ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫৩:০০

ভিটামিনের অভাব অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!    

ভিটামিনের অভাব অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!    

ভিটামিনের অভাবে নানান রোগের প্রাণকেন্দ্র হতে পারে আপনার শরীর ৷ গবেষণার তথ্য অনুসারে, দেশজুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষ ভিটামিনের অভাবে ভোগেন ৷ ভিটামিনের অভাবে অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু৷ ভিটামিনের অভাবে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয় ৷ ফলে,খুব দ্রুত রোগাক্রমণের সম্ভবনা থাকে ৷ যার জন্য দায়ী অবশ্য আমাদের জীবনযাত্রাই৷   আপনার শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে বুঝবেন কীভাবে? ১) সকালে ফোলা চোখ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা ৷ অনেকের কাছেই বিষয়টি অবহেলার হলেও এটিও হতে পারে একটি অশুভ ইঙ্গিত ৷ প্রতিদিন যদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকে ৷ তবে, আপনাকে এখনি সাবধান হতে হবে৷ ঘরোয়াভাবে এই অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন আলু,দই ইত্যাদি৷  ২) বিবর্ণ ত্বক, হতে পারে আরও একটি লক্ষণ ৷ ভিটামিন (বি-১২) এর অভাবে ত্বকের স্বাভাবিক রঙে পরিবর্তন আসতে পারে ৷ এক্ষেত্রে দই হতে পারে একটি কার্যকরী উপাদান ৷  ৩) ভিটামিন (বি-৭) ও বায়োটিন অভাবে চুল হতে পারে রুক্ষ ৷ যেটা ভিটামিনের অভাব বলে গণ্য হতে পারে ৷ মুক্তির উপায় হতে পারে আমন্ড,বাদাম ইত্যাদি ৷  ৪) শরীরে আয়রনের অভাব হতে পারে একটি কারণ, যেখানে ঠোঁটের রঙে আসতে পারে বেশ পরিবর্তন ৷ প্রচুর শাক-সবজি হতে পারে মুক্তির উপায় ৷ খেতে পারেন পালং শাক, কড়াইশুঁটি ইত্যাদি। ৫) ভিটামিনের অভাব থেকে আরও একটি লক্ষণ দেখা যেতে পারে ৷ ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ইত্যাদি হতে পারে৷ ভিটামিন-সি এর অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন লেবু, আঙুর ইত্যাদি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলগুলো ৷ (সূত্রঃ কলকাতা ২৪ঘণ্টা) কেআই/এসি   
ঘুমের ওষুধ নয়, পাতে রাখুন ৬ খাবার

আপনারা অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভুগেন। যতই ঘুমাতে চান না কেন কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসে না। আর ঘুম না আসলে তখনেই নির্ভর করতে হয় ঘুমের ওষুধে। কিন্তু এতে আমাদের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হয়। তবে কিছু সাধারণ খাবারে এর সমাধান মিলতে পারে। হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। এগুলোর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। তাই ঘুমের সমস্যা হলে নির্ভয়ে খেতে পারেন এই সব খাবার। জেনে নিন তেমনই কিছু খাবারের কথা- পাকা কলা কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুদের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না, তারা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন। হালকা গরম দুধ হালকা গরম দুধ অনায়াসেই ঘুমের ওষুধের বিকল্প হতে পারে। অনেকেরই রাতের ঘুমে সমস্যা হয়। যারা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না বা বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে সারা রাত কাটাচ্ছেন, তারা রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম দুধ খেয়ে শুতে পারেন। দুধে আছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো অ্যাসিড, যা শরীরে ঘুমের আবেশ সৃষ্টি করে। এ ছাড়াও দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসে। ফলে ঘুম সহজেই চলে আসে। মধু মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছুক্ষণের জন্য, যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে। আলু সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে। ওটমিল যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভাল হবে। বাদাম রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

যে খাবার চোখে ঘুম এনে দেবে

ঘুম মানুষের শরীরের সমস্থ ক্লান্তি দূর করে। শরীরকে সুস্থ সতেজ রাখতে ঘুম অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। দৈনিক কমপক্ষে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।এর কম ঘুম হলে সেটা নিদ্রাহীনতা। এই ঘুম নিয়ে অনেকেই বেশ সমস্যায় ভোগেন। রাত হলে সময় মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই! ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের প্রায় অর্ধেক রাত পার হয়ে যায়। এমন সমস্যায় যাঁরা আছেন, তাদের  অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এর থেকে মুক্তি পেতে উপায় কী? কিছু সাধারণ খাবার হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে থাকে। এগুলো খেলে কোন রূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই অনিদ্রার সমস্যার সমাধানের জন্য নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নেই খেতে পারেন এই খাবারগুলো। আসুন জেনে নিন, তেমনই কিছু খাবার সম্পর্কে, যেগুলো হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। পাকা কলা কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুধের বিকল্পও বলা যেতে পারে। পাকা কলায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে।এ ছাড়া কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ তৈরি করে। তাই যাঁদের ঘুম হয় না, তাঁরা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন। গরম দুধ গরম দুধ অনায়াসেই ঘুমের ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে থাকে। যাঁরা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না বা বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে সারা রাত কাটাচ্ছেন, তাঁরা রাতে ঘুমানোর পূর্বে হালকা গরম দুধ খেয়ে বিছানায় যেতে পারেন। দুধে রয়েছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো অ্যাসিড, যা শরীরে ঘুমের আবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়া  দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে থাকে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসে।ফলে ঘুম সহজেই চলে আসে। মধু মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছু ক্ষণের জন্য, যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে। আলু সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।বাদাম রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে। সূত্রঃ জি নিউজ কেআই/ এআর

সন্তানের চোখে চশমা, মেনে চলুন জরুরি কিছু নিয়ম

শরীরের অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঙ্গ হলো চোখ। ছেলেবেলা থেকেই এর যত্ন নেওয়া আবশ্যিক। অথচ, সারা বছর পড়াশোনার চাপ, মোবাইল বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা অথবা সৃজনশীল কোনো কাজে যুক্ত থাকা— শিশুদের চোখের উপর চাপ পড়ার এমন নানা রসদ রয়েছে আমাদের চারপাশে। ভারতের বিখ্যাত শিশুচক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রাপ্তি ঘোষের মতে, ‘খুব কম বয়সেই বেশি পাওয়ারের চশমা দেখা যায় অনেক শিশুর চোখেই। সাধারণত কঠিন কোনো অসুখ না থাকলে স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডের লেখা দেখতে অসুবিধা দিয়েই বেশির ভাগ শিশুর চোখের সমস্যা সামনে আসে। অভিভাবকরা একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যায়।’ চিকিৎসকদের পরামর্শ, টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল বা ভিডিও গেমের স্ক্রিনে বেশি ক্ষণ তাকিয়ে থাকতে দেবেন না শিশুকে। এ সবের স্ক্রিন থেকে বেরনো রশ্মি চোখের উপর চাপ ফেলে। তার চেয়ে তাকে অভ্যস্ত করুন বই পড়ায়। এতে চোখ ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচে, সেই সঙ্গে মোবাইল গেমে আসক্তি কমাতে পারলে তাকে অন্যান্য অসুখ থেকেও দূরে রাখে। সূর্যের চড়া আলো চোখের জন্য ক্ষতিকারক। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি চোখের অনেক ক্ষতি করে। এ থেকে চোখের কর্নিয়ার নানা অসুখ, ক্যাটারাক্ট বা ছানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খুব রোদে শিশুকে নিয়ে বেরলে টুপি বা ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করুন। যেসব শিশু খুব ছোটবেলা থেকেই চশমা পরে, অনেক সময় তাদের অভিভাবকরাই পড়াশোনার সময় ব্যতীত তাদের চশমা খুলে থাকতে উৎসাহ দেন। এটা ঠিক নয়। চেষ্টা করুন যতটা বেশি সময় সম্ভব, চশমা পরিয়ে রাখতে। এতে অনেক সময়ই বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের ক্ষমতা বাড়ে। চশমার প্রয়োজন ফুরোয়। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে চশমা খুললে চোখের পক্ষেও ওই নির্দিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না।  প্রতি বছর অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। চোখ পরীক্ষা পুরো শরীর পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ। চোখ ভাল রাখতে চিকিৎসকরা বেশ কিছু ব্যায়ামেরও পরামর্শ দেন। সে সবে অবশ্যই নজর রাখুন। ছোট মাছ, গুগলি, সবুজ সব্জির মতো বিশেষ কিছু খাবার চোখ ভাল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর। বিটা ক্যারোটিন আছে এমন খাবার— বিট-গাজর, রাঙা আলু ইত্যাদি শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে দিন। / এআর /

সারাদিনের কাজের পর ক্লান্তি দূর করুন ৭ উপায়ে

দিনভর পরিশ্রমের পর ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরাই আমাদের প্রতিদিনের নিয়ম। আর এই ধরাবাঁধার রুটিনে চলতে চলতে মন ও শরীরকে গ্রাস করে মানসিক চাপ। পরিবর্তিত জীবনযাত্রার প্রভাবে সেই চাপের শিকার কমবেশি আমরা প্রত্যেকেই। বাড়ি ফিরে কিছু উপায় অবলম্বন করলে কিন্তু রোজের চাপ নিমেষে গায়েব! জানেন, সে সব কী কী? মিউজিক সিস্টেম বাড়ি ফিরে নিজের প্রিয় বিছানা আমাদের সবার প্রিয়। বেশ তো, গা এলিয়ে দিন বিছানায়। এ বার হাতের কাছে থাকা মিউজিক সিস্টেমে চালিয়ে দিন আপনার পছন্দের কোনও হালকা গান। মস্তিষ্কের কোষ এতে আরাম পায়। হালকা গানের ছন্দ হাইপোথ্যালামাসে এক সুখের আমেজ তৈরি করে। সহজেই পিছু সরে মানসিক চাপ। মজাদার ভিডিও সারা দিনের ক্লান্তি কিন্তু ভুলিয়ে দিতে পারে মিষ্টি কিছু ভিডিও। সোশ্যাল সাইট ঘাঁটলেই রোজই মেলে এমন কিছু মজাদার ভিডিও, যা আপনাকে আনন্দ দেয়। মনোবিদদের মতে, হাসলে বা ছোট ছোট বিষয়ে আনন্দ খুঁজে পেলে তা সহজেই মনকে হালকা করে। বাড়ির শিশুদের সঙ্গে মিশুন বাড়িতে শিশু আছে? তাহলে চাপ মুক্ত করতে এর চেয়ে ভাল উপায় আর নেই। বাড়ি ফিরেই কিছুটা সময় তাদের সঙ্গে কাটান। তাদের মতো করে মিশুন। তাদের সঙ্গ আপনাকে সারা দিনের কাজের ক্লান্তি সরিয়ে দিতে সাহায্য করবে। শিশুদের হাসি-আবদার-বায়নার মধ্যেই জীবনের অন্য সুর লেগে থাকে। ভালো খাবার আপনি কি ভোজনরসিক? মনোবিদদের মতে, খেতে ভালবাসেন যে সব মানুষ, তাদের সারা দিনের ক্লান্তি অনেকটাই কমে যায় ভালো খাবারের সন্ধান পেলে। এমনিতেই খিদে পেলে মস্তিষ্কের থ্যালামাসে এই সময় এক ধরনের হরমোন ক্ষরিত হয়, যা প্রশমিত করে সারা দিনের ক্লান্তি। আর তাতে পছন্দের খাবার হলে তো আর কথাই নেই! প্রিয়জনকে কাছে ডেকে নিন সবচেয়ে সেরা উপায়ে মনের চাপ কমাতে বরং প্রিয়জনকে কাছে ডেকে নিন। এক কাপ চা বা কফির সঙ্গেই গল্পগাছায় জমে যাক আপনাদের সন্ধে। দু’জনের সারা দিনের কাজ, ইচ্ছে- এ সব নিয়েই না হয় কথা হল। দেখবেন, মনের ভার অনেক হালকা হচ্ছে। যদি বাড়িতে একা থাকেন, তাহলে বরং কিছুটা সময় কাটান পছন্দের কোনও বন্ধুর সঙ্গে। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু করুন নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখছেন কি সারা দিনে? না রাখলে আজ থেকেই তা রাখুন। এই সময়টায় নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু করুন। ঘর সাজানো, বাগান করা- যা খুশি। বই পড়তে ভাল লাগে সেটার চর্চাও করুন এই সময়টা। পোষ্য থাকলে তার সঙ্গে সময় কাটালেও চাপ মুক্ত হবে মন। মেডিটেশান মনকে ভারমুক্ত রাখতে বা মনের চাপ কমাতে প্রতি দিনই ঘুম থেকে উঠে কিছুটা সময় দিন মেডিটেশানে। মনঃসংযোগ বাড়াতে এর চেয়ে উত্তম উপায় আর হয় না। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, একাগ্রতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে চাপমুক্তির দাওয়াই। যত কাজে মন বসাতে পারবেন, ততই মনে আজেবাজে চাপ থাবা বসাতে পারবে না। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে বাদ দিন ৪ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য এই সময়ের একটি পরিচিত রোগ। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এই রোগে ভোগেন। মূলত হজম ও পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে এটি দেখা দেয়। কিছু খাবার আছে, যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে৷ যে খাবারগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে সেগুলো হলো- ১. কাঁচা কলা: শুনতে আজব লাগলেও একথা সত্যি যে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে বাস্তবিকই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। আসলে কাঁচা কলায় রয়েছে স্টার্চ, যা সহজে হজম হতে চায় না। ফল স্বরুপ সকালে কষ্ট সহ্য করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তবে এক্ষেত্রে একটা কথা মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন, তা হল কাঁচা কলার পরিবর্তে যদি পাকা কলা খাওয়া শুরু করেন, তাহলে কিন্তু নানা উপকার পাওয়া যায়, এমনকী কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগও দূরে পালায়। ২. চুইং গাম: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে চুইং গাম খেলে শরীরের যেমন নানা ক্ষতি হয়, তেমনি ভুল করে যদি সেটি গিলে ফেলেন, তাহলে তো আরও কেলো! কারণ সেক্ষেত্রে কনস্টিপেশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণে বেড়ে যায়। তাই বন্ধু সাবধান! প্রথমত শরীরকে চাঙ্গা রাখতে চুইং গাম খাওয়া তো কমান। আর যদি মাঝে-সাঝে খেতেই হয়, তাহলে ঠিক সময়ে সেটি ফেলে দিতে ভুলবেন না যেন! ৩. কফি: দিনে ২-৩ কাপের বেশি কফি খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য নয়, আরও নানাবিধ পেটের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, হজমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কাও থাকে। ৪. পাঁঠার মাংস: বেশি মাত্রায় এমন মাংস খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফ্যাট, প্রোটিন ফাইবার এবং আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগে আক্রান্ত হতে সময় লাগে না। তবে সপ্তাহে ১-২ দিন পাঁঠার মাংস খেলে যদিও এমনটা হয় না। সূত্র : বোল্ডস্কাই। / এআর /

স্বাস্থ্যকর ঘুমের জন্য কেমন বালিশ দরকার

আমরা সবাই জানি, ঘুম আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে। তাই পরিমিত ঘুমের প্রয়োজন। কিন্তু ঘুমাতে চাইলেই কি ঘুম হয়ে যাবে! এর জন্য প্রয়োজন ভালো বিছানা, ভালো বালিশ। কেননা আরামদায়ক ঘুম অনেকটাই নির্ভর করে বিছানা, বালিশ এবং ঘুমানোর পরিবেশের উপর। বিশেষ করে বালিশ ঠিকঠাক না হলে অনেকেই ঘুমোতে পারেন না ঠিক মতো। তাই বালিশটা হওয়া চাই একদম পারফেক্ট। তাহলে জেনে নিন ভালো ঘুমের জন্য সঠিক বালিশ নির্বাচন প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা- আকৃতি: বালিশের আকৃতি আপনার পছন্দ মতোই নির্বাচন করতে পারবেন। তবে খুব বেশি ছোট বালিশে আপনার ঘুম ভাল হবে না। মিডিয়াম, লার্জ, স্ট্যান্ডার্ড, কিং, কুইন ইত্যাদি নানা মাপের তৈরি করা বালিশ বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। এর থেকে আপনার পছন্দসই একটি বালিশ বেছে নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন বালিশটা যেন খুব নরম বা তুলতুলে না হয়। কেননা অতিরিক্ত নরম বালিশেও ঘুম আসে না। বালিশের উচ্চতা: অতিরিক্ত উঁচু বা একদম নিচু বালিশ ঘুমের জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভাল নয়। বালিশের উচ্চতা হওয়া উচিত মাঝারি। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ বা ঘাড় না বাঁকিয়ে মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোয়া যায়। যদি এক পাশে ফিরে শোয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে বিছানায় শোয়ার পরে কাঁধের সঙ্গে গলার উচ্চতা যতটুকু ততটুকুই হওয়া উচিত বালিশের উচ্চতা। আর যদি আপনি চিৎ হয়ে শুতে পছন্দ করেন, তাহলে আপনার ঘাড় এবং বালিশের উচ্চতা সমান্তরালে থাকা উচিত। বালিশের উপকরণ: বালিশের উপরকরণ প্রাকৃতিক হওয়াই ভাল। ফোমের বালিশ বেশ নরম হলেও ঘুমানোর জন্য মোটেই তেমন আরামদায়ক নয়। এ ধরণের বালিশে স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হয়। তাই তুলার তৈরি বালিশই ভাল ঘুম এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বালিশের কভার: বালিশের কভার খুব বেশি খসখসে হওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে কারুকাজ করা চাদরের সঙ্গে যেই বালিশের কভারগুলো দেওয়া থাকে সেগুলো রাতে ঘুমানোর সময় ব্যবহার করা উচিত না। বালিশের কভার হিসেবে নরম সুতি কাপড়ের কিংবা সার্টিন কাপড়ের কভারই সবচেয়ে ভাল। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

১১ ভুল আচরণে সঙ্গী ছেড়ে যায় আপনাকে

সম্পর্কে শুধু ভালোবাসা দেখালেই সম্পর্ক টিকে থাকে না। কেননা আপনার আচরণেও সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়ে। তাই কিছু আচরণ সম্পর্ককে দূরে ঠেলে দেয়। আর এই দূরত্ব বাড়তে বাড়তে এক সময়ে সম্পর্কটাই শেষ হয়ে যায়। সুতরাং আপনি আপনার আচরণের উপর খেয়ার রাখুন। তা না হলে আপনার সঙ্গী আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে। তাহলে জেনে নিন আপনার যেসব আচরণ ভুল হচ্ছে- ১) সময় নাই বলাটা ভুল আপনার কাছে সময় নেই। আপনি সবসময় নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত আর আত্মকেন্দ্রিক। প্রিয় মানুষটিকে তখনই ডাকেন যখন আপনার ইচ্ছে। এমন হলে তো সম্পর্ক ভাঙবেই। ২) সঙ্গীর পেছনে ব্যয় করছেন না আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার পেছনে ব্যায় করে কিন্তু আপনি কখনোই করেন না। যদি ব্যাপারটা এমন হয় যে তাকে আপনার প্রয়োজন কেবল টাকার জন্যেই। এমন হলে এক সময়ে সম্পর্কে ভাঙন আসেই। ৩) শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন আপনি তাকে সময় অসময়ে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করেন নানান কৌশলে। কখনো কখনো নিজের অজান্তেই। এতে সঙ্গী আপনাকে নেগেটিভ মনে করবে। ৪) অলসতা আচরণ আপনি অলস ও নোংরা। এমন একজন মানুষকে কেউই দীর্ঘদিন ভালবাসতে পারে না। ৫) অগোছালো আচরণ জীবন সম্পর্কে আপনি একটুও সচেতন নন। জীবন নিয়ে আপনার কোন গোছানো পরিকল্পনা নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার কোন ভাবনা নেই, জীবনের কোন লক্ষ্য নেই। তাহলে সঙ্গী থাকবে না। ৬) মানসিক চাপ দিচ্ছেন আপনি বিয়ের জন্য তাকে মানসিক চাপ প্রয়োগ করছেন। এতে সে বিরক্ত হবে। ৭) কথায় কথায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল আপনি নানান ভাবে তাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন। এতে নিজের দোষ ঢাকেন বা বাড়তি সুবিধা আদায় করেন। ৮) অতিরিক্ত রাগী আপনি অতিরিক্ত রাগী। নিজের রাগের ওপরে আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই। ৯) অপমানজনক আচরণ আপনি প্রায়ই এমন কিছু বলেন বা করেন যাতে প্রিয় মানুষটিকে অপমান করা হয়। আপনি তাকে খোঁটা দিয়ে কথা বলেন, তাকে ছোট করার চেষ্টা করেন। ১০) শ্রদ্ধাজনিত আচরণ নেই আপনি তার প্রশংসা করেন না। তিনি আপনার জন্য যা যা করছে সেটার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন না। তার প্রায়ই নিজেকে অবহেলিত মনে হয়। ১১) অতিরিক্ত নারীবাদি বা পুরুষবাদি আপনি অতিরিক্ত নারীবাদি বা পুরুষবাদি। এতটাই বেশি যে সেটা আপনার সম্পর্কের ওপরে প্রভাব ফেলছে, যুক্তিতর্ককে আপনারা সম্পর্কের বাইরে রাখতে পারছেন না। কেএনইউ/

ফ্যাশনের সময় যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

বাইরে বের হতে চাইলে একটু ফ্যশন চাই-ই চাই। ফ্যাশন ছাড়া তো বের হতেও ভালো লাগবে না। কিন্তু কিছু ফ্যাশনের ভুলের কারণে হতে পারে শারীরিক সমস্যা। তাই এ সময় সতর্ক থাকতে হবে। ১) হাই হিল নিজেকে আকর্ষণীয় দেখাতে এর কোনও জুড়ি নেই। মেয়েদের হাই হিল পরলে সত্যিই আকর্ষণীয় লাগে। কিন্তু ককটেল পার্টির পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল পরে দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের উপর চাপ পড়ে। এর ফলে পায়ের পেশি ও জয়েন্টের ক্ষতি হতে পারে। ২) ফিট না হওয়া ব্রা অনেক মহিলা ঠিকমতো ব্রা পরার দিকে নজর দেন না। ব্রা কোনও একটা পরলেই হল। কিন্তু সঠিক ব্রা না পরলে স্তনের আকার নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তাই নয়। শেপ অনুযায়ী ব্রা না পরলে শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। পিঠের ব্যথা থেকে কাঁধে টান ধরা, অনেক কিছুই হতে পারে। ৩) স্কিন জিন্স টাইট বা স্কিনি জিনস পরলে স্টাইলিশ লাগে। কিন্তু এতে শরীরের ক্ষতি হয় প্রচুর। অনেকক্ষণ ধরে স্কিনি জিনস পরে থাকলে ঘাড় ও পিঠে এর প্রভাব পড়ে। এই জিনস পরলে পেলভিস পিছনের দিকে সরে যায়। হাড়েও এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া স্কিনি জিনস পরলে রক্ত চলাচলও ঠিকমতো হতে পারে না। ৪) শেপওয়্যার সমস্যা অনেকসময় আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য মানুষ শেপওয়্যার পরে। কিন্তু রোজ শেপওয়্যার ব্যবহার করলে শরীরের ক্ষতি হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের উপর। এছাড়া ফুসফসের সমস্যাও হয়। শ্বাসকষ্ট এক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। ৫) টাইট বেল্ট কখনই টাইট বেল্ট পরা উচিত নয়। তাহলে ফ্যাশনের খেয়াল রাখতে গিয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে হবে। শেপওয়্যার পরলে যে সমস্যা হয়, এক্ষেত্রেও ঠিক একই সমস্যা হতে পারে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

সফল হতে চাইলে ৭টি বিষয় গোপন রাখুন  

মানুষ সফল হতে চায়। কেউ ব্যর্থতার খাতায় নাম লিখাতে চায় না। আমাদের এ যুগেও চাণক্য নীতি প্রাসঙ্গিক। অনেকের মতে আধুনিক এই যুগেও চাণক্য নীতি মেনে চললে সাফল্যের দিকে সহজেই এগিয়ে যাওয়া যায়। তবে সফল হতে গেলে জীবনের কয়েকটি বিষয় অন্যদের থেকে গোপন রাখতে হয়। যেনে নিন সফল হতে হলে কী কী বিষয় গোপন রাখতে হয়-   ১. আপনি কত টাকা রোজগার করেন বা আপনার কত টাকা সম্পত্তি, তা কখনোই অন্যদের জানাবেন না। ২. প্রত্যেকের জীবনেই একজন করে গুরু বা পথপ্রদর্শক থাকেন। তিনি আপনাকে কী পরামর্শ দিয়েছেন তা অন্যকে বলবেন না।  ৩. পরিবারে বা আত্মীয়দের সঙ্গে কী চলছে- তা কখনোই বাইরের লোকের কাছে প্রকাশ করবেন না। ৪. অনেকে দান করে বলে বেড়ায়, ভিক্ষুককে কত টাকা দান করছেন- তা গোপনে রাখুন।   ৫. আপনার বয়স কত, তা পেশাগত জায়গায় জানান। কিন্তু সবার কাছে তা প্রকাশ করবেন না। ৬. নিজের যৌনজীবনের কথা অন্যদের বলবেন না। ৭. কী অসুখে আপনি ভুগছেন তা-ও গোপন রাখুন। সূত্র: এবেলা এসি  

মুখের বলিরেখা পরিহার করতে করণীয়

সুন্দরকে কে না ভালোবাসে। তাই পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ হয়তো সুন্দর থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সম্ভব হয় না। মুখে অনেক সময় পড়ে যায় বলিরেখা। এর অন্যতম কারণ হলো- বয়স বেড়ে যাওয়া, সূর্যরশ্মি, পরিবেশ দূষণ, ধূমপান, পুষ্টির ঘাটতি ইত্যাদি। বলিরেখা দূর করতে বা প্রতিরোধে নানা ধরণের ক্রিম বাজারে প্রচলিত থাকলেও এর সমাধানে রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। নিম্নে এগুলো কয়েকটি তুলে ধরা হলো- লেবুর রস- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস প্রাকৃতিকভাবেই বলিরেখা দূর করতে সক্ষম। লেবুর রস মুখের ভাঁজগুলোতে লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। লেবুর রস ত্বক উজ্জ্বলও করে তোলে। তবে অতিরিক্ত লেবুর রস ব্যবহারে ত্বকে ক্ষতি হতে পারে। তাই লক্ষ্য রাখতে হবে পরিমাণের দিকে। ডিমের সাদা অংশ ডিম শুধু শরীরের জন্যই যে খুব উপকারী তা নয়। বরং এর সাদা অংশটা ত্বকের জন্যও সমান উপকারী। বলিরেখা দূর করতে খুব সহজেই আমরা এটা ব্যবহার করতে পারি। এজন্য প্রথমে ডিমের কিছুটা সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে সরাসরি তা ত্বকে লাগাতে হবে। এরপর হালকাভাবে ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অলিভ অয়েল বলিরেখা দূর করার প্রাকৃতিক আরেকটি উপাদান হলো অলিভ অয়েল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোঁটা অলিভ ত্বকে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর তোয়ালে দিকে মুখ মুছে নিতে হবে। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরাতে ম্যালিক এসিড রয়েছে যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এজন্য পাতা থেকে জেল বের করে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগাতে হবে। এরপর ১৫ মিনিট বা না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। জেলের সঙ্গে ভিটামিন ই তেল মিশিয়েও মুখে লাগানো যেতে পারে। গাজরভিটামিন এ সমৃদ্ধ এ সবজিটি ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন অব্যাহত রাখে। এতে করে ত্বক থাকে কোমল ও বলিরেখা মুক্ত। গাজর সিদ্ধ করে ব্লেন্ড করে পেস্ট বানিয়ে তা মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে আধাঘন্টা। এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে। এর সঙ্গে মধুও মেশানো যেতে পারে। পানি পানত্বকের বলিরেখা দূর করার অন্যতম সহজ একটি উপায় হলো প্রচুর পানি পান করা। দৈনিক দুই লিটার করে পানি পানে ত্বক থাকে আর্দ্র্র ও বলিরেখা মুক্ত। কলা পুষ্টিকর এ ফলটি ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও অনেক উপকারী। পাকা কলা ভালোভাবে চটকে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে প্রায় আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিতে হবে। এর সঙ্গে কিছু অ্যাভোকাডো ও মধুও মেশানো যেতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ৪ রেসিপি

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য, তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের খাদ্য ও ওষুধের ক্রমাগত নিরীক্ষণ করা জরুরি। ডায়াবেটিস মানেই ডেজার্ট খাওয়া ভুলে যেতে হবে প্রায়। কিন্তু  এমন কটি রেসিপির রয়েছে, যা সুস্বাদুও আবার চিনিও কম লাগে। ডায়াবেটিস রোগীরা চেষ্টা করে দেখুন এগুলো বাড়িতেই বানানোর। ১. পেস্তা মফিন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবার টাইপ -২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া (ডিএফআই) এবং ন্যাশনাল ডায়াবেটিস, ওবেসিটি এবং কোলেস্টেরল ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেস্তা লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত হওয়ায় ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। উপকরণ ১) ১/৪ কাপ ঘি বা সাদা মাখন ২) ১/৪ কাপ গুড় ৩)  ১/২ কাপ রাগি আটা ৪) ৩/৪ কাপ গম ময়দা ৫) ২ টেবিল-চামচ ভুট্টা স্টার্চ ৬) ১/২ চা চামচ লবণ ৭) ১/২ চা চামচ এলাচ ৮) ২ চা চামচ বেকিং পাউডার ৯) ১/২ চা চামচ বেকিং সোডা ১০) ১ কাপ বাটারমিল্ক ১১) ১/২ কাপ পানি ১২) ১ কাপ কাটা ডেটস ১৩) ১ কাপ কাটা পেস্তা পদ্ধতি ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওভেন গরম করুন। তারপর মাফিন ট্রে নিন এবং তাতে মাখন মাখিয়ে দিন। একটি বাটি মধ্যে মাখন এবং গুড় নিয়ে মেশান। এবার মিশ্রণে রাগি আটা, ময়দা, ভুট্টা স্টার্চ, এলাচ, বেকিং পাউডার এবং বেকিং সোডা যোগ করুন। ওই মিশ্রণে পানি আর বাটারমিল্ক দিন। মিশ্রণটি ভালভাবে মেশান। পেস্তা ও ডেটস গুলো মিশিয়ে দিন। তাদের মাফিন ট্রের মধ্যে ২৫-৩০ মিনিট রেখে দিলেই রেডি পেস্তা মফিন। ২. কাজু বাদামের কুকিজ বাদামে রয়েছে অসম্পৃক্ত ফ্যাট, প্রোটিন এবং বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ যা কোলেস্টেরল, প্রদাহ এবং ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কম করতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় জানা গেছে, রক্তের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে একজন ব্যক্তির অন্তত ৫০ গ্রাম বাদাম, কাজু চিনাবাদাম, আখরোট বা পেস্তা খাওয়া দরকার। রোজ চার পাঁচটা কাজু খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। আপনি বাদাম স্যালাডে যোগ করতে পারেন, চিকেন ফ্রাইতে দিতে পারেন, সুগারফ্রি ডেজার্টেও মেশাতে পারেন বাদাম। উপকরণ ১) ১১২ গ্রাম কাজু বাটা ২) ৩/৪ কাপ ঘি ৩) ১ ১/২ কাপ গুড় ৪) ২০ গ্রাম চিয়া বীজ ৫) ৩ টেবিলচামচ দই ৬) ১/২ চামচ বেকিং সোডা ৭) ১ টেবিলচামচ বেকিং পাউডার ৮) ১ টেবিল চামচ ভ্যানিলা ৯) ১ ৩/৪ কাপ ওটস ১০) ২ কাপ অর্গানিক আটা পদ্ধতি একটি বড় বাটিতে ময়দা ছাড়া সমস্ত উপাদানগুলো মিশিয়ে নিন। এবার আস্তে আস্তে তাতে ময়দা দিন, যাতে কুকি বানানোর জন্য ভালো লেচি হয়। মিশ্রণটি এক ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। এবার ১৬০ সেলসিয়াসে রেখে গরম করুন মিশ্রণটি। তার থেকে এক ইঞ্চি মাপের ছোট ছোট বল তৈরি করুন। কুকি শীটে রেখে বলগুলো দশ বারো মিনিট ধরে বেক করুন। এবার ওভেন থেকে বের করে ঠাণ্ডা কুকি শীটে রাখুন। ঠাণ্ডা শক্ত হয়ে গেলে খান। ৩. মুগ ডালের হালুয়া সবুজ ডাল ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) অনুসারে, দানাশস্যের প্রতি ১০০ গ্রামে ১৫ গ্রামের বেশি ফাইবার রয়েছে, রয়েছে প্রায় ১৮ গ্রাম প্রোটিন। উপকরণ ১) ১ কাপ গোটা মুগ ডাল ২) ৪ টেবিল চামচ ঘি ৩) ১ টেবিল চামচ কিসমিস ৪) ৪০০ মিলি দুধ ৫) ১ কাপ গুড় ৬)  ১ চা চামচ এলাচ ৭) ১০ টি আমন্ড বাদাম, অর্ধেক করা পদ্ধতি মুগ ডাল মিক্সিতে মিহি করে বেঁটে নিন। মিশ্রণটি ঘি দিয়ে ভেজে নিন। কিসমিস, দুধ, চিনি আর এলাচ মিশিয়ে দিন তাতে। আরেকটি পাত্র দুধ নিয়ে তাতে এই পেস্ট ঢেলে দিন। কম আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না দুধ শুকিয়ে যাচ্ছে। নামিয়ে নিয়ে বাদাম দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ৪. স্পাইস তড়কা নিয়মিত ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকেই। কিন্তু প্রকৃতিতেও এমন অনেক উপাদান থাকে যা ওষুধের মতোই কাজ করে। বিভিন্ন মশলাগুলো শুধু রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তাই না এর আরও নানান স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও রয়েছে। প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডায়াবেটিক হলুদ ইনসুলিন রেসিস্টেন্সের কাজ করে। ধনে বীজ রক্তের শর্করা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। জিরে রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে মৌরিও। উপকরণ ১ চামচ হলুদ, ২ চামচ  জিরা, ৩ চামচ ধনেগুঁড়ো এবং ৪ চামচ মৌরি। পদ্ধতি একসঙ্গে সব মশলা মিশিয়ে একটা পাত্রে ভরে রাখুন। এরপর রান্নার সময় ফ্রাইং প্যানের মধ্যে অল্প পরিমাণে ঘি নিয়ে অল্প আঁচে বসান। তারপর তাতে মশলাগুলো দিয়ে হালকা করে ভাজুন। স্বাদ অনুযায়ী লবণ আর গোল মরিচ মেশান। এর মধ্যে তড়কা ডাল মেশান। ভালো করে নেড়ে নিয়ে নামিয়ে নিন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি