ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:২৩:০৯

বাড়িতেই তৈরি করতে পারবেন মিনারেল ওয়াটার

বাড়িতেই তৈরি করতে পারবেন মিনারেল ওয়াটার

 কলের পানির তুলনায় মিনারেল ওয়াটার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এ কথা তো সবাই জানি। কারণ, এতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো উপাদান। তবে প্রতি দিন দামি মিনারেল ওয়াটারের বোতল কেনা তো সবার পক্ষে সম্ভব না-ও হতে পারে। তবে উপায়? উপায় রয়েছে। সামান্য খরচে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন মিনারেল ওয়াটার। কী ভাবে, তা জেনে নিন। যা লাগবে এটি তৈরিতে লাগবে ফিল্টার করা পানি-১ লিটার, বেকিং সোডা-চা-চামচের ১/৮, ইপসম সল্ট- চা-চামচের ১/৮ এবং পটাসিয়াম বাইকার্বোনেট- চা-চামচের ১/৮। তবে ২ লিটার মিনারেল ওয়াটার তৈরি করতে বেকিং সোডা, ইপসম সল্ট এবং পটাসিয়াম বাইকার্বোনেটের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ চা-চামচের ১/৪ করে নিন। প্রস্তুত প্রণালী- প্রথমে একটি ওয়াটার পিউরিফায়ার দিয়ে কলের পানি ফিল্টার করে নিন। এ বার একটি খোলা পাত্রে তা রেখে দিন। তবে পানি রাখার আগে খেয়াল রাখবেন, পাত্রটি যেন পরিষ্কার হয়। এ বার ওই ১ লিটার ফিল্টার করা পানিতে চা-চামচের ১/৮ বেকিং সোডা দিন। চিকি়ৎসকদের মতে, হজমের গোলমাল বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলে মিনারেল ওয়াটার পান করা ভালো। বাতের সমস্যা থাকলেও এটি কাজে আসে। এ বার ওই মিশ্রণে ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট দিন। খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। ইপসম সল্ট ব্যাকটেরিয়াল অ্যাটাকের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। ব্যস! তৈরি মিনারেল ওয়াটার। এ বার বোতলে ভরে তা ফ্রিজে রেখে দিন। মিনারেল ওয়াটার শুধুমাত্র বাতের সমস্যা বা হজমের গোলমাল মেটায়, এমনটা নয়। নিয়মিত মিনারেল ওয়াটার পান করলে দেহে ক্যালশিয়ামের অভাবও পূরণ হয়। ফলে ভঙ্গুর নখ, দাঁত এবং হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে। ম্যানেশিয়াম ও ক্যালশিয়াম থাকায় রক্তচাপের ওঠা-পড়াতেও এটি খুবই কার্যকরী। সেই সঙ্গে এতে সালফেট থাকায় অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে। সূত্র: আনন্দবাজার। একে// এসএইচ/
রসুনের চাটনি রেসিপি

চাটনি! কথাটা শুনলেই যেন জিভে জল আসার মতো অবস্থা হয়ে যায় অনেকের। চাটনি ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খাওয়া ছাড়াও টক কিংবা ভাজা-পোড়ার সঙ্গেও খেতে ভালোই লাগে। এছাড়া আঙ্গুলে নিয়ে চেটে চেটে খাওয়ার মজাই আলাদা। তবে এ চাটনিগুলো বেশিরভাগই টমেটোর হয়ে থাকে। তবে আজ ভিন্ন চাটনির কথা শুনবো। সেটি হচ্ছে রসুনের চাটনি। রসুন সাধারণত মশলা হিসেবে রান্নাতে ব্যবহার হয়ে থাকে। অনেক রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্র হচ্ছে রসুন। তাই রান্না ব্যবহারের পাশাপাশি এটি বিভিন্ন আইটেম করে খাওয়া যেতে পারে। রসুনের চাটনির রেসিপি দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) রসুন বাটা এক বাটি। ২) টোমেটো পেস্ট এক বাটি। ৩) গোটা জিরে আধা চামচ। ৪) শুকনো মরিচ গুঁড়ো দুই চামচ। ৫) হলুদ গুঁড়ো দুই চামচ। ৬) চিনি ও লবণ স্বাদমতো। ৭) তেল পরিমাণ মতো। ৮) ধনেপাতা কুচি। প্রণালি : প্রথমে কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিন। তেল গরম হয়ে গেলে গোটা জিরে দিয়ে দিন। এরপর প্যানে দিয়ে দিন টোমেটোর পেস্ট। এবার সামান্য হলুদ ও শুকনো মরিচ গুঁড়ো দিয়ে খানিকক্ষণ কষিয়ে নিন। এবার একটু সামান্য পরিমাণ পানি দিন। এরপর রসুন বাটা দিয়ে চিনিসহ সমস্ত উপকরণগুলো ভালোভাবে নেড়েচেড়ে ফোটাতে থাকুন। ১৫ মিনিট হয়ে গেলে এতে সামান্য লবণ দিয়ে আরও একবার কষাতে থাকুন। মশলা ভালোভাবে কষে গেলে অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে কোচানো ধনেপাতা ছিটিয়ে দিন। এবার নিজেও খান এবং পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/ এসএইচ/  

সম্পর্ক ধরে রাখতে ৫ করণীয়

যেকোনো ধরনের সম্পর্কই হোক না কেন ঝগড়া লাগলে মনে হয়, এই বুঝি সব শেষ। তখন নিজের মধ্যেই ভাবনা চলে আসে, কেন এমনটা হচ্ছে? সত্যিই যদি আপনি আপনার সম্পর্ক বজায় রাখতে চান কিংবা আপনার সম্পর্কটা মধুময় করে তুলতে চান তাহলে কিছু করণীয় রয়েছে সেগুলো অনসরণ করুন। দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। শ্রদ্ধাবোধ স্বামী-স্ত্রী বা ভালোবাসার সম্পর্ক যেটাই হোক না কেন কোনো সম্পর্কেই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে৷ তাই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা খুবই জরুরি৷ কোনো ব্যাপরে দ্বিমত থাকতেই পারে, সেক্ষেত্রে একে অপরকে কষ্ট না দিয়ে বা ঝগড়া না করে আপনার মনের কথা খুলে বলুন৷ কারণ ভালোবাসার মানুষকে অপমান বা কষ্ট দিলে সম্পর্কে আস্তে আস্তে ফাটল ধরতে শুরু করে৷ যে আচরণের পরিবর্তন প্রয়োজন অনেক সম্পর্ক রয়েছে যারা রাগের মাথায় নিজের দোষ চেপে রেখে একে অপরের ভুল-ত্রুটি বা দোষ বড় করে তুলে ধরে৷ কিন্তু সম্পর্ক ধরে রাখতে চাইলে সেটা না করাই সবচেয়ে ভালো হয়। বরং ভালো সময় বুঝে ঠান্ডা মাথায় আপনার সঙ্গিটিকে বলুন, তার কোন আচরণগুলো আপনাকে কষ্ট দেয়৷ দেখবেন একটু সতর্ক হয়ে চেষ্টা করলেই আস্তে আস্তে এ রকম আচরণ কমে যাবে৷ ঘরের পরিবেশকে শান্ত রাখুন একজন অন্যজনকে দোষ না দিয়ে দৈনন্দিন জীবনে খানিকটা পরিবর্তন আনুন৷ অর্থাৎ ঘরের পরিবেশকে বন্ধুত্বপূর্ণ রাখুন৷ ঘরকে একটু অন্যভাবে সাজান, ফুল রাখুন, কাছের বন্ধুদের ডেকে আড্ডা দিন বা গান শুনুন৷ নিজে সুন্দর জামা-কাপড় পরে ফিটফাট থাকুন৷ সোজা কথা, বাড়ির দৈনন্দিন পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলতে পারলে, সেটাই হতে পারে ভালোবাসার মন্ত্র, সংসারে শান্তির চাবিকাঠি৷ এতে আপনার সম্পর্কও ঠিক থাকবে। মেজাজ ঠিক রাখুন কেউই চায় না তার সম্পর্কে ফাটল ধরুক। তবে যখন মেজাজ খারাপ হয়ে যায় তখন সবকিছুই উল্টে যায়। এ সময় একে অপরে মধুর সম্পর্কের কথা ভুলে যায়। এতে সম্পর্ক কখনই ইতিবাচক থাকবে না। তাই নিজের মেজাজটাকে আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করুন। বন্ধুদের জন্য সময় রাখুন বন্ধুদের জন্যও কিছুটা সময় আলাদা করে রাখুন৷ এমন বন্ধু, যাদের সঙ্গে আপনি গল্প করতে বা কিছুটা সময় কাটতে পারেন৷ এমনটা করলে তা নিঃসন্দেহে আপনার সঙ্গীর সমস্যায় বা দাম্পত্য জীবনে উপকারে আসবে৷ কারণ মাঝে মাঝে যখন ঝগড়া লাগে তখন খনিকটা সময় একে অপরের কাছ থেকে আলাদা থাকলে প্রিয়তম বা প্রিয়াকে কাছে পাওয়ার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয়৷ কেএনইউ/ এআর

নিজেকে ভালো রাখার উপায়

নিজে ভালো থাকুন অন্যকেও ভালো রাখুন। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে এইটুকু করা সম্ভব। জীবন মানেই সমস্যা, তাই বলে নিরাশ হয়ে পড়লে কখনই কোন সমস্যা দূর হবে না। বরং এতে নিজের ক্ষতি ছাড়াও পাশের জনেরও ক্ষতি হবে। তাই সবসময় ইতিবাচক ভাবনা-চিন্তা করা প্রয়োজন এতে জীবনও ইতিবাচক বা সহজ হবে। ভালো থাকতে পারবেন। কিছু বিশেষজ্ঞরা নিজের পাশাপাশি অন্যকেও ভাল রাখার কিছু টিপস দিয়েছেন-    তৃপ্ত থাকুন আপনি জীবনে যা পেয়েছেন, যতটুকু পেয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। দেখা যায়, এমন কেউ আছে যার এতটুকুও জোটেনি। সেটা অর্থই হোক কিংবা মা-বাবা/আত্মীয়স্বজন সান্নিধ্যই হোক কিংবা মাথার উপর ছাদই হোক অথবা দৃষ্টি-শ্রবণের ক্ষমতা থেকে বাক-শক্তি। তাই যা আছে, যা চলছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নানান কাজের ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও সময় বের করে নিয়ে পরিজনদের সঙ্গে, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলুন। না পারলে চিঠি লিখুন। এতে আপনিও ভালো থাকবেন, তারাও ভালো থাকবে। প্লাস পয়েন্ট মনে রাখুন নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে ভালোভাবে পরিচিত নন, এমন মানুষের সংখ্যা এ পৃথিবীতে নেহায়েত কম নয়। এই তালিকায় আপনি নিশ্চয়ই পড়তে চান না। ব্রিটেনের একটি সমীক্ষার ফল জানিয়েছে, পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষের মাত্র এক-তৃতীয়াংশই নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভালোভাবে পরিচিত নন। এখন যদি আপনিও এই তালিকায় পড়েন, তাহলে ভেঙে পড়বেন না। আপনার ‘প্লাস পয়েন্ট’কী কী, সেটা আপনাকেই জানতে হবে। তাহলেই তো, তার সদ্ব্যবহার করে লাভবান হতে পারবেন। এছাড়া ভালবাসা, প্রাণোচ্ছলতা, উৎসাহ এ সবেরই প্লাস পয়েন্টের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মুহূর্তে বাঁচুন ছোট ছোট মুহূর্ত জীবনে বড় ফারাক গড়ে দেয়। তাই আনন্দের মুহূর্ত, বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করুন। মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হল, উৎসব অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে আনন্দ খুজে নেওয়া। কোনও একটা বিয়েবাড়ি, গেট-টুগেদার, জন্মদিনের পার্টি বা নিদেনপক্ষে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে ছোট্ট একটা মজলিশে উপস্থিত থাকতে পারলেই দেখবেন, মন অনেকটা ভাল হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদেরও ভালো লাগার কাজ করবে। আরও একটা কথা। বিশেষজ্ঞদের মত হল, একসঙ্গে একাধিক কাজ করলে, অনেকগুলো বিষয়ে মন দিলে নিজের আনন্দ খুঁজে বের করার জন্য সময় আর পাবেন না। যেমন- প্রাতরাশের টেবিলে হাতে খবরের কাগজ নিয়ে রেডিও শুনলে, গানের মাধুরী বা সকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য কোনটাই উপভোগ করতে পারবেন না। আবার পোষ্যকে নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়ে মনে মনে কাল কী কী করবেন, ভাবতে থাকলে প্রিয়জনটির সান্নিধ্য উপভোগ বা কাজ থেকে একটু বিশ্রাম বা বিরতি নেওয়া কোনটাই হবে না। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/ এআর

শিশুদের জন্য চটজলদি তৈরি করুন পুষ্টিকর নাশতা

আধুনিক যুগে বদলে গেছে জীবন-ধারণ, তার সঙ্গে বদলে যাচ্ছে খাবার-দাবারও। এখনকার শিশুরা পুষ্টিকর খাবার বলতে ফাস্টফুডই চিনে। ঘরের তৈরি মায়েদের খাবার ততটা স্পেশাল মনে হয় না। দেখা যায় আগেকার দিনের মায়েরা বাসায় যেই খাবারই তৈরি করুক না কেন বাচ্চারা চেটে-পুটে খেত। তাছাড়া খাবারগুলো ছিল পুষ্টিকর। কিন্তু আজকাল মায়েদের হাতে বানানো বাচ্চারা খেতে চায় না। এমনকি শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়েও কোন কাজ হয় না। আর খেলেও সেগুলো হয়তো ভাজা-পোড়া। এছাড়া বাইরের ফাস্টফুড খাবার খেয়ে বড় বড় অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে, এমনকি মৃত্যুর শরণাপন্ন হচ্চে। তাই পুরনো দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাচ্চাদের জন্য জিভে জল আনা স্বাদে চটপটা নাস্তার রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- তবে তার আগে কিছু কথা বলে নেওয়া যাক। এমন কতগুলো খাবার আছে যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। এই খাবারগুলো দিয়ে বাচ্চাদের জন্য পুষ্টিকর নাস্তা তৈরি করা যায়। যেমন- কড়াইশুটিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, বি-ওয়ান, বি-টু আছে, আর আছে খনিজ পদার্থ। কচি ভুট্টাতেও ভিটামিন সি, খনিজ পদার্থ এর সঙ্গে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আছে। এছাড়া এখন কিউই ফল এই দেশে খুব সহজেই মিলছে। একটু অন্য স্বাদের তবে এই ফলে ভিটামিন সি,এ,ই,বি রয়েছে আর রয়েছে প্রচুর খনিজ পদার্থ। সুইট কর্ণ, কিউই আর কড়াইশুটি একসঙ্গে রান্নার মাধ্যমে তৈরি করে ফেলুন বিকালের চটপটা নাস্তা। এটি তৈরি করতে ‌যেমন কম খরচ লাগে তেমনই সহজ।   উপকরণ : ১) কচি ভুট্টা। ২) সবুজ মটর। ৩) টমেটো, কিউই। ৪) জিরে গুঁড়ো। ৫) চাটমশলা বা আমচুর পাউডার। ৬) পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি। ৭) লেবুর রস। ৮) লবণ। প্রণালী : গরম পানিতে ভুট্টা ও সবুজ মটর একসঙ্গে দুই মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর ভুট্টা ও মটরের মধ্যে লবণ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, লেবুর রস, জিরে গুঁড়ো, চাটমশলা অথবা আমচুর পাউডার, টমেটো কুচি দিয়ে মেখে কিউই ফল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। চটপটা স্বাদে বিকালের এই নাস্তা‌ বাচ্চাদের মন জয় করবেই করবে। সূত্র : রান্নার রেসিপি। কেএনইউ/ এআর   

যে ৬ খাবার লিভারকে রাখে সুস্থ

শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে লিভারকেও সুস্থ রাখতে হবে। কিন্তু সম্প্রতিতে দেখা গেছে, আমাদের দেশে মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে লিভারের অসুখ। তবে এর মূল কারণ হচ্ছে অতি স্থুলতা। মূলত শরীরে মেদ জমতে থাকলে ধীরে ধীরে লিভারের কর্মক্ষমতাও কমে যায়। ফলে শরীরে উপস্থিত বিষ বা টক্সিক উপাদান ঠিকমতো বেরতে পারে না, সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়তে শুরু করে। তাই লিভারের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখতে কিছু খাবার বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাহলে চলুন যে ৬ খাবার লিভারকে কার্যক্ষমতা বাড়িতে তোলে সেগুলো জেনে নেওয়া যাক- ১) বিট : শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকারক কার্সিনোজেনের কারণে অনেক সময়ই লিভার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে লিভার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই লিভারকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত বিটের রস খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। আসলে বিটের ভিতরে উপস্থিত বিটালেনস নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি দেহের ভিতরে জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দিতে সাহায্য করে। ২) রসুন : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকালবেলা খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করলে লিভারের ভিতরে উপস্থিত থাকা টক্সিক উপাদানকে বের করে দেয়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। রসুনের ভিতরে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, সেক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩) ব্রকলি : ব্রকলিতে উপস্থিত আইসোথিয়োসায়ানেট নামক উপাদান শরীরের ভিতরের প্রদাহের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার’ এর মতো রোগকে দূরে রাখতে ব্রকলির কেনও বিকল্প হয় না। তাই লিভারকে যদি সুস্থ রাখতে হয়, তাহলে সপ্তাহে তিনদিন ব্রকলি খেতে ভুলবেন না। ৪) পাতি লেবু : পাতিলেবুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বায়োফ্লেবোনাইডস। এই উপাদানগুলি লিভারকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি শরীরের ভিতরে থাকা অক্সিডাইজ যাতে বেশি মাত্রায় ড্যামেজ না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ৫) কাঁচা আম : কিছু গবেষণায় দেখে গাছে, শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে কাঁচা আমের কোনও বিকল্প হয় না। শুধু তাই নয়, লিভার এবং গল ব্লাডারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৬) গাজর : গাজরে ক্যারোটিনয়েড নামে একটি অতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা টক্সিক উপাদনদের কোনও অঙ্গের ধারে কাছে যেতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, কোনও অঙ্গেরই ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/ এআর      

বাড়িতে মিনারেল ওয়াটার তৈরি করবেন যেভাবে

টিউবওয়েলের পানির তুলনায় মিনারেল ওয়াটার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এ কথা তো সকলেরই জানা।কারণ, এতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো উপাদান। তবে প্রতি দিন দামি মিনারেল ওয়াটারের বোতল কেনা তো সকলের পক্ষে সম্ভব না-ও হতে পারে। তবে উপায়? উপায় রয়েছে। অল্প খরচে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন মিনারেল ওয়াটার।আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক  কীভাবে তৈরি করবেন মিনারেল ওয়াটার। উপাদান * ফিল্টার করা পানি -১ লিটার * বেকিং সোডা -চা-চামচের ১/৮ *ইপসম সল্ট - চা-চামচের ১/৮ *পটাসিয়াম বাইকার্বোনেট - চা-চামচের ১/৮। তবে ২ লিটার মিনারেল ওয়াটার তৈরি করতে বেকিং সোডা, ইপসম সল্ট এবং পটাসিয়াম বাইকার্বোনেটের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ চা-চামচের ১/৪ করে নিন। প্রস্তুত প্রণালী প্রথমে একটি ওয়াটার পিউরিফায়ার দিয়ে টিউবওয়েলের পানি ফিল্টার করে নিন। এ বার একটি খোলা পাত্রে তা রেখে দিন। তবে পানি রাখার আগে খেয়াল রাখবেন, পাত্রটি যেন পরিষ্কার হয়। এবার ওই ১ লিটার ফিল্টার করা পানিতে চা-চামচের ১/৮ বেকিং সোডা দিন। এখন ওই মিশ্রণে ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট দিন। খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। তাতেই তৈরি হয়ে যাবে মিনারেল ওয়াটার। এ বার বোতলে ভরে তা ফ্রিজে রেখে দিন। মিনারেল ওয়াটার শুধুমাত্র বাতের সমস্যা বা হজমের গোলমাল মেটায় শুধু এমনটাই নয়।নিয়মিত মিনারেল ওয়াটার পান করলে দেহে ক্যালশিয়ামের অভাবও পূরণ হয়। ফলে ভঙ্গুর নখ, দাঁত এবং হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে এতে সালফেট থাকায় অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে। এমএইচ/টিকে

দ্রুত ওজন কমাতে করলার রস

দ্রুত ওজন কমাতে চান? উপায় আছে হাতের মুঠোয়। ভারতীয় আয়ুর্বেদে বহুকাল ধরেই করলার গুণমানের কথা বলা আসছে। মেদ ঝরানোর পাশাপাশি ক্যানসার, ডায়াবিটিস, হাঁপানির মতো রোগ নিরাময়ে করলার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। এ ব্যাপারে তিন ম্যাগাজিনে ফুটে উঠেছে ওজন কমানোসহ করলার নানান গুণাগুণ। নিম্নে উল্লেখ করা হলো- ১) বিজ্ঞান পত্রিকা ‘বিএমসি কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড অলটারনেটিভ মেডিসিন’-এর রিপোর্ট বলছে, নানা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ করলা খুব দ্রুত দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে। করলার রস দিয়ে হেলথ ড্রিঙ্ক বানিয়ে খেলে কাজ হয় খুব তাড়াতাড়ি। বর্তমান প্রজন্মের একটা বড় অংশ ওবেসিটির শিকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, করলার রস ফ্যাট সেলগুলো বার্ন করে এবং সেই জায়গায় নতুন ফ্যাট সেল তৈরি হতে বাধা দেয়। ডায়বিটিস রোগীদের জন্যও করলার রস খুব উপকারি। ২) বিজ্ঞানপত্রিকা ‘কারসিনোজেনেসিস’-এর রিপোর্ট বলছে, করলার জুস অগ্নাশয়ের ক্যানসার রোধ করে। ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষগুলিকে নির্মূল করে। করলার মধ্যে রয়েছে পলিপেপটাইড বি, ভিসিন এবং ক্যারাটিন। প্রতিদিনের ডায়েটে করলার জুস রাখলে উচ্চরক্তচাপ কমে। রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৩) বিজ্ঞানপত্রিকা ‘পাবমেড’-এর তথ্য অনুযায়ী স্তন ক্যানসার রোধে করলার জুসের গুরুত্ব রয়েছে।হাঁপানি এবং ফুসফুসের যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করে করলার জুস। নিয়মিত করলার জুস খেলে ত্বক অনেক টানটান এবং তরতাজা দেখায়। বলিরেখা দূর হয়। করলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। মধু মিশিয়ে করলার জুস খেলে হজম শক্তি বাড়ে। তা ছাড়া এতে রয়েছে ফাইবার, যা পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে। যেভাবে জুস বানাবেন করলা ভাল করে ধুয়ে নিয়ে ছোট পিস করে কাটুন। তেতো খেতে খুব সমস্যা হলে ব্লেন্ডারে করলার সঙ্গে অন্যান্য সবজি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। স্বাদ বাড়ানোর জন্য ওই মিশ্রণে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে খান। এমএইচ/টিকে

যে ৭ অভ্যাস অপরের জন্য বিরক্তিকর

প্রত্যেক মানুষই অভ্যাসের দাস। কিছু অভ্যাস আছে ভালো আবার কিছু অভ্যাস আছে খুবই খারাপ, যা অন্যদের বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যে অভ্যাসগুলো অন্যের কাছে বিরক্তের কারণ হয় সেই অভ্যাসগুলো আপনি নাই বা করলেন। এতে আপনার মনুষ্যত্বের পরিচয় মেলবে। তবে যে অভ্যাসগুলো অন্যকে বিরক্ত করে সেই অভ্যাসগুলো কিছু জেনে নেওয়া যাক- ১) অকারণে মোবাইল বন্ধ করে রাখা সামান্য কিছু হলেই কিংবা অকারণে মোবাইল ফোন বন্ধ করে রাখাটা খুবই বিরক্তিকর একটি অভ্যাস। অনেক মানুষের মধ্যেই এই অভ্যাসটি আছে। দেখা গেল আপনি অকারণে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রেখেছে ঠিক এই মূহুর্তে কেউ একজন খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজে ফোন দিয়েছে। কিন্তু আপনার ফোন বন্ধ থাকায় সেই ব্যক্তি খুব বিরক্তবোধ করছে কিংবা সঙ্গীর ক্ষেত্রেও এমনটি হতে পারে। ২) থুথু ছিটিয়ে কথা বলা এটা একটা খুবই বাজে অভ্যাস। আপনি একজনের সঙ্গে কথা বলছেন কিন্তু তার সামনেই বার বার থু থু ফেলছের আর কথা বলছেন, এতে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটি খুব বিরক্তবোধ করবে। তার মনে আপনার সম্পর্কে ঘৃণা জন্মাবে। ৩) ঢেঁকুর তোলা ভালো খাবার খাওয়ার পর আয়েশ করে ঢেঁকুর তোলাটা আমাদের দেশে স্বাভাবিক রীতি হলেও এটি কিন্তু খুবই অশোভন একটি কাজ। ঢেঁকুরের শব্দটা শুনতে কিন্তু খুব একটা ভালো শোনায় না। এই অভ্যাসটি যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে বাইরে কোথাও খেতে গিয়ে যখন এ কাজটি করবেন তখন পাশের জনের খুবই বিরক্ত লাগবে। এমনকি তার খাওয়ার রুচিটাই হয়তো চলে যাবে। ৪) বিনা কারণে জোরে কথা বলা আনেকেরই জোরে কথা বলার অভ্যাস আছে। তাই বলে কারণে-অকারণে জোরে কথা বলা অন্যের কাছে খুব বিরক্ত লাগতে পারে। বিশেষ করে ফোনে কথা বলার সময় এই প্রবণতাটা বেশি দেখা যায়। এতে আশেপাশের মানুষদের বিরক্ত লাগবে। ৫) অপেক্ষা করানো আপনি কি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া দেরি করছেন কিংবা কোন গুরুত্বপূর্ণ ফোন করার কথা ভুলে যাচ্ছেন? এই অভ্যাসটি একেবারেই অযোগ্য। আপনার জন্য আরেকজন অপেক্ষা করে করে আপনার ওপর বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক নয়। ৬) পা ছেঁচড়া হাঁটা অনেকেই পা ঘষটে বা ছেঁচড়ে শব্দ করে হাঁটেন। এটা খুবই বাজে অভ্যাস। এই শব্দ শুনতে খুব বাজে শুনায়। এতে আশেপাশের মানুষও বিরক্ত হয়ে উঠে। ৭) অকারণে গা চুলকানো দেখা যায়, অনেক ব্যক্তিই অকারণে গা চুলকান। শুধু তাই নয় খুব শব্দ করে গা চুলকাতে ভালোবাসে। এতে পাশের জনের খুব বিরক্ত মনে হয়। তাছাড়া এর পরিচয় মেলে বাঁদরের। কেননা বাঁদার অনবরত গা চুলকায় ঘ্যাঁসঘ্যাঁস করে। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না কেউ বিরক্ত হয়ে আপনাকে বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করুক! তাই কারো সামনে শরীরের বিভিন্ন জায়গা চুলকাবেন না। কেএনইউ/ এসএইচ/

রেসিপি : দম পটল

গরমের সময় বাজারে বা রান্নাঘরের সবচেয়ে সহজলভ্য সবজি হচ্ছে পটল। পটলের নানা রকম রেসিপি এই সময় আমরা রান্না করি। আজ থাকছে নতুন স্বাদের ভিন্ন রেসিপি– দম পটল। যা লাগবে : ৫০০ গ্রাম পটল, ২ টেবিল চামচ ঘি, দেড় চা চামচ ধনে গুঁড়ো, দেড় চা চামচ জিরে গুঁড়ো, ১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো, ৩ টেবিল চামচ টক দই, ২ টেবিল চামচ পোস্ত বাটা, দেড় চায়ের চামচ হলুদ গুঁড়ো, দেড় চা চামচ লাল লঙ্কার গুঁড়ো, ৫-৬ টা গোটা কাঁচা লঙ্কা, দেড় চায়ের চামচে চিনি, স্বাদ মতন লবন, পরিমাণ মতো সরষের তেল। রন্ধন প্রণালী : প্রথমেই পটল কেটে পরিষ্কার করে নিন। পটল গোটা রাখলে গা একটু চিরে দেবেন। একটি বাটিতে ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, টক দই, পোস্ত বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, চিনি ও লবন সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিয়ে রেখে দিন। এর পর প্যানে তেল গরম করে পটল ভালো করে ভেজে তুলে নিন। পটল ভাজা তেলেই বানিয়ে রাখা পেস্টটি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। প্রয়োজনে মাঝে মাঝে অল্প পানি দিন। মশলা ভালো করে কষানো হয়ে গেলে ভাজা পটল ও কাঁচা লঙ্কা গুলো চিরে দিয়ে পানি দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে নিন। রান্না হয়ে গেলে উপর থেকে ঘি, গরম মশলা আর সামান্য চিনি ছড়িয়ে ১০ মিনিট দমে রাখুন। পরিবেশন করার আগে ভালো করে নাড়িয়ে নিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দম পটল। এসএ/  

পুরুষদের জন্য এবার বাজারে কুল অন্তর্বাস

পুরুষ আর গরমের শত্রুতা বহু প্রাচীন। তীব্র গরম একেবারেই অপছন্দ পুরুষদের। আসলে উষ্ণতা পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। এর ফলে গরমে বেশ খিটখিটে মেজাজ থাকে বয়ফ্রেন্ড বা স্বামীদের। এমন অবস্থায় মাথার ওপর এয়ার কন্ডিশন চললেই শুধুমাত্র সম্পর্কের মিষ্টতা বজায় থাকে। তবে এখন থেকে আর তেমনটা হবে না। এবার খটখটে রোদেই পার্টনারের হাত ধরে শপিং করতে বা ঘুরতে বেরিয়ে পড়তে পারবেন সঙ্গিনীরা। আর তাতে বিরক্তও বোধ করবেন না পুরুষরা! কীভাবে? হ্যাঁ, খানিকটা ম্যাজিক বলা যেতেই পারে। কারণ এবার বাজারে আসছে এমন একটি অন্তর্বাস, যা সর্বক্ষণ ঠাণ্ডা রাখবে পুরুষদের। এই প্যাচপ্যাচে গরমে যেসব পুরুষরা বাবা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের তো প্রাণ ওষ্ঠাগত। তবে বিশেষজ্ঞরা এর সমাধানও বের করে ফেলেছেন। পুরুষদের শরীর ও মন ঠাণ্ডা রাখতে তৈরি করা হয়েছে একটি ‘কুল’ অন্তর্বাস। স্পার্ম কাউন্ট স্বাভাবিক রাখতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে এই অন্তর্বাসটি। এটিতে এরগোনমিক ফ্রোজেন ওয়েজ থাকায় তা পুরুষদের যৌনাঙ্গকে শীতল রাখে। যাতে স্পার্ম কাউন্ট স্বাভাবিক থাকে। ভাবছেন তো, এমনটা আবিষ্কর্তার মাথায় এল কীভাবে? আসলে তীব্র গরমে তার বন্ধু যৌনজীবন এক্কেবারে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল। আর তখনই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গবেষণা শুরু করে দেন তিনি। সফল হতে বেশি সময় লাগেনি। অন্তর্বাসটির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নো-বলস’। সম্পূর্ণ সুতির তৈরি স্ট্রেচেবল এই অন্তর্বাসের আরও একটি গুণ রয়েছে। যে কুলিং প্যাডটি এটিকে ঠাণ্ডা রাখে, সেটি ইচ্ছে মতো আপনি সরিয়ে রেখেও অন্তর্বাসটি ব্যবহার করতে পারেন। গরমকালে খেলার মাঠে অনেক সময়ই খেলোয়াড়দের স্কিনি পরতে দেখা যায়। এই বিশেষ স্কিন টাইট টি-শার্টটি শরীরের তাপমাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘাম হয় না। ঠিক তেমনই এবার গরমে স্বস্তি পাবে পুরুষাঙ্গও। আর ভ্যাপসা গরমেও মিলন হবে মধুর। ভাবছেন কোথায় পাবেন? ই-কর্মাস সাইটে সার্চ করে দেখুনই না। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন। একে// এসএইচ/

অতিরিক্ত গরমে মেকাপ ঠিক রাখবেন যেভাবে

অতিরিক্ত গরমে শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনা মুখে সবচেয়ে বেশি ঘাম হয়। এই সমস্যা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে ত্বকে অনেক ময়লা জমে এবং তৈলাক্ত দেখায়। আর ত্বক তৈলাক্ত হওয়ার কারণে দেখা যায় মুখের মেকাপ করাটা খুব কঠিন হয়ে পরে। মেকাপ করতে পারলেও কিছুক্ষণ পর সেটা গলে গলে পরতে দেখা যায়। আর সেটা যদি হয় পার্টি বা কোন বিয়ে বাড়িতে তখন মনটাই খারাপ হয়ে যায়। তবে মন খারাপের কিছু নেই। এই অতিরিক্ত গরমে কিছু পন্থা অবলম্বন করেছে রূপ বিশেষজ্ঞরা। এটি মেনে চলতে পারলে আপনার মেকাপ ঠিক রাখা সম্ভব। তবে চলুন মেকাপ ঠিক রাখার উপায় জেনে নেই- প্রথমে মেকাপ শুরু করার আগে ফেসওয়াশ এবং ক্লিনজার দিয়ে ত্বক খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ ত্বকে ময়লা বা তেলতেলে ভাব থেকে গেলে মেকাপে অস্বস্তি থাকবে। ত্বকের অস্বস্তি থাকলে মেকআপও গলে যাওয়ার ভয় থাকে বেশি। পরিষ্কার করা হয়ে গেলে একটি সুতি পাতলা কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে নিয়ে পুরো মুখে দশ মিনিট ধরে বরফ ঘষে নেবেন। এতে ত্বক সজিব লাগবে ও মেকআপ দীর্ঘসময় ঠিক রাখতে সাহায্য করবে। এরপর ত্বক ঠাণ্ডা রাখে এমন ক্রিম বেছে নিয়ে মুখে লাগান। ক্রিম ছাড়া যত মেকআপই দিন না কেন মুখ উসকোখুসকো দেখাবে। অথবা ক্রিমের বদলে টোনার দিয়ে মুখ ভালো করে মুছে নিতে পারেন। ভালো সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে নিলে অতিরিক্ত তেল দূর হবে এবং মেকআপ থাকবে অনেকটা সময়। এবার মেকআপ গলে যাওয়া রোধ করতে প্রথমে মেকআপ প্রাইমার লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর অনেকেই ফাউন্ডেশন লাগায়, এটি কখনই করা যাবে না। এর পরিবর্তে কনসিলার ব্যবহার করে মেকাপ করুন। গরমে ফাউন্ডেশন দিলে এটি খুব দ্রুত গলতে শুরু করে। তাই ফাউন্ডেশন হিসেবে শুধু পাউডারটাই ব্যবহার করতে পারেন। এতে মেকাপ গলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে যেটাই ব্যবহার করুন না কেন, তা যেন হয় ওয়াটারপ্রুফ। মেকাপের স্পঞ্জ দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। এর উপরে এখন ফেস পাউডার দিতে পারেন। এতে মেকাপ আরও ফিট থাকবে। অনেকেই আছেন যারা মেকাপ করার পর বাইরে যাওয়ার সময় হাতে টিস্যু রাখেন মেকাপ ঠিক রাখার জন্য। ভুলেও এই কাজটি করবেন না। কারণ টিস্যু দিয়ে মেকাপ ঠিক করতে গেলে উল্টো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই টিস্যুর পরিবর্তে ব্যাগে রাখুন মেকাপের স্পঞ্জ বা ব্লটিং পেপার। মেকাপের স্পঞ্জ দিয়ে মেকাপ ঠিক রাখতে পারেন। এছাড়া ব্লটিং পেপার দিয়ে ত্বকের ঘামটুকু মুছে ফেলতে পারেন। এতে মেকাপ নষ্ট হবে না। কেএনইউ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি