ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:১২:৫৮

পেঁপে বীজ আর মধু একসঙ্গে খেলে কী উপকার জানেন?  

পেঁপে বীজ আর মধু একসঙ্গে খেলে কী উপকার জানেন?  

নানা রোগেই মধু ব্যবহার হয়। মধু রুচি বর্ধক। অন্যদিকে পেঁপে বীজও মানুষের জন্য উপকারি।একাধিক এনজাইম এবং উপকারি উপাদানে ঠাসা এই দুটি প্রকৃতিক উপাদনকে একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভেতরের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে দেহের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রোগ মুক্তির পথে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যায়।      ফলে সার্বিকবাবে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে আয়ু বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ২ চামচ পেঁপের বীজের সঙ্গে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এমনটা করলে সাধারণত যে যে উপককারগুলি মিলবে, সেগুলি হল... ১. পিরিয়ডের সময়কার কষ্ট কমবে: বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে মাসের এই বিশেষ সময়ে প্রতিদিন পেঁপের বীজের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহের মাত্রা কমে। ফলে কষ্ট এবং অস্বস্তি কমতে সময় লাগে না। ২. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে: নিয়মিত পেঁপের বীজ এবং মধু খাওয়া শুরু করলে ত্বকের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে বলিরেখা কমে, সেই সঙ্গে কমে ত্বকের বয়সও। ফলে স্কিনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন মধু এবং পেঁপে বীজ দিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগালেও কিন্তু সমান উপকার মেলে। তাই তো বলি বন্ধু, অল্প সময়ে যদি ফর্সা, প্রাণচ্ছ্বল ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে চান, তাহলে এই দুটি প্রকৃতিক উপাদানের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে ভুলবেন না যে...! ৩. পেশির শক্তি বাড়াবে: এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন, যা পেশির গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো যদি পেশিবহুল শরীর পেতে চান, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই ঘরোয়া ওষুধটি। ৪. ক্লান্তি দূর হবে: কোনও কোনও সময় ক্লান্তি আমাদের এতটাই দুর্বল করে দেয় যে এই জেট যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। আপনিও যদি একই সমস্যা শিকার হয়ে থাকেন তাহলে পেঁপে এবং মধু মিশ্রিত এই ওষুধটি খাওয়া শুরু করুন। কারণ এতে রয়েছে গ্লকোসিনোলেট নামে একটি উপাদান, যা সেলেদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। ৫. বাবা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে: পেঁপের বীজ এবং মধুতে উপস্থিত বেশ কিছু এনজাইম স্পার্ম কাউন্টের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে এই দুটি প্রকৃতিক উপাদান একসঙ্গে খাওয়া শুরু করলে বাবা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। ৬. সিরোসিস অব লিভারের মতো রোগের প্রকোপ কমবে: অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের কারণে লিভার সিরোসিসের মতো রোগে ভুগছেন নাকি? তাহলে তো বন্ধু আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই নিয়মিত পেঁপের বীজ খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদনটি খাওয়া শুরু করলে এমন রোগের প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে শরীরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরাও বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে লিভার তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে আরও নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এক্ষেত্রে প্রথমে অল্প করে ড্রাই পেঁপে বীজ নিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে। তারপর সেই পাউডার থেকে এক চামচ নিয়ে লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এমনটা নিয়মিত করতে পারলেই কেল্লাফতে! ৭. পেটের অন্দরে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মারা পড়বে: স্টমাকে এইসব ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা যত বৃদ্ধি পাবে, তত হজমের সমস্যা বাড়বে। আর এই ধরনের রোগের হাত থাকে বাঁচাতে এই ঘরোয়া ওষুধটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে উপস্থিত নানা উপকারি উপাদান এইসব পোকাদের মেরে ফেলে। ফলে হজমের সমস্যা হয়ার সম্ভবনা অনেকাংশে হ্রাস পায়। ৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে: যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তাদের তো এই ওষুধটি খাওয়া মাস্ট! কারণ পেঁপে এবং মধুতে রয়েছে বেশ কিছু লিপিডস এবং পটাশিয়াম, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমনটা আমাদের সকলেই জানা আছে যে হজম ক্ষমতা যত ভাল হবে, তত শরীরে চর্বি জমবে কম। ফলে ওজন কমবে চোখে পরার মতো। ৯. নানাবিধ ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে: এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে কোনও ভাইরাসই তেমন একটা ক্ষতি করতে পারে না। তাই আপনিও যদি ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে চান, তাহেল শীঘ্র খাওয়া শুরু করুন এই ওষুধটি।   ১০. শরীর বিষ মুক্ত হবে: এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং এমন কিছু শক্তিশালী উপাদান, যা শরীর থেকে সব রকমের ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষ বার করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে কোনও রোগক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে হ্রাস পায়। এসি   
নাক ডাকা থেকে রক্ষা পেতে...

রাতের ঘুম সবার জন্যই শান্তির অনুভতি। কিন্তু এই শান্তি তখনি অশান্তিতে পরিণত হয়ে যায় যখন কিনা পাশের জনের নাক ডাকার (snoring) শব্দে আপনার ঘুম আসছে না। আর এই নাক ডাকা নিয়ে অনেক পরিবারেই দেখা দেয় অশান্তি। এমনি অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়, নাক ডাকা নিয়ে পরিবারে দেখা দেয় বড় ধরনের সমস্যা। নাক ডাকা রোধে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন অনেকেই ইতোমধ্যে। কিন্তু সফলতা অনেকেই পেয়েছেন আবার অনেকেই পাননি। তবে, আমেরিকার নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ যন্ত্র। আর এই যন্ত্রের মাধ্যমেই আসতে পারে কাঙ্খিত সাফল্য। চিকিত্সকেরা বলছেন, নাক ডাকা অন্য অনেক স্বাস্থ্যসমস্যার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকির আলামতও হতে পারে। লন্ডনের দ্য প্রাইভেট ক্লিনিকের নাক-কান-গলারোগ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ শল্য চিকিত্সক নাক ডাকার বেশ কয়েকিট কারণ উল্লেখ করেছেন।  যুক্তরাষ্ট্রের একদল প্রযুক্তিবিদ ‘সাইলেন্ট পার্টনার’ (silent partner) নামের বিশেষ এক যন্ত্র বানিয়েছেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে। এটি নাক ডাকার শব্দের তীব্রতা কমিয়ে দেবে (to quiet snoring noise!)। ফলে আশপাশে কারও সুনিদ্রায় বিঘ্ন ঘটবে না। কারণ ডিভাইসটি অনেকটা ‘নয়েজ-ক্যান্সেলিং’ হেডফোনের আদলে কাজ করবে। হালকা সংবেদিযুক্ত (সেন্সর) যন্ত্রটি নাকের দুই পাশে লাগানো থাকবে, শোয়ার সব রকমের ভঙ্গির জন্য এটি নিরাপদ। নতুন যন্ত্রটি নাকের ওপরে লাগিয়ে ঘুমালে সুফল পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের গবেষক নেটানেল আইয়াল। তিনি আরও জানান, ঘুমন্ত মানুষের নাকের আওয়াজের নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক এবং ধরণ রয়েছে, যা কথাবার্তা বা অন্যান্য আওয়াজের চেয়ে ভিন্ন। তিনি ও তার সহযোগী গবেষকেরা এ যন্ত্রের ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন। ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টের রোগীদের কথা বিবেচনা করে এখন তারা যন্ত্রটির আরও উন্নত সংস্করণ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রতি মাসে ডিভাইসে থাকা প্যাচ একবার পরিবর্তন করলেই হবে। ডিভাইসটিতে পুনরায় রিচার্জযোগ্য ব্যাটারি, মাইক্রোফোন ও স্পিকার রয়েছে। মাইক্রোইউএসবি ওয়্যার এবং মোবাইল ফোন চার্জারের মাধ্যমে ডিভাইসটি চার্জ করা যাবে। ৯৯ ডলারের ওই ডিভাইসটির বাজারে চলে আসার কথা রয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর নাগাদ। এসএইচ/

ত্বকের স্নিগ্ধতা ফিরিয়ে আনতে ৪ টি ফেসমাস্ক

ব্যস্ততম জীবনে সবাই কোন না কোন এই সময়ে সবাই অফিস, মিটিং, কাজ, সামাজিক আচার অনুষ্ঠান ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। নিজের যত্ন নেওয়ার, ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় যেন মিলেই না। ব্যস্ততার জন্য ত্বকের যত্ন না নেওয়ার ফলে দেখা যায় অল্প বয়সে ত্বকে, মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। কুড়িতেই বুড়ি হয়ে যায়। তবে বাড়িতে বানানো কিছু ফেস মাস্ক সারা রাত মুখে রেখে দিলে তা আপনার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। এখানে দেখে নিন সহজ কিছু ঘরোয়া ফেস মাস্ক বানানোর উপায়। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী  ৪টি ফেসমাস্কঃ ১. কাঁচা দুধ একটি চমৎকার অ্যান্টি ট্যান এজেন্ট। রোদে পোড়া চামড়া ঠিক করতে এটি একটি চমৎকার ঘরোয়া প্রাকৃতিক প্রতিকার। কাঁচা দুধে ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে যা ত্বকের রঙ ফেরাতে সাহায্য করে। হলুদে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। হলুদে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য আছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় উপকরণ: 4 টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং 5-6 টেবিলচামচ কাঁচা দুধ। পদ্ধতি: একটি বাটি নিন এবং এতে হলুদ ও কাঁচা দুধ মেশান। পেস্ট  বানিয়ে আপনার আঙ্গুলের সাহায্যে মুখ এবং ঘাড়ে প্রয়োগ করুন। সারা রাত ছেড়ে দিন। পরদিন সকালে ঠান্ডা জল দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফলাফলের জন্য সপ্তাহে 3-4 বার প্রয়োগ করুন। ২. নরম পুষ্ট ত্বক পেতে চাইলে ব্যবহার করুন ডিমের সাদা অংশ। ডিমের সাদা অংশে থাকা ভিটামিন এ চামড়া দৃঢ় করে, বার্ধক্যের ছাপ কমায়। ডিমের সাদা অংশ ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, যা চামড়া দৃঢ় করে উপাদান: একটি ডিমের সাদা অংশ পদ্ধতি: একটি বাটিতে ডিমের সাদা অংশ যোগ করুন। আপনার মুখে সমানভাবে সাদা অংশটি প্রয়োগ করুন। এটি শুকিয়ে যেতে প্রায় 15 মিনিট সময় লাগবে। আপনি সারা রাত রেখে দিতে পারেন বা ধুয়েও নিতে পারেন। সারা রাত রেখে দিলে সকালে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে নিন। ভালো ফলাফলের জন্য এটি সপ্তাহে 2-3 বার ব্যবহার করুন। ৩. ওটসের মধ্যে স্যাপোনিন নামের যৌগ থাকে, যা প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসাবে কাজ করে। ওটস আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং ব্রণ হ্রাস করতে সহায়তা করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ বিরোধীজনক বৈশিষ্ট্য ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করতে সাহায্য করে। মধু একটি চমত্কার ময়শ্চারাইজার এবং শুষ্ক ত্বকে বিস্ময়কর কাজ করে। যদি আপনার হাঁটু এবং কনুই শুকনো হয়, ঠোঁট ফাটে তাহলে মধু প্রয়োগ করুন। ওটস আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং ব্রণ হ্রাস করতে সহায়তা করে উপকরণ: 1 টেবিলচামচ ওটস এবং 1 টেবিল চামচ মধু পদ্ধতি: একটি বাটিতে ওটস এবং মধু মেশান। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে দিন, যতক্ষণ না ওটস নরম হয়ে যায়। এবার ওটস গুঁড়ো করে নিয়ে ভালো করে মেশান। আপনার মুখে সমানভাবে প্রয়োগ করুন। সারা রাত মুখেই রাখুন। এটি ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াবে এবং সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে হওয়া ত্বকের ক্ষতির মেরামত করবে। ৪. টমেটো অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট হিসাবে কাজ করে। এটি ব্রণ প্রবণ চামড়ার জন্য ভাল। এটি ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে এবং রোদে পোড়া চামড়ার জন্য দুর্দান্ত কাজ করে। টমেটো ব্রণ প্রবণ চামড়ার জন্য ভাল। উপকরণ: মাঝারি আকারের টমেটো এবং ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ। পদ্ধতি: একটি মাঝারি আকারের টমেটো নিন, এটি দুই ভাগে কাটুন। একটি বাটির মধ্যে কাঁচা দুধ প্রায় 2 টেবিল চামচ নিন। এখন, টমেটোকে দুধের বাটিতে ডুবিয়ে দিন এবং আপনার মুখের উপর এটি প্রয়োগ করুন। একবার স্তর শুকিয়ে গেলে পুনরাবৃত্তি করুন এবং দ্বিতীয় স্তর প্রয়োগ করুন। টমেটো মিশ্রিত কাঁচা দুধের পেস্ট সারা রাত মুখে রেখে দিন এবং সকালে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ওটস এবং মধুর ফেস মাস্ক কিছুটা সমস্যার হতে পারে। ডিমের সাদা অংশের ফেস মাস্কে গন্ধ লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে খুমোতে যাওয়ার আগে ধুয়ে ফেলতে পারেন মাস্ক। অ্যালার্জি হতে পারে কিনা সেটা দেখতে ত্বকের বিশেষজ্ঞ সাথে যোগাযোগ করুন। সূত্র : এনডিটিভি।

তুলসী চায়ের অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণ

  বিশ্বব্যাপী হরেক রকমের চায়ের প্রচলন রয়েছে। এগুলোর রয়েছে নিজস্ব উপকারিতা। আমাদের দেশে সাধারণত আদা চা, সবুজ চা, নিম চা ছাড়াও বেশ কয়েকটি চায়ের প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে তুলসী চাও রয়েছে। এর রয়েছে হরেক রকমের স্বাস্থ্যগুণ। আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানী । তুলসী চায়ের বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যগুণ- * উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমিয়ে হূৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। * স্তন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে তুলসী বিশেষ সহায়ক। * তুলসী চা শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করে, মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। * লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। তুলসী তৈরির পদ্ধতি- উপকরণ *পানি- ৩ কাপ *আদা কুচি- আধা চা চামচ *মধু- ৫ ফোঁটা *তুলসি পাতা- ১৫ টি *লেবুর রস- ১০ ফোঁটা *সবুজ এলাচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ প্রস্তুত প্রণালি চায়ের পাত্রে ৩ কাপ পানি নিন। এবার পানিতে তুলসি পাতা কুচি, আদা কুচি ও ইলাচ গুঁড়া দিয়ে দিন। ১০ মিনিট ফুটান। ছেঁকে চায়ের কাপে ঢালুন। মধু ও লেবুর রস দিয়ে নেড়ে গরম গরম পরিবেশন করুন তুলসি চা। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি   এমএইচ/

বড় চুল পেতে সরিষা তেলের চার ব্যবহার

সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলার অন্যতম কারণ হলো এ তেলে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করায় এটি চুল পাকা রোধ করে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী। লম্বা চুল দেখতে আমাদের সকলেরই ভাল লাগে। কিন্তু নিজের চুল কীভাবে লম্বা করে তুলতে হয় তা বুঝে না। বড় চুলের জন্য সরিষা তেলের চার ব্যবহার। ১. দই ও সরসের তেলের মিশ্রণ টক দইয়ের সঙ্গে সরিষা তেল মিশিয়ে মাথার তালুতে ভালভাবে লাগান। তয়ালে গরম জলে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। 30-40 মিনিট পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দু`বার প্রায় একমাস ধরে এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন আর ফলাফল দেখুন! ২. সরিষা তেল ও অ্যালোভেরার মিশ্রণ একটা পাত্রে সরিষা তেল ও অ্যালোভেরা মেশান। মাথার তালুতে ভালভাবে মিশিয়ে 30 থেকে 40 মিনিট রেখে দিন। তারপর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুই দিন এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। এই মিশ্রণ আপনার চুল মসৃণ ও স্বাস্থ্যজ্বল করবে ও চুল পড়া বন্ধ করবে। ৩. লেবুর রস ও সরিষা তেলের মিশ্রণ একটা বাটিতে সর্ষের তেল, লেবুর রস ও ধনে গুঁড়ো নিয়ে ভালভাবে মেশান। মাস্ক হিসাবে চুলে নিয়মিত মাখুন। আধ ঘণ্টা রেখে মৃদু শ্যাম্পু সহযোগে ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে চুল কন্ডিশন হবে, মজবুত হবে এবং খুশকি দূর হয়ে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। ৪. কলা ও সরিষা তেলের মিশ্রণ একটা পাকা কলা নিয়ে চটকে নিন। সরিষা তেল ও দই মেশান। মিশ্রণটা ভালভাবে মাথার তালুতে লাগান এবং আধ ঘন্টা পর সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। এই মিশ্রণটা আপনার চুল মসৃণ, উজ্জ্বল, মজবুত ও নরম করে তুলবে।

মেরাশিঙ্গের ৭ স্বাস্থ্যগুণ

অসুখ হলেই আমরা চিকিৎসকের কাছে দৌড়াই। অথচ আমাদের আশপাশেই এমন কিছু উপাদান আছে যা খেলে সহজেই অনেক জটিল রোগ থেকে মুক্তি মেলে। গ্রামে যারা বাস করেন মেরাশিঙ্গে তাদের কাছে বেশ পরিচিত। এর বহু স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। নিচে সেগুলো দেওয়া হলো- ঔষধি ব্যবহারঃ ১)  সর্দি ও কাশিতে এই উদ্ভিদ পাতার রস খাওয়ালে সর্দি বের হয়ে গিয়ে উপসর্গ উপশম হয়। ২) মেড়াশিঙ্গে পাতার রস চোখের কর্নিয়ার রোগে ব্যবহার করলে উপকার হয়। ৩) আম্বল রোগে কয়েকদিন নিয়ম করে এই উদ্ভিদের পাতার রস সেবন করলে খুব উপকার হয়। ৪) এর ফল কফ ও বায়ু নাশক। ৫) সাপের কামড়ের ক্ষতস্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। ৬) এর মূলের ছাল রেডির তেলের সঙ্গে মিশিয়ে যে কোন পোকা মাকড়ের দংশনে লাগালে বিশেষ উপকার হয়। ৭) প্লীহা ও যকৃত বেড়ে গেলে এ উদ্ভিদের পাতার ক্বাথ পেটে প্রলেপ দিলে উপশম হয়। পরিচিতিঃ মেড়াশিঙ্গে গুল্ম জাতীয় বনৌষধি। ইহা দৃঢ কাষ্ঠাল উঁচু বৃক্ষে আশ্রয় করিয়া থাকে। ইহার প্রশাখাগুলি সরু। লম্বা,নরম,ও ক্ষুদ্র লোমযুক্ত। এর পাতা ডিম্বাকার , পাতার আগা সুচালো। পাতা তিন থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা। ফুল ক্ষুদ্র ফিকে পীতবর্ন। ফল ছোট, অগ্রভাগ লম্বা। বীজ সরু, চ্যাপ্টা ও পাতলা। ইহার মূল কতকটা অনন্তমূলের ন্যায়। শরৎকালে ফুল ও শীতের শেষে ফল হয়। তথ্যসূত্র : বাংলাদেশের গাছ গাছড়া। / এআর /  

ব্যায়ামের পর যে ফল খেলে হাজারো উপকার

কলা খাওয়া মানেই দেহে পটাশিয়ামের যোগান দেওয়া। আর দেহে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। কলা শুধু সুস্বাদু নয়, বরং স্বাস্থ্যকরও বটে। ব্যায়ামের আগে ও পরে ওটসের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন কলা। সম্প্রতি এক গবেষনায় জানা যায়, যারা নিয়মিত জিম করেন, কলা তাদের জন্য বেশি উপকারি। মূলত এতে বেশি পরিমাণে ফাইবার ও কম ক্যালোরি থাকে বলে তা ফিট থাকতে কাজে আসে। ব্যায়ামের সময়ে শরীরের যে শ্রম হয় তার জ্বালানি হিসেবে কলায় থাকে স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট। ব্যায়াম শরীরের জন্য খুবই কষ্টকর। সাধারনত ব্যায়ামের পর অনেকেরই প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগে। এ সময়ে শরীরের দরকার হয় কারবোহাইড্রেট বা শর্করা, যা অনায়াসেই আপনি কলা থেকে পেতে পারেন। ব্যায়ামের পর পেশীর ক্ষতিপূরণে কাজে আসে এই শর্করা। শুধু তাই নয়, কলার প্রচুর পটাশিয়াম আছে, যা কিনা পেশীর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। প্রতিদিন জিমে ব্যায়াম করলে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক অন্তত ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম দরকার। এই পটাশিয়াম পাওয়ার জন্য কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। আমেরিকান ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যায়ামের পর পেশীর ক্ষয়পূরণে প্রোটিনও জরুরী। এ কারণে কলার সাথে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। কলা দিয়ে মিল্কশেক তৈরি করতে পারেন অথবা দইয়ের সাথে খেতে পারেন কলা। এতে আমাদের শরীর দ্রুতই ব্যায়ামের ধকল সামলে উঠতে পারে।

বয়স বাড়লেও তারুণ্য ধরে রাখবেন যেভাবে

সময়ের স্রোতে বাড়ছে বয়স। আর বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে চেহারায় পড়ছে বয়সের ছাপ। বয়সকে কোন রকমেই থামিয়ে রাখতে না পারলেও আপনি চাইলেই চেহারায় ধরে রাখতে পারেন তারুণ্য। সেজন্য পার্লারে গিয়ে কাড়িকাড়ি টাকাও খরচ করতে হবে না। গবেষণায় জানা যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উপরের স্তরে আর্দ্রতা রক্ষাকারী মলিকিউলের পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এ থেকে বাচঁতে সারাদিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার ময়েশ্চারাইজার লাগান। হাইড্রেটিং সিরাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার ব্যাপারে খুবই কাজের। পাশাপাশি পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন, খাবারে রাখুন ফল, সালাদের মতো জিনিস। ত্বকের শুকনোভাব নিয়ে আর ভাবতে হবে না। বয়স ত্রিশে কোঠা পার হতে না হতেই চোখের চারপাশে সূক্ষ্ম রেখার আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। চোখের কোলে কালির সমস্যাও দেখা দেয় অনেকের। এর সমাধানে অন্যতম হাতিয়ার রেটিনল সমৃদ্ধ আই ক্রিম। রেটিনলে এ ভিটামিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ায় চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। তবে দিনের বেলায় রোদের মধ্যে কখনও আই ক্রিম লাগাবেন না। সবসময় রাতে শুতে যাওয়ার আগে আই ক্রিম লাগান। ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোলাজেনে ঘাটতি। বাজারে দুই ধরনের কোলাজেন সমৃদ্ধ অ্যান্টি-এজিং ক্রিম পাওয়া যায়। প্রথমটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, আর দ্বিতীয় ধরনের ক্রিমে সক্রিয় উপাদান হিসেবে কোলাজেন থাকে। কোন ধরনের ক্রিম আপনার উপযোগী, ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে জেনে নিন।  

চুলের যত্ন: সরিষার তেলের ৬ উপকার

সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলার অন্যতম কারন হলো এ তেলে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করায় এটি চুল পাকা রোধ করে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী। লম্বা চুল দেখতে আমাদের সকলেরই ভাল লাগে। কিন্তু নিজের চুল কীভাবে লম্বা করে তুলতে হয় তা বুঝেনা। দূষণ, জল, রাসায়নিক ইত্যাদির প্রভাবে আমাদের চুল রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু সরিষা তেল নিয়মিত ব্যবহারে আপনি সে সব সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সরিষা তেলে উপস্থিত উপাদান আমাদের চুল করে তোলে স্বাস্থ্যজ্বল, মসৃণ এবং সুন্দর। ১. প্রাকৃতিক কন্ডিশনার সরিষা তেলে আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্বল রাখে। এছাড়া আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কন্ডিশনারের কাজ করে। ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি হয়। সরিষা তেল চুল মজবুত করতে সাহায্য করে। ২. নারিশ করে আজকাল চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা। এর কারণ চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া হতে পারে। চুলে নিয়মিত সরিষা তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।   ৩. ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সরিষা তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেল এবং ভিটামিন A, D, E ও K থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।    ৪. রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে           আপনার চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষা তেল মালিশ করুন। এর ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক ভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। চুল সুন্দর, বড়, মজবুত ও স্বাস্থ্যজ্বল করতে সরিষা তেল অত্যন্ত উপকারী। ৫. চুল বড় হতে সাহায্য করে সরিষা তেলে ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল বড় হতে সাহায্য করে। ৬. অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান বর্তমান সরিষা তেলে অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান থাকায় তা চুলের খুশকি ও চুলকানি দূর করে। ফাঙ্গাসে চুলের গোড়া বুজে গিয়ে চুল পাতলা হয়ে যায়। সে সমস্যা সমাধান করে সর্ষের তেল।

অন্ধত্ব থেকে বাচাঁয় পালংশাক-বিট

চোখের দৃষ্টি নষ্ট হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন। আর নাইট্রেটে পূর্ণ সবজি পালংশাক ও বিটরুট ম্যাকুলার ডিজেনারেশন রুখতে পারে। এক কথায়, আপনাকে অন্ধত্ব থেকে বাচাঁতে এই পালংশাক ও বিট। পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হয়। গবেষনা প্রতিষ্ঠান অ্যাকাডেমি অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়াবেটিকসের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে ১০০ থেকে ১৪২ মিলিগ্রাম ভেজিটেবিল নাইট্রেট গ্রহণ করেন তাদের ৩৫ শতাংশ বয়সজনিত ম্যাকুলার ক্ষয়ের রিস্ক থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২০ মিলিগ্রাম করে নাইট্রেট থাকে। ১০০ গ্রাম বিটে থাকে ১৫ মিলিগ্রাম নাইট্রেট। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টমিড ইনস্টিটিউট ফর মেডিক্যাল রিসার্চের মুখ্য রিসার্চার বামিনি গোপীনাথ বলেন, এই প্রথম খাবারে নাইট্রেটের ভূমিকা ও ম্যাকুলার ক্ষয় নিয়ে কাজ করা হল। ৪৯ বছরের উপরে প্রায় ২০০০ জন অস্ট্রেলিয়কে নিয়ে ১৫ বছর ধরে এই সমীক্ষাটি করা হয়েছে। ‘‘আমাদের সমীক্ষা যদি ঠিক হয় তা হলে, আপনার খাবারে সবুজ শাক এবং বিটের মতো সব্জি যুক্ত করুন, আপনি ম্যাকুলার ক্ষয়ের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।``— বললেন গোপীনাথ। যারা দিনে ১৪২ মিলিগ্রামের বেশি নাইট্রেট খান তাদের জন্য কোনও আশঙ্কার কথাও রিসার্চে উঠে আসেনি। এএমডি-র রিস্ক সবথেকে বেশি থাকে ৫০ বছরের পরে। এখনই এই রোগের কোনও ওষুধ পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের মতে নাইট্রেট সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণই আপাতত একে রোধের একমাত্র পন্থা।  

ভালো ঘুমের ৬ উপায়

পৃথিবীর সব প্রানীর জন্যই ঘুম প্রয়োজন। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিকঠাক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনও বিকল্প নেই। ক্লান্তি সরাতে ঘুমের শরণ নিতেই হয়। নইলে ডার্ক সার্কল, ওবেসিটি কোনও সমস্যাই ছেড়ে কথা বলবে না! তবে ঘুমাব বললেই তো ঘুমানো যায় না। বরং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অনেকের জীবন থেকেই সুখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অরগানাইজেশন (ডব্লিউএইচও)-এর মতে, প্রতি দশ জনে ছ’জন মানুষকেই কোনও না কোনও সময় ঘুমের ওষুধ নিতে হয়েছে। কিন্তু জানেন কি, ওষুধ ছাড়াও সাধের ঘুমকে সহজেই নামিয়ে আনা যায় চোখের পাতায়। তার জন্য অবলম্বন করতে হবে কিছু নিয়ম। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সব নিয়ম- ১. কথায় বলে সঠিক বালিশ না কি ভাল ঘুমের মন্ত্র। বালিশ বানান এমনভাবে, যাতে ঘাড় বালিশের উপর সোজাসুজি থাকতে পারে, কাত না হয়ে যায়। কাঁধকে সাপোর্ট দিতে পারে এমন বালিশ বানান। বালিশে কার্পাস তুলা হলে ভাল হয়। একান্তই না পারলে ফোমের ভাল বালিশ বানান। তবে স্পঞ্জের বালিশ ব্যবহার না করাই ভাল। তোষকের ক্ষেত্রেও স্পঞ্জ না ব্যবহার করে নারকেল ছোবড়ার গদি বা ভাল মানের তুলোর গদি ব্যবহার করুন। ২.অনেকেই সামান্যতম আলোতেও  ঘুমাতে পারেন না। এ দিকে রাতে সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে ঘুমানোও খুব একটা সুবিধার নয়। নাইট ল্যাম্পের মৃদু আলোও ঘুমাতে অসুবিধা হলে চোখে রাখুন আই মাস্ক। ৩. ঘুমের আগে চিনি ছাড়া গ্রিন টি খান। চা মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে, তাই অনেকেরই ধারণা ঘুমানোর আগে চা-কফি থেকে দূরে থাকাই ভাল। সাধারণ চায়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটলেও  চিনি ছাড়া গ্রিন টি শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে ঘুম আনতে সাহায্য করে। ৪. সুগন্ধ ঘুম আনে। তাই ঘুমের আগে ঘরে স্প্রে করুন ‘স্লিপ স্প্রে’। নানা ফুলের গন্ধ মেলানো এমন স্প্রে যে কোনও অনলাইন শপ বা নামী দোকানে সহজেই পাবেন। ৫. ঘুম আনতে হাতের কাছে রাখুন হালকা কোনও গানের সিডি বা গল্পের বই। পড়ার নেশা থাকলে বই পড়তে পড়তে এক সময় ঘুম আসবে। নতুবা সিডি প্লেয়ারে চালিয়ে রাখুন হালকা কোনও মিউজিক। যা শরীর ও মস্তিষ্ককে সহজেই শান্ত করে ঘুম পাড়াবে। ৬. ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা না থাকলে ঘুমের আগে সেরে ফেলুন গরম পানির হালকা গোসল। ঘুম এতে ভাল হতে বাধ্য। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ব্রেক-আপ যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ৫ উপায়

ব্রেক আপ, জীবনের জটিল সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। একটা বয়সের পর এই সমস্যাকে জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলেও তরুণ বয়স অনেক সময়ই এই সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। অনেকেই হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতেও পিছপা হন না। মনোবিদদের মতে, একটা অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা জীবন, একজন বিশেষ মানুষের উপস্থিতিতে দিন গুজরান- এ সব হারিয়ে ফেলার ভয়েই অনেকে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহ্য করতে পারেন না। একা থাকার ভয় তাদের ঘিরে ধরে। নিরাপত্তাহীনতাই হঠকারী করে তোলার পথে এগিয়ে নিয়ে যায় তাদের। চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রেক আপের বেদনা দূর করা উপায়- ১) এমন পরিস্থিতি সামলানোর মতো ক্ষমতা সবার থাকে না। মনের জোরের উপর নির্ভর করে কে কতটা সহজে এমন সমস্যার সঙ্গে লড়তে পারবেন। যদি মনে হয়, এ সমস্যার মোকাবিলা একা সম্ভব নয়, তা হলে অবশ্যই মনোবিদের সাহায্য নিন। কিছু নিয়মমাফিক চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সহজেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনবে। ২) সত্যকে স্বীকার করুন সহজেই। জীবনের নানা প্রান্তে নানা ঘটনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। তাই ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে ভয় না পেয়ে যা ঘটেছে তাকে সহজেই মেনে নিন। প্রয়োজনে প্রেমের পুরনো স্মৃতি রয়েছে এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে যান। ২) লেখার অভ্যাস আছে? লেখাও মানসিক চাপমুক্তির একটা মাধ্যম। তাই প্রেম ভাঙলে ফেলে আসা দিনের কথা লিখে ফেলুন কোথাও। ৩) খুব বেশি ভাবেন কি?  তা হলে সে ভাবনায় রাশ টানুন। যে কোনও বিষয়ে যত বেশি ভাববেন, সে ভাবনা তত বেশি চেপে বসবে মাথায়। চেষ্টা করুন একা সময় না কাটিয়ে, ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে। ৪) প্রয়োজনে পুরনো সঙ্গীর নম্বর ফোন থেকে মুছে দিন। সোশ্যাল সাইট থেকেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। তাতে বারবার তাকে টেক্সট করা বা ফোন করতে চাওয়ার প্রবণতা কমবে। ৫) পুরনো সঙ্গী সম্পর্কে খবর দিতে পারে এমন কোনও মানুষ আপনার চারপাশে থাকলে, সদ্য সদ্য প্রেম ভাঙার সময়ে হয় তাকে এড়িয়ে চলুন নয়তো নিষেধ করুন কোনও প্রকার খবরাখবর আপনাকে দিতে। মন স্বাভাবিক হলে ফের যোগাযোগ শুরু করতে পারেন তার সঙ্গে। সূত্র: আনন্দবাজার  এমএইচ/

রাতে ডিউটিতে যে ৬ খাবার খাবেন

আমাদের শরীর দিনে কাজ করে রাতে বিশ্রাম নিতে অভ্যস্ত। ফলে রাতে কাজ করলে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে স্ট্রেস, ওজন বাড়ে। তাই রাতে কাজ করলে ঠিকমতো ঘুম ও খাওয়া দাওয়ার দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন।  এছাড়াও রাতের শিফটে কাজ করলে জীবনে অনেক রকম পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যারা রাতের শিফটে কাজ করেন তাদের দিনের বেলার কর্মীদের থেকে বেশি ওজন বৃদ্ধি হয়। আর ওজন বাড়ার হাত ধরেই শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ। তাই সময় থাকতেই সাবধান হন।    ১. দিন শুরু করুন ডিনারে: সাধারণত আমরা ব্রেকফাস্ট দিয়ে দিন শুরু করি কিন্তু রাতের কর্মীদের ডিনার দিয়ে শুরু করাই ভালো। রাত সাড়ে সাতটা থেকে আটটার মধ্যে ডিনার করে নিন। মাঝরাত অবধি খাবার ফেলে রাখবেন না। যদি বিকেল ৪ থেকে ৫টা নাগাদ আপনার দিন শুরু হয় আর রাত ২টা নাগাদ শেষ হয় তা হলে রাত ৮টার মধ্যে খাবার খেতেই হবে।    ২. হাল্কা ডিনার খান: অনেকেরই ডিনারের পরে ঘুম পায়। সে সব ক্ষেত্রে হাল্কা যেমন সব্জি, ব্রাউন রাইস, ডাল, বা গ্রিলড চিকেন স্টেক চলতে পারে। প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ খাবার খান। ৩. তৈলাক্ত খাবার বর্জন করুন: ভাজাভুজিতে শুধু পেটই ফাঁপে না, আপনার ওজনও বাড়ে। রাতে হজম ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় থাকে ফলে তৈলাক্ত খাবারে গ্যাসট্রিক বাড়তে পারে।  ৪. বাদাম খান: রাতে খিদে পাওয়া স্বাভাবিক। তেমন হলে রোস্টেড চানা, মাখানা, আমন্ড জাতীয় খাবার খান। এতে খিদে মরবে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ৫. অতিরিক্ত ক্যাফেইন থেকে বিরত থাকুন: রাতে জেগে থাকার জন্য অনেকে কাপের পরে কাপ চা-কফি খান। এতে শরীরের উপকার তো হয় না। বরং ভালো করে জল, ফলের রস খান। ৬. এক চা চামচ ঘি বা মাখন খান: আয়ুর্বেদ মতে রাতে জাগলে শরীর শুষ্ক হয়ে যায়, এই এক চামচ ঘি শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখে। এসি     

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি