ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:১৭:৫৫

ইতিহাস গড়লেন মেসি

ইতিহাস গড়লেন মেসি

লিওনেল মেসি। বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা। যিনি বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করে চলেছেন তিনি। এবার কাতালান ডার্বিতে এসপানিওলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে লা লিগার ইতিহাসে নতুন এক কীর্তি যোগ করলেন ফুটবলের জাদুকর।শনিবার এসপানিওলের বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে জোড়া গোল করেছেন মেসি। প্রথমার্ধে করা নিজের প্রথম গোলটি করেই লা লিগায় গোলের দুই অংকে পৌঁছার পাশাপাশি লা লিগায় একটা রেকর্ডও গড়া হয়ে গেছে তার। লা লিগায় টানা ১৩ মৌসুমে ১০ বা তার অধিক গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় এখন এই তারকা।এছাড়া এই ম্যাচে নিজের প্রথম গোলের মতো দ্বিতীয় গোলটিও ফ্রি-কিক থেকে করেছেন, যা মেসির ক্যারিয়ারে প্রথম। চলতি বছরে ফ্রি-কিক থেকে মেসির গোল হলো ১০টি! এটাও একটা রেকর্ড।মেসির জোড়া গোল আর লুইস সুয়ারেস ও উসমান দেম্বেলের গোলে ৪-০ ব্যবধানে জয়ে পায় লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।এসএ/
সালাহর হ্যাটট্রিকে শীর্ষে লিভারপুল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের মাঠে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করলেন মোহাম্মদ সালাহ। মিশরের এই স্ট্রাইকারের নৈপুণ্যে বোর্নমাউথকে তাদেরই মাঠে উড়িয়ে দিয়েছে লিভারপুল। শনিবার ভাইটালিটি স্টেডিয়ামে বোর্নমাউথকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। এই জয় প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের শীর্ষেই রইল তারা। প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে একচেটিয়া এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে খুব বেশি পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি লিভারপুল। তবে ম্যাচের ২৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় অতিথিরা। রবের্তো ফিরমিনোর দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে ঠেকালেও বল চলে যায় সালাহর পায়ে। অনায়াসে ঠিকানা খুঁজে নেন চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। বিরতি থেকে ফিরে শুরুতেই চমৎকার এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিশরীয় তারকা। ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফিরমিনোর পাস ধরে দ্রুত বেশ খানিকটা এগিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। বল এক ডিফেন্ডারের গোড়ালিতে লেগে সামান্য দিক পাল্টে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। এরপর ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে স্টিভ কুকের আত্মঘাতী গোলে হয় ৩-০। আর লিভারপুলের জার্সিতে সালাহ দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে। পাল্টা আক্রমণে নিজেদের সীমানা থেকে সতীর্থের বাড়ানো বল ধরে দারুণ ক্ষিপ্রতায় ডি-বক্সে ঢুকে কাটান গোলরক্ষক আসমির বেগোভিচকে। গোললাইনে এক ডিফেন্ডার থাকায় সময় নেন লিভারপুল তারকা। আবারও ছুটে আসা গোলরক্ষককে দ্বিতীয়বার কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে বল ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন সালাহ। ২০১৪ সালে লুই সুয়ারেসের পর ক্লাবটির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি। লিগে এ নিয়ে ১০ গোল করলেন গত মৌসুমের সেরা খেলোয়াড়। এরই সঙ্গে ১০ গোল নিয়ে লিগের চলতি আসরে গোলদাতাদের তালিকার শীর্ষে উঠে এলেন সালাহ। সেখানে আগে থেকেই আছেন আর্সেনালের পিয়েরে-এমেরিক আউবামেয়াং। এ জয়ে ১৬ ম্যাচে ১৩ জয় ও তিন ড্রয়ে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ওঠা লিভারপুলের পয়েন্ট ৪২। দুইয়ে থাকা ম্যানসিটির পয়েন্ট ৪১। আর ১৬ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে আর্সেনাল। সূত্র: গোল ডটকম একে//

মেসির জোড়া গোলে বার্সার বড় জয়

স্বরূপে জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। চমৎকার দুটি ফ্রি-কিকে বল পাঠালেন জালে। গোলের দেখা পেলেন আক্রমণভাগের অন্য দুই খেলোয়াড় উসমান দেম্বেলে ও লুইস সুয়ারেসও। তাতে এস্পানিওলকে তাদেরই মাঠে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা। লা লিগায় শনিবার রাতের ম্যাচটি ৪-০ গোলে জেতে এরনেস্তো ভালভেরদের দল। প্রতিপক্ষের জালে বিরতির আগেই তিনবার বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বার্সেলোনা। ভাগ্য বিরূপ না হলে এই সময়ে জয়-পরাজয়ের হিসেবটাও শেষ করে ফেলতে পারতো তারা। ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই স্বরূপে ছিলেন মেসি। সপ্তদশ মিনিটে বার্সেলোনার এগিয়ে যাওয়া গোলটিও আসে তার পা থেকে। প্রায় ২৭ গজ দূর থেকে চমৎকার এক ফ্রি-কিকে কাছের পোস্ট ঘেঁষে জাল খুঁজে নেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার।২৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলেও ছিল মেসির অবদান। তার রক্ষণচেরা পাস ডি-বক্সে বাঁ দিকে পেয়ে এক জনকে কাটিয়ে উঁচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ঠিকানায় পাঠান দেম্বেলে। গত মাসের শেষ সপ্তাহে আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে ফরাসি এই ফরোয়ার্ডের শেষ মুহূর্তের গোলেই হার এড়িয়েছিল বার্সেলোনা। ৩৬তম মিনিটে মেসির পাস পেয়ে পোস্টে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন সুয়ারেস। পরের মিনিটে ইভান রাকিতিচের প্রচেষ্টা গোলরক্ষক ঠেকানোর পর ফিরতি বলে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের হেডও ক্রসবারে বাধা পায়। বেশ কয়েকবার হতাশ করা সুয়ারেস ৪৫তম মিনিটে আর ব্যর্থ হননি। দেম্বেলের পাস ধরে এগিয়ে গিয়ে বাইলাইনের কাছ থেকে উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের শট গোলরক্ষকের পায়ে লেগে জালে জড়ায়। চলতি লিগে এটা তার দশম গোল।৬৫তম মিনিটে আরেকটি অসাধারণ ফ্রি-কিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার মেসি। ১১ গোল নিয়ে চলতি লিগের গোলদাতার তালিকায় জিরোনার ক্রিস্থিয়ান স্তুয়ানির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ৭২তম মিনিটে এস্পানিওলের ডিফেন্ডার দুয়ার্তে জালে বল পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ভিএআরের সাহায্য নিয়ে গোল দেননি রেফারি, অফসাইডে ছিলেন কোস্টা রিকার এই খেলোয়াড়। বাকি সময়ে দুদলের কেউই তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৫ ম্যাচে ৯ জয় ও চার ড্রয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৩১। ভালেন্সিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করা সেভিয়া ৩ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। সমান ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে আরেক ম্যাচে আলাভেসকে ৩-০ গোলে হারানো আতলেতিকো মাদ্রিদ। চতুর্থ স্থানে থাকা আলাভেসের পয়েন্ট ২৪। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল মাদ্রিদ। আরকে//

ইন্টারের বিপক্ষে জুভেন্টাসের দুর্দান্ত জয়

লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে ছন্দে ছুটে চলা জুভেন্টাস দারুণ এক জয় পেয়েছে। মারিও মানজুকিচের একমাত্র গোলে ইন্টার মিলানকে হারিয়েছে মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির দল। শুক্রবার রাতে সিরি ‘আ’র লিগে ইন্টার মিলানের বিরুদ্ধে মাত্র ১-০ গোলে জয় পেয়েছে জুভেন্টাস। নিজেদের মাঠে খেলতে নেমে ম্যাচের ১০ম মিনিটে গোলের প্রথম সুযোগটি পায় জুভেন্টাস। বাম পাশ থেকে রোনালদোর ক্রস ডি-বক্সের মাঝ বরারবর পেয়ে হেড করেন পাওলো দিবালা। গোলরক্ষকের আঙুল ছুঁয়ে ক্রসবারের একটু উপর দিয়ে চলে যায় বল। এরপর ম্যাচের ২৯তম মিনিটে গোলের সুযোগ হারায় অতিথিরা। ইতালিয়ান মিডফিল্ডার গালিয়ার্দিনির শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারলেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোল পোস্ট। গোল শূন্য ড্রতেই বিরতিতে যায় দু’দল। বিরতি থেকে ফিরে চলে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। অবশেষে খেলার ৬৬তম মিনিটের মাথায় মারিও মানজুকিচ জোরালো হেডে গোলের দেখা পায় জুভেন্টাস। চলতি লিগে ক্রোয়াট ফরোয়ার্ডের এটি সপ্তম গোল। শেষ দিকে গোল পেতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ইন্টার। কিন্তু জুভেন্টাসের জমাট রক্ষণই ভাঙতে পারেনি ১৮ বারের লিগ চ্যাম্পিয়নরা। ফলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। এ জয়ে ১৫ ম্যাচে ১৪ জয় ও ১ ড্রয়ে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে জুভেন্টাস। এক ম্যাচ কম খেলে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নাপোলি। জুভেন্টাসের সমান ম্যাচে ৯ জয় ও দুই ড্রয়ে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার মিলান। সূত্র: গোল ডটকম একে//

জিদানের পছন্দের দলে নেই রোনালদো

ফুটবলারদের নিয়ে জিনেদিন জিদান তার পছন্দের বিশ্ব দল গড়লেন। যে দল থেকে বাদ পড়লেন রিয়াল মাদ্রিদে ফরাসি কিংবদন্তির প্রশিক্ষণে প্রচুর গোল করা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোই। শুধু তাই নয়, জিদান কিন্তু তার পছন্দের দলে রেখেছেন বার্সেলোনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকে। এমনকি এই দলের আক্রমণে জায়গা পেয়েছেন নেইমার দা সিলভা স্যান্টোস জুনিয়রও। জিদানের পছন্দের ফুটবলারের মোট সংখ্যা ১৭ জন। সেখান থেকেই সেরা এগারোকে বেছে নেওয়ার পক্ষপাতী তিনি। চীনের এক সংবাদমাধ্যমে নিজের স্বপ্নের দল বাছতে বসে গোলরক্ষক হিসেবে বেছেছেন ফরাসি জাতীয় দলে তার প্রাক্তন সতীর্থ ফাবিয়ান বার্থেজকে। রক্ষণ সাজিয়েছেন জার্মান সেন্ট্রাল-ব্যাক কার্লহাইঞ্জ ফর্স্টে, ব্রাজিলের কার্লোস মোজ়ার, লরাঁ ব্লাঁ ও রিয়াল মাদ্রিদের সের্খিয়ো র‌্যামোসকে। লেফ্ট ব্যাকের জায়গায় তার পছন্দের তিন ফুটবলার পাওলো মালদিনি, রবের্তো কার্লোস ও মার্সেলো। রাইটব্যাকে কাফু এবং দানি আলভেস। জিদান জানিয়েছেন, মাঝমাঠে তার খুবই পছন্দের ফুটবলার আন্দ্রে ইনিয়েস্তা, ক্লদ মাকলেলে, লুকা মদ্রিচ। মিডফিল্ডার হিসেবে অবশ্য জিদান নিজেকে দলে রেখেছেন। আর আক্রমণে এই ফরাসি কিংবদন্তির পছন্দ ব্রাজিলের বড় রোনালদো, নেইমার ও লিয়োনেল মেসিকে। জিদানের পছন্দের দলে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের ফুটবলাররা দলে ভারী। সাতজনকে তিনি বেছেছেন ব্রাজিল থেকে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ওজিলদের নেশা করা নিয়ে উদ্বিগ্ন আর্সেনাল ক্লাব

ভিডিওটা ফাঁস করেছে ইংল্যান্ডের একটি ট্যাবলয়েড। যেখানে দেখা যায়, আর্সেনালের বেশ কয়েকজন ফুটবলার একসঙ্গে বসে শুকনো নেশা করছেন। নেশার বস্তুটি, নাইট্রাস অক্সাইড। যাকে বলা হয় ‘লাফিং গ্যাস’। এক সময় হিপিদের মধ্যে এই নেশা জনপ্রিয় ছিল। সিসিটিভি ফুটেজে আর্সেনালের মেসুত ওজিল, পিয়ের-এমরিক আবুমেয়ং, আলেকজান্দ্রে লাকাজেতের মতো তারকাদেরও নেশা করতে দেখা গেছে। যে খবরে উদ্বিগ্ন আর্সেনাল ক্লাব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে ফুটবলারদের জড়িত থাকতে নিষেধ করা হবে। আজ শনিবার ইপিএলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। লিভারপুল খেলবে বোর্নমুথের সঙ্গে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সামনে ফুলহ্যাম। তবে সবার নজর থাকবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে। যেখানে চেলসির মুখোমুখি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

আজ সিটিকে থামাবে চেলসি?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আজ শনিবার যে কটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে, তার মধ্যে সবার নজরে থাকবে চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটির লড়াই। এদিন চেলসি লিগের শীর্ষে থাকা সিটির রাশ টেনে ধরতে পারবে বলে আশা করছেন লিভারপুল কোচ য়ুর্গেন ক্লপ। বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলে সিটির ঠিক পেছনেই আছে ক্লপের দল। ১৫ খেলায় ৪১ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে পেপ গার্দিওলার দল। সমান খেলায় দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে লিভারপুল। আজ তারা বোর্নমাউথের মাঠে খেলতে যাবে। তৃতীয় স্থানে থাকা টটেনহ্যাম হটস্পারের পয়েন্ট ৩৩। তারা অতিথি হবে লেস্টার সিটির। তবে ক্লপ যাই আশা করেন না কেন চেলসির নিজের প্রয়োজনেই সিটিকে থামানো দরকার। কারণ কোচ মাউরিজিও সারির দল লিগের প্রথম ১২ খেলায় অপরাজিত থেকে সিটি ও লিভারপুলের সঙ্গে ভালোই পাল্লা দিচ্ছিল। গার্দিওলার দলের কাছে আজ হারলে সিটির সঙ্গে চেলসির ব্যবধান দাঁড়াবে ১৩ পয়েন্টের। এদিকে, আজ সিটি খেলাটিতে জিতলে শিরোপা ধরে রাখার প্রয়াসে আরও এগিয়ে যাবে। তাছাড়া লিভারপুলের মতোই এখনও লিগে অপরাজিত থাকা সিটি জয়ের ক্ষুধা ধরে রাখতে পেরেছে। একে//

মেসিকে বিদ্রুপ করে যা বললেন পেলে

লিওনেল মেসির থেকে তিনি নিজে অনেক ভাল ফুটবলার ছিলেন বলে দাবি করলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। শুধু তা-ই নয়, আর্জেন্টাইন মহাতারকার প্রসঙ্গে বলে দিলেন, ‘ওর খেলায় তো একটাই স্কিল!’ এখানেই থামেননি ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি। তিনি এমনকি বলেছেন, মেসির চেয়ে ম্যারাডোনাও অনেক ভাল ফুটবলার। লা লিগায় মেসিকে বলা হয়, ‘হেভিওয়েট’ ফুটবলার। এক দশকের বেশি সময় ধরে স্পেনের লিগে তার দাপট অব্যাহত। অনেক বিশ্লেষক এমনও বলেন যে, মেসিই সর্বকালের সেরা। পাঁচ বারের ব্যালন ডি’ওর জয়ী মহাতারকার সংগ্রহে উপচে পড়ছে রেকর্ড আর ট্রফি। অসাধারণ স্ট্রাইকিং রেট। কিন্তু এত কিছুর পরেও প্রভাবিত হচ্ছেন না ফুটবল সম্রাট। ৩১ বছরের আর্জেন্টাইন ‘বিস্ময়’ তার কথায়, বিশেষ একটি ভঙ্গিতেই খেলে যান। তাও উল্লেখ করলেন যে মেসির সব সময় বাঁ পায়ে খেলে যাওয়ার প্রবণতা মারাত্মক। বিশ্ব ফুটবলের সেরা চরিত্রদের পাশাপাশি মেসি প্রসঙ্গে পেলের বিশ্লেষণ এ রকমই। পেলে নিজে ফুটবল জীবনে এক হাজারের বেশি গোল করেছেন। তিন বার বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। তার সঙ্গে মেসির তুলনা হয় কি-না জানতে চাওয়া হলে পেলের মন্তব্য, ‘কী করে এমন একজনের সঙ্গে ওর তুলনা হয় যে ভাল হেড করতে পারে, বাঁ পায়ে শট নিতে পারে, ডান পায়ে শট নিতেও দক্ষ! মেসি তো শুধু বাঁ পায়ে শট নেয়। স্কিল বলতে ওই একটাই! আর হেডটাও ভাল করতে পারে না।’ এখানেই না থেমে পেলের আরও কথা, ‘তুলনাটা হয় কী করে? তুলনা করতেই হলে, এমন একজনের সঙ্গে করতে হবে, যে দু’পায়েই ভাল শট নিতে পারে। সঙ্গে হেডেও গোল করে।’ মেসির সঙ্গে নিজের তুলনার পাশাপাশি পেলে অন্য ফুটবলারদের প্রসঙ্গও টেনেছেন। ব্রাজিলীয় মহাতারকার সাফ কথা, শুধু তিনি নিজেই নন, বিশ্ব ফুটবলের অনেকেই মেসির থেকে এগিয়ে থাকবেন। পেলে কিন্তু মারাদোনার প্রসঙ্গ তুলে নিজের উচ্ছ্বাস গোপন করেননি। তার মন্তব্য, ‘আমি যতটা বুঝি, তাতে ম্যারাডোনা সর্বকালের অন্যতম সেরা। যদি কেউ আমাকে প্রশ্ন করেন, ম্যারাডোনা কি মেসির থেকেও বড়? তা হলে আমি বলব, ম্যারাডোনা অবশ্যই মেসির থেকে অনেক ভাল।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘বেকেনবাউয়ার (ফ্রাঞ্জ), ক্রুয়েফও (ইয়োহান) কিন্তু অসাধারণ ফুটবলার ছিল।’ ব্রাজিলের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেলে পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি মেসির বিরাট কিছু ভক্ত নন। তা আর্জেন্টাইন মহাতারকা ক্লাবের হয়ে ৫৬৭ গোল করুন বা দেশের হয়ে ৬৫টি! মেসির পাঁচ বার সোনার বল, ন’টি লা লিগা খেতাব এবং চার বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়কেও পেলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন না। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

বিশাল জয়ে শেষ ষোলোতে রিয়াল

মেলিয়াকে প্রথম লেগের মতো দ্বিতীয় লেগেও বিধ্বস্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে ৪-০ গোলে জিতেছিল রিয়াল। আর দ্বিতীয় লেগে দিয়েছে ৬ গোল। তাতে বড় ব্যবধানে জিতে স্প্যানিশ কাপের শেষ ষোলোতে উঠেছে রিয়াল। বৃহস্পতিবার সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে ৬-১ ব্যবধানে জিতেছে সান্তিয়াগো সোলারির শিষ্যরা। এদিন জোড়া গোল করেছেন মার্কো আসেনসিও ও ইসকো। একটি করে গোল করেছেন হাভিয়ের সানচেস ও ভিনিসিউস জুনিয়র। মাত্র একটি গোল শোধ দিতে পেরেছে মেলিয়া। নিজেদের মাঠে খেলতে নেমে বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণের পর রিয়ালের গোলের অপেক্ষা শেষ হয় ম্যাচে ৩৩তম মিনিটে। বেশ দূর থেকে বল নিয়ে এগিয়ে দুইজনকে কাটিয়ে জোরালো শটে গোলরক্ষক ফাঁকি দেন মার্কো আসেনসিও। এরপর ৩৫তম মিনিটে তার গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে আবার গোল। তবে এবারের গোলদাতা হাভিয়ের সানচেস। অ্যাসেনসিওর ক্রসে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। বিরতি থেকে ফিরে খেলায় একই ধারা অব্যাহত রাখে রিয়াল। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে উপরের কোন দিয়ে নেওয়া শটে বল জালে পাঠান ইসকো। আর আগে একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করা তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস কাঙ্ক্ষিত গোলটি পান ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে। তবে ম্যাচের ৮০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল মেলিয়ার দলটি। কিন্তু তিন মিনিট পর ইসকোর দারুণ গোলে আবার এগিয়ে বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল। আর এতে দুই লেগ মিলিয়ে ১০-১ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলোতে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সূত্র: গোল ডটকম একে//

বড় জয়ে শেষ ষোলোয় বার্সা

প্রথম লেগের জয়ে কোপা দেল রের শেষ ষোলোয় এক পা দিয়েই রেখেছিল বার্সেলোনা। ফিরতি লেগে কালচারাল লিওনেসার বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সা। নিজেদের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে জোড়া গোল করেছেন ড্যানিশ সুয়ারেজ। একটি করে গোল করেন মুনির ও ম্যালকম। লিওনেসার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জোসেপ সেনে। আগের লেগে বার্সা জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধান এগিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে আরনেস্টো ভালভারদের শিষ্যরা। ঘরের মাঠে লিওনেল মেসিসহ নিয়মিত একাদশের অনেককেই বিশ্রামে রেখে খেলতে নামে বার্সা। ম্যাচের ১৮তম মিনিটেই লিড নেয় কাতালান ক্লাবটি। ইভান রাকিতিচের পাস থেকে দলের প্রথম গোলটি করেন মুনির এল হাদ্দাদি। ২৬তম মিনিটে রাকিতিচের আরেকটি অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ড্যানিশ সুয়ারেজ। আর ৪৩তম মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ম্যালকম। এবারো বলের যোগানদাতা ছিলেন রাকিতিচ। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটের মাথায় ব্যবধান কমায় আতিথ্য নেওয়া লিওনেসা। স্প্যানিশ মিডফিল্ডার জোসেপ সেনের গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-১। ৭০ মিনিটের মাথায় ডান পায়ের কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন বার্সার তারকা সুয়ারেজ। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ গোলের অ্যাগ্রিগেটে কোপা দেল রে-এর শেষ ষোলোয় উঠল বার্সা। শেষ ষোলোয় আরও উঠেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ, সেভিয়া, ভিয়ারিয়াল। তবে জিরোনার কাছে হেরে ছিটকে গেছে দেপোর্তিভো আলাভেস। আরকে//

সানে-মাহরেজের গোলে সিটির জয়

ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে একটি করে গোল পেয়েছেন লেরয় সানে ও রিয়াদ মেহেরেজ। স্বাগতিকদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন আবদুলাই দুকুরে। আর তাতে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এ জয়ে লিগের শীর্ষেই রইল শিরোপাধারীরা। প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে ম্যাচের ৪০তম মিনিটে ডান দিক থেকে রিয়াদ মেহেরেজের ক্রসে বল গোলমুখে পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি দাভিদ সিলভা। এর কয়েক সেকেন্ড পরেই আলজেরিয়ান মিডফিল্ডার মেহেরেজের একই ধরণের আরেকটি ক্রস ছোট ডি-বক্সে পেয়ে বল বুক দিয়ে লক্ষ্যে পাঠান লেরয় সানে। ফলে ওই এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সিটিজেনরা। বিরতি থেকে ফিরে আবারও গোলের দেখা পায় অতিথিরা। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সিটি। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢোকা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড গাব্রিয়েল জেসুসের কাটব্যাক ফাঁকায় পেয়ে ১৫ গজ দূর থেকে নিচু শটে জাল খুঁজে নেন মেহেরেজ। দুই গোলে এগিয়ে থেকে সিটির খেলায় কিছুটা আলগাভাব চলে আসে। আর এটারই সুযোগ নেয় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে গোলমুখে আলতো টোকায় বল জালে পাঠিয়ে দেন ফরাসি মিডফিল্ডার আবদুলাই দুকুরে। বাকি সময় সিটিজেনদের ডি বক্সে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসলেও গোলের দেখা পায়নি ওয়াটফোর্ড। ফলে লিগে টানা সপ্তম জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ জয়ে ১৫ ম্যাচে ১৩ জয় ও দুই ড্রয়ে শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ৪১। ৫ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে এক ম্যাচ কম খেলা লিভারপুল। তৃতীয় স্থানে থাকা চেলসির পয়েন্ট ৩১। সূত্র: গোল ডটকম একে//

প্রথম নারী ব্যালন ডি’অর জয়ী হেগেরবার্গ

খেলাধুলায় পিছিয়ে নেই নারীরা। তাই ফুটবলে সমান সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এবারই প্রথম নারীদের বর্ষসেরার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর দেওয়া হলো। আর সম্মানজনক এই পুরস্কারটি প্রথমবারের মতো জিতে ইতিহাস গড়েছেন অলিম্পি লিঁওর নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আদা হেগেরবার্গ। সোমবার প্যারিসের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা ফুটবলারের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে পুরুষ বিভাগে অ্যাওয়ার্ডটি হাতে তোলেন ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ। আর নারী বিভাগে প্রথমবারের মতো পুরস্কারটি জিতলেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আদা হেগেরবার্গ। গত মৌসুমটি দারুণ কাটিয়েছেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। ২৩ বছর বয়সী হেগেরবার্গ তার দল লিঁওর হয়ে ফ্রেঞ্চ টাইটেল জিততে অসাধারণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী দলটির হয়ে ফাইনালে গোলও করেন এই তরুণী।  উল্লেখ্য, এর আগে ফিফার বর্ষসেরা ও ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর ব্যালন ডি’অর পুরস্কার আলাদাভাবে দেওয়া হতো। তবে ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছয় বছর দুটি পুরস্কার এক সঙ্গে দেওয়া শুরু হয়। তবে ২০১৬ সাল থেকে আবারও তারা আলাদা হয়ে যায়। ১৯৫৬ সাল থেকে ফ্রান্স ফুটবল ছেলেদের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার দিয়ে আসছে। আর এবার সেখানে যুক্ত হলো মেয়েদের ভার্সনও। একে//

সেরা উদীয়মান ফুটবলার এমবাপ্পে

রাশিয়া বিশ্বকাপে পুরো ফুটবল জগতের নজর কেড়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। কারণ ওই আসরেই জানিয়ে দিয়েছিলেন এ বছরের সেরা উদীয়মান ফুটবলার হতে যাচ্ছেন তিনি। আর তার সেই ঘোষণাই যেনো এলো ২০১৮ সালের ব্যালন ডি’অর মঞ্চ থেকে। বছরের সেরা তরুন ফুটবলারের পুরস্কার উঠল ফ্রান্সের ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ তারকা ফুটবলারের হাতে। ব্যালন ডি’অর মঞ্চ প্রথমবারের মতো তরুন ফুটবলারদের জন্য এক পুরস্কার চালু করেছে। আর প্রথমবারেই সেই পুরস্কার পেলেন এমবাপ্পে। রাশিয়া বিশ্বকাপে চার গোল করে দলকে ফাইনালের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই ফরাসি। তার পুরস্কারই যেন পেলেন এই ফুটবলার। অবশ্য ‘কোপা ট্রফি’ নামে এই পুরস্কারটি শুরু করেছে ফ্রান্স ফুটবল কর্তৃপক্ষ।   চলতি বছরটি দারুণ শুরু করেন এমবাপ্পে। বিশেষ করে রাশিয়া বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বফুটবল নাড়িয়ে দেন পারফরম্যান্স দিয়ে। এই পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত তালিকার ফুটবলারদের মধ্যে এমবাপ্পেই একমাত্র ২১ বছরের কম বয়সী খেলোয়ার, যার হাতে উঠলো সেটি। একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি