ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:১৯:৫৪

বইমেলায় আবদুল্লাহ আল ইমরানের ৩ উপন্যাস

বইমেলায় আবদুল্লাহ আল ইমরানের ৩ উপন্যাস

আবদুল্লাহ আল ইমরান সময়ের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। শৈশব, কৈশোরের মোহগ্রস্ততা থেকে লিখছেন এক যুগ। মফস্বলের সবুজ অনুভূতি বুকে খুলনা ছেড়ে ঢাকা এসেছিলেন। ঝলমলে নাগরিক প্রলোভনেও সে গেরুয়া অনুভূতি মুছে যায়নি। যায়নি বলেই ইমরানের লেখাজুড়ে থাকে প্রান্তিক মানুষের নিয়ত সংগ্রাম, উঠে আসে বারোয়ারি উপলব্ধিতে ঠাসা মোহান্ধ জীবনের গল্প। এবারের মেলায় রয়েছে ইমরানের তিনটি উপন্যাস। এইসব ভালোবাসা মিছে নয়, কালচক্র এবং দিবানিশি। ইমরানের কাছে পৃথিবীটা বৈচিত্রময় গল্পের মায়াবী এক জাদুঘর। স্মৃতির পুরাকীর্তি নিয়ে যাতে সবারই বিচরণ। এর ভেতর দুটি ভিন্ন মানুষের অদ্ভুত এক কাছে আসার গল্প নিয়েই ‘এইসব ভালোবাসা মিছে নয়’ উপন্যাস। দেওয়ান আতিকুর রহমানের প্রচ্ছদে বইটি প্রকাশ করেছে ভাষাচিত্র। মেলার ৫৮৫-৮৭ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে। কালচক্র উপন্যাসে জীবনের অজস্র জটিল হিসাব-নিকাশের গল্প বলেছেন ইমরান। গল্প অসংখ্য হারিয়ে ফেলা অনুভূতিরও। কাহিনী যত এগোবে, তত উন্মোচিত হবে মৃত এক শিল্প অঞ্চলের বহুমাত্রিক মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনবোধ। ‘কালচক্র’ পাটকলনির্ভর নদীঘেরা জনপদের ওপর রচিত এমন এক মানবিক আখ্যান, যেখানে জীবনের ভাঙা-গড়া, আনন্দ-বেদনার গল্পেরা চক্রাকারে বয়ে চলে অবিরাম। বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন কালচক্র-এর ব্যাক কাভারে লিখেছেন, ‘বিষয়কে ধরা, ধরে উপস্থাপন করা, তার জন্য ভাষা ও চরিত্র নির্মাণ এবং এ সবকিছুর মধ্য দিয়ে একটি শিল্পিত উপন্যাস পাঠককে উপহার দেয়া একজন লেখকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কালচক্র উপন্যাসে এ দায়িত্ব পালনে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল ইমরান। কালচক্র যদি একটি সময়কে ধরে চক্রের আবর্তন হয় তবে এ উপন্যাসে লেখক খুব ভালো ভাবে তা ধরতে পেরেছেন। আর এই ধরার ভেতর দিয়ে আমাদের সাহিত্যে একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন ঘটেছে।’ইমরানের তৃতীয় উপন্যাস ‘দিবানিশি’। মারফতি নূরে উদ্ভাসিত অলক্ষে বহমান এক জনপদের কাহিনী এ উপন্যাসে বিবৃত হয়েছে সহজিয়া জীবন দর্শনে। আছে শেকড়ে ফিরতে চাওয়া এবং জলের গর্ভে সব হারানো দুই নারীর অদম্য লড়াই। এ গল্প মনসা দেবীর শাপে বংশ বাতি নিভতে বসা চমকপ্রদ এক লোকজ মিথেরও। কালচক্র ও দিবানিশির প্রচ্ছদ করেছেন সানজিদা পারভীন তিন্নি। প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। মেলার ২২ নম্বর প্যাভেলিয়নে বই দুটি পাওয়া যাবে। এসএ/
বইমেলায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় থাকবে:ডিএমপি

অমর একুশে বইমেলায় কঠোর ও নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ মঙ্গলবার বইমেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সস্মলনে তিনি এ কথা জানান। এসময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ, লেখক ও প্রকাশক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, মেলাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আইনের আওয়াত আনা হবে। ৮ তারিখের রায় কেন্দ্র করে কেউ যদি বিশৃঙ্লা সৃষ্টি করতে চায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেউ আইনের উদ্ধে নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের মতো দেশে আর অরাজকতা করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক দর্শনার্থীকে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দ্বারা তল্লাশির মাধ্যমে মেলায় প্রবেশ করতে হবে। বইমেলার ভেতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত সংখ্যক সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পুলিশ ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবে। সিসিটিভি দিয়ে মেলার ভিতরে ও চারপাশে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। ইভটিজিং ও অনাকাঙ্খিত ঘটনা প্রতিরোধে থাকবে পুলিশের টহল। বইমেলার আশেপাশে হকার মুক্ত করা হবে। বাংলা একাডেমির স্টিকার ব্যতীত কোনো গাড়ি মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না। দর্শনার্থীদের বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করবে পুলিশ। টিআর/এসএইচ

আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব শুরু

অন্য রকম আয়োজনে উদ্বোধন করা হলো ১১তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের। আজ বিকালে রাজধানীর গণগ্রন্থাগারে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. জাফর ইকবাল, চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মোরশেদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মুনীরা মোরশেদ মুননী এবং উৎসব পরিচালক আবীর ফেরদৌস। উৎসবের শুরুতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও উৎসব  পতাকা উত্তোলন করেন অতিথিরা। এরপর বেলুন ও পায়রা উড়ানো হয়। একঝাঁক শিশুর সরব উপস্থিতিতে অতিথিরা শিশু চলচ্চিত্র নির্মাণ, শিশুদের মেধা ও মনন বিকাশে চলচ্চিত্রের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের  আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে শিশু চলচ্চিত্র নির্মাণ কতোটা দুরূহ তাও আলোচনায় উঠে আসে। সবশেষে মেক্সিকোতে নির্মিত একটি শিশু চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। উল্লেখ্য এবার আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবটি ২৭ জানুয়ারী থেকে ২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশ সহ ৫৮ টি দেশ থেকে আসা ২২০টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে ঢাকার ৬ টি ভেন্যুতে। উৎসবে ভিনদেশী চলচ্চিত্র ছাড়াও থাকছে শিশু কিশোরদের নির্মিত চলচ্চিত্র নিয়ে প্রতিযোগিতা। শিশুদের নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে সেরা চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণ করা হবে ৫ জন শিশু কিশোর নিয়ে গঠিত জুরি বোর্ডের মাধ্যমে। শিশু চলচ্চিত্র ছাড়াও এবার আরো ৪ টি বিভাগে পুরষ্কার দেওয়া হবে। / এআর /

মূল্যবোধ আজ কোথায়?

সমাজ থেকে ক্রমান্বয়ে মূল্যবোধ হারিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বরেণ্য কবি অসীম সাহা। এসময় তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘যে মূল্যবোধ আর বিবেকের তাড়নায় ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, সে মূল্যবোধ আজ কোথায়। কেন লেখক সমাজ আজ এত অবহেলিত?’ আজ শুক্রবার রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভিআইপি গ্যালারিতে আয়োজিত `ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা` নামের একটি সংগঠন কর্তৃক গুণীসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি। শুদ্ধ সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা ও বিকাশ আমাদের লক্ষ্য এ স্লোগানকে সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন ও গুণীজন সম্মাননা ২০১৭ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। আজ বিকাল ৫টায় শুদ্ধতার কবি অসীম সাহা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এসময় চার গুণী শিল্পীকে সংবর্ধিত করা হয়। কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনকে সাহিত্য ক্যাটাগরিতে, দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজকে কবি ক্যাটাগরিতে, বিশিষ্ট নাট্যকার ড. ইনামুল হককে সংস্কৃতি ক্যাটাগরিতে ও বিশিষ্ট আবৃত্তিকার মাহিদুল ইসলাম মাহিকে আবৃত্তি ক্যাটাগরিতে সংবর্ধিত করা হয়। প্রয়াত কবি শওকত আলীর স্মৃতিচারণ করে কবি অসীম সাহা বলেন, দেশের সূর্য সন্তানদের জাতি মূল্যায়ণ করে মরে যাওয়ার পর। কিন্তু এ সম্মানে তাঁর কি কিছু আসে যায়? সমাজের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, কেন লেখক সমাজ আজ এতোটা অবহেলিত? চিরতরে বিদায় নেওয়ার আগে তাঁরা কেন কোন চিকিৎসাসেবা পান না? এসব বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বলেন, এখনো দেশে নারী নির্যাতন হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান নিয়ে একটি বিভ্রান্তি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, নারীরা তার সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা আনেনি, তারা স্বাধীনতা এনেছে শক্তির বিনিময়ে। তাই নারী নির্যাতনসহ সব ধরণের মূল্যবোধ বিরোধী কর্মকাণ্ড রোধে সৃজনশীল সমাজের প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভালবাসার গান কবিতা ও গল্প কথার প্রধান সমন্বয়ক ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদের পুত্র নিজামুল হক মোস্তফা শহীদ ও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আসাদুজ্জামান সোহান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন তরুণ কবি তাদের কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। এসময় দেশ বরেণ্য আবৃত্তিকার মাহিদুল ইসলাম মাহি কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। এছাড়া নিজের রচিত দুটি কবিতা আবৃত্তি করে শোনান দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ। এমজে/  

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন ও গুণীজন সম্মাননা

“শুদ্ধ সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা ও বিকাশ আমাদের লক্ষ্য” এ স্লোগানকে সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন ও গুণীজন সম্মাননা ২০১৭ অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে। ‘ভালবাসার গান কবিতা ও গল্পকথা’ নামের একটি সংগঠন রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করবেন জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক ও দেশবরেণ্য শুদ্ধতার কবি অসীম সাহা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ভালবাসার গান কবিতা ও গল্প কথার প্রধান সমন্বয়ক ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দ আসাদুজ্জামান সুহান। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট কথা সাহিত্যক সেলিনা হোসেন, প্রেম ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ, নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ ড. ইনামুল হক, বৈকুণ্ঠ আবৃত্তি একাডেমির আবৃত্তি শিল্পী ও প্রতিষ্ঠাতা শিমুল মুস্তফা, আবৃত্তি শিল্পী প্রশিক্ষক মাহিদুল ইসলাম মাহি এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক নিজামুল হক মোস্তফা শহীদ। একে//এসএইচ

সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা শনিবার থেকে

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার থেকে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। এ মেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। সপ্তাহব্যাপী মেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন ও মধুসূদন একাডেমী সাগরদাঁড়িতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মেলা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে মেলার উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার এমপি, সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, সংসদ সদস্য রনজিৎ কুমার রায়, সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, পুলিশ সুপার মো. আনিচুর রহমান, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার প্রমুখ। সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ৭ দিনব্যাপী মধু মেলায় থাকছে কবির সৃষ্টি ও সাহিত্য কর্মের উপর দেশ-বিদেশী কবি সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে আলোচনাসভা, কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আবৃত্তি, মধুগীতি পরিবেশনা, কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রদর্শন। কুঠির শিল্প ও গ্রামীণ পসরা নিয়ে মেলায় বসবে প্রায় দু’শ স্টল। মহাকবি মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন জমিদার। ১৮৭৩ সালে ২৯ জুন কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মাইকেল মদুসূদন দত্তের কালজয়ী রচনাবলীর অন্যতম হলো- মেঘনাদবধ কাব্য, শর্মিষ্ঠা, ক্যাপটিভ লেডী, কৃষ্ণকুমারী, বুড়ো শালিকের ঘাঁড়ে রোঁ, বীরাঙ্গনা। এ মহাকবির জন্মের কারণেই সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ নদ জগৎবিখ্যাত। কালের প্রবাহে কপোতাক্ষ নদের যৌবন বিলীন হলেও মাইকেলের কবিতার কপোতাক্ষ নদ যুগে যুগে বয়ে চলেছে।   আর

ঢাকা আর্ট সামিট ২ ফেব্রুয়ারি থেকে

নয় দিনব্যাপী ঢাকা আর্ট সামিট-২০১৮ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হওয়া এ সামিট চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বেসরকারি সংগঠন সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশন শিল্পকলা একাডেমির সাথে যৌথভাবে ঢাকা আর্ট সামিটের আয়োজন করছে। এবারের সামিট আয়োজনে সহায়তা করছে সংস্কৃতি বিয়ষক মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। আয়োজক সংগঠন সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট কিউরেটর রুক্সমী চৌধুরী জানান, এবারের সামিটের ভ্যানু হচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি সামিটের উদ্বোধন করা হবে। এবার ৩০টি দেশের ৩০০ জন খ্যাতিমান ও নবীন শিল্পীদের চিত্রকর্ম সামিটে প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের শিল্পী রয়েছেন ১৫০ জনের মতো। দুটি পর্বে ১৬টি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন শতাধিক শিল্পী, শিল্প সমালোচক, শিক্ষক ও শিল্প বোদ্ধারা। প্রথম পর্যায়ে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৮ থেকে ১০ ফেব্রয়ারি এসব আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে থাকবে বিভিন্ন সেশনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দেশ বিদেশের শতাধিক চিত্রশিল্পী, আলোচক ও শিল্প সমালোচক এতে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি। রুক্সমী চৌধুরী আরো জানান, এবারের সামিটে প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ওপর দুটি পুরস্কার প্রদান করা হবে। পুরস্কার দুটি হচ্ছে ‘সামদানি আর্কিটেকচার পুরস্কার।’ এটি প্রদান করা হবে বাংলাদেশের ২২ থেকে ৪০ বছর বয়স্ক শিল্পীদের। ‘সামদানি আর্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে বিদেশী শিল্পীদের চিত্রকর্মের ওপর। সূত্র: বাসস   আর/টিকে

নানা আয়োজনে বাংলাদেশ-ভারত কবিতা সন্ধ্যা সম্পন্ন

কবিতা পাঠ, আবৃত্তিসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে বাংলাদেশ-ভারত কবিতা সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল পাঁচটায় বিশ্ব কবিমঞ্চের আয়োজনে ও ফাতেমা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট কবিদের নিয়ে এ কবিতা সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব কবিমঞ্চের আহবায়ক পুলক কান্তি ধর-এর সভাপতিত্বে কবিতা সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন কবি ও দার্শনিক সৈয়দ আহমদ আলি আজিজ। অতিথি আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. দেবব্রত দেবরায়, উত্তর পূর্ব ভারতের বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও কবি নাহার ফরিদ খান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ফাতেমা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কামরুামান ভূঁইয়া। কবিতা সন্ধ্যায় কবিতা পাঠ করেন ভারতীয় কবি গোলাম কিবরিয়া, অপাংশু দেবনাথ গোবিন্দ ধর, অপলে সেলেজ অর্ভীক কুমার দে ও বাংলাদেশের কবি মীর লিয়াকত আলি, দিল আফরোজ আকিক, ফেরদৌসী মাহমুদ, উম্মুল খায়ের, ঝর্ণা মনি, সৈয়দা সানজিদা শারমিন, মুনসুর রহমান, শেখ আব্দুল হক চাষী, মোস্তফা মহসিন, গোলাম কিবরিয়া, পোদ্দার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবৃত্তি শিল্পী তাপস কর্মকার। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কবিতা স্বাধীনতা রক্ষার জন্য বাতিঘরের মতো কাজ করেছে। স্বৈরাচার ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কবিদের কবিতা কখনো মাথা নত করেনি, বরং কবিরা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে কবিতা লিখে পাঠককে অনুপ্রাণিত করেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে তরুণ প্রজম্মের সকলকে কবিতা চর্চা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

না ফেরার দেশে শিল্পী শাম্মী আক্তার

জনপ্রিয় গানের শিল্পী শাম্মী আক্তার আর নেই। ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে মঙ্গলবার না ফেরার দেশে চলে যান এই কণ্ঠশিল্পী। রাজধানীর চামেলীবাগে নিজের বাড়িতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাম্মী আক্তারের মৃত্যু হয় বলে তার স্বামী আকরামুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। ‘ঢাকা শহর আইসা আমার আশা ফুরাইছে’,‘আমি যেমন আছি তেমন রব, বউ হবো না রে’, ‘ভালোবাসলে সবার সাথে ঘর বাঁধা যায় না’, - এ রকম অনেক জনপ্রিয় গানের শিল্পী ছিলেন শাম্মী আক্তার। আকরামুল ইসলাম বলেন, আজ বিকাল ৪টার দিকে শাম্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতির দিকে গেলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে।   আর

ইতিহাস সৃষ্টি করেন সংবেদনশীল লেখক: প্রণব মুখার্জি

সংবেদনশীল লেখক, সাহিত্যিক ইতিহাস সৃষ্টি করেন কোন রাজা-মহারাজারা নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। তিনি বলেন, পরীক্ষায় পাস করার জন্য অন্যদের মুখস্থ করতে হয়, পরীক্ষা হয়ে গেলে তারা ভুলে যান। কিন্তু একজন শিল্পীর ছবি, একজনের লেখা, তার কবিতা, নিজের লেখা উপন্যাস কি কখনও ভুলে যায় না। সোমবার আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলনের সমাপ্তি অধিবেশনে প্রণব মুখার্জি এসব কথা বলেন। ভারতের সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা আমাকে আমন্ত্রণ করেছেন, আপনাদের সেই আমন্ত্রণ রাখতে পেরে নিজেকে গর্বিত ধন্য মনে করছি। এরপর হয়তো  আরো কিছু কাজকর্ম হবে, কিন্তু আমার দায়িত্ব অনুযায়ী মুখ্য অতিথি হিসেবে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করছি। সবার ভালো হোক। অনুষ্ঠানে নিজের বই পড়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে প্রণব মুখার্জি বলেন, যখন রাজধানী কলকাতা থেকে কার্যালয় দিল্লী স্থানান্তরিত হয়, সে সময়ের বহু কাগজ গভর্নর জেনারেলের অফিসে নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অনেক প্রাচীন উপাদানও রয়েছে। যেগুলো পড়তে প্রায় তিনটি প্রেসিডেন্সিয়াল টার্ম লাগবে। আমি পড়তে আরম্ভ করলাম, যতটা পারা যায় পড়েছি। অনেক বই আছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তিনি বলেন, পাঠক হিসেবে এ সম্মেলনে যোগ দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সম্মেলনে গৃহীত ও আলোচিত বিষয়গুলোকে চয়ন করে দেখলাম, ঢাকা সংকল্প তৈরি হয়েছে। বর্তমান বিশ্বের মূল্যায়ন হয়েছে সঠিকভাবে। শিল্পী, সাহিত্যিক, লেখক তারা অঙ্গীকার করেছেন- পৃথিবীর এই চেহারা পরিবর্তন করতে হবে। যেখানে মানুষ হিংস্রতার শিকার হচ্ছে কোনও কারণ ছাড়া। প্রণব বলেন, গত একদশকে যে সস্ত্রাসবাদী আক্রমণ হয়েছে, তার কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তারা কী চান বোঝা যায় না। হিংস্রতা যেখানে, মানুষ সেখানে কিভাবে বাঁচবে। শুধু পরিবেশ দূষণ নয়, এরচেয়েও বড় দূষণ মানুষের চিন্তায়, ভাবনায়, মনে, কাজে। সেই দূষণের হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে হবে না, জাতিসংঘ করতে পারবে না। এটা করতে পারবে যারা শিল্পী, সাহিত্য স্রষ্টা, লেখক। গত তিন দিনের সম্মেলনে যারা অংশ নিয়েছেন, তারাই নতুন পৃথিবী তৈরি করবেন। একুশে ফেব্রুয়ারিকে সারাক্ষণ স্মরণ করার বিষয়ে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করেছে। তৎকালীণ পূর্ব বাংলা দীর্ঘ ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাতৃভাষার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের জানাই সালাম ও প্রণাম। তাদের শুধু ২১ ফেব্রুয়ারি নয়, প্রতি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। কারণ আমরা তাদের কাছে দায়বদ্ধ। আমাদের ঐতিহ্য, হাজার বছরের ভাষাকে তারা রক্ষা করেছেন, লুট হতে দেননি। বাংলাদেশের সরকার, বাংলা একাডেমি ঢাকা, নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন, ফেন্ডস অব ইন্ডিয়া সোসাইটি যাদের যৌথ উদ্যোগে সম্মেলন হলো, তাদের ধন্যবাদ।   আর

শেষ হল আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন

আজ রবিবার শেষ হল আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলন-১৪২৪ এর দ্বিতীয় দিন। রাজধানীর বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে গতকাল ১৩ জানুয়ারি শনিবার থেকে শুরু হয় তিন দিন ব্যাপী এ আয়োজনের। “বিশ্ব মানব হবি যদি কায়মনে বাঙালি হ” শিরোনামের এ আন্তর্জিতক সম্মেলনের আজকের দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে ছড়া, কবিতা-আবৃত্তি এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশ ও বিদেশের প্রায় শতাধিক ছড়াকার, আবৃত্তিকার এবং সঙ্গীত শিল্পী। বাংলা একাডেমীর রবীন্দ্র মঞ্চে পঞ্চকবির গান পরিবেশন বাংলাদেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা। এদের মধ্যে রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন বুলবুল ইসলাম, নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করে সুজীত মোস্তফা, মিলোতপল সাধ্য পরিবেশন কবি রজনীকান্ত সেনের সঙ্গীত, কবি অতুল প্রসাদ সেনের সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী শারমিন সাথী ইসলাম আর দ্বীজেন্দ্রলাল রায়ের সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রমিলা ভট্টাচার্য। অন্যদিকে বাউল মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিকার আশরাফুল ইসলাম, রনজিত রক্ষিত, রুপা ভট্টাচার্য, রেজিনা ওয়ালী, লায়লা ভট্টাচার্য, বেলায়েত হোসেনসহ ১৪জন বিশিষ্ট আবৃত্তিকার। পাশাপাশি একই মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ভারতের সঙ্গীত শিল্পী সান্তনু রায় চৌধুরী, নবনিতা রায় চৌধুরী, মান্ডবী চক্রবর্তী এবং শুভজিত। এবারের সম্মেলনে নিলিখ ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের ১৫০জন প্রতিনিধিসহ দুই শতাধিত ভারতীয় শিল্পী-সাহিত্যিক অংশ নেয়। আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি সোমবার ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এবারের সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন।   টিকে

আনিসুল হককে শ্রদ্ধা জানাবে শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রয়াত মেয়র ও বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী আনিসুল হককে স্মরণ ও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন। আগামী ১৭ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বাংলা একাডেমির মূল মিলনায়তনে এ স্মরণ সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। স্মরণ সভায় বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী, সফল ব্যক্তিত্ব, একজন সফল ব্যবসায়ী, যোগ্য নেতা, সংস্কৃতিমনা, উদার ও ক্ষণজন্মা এ মানুষটির অবদান নিয়ে আলোচনা হবে। আনিসুল হকের কীর্তিময় জীবনের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিওচিত্রও সেখানে প্রদর্শিত হবে।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবদুল হাদি, সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, ফেরদৌসী রহমান, মুস্তাফা মনোয়ার, আসাদুজ্জামান নূর এমপি, আবুল খায়ের লিটু, ফরিদুর রেজা সাগর, নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, আলি যাকের, ফয়সাল সিদ্দিকী বগি, আব্দুল মাতলুব আহমেদ, অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, মো. সিদ্দিকুর রহমান, মহাসচিব ব্যারিস্টার ওমর সাদাত।   এসি/টিকে

২৬ পেরিয়ে টইটম্বুর

২৬ পেরিয়ে ২৭ বছরের পা রাখলো শিশু কিশোরদের মাসিক পত্রিকা ‘টইটম্বুর’। এ উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর শিশু একাডেমীর প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে `টইটম্বুর মেলা` মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে টইটম্বুর পত্রিকার লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। শিশু কিশোরদের নিয়ে জম্পেশ এ আয়োজনের মধ্যে ছিল গান, নাচ, ছড়া, মিমিক্রি, কবিতা আবৃত্তি, যেমন খুশি তেমন সাজো, ফ্যাশন শো, পুতুল নাচ, কৌতুক, জাদু প্রদর্শন, যন্ত্র বাদন, বই কেনাকাটা, লেখক আড্ডা, গুণীজনদের অনুভূতি অভিজ্জতা, স্মৃতিচারণ, ফ্রি মেডিক্যাল চেকআপ ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। টইটম্বুর সম্পাদক নাওশেবা সবিহ কবিতা বলেন, ``১৯৯২ সালে জন্ম নেওয়া শিশু কিশোরদের পত্রিকা টইটম্বুর এত লম্বা সময় পাড়ি দিবে এটা সত্যি অবিশ্বাস্য ব্যাপার। শিশু কিশোর পত্রিকার বেলায় এটা কঠিন একটি কাজ। একই সাথে ঝুঁকিপূর্ণও বটে। এই পত্রিকার মাধ্যমে আমরা শিশুদের মনোজগতের স্বপ্নগুলো তুলে ধরতে পেরেছি। অনেকের লেখার হাতে খড়ি এই পত্রিকা। এটি শুধু একটি পত্রিকা নয় এর মধ্য দিয়ে অনেকগুলো ভালো কাজ হচ্ছে।” স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ও বিনোদন কণ্ঠ মাজহারুল ইসলাম বলেন, শিশুদের নিয়ে কাজ করা অত্যন্ত নিঃস্বার্থ ব্যাপার। এরকম শিশুতোষ ব্যাপারগুলো বলতে গেলে অর্থনৈতিক বিবর্জিত। শিশুদের মনোজগত তৈরিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিশুদের মনে সাংস্কৃতিক বীজ রোপন করছে `টইটম্বুর`। টইটম্বুর শুধুম একটি পত্রিকা নয়, এতে রয়েছে নানান কল্যাণমূখী কর্মসূচী। টইটম্বুর শিশু কল্যাণ তহবিল, লেখক পাঠক গড়ে তোলা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা, নেটওয়ার্কিং ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সৃজনশীল, অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশ, শিশু কিশোর গ্রাহক-পাঠক, অভিভাবক, লেখক এবং শুভানুধ্যায়ীদের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়ানো। এছাড়া শিশুদের শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলা ও তাদের মানসপটের সুকুমার বৃত্তিগুলোর বিকাশ ঘটানোর কাজ করছে টইটুম্বর। শিশু কিশোরদের নিয়ে এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী নকীব খান, চিএশিল্পী সবিহ উল আলম, কথা সাহিত্যিক আলী ইমাম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ও বেতার নাট্যশিল্পী বিজ্ঞাপনকন্ঠ মাজহারুল ইসলাম, লেখক ও চ্যানেল আই এর পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, ভাষা সৈনিক ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ, গীতিকবি শহীদুল্ল্যাহ ফরায়েজীসহ প্রমুখ। মেলায় বিভিন্ন স্টল অংশ নেয় অরবিস টুগুমগু, কিডস টাইম, সিএসএফ, অবিনশ্বর সাহিত্য পত্রিকাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মেলায় সেবা দিয়েছে। দুই`শ চার জন শিশু কিশোরের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করে ওরবিস।   কেআই/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি