ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৭:৩৯

সরকারের উন্নয়ন নিয়ে জেদ্দায় আলোচনা

সরকারের উন্নয়ন নিয়ে জেদ্দায় আলোচনা

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দায় আলোচনা হলো। বুধবার  এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পদ্মা সেতু  প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়। "পদ্মা সেতু: আমাদের অর্থে আমাদের সেতু" স্লোগানকে সামনে রেখে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল "সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরাসরি প্রবাসীদের অবহিত করন" শীর্ষক বিষয়ক পাওয়া পয়েন্ট প্রজেক্টেশন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সেতু বিভাগের নির্বাহী চেয়ারম্যান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এ সেতু যথাসময়ে নির্মিত হবে। নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই সেতু দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৩ কোটি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, এ সেতু নির্মিত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্যের সুবিধা, শিল্প উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।  তিনি আরও বলেন, এই সেতু নির্মাণের পেছনে প্রবাসীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। আপনাদের পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে।  বুধবার সন্ধ্যায় কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দার, কনসাল জেনারেল এফ. এম বোরহান উদ্দিন।  কনসাল কাজী সালাউদ্দিন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন্নাহার।   এসএইচ/
কুয়েতে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটির একটি ভবনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রন যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই বাংলাদেশি। সালমিয়াত এলাকার একটি ভবনে সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারা ওই বাসার পঞ্চম তলায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া থাকতেন।নিহতরা হলেন কুয়েত সিটির সালমিয়াত এলাকার বাসিন্দা জুনেদ মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম, ছেলে ফাহাদ ও ইমাদ এবং মেয়ে জামিলা ও নামিলা। তাঁদের লাশ কুয়েতের মোবারক আল কবির হাসপাতালে রাখা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটির পঞ্চম তলায় এসি বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত। টিন শেডের বাসা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে শ্বাসরোধে তারা মারা যান। বিস্ফোরণের সময় জুনেদ মিয়া ওই ভবনের বাইরে ছিলেন।

কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতে একটি পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সালমিয়ার পাঁচগাতা এলাকার ভাড়া বাসার পঞ্চম তলায় সোমবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা দীর্ঘদিন ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। নিহতরা হলেন- কুয়েতের সালমিয়া পাঁচগাতা অঞ্চলে প্রবাসী বাংলাদেশি জুনায়েদের দুই ছেলে এমা ও ফাহাদ, দুই মেয়ে জামিলা ও নাবিলা এবং স্ত্রী রোকেয়া বেগম। তাদের বাড়ি সিলেটে। মরদেহগুলো মোবারক আল কাবির হাসপাতালে রাখা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ভবনের পঞ্চম তলায় এসি বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত। টিন শেডের বাসা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে শ্বাসরোধে তারা মারা যান। ডব্লিউএন

সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশি নিহত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি আসবাবপত্রের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই  বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিনজন। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার রাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সিভিল ডিফেন্সের  টুইটার একাউন্টে এই অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি বলে জানিয়েছেন রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সেলর সরোয়ার আলম। নিহতরা হলেন- শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার তমিজ উদ্দিন সরদারের ছেলে শহিদ সরদার (৩৫) এবং কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর থানার নজির দিঘী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সোহাগ (৩২)। রিয়াদের সিফা সানাইয়া এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে স্থানীয়রা জানায়। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং হতাহতদের অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি। ডব্লিউএন

মিরসরাই এসোসিয়েশনের বার্ষিক বনভোজন

আনন্দ-উদ্দীপনায় উৎসব মুখর পরিবেশে সৌদি আরবের জেদ্দায় চট্টগ্রাম মিরসরাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় এক হাজার প্রবাসীর অংশগ্রহণে জেদ্দাস্থ নাইফ ভিলাতে এ বনভোজনের আয়োজন করা হয়। দূর প্রবাসে কর্মব্যস্ত জীবনে একটু ভিন্ন স্বাদ নিতে এ বনভোজনে চট্টগ্রাম মিরসরাই প্রবাসী ছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা পেশার প্রবাসী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মিরসরাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান মার্শেল কবির পান্নুর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাইদের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি জেদ্দার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার শাহাবুদ্দিন, কাজী নেয়ামুল বশির, শেখ ফজলুল কবির ভিকু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, জাহাঙ্গীর ফারুক ভূঁইয়া, শামীম চৌধুরী, বনভোজনে সঙ্গীতানুষ্ঠান, কুইজ প্রতিযোগিতা, বালিশ খেলা, হাড়ি ভাঙা, কমলার কোয়া গণনা, যেমন খুশি তেমন সাজসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ রাইফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।   টিকে

জেদ্দায় প্রবাসী কাজী আমিনকে বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রবাসী কাজী আমিন আহমেদ এর স্বদেশ প্রত্যাগমন উপলক্ষে জেদ্দায় এক বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি জেদ্দা ২৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে তাকে এক বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়। কুমিল্লার সন্তান কাজী আমিন আহমেদ দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসছেন। এই দীর্ঘ প্রবাস জীবনে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। প্রবাসীদের সঙ্গে তার গড়ে উঠেছিল নিবিড় সম্পর্ক। জেদ্দাস্থ লিমার ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেদ্দাস্থ আওয়ামী পরিবারের সদস্য ছাড়াও সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, হাসেম। মানপত্র পাঠ করেন হাসান মোরশেদ মোরাদ। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ কন্সুলেট জেদ্দার কন্সাল জেনারেল এফ এম বোরহান উদ্দিন। সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন এবং আতাউর রহমান যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। সংবর্ধিত অতিথির ছিলেন কাজি আমিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম, সাদেক হোসেন, ইউনুছ চৌধুরী, শামসুল আলম বাবুল, সামির আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, জমসেদ। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমিন আহমেদকে ক্রেস্ট ও হাত ঘড়ি প্রদান করা হয়। নৈশ ভোজের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।   টিকে  

নিউইয়র্কে ২ বাংলাদেশি হামলার শিকার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে হামলার শিকার হয়েছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। কুইন্সের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকা এবং ব্রঙ্কসের ক্যাসেলহিলে ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তারা দুর্বৃত্তের কবলে পড়েন। নিউ ইয়র্ক পুলিশ জানায়, সম্ভবত তারা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিলেন। এটি জাতিগত বিদ্বেষমূলক কোনো হামলা নয়। হামলায় শিকার হওয়াদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাহ আলমের (৭২) অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। আহত অপরজন হলেন খবির উদ্দিন ভূইয়া (৫৮)। তার আঘাত মারাত্মক না হওয়ায় চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাসায় ফিরেছেন। হামলায় খবিরউদ্দিনের কাছে থেকে কোনো কিছু না নিলেও শাহ আলমের মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়েছে। এ ঘটানর পর প্রবাসী বাংলাদেশি নেতারা সন্ধ্যার পর নির্জন স্থান দিয়ে চলাচলে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ কেউ গ্রেপ্তার না হলেও অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পুলিশ। মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। পাঁচ বছর আগে অভিবাসন মর্যাদায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। আর খবির উদ্দিনের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়।   আর/টিকে  

প্যারিসের কনসার্টে ‘ফ্রেন্ডশিপ’কে তুলে ধরলেন রুনা খান

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান সম্প্রতি প্যারিসে দেড় লাখের বেশি তরুণ-তরুণীদের সামনে “ফ্রেন্ডশিপ”কে তুলে ধরেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্লেস ডে লা, কনকর্ড প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় ‘প্রিন্টেম্পস সলিডেয়ার’ র‌্যালি-কনসার্ট’। এই মেগা র‌্যালি কনসার্টটি আয়োজন করে এইডসের বিরুদ্ধে লড়াই করা ফ্রান্সের দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘সলিডারেট সিডা’। সেই কনসার্টের এক ফাঁকে কি-নোট স্পিকার হিসেবে স্টেজে আসেন রুনা খান। যার মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেণ “ফ্রেন্ডশিপ”কে। তিনি বলেন, সংহতি এবং নৈতিক পদক্ষেপ, এই দুটো জিনিস ছাড়া আমরা বাস্তবিক অর্থে এবং গভীরভাবে কোনো কিছুই সেভাবে অর্জন করা সম্ভব নয়। আমরা যা কিছুই করিনা কেন, যেভাবেই করিনা কেন সব কিছুতে নিয়মিত মূল্যবোধ চর্চা করলে, এই সংহতি ও নৈতিক পদক্ষেপ অর্জন করা সম্ভব। তিনি আরও যোগ করেন, সংহতি তখনই বাস্তবে রূপ নেয় যখন এটি আপনার দৃষ্টি ও বিশ্বাসের অংশ হয়ে ওঠে। এই সংহতি বা ঐক্যই আমাদের মানবজাতির অংশ করে তোলে। এসময় ”ফ্রেন্ডশিপ” এর কর্মকান্ডণ্ড নিয়ে সংক্ষেপে তুলে ধরেন রুনা খান। বড় পর্দায় দেখানো হয় ”ফ্রেন্ডশিপ” এর উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র।  ফ্রান্সের দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘সলিডারেট সিডা’ পরিচালিত এই আয়োজনটি ছিল  আন্তর্জাতিক সংহতির জন্য করা একটি বৃহৎ প্রচারণা অভিযানের অংশ। এবছরের শুরুর দিকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘সলিডারেট সিডা’ প্রথমবারের মত ‘প্রিন্টেম্পস সলিডেয়ার’ নিয়ে মাঠে নামে। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল সব ধরনের বিভেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা এবং ফ্রান্স সরকার যেন রাজনৈতিক এবং মিডিয়া এজেন্ডাকে পাশ কাটিয়ে উন্নয়ন ইস্যুগুলোকে সামনে নিয়ে আসে। সেই লক্ষে গত এপ্রিলে প্রথমবারের মত র্যাটলি কনসার্টের আয়োজন করে ‘সলিডারেট সিডা’। চ্যাম্পস-এলাইসিস এ হওয়া সেই র‌্যালি-কনসার্টে প্রায় ৫ লাখ তরুণ তরুণী অংশ নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা ভাগ করে সংহতিকে তুলে ধরতে মঞ্চে আসেন ৩০ জনের মত সংগীতশিল্পী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, বুদ্ধিজীবী ও সমাজকর্মীরা। আরকে/ডব্লিউএন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে সৌদি আরবের তায়েফ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাফেজ ওসমান গণি চৌধুরীর (৩৩) গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়। সোমবার রাতে তায়েফের একটি রেষ্টুরেন্ট থেকে কফি আনতে গিয়ে ফেরার পথে দ্রুতগামী একটি পাজেরো জীপ গাড়ি চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ওসমান। ওসমান রাঙ্গুনিয়ার রাজানগর ইউনিয়নের হালিমপুর গ্রামের মাহাবুব চেয়ারম্যান বাড়ির মৃত আইয়ুব আলী চৌধুরীর ছেলে। তিন ভাই ছয় বোনের মধ্যে ওসমান চতুর্থ। তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সৌদি আরবের তায়েফে প্রবাস জীবন অতিবাহিত করে আসছেন। সেখানে এক সোফার মার্কেট ওসমান বিক্রয় কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।  

মালিতে ৩ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে বিদ্রোহীদের পুঁতে রাখা বোমায়  তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। আজ রোববার সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন সার্জেন্ট আলতাফ, ইএমই (দিনাজপুর), ল্যান্স কর্পোরাল জাকিরুল, আর্টিলারি (নেত্রোকোণা) ও সৈনিক মনোয়ার, ইস্ট বেঙ্গল (বরিশাল)। রোববার বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তিরক্ষীদের সংঘর্ষের মধ্যে পুঁতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে বলে আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। আহত হয়েছেন মেজর জাদিদ, পদাতিক (ঢাকা), কর্পোরাল মহিম, পদাতিক (নোয়াখালী), সৈনিক সবুজ, পদাতিক (নওগাঁ) ও সৈনিক সরোয়ার, পদাতিক (যশোর)। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের গাঁও শহরে নেওয়া হয়েছে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, মালিতে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সময় শনিবার বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ হয়। আমাদের শান্তিরক্ষীরা সফলভাবে তাদের প্রতিহত করে। দায়িত্ব পালন শেষে রোববার ক্যাম্পে ফেরার পথে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের উপর ফের হামলা হয়। সাহসিকতা ও সফলতার সাথে তারা পুনরায় সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করে। তবে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীদের পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণে তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং চারজন আহত হন। ২০১৩ সালে মালির উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহর থেকে বিদ্রোহী জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তুয়ারেগদের হটিয়ে দেয় ফরাসি বাহিনী। এরপর ওই বছরই দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয়। মালির এই মিশন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এই মিশনের নাম ‘মিনুসমা’। ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি