ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৫:২২

হাইতিতে অক্সফাম অফিসে তালা

হাইতিতে অক্সফাম অফিসে তালা

শীর্ষ কর্মকর্তার যৌন কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশের পর হাইতি সরকার দেশটিতে যুক্তরাজ্যের দাতব্য সংস্থা অক্সফামের সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তদন্তকার্যক্রমে ওই কর্মকর্তারা দোষী সাব্যস্ত হলে সারাজীবনের জন্য দেশটিতে অক্সফামের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাইতির কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার হাইতির পরিকল্পনা ও বৈদেশিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী এভিওল ফ্লুরান্ত বলেন, তদন্ত কার্যক্রমের জন্য দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে। অক্সফামের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণীত হলে শিগগরিই দেশটিতে অক্সফামের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর তদন্ত চলাকালে অক্সফামের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এসময় তিনি আরও বলেন, “তদন্তের জন্য এই দুই মাস সময় নেওয়া হয়েছে। তদন্তে যদি হাইতিতে ত্রাণের নামে অক্সফাম যে অনুদান পেয়েছে তার সঙ্গে তাদের কর্মীরা যে অপরাধ করেছে তার যোগসূত্র পাওয়া যায় তবে আমরা ঘোষণা করছি…অক্সফাম কর্মীদের হাইতিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হবে এবং অনতিবিলম্বে তাদের এখান থেকে চলে যেতে হবে।” ব্রিটিশ দৈনিক টাইমস এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অক্সফাম কর্তৃপক্ষের এ কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার তথ্যও বেরিয়ে আসে। এদিকে গত মঙ্গলবার অক্সফামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক গোল্ড্রিং এবং ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ক্যারোলিন থমসনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন হাউজ অব কমন্সের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কমিটির আইনপ্রণেতারা। এরইমধ্যে হাইতি সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে সংস্থাটি। সূত্র: রয়টার্সএমজে/
মানবাধিকারের তোয়াক্কা করছেন না বাঘা বাঘা নেতারা

বিশ্বের বাঘা বাঘা নেতারা মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও, কর্মকাণ্ডে মানবাধিকারের ধার ধারছেন না। শুধু তাই নয়, ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত ও পাকাপোক্ত করতে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করতেও পিছপা হচ্ছেন ক্ষমতাধর এসব নেতা। আর কুখ্যাত শাসকদের এ তালিকায় আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পর্যন্ত। মানবাধিকারের কথা বলে এনজিওগুলোর মাধ্যমে বিশ্বব্যপী প্রভাব বিস্তার করে আসা ওইসব ক্ষমতাধর দেশের নেতারা নিজেরাই মানবাধিকারের তোয়াক্কা করছেন না। গত বৃহস্পতিবার অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে আসে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করেছেন তারা। কিন্তু মানবাধিকার মাড়িয়ে তাদের পদক্ষেপকে জনরোষের মাধ্যমে পিষিয়ে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। লন্ডনভিত্তিক সংস্থাটি বলছে, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন মানবাধিকারের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসর, ফিলিপাইন ও ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্প, পুতিন ও শি জিনপিংকে এক তালিকায় রেখেছে অ্যামনেস্টি। সংস্থাটির প্রধান সলিল শেঠি বলেন, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি, ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনা প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিং ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন লাখ লাখ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন। সূত্র: বিবিসিএমজে/

পাকিস্তানে প্রথম সংখ্যালঘু নারী সিনেটর কৃষ্ণাকুমারী

পাকিস্তানে প্রথমবারের মতো সিনেটর পদের জন্য লড়তে যাচ্ছেন সংখ্যালঘু দলিত হিন্দু নারী কৃষ্ণাকুমারী কোহলি। দেশটির সিন্ধু প্রদেশ থেকে সংখ্যালঘু সিনেটরের আসনে পিপিপির হয়ে দাঁড়াচ্ছেন ৩৯ বছর বয়সী এই নারী। ইতিমধ্যেই কোলহির সমস্ত কাগজপত্র গ্রহণ করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩ মার্চ সিনেটর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। ২০০৯ সালে পাকিস্তানের প্রথম দলিত সিনেটর হন পিপিপি নির্বাচিত খটুমল জীবন। ২০১৫ সালে ফের দলিত সিনেটর হয়েছিলেন গিয়ানচাঁদ নামে এক ব্যক্তি। তবে কৃষ্ণাকুমারীই প্রথম নারী দলিত, যিনি সিনেটর হতে চলেছেন। সিন্ধু প্রদেশের থার এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণাকুমারী সিনেটর হিসেবে জিতলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশটিতে তিনিই হবেন প্রথম কোনো হিন্দু নারী সিনেটর। গরিব পরিবারে জন্ম নেওয়া কৃষ্ণাকুমারী নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় তার। তবে পড়াশোনা থামাননি। ২০১৩ সালে সিন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্বে স্নাতকোত্তর পাশ করে সমাজকর্মী হিসেবে পিপিপিতে যোগ দেন। কৃষ্ণাকুমারীর ভাই স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কৃষ্ণাকুমারী থার ও তার আশেপাশের দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকারের জন্য কাজ করেন। তার প্রপিতামহ রূপলু কোহলি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। একে//এসএইচ/  

দুই সপ্তাহ পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন শুরু: মিয়ানমার

মিয়ানমারের কাছে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের যে তালিকা দিয়েছে, তা যাচাই বাছাই করতে অন্তত দু সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার। আর যাচাই বাছাই শেষেই প্রকৃত ‘দেশপালানো’দের দেশটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াত। এদিকে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হতে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলেও জানান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ওই ব্যক্তি। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হলে স্থল ও নৌরুটে প্রতিদিন ৩০০ উদ্বাস্তুকে নিতে প্রস্তুত মিয়ানমার। দেশটির অভিবাসন বিভাগ জানায়, বাংলাদেশের দেয়া তালিকা প্রথমে যাচাই করবে দেশটির স্বরাষ্ট্রবিষয়ক কর্তৃপক্ষ। এরপর অভিবাসনবিষয়ক কর্মকর্তারা তালিকার সঙ্গে দেয়া ডকুমেন্ট পরখ করে দেখবেন। মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াত আরও বলেন যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত দেশ পালানোদের তালিকা বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দিবো। এরপরই সরকার সবুজ সংকেত দিলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে। জানা গেছে, মিয়ানমার সরকারের কর্তাদের দাবি, যেসব রোহিঙ্গার সঙ্গে ডকুমেন্ট আছে (কাগজপত্র আছে), কেবল তাঁদেরই দেশটিতে ফেরত নেওয়া হবে। তবে রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, তাঁদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ায় কেবল জীবন নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তারা। তাই প্রয়োজনীয় কোন কাগজপত্র তাদের বেশিরভাগের সঙ্গেই নেই। উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টের শেষে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিধনযজ্ঞ শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপর দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী গত ২৩ জানুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। সূত্র: মিয়ানমার টাইমসএমজে/

নওয়াজ-মোদির গোপন বৈঠক!

পাকিস্তান মুসলিম লীগের- নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেতা নওয়াজ শরিফ নিজেকে রক্ষা করার জন্য ‘বিদেশি শক্তি’কে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ দেশটির রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রধান ইমরান খানের। বৃহস্পতিবার লাহোরে এক সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন। ইমরান খান বলেন, সেনাবাহিনীর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য নওয়াজ শরিফ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদচ্যুত নওয়াজ শরিফ দলীয় প্রধানের পদেও থাকতে পারবেন না বলে পাকিস্তানের আদালত আদেশ জারির একদিন পর বৃহস্পতিবার ইমরান খান এ অভিযোগ আনলেন। এর আগে নওয়াজ শরিফকে দলীয় প্রধানের পদ থেকেও সরিয়ে দিতে দেশটির বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ বুধবার নওয়াজকে দলীয় প্রধানের পদেও অযোগ্য ঘোষণা করে। নওয়াজকে দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দিতে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। আদালতের এ রায়কে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে আনন্দ উৎসব করার ঘোষণা দিয়েছে পিটিআই। ২০১৫ সালে পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নওয়াজের পরিবারের দুর্নীতির বিষয়টি উঠে আসে। এরপরেই নওয়াজ এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। তবে কোনো ধরনের দুর্নীতির কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছিলেন নওয়াজ শরিফ। পরে গত বছরের ২৮ জুলাই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে নওয়াজ শরিফকে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্য ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তথ্যসূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এসএইচ/

বিনোদনে শত শত কোটি ডলার ব্যায় করছে সৌদি

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে আগামী দশকে দেশটির বিনোদন শিল্পে প্রায় সাড়ে ছ’শ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৌদির জেনারেল এন্টারটেইন অথরিটির প্রধান আহমেদ বিন আকিব আল-খাতিব জানিয়েছেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাত থেকেই আসবে। আল-খাতিব বলছেন, "ইনশাল্লাহ্, ২০২০ সালের মধ্যেই আপনারা দেখতে পাবেন সৌদি আরবে সত্যিকারের পরিবর্তন ঘটে গেছে।" সৌদি আরবের তরুণ যুবরাজ যে ভিশন-২০৩০ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন, তার আওতায় ইতোমধ্যে সৌদি আরবে সিনেমা হল চালু হয়েছে। আয়োজন করা হচ্ছে কনসার্টেরও। রাজধানী রিয়াদে এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ধাঁচে একটি অপেরা হাউস নির্মাণেরও কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছর সৌদি আরব জুড়ে পঞ্চাশটি শহরে পাঁচ হাজারেরও বেশি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি সৌদিতে যে জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে, তাতেও এই প্রথমবারের মতো নারী-পুরুষ উভয়েই অংশ নিয়েছিলেন। রাজপথে ইলেকট্রনিক মিউজিকের তালে তালে সৌদির ছেলে-মেয়েরা সেদিন একসাথে নেচেছিলেন। এমন দৃশ্য সেখানে আগে কখনও দেখা যায়নি। সূত্র: বিবিসি বাংলা এমএইচ/টিকে

হ্যারি-মেগানকে সাদা পাউডারের চিঠি

ব্রিটেনের যুবরাজ হ্যারি ও তার বাগদত্তা মেগান মার্কেলকে দুষ্কৃতিকারীরা খামে ভরে `অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর মতো সাদা পাউডার` পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের মিডিয়া। চিঠিটি হ্যারি বা মেগানের হাতে পৌঁছনোর আগেই সনাক্ত করে সরিয়ে ফেলেন হ্যারির আবাসস্থল কেন্সিংটন প্যালেসের কর্মকর্তারা। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে চিঠিটি পাওয়ার পর কেন্সিংটন প্যালেসের কর্মচারীরা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজমকে খবর দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যদেরকে অ্যানথ্রাক্সের হুমকির খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড। ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্টে বলা হয়, পাউডারটি পরীক্ষা করে ক্ষতিকর কিছু পায়নি পুলিশ। হ্যারি ও মেগানকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি মেগান ও হ্যারি সর্বশেষ এডিনবার্গে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। ওই সপ্তাহেই ওয়েস্টমিনিস্টার প্যালেসে একই রকমভাবে সাদা পাউডার পাঠায় অজ্ঞাত পরিচয় প্রেরক। চিঠিগুলো কারা পাঠিয়েছে এবং তাদের মধ্যে যোগসূত্র আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখছে গোয়েন্দারা। দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আগে ব্রিটেনের কয়েকটি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে একই রকম অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর মতো সাদা পাউডার পাঠানো হয়েছিল বলে জানা যায়। দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। এসএইচ/

দলীয় প্রধান থেকে অব্যাহতি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে:  নওয়াজ

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে দলের প্রধান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টের এক আদেশে তাকে দল প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই আদালত তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজনীতি থেকে বাদ দিতে চাইছে। এর আগে পানামা পেপার কেলেংকারির ঘটনায় গত বছর দুর্নীতির দায়ে আদালত দোষী সাব্যস্ত করেন নওয়াজ শরীফকে। এর ফলে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাতে হয় তাকে। এর আগেও ৯০ এর দশকেও প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় দুই দুই বার অভ্যুত্থানের শিকার হয়ে পদ হারিয়েছিলেন তিনি। তবে পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ (পিএমএলএন) দলের সাংসদ সদস্যদের করা এক আইনের বদৌলতে দলটির নেতৃত্বে ছিলেন নওয়াজ। দেশটির উচ্চ আদালতের রায়ে সেই নেতৃত্বও হারালেন তিনি। দলটির প্রধানের পদ হারানোর পাশাপাশি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে পিএমএলএন দলের প্রধান হিসেবে নেওয়া সব সিদ্ধান্তকেও। আর এতে আগামী মার্চে আসন্ন সিনেট নির্বাচন হয়ে পরেছে অনিশ্চিত। কারণ ওই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিদের মনোনয়ন দিয়েছিলেন খোদ নওয়াজ শরীফ।   নওয়াজ শরীফের দলীয় প্রধানের পদ চ্যালেঞ্জ করে বিরোধী দলগুলোর এক আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশটির উচ্চ আদালত এই রায় দেন। রায়ে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি বলেন, “আদেশ জারি করা হয়েছে, নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আর কাগজপত্রও নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দলটির প্রধান হিসেবে যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছে নওয়াজ শরীফ তা এই রায়ে বাতিল করা হল”। সূত্র: ডন এমএইচ/ এআর

হঠাৎ অমিতাভের কংগ্রেস প্রীতি

বলিউড রাজা অমিতাভ বচ্চন হঠাৎ করেই কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধীসহ দলটির বেশ কয়েকজন ঊর্ধতন নেতাকে টুইটারে ফলো করতে শুরু করেছেন। এতে কংগ্রেসের মধ্যে উদ্দীপনা বেড়ে গেছে। অমিতাভ বচ্চন এক সময় কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতেন। তবে হঠাৎ করেই তিনি কংগ্রেস থেকে দূরে সরে যান। জানা গেছে, কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধীকে টুইটারে ফলো করার পরই দলটির সিনিয়র নেতা পি চিদাম্বরম, কপিল সিবাল, আহমেদ প্যাটেল, অসুক জিলট, অজয় মাকেন, শচিন পাইলট এবং চিপি জোশিকে ফলো করা শুরু করেন অমিতাভ। চলতি মাস থেকেই তাঁদের ফলোয়ার বনে গেছেন বলিউড কাঁপানো এই নায়ক। এ ছাড়া সম্প্রতি কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা মনিশ তিওয়ারি, শাকিল আহমেদ, সঞ্জয় নিরুপম, রন্দীপ সূর্যেওয়ালা, প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্ত্তী এবং সঞ্জয় জাকেও ফলো করা শুরু করেছেন অমিতাভ। অমিতাভ বচ্চন একসময় নেহেরু-গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছিলেন। শুধু তাই নয়, অমিতাভ বচ্চন একসময় রাজীব গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে। অমিতাভ বচ্চন টুইটারে মাত্র ১ হাজার ৬৮৯জনকে ফলো করছেন। অন্যদিকে তার ফলোয়ারের সংখ্যা ৩ কোটি ৩১ লাখের চাইতেও বেশি। অমিতাভের হঠাৎ করে কংগ্রেসপ্রীতি বেড়ে যাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। এদিকে কংগ্রেস ছাড়াও আরজেডির প্রধান লালু প্রসাদ, তাঁর মেয়ে মিসা ভারতী, জেডির নিতিশ কুমার, সিতারাম ইয়েচুরিকে ফলো করছেন অমিতাভ। এ ছাড়া আম আদমি পার্টির নেতা মানিশ সিসোডিয়া, গোপাল রয়, সঞ্জয় সিং, কুমার বিশ্বাস এবং আশিস খেতানকেও ফলো করেছেন তিনি। এদিকে অনেক নেতাই অমিতাভকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক কোন বক্তব্য দেননি কোন নেতাই। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়াএমজে/

মানবাধিকারকে হুমকির মুখে ফেলেছেন বিশ্ব নেতারা : অ্যামনেস্টি

বিশ্ব নেতারা মানবাধিকার রক্ষার বদলে মানবাধিকারকে হুমকির মুখে ফেলছেন বলে দাবি করেছে লন্ডন ভিত্তিক সংস্থা মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। জনবান্ধবহীন নীতিমালা এবং ঘৃণা ভরা বাক্যালাপের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব নেতারা মানবাধিকারের সার্থ ক্ষুণ্ণ করছেন। আর এর সাথে ট্রাম্প, পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের মতো বিশ্ব নেতারাও অন্তর্ভুক্ত বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে সংস্থাটি। আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত মানবাধিকার বিষয়ক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন দাবি করে মানবাধিকার ইস্যুতে কাজ করা এই সংস্থাটি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মতো নেতারা গত ২০১৭ সালে যেসব কঠোর নিয়ম নীতি প্রবর্তন করেন তা মানবাধিকার রক্ষার বদলে ক্ষুণ্ণ করবে। সংস্থাটির তালিকায় মিশর, ফিলিপাইন এবং ভেনেজুয়েলার শাসকেরাও আছেন। অ্যামনেস্টির সাধারণ সচিব সালিল শেট্টি বলেন, ঘৃণা এবং ভয়ের চাদর সারা পৃথিবী জুড়ে বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবাধিকারের পাশে দাঁড়ানো সরকারের সংখ্যা খুবই কম। পক্ষান্তরে এল সিসি, দুয়ের্তো, মাদুরো, পুতিন, ট্রাম্প এবং জি এর মত নেতারা লক্ষ লক্ষ মানুষের মানবাধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। ‘দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ডস হিউম্যান রাইটস’ শীর্ষক ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার ট্রাম্পের বিতর্কিত আদেশ, ভেনুজুয়েলায় আন্দোলনরত জনগণের ওপর দেশটির সরকারের হামলা এবং মাদক বিরোধী অভিযানের নামে ফিলিপাইনে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিশ্বে মানবাধিকার অবস্থার নেতিবাচক চিত্রই ফুটিয়ে তোলে বলে। জুন ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার ব্যক্তি ফিলিপাইনে নিহত হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। পাশাপাশি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জেইদ রাদ আল হুসেন বলেন, “ভেনুজুয়েলায় সরকারি বিরোধী আন্দোলনে গত বছরের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রায় এক ডজন মানুষ নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত বল প্রয়োগেই এমনটা হয়েছে”। বৈশ্বিক সংকট অ্যামনেস্টি বলছে, বিশ্বের প্রায় ১৫৯টি দেশে মানবাধিকার সংকট চলছে। ইয়েমেন জনগণের প্রায় ৭৫ শতাংশই মানবাধিকার লংঘনের শিকার। দেশটিতে তিন বছর ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সাহায্য প্রয়োজন বলেও জানায় সংস্থাটি। ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি জোট আর ইরান সমর্থিত হুদি যোদ্ধাদের মধ্যেকার সহিংসতায় নিহত হয় কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ। অপরদিকে মিয়ানমারের রাখাইন সম্প্রদায়ের ওপর দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর হামলায় ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় ঐ প্রতিবেদনে। মাত্র পাঁচ মাসে প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশসহ প্বার্শবর্তী দেশগুলোতে প্রবেশ করেন। সংস্থাটির সাধারণ সচিব শেট্টি কাতার ভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “মিয়ানমার থেকে ইরাক, দক্ষিণ সুদা, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে সংঘটিত মানবাধিকার অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ বিশ্ব নেতাদের ব্যররথতাকে প্রমাণ করে। সরকারগুলো নির্লজ্জভাবে মানবাধিকার ইস্যু থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে”। সূত্রঃ আল জাজিরা //এস এইচ এস// এআর

ইংল্যান্ডে বাড়ছে বয়স্ক কর্মজীবী নারীর সংখ্যা

ইংল্যান্ডে দিন দিন বাড়ছে বয়স্ক কর্মজীবী নারীর সংখ্যা। দেশটিতে ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সী কর্মজীবী নারীর সংখ্যা এখন রেকর্ড পরিমাণ ৪২ লাখ। ২০ বছর আগেও দেশটিতে ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মজীবী নারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৪ লাখ। পাশাপাশি অন্তত ৫০ বছর ধরে কাজ করছেন এমন নারী ও পুরুষের মোট সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে ছে। ইংল্যান্ডে এমন নজির এবারই প্রথম। পেনশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্ক চাকুরেরা মনে করছেন যে, কাজ করে যাওয়া ছাড়া তাদের জন্য আর কোনো উপায় নেই। উচ্চাভিলাসী জীবন, নিম্ন অংকের পেনশন দেশটিতে দেশটিতে পেনশন বয়স বৃদ্ধিতে কাজ করছে বলেও অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ইংল্যান্ড ভিত্তিক সেভিংস ফার্ম এজে বেল ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘বয়স্ক কর্মজীবীদের মধ্যে কেউ কেউ ভালো লাগা থেকেই চাকরি করে যাচ্ছেন। আর কেউ কেউ মনে করেন, চাকরি করা ছাড়া তাদের জন্য আর দ্বিতীয় কোন উপায় খোলা নেই।’ অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন সংস্থার এক সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বের অন্য যে কোন উন্নত দেশের তুলনায় ইংল্যান্ড তার নাগরিকদের সবথেকে কম পেনশন দেয়। গড়ে এ পেনশনের পরিমাণ সপ্তাহে প্রায় ১২২ পাউন্ড; যা মূল আয়ের মাত্র ২৯ শতাংশ। দেশটির একসময় পেনশন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্যারোনেস অল্টম্যান উদ্ভুত পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ। কিন্তু সমাজের বয়স্কদের প্রতি আমাদের সাহায্য চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়”। এদিকে দেশটির নারীদের পেনশন পাবার বয়স ৬৩ থেকে ৬৫ করা হবে চলতি বছরেই। আর ২০২০ সাল নাগাদ নারী ও পুরুষ উভয়েরই পেনশনের বয়স ৬৬-তে গিয়ে ঠেকবে বলে জানায় ডেইলি মেইল। তবে বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ইংল্যান্ডের শ্রমমন্ত্রী অলোক শর্মা। তিনি বলেন, “বেশিদিন কাজের মধ্যে থাকাটা আমাদের শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য উপকারী। আর সেই সাথে তা পকেটে টাকাও আনবে। নতুন এই সংখ্যা বলছে যে, মানুষ কর্মসংস্থানের প্রতি নতুন করে ইতিবাচক দৃষ্টি স্থাপন করছে”। কিন্তু বয়স্ক চাকরিজীবীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা এখন সবথেকে শীর্ষে। দেশটিতে কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা এখন ১৪ লক্ষ ৭০ হাজার। গত পাঁচ বছরে এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার মানুষ। সূত্রঃ ডেইলি মেইল //এস এইচ এস// এআর

আসাদ বাহিনীর হামলায় নিহত ২৭

সিরিয়ার দামেস্কে আসাদ বাহিনী ও রুশ বাহিনীর মিলিত হামলায় অন্তত ২৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন। এরই মধ্যে ওই এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে মৃত্যু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সবার একটাই আকুতি, ‘হামলা বন্ধ কোরো। আমাদের বাঁচাও। এ হামলা বন্ধ না হলে, আমরা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছি।’ জানা গেছে, এতদিন আইএস ও বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে হামলা চালালেও এবার বেসামরিক লোকজন বাস করে এমন ভবনও বোমা হামলায় গুড়িয়ে দিচ্ছে আসাদ বাহিনী। তাই স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। চলতি মাসেই দামেস্কে ও পূর্ব গৌতায় হামলা চালিয়ে অন্তত ২৯৯ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে সরকারি বাহিনী। পূর্ব গৌতার বেশ কয়েকটি জেলা লক্ষ্য করে এ বিমান হামলা চালাচ্ছে আসাদ বাহিনী। আর এতে সহায়তা করছে রুশ বাহিনী। দুই বাহিনীর মিলিত হামলায় আইএস পিছু হটলেও হামলা অব্যাহত রেখেছে তারা। গত বুধবার পূর্ব গৌতার বেশ কয়েকটি এলাকা লক্ষ্য করে এ বিমান হামলা চালায় তারা। এতে ওই এলাকায় বাস করা প্রায় ৪ লাখ বাসিন্দার জীবনে নেমে এসেছে দুর্বিসহ যন্ত্রণা। সারাক্ষণই তাঁদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে মৃত্যু যন্ত্রণা। সবার মধ্যে কেবল একটাই আতঙ্ক! এই বুঝি একটা বোমা কেড়ে নিবে পরিবারটিকে, ধসিয়ে দিবে যুগ যুগ ধরে বাস করে আসা ভবনটি। এদিকে সিরিয়ায় পর্যবেক্ষক সংস্থা মনিটর জানিয়েছে, এ হামলা চালানোর মাধ্যমে আসাদ বাহিনী যুদ্ধাপরাধ করছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হবে রাশিয়াও। তাদের এই হামলা আন্তর্জাতিহক আইনের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করে পর্যবেক্ষক সংস্থাটি। এদিকে রয়টার্সের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দোমার অধিবাসী বিলাল আবু সালেহ বলেন, আমরা মৃত্যুর প্রহর গুনছি, আর এটাই আমাদের একমাত্র পথ। এদিকে হাসপাতালগুলোতেও বিপর্যয় নেমে এসেছে। জরুরি ওষুধ সেবাসহ চিকিৎসক ও নার্স সংকটে আহতদের জরুরি চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে চিকিৎসকরা। এদিকে হাসপাতালগুলোও নিরাপদ নয় বলে মনে করছে স্থানীয়রা। যে কোন সময় হাসপাতালগুলোতেও বিমান হামলা চালাতে পারে আসাদ বাহিনী। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে আহত হওয়ার পরও নিজ বাড়িতেই কোন রকম চিকিৎসা নিচ্ছেন। সূত্র: রয়টার্সএমজে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি