ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৬:০৯:০৮

একবছরে প্রবাসে কর্মসংস্থান হয়েছে ৯ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশির

একবছরে প্রবাসে কর্মসংস্থান হয়েছে ৯ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশির

প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশী কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১৮ হাজার নারী কর্মী রয়েছেন। যা এ যাবৎ কালের সর্বোচ্চ সংখ্যক। আজ ১৭ ডিসেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সস্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এবার আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ নিরাপদ অভিবাসন যেথানে টেকসই উন্নয়ন সেখানে’। মন্ত্রী বলেন, বছর শেষে ১০ লাখেরও বেশি কর্মীর কর্মসংস্থান হবে। আমরা নারী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি অভিবাসনকে নারীর ক্ষমতায়নে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। তিনি বলেন, প্রবাসী প্রেরিত রেমিটেন্স জাতীয় উন্নয়নে অগ্রতিকে আরও ত্বরান্বিত করছে। আপনারা জানেন সম্প্রতি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিবেচনায় নিন্ম-মধ্যম আয়ের দেশে  উন্নীত হয়েছে। আমাদের এ সাফল্যে প্রবাসী কর্মীদের প্রেরিত রেমিটেন্স অনেক বেশি অবদান রাখছে। তিনি আরও জানান, শ্রমবাজার ধরে রাখাসহ আমরা নতুন নতুন সম্ভাবনাময় শ্রম বাজার অনুসন্ধানে কাজ করছি। ইতোমধ্যে নতুন শ্রমবাজারের সন্ধানে ৫২ টি দেশের শ্রম বাজার নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম সমাপ্তির পথে। আমরা আশা করছি এখানে আমাদের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীদের শতভাগ বীমার আওতায় আনয়নের নিমিত্তে এ মন্ত্রণালয় কর্তৃক এর একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধা জানার জন্য আজ সকালে এ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ভবনে একটি হটলাইন চালু করা হয়েছে। এখানে দেশে ও দেশের বইরের কর্মীরা তাদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করতে পারবেন। এদিকে আজ সকালে প্রবাসী কল্যাণ নিজ ভবনে একটি স্থায়ী জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ সেন্টারের উদ্ধোধন করছেন। অভিভাসনে পিছিয়ে পড়া ২২টি জেলার প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে আপাতত প্রশিক্ষণটি শুরু করা হয়েছে। সংবাদ সস্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। / এআর /
পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে বাংলাদেশ

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। ৪৬তম বিজয় দিবস উদযাপন করছে বাঙালি জাতি। এ সময়ে বাংলাদেশের অর্জন কম নয়। যে পাকিস্তানিদের হাত থেকে এক সাগর রক্তের বিনিয়ময়ে আজকের এই বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানব উন্নয়ন, গড় আয়ু বৃদ্ধি, খাদ্যে উন্নয়ন, মাতৃ মৃত্যুহার, সব কিছুতেই পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে। সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি তুলনা তুলে ধরা হয়। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল যে পাকিস্তান, এখন অনেক কিছুতে সেই পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ এখন পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ এক হাজার ৫৩৮ ডলার। সেখানে পাকিস্তানের তা এক হাজার ৪৭০ ডলার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যমতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ১৭ লাখ। আর পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২০ কোটি ৭৮ লাখ। পাকিস্তানের মাথাপিছু জিডিপির হার কমেছে আর বাংলাদেশের বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। দেশের অর্থনীতির ইতিহাসে এই প্রথম এত উচ্চমাত্রায় প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হলো, যা ছিল নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। তবে স্বাধীনতার পর থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৪ শতাংশের বেশি বাড়েনি। এর মধ্যে ১৯৭৩-৭৪ থেকে ১৯৭৯-৮০ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র গড়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। পরের ১০ বছর জিডিপি বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ হারে। এরপর থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছাড়িয়ে গেছে ৬ শতাংশ। বর্তমানে জিডিপির আকার ২৪ হাজার ৯৬৮ কোটি ডলার। জিডিপির আকার ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়াতে স্বাধীনতার পর ৩৪ বছর লেগেছে। উন্নতি হয়েছে মাথাপিছু আয়েও। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৬৭১ টাকা। বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এক লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকা বা এক হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। এছাড়াও বাংলাদেশ এখন গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে (বিশ্ব ক্ষুধাসূচক) পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে। ২০১৭ সালের গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮; যেখানে পাকিস্তানের ১০৬। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানব উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়েছে। ১৯৯০ সালে পাকিস্তানের গড় আয়ু ছিল ৬০ বছর। বাংলাদেশের চেয়ে দুই বছর বেশি ছিল তাদের গড় আয়ু। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের গড় আয়ু ৭২ বছর, যা পাকিস্তানের চেয়ে ছয় বছর বেশি। জাতিসংঘের সর্বশেষ মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ ১৮৮ দেশের মধ্যে ১৩৯তম। পাকিস্তান পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের চেয়ে ৮ ধাপ। ৫ বছরের কম শিশু মৃত্যুহারেও এক সময় বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। ২০১৬ সালের হিসাবে বাংলাদেশে জন্মগ্রহণের পর প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যু ঘটে। পাকিস্তানে এ সংখ্যা ৭৯ জন। বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার এক সময় অনেক বেশি ছিল। এক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। এখানে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এ হার ৭২ শতাংশ।   এসএইচ/ এআর      

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সভা অনুষ্ঠিত

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পর্ষদীয় নির্বাহী কমিটির ৬০৩তম সভা বৃহস্পতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ হাফেজ মো. এনায়েত উল্লাহ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং বিভিন্ন বিনিয়োগ বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য আলহাজ নাজমুল আহসান খালেদ, আলহাজ মো. হারুন-অর-রশীদ খান, আলহাজ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, আলহাজ এএনএম ইয়াহিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তউহীদ উল আলম, মো. ফজলুল করিম, মুহাম্মদ মাহমুদুল হক, এসএম জাফর, মোহাম্মদ জুবায়ের ওয়াফাসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাহীরা। সংবাদ বিজ্ঞিপ্তি।   আর

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংকে দোয়া

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আব্দুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী, মো. জয়নাল আবেদীন, অধ্যপক ড. কাজী শহীদুল আলম ও সৈয়দ আবু আসাদ। উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান, পিএইচডি। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব উল আলম। এসময় ব্যাংকের উর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ১৪ ডিসেম্বর জাতির ইতিহাসে এক বেদনার দিন। এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বেছে বেছে দেশের শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, দার্শনিক ও সংস্কৃতিক্ষেত্রের অগ্রণীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে দেশের জাতীয় নেতৃত্বের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতে চেষ্টা করে এবং এর মাধ্যমে দেশের অপরিসীম ক্ষতি সাধন করে। সকল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রকৃত ইতিহাস সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান।   মো. আব্দুল হামিদ মিঞা সভাপতির ভাষণে বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সকল পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের অগ্রগতিতে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখার আহ্বান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

রিহ্যাব মেলায় স্টল বরাদ্দ

আসন্ন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্টল বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। রিহ্যাব মেলায় এ বছর ২০২টি স্টল থাকছে। ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে স্টল বরাদ্দের কাজ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রথম) লিয়াকত আলী ভুইয়া, রিহ্যাব পরিচালক ও মেলা কমিটির চেয়ারম্যান শাকিল কামাল চৌধুরী, মেলা কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুজ্জামান, রিহ্যাব পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. ওমর ফারুক, মেলা কমিটির সদস্য মির্জা আনোয়ার এবং ক্যাপ্টেন মো. শাহ আলমসহ রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য নেতারা। এ বছর পাঁচ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৭ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেলায় রিহ্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেশ কিছু বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। রিহ্যাব ফেয়ারে এ বছর প্রথমবারের মতো র‌্যাফেল ড্রতে ১ম পুরস্কার থাকছে একটি প্রাইভেট কার, ২য় পুরস্কার একটি মোটর সাইকেল, এছাড়া টিভি, ফ্রিজ, মোবাইল ফোনসহ থাকছে আরও আকর্ষণীয় পুরস্কার। মেলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।   আর

মিরপুরে কাজী-এসপারাগাস ফুড আইল্যান্ডের যাত্রা শুরু

রাজধানীর মিরপুরের কালসীতে যাত্রা শুরু করেছে কাজী-এসপারাগাস ফুড আইল্যান্ড। রাজধানীর পূর্বাচল প্রকল্পের ৩০০ ফিট সড়কে যাত্রা আরম্ভ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া এ প্রতিষ্ঠান এখন মিরপুরের মাটিকাটা-সড়কে তাদের নতুন শাখা চালু করেছে। ২০১৪ এর পহেলা বৈশাখ সর্বপ্রথম একটি শাখা নিয়ে যাত্রা আরম্ভ করে কাজী ফুড আইল্যান্ড। প্রতিষ্ঠানটি শহরবাসীর নজর কাড়ে তাদের ৩০০ ফিটের শাখার মাধ্যমে। খুবই কম খরচে মানসম্পন্ন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার এর আয়োজনের জন্য সবার প্রশংসা কুড়ায় কাজী ফুড আইল্যান্ড। তবে চলতি বছরের ৩০ আগস্ট সিটি কর্পোরেশন তাদেরকে সরিয়ে দিলে কাজী ফুড আইল্যান্ড এবং এসপারাগাস একত্রিত হয়ে কাজী-এসপারাগাস ফুড আইল্যান্ড নামে মিরপুরে গত ২ ডিসেম্বর যাত্রা আরম্ভ করে। কালসী ছাড়াও উত্তরায় তাদের আরও একটি শাখা রয়েছে। মূলত একটি ছাদের নিচে অনেক ধরনের খাবারের সমারোহ থাকার উদ্দেশ্য নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠনটি। এর অন্যতম কর্ণধার ফুয়াদ সাকী বলেন, “আমরা কোন একটি প্রতিষ্ঠান এখানে না। বরং অনেকগুলো খাবারের প্রতিষ্ঠান আমরা এখানে। কালসীর এখানে আমরা ৪১টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাত্রা আরম্ভ করেছি। আমরা শুধু ব্যবসাকে মাথায় রাখি না বরং নগরবাসীকে খুব কম খরচে ভাল খাবার দেবার জন্য কাজ করি আমরা’। এখানে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি কাজ করছেন তরুণ ছাত্র-ছাত্রী ও নারী উদ্যোক্তারা। অনেক কম খরচে এবং বিশেষ সুবিধায় দোকান নিয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাদিকুর রহমান সাদ। তার আছে তিন বন্ধু সাদমান, রুমি ও নাঈম।পানীয় বিক্রি করে তাদের প্রতিষ্ঠান ‘লিকার লাউঞ্জ’। অন্যদিকে মোট ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই নারী উদ্যোক্তা। এআরএস এর কর্ণধার আরিয়ানা নিপা বলেন, “বাসায় তো রান্না করিই। আর সবাই বলে ভালই রান্না করি। তাই খাবারকেই ব্যবসার উপাদান হিসেবে বেছে নিলাম। ঘরের কাজ করে বিকেল থেকে এখানে সময় দেই”। আপিলিং টাবাখ নামের আরেক খাবারের দোকানের সত্ত্বাধিকারি সাদিয়া ইসলাম বলেন, “আমাদের ঘরে বানানো খাবার যদি বাইরে যেতে পারে তাহলে সেই খাবার বাইরেই তো বানানো যায়। আমাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে বাইরের খাবারেই একজন ক্রেতা ঘরের খাবারের স্বাদ পাবে’। একটি একটি দোকান থেকে প্রতি জন ব্যবসায়ীর মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা মুনাফা হয় বলে জানিয়েছেন কাজী-এসপারাগাস এর আরেক প্রতিষ্ঠাতা কাজী ফারহান বলেন, “ছাত্ররা বা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ব্যবসার জায়গা পান না। আবার তাদের অনেক টাকা অগ্রিম দিতে হয়। সেক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে তাদের পড়াশুনা বা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি ব্যবসায়ী হবার সুযোগ করে দিচ্ছি”। ইতোমধ্যে মিরপুর বাসীর কাছে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে কাজী-এসপারাগাস ফুড আইল্যান্ড। মিরপুরের বাইরে থেকেও লোকজন খাবার খেতে আসছেন এখানে। ফ্লেমার্স ডেন-এ পিজ্জা খেতে এসে ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী লোপা ইটিভি অনলাইনকে বলেন, “৩০০ ফিটে থাকতে অনেক আসতাম এখানে। এরপর সেটা বন্ধ হয়ে গেলে উত্তরায় এত দূর যাওয়া হত না। এখন মিরপুরে চালু হওয়াতে মাঝে মাঝে আসতেছি। এখানকার পিজ্জার দাম অনেক কম কিন্তু চিজ এবং মাংসের পরিমাণ অনেক বেশি”। আগামীতে উত্তরায় আরেকটি এবং ধানমণ্ডিতে নতুন একটি শাখা চালু করার পরিকল্পনা করছে কাজ-এসপারাগাস ফুড আইল্যান্ড।   //এসএইচএস//এসএইচ    

রাহেল আহমেদ প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ রাহেল আহমেদ বৃহস্পতিবার হতে প্রাইম ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। ইতোপূর্বে তিনি প্রাইম ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক এবং হোলসেল ব্যাংকিং-এর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাংকার আহমেদ এক দশকেরও বেশি সময় দেশের দুটি বৃহৎ বহুজাতিক ব্যাংক এএনজেড গ্রীন্ডলেজ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুবাইয়ে সাত বছর দুটি বৃহত্তম রিজিওনাল ব্যাংক এমিরেটস এনবিডি ব্যাংকিং গ্রুপ এবং ফার্স্ট গালফ ব্যাংক এর ইসলামী ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। প্রায় তিন বছর তিনি প্রাইম ব্যাংকের বিজনেস মডেল পুনর্গঠনে ও সেন্ট্রালাইজেশনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। আহমেদ নেদারল্যান্ডের ম্যাস্ট্রিক্ট স্কুল অব বিজনেস থেকে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এর ওপর এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বখ্যাত যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওমেগা প্রদত্ত "ক্রেডিট প্রফেশনাল" এবং স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড গ্রুপ ও আইসিসি প্রদত্ত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড স্কীল এসেসমেন্ট প্রোগামের সনদপ্রাপ্ত। এছাড়াও বিভিন্ন কাজে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ "স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক" এবং "ফার্স্ট গালফ ব্যাংক" তাকে ’প্রধান নির্বাহীর পদকে’ পুরস্কৃত করেন। পেশাগত জীবনে প্রায় ২৩ বছর ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর দেশে ও বিদেশে বহু প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি এসএইচ/

রাজশাহীর দূর্গাপুরে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট

রাজশাহীর দূর্গাপুরে বাংলাদেশ এসএমই কর্পোরেশন লি. পরিচালিত ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। এটির উদ্বোধন করেন ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এসএমই কর্পোরেশন লি.-এর চেয়ারম্যান ড. হাসান ইমাম, ডাটাসফট সিষ্টেমস্ বাংলাদেশ লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব জামান, বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দ্য পুওর ইন বাংলাদেশের (ইউকে এইড) কান্ট্রি টিম লীডার ফয়সল হোসেন, বাংলাদেশ এসএমই কর্পোরেশন লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিলমাত চীশতি, অলটারনেটিভ ইনভেষ্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট অব ষ্টেপস্ লি.-এর প্রধান নির্বাহী আজাদ চৌধুরী, ব্যাংক এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আহসান উল আলম, বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দ্য পুওর ইন বাংলাদেশের (ইউকে এইড) ডেপুটি চ্যালেঞ্জ ফা- ম্যানেজার কাজী মাহফুজ রহমান এবং মনিটরিং ও এভাল্যুয়েশন এবং চ্যালেঞ্জ ফা- কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান রোকন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

স্বপ্ন’র আউটলেট এখন ধানমন্ডির ২৭ নাম্বারে

দেশের ১ নাম্বার সুপারস্টোর রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন’র ৬৪তম আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ধানমন্ডির ২৭ (পুরাতন রোডের ৩৯ (নতুন) নাম্বার হোল্ডিং-এ। নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করেন এসিআই লিমিটেডের ডিরেক্টর নাজমা দৌলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই লজিস্টিকস্ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বপ্ন’র অপারেশনস ডিরেক্টর আবু নাছের, বিজনেস ডিরেক্টর সোহেল তানভির খান, সাইফুল আলম, চীফ অব সেলস্ মো. সামসুদ্দোহা শিমুলসহ অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। স্বপ্ন ২০০৮ সালে তার ব্যবসায়িক কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করে সঠিক মানের পণ্য সঠিক দামে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিয়ে নিত্য নতুন অফারের মাধ্যমে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করে আসছে। স্বপ্ন বর্তমানে ৬০ শতাংশের বেশী পরিমান মাছ, মাংস, শাক-সবজীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় আরও অনেক পণ্য সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে সংগ্রহ করছে। পাবনার দাপুনিয়ায় ১০০ বিঘারও বেশী জায়গায় স্বপ্ন শুরু করেছে নিজস্ব মাছের খামার। পণ্যের গুণগতমান, দাম এবং সর্বোত্তম সেবার জন্য স্বপ্ন’র চাহিদা ও জনপ্রিয়তা প্রদিনিয়ত ক্রেতাদের মাঝে বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের সুপারস্টোর খাতের আনুমানিক ৪৫ শতাংশের বেশী বাজার দখল করেছে দেশের ১ নাম্বার সুপারস্টোর শপ স্বপ্ন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

অর্থপাচার নিয়ে প্রচারিত সব তথ্যই সত্য নয় : ডেপুটি গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেছেন, আমদানি-রপ্তানিভিত্তিক অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রেই এই অভিযোগটা সবচেয়ে বেশি। তবে অর্থ পাচার নিয়ে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তা অনেকাংশেই সত্য নয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে করপোরেট ইথিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইন ব্যাংকসঃ বাংলাদেশ পারসপেক্টিভ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী। এতে অন্যান্যের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ চৌধুরী, মেঘনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি, পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় ডেপুটি গভর্নর বলেন, সুইচ ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে পরিমাণ অর্থ রাখার কথা বলা হয়, তার পরিমাণ অতো বেশি হবে না। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে দেয়া হয়েছে। অর্থপাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সবসময় কঠোর অবস্থানে। সব ধরণের অর্থপাচার ঠেকাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) যৌথভাবে কাজ করছে। আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান আরও বলেন, ব্যাংকিং ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে আস্থার উপর নির্ভরশীল। আমানতকারীদের আস্থার সংকট শুরু হলে ব্যাংকিং ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সম্প্রতি একটি ব্যাংকে আমানতকারীদের মধ্যে আস্থা সংকটের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। গ্রাহকরা আমানতের অর্থ ফিরিয়ে নিতে চাইলেও ব্যাংকটি চাহিদামতো সেই অর্থ ফিরিয়ে দিতে পারছে না। এই সংকট ব্যবস্থাপনা ব্যাংকটির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের পরিচালক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। উপস্থাপিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা ঘাটতির কারণে আর্থিক অনিয়মের ঘটনা বাড়ছে। অনিয়ম করলেও শাস্তি না হওয়াকে আর্থিক অনিয়মের দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে সচেতনতার অভাব, নৈতিকতা বিষয়ে উৎসাহ প্রদানের অভাব এবং ব্যাংকারদের অল্প বেতন-ভাতা এর জন্য দায়ী। এ গবেষণা প্রতিবেদনের জন্য ২০০ জন ব্যাংকারের সাক্ষাৎকার নেয় বিআইবিএম। এতে প্রায় ৭৩ শতাংশ ব্যাংকারের ধারণা ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা ঘাটতির কারণে আর্থিক অনিয়মের ঘটনাগুলো বেড়েই চলেছে। বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী বলেন, বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং খাতে সুশাসন বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু আমাদের এখানকার বোর্ড সুশাসন বাস্তবায়নের পরিবর্তে ঋণ অনুমোদন নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বিশ্বব্যাপী ব্যাংকের বোর্ডের মূল কাজ হলো নীতি প্রণয়ন এবং নজরদারি করা। কিন্তু বাংলাদেশে সুশাসনের সংস্কৃতির প্রচলন নেই। সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে মানুষের কষ্টের কথা শোনার জন্য আর্থিক ন্যায়পাল গঠনের পরামর্শ দেন তিনি। মেঘনা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আমিন বলেন, একটা ব্যাংকের স্টেকহোল্ডার হলো সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বোর্ড এবং অপরাধ চক্র। আজকের এই আয়োজনে তারা কেউ নেই। একটি বিদেশী ব্যাংকের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মাত্র একজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে ২০০ বছরের একটি ব্যাংক ধসে পড়েছে। ব্যাংকের আস্থা সংকট খেলাপি ঋণের চেয়েও ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি বলেন, পারিবারিকভাবেই নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের নৈতিকতা খুবই জরুরী। এখানে অন্যের টাকায় ব্যবসা করা হয়। সবক্ষেত্রেই কাউকে রোল মডেল হিসেবে নিতে হবে। তবে ব্যাংক ম্যানেজার যদি অপরাধী হয় তাকে রোল মডেল বানানো যাবে না। এই অপরাধীর চেয়েও বড় অপরাধী ইচ্ছাকৃত খেলাপিরা। এদের শাস্তি হওয়া উচিত। পৃথিবীর সব দেশে এদের শাস্তি হয়। আরকে//

আইসিএবি এবং ঢাবির মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফাইনান্স বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের সিএ অধ্যায়নে ’বিষয় ছাড়’ প্রদানের জন্য দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস্ অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে । বুধবার ব্যবসা প্রসাশন অনুষদের কনফারেন্স হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আকতারুজ্জামান এর উপস্থিতিতে এই সমঝোতা স্বারকটি স্বাক্ষরিত হয়। আইসিএবি’র প্রেসিডেন্ট আদিব হোসেন খান এফসিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাদক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন এতে স্বাক্ষর করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আকতারুজ্জামান বলেন, এই সমঝোতা স্বারক আইসিএবি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাইল ফলক হয়ে থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীরা সিএ এর উচ্চতর ডিগ্রি আর্জনের জন্য ছাত্র-ছাত্রী এই সুযোগটি গ্রহণ করবে এবং এর আলোকে পেশায় প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট আদিব হোসনে খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আইসিএবি’র শিক্ষা অংশীদারিত্ব এই সমঝোতা স্বারক একটি মাইলফলক। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা সিএ অধ্যয়নের জন্য আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। আইসিএবি ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামাল এফসিএ, কাউন্সিল মেম্বার এএফ নেছারউদ্দিন এফসিএ, ব্যবসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবণী রবায়েতুল ইসলাম এবং ফাইনান্স বিভাগের প্রধান ড. মো. ডকসমতুল আহসান বক্তব্য রাখেন। বিজ্ঞপ্তি এসএইচ/

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি