ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২৫:৫৭

ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করুন ৭ উপায়ে

ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করুন ৭ উপায়ে

নিজেদেরই কিছু ভুলে সঙ্গী আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পারে। অথবা নিজেদের কিছু ভুলেই সম্পর্কে চলে আসে তিক্ততা। আর এটি দূর করতে অনেকেই মনে করেন সম্পর্ক ভেঙে ফেলাই উত্তম। কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদই সমস্যার সমাধান নয়। বরং আমাদের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এবং আমাদের নিজেদের কিছু গুণই ফিরিয়ে দিতে পারে সম্পর্কের মধুরতা। সেইসঙ্গে সম্পর্ককে করতে পারে দীর্ঘস্থায়ী। চলুন জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো- সঙ্গীর ছোটোখাটো বিষয় নজর নারী ও পুরুষ দুজনেরই সাধারণত কাম্য থাকে সঙ্গী তার ছোটোখাটো ব্যাপারগুলোর দিকে নজর দিন। আর সে হিসেবে ছোট্ট কিছুর চাহিদাই পূরণ করুন। তাই সঙ্গীর এই ছোটোখাটো ব্যাপারগুলো নজর করার গুনটি সম্পর্কের জন্য বেশ সুখকর। সঙ্গীকে বুঝার চেষ্টা সঙ্গীর ভেতরের সত্যিকারের অবস্থা বুঝতে পারার ক্ষমতা সত্যিকার অর্থেই একটি সম্পর্ককে মধুর করে তোলে। সঙ্গী হয়তো রাগ দেখাচ্ছেন আপনার সঙ্গে। কিন্তু আপনি যদি তার রাগের পেছনের অভিমান বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখেন তাহলে আপনি সঙ্গীকে অনেক খুশি রাখতে পারবেন। সেইসঙ্গে ধরে রাখতে পারবেন সম্পর্ককেও। সঙ্গীকে গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব সঙ্গীকে কখনো নিজের থেকে কোনও অংশে ছোটো ভাববেন না। যদি সঙ্গীকে প্রাপ্য গুরুত্ব ও সম্মান দিতে না পারেন তাহলে সেটি কোনও সম্পর্কের মধ্যেই পড়বে না। যদি সঙ্গীকে তার প্রাপ্য সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব আপনার মধ্যে থাকে তবেই সম্পর্ক হবে দীর্ঘস্থায়ী। কিছুটা কম্প্রোমাইজ করার মনোভাব ভালোবাসার সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে এতে স্বার্থপরতা থাকে না। তাই সবসময় নিজের চিন্তা না করে সঙ্গীর জন্য কিছুটা কম্প্রোমাইজ করার মনোভাব সম্পর্কে আনে মধুরতা। সঙ্গীর পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা সঙ্গীর সুখে দুঃখে এবং তার বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকার বিষয়টি আপনার সঙ্গীর মনে প্রভাব ফেলবে অনেক। আপনার এই সাপোর্টটুকুই তাকে বিপদ থেকে উদ্ধারের আস্থা যোগাবে। এতে করে সম্পর্কে থাকবে মধুরতা ও সম্পর্ক হবে দীর্ঘস্থায়ী। ইগোটাকে দূরে রাখুন ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু তার ধরে রেখে নিজের ইগোটাকে প্রাধান্য দিলে সম্পর্কে শুধুমাত্র তিক্ততাই চলে আসবে। তাই ইগো নিজে নয় সম্পর্কের জন্য যিনি ভাবতে পারেন তিনিই সম্পর্ককে মধুর করে তুলতে পারেন। নিজেকে সবসময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখা সন্দেহ একটি সুস্থ সুন্দর সম্পর্ককে মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিজেকে সব সময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করুন। একে//
‘সরি’ বলার ৮ কায়দা

‘সরি’। ছোট্ট এ শব্দটি অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে। বিশেষ করে প্রেম বা সংসার জীবনে। টুকটাক ঝগড়া বা বড়সড় অশান্তি অনেকটাই এক টানে নামিয়ে আনতে পারে প্রোটো-জার্মানিক ‘সাইরিগা’ থেকে উদ্ভূত এই শব্দ। এই অস্ত্রেই ঘায়েল করা যায় সঙ্গীর বেজার মুখ। তবে জানতে হবে ‘সরি’ বলার ঠিক কায়দা। নইলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না কিন্তু। সরি নেগেটিভ শব্দ নয় আগে এটা বুঝুন। ‘ভালবাসায় আবার সরি কিসের?’— আগে এই বোকা ধারণা থেকে বেরোন। রাস্তাঘাটে কারও পা মাড়ানোর পর ফর্মাল সরির চেয়ে এ ‘সরি’ অনেক আলাদা। তাই ভালবাসায় এটা প্রয়োজন। এই দু’টিকে মিলিয়ে ফেলবেন না। মন থকে বলুন দায়সারা গোছের ‘সরি’ শোনালে কিন্তু ধরা পড়ে যাবেন। এ এমন এক শব্দ যা আপনার গলার স্বর, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ— সবেতেই প্রতিফলিত হয়। তাই মন থেকে ‘সরি’ বলছেন কি-না, তা বুঝতে পারেন কাছের জন। তাই ‘সরি’ বলুন ইগো ঝেড়ে, দ্বিধা সরিয়ে। আন্তরিকতার ‘ফেদার টাচ’ যেন মিশে থাকে আপনার ‘সরি’-তে। দেরি করবেন না সমস্যা বাসি করবেন না। এটাই সুখী সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি। খুচখাচ ঝগড়া জীবনের সঙ্গেই স্বাভাবিক হয়ে যায় ঠিকই। কিন্তু কিছু মুশকিল বেয়াড়া। তা সরাতে খাটতে হয়। আর এই খাটনিতে দেরি করলে তার আর দাম থাকে না। তাই আপনার তরফেও কিছু ভুল হয়েছে বুঝলে সঙ্গীর এগোনোর অপেক্ষা না করে আগে সরি বলুন। ইগো ঝাড়ুন ইগো— এই মারাত্মক বোধ অকারণে স্থান-কাল-পাত্র ভুলে আমাদের পথ আগলে দাঁড়ায়। তাই সরি বলতে যাওয়ার আগে রাস্তা আটকে দিন ইগোর। ভালবাসলে কখনও নত হতেই হয়। তাতে লজ্জা থাকে না, বরং কাছের মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে হয়ে ওঠা যায় আরও প্রিয়। না বুঝলে বুঝবেন, ভালবাসায় গলদ আছে। মেসেজে নয় না। একেবারেই মেসেজ বা হোয়াটস অ্যাপে ‘সরি’ বলা উচিত নয়। তবে ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ বা ব্যস্ত জীবনে এ ছাড়া উপায়ও অনেক সময় থাকে না। তবে চেষ্টা করুন, দেখা করে ‘সরি’ বলতে। দেখা করা যেভাবে সম্পর্ককে প্রভাবিত করে, সে ভাবে আর কেউ নয়। ও-ও তো দোষী আপনিও দোষী তো? ব্যস, এটাই ‘সরি’ বলার জন্য যথেষ্ট। অন্যকে দোষী, কার দোষ সিকি ভাগ আর কার পর্বতপ্রমাণ সে ভাবনা ছেড়ে আঘাত করে ফেলেছেন বুঝলেই, ‘সরি’ বলুন। আঘাত যদি আপনার তরফেই কড়া হয়, তা হলে ‘সরি’-র দায়ও কিন্তু আপনার। শর্ত বাদ বলবেন ‘সরি’, তার আবার শর্ত কীসের অ্যাঁ? যদি তুমি এমন বলো... বা যদি আমি এমন করি... এ সব মূর্খামি বাদ দিন। শর্ত চাপিয়ে যেমন ভালবাসা যায় না, তেমন সে সবের শিকল পরিয়ে ‘সরি’ জানানোর মানে নেই কোনও। ভালবাসুন সব সময় কেবল ‘সরি’-তে মন না উঠলে, ঝগড়া মেটাতে গিয়ে দেখা হলেই সরির বদলে চওড়া হাসুন। এতে আপনার আন্তরিকতা সামনে আসবে। ভালোবাসার প্রকাশ থাকুক আপনার আচরণে। চাইলে নিরালায় একান্তে সময় কাটান। দু’একটা কাছের ছোঁয়াচ থাকুক না, ক্ষতি কী! দেখবেন, ‘সরি’ না বলেও কেমন কাজ হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রথম পরিচয়ে হৃদয়ে জায়গা করে নিন ৫ উপায়ে

নিজের এমন কিছু ইতিবাচক আচরণ আছে যা প্রকাশ করলে প্রথম পরিচয়েই সঙ্গীর মনে দাগ কাটাতে সক্ষম হবেন। শুধু জীবন সঙ্গীই নয়, আপনার ক্যারিয়ার উন্নতির জন্য ‍কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সঙ্গে প্রথম পরিচয়ে তাদের কাছে আপন হয়ে উঠতে পারেন আপনার নিজের ভালো উপস্থাপনের জন্য। সুতরাং প্রথম পরিচয় দিয়েই কিভাবে হৃদয়ে জায়গা করে নিবেন তার কিছু উপায় দেখে নিন- ১) সহজভাবে উপস্থাপন প্রথম পরিচয়ে কারো সঙ্গে কোনও গুরুগম্ভীর ও বিতর্কিত বিষয়ে আলাপ করবেন না। কেননা সদ্য পরিচিত হওয়া ব্যক্তি কখনই কঠিন কিছু আশা করবেন না। কোনোক্রমে আপনি যদি তার বিপরীত মতাদর্শের কেউ হয়ে থাকেন তবে আপনাকে তিনি এড়িয়ে চলবেন। কাজেই অপেক্ষাকৃত সহজ ও সর্বজনগ্রাহ্য বিষয়ে আলাপ করুন। ২) কৃত্রিম আচরণ নয় নতুন কোনও মানুষের সঙ্গে পরিচয় হলে অনেকের মধ্যে নিজেকে কৃত্রিমভাবে উপস্থাপনের একটি প্রবণতা কাজ করে। নিজের যা নেই বা নিজে যা নয়, এমন বিষয়ও নিজের বলে জাহির করেন। যা একেবারেই একটি ঘৃণ্যতম কাজ। তারা ভাবেন নিজের সম্বন্ধে বাড়িয়ে বললে সদ্য পরিচিত হওয়া ব্যক্তির কাছে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে। কিন্তু আদতে তা নয়। বাস্তবতা হল, এমন আচরণ যে কৃত্রিম তা খুব সহজেই মানুষ বুঝতে পারে। এতে আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবার বদলে সদ্য পরিচিত হওয়া মানুষটি আপনার প্রতি বিরক্ত হয়ে উঠতে পারেন। সুতরাং এমন কৃত্রিম আচরণ নয়, বরং অকৃত্রিম হয়ে উঠুন। ৩) বিব্রতকর প্রশ্ন নয় নতুন পরিচয় হওয়ার সময় প্রায়ই ভুলে যাওয়া হয় যে, আপত্তিকর বা বিব্রতকর প্রশ্ন কোনটা! যেমন তরুণ বা তরুণী হলে হরহামেশাই জিজ্ঞাসা করে বসি, আপনার বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড আছে? প্রথম পরিচয়ে এসব প্রশ্ন করলে একমাত্র ব্যক্তিত্বহীন কেউ ছাড়া প্রায় প্রত্যেকেই বিব্রত হয়। আর যদি কেউ পরিস্থিতি সামলে হাসি মুখে এমন বিব্রতকর প্রশ্নের উত্তর দেয়, তবে জেনে রাখুন সেই উত্তর মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার প্রথম পরিচয়ে আলাপের এক পর্যায়ে কারো সেলারি বা বয়স জানতে চাওয়া আরও বেশি বিব্রতকর। সুতরাং প্রথম পরিচয়ে কখনো আপত্তিকর বা বিব্রতকর কোন প্রশ্ন নয়, বরং এমন প্রশ্ন করুন যাতে তিনি আলাপ এগিয়ে নিতে উৎসাহ পান। ৪) মনোযোগ দিয়ে কথা বলুন ও শুনুন নতুন কারো সঙ্গে কথা বলার সময় তার দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। প্রথম দিনে এমন কোন চমকলাগা কথা বলবেন না যে তিনি ভীষণ অবাক হয়ে যাবেন। এরপর তার কথা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনুন। আর আপনার পরবর্তী কথা সে অনুযায়ী নির্ধারণ করুন। তার স্বাধীন কথায় বাধ সাধবেন না। আলাপচারিতা প্রাণবন্ত করে তুলুন। নিজের কথা বলার জন্য ব্যাকুল হবেন না, বরং তার কথায় দেওয়া গুরুত্ব তার কাছে আপনাকে অধিক গ্রহণযোগ্য করে তুলবে। ৫) মিষ্টি হাসি প্রথম পরিচয়ের ক্ষেত্রে মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে একটা মিষ্টি হাসি। একটি চমৎকার স্মিত হাসি হাজার কথার চেয়েও মধুর। তাই কথা বলার সময় একটা অকৃত্রিম হাসি চোখে মুখে ফুটিয়ে তুলুন। মানুষ অনুকরণ প্রিয়। তাই আপনার হাসি মুখ সামনের মানুষটির মুখেও হাসি ফুটিয়ে তুলবে যা আলাপ করে তুলবে আরও প্রাণবন্ত। কেএনইউ/একে//  

সম্পর্কে জড়ানোর আগে জেনে নিন ৯ প্রশ্নের উত্তর

বেশিরভাগ মানুষই ভালভাবে  না ভেবেই একটি সম্পর্কে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আর এর ফলাফল স্বরূপ দেখা যায় সম্পর্কটি অল্পকদিনেই নষ্ট হয়ে গেছে। আর তা না হলে এক রাশ সমস্যার মধ্য দিয়ে তাদের সম্পর্ক আস্তে আস্তে একটা ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। তাই সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার আগে অবশ্যই কিছু বিষয় বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। নতুন কারও সঙ্গে পরিচয়ের পর তার সম্পর্কে জানবেন কীভাবে? মনে রাখবেন কেউ সহজে তার ব্যক্তিগত কথাগুলো বলে ফেলতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কিন্তু নতুন পরিচিত ব্যক্তিটি সম্পর্কে আপনি আগ্রহী। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন? এ ক্ষেত্রে সাহায্য নিতে পারেন কয়েকটি মৌলিক কিন্তু কার্যকরী প্রশ্নের। এগুলোর উত্তর যদি সঠিকভাবে পেয়ে যান, তবেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত ভুল হবে না আপনার। আপনার শেষ সম্পর্কটি কেনও টেকেনি? তিনি যদি সমস্ত দোষ তার প্রাক্তন প্রেমিকার ঘাড়ে চাপিয়ে দেন তাহলে বুঝতে হবে তিনি নিজের ত্রুটিগুলো লুকাচ্ছেন। এ পর্যন্ত কয়টি সম্পর্কে জড়িয়েছেন? উত্তরটি মিথ্যা হতে পারে। তই কৌশলে জিজ্ঞেস করুন। তিনি যদি কম সংখ্যা উল্লেখ করেন, বুঝতে হবে তিনি সম্পর্কের ব্যাপারে সিরিয়াস। আর যদি সংখ্যাটি হয় বড় তাহলে বুঝতে হবে তিনি আসলে সম্পর্ক করা, টিকিয়ে রাখা বা প্রতিশ্রুতি রাখার ব্যাপারে খুব একটা সিরিয়াস নন। এক্স গার্লফ্রেন্ড ফিরে আসতে চাইলে কী করবেন? এটি খুবই জরুরি প্রশ্ন। আপনার প্রশ্নটির উত্তর তিনি কি দিচ্ছেন, তা খেয়াল করুন। তিনি যদি বলেন, ফিরে যাবেন, তাহলে আর কোন কথাই থাকে না। আর যদি বলেন, তিনি নম্রভাবে ফিরিয়ে দেবেন, তার মানে তিনি পুরোনো সম্পর্কটি থেকে পুরোপুরি সরে এসেছেন। আর যদি তিনি বলেন, পুরোনো প্রেমিকাকে বলবেন, তিনি আর কারও কথা ভাবছেন মানে আপনার কথা ইঙ্গিত করেন তাহলে পুরো ফ্লোরই আপনার জন্য প্রস্তুত। আপনার জীবনে সবচেয়ে বিব্রতকর ঘটনাটি কী? এমন প্রশ্নে অনেক উত্তর থাকতে পারে। আবার সে উত্তর নাও দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি শুধু তার আচরণ খেয়াল করুন। যদি মানুষটি আপনাকে নিজের জীবনের এমন সব ঘটনার কথা বলে যেই পরিস্থিতিগুলো নাজুক ছিল তার জন্য, ছিল বিব্রতকরও তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার সঙ্গে নিজেকে সহজ করে নিয়েছে। আপনার কি ধরণের ট্যাটুর প্রতি আগ্রহ? ছেলেরা কিন্তু ট্যাটু খুব পছন্দ করে। এখন একজন মানুষ তার নিজের শরীরে একেবারে স্থায়ীভাবে এঁকে রাখতে চায় কি, সেটা দিয়ে আপনি তার পছন্দ, গুরুত্ব বিচার করতে পারেন। তার উত্তর হতে পারে মা এর নামের প্রথম বর্ণ। আবার হতে পারে ঈগল, এমনকি কার্টুন ক্যারেক্টারও। তার মনের দৃঢ়তা, পছন্দ অথবা ছেলেমানুষী ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক তথ্য পেতে পারেন আপনি এই একটি প্রশ্নের মাধ্যমে। কখন আপনার খুব রাগ হয়? মনে রাখবেন, মানুষকে বুঝতে হলে তার রাগের কারণ বোঝা জরুরি। যে মানুষটি খুব অল্পতে রেগে যায়, দূর্ব্যবহার করে, অথবা পথাঘাটে সিন ক্রিয়েট করতে পারে তার ব্যক্তিত্ব আসলে খুবই দূর্বল। আপনি কোন ধরণের প্রশ্নের উত্তর করেন না? তিনি যদি প্রশ্নের উত্তর দেন তাহলে তো জেনেই গেলেন বিষয়টি। কিন্তু খুব সম্ভাবনা আছে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ার। তাই সাবধানে প্রশ্ন করুন। আপনার আর্থিক অবস্থা কী? একজন মানুষ জীবন সম্পর্কে কতটা সিরিয়াস তা বোঝা যায় তার আর্থিক অবস্থা বা ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কি করবেন সেই পরিকল্পনা দ্বারা। নিজের পকেটের খবর অবশ্য সবার সঙ্গে কেউ শেয়ার করতে চায় না। কিন্তু এই খবরটি যদি ভদ্রলোক আপনার সঙ্গে শেয়ার করেন, তাহলে এটাও বোঝা গেল যে আপনাকে তিনি যথেষ্টই গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভালবাসার মানে কি আপনার কাছে? এমন প্রশ্নের উত্তরটি খুবই সহজ। তবুও নতুন সম্পর্ক শুরু করার আগে তার মুখ থেকেই একবার জেনে নিন। কারণ সবাই একভাবে সম্পর্কের চর্চা করে না। প্রসঙ্গত, এসব প্রশ্ন কিন্তু কখনোই সরাসরি করবেন না। কৌশলেই জিজ্ঞেস করতে হবে প্রশ্নগুলো। কারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উত্তরগুলো ঠিকঠাক মত পাওয়া জরুরি। একে//

অতিরিক্ত গ্রিন টি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর

এখন সবাই নিজেকে ফিট আর হিট রাখতে চায়৷ তার জন্য লোকে কি-না করে৷ নিয়মিত জিমে যায়৷ খাবার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে আরও কত কি৷ আর সেই তালিকায় থাকে গ্রিন টিও৷ ধারণা, গ্রিন টি নাকি মেদ কমাতে সহায়ক৷ তাই অনেকেই আছে যারা নিয়ম করে দু‘ বেলা বা তার বেশি সময় সাধারণ চায়ের বদলে গ্রিন টি খেয়ে থাকেন৷ তবে যে ধারণায় গ্রিন টি খাওয়া হয় সেটা কি আদৌ সত্য নাকি গুজব? এই প্রশ্নের উত্তর যদিও কোনও ভাবেই পরিষ্কার নয়৷ সম্প্রতি একাডেমি অফ নিউট্রিশন এন্ড ডাইটেটিক্স গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা কোনও অংশেই নিশ্চিত নন যে গ্রিন টি মেদ কমায় কি-না৷ তবে একটা বিষয়ে তারা নিশ্চিত যে গ্রিন টি যে কোনও ধরণের বিপাকীয় কাজে সাহায্য করে৷ কোচেন রিভিউতে ২০১২ সালে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে মেটাবোলিজম নিয়ে কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে৷ সেখানে প্রমাণ করা গেছে, গ্রিন টি মেদ কমাতে সাহায্য করে৷ কিন্তু তা এতোটাই কম মাত্রায় যা বোঝার উপায় নেই৷ বিশেষত যাদের ওজন অতিরিক্ত৷ তবে যাই হোক, মেদ কমানোর জন্য অতিরিক্ত গ্রিন টি পান একেবারেই শরীরের পক্ষে ভালো না৷ তার একটাই কারণ, গ্রিন টিতে থাকে ক্যাফিন৷ এ এফ ডি এর সমীক্ষা অনুযায়ী ৪০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফিন খাওয়া উচিত নয়৷ যেখানে রোজের এক কাপ গ্রিন টি তে থাকে ২৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন৷ তবে আপনি কি ভাবছেন গ্রিন টি খেয়ে নিজেকে মেদ মুক্ত রাখবেন? বা এই ব্যাপারে কি সত্যই কি কোনও পরিবর্তন কিছু ঘটবে? তাহলে আর একবার ভেবে দেখুল৷ বিস্তারিত আলোচনার পর এই প্রশ্ন উঠতেই পারে৷ শুধুমাত্র টেলিভিশনের রঙিন বিজ্ঞাপনের ফাঁদে না পড়ে সব দিক যাচাই করে তবেই যে কোনও জিনিস কেনা বা খাওয়া উচিত৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

পাঁচ উপায় মেনে চললে হারাবে না আপনার ছাতা

ছুটির দিন বন্ধুর বাড়ি যাবেন কিংবা কাজের দিন অফিস। বাইরে তখন চড়া রোদ কিংবা তুমুল বৃষ্টি। এসবের থেকে বাঁচতে আপনাকে সঙ্গে রাখতেই হয় একটি কুচকুচে কি রংচঙে ছাতা। কিন্তু এহেন জরুরি বস্তুটি নিয়ে কোথাও যাওয়ার পরে অনেক সময় এমন হয় যে ছাতাটি ফেরত আনতে ভুলে যান। এত জরুরি একটা জিনিস বছরে দু-এক বার তো খোয়া যায়ই। এই ভুলের হাত থেকে বাঁচার উপায় কী? ইতিহাসের অনেক কঠিন সাল তারিখ আপনি মুখস্ত রাখতে পারেন। কিংবা মনে রাখতে পারেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির খটোমটো হরেক নাম। ছাতার বেলাতেই আপনার মেন লাইনে কোনও ‘মেমারি’ স্টেশন থাকে না! তা হলে করবেন কী? মেনে চলুন নীচের ৫টি উপায়— ১। ছাতার হাতলে সর্বদা একটি রাবার ব্যান্ড বা গার্টার লাগিয়ে রাখুন। কোথাও গিয়ে ছাতাটি রাখার সময়ে বা শুকোতে দেওয়ার সময়ে গার্টারটি খুলে আঙুলে লাগিয়ে নিন। এর ফলে সেখান থেকে বেরনোর সময়ে ছাতাটির কথা মনে থাকবে। ২। সঙ্গে ব্যাগ থাকলে ব্যাগে একটি লম্বা প্লাস্টিকের প্যাকেট রাখুন। ছাতাটি শুকনো বা ভিজে যে অবস্থাতেই থাকুক, সেটি ভাল করে প্যাকেটে মুড়ে ফের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখুন। অন্য কোথাও রাখার দরকারই নেই। ৩। ফোনের ওয়ালপেপার ও স্ক্রিনসেভার করে রাখুন ছাতার ছবি। সে দিকে চোখ গেলেই মনে পড়ে যাবে ছাতাটির কথা। ৪। ছাতা নিতে যাতে ভুল না হয়, সে কথা মনে করিয়ে দেওয়ার একাধিক অ্যাপও পাওয়া যায়। প্লে-স্টোর থেকে নামিয়ে নেওয়া সম্ভব। দরকারে এই ধরনের অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন। ৫। ছাতা হারানোর প্রবণতা বেশি হলে খুব ছোট ফোল্ডিং ছাতা ব্যবহার না করে বড় ছাতা ব্যবহার করুন। হারানোর সম্ভাবনা অনেকটাই কমবে। সূত্র: এবেলা একে//

বাড়িতে সহজেই তৈরি করুন ইনস্ট্যান্ট নুডলস মসলা

যারা খাবার স্বাদ বারাবার জন্য ঘরের মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের টেস্টমেকার তৈরি করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে ম্যাজিকেল মসলা রেসেপি। তৈরির পদ্ধতি ১ টেবিল চামচ ভেজিটেবিল তেল যোগ করবেন। এর মধ্যে ১ চা চামচ শুকনো আদার গুঁড়ো, ১ চা চামচ শুকনো রসুনের গুঁড়ো, ২ চা চামচ শুকনো পিঁয়াজ গুঁড়ো, ২ চা চামচ ধনিয়া গুড়ো, ১/২ চা চামচ শুকনো মরিচ গুড়ো, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ মেথি গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ গরম মসালা গুঁড়ো, ১ চা চামচ চিনি, ১/২ চা চামচ শুকনো মরিচ ফ্লেক, ১ টেবিল চামচ ময়দা, ১/২ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো এবং ১/২ চা চামচ লবণ যোগ করবেন। তারপর কম আঁচে এই মিশ্রণটিকে নাড়াবেন। গাড় বাদামী রং হওয়া পর্যন্ত নাড়াতে থাকবেন। স্টোভ বন্ধ করে মিশ্রণটিকে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য ছেড়ে দিন। আপানর সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর ইনস্ট্যান্ট নুডলস মসলা তৈরি। এই মসালাটি আপনি শুকনো আলুর তরকারি, মসলা ডিম ঝুড়ি, ভেল পুরি, মসলা ভাজা, মাশরুম সুপে যোগ করতে পারবেন। বেচেঁ থাকা ইডলিতে কয়েকটি পিঁয়াজ এবং শস্য দানার সঙ্গে টেস্টমেকার মসলা যোগ করে ভেজে সন্ধ্যা বেলার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করে নিতে পারবেন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

হোটেলে বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ

হোটেলে থাকেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু লক্ষ্য করেছেন কি, হোটেলের বিছানার চাদর এবং বালিশের ওয়ার— সব সময়ই সাদা। কিন্তু কখনও মনে প্রশ্ন জেগেছে কি, এরকম কেনও করা হয়? হয়ত আপনি ভাবছেন এ আবার কী কথা! কিন্তু না, এর পিছনে রয়েছে যুক্তিগ্রাহ্য কারণ। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইআইএইচএম) কলকাতা’র ‘হাউস কিপিং’- এর অধ্যাপক তরুণ সরকার জানান, নয়ের দশকের শুরুতে ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপ তাদের হোটেলের ঘরগুলোতে সাদা বালিশ-চাদর-তোয়ালের ব্যাপক ব্যবহার শুরু করে। তিনি আরও জানান, ১৯৭০-’৮০ সালেও ইউরোপ এবং আমেরিকার বেশ কয়েকটি নামি হোটেলে সাদা চাদর-বালিশ ব্যবহারের চল ছিল। তবে ১৯৯০-এর গোড়ায় ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভারই ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপের ঘরগুলোতে সাদা চাদর-বালিশ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি যুক্তিও দিয়েছিলেন হুভার। ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভার। এরিন হুভার-এর যুক্তি ছিল, সাদা চাদর-বালিশ হোটেলের অতিথিদের মনে পরিচ্ছন্নতার অনুভূতি তৈরি করে। এনে দেয় মানসিক তৃপ্তি। এরিন হুভারের যুক্তি মেনে এই পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে ওয়েস্টিনের হোটেলগুলোর ব্যবসা অনেকটাই বেড়েও যায়। অতিথিদের পছন্দের হোটেলের তালিকার জায়গা করে নেয় ওয়েস্টিনের হোটেলগুলো। পরবর্তীকালে প্রায় সবাই এই পন্থা অনুসরণ করতে শুরু করেন। এ কথা আমরা প্রায় সবাই জানি যে, সাদা রং অনেক বেশি আলোর প্রতিফলন ঘটায়। তাই সাদা চাদর-বালিশ, পর্দা ব্যবহারের ফলে হোটলের ঘরগুলো আরও উজ্জ্বল বলে মনে হয়। তাছাড়া সাদা চাদর-বালিশ, পর্দা ময়লা হলে সবকটি এক সঙ্গেই ধুয়ে নেওয়া যায়। অন্যান্য যে কোনও রঙের ক্ষেত্রে এক রঙের কাপড়ের থেকে আরেকটায় রং লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই সাদা রঙের চাদর ব্যবহারে আখেরে হোটেলেরই সাশ্রয়। এছাড়া সাদা রঙ যে দেখতেও ভাল লাগে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে এরিন হুভারের যুক্তি গ্রহনযোগ্য হয়ে ওঠে সবার কাছে। হোটলের ঘরগুলোর দেওয়ালের রং ঘন ঘন পাল্টানো সম্ভব নয়। আর ঘরের দেওয়ালের রঙের সঙ্গে বিছানার চাদর-বালিশ বা পর্দার রং না মিললে দেখতেও ভাল লাগে না। তাছাড়া ঘন ঘন মানানসই রঙের চাদর-বালিশ আর পর্দা পাওয়া মুসকিল। বানাতে দেওয়াও বেশ খরচসাপেক্ষ। তাই সাদা রঙের চাদর-বালিশ বা পর্দার ব্যবহারে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে অনায়াসে। হাউস কিপিং-এর অধ্যাপক তরুণ সরকার আরও জানান, নামি হোটেল গ্রুপগুলো সর্বত্র তাদের ঘরগুলোর গুণমান (স্যান্ডার্ড) অপরিবর্তিত রাখার জন্য সাদা চাদর-বালিশ বা পর্দা ব্যবহার করে থাকে। কারণ সাদা রঙের চাদর-বালিশ বা পর্দা অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং সহজলভ্যও। ‘ব্যতিক্রমী কিছু সৃষ্টি করতে চাইলে, খুঁটিনাটি বিষয়েও নিখুঁত পর্যবেক্ষণ জরুরি’— এই মতাদর্শকেই সামনে রেখে এরিন হুভারের এই পদক্ষেপ হোটেল ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন এনে দেয়। সামান্য চাদর-বালিশের রং হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে বা হোটেলের অতিথিদের ভাবনা চিন্তায় কতটা প্রভাবিত করতে পারে তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন হুভার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শতাধিক নামি হোটেলে এমনই আরও নানা খুঁটিনাটি বিষয় মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয় সাদা রঙের চাদর-বালিশ। তবে এরিন হুভারের যুক্তি বা ব্যাখ্যাগুলোই সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য। সূত্র: জিনিউজ একে//

ঘরে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন রসগোল্লা

ভোজনরসিক বাঙালিরা দেশি-বিদেশি কত রকমের রান্না শিখে নিয়েছেন অনায়াসে। তাহলে রসগোল্লা খেতে মিস্টির দোকানের উপর এখনও ভরসা করবেন কেনও? চলুন শিখে নেওয়া যাক রসগোল্লা বানানোর সহজ কৌশল- রসগোল্লা বানাতে লাগবে ১) দুই লিটার দুধ। ২) চার চামচ লেবুর রস। ৩) ছয়-সাত কাপ পানি। ৪) সাড়ে তিন কাপ চিনি। ৫) সামান্য গোলাপ জল। যেভাবে বানাবেন রসগোল্লা ১) ছানা তৈরির জন্য দুধ জ্বাল দিয়ে অল্প করে লেবুর রস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিন। ২) দুধ থেকে পানি বের হয়ে এলে ওভেন থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ৩) এরপর একেবারে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ছানা হাত দিয়ে ভাল করে মাখতে হবে। ৪) প্রেসার কুকারে ৬-৭ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে ওভেনে দিন। চিনির সিরা তৈরি হলে তুলে ফেলে আঁচ কমিয়ে দিন। ৫)  হাতের তালু দিয়ে গোল গোল করে মেখে নিয়ে ২০-২৫টা ভাগ করে রাখুন। ৬) সব ছানার বল একসঙ্গে চিনির সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে দিন। ৭) কুকারে একটি সিটি পড়লেই ওভেন বন্ধ করে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ৮) ঠাণ্ডা হলে চিনির সিরাসহ রসগোল্লাগুলো একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন। ৯) ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন রসগোল্লা। একে//

প্রতিদিন ৩০ মিনিট শরীরচর্চায় মিলবে ৮ উপকার

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরচর্চা করার সময় মস্তিষ্কের ভেতরে ব্রেন ডিরাইভ নিউরোট্রপিক ফ্যাক্টর নামক এক ধরনের কেমিক্যালের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটি ব্রেন সেলের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে বুদ্ধির জোরও বাড়তে শুরু করে। তাই হাতির মতো স্মৃতিশক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি চানক্যের মতো বুদ্ধির অধিকারি হতে চান, তাহলে নিয়মিত এক্সারসাইজ করা মাস্ট! প্রসঙ্গত, নিয়মিত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করলে যে কেবল ব্রেনের সাইজ বাড়তে থাকে, তেমন নয়! সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতা। যেমন ধরুন- হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ৩০ মিনিট জিমে গিয়ে ঘাম ঝরালে হার্টের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে স্ট্রোক, মেটাবলিক সিনড্রম এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের খপ্পরে পরার সম্ভাবনাও কমে। শুধু তাই নয়, সার্বিকভাবে দেহের এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। অনিদ্রার সমস্যা দূর হয় বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে কম করে ১৫০-১৬০ মিনিট শরীরচর্চা করলে স্লিপ কোয়ালিটির প্রায় ৬৫ শতাংশ উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিনিদ্র রাত্রি যাপনের আশঙ্কা কমে। স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমে অফিসের চাপ, সেই সঙ্গে আরও নানা কারণে মনটা বেজায় খারাপ, তাহলে সময় নষ্ট না করে এখনই জিমে গিয়ে কিছু সময় একটু দৌড়-ঝাঁপ করে নিন। দেখবেন নিমেষে মন ভাল হয়ে যাবে। আসলে শরীরচর্চা করার সময় শরীরে সেরাটোনিন এবং নোরেপিনেফ্রিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়তে শুরু করে। এই দুটি হরমোনের মাত্রা দেহে যত বাড়িতে শুরু করে, তত স্ট্রেস লেভেল কমতে থাকে। সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি এবং দুশ্চিন্তাও দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে নির্দিষ্ট মাত্রার থেকে বেশি হারে ওজন বাড়তে থাকলে একে একে শরীরে এসে বাসা বাঁধতে থাকে ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো মারণ ব্যাধি। তাই তো ওজন যাতে কোনও মতেই মাত্রা না ছাড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি সফলভাবে করতে গেলে এক্সারসাইজ করা মাস্ট! কারণ ওজন কমাতে ঘাম ঝরাতেই হবে। আর ঘাম ঝরাতে গেলে শরীরচর্চার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমে নানা রোগের কারণে হওয়া ক্রণিক পেন কমাতে এক্সারসাইজের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। আসলে শরীরচর্চা করার সময় দেহের সচলতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি শরীরের বেতরের শক্তিও বাড়াতে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ে, তেমনি শরীরে বাসা বেঁধে থাকা যন্ত্রণা কমতেও সময় লাগে না। তাই এবার থেকে ঘারে, কোমরে অথবা পিঠে ব্যথা হলেই অল্প বিস্তর শরীরটাকে একটু নাড়িয়ে নিতে ভুলবেন না। এমনটা করল দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগবে না। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরচর্চা করার সময় ঘামের সঙ্গে শরীরের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের ভেতরে রক্তের সরবরাহ এতটা বেড়ে যায় যে স্কিন উজ্জ্বল এবং প্রাণচ্ছ্বল হয়ে ওঠে। পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ে আমাদের বয়স যত বাড়তে থাকে তত পেশি এবং হাড়ের ক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অস্টিওপোরোসিস বা জয়েন্ট পেনের মতো রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। তাই তো সময় থাকতে থাকতে শরীরচর্চা শুরু করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু শরীরচর্চার সঙ্গে হাড় বা পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধির কী সম্পর্ক? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরচর্চার সঙ্গে সঙ্গে যদি নিয়মিত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যায়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই পেশি এবং হাড়ের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এনার্জির ঘাটতি দূর হয় অনেকেই মনে করেন, শরীরচর্চা করলে ক্লান্তি বেড়ে যায়। কিন্তু এমনটা একেবারেই হয় না। বরং একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটে। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, টানা ৬ সপ্তাহ এক্সারসাইজ করলে ক্লান্ত লাগার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। ফলে শরীর হয়ে ওঠে চনমনে। তাই ক্লান্তির ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে যদি প্রাণচ্ছ্বল জীবন কাটাতে চান, তাহলে নিয়মিত শরীরচর্চা করা শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে// 

ওষুধ ছাড়াই অর্শরোগ থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ উপায়

অর্শরোগ বা পাইলস (হেমোরয়েড) বর্তমান সময়ে খুব পরিচিত একটি শারীরিক সমস্যা। মলদ্বারে যন্ত্রনা, রক্ত পড়া, ব্যথাসহ নানা উপসর্গ এই রোগের, যা রোগীর জীবনটাই বিষিয়ে দেয়। এক জড়িপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭৫% মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। বিশেষত, ৪৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এই রোগের প্রভাব বেশি দেখা যায়। তবে বর্তমানে এই রোগ আর কোনো নির্দিষ্ট বয়সের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে ওঠা, জ্বালা করা ইত্যাদি অর্শ্বরোগের সাধারণ উপসর্গ। ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার অভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্থূলতা, গর্ভাবস্থায়, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকার অভ্যাস, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি কারণে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধে, বাড়তে থাকে। সাধারণত ওষুধ বা অস্ত্রপচারের মাধ্যমে পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। তবে কিছু ঘরোয়া উপায়েও এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায়গুলো: *অলিভ অয়েল: অর্শরোগের সবচেয়ে বড় প্রতিশেষধ হচ্ছে অলিভ অয়েল। টয়লেটে যাওয়ার আগে মলদ্বারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুণ, যন্ত্রণা উপশম হবে। এছাড়া রোজ এক চা চামচ অলিভ অয়েল খান। এটি দেহের প্রদাহ দ্রুত হ্রাস করতে সাহায্য করে। অর্শরোগে নিরাময়ের ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকরী। *আদা ও লেবুর রস: ডিহাইড্রেশন অর্শরোগের অন্যতম আরেকটি কারণ। আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রণ দিনে দু’বার খান। এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে অর্শরোগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। এছাড়া দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি খেলেও অনেকটা উপকার পাওয়া যায়। *বরফ: ঘরোয়া উপায়ে অর্শ নিরাময় করার অন্যতম উপাদান বরফ। বরফ রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার বরফ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। *অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি পদ্ধতিটিও দিনে বেশ কয়েকবার অবলম্বন করুন। অভ্যন্তরীণ (ইন্টারনাল) অর্শরোগের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস জলে মিশিয়ে দিনে দু’বার খান। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। *অ্যালোভেরা: বাহ্যিক (এক্সটারনাল) অর্শরোগের জন্য আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি দ্রুত ব্যথা কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। অভ্যন্তরীণ অর্শরোগের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এ বার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালা, ব্যথা, চুলকানি কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

সৌভাগ্যকে কাছে পেতে মেনে চলুন ৮ বিষয়

মানুষের ভেতরের রসবোধ বা ঠাট্টাকে জাগিয়ে তুললে জীবনকে অনেক আনন্দময় করা সম্ভব৷ আর সেজন্য চাই শুধু প্রবল ইচ্ছাশক্তি৷ এমনটাই জানা যায় গবেষণার ফলাফল থেকে৷ পারিবারিক দ্বন্দ্বকে দূরে রাখতে সন্তান, মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন নিয়ে প্রতিটি পরিবারেই থাকে কোনও না কোনও সমস্যা৷ আর সেটাই স্বাভাবিক৷ তাই কোনও সমস্যা বা কথা কাটাকাটি হলে বিষয়টিকে হালকা করার জন্য মজার মজার গান শুনুন, শরীর দুলিয়ে একটু নাচুন অথবা একে-অপরকে জড়িয়ে ধরুন৷ দেখবেন, পরিবেশ অনেক হালকা হয়ে গেছে৷ এটা ছোটখাটো সমস্যা মেটানোর দ্রুততম কৌশল৷ আমেরিকায় সাম্প্রতিক করা এক গবেষণা থেকে এই কৌশলের কথা জানা গেছে৷ আরো বেশি আলিঙ্গন করুন স্বামী-স্ত্রী বা পার্টনারের মধ্যে মিল বেশি হলে আনন্দ এবং হাসির মাত্রাও বেশি থাকে৷ তাই কাছাকাছি থাকা এবং কথায় কথায় একে-অপরকে জড়িয়ে ধরলে দু’জনেই নিরাপদ বোধ করেন৷ তবে একসঙ্গে হাসাহাসি করলে ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট যেমন ভোলা যায়, তেমনি একে-অপরের অপছন্দের বিষয়গুলোও সহজে মেনে নেওয়া যায়৷ জগিং করার চেয়ে জোরে হাসা বেশি কার্যকর জানেন কি, দিনে মাত্র ২০ সেকেন্ড জোরে হাসলে শরীরের পেশিগুলো তিন মিনিট জগিং করার মতো কাজ করে? তাই প্রতিদিন কয়েক বার প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসলে আর জগিং করার প্রয়োজন হয় না! সুতরাং দিনে অন্তত একবার ২০ সেকেন্ড প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসুন! শিশুর হাসি একটি শিশু দিনে গড়ে ৪০০ বার হাসে আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক হাসেন সেক্ষেত্রে মাত্র ১৫ বার৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, হাসিখুশি থাকার মধ্য দিয়ে মানুষ তার আয়ু বাড়াতে পারে শতকরা ২০ ভাগ৷ কারণ হাসি-ঠাট্টার মধ্য দিয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে গিয়ে মানসিক চাপকে কমিয়ে দেয়৷ মানসিক চাপ বা স্ট্রেস স্ট্রেস বা মানসিক চাপই শতকরা ৭০ ভাগ অসুখের জন্য দায়ি৷ এ কথা আজ আর নতুন করে বলার তেমন প্রয়োজন নেই৷ তাই যতটা সম্ভব মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার পরামর্শই দিয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা৷ সমালোচনাকে দূরে রাখবেন যেভাবে কর্মক্ষেত্রেই মানুষ বেশি সমালোচিত হয়ে থাকে৷ এমন পরিস্থতিকে সহজ করতে একটু মিষ্টিভাবে, হাস্যরস মিশিয়ে সহকর্মীর সঙ্গে বলতে পারেন৷ যেমন, ‘আমি বেশি পারফেক্টভাবে কাজ করতে চাই বলেই হয়ত অনেকসময় বাড়াবাড়ি হয়ে যায়৷’ এতেই দেখবেন অপরপক্ষ সহজ হয়ে গেছেন৷ আনন্দ শেয়ার করুন যে কোনও আনন্দ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করলে তার মাত্রা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়৷ তাই বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যান কিংবা কোনও হাসির ছবি দেখুন৷ একসঙ্গে খেলাধুলা বা ব্যায়ামও করতে পারেন৷ কারণ ব্যায়াম করার সময় শরীরে সুখ হরমোন ছড়িয়ে যায়, মনও ভালো হয়ে ওঠে৷ ভুল করাকে সহজভাবে নিন জীবনে মানুষ প্রতিনিয়তই নানারকম ভুল করে থাকে৷ কাজেই ভুলকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কথা ভাবুন৷ রাগ করে কোনও লাভ নেই, বরং ভুলকে সহজভাবে নিন৷ কারণ মানুষ অনেকসময় পরিস্থিতির কারণেও ভুল করে থাকে৷ হিউমার বা ঠাট্টা জীবন তো এমনিতেই কঠিন৷ এর সঙ্গে খানিকটা হিউমার বা হাস্যরস মিশিয়ে নিলে মনের দ্বিধা বা সন্দেহ দূর হয়ে সবকিছু অনেক সহজ হতে পারে৷ তাছাড়া জোরে জোরে হাসার সময় সুখ হরমোন ‘ডোপামিন’ শরীরে ছড়িয়ে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রশনের ওষুধ হিসেবেও কাজ করে৷ কাজেই সবসময় আনন্দের কথাটি মাথায় রাখুন৷ দেখবেন একসময় গোমরাভাব কোথায় পালিয়ে গেছে! সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি