ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:৩১:৩৮

সৌন্দর্য চর্চায় চা ও কফি

সৌন্দর্য চর্চায় চা ও কফি

দিন চনমনে ও কর্মচঞ্চল করতে এক কাপ চা কিংবা কফির জুড়ি নেই। কিন্তু চা ও কফির মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ত্বকের সৌন্দর্য্ বৃদ্ধিতে সহায়ক। চা ও কফি ত্বকের স্তরে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার করে। তাছাড়া কফি দিয়ে ত্বকের জন্য চমৎকার স্ক্রাব ও মাস্ক তৈরি করা যায়। স্কিন টোনার হিসেবেও চা ব্যবহার করা যায়। ফেস মাক্স হিসেবেও চা এবং কফি ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি চুল উজ্জ্বল করতে এবং চুলের রং ভালো রাখতে কফি সাহায্য করে। এবার জেনে নিন আরও কি কি উপকারে আসতে পারে চা ও কফি- ত্বকের যত্নে কফি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে রোদের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষিত রাখে কফি। চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে কফি দারুণ উপকারী। তা ছাড়া চোখের নিচে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাও দূর করে কফি। এমনকি স্ক্রাব হিসেবেও কফির গুঁড়া ব্যবহার করা যায়। ব্রণের দাগ দূর করে গ্রিন টি ব্রণের দাগ দূর করতে বেশ উপকারী গ্রিন টি। গরম পানিতে গ্রিন টির ব্যাগ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানি আলাদা করে নিয়ে ঠাণ্ডা করে মুখ ধোয়ার সময় ওই পানি ব্যবহার করুন। তবে ধোয়ার পর মুছে ফেলবেন না। পানি মুখে শুকাতে দিন, এতে ত্বক গ্রিন টি-এর নির্যাস শুষে নেবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের দাগ হালকা হয়ে আসবে। হাতের যত্নে কফি পেঁয়াজ বা রসুন কাটার পর হাতে বাজে গন্ধ হয়ে যায়। যা বেশ অস্বস্তিকর। আর এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে কফি বেশ কার্যকার। এক্ষেত্রে আগে ব্যবহার করেছেন এমন কফি হাতে ভালোভাবে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হাত হবে দুর্গন্ধ মুক্ত। চোখের যত্নে গ্রিন টি ও কফি ব্যবহৃত গ্রিন টির ব্যাগ ফেলে না দিয়ে তা ঠাণ্ডা করে চোখের ওপর দিয়ে ২০ মিনিট চোখ বুজে বিশ্রাম করুন। এটি চোখ পরিষ্কার করবে। পাশাপাশি চোখের শিরায় আরাম দেবে। এছাড়া পান করার পর কফির দানাগুলো ফেলে না দিয়ে ঠাণ্ডা করে চোখের চারপাশে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ভালো ফল পাবেন। মাথার ত্বকের স্ক্রাব কফির গুঁড়া মাথার ত্বক উদ্দীপ্ত করে চুল নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে কন্ডিশনারের সঙ্গে সিকিভাগ কফি মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে কয়েক মিনিট হালকাভাবে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। ঝলমলে চুলের জন্য চা ও কফি এক কাপ গরম পানিতে দুটি টি-ব্যাগ দিয়ে তার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ নারিকেল তেল ও ১ টেবিল চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ঝলমলে হবে। এ ছাড়া চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে কফির পেস্ট লাগাতে পারেন। এবার চুলে শ্যাম্পু করার পর পানি ও কফি দিয়ে পেস্ট করে চুলে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। চুলকে উজ্জ্বল করার পাশাপাশি এটি চুলের রঙে গভীরতা নিয়ে আসবে। সূত্র: জিনিউজ ডব্লিউএন
চুল পড়ার সমস্যায় দৈনন্দিন ভুল

চুলের ভালো করতে গিয়ে আপনি এমন সব ভুল কাজ করতে পারেন যেগুলো আপনার চুলপড়ার সমস্যা বরং আরো বাড়াতে পারে। এমন কিছু ভুল আছে যেগুলো নারী-পুরুষ নির্বিশেষে উভয়েই না জেনে করে থাকেন। শ্যাম্পু করা থেকে শুরু করে চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে এমন কিছু ভুল আছে যেগুলো আমরা না জেনেই বারবার করতে থাকি। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই ভুলগুলো কি কি। ১. চুলের যত্নে একই সময়ে একাধিক পণ্য ব্যবহার : চুলের যত্নে একই সময়ে একাধিক পণ্য ব্যবহার করাটা আসলেই ক্ষতিকর। একই সময়ে শুধু একটি ব্র্যান্ডের পণ্যই ব্যবহার করা উচিত। আর এ ক্ষেত্রে কোন ব্র্যান্ডের পণ্যটি আপনার বিশেষ ধরনের চুলের জন্য উপকারি হবে তা নিশ্চিত হয়েই ব্যবহার করতে হবে। ২. সঠিক পদ্ধতিতে চুল না আঁচড়ানো : সঠিক পদ্ধতিতে চুল আঁচড়ানোর জন্য আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী চিরুনি বা ব্রাশ বাছাই করতে হবে। কাঠের চিরুনি সব ধরনের চুলের জন্যই উপযোগী। আর ভেজা অবস্থায় চুল বেশি আঁচড়াবেন না। এতে চুল ভেঙ্গে যায় এবং চুল পড়া বাড়ে। নারীরা অনেক সময় শুধু চুলের গোড়া আঁচড়ান। খুলির চুল আঁচড়ান না। কিন্তু মনে রাখবেন খুলির চুল আঁচড়ানো এমন একটি ব্যায়াম যা চুল গজানোর হার বাড়ায়। ৩. ঠিকভাবে চুল সাইজ না করা : চুল সেকশন বা ভাগ করার সময় এমনভাব করতে হবে যাতে প্রতিটি সেকশন হালকা থাকে এবং সহজে ম্যানেজ করা যায়। সুতরাং ছোট ছোট করে সেকশন করুন। ৪. ভুলভাবে শ্যাম্পু করা : সঠিক পদ্ধতিতে শ্যাম্পু করলে চুলপড়ার সমস্যা কমে। প্রথমত, আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মাথার ত্বকে স্ক্রাব করে বা ঘষে-মেজে শ্যাম্পু করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে এমনভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে কোনো শ্যাম্পু না থাকে। এরপর কন্ডিশনার লাগানোর সময়ও চুলের ভেতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে ভালোভাবে লাগান। অতিরিক্ত পানি নিংড়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। ৫. ভেজা চুল নিয়ে ঘুমানো : নারী-পুরুষ উভয়েই অলসতার কারণে প্রায়ই ভেজা চুল নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভেজা চুলে ঘুমালে বালিশ বা বিছানার সঙ্গে চুলের সংঘর্ষের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যার ফলে পরদিন সকালে চুল কুঁকড়ে যায়। এবং চুল পড়া বেড়ে যায়। সুতরাং ঘুমানোর আগে চুল পুরোপুরি শুকিয়ে ঘুমাতে যান। চুল শুকানোর সেরা পদ্ধতি হলো পুরোনো সুতির টি-শার্ট ব্যবহার করা। আর তাড়াতাড়ি চুল শুকাতে চাইলে হেয়ার ড্রায়ার ব্রবহার করুন। ৬. সুইমিং পুলে চুলের দূষণ : আপনি যতই মাথায় সুইমিং ক্যাপ পরেন না কেন সুইমিং পুলে নামলে আপনার চুলে রাসায়নিক দুষণ হবেই। শুকনো চুলে পুলের পানিতে নামলে পুলের পানিতে থাকা রাসায়নিক সহজেই মাথার ত্বকে ঢুকে যায়। যার ফলে চুলের গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চুল পড়া বাড়ে। সুতরাং পুলে নামার আগে অন্য পানি দিয়ে চুল ভিজিয়ে নিন। ৭. অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার : বেশি বেশি শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল তার নিজস্ব আর্দ্রতা এবং তেল হারায়। যার ফলে চুল শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এর সমাধান হলো শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করার হার কমিয়ে দিন। তবে চুলের সুন্দর লুক ধরে রাখার জন্য শ্যাম্পু করা জরুরি হলে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। ৮. ভুল পদ্ধতিতে চুল শুকানো : আমাদের প্রায় সকলেই লম্বা তোয়ালে ব্যবহার করে চুল শুকাই। আর চুলের যত্নের রুটিনে এটা একটা বড় ভুল। তোয়ালের অমসৃণ সুতা চুলের বহিঃত্বককে উস্কো-খুস্কো করে তোলে। যার ফলে চুল ভঙ্গুর হয়ে ওঠে। তারচেয়ে বরং ভেজা চুলে তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন ১০ মিনিট। চুলের পানি শুষে নেওয়ার পর তোয়ালেটি সরিয়ে ফেলুন। এরপর একটি পুরোনো টি-শার্ট দিয়ে চুল মুছে ফেলুন। চুল শুকানোর পর সঠিকভাবে চুল আঁচড়ান। ৯. ধোয়ার পরে চুল ব্রাশ করা : চুল জট বাঁধা এবং ক্ষয় বেশি হয় এইমাত্র ধোয়া চুলে। ধোয়ার পরপরই চুলে ব্রাশ করতে চাইলে চুলও পড়ে অনেক বেশি। সুতরাং এখন থেকে শ্যাম্পু করার আগে বা ধোয়ার আগে চুল ব্রাশ করুন। এতে জটপড়া বা উস্কো-খুস্কো ভাব কমবে। সূত্র  : বোল্ডস্কাই আরকে/ডব্লিউএন

ত্বক স্নিগ্ধ ও মোহনীয় করে অ্যালোভেরা

বাংলায় ঘৃতকুমারী। ইংরেজীতে সেটিই আমাদের কাছে অ্যালোভেরা নামে পরিচিত। এই প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের সৌন্দর্যি বাড়াতে এর ভূমিকা অনন্য। অ্যালোভেরার রস ত্বক করে কোমল, মোহনীয় ও সিগ্ধ। রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বক গ্লো করা, সজীব রাখা, চুল পড়া রোধ করা, চুল ঘন ও লম্বা করা সবকিছুতেই এই অ্যালোভেরার উপস্থিতি। আর অনেক ধরণের ঔষধি উপাদান আছে বলেই সৌন্দর্য্য জগতে অ্যালোভেরার ব্যবহারও অনেক বেশি। চলুন জেনে নিই চমৎকার সব ঔষধি গুণ সম্বলিত এ ভেষজ উদ্ভিদের কয়েকটি ব্যবহার- ১. বয়সের বাড়ার সঙ্গে আমাদের চামড়ায় ভাজ পড়ে যা আপনি সহজেই রুখতে পারেন এই অ্যালোভেরা ব্যবহার করে কারণ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ। এই জেল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং এর ভিটামিন এ, বি, সি ও এ উপাদান ত্বকের পুষ্টি যোগায়।২. শুষ্ক ত্বকের জন্য ব্যবহৃত কসমেটিক্স এ অ্যালোভেরা থাকে কারণ এটি ত্বককে সজীব রাখে৷অ্যালোভেরার ভিতরের জেল বের করে মুখের লাগালে ত্বক মসৃণ, উজ্জ্বল আর নরম হবে। ৩. ঠোঁট এর রঙ উজ্জ্বল রাখতে ঠোঁট নরম আর মসৃণ করতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যায়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ঠোঁটে লাগলেই ঠোঁট উজ্জ্বল হবে। এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো আর এলোভেরা জেল মিশিয়ে আস্তে আস্তে এই মিশ্রণ ঠোঁটে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৪. ত্বকের মৃত কোষ দূর করার মাস্ক তৈরি করার জন্য চা চামচ ফ্রেশ এলোভেরা জেল যা ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এক চা চামচ ওটমিলের গুড়া আর ১/২ চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাস্ক মুখে আর গলায় লাগিয়ে রাখুন তিরিশ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন৷ সন্তাহে একবার এটি ব্যবহার করুন। ৫. ত্বকের পাশাপাশি চুলের জন্য অ্যালোভেরা অনেক উপকারি। অ্যালোভেরার ব্যবহারে মাথার ত্বকের পি এইচ ঠিক থাকে আর খুশকিও দূর হয়। ২:১ অনুপাতে এলোভেরা জেল আর ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে সারা রাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করতে হবে। চুল `খুশকি` মুক্ত থাকবে। এছাড়া দুই টেবিল চামচ `অ্যালোভেরা` জেল আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক সান বার্ন হয়ে যাওয়া ত্বকে লাগিয়ে পনেরো মিনিট রাখার পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি রোদে পোড়া দাগ দূর করে ত্বকের আদ্রতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সূত্র : বোল্ডস্কাই//এআর

তারুণ্য ধরে রাখতে…

রূপ লাবণ্য বাড়াতে তারুণ্য ধরে রাখা চাই। নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা ও কয়েকটি সহজ উপায় মেনে চললে তারুণ্য ঠিক রাখা সম্ভব। সঠিক পরিচর্যার অভাবে অনেকেই বুড়িয়ে যান অল্প বয়সেই। উল্টোদিকে তাকালে দেখা যায়  অপেক্ষাকৃত বয়স্কদের বেশ ফিট ও ছিমছাম দেখা যায়। শুধু চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে নয়, পুরো শরীরে চাঙ্গাভাব ধরে রাখতে স্বাস্থ্যসচেতন হওয়া জরুরি। ঠিকমতো ঘুমানো, শারীরিক ব্যায়াম করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, সবুজ সবজি গ্রহণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। তারুণ্য ধরে রাখতে পানির গুরুত্ব রয়েছে। মানবদেহের ৬০ শতাংশই থাকে পানি। ত্বকের সুস্থতা ও তারুণ্যের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা বেশি। তারুণ্য ধরে রাখতে কিছু টিপস দেওয়া হলো। *যেসব পানীয় আপনার কাছে সুস্বাদু সেগুলোই রাখুন খাবারের সঙ্গে। এতে অধিক তরল পান করা হবে। *পর্যাপ্ত ফল ও সবজি খান। ফল ও সবজিতে প্রচুর মিনারেল থাকে। *তারুণ্য ধরে রাখতে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনা জরুরি। যারা মন থেকেই তারুণ্য ধরে রাখতে চান, তাদের খাবার তালিকায় নিচের খাবারগুলো যোগ করুন। *মাছ, ওমেগা-৩ ফ্যাট আর আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বেশি করে মাছ খান, তারা দীর্ঘ জীবন পান। *জলপাই তেলে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল, যা বার্ধক্যজনিত রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাই তেল হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়। এ ছাড়া জলপাই তেলে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ই’ ত্বকের কুচকে যাওয়া রোধ করে। *দইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম হাড়ের ক্ষয়রোধ করে। এ ছাড়া দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া হজমের জন্য ভালো। ত্বকে দই মাখালে ব্রণের উপদ্রব থেকেও রেহাই পাবেন। নিয়মিত দই মাখলে ত্বক কোমল হয়। চামড়ায় ভাজ পড়ে না, রোদে পোড়া ভাব ও শুষ্ক ভাব দূর হয়। এ ছাড়া দইয়ে আছে ল্যাকটিক এসিড, যা ত্বকের মরা চামড়া দূর করে। চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে করণীয়অতিরিক্ত ঘুম পরিহার করতে হবে। সাধারণভাবে একজন মানুষের উচিত দৈনিক ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানো। তারুণ্য ধরে রাখার কিছু মেকআপ টিপস :*ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলেই নয়। এটি যাতে ত্বকে ভালোভাবে মিশে যায় সেদিকটাও খেয়াল রাখতে হবে। এতে ত্বক শুধু মসৃণই দেখাবে না; নিজেকে সুন্দরও দেখাবে। *মুখে কালো দাগ থাকলে সেক্ষেত্রে কনসেলার ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এটি সহজেই কালো দাগ ঢেকে ফেলে মুখে একটা ন্যাচারাল লুক নিয়ে আসে। এতে সুন্দর দেখার পাশাপাশি বয়সও অনেক কম মনে হয়। *ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে উন্নতমানের পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে আসে এবং ত্বক অনেক উজ্জ্বল দেখাবে। চাইলে একটি ট্রান্সসুলেন্ট পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। বয়সের ছাপ দূর করতে কিন্তু ভালো কাজ করে এই পাউডার। *একজন মানুষের পূর্ণ অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় তার চোখেই। কাজেই চোখ সাজানো এড়িয়ে গেলে চলবে না। চোখ সাজাতে মাশকারা, আইলাইনারের মতো অনেক জিনিসই ব্যবহার করতে পারেন। *শুধু মুখ আর চোখ সাজালেই হবে না, নজর দিতে হবে কিন্তু ঠোঁটের দিকেও। তারুণ্য ধরে রাখতে গাঢ় রঙের অথবা উজ্জ্বল কালারের লিপস্টিক ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন। কারণ এসব কালারে বয়স আরও বেশি মনে হয়। এক্ষেত্রে লিপগ্লোজ ব্যবহার করা বেশি ভালো। *শুধু সাজের বেলায় নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। কাজেই মেকআপ করলেই শুধু হবে না, তা যাতে সুন্দরভাবে মুখের সঙ্গে মিশে থাকে তাও খেয়াল রাখা জরুরি। তাতে নিজেকে আরও বেশি তরুণ মনে হবে।//সূত্র : বোল্ডস্কাই //এআর

কদবেলের সাতকাহন

দেশি ফল কদবেলে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। টক স্বাদের এ ফলের খাদ্যশক্তি কাঁঠাল ও পেয়ারার সমান। আমিষের পরিমাণ একটি আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুণ, কাঁঠালের দ্বিগুণ, লিচুর চেয়ে ৩ গুণ, আমলকী ও আনারসের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি। শক্ত খোলসে আবৃত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মৌসুমী এ ফল মূলত স্বাদের জন্যই খাওয়া হয়। তবে পুষ্টিগুণ বিচারে কদবেল সত্যিই অনন্য। আসুন জেনে নেয়া যাক কদবেলের সাতটি গুণাগুন। রক্ত পরিষ্কার করেকদবেল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বুক ধড়ফড় এবং রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। গুড় বা মিছরির সঙ্গে কদবেল মিশিয়ে খেলে শরীরের শক্তি বাড়ে এবং রক্তস্বল্পতা দূর হয়।পেট ভালো রাখেকদবেলে রয়েছে ট্যানিন নামক উপাদান, যা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা ভালো করে। কাঁচা কদবেল ছোট এলাচ, মধু দিয়ে মাখিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়।ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করেকদবেলের খনিজ উপাদান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ডায়াবেটিসের আয়ূর্বেদী চিকিৎসায় কদবেল ব্যবহার হয়।কিডনির সমস্যা দূর করেকদবেল উদ্দীপক ও মূত্রবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয় আয়ূর্বেদ শাস্ত্রে। এ ফল নিয়মিত খেলে কিডনি সুরক্ষিত রাখে। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা বিদ্যায় কিডনি সমস্যা দূর করার জন্য সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হতো কদবেল। ফলটি যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।পেপটিক আলসার ভালো হয়কদবেল পাতার রস পানির সঙ্গে নিয়মিত পান করলে পেপটিক আলসার দ্রুত ভালো হয়। আলসারের ক্ষত সারাতে তাজা কদবেল বেশ কার্যকরী।রূপচর্চায় কদবেলব্রুণ ও মেছতায় কাঁচা কদবেলের রস মুখে মাখলে বেশ দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। শ্বাসযন্ত্রের রোগে কদবেলকদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দুধ-চিনির সঙ্গে কদবেলে পাতা মিশিয়ে এক ধরনের খাদ্য তৈরি হয়। এই রস শিশুদের পেট ব্যথার চিকিৎসায় চমৎকার কাজ করে।১০০ গ্রাম কদবেলে রয়েছেপ্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলের পুষ্টিমান পানীয় অংশ ৮৫ দশমিক ৬ গ্রাম, খনিজপদার্থ ২ দশমিক ২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৯ কিলো ক্যালরি, আমিষ ৩ দশমিক ৫ গ্রাম, চর্বি শূন্য দশমিক ১ গ্রাম, শর্করা ৮ দশমিক ৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫ দশমিক ৯ মিলিগ্রাম, লৌহ শূন্য দশমিক ৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি শূন্য  দশমিক ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ১৩ মিলিগ্রাম এবং  প্রতি ১০০ গ্রামের শক্তি উত্পাদন ক্ষমতা ৪৯ কিলো ক্যালরি। সূত্র: ফুড ব্লগ//এআর

যে কারণে দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া যাবে না

দুধ ও কলা অনেকেরই প্রিয় খাবার। কলা দিয়ে অনেকেই দুধ-ভাত মেখে খান। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। দুধ ও কলা আলাদা আলাদাভাবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু একসঙ্গে খেলে তা বরং খারাপই হতে পারে। জেনে নিন দুধ কলা একসঙ্গে খেলে কী হয়- *দুধ ও কলা আলাদা দুই ধরনের দুটি খাবার। দুধে প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২ এবং রিবোফ্লেভিন ও ক্যালসিয়ামের মত খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি ১০০গ্রাম দুধ ৪২ক্যালরি বহন করে। যদিও ‘সুষম খাদ্য দুধ’ কথাটি এখন যথার্থ মনে হয় না কারন দুধে ভিটামিন সি, হজম আঁশ নেই। সেই সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও কম। *অন্যদিকে, কলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি, পাচক আঁশ, পটাশিয়াম এবং বায়োটিন আছে। প্রতি ১০০গ্রাম কলায় ৮৯ ক্যালরি থাকে। কলা আমাদের পাকস্থলিকে ভারী করে রাখে এবং আমাদেরকে অনেকক্ষণ ‘পেট ভরা’ অনুভূতি দেয়। প্রচুর কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ কলা শারীরিক ব্যায়ামের আগে ও পরে গ্রহণে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে।  *অনেকেই মনে করেন কলা ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া ভাল। কিন্তু গবেষণা বলছে এমনটা ঠিক না। গবেষণা মতে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা যে শুধু আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা করে তাই নয়। তা আমাদের সাইনাসের শোষনকেও ব্যাহত করে। এটা আমাদের সাইনাসের সমস্যা সৃষ্টি করে এবং এলার্জির কারনও হতে পারে। তাই অনেকে দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া অনেকেই সমর্থন করলেও এমন সেবনে আমাদের বমি বমি ভাব আনতে পারে। এমনকি তা আমাশয়ের কারনও হতে পারে। *আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রেও দুধ ও কলা একত্রে খাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। দুধ ও কলা একঙ্গে খেলে আমাদের দেহে টক্সিফিকেশন হতে পারে যা দেশের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। সেই সঙ্গে দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা আমাদের মধ্যে গুরুতর হতাশা তৈরি করতে পারে এবং আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই গবেষকরা বলছেন দুধ ও কলা একসাথে খাওয়া যাবে না। যদি আপনি কোন শারীরিক অনুশীলনের আগে বা পরে দুধ-কলা খেতে চান তাহলে দুধ খাবার অন্তত ২০মিনিট পর কলা খেতে পারেন। আর যদি দুগ্ধজাত কোন খাবারের সাথেই কলা খেতে চান তবে দই এর সঙ্গে খেতে পারেন। সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া //এস এইচ/এআর

মুখের দুর্গন্ধ দূর করুন সহজ উপায়ে

কর্মব্যস্ততামুখর এই জীবনে নিজের শরীরের জন্য হয়তো খুব একটা সময় রাখাই হয়না আপনার। যত্ন নেওয়া হয়না দাঁত ও মুখের। কিন্তু এই সামান্য অযত্নের ফলে বাড়তে থাকা মুখের দুর্গন্ধ যা আপনার সামাজিক ও পেশাগত জীবনে ফেলতে পারে অনেক খারাপ প্রভাব। আর তাই খুব কম কষ্টে কি করে স্বাস্থ্যকর নিঃশ্বাসের অধিকারী হওয়া যায় জেনে নিন সে কৌশল। মুখের দুর্গন্ধ দু’রকমের হতে পারে। স্বল্পস্থায়ী এবং দীর্ঘস্থায়ী। স্বল্প সময় ধরে থাকা মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। এসময় সামান্য কষ্ট করলেই আপনি দুর করতে পারেন এই ঝামেলাকে। সেগুলো হল- অধিক পানি পান করা, দাঁত ব্রাশ করা, চিনিবিহীন  চকোলেট অথবা চুইঙ্গাম খাওয়া। কিন্তু এটা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সমস্যায় পরিণত হয়ে থাকে তাহলে নিচের কাজগুলো আপনাকে ভালো ফল দিতে পারে। যেমন- দিনে দু’বার (সকালে ও রাতে) কমপক্ষে দুই মিনিটের জন্য ব্রাশ করা। ব্রাশ করার সময় কিছু ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। যেমন ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী ব্রাশ ব্যবহার করা, প্রতি তিন-চার মাস অন্তর ব্রাশ বদলে ফেলা, মুখের প্রতিটি কোনায়, বিশেষ করে মাড়িতে ভালোভাবে ব্রাশ করা, জুস খাবার ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্রাশ না করা, প্রয়োজন পড়লে জিব্বা পরিষ্কার করার জন্য টাঙ ক্লিনার ব্যবহার করা ইত্যাদি। যেসব খাবার মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া উত্পাদন করে সেগুলোকে এড়িয়ে চলা। নিয়ম মেনে খাওয়া। যেমন- এলকোহল, সিগারেট, পেয়াজ, রসুন, মাছ ইত্যাদি। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন- খাবার আগে বা অন্তত আধা ঘণ্টা পর প্রচুর পানি পান করুন। দীর্ঘক্ষণ পানি পান না করলে মুখে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয় এবং এতে করে দুগর্ন্ধ দেখা দেয়। শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধকারী স্যালিভা উৎপন্ন করার জন্যে পানি পান করা জরুরি। তবে খেয়াল রাখবেন, পানি আপনি পান করছেন তা যেন অবশ্যই পরিষ্কার ও ফ্লোরাইড মুক্ত হয়। যেহেতু স্যালিভা অক্সিজেনে পরিপূর্ণ, সেহেতু অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে তাদের বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এটি প্রাকৃতিক এনজাইমে ভরপুর যেটি কিনা ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য যখন আপনি পানি, মাউথওয়াশ কিংবা অন্যান্য হাইজিন সামগ্রী ব্যবহার করেন তখন বিভিন্ন অ্যান্টিবডি তৈরি করে। লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি করুন আপনি গলা এবং টনসিল থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্যে লবন-পানি দিয়ে গার্গল বা কুলকুচি করতে পারেন। হিমালয়ান ক্রিস্টাল লবণ এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। সেটি হাতের নাগালে না পেলে আপনি সাধারণ সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (খাবার লবন) দিয়েও এটি করতে পারেন। পানি যেন হালকা গরম থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। এভাবে কুলকুচি করলে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঠাণ্ডার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস বদলে ফেলুন নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লস করুন, বিশেষ করে খাওয়ার পরে। বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মেজেছেন কখনো? এটি কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। ছয় মাসে অন্তুত একবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত পরীক্ষা করান। তার দেওয়া সাজেশন সমূহ খুব ভালো মতন অনুসরণ করুন। নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ ব্যাপারটি দারুণ অস্বাস্থ্যকরও বটে। আশা করছি উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে উপকার পাবেন আপনি। কেআই/ডব্লিউএন

নিজেই রাঁধুন সুস্বাদু কাচ্চি বিরিয়ানি

স্বাদে, গন্ধে ও পছন্দের দিক দিয়ে অনেকের কাছেই প্রিয় কাচ্চি বিরিয়ানি। কাচ্চির কথা মনে আসতেই জিভে জল এসে যায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও কাচ্চি বিরিয়ানির জুড়ি নেই। কাচ্চি বিরিয়ানি পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। তবে অনেকেরই আবার হোটেলে খাওয়া নিয়ে থাকে নানা অজুহাত। কেউ হোটেলেই খেতে বেশি পছন্দ করেন, কেউবা হোটেলমুখী হতে চান না। তাই আপনি পরিবারের সদস্যদের খুশি রাখতে ঘরেই রান্না করতে পারেন কাচ্চি বিরিয়ানি। জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন সুস্বাদু কাচ্চি বিরিয়ানি উপকরণ: খাসির মাংস ১ কেজি, আদা পেস্ট ১ চা চামচ, রসুন পেস্ট ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ৩-৪ চা চামচ, এলাচি এবং দারুচিনি ২-৩টি, জিরা গুঁড়া ৩ চা চামচ, লবঙ্গ এবং জয়ত্রী আধা চা চামচ, জয়ফল গুঁড়া ১/৮ চা চামচ, আস্ত জিরা ১-২টি, টক দই ২ টেবিল চামচ, ঘি ৩/৪ চা চামচ, গোল আলু ৫টি, অরেঞ্জ খাবার কালার, পেঁয়াজ কুচি ১/২ চামচ, বাসমতি চাল ৪ কাপ, পানি ৬ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ চামচ, তরল দুধ ২ চামচ, জাফরান ১০-১২টি, আলু বোখারা ও লবণ পরিমাণমতো লাগবে। যেভাবে রান্না করবেন: প্রথমে মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পিতলের হাঁড়িতে মাংসের সঙ্গে আদা-রসুন বাটা, লবণ, চিনি, টক দই, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা মতো রেখে দিন। এবার গরম মসলার গুঁড়া, অর্ধেক ঘি ও জাফরান দিয়ে ভালোভাবে মাংস মেখে ১০ মিনিট রাখুন। এবার দুই কাপ তরল দুধ মাংসের উপর ঢেলে দিন। আলু সামান্য লবণ মাখিয়ে তেলে ভেজে মাংসের ওপর দিন। চাল ধুয়ে অল্প সিদ্ধ করে মাংসের উপর দিন। বাকি অর্ধেক ঘি, পেঁয়াজের বেরেস্তা, কিশমিশ, আলু বোখারা, বাদাম, গোলাপজল ছড়িয়ে দিয়ে অল্প আঁচে এক ঘণ্টার মতো চুলোয় রাখুন। তবে চুলোয় উঠানোর আগে আটা গুলিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। এক ঘণ্টা পর আঁচ আরও কমিয়ে রাখুন। খড়ির চুলোয় রান্না করতে পারলে ভালো। গ্যাসের চুলোর ক্ষেত্রে তাওয়ার উপর হাঁড়ি বসিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। হয়ে গেল পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি। এবার চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। আর/ডব্লিউএন

শিশুকে সুন্দর আচরণ শেখাতে

শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। তাদের কাছ থেকে সুন্দর আচরণ প্রত্যাশা করলে তার সঙ্গে সুন্দরভাবেই আচরণ করতে হবে। শিশুর সুন্দর আচার আচরণ গঠনে মূল ভূমিকা পালন করে পরিবার। পরিবার থেকেই শেখাতে হবে বড়দের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করতে হয়  আর ছোটদের কীভাবে ভালোবাসতে হয়। তাছাড়া শিশুরা একটু বড় হলেই বাইরের অন্য শিশুদের সঙ্গে মেলামেশা করে। ফলে তাদের আচার-আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে। যদি বুঝতে পারেন শিশু খারাপ কিছু শিখছে তাহলে তাকে শোধরানোর চেষ্টা করতে হবে। * প্রথমেই, শিশুকে বাধ্য হয়ে চলার শিক্ষা দিতে হবে। * বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের ভালোবাসার শিক্ষা দিতে হবে। এসব বিষয় সম্পর্কে  উপদেশের মতো শিক্ষা না দিয়ে বাস্তবে করে দেখাতে হবে। যেমন- আপনি নিজে বড়দের প্রতি বাধ্য ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে এবং ছোটদেরকে ভালোবেসে আপনার সন্তানের কাছে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরুন। এতে শিশু তা খুব সহজেই গ্রহণ করবে।  * শিশুরা কোনো ভুল করলে তাদেরকে প্রথমে বোঝাতে হবে। প্রয়োজনে পরে বকা দিতে পারেন। তবে বকা দেওয়ার সময় শিশুকে কোনো রকমের আজেবাজে বা অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করা ঠিক নয়।   * বাসায় অতিথি এলে শিশুকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে ও সময় কাটাতে উৎসাহিত করুন। এতে ছোট থেকেই তার মধ্যে সামাজিকতার বোধ জেগে উঠবে।  * শিশুর সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করুন। তাহলে সে আপনার কাছ থেকে কোনো কিছু লুকাবে না। এবং সকল কথাই সে সাদরে গ্রহণ করবে।   * শিশুর সঙ্গে সব সময় সত্য কথা বলুন। তাকে সত্য বলতে উৎসাহিত করুন। কোনো ভুল করে যদি সে স্বীকার করে তাহলে কড়া শাসন না করে বুঝিয়ে বলুন ও ভবিষ্যতে যেন এমন কাজ না করে সে বিষয়ে সাবধান করে দিন।  * দিনের নির্দিষ্ট একটি সময় বেছে নিন কেবল শিশুর জন্য। এই সময় অন্য কোনো কাজ না করে তার সঙ্গে সময় কাটান। তার সঙ্গে গল্প করুন, আনন্দ করুন মোটকথা সম্পূর্ণ মনোযোগ তার দিকে দিন। ফলে সে বুঝবে আপনার কাছে তার গুরুত্ব আছে। তখন সেও আপনার প্রতিটি কথা ও মানসিক অবস্থার গুরুত্ব দিবে। শিশুকে মানুষের মতো মানুষ করে তুলতে তার সুন্দর ব্যবহার ও সৎ চরিত্র বিকাশে সহায়তা করা উচিত। এতে শিশু বর্তমান ও ভবিষ্যত সময়েও বিপথগামী হবে না। তাই শিশুর সঠিক বিকাশে ছোট থেকেই সহায়তা করা উচিত। কেআই/ডব্লিউএন

ত্বক সুস্থ ও ব্রণমুক্ত রাখবে টমেটো

টমেটো দেখতে যেমন সুন্দর, উপকারও নেহায়েত কম নেই এতে। এটি শরীরের জন্য যেমন উপকারি, ত্বকেরও সুরক্ষা দেয়। এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমায়। ভারতের ‘অরিফ্লেইম ইন্ডিয়া’র স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ সোনিয়া নারাং এবং শরীরচর্চা কেন্দ্র ‘ফিটপাস’য়ের পুষ্টিবিদ মেহের রাজপুত সেদেশের গণমাধ্যমে টমেটোর উপকারিতা সম্পর্কে লিখেছেন। আসুন জেনে নেই সেই সম্পর্কে।* ‘লাইকোপেইন’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট’য়ের কারণে টমেটোর রং লাল হয়। এই উপাদান কোলেস্টেরলের হ্রাস, দৃষ্টি ও ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।* টমেটো ত্বক, মুখ ও চুলের জন্য অনেক উপকারী। এতে সব ধরনের ক্যারোটেনোইডস থাকে যেমন- আলফা, বেটা ক্যারোটিন, লু্টেইন এবং লাইকোপেইন।* ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন, ফলাট, পটাশিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের ভালো উৎস টমেটো। একটি মাঝারি মাপের টমেটোতে ২২ কিলোক্যালরি, শূন্য (০) গ্রাম ফ্যাট, ৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম খাদ্যআঁশ, ১ গ্রাম প্রোটিন ও ৫ গ্রাম সোডিয়াম থাকে। এগুলোর মধ্যে লাইকোপেইন উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ উপাদান, যা প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজান্ট হিসেবে ত্বকের খোলা লোমকূপ সঙ্কুচিত করতে সাহায্য করে।লাইকোপেইন সমৃদ্ধ খাবার যেমন- টমেটো ত্বকের রোদপোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করে।* টমেটো ত্বকের `ব্ল্যাক হেডস` অপসারণে কাজ করে। তাই এক টুকরা টমেটো নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ঘষলে উপকার মিলবে। * ত্বকে রোদপোড়াভাব, নির্জীব এবং অসামঞ্জস্য রংয়ের সমস্যা দূর করতে ঘরে তৈরি টমেটোর মাস্ক ব্যবহার করুন।টক দইয়ের সঙ্গে টমেটো মিশিয়ে মাস্কের মতো করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এটা ত্বকের ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে এবং সতেজ অনুভূত হয়। * টমেটো ব্রণ দূর করতে খুব ভালো কাজ করে। এর ভিটামিন এ, সি, কে এবং অ্যাসিডিক উপাদান ব্রণ কমাতে, ত্বক পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। টমেটোর ভেতরের অংশ মুখে লাগিয়ে রেখে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন, ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।* রোজ খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখুন। এটা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে। কারণ টমেটো পটাসিয়ামের ভালো উৎস। পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাসিয়াম খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীরে পানি ধরে রাখার সমস্যা কমে। ফলে মুখের ফোলা কমতে থাকে।একটি বড় টমেটোতে সাধারণত ৪৩১ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম থাকে যা দেহে চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশের সমান।* টমেটোতে ক্যালরির মাত্রা কম, এটা উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ যাতে রয়েছে এবং শর্করার মাত্রাও কম। এতে প্রচুর পরিমাণে আলফা-লিপোইক অ্যাসিড থাকে যা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।//এআর

যেভাবে বুঝবেন আপনি প্রেমে পড়েছেন

অনেকেই প্রেম করে বুঝে আবার অনেকেই প্রেম করে না বুঝে। তবে কিছু প্রেম আছে এমন যে, আপনি তার জন্য সব কিছু করছেন অথচ বুঝতে পারছেন না আপনি তার প্রেমে পড়েছেন। এখন জেনে নিন আপনি কীভাবে বুঝবেন যে প্রেমে পড়েছেন, নাকি আপনার ভালোবাসা শুধুই আবেগ। মনে পড়বে সারাক্ষণ: যখন দেখবেন আপনি তার কথা না ভেবে থাকতেই পারছেন না। দিনে শত ব্যস্ততার মধ্যে, এমনকী গান শুনতে শুনতে কিংবা সিনেমা দেখতে দেখতেও তার কথাই মনে পড়ছে। তাহলে আপনি বুঝবেন আপনি তার প্রেমে পড়েছেন। ‘গুডবাই’ না বলা: তাকে কখনই বিদায় দিতে ইচ্ছে করে না। ‘গুডবাই’ বলতেও ইচ্ছে করে না। তার জন্য খরচ করতে ইচ্ছে করে সব সময়। তার জন্য নিত্য নতুন জিনিসও কিনে ফেলে কিছু না ভেবেই। তাহলে বুঝবেন আপনি প্রেমে পড়েছেন। নিজের অনুভূতি: প্রেমে পড়লে অনেক সময়েই নিজের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন না। কখনও অকারণে খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন তার জন্য। পছন্দ-অপছন্দ: বেশির ভাগ সময়েই আপনি সেটাই চাইবেন, যেটা তিনি (যে মেয়েটির সঙ্গে আপনি সময় দিচ্ছেন) ভালোবাসেন। মতামতকে গুরুত্ব: একসঙ্গে ভবিষ্যত্ প্ল্যানিংও করেন। তার মতামতও গুরুত্ব দিয়ে শোনেন ও ভাবেন। একান্তে তার সঙ্গে সময় কাটাতে চান। স্বপ্ন দেখা: তার সঙ্গে সময় কাটালে যেন মনে হয় নিজের পরিবার, পরিজনদের মধ্যেই রয়েছেন। সে যেন আপনার মনের আয়না। ধীরে ধারে তার মতো করেই ভাবতে, স্বপ্ন দেখতে, চিন্তা করতে শুরু করেন আপনি। তাহলে অবশ্যই আপনি বুঝবেন প্রেমে পড়েছেন। আর/ডব্লিউএন

গৃহিনীরা যেভাবে স্লিম থাকবেন

সব সময় ঘরেই অবস্থান করেন এমন গৃহিনীদের ওজন কমানোটা বেশ কঠিন। কারণ তারা খুব কমই বাইরে যান। এ কারণে সংসার সামলিয়ে নিজের যত্ন নেওয়া এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা তাদের জন্য কঠিন হয়। তবে প্রত্যেক গৃহিনীর উচিত নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখা। কারণ বাচ্চাদের অফুরন্ত প্রাণশক্তির সঙ্গে পাল্লা দিতে হবে তাদের। আর বাচ্চাদের দায়-দায়িত্বতো আছেই। তাই জেনে নিন গৃহিনীদের জন্য সেরা ডায়েট পরিকল্পনা এবং পরামর্শ। বেশি বেশি পানি পান করুন: ওজন কমাতে বেশি পানি পান করার জুড়ি নেই। সকালের নাশতায় বড় দুই গ্লাস পানি পান করুন। আর দুপুরের বা রাতের খাবারের সময়ও যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন। এছাড়া দিনের অন্যান্য সময়ও পানি পান করুন। যত বেশি পানি পান করবেন ততই অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারবেন। খাবার পরিকল্পনা: রাতে ভারী খাবারের সম্ভাবনা থাকলে অবশ্যই সে অনুযায়ী সকাল এবং দুপুরের খাবারের পরিকল্পনা নিন। কারণ, ওজন নিয়ন্ত্রণে নিতে আপনাকে খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ক্যালরি কম খান: অবশ্যই আপনাকে শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং ক্যালরির পরিমাণ কমাতে হবে। একঘেঁয়েমি কাটাতে খাবার: মনে রাখবেন ঘরে একা থাকার কারণে আপনি হয়তো একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু এই অজুহাতে আপনি ভুল করেও বেশি বেশি খাবার খাবেন না। তবে ক্ষুধা লাগলে সবজি এবং চর্বিহীন প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে পারেন। শরীরটাকে নাড়ান: আপনি সারাদিন ঘরে আছেন, এ জন্য আপনাকে ঘরে বসেই নাচের মতো শরীরচর্চা করতে হবে। অথবা পার্কে গিয়ে একটু বেড়িয়ে আসতে পারেন। নিজেই রান্না করুন: গৃহিনীরা সাধারণত পছন্দনীয় খাবারগুলো রান্না করেন। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য গৃহিনীদেরকে নিজেদের জন্যও রান্না করা ভালো। আর/ডব্লিউএন

হাত থেকে মাংসের গন্ধ দূর করতে যা করবেন

কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সবার মাঝে এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। নারী পুরষ সবাইকেই বেশ ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয় এ সময়। এই ঈদে সাধারণত পুরুষেরা পশু কোরবানি থেকে শুরু করে মাংস কাটাকাটি করেন। আর নারীরা সে মাংস রান্নার উপযোগী করে কাটাকাটি করেন। এরপর তা ধুয়ে বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা ফেলে রান্না করেন। এসময় নারী পুরুষ উভয়ের উপরেই থাকে বাড়তি চাপ। এসব কাজে ত্বক হতে পারে খসখসে, খসে যেতে পারে নখ। এছাড়া হাত থেকে মাংস-মসলা ও আবর্জনার গন্ধ সহজে যেতে চায় না। তাই হাত কোমল ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে অনুসরণ করতে পারেন এসব পদক্ষেপঃ ১) ঈদের আগে হাত ও পা’র নখ ভালোমত পরিষ্কার রাখা উচিত। সেসাথে নখ কেটে ছোট রাখতে হবে। এতে নখ খসার সম্ভাবনা থাকে না। নখের মাঝে কোনো কিছু আটকে থেকে দূর্গন্ধও তৈরি করবে না। নখে কোমলতা ধরে রাখতে এবং শক্ত রাখতে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে নখে অলিভ অয়েল দেয়া ভালো। ২) সারাদিনের কাজ শেষে কুসুম গরম পানিতে নখ ও হাত ডুবিয়ে রাখতে হবে। এরপর হাত মুছে এবং নখের চারপাশে কিউটিকল ওয়েল মালিশ করতে হবে। কিউটিকল অয়েলের বদলে বাদাম ও জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে সমপরিমাণে মিশিয়ে মালিশ করলেও উপকার পাওয়া যাবে। ৩) মাংস কাটার পর মাংসের দুর্গন্ধ দূর করতে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে হাতে ও পায়ে খানিকটা হলুদ মাখিয়ে নিতে পারেন। হলুদ দিয়ে ভালো করে হাত ঘষে তারপর হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ৪) হলুদ দ্রুত হাতের দুর্গন্ধ দূর করবে। তবে তা নখে ও হাতে হলেদেভাব তৈরি করবে। এমন হলদেভাব দূর করতে হাতে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে টিস্যু দিয়ে উঠিয়ে নিতে হবে। ৫) হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লেবু। পুরো হাতে ও নখে সুগন্ধী লেবু মাখিয়ে নিলে দ্রুত দূর্গন্ধ দূর করবে। ৬) লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে বলে অনেকের ত্বকে তা সহ্য হয় না। এতে ত্বক রুক্ষ হতে পারে। ত্বকের এমন রুক্ষ ভাব দূর করতে ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও সরিষার তেলও কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে। ৭) হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লবণ। হাতের তালুতে খানিকটা লবণ নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে দুহাতে ঘষে নিতে হবে। ভালোভাবে হাতের দুপাশেই ঘষা হলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে লবণের সঙ্গে দুই ফোঁটা পছন্দসই এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। ৮) হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে মাউথওয়াশও ব্যবহার করা যেতে পারে। অল্প পরিমাণ মাউথ ওয়াশ হাতে ঘষে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। হাতে দুর্গন্ধ চলে যাবে। ৯) ভিনেগারঃ মাছ মাংস বা পেঁয়াজের তীব্র দুর্গন্ধ দূর করতে ভিনেগার আরেকটি কার্যকরী উপাদান। হাতে খানিকটা ভিনেগার নিয়ে ভালভাবে ঘষুন। এরপর বাতাসে শুকিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে সাবান দিয়ে হাত দুয়ে লোশন লাগিয়ে নিন। ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি