ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৮:৩০

নিবন্ধিত হয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র না পেলে যা করবেন

নিবন্ধিত হয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র না পেলে যা করবেন

ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হয়েছে কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি এমন কথা প্রায়শ শুনা যায়। জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে না পাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনে নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখিত তথ্য জানতে কি করবেন? এমন প্রশ্নের আসতেই পারে। তবে সরকার জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। এই তথ্য বাতায়ন থেকে তথ্য পেতে পারেন খুব সহজেই। যারা ২০১৩-২০১৪ সালের হালনাগাদে কর্মসূচীর মাধ্যমে ভোটার হিসাবে নিবন্ধন হয়েছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর পাননি তারা জাতীয় পরিচয় বিবরণী জানতে “ভোটার তথ্য” মেনুতে গিয়ে আপনার কাছে রক্ষিত এন.আই.ডিতে উল্লেখিত জন্ম তারিখ, ফর্ম নম্বর (রশিদ ফর্ম) এবং ক্যাপচা প্রদানের মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরটি জেনে নিতে পারেন। তার পর “রেজিষ্টার” মেনুতে গিয়ে প্রয়োজনী তথ্য দিয়ে অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্টেশন সম্পন্ন করুন। পরবর্তীতে “লগইন” মেনুতে গিয়ে আপনার ইউজার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে “পরিচয় বিবরণী” মেনুতে গিয়ে আপনার পরিচয় বিবরণী দেখতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইট ঠিকানায় ভিজিট করতে পারেন - https://services.nidw.gov.bd/   কেআই/টিকে
নতুন ভোটার হতে চাইলে

আপনি বাংলাদেশের প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক। দেশের অভ্যন্তরেই বাস করছেন। কিন্তু এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি। আপনার বয়স যদি ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে ১৮ বছর হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে আপনার এলাকার সিডিউল মোতাবেক ফরম-২ পূরণ করে ভোটার হতে পারেন। জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। বাতায়ন থেকে ভোটার কীভাবে হবেন সেই তথ্য পেতে পারেন খুব সহজে। আসুন জেনে নিই কীভাবে ভোটার হবেন? ভোটার হওয়ার সময় আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। যেমন- এসএসসি সনদ-(বয়স প্রমাণের সনদ) জন্ম নিবন্ধন - (বয়স প্রমাণের সনদ) পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ টি.আই.এন -(বয়স প্রমাণের সনদ) ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ি ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরূপ কোন প্রমাণ) নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন এই ওয়েবসাইটে https://services.nidw.gov.bd/   কেআই/টিকে

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদে কী করবেন

একজন নাগরিকের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করার প্রয়োজন হয়। অনেকেই জানেন না কীভাবে এ তথ্য হালনাগাদ করতে হয়। জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। বাতায়ন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সহজে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র হাল নাগাদের তথ্য পেতে পারেন। আসুন জেনে নিই জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হাল নাগাদ কীভাবে করবেন? প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য সংশোধন করবেন কিভাবে? এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। প্রশ্নঃ কার্ডে কোনো সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে? সব সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে? জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।  প্রশ্নঃ  আপনি অবিবাহিত। কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করবেন? সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি? নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে? বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে হবে? প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করবেন? এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য,আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না। প্রশ্নঃ ID Card এর ছবি অস্পষ্ট,ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার? এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে? এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে? এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়? পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়? শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে। প্রশ্নঃ আপনি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে? ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।    প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়? সবার কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি? আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে? ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়? রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি? এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।  প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে কি করবেন? নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।  প্রশ্নঃআপনার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আপনার কাছে প্রামাণিক কোন দলিলও নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে? সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়? উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না। এ সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন https://services.nidw.gov.bd/faq ওয়েবসাইটে। কেআই /  এআর

উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টনের হিসাব করুন অনলাইনে

আমাদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির বন্টন নীতি ভালোভাবে জানেন না। এমন কি শিক্ষিত হলেও না। অনেক সময় সম্পদের উত্তরাধিকার বন্টন নিয়ে অনেক ঝামেলা হয় পরিবারের সদস্যদের মাঝে। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্য সেবা চালু করেছে। এ তথ্য বাতায়ন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আপনি সহজেই বিভিন্ন তথ্য সেবা পেতে পারেন। এই তথ্য বাতায়ান থেকে সহজে আপনি উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টনের হিসাব করতে পারবেন। উত্তরাধিকার সম্পত্তির বন্টনের হিসাব নিয়ে থাকেছে আমাদের এবারের আয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব বের করা যায়। উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব অনলাইনে উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব বের করতে হলে আপনাকে প্রথমে www.bangladesh.gov.bd প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের ডানপাশে ‘উত্তরাধিকার.বাংলা’ ক্লিক করে বা (http://xn--d5by7bap7cc3ici3m.xn--54b7fta0cc/) লিংকে প্রবেশ করে সহজেই আপনাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তির হিসাব বের করতে পারবেন।   যেভাবে বন্টন হিসাব করবেন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর উত্তরাধিকার সম্পর্কিত একটি বক্স দেখতে পাবেন। ওই বক্সে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া উত্তরাধিকারদের বক্সে টিক হবে। তার নিচে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদের বিবরণ দিতে হবে। সম্পদের বিবরণ দেওয়ার পর ফলাফল নামের মেন্যুতে ক্লিক করলেই সম্পত্তির উত্তরাধিকারদের অংশ বের হয়ে যাবে। চাইলে আপনি আজই তা যাচাই করে দেখতে পারেন।   এম/টিকে

জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে করণীয়

বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত অনেক কাজেই এখন জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কি করবেন তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। আমাদের এ আয়োজেনে জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে কি করবেন এ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথম নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে। অথবা জিডি করার পর নির্বাচন কমিশনের এই লিংকে http://www.ecs.gov.bd/MenuExternalFilesEng/1007.pdf গিয়ে একটি ফরম পাবেন। এই ফরমটি পূরণ করে পূরণকৃত ফরম প্রিন্ট করবেন। পরে প্রিন্ট কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে পারবেন । ২০১৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে হারানো আইডি কার্ড পেতে বা সংশোধন করতে সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও আপনাদের সুবিধার্থে NID Card সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনের কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর তুলে ধরা হলো- প্রশ্ন: হারানো ও সংশোধন একই সঙ্গে করা যায় কি? উত্তর: হারানো ও সংশোধন একই সঙ্গে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে। প্রশ্ন: হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কীভাবে সংশোধন করব? উত্তর: প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে। প্রশ্ন: প্রাপ্তি স্বীকারপত্র/স্লিপ হারালে করণীয় কী? উত্তর: স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নম্বর দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। প্রশ্ন: জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব? উত্তর: জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদিসহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে। প্রশ্ন: প্রাপ্তি স্বীকারপত্র/জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু কোনো কাগজ নেই বা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর/ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কী করণীয়? উত্তর: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিস থেকে ভোটার নম্বর সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন শাখা/উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।   এম/টিকে

যানজট সম্পর্কে জানা যাবে গুগল ম্যাপে

রাজধানীবাসীর জন্য গুগল নতুন বিস্ময় নিয়ে এসেছে। ম্যাপ ও নেভিগেশনের সঙ্গে নতুন ফিচার হিসেবে রাস্তার জ্যামের খবর যুক্ত হওয়ায় এবার গুগল ম্যাপ থেকেই জেনে নেওয়া যাবে রাস্তার যানজটের অবস্থা। এ ফিচার অনেক দেশে আগে থেকেই চালু থাকলেও ঢাকার জন্য চালু হয়েছে সম্প্রতি। গুগল ম‍্যাপে ট্রাফিক জ‍্যামের খবর জানতে আপনার থাকতে হবে একটি স্মার্টফোন। এক জিবি র‍্যামের স্মার্টফোন হলেই অনায়াসেই চলবে গুগল ম‍্যাপস অ্যাপটি। এ সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীর আশাপাশে রাস্তাগুলোর ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রঙের কিছু রেখা দেখতে পাওয়া যাবে। সবুজের অর্থ রাস্তা স্বাভাবিক, হলুদ মানে কিছু গাড়ি আছে যা যা ধীর গতিতে চলছে। কমলার মানে হালকা জ্যাম ও লাল মানে রাস্তায় গাড়ি ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ সুবিধা পেতে প্রথমেই গুগল ম‍্যাপস ইন্সটল করে নিতে হবে। এ জন্য ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে মোবাইল ফোনের সেটিংসে ‘cellular data’ অপশনে গিয়ে ‘on’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। যদি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইস ব‍্যবহার করেন তাহলে ফোন থাকা গুগল স্টোরে গিয়ে ‘google maps’ লিখে সার্চ করে বা এই ঠিকানায় গিয়ে গুগলের ‘ম‍্যাপস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। আর যদি আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত আইফোন বা আইপ‍্যাড ব‍্যবহার করেন তাহলে এই ঠিকানায় গিয়ে গুগল ম‍্যাপ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে। এরপর জিপিএস সুবিধাটি চালু করতে হবে। জিপিএস সুবিধা চালু করতে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ‘location’ অপশনটি ‘on’ করে দিতে হবে। এরপর অ্যাপটি চালু করলেই ব‍্যবহারকারী কোথায় অবস্থান করছেন তা লোকেশনে দেখাবে। অপশনটি চালু থাকা অবস্থায় ডিভাইসের নোটিফিকেশনেও কিছুক্ষণ পরপর রাস্তার গাড়ি চলাচলের আপডেট দেখা যাবে। ব‍্যবহারকারীদের জ‍্যাম পেরিয়ে কোন স্থানে যেতে কতক্ষণ সময় লাগবে তাও জেনে নেয়া যাবে গুগল ম‍্যাপ থেকে। এর জন্য ম‍্যাপ অ্যাপটি উপরে সার্চ অপশনে যে স্থান  এবং  কোথায় যেতে চান তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তারপর ‘directions’ অপশনে ক্লিক করলে স্থানটির দূরত্ব কত কিলোমিটার এবং যেতে কত সময় লাগবে তা দেখা যাবে। অ্যাপটির সাহায‍্যে ব‍্যবহারকারীদের লোকেশন অনুযায়ী হোটেল, ক‍্যাফে, গ‍্যাস স্টেশন, এটিএম বুথ, ফার্মেসি এবং শপিং সেন্টারের তথ‍্যও মিলবে। এছাড়া স্থানগুলোর ছবি পাওয়া যাবে। গুগল ম‍্যাপের চাইলে ব‍্যবহারকারীরা অফলাইনে লোকেশন সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই স্থানগুলো ভুলে গেলে দেখে নেয়া যাবে। ফোনে টাইপ করতে ঝামেলা মনে হলে ভয়েস সার্চ করেই গুগল ম‍্যাপস অ্যাপে কোন স্থানে খোঁজে পাওয়া যাবে। সূত্র: টেক শহর একে//

কুম্ভ রাশি : কেমন যাবে ২০১৮

এই রাশির জাতক ও জাতিকারা স্বভাবতই বুদ্ধিমান, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ এবং কাজকর্মে স্বচ্ছ। এদের কল্পনাশক্তি প্রখর। যেকোনো ভালো কাজ এদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সেই জাতীয় কাজে অংশগ্রহণের জন্য তারা মরিয়া হয়ে উঠে। বায়ু রাশি কুম্ভের জাতক-জাতিকার জন্য সামগ্রিকভাবে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ শুভ সম্ভাবনাময়। সেক্ষেত্রে শুভ গ্রহ বৃহস্পতি এবং রাশ্যাধিপতি শনির দৃষ্টি রয়েছে। তৃতীয় স্থানে ইউরেনাসের অবস্থিতির কারণে কনিষ্ট ভ্রাতা-ভগ্নিদের কেউ কোনো ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। একই সঙ্গে ওই ক্ষেত্রে বৃহস্পতি ও মঙ্গলের দৃষ্টির ফলে অলৌকিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যেতে পারে। বিদ্যার্থীদের জন্য বছরটি খুব একটা অনুকূল নাও হতে পারে। বছরের শুরু থেকেই পড়াশোনায় অধিকতর মনযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন। এ বছর কুম্ভের জাতক-জাতিকার বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত শুভাশুভ ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভোগার আশঙ্কা আছে। রাস্তাঘাটে চলাফেরায় সতর্ক থাকুন। অন্যথায় পায়ে কোনো আঘাত প্রাপ্তির আশঙ্কা রয়েছে। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকবে। তবে চিত্তচাঞ্চল্যের জন্য মাঝেমধ্যে ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। যার ফলে সাফল্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ভাইবোনদের সঙ্গে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। কারো কারো তীর্থযাত্রার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবা আছে।   একনজরে কুম্ভ রাশি শাসক গ্রহ : শনি ও ইউরেনাস শুভ সংখ্যা : ৪ বৈশিষ্ট্য : বাতাস রং : নীল, সবুজ ও বেগুনী রত্ন : পান্না ও হীরা ধাতু : সোনা, রুপা, হোয়াইট গোল্ড শুভ দিন : শুক্র ও শনিবার সঙ্গী/সঙ্গিনী : মিথুন, তুলা   /ডিডি/ এআর

ক্যান্সারের জন্য দায়ী ৫ খাবার

আপনার ডায়াটে থাকা কিছু খাবার নিরবে আপনাকে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে না তো! হ্যা এমন কিছু খাবার আমরা খেয়ে থাকি যা ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ডায়েট সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকার কারণে এনটা হতে পারে।  এছাড়াও অনেকে মনে করে শুধু অ্যালকোহল এবং ধুমপান ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কিন্তু প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমেও ক্যান্সার হতে পারে। এখানে আপনাদের জন্য ৫ টি খাবার তুলা ধরা হলো যে খাবারগুলো পরিহার করার মাধ্যমে নিজেকে ক্যান্সারের ঝুকি থেকে বাঁচাতে পারবেন। ১) মাইক্রোওয়েভে তৈরি পপকর্ন: সহজে প্রস্তুত করা যায় এরকম খাবারের মধ্যে পপকর্ন হচ্ছে অন্যতম। প্যাক করা থেকে শুরু করে খাবারটি তৈরি করাত যে সকল উপাদান ব্যবহার করা হয় সে উপাদানগুলো ক্যান্সারের কারণ হয়ে দেখা দেয়। তাই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে আপনাকে মাইক্রোওভেনে তৈরি করা পপকর্ন এখন থেকে বাদ দেওয়া উচিত। ২) টিনজাত খাবার টিনজাত খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়। এ খাবারকে দীর্ধদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়,  যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে টিনজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। ৩) পরিশোধিত চিনি পরিশোধিত চিনি ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। অনেকে মনে করতে পারেন যে বাদামী চিনি স্বাস্থের জন্য উপকারী। তাহলেও আপনি ভুল করবেন। সাদা চিনির সাথে রং ও ফ্লেভার একত্র করার মাধ্যমে চিনিকে বাদামী করা হয়। তাই নিজেকে সুস্থ্য রাখতে প্ররিশোধিত চিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।   ৪) কার্বোনেটেড ড্রিংকস কার্বোনেটেড ড্রিংকসে উচ্চমাত্রারার ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ, ক্যামিকেল এবং ডাইস ব্যাবহার করা হয়। তাই এই খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।  ৫)  ভাজা খাবার আমরা অনেকেই ভাজা খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু এই ভাজা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অস্বাস্থ্যকর। এ খাবারগুলো যে উপাদান দ্বারা ভাজা হয় সেই উপাদানগুলো ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। তাই শরীরকে সুস্থ্য রাখতে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকা উচিত। সূত্র: এনডিটিভি   এম

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা এখন থেকে অনলাইনে

সরকার অ্যানালগ পদ্ধতির জটিলতা দূর করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিল অনলাইনে জমা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি মাসে অর্থ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিল অনলাইনে দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। বর্তমানের বিদ্যমান পদ্ধতিতে পেমেন্টের জন্য বিল জমা দিতে প্রায় ১৫ দিন সময়ের প্রয়োজন হতো। এখন সেটা মুহূর্তেই করা যাবে। ফলে ২১ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতার অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া আরও সহজ হলে বলে মনে করে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে, অর্থ বিভাগের কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা একটি পাইলট প্রকল্পের অধীনে ডিসেম্বর থেকে এক সমন্বিত বাজেট এবং হিসাব পদ্ধতিতে বেতন বিল জমা করা শুরু করেছেন। অর্থবিভাগ সম্প্রতি এ ধরনের একটি সার্কুলার জারি করেছে। এটি অর্থ বিভাগ স্টাফের বেতন বিল, পরীক্ষা পাস এবং পেমেন্ট পেনশন বাড়ি ভাড়া এবং অন্যান্য খরচের অর্থও এই পদ্ধতিতে লেনদেন হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন বিল নিজেরাই জমা করতে পারবেন।   এসি/ এআর  

গর্ভকালীন কোমড় ব্যাথার কারণ ও প্রতিকার

নারীদের জীবনের একটি বড় স্বপ্ন মা হওয়া। তবে এ সময়ে গর্ভবতী মায়েদেরকে  অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কোমর ব্যথা তার মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে গর্ভকালীন সময়ের শেষ ভাগে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। আমাদের মেরুদণ্ডের কোমরে অংশে একটি সি আকৃতির কার্ভ বা বাঁকা অংশ থাকে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় লাম্বার লরর্ডোটিক কার্ভ বলা হয়।  এটি আমাদের কোমরকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। গর্ভকালীন সময়ে, বিশেষ করে শেষ তিন মাসে যখন বাচ্চার ওজন ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে, তখন মায়ের পেটের আকৃতিও বাড়তে থাকে। এতে এই বাড়তি ওজন বহন করতে মায়ের মেরুদণ্ডের কোমরের অংশের মাংসপেশিগুলোকে বেশি একটিভ বা সক্রিয় থাকতে হয়। অন্যদিকে গর্ভবতী মা পেটের বাড়তি ওজন বহন করে কিছুটা পিছনের দিকে বাঁকা হয়ে যায়। এতে কোমরের মাংসপেশি ও স্পাইনাল লিগামেন্টগুলো দুর্বল হয়ে পরে। তখন ব্যথা অনুভূত হয়। গর্ভকালীন কোমর ব্যথা যেহেতু ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা যায় না, তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা অনেক উপকারী। এ ক্ষেত্রে সুপারফিসিয়াল থার্মোথেরাপির পাশাপাশি কিছু থেরাপিউটিক ব্যায়াম করতে হয়। যেমন-স্ট্যাটিক ব্যাক মাসল  এক্সসারসাইজ, পেলভিক ব্রিজিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি। এগুলো গর্ভকালীন কোমরের মাংসপেশির শক্তি বজায় রাখে এবং গর্ভকালীন কোমর ব্যথা অনেকাংশে কমায়। প্রসব পরবর্তী ফিজিওথেরাপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে কোমর ও পেটের শিথিল হয়ে যাওয়া মাংসপেশিগুলো শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য কিছু থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করতে হবে। যেমন- পেলভিক-ফ্লোর এক্সারসাইজ, ব্যাক মাসল স্ট্রেন্দেনিং এক্সারসাইজ; অ্যাবডোমিনাল এক্সারসাইজ ইত্যাদি। ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করলে প্রসব পরবর্তী কোমর ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টি ফোর   এম

জন্ম ও মৃত্যু সনদের ফি কমল

সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু সনদের (নিবন্ধন) ফি ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার বিভাগ নিবন্ধন ফি পুনঃনির্ধারণ করে সোমবার আদেশ জারি করেছে।বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিক ছাড়া বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রবাসীদের এই নিবন্ধন করতে হবে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে।পূর্বের মতই জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি দেশে ও বিদেশে কোনো প্রকার ফি ছাড়াই নিবন্ধন করতে পারবেন। কিন্তু ৪৫ দিন পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন ফি দেশে ২৫ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা ও বিদেশে দুই মার্কিন ডলার।জন্ম বা মৃত্যুর পাঁচ বছর পর নিবন্ধন করলে দেশে ৫০ টাকা ও বিদেশে এক মার্কিন ডলার গুণতে হবে। আগে এই ফি ছিল দেশে ২০০ টাকা ও বিদেশে চার মার্কিন ডলার।অপরদিকে জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্যও নতুন করে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য দেশে দিতে হবে ১০০ টাকা; আর বিদেশে দুই মার্কিন ডলার। আগে শুধু তথ্য সংশোধনের জন্য দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হত।জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পর কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য আগে দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হত। তবে সংশোধিত বিধিমালায় জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পরে নিবন্ধনের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।জন্ম তারিখ ছাড়া নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ঠিক করা হয়েছে দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার। আগে যে কোনো তথ্য সংশোধনের ফি ছিল দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার।বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি এখন থেকে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। আগে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি পেতে দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই মার্কিন ডলার দিতে হত।বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদের নকল সরবরাহ ফি দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই ডলার।সবশেষ ২০১৭ সালের ২ মার্চ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি নির্ধারণ করেছিল সরকার। সব ধরনের নিবন্ধন ফি এবার অর্ধেক কমিয়ে নিবন্ধন ফি পুনঃনির্ধারণ করা হল।উল্লেখ্য, জন্ম নিবন্ধন সনদে ব্যক্তির নাম, লিঙ্গ, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের নাম, জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা সম্পর্কিত তথ্য থাকে।পাসপোর্ট, বিয়ে নিবন্ধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরিতে নিয়োগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, ব্যাংক হিসাব খোলা, আমদানি ও রপ্তানির লাইসেন্স, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রাপ্তি, বাড়ির নকশা অনুমোদন, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে ওই সনদের প্রয়োজন হয়।মৃত্যু নিবন্ধন সনদে মৃত ব্যক্তির নাম, মৃত্যুর তারিখ, মৃত্যুর স্থান, লিঙ্গ, বাবা-মা বা স্বামী-স্ত্রীর নাম থাকে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন, পারিবারিক পেনশন প্রাপ্তির মত কাজে ওই সনদের প্রয়োজন হয়।এসএ/

পরিচ্ছনতার জন্য নিজের সচেতনতা প্রয়োজন : নাসিম

সুষ্ঠু স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি আর পরিস্কার-পরিচ্ছাতার জন্য রাষ্ট্র সমাজের পাশাপাশি নিজেকেই সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত `স্বাস্থ্য খাতে ওয়াশ কর্মসূচি পরিকল্পনা` শীর্ষক কর্মশালায়  তিনি একথা জানান। বিশ্ব ব্যাংক, জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনেসেফ), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু), তেরে দাস হোম ফাউন্ডেশন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ওয়াটার এইডের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য অধিদফতর এ কর্মশালার আয়োজন করে। তিনি বলেন, শুধু সরকার বা সমাজের পক্ষে দেশে পরিস্কার পরিচ্ছানতা, স্বাস্থ্য সেবা ও  বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রতিটি মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। মন্ত্রী বলন, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিরাপদ পানি, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শিশু ও মার্তৃমৃত্যু হারের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। শিশু ও মার্তৃমৃত্যু হার কমানোর ক্ষেত্রে, এসডিজি লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ওয়াশ চর্চার প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে সুনির্দিষ্ট কর্মশালার বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ওয়াশ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মশালা ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন বলেও  মন্তব্য করেন তিনি। মেডিকেল অ্যাডুকেশন অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার বিভাগের সচিব ফয়েজ আহমেদ, ইউনেসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বিগবেডার, হু`র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. নবরত্ন পারানিথর এবং টিডিএইচ বাংলাদেশ প্রতিনিধি কর্মশালায় উপস্থিত থেকে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও ওয়াশ ব্যবস্থাপনা ত্বরান্বিত করার জন্য দ্রুত কর্ম পরিকল্পনা তৈরিতে গুরুত্ব আরোপ করেন। দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন. মন্ত্রণালয়, অধিদফতরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, দাতা সংস্থা, এনজিও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   টিআর/এসএইচ

এইচআইভি সম্পর্কে যত ভ্রান্ত ধারণা

আজ বিশ্ব এইডস দিবস। সারা বিশ্বজুড়ে ১ ডিসেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। বিশ্বে ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও আজও এইডস নিয়ে মানুষের মনে রয়েছে নানা অজানা ভয়। যে ভয়ের জন্ম ভ্রান্ত ধারণা থেকে। জেনে নিন এইডস সম্পর্কে যত ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে- এইচআইভি পজিটিভ হলে সুস্থ সন্তানের সম্ভব নয়: আমাদের মাঝে প্রচলিত আছে, এইচআইভি পজিটিভ হলে সুস্থ সন্তানের জস্ম দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু চিকিৎসকরা এমন কোনও গ্যারান্টি দিতে পারেন না যে, সন্তানের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে না। কিন্তু চিকিৎসকরা এটাও বলেন, এইচআইভি পজিটিভরাও সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারেন। এইচআইভি পজিটিভ হলেই এইডস হবে: আমাদের ধারণা এইচআইভি পজিটিভ হলেই এইডস হবে। মূল কথা হলো- এইচআইভি ইনফেকশন থেকে এইডস হয় ঠিকই, কিন্তু এর কোনও মানে নেই যে এইচআইভি পজিটিভ হলেই এইডস হবে। এইচআইভি পজিটিভ কোনও বড় সমস্যা নয়: অনেকেই ভাবি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এইচআইভি পজিটিভ কোনও বড় সমস্যা নয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই ভুল ধারণার ফলে বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে অসুরক্ষিত যৌন মিলনের প্রবণতা বাড়ছে। এর ফলে এইচআইভি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। পিআরইপি নিলে আর কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই: পিআরইপি নিলে আর কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই এমনটা ভাবেন অনেকে। কিন্তু প্রি এক্সপোজার প্রফিলেক্সিস এক ধরনের মেডিকেশন যা এইচআইভি ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়া রুখতে পারে। তবে পিআরইপি মিলনের সময় এইচআইভি সংক্রমণ রুখতে পারে এমন কোনও প্রমাণ পাননি বিজ্ঞানীরা। এইচআইভি টেস্ট নেগেটিভ এলে কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই: এইচআইভি টেস্ট নেগেটিভ এলে কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই এটা প্রচলিত আছে। কিন্তু সদ্য এইচআইভি-তে আক্রান্ত হলে তা পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। অন্তত তিন মাস লাগে ধরা পড়তে। তাই এইচআইভি নেগেটিভ মানেই কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই তার কোনও মানে নেই। এইচআইভি পজিটিভ হলে কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই: অসেকেই ভাবেন, যদি দুজন পার্টনারের এইচআইভি পজিটিভ হয় তাহলে কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। মসে রাখবেন, সব এইচআইভি স্ট্রেইন এক রকম হয় না। এক সঙ্গে একাধিক স্ট্রেইনে আক্রান্ত হলে জটিলতা বাড়ে। যাকে বলা হয় সুপারইনফেকশন। এইচআইভি পজেটিভ মানেই মৃত্যু: আমরা সাধারণত ভাবি এইচআইভি পজেটিভ মাসেই মৃত্যু অবধধারিত। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা আর সাবধানতার মাধ্যমে এ রোগে আক্রান্তদের মৃত্যু এড়ানো সম্ভব এমসটিই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এইচআইভি ইনফেকশন মুখ দেখে বোঝা যায়: এখনও অনেক সমাজে প্রচলিত আছে, কারো এইচআইভি ইনফেকশন আছে কিনা তার মুখ দেখেই বোঝা যায়। কিন্তু এই ইনফেকশনের সাধারণত কোনও লক্ষণ থাকে না। তাই দেখে বোঝা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। হেটরোসেক্সুয়ালদের নিয়ে চিন্তার প্রয়োজন নেই: আমরা জানি সমকামীদের মধ্যেই এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। আবার সারা বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্তদের ৭৮ শতাংশ সমকামী ও ২৪ শতাংশ হেটরোসেক্সুয়াল। তাই শুধু সমকামীরাই আক্রান্ত হতে পারে এই ধারণা একেবারেই ভুল। অন্যদের ক্ষেত্রেও এটা হতে পারে।     আর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি