ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:২১:২২

ভালোবাসা দিবসে লাভ চকলেট পুডিং

ভালোবাসা দিবসে লাভ চকলেট পুডিং

ভালোবাসার দিবসে সবাই চায় তার প্রিয়জনের জন্য কত কিছু করতে। তাদের জন্য কত রকমের আয়োজন করা হয়। শুধু প্রিয় মানুষটার মন জয় করতেই এসব করতে হয়। আর সেটা যদি হয় তার পছন্দের খাবার। নিজের হাতে পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ানোটাই সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ। তাই নিজের হাতে বানিয়ে ফেলুন পুডিং আইটেমটি। পুডিং সবাই খেতে পছন্দ করে। অপছন্দ করার কোন কারণ নেই। তবে সেই পুডিং যদি চকলেট পুডিং হয় তাহলে তো আরও ভালো হয়। পুডিং বানাতে তেমন একটা সময় লাগে না। খুব কম সময়ে প্রিয় মানুষকে একটি সুন্দর আইটেম উপস্থাপন করতে পারবেন। একুশে টিভি অনলাইনে চকলেট পুডিং-এর রেসিপি দেওয়া হলো-   উপকরণ- ১) দুধ এক লিটার। ২) চিনি দেড় কাপ। ৩) ডিম চারটি। ৪) বেকিং পাউডার দুই টেবিল চামচ। ৫) ডার্ক চকলেট এক প্যাকেট। ৬) কর্ণফ্লাওয়ার দুই চা চামচ। ৭) লবণ স্বাদ মতো। ৮) ঘি অথবা সামান্য তেল। চকলেট পুডিং তৈরির প্রণালি- প্রথমে প্যানে দুধ ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। এরপর বেকিং পাউডার ও কর্ণফ্লাওয়ার অল্প দুধে ভালোভাবে মিশিয়ে ঠাণ্ডা করা বাকি দুধের সঙ্গে মিশিয়ে নিবেন। ডার্ক চকলেটগুলো ভাপ দিয়ে গলিয়ে নিবেন। এখন ডিম ভালভাবে ফেটিয়ে নিবেন। ফেটানো ডিম ও তিন টেবিল চামচ গোলানো চকলেট ওই দুধের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ওভেন প্রুফ বাটিতে ঘি অথবা সামান্য তেল মাখিয়ে দুধের মিশ্রণ ঢেলে ওভেনের ট্রেতে বসিয়ে দিন। ১৮০ ডিগ্রিতে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট বেক করুন। যাদের ওভেন নাই তারা গ্যাসের চুলাতেই করতে পারবেন। চুলায় বড় হাঁড়িতে পানি ফুটিয়ে পুডিং তৈরি করার বাটি তার ওপরে বসিয়ে ৩০ মিনিট মাঝারি জ্বালে রাখেন। ভাপে সিদ্ধ হয়ে পুডিং জমলে নামিয়ে নিবেন। পরিবেশনের আগে বাটি থেকে চকলেট পুডিংটি উল্টিয়ে নিবেন। এরপর পুডিংটি ছুরি দিয়ে সাইজ করে কেটে লাভ আকৃতি করে নিন। এখন এই পুডিংয়ের ওপর আবার কিছু গলানো চকলেট ঢেলে সাজিয়ে নিন। তথ্যসূত্র : রান্নার রেসিপি। কেএনইউ/এসএইচ/ ।
ফাস্ট ফুডে যেসব ক্ষতি হচ্ছে আপনার সন্তানের

বাইরের মুখরোচক খাবার বিশেষ করে বিভিন্ন অলিগলিতে গড়ে ওঠা ফাস্টফুডের দোকানের খাবার খেয়ে বাড়ছে রোগবালাই। শুধু শিশুরাই নয় তাদের অভিভাবকদেরও প্রিয় ফাস্টফুড। এসব খাবারে মেশানো হয় নানা ধরনের কেমিক্যাল । চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন, ফাস্টফুডে একদিকে যেমন অর্থের অপচয় অন্যদিকে রয়েছে জটিল রোগের ঝুঁকি। এ অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ার পরামর্শ তাদের। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা বলছেন, স্বাদ বাড়াতে খাবারে মেশানো হয় ক্ষতিকর রং। তাই সাবধানী হওয়ার পরামর্শ তাদের। মাঝে মাঝেই এসব ফাস্টফুডের দোকানে ভেজালবিরোধী অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত। এসব অভিযানে ক্ষতিকর কেমিক্যাল পাওয়া গেছে বলে জানান তারা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে।

রেসিপি : সাবু দানার বড়া

অনেকেই সাবু দানার সঙ্গে পরিচিত নয়। এটা সাধারণত অসুস্থ হলে খেতে হয়। জ্বর কমাতে খুবই উপকারি। প্রাচীনকালে এর ব্যবহার ছিল বেশি। বর্তমানে সাবু দানা দিয়ে সাধারণত ফালুদা, পায়েস, সুজি তৈরি করে খাওয়া হয়। তাছাড়া সাবুদানা দিয়ে বড়াও তৈরি করা যায়। সাবুদানার বড়া সাধারণত বাইরে থেকে মুচমুচে এবং ভিতরে নরম হয়। এটি চায়ের সঙ্গে খেতে খুবই ভাল লাগে। ধনে পাতা অথবা আমচুর চাটনি এবং টমেটো সসের সঙ্গে সাবুদানা বড়া খাওয়া যেতে পারে। একুশে টিভি অনলাইনে এর রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ- ১) সাবুদানা দুই কাপ। ২) আলু সেদ্ধ। ৩) আদা কুচি। ৪) কাঁচা মরিচ কুচি। ৫) সাদা তিল দুই চামচ। ৬) কর্নফ্লাওয়ার এক চামচ। ৭) লবণ স্বাদ মতো। ৮) ভাজা বাদাম। ৯) তেল। প্রণালি- একটি ছাকনিতে সাবুদানা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে পানি নিয়ে সাবুদানা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ছয় থেকে আট ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর অতিরিক্ত পানি ফেলে দিতে হবে। একটি সাবুদানা হাতে নিয়ে টিপে দেখুন, সেটি পিষে যাচ্ছে কিনা। যদি পিষে যায়, তাহলে সাবুদানা ভালভাবে তৈরি বড়া বানানোর জন্য।  একটি পাত্রে সেদ্ধ করে রাখা আলু পিষে নিতে হবে। এই আলুর মধ্যে ভিজিয়ে রাখা সাবুদানা দিতে হবে। এবার আদা আর কাঁচা মরিচ কুচি দিতে হবে। এরপর সাদা তিল আর লবণ মেশাতে হবে। সব উপাদানগুলি ভাল করে মিশিয়ে একটা মণ্ডের মতো বানাতে হবে। এবার কর্ণফ্লাওয়ার আর ভাজা বাদাম দিতে হবে। পরের ধাপে ছোট ছোট গোল করে নিয়ে হাতের তালুতে চেপে চ্যাপ্টা করে বড়ার আকার দিতে হবে। একটি পাত্রে তেল গরম করতে হবে। এবার তৈরি করে রাখা বড়াগুলি তেলে ছেড়ে দিতে হবে। হালকা আঁচে ভালে করে ভেজে নিতে হবে। বড়ার দুই পিঠই বাদামি করে ভেজে নামাতে হবে। এখন সচ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : বোল্ডস্কাই। /কেএনইউ/এসএইচ  

মিরপুরে জেন্টল পার্কের ফ্ল্যাগশীপ স্টোর

পাশ্চাত্য ট্রেন্ড নির্ভর ও পরিচ্ছন্ন মর্ডান লুক এর জন্য তরুণ-তরুণীদের পছন্দের স্টোর জেন্টল পার্ক। প্যাটার্ন ও ডিজাইন বৈচিত্র্য নিয়ে ফ্যাশন ট্রেন্ডে আধুনিকতার প্রকাশ তাই ব্র্যান্ডটির পোশাকী ক্যানভাসে। এবার ১২ বছর যাত্রা উপলক্ষে জেন্টল পার্ক মিরপুরে আরো একটি নতুন ফ্ল্যাগশীপ স্টোর চালু করেছে। সুবিশাল পরিসরে, দৃষ্টিনন্দন ইন্টেরিয়রের উস্থাপনায় স্ট্রিটওয়ার বা ফরমাল প্রতিটি পণ্যই সমকালীন তারুণ্যের চাহিদা নির্ভর।  মিরপুর ১ সনি সিনেমা হলের নীচতলায় ৪ ফেব্রুয়ারি এই ফ্ল্যাগশীপ স্টোরটির উদ্বোধন করেন চলচ্চিত্র অভিনেতা অনন্ত জলিল ও অভিনেত্রী বর্ষা। এসময়ে জেন্টল পার্কের চীফ ডিজাইনার শাহাদৎ চৌধুরী বাবু জানান, শপিং-এ ক্রেতাবান্ধব স্বসিÍ আর পণ্যের বৈচিত্র্যতা বেশি প্রদর্শনের জন্যই নতুন এই ফ্ল্যাগশীপ স্টোর। আপ টু ডেট  মেনজ, ওমেন ও জুনিয়র এই তিন ধরনের আউটফিটে ডিজাইন ও টেইলরিং মুন্সিয়ানা এখানে থাকবে শতভাগ বৈচিত্র্যপূর্ণ। পাশাপাশি ফ্ল্যাগশীপ স্টোরটি থেকে দুটি পণ্য কেনাকাটায় থাকছে একটি পণ্য বিনামূল্যে পাবার সুযোগও। এছাড়াও অনলাইন স্টোরে থাকছে প্রোডাক্ট নিয়ে বিস্তারিত ইন্টারেক্টিভ উপস্থাপনা। জেন্টল পার্কের সারাদেশের ত্রিশের অধিক স্টোরে কেনাকাটার পাশাপাশি পণ্য অর্ডার করা যাবে অনলাইনেও। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম জিইসি মোড়, যমুনা ফিউচার পার্ক, উত্তরার পর এটি চতুর্থ ফ্ল্যাগশীপ স্টোর। বর্তমানে সারাদেশে ৩১ টি রিটেইল স্টোর রয়েছে জেন্টল পার্কের।  

বসন্ত-ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ঘরের সাজ

আর একদিন পরেই পালিত হবে বসন্ত উৎসব। বসন্ত উৎসবের আমেশ শেষ হতে না হতেই পরের দিনই ভালোবাসার দিবস উদযাপিত হবে। পর পর এই দুই উৎসবকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বাঙালিরা এখন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। নিজের সাজগোজ, পোশাক, কোথায় বেড়াতে যাওয়া হবে, খাবার-দাবারের আয়োজন সবই প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া এই দিনে নিজ বাসাতেও বেড়াতে আসে অনেক আত্মীয়-স্বজন। এমনকি ভালোবাসার দিনে প্রিয় মানুষটাও আসে। এ সময় যদি একটু ঘরটা মনের মতো সাজিয়ে তুলতে না পারি তাহলে তাদেরকে আপ্যায়ন করাটা যেন ব্যর্থ হয়ে উঠবে। আর উৎসব উপলেক্ষে ঘরটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারলে নিজেকেও খুব ফ্রেশ লাগবে। তাছাড়া প্রতি উৎসবে ঘর সাজানোটা যেন বাঙালির এক ধরনের ঐতিহ্যে। তাই ঘরটাকে বিভিন্ন রঙে রাঙিয়ে তুলবেন যেভাবে তা একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- প্রথমেই আসা যাক বিছানার কথা। আপনার ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলবে সাধারণত বিছানার চাদরে। আপনি চাদর হিসেবে বাটিক, টাইডাই, হ্যান্ডপেইন্ট বা নকশীকাঁথার ব্যবহার সাজাতে পারেন। বসন্ত বা পহেলা ফাল্গুনের জন্য এইসব চাদর পারফেক্ট। তবে ভালোবাসার দিবসে লাভ আকৃতির কিংবা ছোট ছোট গোলাপ ফুলের হ্যান্ডপেইন্ট করা চাদর বিছানায় ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার প্রিয় মানুষটির ভালো লাগবে। বিছানায় কিছু টেডিবিয়ার ও কুশন রাখতে পারেন। আপনার ঘরের দ্বিগুণ সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় ঘরের পর্দা। যেহেতু এই দিনে অতিথিদেরে আনাগোনা থাকে তাই ঘরে ও জানালায় নতুন পর্দা লাগিয়ে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে পারেন। আপনি চাইলে ঘরের কালার মিল রেখে পর্দা লাগাতে পারেন। পর্দার ডিজাইন ফুলের হলে ভালো হয়। বসার ঘরে দেশীয় আসবাবপত্রের সঙ্গে ঘরের কর্নারে রাখতে পারেন বেত অথবা বাঁশের ল্যাম্পশেড। দেয়ালে টাঙাতে পারেন মাথাল, বিভিন্ন ওয়ালমেট, কাগজের তৈরি ফুল ইত্যাদি। খাবারের টেবিলে রাখা যেতে পারে মাটির থালা, বাটি, গ্লাস, মগ, জগ ইত্যাদি। কারণ এতে ফুটে উঠবে দেশীয় আমেজ। টেবিলের মাঝখানে মাটির ফুলদানিতে কিছু তাজা ফুল রাখুন, না হলে কাপড়ের ফুলও রাখতে পারেন। এছাড়া টেবিলম্যাট ব্যবহার করতে পারেন খাবার টেবিলে। দরজা-জানালার পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে এসব করতে পারেন অনায়াসে। আপনার ঘরের ফ্লোরে বিছাতে পারেন মাদুর, শীতল পাটি কিংবা সতোরঞ্জি। আজকাল বাজারে মাটির তৈরি অনেক সুন্দর শোপিস পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে সেগুলো দিয়েও সাজাতে পারেন ঘরের দেয়ালগুলো। ঘরের কোণে অথবা সিঁড়িতে মাটির বড় পাত্রে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তাতে রেখে দিতে পারেন মোমবাতি অথবা প্রদীপ। সন্ধ্যায় অতিথিদের আসার সময় জ্বালিয়ে রাখুন রঙ-বেরঙের মোমবাতি। দেখবেন মোমের আলোয় পাল্টে যাবে আপনার ঘরের পরিবেশ। তবে যেভাবেই সাজান না কেন, আপনি খেয়াল রাখবেন আপনার ঘরের আসবাবপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে যেন এসব করা হয়। আপনার ঘরের আসবাবপত্র যদি হয় বাঁশ, বেত অথবা কাঠের তাহলে শোপিস নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন করুন মাটি, কাঠ, বাঁশ, বেত ইত্যাদি। এছাড়াও আপনি চাইলে পর্দার পরিবর্তে বাঁশের চিকও ব্যবহার করতে পারেন, আসবে নতুনত্ব। আপনার ডাইনিং রুমে কিংবা বসার বারান্দায় টবে ছোট ছোট ফুলের গাছ রাখতে পারেন। বসন্তে উৎসব মানেই ফুলের আমেশ। তাই রঙ-বেরঙের ফুল না থাকলেই নয়। এতে ঘরটা দেখতে বেশ সুন্দর লাগবে। ভালোবাসার মানুষটার জন্যও ফুল আবশ্যক। এছাড়া বিভিন্ন পাতাবাহার লাগিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন। /কেএনইউ/এসএইচ/                 

প্রিয়জনের পছন্দের ভ্যালেন্টাইনস উপহার

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস দরজায় কড়া নাড়ছে। আর মাত্র একদিন পর ভ্যালেন্টাইনস ডে। বিশেষ এই দিনে ক্ষণে কে না চায় ভালোবাসার মানুষটিকে খুশি করতে। এজন্য নিযুত প্রচেষ্টা থাকে প্রেমিক মনে। উপহার দেওয়া থেকে শুরু করে হাত ধরে ঘোরাঘুরি করে দিন পার করে দেওয়া-সবই করে থাকেন। কিন্তু জানেন কী, এই দিনে কী ধরনের উপহারে আপনার পছন্দের মানুষটি খুশি হন। আসুন জেনে নিই ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনের পছন্দের উপহার সম্পর্কে। লাল গোলাপ : লাল টুকটুকে গোলাপ ভালোবাসার প্রতীক। এতে অসীম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে খুশি রাখতে তাই দিতে পারেন একগুচ্ছ লাল গোলাপ। কাউকে প্রপোজ করতেও এর জুড়ি মেলাভার।ফটোফ্রেম : কথায় আছে- সিম্পলিসিটি ইজ দ্য বেস্ট। যতগুলো উপহার আছে, তন্মধ্যে এটি সাধারণ মনে হতে পারে। তবে উপহার হিসেবে এর কদর রয়েছে। বিশেষ দিনটিতে প্রিয়জনকে এটি দিতে পারেন। যাতে ভালো লাগার কিছু মুহূর্তের ছবি ফ্রেমবন্দি করে রাখা যায়। নেকলেস : পছন্দের নেকলেসও কিনে দিতে পারেন ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে।হাতঘড়ি : চিকন ফিতার হাতঘড়ি মেয়েদের পছন্দ। ভালোবাসাবাসির দিনটিতে হাতঘড়ি দিয়ে আপনার প্রেয়সিকে খুশি করতে পারেন।প্রিয় শিল্পীর গানের সিডি : ভালোবাসা দিবসে আপনার প্রেয়সির জন্য আদর্শ উপহার হতে পারে প্রিয় শিল্পীর গানের সিডি।চিঠি : সাধারণত এখন আর কেউ চিঠি লিখে না। তবে ভালোবাসা প্রকাশে এখনও এর ভূমিকা মেসেজ, ফোন কল ও মেইলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে মনের নানা অব্যক্ত কথা সহজেই প্রকাশ করা যায়। ফলে বিশেষ দিনটিতে আপনারা প্রিয়জনকে চিঠিও লিখতে পারেন।বই : উপহার হিসেবে বইয়ের চেয়ে উত্তম আর কিছুই নেই। ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে খুশি রাখতে তাই দিতে পারেন রোমান্টিক ঘরানার কবিতা, গল্প বা উপন্যাসের বই। চাইলে প্রথম পাতায় কিছু লিখেও দিতে পারেন। এজন্য আজই ঢু মেরে আসতে পারেন একুশে বইমেলা থেকে। সেখান থেকে রোমান্সে টইটুম্বুর বই কিনে দিতে পারেন মনের মানুষকে।গিফট বক্স : ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দেয়া যেতে পারে গিফট বক্স। খেয়াল রাখবেন, আকর্ষণীয় মোড়কে এতে যেন থাকে প্রিয়জনের প্রিয় কিছু। সেখানে থাকতে পারে লাল লিপস্টিক, পারফিউম ইত্যাদি।হাতের তৈরি কিছু : বিশেষ দিনে বিশেষ কিছু হিসেবে প্রিয়জনকে হাতের তৈরি নানা জিনিসদেয়া যায়। সেটি হতে পারে নানা রঙের ও ঢঙের কার্ড, কারুকাজ করা রুমাল, নকশিকাঁথা, ওয়ালমেট।চকলেট : এটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। তাই এই দিনে ভালোবাসা আরও মিষ্টি করতে উপহার হিসেবে দিতে পারেন চকলেট। মনে রাখবেন উপহার যাই হোক, তা যেন উপস্থাপন করা হয় আকর্ষণীয় ঢঙে। কারণ এর মাধ্যমেই দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।/ এআর /

আপনার স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা কত জানেন?

আপনার মস্তিষ্কের মেমোরি ব্যাংক প্রতি সেকেন্ডে হাজারেরও বেশি নতুন তথ্য গ্রহণ করতে পারে। আপনি মস্তিষ্ককে নতুন যত তথ্যই দিন না কেন, ঠিকই সে এর জন্যে জায়গা করে নিচ্ছে? কীভাবে? যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সাইকোলজির অধ্যাপক পল রিবার এটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে, মানব মস্তিষ্কে এক বিলিয়নের মতো নিউরোন আছে। এর প্রতিটি আবার আরো হাজারটি নিউরোনের সঙ্গে সংযুক্ত। এর সংখ্যা দাঁড়াল ট্রিলিয়নেরও বেশি। যদি ধরে নিই, প্রতিটি নিউরোন একটি করে স্মৃতি ধারণ করে, তাহলে মস্তিষ্কের স্মৃতিধারণ ক্ষমতা এত যে, এক জনমে তা ফুরোনোর কোনো সম্ভাবনা নেই। আমাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার্য পেনড্রাইভ, আইপডের মেমোরি স্পেসের সাথে তুলনা করে বোঝাতে গেলে তা ২.৫ পেটাবাইট (মানে কয়েক মিলিয়ন গিগাবাইট)। ধরুন আপনার ব্রেন যদি একটা ভিডিও রেকর্ডার হতো তাহলে এখানে যে স্পেস আছে, তা দিয়ে আগামী ৩০০ বছর একটানা ভিডিও করে গেলেও মেমোরির কোনো ঘাটতি হতো না! মানবমস্তিষ্কের এমনি মনে রাখার ক্ষমতা। (সায়েন্টিফিক আমেরিকান, ১৯ এপ্রিল, ২০১০ সংখ্যা)। অনেকে বলে থাকেন যে,পড়া মনে রাখতে পারেন না। এ জন্যে দায়ী কি আপনার মস্তিষ্ক, নাকি মস্তিষ্ককে দেওয়া আপনার ভুল কমান্ড। আর চেষ্টা করছেন না মনে রাখারও। কেআই/ এআর

ত্বক ভাল রাখে ভিটামিন ‘সি’

সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিসহ বিরুপ আবহাওয়া নানা সময়ে আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে। এর ফলে আপনার ত্বকে রংয়ের অসামঞ্জস্যতা ও কালচেভাব দেখায়। এ সমস্যা দূর করতে ভিটামিন সি ভালো কাজ করে। ভিটামিন সি ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল রাখতে সাহায্য করে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে রূপচর্চায় প্রসাধনীতে ভিটামিন সি যোগ করুন। এটা ত্বককে কোমল রাখার পাশাপাশি কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন বৃদ্ধি করে। এর ফলে ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল। এছাড়া ভিটামিন সি ত্বক পুনুরুজ্জীবিত করে, শুষ্কতা দূর করে, ত্বককে পরিষ্কার করে। ভিটামিন সি’র উৎস: ভিটামিন সি নানা রকম ফল যেমন- কমলা, লেবু, আঙুর এধরনের ফল থেকে পাওয়া যায়। একটি মাঝারি মাপের কমলাতে ৭০ গ্রাম ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ প্রসাধনী যেমন- সিরাম, ক্রিম, লোশন ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। আর / এআর  

বাচ্চাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত দুটি খাবারের রেসিপি

শহরের বাচ্চারা স্কুলে যাওয়ার আগে খাবার খেতেই চায় না। তাই মায়েরা তাড়াহুড়ু করে বাচ্চাদের ব্যাগে বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুড বা জাঙ্কফুড দিয়ে থাকেন। স্কুল শেষে বা টিফিনের সময় (বিরতির সময়) বা স্কুল ছুটির পর বাচ্চারা বার্গার, ফুচকা, চটপটি, ভেলপুরি খেতে ব্যস্ত হয়ে পরে। মা-বাবাও অনায়াসে এসব হাতে তুলে দিচ্ছেন। একবারও ভাবেন না আদরের সন্তানকে খাওয়ার নামে এক প্রকার বিষ তুলে দিচ্ছেন। আমাদের দেশে প্রায় সব স্কুল-কলেজের সামনেই রয়েছে ঝাঁলমুড়ি, চটপটি, ফুসকা, ভেলপুরি, বার্গারসহ নানা রকম মুখরোচক খাওয়ার দোকান। এসব স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলেমেদের খুবই পছন্দের খাবার। আর তারা তাদের দিনের প্রথম খাবারই শুরু করে এসব খাবার দিয়ে। অথচ এ ফুচকা, চটপটি বা ভেলপুরি রাস্তার ধারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানো হয়। সেই সঙ্গে চটপটি ও ফুসকায় মেশানো হয় রং। অভিভাবকরাও জানেন এর ক্ষতিকর দিক। কিন্তু শিশুরা বায়না ধরে বলেই খাওয়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সঙ্গে রয়েছে কোমল পানীয় নামক রঙ্গীন পানি নামক এক প্রকার বিষ। চিকিৎসকরা বলছেন, এসব খাবার খেয়ে শিশুরা পেটের পিড়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় দীর্ঘ মেয়াদে কিডনির জটিল রোগ, লিভার সিরোসিস এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে এসব খাবারের কারণে। তাই শিশুদের বাইরের খোলা খাবার না খাওয়াতে অভিভাবকদের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। বাইরের মুখরোচক খাবার সম্পর্কে পুষ্টি বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক ডা. খুরশিদ জাহান জানান, ‘বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়া দরকার। তা না হলে আজকের শিশু দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই ঘরে তৈরি খাবারে শিশুদের অভ্যস্থ করতে হবে। কারণ রাস্তার পাশের খোলা খাবার বা ফাস্ট ফুড, মোড়ক জাত খাবার পেটের পিঁড়া তৈরি করে থাকে। এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।’ তাই এসব ক্ষতিকর খাবার থেকে বাচ্চাদের খাদ্যাভ্যাসকে পরির্তন করতে ঘরে বানানো দুটি স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তার রেসিপি এখানে তুলে দেওয়া হলো। রেসিপির প্রধান উপকরণ সবজি হলেও খেতে সুস্বাদু হবে। তাই বাচ্চারা খেতে আগ্রহী হবেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঘরে বসে কীভাবে মিক্সড সবজি রোল এবং পিজ্জা রোল বানাবেন? মিক্সড সবজি রোল বানাবেন যেভাবে উপকরণ: ময়দা এককাপ, একটি ডিম, গাজর, ফুল কপি, মটরশুটি, পেপে, বরবটি বা মৌসুমি অন্য কোনো সবজি হতে পারে। এর সঙ্গে পরিমাণ মতো লবণ, বিস্কুটের গুঁড়া, মাছ সিদ্ধ করে (কাঁটা বেঁছে) কিমার মত করে নিতে হবে। তবে আপনি চাইলে মাছের বিকল্প হিসেবে মাংসও নিতে পারেন। বানানোর প্রক্রিয়া: প্রথমে সবজিগুলো ভালোভাবে সিদ্ধ করে ব্লেন্ডারে পেস্ট বা বেটে নিতে হবে। তার পর এক কাপ সবজি পেস্ট  এককাপ ময়দার সঙ্গে ডিমের কুসুম (সাদা অংশ রেখে দিবো) মেখে নিতে হবে। এই তরল খাদি অল্প অল্প করে প্রাইয়ে ফেলে রুটির মতো ছড়িয়ে দিতে হবে। পরে রুটির মধ্যে সিদ্ধ মাছ বা মাংসের কিমাসহ অন্য সব উপকরণ দিয়ে পাটিসাপটা পিঠার মত তৈরি করতে হবে। এখন ভেতরে মাছ বা মাংসের পুর দিয়ে রোলের মতো তৈরি করবেন। বানানো শেষে ডিমের সাদা অংশ ভালো করে গুটে রোলের ওপর প্রলেপ দিতে হবে তারপর বিস্কুটের গুঁড়া মেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এর পর হালকা তেলে ব্রাউন করে ভেজে নিতে হবে। আর এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু সবজি রোল। পিজ্জা রোল বানাবেন যেভাবে উপকরণ: ময়দা দুই কাপ, টেবিল চামচের দুই কাপ লাল চিনি, গুঁড়া দুধ দুই টেবিল চামচ, তেল দুই টেবিল চামচ, ডিম একটা, মিহি কুচি সবজি এক কাপ, মাছ, মাংস এক কাপ, আধা চামস ইস্ট ও পরিমাণ মতো লবণ ও সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য মসলা। বানানের প্রক্রিয়া: প্রথমে সবজির সঙ্গে মাছ অথবা মাংসের কিমা মিশিয়ে নিতে হবে। এখন ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে সবগুলো উপকরণ কুসুম গরম পানি দিয়ে একসঙ্গে মেখে হালকা তাপে রাখতে হবে। দেখবেন ৩০ মিনিটের মধ্যে এটি ফুলে যাবে। তার পর রুটি বানানোর মতো ছোট ছোট দলা বা খামি বানিয়ে নিবেন। এবার খামি বা দলাকে একটু লম্বা করে বেলে নিবেন। তারপর ছুরি দিয়ে মাখে মাঝে আচড় দিয়ে নিতে হবে। এবার এ আচড়ের মাছে পুর দিয়ে বন্ধ করে উল্টিয়ে রাখবো। তার পর ডিমের কুসুম এটার ওপর মেখে বা ব্রাশ করে নিন। তারপর ফ্রাইপেনে বা ওভেনে ঢাকনা দিয়ে অল্প আচে ১৫ মিনিট রাখবো। এ ভাবেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পিজ্জা রোল।  কেআই/টিকে

বসন্তে নিজেকে সাজিয়ে তুলবেন যেভাবে

‘বসন্ত এলো এলো এলো রে, পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে… মুহু মুহু কুহু কুহু তানে ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে…’ শীত শেষ, আসছে বসন্ত। বসন্ত ঋতুতে শোভা পায় ফুলের বাহার। বিভিন্ন রঙের ফুল ফুটতে দেখা যায় এ সময়। চারিদিক যেন রঙিন হয়ে উঠে। গাছে গাছে নতুন পাতার কুশি গজায়। ডালে ডালে কোকিল পাখির সুর বেজে উঠে। গাছে ফোঁটা শিমুল, পলাশ যেন উঁকি দিয়ে ডাকে। তাদেরকে নিয়েই শুরু হয় প্রকৃতির বসন্ত। আর এই দিনে বসন্তের ছোঁয়া লাগাতে আপনারও মন চাইছে হয়তো বিভিন্ন সাজে সেজে উঠতে। তবে বসন্ত উৎসবের সাজ যেন একটু ভিন্ন। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আপনি আপনার মুখটাকে কিভাবে সাজিয়ে তুলবেন। মুখের মেকাপ কেমন হবে? কেমন হওয়া উচিত? তাহলে চলুন এ বিষয়ে আমরা জেনে নেই- শুরুতেই বলতে চাই পোশাকের কথা। বসন্তের দিনে শাড়িই হচ্ছে অন্যতম পোশাক যা আপনাকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করবে। তবে শাড়ি সুতি হলে খুব ভালো হয়। সিল্কের না পরাই ভালো। বসন্তের শাড়ি হলুদ কিংবা সবুজ হতে হবে এবং বাংলা করে পরবেন। কুচি করা শাড়ি বসন্তের প্রকৃতির সঙ্গে মানায় না। এরসঙ্গে ব্লাউজ থাকবে থ্রি-কোয়াটা হাতা। এখন শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে আপনার মুখটাকে সাজিয়ে তুলবেন। সাধারণত এই দিনে মুখে ভারি মেকাপ না তোলাই ভাল। কারণ সেদিন বেশিরভাগ বাইরে থাকতে হয়। রোদ ও গরমে ভারি মেকাপে ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সেই দিনের মেকাপ হালকা হওয়া উচিত। প্রথমে মেকাপের আগে আপনার মুখটাকে ফেসওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার রাখতে পারেন। পরিষ্কার করার পর স্ক্রাবিং করে নিবেন। এরপর সানস্ক্রিন এবং ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না। এরপর প্রাইমার লাগাবেন। ফাউন্ডেশনের আগে প্রাইমার অবশ্যই লাগাতে হবে। প্রাইমার সাধারণত আপনার সারাদিনের মেকাপকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। আপনার ত্বকের সঙ্গে ম্যাচ করে ফাউন্ডেশন বেঁছে নিন। খেয়াল রাখবেন ফাউন্ডেশন যাতে বেশি পড়ে কারণ হালকা মেকাপের জন্য অল্প ফাউন্ডেশনই যথেষ্ট। সারাদিন অনেকে বেশি ফ্রেশ দেখাতে সাহায্য করবে ক্রিম হাইলাইটিং। আপনার স্কিন শেডের থেকে দুই-তিন শেড লাইট একটি কনসিলার দিয়ে করে নিন ক্রিম হাইলাইটিং। কনসিলারটি আপনার চোখের নিচে, কপালে, নাকের ওপর, থুতনিতে লাগিয়ে নিন এবং ব্লেন্ড করে ফেলুন। কনসিলারটি অবশ্যই পাউডার দিয়ে সেট করে নিবেন। এবার পুরো মুখটাই ফেসপাউডার দিয়ে ব্লাশার করে নিন। এবার চোখের সাজে যাওয়া যাক। চোখের মেকাপেও যেন স্নিগ্ধভাব ফুটে ওঠে, সেটা হিসেব করেই আইশ্যাডো লাগাবেন। চড়া রঙ এর কালারগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কোরাল, পিচ, কমলা, হলুদ, গোল্ডেন, কপার, লাইট ব্রাউন, লাইট পিংক, লাইট পার্পল, প্যারট গ্রিন কালারগুলো খুব ভালো মানিয়ে যাবে পহেলা ফাল্গুনে। বিশেষ করে শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে দিন। দেখতে ভালো লাগবে। আইশ্যাডো দেওয়া হয়ে গেলে অবশ্যই টানা করে আইলাইনার লাগাবেন। আপনি চাইলে ব্ল্যাক বা ভিন্ন কালারের কাজল এবং লাইনার ব্যবহার করতে পারেন। এটা আই মেকাপে নতুন রূপ নিয়ে আসবে। যেহেতু দিনের বেলার সাজ তাই চোখে আইল্যাশ না পরাই ভালো। বরং চোখের পাতাগুলোতে মাশকারা লাগিয়ে নিতে পারেন। এবার ঠোঁটের পালা। পহেলা ফাল্গুনে লিপস্টিক হিসেবে হালকা রঙগুলোই পারফেক্ট মনে হয়। লাইট পিংক, ব্রাউন/পিংক, অরেঞ্জ, পিচ, কোরাল ইত্যাদি কালারগুলো বেশ ভালো লাগবে দেখতে। সবচেয়ে ভালো আইশ্যাডো যে কালারে দিয়েছেন সেই কালারের লিপস্টিক দিন। কপালে ছোট গোল টিপ দিবেন। বসন্তের দিনে চুল খোপা করে বাধাই শ্রেয়। খোপাতে বেলী ফুল লাগাতে ভুলবেন না। বেলী ফুল ছাড়াও রঙ-বেরঙের ফুলের মালাও খোপাতে লাগাতে পারেন। বসন্তের দিনে গলায় কিছু না পরাই ভালো। কানে পাথরের টপ জাতীয় ছোট দুল পরতে পারেন। হাতে কয়েকটি রঙ বেরঙের কাচের চুড়ি থাকবে। এক কালারের পরবেন না। পায়ের জুতো হতে হবে ফ্লাট। উঁচু হিল এই দিনের জন্য নয়।  /কেএনইউ/এসএইচ/        

ভালোবাসার সম্পর্ক ঠিক রাখতে …

কয়েকদিন পরেই আসছে ভালোবাসার দিবস। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন এই দিনে প্রিয় মানুষগুলো একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায়। ভেঙে যাওয়া সম্পর্কও এই দিনে এসে জোড়া লেগে যায়। প্রিয় মানুষগুলোকে যেন কাছে আনিয়ে দেয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই কিছু সম্পর্ক যেন টিকে থাকতেই চায় না।  যতই চেষ্টা করুক না কেন কাছাকাছি আসতে বাধা পরে যায়। এর পিছনে বিভিন্ন কারণ অবশ্যই রয়েছে। তবে বদঅভ্যাসের কারণটা অন্যতম। দুজনের মধ্যে যদি কেউ একজন সবসময় বিরক্তিকর কাজ করে, সেই বিরক্তিকর কাজ অন্যজন দেখতে দেখতে তার মনে প্রতিকূল সৃষ্টি হয়। এতে সম্পর্ক আর টিকে থাকা সম্ভব হয় না। তাই প্রেমিক-প্রেমিকাদের বিরক্তিকর বদঅভ্যাসগুলো ত্যাগ করা উচিত। যেসব বদঅভ্যাসগুলো ত্যাগ করা উচিত সেগুলো একুশে টিভি অনলাইনে তুলে দেওয়া হলো- সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকের কথা ত্যাগ করা   অনেকেই বর্তমান ভালোবাসার মানুষটির সামনে বার বার সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকের কথা বলার অভ্যাস আছে। এতে আপনার ভালোবাসার মানুষটি বিরক্তবোধ করে। কেননা সে ভাবতে পারে আপনার সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকাকে এখনও ভালোবাসেন। তাই তার সামনে এসব কথা বলবেন না। কথা না শোনা- ভালোবাসার সম্পর্ক ঠিক রাখতে হলে প্রেমিক-প্রেমিকাকে উভয়কেই ভালো শ্রোতা হতে হবে। সে যা বলছে এবং যা করতে বলছে তা যদি আপনি না করেন তাহলে সে ভাবতে পারে আপনি তাকে এড়াতে চাইছেন। এতে আপনার কাছ থেকে সে সরে যাওয়ার চেষ্টা করবে। দূরত্বের সৃষ্টি হবে। তাই আপনি তার কথা শোনার চেষ্টা করবেন। অতিরিক্ত খবরদারী না করা- আপনার প্রেমিক-প্রেমিকা কি করছে, কি খাচ্ছেন, কোথায় যাচ্ছেন এসব প্রশ্ন করা অবশ্যই আপনার দায়িত্ব। তবে বাড়তি খবরদারী করতে যাবেন না। যেমন- তার সঙ্গে মিশা যাবে না, সেখানে যাওয়া যাবে না, তার সঙ্গে কথা বলা যাবে না এই ধরনের আচরণ করলে আপনার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তাই কৌশলে চলুন এবং অতিরিক্ত খবরদারী করা বন্ধ করুন। অন্যের সঙ্গে তুলনা করা- আপনি সবসময় নিজের প্রেমিক-প্রেমিকার প্রশংসা করবেন। কখনই অন্যের প্রশংসা তার সামনে তুলে ধরবেন না। এতে সে খুব মন খারাপ করবে। এমনকি সে ভাববে তার ওপর ভালোবাসা উঠে গেছে। এতে সম্পর্ক ভেঙে যাবে। তাই অন্যের তুলনা করবেন না। কথায় কথায় অতীত টেনে আনবেন না- তুমি এই কাজটি করেছিলে, তুমি ওই কথাটা বলেছিলে এই ধরণের কথাবার্তা আপনার ভালোবাসার মানুষটির কাছে আপনাকে শুধু বিরক্তিকর হিসেবে উপস্থাপন করে। তাই কথায় কথায় অতীত টেনে এনে সম্পর্ক নষ্ট করবেন না।     /কেএনইউ/ এসএইচ/  

দীর্ঘায়ু হতে চাইলে

অনেকে বলেন, কতদিন আর বাঁচব? মৃত্যু চিন্তা মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বয়সের সীমা নির্ধারণ করে ফেলি। আর সেই সীমা আমাদের জন্যে বাস্তবতায় পরিণত হয়। আধুনিক বিজ্ঞান মনে করে, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত না হলে আমাদের প্রত্যেকেই শতায়ু হওয়ার জৈবিক যোগ্যতা  রয়েছে। আর ব্যাপারটা যদি তা-ই হয় তবে মধ্যবয়স শুরু হওয়ার কথা ৬০ থেকে ৬৫ বছর বয়সে। কিন্তু আমাদের আয়ু অনেক কম মনে করি। ৬০ বছর বয়স হলেই জীবনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। দেখা হলেই একে অন্যকে বলি, আর ক`দিনই বা আছি, এখন একটু শান্তিতে মরতে পারলেই বাঁচি। আর যারা কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন, তারা তো রাতারাতি বৃদ্ধে পরিণত হন। ৪০-এর কোটায় পুরুষ হার্ট-এটাকের আশঙ্কা করেন। বেশির ভাগ লোক ৫০-এর কোঠায় এসে মৃত্যুর প্রস্তুতির জন্য মন দেওয়াকেই শ্রেয় মনে করেন। আমাদের পারিপার্শ্বিকতা, সাংস্কৃতিক ধ্যানধারণা আমাদের আয়ু সংক্রান্ত প্রত্যাশাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর মনোদৈহিক প্রক্রিয়ার মূল সূত্র হচ্ছে `প্রত্যাশা ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করে`। এখন আপনি যদি আপনার প্রত্যাশাকে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের আলোকে শুধরে নেন, তাহলেই আপনি আপনার দেহকে বহুলাংশে কালজয়ী করে তুলতে পারবেন। দীর্ঘ প্রশান্তিময় জীবনের জন্যে, আনন্দময় জীবনের জন্যে ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তন অত্যাবশ্যক। দেহকে কালজয়ী করে তুলতে হলে আয়ু ও বয়স সম্পর্কিত কিছু সর্বজনীন ভ্রান্ত ধারণাকে আপনি প্রথমে দূর করতে হবে। কারণ এ ধারণাগুলো আসলেই সত্য নয়। এ ব্যাপারে ভুল ধারণা হচ্ছে, বার্ধ্যকের প্রক্রিয়ায়ই মানুষ মারা যায়। সত্যি কথা হচ্ছে, বার্ধক্যের সঙ্গে সংযুক্ত জ্বরা-ব্যাধিই মৃত্যুর কারণ। বয়স হওয়ার কারণে কেউ মারা যায় না, আর বয়স হলেই ব্যথা-যন্ত্রণা হয় না। যন্ত্রণা আসে জ্বরা-ব্যাধি থেকে। আর এ  জ্বরা-ব্যাধি আসে মন থেকে। একটি ভ্রান্ত ধারণা হচ্ছে,আয়ু জিনগত -বৈশিষ্ট্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আসলে আপনার পিতামাতা যদি ৮০ বছর বেঁচে থাকেন তাহলে এই জিন-বৈশিষ্ট্য আপনার আয়ুর সাথে গড়ে মাত্র ৩টি বছর যুক্ত করতে পারে। আপনার ধ্যানধারণা, আচরণ-প্রক্রিয়া, খাওয়া-দাওয়া ও কার্যপ্রণালী আপনার আয়ুকে ৫০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি জিনগত-বৈশিষ্ট্যকে সাফল্যজনকভাবে অতিক্রম করতে পারেন। বয়সের ব্যাপারে একটি ভ্রান্ত ধারণা হচ্ছে, বার্ধক্যের প্রক্রিয়া অপরিবর্তনীয়। প্রকৃতির দিকে তাকালে আপনি দেখবেন, এ ধারণা সত্য নয়। প্রকৃতির মধ্যেই এমন প্রক্রিয়া রয়েছে, যা কোন কোনো প্রাণীকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। যেমন ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ান। প্রাণীজগতের দিকে তাকালে দেখবেন, মৌমাছি বয়সকে পিছনের দিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে। আর বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে, মানুষ বৃদ্ধ হওয়ার শারীরিবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে পাল্টে দিতে পারে। বৈজ্ঞানিক নিরীক্ষায় দেখা গেছে যে, বার্ধক্য প্রক্রিয়ার চিহ্নগুলো, যেমন, হাড়ের ঘনত্ব,শরীরের তাপমাত্রা,মেটাবলিক রেট,রক্তচাপ, পেশীর শক্তি, শরীরের চর্বির পরিমাণ ও অন্যান্য জিনিস পরিবর্তন করা যায়। ব্যায়াম,খাদ্যাভ্যাস,নির্মল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং মেডিটেশনের মাধ্যমে এগুলোতে পরিবর্তন আনা যায়। অবশ্য মেডিটেশন অর্থ শুধু শিথিলায়ন নয়। শিথিলায়ন আমাদের বর্তমান মানসিক চাপ পীড়িত সমাজের উৎকণ্ঠা নিবারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তবুও বৃহত্তর অর্থে শিথিলায়ন হচ্ছে চেতনার উচ্চস্তরে উত্তরণের প্রথম পদক্ষেপ। চেতনার এই উচ্চস্তরের সঙ্গেই জড়িত রয়েছে অন্তর্দৃষ্টি, সৃজনশীলতা,সুকুমারবৃত্তি ও প্রজ্ঞা। দীর্ঘ প্রশান্তিময় জীবনের জন্যে, আনন্দময় জীবনের জন্যে ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তন অত্যাবশ্যক। তবে এটা হচ্ছে গোটা বিষয়ের একটা অংশ মাত্র। এর অপর অংশ বুঝতে হলে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানীরা জগৎকে কিভাবে দেখেন তা জানতে হবে। কোয়ান্টাম মেকানিকস আমাদের বলে যে, আপাতদৃশ্যমান কঠিন বস্তু বা পদার্থ অদৃশ্য সাব-অ্যাটমিক কণা দ্বারা গঠিত। আর একেবারে আদি অবস্থায় এই কণাগুলো হচ্ছে শক্তি বা এনার্জি ও তথ্যের সংমিশ্রণ। তার অর্থ, আমাদের এই দৃশ্যমান জগৎ গঠিত হয়েছে শক্তির অদৃশ্য জগৎ ও তথ্যের সমন্বয়ে। মনের বেলায়ও এই নিয়ম প্রযোজ্য। যদিও আমরা আমাদের ধারণা, কামনা, বাসনা,প্রবৃত্তি,পছন্দ ও অপছন্দ দেখতে বা ধরতে পারি না তবুও এগুলোর বাস্তবতা কোনো অবস্থায়ই অস্বীকার করা যায় না। আমাদের চারপাশের দৃশ্যমান জগৎ এগুলো দ্বারাই গঠিত হয়েছে। যদি এই অদৃশ্য জগতের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন তাহলে আপনার দৃশ্যমান স্পর্শগ্রাহ্য জগৎকে পরিবর্তন করতে পারেন। চিন্তা যেমন যুদ্ধ বাধাতে পারে, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে,ধ্বংস ডেকে আনতে পারে তেমনি চিন্তাই পারে প্রেম, মমতা,শান্তি,সম্প্রীতি ও তারুণ্যময় জীবন গঠন করতে। কালজয়ী দেহ নির্মাণের জন্যে ডা.দীপক চোপড়া তার `Ageless Body, Timeless mind` গ্রন্থে  উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে কয়েকটি হলো : ১.নিজ জীবনের ওপর আত্ম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। এর অর্থ অন্যের ওপর ক্ষমতাবান হওয়া নয়।বরং নিজের জীবনের ব্যাপারে স্বায়ত্তশাসন লাভ করা। এটা করার একটা উপায় হচ্ছে অন্যের সমর্থন বা অনুমোদন লাভের প্রয়াস থেকে বিরত থাকা।কারণ অন্যকে খুশি করে অনুমোদন লাভের চেষ্টায় আমরা আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিকে ক্ষয় করে ফেলি। ২.নিজের অন্তর্গত সত্ত্বার প্রতি পূর্ণ আস্থা স্থাপন করা। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে বাইরের কারো ওপর নির্ভর না করা।প্রকৃতি প্রত্যেককেই মনীষা দিয়ে সৃষ্টি করেছে। কিন্তু আপনি যদি সবসময়ই জ্ঞান ও তথ্যের জন্যে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভেতরের এই মনীষার মৃত্যু ঘটে। আপনার শরীর-মন সবসময়ই বলছে সে কী চায়, আপনি কান পেতে শুনলে দেখবেন সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ৩. সব ব্যাপারেই পারফেকশনিস্ট হতে যাবেন না। খুঁতখুঁতে স্বভাব যত বর্জন করতে পারবেন তত আপনি স্বস্তি পাবেন।দীর্ঘায়ু হতে হলে আপনাকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে শিখতে হবে। ৪.অন্তর্গত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।অধিকাংশ মানুষই অর্থ, বিত্ত, খ্যাতি, ক্ষমতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষের বন্দী হয়ে থাকে। বরং জীবনকে শান্ত ও মহিমান্বিত করার চেষ্টা করুন। কাজ করুন, হাসুন, মানুষকে ভালবাসুন। প্রকৃতির নেপথ্য ছন্দে নিজেকে ছন্দায়িত করুন। দেখবেন বয়স বাড়লেও তারুণ্য আপনাকে ঘিরে থাকবে। কেআই/ এআর

কমলার রস দিয়ে কৈ মাছের রেসিপি

কমলার রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই রসালো ফল ছোট-বড় সবাই খেতে পছন্দ করে। কমলার রস ত্বকের পরিচর্যার জন্যও খুব উপকার। এছাড়া এর রস দিয়ে মজাদার রান্নাও করা যায়। রস দিয়ে রান্না করা খাবারগুলো থেতে খুব সুস্বাদু হয়। আজ একুশে টেলিভিশন অনলাইনে কমলার রস দিয়ে কৈ মাছের ভুনার রেসিপি তুলে ধরা হলো- উপকরণ- ১) কৈ মাছ এক কেজি। ২) কমলার রস এক বাটি। ৩) পেঁয়াজ কুচি এক কাপ ও পেঁয়াজ বাটা এক কাপ। ৪) জিরা বাটা এক চামচ। ৫) রসুন বাটা এক চামচ। ৬) শুকনো মরিচের গুড়া এক চামচ। ৭) হলুদ গুঁড়া এক চামচ। ৮) কাঁচা মরিচ চার/পাঁচটি। ৯) তেল ও লবণ পরিমাণ মতো। প্রণালি- প্রথমে কৈ মাছগুলো কেটে লবণ পানিতে ধুয়ে নিন। এখন মাছগুলোতে এক চিমটি লবণ, হলুদ ও মরিচের গুড়া মেখে তেলে ভেজে নিন। এবার অন্য একটি কড়াইতে তেল দিয়ে সেখানে কুচি করা পেঁয়াজ হালকা ভাজুন। এখন অল্প পানি দিয়ে পিঁয়াজ বাটা, জিরা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া ও লবণ ‍দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। ভালো করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে ফেলুন। এখন কিছু পানি দিয়ে ভাজা কৈ মাছগুলো ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। পানিটা একটু শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে কমলার রস এর ওপরে ঢেলে দিন। চার/পাঁচটি কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ আঁচে রেখে নামিয়ে ফেলুন। এটি গরম ভাতের সঙ্গে খেতেও যেমন স্বাদ তেমনি এর থেকে ভিটামিন ‘সি’ ঘাটতি পূরণ করবে। সূত্র : রান্নাবান্না। /কেএনইউ/ এসএইচ/    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি