ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:০৮:৩৯

পেশাগত কারণে বাড়ছে ডিভোর্স! 

পেশাগত কারণে বাড়ছে ডিভোর্স! 

ডিভোর্স এর সংখ্যা দিনকে দিন বেড়ে চলেছে। এখনকার যুগে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা খুব কঠিন কাজ। নানা কারণেই মানুষের মধ্যে সম্পর্কের অবণতি ঘটছে। তার মধ্যে পেশাগত কারণে ভাঙছে অনেক সম্পর্ক। বর্তমান জীবনের ইঁদুরদৌড়ে পেশার কাছে হেরে যায় ভালবাসা। অনেক সময়ই দেখা যায় পেশাগত জীবন ঠিক রাখতে গিয়ে সম্পর্কে ফাটল ধরে। জল গড়ায় ডিভোর্স পর্যন্ত।   ডেনমার্কে এই নিয়ে একটি সমীক্ষা হয়। ১৯৮১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত যারা বিয়ে করেছে, তাদের নিয়ে সমীক্ষাটি করা হয়। সমীক্ষা অনুযায়ী অফিসে পুরুষ ও মহিলাদের অনুপাত এর একটি অন্যতম বড় কারণ। অফিসে যদি বিপরীত লিঙ্গের সহকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাহলেই বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি। দিন যত বাড়তে থাকে, পরিস্থিতি খারাপের দিকে এগোতে থাকে। এক্ষেত্রে বেশি সমস্যা ভোগ করতে হয় মেয়েদের। কারণ তাদের পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় পুরুষ পার্টনাররা এসব সহ্য করতে পারে না। ঝগড়া চরমে ওঠে। দেখা যায়, ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে কর্মরতা মহিলাদের ডিভোর্স বেশি হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে সমস্যা আবার অন্যরকম। যদি কোনও পুরুষের বস হয় কোনও মহিলা, তাহলে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অদ্ভুত মানসিকতা কাজ করে। মহিলাদের তারা খুব একটা সহ্য করতে পারে না। ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এমন হলে ডিভোর্সের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতাও ডিভোর্সের একটি অন্যতম কারণ। দেখা যায়, কেউ যদি তার সহকর্মীদের থেকে বেশি শিক্ষিত হয়, তার ডিভোর্স হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তবে এটা কেন হয়, তার কোনও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। এটি পুরুষ ও মহিলা, দু’জনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে সবথেকে বেশি ডিভোর্স হয় সন্দেহবশত। দেখা যায়, অনেকসময় কাজের খাতিরে অনেককে অফিসে অতিরিক্ত সময় থাকতে হয়, ফোনেও অনেকটা সময় কাটে। এখান থেকেই জন্ম নেয় সন্দেহ। সঙ্গী মনে করে, তার বুঝি অন্য কোনও অ্যাফেয়ার চলছে। কিন্তু তা নয়। স্রেফ কাজের খাতিরেই এসব করতে হয়। কিন্তু তা বোঝে ক’জন? তার মানে অবশ্য এই নয় যে শুধু কাজে থাকলেই মানুষ এসব করে। পরকীয়ায় জড়ালেও এসব করে মানুষ। সেই বিচার করতে হবে খুব ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন এসি  
ওজন কমাতে চাইলে কফিতে যা মেশাবেন

গরম কফি শুধু যে আপনার মানসিক চাপ কমাবে বা ঘুম ভাঙার পরে মুড চনমনে করে দিবে তা নয়, কফি আপনার শরীরে জমে থাকা চর্বি কমিয়ে আপনার ওজন ও কমিয়ে আনতে পারে। কফি আপনার ওজন কমাবে, তবে রান্নাঘরে থাকা আমাদের অতি পরিচিত কিছু উপাদান সে কফিতে মেশাতে হবে। এক গবেষনায় দেখা যায়, কফিতে থাকা ক্যাফেইন দিনের শুরুতে মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেয়। বলা হয়ে থাকে ক্যাফেইনে ভালো থাকে হার্ট আবার এটা আমাদের নানারকম অসুস্থতা থেকেও দুরে রাখে। আসুন দেখে নেই শরীরে জমা হওয়া জেদি চর্বি গলাতে কফির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে পান করবেন। মিশ্রন তৈরির উপকরণ ১. নারকেল তেল: নারকেল তেল স্বাস্থ্যকর চর্বির দারুণ উৎস। এতে থাকা মধ্যম মানের চেইন ফ্যাটি এসিড হজম গ্রন্থি থেকে সরাসরি লিভারে পৌঁছে যায়। এর থেকে উৎপাদিত শক্তি চর্বি হিসেবে শরীরে জমা না হয়ে সরাসরি কিটোন বডিতে রূপান্তরিত হয়। এছাড়াও নারকেল তেলে প্রাকৃতিক থারমোজেনিক উপাদান থাকে যা একইসাথে বিপাকক্রিয়া বাড়ায়, শরীরকে বেশি শক্তি ব্যয় করতে বাধ্য করে ফলে চর্বি ঝরে। ২. দারচিনি: হাজার বছর ধরে ওষধি গুণের জন্য দারচিনি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দারচিনি রক্তে মিশে থাকা চিনি ভেঙে তা শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এভাবে এটা রক্তে চিনির মাত্রা কমায়। দারচিনি অল্প মাত্রার ফ্যাটি এসিড শরীরে জমা রেখে দীর্ঘক্ষণ ভরপেটের অনুভূতি বজায় রাখে যা ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও দারচিনিতে প্রচুর পরিমাণ এন্টি অক্সিডেন্ট ও এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান আছে যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ৩. মধু: মধুতে চিনি ছাড়াও আছে প্রচুর পরিমাণ ফসফরাস, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম আর প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি উপাদান। এছাড়াও মধুতে নিয়াসিন, ফোলেট, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন সি আছে। সাধারণত আমাদের শরীর মধুতে থাকা খনিজ উপাদান ও ভিটামিনকে কাজে লাগিয়ে জমে থাকা চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে। তাই প্রসেসড মধুর পরিবর্তে একদম খাঁটি অরগ্যানিক মধু ব্যাবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।  চর্বি ঝরাতে সাহায্য করার পাশাপাশি মধু স্ট্রেস কমায়, শরীরে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে সুস্থ জীবনযাপনে সাহায্য করে। মিশ্রন তৈরির নিয়ম: ৩/৪ কাপ নারকেল তেল, ১ চা চামচ দারচিনি, ১/২ কাপ মধু মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে একটা কাঁচের জারে ঢালুন। কফির সাথে ১ থেকে ২ চা চামচ করে নারকেল তেল, দারচিনি আর মধুর মিশ্রণটি মিশিয়ে উপভোগ করুন দিনের প্রথম কফি।  

দেহঘড়ির ১২টি অজানা তথ্য

মানবদেহ থেকে শুরু করে পৃথিবীর সকল জীবের ভেতরেই আছে এক অদৃশ্য ছন্দ। এটাকেই বৈজ্ঞানিকভাবে বলা হয় ‘সারকেডিয়ান রিদম’। ‘সারকেডিয়ান রিদম’ হলো একটি শরীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া যা প্রতি ২৪ ঘন্টায় একবার চক্র পূরণ করে এবং জীবিত বস্তুর অস্তিত্বকে এক অদৃশ্য ছন্দে বেঁধে দেয়। একেই বলা হয় দেহঘড়ি। কিন্তু এটা সম্পর্কে আপনি কতটা জানেন? এটা আপনার জীবনকে কতটা প্রভাবিত করে? আসুন জেনে নেওয়া যাক এ সংক্রান্ত ১২ টি অজানা তথ্য- ১) ‘সারকেডিয়ান রিদম’ : সৃষ্টির শুরু থেকে যেটা বিরাজমান ধারণা করা হয়, পৃথিবীতে প্রথম যখন থেকে সেল বা কোষ পাওয়া যায় তখন থেকেই ছিল এই সারকেডিয়ান রিদম। এছাড়া এটাও মনে করা হয় যে, সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি দিয়ে দিনের বেলায় যে কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতো রাতে সেগুলো নিজেদের সারিয়ে নিতো। ২) ‘দেহঘড়ি’ সবারই আছে ধারণা করা হয়, যে কোনো জীবিত সত্বা— তা সেটির গঠন ও আকৃতি যাই হোক না কেন— যদি সূর্য থেকে নিজের শক্তি সংগ্রহ করে তাহলে এটির একটি দেহ ঘড়ি থাকবেই। আলো ও অন্ধকারের সূত্র মেনে এই ঘড়ি কাজ করবে। গবেষণায় দেখা গেছে, `মিমোসা লিভস` বা লজ্জাবতী পাতা অন্ধকারেও নিজেকে গুঁটিয়ে নেয় এবং মেলে ধরে। অর্থাৎ সূর্যঘড়ি অনুসরণ না করে বরং লজ্জাবতী তার দেহঘড়ি মেনেই চলে। ৩) দেহঘড়ি জীবকে দেয় সীমানার বোধ দেহঘড়ি জীবকে নানা ধরনের সুবিধা দেয়। যেমন : দেহঘড়ির কারণে জীব টের পায় দিন-রাত ও শীত-গ্রীষ্মের ব্যবধান। আর সেই অনুযায়ী শরীর নিজের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলোও নেয়। ৪) শরীরের ভেতরেই আছে এক ‘মহাঘড়ি’ মস্তিষ্কের হাইপোথেলামাস অংশে এই মহাঘড়ির বাস। এটি অনেকটা `কন্ডাক্টর` বা নেতা গোছের একটি বস্তু। দিনজুড়ে সমস্ত শরীরে যে সকল সিগন্যাল বা নির্দেশাবলীর আদান-প্রদান চলতে থাকে এখান থেকেই তার সব নিয়ন্ত্রণ ঘটে। ৫) শরীরে আরেকটা প্রান্তীয় বা ‘পেরিফেরাল’ ঘড়িও আছে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ এবং টিস্যুরও রয়েছে নিজস্ব ঘড়ি। এই সব ঘড়িগুলোকে একটি তাল ও লয়ে সমন্বয় করে রাখে হাইপোথেলামাসে থাকা সেই মহাঘড়ি। ৬) শরীরের প্রতিটি কোষের ভেতরেও আছে স্বতন্ত্র ঘড়ি শরীরের প্রতিটি কোষের ভেতরে রয়েছে একেকটি স্বতন্ত্র ঘড়ি। ২৪ ঘন্টায় যার চক্র পূরন হয়। ৭) সারক্যানুয়াল রিদম রাত যত দীর্ঘ হয়, ঘুম যত প্রলম্বিত হয়, মস্তিষ্ক তত মেলাটোন নিষ্কাষন করে। এই হরমোনের কারণেই মানুষের ঘুম ও জেগে উঠা নিয়ন্ত্রিত হয়। অনেক প্রাণী, যেমন হরিণ, এই ছন্দ মেনেই নিজেকে সঙ্গম ও হাইবারনেশানের জন্য প্রস্তুত করে। আর এটিও মনে করা হয় যে, রোগ-বালাই ও অসুস্থতার সাথে লড়াই করার জন্য মানুষের শরীর শীতকালে বেশি মাত্রায় এন্টিবডি তৈরি করে। ৮) সূর্যালোক মানুষকে রাখে সুষম, সুস্থির যদি কাউকে অন্ধকারে ফেলে রাখা হয় তাহলে তার দেহঘড়ি ২৪ ঘন্টা পিছিয়ে পড়বে। মানুষের চোখের ভেতর এক ধরণের সেন্সর রয়েছে। যেগুলো দিয়ে আলোকে সনাক্ত করা হয় এবং মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় অংশে সংকেত পাঠানো হয়। আর এভাবেই শরীরে ভেতরে গোপন দেহঘড়ি নিজের ছন্দ ধরে রাখে। ৯) এখন ঘুমের সময় ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠার পর থেকেই শরীরে ঘুমের জন্য একটু-একটু করে চাপ তৈরি হতে থাকে। কিন্তু সামান্য চাপেই কেউ ঘুমে তলিয়ে যায় না। বরং দেহঘড়ি যখন বলে, এখনই ঘুমের উপযুক্ত সময় তখনই শরীর ঘুমে ঢরে পড়ে। ১০) জেট লেগ শরীর কখনো-কখনো বেতাল লাগে। অনেক দূরের পথ পাড়ি দিলে এমন হয়। একদিকে ঝিমুনি-ঝিমুনি লাগে, অন্যদিকে ঘুমও ঠিক আসে না। সাধারণত শরীরের ভেতরে থাকা মহাঘড়িটি যখন একটা সময়ে থাকে কিন্তু শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন পাকস্থলি, মস্তিষ্ক বা এরকম অন্য অঙ্গগুলো যখন ভিন্ন-ভিন্ন ছন্দে থাকে তখনই এমনটা হয়। একেকটি টাইম জোন পাড় হবার পর শরীরের মহাঘড়িটি তার নিজের ছন্দে ফিরে আসতে সাধরণত ২৪ ঘন্টা সময় লাগে। ১১) সামাজিক জেট লেগ যারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শিফটের কাজ করে তাদের দেহঘড়িটি অনেক সময় এলোমেলো হয়ে যায়। এই দশাটিকে বলা হয় `সোশাল জেট লেগ` বা সামাজিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া শারিরীক বিড়ম্বনা। ১২) ক্লান্ত টিনেজারদের সকালে কিছুক্ষণ বেশি ঘুমোতে দিন বয়:সন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদের শরীরের ভেতর হরমোনের একটা বন্যা বয়ে যায়। এর ফলে, এই বয়সীদের দেহঘড়ি ঘন্টা দু`য়েক পেছানো থাকে। তাই অতি সাত সকালে তাদেরকে ঘুম থেকে ডেকে না তুলে আরো কিছু সময় ঘুমাতে দেয়া দরকার। অবশ্য বয়স হলে পরে আবার এই দেহঘড়ি পাল্টে যায়। বয়:সন্ধিকালের আগে যেমন ছিল বয়সকালে শরীর আবার সেই অবস্থায় ফিরে যায়। তথ্যসূত্র : বিবিসি এমএইচ/  

যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে আই ‘ভ্রু’ সুন্দর রাখা যায় 

মুখের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে সুন্দর ভ্রু’র সাজের মাধ্যমে। ‘ভ্রু’ কে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করে তুলতে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। আসুন জেনে নিই কীভাবে ভ্রু কে আরও সুন্দর রাখবেন?      ১. ভালো ভ্রু ব্রাশ ব্যবহার করুন:   মনের মতো করে ভ্রু আঁকতে উন্নত ব্রাশ ব্যবহার করা দরকার। ‘আই ভ্রু’ পেন্সিল ব্যবহার না করেও কেবল ভালো ব্রাশ ব্যবহার করে সুন্দরভাবে ভ্রু আঁকা সম্ভব। ২. ‘থ্রেড’ করা:     পৃথিবীর অনেক জায়গায় নারীরা লেজারের মাধ্যমে ভ্রুয়ের আকার ঠিক করে থাকেন। আমাদের দেশে এখনও থ্রেডিং বা প্লাক করে ভ্রুয়ের আকার ঠিক করা হয়। আর এখন পর্যন্ত এটাই ভ্রুয়ের আকার ঠিক করার ভালো উপায়। ৩. ভ্রু পেন্সিল বা জেল ব্যবহার করা: ভ্রু’র ঘনত্ব ঠিক রাখতে আই ভ্রু পেন্সিল বা জেল ব্যবহার করতে পারেন। এটা কোনো রকম ক্ষতি ছাড়াই ভ্রু’র আকার ঠিক করতে সাহায্য করে।     ৪. প্রাকৃতিকভাব ধরে রাখুন: অনেক নারী আছেন যারা এখন ভ্রু প্লাক করেনি এবং খুব সুন্দরভাবেই তা গুছিয়ে রাখতে পারেন। তাই  সাহস করে নিজের ভ্রু প্রাকৃতিকভাবেই রাখুন ও নিজের সৌন্দর্য তুলে ধরুন।    ৫. ধনুকের মতো আকৃতি: ধনুকাকৃতির ভ্রু কখনই পুরানো হয় না। এই আকার পেতে ভ্রু’র সামনের অংশ মোটা করে পিছনের দিকে চিকন ও কোণা করে আকঁতে হবে।     কেআই/এসি    

আপনার দাঁত কি ক্ষয় মুক্ত? নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন! 

দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয়, গর্ত এসব কিন্তু মানুষের যেকোনো বয়সেই হতে পারে ৷ তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো দাঁত ক্ষয়ের সমস্যাও বাড়ে ৷ তা এড়াতে নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন আপনার দাঁত ক্যারিসমুক্ত কিনা?      ১. সময় থাকতে দাঁতের যত্ন নিন যত্ন ছাড়া কোনো কিছুই সুন্দর থাকে না আর তা দাঁতের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য ৷ কথায় আছে, ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না৷’ এক্ষেত্রে দাঁতের যত্ন কতটা নিয়েছেন বা আপনার দাঁত ক্ষয়রোগে আক্রান্ত কিনা তা নীচের বিষয়গুলো থেকে নিজেই জেনে নিতে পারেন ৷ ২. শক্ত খাবার শক্ত খাবার অর্থাৎ বাদাম বা আস্ত আপেলের মতো খাবার খেতে বা কামড়াতে কি আপনার অসুবিধা হয়? ৩. পানীয়   খাওয়ার সময় সহজভাবে খাবার গেলার জন্য কি আপনার বারবার পানি পান করতে হয়? ৪. রাতে পিপাসা? আপনি কি রাতে পানি পান করার জন্য নিয়মিত ঘুম থেকে ওঠেন?     ৫. মুখের ভেতরটা কি শুষ্ক?   দিনের বেলায়ও কি মুখের ভেতরটা শুষ্ক মনে হয় বা লালা কম হয়? কিংবা বার বার পানি পিপাসা পায় কিনা? ৬. ঠোঁট কি শুষ্ক? আপনার কি ঠোঁট শুষ্ক লাগে এবং কিছুক্ষণ পরপরই ঠোঁটে চ্যাপস্টিক লাগাতে হয় বা ঠোঁট ফেটে যায়? ৭. চুইংগাম  আপনার কি লজেন্স বা ঘনঘন চুইংগাম চিবোতে হয়? ৮. মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস আপনার কি প্রায়ই নাকের বদলে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে হয়?   ৯. ধুমপান আপনি কি ধুমপান করেন কি না? ১০. সতর্কতা এই প্রশ্নগুলোর কমপক্ষে তিনটির উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয় তাহলে ধরে নিতে হবে আপনার দাঁতের অবস্থা তেমন ভালো নয়। অর্থাৎ ক্যারিসের ঝুঁকি রয়েছে ৷ সেক্ষেত্রে যত শীঘ্রই সম্ভব দাঁতের ডাক্তার দেখিয়ে নিন ৷ তবে এই টুকু বলা যায়, দাঁতের অস্থিতে ক্ষয়রোগ হওয়া থেকে সাবধান হতে ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন ৷ এই পরামর্শই  দিয়েছেন দাঁতের চিকিৎসক টোবিয়াস ফুক্টে৷    কেআই/এসি     

পছন্দের পুরুষের সঙ্গে প্রথম দেখায় যা বলবেন না

আপনার পছন্দের পুরুষ মানুষের সঙ্গে প্রথম দেখা করা নিয়ে নানান স্বপ্ন থাকে মেয়েদের। দেখা করার সময় সাজ সজ্জা  নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় থাকে। এক্ষেত্রে পুরুষ কে আকর্ষণ করার একটা প্রবণতা থাকে। যেমন কোন পারফিউম মাখবে, কিভাবে তাকাবে? কোন কথাগুলো সে বেশি পছন্দ করবে এসব নিয়েও থাকে নানান চিন্তা মাথায় ভর করে। তাইতো কথা বলার সময়ে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অর্থাৎ কিছু বিষয় আছে যা নিয়ে কথা বলাই ঠিক না। যেমন আপনার প্রিয় মানুষটির অতীত প্রেম থাকতেই পারে, কিন্তু সেসব নিয়ে তাকে না খোঁচানোটাই উত্তম! এমনকি, উনি অতীত প্রেমের প্রসঙ্গ তুললেও এড়িয়ে যান। এক্ষেত্রে কৌতূহল সংবরণ করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রথম দেখাতে ভবিষ্যতের সোনালি স্বপ্ন দেখা বা দেখানোর চেষ্টা করবেন না। বিশেষ করে বাচ্চা সংক্রান্ত প্রশ্ন তো একেবারেই নয়! আপনার সঙ্গী যদি এ ব্যাপারে কোনো কথা বলেন, চুপ করে শুনে যান। মন্তব্য করবেন না। তিনি কত টাকা বেতন পান? কী কী খাতে সঞ্চয় করেন, এই বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যদি আপনার মনে হয় এই তথ্যগুলো ছাড়া আপনার পক্ষে কারও সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব নয়, তা হলে হতাশ হবেন। কেআই / এসএইচ/  

ডি ভিটামিনে সত্যিই কোনও ম্যাজিক হয়?

হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ভিটামিন-ডির জুড়ি মেলা ভার৷ কিন্তু বহু প্রচলিত এই ধারণাটাই নাকি সম্পূর্ণ ভুল৷ ল্যানসেট নামক এক জার্নালের তথ্যে এমনটাই জানা যাচ্ছে৷ হাড়ের ভেঙে যাওয়া কিংবা হাড় মধ্যস্ত খনিজের ঘনত্বের পরিমাণকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে পারে না ভিটামিন-ডি৷ বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখা গেছে৷ নিউজিল্যাণ্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্ক জে বোলান্ড জার্নালটির প্রধান লেখক৷ তিনি বলেন, ‘ভিটামিন-ডি কোনোভাবেই হাড় ভেঙে যাওয়া, হাড় মধ্যস্থ খনিজের ঘনত্ব এইসব বিষয়কে প্রভাবিত করে না৷ এমনই তথ্য আমরা খুঁজে পেয়েছি গবেষণায়৷ যেটি বদলে দেবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ধারণাকে৷’ তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিশ্লেষণ করা হয়েছে৷ ৭৭ শতাংশ ৬৫ উপরের নারীদের ওপর পরীক্ষাটি করা হয়৷ আর সেখান থেকেই উঠে আসে তথ্যটি৷ সময় বদলাচ্ছে৷ আর সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে পুরনো, জীর্ণপ্রায় ধারণাগুলো৷ ছোটবেলা থেকেই কমবেশি সবাই ভিটামিন-ডির উপকারিতা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের থেকে নানান কথা শুনে এসেছেন৷ এমনকি চিকিৎসকেরাও বিভিন্ন সময়ে ভিটামিন-ডি নিয়ে নানা রকমের পরামর্শ দিয়েছেন৷ তবে গবেষণায় উঠে আসা নতুন এই তথ্য বদলে দিয়েছে সম্পূর্ণ ছবিকে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

হতাশা কমায় স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: গবেষণা

এক ধরনের হতাশাজনিত বাতিকগ্রস্ত রোগ ‘বাইপোলার ডিজঅর্ডার’। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়েন। আবার কিছুক্ষণের জন্য হাসিখুশি হয়ে ওঠেন। কিন্তু এই রোগের চিকিৎসায় উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারে স্বাস্থ্যকর ও ‍নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস। তবে এই খাদ্যাভ্যাস হতে হবে ফলমূল ও শাকসবজি সমৃদ্ধ। অস্ট্রেলিয়ার ডেকিন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এমনটাই জানাচ্ছেন। বার্সেলোনার ‘ইসিএনপি’ সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাটির প্রধান গবেষক মেলানি অ্যাশটন। গবেষণায় জানানো হয়েছে, নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্তদের তুলনায় ভালোমানের খ্যাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত ব্যক্তিরাই এই রোগের জন্য প্রযোজ্য ‘নিউট্রাসিউটিক্যাল’ চিকিৎসায় ভালো উপকার পেয়েছেন। প্রসঙ্গত, ‘নিউট্রাসিউটিক্যালস’ হল খাবার থেকে উৎপন্ন উপাদান, যা এই রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধনে সাহায্য করে। এখানে জেনে রাখা ভালো, খাদ্যাভ্যাসে প্রচুর পরিমাণে ফল ও সবজি থাকলে তা স্বাস্থ্যকর। অন্যদিকে, ‘স্যাচুরেইটেড’ চর্বি, প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট এবং অ্যালকোহলের মাত্রা বেশি থাকলে তা নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস হিসেবে ধরা হয়। সূত্র: রয়টার্স একে//

শরীরচর্চা না করা ডায়াবেটিস এবং হার্টের অসুখ থেকেও ক্ষতিকর: গবেষণা

আমরা এতোদিন শুনে আসছি যে, শরীরচর্চা দীর্ঘজীবন পেতে সাহায্য করে। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরচর্চা তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গবেষণাটি শুক্রবার জেএএমএ নেটওয়ার্ক জার্নালে প্রকাশিত হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, ধূমপান, ডায়াবেটিস এবং হার্টের সমস্যা থেকেও গুরুতর হলো শরীর চর্চা না করা।  গবেষণার সিনিয়র লেখক এবং ক্লেবেল্যান্ডে ক্লিনিকের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ওয়ালে যাবের বলেন, গবেষণার ফলাফল ছিল সত্যিই বিস্ময়কর।  তিনি বলেন, শরীরচর্চা না করলে মানুষ ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়। এটি ধূমপান, ডায়াবেটিস এবং হার্টের সমস্যা থেকেও ক্ষতিকর।  ড. ওয়ালে যাবের বলেন, আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য কি করব? তাহলে আমি তাকে বলব শরীরিক পরিশ্রম এবং ব্যয়াম করতে। এটি একজন মানুষকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করবে।  গবেষণার জন্য ক্লেবেল্যান্ডে ক্লিনিকে ১ লাখ ২২ হাজার ৭ জনের উপর জড়িপ চালানো হয়। তাদেরকে ওই ক্লিনিকে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাখা হয়। তাদের জন্য শরীর চর্চা বাধ্যতামূলক করা হয়। পরে এ অনুযায়ী তাদের মধ্যে শরীরচর্চা কিভাবে কাজ করে তা বের করা হয়। এতে দেখা যায় যারা পরিমিত উপায়ে শরীরচর্চা করেছে তাদের মধ্যে সুস্থ্যতার হার সবচেয়ে বেশি। অপরদিকে যারা কম শরীরচর্চা করেছে তাদের মধ্যে সুস্থ্যতার হার কিছুটা কম ছিল।  তথ্যসূত্র: সিএনএন এমএইচ/

ক্রমেই প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে মানুষ

আধুনিক এই যুগে প্রতিনিয়ত নামে বেনামে নতুন নতুন ভোগ্য পণ্য বা খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। মোড়ক বা প্যাকেটজাত এই সব পণ্যগুলোকে বিভিন্নভাবে আকর্ষণীয় করে ভোক্তাদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এগুলোকে অনেকে ওরগানিক বা প্রাকৃতিক খাবার বলে চালিয়ে দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তা কিন্তু প্রাকৃতিক পণ্য নয়। পণ্যগুলোকে পচনের হাত রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। এ রাসায়নিক দ্রব্যগুলোর কোন কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এগুলো অনেক সময় ক্যান্সারের মতো বড় বড় রোগের কারণ। এ সমস্ত পণ্যগুলোর পাশ্বপতিক্রিয়া নিয়ে একাধিক গবেষণাও বের হয়েছে। তাই ভোক্তারা এখন আস্তে আস্তে প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুকে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি ঝুকার কয়েকটি কারণ- ১) প্রাকৃতিক পণ্যগুলো পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশে কোনো ক্ষতি করে না। ২) প্রাকৃতিক খাবারগুলো যে কোনো ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য থেকে মুক্ত। তাই ভোক্তারা প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। ৩) প্রাকৃতিক খাবারগুলো কোনো কারখানায় প্রস্তুত করা হয় না। তাই এগুলোর স্বাস্থ্যগুণ নষ্ট হয় না। স্বাস্থ্যের জন্য এই খাবারগুলো খুবই ভালো। ৪) প্রাকৃতিক খাবারগুলো স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এজন্য মানুষ ক্রমেই প্যাকেটজাত দ্রব্য থেকে সড়ে গিয়ে প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।   এমএইচ/ এসএইচ/      

অফিসে বিপরীত লিঙ্গের সহকর্মী থাকলে বাড়িতে বাড়ে অশান্তি

চাকরিজীবিদের দীর্ঘ সময় কাটে অফিসে। বলা যায় দিনের অর্ধেক সময় কেটে যায় পেশাগত কারণে। ফলে বাড়ীতে সময় দেওয়ার ফুরসত থাকে না। আর এ সুযোগে স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে বাড়ে দূরত্ব। সে দূরত্বকে আরো বাড়িয়ে দেয় যদি অফিসে বিরীত লিঙ্গের সহকর্মী থাকে। দূরত্বটা শেষ পর্যন্ত ডিভোর্সের পর্যায়ে চলে যায়। ডেনমার্কে এ নিয়ে একটি সমীক্ষা হয়। ১৯৮১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত যারা বিয়ে করেছে, তাদের নিয়ে সমীক্ষাটি করা হয়। সমীক্ষা অনুযায়ী অফিসে পুরুষ ও মহিলাদের অনুপাত এর একটি অন্যতম বড় কারণ। অফিসে যদি বিপরীত লিঙ্গের সহকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাহলেই বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি। দিন যত বাড়তে থাকে, পরিস্থিতি খারাপের দিকে এগোতে থাকে। এক্ষেত্রে বেশি সমস্যা ভোগ করতে হয় মেয়েদের। কারণ তাদের পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় পুরুষ পার্টনাররা এসব সহ্য করতে পারে না। ঝগড়া চরমে ওঠে। দেখা যায়, ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে কর্মরতা মহিলাদের ডিভোর্স বেশি হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে সমস্যা আবার অন্যরকম। যদি কোনও পুরুষের বস হয় কোনও মহিলা, তাহলে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অদ্ভুত মানসিকতা কাজ করে। মহিলাদের তারা খুব একটা সহ্য করতে পারে না। ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এমন হলে ডিভোর্সের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতাও ডিভোর্সের একটি অন্যতম কারণ। দেখা যায়, কেউ যদি তার সহকর্মীদের থেকে বেশি শিক্ষিত হয়, তার ডিভোর্স হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তবে এটা কেন হয়, তার কোনও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। এটি পুরুষ ও মহিলা, দু’জনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে সবথেকে বেশি ডিভোর্স হয় সন্দেহবশত। দেখা যায়, অনেকসময় কাজের খাতিরে অনেককে অফিসে অতিরিক্ত সময় থাকতে হয়, ফোনেও অনেকটা সময় কাটে। এখান থেকেই জন্ম নেয় সন্দেহ। সঙ্গী মনে করে, তার বুঝি অন্য কোনও অ্যাফেয়ার চলছে। কিন্তু তা নয়। স্রেফ কাজের খাতিরেই এসব করতে হয়। কিন্তু তা বোঝে ক’জন? তার মানে অবশ্য এই নয় যে শুধু কাজে থাকলেই মানুষ এসব করে। পরকীয়ায় জড়ালেও এসব করে মানুষ। সেই বিচার করতে হবে খুব ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে। সূত্র- সংবাদ প্রতিদিন আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি