ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮ ২:১৮:১১

জিন্স নিয়ে ৮ তথ্য

জিন্স নিয়ে ৮ তথ্য

জিন্সের সঙ্গে কাউকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, একথা ঠিক৷ তবে জিন্সের প্যান্ট স্কিনি বা স্ট্রেচ হওয়ায় যেমন রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নাম, তেমনি রয়েছে নানা রকমের ছাঁট ও ডিজাইন৷ মম জিন্স এই নামের ও ছাঁটের জিন্স হয় আরামদায়ক৷ ওপরের অংশ কিছুটা ঢিলেঢালা হলেও নীচে অর্থাৎ পায়ের কাছে চাপা৷ এই জিন্স পরার পর কিন্তু পেট বেশ নির্মেদ দেখায়৷ বলা যায়, যাদের পেট সামান্য মোটা, তাদের জন্য অবশ্যই মম জিন্স ভালো৷ ওয়াইড ক্রপড জিন্স এই ছাঁটের জিন্সের ওপরটা চাপা বা টাইট, তবে পা দু’টো চওড়া৷ এই জিন্সের সঙ্গে হাইহিল পরলে মেয়েদের কিন্তু বেশ স্মার্ট দেখায়৷ ফ্লেয়ার্ড জিন্স টাইট জিন্স তবে নীচের বর্ডার উল্টনো বা ভাঁজ করা৷ এই ডিজাইন কিন্তু আগে ট্রেন্ড ছিল, এখনও ট্রেন্ড৷ স্কিনি জিন্স নামেই যার পরিচয়৷ পায়ের সঙ্গে একদম টাইট হয়ে লেগে থাকে এই জিন্স৷ তরুণ-তরুণীদের ভীষণ পছন্দ! ডেকোরেটেড অর্থাৎ সাজুগুজু করা জিন্স ছোট ছোট কাঁচ পাথর বা পুতি বসানো জিন্স৷ একটু কম বয়সের মেয়েরাই এ সব পরে থাকে৷ তবে এই জিন্স ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যায় না৷ স্ট্রিংটাঙ্গা জিন্স খোলামেলা জিন্স৷ এ রকম জিন্স পরা মানুষ অবশ্য তেমন দেখা যায় না বললেই চলে৷ স্ট্রেচ জিন্স এই জিন্স টানলে কিছুটা বড় হয়, অর্থাৎ সাইজ একটু এ দিক-সে দিক হলেও কিন্তু ভালোভাবেই পরা যায়৷ এ জিন্স খুব আরামদায়ক৷ তবে এই ধরনের জিন্স কিন্তু ড্রায়ারে দেওয়া যাবে না৷ বয়ফ্রেন্ড জিন্স এই জিন্সের ছাঁট সাধারণ, তবে একটু ঘুরিয়ে সেলাই করা৷ খুব জনপ্রিয় এই জিন্স মেরিলিন মনরোর মতো সে যুগের অভিনেত্রীর যেমন প্রিয় ছিল, তেমনি এ যুগের কেটি হোমসেরও খুব প্রিয়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//
নারীরা যে কারণে আকর্ষণীয় সেলফি তোলে

নারীদের তোলা সেলফির একটা বড় অংশই পুরুষদের তোলা সেলফির চাইতে আলাদা। নারীদের সেলফিতে এমন একটা জিনিসের আধিক্য থাকে, যা পুরুষের তোলা ছবিতে থাকে না। সেই জিনিসটিকে ভারতীয় উপমহাদেশে বলে ‘নমক’। আর সাধারণভাবে বলা হয় নিজেকে আকর্ষণীয় বা আবেদনময়ী করে ছবি তোলা।    নারীদের তোলা সেলফিতে কেবল মাত্র শরীর প্রদর্শন নয়, এমন কিছু ভঙ্গিমা থাকে, যাকে অন্যকে আকর্ষণ করে। কেন নারীরা এরকম আকর্ষণীয় বা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন— এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে চেয়েছে ‘প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সাযেন্সেস’-এর মতো আন্তর্জাতিক জার্নাল। ‘ইকনমিক ইনইকুয়ালিটি ড্রাইভস ফিমেল সেক্সুয়ালাইজেশন’ শীর্ষক এই গবেষণাপত্রে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।  এই গবেষণা দেখাচ্ছে, আবেদনময় সেলফির সঙ্গে অর্থনৈতিক অসাম্যের যোগাযোগ রয়েছে। আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার কারণেই এই ধরনের ছবি তুলতে এগিয়ে আসেন নারীরা। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, যে সব দেশে নারীরা অবদমিত নন, সেই দেশগুলিতে এই ধরনের সেলফি তোলার তেমন হিড়িক নেই। ২০১৬ সালের ৩০ দিনের একটি পর্বে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট হওয়া নারী-সেলফিগুলির হিসেব থেকে তারা দেখাচ্ছেন, যে সব দেশে পুরুষ ও নারীর আয়ে বিপুল বৈষম্য রয়েছে, সেই সব দেশ থেকেই এই ধরনের ছবি সব থেকে বেশি পোস্ট হয়েছে।   গবেষক দলের প্রধান, অস্ট্রেলিয়ার খান্ডিস ব্লেক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আর্থিক বৈষম্যের ব্যাপারটা জটিল খুব সরল দৃষ্টিতে একে দেখা যায় না। এই ধরনের ছবি তোলার মধ্যে একটা প্রতিযোগী মনোভাবও লক্ষণীয় থাকে।    এমএইচ/এসি   

বাড়ছে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব, কারণ জানাল মর্কিন সমীক্ষা!

সুস্থ, স্বাভাবিক সন্তান সবাই কামনা করেন। এই জন্য প্রতিদিন হাজারও মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মাত্রই শুরু হয়ে যাচ্ছে একের পরে এক পরীক্ষা নিরিক্ষা। কিন্তু,অনেকে অনেক চেষ্টা করেও সন্তানের বাবা হতে পারছেন না। টাকা অপচয় করার আগে একবার ভেবে নিন আপনার দৈনিক জীবনযাত্রার প্রভাব পরছে না তো এর মধ্যে।    পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ হিসেবে ধূমপান, মদ্যপান বা তামাক সেবনকেই প্রথম সারিতে রাখা হয়েছে। তবে, এর বাইরেও রয়েছে একাধিক বিষয়, যা নিয়ে সচরারচর মাথা ঘামান না অনেকেই। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ৬৫৬ জন পুরুষের উপরে এক সমীক্ষা করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকেই স্পষ্ট হয়, পুরুষের অন্তর্বাস নির্বাচনের উপরে অনেকটাই নির্ভর করে তাঁদের ফলিকল স্টিম্যুলেটিং হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ। দিনের সিংহভাগ সময়ে টাইট ব্রিফ পড়ে থাকা পুরুষের ক্ষেত্রে এই হরমোনের লেভেল অনেক নীচে । পাশাপাশি যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বক্সার পরছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সেই মাত্রা কিন্তু বেশ উপরে। FSH লেভেলের উপরই নির্ভর করে পুরুষের স্পার্ম কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি। ভারতীয় পুরুষের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অফিস এবং অফিস পরবর্তী সময়ে, সব মিলিয়ে দিনে বারো থেকে চৌদ্দ ঘন্টা গড়ে অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে অবিলম্বে এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। না হলে বিপদ। (সূত্রঃ এবেলা)  কেআই/এসি   

সানগ্লাস পরিষ্কারে সতর্ক থাকুন

রাস্তাঘাটে প্রায়ই দেখা যায়, চোখের সানগ্লাস খুলে মুখ থেকে ধোয়া দিয়ে অথবা থুতু দিয়ে অথবা টিস্যু দিয়ে সানগ্লাস পরিষ্কার করে থাকেন অনেকে। সানগ্লাসের ক্ষতি করতে না চাইলে কখনোই এরকম কাজ করা যাবে না। শখের সানগ্লাসটিতে ময়লা জমে অপিরষ্কার হয়ে যেতেই পারে। তাই বলে এমন কাজ ভুলেও করবেন না। চলুন জেনে নেই সানগ্লাস ঠিকঠাকভাবে ধৌত করার প্রক্রিয়া-যেভাবে ধুবেন সানগ্লাসসানগ্লাস ধুয়ার জন্য লাগবে ওম গরম পানি, ডিশ ওয়াশার অথবা লেন্স ক্লিনার এবং মাইক্রো ফাইবার কাপড়। প্রথমে ওম গরম পানি দিয়ে সানগ্লাসটি ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি লেন্সদুটো আলাদা করে খুলে নিতে পারেন। সানগ্লাসটি পানি দিয়ে ধুয়ার পর এর লেন্সে ডিশওয়াশার লিকুইড সাবানের এক ফোটা ঢেলে দিন। তারপর আঙ্গুল ‍দিয়ে যতোটা সম্ভব লেন্সের ময়লা অংশটি ঘষে নিন। তারপর আবারও ওম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন সানগ্লাসটি ভালো করে। তারপর মাইক্রো ফাইবার কাপড় দিয়ে লেন্সটি মুছে শুকিয়ে নিন। হয়ে গেল আপনার সানগ্লাস পরিষ্কার।সানগ্লাসে যা কখনোই করবেন না- অ্যালকোহল আছে এরকম লেন্স ক্লিনার ব্যবহার করবেন না।- টিস্যু ব্যবহার করবেন না। যেহেতু টিস্যু এবং অন্যান্য কাগজ কাঠ থেকে বানানো হয়, তাই টিস্যুর মধ্যে থাকে কাঠের উপাদান লেন্সে দাগ ফেলে দিতে পারে।- সানগ্লাসে কখনোই থুথু ফেলবেন না। যেকোনো ধরনের স্যালাইভা লেন্স থেকে দূরে রাখুন।- সানগ্লাস ধোয়ার জন্য কখনোই অ্যামোনিয়া, ভিনেগার, ব্লিচিং পাউডার, উইনডো ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে না। এগুলো আপনার সানগ্লাসের কোটিং তুলে ফেলতে পারে।- কাপড়ের কোনা দিয়ে সানগ্লাস পরিষ্কার করতে যাবেন না। খুব অল্প পরিমাণে হলেও কাপড় আপনার লেন্সে দাগ তৈরি করতে পারে।এসএ/    

ঘাড় ও পিঠের সাতকাহন

অনেক সময় রোদে পুড়ে কিংবা অবহেলার কারণে ঘাড় ও গলার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি সেখানে একটা কালো দাগ পড়ে যায়। তখন আর স্টাইল করে বড় গলার ব্লাউজ পরা অস্বস্তিকর হয়ে উঠে। মন চাইলেও পরা হয়ে উঠে না। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক গলা, ঘাড় ও পিঠের দাগ দূর করতে ঘরোয়া কিছু উপায়ে- লেবু লেবু দেহের বেশিরভাগ সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রেই উপকারি। ফ্যাট কমাতেও লেবু খুবই উপকারি। সেরকমই কালো পোড়ো দাগ দূর করে, ত্বক উজ্জ্বল করেও সহায়তা করে লেবু। এক টুকরো লেবু কেটে সরাসরি আপনার গলা, ঘাড়ে ও পিঠে ম্যাসেজ করুন এবং চাইলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। কয়েকটা দিনের অপেক্ষা তার পরই দেখবেন আপনার কালো দাগ উধাউ হয়ে যাবে। আলু আলুর রস রোদের পোড়া দাগ খুব সহজেই দূর করে। চোখের কালো দাগ দূর করতেও সক্ষম। আলুর রস যদি আপনি নিয়মিত গলা ও ঘাড়ের কালো দাগের উপর লাগাতে পারেন তাহলে দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই এই দাগ চলে যাবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। বেকিং সোডা বেকিং সোডা যেকোন কালো দাগ দূর করতেই সক্ষম। কিছুটা পানি নিয়ে তার সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে তারপর গলা ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। কিছু দিনেই এই দাগ উধাউ হয়ে যাবে। মধু খানিকটা মধু নিয়ে ঘাড় ও গলার কালো ছোপে ম্যাসাজ করুন, দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল হবে। উক্ত স্থানের ময়লা দূর করতে ব্যবহার করুন মধু। কিছুটা সময় মধু ত্বকে ম্যাসেজ করে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ খুবই কমন। অ্যালোভেরা জেল নিয়ে যদি গলায় ও ঘাড়ে দশ মিনিট ম্যাসেজ করতে পারেন দেখবেন এক সপ্তাহে ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল হয়ে যাবে। নারকেল তেল নারকেল তেল আমাদের ত্বককে শুধুমাত্র পুষ্টির যোগান দেয় না এই তেল আমাদের ত্বকের পোড়া ভাবও দূর করে। পরিমাণ মত নারকেল তেল হাতে নিয়ে ঘাড় ও গলায় ম্যাসেজ করুন দেখবেন দাগ দূর হয়ে যাবে কয়েকটা দিনেই। শসা শসা আমাদের ত্বককে সব দিকি থেকেই পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে। তাই নিয়মিত আপনার ঘাড় ও গলায় শসার রস ব্যবহার করুন খুব সহজেই কালো দাগ থেকে মুক্তি পাবেন। অলিভ ওয়েল অলিভ ওয়েল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি তা আমরা সবাই জানি। তাই আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বক সুন্দর ও নরম রাখতে অলিভ ওয়েল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/

বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকা!

গায়ে সুন্দর একটি পোশাক বাড়িয়ে দেয় মানুষের সম্মান বা মর্যাদা। সে মর্যাদাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় গায়ের সবচেয়ে দামি গহণা। মার্যাদা বাড়ানোর মিছিলে যোগ দেয় দুই পায়ে পরিহিত পাদুকাও। তাই পোশাক ও গহণার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকার দাম সম্পর্কে জানতে কৌতুহলের শেষ নেই সাজ পিয়াসুদের। তাদের সেই আগ্রহের খোরাক যোগাতে বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো বছরের বিভিন্ন উপলক্ষ ও সময় ধরে হাজির হয় নতুন নতুন সংগ্রহ নিয়ে। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালেও তুলে ধরা হয়েছে সবচেয়ে দামি কয়েকটি পাদুকা। লুই ভিশন: অনেকের ধারণা, বহুমূল্যের জুতা সরবরাহকারী ব্র্যান্ডগুলো কেবল নারীদের জন্যই পসরা সাজায়। তবে সে ধারণা একেবারেই মুছে ফেলে ম্যানহাটন রিশেলিউ মেন’জ জুতা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার ডলারে। ২০১০ সালে পুরনো নকশায় তৈরি চামড়ার লাইনিং ও হ্যান্ড পেইন্ট চামড়ার সোলের এ জুতা আনে লুই ভিশন। স্টুয়ার্ট ওয়াইজম্যান: এ ব্র্যান্ড সাধারণত ৩০০-৪০০ ডলারে জুতা বিক্রি করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তারা এনেছে বহু দামি কিছু পাদুকা, যা কিনা কখনো কখনো ধনকুবেরদের কাছেও অতিমূল্যের বলে মনে হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ লাখ ডলারের ডায়মন্ড ড্রিম স্টিলেটো, ১০ লাখ ডলারের মেরিলিন মনরো সু রেট্রো রোজ পাম্প। ২০ লাখ ডলারের সিনড্রেলা স্লিপার ও ৩ মিলিয়ন ডলারের রিটা হেইওয়ার্থ হিল। মানোলো ব্লানিক: মূল্যবান জুতার সংগ্রহ রয়েছে এমন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে মানোলো ব্লানিক অন্যতম। এ ব্র্যান্ডের ব্লিক্সা এলিগেটর পাম্পের দাম ৪ হাজার ৬০০ ডলার। ক্রিস্টিয়ান লুবোটান: লাল সোলের হাইহিলের সুন্দর একটি জুতা এনেছে ক্রিস্টিয়ান লুবোটান। বর্তমানের আধুনিক নারীকে উৎসর্গকৃত এ জুতা একই সঙ্গে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে শক্তি, উদ্যম ও নারীত্বের। এমন একটি জুতা পায়ে গলাতে চাইলে খরচ করতে হবে ৩ হাজার ৯৫ ডলার। গুচি: স্বকীয়তা, ভিন্ন ঘরানা ও কাঁচামালের জন্য গুচি ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় ব্র্যান্ড। গুচির এ-যাবৎ বিক্রি করা দামি জুতাগুলোর অন্যতম হলো বুনন করা চামড়ার তৈরি বুট, যার মূল্য ৩ হাজার ৭৫০ ডলার। তাছাড়া এদের সোফিয়া এটলি জুতার মূল্য ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৯৫ ডলার। সূত্র: ফিন্যান্সেস অনলাইন আরকে//  

সন্তানের চোখে চশমা, মেনে চলুন জরুরি কিছু নিয়ম

শরীরের অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঙ্গ হলো চোখ। ছেলেবেলা থেকেই এর যত্ন নেওয়া আবশ্যিক। অথচ, সারা বছর পড়াশোনার চাপ, মোবাইল বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা অথবা সৃজনশীল কোনো কাজে যুক্ত থাকা— শিশুদের চোখের উপর চাপ পড়ার এমন নানা রসদ রয়েছে আমাদের চারপাশে। ভারতের বিখ্যাত শিশুচক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রাপ্তি ঘোষের মতে, ‘খুব কম বয়সেই বেশি পাওয়ারের চশমা দেখা যায় অনেক শিশুর চোখেই। সাধারণত কঠিন কোনো অসুখ না থাকলে স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডের লেখা দেখতে অসুবিধা দিয়েই বেশির ভাগ শিশুর চোখের সমস্যা সামনে আসে। অভিভাবকরা একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যায়।’ চিকিৎসকদের পরামর্শ, টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল বা ভিডিও গেমের স্ক্রিনে বেশি ক্ষণ তাকিয়ে থাকতে দেবেন না শিশুকে। এ সবের স্ক্রিন থেকে বেরনো রশ্মি চোখের উপর চাপ ফেলে। তার চেয়ে তাকে অভ্যস্ত করুন বই পড়ায়। এতে চোখ ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচে, সেই সঙ্গে মোবাইল গেমে আসক্তি কমাতে পারলে তাকে অন্যান্য অসুখ থেকেও দূরে রাখে। সূর্যের চড়া আলো চোখের জন্য ক্ষতিকারক। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি চোখের অনেক ক্ষতি করে। এ থেকে চোখের কর্নিয়ার নানা অসুখ, ক্যাটারাক্ট বা ছানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খুব রোদে শিশুকে নিয়ে বেরলে টুপি বা ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করুন। যেসব শিশু খুব ছোটবেলা থেকেই চশমা পরে, অনেক সময় তাদের অভিভাবকরাই পড়াশোনার সময় ব্যতীত তাদের চশমা খুলে থাকতে উৎসাহ দেন। এটা ঠিক নয়। চেষ্টা করুন যতটা বেশি সময় সম্ভব, চশমা পরিয়ে রাখতে। এতে অনেক সময়ই বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের ক্ষমতা বাড়ে। চশমার প্রয়োজন ফুরোয়। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে চশমা খুললে চোখের পক্ষেও ওই নির্দিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না।  প্রতি বছর অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। চোখ পরীক্ষা পুরো শরীর পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ। চোখ ভাল রাখতে চিকিৎসকরা বেশ কিছু ব্যায়ামেরও পরামর্শ দেন। সে সবে অবশ্যই নজর রাখুন। ছোট মাছ, গুগলি, সবুজ সব্জির মতো বিশেষ কিছু খাবার চোখ ভাল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর। বিটা ক্যারোটিন আছে এমন খাবার— বিট-গাজর, রাঙা আলু ইত্যাদি শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে দিন। / এআর /

ফ্যাশনের সময় যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

বাইরে বের হতে চাইলে একটু ফ্যশন চাই-ই চাই। ফ্যাশন ছাড়া তো বের হতেও ভালো লাগবে না। কিন্তু কিছু ফ্যাশনের ভুলের কারণে হতে পারে শারীরিক সমস্যা। তাই এ সময় সতর্ক থাকতে হবে। ১) হাই হিল নিজেকে আকর্ষণীয় দেখাতে এর কোনও জুড়ি নেই। মেয়েদের হাই হিল পরলে সত্যিই আকর্ষণীয় লাগে। কিন্তু ককটেল পার্টির পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল পরে দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের উপর চাপ পড়ে। এর ফলে পায়ের পেশি ও জয়েন্টের ক্ষতি হতে পারে। ২) ফিট না হওয়া ব্রা অনেক মহিলা ঠিকমতো ব্রা পরার দিকে নজর দেন না। ব্রা কোনও একটা পরলেই হল। কিন্তু সঠিক ব্রা না পরলে স্তনের আকার নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তাই নয়। শেপ অনুযায়ী ব্রা না পরলে শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। পিঠের ব্যথা থেকে কাঁধে টান ধরা, অনেক কিছুই হতে পারে। ৩) স্কিন জিন্স টাইট বা স্কিনি জিনস পরলে স্টাইলিশ লাগে। কিন্তু এতে শরীরের ক্ষতি হয় প্রচুর। অনেকক্ষণ ধরে স্কিনি জিনস পরে থাকলে ঘাড় ও পিঠে এর প্রভাব পড়ে। এই জিনস পরলে পেলভিস পিছনের দিকে সরে যায়। হাড়েও এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া স্কিনি জিনস পরলে রক্ত চলাচলও ঠিকমতো হতে পারে না। ৪) শেপওয়্যার সমস্যা অনেকসময় আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য মানুষ শেপওয়্যার পরে। কিন্তু রোজ শেপওয়্যার ব্যবহার করলে শরীরের ক্ষতি হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের উপর। এছাড়া ফুসফসের সমস্যাও হয়। শ্বাসকষ্ট এক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। ৫) টাইট বেল্ট কখনই টাইট বেল্ট পরা উচিত নয়। তাহলে ফ্যাশনের খেয়াল রাখতে গিয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে হবে। শেপওয়্যার পরলে যে সমস্যা হয়, এক্ষেত্রেও ঠিক একই সমস্যা হতে পারে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

বর্ষায় চাই স্পেশাল স্টাইল

বর্ষায় স্টাইল করা বা ফ্যাশন ধরে রাখাটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। কেননা বর্ষায় সব ফ্যাশনই বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। কিন্তু তাই বলে কি এ সময় কোন ফ্যাশনই হবে না! ইমেজ বলে তো কিছু আছে, তাই না। তাই যতই ভরা বর্ষায় হোক না কেন এ সময় মাথা থেকে পা পর্যন্ত চাই বিশেষ স্টাইল স্টেটমেন্ট। বর্ষার পোশাক বর্ষার জন্য শর্টস, স্কার্ট বা হাঁটু পর্যন্ত পোশাক পরুন। এতে জামাকাপড়ে কাদা লাগার সম্ভাবনা কমবে। জিনস, ট্রাউজার, প্লাজো বা ম্যাক্সি ড্রেস এড়িয়ে যান। ইচ্ছা হলে পরতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত ওয়ান পিস বা জাম্পসুট। পোশাকের রং ও কাপড়ের কথা মাথায় রাখুন বর্ষার সময় ডেনিম বা সিল্কের পোশাক পরার চেষ্টা করুন। এতে পোশাক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। বর্ষাকালে কখনোই গাঢ় রঙের পোশাক পরা উচিত নয়। এতে চোখে লাগে বেশি। এই সময় চেষ্টা করুন হালকা রঙের পোশাক পরতে। সাদার সঙ্গে নীলের হালকা কোনও শেড, হলুদ, সবুজের মতো রঙের পোশাক পরতে পারেন। গাঢ় গোলাপির মতো ডার্ক শেড এড়িয়ে চলুন। জুতো জেলি শু, ফ্লিপ-ফ্লপের মতো জুতো বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। ভেলভেটের জুতোও পরবেন না। এতে পা ভিজে থাকে। ফলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সময় দুই ফিতাওয়ালা জুতো বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন। হ্যান্ডব্যাগও গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে হ্যান্ডব্যাগ সবাই এড়িয়ে চলে। একে তো বৃষ্টি। তার উপর একটা অতিরিক্ত জিনিস নিয়ে কে আর বোঝা বাড়াতে চায়? কিন্তু টুকটাক জিনিস নিয়ে যেতে তো একটা ব্যাগ চাই। সেটা যেন হয় স্টাইলিশ। টোটে ব্যাগ এই সময় খুব উপকারী। ছাতাতেও হতে পারে ফ্যাশন বৃষ্টি রুখতে ছাতা অবশ্যই দরকার। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়েও হতে পারে ফ্যাশন। ভরা বর্ষায় গাঢ় রঙের ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু হালকা বৃষ্টিতে ব্যবহার করুন হালকা রঙের বা ট্রান্সপারেন্ট ছাতা। প্রিন্টেড ছাতাও ব্যবহার করতে পারেন। এতে লোকের নজরে পড়বেন আপনি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

হিল পরে ব্যথা! ঘরোয়া পদ্ধতিতে উপশমের ৭ উপায়

বড় বড় পার্টিতে যেতে হলে হাই হিলের আবশ্যক। কিন্তু হাই হিলে অনেকেরই পায়ে ব্যথা বা বিভিন্ন সমস্যা হয়। হিল ব্যথা পায়ের একটি সাধারণ সমস্যা। এই সাধারণ সমস্যা স্বাভাবিক কাজকর্মের ব্যহত ঘটায়। মাঝে মাঝে হিলের ব্যথা কোমর কিংবা পিঠ পর্যন্ত উঠতে পারে। চিকিৎসকদের মতে হাই হিল পরলে প্রায়ই কিছু নির্দিষ্ট রোগের কারণ দেখা যায়। যেমন- গেটো ব্যথা, পায়ের গোড়ালি ব্যথা, আর্থ্রাইটিস (হাড়ের জয়েন্ট ব্যথা) ইত্যাদি যা খুব বেদনাদায়ক। যারা এই সমস্যার অধিভুক্ত তারা বুঝেন যে এই ব্যথা কতটা যন্ত্রণাময়। তবে যন্ত্রণা কমাতে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঘরোয়া পদ্ধতিতে উপশমের উপায় রয়েছে। একুশে টেলিভিশন অনলাইনে এই উপায়গুলো দেওয়া হলো- ইপসম লবণ : ইপসম লবণ হিলের ব্যথা দ্রুত সারিয়ে তোলে। কারণ ইপসম লবণ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দিয়ে তৈরি যা ফোলা ভাব, যে কোন ব্যথা বা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ইপসম লবণ তিন টেবিল চামচ গরম পানিতে মিশিয়ে ওই পানিতে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। হলুদ : হলুদ হিলের ব্যথা সারাতে খুব ভালো কাজ করে। হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ দুধের সাথে এক চামচ হলুদ গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার খাবেন। এতে ব্যথার উপশম হবে। আদা : হাই হিলের ব্যথায় আদা খেলে খুব উপকার পাওয়া যায়। আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ রয়েছে যা ব্যথা উপশমে সহায়তা করে। দিনে তিনবার আদা চা খেতে হবে। এছাড়া যে কোন খাবার খাওয়ার সময় আদা ব্যবহার করেন। আপেলের রস : আপেলের রস হিল ব্যথা নিরাময়ের জন্য অন্যতম। আপেলের রসের মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ব্যথা উপশমে বেশ কর্যকারি। একটি পাত্রে এক কাপ পানির সঙ্গে ১/৪ কাপ আপেলের রস মিশিয়ে গরম করুন। এখন একটি শুকনো কাপড় দিযে ধোয়ার ভাপ নিন এবং ব্যথার স্থানে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। গোলমরিচ : গোলমরিচ হিল ব্যথার উপশমে বেশ উপকার করে। এক টেবিল চামচ গোলমরিচ পিশিয়ে নিন। এরপর ১/৪ কাপ হালকা গরম জলপাই তেলের মধ্যে মিক্সড করে ব্যথার স্থানে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তিসি বীজের তেল : হিলের ব্যথায় সাহায্য করবে তিসি বীজের তেল। এই তেলে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্যথার চিকিৎসার অন্যতম উপায়। কুসুম গরম পানিতে তিসি বীজের তেল কয়েক ফোঁটা ঢেলে সেখানে শুকনো কাপড় ভিজিয়ে নিন। এটি এখন পায়ের গোড়ালিতে এক ঘণ্টা বেঁধে রাখুন। দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। ব্যায়াম : ব্যথা কমাতে ব্যায়াম খুবই উপকার করে। খালি পায়ের কিছু ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো প্রতিদিন করলে ব্যথা দূর হয়ে যাবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। /কেএনইউ/ এসএইচ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি