ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ৪:২৩:২৭

রেসিপি: চিলি গার্লিক চিকেন

রেসিপি: চিলি গার্লিক চিকেন

মুখরোচক যে কোনও পদ মানেই চিকেন। মন ভরে চেটে পুটে খান, ডাক্তারের বারণ নেই। সারা বছর মোটামুটি মধ্যবিত্তের পকেটসই দামে পাওয়া যায়। চিকেনের কত রকমের সুস্বাদু রেসিপি রয়েছে। যে কোনও একটা বেছে নিলেই হল! চিলি চিকেন, চিকেন দো-পেঁয়াজা, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, চিকেন রেজালা, চিকেন কোর্মা, সেজুয়ান চিকেন... আরও কত লোভনীয় পদ রয়েছে চিকেনের। এই সব লোভনীয় পদ সামনে পেলে কী আর ছাড়া যায়! আজ শিখে নেওয়া যাক রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু চিলি গার্লিক চিকেন। চিলি গার্লিক চিকেন বানাতে লাগবে ১. চিকেন ১ কেজি (বোনলেস, ছোট ছোট টুকরা করে কাটা), ২. রসুন কুচি ৪ টেবিল চামচ, ৩. মাখন ৩ টেবিল চামচ, ৪. স্বাদ মতো লবণ, গোল মরিচের গুঁড়া আর চিলি ফ্লেক্স, ৫. স্বাদ মতো পেঁয়াজ কলি (মিহি কুচি করা), ৬. তেল ২ কাপ (৫০-৬০ গ্রাম), ৭. চালের গুঁড়া আধা কাপ। চিলি গার্লিক চিকেন বানানোর পদ্ধতি ছোট ছোট চিকেনের টুকরাগুলো ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর চালের গুঁড়া, অর্ধেক রসুন কুচি, লবণ, চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে আলতো করে মেখে নিন। এবার তেল গরম হলে চিকেনের টুকরাগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে ফেলুন। এবার কড়াইতে মাখন দিন। মাখনের মধ্যে রসুন কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। রসুনের গন্ধ বের হলে ভাজা চিকেনের টুকরাগুলো দিয়ে দিন। স্বাদ অনুযায়ী চিলি ফ্লেক্স ও গোল মরিচের গুঁড়া আরও একবার উপর থেকে ছড়িয়ে দিন। ৪-৫ মিনিট ভাল করে নেড়েচেড়ে ভাজুন। পেঁয়াজ কলি কুচি ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন রেস্তোরাঁর মতো চিলি গার্লিক চিকেন। সূত্র: জিনিউজ একে//
খাঁটি নীলা চেনার উপায়

জীবনে অস্থিরতা, অলসতা কাটাতে, নানা ঝুট ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে, দুর্দশা কাটাতে, মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং শনি গ্রহের প্রতিকারে নীলা ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু নীলা যে কোউ চাইলেই ধারণ করতে পারেন না। বিশুদ্ধ নীলা ধারণ করার আগে ধারণকারীকে কয়েকদিন নিজের কাছে রেখে পরীক্ষা করে দেখতে হয় যে, এই রত্নটি তার সহ্য হয় কি-না। যদি এই সময়, ধারণকারীর সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনা ঘটে বা শরীর খারাপ হয়, সে ক্ষেত্রে তিনি নীলা ধারণ করতে পারবেন না। শনি গ্রহের প্রতিকার করার জন্য ইন্দ্রনীলা ৫ থেকে ৮ রতি নীলা ধারণ করতে হয়। তবে মনে রাখবেন, যে কোনও রত্নই তিন মাস পর থেকে ফল দেয় আর উপরত্ন ফল দেয় ছয় মাস পরে। নীলাকে হিন্দিতে নীলম, সংস্কৃতে নীলাশ্ম, সৌপিপত্ন, ইন্দ্রনীল, তৃণগ্রাহী, মহানীল, নীলোৎপল ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। নীলকান্তমণি বা নীলা মুলত নীল রঙের হলেও এটি পীতাভ আভাযুক্ত, গোলাপী আভাযুক্ত, অপরাজিতা ফুলের মতো নীলাভ, রক্তাভ ইত্যাদি নানা রঙেরও হয়ে থাকে। রং অনুসারে এর ইন্দ্রনীলা, অপরাজিতা নীলা, রক্তমূখী নীলা ইত্যাদি বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। কিন্তু খাঁটি নীলা চিনবেন কী করে? খাঁটি নীলার ক্ষেত্রে একটি পাত্রে গরুর বিশুদ্ধ দুধ রেখে তার মধ্যে রত্নটি ডুবিয়ে রাখলে দুধের মধ্যে থেকে নীল রঙের আভা বিচ্ছুরিত হতে থাকে। নীলার প্রপ্তির স্থান নীলা শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, রোডেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ ভারতের কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়। কাশ্মীরের ময়ূরকন্ঠী নীলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নীলা বলে মনে করা হয়। নীলার আয়ুর্বেদিক শোধন পদ্ধতি আয়ুর্বেদ মতে, নীল গাছের রসে নীলা শোধন করা উচিত। তবে শাস্ত্রীয় মতে, গ্রহ পূজা করেও নীলা শোধন করা যায়। নীলা ধারনের কাল যে কোনও অমাবস্যায় বা শনিবার নীলা ধারনের উপযুক্ত সময় হিসেবে মনে করা হয়। নীলার ধারণের জন্য শরীরের উর্দ্ধাঙ্গ সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান। তবে হাতের মধ্যমায়ও নীলা ধারণ করা যায়। নীলার ধারণের ধাতু সোনা বা সীসায় সঙ্গে নীলা ধারণ করতে হয়। সূত্র: জিনিউজ একে//

শীতে পা ফাটা দূর করার ঘরোয়া ৩ টোটকা

শীতে ঠোঁট ফাটার মতোই পায়ের গোড়ালি ফাটার ভোগান্তি কম নয়। আর ফাটা পায়ের তলা বা গোড়ালি নিয়ে হাঁটা চলা করাটাও বেশ কষ্টকর। ফাটা গোড়ালি নিয়ে রাস্তাঘাটে হাঁটা চলা করতে গিয়ে ত্বকের ফাটা অংশে ধুলা লেগে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে। বাজারে ফাটা পায়ের তলা বা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি দিয়ে নানা রকমের ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলোতে ব্যবহৃত রাসায়নিকের জন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে পায়ের ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যেতে পারে। আসুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক- ফাটা গোড়ালি সমস্যায় প্রাথমিক পর্যায়ে এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করে দ্রত উপকার পাওয়া যেতে পারে। উপকরণ ফুট মাস্কের জন্য আপনার লাগবে লবণ, লেবুর রস, গ্লিসারিন, গোলাপ জল ও সামান্য উষ্ণ গরম পানি। পদ্ধতি একটি বড় পাত্রে ২ লিটার সামান্য উষ্ণ গরম পানি নিয়ে তাতে ১ চা চামচ লবণ, ১ টি গোটা লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ জল দিয়ে এতে অন্তত ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এর পর খসখসে কিছু একটা দিয়ে যেমন, পেডিকিউরের পিউমিস স্টোন দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভাল করে ঘষে শক্ত, মোটা ও মরা চামড়া তুলে পা ধুয়ে ফেলুন। এর পর ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ১ চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে পায়ে লাগান। এভাবে সারা রাত রেখে দিন। সকালে উঠে সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে পা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যাবহারে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই পা ফাটা একেবারে সেরে যাবে। নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক- পা ফাটার সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে এই ফুট মাস্কটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। সমস্যার সমাধান হবে খুব দ্রুত। উপকরণ টুকরা করে কাটা কলা, লম্বা করে কাটা ৩-৪ টুকরা নারকেল। পদ্ধতি একটি কলা টুকরা করে নিয়ে এর সঙ্গে টাটকা ৩-৪ টুকরা নারকেল একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন বা ভাল করে বেটে নিন। এর পর এই মিশ্রণটি পায়ের ফাটা জায়গায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। প্যাক শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না-ও পান তবে একটি কলা চটকে নিয়ে তাতে ২-৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। উপকার পাবেন। চাল বাটা ও তেল- পা ফাটার সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি হচ্ছে প্রাকৃতিক স্ক্রাবার ব্যবহার। ঘরোয়াভাবে তৈরি এই স্ক্রাবটি প্রতিদিন ব্যবহার করে খুব দ্রুত পা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। উপকরণ ২-৩ চা চামচ চাল, অলিভ অয়েল, সাদা ভিনেগার ও মধু। পদ্ধতি প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে ভাল করে বেটে নিন। খুব মিহি করে বাটবেন না। এর পর এর সঙ্গে ৩ চামচ ভিনেগার আর ২ চামচ মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এবার একটি বড় পাত্রে সামান্য উষ্ণ গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এর পর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভাল করে মালিশ করুন। মালিশ করার পর ১০ মিনিট রেখে দিন। এর পর সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভাল করে পা মুছে নিন। এর পর সামান্য অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে মালিশ করুন। সপ্তাহে ২-৩ বার এই প্যাক ব্যবহার করলে পা ফাটায় দ্রুত ভাল ফল পাবেন। সূত্র: জিনিউজ একে//

হাতের রেখাই বলে দেবে আপনার জীবনে বিপর্যয়ের সময়

আমাদের জীবন নানা সমস্যায় ভরা। যেমন, গ্রহ শুভ ও অশুভ প্রভাব বিস্তার করে, তেমনই অশুভ বাস্তুর প্রভাবেও জীবনে উন্নতি ও বাধার সৃষ্টি হয়। নানা কারণে আমাদের মানসিক অশান্তি হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় গ্রহ দোষ না থাকলেও জীবনে বাধা বিপত্তি আসছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, হস্তরেখা বিচার করলে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। যেমন, যদি শিরো রেখা ও হৃদয় রেখা সমান্তরাল হয়, তাহলে জাতক বা জাতিকা বন্ধুত্ব ও শত্রুতা আজীবন স্বীকার করে বা মনে রাখে। আবার ভগ্ন শিরো রেখার অর্থ, জাতক বা জাতিকার মাথায় কোনও চিন্তা খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। যে বয়সে এই রেখা ভগ্ন হয়, সেই বয়স থেকেই জাতক বা জাতিকা নানা মানসিক রোগের শিকার হতে পারে। কারণ এটা একটা মানসিক অশান্তির লক্ষণ বা চিহ্ন। ১) যদি কোনও জাতক বা জাতিকার হৃদয় রেখা যদি শেষ প্রান্তে এসে দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় এবং একটি বৃহস্পতির স্থানে এবং অন্যটি বৃদ্ধাঙ্গলির দিকে যায় তাহলে তার জীবন শান্তিপূর্ণ হয়। ওই জাতক বা জাতিকা উদার ও চিন্তাশীল প্রকৃতির হয়ে থাকে। ২) যদি এই রেখা দুটি ভাগে ভাগ হয়ে একটি বৃহস্পতির দিকে ও অন্যটি শনির দিকে যায়, তাহলে জাতক বা জাতিকা স্নেহপ্রবণ প্রকৃতির হয়ে থাকে। প্রেমের ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যেই আঘাত পায়। ৩) যদি শিরো রেখাতে চতুষ্কোণ চিহ্ন থাকে, তাহলে তা শুভ। ওই সময়ে জাতক বা জাতিকা সব বাধা বিপত্তি থাকে নিষ্কৃতি পেতে পারেন। আবার এক বা একাধিক রেখা ওই রেখাকে কেটে চলে যাওয়া অশুভ লক্ষণ। যে বয়সে শিরো রেখার উপর দিয়ে এক বা একাধিক রেখা কেটে চলে যায়, ওই বয়সে জাতক বা জাতিকার নানা মানসিক চাঞ্চল্য ও তার ফলে আর্থিক ক্ষতি, শোক, আঘাত, অসুস্থতা বা মানসিক অশান্তির কারণ হতে পারে। সূত্র: জিনিউজ একে//

শিশুকে পরনির্ভরশীল করে গড়ে তুলবেন না

আমাদের চারপাশে তাকালে দেখা যায়, কিছু মানুষ আছেন যারা খুব পরিশ্রম করেন। বলা যায়, তারা কর্মঠ ও আত্মনির্ভরশীল। আবার অনেকে আছেন অলস সময় পার করছেন। তারা অন্যের উপর নির্ভরশীল। কেন এমনটি হয়? এর জন্য অনেকে অবশ্য পারিবারিক পরিমণ্ডল ও পারিপাশ্বিক অবস্থাকেই দায়ী করছেন।       আসলে সহযোগিতা ও যত্নের দোহাই দিয়ে আমরা শুরু থেকেই একটি শিশুকে পরনির্ভশীল করে গড়ে তুলছি। প্রাকৃতিকভাবেই শিশুর সহজাত প্রবণতা হল সে খুব দ্রুত স্বনির্ভর হতে চায়। মাতৃস্নেহ বা অতিশয় যত্ন বা সহযোগিতার নামে যখন শিশুকে কোনো কাজ করতে দেয়া হয় না তখন এই শিশু পরনির্ভরশীল হয়ে গড়ে উঠে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু নানা ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই এগিয়ে যাবে। পথে পথে বাধা আসবে। এই বাধা অতিক্রমের দায়িত্ব শিশুরই। অথচ মা-বাবা মনে করেন- সন্তানের মঙ্গলের জন্য তাকে সহযোগিতা করছেন। কিন্তু অধিকাংশ পিতা-মাতাই এই জায়গায় ভুল করেন এবং তাদের অবর্তমানে এই শিশুরাই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে।  এক্ষেত্রে প্রথম ভুলটি আমরা করি শিশুকে খাওয়ানোর ক্ষেত্রে। শিশু খেতে দেরি করবে, জামা নষ্ট করবে, আশে পাশে খাবার ফেলে পরিবেশ নোংরা করবে-এই ভেবে শিশুকে সবসময় খাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করি। এটি আমাদের ভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। শিশুকে খাবার ধরা ও খাওয়া শিখিয়ে দিন, দেখবেন একসময় নিজে নিজেই খেতে পারছে। খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সে স্বাবলম্বী হয়ে বড় হবে। অনেক বাবা মাকে দেখা যায়, পরিণত বয়সেও সন্তানকে খাইয়ে দেন। মা-বাবার অবর্তমানে অথবা পরিবারের গন্ডি পার হলে এসব শিশুরাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ে।  দ্বিতীয় ভুলটি হয় শিশুর চলাচলের ক্ষেত্রে। শিশু যখন নিজের পায়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে শুরু করবে, হাত ধরে কিছুটা পথ হাঁটার জন্যে তাকে নিরাপদ সুযোগ করে দিতে হবে। এই সফলতার জন্যে হাততালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানাতে হবে। যখন পুরোপুরি হাঁটতে শিখবে, তখন আর সহযোগিতা কিংবা হাততালি কোনটিরই দরকার নেই। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরা প্রায়শই ভুল করেন। পথ একটু বেশি হলে আমরা সাধারণত শিশুকে কোলে নিয়ে বহন করি অথবা একটি পরিবহনের ব্যবস্থা করি। আমাদের ধারণা শিশু বেশি দূর হাঁটতে পারবে না। জীবনের শুরুতেই শিশুর শারিরীক সক্ষমতাকে অস্বীকার করে তার মধ্যে হীনমন্যতা ঢুকিয়ে দেই। যে শিশু নিজে হাঁটতে চায়, তাকে অবশ্যই সেই সুযোগটি করে দিতে হবে। শিশুকে যদি সবসময় কোলে বহন করে বেড়ানো হয়, তাহলে সে ভবিষ্যত জীবনে একা চলতে পারবে না- এটাই স্বাভাবিক।  শিশুরা মাঝে মাঝে চলাফেরা কিংবা খেলাধূলা করতে গিয়ে নিচে পড়ে গেলে মায়েরা তাদের উদ্ধারের জন্যে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেন। এক্ষেত্রে মায়েদেরকে কিছুটা বাস্তববাদী ও কৌশলী হতে হবে। শিশু হোচট খেয়ে পড়ে গেলে যদি সামান্য ব্যাথা পায় অথবা জখম না হয়, তাহলে তাকে নিজে নিজে উঠতে দিন। উঠার পর হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়ে তাকে কোলে তুলে নিন। এর ফলে ভবিষ্যত জীবনে কখনো পড়ে গেলে উঠে দাঁড়ানোর সময় সে কারো জন্যে অপেক্ষা করবে না। জীবনযুদ্ধে বিপর্যয় আসলে কীভাবে উঠে দাঁড়াতে হয় এবং আবার কীভাবে নতুন করে পথচলা শুরু করতে হয়, এই আত্মবিশ্বাস তার মধ্যে জাগ্রত হবে। অপরদিকে, নিজে নিজে উঠার পর কোলে তুলে তাকে আদর করার ফলে তার মধ্যে নিরাপত্তাবোধ এবং মমতা জাগ্রত হবে। তৃতীয় ভুলটি করি সন্তানের প্রয়াসকে বাধাগ্রস্থ করে। শিশু কোনো কিছু করতে চাইলে আমরা তাকে থামিয়ে দিয়ে বলি- তুমি এটা পারবে না। শিশু চেয়ার ধরে দাঁড়াতে চাইলে তাকে আমরা নিজেরা ধরে দাঁড় করিয়ে দেই। অথচ এই চেয়ারটিতে উঠাই ছিল শিশুর কাছে পর্বত আরোহণের সমান। শিশু কোনো কিছু করতে চাইলে আমাদের উচিত সরাসরি সাহায্য না করে, উৎসাহ সৃষ্টির মাধ্যমে শিশুকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করা। অথচ আমরা প্রতিনিয়ত উল্টো কাজটি করছি। শিশুর প্রতিটি প্রচেষ্টায় আমরা সাহায্য করার চেষ্টা করি। এটাকে সহযোগিতা বলা যাবে না বরং এই সাহায্য হচ্ছে শিশুকে পরনির্ভরশীল করার একটি ভুল জীবনদৃষ্টি। আবার শিশুদেরকে আমরা কোনো জিনিসই সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে দেই না। চারদিকে শুধু বাধা আর বাধা। শিশু কোনো কিছু পর্যবেক্ষণের জন্য হাতে নিলে, আমরা চিৎকার দিয়ে উঠি। এতে শিশু পরবর্তী সময়ে কোনো কিছু আগ্রহ নিয়ে শুরু করতে সাহস পায় না। কোনো কাজ করতে গেলে ভয় কিংবা লজ্জা পায়। এভাবেই আমরা শিশুদের ছোট ছোট প্রয়াস ও সম্ভাবনকে প্রতিনিয়ত বিনষ্ট করছি।  যে কাজটি আপনার সন্তান করতে সক্ষম, তাকে সে কাজটি করতে দিন। অভিভাবক হিসেবে সন্তানের স্কুল ব্যাগ কখনো টানতে যাবেন না। ব্যাগ তাকেই বহন করতে দিন। ব্যাগের ওজন বেশি হয়ে গেলে কিছু বই খাতা আপনার হাতে নিয়ে নিন, তারপরেও সন্তানকে ব্যাগ বহন করতে দিন। ব্যাগ বহন করে আপনার মনে হতে পারে আপনি তাকে সাহায্য করছেন। আসলে তাকে সাহায্য করছেন না। বরং তার যোগ্যতাকে আপনি অবমূল্যায়ন করছেন, তার ক্ষতি করছেন এবং তাকে পরনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলছেন। প্রত্যেক মা-বাবার উচিত, সন্তানকে কষ্ট ও পরিশ্রম নির্ভর করে গড়ে তোলা। আমাদের সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। এটি একটি অ’বিদ্যা। আমরা সবাই সন্তানের জন্যে একটি নিশ্চিত ও সমস্যাহীন ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে চাই। কোনো অভিভাবক যদি শিশুর জন্যে সমস্যাহীন, অতি নিরাপদ, আরামদায়ক ও পরিবর্তনহীন জীবন নিশ্চিত করেন, তা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্যে সহায়ক নয়। এ ধরনের পরিবেশ শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের অন্তরায় এবং সমস্যা মোকাবিলা করার ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে। আরামের মধ্যে বড় হলে শিশু জীবন সংগ্রামের অনেক বাস্তবতা থেকে দূরে থাকবে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বার বার ব্যর্থ হবে। একারণেই শিশুকে কষ্ট ও পরিশ্রম নির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে করে সে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে এবং নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে। শিশুকে ছোটবেলা থেকেই শেখাবেন, পৃথিবীতে যা কিছুই তুমি অর্জন করতে চাও না কেন, পরিশ্রম করেই অর্জন করতে হবে। পরিশ্রমের বিকল্প কঠোর পরিশ্রম। এসএ/  

ব্লাড প্রেসারসহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা করবে পেয়ারা! 

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। যা দেহের ভেতরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিকের থেকে বেশি মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।       পেয়ারার শরীরে এত মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং আরও সব উপকারি উপাদান উপস্থিত রয়েছে যে, তা শরীরকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।    সে সঙ্গে হাই ব্লাড প্রসারের কারণে আরও নানাবিধ রোগ যাতে মাথা চাড়া দিয়ে না ওঠে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। আমাদের দেশে যে হারে হাই ব্লাড প্রেসার এবং অন্যান্য নন- কমিউনিকেবল ডিজিজে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে প্রত্যেকেরই যে পেয়ারা খাওয়ার প্রয়োজন বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! প্রসঙ্গত, অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি’র মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে একদিকে যেমন স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, ঠিক তেমনি ব্লাড ভেসেলের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। শুধু তাই নয়, একাধিক উপকার পাওয়া যায়। আর একথা তো সবারই জানা আছে যে, পেয়ারায় প্রচুর মাত্রায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। তাই তো ডায়েটে আপাত ‘নন-এক্সপেনসিভ’ এই ফলটিকে জায়গা করে দিলে একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।    ১. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার কারণে নিয়মিত পেয়ারা খেলে দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং গ্লকোমার মতো রোগও দূরে থাকে।   ২. কিডনির ক্ষমতা বাড়ে: একাধিক গবেষণার পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া শুরু করলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে তার প্রভাবে কিডনির ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে, শরীরের কিডনি সংক্রান্ত কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ৩. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে: শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম লেভেল ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় পেয়ারা। শুধু তাই নয়, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং ক্ষতিকর কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য় করে এই ফলটি। তাই যাদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা নিয়মিত পেয়েরা খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন উপকার মিলবে।    ৪. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন বি-৩ এবং বি-৬ মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশন, অর্থাৎ স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি এবং মনোযোগের উন্নতি ঘটে।   ৫. ত্বক ফর্সা হয়: অল্প পরিমানে পেয়ারার খোসা নিয়ে তার সঙ্গে ডিমের কুসুম মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। ৬. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে পালায়:  পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই ফলটি যেহেতু গ্লাইকেমিক ইনডেক্সে একেবারে নিচের দিকে আসে, তাই পেয়েরা খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে এই ফলটি খেতে পারেন। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:   আপনাদের কি জানা আছে পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটা মজবুত করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এখানেই শেষ নয়, নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও ভিটামিন সি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো একেবারে ছোট বেলা থেকে বাচ্চাদের পেয়ারা খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। ৮.কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমে:    শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকলে পেটের রোগ যেমন কমে, তেমনি কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও দূরে পালায়। আর ফলের দুনিয়ায় পেয়ারায় মধ্যেই রয়েছে সব থেকে বেশি মাত্রায় ফাইবার। তাহলে আজ থেকেই পেয়ারাকে রোজের সঙ্গী বানান। দেখবেন কষ্ট একেবারে কমে যাবে।  ৯. ক্যান্সার প্রতিরোধ   মরণব্যাধি ক্যান্সারের মতো রোগকে থামাতে পারে একমাত্র প্রকৃতি। কারণ প্রকৃতির অন্দরেই রয়েছে সেই শক্তি, যা আমাদের ক্যান্সার রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। যেমন পেয়ারায়, এতে আছে লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল শরীরে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেস্ট এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে পেয়ারার কোন বিকল্প হয় না। (সূত্রঃ বোল্ড স্কাই)  কেআই/এসি       

প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে মিলবে ১১ উপকার

উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগরই বয়স ৪৫ এর নিচে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই একটা করে কলা খাওয়া উচিত। কারণ এই ফলটির ভিতরে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক সমস্যাও বাগে চলে আসে। যেমন ধরুন- হাড় শক্তপোক্ত হয় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বাস্তবিকই কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে কলাতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেটিনার ক্ষমতাও এতটা বৃদ্ধি পায় যে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনও ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘরির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? ফিকার নয়! এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নেবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই কারণেই তো অ্যাথেলিটদের রোজের ডেয়েটে আর কিছু থাকুক না থাকুক কলা থাকেই! ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার ভিতরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, কলার ভিতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো বেশ কিছু গবেষণায দেখা গেছে, রোজের ডায়েটে কলাকে জায়গা করে দিলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই আজকের যুবসমাজের সিংহভাগই যখন স্ট্রেস নামক সমস্যার শিকার, তখন নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই! পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। কিভাবে? এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে ঠিক সময় খাবার খাওয়া সুযোগ না পেলে ২-৪ টা কলা খেয়ে নিতে ভুলবেন না যেন! টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে শুনতে আজব লাগলেও এ কথা ঠিক যে শরীরের ইতি-উতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ফলটির ভিতরে উপস্থিত প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায় কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! প্রসঙ্গত, ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই তো টাইপ ১ এবং ২, দুই ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যদি এই মারণ রোগ থেকে দূরে রাখতে হয়, তাহলে কিন্তু নিয়মিত এই কলা খাওয়া মাস্ট! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত দারচিনি গুঁড়া খেলে ৯ উপকার মিলবে

ছোট-বড় নানা রোগ যাতে ঘাড়ে চেপে বসতে না পারে, তার বন্দোবস্ত করাটা আগে প্রয়োজন। কারণ এমনটা করলে শরীর আর অসুস্থ হবে না। ফলে ডাক্তারের আর প্রয়োজন পরবে না। এখন প্রশ্ন হল নানা রোগ থেকে বাঁচাতে শরীরকে শক্তপোক্ত বানানো যায় কীভাবে? এ ক্ষেত্রে উপায় তো অনেক অছে, তবে কম খরচে যদি ফল পেতে চান, তাহলে একটি প্রাকৃতিক উপাদানের উপর ভরসা রাখতে পারেন, যাকে সবাই দারচিনি নামে চিনে থাকি। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ডায়াটারি ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং নানাবিধ ভিটামিনে ভরপুর এই প্রকৃতিক উপাদানটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দারচিনি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে একদিকে যেমন উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তেমনি কমতে শুরু করে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। তাই অল্প বয়সেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে যদি না চান, তাহলে দারচিনির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না যেন! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে সাহায্য় করে সারাদিন কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন নাকি? তাহলে চোখকে বাঁচাতে নিয়মিত দারচিনি খাওয়া চাইই চাই! কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে দেহে এমন কিছু উপাদানের প্রবেশ ঘটে যে তার প্রভাবে চোখের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ড্রাই আই-এর মতো চোখের রোগের চিকিৎসাতেও দারুন কাজে আসে দারচিনি। অ্যালঝাইমারের মতো রোগকে দূরে রাখে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেন সেলের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। সেই সঙ্গে বেশ কিছু সেল শুকিয়ে যেতেও শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন তো কমেই, তার পাশাপাশি ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, এমনটা কিন্তু আপনার সঙ্গেও হতে পারে। তাই সময় থাকতে থাকতে দারচিনি খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন বয়স বাড়লেও তার প্রভাব মস্তিষ্কের উপর পরবে না। আসলে দারচিনির ভিতরে থাকা বেশ কিছু উপাদান নিউরনদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ব্রেনের মোটোর ফাংশনে এতটা উন্নতি ঘটায় যে কগনিটিভ ডিজেনারেশন বা মস্তিষ্কের বুড়ো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। রোগ-জীবাণুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা মেলে দারচিনিতে থাকা সিনেমেলডিহাইড নামক একটি এসেনশিয়াল অয়েল দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটা শক্তিশালী করে দেয় যে কোনও ধরনের জীবাণুই ধারে কাছে ঘেঁষার সাহস পায় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে দারচিনির মধ্যে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান রক্তচাপ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার এই দুটি রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসলে হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও চিন্তাই থাকবে না। সেই কারণেই তো যাদের পরিবারে এইসব মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়ম করে দারচিনি খাওয়ার পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকেরা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি মেটে শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে যে যে উপাদানগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তার মধ্যে অন্যতম। শুধু তাই নয়, শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ক্যানসারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর দারচিনি, সেই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রাই বৃদ্ধি করে শরীরের ভিতরে। এবার নিশ্চয় বুঝতেই পারছেন প্রতিদিন চারচিনির খাওয়ার প্রয়োজন কতটা। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দারচিনির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যানসার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। দেহের ভিতরে প্রদাহ হ্রাস পায় দেহের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ কোষেদের ক্ষতি হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে কোনওভাবে প্রদাহের মাত্র বৃদ্ধি না পায়, সে দিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? প্রতিদিন নিয়ম করে দারচিনি খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে! আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে একাধিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে, যা প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে নিজেকে এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের ডায়াবেটিসের মার থেকে বাঁচাতে দারিচিনির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা মাস্ট! কারণ এই মশলাটি শরীরে প্রবেশ করার পর বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যারা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের উৎপাদনও বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

যে কারণে মানুষ বিশেষ কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়

একজন মানুষ অপর একজনের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবেন। কথাবার্তা, গুণ, রুচি ও চরিত্রের দৃঢ়তা এ সবই আকর্ষণের কারণ হিসাবে কাজ করবে। আর এ যদি বন্ধুত্ব বা প্রেমের স্বাভাবিক রসায়ন ভাবেন, তবে আপনি ভুল ভাবছেন! কারণ মানুষে-মানুষে আকর্ষণের নেপথ্যে না কি এর বাইরেও অনেক মনস্তাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে! মনোবিদ ও ব্যবহার বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোনের নানা কারিকুরি, চার পাশের অবস্থান, পরিস্থিতি এ সবের ভূমিকা ওই রূপ-গুণ-রুচি-মতের মিলের চেয়েও বেশি। ঠিক কী কী অদ্ভুত বিষয়কে প্রেমে পড়া বা বন্ধুত্ব স্থাপনের কারণ হিসেবে দাবি করছেন গবেষকরা? দু’জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া কোনও প্রত্যাশা বা ভিত্তিহীন কোনও প্রচারও ওই দুই মানুষের মনে এক অদ্ভুত প্রভাব ফেলে। দু’জন সহপাঠীকে নিয়ে তৈরি হওয়া কোনও গুজব তাদের সত্যিই কোনও সম্পর্কে বেঁধে দিয়েছে এমন নজির বিরল নয়। আবার তারকাদের ক্ষেত্রে রিল লাইফের সেরা জুটিরা রিয়েল লাইফেও প্রেমে পড়েছেন। দু’জনকে নিয়ে ক্রমাগত চর্চা- মানুষের হাইপোথ্যালামাসকে প্রভাবিত করে। প্রথম প্রথম উড়িয়ে দিলেও অবিরাম চর্চা চলতে থাকলে, তা নিয়ে উত্তেজিত হলে শরীরে যে হরমোনঘটিত আবেগ তৈরি হয়, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভালবাসার বীজ! বিজ্ঞানীদের মতে, চর্চা ও তাদের জুটি নিয়ে মানুষের নানা মন্তব্য প্রভাবিত করে মানুষকে। নৈকট্য বা কাছাকাছি অবস্থানকেও এই আকর্ষণের পিছনে কলকাঠি নাড়ার অন্যতম বিষয় হিসেবে ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। কোনও পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে থাকতে শুরু করা বা জীবনের একই পরিস্থিতির মোকাবিলা করাও একজনকে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। সুস্থ-স্বাভাবিক মনের মানুষের ক্ষেত্রে প্রেমে পড়ার অন্যতম কারণ এই সহানুভূতি। ক্লেটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, প্রেম বা সম্পর্কে এগোনোর ক্ষেত্রে শারীরিক চাহিদা ও মিলন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। পরিস্থিতিগত কারণে দু’জন মানুষ যদি দু’জনের প্রতি সম্মানসহ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন, তবে তাপিটুইটারি গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে মানসিক আকর্ষণেরও জন্ম দেয়। জৈবিক যে সব কারণে কোনও মানুষের প্রতি আকর্ষণ তীব্র হতে পারে, তার অন্যতম চেহারা। সাধারণত, রূপের চেয়েও শরীরের গঠন, উচ্চতা, পেশীবহুল চেহারা এ সব মানুষের হাইপোথ্যালামাসে ভাল লাগার বার্তা পৌঁছায়। তখনই ডোপামিন হরমোন মস্তিষ্কে প্রেমের বার্তা পৌঁছায়। কোনও মানুষের সঙ্গে তীব্র বিবাদ বা লাগাতার ছোটখাটো বিষয়ে সমস্যা লেগেই থাকে? সাবধান! এখান থেকেও প্রেমে পড়া অস্বাভাবিক নয় মোটেই। বরং এই সব খিটিমিটি উল্টো কখনও ডোপামিনকে উত্তেজিত করে। তাই ঝগড়ার মানুষটার প্রতিও কোথাও মায়া কাজ করে কোনও কোনও মানুষের মনে। বহু সিনেমাও এমন গল্পের সাক্ষী। প্রেমে পড়ার বেশির ভাগ কাজটাই হরমোনের খেলা। তাই ‘বিপরীত মেরু একে অন্যকে টানে’- এমন তত্ত্বে খুব একটা ভরসা জোগাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রা, কর্মব্যস্ত সময়ে মানুষ খুব সংঘাতে যেতে রাজি নন। তাই অনেক সময় মতাম্তরে ডোপামিন ক্ষরণ হয় না। বরং মতে মেলে এমন মানুষকেই সে বেছে নিতে চায়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

নাক ডাকা বন্ধ করতে ঘরোয়া ১১ টোটকা

বাস্তবিকই নাক ডাকার সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বেশ কিছু দিন আগে মিউনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। তাতে দেখা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে নাক ডাকার সমস্যা থাকলে হার্টের লেফ্ট এবং রাইট ভেন্ট্রিকুলারের এত মাত্রায় ক্ষতি হয় যে নানাবিধ হার্টের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় বেড়ে। কিন্তু এমন ক্ষতি ছেলেদের থেকে মেয়েদের কেন বেশি হয়, সে সম্পর্কে যদিও জানা যায়নি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, হার্টকে বাঁচাতে নাক ডাকা বন্ধ করা যায় কীভাবে? উপায় আছে। আসলে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা রয়েছে, যা খুব অল্প সময়েই নাক ডাকার সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই কম বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মরতে না চাইলে এই লেখাটি পড়তে ভুলবেন না যেন! প্রসঙ্গত, নাক ডাকা বন্ধ করতে যে যে ঘরোয়া টোটকাগুলো দারুন কাজে আসে, সেগুলো হল- ক্যামোমিল চা এক কাপ পানিতে ১ চামচ ক্যামোমিল ফুলের গুঁড়া ফেলে পানিটা ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে প্রথমে। তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই পানিটা পান করতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ক্যামোমিল চা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে, যার প্রভাবে নাক ডাকার প্রবণতা তো কমবেই, সেই সঙ্গে কোনও ধরনের অ্যালার্জির প্রকোপ কমতেও দেখবেন সময় লাগবে না। মেথি অনেক সময় নানাবিধ পেটের রোগের কারণেও কিন্তু নাক ডাকার মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। তাই নাক ডাকা বন্ধ করতে পেটের দিকে খেয়াল রাখারও প্রয়োজন রয়েছে। আর ঠিক এই কারণে প্রতিদিন মেথি খাওয়া জরুরি। আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ তো কমেই। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো। ফলে নার ডাকার সমস্যা কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এ ক্ষেত্রে পরিমাণ মতো মেথি বীজ নিয়ে আধ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সময় হয়ে গেলে পানীয়টা পান করে শুয়ে পরতে হবে। এমনটা নিয়মিত করলে দেখবেন শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। আদা চা বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত আদা চা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে ন্যাজাল ক্যাভিটি খুলতে শুরু করে। ফলে নাক ডাকার প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার কোনও কারণে নাকের ভিতরে মিউকাস জমতে শুরু করলে বায়ু চলাচল ঠিক মতো হতে পারে না। ফলে নাক দিয়ে বিকট আওয়াজ বেরতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে, যেমন ধরুন- পাতি লেবু, কমলা লেবু, মুসাম্বি লেবু প্রভৃতি। আসলে শরীরে এই বিশেষ ধরনের ভিটামিনটির মাত্রা বাড়তে থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ ভোগের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নাকে সর্দি বা মিফকাস জমে নাক ডাকার প্রবণতাকেও কমায়। হলুদ অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে পরিপূর্ণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে শরীরের ভিতরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কমে নাক ডাকার প্রবণতাও। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন শুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস গরম দুধে ২ চামচ হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পান করার অভ্যাস করতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন রাতের ঘুমে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না। মধু রাতে শুতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে যদি এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে নাকা ডাকার সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগই পায় না। কারণ মধুর ভিতরে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদান গলার প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করে তোলে। ফলে নাক ডাকার সম্ভাবনা কমে। ঘি নাক ডাকার সমস্যা কমাতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে অল্প পরিমাণ ঘি গরম করে তার থেকে ২-৩ ড্রপ করে নিয়ে যদি নিয়মিত নাকে দেওয়া যায়, তাহলে নাসিকা গর্জ থামতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে ঘিয়ে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান নাকের ভিতরে বায়ু-চলাচলের পথকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। ফলে নাক ডাকার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। অলিভ অয়েল রাতে শুতে য়াওয়ার আগে মনে করে দু’চামচ অলিভ অয়েল খেলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে রেসপিরেটরি প্যাসেজ খুলতে শুরু করে। আর একবার এমনটা হয়ে গেলে বাতাস চলাচলে কোনও বাঁধার সৃষ্টি হয় না। ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। রসুন নাকের ভিতরে মিউকাস জমতে বাঁধা দেয় এই প্রকৃতিক উপাদানটি। সেই সঙ্গে রেসপিরেটারি সিস্টেমের উন্নতি ঘটায়। ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হতে শুরু করে, কমতে শুরু করে নাক ডাকার সমস্যা। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত ১-২ টো রসুনের কোয়া চিবিয়ে, এক গ্লাস পানি খেয়ে শুতে যেতে হবে। তাহলেই দেখবেন নাসিকা গর্জন আর আপনাকে বা আপনার প্রিয়জনকে বিপদে ফেলতে পারবে না। এলাচ অনেক সময় নাকের ভিতরে কোনও বাঁধা থাকার কারণেও নাক ডাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত ঘুমনোর আগে এলাচ চা খেলে কিন্তু দারুন উপকার মেলে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি ভিতরে উপস্থিত একাধিক উপাকারি উপাদান নাকের ভিতরের বাঁধা সরিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর একবার শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক মতো হতে থাকলে নাক ডাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। স্টিম অনেক সময় সর্দি-কাশির কারণেও নাক দিয়ে বায়ু চলাচল ঠিক মতো হতে পারে। ফলে ঘুমানোর সময় নাক দিয়ে ওয়াজ বেরতে শুরু করে। এ ক্ষেত্রে কিছু সময় অন্তর অন্তর গরম ভাব নিলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। তাই এবার থেকে সর্দি-কাশি হলেই এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নেবেন। দেখবেন ঘুমনোর সময় কোনও সমস্যাই হবে না। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত কারি পাতা খেলে ৯ উপকার মিলবে

জাপানি বিজ্ঞানিদের করা একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, কারি পাতায় উপস্থিত ‘কার্বাজল অ্যাসকালোয়েড’ নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে একের পর এক ক্যানসার সেলেরা সব মারা পরতে শুরু করে। ফলে এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত কলোরেকটাল, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। তবে এমন উপকার পেতে ৩০-৪০ টা কারি পাতা পরিমাণ মতো পানিতে ফেলে পানিটা ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পাতাগুলো ছেঁকে নিয়ে সেই পানিতে এক চামচ মধু এবং অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে হবে। প্রতিদিন যদি এমনটা করতে পারেন, তাহলে দেখবেন উপকার মিলতে সময় লাগবে না। তা ছাড়া নিয়মিত নানাভাবে যদি কারি পাতা খাওয়া শুরু করা যায়, তাহলে যে শুধু ক্যানসার রোগই দূরে থাকে, তা নয়, সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক উপকারও পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে কারি পাতায় উপস্থিত আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ এবং আরও নানাবিধ মিনারেল এবং ভিটামিন শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের ভিতরে এমন কিছু রদবদল ঘটায় যে তার প্রভাবে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ড্রাই আই এবং দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দূর হয়। প্রসঙ্গত, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে কারি পাতা খাওয়ার পাশাপাশি আরও একভাবে এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে পরিমাণ মতো কারি পাতা নিয়ে চোখের উপর রাখতে হবে। তবে এই সময় চোখটা যেন বন্ধ থাকে। এভাবে দশ মিনিট থাকার পর পাতাগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। এভাবে প্রতিদিন চোখের পরিচর্যা করলে দেখবেন উপকার পাবেন একেবারে হাতে-নাতে! হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে প্রাচীন আয়ুর্বেদিক পুঁথিতে উল্লেখ পাওয়া যায়, কারি পাতায় উপস্থিত ল্যাক্সেটিভ প্রপাটিজ শুধু যে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তা নয়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদনদেরও বের করে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে। তাই যারা প্রায়শয়ই বদ-হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাদের কারি পাতাকে সঙ্গী বানানো মাস্ট! অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি মেটে এই উপাদানটির মাত্রা শরীরে যত বাড়তে শুরু করে, তত একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়। তাই সুস্থ শরীরের স্বপ্ন পূরণ করতে নিয়মিত কারি পাতা খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভিতরে প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে এই উপাদানটি, যা নিমেষে দেহের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পেট খারাপের চিকিৎসায় কাজে লাগে সকাল-বিকাল বাইরে খাওয়ার অভ্যাস আছে নাকি? তাহলে পেটকে ঠাণ্ডা রাখতে নিয়মিত কারি পাতাও থাওয়া উচিত। কেন এমন উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আসলে নিয়মিত কারি পাতা খাওয়া শুরু করলে পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে ডায়ারিয়ার প্রকোপ কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে কারি পাতার ভিতরে উপস্থিত কার্বেজল অ্যালকালয়েড নামক উপাদান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। লিভার চাঙ্গা হয়ে ওঠে প্রায় প্রতিদিনই কি অ্যালকোহল সেবন করেন? তাহলে তো নিয়মিত কারি পাতা খাওয়াও মাস্ট! কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ক্ষতিকর টক্সিনের হাত থেকে লিভারকে রক্ষা করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে লিভারের উপর অ্যালকোহলের কুপ্রভাবও পরে কম। এখন প্রশ্ন হল, লিভারের উপকারে কিভাবে খেতে হবে কারি পাতা? এ ক্ষেত্রে এক কাপ কারি পাতার রসে এক চামচ ঘি, অল্প পরিমাণে চিনি এবং গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। ত্বকের সংক্রমণের প্রকোপ কমায় শুনে অবাক হচ্ছেন? হবেন না! কারণ কারি পাতায় উপস্থিত শক্তাশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের স্কিন ইনফেকশন কামতে দারুন কাজে লাগে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে খাবারে দিয়ে প্রতিদিন কারি পাতা খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক লেভেলের উপরে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এখানেই শেষ নয়, কারি পাতায় উপস্থিত ফাইবারও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হার্টের ক্ষমতা বাড়ে কারি পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার খারপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে এলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জার্নাল অব চাইনিজ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে কারি পাতা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা তো কমেই, সেই সঙ্গে ভাল কোলেস্টরলের পরিমাণও বাড়তে শুরু করে। ফলে হার্টের কর্মক্ষমতার উন্নতি ঘটে। অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখে ফলিক এবং আয়রনে ভরপুর এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কনিকার মাত্রা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগ বেশিদিন দাপাদাপি করার সুযোগই পায় না। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে একটা খেজুরের সঙ্গে ২টি কারি পাতা খেলেই উপকার মেলে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নিয়মিত পালং শাকের রস খেলে ১১ উপকার মিলবে

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই শাকটির ভিতরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আরও নানাবিধ ভিটামিন এবং মিনারেল, যা শরীরে প্রবেশ করার পর ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। অন্যদিকে পালং শাকে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখার কারণে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ইতিউতি জমে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগে না। ওজন কমানোর পাশাপাশি পালং শাকে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদানগুলো আরও নানাভাবে শারীরিক উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন- হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে অ্যামাইনো অ্যাসিড হল এমন একটি উপাদান, যা মেটাবলিজম রেট বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রচুর মাত্রায় রয়েছে পালং শাকে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন এই শাকটির রস নিয়মিত খেলে কী হতে পারে! ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে পলং শাকে রয়েছে বিপুল পরিমাণে পটাশিয়াম। এই খনিজটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র সোডিয়াম বা লবণের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য ফিরে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, পালং শাকে থাকা ফলেটও ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগতে থাকা রোগীদের নিয়মিত পালং শাকের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে এই শাকটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জ্যান্থিন, যা রেটিনার ক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন এ আই আলসার এবং ড্রাই আইয়ের মতো সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ত্বকের ভিতরে প্রদাহ কমে পালং শাকের ভিতরে রয়েছে নিয়োক্সেথিন এবং ভায়োল্যাক্সানথিন নামক দুটি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা দেহের পাশাপাশি ত্বকের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর ত্বকের ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমলে নানাবিধ স্কিন ডিজিজ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। পেশির ক্ষমতা বাড়ে জার্নাল অব কার্ডিওভাসকুলার নার্সিং- এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে পালং শাকের ভিতরে লুকিয়ে থাকা নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, হার্টের পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সারা শরীরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অন্যান্য পেশির শক্তি বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে একদিকে যেমন হাইপারলিপিডেমিয়া, হার্ট ফেলিওর এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সূর্যের অতিবেগুলি রশ্মির হাতে থেকে ত্বক রক্ষা পায় পালং শাকের ভিতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, যা অতি বেগুনি রশ্মির কারণে যাতে ত্বকের কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা যেমন কমে, তেমনি স্কিন ক্যানসারের মতো রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়। এ ক্ষেত্রেও পালং শাক এবং পানি এক সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগাতে হবে। তাহলেই দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। ব্রণের প্রকোপ কমে পরিমাণ মতো পালং শাক নিয়ে তার সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্টটা ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে মুখটা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে ত্বকের ভিতরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে সিবামের উৎপাদনও কমবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রণের প্রকোপ কমতে সময় লাগবে না। প্রসঙ্গত, নিয়মিত পালং শাকের রস খেলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়। তাই পালং শাক দিয়ে বানানো ফেসপ্যাক যদি মুখে লাগাতে ইচ্ছা না করে তাহলে পালং শাকের জুসও খেতে পারেন। ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায় পটাশিয়াম, ফলেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই শাকটি যদি প্রতিদিন খাওয়া যায়, তাহলে মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশ এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে পটাশিয়ামের দৌলতে মনোযোগ ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ক্যানসারের মতো মারণ রোগে দূরে থাকতে বাধ্য হয় পালং শাকে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ক্যানসার সে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে এই মারণ রোগটি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। চুল পড়ার হার কমে অতিরিক্ত হারে চুল পড়ছে নাকি? তাহলে আজ থেকেই চুলের পরিচর্যায় পালং শাককে কাজে লাগাতে শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত আয়রন, হেয়ার ফলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি দেদের ভিতরে লোহিত রক্ত কণিকার ঘাটতি দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে পালং শাকের রস বানিয়ে ভাল করে চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে দিতে হবে, সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। আর যদি এভাবে চুলের পরিচর্যা করতে মন না চায়, তাহলে নিয়মিত পালং শাকের রসও খেতে পারেন। কারণ এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়। ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পালং শাকে উপস্থিত ভিটামিন কে এবং ফলেট ত্বককে ফর্সা করে তোলার পাশাপাশি ডার্ক সার্কেলকে দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে পালং শাক দিয়ে বানানো পেস্ট যেমন মুখে লাগাতে পারেন, তেমনি পালং শাকের রস খেলেও সমান উপকার পাওয়া যায়। পালং শাকের রস বানানোর নিয়ম: হাফ কাপ পালং শাক নিয়ে তাতে অল্প করে আদা ফেলে দিতে হবে। এরপর তাতে পরিমাণ মতো লেবুর রস মিশিয়ে মিক্সিতে ফেলে সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে রস বানিয়ে নিতে হবে। এবার তাতে অল্প করে গোলমিরচ ফেলে পরিবেশন করতে হবে। প্রসঙ্গত, পালং শাকের রস খেতে যদি ইচ্ছা না করে, তাহলে প্রতিদিন এক বাটি করে পালং শাক সিদ্ধও খেতে পারেন। কারণ এমনটা করলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

হলুদ চা খেলে ১০ উপকার মিলবে

প্রতিটি মানুষেরই হুলদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চায়ের উপরকারিতা সম্পর্কে জানা উচিত। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ ফোটানো পানিতে পরিমাণ মতো হলুদ গুঁড়া, তার সঙ্গে মধু এবং অল্প করে আদা মিশিয়ে পান করলে শরীরে ভিটামিন সিসহ অন্যান্য ভিটামিনের প্রবেশ তো ঘটেই। সেই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়ামসহ আরও নানাবিধ মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। ফলে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় একাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হলুদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চা পান করা শুরু করলে শরীরে কার্কিউমিন নামক উপাদানের প্রবেশ ঘটে, যা শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার পাশাপাশি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দেহের ইতিউতি জমে থাকা মেদকে ঝরিয়ে ফলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। তাই অল্প সময়ে যদি মেদ ঝরাতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে টার্মারিক টিকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে চোখের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাস্তবিকই টার্মারিক টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে হলুদের ভিতরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে রেটিনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি চোখে প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে যাতে অন্ধত্বের মতো ভয়ঙ্কর কিছু না ঘটে, সে দিকেও খেয়াল রাখে। তাই যারা দিনের মধ্যে ৮-৯ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করুন, তাদের নিয়ম করে হলুদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চা পান করা উচিত। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে, হলুদে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, শরীরে যাতে ক্যানসার সেল জন্ম নিতে না পারে সে দিকে খেয়াল করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যানসার রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন হলুদ চা খাওয়া কতটা প্রয়োজন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরের ভিতরে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে থাকে, যার প্রভাবে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়ার স্বপ্ন একেবারে হাতের মুঠোয় চলে আসে। স্কিন টোনের উন্নতি ঘটে নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপই কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো মারাত্মক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও এই বিশেষ পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়ার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজন ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজম দূরে পালায়। স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের শরীরে থেকে বের করে দেয়। ফলে ব্রেন সেল ড্যামেজের আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে কার্কিউমিন মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে বুদ্ধির জোরও বাড়তে থাকে। হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া মাস্ট! অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগকে দূরে রাখে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন নামক উপাদান ব্রেন সেলের যাতে কোনওভাবে ক্ষতি না হয়, সে দিকে নজর রাখে। তাই নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া শুরু করলে ব্রেন পাওয়ার এতটা বৃদ্ধি পায় যে মস্তিষ্ক সম্পর্কিত কোনও রোগই ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। তাই যাদের পরিবারে এই ভয়ঙ্কর রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত হলুদ চা খাওয়া শুরু করা উচিত। এবার নিশ্চয় বুজে গেছেন, সাধারণ চায়ের পরিবর্তে টার্মারিক টি খাওয়ার প্রয়োজন কতটা...! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি