ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:২০:৩২

বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা ফল প্রকাশিত

বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা ফল প্রকাশিত

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলবার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেটশিপ তালিকাভুক্তির জন্য লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ সোমবার এ ফল প্রকাশিত হয়। ৭ অক্টোবর এর লিখিত পিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট পাশ করেছেন আট হাজার ১৩০ জন। আর ২০৮ জনের ফল অপেক্ষমানের তালিকায় রাখা হয়েছে। গত ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রায় ৩৪ হাজার ২’শ জন অংশ নিয়েছিলেন। উত্তীর্ণ হয়েছেন হন ১১ হাজার ৮৪৬ জন। এমসিকিউ পরীক্ষার প্রবেশপত্র দিয়েই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নেন পরীক্ষার্থীরা। উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল দেখুন এই লিংকে। এসএইচ/এসি   
নিম্ন আদালতের বিচারকদের জন্য হাইকোর্টের ১৫ নীতিমালা

দেশের সব অধস্তন আদালতের বিচারকদের (বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী হাকিম, আমলে গ্রহণকারী হাকিম ও দায়রা জজদের জন্য) জন্য ১৫ দফা নীতিমালা সংক্রান্ত রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার এ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়। গাইবান্ধার দায়রা জজ আদালতের একটি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা রিট আবেদনের রায়ে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়। এ সংক্রান্ত মামলা সঠিকভাবে পরিচালনায় বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী হাকিম (ম্যাজিস্ট্রেট), আমল গ্রহণকারী হাকিম ও দায়রা আদালতের জজদের এ নীতিমালা পালন করতে বলা হয়েছে। নীতিমালায় সঠিকভাবে বিচারিক আদেশ দেওয়া, রিভিশনাল ম্যাটার ও বিবিধ বিষয়ের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কর্মঘণ্টা বাঁচানো এবং বিচার বিভাগের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার প্রত্যাশায় এ নীতিমালা (গাইডলাইন) দেওয়া হয়। রায়ে দেওয়া নীতিমালা সম্পর্কে জানাতে গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজকে ১৫ দিনের মধ্যে ওই জেলার আদালতের সব বিচারক এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে (হাকিম) নিয়ে একটি বিচার বিভাগীয় সম্মেলন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ নীতিমালা সংবলিত রায়ের অনুলিপি সব জেলা জজ, মহানগর ও দায়রা জজদের মাঝে বিতরণ করতে, অথবা ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে জানানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, দায়রা আদালতের বিচারকদের ফৌজদারি রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অধীনস্থ আদালতের রায় পুনর্বিবেচনায় শুধু সম্মত বা অসম্মত উল্লেখ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না, সংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়বস্তুর সঙ্গে জড়িত আইনগত প্রশ্নের গভীরে ঢুকে অনুসন্ধান এবং তারপর তাদের মেধা ও দক্ষতা অনুযায়ী নিজস্ব মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে তারা কাঠামোগতভাবেই বাধ্য। তাদের অবশ্যই বিচারিক মনোভাবসম্পন্ন হতে হবে এবং যে কোনও আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিভিশনাল বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। যাতে করে সাধারণ জনগণ আদালতের দুর্বল ও শ্লথগতির কারণে কোনও মামলার তদন্ত অথবা বিচার বিলম্ব হচ্ছে বলে দোষারোপ করতে না পারেন। রায়ে বলা হয়, অবসরে যাওয়ার আগে এদেশের অনেক সরকারি কর্মকর্তা তাদের দায়িত্ব পালনের প্রতি অনীহা দেখানোর প্রবণতা ধারণ করেন এবং ঢিলেঢালাভাবে কাজ করেন। বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজদের ওই ধরনের মানসিকতা ধারণ করা যাবে না। উপরন্তু, তাদের দায়িত্বপালনে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। সৎ, মেধাবী, সজাগ এবং দক্ষ অফিসারদের পরিচালনার মাধ্যমে বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে গতিশীল ও দেশপ্রেমী অঙ্গ হিসেবে জনগণের স্বীকৃতি আদায়ে তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) এবং মুখ্য বিচারিক হাকিমের (সিজেএম) সহযোগিতায় সব বিচারক এবং হাকিমদের নিয়ে জেলা/মহানগর দায়রা জজের অফিসে মাসে কমপক্ষে একবার জুডিশিয়াল কনফারেন্স (বিচারিক সম্মেলন) করতে হবে। বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী হাকিমের জন্য নীতিমালা নারাজি (আমি রাজি নই) পিটিশনে যেসব সাক্ষীর নাম উল্লেখ করা হয়, তাদের কাছ থেকে বক্তব্য নেওয়া বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী হাকিমের (ম্যাজিস্ট্রেট) প্রাথমিক দায়িত্ব হলেও যেসব সাক্ষী প্রাসঙ্গিক মনে হয়, তাদের বক্তব্যও নিতে হবে। যদি নারাজি করা হয়, তাহলেও প্রয়োজনীয় মনে হলে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী হাকিমকে সম্ভব হলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে হবে। বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকালে একজন হাকিমের কাছে যদি কোনও বিষয় গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, অনুসন্ধান প্রতিবেদনে কোনও মতামত বা ফাইন্ডিংস যোগ করতে হয়, তা হলে ওই হাকিমকে বিচারিক সাক্ষীদের আচরণ/মানসিক অবস্থা রেকর্ড করতে হবে। একজন বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে তার অনুসন্ধান অবশ্যই যথাসম্ভব কম সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এসএইচ/

পাওয়ার গ্রিডের সাবেক উপব্যবস্থাপকের ৩ বছরের কারাদণ্ড   

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক উপব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) আরশাদ হোসেনকে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আতাউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরশাদ হোসেন আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আরশাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধান শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের সুপারিশসহ কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর দুদক আসামিকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয়। ২০১০ সালের ২ মে দুদকের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরীর স্বাক্ষরে সাত কার্য দিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ ইস্যু করা হয়। ৪ মে আসামি নিজে স্বাক্ষর করে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ গ্রহণ করেন। ১১ মে আসামি সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য আরও সাত দিন সময় চেয়ে কমিশনে আবেদন করেন। কমিশন তার আবেদন মঞ্জুর করে। এরপর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য আরও সাত কার্য দিবস সময় দেয়া হয়। ২৩ মে বর্ধিত সময়ের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। ২০১০ সালের ২৮ জুন দুদক আরশাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেয়। এরপর ২৯ জুন রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদক। ২০১২ সালের ৫ আগস্ট দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম তার বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। মামলায় বিভিন্ন সময়ে পাঁচজন সাক্ষ্য প্রদান করেন। এসি    

খালেদার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন   

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেছেন, ‘প্রতিটি হাজিরাতে আমরা একটা বিষয় দেখি, সেখানে ডাক্তার একটা কথা লেখেন- বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। তাই তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করছি।’ সোমবার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন শুনানিতে এসব কথা বলেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।   কাজল বলেন, ‘হাজিরার দিনই শুধু খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। খালেদা জিয়া কি আদালতে আসবেন না? না ডাক্তার তাকে আদালতে পাঠাচ্ছেন না? এই বিষয় তদন্ত করা উচিৎ। চিকিৎসককে আদালতে হাজির করলে এর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন (মৌখিক) করছি।’ দুদকের এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘চিকিৎসকের প্রক্রিয়াতে আমরা আটকে আছি। খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করলে আমরা মামলাটা দ্রুত শেষ করতে পারতাম।’ তবে আদালত দুদকের আইনজীবীর বক্তব্যের বিষয় কোনো মন্তব্য করেনি। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, এই মামলায় খালেদা জিয়া জামিন বৃদ্ধি এবং তার বিরুদ্ধে যে প্রডাকশন ওয়ারেন্ট ছিল তা প্রত্যাহারের আবেদন করছি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত খালেদা জিয়ার জামিন ২৮ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন এবং প্রডাকশন ওয়ারেন্ট প্রত্যাহার করেন। ওইদিন মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্যও দিন ধার্য করা হয়েছে। অপরদিকে আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না চিকিৎসা ও ওমরা হজ পালনের জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। প্রসঙ্গত, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় অন্য আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। এ মামলায় জামিন হলেও অন্য মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় জামিনে মুক্ত হতে পারছেন না সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এসি     

গুলি কেনার অনুমতি পাননি ডিআইজি মিজান

বহুল সমালোচিত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত পিস্তলের গুলি কেনার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন মাগুরার জেলা প্রশাসক। গেল ২৮ মে একজন দেহরক্ষী পাঠিয়ে পিস্তলের গুলি কেনার জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে তিনি নিজেকে মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দেন।নারী কেলেঙ্কারির কারণে বিতর্ক ডিআইজি মিজানুরের আবেদনে ৪০ রাউন্ড গুলি কেনার ইচ্ছা পোষণ করেন। কিন্তু মাগুরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান তার এই আবেদনটি নাকচ করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আকতারুন্নাহার বলেন, ব্যক্তিগত গুলির জন্যে মিজানুর রহমানের আবেদনের বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। যেটি নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণা ছাড়াও সার্বিক দিক বিবেচনায় তার আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়েছে।ডিআইজি মিজানুর রহমান ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ১৯৯৮ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বেরেটা মডেলের (DDAA4983318 Beretta) পিস্তলের লাইসেন্স পান এবং ১০ রাউন্ড গুলিও ক্রয় করেন।এসএ/  

নিরীহ লোকদের ভয়ের কোন কারণ নেই : ডিএমপি কমিশনার

মাদকবিরোধী অভিযানে নিরীহ লোকের ভয়ের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন কমিউনিটি সেন্টারে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার এ কথা বলেন। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মাদক কিংবা জঙ্গিবিরোধী কোনো অভিযানে ডিএমপি এলাকায় নিরীহ কোনো মানুষ হয়রানির শিকার হবে না। তাদের ভয়ের কিছু নেই। যদি কোনো পুলিশ সদস্য এটা করে থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক আমাদের সন্তানদের ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক না কেন তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।’ ঢাকা মহানগরীতে এখন অনেকটাই নিরাপদ উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার দাবি করেন, ডিএমপি এলাকায় এখন আর ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি নাই। গভীর  রাতেও মানুষ নিরাপদে বাসায় ফিরতে পারে। পুলিশ জনগনকে পাহারা দিয়ে যাচ্ছে। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কেআই/ এসএইচ/

‘সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করছে’  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকার নিজেদের খেয়াল খুশি মতো ইচ্ছাপূরণের জন্য বিচার বিভাগকে ব্যবহার করছে।   আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গরিব ও দুস্থদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম খান। পোশাক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। সম্প্রতি শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়া প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জোসেফ সাহেব মুক্তি পেয়েছেন, যেহেতু তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, শুধু মুক্তি না, তিনি বিদেশে চিকিৎসার সুযোগও পাবেন। আর খালেদা জিয়া, যিনি এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানুষ, তার জামিনের আবেদন শুনানি খালি আজ না কাল, কাল না পরশু করে তাকে যত বেশিদিন পারা যায় জেলখানায় রাখা হচ্ছে। তিনি যেন এতই অসুস্থ হন যাতে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। আর আমাদের সবচেয়ে দুর্ভাগ্য আমাদের যে সরকার তার এই ইচ্ছাপূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে আমাদের দেশের বিচার বিভাগকে।’ নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য খালেদা জিয়াকে ছাড়া আগামী নির্বাচন করা। তাই নানা কৌশলে তার জামিন আটকে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে দলীয় বিবেচনায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের। এসি  

ঢাকার দুই মামলায়ও জামিন হয়নি খালেদার

ভুয়া জন্মদিন পালন ও যুদ্ধপরাধীদের মর্যাদা দিয়ে মানহানির অভিযোগে ঢাকায় দায়ের করা দুই মামলায়ও জামিন হয় নি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এই দুই মামলায় বিএনপি নেত্রীর জামিন চেয়ে করা আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকার সংশ্লিষ্ট আদালতে খালেদা জিয়ার আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এর আগে কুমিল্লায় নাশকতার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ২৪ জুন পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। এর ফলে খালেদা জিয়া ঈদের আগে মুক্তি পাচ্ছেন না। তাকে ঈদ করতে হবে জেলে থেকেই।আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।পরে এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক গণমাধ্যমকে জানান, এ দুই মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতে যে আবেদন করেছিলো তা নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে হাইকোর্টে এ দুই মামলায় জামিন পাননি খালেদা জিয়া।   এর আগে, গত ২২ মে ঢাকার মানহানির এই দুই মামলায় জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। প্রসঙ্গত, যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়া ও ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে মানহানির এই মামলা দু’টি করা হয়। এর মধ্যে ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটানোর অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর একই আদালতে অপর মামলাটি করা হয়।গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। জামিন পেলেও তিনি মুক্তি পাননি।গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। রায়ের পর ওইদিনই তাকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে রাখা হয়। এ সংক্রান্ত আরও খবর ঢাকার দুই মামলায়ও জামিন হয়নি খালেদার/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি