ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:৩১:৫০

কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম গ্রেপ্তার

কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন মোল্লাকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৯ কোটি ২৬ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন দুদকের উপপরিচালক সামসুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বন্ধক দেখিয়ে কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার করপোরেট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে ঋণ সুবিধা নিয়ে ৪৯ কোটি ২৬ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইকবালের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে চলতি বছরের ৪ আগস্ট তেজগাঁও থানায় দুদকের উপপরিচালক সামসুল আলম মামলা করেন। ওই দিনই এ মামলার আসামি ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাকি পাঁচ আসামি হলেন মেসার্স রোজবার্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হজরত আলী, কৃষি ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) আবুল হোসেন ও গোলাম রসুল, সাবেক এজিএম সারোয়ার হোসেন, সাবেক ডিজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক জুবায়ের মনজু।
ভবন ভাঙতে এক বছর সময় চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) রাজধানীর হাতিরঝিলে বহুতল ভবনটি ভাঙার জন্য আরো এক বছর সময় চেয়েছে। বিজিএমইএ চলতি সপ্তাহে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করলেও আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়। এ বিষয়ে বিজিএমইএ ভবনের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিজিএমইএ ভবন থেকে সরতে আরো এক বছর সময় চেয়েছে। কারণ, রাজউক জমি দিয়েছে, এখন সবকিছু প্রক্রিয়াধীন আছে। তাই সময় চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়েছে। বিজিএমইএর আরেক আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভবন থেকে সবকিছু শিফট করতে তো অনেক সময়ের প্রয়োজন। সবকিছু এখন প্রক্রিয়াধীন। তাই আদালতে সময় চেয়েছি। গত ১২ মার্চ ছয় মাসের সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বিজিএমইএর তিন বছরের আবেদনের শুনানি নিয়ে ওই দিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ ভবন ভাঙতে ছয় মাস সময় দেন। ভবনটি ভাঙতে ২০১১ সালে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগ তা বহাল রেখেছে। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে সরানোর কোনো চেষ্টা করেননি। এরপর ছয় মাসের সময় দিয়ে আবেদনটির নিষ্পত্তি করে দেন। আরকে/ডব্লিউএন

শিশু হত্যায় মাসহ চার জনের ফাঁসি

খুলনায় নয় বছরের শিশু হাসমি মিয়াকে হত্যার ঘটনায় তার মাসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাম্মাৎ দিলরুবা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, হাসমির মা সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী, মো. রসুল ও মো. হাফিজুর রহমান। অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি রাব্বি সরদারকে খালাস দিয়েছেন আদালত। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৯ জুন খুলনা নগরীর কার্ত্তিককুল এলাকা থেকে শিশু হাসমির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাসমির বাবা মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, নুরুন্নবীর সঙ্গে সোনিয়ার পরকীয়া প্রেমের জের ধরে মায়ের সামনেই জবাই করে হত্যা করা হয় শিশু হাসমিকে। পরে লাশ সিমেন্টের বস্তায় ভরে খুলনা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সরদার ডাঙ্গা বিলে ফেলে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাসমির মা সোনিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য দেন।   আর/টিকে

নেত্রকোণায় হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

নেত্রকোণায় পরকীয়ার জের ধরে ১৪ বছর আগে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত দিলোয়ার ওরফে দিলু (২৫) নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের কাজীম উদ্দিনের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ রাশেদুজ্জামান রাজা আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অতিরিক্ত পিপি মো. সাইফুল আলম প্রদীপ মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, দুর্গাপুর গ্রামের সম্রাজ আলীর সঙ্গে একই গ্রামের দিলোয়ারের বন্ধুত্ব ছিল। এরই সূত্র ধরে তারা একে ওপরের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। এক সময় সম্রাজের স্ত্রী জাহানারা আক্তারে সঙ্গে দিলোয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বন্ধুকে তাদের বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন সম্রাজ। এই ঘটনার জের ধরে ২০০৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে গ্রামের রাস্তায় সম্রাজকে কুপিয়ে হত্যা করেন দিলোয়ার। ঘটনার পরদিন নিহতের মা জুলেখা খাতুন বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় দিলোয়ারকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পরের বছর ১৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। কেআই/টিকে

বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি ফির প্রজ্ঞাপন নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির ফি ১৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে সরকারের দেওয়া প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের অবকাশকালীন বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের পরিচালনা পর্ষদকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট আবেদন করেন। তার দাবি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপন সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদসহ বিভিন্ন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকারের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে প্রথম বর্ষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির ফি বাবদ ১৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ইন্টার্ন ভাতা হিসেবে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, টিউশন ফি বাবদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়। যা সব মিলিয়ে মোট ১৯ লাখ ৯০ হাজার টাকায় দাঁড়ায়।   আর/টিকে

সোহেল রানার দুর্নীতি মামলার রায় আজ

সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। ঢাকার ৬ নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ২২ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। রানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রথম রায় হবে এটি। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২২ মে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, তার স্ত্রী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির দায়দেনা ও আয়ের যাবতীয় সম্পদের বিবরণীয় দাখিলের নোটিশ জারি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  রানা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় তার নামীয় নোটিশ জারি হয়নি। পরে দুদক কারাগারে নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত হয়। ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল সোহেল রানা নামীয় ইস্যুকৃত সম্পদ বিবরণীর নোটিশ কাশিমপুর কারাগারে পাঠায় দুদক। ২ এপ্রিল জেল সুপার নোটিশটি সোহেল রানার কাছে পাঠান। ২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সোহেল রানা সম্পদের হিসাব বিবরণী ফরমে কোনো তথ্য না দিয়ে তা খালি পাঠান। এ ঘটনায় ২০ মে দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম রমনা থানায় রানাকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম গত বছর ১ জুন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চলতি বছর ২৩ মার্চ সোহেল রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ৯ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ৮ সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।   //আর//এআর

সোহেল রানার দুর্নীতি মামলার রায় আজ

সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। ঢাকার ৬ নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ২২ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। রানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রথম রায় হবে এটি। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২২ মে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, তার স্ত্রী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির দায়দেনা ও আয়ের যাবতীয় সম্পদের বিবরণীয় দাখিলের নোটিশ জারি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  রানা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় তার নামীয় নোটিশ জারি হয়নি। পরে দুদক কারাগারে নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত হয়। ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল সোহেল রানা নামীয় ইস্যুকৃত সম্পদ বিবরণীর নোটিশ কাশিমপুর কারাগারে পাঠায় দুদক। ২ এপ্রিল জেল সুপার নোটিশটি সোহেল রানার কাছে পাঠান। ২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সোহেল রানা সম্পদের হিসাব বিবরণী ফরমে কোনো তথ্য না দিয়ে তা খালি পাঠান। এ ঘটনায় ২০ মে দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম রমনা থানায় রানাকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম গত বছর ১ জুন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চলতি বছর ২৩ মার্চ সোহেল রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ৯ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ৮ সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।   //আর//এআর

রানা প্লাজার মালিকের বিরুদ্ধে রায় বুধবার

ঢাকার উপকণ্ঠ সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় আগামীকাল ঘোষণা করবেন আদালত। গত ২২ আগস্ট মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এই দিন ধার্য করেন। রানার আইনজীবী এম ফারুখ আহম্মেদ জানান, কাল সকাল সাড়ে ১০টার পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। আদালতে রায় ঘোষণার সময় সোহেল রানাকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হবে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২২ মে সোহেল রানা, তার স্ত্রী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নিজ নামে-বেনামে অর্জিত সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদসহ দায়-দেনার যাবতীয় হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে দুদক। ওই সময় রানা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় তার নামে নোটিশ জারি হয়নি। পরে ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল কাশিমপুর কারাগারে নোটিশ জারি করে দুদক। পরে ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল জেল সুপার নোটিশটি সোহেল রানার কাছে পৌঁছায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সম্পদ বিবরণীর ফরম পূরণ না করায় ২০১৫ সালের ২০ মে দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম রমনা থানায় রানার বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ২০১৬ সালের ১ জুন দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম রানার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আরকে/ডব্লিউএন

মেডিকেলে ভর্তিতে নম্বর কাটার সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে রিট

দ্বিতীয়বার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ৫ নম্বর কেটের নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন এক আইনজীবী। একইসঙ্গে ৫ নম্বর কেটে নেওয়া কেন অবৈধ নয় তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। রিটে বিবাদী করা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ডেন্টাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার এ রিট আবেদন করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। তিনি জানান, সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হতে পারে। তিনি বলেন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা যে নম্বর কাটার কথা বলা হয়েছে তা ২০১০ সালের মেডিকেল কাউন্সিল ৫ (৫) ধারা এবং জাতীয় শিক্ষা ২০১০ এর লঙ্গন।   //আর//এআর      

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি