ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:০২:২৫

বোনকে ডাক্তার বানাতে চান হকার মিজান

বোনকে ডাক্তার বানাতে চান হকার মিজান

নীলক্ষেত অঞ্চলের পরিচিত মুখ মিজানুর রহমান। সবাই তাকে মিজান নামেই ডাকে। প্রতিদিন সকালে দুই ঘণ্টা ফেরি করে পান-সিগারেট বিক্রি করেন। এরপর বইয়ের দোকানে কাজ করেন। মা-বাবা আর তিন ভাই-বোন নিয়ে তাদের সংসার। অভাবের সংসারে পড়ালেখাও খুব বেশি করতে পারেননি। কিন্তু পড়ালেখা না করতে পারলেও ভাই-বোনেদের পড়ালেখা শিখিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি। এই আশা নিয়েই ২০০৮ সালে ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জলগড় থেকে ঢাকায় আসেন মিজান। তখন থেকেই জীবন যুদ্ধে নেমে পড়েন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, নীলক্ষেত এবং নিউ মার্কেটের বিভিন্ন পয়েন্টে ফেরি করে পান-সিগারেট বিক্রি করেন মিজান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন পথে নামেন। বিক্রি বাবদ যা লাভ হয় তাই দিয়ে নিজের জন্য সামান্য রেখে বাকি টাকা বাড়িতে মা-বাবা, ভাই-বোনদের জন্য পাঠিয়ে দেন। প্রতিদিনই গড়ে তিনশ টাকা করে লাভ হয় তার। দারিদ্র্যতাকে মেনে নিয়েই হাসিমুখে প্রতিদিনই ফেরি করে বেড়ান মিজান।
কম বয়সে বিয়ে করার সুফল

বিয়ের আদর্শ বয়স কোনটি তা নিয়ে নানা বিতর্ক আছে। অনেকে বিয়ে করেন ৩৫ বছর বয়সে, অনেকে কুড়িতে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যৌবনের শুরুতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিত, এতে জীবনটা অনেক বেশি সহজ মনে হবে আপনার কাছে। বহু রোগ থেকেও মুক্তি মিলবে। কীভাবে চলুন জেনে নিই। *একটা সময় পর মানুষের যৌনাকাঙ্খা ও ক্ষমতা কমতে শুরু করে। পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। তাই বিয়ে সেরে ফেলুন সময়মত। *সন্তানের জন্য খুব ভালো পিতা-মাতার উদাহরণ হতে পারবেন যদি বিয়ে আগে করে ফেলেন। সত্যি বিষয়টি কেউ মানুন আর নাই মানুন না কেন সামগ্রিকভাবে মানুষের গড় আয়ু কিন্তু কমে এসেছে। আপনি দেরিতে বিয়ে করলে সন্তান মানুষ করার বিষয়টিও পিছিয়ে যাবে এবং আপনার মানিসকতাও কিন্তু দিনকে দিন নষ্ট হতে থাকবে। *আপনি যদি বয়স ৩০ পার করে বিয়ে করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি বরং এমন হবে বিয়ে করার কথা তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে আগেই বিয়ে করে ফেলা ভালো, যখন আবেগ কাজ করে অনেক।*বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য কতটা সময় পান? বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তানের দায়িত্ব ঘাড়ের ওপর এসে পড়ে। আর একবার সন্তান হয়ে গেলে দুজনের একান্ত সময় কাটানো আর হয়ে উঠে না। কিন্তু অল্প বয়সেই বিয়ে করে ফেললে সঙ্গীর সঙ্গে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক অনেক ভালো ও মধুর থাকে। *‘একজনের চেয়ে দুজন ভালো’- বিষয়টি নিশ্চয়ই না বোঝার কথা নয়। একাই সুখ দুঃখ ভোগ করার চেয়ে দুজনে ভাগাভাগি করে নিলে অনেকটা সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অল্প বয়সেই বিয়ে করলে দুজনের জীবনের সবকিছুই ভাগ করে নেয়া যায় বলে মানসিক চাপটাও কম পড়ে। *দুর্ঘটনাবশত অনেকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত ঠিক নিতে পারেন না। তাই এখন ডিভোর্সের সংখ্যাও বাড়ছে। জলদি বিয়ে করার কিন্তু এই দিক থেকেও সুবিধা রয়েছে। যদি অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে অল্পতেই ভেঙে যায় তাহলে জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া যায় যা দেরিতে বিয়ে করলে পাওয়া সম্ভব হয় না। সূত্র : এই সময়।//এআর

সাবেক প্রেমিকাকে ভুলতে পারছেন না, কী করবেন?

দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেলে সেটি প্রচণ্ড হতাশার কারণ হয়ে উঠে। তবে সবার জীবনে টুকটাক খারাপ সময় আসেই। সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করা চাই সেটি। প্রাক্তন সম্পর্ক থেকে যত তাড়াতাড়ি বের হতে পারবেন, ততই আগামীর জন্য ভালো । মনে রাখবেন, আপনার ভালো থাকার উপর নির্ভর করে  আপনার কাছের মানুষগুলোর ভালো থাকা । আর তাই তাদের জন্য হলেও আপনাকে প্রাক্তন সঙ্গীকে ভুলে থেকে  স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে। নিজেকে বোঝান জীবনের যেকোনো পর্যায়েই এমনটি হতে পারে। এটাও মনে রাখা উচিত যে, জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। খারাপ সময় অথবা ভুল সঙ্গ অনেক সময় আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। অনেক সময় একসঙ্গে পাড়ি দেওয়ার পর অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলে জীবনকে বেশি কষ্টকর মনে হয়। এ ধরনের ব্যাপারগুলো নিজেকে বোঝান।মনে রাখবেন, যেকোনো পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করার জন্য আত্নবিশ্বাস সবচেয়ে জরুরি। সময় দেওয়া জরুরি সম্পর্ক নষ্ট হলে বিষণ্ণতা অথবা কষ্ট থেকে রাতারাতি মুক্তি পাওয়ার কোনও উপায় নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই সেটি ফিকে হবে। তাই নিজেকে সময় দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিষণ্ণতা দূর করার জন্য অন্য সম্পর্কে জড়াবেন না একটি সম্পর্ক থেকে পুরোপুরি বের হতে না পারলে কখনোই আরেকটি সম্পর্কে জড়াবেন না। এটি আপনাকে আরও বেশি দ্বিধাগ্রস্ত করে তুলবে। এটি হতাশার কারণ হয় । পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান অনেকদিন হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া হয় না। একটু সময় করে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান। এটি আপনার বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করবে। পছন্দের কিছু করে সময় কাটান আপনি ঘুরতে পছন্দ করেন? তবে দেরি না করে বেরিয়ে পড়ুন ভ্রমণে। নিজের পছন্দের কিছু করে সময় কাটান। নিজেকে সময় দিন। এটি খুব দ্রুত আপনাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকুন এই ব্যাপারটি মোটামুটি কষ্টকর হলেও ভালো থাকার জন্য মেনে চলা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতাশা বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের স্মৃতিচারণ কিংবা প্রাক্তন সঙ্গীর প্রোফাইলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় যা আপনাকে আরও হতাশ করে দিতে পারে।     কাছের মানুষের পরামর্শ শুনুন কাছের বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের হতাশার কথা জানাতে পারেন। খুব বিশ্বাস করেন এমন কোনও কাছের মানুষের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে পারেন। এটি আত্নবিশ্বাস যোগাবে।    প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে কিছু করবেন না প্রাক্তন সঙ্গীর উপর রাগ থেকে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে কিছু করবেন না। এটি আপনাকে আরও হতাশায় ফেলে দেবে। মনে রাখবেন, সবকিছু ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ায় হবে সবার প্রতি আপনার উচিৎ জবাব। তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট   /কেআই/এআর

কার বেশি যৌনাকাঙ্খা, পুরুষ না নারীর?

নারী-পুরুষ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কার যৌনাকাঙ্খা বেশি- এটা তকর্যোগ্য বিষয়। তবে অনেকের মতে, যৌনতায় বেশি আগ্রহী পুরুষরাই। কিন্তু এই ধারণা বর্তমানে পুরনো ও বাতিল। ২০১৭ সালে দাঁড়িয়ে এক কথায় এই প্রশ্নর উত্তর পেতে চাইলে বোকা বনতে হবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৯ শতাংশ নারী প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে প্রেমিকের মনে যৌনতা উস্কে দেন। মুখ ফুটে না বললেও হাবভাবে তারা যৌন চাহিদা প্রকাশ করেন। সেই তুলনায় পুরুষের যৌনকাঙ্খা কম। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ভাউচার কোড প্রো নামে একটি অনলাইনের করা এক সমীক্ষায় এ প্রশ্নের যে উত্তর উঠে এসেছে, তা জানলে তাজ্জব বনে যাবেন। প্রাপ্তবয়স্ক দুই হাজার ৩৮৩ জন নারী ও পুরুষের ওপর এই সমীক্ষায় করা হয়। এতে জানতে চাওয়া হয়, নারী ও পুরুষের সম্পর্কে ক্ষেত্রে কে বেশি যৌনতা চায়? সমীক্ষায় যে ফল উঠে এসেছে, তাতে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে পুরুষের চেয়ে নারীর যৌন আকাঙ্খা বেশি। প্রায় ৫৯ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে তারাই প্রেমিকের মনে যৌনতা উস্কে দেন। মুখ ফুটে না বললেও হাবভাবে তারা যৌন চাহিদা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, ৪১ শতাংশ পুরুষ প্রেম চলাকালে যৌন আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে সমীক্ষায় জানা গেছে। সমীক্ষায় আরও বেশকিছু তথ্য উঠে এসেছে। যেমন, ২১ শতাংশ দম্পতি নিজেদের মধ্যে অতীতের যৌনজীবন নিয়ে ঝগড়া করেন। অনেকে তাদের সঙ্গীকে ‘অলস’ বলে আখ্যায়িত করেন। ৩২ শতাংশ নারীর অভিযোগ, স্রেফ আলসেমির জন্য তাদের স্বামী বা বয়ফ্রেন্ড শারীরিক সম্পর্কে যান না। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৪ শতাংশ নারী জানান, তাদের যৌনসম্পর্কে নতুনত্বের অভাব রয়েছে। কিন্তু আলসেমির জন্য বা কেউ দেখে ফেলতে পারে এই ভয়ে তাদের সঙ্গীরা বেডরুমের বাইরে শারীরিক সম্পর্ক চান না। সূত্র: হাফপোস্ট//এআর

প্রেমের টানে প্রাসাদ ছাড়ার ঘোষণা জাপানের রাজকুমারীর

প্রেমের টানে প্রাসাদ ছাড়ার ঘোষনা দিলেন জাপানের রাজকুমারী মাকো। জাপানের সম্রাট আকিহিতোর অনুমতি পেয়ে গত রোববার প্রেমিককে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন  মাকো । মাকো জাপানে বর্তমান সম্রাট আকিহিতোর ছোট ছেলে রাজকুমার আকসিনো নামে পরিচিত ফুমিহিতোর বড় সন্তান। মাকো আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাধারণ পরিবারের সন্তান বন্ধু-প্রেমিক কেই কোমুরোকেই বিয়ে করবেন।  এই ঘোষনার মাধ্যমে রাজকুমারীর বিয়ে নিয়ে চলা দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটলো । সেইসঙ্গে তিন রাজকীয় ক্ষমতা ও সুবিধাদি হারাতে চললেন । জাপানিদের মতকে প্রাধান্য দিয়ে সংবিধান পরিবর্তন হলে হয়তো মাকোই হতেন জাপানের সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকার ও দেশের প্রথম নারী সম্রাজ্ঞী। জাপানের রাজপ্রথা অনুযায়ী রাজপরিবারের কোন নারী সদস্য সাধারণ নাগরিককে বিয়ে করলে উত্তরাধিকার ও রাজপরিবারের সুবিধা হারাবেন । তবে রাজপরিবারের পুরুষ সদস্যদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। মাকোর স্বামী হতে যাওয়া ২৫ বছরের কেই কোমুরো জাপানের একটি আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন । ৫ বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তিতে তা গড়ায় মন দেওয়া নেওয়ায় । মাকো সাধারণ নাগরিককে বিয়ে করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে রাজপরিবারকে সংকুচিত করে দিলেন কিনা সে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

পৃথিবীর উচ্চতম ম্যারাথনে ঢাবি শিক্ষার্থী

মাদকমুক্ত সুস্থ তরুণ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ভারতের হিমাচল প্রদেশে একটি পর্বত অভিযান এবং একটি ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। চব্বিশ দিনের এই অভিযানে তিনি মাউন্ট স্টক কাংরি (২০ হাজার ১৮৭ফুট) পর্বতের চূড়া স্পর্শ করবেন এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ফুট উচুতে পৃথিবীর উচ্চতম ম্যারাথন “লাদাখ ম্যারাথনে” ৪২ দশমিক দুই কিলোমিটার দৌড়াবেন। ওই অভিযানে অংশগ্রহণরে পূর্বে তিনি সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।                      

প্রেম নিবেদনে দুনিয়ার সেরা ১০ উক্তি

সবার জীবনেই প্রেম আসে। পছন্দের মানুষকে কেউ অকপটে মনের কথা বলে ফেলে। কেউ বলতে পারে না, শেষে আজীবন ক্ষত বয়ে বেড়ায়। যাকে ভালোবাসেন তাকে আজ না হোক এক সময়তো তা বলতেই হবে। কিন্তু কীভাবে বলবেন? কী বলে মন জয় করবেন তার? আপনার জন্য রইল প্রেম নিবেদনের পৃথিবী বিখ্যাত ১০ উক্তি। বিশ্ববিখ্যাত কবি সাহিত্যিকরা এসব উক্তি ব্যবহার করে প্রেয়সীকে প্রেম নিবেদন করেছিলেন। ১. ‘হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে তোমার কাছে মিনতি করছি, তোমার মন আর আমাদের মধ্যেকার ভালবাসার সবটুকু আমাকে জানতে দিও। ’ — সম্রাট অষ্টম হেনরি (১৬শ শতকের ইংল্যান্ড সম্রাট)২. ‘আমি তোমায় ভালোবাসি, আমৃত্যু ভালোবাসব, আর মৃত্যুত্তর জীবন বলে যদি কিছু থাকে সেই জীবনেও ভালোবেসে যাব তোমাকে। ’ — কাসান্দ্রা ক্লেয়ার (মার্কিন ঔপন্যাসিক)৩. ‘তুমি, শুধু তুমি কাছে থাকলে আমি বুঝি আমি বেঁচে আছি। অন্য পুরুষরা দাবি করে, তারা নাকি পরীর দেখা পেয়েছে। আমি দেখেছি শুধু তোমাকে, আর সেটুকুই আমার পক্ষে যথেষ্ট। ’— জর্জ মুর (আইরিশ ঔপন্যাসিক)৪. ‘তোমাকে যে ভালোবাসি তা কেবল তুমি কেমন মানুষ তা দেখে নয়, তোমার সংস্পর্শে আমি যেমনটা হয়ে উঠি তার আকর্ষণেও। ’ — এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং (১৯শ শতকের ব্রিটিশ কবি)৫. ‘ভালবাসা কী তা জানতে পেরেছি তোমার জন্যই। ’ — হারমান হেস (জার্মান কবি, ঔপন্যাসিক)৬. ‘এসো, আমরা প্রেমকে অমর করে দিই। ’ — হার্বার্ট ট্রেঞ্চ (আইরিশ কবি)৭. ‘ভালোবাসা, এসো, ঘুমিয়ে পড়ো হে, আমার নিকটে এসে, আমি জানি, আমি তোমার প্রেমের জোয়ারে গিয়েছি ভেসে। ’ — রবার্ট ব্রাউনিং (১৯শ শকের ব্রিটিশ কবি)৮. ‘আমার অন্তরতম অন্তরে, যেখানে আমি একেবারে একা, সেখানে তোমার ঝর্ণাধারা কখনও শুকোবার নয়। ’— পার্ল এস বাক (আমেরিকান ঔপন্যাসিক)৯. ‘তোমার কাছে আমার যত ঋণ, সে ঋণ কভু শোধ হবার নয়,যতই করি অর্থ ব্যয় আরযতই করি দিবস অপচয়...’— জেসি বেল রিটেনহাউস (আমেরিকান কবি)১০. ‘সবচেয়ে জরুরি কথাটিই বলা সবচেয়ে কঠিন, কারণ শব্দের বাঁধনে কথার অর্থ খাটো হয়ে আসে। ’— স্টিফেন কিং (আমেরিকান কথাসাহিত্যিক)//এআর

গিনেস বুকে মাগুরার যুবক

মাথায় ফুটবল নিয়ে সাইকেল চালিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার রেকর্ড গড়েছেন এক বাংলাদেশী যুবক। মাগুরার ফুটবল জাদুকর আবদুল হালিমকে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এ স্বীকৃতি দিয়েছে। হালিম মাগুরার শালিখা উপজেলার অজপাড়াগাঁ ছয়ঘরিয়া গ্রামের কৃষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারির ছেলে। এর আগে ফুটবল নিয়ে নৈপুণ্য দেখিয়ে আরও দু’বার বিশ্ব সেরার স্বীকৃতি পান তিনি।ফুটবলপাগল হালিম ২০১১ সালে প্রথম বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম লেখান। সেটি ছিল ২ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট নিরবচ্ছিন্নভাবে মাথায় ফুটবল নিয়ে ১৫.২০ কিলোমিটার পথ হাঁটা। এরপর ২০১৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো স্বীকৃতি পান ২৭.৬৬ মিনিটে ১০০ মিটার রোলার স্কেটিংয়ের জন্য। ওই দুটি রেকর্ডের কারণে ফুটবল জাদুকর হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিতি পান তিনি।এবার তৃতীয়বারের মতো স্বীকৃতি পেলেন সাইকেল চালানো অবস্থায় মাথায় বল নিয়ে ১৩.৭৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য।এ নতুন রেকর্ডের জন্য হালিম ৮ জুন দুপুর ১১.৫৩ মিনিটে শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে বল মাথায় নিয়ে সাইকেল চালানো শুরু করেন। কিন্তু বাতাসের প্রচণ্ড ঝাপটায় দুপুর ১টা ১২ মিনিটে তার মাথা থেকে বল পড়ে যায়। ততক্ষণে তিনি ১৩.৭৪ কিলোমিটার অতিক্রম করে ফেলেন, যা নতুন রেকর্ড।দু-দু’বার বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী হালিম নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য ২০১৬ সালে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। সেসময় তারা কমপক্ষে ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার সীমা নির্ধারণ করে দেয়। তাদের বেঁধে দেয়া সীমার চেয়ে বেশি পথ অতিক্রম করেন হালিম। তিনি ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটে ১৩.৭৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন। ভিডিওতে ধারণ করা হয়।এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো ভিডিও, স্থিরচিত্রসহ অন্যান্য প্রমাণাদি গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া হয়। সেসব বিচার-বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় আবদুল হালিমকে নতুন রেকর্ডের স্বীকৃতি দেয় গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ।হালিম বলেন, ‘এই আনন্দ বিশ্ব জয়ের। এর প্রকাশ কীভাবে করবো জানি না। আমার জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। চ্যালেঞ্জ ছিল নিজের সাথেই। আমি চেয়েছি এটি করতে এবং তার জন্য নিয়মিত পরিশ্রমের ফসল হিসেবেই পাওয়া সম্ভব হয়েছে।’ //এআর

বন্ধুত্বের দিন আজ

বন্ধুত্ব মানে হাতে হাত রেখে দীর্ঘ পথ চলা। বন্ধুত্ব মানে আস্থা, বিশ্বাস, সুখ, দু:খের সহযাত্রী। বন্ধুত্ব মানে সীমাহীন ক্যানভাস, যেখানে হৃদয়ের সব রঙ মাখিয়ে যেকোনো প্রতিচ্ছবি আঁকা যায়। বন্ধুত্ব মানে যার সঙ্গে হৃদয়ের গহীনে জমানো সব কথা নির্বিঘ্নে শেয়ার করা যায়। বন্ধুত্ব মানে বয়সের সঙ্গে বয়সের মিল নয়, বন্ধুত্ব মানে মনের সঙ্গে মনে গোপনে হয়ে যাওয়া পরিচয়। আজ দিন বন্ধুত্বের। বন্ধুত্ব মানে চির সজীবতা। অন্য সব সম্পর্কের চেয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গভীর ও চিরদিনের; পদ-পদবিতে, দূরত্বে আটকে থাকে না। এই সম্পর্কের নেই কোনো রূপান্তর। শিশু বয়সের বন্ধুত্ব যেমন শর্তহীন, বৃদ্ধ বয়সেও তাই। বন্ধুত্ব মানে উচ্ছলতা-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নির্ভরতাও। বন্ধুত্ব মানে তারুণ্যের উন্মাদনা, কৈশোরের খেয়ালিপনা, যৌবনের বেপরোয়া গতি। বেশির ভাগ দিবসের মতোই বন্ধু দিবসেরও ধারণা ও উৎপত্তি যুক্তরাষ্ট্রে। সেই ১৯১৯ সাল, এরপর নব্বই বছর ধরে আগস্টের প্রথম রোববার পালিত হয়েছে বন্ধুত্ব দিবস। গত শতাব্দীর শেষ দশকে বাংলাদেশেও পালন শুরু হয় বন্ধু দিবস। বিশ্বায়নের কল্যাণে রাজধানী ছাড়িয়ে মফস্বলেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। বন্ধুদের মধ্যে এসএমএস, শুভেচ্ছা কার্ড, উপহার বিনিময় হয় এ দিন।প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস পালিত হলেও ২০১১ সালের ২৭ এপ্রিল জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এখনও আগস্টের প্রথম রোববারই বন্ধুত্বের দিন। আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ যখনই থাকুক, আজ বন্ধুরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাবেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং যাপিত জীবনের অংশ ফেসবুক বন্ধুত্বকে করে দিয়েছে সীমাহীন। তাই ফেসবুকেই বন্ধুত্বের মাতামাতি বেশি। `ফ্রেন্ডলিস্টে`র বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা জানিয়েই কেটে যাবে দিন। নয়তো সুমনের গানের মতো প্রিয় বন্ধুকে বলা হবে- `বন্ধু, কী খবর বল।` দিন কেটে গেলেও আজীবন সুখে দু:খে একসঙ্গে পথচলার প্রতিজ্ঞাকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য দিবসটির গুরুত্ব হয়তো হারাবে না কোনোদিনও।//এআর

দিল্লিতে লঙ্গরখানা খুললেন গম্ভীর

বলিউডের তারকাদের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের সাথে যতটা সম্পৃক্ত দেখা যায় সে তুলনায় ভারতীয় ক্রিকেটারদের কথা তেমন শোনা যায়না। কিন্তু আয়ের বিবেচনায় ভারতে অনেক তারকা ক্রিকেটার সেদেশের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় রয়েছেন। তবে কিছুটা ব্যতিক্রমী দেখা গেলো আইপিএলের শীর্ষ দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক গৌতম গাম্ভীর। মঙ্গলবার থেকে দিল্লিতেগরীবদের জন্য একটি লঙ্গরখানা খুলেছেন গাম্ভীর। সারা বছর বেলা একটা থেকে তিনটার মধ্যে যে কেউ এসে সেখানে বিনা পয়সায় দুপুরের খাবার খেতে পারবেন। এ বিষয়ে টুইটারে গম্ভীর লিখেছেন, একজন ক্ষুধার্তকে খাওয়ানোর মত তৃপ্তি বোধ হয় আর কিছুতেই নেই। কাউকে যেন ক্ষিদে নিয়ে বিছানায় যেতে না হয় সে বিষয়ে আমাদের সবার সচেতন হওয়ার দরকার। তার এই উদ্যোগে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক বলিউড তারকা শাহরুখ খান। গৌতমের টুইটারে শাহরুখ লিখেছেন, ক্যাপ্টেন বলুন আপনার কাজে আমি কীভাবে সাহায্য করতে পারি। ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন।   আর/টিকে

রবিতে ফিরলেন গাজী ইমরান

দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর রবি অজিয়াটা লিমিটেডে ফিরলেন গাজী ইমরান আল আমিন। প্রতিষ্ঠানটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট (মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট) পদে আজ বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু করেছেন তিনি। গাজী ইমরান এর আগে রবি অজিয়াটায় মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার পদে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। রবিতে যোগদানের আগে তিনি এসিআই ফুডস লিমিটেডের কমিউনিকেশন ম্যানেজার পদে ছিলেন। গাজী ইমরান আল আমিন দীর্ঘ কর্মজীবনে এসিআই লিমিটেডের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের ম্যানেজার পদেও সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা সিটি কলেজের গ্রাজুয়েট। গাজী ইমরান গাই গাইতে পছন্দ করেন। //এআর

সচেতনতামূলক ভিডিও নির্মাণ করে দর্শকপ্রিয় সৌরভ

সৌরভ ইমাম। পেশা সাংবাদিকতা। ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ পরিচিত মুখ। ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে তার যতটা না পরিচিতি তার চেয়ে কয়েকগুন খ্যাতি অর্জন করেছেন বিভিন্ন ভিডিও নির্মাণ করে। তিনি মাদক বিরোধী, জনদুর্ভোগ, শিক্ষা, সমাজের অবহেলিত শিশু-কিশোর এবং বিভিন্ন জনসচেতনামূলক ভিডিও তৈরি করেন স্ব-উদ্যোগে। অন্যরাও যেন তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হন কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন হন সেজন্য সেই ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেন। তার বেশ কয়েকটি ভিডিও এরইমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দর্শকদের মাঝে। ভিডিওগুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই সেগুলোতে লাইক দিচ্ছেন, কমেন্ট করছেন। জনসচেতনতামূলক ও মানুষের উপকারে আসে এমন সব ভিডিও আরও তৈরি করতে সৌরভকে অনুরোধ করছেন তার অনেক ফেসবুক ফলোয়ার। সৌরভ ইমামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি স্যাটেলাইন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের স্পোর্টস রিপোর্টার। ব্যাতিক্রমী এই উদ্যোগের বিষয়ে সৌরভ জানান, লোকজন টেলিভিশনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সময় বেশী দিয়ে থাকে। এই শক্তিশালী মাধ্যমে সহজেই মানুষের বিশেষ করে তরুণদের কাছে যাওয়া যায়। দীর্ঘদিন টেলিভিশন এবং রেডিওতে কাজের অভিজ্ঞতা পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উপযোগী ভিডিওগুলো নির্মাণ করছি। মান ঠিক রেখে সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি আমার লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নানা সমস্যাগুলো তুলে ধরা এবং মানুষকে সচেতন করাই আমার লক্ষ্য।  কী কী বিষয় নিয়ে কাজ করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সৌরভ বলেন, বর্তমান মাদক বিরোধী, শিক্ষামূলক এবং তথ্য নির্ভর ভিডিও নির্মাণ করছি। সামনের দিনগুলোতে পর্যটন, মানবসম্পদ, অবহেলিত মানুষ, মেধাবী, প্রতিভাবান ব্যাক্তিদের নিয়ে ভিডিও নির্মানের পরিকল্পনা আছে। যে বিষয়গুলোতে মানুষের আগ্রহ আছে এসব নিয়ে কাজ করলে মানুষ একদিকে উপকৃত হয়, অন্যদিকে সচেতনও হয়। মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি মাধ্যমে কাজ করেছেন সৌরভ। কোনটিকে বেশি উপভোগ করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশী উপভোগ করছি উপস্থাপনা। স্টেজে উপস্থাপনা করছি অনেক দিন। মাঝে টিভিতে বেশ কিছু অনুষ্ঠান উপস্থাপনাও দর্শকদের ভাল সাড়া পেয়েছি। মিডিয়ায় কাজের প্রতি সৌরভের আগ্রহ জন্মে কবিতা আবৃত্তি দিয়ে। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কবিতা আবৃত্তি করে গোটা দেশে দ্বিতীয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক পান সৌরভ। তখন থেকেই মিডিয়ার কাজ করতে এক ধরনের প্রতিতি তৈরি হয় তার মাঝে। পরবর্তীতে রেডিওতে খবর পড়া, মাঝে কিছুদিন টিভি নাটকে অভিনয়, গানের অনুষ্ঠান করেছেন। সঙ্গে ছিল স্টেজে উপস্থাপনা। আর এখন একুশে টেলিভিশনে সাংবাদিকতা। তিনি অভিনয় ছেড়ে দিলেও মঞ্চ উপস্থাপনা করে যাচ্ছেন নিয়মিত। বিভিন্ন ইভেন্টে উপস্থাপনা করে দর্শকদের মাতিয়ে আনন্দ পান। দর্শকদের ভালোবাসা পুঁজি করে সামনের দিনগুলোতে জনসচেতনতামূলক এবং সমাজের বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে আরও কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই তরুণ। https://www.facebook.com/172802373260763/videos/178143812726619/?hc_ref=ARS2vobpaGTL5sxMiiN2onkRrmMxrL4ZnSkFsF4uIK1k-NF7XCtSByfcHuEV-y6-L7s&pnref=story

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি