ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮ ৬:০৬:২৪

সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলিতে সিক্ত তরুণরা [ভিডিও]

সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলিতে সিক্ত তরুণরা [ভিডিও]

নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি ঐতিহ্য তুলে ধরে সাংগ্রাই উৎসব পালন করছেন পাহাড়ী মারমা সম্প্রদায়। বৌদ্ধমূর্তি স্নান, জলকেলি, হাজারো মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনসহ আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে আদিবাসীরা। মারমাদের বৈচিত্রময় আয়োজন দেখতে বান্দরবানে ঢল নেমেছে হাজরো পর্যটকের। চার দিনের সাংগ্রাই উৎসব শেষ হয়েছে আজ সোমবার। নতুন বছরকে বরণে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাংগ্রাই। বান্দরবান রাজার মাঠে এবারের সবচেয়ে বড় জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুগ যুগ ধরে একে অপরের গায়ে পানি বর্ষণের মাধ্যমে পূর্বের সব গ্লানি ভুলে নতুন দিনকে বরণ করে তরুণ-তরুণীরা। রাজগুরু জাদি থেকে বৌদ্ধমুর্তি নিয়ে একটি শোভাযাত্রা শহর ঘুরে সাঙ্গু নদীর চরে চন্দ জল দিয়ে স্নান করানো হয়। জলকেলিসহ নানা বৈচিত্রময় অনুষ্ঠানে ভীড় জমিয়েছেন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক। আদি নৃত্য-গানসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পিঠা তৈরির আয়োজনও করা হয় বিভিন্ন  স্থানে। এছাড়া সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জল এবং পল্লীগুলোতে ছিলো নানা সামাজিক আচার অনুষ্ঠান। বৌদ্ধ বিহারগুলোতে সমবেত প্রার্থনা এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।      
চলছে বর্ষবরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

পহেলা বৈশাখ কেবল বাংলা বছরের প্রথম দিনই নয়, বাঙালি জাতি ও বাঙালিয়ানার সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। আবহমান বাংলার হাজার বছরের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবারও নানা আয়োজনে বরণ করা হবে ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে। সারাদেশ মেতে উঠবে উৎসব-আনন্দে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ১৯৮৫ সালে বর্ষবরণ শোভাযাত্রার সূচনা করেছিল যশোরের চারুপীঠ। আজও নতুন বছরের প্রথম সকালকে উৎসবমুখর করে তুলতে আয়োজনে ব্যস্ত এখানকার শিল্পীরা। শুধু শোভাযাত্রা নয়, যশোরে বর্ষবরণের বর্ণিল নানান আয়োজন দীর্ঘদিনের। হাতে তৈরি আমন্ত্রণপত্র বিলি করার রেওয়াজও বেশ পুরোনো। বর্ষবরণে নরসিংদী জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের রয়েছে নানা আয়োজন। বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা সফল করতে চলছে প্রস্তুতি।  নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী আরশীনগর বটমূলে বসবে সাতদিনের বৈশাখী মেলা। এরিমধ্যে মেলার প্রস্তুতি শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। প্রায় দেড় যুগ ধরে কিশোরগঞ্জে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে আসছে। সংস্কৃতিকর্মীরা ব্যস্ত আলপনা ও মুখোশ তৈরিতে। দেশজুড়ে এ উদ্যোগকে ছড়িয়ে দেওয়ার সংকল্প জানিয়েছেন আয়োজকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে তৈরি হয়েছে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং বিদ্রোহের প্রতীক ষাঁড়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়ায় ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। থাকবে লোকগান, যাত্রা, পুঁথিপাঠসহ নানা আয়োজন। একে// এসএইচ/

মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

এক দিকে চৈত্রের বিদায়, অন্যদিকে বৈশাখের আগমনী বার্তা। মানুষের মনে বাজছে, "এসো হে বৈশাখ এসো এসো"। বাঙালি বৈশাখকে বরণের জন্য চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়ে থাকে অনেক প্রস্তুতি। তারই একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা। সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করলেও এদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস খুব পুরনো নয়। বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা যোগ হয় ঢাকার সংস্কৃতিতে। পরবর্তীতে দেশের মানুষ বরণ করে নেয় একে। এখন অবশ্য ১ বৈশাখে দেশের সব জায়গায় মঙ্গল শোভাযাত্রা পালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এবারো চারুকলার শিক্ষক ছাত্র সবাই ব্যস্ত রয়েছেন শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে। আজ সকালে চারুকলা অনুষদে গিয়ে দেখা যায়, কেউ শেষ বারের মতো রং তুলি বুলিয়ে নিচ্ছেন তার শিল্পকর্মে। কেউ রঙিন কাগজ লাগাচ্ছেন। আবার কেউ মাটির ভাস্কর্যকে আরো নতুন করে ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন। কথা হয় চারুকলা ইন্সটিটিউটের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল মাহমুদের সাথে। তিনি বললেন, আমরা ছাত্র- শিক্ষক সবাই ব্যস্ত। প্রত্যেকেই কোন না কোনো কাজ করছি। জেলে, হাতি, সাইকেল, পুতুল, বক ও মাছ, মহিষ, সূর্য, মা পাখি, রাজা রানি, পুতুলসহ দশেরও অধিক পুতুল ও ভাস্কর্য নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে চারুকলা অনুষদ। চারুকলার আরেক শিক্ষার্থী শাবন্তীর সাথে কথা বলে জানা যায় গত কয়েক রাত জেগে কাজ করছেন তারা। শরীর ক্লান্ত হলেও মনে একটুও ক্লান্তি নেই। বরং বৈশাখকে বরণ করার আনন্দে মাতোয়ারা। চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায় জাতীয় পর্যায়ের কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতি কর্মী সহ সকলের উন্মুক্ত ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। নববর্ষের দিক সকাল ন`টায় মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এ শোভাযাত্রা চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়, শিশু একাডেমী দিয়ে ঘুরে টিএসসি চত্বর দিয়ে এসে আবার চারুকলায় শেষ হবে। টিকে

ঢাবির চারুকলাতে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি

আসছে বাংলার নতুন বছর ১৪২৫। নতুন বছর আগমনে পহেলা বৈশাখকে রাঙ্গায়িত করতে সাজসাজ রব উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। আর পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনে চারুকলা অনুষদে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। বর্ষবরণের মূল অনুষঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রাকে রাঙ্গায়িত করতে রঙ-তুলি নিয়ে ব্যস্তা সময় পাড় করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গল শোভাযাত্রাকে রাঙ্গায়িত করতে কর্মব্যস্ত সময় পাড় করছে শিক্ষার্থীরা । অনেককে ছবি আঁকাআঁকিতে ব্যস্ত দেখা গেছে। দেওয়ালে দেওয়ালে শোভা পাচ্ছে হরেক রঙের চিত্রকর্ম। নবীন শিক্ষার্থীরা বিভাগের বড়দের কাছ থেকে কাজ শিখে নিচ্ছে। তাঁদের সহযোগিতা করছেন। তাদের মধ্যে কেউ বাঁশ-কাঠ বাঁধছেন। কেউ কেউ কাগজ কাটছেন। চারুকলা অনুষদের গেট দিয়ে ঢুকতেই যে রংবেরঙের বড় বড় সড়া, কাগজের পাখি, মাছ, পেঁচা, বাঘের ছবি ও অন্যান্য যে চিত্রকর্ম চোখে পড়ল তা ক্রয় করছেন অনেকেই। চিত্রকর্মগুলো বিক্রি করছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, চিক্রকর্মগুলো বিক্রি করা হচ্ছে ব্যবসার জন্য নয় বরং এর মাধ্যমে মঙ্গল শোভাযাত্রার তহবিল গঠন করা হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ‘গ্রামীণ ঐতিহ্যকে আরো বেশি চাঙ্গা করার জন্য আমাদের এই আয়োজন। আমরা আশা করছি পহেলা বৈশাখকে বরণ করতে রাজধানীজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে উৎসব। শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাঝে বর্ণিলরূপে ধরা দেবে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা’। মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা শান্তির প্রতিক হিসেবে গ্রামীণ জীবনের বর্ণিল উপকরণের সাথে মিল রেখে তৈরি করছি পাখি ও পাখির বাচ্চা, উজ্জল সূর্য, হাতি, বক ও মাছ, মহিষসহ আরোও কিছু প্রতিকী জিনিষ যা শান্তির বার্তা বহণ করে।বর্তমান সমাজের অস্থিরতাকে শান্তির দিকে নিয়ে যেতে যা মানুষ চাইলেই তা করতে পারে’। এমএইচ/ এমজে    

যাত্রার সুদিন ফেরাতে নতুন উদ্যোগ [ভিডিও]

যাত্রা বাংলার লোকনাট্যের উল্লেখযোগ্য শাখা, বাঙালী সংস্কৃতি আর বিনোদনের অন্যতম অনুসঙ্গ। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন ও একশ্রেণীর মানুষের বিরোধীতার মুখে ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে গ্রামীণ এই শিল্প। অপশক্তির কালো মেঘ সরিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের পুণর্জাগরণে উদ্যোগ নিয়েছেন নীলফামারীর যাত্রাশিল্পীরা। গ্রামগঞ্জে পরিবারের সবাই মিলে রাতভর যাত্রা দেখার রেওয়াজ বেশ পুরনো। আশ্বিন-কার্তিক মাস থেকে শুরু করে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত গ্রাম বাংলায় যাত্রা পরিবেশনের সময়। তবে আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আর অপশক্তির ছায়ায় ক্রমেই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য এই অনুসঙ্গ। সেই রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করে যাত্রার সুদিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন নীলফামারীর কয়েকজন শিল্পী। এই উদ্যোগে দর্শকের সাড়া অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আয়োজকদের। নির্বিঘ্নে যাত্রা পরিবেশনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মালিকরা। আর যাত্রা দলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। নীলফামারীর এই শিল্পীদের হাত ধরে ফিরবে যাত্রা শিল্পের সুদিন- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।   ভিডিও:

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ ‘অজ্ঞাতনামা’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬ এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। ৫ এপ্রিল এক গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়। এবারের চূড়ান্ত তালিকায় সর্বোচ্চ ৭টি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘আয়নাবাজি’। এরপর নাদের চৌধুরীর ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’ ৪টি, তৌকীর আহমেদের ‘অজ্ঞাতনামা’ ও গৌতম ঘোষের ‘শঙ্খচিল’ পেয়েছে ৩টি করে পুরস্কার। এক নজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬ তালিকা:আজীবন সম্মাননা: যৌথভাবে পাচ্ছেন চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি ববিতা ও ফারুক।শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: অজ্ঞাতনামা, প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর।শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ঘ্রাণ, প্রযোজক এস এম কামরুল আহসান।শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: জন্মসাথী, প্রযোজক একাত্তর মিডিয়া লি: ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।শ্রেষ্ঠ পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: চঞ্চল চৌধুরী, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: যৌথভাবে তিশা, ছবি- অস্তিত্ব ও কুসুম শিকদার, ছবি- শঙ্খচিল।শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রাভিনেতা: যৌথভাবে আলীরাজ, ছবি- পুড়ে যায় মন ও ফজলুর রহমান বাবু, ছবি- মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রাভিনেত্রী: তানিয়া আহমেদ, কৃষ্ণপক্ষ।শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম, অজ্ঞাতনামা।শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি, শঙ্খচিল।শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: হাবিব, নিয়তি।শ্রেষ্ঠ গায়ক: ওয়াকিল আহমেদ, ছবি- দর্পণ বিসর্জন, গান- অমৃত মেঘের বারি।শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মেহের আফরোজ শাওন, ছবি- কৃষ্ণপক্ষ, গান- যদি মন কাঁদে।শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ছবি- মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান- বিধিরে ও বিধি।শ্রেষ্ঠ সুরকার- ইমন সাহা, গান- বিধিরে ও বিধি।শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: তৌকীর আহমেদ, অজ্ঞাতনামা।শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রুবাইয়াত হোসেন, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: উত্তম গুহ, শঙ্খচিল।শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: যৌথভাবে সাত্তার, নিয়তি ও ফারজানা সান, আয়নাবাজি।শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান: মানিক, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরাদের দেওয়া হচ্ছে এই পুরস্কার। বিজয়ীদের হাতে শিগগিরই ট্রফি তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমজে/  

চট্টগ্রামে চলছে চারদিনের আর্টক্যাম্প(ভিডিও)

বরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে চলছে চারদিনের আর্টক্যাম্প। নগরীর ফিনলে হিলে কসমস গ্যালারির উদ্যোগে এ ক্যাম্পে অংশ নিয়েছেন ১৩ জন শিল্পী। এই ধরণের উদ্যোগ শিল্পচর্চাকে আরো সমৃদ্ধ ও বৈচিত্রপূর্ণ করে বলে মনে করছেন শিল্পীরা। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে ফিনলে হিল। অপরূপ প্রকৃতি আর উদাসী হাওয়ার ভেতর দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা রঙ, তুলিতে ফুটিয়ে তুলছেন মূর্ত, বিমূর্ত নানান শিল্পরূপ। শিল্পী নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা। ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলছেন প্রকৃতির বর্ণময় রূপ, তার অপ্রতিরোধ্য শক্তি। দেখা আর অদেখা জগৎ, কল্পনার মিশেলে তুলে ধরেছেন পরাবাস্তবাদ। নাগরিক জীবনের ঘেরাটোপে অভ্যস্ত নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা। প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে উঠেছেন আরো ধ্যানি, তার শিল্পীসত্তা পেয়েছে নতুন মাত্রা । বরাবরের মতোই ক্যানভাসে গ্রামীন বাংলার চিত্রকল্প তুলে এনেছেন শিল্পী ফরিদা জামান। এই ক্যাম্পে এসে নিরীক্ষামূলক কাজ করার কথাও জানালেন আরেক গুণী শিল্পী অলকেশ ঘোষ। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই ক্যানভাসে সমাজিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত তুলে ধারার কথা জানান শিল্পীরা। গতানুগতিক কাজের ধারা থেকে বাইরে এসে ভিন্ন মাত্রার কাজের জন্যই এই ক্যাম্পের আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা। ছাত্র-শিক্ষকসহ বরেণ্য শিল্পীদের সাথে এই ক্যাম্পে অংশ নিয়েছেন তরুণ শিল্পীও। আর্ট ক্যাম্প চলবে বুধবার পর্যন্ত।

আজ শুরু হচ্ছে ‘সত্যেন সেন গণসঙ্গীত উৎসব’

ঢাকায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে ‘নবম সত্যেন সেন গণসংগীত উৎসব’ শুরু হচ্ছে আজ। তিন দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। উৎসবের মূল কর্মসূচি হচ্ছে ‘জাতীয় গণ সংগীত প্রতিযোগিতা’। প্রতিদিন রয়েছে আলোচনা সভা, সেমিনার, বিভিন্ন শাখা সংগঠনের শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ। এবারের উৎসবের মূল স্লোগান হচ্ছে ‘ঐক্যের সুরে বাঁধবো সাম্যের গান।’ আজ বুধবার, ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই উৎসব উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি শিল্পী গোলাম মোহাম্মদ ইদু। বিকেল চারটায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উদীচী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও গবেষক অধ্যাপক শফিউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি অধ্যাপক শফিউদ্দিন আহমেদ জানান, উৎসবে প্রতিবারের মতো রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের গণসংগীত প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা বিভাগে জাতীয় পর্যায়ের গণসংগীত প্রতিযোগিতা শুরু হবে আজ বুধবার সকাল দশটায়। তিনি জানান, উদীচী প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছর উদীচী এই আয়োজন করে আসছে। ইতিমধ্যে গণসংগীত প্রতিযোগিতা বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায়ে শেষ হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিল্পীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন। উৎসবের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অধ্যাপক শফি জানান, বিভাগীয় পর্যায়ে সাড়ে তিনশত গণ সংগীত শিল্পী অংশ নেন। এবার এই প্রতিযোগিতায় বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অসংখ্য মেধাবী শিল্পী রয়েছে এই প্রজন্মে। গণসংগীতে তাদের সহায়তার জন্যই উদীচী নবম বারের মতো এই উৎসব আয়োজন করছে। সূত্র : বাসস এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি