ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:১৩:৩৯, বুধবার

আজ পবিত্র শবেবরাত

আজ পবিত্র শবেবরাত

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আজ রোববার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটি থাকবে।বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাত অতিবাহিত করবেন। মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্বের মুসলমানরা বিশেষ মোনাজাত করবেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে পবিত্র শবেবরাতে দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য কামনা করেছেন।এ উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শবেবরাত মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় রজনী। মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বারতা নিয়ে লায়লাতুল বরাত প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমাদের মাঝে সমাগত।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা এবং পবিত্র শবেবরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন, সকল প্রকার কুসংস্কার ও কূপমন্ডূকতা পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।’এ রজনীতে বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে সারা রাত নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে রাতব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, কুরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত। ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও এ উপলক্ষে ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।এছাড়া দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করবে। এসএইচ/
শবে বরাতে বায়তুল মুকাররমে রাতব্যাপী ইবাদত

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যতার মধ্য দিয়ে রোববার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালন করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন রোববার সন্ধ্যা (বাদ মাগরিব) থেকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে রাতব্যাপী ইবাদাতের আয়োজন করেছে। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে ‘শবে বরাতের ফজিলত’ বিষয়ে ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম। রাত ৯টা ৫ মিনিটে ‘ইবাদত ও দোয়ার গুরুত্ব’ বিষয়ে ওয়াজ মাহফিলে বয়ান করবেন তেজগাঁও মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবদুর রাজ্জাক আল আযহারী। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ‘শবে বরাত ও রমজানের তাৎপর্য’ বিষয়ে ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা এহসানুল হক জিলানী। রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ‘তাহাজ্জুদের গুরুত্ব ও ফজিলত’ বিষয়ে ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। সব শেষে ফজরের নামাজের পর আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মুনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। শনিবার (২০ এপ্রিল) ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। আরকে//

মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকবে যে ৭টি জিনিসের সওয়াব

ইসলাম একটি পরিপূর্ন শাশ্বত জীবন বিধান। মানুষের সার্বিক জীবনের সব সমস্যার সমাধান রয়েছে মহান রাব্বুল আলামীনের ঐশি পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোর আনুল কারীমের মধ্যে। এ শাশ্বত জীবন বিধান মানব সমাজে বাস্তবে অনুসরণ ও  অনুকরণের জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, মানবতার মহান মুক্তির দিশারী হযরত মুহাম্মদকে (সা:) আল্লাহ ছোবাহানাহু তায়ালা  বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন- তেমাদের জন্য রাসুলের জীবনীর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। তার প্রতিটি কথা, কাজ, অনুমোদন, নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ ও  উপদেশ দুনিয়া- আখেরাতের কল্যাণের বার্তাবাহী।  তাকে সমগ্র মানব জাতির শিক্ষক রূপে এ ধরাধমে প্রেরণ করা হয়েছে। তার সে কালজ্বয়ী আদর্শ ও অমিয়বাণী দ্যুাতি ছড়িয়ে পথপদর্শন করেছে যুগ যুগান্তরে। তার পরশে আলোকিত হয়েছে বর্বর জাহিলি সমাজ। ঘন ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত জাতি পরিণত হয়েছে গোটা বিশ্বের অনুকরণীয় আদর্শে। সাহাবি হযরত আনাস (রা:) বর্ণনা করেন- রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, সাতটি জিনিসের সওয়াব মানুষের মৃত্যুর পরও অব্যাহত  থাকবে। ১. কেউ যদি দ্বীনের শিক্ষাদান করে থাকে, বা ২. কোনও খাল খনন করে থাকে, বা ৩. কুপ খনন করে (পানি পানের জন্য) দিয়ে থাকে, বা ৪. বাগান লাগিয়ে থাকে, বা ৫. মসজিদ নির্মাণ করে দিয়ে থাকে, বা ৬. কুরআনের উত্তরাধিকারী বানিয়ে থাকে, বা ৭. এমন নেক সন্তান রেখে গিয়ে থাকে, যারা তার মৃত্যুর পর তার পিতার  জন্য দোয়া ও ইস্তেগফার করে (ক্ষমা চায়)। যে  ব্যক্তি দ্বীনের জ্ঞান ও শিক্ষা প্রচার করে মারা যাবে, তার শিখানো লোকেরা যতোদিন পর্যন্ত দুনিয়াতে নেক কাজ করতে থাকবে ততোদিন সেই নেকীর অংশ পেতে থাকবে। যদি কেউ নিজের সন্তানকে শিক্ষা-দীক্ষা দান করে থাকে, যার ফলে ওই সন্তান নেক্কার হয়; তবে ওই সন্তান যতোদিন নেক কাজ করতে থাকবে ততোদিন পর্যন্ত তার পিতা-মাতাও এ নেকীর অংশ পেতে থাকবে। এভাবে যদি কেউ কাউকে কুরআনের উত্তরাধিকারী বানিয়ে যায়, অথবা মসজিদ তৈরি  করে দেয় বা মুসাফিরদেও জন্য জন্যে কোনও সরাইখানা তৈরি করে দেয় কিংবা জনকল্যাণে খাল খনন করে দেয় অথবা জীবনের অন্যকোনও নেক কাজ করে এবং তাতে নিজে অর্থ খরচ করে থাকে, তবে  যতোদিন পর্যন্ত মানুষ ওই সব জিনিস থেকে উপকার লাভ করতে থাকবে ততোদিন পর্যন্ত দাতার আমলনামায় নেকী লেখা হতে থাকবে। - (ইবনে মাজাহ, ইবনে খুযায়মাহ) ব্যাখ্যা: মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার সব আমলের খাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু এমন কিছু জনকল্যাণমূলক নেক কাজ আছে, যেগুলোকে আমরা সদকায়ে জারিয়া বলে থাকি, তা শেষ হয় না। যতোদিন পর্যন্ত মানুষ তার শিখানো বা বানানো বা ওয়াকফ করা জিনিস থেকে উপকার পেতে থাকবে, ততোদিন পর্যন্ত তার আমলনামায় উক্ত জিনিসের নেকী লাগাতর লেখা থাকবে। সুতারাং মানুষের জীবদ্দশায় এমনি ধরণের নেক কাজ বেশি বেশি করা যার সওয়াবের ধারা শেষ হবে না। (আল্লামা জলীল আহসান নদভী কতৃক রচিত ‘যাদেরাহ’ হাদিস গ্রন্থ থেকে সংকলিত)  গ্রন্থনা: আনোয়ারুল কাইয়ূম কাজল

আজ পবিত্র শবে মেরাজ

আজ বুধবার রাতে পালিত হবে পবিত্র শবেমেরাজ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, এ রাতে অলৌকিকভাবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঊর্ধ্বাকাশে গমন করে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। আজ তাই পবিত্র এই দিনে জিকির-আজকার, নফল নামাজ, দোয়ার মধ্য দিয়ে শবেমেরাজের রাত অতিবাহিত করেন মুসলমানরা। হাদিস ও সাহাবিদের বর্ণনা অনুযায়ী, মেরাজের রাতে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) রাসুল (সা.) নিয়ে কাবা শরিফের হাতিমে যান। জমজমের পানিতে অজুর পর বোরাক নামক বাহনে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাসে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর প্রথম আকাশে পৌঁছান মহানবী (সা.)। সেখানে হজরত আদম (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এভাবে সাত আকাশ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সাক্ষাৎ করেন হজরত ঈসা (আ.), হজরত ইয়াহইয়া (আ.), হজরত ইদ্রিস (আ.), হজরত হারুন (আ.), হজরত মুসা (আ.) এবং হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সঙ্গে। সপ্তম আকাশ থেকে সিদরাতুল মুনতাহায় গমন করেন মহানবী (সা.)। সেখান থেকে আরশে আজিম যান। এক ধনুক দূরত্ব থেকে আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয় মহানবী (সা.)-এর উম্মতদের জন্য। মেরাজ শেষে পৃথিবীতে ফিরে রাসুল (সা.) পুরো ঘটনা হজরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে বর্ণনা করেন। তিনি নিঃসংশয়ে তা বিশ্বাস করেন। রাসুল (সা.) তাকে সিদ্দিকী বা বিশ্বাসী খেতাব দেন। মক্কার কাফেররা রাসুলের মেরাজের ঘটনাকে অবিশ্বাস করে। শবেমেরাজ উপলক্ষে আজ আসরের নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ ও দোয়ার আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এছাড়া দেশের প্রতিটি মসজিদে বাদ মাগরিব দোয়া ও বিশেষ বয়ান করা হবে। বিশ্ব সুন্নি আন্দোলন শবেমেরাজ উপলক্ষে আজ সকালে রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মাহফিল ও দুপুরে সেখান থেকে হাইকোর্ট মাজার পর্যন্ত শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। এসএ/  

শবে মিরাজ বুধবার

দেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আগামীকাল বুধবার দিবাগত রাতে পালিত হবে শবে মিরাজ। ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী লায়লাতুল মিরাজের রাতেই মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) সাত আসমান অতিক্রম করে আল্লাহর সাক্ষাত লাভ করেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিনটি ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটাবেন। ৯ মার্চ থেকে রজব মাস শুরু হওয়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন গত ৭ মার্চ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভার পর ৩ এপ্রিল সারাদেশে শবে মিরাজ পালনের কথা জানিয়েছিল। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বুধবার বাদ আসর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মি’রাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ ও মিলাদের আয়োজন করেছে। বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম এদিন ওয়াজ করবেন। সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম। এসএ/  

ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেনে সহনশীলতা

ইসলাম্ একটি পরিপূর্ণ শাশ্বত জীবন বিধান। মানুষের সার্বিক জীবনের সব সমস্যার সমাধান রয়েছে মহান রাব্বুল আলামীনের ঐশি পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোর আনুল কারীমের মধ্যে। এ শাশ্বত জীবন বিধান মানব সমাজে বাস্তবে অনুসরণ ও অনুকরণের জন্য সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ,মানবতার মহান মুক্তির দিশারী হযরত মুহাম্মদ ( সা:) কে আল্লাহ ছোবাহানাহু তায়ালা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত সরুপ এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন- তেমাদের জন্য রাসুলের জীবনীর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ । তাঁর প্রতিটি কথা, কাজ, অনুমোদন, নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ ও উপদেশ দুনিয়া –আখেরাতের কল্যাণের বার্তাবাহী। তাঁকে সমগ্র মানব জাতির শিক্ষক রূপে এ ধরাধমে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর সে কালজ্বয়ী আদর্শ ও অমিয়বাণী দ্যুাতি ছড়িয়ে পথপদর্শন করেছে যুগ যুগান্তরে। তাঁর পরশে আলোকিত হয়েছে বর্বর জাহিলি সমাজ। ঘন ঘোর অনধকারে নিমজ্জিত জাতি পরিণত হয়েছে গোটা বিশ্বের অনুকরণীয় আদর্শে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় যিনিষ পত্র ও দ্রব্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেনের ক্ষেত্রে আচার-অচরণ কি হবে তিনি তাঁর কর্মময় জীবনে মহা নবী (সা:) দেখিয়ে দিয়েছেন। ১) সাহাবি হযরত জাবের (রা:) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, আল্লাহর রহম করুন ওই ব্যক্তির প্রতি, যে সহনশীল হয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে, ক্রয়ের ক্ষেত্রে এবং প্রাপ্য আদায়ের জন্য তাগাদা করার ক্ষেত্রে -(বুখারী)ব্যাখ্যা: যারা ক্রয়-বিক্রয়, প্রাপ্য ওয়াশিলের ক্ষেত্রে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল হয়। রাসুল (সা: ) বলেছেন, তাদের প্রতি আল্লাহ রহম করুন । সেক্ষেত্রে আল্লাহর অনুগ্রহ ও রাসুল আক্রম (সা: ) এর- দোওয়া পাওয়ার জন্য আমাদেরকে এ ব্যাপারে সচেষ্ট ও সচেতন হাওয়া আবশ্যক।২) সাহাবি হযরত হোযায়ফা (রা:) বলেন, রাসুলুললাহ (সা:) বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের (মানুষদের) এক ব্যক্তির নিকট মালাকুল মউত (মৃত্যুর ফেরেশতা হযরত আজরাইল (আ:)) জীবন নেওয়ার জন্য উপস্থিত হলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন বিশেষ নেক আমল করেছ কি? সে বলল, আমার স্মরণে নেই । বলা হলো চিন্তা কর । অতঃপর সে বলল ঐরূপ কোন কাজই স্মরণে আসে না একটি কাজ ব্যতীত। আর সেটি হচ্ছে দুনিয়যার জীবনে আমি লোকদের সঙ্গে ব্যবসা করতাম। ব্যবসার ক্ষেত্রে লোকদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতাম। আমার খাতক (খরিদদার) ধনী হলেও আমি তাকে সময় দান করতাম । আর খাতক (খরিদদার) যদি গরিব হতো ,তবে আমি তাকে আমার প্রাপ্য মাফ করে দিতাম। এই আমলের বদৌলতে আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে বেহেশত দান করেছেন। -( বুখারী-্ও মুসলিম) মুসলিমের এক বর্ণনায় সাহাবি ্ওকবাতওবা বিন আমের (রা:) এবং আবূ মাসউদ আনসারী (রা:) হতে উক্ত বিবরণ বর্ণিত আছে । এতে উল্লেখ আছে- ওই ব্যক্তির উক্তির উপর আল্লাহ তায়ালা বলেন,সহানুভূতি প্রদর্শনে আমি তোমার অপেক্ষা অগ্রনী। (এই বলে আল্লাহ তা’য়ালা ফেরেশতাগণকে আদেশ করলেন) আমার এই বান্দার প্রতি তোমার ক্ষমা ও সহানুভূতি প্রকাশ কর ! (আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন ইবনে মাস’উদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফাররা’ আল-বাগাভী ও শায়খে ওয়ালীউদ্দনি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল খাতীব আল আমরী আত তবিরযিী কতৃক রচিত মিশকাতু মাসাবিহ গ্রন্থ থেকে সংকলিত)গ্রন্থনা: আনোয়ারুল কাইয়ূম কাজল  

হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় বেড়েছে

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে (২০১৯ সালে) আগ্রহী প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিদের নিবন্ধনের জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের ২২ হাজার ৭৬৫ ক্রমিক নম্বরের পর থেকে নিবন্ধিতরা আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ২০১৯ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর কোটা এখনও খালি আছে। তাই ইতোপূর্বে আহ্বান করা ২২ হাজার ৭৬৪ ক্রমিকের মধ্যে যারা কোনও কারণে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে পারেননি তাদের মধ্যে ২০১৯ সালে হজ পালন করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের হজ অফিসের পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। ০৯৬০২৬৬৬৭০৭ নম্বরে ফোন করেও জানানো যাবে। যথাসময়ে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সুবিধার্থে নিবন্ধনে ইচ্ছুক সবাইকে আগামী ২৭ মার্চের আগে পাসপোর্ট দাখিল করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধনের জন্যও আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। তাদের পাসপোর্টও ভেরিফিকেশনের সুবিধার্থে ২৭ মার্চের আগে পাসপোর্ট দাখিল করার কথা বলা হয়েছে। আরকে//

সালামের গুরুত্ব

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও মানবতার মহান মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা:)কে আল্লাহ ছোবাহানাহু তায়ালা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, তেমাদের জন্য রাসুল (স.) এর জীবনীর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। তার প্রতিটি কথা, কাজ, অনুমোদন, নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ ও উপদেশ দুনিয়া- আখেরাতের কল্যাণের বার্তাবাহী। তাকে সমগ্র মানব জাতির শিক্ষক রূপে এ ধরাধমে প্রেরণ করা হয়েছে। তার সে কালজ্বয়ী আদর্শ ও অমিয়বাণী দ্যুাতি ছড়িয়ে পথ প্রদর্শন করেছে যুগ যুগান্তরে। তার পরশে আলোকিত হয়েছে বর্বর জাহিলি সমাজ। ঘন ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত জাতি পরিণত হয়েছে গোটা বিশ্বের অনুকরণীয় আদর্শ। মহান আল্লাহ ছুবাহানাহু তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারিমে সুরা আন-নুরে ৬১ নং আয়াতে বলেছেন, ‘তোমরা যখন অন্যের ঘরে প্রবেশ করো তখন নিজেদেরকে সালাম করো। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতময় তোহফা বিশেষ’। * সাহাবি হযরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হে বৎস! যখন তুমি তোমার ঘরে প্রবেশ কর, তখন সালাম দেবে। তোমার সালাম তোমার ঘরের বাসিন্দাদের জন্য বরকতের কারন হবে।  -(ইমাম তিরমিজি বলেন হাদিসটি সহীহ এবং হাসান) * হযরত জাবির (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল্লাহ (সা.) বলেছেন- কথাবার্তা বলার পূর্বেই সালাম দিতে হবে। [ইমাম তিরমিযি (রা.) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেন, এ হাদীসটি মুনকার।] * সাহাবি হযরত আনাস (রা:) বর্ণনা করেন একদা তিতি শিশু-কিশোরদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাদেরকে সালাম করলেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বল্লেন, রাসলে আকরাম (সা:) এভাবেই করতেন।- (বুখারী ও মুসলিম) * হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন- যখন তোমাদের কেউ নিজের কোনও মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করো, সে যেন প্রথমে সালাম দেয় আর যদি তাদের উভয়ের মধ্যখানে বৃক্ষ, দেওয়াল বা পাথরের আড়াল পড়ে যায়, অত:পর পুনরায় সাক্ষাৎ হয়, তবে যেন দ্বিতীয় বার সালাম দেয়। -(আবু দাউদ) (ইমাম মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া আন-নববী (রহ:) কতৃক রচিত, হাফেয মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান অনুদিত ও রিয়াদুসসালেহীন গ্রন্থ থেকে সংকলিত) গ্রন্থনা: আনোয়ারুল কাইয়ূম কাজল

সালাম কেন দিবেন?

‘সালাম’ আল্লাহ পাকের এক বিশেষ নেয়ামত, রহমত, বরকতময়পূর্ণ শব্দ। এটি একটি দোয়া। অর্থ হলো আপনার ওপর আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক। জবাবে সালামের উত্তরদাতা বলেন, ওয়াআলাইকুমুস সালাম, অর্থাৎ সালাম দাতার ওপরও আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক। ইসলামি সংকৃতিতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন মেরাজে নবী করিম (স.) কে সর্ব প্রথম সালাম দিয়ে কথোপকথন শুরু করেছিলেন। অর্থাৎ স্রষ্টা তার সৃস্টিকে সাক্ষাতের শুরুতে সালাম দিয়েছেন, এ থেকে সালামের গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়। মানুষের জীবনে পরিবার হলো সর্ম্পকের মূল ভিত্তি। শান্তির জন্য পারিবারিক সুসর্ম্পক আবশ্যক। অবিদ্যাপ্রসূত দৃষ্টিভঙ্গি, ভায়োলেন্সপূর্ণ টিভি সিরিয়াল, অসুস্থ বিনোদন, ভার্চুয়াল ভাইরাস আর আর্থ-সামাজিক নানা কারণে আমাদের পরিবারগুলো একটি সংকটকাল অতিক্রম করছে। নিজস্ব ধর্ম ও সংস্কৃতির পরিবর্তে ভিনদেশি ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি অনুকরণ প্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে সালাম-এর মতো সুন্দর সংস্কৃতিক চর্চা সমাজে কমে আসছে। সামাজিক পরিমন্ডলে, কর্মক্ষেত্রে, রস্তাঘাটে কারো সঙ্গে দেখা হলে আমরা অনেকে হয়তো সালাম দেই। কুশল বিনিময় শুরু হয় সালামের মধ্য দিয়ে। কিন্তু পারিবারিক সুখ-শান্তি ও সাফল্য কামনায় এ শুভচর্চা আমাদের পরিবারগুলোতে কতটা হয়? অথচ সুখী মমতাময়পূর্ণ পারিবারিক আবহ সৃস্টির জন্য একটি অনবধ্য উপায় হতে পারে এই শুভ কামনাসূচক বাক্যটি। পারিবারিক বন্ধনকে অটুট রাখতে আমাদের প্রথম করণীয় পরিবারে সালাম চর্চার প্রসার ঘটানো। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সালাম বিনিময় হতে পারে সুন্দর পারিবারিক সংস্কৃতি। সালামের কোনো শ্রেণি বিভাজন নেই। এটি সার্বজনীন বিষয়। ছোট-বড়, ধনী-গরিব, উঁচু,-নীচু , সাদা-কালো, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সবাই পরস্পরকে সালাম বিনিময় করতে পারে। এক মুসলমান অপর মুসলমানের সঙ্গে দেখা হলে সালাম দিয়ে অলাপচারিতা শুরু করা ইসলামের রেওয়াজ। সালাম দেওয়া সম্পর্কে নবীজীর হাদীস থেকে জানা যায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে একবার সালাম বিনিময়ের পর চোখের আড়াল হয়ে পুনরায় সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করতে পারে। অর্থাৎ এক মুমিন ব্যক্তি অপর মুমিন ব্যক্তির সারাক্ষণই শান্তি ও কল্যাণ কমনা করবে। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। সালামের উত্তর প্রসঙ্গে আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা নিসা’র ৮৬ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘‘আর কেউ যখন তোমাদের সালাম দেয়, তখন তোমরা কমপক্ষে সে-রকম অথবা তার চেয়েও বেশি সম্মানসহকারে সালামের জবাব দিবে’’। আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) ছোট বড় সবাইকে আগে সালাম দিতেন। পবিত্র কোরআনের সূরা ফোরকানের ৬৩ নং আয়াতে সালাম সর্ম্পকে বলা হয়েছে, দয়াময়ের দাস তারাই, যারা জমিনের ওপর নানাভাবে চলাফেরা করে। মুর্খরা তাদেরকে কথা বলে উত্ত্যক্ত বা বিতর্ক সৃস্টি করতে চাইলে তারা বলে, তোমাদের প্রতি ‘সালাম’। এ আয়াতে সুস্পষ্ট বোঝা যায় কেউ রূঢ় আচরণ করলেও আল্লাহ সচেতনরা তাদের মঙ্গল কামনা করবে। সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে হৃদ্যতা, সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়। আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি ধারণা শুধু ছোটরাই বয়জ্যেষ্ঠদের সালাম দিবে। ইসলাম তা বলে না। সালাম সার্বজনীন। মানুষের ধন সম্পদ, ধর্ম, কর্ম ইহকলীন সবকিছু অর্জিত হওয়ার মূলে একটাই চাওয়া কাজ করে, তা হলো প্রশান্তি। পরকালীন অনন্ত জীবনের উদ্দেশ্যও তাই। সালাম হলো সে শান্তির দোয়া। সালামকারী ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সকাল-সন্ধ্যা, দিনে-রাতে, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, আর্থিক, রাষ্ট্রীয় জীবনসহ দৈহিক, মানসিক, ইহকলীন ও পরকালীন জীবনে অর্থাৎ সর্বাবস্থায় শান্তি কামনা করে। শান্তি সমৃদ্ধির জন্য সমাজের সর্বস্তরে সালামের ব্যাপক প্রচলন করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান প্রজন্মের বহুল চর্চিত হ্যায়, হ্যালো, গুডমনিং, গুডইভিনিং, গুড আফটারন্যূন, গুডনাইট, হ্যাভ এ নাইস ডে, এসব মুসলমান সংস্কৃতির অংশ নয়। তাছাড়া এ সব কল্যাণ সূচক শব্দ বা বাক্য কখনও অনন্ত ও সার্বিক কল্যাণ ও শান্তিকে নির্দেশ করে না। এসব আংশিক ও খণ্ডিত। এ জন্য নিজ পরিবার থেকে সালামের চর্চা শুরু করতে হবে। পরিবারের বড়রা ছোটদের আগে সালাম দেওয়া শুরু করলে শিশুর এ অভ্যাস সহজে রপ্ত হবে এবং জড়তা দূর হবে। কারণ শিশুদের উপদেশ দিয়ে নয়, শিশুরা চায় দৃষ্টান্ত বা অনুকরণ করতে। প্রতিদিন হাসিমুখে এই শুভকামনা চলতে থাকলে আমাদের পরিবারগুলোতে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন। পরিবারই হবে আমাদের সুখের নীড়, শান্তির উৎস। তাই বড়-ছোট নির্বিশেষে সবাইকে আগে সালাম দেওয়া অভ্যাসে পরিণত করুন, সব সময় হাসিমুখে কথা বলুন। সালাম ও হাসিমুখে কথা বলা একটি উত্তম সাদাকা। এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি