ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২৪:৩৯

উত্তর কোরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ থাকছে আরও এক বছর

উত্তর কোরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ থাকছে আরও এক বছর

উত্তর কোরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরও এক বছর বৃদ্ধি করলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়াকে ‘অসাধারণ হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করে অবরোধের এই মেয়াদ বৃদ্ধি করে ট্রাম্প প্রশাসন।
‘ভেনেজুয়েলায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে নিরাপত্তা বাহিনী’

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা দাবি করেছে, ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পরেছে। সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের নামে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে দাবি জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের। সম্প্রতি মানবাধিকার কাউন্সিল ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে তাদের একটি প্রতিবেদনে জানায়, দেশটিতে বিগত তিন বছরে যুবক হত্যার সংখ্যা ‘উদ্বেগজনক’ হারে বেড়েছে। এই হত্যাকাণ্ড দেশটির তুলনামূলক অনুন্নত গ্রামগুলোতে হয়েছে। দেশটিতে বাস্তবিক অর্থে ‘আইনের শাসন’ নেই বলেও উল্লেখ করা হয় ওই প্রতিবেদনে। দেশটিতে চলমান দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের সময় এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। তবে বরাবরের মতো এসব দাবি নাকচ করেছে ভেনেজুয়েলার সরকার। সংকটের সূত্রপাত ভেনেজুয়েলায় পৃথিবীর সব থেকে বেশি পরিমাণ জ্বালানী তেল মজুদ আছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে জ্বালানী তেল থেকে হওয়া মুনাফার একটি বড় অংশ বিনিয়োগ করতেন সামাজিক উন্নয়নে। তবে তার উত্তরসূরী ছোট ভাই এবং দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর কর্তৃত্ববাদী শাসননীতির কারণে ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক অবস্থা এখন বেশ নাজুক। এমন অবস্থায় ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্য ঘাটতির ক্ষোভে সরকার বিরোধী আন্দোলনে শুধু গত ২০১৭ সালেই ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। জাতিসংঘ বলছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ২০১৫ সালের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচশোর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আর এসব হত্যাকাণ্ড বৈধ করতে গুলি বিনিময় হওয়ার প্রেক্ষাপট ‘সাজানো’ হয়েছে বলেও জানায় জাতিসংঘ। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পায়নি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। তবে সংস্থাটি বলছে, ভেনেজুয়েলার ভিতরে ও বাইরে থাকা প্রায় দেড়শ ভুক্তভোগী ইন্টারনেটে যোগাযোগ করে কাউন্সিলের সঙ্গে। এছাড়াও জেনেভায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা ভেনেজুয়েলা থেকে বহিষ্কৃত হওয়া বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী সরাসরি সাক্ষাৎকার দেন কাউন্সিলের কাছে। এদের মধ্যে দেশটির সাবেক অ্যাটর্নী জেনারেল লুইসা ওরতেগাও আছেন। গত বছর মাদুরো তাকে অপসারণ করেন এবং দেশ থেকে বহিষ্কার করেন। তবে এতকিছুর মধ্যেই গত মে মাসে দেশটিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মাদুরো। কিন্তু এই নির্বাচনে অংশ নেয়নি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী দলগুলো। সূত্রঃ বিবিসি //এস এইচ এস//

ব্রেক্সিট ইস্যুতে এয়ারবাসের মতো বিএমডব্লিউ’র সতর্কতা

ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে বিএমডব্লিউ। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মোটরযান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ উড়োজাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মতো সতর্ক করেছে যে, ব্রেক্সিটের ফলে ব্রিটেনের অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে ধস নামতে পারে। এমনকি যুক্তরাজ্য থেকে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে বিএমডব্লিউ। বিএমডব্লিউ এর যুক্তরাজ্য শাখার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইয়ান রবার্টসন চলতি গ্রীষ্মের শেষের আগে সবকিছু পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যে মিনি এবং রোলস রয়েস গাড়ি তৈরি করে। এছাড়াও যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে আট হাজার ব্রিটিশ কর্মী কর্মরত আছে। এদিকে এয়ারবাস সম্প্রতি জানিয়েছে যে, ব্রিটেন যদি ব্রেক্সিট থেকে বের হওয়ার সময় একক মার্কেট এবং সংযুক্ত কাস্টমস থেকে বের হয়ে আসে তাহলে তারাও দেশটিতে নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিবে। যুক্তরাজ্যে এয়ারবাসে প্রায় ১৪ হাজার কর্মী নিয়োজিত আছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত কাস্টমস নীতি থাকার ফলে ইউভুক্ত ২৮টি দেশ নিজেদের মধ্যে পণ্য আমদানি রফতানির সময় বিনাশুল্ক সুবিধা ভোগ করে। এছাড়াও ইইউ এর বাইরের পণ্যের জন্যও ইইউ এর পণ্যের মতোই কর দেওয়ার সুযোগও আছে এই পদ্ধতিতে। আর এই সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হতে চাচ্ছে না এয়ারবাস এবং বিএমডব্লিউ এর মতো প্রতিষ্ঠান। এয়ারবাসের যুক্তরাজ্য শাখার মুখপাত্র ক্যাথেরিন বেনেট বিবিসিকে বলেন, ‘এটা প্রজেক্ট নিয়ে কোনও ভয় না। এটা বাস্তবতা বুঝতে পারা। অবস্থা যেমন হবে আমাদের সিদ্ধান্তও সেভাবে নিতে হবে’। আর বিএমডব্লিউ এর রবার্টসন বলেন, ‘আমাদের জানতে হবে যে, সরকার কী চায়। আমরা যদি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কোনও ধরণের নিশ্চয়তা না পাই তাহলে আমাদেরকে সংকট উত্তরণের জন্য পরিকল্পনা শুরু করতে হবে। এর মানে হচ্ছে যে, ব্রিটেন তাদের বর্তমান শক্ত বাজার হারাবে; দুর্বল হয়ে পরবে’। তবে ইইউ থেকে বের হয়ে গেলেও সংযুক্ত কাস্টমসে ব্রিটেন থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ ইইউ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে আসবে ব্রিটেন। সূত্র: বিবিসি //এস এইচ এস//     

গোপনে কেন সন্তান জন্ম দিলেন বেনজির ভুট্টো 

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালিন অবস্থায় যে কজন নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন তাদের মধ্যে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো অন্যতম। তৎকালিন সময়ে বিশ্বের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন।   সম্প্রতি সরকারি একটি হাসপাতালে নিজের প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডান। তবে মাস ছয়েক আগে জাসিন্ডা জানিয়ে দেন যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তার দায়িত্বও হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু বেনজির তার সন্তান জন্ম নেওয়ার পুরো বিষয়টাই গোপন রেখেছিলেন। মন্ত্রিপরিষদের কোনো সদস্যই নাকি জানতেন না যে প্রধানমন্ত্রী সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন।   জাসিন্ডা আরডানের সন্তান জন্মের খবর প্রকাশ হওয়ার পর এক টুইট করেন বেনজিরের সেই সন্তান বখতাওয়ার ভুট্টো জারদারি। তিনি লিখেন, বেনজির ভুট্টো দেখিয়েছিলেন যে আপনি একই সঙ্গে মা হতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীও থাকতে পারেন। কিন্ত কেন বেনজির ভুট্টো সন্তান জন্মের বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, পাকিস্তানের তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির চাপেই বেনজির তার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। বখতাওয়ারের জন্মের সময় পাক সেনাসমর্থিত একটি রাজনৈতিক জোট সরকারকে ঘিরে ধরেছিল।  সেই সময় তিনি মাতৃত্বকালীন কোনো ছুটিও নেননি। তার ব্যক্তিগত গাইনোকলজিস্ট তার অপারেশন করেছিল এবং সন্তান জন্মের পর ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তিনি দ্রুত কাজে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে বেনজির ভুট্টো বলেছিলেন, পরের দিন আমি কাজে ফিরেছিলাম। সরকারি কাগজপত্র পড়েছিলাম এবং সরকারি ফাইলে স্বাক্ষরও করেছিলাম। সূত্র: বিবিসি   এমএইচ/এসি  

ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড

ইন্দোনেশিয়ার এক ধর্মীয় নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দণ্ডিত করা হয়েছে। ২০০৬ সালে দেশটির রাজধানী জাকার্তার একটি রেস্টুরেন্টে আত্মঘাতী হামলা চালানোর দায়ে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আইএসআইএল জঙ্গিরা ওই ক্যাফেতে হামলা চালায়। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আমান আব্দুররহমান। পুলিশ ও মামলার প্রসিকিউটররা জানিয়েছে, আমান আইএসআইএল’র এক সক্রিয় কর্মী। ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। বিচার চলাকালে আদালত প্রাঙ্গনে আদা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রাখে। এদিকে গতমাসেও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সারাবায়াতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই হামলায় অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। সূত্র: বিবিসিএমজে/

মাকে তালাবন্দি করে শ্বশুরবাড়ির দাওয়াতে ছেলে-পুত্রবধূ!

খাবার বলতে এক বোতল পানি আর চারখানা বিস্কুট। দরজা-জানালা যেভাবে বন্ধ, তাতে কারও দৃষ্টি তো দূর, আলো-বাতাসও ঢুকতে পারবে না। আশি বছরের বৃদ্ধা মাকে তিন দিনের জন্য ওই অবস্থায় রেখে জামাইষষ্ঠীতে দাওয়াত খেতে বউকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলেন ছেলে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার দমদমের বেদিয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করার পরে সব শুনে স্তম্ভিত দমদমের বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দারা। দক্ষিণ রবীন্দ্রনগরের ক্ষুদিরাম সরণিতে তিন কাঠা জমির উপরে নিজের বাড়ি ছিল বৃদ্ধা শোভারানি দাসের। ওই বাড়িতে প্রোমোটিং হওয়ায় ছোট ছেলে ভবনাথ দাস ও বউ শ্যামলী দাসের সঙ্গে বেদিয়াপাড়ার আর এন ঠাকুর রোডের একটি বাড়ির একতলায় ভাড়া থাকেন তিনি। প্রতিবেশী এক মহিলা জানান, গত তিন দিন ধরে মাঝেমধ্যেই দরজা-জানলায় ধাক্কা মারার আওয়াজ পাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু সেই আওয়াজ যে পাশের বাড়ির বৃদ্ধা করছেন, তা প্রথমে বুঝতে পারেননি কেউ। বুঝবেনই বা কী করে! অভিযোগ, বাড়িতে মায়ের অস্তিত্ব যাতে পাড়া প্রতিবেশী টের না পায়, তার জন্য বন্দোবস্তের কোনও কসুর রাখেননি ছেলে-বউ। সদর দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝোলানো। শোভারানি যাতে জানালা খুলতে না পারেন, তার জন্য ভিতরের একটি জানালা ছিটকিনির পাশাপাশি চেন-তালা দিয়ে লাগানো ছিল। আর একটি জানালা কাঠের বিম দিয়ে সিল করে দিয়েছিলেন পেশায় অটোচালক ভবনাথ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বৃদ্ধার কান্নার আওয়াজ শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন প্রতিবেশীরা। চেন-তালা লাগানো জানালার পাল্লা কোনও মতে সরিয়ে ঘরের ভিতরে বৃদ্ধাকে তারা দেখতে পান। এর পর তারাই দরজার তালা ভেঙে শোভারানিকে উদ্ধার করেন। রাত ১০টার দিকে দমদম পুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিছানায় বসে বৃদ্ধা বলেন, ‘যখন শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, ছেলেকে বললাম, চার দিন ধরে ভাত খাইনি, একটু ভাত দিয়ে যা। ভাত ছিল না। তখন বললাম একটু মুড়ি দিতে। চোখে তো দেখতে পাই না। একটু পরে বুঝলাম, মুড়িও নেই। শুধু এক বোতল পানি আর চারটে বিস্কুট দিয়ে গেছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা শিখা রায় বললেন, ‘যাতে শৌচাগারে যেতে না হয়, তার জন্য সোম ও মঙ্গলবারের ওই অস্বাভাবিক গরমেও মাত্র এক বোতল পানি দিয়ে গিয়েছিল। নিজের মায়ের সঙ্গে কেউ এমন ব্যবহারও করতে পারে!’ স্থানীয় বাসিন্দাদের রোষের মুখে ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন ভব ও তার স্ত্রী। তবে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে যুক্তি দিতে ছাড়েননি তারা। ছেলের বক্তব্য, ‘জানালা খোলা থাকলে মা মলত্যাগ করে কাগজে মুড়ে বাইরে ছোড়েন। তাই মাকে নিয়ে প্রতিবেশীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেই জন্যই ওইভাবে রেখে গিয়েছিলাম।’ বৃদ্ধা মাকে দেখাশোনার জন্য লোকও তো রাখা যেত? বউয়ের জবাব, ‘আমাদের সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই।’ যদিও তা মানতে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, তিন কাঠা জমির উপরে প্রোমোটিং হচ্ছে। টাকার তো অভাব হওয়ার কথা নয়। এ বিষয়ে শোভারানির দুই ছেলে দায়িত্বের ভার একে অপরের কোর্টে ঠেলেছেন। ছোট ছেলের যুক্তি, পাঁচতলা বাড়ি উঠলেও তারা মাকে তার ভাগের টাকা দেননি। কারণ মায়ের দায়িত্ব তো তাদেরই নিতে হবে। তার দাবি, বাড়ির প্রোমোটিং সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় দেখছেন দাদা জগন্নাথ দাস। সেই দাদার বক্তব্য, ‘মায়ের দায়িত্ব নেবে বলেই তো ভাই তার ভাগে ১০০ বর্গফুট জায়গা বেশি পেয়েছে। আমি বাবার চিকিৎসা ও দেখাশোনার ভার নিয়েছিলাম।’ তার অভিযোগ, মায়ের খোঁজ নিতে গেলে ভবনাথের স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে দিতেন না। উল্টো মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য শুরু হয়ে যেত অশান্তি। দুই ছেলে যখন মায়ের দায়িত্ব কার বেশি, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে ব্যস্ত, তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মা বলছেন, ‘আমার ছেলের কোনও দোষ নেই। ভালই যত্নআত্তি করে!’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

আগামী সপ্তাহে ভারত আসছেন মার্কিন দূত নিক্কি হ্যালি

জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি নিক্কি হ্যালি আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থাভাজন সহকারীদের একজন। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র দফতর, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়াও ২৭ জুন একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন হ্যালি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে তার। হ্যালি এমন সময় ভারত সফরে আসছেন, যখন দুটো বড় ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ইস্যু দুটি হল- ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা এবং রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা। সূত্র জানিয়েছে, আগের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই দ্বিপক্ষীয় সফর হচ্ছে। আগামী ৬ জুলাই ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের যে ২+২ আলোচনার কথা রয়েছে, তারই প্রস্তুতি হিসেবে এ সফর হচ্ছে। জানা গেছে, হ্যালির সফরে বৈশ্বিক ইস্যুগুলো উঠে আসবে এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় জেসিপিওএ থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের বেরিয়ে আসার বিষয়টিও আলোচিত হবে। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একে//

বেনজির ভুট্টোর ‘গোপনে’ সন্তান জন্ম দেওয়ার দিনগুলো

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন। তিনি হচ্ছেন দ্বিতীয় সরকার প্রধান, যিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সন্তানের মা হলেন। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসছেন পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর নাম, যিনি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। এখানে কিছু কাকতালীয় বিষয় রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন যেদিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, অর্থাৎ ২১ শে জুন তারিখ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোরও জন্মদিন। ৬৫ বছর আগে এ দিনটিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বেনজির ভুট্টো। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ৩৭ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বেনজির ভুট্টোও ৩৭ বছর বয়সে অর্থাৎ ১৯৯০ সালে তার কন্যা বখতাওয়ার ভুট্টো জারদারিকে জন্ম দিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় বখতাওয়ার ভুট্টো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বখতাওয়ার ভুট্টো জারদারি তার টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘বেনজির ভুট্টো দেখিয়েছিলেন যে আপনি একই সঙ্গে মা হতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীও থাকতে পারেন।’ বেনজির ভুট্টো যখন তার কন্যা বখতাওয়ার ভুট্টোর জন্ম দিয়েছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি এক বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় অতিবাহিত করেছিলেন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন ক্ষমতায় আসার এক বছর এখনো পূর্ণ হয়নি। আর্ডার্নের সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার ছয় মাস আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি সন্তানসম্ভবা। তিনি এরই মধ্যে ছয় সপ্তাহের মাতৃত্ব-কালীন ছুটি নিয়েছেন এবং তার সহকারীর কাছে সাময়িক সময়ের জন্য দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। কিন্তু বেনজির ভুট্টো তার গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টিকে গোপন রেখেছিলেন এবং ডাক্তারের পরামর্শে দ্রুত কাজে ফিরে আসেন। ভুট্টোর সন্তানসম্ভবা হওয়ার বিষয়টি শুধু যে দেশবাসীর কাছে গোপন রাখা হয়েছিল তা নয়, এমনকি তার মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরাও এ বিষয়ে কিছু জানতেন না। বেনজির ভুট্টোর মন্ত্রী পরিষদের এক সদস্য জাবেদ জব্বার পরবর্তীতে বিবিসিকে বলেছিলেন, ‘আমাদের মন্ত্রী পরিষদের কোনও সদস্যই জানতেন না যে প্রধানমন্ত্রী সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন।’ ‘এবং আকস্মিকভাবে আমরা জানতে পরলাম যে তিনি শুধু গণতন্ত্রের জন্ম দেননি, একই সঙ্গে তিনি সন্তানেরও জন্ম দিয়েছেন।’ বেনজির ভুট্টো সে সময় উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভেতরে ছিলেন। যখন বখতাওয়ারের জন্ম হয় সে সময় সেনা-সমর্থিত একটি ডানপন্থী রাজনৈতিক জোট সরকারকে ঘিরে ধরেছিল। তিনি তখন একটি অনাস্থা ভোটে টিকে গিয়েছিলেন। এ অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে বেনজির ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সে সময় পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা বা আইএসআই তার দল থেকে অর্থের বিনিময়ে সংসদ সদস্যদের ভাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য প্রেসিডেন্টের যে একক কর্তৃত্ব ছিল সেটিকে বাতিল করার জন্য সংগ্রাম করছিলেন বেনজির ভুট্টো। কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত সফল হননি। সেজন্য বেনজির যখন সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন তখন তিনি বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করেননি এবং মাতৃত্ব-কালীন কোনও ছুটিও নেননি। বেনজির ভুট্টোর ব্যক্তিগত গাইনোকলজিস্ট তার অপারেশন করেছিল এবং সন্তান জন্মের পর ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তিনি দ্রুত কাজে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বেনজির ভুট্টো সে সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘পরদিন আমি কাজে ফিরেছিলাম। সরকারি কাগজপত্র পড়েছি এবং সরকারি ফাইলে স্বাক্ষর দিয়েছি,’ ‘পরে আমি জানতে পারলাম যে ইতিহাসে আমিই হচ্ছি একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়েছে।’ বেনজির ভুট্টো বলেছিলেন যে তার সন্তান জন্মদানের বিষয়টি তখন নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। কারণ এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, একজন নারী নেতৃত্বের সর্বোচ্চ অবস্থানে থেকে এবং নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সে সন্তানের জন্ম যেমন দিতে পারে তেমনি কাজও করতে পারে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে যত অনিশ্চয়তা এবং বিপদ আছে সেটি নিউজিল্যান্ডের রাজনীতিতে নেই। বখতাওয়ারকে জন্মদানের কয়েকমাস পরে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট গুলাম ইসহাক খান বেনজির ভুট্টোর সরকারকে বরখাস্ত করেছিল। এরপর একটি কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে বেনজির ভুট্টোর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে। তৎকালীন বিরোধী নেতা সৈয়দা আবিদা হুসাইন মিস ভুট্টোকে `লোভী` হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বেনজির ভুট্টো দেশের সেবা না করে বরং `মাতৃত্ব, পরিবার এবং গ্ল্যামারের` দিকে বেশি মনোযোগী ছিলেন। বেনজিরের অপর দুই সন্তানের জন্মও একইভাবে গোপনীয়তার ভেতর দিয়ে হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে সামরিক শাসক জেনারেল জিয়া সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং সে বছর নভেম্বর মাসে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। বেনজির ভুট্টো তখন সন্তানসম্ভবা ছিলেন এবং তার গর্ভে তখন ছিল বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। একটা কথা ব্যাপকভাবে প্রচলিত রয়েছে যে গোয়েন্দা রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে জেনারেল জিয়া নভেম্বর মাসের শেষ দিকে নির্বাচন ঘোষণা করেছিলেন। কারণ গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে নভেম্বর মাসে বেনজিরের সন্তান জন্ম দানের সময় ঘনিয়ে আসবে এবং সে জন্য তিনি ভালোমতো নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন না। কিন্তু বিলাওয়ালের জন্মের খবর আসে সেপ্টেম্বর মাসে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় তখন সেটি গতির সঞ্চার করে। বলা হয়ে থাকে, বেনজির ভুট্টো ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানের জন্মদানের সময় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রচার করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি একে//  

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিক্সনের বিরোধীতার ৭ কারণ

মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র যে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, সে কথা কম-বেশি সবারই জানা। সে সময় বাংলাদেশের সহায়তায় এগিয়ে আসার ফলে ভারতের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়ানোর পরিকল্পনা ছিল নিক্সন প্রশাসনের। ওই সময় জেনারেল ইয়াহিয়া খান ও তার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো কটূক্তি শুনতে চাইতেন না যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন। পশ্চিম পাকিস্তানের মিত্র হিসেবে তখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ভূমিকার বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালিন  প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন যেসব যুক্তি দাঁড় করিয়েছিলেন তার কিছু গোপন নথি অবমুক্ত করা হয়েছে। পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে। ওই সময় ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ক্লেমেন্টসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী এইসাকু সাতোর সঙ্গে এক বৈঠকে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন নিক্সন। তার যুক্তিগুলো পাঠকদের জন্য সংখ্যা আকারে প্রকাশ করো হলো। ১) যুদ্ধে ভারতীয় সামরিক হস্তক্ষেপ একটি ‘বাজে নজির’ স্থাপন করবে এবং ছোট দেশগুলোর ভবিষ্যত ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে ধারণা করতেন নিক্সন। ২) তিনি এটিকে সামরিক শাসনে থাকা ছয় কোটি মানুষের ছোট দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬০ কোটি মানুষের বড় দেশ ভারতের গণতান্ত্রিক সরকারের সামরিক পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ৩) সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন নিয়ে ভারত যদি প্রতিবেশী কোনো দেশে আগ্রাসন চালায়, বিশ্বের সব ছোট দেশের ভবিষ্যতই হুমকির মুখে পড়বে বলে তিনি ধারণা করেন। ৪) বৈঠকে জাপান সরকার ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ত্রাণ সয়ায়তায় আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু শরণার্থীদের জরুরি সহায়তার বিষয়ে তার প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি ‘ইতিবাচক’ হলেও ওই সহায়তা যুদ্ধের খরচ যোগাতে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কায় তাতে আপত্তি জানিয়েছে কংগ্রেস। ৫) বাংলাদেশে যেহেতু ‘নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করার মত স্থায়ী’ একটি সরকার তখনো চালু করতে পারেনি। তাই তিনি মনে করেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আরও সময় নেওয়া উচিৎ। ৬) রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা নারীরা বিপজ্জনক বলে মনে করেন নিক্সন। ভারত ও ইসরায়েল দুই দেশই নারীর নেতৃত্বে যুদ্ধে জড়িয়েছে। ৭) জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বৈঠকে নিক্সন একটি রাজনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন। সেখানে শরণার্থীদের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ত্রাণ সহায়তা এবং ইয়াহিয়া খানকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর কথা ছিল। কিন্তু ভারত সে সময় ‘নিজেদের স্বার্থকেই’ গুরুত্ব দেয়।    উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট নিক্সন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। নিজের দেশের আইন লংঘন হবে জেনেও সাড়ে চার দশক আগে তিনি যে মুক্তিকামী বাঙালিদের দমনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সমরাস্ত্র যুগিয়েছিলেন, তা পাঁচ বছর আগে প্রকাশিত ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড’ বইয়ে উঠে আসে।   এমএইচ/ এসএইচ      

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি