক্রিয়ার অভিযোজন অর্থাৎ মানবশরীরের যেকোন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা। সহজ ভাবে বলতে গেলে আমাদের শরীর তার নিজস্ব কমফোর্ট লেভেল থেকে বের হতে সময় নেয়। এর আগে আপনি যে পরিমাণ খাবার গ্রহণ করতেন আপনার শরীর সেই পরিমাণ খাবার হজম করতেই অভ্যস্ত ছিল। এখন হুট করে ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যালরি ব্যয় বাড়ালেও খুব একটা কাজ হয়না। কারণ আমাদের আভ্যন্তরীণ মেটাবলিজম প্রক্রিয়া তখন চর্বি ধরে রেখে শরীরের আগের অবস্থান ধরে রাখতে চেষ্টা করে। এর ফলে সহজে ওজন কমতে চায়না। এর থেকে মুক্তি পেতে ব্যায়ামের পাশাপাশি ক্যালির গ্রহণ করাও কমাতে পারেন। ধীরে ধীরে নতুন নিয়মে অভ্যস্ত হবে আমাদের শরীর। কিন্তু ভয় পেয়ে একবারে খাবার দাবার ছেড়ে দিলেও সেটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই ওজন কমাতে ধৈর্য ধরে দীর্ঘসময় ধরে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে ও সেই অনুযায়ী এক্সাসাইজ করে ক্যালরি ব্যায় করতে হবে। ২) পানির ওজন ধরে রাখছে শরীর এমনও হতে পারে যে আপনার শরীর পানির ওজন ধরে রাখছে তাই আপনার ওজন কমছে না কিছুতেই। সপ্তাহে প্রতিদিন বা অন্তত তিনদিন ওজন নিয়ে দেখুন ওজন একই দেখায় কিনা। কারণ শুধুমাত্র পানির কারণেই আমাদের শরীরে অতিরিক্ত পাঁচ পাউন্ড ওজন বেশি হতে পারে। যদি একই সপ্তাহে এক একদিন এক রকম ওজন দেখায় তবে অতিরিক্ত ওজনটা ওয়াটার ওয়েট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমন হলে অর্থাৎ ব্লটিঙের জন্য ওজন বেশি হলে পানি খাওয়া বাড়িয়ে দিন। একমাত্র পানিই পারে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ফ্লাশ আউট বা নিঃসরণ করতে। ৩) ক্লিন ইটিং হ্যাবিট এমন যদি হয় আপনি হুট করে ক্লিন বা অর্গ্যানিক খাদ্যাভ্যাস শুরু করেছেন তবে আপনার ওজনে হেরফের না ঘটার সম্ভাবনা আছে। প্রসেসড ফুড বাদ দিয়ে বেশি করে ন্যাচারাল খাবার খেলে ওজন বাড়বে না এই তত্ত্বকে অনেকে মিথ বলে থাকেন। খাবারের গুণগত মানের পাশাপাশি পরিমাণটাও গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র ফল এবং শাকসবজি খেলেও ওজন বাড়তে পারে যদি ক্যালরির হিসেব না করে খান। ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে প্রতিদিনের ক্যালরি গ্রহণ কমাতে হবে। সেটা যে খাবারই খান না কেন। ৪) চিট মিলে চিটিং সারা সপ্তাহ কঠিন নিয়মের সাথে খাদ্যাভ্যাস মেনে চলে একদিন চিটিং ডে রেখে মনের মত খাবার খান। সারা সপ্তাহে যেসব খাবার খেতে ইচ্ছা করেছে সেসব খাবার খেতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে সারা সপ্তাহের ক্যালরি একদিনেই গ্রহণ করে ফেললেন। এতে ওজন তো কমবেই না উল্টো বেড়ে যেতে পারে। তাই চিট যদি করতেও হয় ক্যালরির হিসেব করেই খেতে হবে। অথবা অতিরিক্ত ক্যালরি বেশি ব্যায়াম করে ঝেরে ফেলতে হবে। ৫) খাদ্যাভ্যাসে বেশি কড়াকড়ি করে ফেলেন যদি যেভাবে যেসব খাবার খেতে অভ্যস্ত আপনি হুট করে সব বাদ দিয়ে একদম আলাদা কোন খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করলেও ওজন দ্রুত কমার সম্ভাবনা কমে যায়। এতে করে দেখা যায় আমরা যেসব খাবারে অভ্যস্ত তা খাওয়ার ক্রেভিংস বেড়ে যায় আর চিট ডের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এতে শরীর ও মন কেউই খুশি হয়না ফলের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই যেসব খাবার খেয়ে অভ্যস্ত তা একদিনে বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে বাদ দিন। ওজন কমানোর জন্য ফ্লেক্সিবল ডায়েটিং অনুসরণ করতে পারেন। এতে করে আপনার পরিচিত আর প্রিয় খাবারগুলোই ক্যালরি কাউন্ট করে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খেতে শুরু করুন। তাই বলে তেলে ভাঁজা কিংবা অতিরক্ত মসলাদার খাবার খেতে শুরু করবেন না। ওজন কমাতে প্রতিদিন ব্যায়াম করার পাশাপাশি যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করা খাবার খান। আর অবশ্যই পরিমাণ অর্থাৎ ক্যালরি হিসেব করে খান। কেএনইউ/

গর্ভস্থ শিশুর কাজের নমুনা

ছোট্ট একটা জায়গার মধ্যেই প্রাণপণে হাত-পা ছুড়ছে সে। কখনও বা উঠে দাঁড়িয়ে পড়ারও চেষ্টা করছে ওইটুকু জায়গাতেই। পিছলে পড়ে গেল বা প্রায় উল্টে গেলে আবার নিজেই সোজা হয়ে যাচ্ছে। কচি কচি হাত-পা ও মাথার কৌশলে লাথি তো বটেই এমনকি কিক বক্সিংও করে চলেছে সে। তবে মজার বিষয়, যে এ সব করছে সে কিন্তু পৃথিবীতেই আসেনি তখনও। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ বিস্ময়ের আরও বাকি আছে! একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর মায়ের গর্ভে থাকাকালীন শিশু ঠিক কী কী করে তা জানলে জানলে বিস্ময়ে কপালের ভাঁজ আরও চওড়া হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে শিশুর এমন কাণ্ড জানার জন্য নানা উপায় আছে। তবে এমআরআই-এর সাহায্যেই তা সবচেয়ে স্পষ্ট বোঝা যায়। তা ছাড়া সিটি স্ক্যানের মতো এতে কোনও রশ্মির ব্যবহারও হয় না। চিকিৎসকদের মতে, অভিভাবকরা এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের সময় এ ছবি দেখতে চাইলে চিকিৎসাকরা দেখানও। হবু মা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চার-পাঁচ মাসের মাথায় শিশুর এ সব কাজকর্ম আরও স্পষ্ট হয়। তবে তিন মাসের পর থেকেই সে সুযোগ পেলেই এমনটা করতে থাকে। কিন্তু ‘সুযোগ পেলে’ কেন? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন বেশির ভাগ সময়ই গর্ভস্থ শিশু ঘুমিয়ে সময় কাটায়। যে টুকু সময় সে জেগে থাকে, সেই সময়ে এমন দৌরাত্ম্যই করতে থাকে। তবে এই সব দৌরাত্ম্যের নমুনা দেখে খানিকটা আন্দাজও করা যায় সে কতটা চঞ্চল হবে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

গরমে ত্বককে সতেজ রাখবে এক টুকরো বরফ

খুব গরম পড়েছে, তার মধ্যে আবার কিছুদিন পরই শুরু হবে পূজোর উৎসব। গরম থাকলেও পূজো বলে কথা, তাই সাজগোজের বিষয়টা তো থাকবেই। কিন্তু গরমে মুখের সাজটা যেন ক্ষণস্থায়ী হয়ে যায়। যতই পার্লারে গিয়ে সাজুন না কেন গরমের ঘামে সব নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরমে ত্বককে সতেজ ও সাজটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে বরফের সাহায্য নিন। ১) বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন প্রত্যেকদিন৷ এবার একটি পাতলা সুতি রুমালের মধ্যে বরফ নিন৷ ওই বরফই হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন পুরো মুখ৷ এভাবেই দিনভরের ক্লান্তি কাটিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল৷ ২) সামনেই পূজো, এ সময় গরম যে থাকবে না, তার কি নিশ্চয়তা আছে৷ যদি গরম থাকে তাহলে পূজোর সাজের বারোটা বাজবে। তাই মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য মেকআপের শুরুতে প্রথমে তুলোতে টোনার নিন৷ ওই টোনার গোটা মুখে লাগান৷ এরপর একটি রুমালে জড়ানো বরফ গোটা মুখে ঘসুন৷ তারপরই লাগান ফাউন্ডেশন৷ দেখবেন, হাজার গরমেও মেকআপ থাকবে একইরকম৷ ৩) অতিরিক্ত গরমে মুখ তৈলাক্ত হয়ে যায়। আর তৈলাক্ত হলেই ব্রণর সমস্যায় ভুগতে হয়। তবে আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে একখণ্ড বরফ৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে বরফ ব্রণে ঘসে নিন৷ এক রাতের মধ্যেই এর ফল পাবেন। ৪) চোখের নিচের অংশে ফোলা ভাবের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন একখণ্ড বরফ৷ কয়েক মিনিট পরেই এই ফোলাভাব দূর হয়ে যাবে। ৫) গরমে মুখে অতিরিক্ত র‌্যাশ উঠতে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই নিয়মিত পার্লারে যান৷ কিন্তু তারপরেও রয়েছে হাজারও সমস্যা৷ কারও মুখে ব়্যাশের পাশাপাশি দেখা দেয় মুখ লাল হতে৷ এই সব সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিবে একখণ্ড বরফ৷ ৬) অত্যন্ত শুষ্ক বা তৈলাক্ত ত্বক কিংবা ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলেও বরফের কোনও তুলনা নেই৷ সকালে ও রাতে মাত্র দশ মিনিট ধরে বরফের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়৷ কেএনইউ/

ত্বকে অতিরিক্ত ফেসিয়ালে ৭ ক্ষতি হতে পারে   

ত্বককে ফর্সা ও কালো দাগ দূর করার জন্য ফেসিয়াল করা হয়। ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা হয় এবং ত্বকের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। কিন্তু ত্বকের প্রকৃতি না বুঝে ফেসিয়াল করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি হয়। এছাড়াও অতিরিক্ত ফেসিয়ালের ফলে ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে অল্পতেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।        অতিরিক্ত ফেসিয়াল করা এবং নিয়ম না মেনে ফেসিয়াল করলে যেসব ক্ষতি হতে পারে সেগুলো জেনে নেওয়া যাক- ১) ত্বক চুলকায় পার্লারে ফেসিয়াল করার সময় যেসব ক্রিম কিংবা পণ্য ব্যবহার করা হয় তাতে অনেক ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে। যেগুলো পরবর্তীতে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী। কেমিক্যালগুলো ত্বকের কোষের ক্ষতি করে। ফলে ত্বক জ্বালাপোড়া করে এবং চুলকায়।    ২) মুখের ত্বক ঝুলে যাওয়া অনেকেই আছেন যারা একদিন পর পর কিংবা প্রতিদিন ফেসিয়াল করতে চান, তাদের ত্বক অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। কেননা মুখের চামড়া খুবই নরম হয়ে থাকে, আর সেই ত্বকে যদি প্রতিদিন ম্যাসাজ করা হয় তাহলে চমড়া ঝুলে যাবে। এতে দ্রুত নিজেকে বার্ধক্য দেখাবে। ৩) ত্বকে অ্যালার্জি বাড়ে বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়ালে ভিন্ন ভিন্ন পণ্য ব্যবহার করা হয়। অনেকেই আছেন যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের ক্ষেত্রে এসব পণ্য ব্যবহারে অ্যালার্জি আরও বেড়ে যায়। এতে ত্বকে লাল লাল ফুসকুড়িসহ আরও নানা সমস্যা হতে পারে। ৪) ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ফেসিয়াল করালে ত্বকের আর্দ্রতার উপস্থিতি কমে যায়। এতে বাইরের ত্বক অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে ত্বক অমসৃণ এবং বিবর্ণ হয়ে পড়ে। ৫) লালচে ভাব ত্বকে চলে আসে ফেসিয়ালের সময় এমন কিছু শক্তিশালী কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ নাও খেতে পারে। এতে ত্বকে একটা লালভাব চলে আসে। এমনকি ত্বকের উজ্জ্বলতাও চলে যায়। ৬) ত্বক শুষ্কতা ভাব চলে আসে নিয়মিত ফেসিয়াল করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা এবং ত্বকের পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। এতে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। ৭) ত্বকে বিভিন্ন ধরনের দাগ দেখা দিবে   মুখের কালো দাগ কমাতে অনেক সময় বিউটিশিয়ানরা তাদের নখ কিংবা নানা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন। এগুলো সঠিকভাবে ব্যবহারে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এর বিপরীতে গেলেই কেটে যেতে পারে কিংবা আরও বড় কোন দাগ হতে পারে। কেএনইউ/এসি    

অ্যালার্জি দূর করার জাদুকরী ভেষজ পানীয়

অনেকের শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে। অ্যালার্জির জন্য তেমন কোন চিকিৎসা না থাকলেও কিছু ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অ্যালার্জির ওষুধে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করা ভেষজ পানীয় দিয়েই এই অ্যালার্জি নিরাময় করা সম্ভব। এটি সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ভালো কাজ করবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ভেষজ পানীয় তৈরির পদ্ধতি এবং এর কার্যকারিতা- পানীয় তৈরির উপকরণ : ১) দুইটি আপেল। ২) দুইটি গাজর এবং ৩) একটি বড় বিট। পানীয় তৈরির পদ্ধতি : প্রতিটি উপকরণ ভাল করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার ব্লেন্ডারে বা জুসারে সবকটি উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে নিন বা জুসারে জুস তৈরি করে নিন। চাইলে না ছেঁকেও খেতে পারেন। কারণ, এই সবজি ও ফলের আশও খুব উপকারী। ব্যস তৈরি হয়ে গেল অ্যালর্জি নিরাময়ের জুস। এই জুস প্রতিদিন এক গ্লাস পান করে নিন। দেখবেন অ্যালার্জির সমস্যা অনেকটাই কমে গেছে। উপকারিতা : ১) আপেলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি এবং সি, যা আমাদের শরীরের পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূরে রাখে। ২) বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটেইন, এনজাইম এবং ভিটামিন এ যা গলব্লাডার ও লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়ক। ৩) গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং গাজরের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান লিভার এবং পরিপাকতন্ত্রকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি