ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৫ নভেম্বর ২০২৬

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর ১৪১তম আবির্ভাব দিবস কাল

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৮:২৫, ৫ নভেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলাম প্রচারক ও এ অঞ্চলে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর ইসলামের শান্তির বাণী বিস্তারে মোজাদ্দেদিয়া তরিকার পথপ্রদর্শক সিরাজগঞ্জের হযরত শাহ সুফী খাজা বাবা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)। তাঁর আগামীকাল ২১ কার্তিক শুক্রবার ১৪১তম আবির্ভাব দিবস।

এ উপলক্ষে তাঁর মাজার এনায়েতপুর দরবার শরীফে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটির তাৎপর্যের সঙ্গে পালনে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিন সকালে বাদ ফজর মাজার জিয়ারত, দরুদ, জিকির আজগারে অংশ নেবেন সিরাজগঞ্জ জেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। এদিন বাদ জুমা খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দরবার শরীফে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল আউয়াল জানান, দিবস উপলক্ষে খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর খেলাফতপ্রাপ্ত ময়মনসিংহের খাজা মোহাম্মদ ছাইফুদ্দীন শম্ভুগঞ্জী পীর, ফরিদপুরের সদরপুরের প্রখ্যাত হযরত মাওঃ হাসমত উল্লাহ আটরশি পীর, মাওঃ সুলতান আহম্মেদ চন্দ্রপাড়া পীর, টাঙ্গাইলের মাওঃ মকিম উদ্দিন প্যারাডাইজ পাড়া, কুমিল্লার ইসলামাবাদ, মাতুয়াইল, জামালপুরের সাধুরপাড়া মোসলেম নগর, যশোরের ঘুনী দরবার শরীফ, ভারতের আসামের গণি খলিফার দরবার শরীফসহ বাংলা-আসামের ১২শ পীর আওলিয়ার মাজার ও দরবার শরীফে অত্যন্ত তাৎপর্যের সঙ্গে এই আবির্ভাব দিবস পালিত হবে।

মাওলানা আব্দুল আউয়াল ও তাঁর অনুসারীরা জানান, শেষ জামানার মহান মোজাদ্দেদ খাজা ইউনুস আলী পাক দরবার শরীফ হতে ভারতের আসাম ও সারা বাংলায় তিনি ইসলামের শান্তির বাণী আমৃত্যু প্রচার ও প্রসার করে গেছেন।

খাজা এনায়েতপুরী (রঃ)-এর ইসলামী মূল্যবোধের আধ্যাত্মিক ও নানা মানবিক গুণে সন্তুষ্ট হয়ে ভারত-বাংলায় তাঁর খেলাফতপ্রাপ্ত ১২ শতাধিক খানকাহ হতে খাজা হুজুরের আদর্শ রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর শান্তির তরিকা ‘আল্লাহু আকবার’ ঝান্ডার বাণী প্রচার করে যাচ্ছেন। এই অনুসারীগণ খাজা বাবার নামানুসারে তা প্রচার করে আসছেন দীর্ঘকাল ধরে।

খাজা ইউনুস আলী রহমাতুল্লাহর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুফি সাধক পিড়ানে পীর দস্তগীর খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর পরিবার মূলত ইয়েমেনের ফাতেমী বংশধর। অর্থাৎ আওলাদে রাসুল বা সৈয়দ। একইভাবে মাতৃকুল ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রঃ)-এর বংশের।

তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের জন্যই তাঁদের আগমন ছিল। তাঁর পঞ্চম পূর্বপুরুষ হযরত শাহ দায়েম (রঃ) ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য ভারতবর্ষে আসেন। খাজা এনায়েতপুরী (রঃ)-এর বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), মাতা তাহমিনা বেগম (রঃ)-এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। ১৮৮৬ সালের বাংলা ১২৯৩ বঙ্গাব্দের ২১শে কার্তিক সুবেহ সাদেক জন্মগ্রহণ করেন।

২০১৭ সালে খাজা এনায়েতপুরী (রঃ)-এর জীবনী নিয়ে লেখা একটি বইতে উল্লেখ করা হয়, মূলত তিনি ছিলেন তাঁর আবির্ভাবের পূর্ববর্তী সময়কালের ওলী গণের ভবিষ্যদ্বাণীকৃত এই আখেরী জামানার ‘মহান ইমাম বা প্রতিশ্রুত মোজাদ্দেদ’।

ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রত্যেক হিজরী শতকের ক্রান্তিলগ্নে ধর্মজগতে একজন করে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মহান ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। যাকে কেন্দ্র করে ইসলামের পুনর্জাগরণ সূচিত হয়। হাদীসের পরিভাষায় যুগ-পুরুষদের মোজাদ্দেদ বলা হয়েছে। যা হিজরী দ্বিতীয় শতক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই ধারার কোনো ব্যতিক্রম নেই।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমন জগতে নবুওয়াতের দরজা বন্ধ রয়েছে। হযরত আদম (আ.) হতে শুরু করে হযরত ঈসা (আ.) পর্যন্ত ধর্মযুগকে ঢালাওভাবে নবুওয়াতের যুগ বলা হয়। হুজুর পাক (সা.)-এর আবির্ভাবে জগতে নবুওয়াতের এই ধারা প্রবাহ বন্ধ হয়। যে যুগের সূত্রপাত হয় তাকে বেলায়েতে মোহাম্মদীর যুগ বা উম্মতে মোহাম্মদীর যুগ বলা হয়। যা কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে জারি থাকবে (ইনশাআল্লাহ)।

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর পাক দরবার শরীফের বর্তমান গদ্দিনশীন হুজুর পাক খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়া তাঁর পিতা খাজা ইউনুস আলী (রঃ)-কে নিয়ে লেখা ‘বিশ্বওলী হযরত খাজাবাবা এনায়েতপুরী (রহ.)’ বইতে উল্লেখ করেছেন, কোরআন শরীফের আয়াত অনুযায়ী জগতে নতুন কোনো ধর্ম অথবা নবীর আগমন আর হবে না। এটা অকাট্যরূপে সাব্যস্ত হয়েছে।

তবে মুসলিম সমাজে গোমরাহী, শরীয়াতের অপব্যাখ্যা, কুসংস্কার, ধর্ম চেতনার বিকৃতি বা ফেরকাপরস্তি অপনোদনের জন্য আল্লাহ পাক প্রত্যেক শতাব্দীতে একজন করে যুগ-পুরুষকে জগতে অবতীর্ণ করেন। তা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এই যুগ-পুরুষগণ ধর্ম হতে গোমরাহী বিদূরিত করে ধর্মজীবনকে সতেজ ও জীবন্ত করে তুলবেন।

হাদীস শরীফে আছে, আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা মহান ও সম্ভ্রান্ত এ উম্মতের প্রতি (কল্যাণের জন্য) একশত বছর পর পর এমন এক ব্যক্তিকে (পৃথিবীতে) প্রেরণ করবেন যিনি (আল্লাহর দ্বীনকে) সজীব ও প্রাণবন্ত করে তুলবেন।’ (আবু দাউদ শরীফ, মেশকাতুল মাসাবীহ ২৩০)। হাদীসে বর্ণিত আছে, “নিশ্চয় মহান আল্লাহ তায়ালা এই উম্মতের মধ্যে প্রত্যেক শতাব্দীতে একজন মুজাদ্দেদ (সংস্কারক) প্রেরণ করবেন।”

হাদীস শরীফের ঘোষণা অনুযায়ী প্রত্যেক হিজরী শতকের মাথায় জগতে এক বা একাধিক আলাদর্জা প্রাপ্ত আগত ঐরূপ যুগ-পুরুষগণের মধ্যে হযরত ইমাম জাফর আস-সাদেক (রহ.) সর্বপ্রথম। তিনি হিজরী দ্বিতীয় শতকের মোজাদ্দেদ হিসাবে সর্বজন স্বীকৃত ইমাম।

তাঁর পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে আগত শতাব্দীর মোজাদ্দেদগণের মধ্যে হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.), সাইয়েদেনা হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.), হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.), হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নকশাবন্দ (রহ.), হযরত শায়েখ আহাম্মদ সেরহিন্দ মোজাদ্দেদ-এ-আলফেসানি (রহ.), হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ মোহাদ্দেস দেহলভী (রহ.) ও হযরত সাইয়েদ আহাম্মদ শহীদ ব্রেলভী (রহ.)-এর নাম উল্লেখ করা যায়।

হযরত সাইয়েদ আহাম্মদ শহীদ ব্রেলভী (রহ.) হিজরী তের শতকের মোজাদ্দেদ হিসাবে মুসলিম জাহানে সর্বজনবিদিত পুরুষ। এই যুগ-পুরুষের একশত বছর পর হিজরী চৌদ্দ শতকের ক্রান্তিলগ্নে যে ক্ষমতাধর আউলিয়াপ্রবর মোজাদ্দেদ রূপে জগতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তিনি হচ্ছেন সাইয়েদেনা হযরত খাজা শাহ্ মোহাম্মদ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রহ.) সাহেব।

ইসলামের শান্তির বাণী প্রচারে পৃথিবীতে মোজাদ্দেদগণের আগমনের ধারাবাহিকতায় হযরত খাজাবাবা এনায়েতপুরী (রঃ) ত্রয়োদশতম (১৩তম) মোজাদ্দেদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তরিকতের ইমাম হযরত শায়েখ আহাম্মদ সেরহিন্দী মোজাদ্দেদ-এ-আলফেসানীর (র.) পর হযরত খাজা শাহ্ এনায়েতপুরী (র.) হচ্ছেন মর্যাদা ও মর্তবাসম্পন্ন আকারের আউলিয়া। যার নিদর্শন বিগত চারশত বছরের ইতিহাসে পৃথিবীতে আর দেখা যায়নি।

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), তাহমিনা বেগম (রঃ)-এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। খাজা এনায়েতপুরী (রঃ)-এর পুত্র খাজা মোজাম্মেল হকের লেখা “খাজা বাবার সাধনা জীবন” বইটি থেকে জানা যায়, খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) যখন ছোট তখনই বাবা মারা গেলে সংসারে শুরু হয় অনটন।

তাঁর মা আরবী, ফারসি ও উর্ধতে পারদর্শী হওয়ায় স্বামীর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় এলাকার নারীদের পড়াতেন। পাশাপাশি সংসার চালাতে ছেলেকে দিয়ে বাজার থেকে কাপড় কিনে এনে তা দিয়ে টুপি তৈরি করতেন। পরে খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) হাটে-হাটে গিয়ে এসব টুপি বিক্রি করতেন। আর এভাবেই চলতো তাঁদের কষ্টের সংসার ও তাঁর লেখা-পড়া।

একদিন খাজা এনায়েতপুরী (রঃ)-এর মা তাহমিনা বেগম (রঃ) হঠাৎ এক রাতে স্বপ্ন দেখেন দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে সূর্য উদিত হচ্ছে। সবাই ঐদিকে সেজদা করছে। পরদিন সকালে শুনতে পান ভারতের প্রখ্যাত পীর খাজা ওয়াজেদ আলী (রঃ) শাহজাদপুর উপজেলার চিনা ধুকুরিয়া এনায়েতপুর মাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছেন। এলাকার মুরুব্বীদের সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী খাজা ইউনুছ আলী (রঃ)-কে সেখানে পাঠান তিনি।

অনুসারীদের নিয়ে ইসলামী আলোকপাত করা কালে সন্ধ্যার দিকে মাগরিবের নামাজ অতিবাহিত হচ্ছিল। তখন তিনি সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে “নামাজকা ওয়াক্ত যা রাহা” বললে তখন ওয়াজেদ আলী (রঃ) আলোচনা রেখে সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর হুজুর তাঁকে ডেকে নিয়ে কথা বলে সন্তুষ্ট হন। এক পর্যায়ে তাঁকে দরবারে নিয়ে কলকাতার হুগলীর দারুল উলুম মাদ্রাসায় পড়িয়ে টাইটেল পাশ করেন।

এরপর খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রঃ)-এর শান্তি ও আদর্শের পথে ইসলাম প্রচারে ভোগবিলাসী জীবনের বিরোধী এই মহামানব ইসলাম ও সুফীবাদের দর্শন ভারতের আসামসহ সারা বাংলায় প্রচারে ২৪ লাখ মুরিদ ও খেলাফতপ্রাপ্ত ৫৬ জন খলিফাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে খেতাবপ্রাপ্ত হন।

কিছুদিন অতিবাহিত হলে নিজ ভূমি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খানকা স্থাপন করে শুরু করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শান্তির তরিকা প্রচার এবং আদর্শের সুফীবাদের বিস্তার।

পাশাপাশি এনায়েতপুরেই তিনি বিয়ে করে শুরু করেন সংসারজীবন। ৮ কন্যা এবং ৫ ছেলে সন্তানের জনক হন। পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসামে সফর করে ইসলাম ও সুফীবাদ প্রচার কাজ ত্বরান্বিত করেন। প্রথমত অসুস্থ অবস্থায় সহযোগীদের নিয়ে ময়মনসিংহ গিয়ে ইসলামের মর্মবাণী প্রচার করলে ১৭ জন আকৃষ্ট হন।

পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও রেখেছিলেন অনন্য অবদান। শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানসহ যেকোনো প্রয়োজনে অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকায় খাজা এনায়েতপুরীকে ভক্তবৃন্দ সুলতানুল আউলিয়া এবং চিরস্থায়ী সংস্কারের জন্য ''আখেরী মুজাদ্দেদ'' বলে অভিহিত করেন।

এরপর ১৯১৬ সালে তাঁর আত্মীয় ও অনুসারীদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এনায়েতপুর দরবারে ওরশ শুরু হলে ধীরে-ধীরে অগণিত ভক্তদের আগমনে মহাসমাবেশে রূপ নেয়। এরই এক পর্যায়ে তাঁর সংস্পর্শে এসে আদর্শিক আলোর পথের দিশারী হিসেবে ১২শ পীর আওলিয়া খেলাফতপ্রাপ্ত হন।

এর মধ্যে ময়মনসিংহের খাজা মোহাম্মদ ছাইফুদ্দীন শম্ভুগঞ্জী পীর, ফরিদপুরের সদরপুরের প্রখ্যাত হযরত মাওঃ হাসমত উল্লাহ আটরশি পীর, মাওঃ সুলতান আহম্মেদ চন্দ্রপাড়া পীর, টাঙ্গাইলের মাওঃ মকিম উদ্দিন প্যারাডাইজ পাড়া, কুমিল্লার ইসলামাবাদ, মাতুয়াইল, জামালপুরের সাধুরপাড়া মোসলেম নগর, যশোরের ঘুনী দরবার শরীফ, ভারতের আসামের গণি খলিফার দরবার শরীফ অন্যতম। তাঁরা একইভাবে খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর সুফীবাদের আদর্শ ও ইসলাম প্রচার করছেন।

১৯১৬ সাল থেকে শুরু হওয়া বাৎসরিক ওরশ আগামী বছর ১১২তম বছর পার করবে। এ ঐতিহাসিক ওরশে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ভারতের আসাম থেকে অন্তত ১৫ লক্ষাধিক জাকেরের সমাবেশ ঘটবে।

১৯৫২ সালের ২ মার্চ, ১৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দে খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) ইন্তেকাল করেন। বর্তমানে এই দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হুজুর পাক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁর দৌহিত্র হযরত খাজা গোলাম মেহেদী।

এমএইচ 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি