ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১১:৫৫:৩৪

সাবেক সাংসদ আবুল কাশেম মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিক কাল

সাবেক সাংসদ আবুল কাশেম মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিক কাল

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে দু’মেয়াদে নির্বাচিত সাংসদ এ বি এম আবুল কাশেম মাস্টারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ২৪ নভেম্বর। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবিএম আবুল কাশেম ফাউণ্ডেশন। ২০১৫ সালে এদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। চট্টগ্রামের কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এবিএম আবুল কাশেম কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকার মাধ্যমে তিনি জাতীয় নেতৃবৃন্দের নজরে আসেন। ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার বার্তা পাঠালে কালুর ঘাট প্রচার কেন্দ্রে তা প্রচারিত হয়। পরের দিন থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তা মাইকে প্রচারিত হতে থাকে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে। ছলিমপুর ওয়ার্লেস কেন্দ্রে তা প্রচারের ক্ষেত্রে আবুল কাশেম মাস্টারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল বলে ড. মাহফুজুর রহমান তার ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ বইতে উল্লেখ করেছেন। জনগণের সাথে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি পরপর দু’বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হন। ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার সরকার আমলে যখন সীতাকুণ্ড আসনে আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দেওয়ার জন্য লোক খুজে পাচ্ছিল না, তখন তিনি নিশ্চিত পরাজয় জেনেও সাহস দেখিয়ে প্রার্থী হওয়ার জন্য এগিয়ে আসেন। পরবর্তীতেও তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আমৃত্যু সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা তাকে এলাকায় জনপ্রিয় করেছিল।   এএ/টিকে
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। আজ বিকাল ৪টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী বর্তমানে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর গত ১১ নভেম্বর রাতে তাকে চট্টগামের মেহেদীবাগের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে গত রোববার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।   এমআর

আন্দোলন নয়, গুরুত্ব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে

জোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপাসন ও ২০ দল নেত্রী খালেদা জিয়া এই মুহূর্তে সরকার বিরোধী কোনো আন্দোলনে না যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন। বরং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার দিকে গুরুত্বারোপ করেছেন। বুধবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের শরিক নেতাদের উদ্দেশে এ পরামর্শ দেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া জোটের নেতাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জোটের শীর্ষ নেতারা জানান, খালেদা জিয়া বলেছেন, এখন থেকে আন্দোলন শব্দটি নয়, রাজনৈতিক কর্মসূচি শব্দটি সামনে আনতে হবে। বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এদিন রাত নয়টার বৈঠক শুরু হয়ে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে বৈঠকে শেষ হয়।

‘নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপচেষ্টা করছে সাম্প্রদায়িক শক্তি’

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আমরা দুই হাত বাড়িয়ে মানবিক সহায়তা দিচ্ছি, এমন সময় দেশে অস্থিরতা ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। বিশেষ করে আগামী নির্বাচনকে বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় কিছু মহল। বুধবার রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পদমদীতে তিনি এসব কথা বলেন। মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সামনে আসেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। তার ভাষ্য, ‘এ দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, সাঁওতালসহ পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষদের ওপর হামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না সেই সাম্প্রদায়িক শক্তিই এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে।’ আসাদুজ্জামান নূর মনে করেন বাংলা সাহিত্যে মীর মশাররফ হোসেনের অবদান উল্লেখযোগ্য। মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “আমাদের জাতীয় ও সাহিত্য জীবনে তার অবদান অনেক। শুধু বাংলাদেশি নয়, সব বাংলা ভাষাভাষীর মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে। খ্যাতিমান এ লেখক ‘বিষাদ সিন্ধু’ রচনার জন্যই তিনি সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।” মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রটি ঘিরে এ অঞ্চলে সাহিত্য ও সংস্কৃতি কিভাবে আরও বেগবান করা যায় সেই ব্যাপারে আলোচনা করবেন বলে জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এই জায়গাটিকে দেশের প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পরে মীর মশাররফ হোসেনের ১৭০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে স্মৃতিকেন্দ্র প্রাঙ্গণে বাংলা একাডেমি আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসন। এখানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জিল্লুল হাকিম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার, জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আজাদুর রহমান, বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধকার হিসেবে অংশ নেন নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল জলিল।   এসএইচ/

সরকার বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করবে : ইনু

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর সরকার প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। সংসদে বুধবার সরকারি দলের সদস্য একেএম শামীম ওসমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তথ্য মন্ত্রণালয় তার জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। জন্মশতবার্ষিকীর আগেই এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানান। সরকারি দলের সদস্য হোসনেয়ারা লুৎফা ডালিয়ার অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, সরকার দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিটিভির স্বতন্ত্র সম্প্রচার কেন্দ্র চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামে একটি স্বতন্ত্র সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে। ২০১৮ সালের শুরুতে চীন সরকারের সহায়তায় আরও ৬টি বিভিাগীয় শহরে স্বতন্ত্র সম্প্রচার কেন্দ্র চালু করা হবে। সরকারি দলের সদস্য মাহবুব আলীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় বছরে ৬ থেকে ৮টি চলচ্চিত্র নির্মাণে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণেও অনুদান প্রদান করা হয়। তবে তা শিল্পমান সম্পন্ন হতে হবে।   এসএইচ/

সংলাপের দরজা বন্ধ করেছে বিএনপি : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এত কিছুর পরও আমরা খালেদা জিয়াকে বেগম জিয়া বলি। আর ওনারা বলেন, হাসিনা হাসিনা। এটা আমাদের কষ্ট লাগে। কারণ বর্তমানে আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, যখন ওনার (খালেদা জিয়া) ছেলে মারা গেলেন, প্রধানমন্ত্রী ছুটে গেছেন ওনাকে সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু উনি দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন। উনি এখন সংলাপের কথা বলেন। সংলাপের দরজা তো ওই দিনই বন্ধ করে দিয়েছেন নিজের দরজা বন্ধ করে।

টুইটে নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানালেন খালেদা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত রোববারের সমাবেশে অংশ নেওয়ায় দলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারে এক টুইটের মাধ্যমে তিনি এ ধন্যবাদ জানান। চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘রোববারের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় অংশগ্রহণ করায় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’ টুইটে খালেদা জিয়া বলেন, “অনির্বাচিত সরকারের চক্রান্ত, বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে সোহরাওয়ার্দীর জনসভায় যোগ দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে বেগবান রাখার জন্য দেশের মানুষ ও বিএনপির নেতা, কর্মী-সমর্থকদের আন্তরিক ধন্যবাদ।” এসএইচ/ডব্লিউএন

সমাবেশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাচ্ছি না : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা সমাবেশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাচ্ছি না।’ আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত ‘৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী ১৮ তারিখ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশ করবো। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ আপনারা বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে এটাকে পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ মনে করবেন না। আমরা কোনো পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ করতে চাচ্ছি না।’ তিনি বলেন, ‘প্লিজ আমি আপনাদের কাছে মাফ চাচ্ছি। যাতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয় সে জন্য আমারা ১৮ তারিখ শনিবার দেখে সমাবেশ দিয়েছি।’ তিনি মফস্বল সাংবাদিকদের সমালোচনা করে বলেন, ‘কিছু সাংবাদিক আছে মফস্বলে তারা শুধু কার্ড গলায় ঝুলিয়ে, প্যাড নিয়ে চাঁদাবাজি করে। তারা থানার ওসি, ভূমি অফিস, টিএনও অফিসে বসে থাকে। অথচ তারা এক লাইন শুদ্ধভাবে লিখতে জানে না। গ্রামের মানুষ সাংবাদিক নাম শুনলেই বলে উঠে সাংঘাতিক।’ সভায় সেতুমন্ত্রী বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমাদের দেশে তারাই নীতি কথা বলে যারা বেশি দুর্নীতিবাজ। এই দেশে যারা নষ্ট রাজনীতি সূচনা করেছে, যারা সাম্প্রদায়িকতা করার চেষ্টা করেছে, যারা জঙ্গিবাদে মদদ দিয়েছে তারা বলে রাজনীতির গুণগত মান পরিবর্তনের কথা। ভূতের মুখে রাম নাম। তাই নয় কি?’ সভায় ওবায়দুল কাদের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ‘নবম ওয়েজ বোর্ড’ গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘কি কষ্ট করে সাংবাদিকরা জীবিকা নির্বাহ করে তা আমি জানি। কারণ, আমি নিজে একজন সাংবাদিক ছিলাম। তথ্যমন্ত্রীকে বলব খুবই মনযোগের সাথে, চেতনার সাথে, ভালবাসার সাথে দেখবেন বিষয়টি। সাংবাদিকদের সাথে কোনো সংঘাতেরর পথ তৈরি করবেন না। সুন্দরভাবে মানবিক দিক বিবেচনায় করে বিষয়টি সমাধান করবেন।’ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ করেছিল। বিশ্বের কাছে বাঙালিদের যে চাহিদা বা আকাঙ্ক্ষা ছিল, তাঁর ভাষণের মাধ্যমে জানতে পেরেছিল।’ বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ। একে/ডব্লিউএন    

খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে অটল থাকতে পারবেন না : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘গতকাল (রোববার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেগম খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অপ্রত্যাশিত। তবে তিনি তার বক্তব্যে শেষ পর্যন্ত অটল থাকতে পারবেন না। কারণ, তাকে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। না হলে তার দল অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।’ সোমবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনার ডেরেক লো’র সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। রোববার বিএনপির সমাবেশে দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। কারণ, ক্ষমতাসীন দলের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সম্ভব না— এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার পূর্ব-অভিজ্ঞতা আছে। কারণ জিয়াউর রহমানের অধীনে নির্বাচন হয়েছিল। সেটি সুষ্ঠু হয়নি। এটা খালেদা জিয়া দেখেছেন। এছাড়া নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়েও খালেদা জিয়ার আগের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০১ সালে সেটা তিনি দেখেছেন। এটাও তার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় এটা পড়ে না।’ বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কোনোদিন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার আসবে না। বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনের আয়োজন হবে। এ নির্বাচনে বিএনপি যদি না আসে, তাহলে নির্বাচন তো আর থেমে থাকবে না। নির্বাচন যথাসময়ে হবে। বিএনপি কোনো দিন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তাদের সেই ক্ষমতা নেই।’ সংলাপ প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে আর সংলাপ হবে না। কারণ, তাদের অনেক সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা সেগুলো নিতে পারেনি। তারা আগুন সন্ত্রাস করে দেশের মানুষকে হত্যা করেছেন। কিন্তু তার বিনিময়ে কিছুই অর্জন করতে পারেনি। বরং তারা নিজেদের ক্ষতি করেছে। ভবিষ্যতে যদি তারা এরকম করতে চায়, তাহলে তাদের আরও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’   এসএইচ/ডব্লিউএন

মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চেন্নাই পাঠানো হবে : ওবায়দুল কাদের

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাই পাঠানো হবে। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হৃদযন্ত্রের জটিলতা দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শনিবার দিবাগত রাতে মহানগরের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হৃদরোগসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকায় সেসময় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তখন বলেন, হার্ট অ্যাটাক এবং কিডনির সমস্যার কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।  স্কয়ার হাসপাতালে তাকে দেখে বের হয়ে যাওয়ার সময় ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য দলীয় ব্যবস্থাপনায় তাকে (মহিউদ্দিন চৌধুরী) বাইরে পাঠাবো, চেন্নাইতে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, তার হুঁশ আছে, মোটামুটি স্থিতিশীল। ম্যাসিভ (হার্ট) অ্যাটাক হয়েছে। সাধারণত এই বয়সে এরকম অ্যাটাক হলে...ভাগ্যক্রমে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল। ওবায়দুল কাদের হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে যান বন ও পরিবেশন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তাকে দেখে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও। সাবেক এই মেয়রকে হাসপাতালে দেখতে যান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। এসময় হাসপাতালে উপস্থিত নেতারা মহিউদ্দিন চৌধুরীর চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। সাবেক মেয়রের ছেলে ও দলের অপর সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এসময় উপস্থিত ছিলেন।   কেআই/ডব্লিউএন

এরা মানুষকে ভয় পায় : খালেদা

আওয়ামী লীগ সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এরা মানুষকে ভয় পায়।  এজন্য ৭ নভেম্বর আমাদের জনসভা করতে দেয়নি। আজকে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু জনগণ যেন আসতে না পারে সেই ব্যবস্থা করেছে। গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। রাজধানীর হোটেলগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। রোববার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তিনি সভামঞ্চে ওঠেন। এর আগে দুপুর পৌনে দু’টার দিকে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়। খালেদা জিয়া বলেন, এমনকি আমিও যেন সমাবেশে আসতে না পারি সেই ব্যবস্থাও করেছে। আমি বাসা থেকে বের হয়ে দেখি রাস্তায় খালি বাস রেখে দিয়েছে। এরা যে এত ছোট মনের আজকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো প্রমাণ করে দিয়েছে। এত ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। এদিকে সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে দলে দলে নেতাকর্মী এসেছেন। দীর্ঘদিন পর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পেয়ে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করেন। আশপাশের পুরো এলাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। ফলে শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেছে। ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে এ সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে দুপুর ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দীমুখী নেতাকর্মীদের ঢল শুরু হয়। সমাবেশ মঞ্চের আশপাশের ল্যাম্পপোস্ট, বিভিন্ন গাছে, নেতাকর্মীদের হাতে হাতে শোভা পায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পোস্টার, ব্যানার ফেস্টুন। আরকে/ডব্লিউএন

যেভাবে চেয়েছেন, সেভাবেই অবসরে গিয়েছেন : হানিফ

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা যেভাবে চেয়েছেন, সেভাবেই উনি অবসরে গিয়েছেন। এখানে আমাদের কারও বলার কিছু নেই। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম এ মন্তব্য করেছেন। আজ রোববার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ায় জাতীয় শ্রমিক লীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে হানিফ সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে আয়োজিত সম্মেলনে হানিফ প্রধান অতিথি ছিলেন। আওয়ামী লীগের এ নেতা মনে করেন, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ, তিনি ছুটি নিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ছুটি নিতে পারেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবসরও নিতে পারেন। এটা তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে বিএনপি কেন হঠাৎ করে মাতামাতি শুরু করল, এটা অনেকের কাছে বোধগম্য নয়। হানিফ বলেছেন, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সাহেব অসুস্থ ছিলেন। মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি, উনি সর্বশেষ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেখান থেকে কানাডায় গিয়েছেন। ওনার বরাত দিয়ে মিডিয়াতেও এসেছে, সিঙ্গাপুরে উনি ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, প্রধান বিচারপতি এযাবৎকাল উনি যে অসুস্থ, যেটা মিডিয়াতে বহুবার এসেছে, এটাই সত্য। হানিফ অভিযোগ করে বলেন, একটা অসুস্থ মানুষকে সুস্থ বলে দাবি করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বিএনপি শুরু থেকেই মিথ্যাচারে লিপ্ত ছিল। বিএনপির সমাবেশ সম্পর্কে হানিফ বলেন, যেকোনো জায়গায় সভা সমাবেশ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুমতি নিতে হয়। এটা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আমরাও পুলিশের কাছে অনুমতি নিই। বিএনপি সেই অনুমতি চেয়েছে এবং পেয়েছে। এখানে বাধার প্রশ্ন আসে কেন। এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ করে, বিএনপি অসুস্থ রাজনীতির চিন্তাচেতনা ও ধারায় থাকে। আরকে/ডব্লিউএন

বিএনপি নিজেরাই নিজেদের বাধা: ওবায়দুল কাদের

সমাবেশ করতে দলের নেতা-কর্মীদের সরকার বাধা দিচ্ছে বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এটা খতিয়ে দেখতে হবে, খোঁজ নিতে হবে বাধাটা কে দিচ্ছে। বিএনপি তো নিজেরাই নিজেদের বাধা দেয়। আজ রোববার রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় জাতীয় সড়ক পরিবহন নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৫তম সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। ঢাকায় প্রবেশের প্রধান প্রধান পয়েন্টগুলোয় এবং ঢাকা মহানগরের রাস্তায় যানবাহন সংকট ও দূরপাল্লার পরিবহনও রাস্তায় দেখা যাচ্ছে না, এটা কেন হচ্ছে-সাংবাদিকের এ প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, `এটা আমি জানি না।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি