ঢাকা, রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৭ ৪:৪৯:১৬

শুরু হলো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭

শুরু হলো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭’। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সহযোগিতায় এ মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্ব-সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ মেলার উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান শেখ আমিনউদ্দিন আহমেদ, রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন, প্রথম সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভুইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী। মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকারিভাবে বস্তিবাসীর জন্য ভাড়াভিত্তিক অ্যাপার্টমেন্ট করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বস্তিবাসীদের জন্য ৫৫০টি অ্যাপার্টমেন্টের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করবেন। তিনি বলেন, সরকার গৃহায়নকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করছে। আমাদের জনবহুল দেশে সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করা একটি কঠিন কাজ। দেশের মোট গৃহের ৮১ শতাংশই গ্রামে অবস্থিত। এই ৮১ শতাংশ গৃহের মধ্যে ৮০ শতাংশই নিম্নমানের কাঠামো দিয়ে তৈরি। যত্রতত্র বাড়িঘর নির্মাণ করায় প্রতিদিন প্রায় ২৩৫ হেক্টর কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। তাই সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হলে শুধু নগরে নয়, গোটা দেশে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। এ সময় জানানো হয়, তিন দিনব্যাপী গৃহায়ন অর্থায়ন মেলায় ৩১টি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান, ৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪৭টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। আর/ডব্লিউএন
রাজধানীতে শুরু হচ্ছে গৃহায়ন অর্থায়ন মেলা

দেশে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী ‘গৃহায়ন অর্থায়ন মেলা-২০১৭’ শুরু হচ্ছে। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে এ মেলা শুরু হয়ে চলবে শনিবার পর্যন্ত। মেলা প্রতিদিন সবার সর্বধারণের জন্য সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে সবার জন্য। এ ছাড়া প্রতিদিন দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার। বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি) এর আয়োজনে আজ এ মেলার উদ্ধোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। আবাসন ব্যবসায়ি সংগঠন রিহ্যাব। মেলায় খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, রিয়েল এস্টেট ও আবাসন সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মোট ৮২টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল অংশগ্রহণকারীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।   আর

ধনী-গরিবের আয়ের বৈষম্য বেড়েছে, কমেছে দারিদ্রের হার

সামগ্রিকভাবে দেশের দারিদ্রের হার কমেছে। গত ছয় বছরে সার্বিক দারিদ্র্যের হার সাড়ে ৩১ শতাংশ থেকে কমে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। মূলত ধনী-গরিব নির্বিশেষে আয় বৃদ্ধির কারণেই দারিদ্র্য কমেছে। তবে এই আয় বৃদ্ধির দৌড়ে ধনীদের চেয়ে অনেক পিঁছিয়ে গরিবরা। দেশের মোট আয়ের ৩৮ শতাংশই করেন উপরের দিকে থাকা ১০ শতাংশ ধনী। আর মোট আয়ের মাত্র ১ শতাংশ করেন সবচেয়ে গরিব ১০ শতাংশ মানুষ। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপ-২০১৬-এর তথ্য বিশ্নেষণ করে দেশের ধনী-গরিবের আয়ের এ ব্যাপক বৈষম্যের চিত্র পাওয়া গেছে। আগারগাঁওয়ের বিবিএস মিলনায়তনে প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আয় বৈষম্যের এ চিত্র দেখে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ”দরিদ্র প্রতিবেশীর দিকে খেয়াল রাখতে হবে ধনীদের।” যথাযথভাবে জাকাত দেওয়ার জন্য ধনীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ”বৈষম্য কমাতে কর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে। যারা বেশি আয় করছেন, তাদের কাছ থেকে আরও বেশি কর নেওয়া হবে।” ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত এই খানা জরিপ চালায় বিবিএস। তার আগের জরিপটি চালানো হয়েছিল ২০১০ সালে। সর্বশেষ জরিপের ফল বলছে, দেশের দারিদ্র্যহার এখন ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলের দারিদ্র্যহার ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং শহরের দারিদ্র্যহার ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১০ সালের জরিপে দারিদ্র্যের হার ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ। তখন গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ২১ দশমিক ৩ শতাংশ। জরিপের আলোচিত অন্যান্য বিষয়সমূহ: সর্বশেষ জরিপের তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে দেশে ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ পাকা বাড়ি; যা ২০১০ সালে ছিল ২৫ দশমিক ১২ শতাংশ।  ২০১০ সালে টিন ও কাঠের বাড়ি ছিল ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ; ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৯ দশমিক ১২ শতাংশ।  ২০১০ সালে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে এমন পরিবার ছিল ৫৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। ২০১৬ সালে বিদ্যুতের এই হার ৭৫ দশমিক ৯২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।  ২০১০ সালে স্বাক্ষরতার হার ছিল ৫৭ দশমিক ৯ শতাংশ; ২০১৬ সালে এই হার বেড়ে হয়েছে ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ।  সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচিতে উপকারভোগী ২০১০ সালে ছিল ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ; ২০১৬ সালে তা ২৮ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।  ২০১০ সালে দেশে অক্ষম লোকের হার ছিল ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশে।  ২০১০ সালে ৩২ শতাংশ মানুষ ছিল ঋণগ্রস্ত; ২০১৬ সালে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৭০ শতাংশে।  খাদ্যগ্রহণ কমেছে ২০১৬ সালের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের মোট খাদ্য গ্রহণের হার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ২০১০ সালে দৈনিক খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ছিল এক হাজার গ্রাম, যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৯৭৬ গ্রাম। নতুন জরিপে চাল ও আটা গ্রহণের হার কমলেও ডাল, শাক-সবজি, মাংস ও ডিম খাওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। ২০১০ সালে চাল ও আটা গ্রহণের পরিমাণ ছিল দৈনিক ৪১৬ দশমিক ০১ গ্রাম ও ২৬ দশমিক ০৯ গ্রাম;  ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬৭ দশমিক ১৯ গ্রাম ও ১৯ দশমিক ৮৩ গ্রাম। এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, “দেশের মানুষের ভাত, আটা খাওয়ার পরিমাণ কমেছে, এটা ভালো খবর।” ২০১০ সালে দৈনিক ২ হাজার ৩১৮ কিলোক্যালরি গ্রহণ করা হলেও ২০১৬ সালে গ্রহণ করা হচ্ছে ২ হাজার ২১০ কিলোক্যালরি। প্রোটিন গ্রহণের হার ২০১০ সালে ছিল ৬৬ দশমিক ২৬ গ্রাম এবং ২০১৬ সালে কমে হয়েছে ৬৩ দশমিক ৮০ গ্রাম।  মৌলিক চাহিদার ব্যয় (কস্ট অব বেসিক নিডস) পদ্ধতির মাধ্যমে দারিদ্র্য পরিস্থিতি পরিমাপ করেছে বিবিএস। জরিপ করে খানা বা পরিবারের আয়-ব্যয়, ভোগ, পুষ্টিমান, জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদির তথ্য নেওয়া হয়। কোনো ব্যক্তি যদি দিনে ২ হাজার ১২২ কিলোক্যালরির খাবার কেনার সামর্থ্যের পরও কিছু টাকা খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে খরচ করতে পারেন, তাহলে তাঁরা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন বলে ধরে নেওয়া হয়। আর যাঁদের দৈনিক মোট খরচ করার সামর্থ্য ২ হাজার ১২২ কিলোক্যালরি খাদ্য কেনার সমান, তারা হতদরিদ্র। এমআর/ডব্লিউএন  

বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সচিব নুরুল ইসলাম অনু আর নেই

ব্যাংক এশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান এ এম নুরুল ইসলাম অনু আর নেই। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।    নুরুল ইসলাম অনু মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৩৯ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন প্রেসিডেন্ট হন তখন তিনি যুগ্ম সচিব হিসেবে নিয়োগ পান।   পরবর্তীতে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি ব্যাংক এশিয়ায় যোগ দেন। তিনি ব্যাংকটির অডিট কমিটি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। নুরুল ইসলাম অনু একজন প্রথিতযশা কলামিস্ট ছিলেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে তিনি লেখালেখি করেছেন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যাংক এশিয়া তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তার বিদেহী আত্মার জন্য মাগফিরাত কামনা করেছে।   সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   / এআর /      

প্রতিবন্ধী তরুণদের কাজের সুযোগ দিল স্বপ্ন

প্রতিবন্ধী প্রতিভাভান কিছু তরুণকে নিজস্ব আউটলেটে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে স্বপ্ন। আউটলেটে কাজ করতে আসার আগে স্বপ্ন এবং পিএফডিএ- ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার- এর মাধ্যমে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার স্বপ্নের গুলশান এ্যাভিনিউ (হোসনা সেন্টার) আউটলেটে স্বপ্ন এবং পিএফডিএ- ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার- এরমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই লজিস্টিকসের (স্বপ্ন) কার্যনির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির এবং পিএফডিএ- ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার-এর চেয়ারম্যান সাজিদা রহমান ড্যানি। অনুষ্ঠানে সাব্বির হাসান নাসির বলেন, স্বপ্ন মনে করে প্রতিটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বা প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত মানুষের রয়েছে নিজস্ব প্রতিভা, স্বকীয়তা এবং ভালো কিছু করার ক্ষমতা। স্বপ্ন আজ এই বিশেষ মানুষগুলোকে ভালোবেসে গ্রহণ করেছে, আমার বিশ্বাস ক্রেতারা ও তাদের একই ভাবে গ্রহণ করবে। সাজিদা রহমান বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এসব কর্মীদের কাজকরার সুযোগ দেওয়ার জন্য স্বপ্নকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর / এআর

এম আনিস উদ দৌলা বিএসএ’র সভাপতি পুনঃ নির্বাচিত

বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশনের (বিএসএ) ২০১৭-১৯ মেয়াদী কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে এম আনিস উদ দৌলা সভাপতি হিসাবে পুনঃ নির্বাচিত হয়েছেন। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। বিএসএ এর কার্যনির্বাহী পরিষদের পুনঃ নির্বাচিত সভাপতি এসিআই লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান। তিনি এর আগে গত ২০১৫-১৭ মেয়াদেও বিএসএ’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বিএসএ’র নির্বাচনে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সয়েল সিড বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক ফখরুল ইসলাম ও জৈষ্ঠ সহ-সভাপতি হয়েছেন নর্থ সাউথ সিড (লাল তীর সিড) এর পরিচালক তাবিদ এম আউয়াল। এম আনিস উদ দৌলা এর পূর্বে তিন মেয়াদে মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং চার মেয়াদে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (ক্রেব) এর ডিরেক্টর ও পাইওনিয়ার ইন্সিওরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশন দেশের বেসরকারী বীজ খাতের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র সংগঠন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর  

ইসলামী ব্যাংক আইডিবি শাখার স্থান পরিবর্তন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এর আইডিবি ভবন শাখার নাম ও স্থান পরিবর্তন করে আগারগাঁও শাখা হিসেবে বেগম রোকেয়া সরণি, ২৩ লায়ন্স ভবনে উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটির উদ্বোধন করেন। ডাইরেক্টর ও সিইও মো. আব্দুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ডাইরেক্টর হেলাল আহমদ চৌধুরী, মো. জয়নাল আবেদীন, এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম, লায়ন্স ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি লায়ন আশরাফুল হাবীব ফিরোজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ মনিরুল মওলা, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোশাররফ হোসেন, জাফর আলম। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে ইসলামী ব্যাংক। তিনি বলেন গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস ব্যাংকের মর্যাদাকে উন্নত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।     আর  

মেয়াদ শেষে  ‘অ্যাকর্ড’কে বিদায় নিতে হবে

বাংলাদেশের পোশাক খাতে সংস্কারবিষয়ক ইউরোপের ক্রেতাজোট ‘অ্যাকর্ড’কে মেয়াদ শেষে চলে যেতে হবে। আর তারা থাকতে চাইলে মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাপারে নতুন করে আলোচনায় বসতে হবে। বিষয়টি অ্যাকর্ডকে জানিয়ে দিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন (বিজিএমইএ)। সোমবার অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যাকর্ড) ও বিজিএমই’র মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৫ সদস্যের পরিচালনা কমিটি অংশ নেয়। সভা শেষে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এই কথা জানান। তিনি বলেন, মেয়াদ শেষ হলে অ্যাকর্ডকে চলে যেতে হবে। যদি তারা থাকতে চায় তবে নতুন করে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ মূল্যায়নে গত চার বছর ধরে পরিদর্শন কর্মসূচিতে নিয়োজিত আছে ইউরোপভিত্তিক ক্রেতা ও শ্রমিক সংগঠনের এই জোট । ২০১৮ সালের জুন মাসে জোটটির কর্মসূচির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। সম্প্রতি এক বছর বাকি থাকতেই মেয়াদ আরো তিন বছর বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে জোটটি। তবে জোটটির এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। তারপরও অতিরিক্ত সময় কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার এবং বিজিএমইএর সঙ্গে অ্যাকর্ডের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির পৃথক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয়। সোমবারের বিজিএমইএর বৈঠক ছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ডব্লিউএন

বিদেশে নেওয়া যাবে ১০ হাজার টাকা

বিদেশ ভ্রমণকারী যে কেউ এখন থেকে ১০ হাজার টাকা সঙ্গে নিতে পারবেন। একইভাবে বিদেশ হতে বাংলাদেশে আসার সময় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বহন করতে পারবেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশ হতে বাংলাদেশে আগমনকালে এবং বাংলাদেশ হতে বহির্গমনকালে বহনযোগ্য বাংলাদেশি কারেন্সির পরিমাণ মাথাপিছু পাঁচ হাজার টাকা হতে  ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হলো। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করা সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে প্রজ্ঞাপনটি পাঠানো হয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশি মুদ্রার বাইরে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ভ্রমণ, চিকিৎসা, শিক্ষাগ্রহণসহ সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণে একবারে সর্বোচ্চ নগদ পাঁচ হাজার ইউএস ডলার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, একজন ব্যক্তি বিদেশ ভ্রমণের উদ্দেশে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ইউএস ডলার পর্যন্ত ব্যাংক থেকে তুলতে (এনডোর্স) পারবেন। এরমধ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে পাঁচ হাজার ডলার এবং সার্কের বাইরের দেশগুলোতে ভ্রমণের জন্য সাত হাজার ডলার পর্যন্ত তুলতে পারবেন। ডব্লিউএন

সহজ আমদানি নীতিমালা চেয়ে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে এফবিসিসিআইয়ের চিঠি

নতুন আমদানি নীতিমালা আরও সহজ করার দাবি জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি(এফবিসিসিআই)। এ জন্য নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এফবিসিসিআই জানায়, সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ে আমদানি নীতি-সংক্রান্ত এক সভায় এ সব প্রস্তাব তুলে ধরে বাণিজ্য সংগঠনগুলো। এ সব দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, আমদানি মূল্যসীমার পুনর্বিন্যাস চান ব্যবসায়ীরা। এ জন্য মূল্যসীমা পুনর্বিন্যাস করে আমদানি নিবন্ধন সনদ ও বার্ষিক নবায়ন ফি কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাণিজ্য সংগঠনগুলো। একই সঙ্গে আমাদানি ও রফতানি সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে সারচার্জ কমানো উচিত বলে মনে করছে সংগঠনগুলো। প্রস্তাবে বলা হয়, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি মূল্যসীমার ৬টি স্তর পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। প্রথম ধাপে বার্ষিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আমদানির ক্ষেত্রে সনদ নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ৩ হাজার টাকা বিদ্যমান আছে। এই মূল্যসীমা বাড়িয়ে ৮ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ২ হাজার ও নবায়ন ফি ১ হাজার টাকা করা উচিত। দ্বিতীয় ধাপে আমদানি মূল্যসীমা ২৫ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ৬ হাজার টাকা রয়েছে। এ মূল্যসীমা কমিয়ে ২০ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ২ হাজার টাকা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ৫০ লাখ, ১ কোটি, ৫ কোটি ও ৫ কোটির ঊর্ধ্বে নিবন্ধন ফি ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা কামানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইনডেন্টর ও রফতানিকারকদের নিবন্ধন এবং নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। আরকে//এআর

আইএফআরএস কুইজ এন্ড এলোকোশন অনুষ্ঠিত

“আইএফআরএস কুইজ এন্ড এলোকোশন ২০১৭” প্রতিযোগিতার ফারহান আজিজ চৌধুরী চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। প্রথম রানার আপ হয়েছেন বিকাশ চন্দ্র পাল এবং মারিন সানজিদা হয়েছেন দ্বিতীয় রানার-আপ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকা রিজিওনাল কমিটি-আইসিএবি আইসিএবি’র নিজস্ব মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কুইজ অংশে মো. বদরুল ইসলাম বিজয়ী এবং নূর মোহাম্মদ প্রথম রানার আপ এবং ফারহান আজিজ চৌধুরী দ্বিতীয় রানার আপ হয়। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট আদিব হোসেন খান এফসিএ বিজয়ীয়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইসিএবি’র ভাইস প্রেসিডেন্টস মোদাচ্ছের আহমেদ সিদ্দিকী এফসিএ, মোস্তফা কামাল এফসিএ এবং মো. মাহমুদ হোসেন এফসিএ, কাউন্সিল মেম্বারস দেওয়ান নূরুল ইসলাম এফসিএ এবং গোপাল চন্দ্র ঘোষ এফসিএ, আইসিএবি’র সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মুহাম্মদ ইমরুল কায়েস প্রমুখ। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডিআরসির চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ আমিনুল হক এফসিএ।   বিজ্ঞপ্তি/টিকে

ছয়টি ক্রেন কিনতে চীনা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি

জাহাজ থেকে কন্টেইনার দ্রুত উঠানো-নামানোর জন্য ৩৪৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চীন থেকে ছয়টি রেল মাউন্টেড কি-গেন্ট্রি ক্রেন কিনবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। রোববার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত এক চুক্তিপত্র সই হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল এবং চায়না কোম্পানি সাংহাই জেনহুয়া হেভি ইন্ডাষ্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজার চ্যান এ চুক্তিপত্রে সই করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, গেন্ট্রি ক্রেনগুলো চুক্তিপত্র সইয়ের দেড় বছরের মধ্যে পাওয়া যাবে। প্রতিটি ক্রেনের ধারণ ক্ষমতা ৪০ টন। একটি ক্রেনের ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩২ টুয়েন্টি ইক্যুইভেলেন্ট ইউনিটস (টিইইউস) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করার ক্ষমতা রয়েছে। ছয়টি কি-গেন্ট্রি ক্রেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) সংস্থাপন করা হবে। এতে করে এক সঙ্গে তিনটি গিয়ারলেস জাহাজ হতে এনসিটিতে কন্টেইনার উঠানো-নামানো যাবে। এতে জাহাজের প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি পাবে এবং জাহাজের গড় অবস্থানকাল কমে আসবে। ফলশ্রুতিতে এনসিটি তথা চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং আরও বাড়বে। মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত। দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯২ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে হ্যান্ডলিং করা হয়ে থাকে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন, অপারেশন, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শাজাহান খান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে চবক’র কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ১৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মোট ২৫১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে এনসিটির জন্য ১৮টি, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের জন্য ২৯টি এবং জেনারেল কার্গো বার্থ ও অন্যান্য ইয়ার্ডের জন্য ২২৯টি। মন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ২০২০ সালের মধ্যে লালদিয়া টার্মিনাল এবং ২০২১ সালের মধ্যে ‘বে টার্মিনাল’ এর প্রথম ধাপ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের চারটি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আর কোনো বন্দরে এ ধরনের ইকুইপমেন্ট নেই। আরকে/ডব্লিউএন

২০১৮ সালে বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণ করবে এসার

তাইওয়ান ভিত্তিক কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসার বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণে স্থানীয় অংশীদারিত্ব বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এসারের ভারতীয় অঞ্চলের প্রধান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হরিশ কোহলি তার প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসে গত সোমবার ঢাকায় এক ব্যবসায়িক অংশীদার সম্মেলনে এসারের আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোহলি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় দশ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে এসার। এবারই আমরা বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ব্যবসায় উন্নয়ন নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় ঢাকায় এসেছি। এসার বিশ্বাস করে বাংলাদেশের বাজার নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত এবং এসারের নিত্য নতুন পণ্যগুলো সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিতে পরিপূর্ণ। বাংলাদেশকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বাজার হিসেবে প্রাধান্য দিচ্ছি। এখানে তথ্য প্রযুক্তি শিল্প খুবই গতিশীল। বাংলাদেশের সাথে আমাদের পণ্যগুলো খুবই মানানসই। এসারের নতুন পণ্যের বিষয়ে হারিশ কোহলি বলেন, আমরা বিশ্বের সর্বশেষ উদ্ভাবন নিয়ে আরো নতুন পণ্যের পরিচয় করিয়ে দিতে আশাবাদী। এস্পায়ার, সুইফট, স্পিন এবং সুইস সিরিজের ল্যাপটপগুলোতে অনন্য কিছু উদ্ভাবন আছে যা ব্যবহারকারীকে অনেক ভালো অভিজ্ঞতা দিবে। গেমিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, আইওটি এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সমন্বয়ে এইসব ল্যাপটপগুলোকে বাংলাদেশ বাজারে নেতৃত্ব দিতে সহায়তা করবে। হারিশ কোহলি আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণে নতুন বিনিয়োগ ও অংশীদার সম্পর্ক উন্নয়নে পরিকল্পনা নিয়েছি। ব্রান্ডের পরিচয় তৈরিতে আমাদের প্রতিশ্রুতিপূর্ণ কার্যক্রম এবং অসাধারণ প্রযুক্তি পরিচয়ই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর সফলতা এনে দিবে। এসারের ভারতীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সফর উপলক্ষ্যে ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটলে ব্যবসায়িক সম্মেলনের আয়োজন করে এসার বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এসার ভারতের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা চন্দ্রাহাস পানিগারহি, ভোক্তা ব্যবসায় বিভাগের সহযোগী পরিচালক চন্দনা গুপ্ত, এসারের বাংলাদেশে বিক্রয় পরামর্শক এসএম সাকিব হাসান। বাংলাদেশে এসারের ব্যবসায় কার্যক্রমের প্রধান পরামর্শক এসএম সাকিব হাসান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নপুরণে এসার এগিয়ে আসছে। বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধমান আইটি বাজারে নতুন প্রতিভা তৈরিতে অবদান রাখছে এসার বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, তাইওয়ানভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসার ১৯৭৬ সাল থেকে প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে কাজ করছে। এসার প্রতিনিয়ত হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও সার্ভিস খাতে মানুষের জীবনযাত্রার মানউন্নয়নে কাজ করছে। ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি