ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৫:৫০

‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি  

‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি  

হিন্দুধর্ম মতে বিশেষ বিশেষ তিথি বা লগ্নে নির্দিষ্ট নদী-মোহনায় গোসল খুবই পবিত্র। এতে দেহ-মনের শুদ্ধি ঘটে। আর যিনি জীবনে অন্তত একবার কুম্ভ গোসল করেন, তার পুণ্য অর্জন নিশ্চিত, এমনটাই মনে করা হয়। এই ধরনের গোষ্ঠী গোসলে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাহানি হয় নারীদের। পানিতে ভেজা যে কোনও কাপড় শরীরে লেপ্টে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে কোনও কুম্ভমেলায়, পুণ্য গোসলে ব্যস্ত নারীদের এই স্বাভাবিক দৃশ্য আদৌ স্বাভাবিক থাকে না। পরমুহূর্তেই কয়েকশো ক্লিকে বন্দি হয়ে যায় তাদের সেই অস্বস্তির ছবি, যা কারও কাছে বিকৃত কামের সুড়সুড়ি আর কারও কাছে নিছকই একটা ছবি! দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই প্র্যাকটিসকেই তুখোড় জবাব দিল এ বছর ভারতের উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদের কুম্ভে, নারী পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি’। দেখতে সাধারণ শাড়ির মতোই, বাসন্তী রঙের জমি ও সবুজ পাড়। কিন্তু এই শাড়ির উপরে রয়েছে একটি ওয়াটারপ্রুফ কোটিং। যতখুশি গোসল করলেও এই শাড়ি ভিজবে না, লেপ্টে যাবে না শরীরের সঙ্গে। অর্থাৎ গোসল হল, বসন সিক্তও হল, কিন্তু আব্রু বজায় রইল নারীদের। এই অভিনব ভাবনাটি হিন্দুস্তান ইউনিলিভার গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড ‘হামাম’-এর ‘গোসেফআউটসাইড’ ক্যাম্পেনের অঙ্গ, যার পরিকল্পনা ও রূপদানের দায়িত্বে ছিল বিখ্যাত বিজ্ঞাপন সংস্থা ‘ওগিলভি’। এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত ‘কুম্ভ ২০১৯’-এ, ১১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে, ‘সরস্বতী গোসল’-এর দিন পুণ্যার্থী নারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই শাড়ি। ইউনিলিভার গোষ্ঠীর স্কিন ক্লিনজিং ভার্টিকালের জেনারেল ম্যানেজার হরমন ধিলোঁ বলেন, ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ির উদ্যোগটি শুধুই নারীদের মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে নয়, পাশাপাশি আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন খুবই জরুরি।’ সূত্র: এবেলা একে//
আনারস দিয়ে তৈরি হচ্ছে শাড়ি-গয়না!

বেনারসি নয়। বিয়েতে কনে সাজবে ‘আনারসি’ শাড়িতে। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই। কারণ কাঞ্জিভরম, সিল্ক, তাঁত, সুতির শাড়ি পরতেই অভ্যস্ত নারীরা। তাই বলে আনারসি! তাও আবার বিয়ের সাজের জন্য!  শাড়ির নাম শুনেই প্রথমে যে শব্দ মনে আসে সেটা আনারস। ওই রসালো ফল থেকেই কি শাড়ি? আনারসের পাতা থেকে তৈরি সুতা দিয়ে শাড়ি বুনে তাক লাগিয়েছেন ভারতের শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরের নারীরা। এমনকি, সেই সুতা থেকে তৈরি হচ্ছে সাজগোজের গয়নাও! আনারস গাছ কাটার পর সেই গাছের পাতা থেকে সুতা বের করে ও সেই সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করা হয়। কয়েক বছরের প্রচেষ্টার পর আনারসের সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। এর আগে দু’বার সুতা দিয়ে শাড়ি বা বস্ত্র তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সফল হতে পারেননি তার। ফের ২০১৮ সাল থেকে নতুন করে কাজ শুরু করে সফল হন। জানা গেছে, ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় একটি আনারসের মেলাতে গিয়ে প্রথম আনারস গাছ থেকে সুতা তৈরির বিষয়টি দেখতে পান আনারস চাষি অরুণ মণ্ডল। তিনিই বিধাননগরে গিয়ে একইভাবে সুতা তৈরির কাজ শুরু করেন। এর আগে আশির দশকে ড. যতীন বিশ্বাস ও তারপর ক্যালিপ্সো বেঙ্গল ফুডস নামে একটি সংস্থা আনারস থেকে সুতা তোরির উদ্যোগ নিলেও সফল হননি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

গরম পানিতে গোসলের অভ্যাস স্বাস্থ্যকর না ক্ষতিকর?

শীত আসলেই অনেকের গোসল করা অনিয়মিত হয়ে যায়। আর গোসল করলেও গরম পানিতে। অনেকেই মনে করেন ঠান্ডার ভয়ে গোসল না করার চেয়ে গরম পানিতে স্নান করাই ভাল। কিন্তু এই ভাবে রোজ গরম পানিতে স্নান করাটা কি স্বাস্থ্যকর? আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...     শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এই সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ খুব কম থাকায় আমাদের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে বাতাসের অরিরিক্ত শুষ্কতার প্রভাবে আমাদের ত্বক খুবই রুক্ষ্ম, শুষ্ক আর নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে।   ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে এই সময় অনেকেই নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করেন। বস্টন ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, শুষ্ক আবহাওয়ায় নিয়মিত গরম পানিতে স্নান করার ফলে ত্বক তার আদ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। এ ছাড়াও, প্রতিদিন গরম জলে স্নান করার ফলে হজমেরও নানা সমস্যা হতে পারে। বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।গবেষকদের মতে, শীতকালে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে স্নানের জল সামান্য উষ্ণ হলে ক্ষতি নেই। উষ্ণ জলে স্নানের ক্ষেত্রে স্নান করার সময় কমিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তবে স্নান বন্ধ করা বা কনকনে ঠান্ডা জলে স্নান না করাই ভাল। জি নিউজ     এসি  

জামায় পারফিউমের দাগ বসে গেলে সহজে যেভাবে উঠাবেন 

সুগন্ধি অনেকেরই প্রিয়। নারী পুরুষ নির্বশেষ কম বেশ সবার সুগন্ধির প্রতি আসক্তি রয়েছে। যে কোনো উৎসবে শুধু নতুন পোষাক নয়, তার সঙ্গে পছন্দের সুগন্ধিরও খোঁজ শুরু হয়ে যায় পুরোদমে।      এমনিতেই শরীরে ঘামের দর্গন্ধ রুখতে সুগন্ধির জুড়ি নেই, কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে ব্যবহারের জন্য দামী পোশাকের উপর সুগন্ধি ব্যবহারের দাগ ধরে যায়। ঘামে ভেজা জামা বাড়িতে এসে শুকোলেই পোশাকে সাদা সাদা দাগ দেখা যায় সুগন্ধি স্প্রে করা জায়গায়। কিছু তীব্র রাসায়নিক ব্যবহার করা সুগন্ধিও আছে। যাদের দাগ একবার লাগলে সহজে উঠতেও চায় না পোশাক থেকে। তবে কয়েকটি বিশেষ কৌশল মেনে চললেই এমন সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে সহজেই। জানেন সে সব কী কী? পারফিউমের বদলে বডি স্প্রে ব্যবহারে করুন বেশি। তবে খেয়াল রাখবেন, বডি স্প্রে লাগানোর পরেই জামা পরবেন না। তা শরীরেরই শুকোতে দিন কিছুটা সময়। তার পর পোশাক পরুন। এতে পোশাকে দাগ ধরবে না। এর পরেও দাগ দূর না হলে বদলান সুগন্ধি। সুগন্ধির দাগ ধরে যাওয়া পোশাক পরিষ্কারেরও কিছু নিয়ম আছে। ডিটারজেন্টের ক্ষারে পোশাক নষ্ট হয় তাড়াতাড়ি। তাই দাগ লাগলেই তাকে ডিটারজেন্টে ডোবাবেন না। বরং দাগ লাগা অংশগুলি একটি নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন৷ তার পর তা খোলা হাওয়ায় শুকোতে দিন কিছুক্ষণ। এর পর স্কিন টোনার লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এ বার ফের হাওয়ায় শুকিয়ে কাচুন। ডিওড্রেন্টের নাছোড় দাগ উঠবে সহজেই। আনন্দবাজার এসি  

জিন্স নিয়ে ৮ তথ্য

জিন্সের সঙ্গে কাউকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, একথা ঠিক৷ তবে জিন্সের প্যান্ট স্কিনি বা স্ট্রেচ হওয়ায় যেমন রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নাম, তেমনি রয়েছে নানা রকমের ছাঁট ও ডিজাইন৷ মম জিন্স এই নামের ও ছাঁটের জিন্স হয় আরামদায়ক৷ ওপরের অংশ কিছুটা ঢিলেঢালা হলেও নীচে অর্থাৎ পায়ের কাছে চাপা৷ এই জিন্স পরার পর কিন্তু পেট বেশ নির্মেদ দেখায়৷ বলা যায়, যাদের পেট সামান্য মোটা, তাদের জন্য অবশ্যই মম জিন্স ভালো৷ ওয়াইড ক্রপড জিন্স এই ছাঁটের জিন্সের ওপরটা চাপা বা টাইট, তবে পা দু’টো চওড়া৷ এই জিন্সের সঙ্গে হাইহিল পরলে মেয়েদের কিন্তু বেশ স্মার্ট দেখায়৷ ফ্লেয়ার্ড জিন্স টাইট জিন্স তবে নীচের বর্ডার উল্টনো বা ভাঁজ করা৷ এই ডিজাইন কিন্তু আগে ট্রেন্ড ছিল, এখনও ট্রেন্ড৷ স্কিনি জিন্স নামেই যার পরিচয়৷ পায়ের সঙ্গে একদম টাইট হয়ে লেগে থাকে এই জিন্স৷ তরুণ-তরুণীদের ভীষণ পছন্দ! ডেকোরেটেড অর্থাৎ সাজুগুজু করা জিন্স ছোট ছোট কাঁচ পাথর বা পুতি বসানো জিন্স৷ একটু কম বয়সের মেয়েরাই এ সব পরে থাকে৷ তবে এই জিন্স ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যায় না৷ স্ট্রিংটাঙ্গা জিন্স খোলামেলা জিন্স৷ এ রকম জিন্স পরা মানুষ অবশ্য তেমন দেখা যায় না বললেই চলে৷ স্ট্রেচ জিন্স এই জিন্স টানলে কিছুটা বড় হয়, অর্থাৎ সাইজ একটু এ দিক-সে দিক হলেও কিন্তু ভালোভাবেই পরা যায়৷ এ জিন্স খুব আরামদায়ক৷ তবে এই ধরনের জিন্স কিন্তু ড্রায়ারে দেওয়া যাবে না৷ বয়ফ্রেন্ড জিন্স এই জিন্সের ছাঁট সাধারণ, তবে একটু ঘুরিয়ে সেলাই করা৷ খুব জনপ্রিয় এই জিন্স মেরিলিন মনরোর মতো সে যুগের অভিনেত্রীর যেমন প্রিয় ছিল, তেমনি এ যুগের কেটি হোমসেরও খুব প্রিয়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

নারীরা যে কারণে আকর্ষণীয় সেলফি তোলে

নারীদের তোলা সেলফির একটা বড় অংশই পুরুষদের তোলা সেলফির চাইতে আলাদা। নারীদের সেলফিতে এমন একটা জিনিসের আধিক্য থাকে, যা পুরুষের তোলা ছবিতে থাকে না। সেই জিনিসটিকে ভারতীয় উপমহাদেশে বলে ‘নমক’। আর সাধারণভাবে বলা হয় নিজেকে আকর্ষণীয় বা আবেদনময়ী করে ছবি তোলা।    নারীদের তোলা সেলফিতে কেবল মাত্র শরীর প্রদর্শন নয়, এমন কিছু ভঙ্গিমা থাকে, যাকে অন্যকে আকর্ষণ করে। কেন নারীরা এরকম আকর্ষণীয় বা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন— এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে চেয়েছে ‘প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সাযেন্সেস’-এর মতো আন্তর্জাতিক জার্নাল। ‘ইকনমিক ইনইকুয়ালিটি ড্রাইভস ফিমেল সেক্সুয়ালাইজেশন’ শীর্ষক এই গবেষণাপত্রে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।  এই গবেষণা দেখাচ্ছে, আবেদনময় সেলফির সঙ্গে অর্থনৈতিক অসাম্যের যোগাযোগ রয়েছে। আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার কারণেই এই ধরনের ছবি তুলতে এগিয়ে আসেন নারীরা। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, যে সব দেশে নারীরা অবদমিত নন, সেই দেশগুলিতে এই ধরনের সেলফি তোলার তেমন হিড়িক নেই। ২০১৬ সালের ৩০ দিনের একটি পর্বে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট হওয়া নারী-সেলফিগুলির হিসেব থেকে তারা দেখাচ্ছেন, যে সব দেশে পুরুষ ও নারীর আয়ে বিপুল বৈষম্য রয়েছে, সেই সব দেশ থেকেই এই ধরনের ছবি সব থেকে বেশি পোস্ট হয়েছে।   গবেষক দলের প্রধান, অস্ট্রেলিয়ার খান্ডিস ব্লেক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আর্থিক বৈষম্যের ব্যাপারটা জটিল খুব সরল দৃষ্টিতে একে দেখা যায় না। এই ধরনের ছবি তোলার মধ্যে একটা প্রতিযোগী মনোভাবও লক্ষণীয় থাকে।    এমএইচ/এসি   

বাড়ছে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব, কারণ জানাল মর্কিন সমীক্ষা!

সুস্থ, স্বাভাবিক সন্তান সবাই কামনা করেন। এই জন্য প্রতিদিন হাজারও মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মাত্রই শুরু হয়ে যাচ্ছে একের পরে এক পরীক্ষা নিরিক্ষা। কিন্তু,অনেকে অনেক চেষ্টা করেও সন্তানের বাবা হতে পারছেন না। টাকা অপচয় করার আগে একবার ভেবে নিন আপনার দৈনিক জীবনযাত্রার প্রভাব পরছে না তো এর মধ্যে।    পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ হিসেবে ধূমপান, মদ্যপান বা তামাক সেবনকেই প্রথম সারিতে রাখা হয়েছে। তবে, এর বাইরেও রয়েছে একাধিক বিষয়, যা নিয়ে সচরারচর মাথা ঘামান না অনেকেই। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ৬৫৬ জন পুরুষের উপরে এক সমীক্ষা করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকেই স্পষ্ট হয়, পুরুষের অন্তর্বাস নির্বাচনের উপরে অনেকটাই নির্ভর করে তাঁদের ফলিকল স্টিম্যুলেটিং হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ। দিনের সিংহভাগ সময়ে টাইট ব্রিফ পড়ে থাকা পুরুষের ক্ষেত্রে এই হরমোনের লেভেল অনেক নীচে । পাশাপাশি যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বক্সার পরছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সেই মাত্রা কিন্তু বেশ উপরে। FSH লেভেলের উপরই নির্ভর করে পুরুষের স্পার্ম কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি। ভারতীয় পুরুষের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অফিস এবং অফিস পরবর্তী সময়ে, সব মিলিয়ে দিনে বারো থেকে চৌদ্দ ঘন্টা গড়ে অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে অবিলম্বে এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। না হলে বিপদ। (সূত্রঃ এবেলা)  কেআই/এসি   

সানগ্লাস পরিষ্কারে সতর্ক থাকুন

রাস্তাঘাটে প্রায়ই দেখা যায়, চোখের সানগ্লাস খুলে মুখ থেকে ধোয়া দিয়ে অথবা থুতু দিয়ে অথবা টিস্যু দিয়ে সানগ্লাস পরিষ্কার করে থাকেন অনেকে। সানগ্লাসের ক্ষতি করতে না চাইলে কখনোই এরকম কাজ করা যাবে না। শখের সানগ্লাসটিতে ময়লা জমে অপিরষ্কার হয়ে যেতেই পারে। তাই বলে এমন কাজ ভুলেও করবেন না। চলুন জেনে নেই সানগ্লাস ঠিকঠাকভাবে ধৌত করার প্রক্রিয়া-যেভাবে ধুবেন সানগ্লাসসানগ্লাস ধুয়ার জন্য লাগবে ওম গরম পানি, ডিশ ওয়াশার অথবা লেন্স ক্লিনার এবং মাইক্রো ফাইবার কাপড়। প্রথমে ওম গরম পানি দিয়ে সানগ্লাসটি ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি লেন্সদুটো আলাদা করে খুলে নিতে পারেন। সানগ্লাসটি পানি দিয়ে ধুয়ার পর এর লেন্সে ডিশওয়াশার লিকুইড সাবানের এক ফোটা ঢেলে দিন। তারপর আঙ্গুল ‍দিয়ে যতোটা সম্ভব লেন্সের ময়লা অংশটি ঘষে নিন। তারপর আবারও ওম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন সানগ্লাসটি ভালো করে। তারপর মাইক্রো ফাইবার কাপড় দিয়ে লেন্সটি মুছে শুকিয়ে নিন। হয়ে গেল আপনার সানগ্লাস পরিষ্কার।সানগ্লাসে যা কখনোই করবেন না- অ্যালকোহল আছে এরকম লেন্স ক্লিনার ব্যবহার করবেন না।- টিস্যু ব্যবহার করবেন না। যেহেতু টিস্যু এবং অন্যান্য কাগজ কাঠ থেকে বানানো হয়, তাই টিস্যুর মধ্যে থাকে কাঠের উপাদান লেন্সে দাগ ফেলে দিতে পারে।- সানগ্লাসে কখনোই থুথু ফেলবেন না। যেকোনো ধরনের স্যালাইভা লেন্স থেকে দূরে রাখুন।- সানগ্লাস ধোয়ার জন্য কখনোই অ্যামোনিয়া, ভিনেগার, ব্লিচিং পাউডার, উইনডো ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে না। এগুলো আপনার সানগ্লাসের কোটিং তুলে ফেলতে পারে।- কাপড়ের কোনা দিয়ে সানগ্লাস পরিষ্কার করতে যাবেন না। খুব অল্প পরিমাণে হলেও কাপড় আপনার লেন্সে দাগ তৈরি করতে পারে।এসএ/    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি