ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১৭:১৫

উত্তর কোরিয়ামুখী লাউডস্পিকার বন্ধ করেছে সিউল

উত্তর কোরিয়ামুখী লাউডস্পিকার বন্ধ করেছে সিউল

উত্তর কোরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে গুজব ছড়িয়ে আসা দক্ষিণ কোরিয়া তার দেশটির সীমান্তে ব্যবহৃত লাউডস্পিকারগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনাকে সামনে রেখে দেশটি এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। লাউডস্পিকারগুলোর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ায় ক্রমাগত উস্কানিমূল ও মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দিতো দক্ষিণ কোরিয়া। এ ছাড়া ওই লাউডস্পিকারগুলোতে সব সময় উচ্চস্বরে পপ মিউজিক বাজানো হতো। আর তার টার্গেট ছিল মূলত সীমান্তে টহলরহ উত্তর কোরিয়ার সেনারা। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়াকে বিভ্রান্ত করতে উত্তর কোরিয়া তার নিজের সীমান্তে ব্যবহৃত লাউডস্পিকারগুলো বন্ধ করবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো, দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে দুই দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপন। অন্তত সিউল এ ব্যাপারে বেশ আশাবাদী। এরইমধ্যে উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করবে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতেও দেশটি পারমাণবিক কোনো ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালাবে না বলেও ঘোষণা দেয়। উল্লেখ্য,আগামী শুক্রবার পিয়ংচ্যাং এর নেতা কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন এর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। আন্তঃকোরিয় সম্মেলনের এক দশক পূর্তিতে দুই অঞ্চলের বিতর্কিত ভূমি পানমুজামে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে জুন মাসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে বসতে যাচ্ছেন কিম। এর আগে ২০০৪ সালেও দেশ দুটি গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত লাউডস্পিকারগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি এমজে/
আফগানিস্তানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে শতাধিক। এদিকে বাগলানা পাল-ই-খুমরি শহরে আরেক গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল রোববার দেশটির রাজধানী কাবুলের একটি ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রে ওই আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর দায় স্বীকার করেছে। আইএসের মুখপাত্র নিউজ এজেন্সি আমাক হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে এ হামলার দায় স্বীকার করে। গত রোববার কাবুলের পশ্চিমাংশের দাশত-ই বার্চি এলাকায় একটি ভোট নিবন্ধন কেন্দ্রের বাইরে ভোটাররা যখন পরিচয়পত্রের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তখনই ওই হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। চলতি মাসেই দেশটিতে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়। সূত্র: আল-জাজিরাএমজে/

সৌদি আরবে অভ্যুত্থান চেষ্টা!

সৌদি আরবের রাজপরিবারের বিরুদ্ধে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। তবে রাজপ্রাসাদের বাইরে গোলাগুলির ঘটনাকে গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিচ্ছে সৌদি যুবরাজ প্রিন্স সালমান। জানা গেছে, রিয়াদে বাদশাহ আবদুল আজিজ বিন সালমানের প্রাসাদের বাইরে শনিবার রাতের অন্ধকারে সৌদি আরবের রাজপ্রসাদ চত্বরে হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দেশটিতে অভ্যুত্থান চেষ্টা চলছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ওই সময়য় একটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেন সৌদি সেনাবাহিনী। আসলে এটি অভ্যুত্থান চেষ্টা ছিল নাকি এমন সম্ভাবনা ধাপাচাপা দিতেই ড্রোনের নাটক সাজানো হয়েছে- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে দেশটির বিভিন্ন মহলে। শুধু সৌদি আরবেই নয় সারা বিশ্বেই এ ঘটনাকে অভ্যুত্থান ষড়যন্ত্রের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর আলজাজিরা ও এএফপির। রিয়াদ পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, আল খুজামা এলাকায় রিমোট কন্ট্রোল চালিত ক্ষুদে একটি খেলনা ড্রোন উড়তে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই আকাশে ওই ড্রোন উড়ানো হচ্ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ম অনুযায়ী সেটার ব্যবস্থা নিয়েছে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি এবং বাদশাহ সালমান সে সময় প্রাসাদে ছিলেন না বলে এক সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। বাদশাহ দিরিয়ায় তার অবকাশযাপন কেন্দ্রে ছিলেন। গোলাগুলির সময় বাদশাহ সালমানকে রাজপ্রাসাদ থেকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এ ধরণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সৌদি রাজ পরিবার যাই বলুক না কেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, দেশটিতে সত্যিই যদি অভ্যুত্থান চেষ্টা হয়ে থাকে, তাহলে তা হবে প্রিন্সের হঠকারী সিদ্ধান্তের ফসল। সৌদি যুবরাজ ছেলের কথা মতো দেশটিতে বেশ কিছু সংস্কার আনার পরই এ ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করেছে গণমাধ্যমগুলো। সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ গত বছর জুনে তার ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ ঘোষণার পর থেকে সৌদিতে ধরপাকড় শুরু হয়। বিশেষ করে গত বছরের শেষ দিক থেকে দেশটিতে সেনাবাহিনীর ঊর্ধতন কর্মকর্তাসহ রাজপরিবারের অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীকে বন্দি করে সৌদি প্রিন্স সালমান। এরপর থেকেই রাজপরিবারের বিরুদ্ধে একটি অংশ গোপনে সংগঠিত হচ্ছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। এর আগে ছেলের অবস্থান সংহত করতে গিয়ে সৌদি আরবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীতে কয়েক দফা বড় ধরনের রদবদল এনেছেন বাদশাহ সালমান। যুবরাজের নেতৃত্বে চালানো ‘দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে’ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, প্রিন্স আর ধনকুবেরকে কারাগারে যেতে হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি প্রিন্সসহ সরকারি আমলা ও কর্মকর্তাদের ওপর যুবরাজের এমন হস্তক্ষেপের পরিণতি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে। আর এর খেসারত দিতে হতে পারে সৌদি যুবরাজ ও বাদশাকে। সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি এমজে/

ইইউ সংস্কার ইস্যুতে মেরকেল-মাক্রোর দূরত্ব বাড়বে

  ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সংহতি ধরে রাখার মূল শক্তি জার্মানি ও ফ্রান্স। কিন্তু ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোন দ্রুত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে তাল মেলাতে গেলেই সমস্যায় পড়বেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। দীর্ঘ ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছেন জার্মান চ্যান্সেলর। অন্যদিকে সবেমাত্র রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছেন মাক্রোন। প্রাণশক্তিতে ভরপুর মাক্রোন চান অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর পাশে থাকুক। সেই তালিকায় অবশ্য ফ্রান্সও আছে। ২০০৫ সাল থেকে মেরকেল তার দলকে কেন্দ্র থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ নীতি থেকে সরে এসেছেন। শরণার্থীদের আগমনের মধ্যে উদার মানসিকতা দেখিয়ে দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন। ব্যয় সংকোচনের পরামর্শ দিয়েছেন ইইউর অন্যান্য দেশকে। ইইউর সমস্যা দূর করতে আরও একদফা তার ক্ষমতায় থাকা দরকার বলেও বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন মেরকেল। আর এভাবেই মেরকেল নেতৃত্ব দিতে চান, যা তিনি শুরু থেকেই করে এসেছেন। এখন সেখানেই সমস্যা। নতুন এক অভিন্ন ইউরোপ গঠনের ব্যাপারে মাক্রোনের রয়েছে গঠনমূলক স্পষ্ট এক ভাবনা। এটি মেরকেলের নেই। মাক্রোন এক ধরনের অর্থনৈতিক সাম্য চান যাতে ইউরোপের ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোকে সাহায্য করবে। মেরকেলের রক্ষণশীল দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) মাক্রোনের এই ভাবনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। এমনকি সামাজিক গণতন্ত্রী দলের অর্থমন্ত্রী ওলাফ শুলজও এ ক্ষেত্রে মেরকেলকেই সমর্থন করেছেন। ইইউর সংস্কারের প্রশ্নে মেরকেল বরাবরই তার দলের চেয়ে বেশি উদার। ২০০৫ সালে গ্রিসকে তৃতীয়বার আপৎকালীন ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে জার্মানির পার্লামেন্টে ভোট হয়। সে সময় প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন ৬৩ রক্ষণশীল সদস্য। বলা বাহুল্য, এই মুহূর্তে এ ধরনের বিদ্রোহ জার্মানির জোট সরকারের পতন ডেকে আনতে পারে। ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন চ্যান্সেলর সেই পরিস্থিতি এড়াতেই চাইবেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিবর্তন আসছে। মেরকেল বুঝতে পারছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে তার প্রভাব ক্রমশ কমছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাক্রোনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। মাক্রোনের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতাও জার্মান পার্লামেন্টে মেরকেলের নেই। তাছাড়া ইইউ নিয়ে সন্দিহান জনতারও তাতে সমর্থন থাকবে না। এই পরিস্থিতিতে মাক্রোন ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছেন। বার্লিন তার পরিকল্পনায় কী মত দেয়, সেটা জানার জন্য তিনি এখনও পর্যন্ত ধৈর্যসহকারে অপেক্ষাও করছেন। তবে একটা কথা পরিস্কার, ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে ইইউকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন মাক্রোন। তাই মেরকেলের পক্ষে তাকে অনুসরণ করা বা অনুসরণ করতে বাধ্য হওয়া ছাড়া কোনও পথ থাকবে না। সূত্র: ডয়চে ভেলে একে/ এমজে

চীনে নৌকা ডুবিতে ১৭ জনের মৃত্যু

চীনে নৌকা ডুবিতে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌকা বাইচের অনুশীলন করার সময় নৌকা দুটি ডুবে গেলে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গুয়াংশি ঝুয়াং অঞ্চলের গুইলিন শহরের নিকটবর্তী একটি নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার জন্য অনুশীল করছিলো কয়েকটি নৌকা। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ছবির বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ড্রাগন বোট নামে পরিচিত একটি লম্বা, সরু নৌকা নদীর একটি প্রসারিত অংশে আসার পর সেটি উল্টে যায়। নদীর ওই অংশটিতে প্রবল স্রোত ছিল বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল। লোক ভর্তি আরেকটি ড্রাগন নৌকা ঘটনাস্থলে আসার পর সেটিও উল্টে যায়। সিনহুয়া জানিয়েছে, দুই নৌকার ৫৭ জন আরোহী পানিতে পড়ে যায় এবং তাদের উদ্ধারে ২০০ জন উদ্ধারকর্মী পাঠানো হয়। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধার কাজ অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে। এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ড্রাগন নৌকার প্রতিযোগিতা বেশ জনপ্রিয়। ড্রাগন নৌকার উৎসবের দিনটি ঐতিহ্যগতভাবেই চীনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। এ ছাড়া দিনটিকে একটি ছুটির দিন হিসেবে পালন করে দেশটি। চলতি বছরের ১৮ জুন এ নৌকা-বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: শিনহুয়াএমজে/

আফগানিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৩১

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩১ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৪ জন। গত রোববার কাবুলের পশ্চিমাংশের দাশত-ই বার্চি এলাকায় একটি ভোট নিবন্ধন কেন্দ্রের বাইরে ভোটাররা যখন পরিচয়পত্রের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তখনই ওই হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। জানা গেছে, কাবুলের ওই এলাকায় সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। এর আগেও আইএস বেশ কয়েকবার ওই হামলা চালিয়েছে। আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানেশ জানান, ওই ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রে পরিচয়পত্র বিতরণের সময় হেঁটে আসা এক ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা বোমায় বিস্ফোরণ ঘটায়। বশির আহমদ নামে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ঘটনাস্থলে অনেক নারীর সঙ্গে শিশুও ছিল। ওদের অনেকেই হামলায় মারা গেছেন। আগামী অক্টোবরে আফগানিস্তানের পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। এ লক্ষ্যে দেশটির বিভিন্ন জায়াগয় ভোটার রেজিস্ট্রেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সূত্র: দ্য ডনএমজে/

অস্ট্রেলিয়ায় ময়ূর নিয়ে যে কারণে বিভক্ত নগরবাসী   

ময়ূর মূলত এশিয়া অঞ্চলের পাখি হলেও, এখন সে পাখিই সমস্যা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার শহর ক্যানবেরায়। প্রায় দুই শতাব্দী আগে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা অস্ট্রেলিয়ায় পোষা পাখি হিসেবে নিয়ে গিয়েছিল ময়ূর। এরপর পেখম মেলা সেই পাখির সৌন্দর্যে বিমোহিত হয় সবাই। কিন্তু এখন অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা শহরের বাসিন্দারা বিপাকেই আছেন এই সুদৃশ্য পাখিটিকে নিয়ে। শহরের মানুষ রীতিমত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন। বিভক্তির কারণ, শহরে এই পাখি মুক্ত ঘুরে বেড়াবে না কি ফাঁদ পেতে তাদের ধরে মেরে ফেলা হবে- সে নিয়ে!    সম্প্রতি ক্যানবেরা শহরে ময়ূরের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। শহরের সড়কে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা, যখন তখন ঢুকে পড়ছে লোকের বাড়িতে। শোনা যায়, কিছুদিন আগে স্থানীয় এক লোক তার বাড়ির বাথরুমে ঢুকে দেখে সেখানে দেয়ালে সাঁটানো আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে দেখে সেখানে একটি ময়ূর। এছাড়া পাখির ডাকে, বিশেষ করে তাদের ডিম পাড়ার মৌসুমে, অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে শহরের বাসিন্দারা। সেই সঙ্গে লোকেজনের শস্য ও সবজিও খেয়ে ফেলছে। তাছাড়া বড় সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে শহরের গাড়ির চালকদের প্রায়ই মারাত্মক অসুবিধায় পড়তে হয়। শহরে অন্য পাখিদের থাকার ও ডিম পাড়ার জায়গাতেও ঢুকে পড়ছে ময়ূর। এসব কারণে নগর কর্তৃপক্ষ একটি আইন প্রস্তাব করেছে যেখানে বছরে অন্তত একবার একটি ফাঁদ পাতা কর্মসূচী নেওয়া হবে, যাতে ময়ূরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়। আর প্রস্তাবিত এই আইনের পক্ষে সমর্থনের অভাব নেই। কিন্তু বাধ সেধেছে শহরের বাসিন্দাদের আরেকটি অংশ। তারা বলছেন, এই পাখিরাও এ শহরেরই বাসিন্দা, ফলে তাদের মেরে ফেলার এই সিদ্ধান্ত হবে নির্মম ও অমানবিক। অনেকে একে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মনে করেন। অনেকে যুক্তি দিচ্ছেন, বাড়ির চারপাশে বা সৈকতে ঘুরে বেড়ানোর সময় পাশে পাশে ময়ূর হাঁটছে এটিই যেন তাদের চিরাচরিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এখন তার অন্যথা তারা চান না। ময়ূরের সংখ্যাধিক্য নিয়ে সমস্যার শুরু ২০০৩ সাল থেকে। তবে অস্ট্রেলিয়ার অন্য শহরে ময়ূরের সংখ্যা বৃদ্ধি সমস্যা সামলাতে কর্তৃপক্ষ আরও নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। যেমন ব্রিসবেনে কেউ ময়ূর পুষতে পারবেন না, এমন ধরণের আইন করতে যাচ্ছে। অন্যথায় প্রায় সাড়ে ছয় হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানা গুনতে হবে। এখন ক্যানবেরা শহরবাসীদের প্রতিবাদে ময়ূরের ভাগ্য বদলায় কি-না সেটাই দেখার বিষয়।    সূত্র: বিবিসি একে//এসি    

যুক্তরাষ্ট্রে উলঙ্গ বন্দুকধারীর হামলায় ৩ জনের প্রাণহানি

যুক্তরাষ্ট্রে এক উলঙ্গ বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৩ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার স্থানীয় সময় মধ্যরাত ৩টায় অ্যান্টিওকের একটি রেস্টুরেন্টে ঢুকে হামলা চালায় ২৯ বছর বয়সী ট্রেভিস রিংকিং। নাশভিলে শহরের নিটকবর্তী একটি খাবার দোকানে হামলা চালায় ট্রেভিস। নাশভিলে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, অ্যান্টিওকের একটি খাবার দোকানে স্থানীয় সময় রাত ৩টা ২৫ মিনিটে ওই হামলাকারী একটি এআর-১৫ বন্দুক নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারী শ্বেতাঙ্গ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। অ্যান্টিওক থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের একটি গ্রাম থেকে এসে হামলা চালায় রিংকিং। হামলাকারী একটি গাড়িতে করে ওই রেস্টুরেন্টে আসে বলেও পুলিশ দাবি করেন। ভিডিও ফুটেজ দেখে ট্রেভিসকে শনাক্ত করে পুলিশ। এদিকে গুলিতে আহতদের মধ্যে অন্তত একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। গত অক্টোবরে দেশটির লাস ভেগাসে এআর-১৫ বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৫৮ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর আগে ফ্লোরিডায় একটি স্কুলে এআর-১৫ বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ১৭ শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ট্রেভিসকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। সূত্র: রয়টার্সএমজে/

বারবারাকে স্মরণ করে কাঁদলেন ডব্লিউ বুশ

স্ত্রী বারবারা বুশকে স্মরণ করে কাঁদলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। শনিবার হাউসটনে সেন্ট মার্টিনস এপিস্কোপাল চার্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হয় বারবারা বুশকে। এতে যোগ দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা, বর্তমান ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। অনুষ্ঠানে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশ। তার আবেগঘন বক্তব্যে ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলেন পিতা জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। বারবারা বুশের সঙ্গে তার দাম্পতী জীবন ছিল দীর্ঘ ৭৩ বছরের। অনুষ্ঠানে হুইল চেয়ারে করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশকে ঠেলে নিয়ে আসেন তারই ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বুশ পরিবারের অন্য সদস্যরা। উল্লেখ্য, বারবারা বুশকে বহু প্রেমপত্র লিখেছিলেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। শনিবারের অনুষ্ঠানে তার একটি পড়ে শোনান জেব বুশ। এ সময়ই ভালবাসার আবেগে কেঁদে ফেলেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছিলেন প্রায় এক হাজার ৫০০ অতিথি। এতে শুধু বক্তব্য রাখেন জেব বুশ। এসএইচ/

যুক্তরাষ্ট্রের উচিৎ নিজের দিকে তাকানো : এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আটক খ্রিস্টান যাজককে ফিরিয়ে নিতে চায়, তবে দেশটির উচিৎ নিজের পদক্ষেপগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া। ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জড়িত সন্দেহে ওই যাজককে তুরস্কে আটকে রাখা হয়েছে। অ্যান্ডু ব্রুনসন নামে ওই যাজক দুই দশক ধরে তুরস্কে বসবাস করছেন। এরদোগানকে হটাতে ব্যর্থ অভুত্থানের সহায়তার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।ব্রুনসন অভিযোগ অস্বীকার করলেও আদালতে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাকে ৩৫ বছর কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে তুর্কি ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের সঙ্গে ব্রুনসনের ভাগ্য জুড়ে দেন এরদোগান। গুলেনকে প্রত্যর্পণের বিনিময়ে ব্রুনসনকে ফিরিয়ে দিতে চান তিনি। অভ্যুত্থানের নেপথ্যে গুলেনের হাত রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ১৯৯৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা এই ধর্মীয় নেতাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে চাচ্ছে তুরস্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ কয়েক ডজন সিনেটর ব্রুনসনের মুক্তি দাবি করেছেন। তথ্যসূত্র: রয়র্টাস। এসএইচ/

ইতিহাসের ভয়ঙ্কর নারীরা

নারী মানে সহজ-সরল এমনটায় ধারণা সবার। একটু কোমল, শান্ত হবে নারীদের ব্যবহার এমনটাই ভাবে প্রায় সবাই। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও কম নেই। ইতিহাসে অনেক নারী ছিল যাদের ভয়ঙ্করতা ইতিহাসের পাতায় ভয়ঙ্কর নারীর স্থান দিয়েছে। এমন কয়েকজন নারীর কথা তুলে ধরা হলো- ওয়ানেতা হোইয়াট- নিউইয়র্কের ওয়ানেতা হোইয়াট বেঁচেছিলেন ১৯৪৬-১৯৯৮ পর্যন্ত। ১৯৬৫-১৯৭১ সালের মধ্যে তিনি নিজের পাঁচ সন্তানকে হত্যা করেন। প্রথমদিকে এই শিশুদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘সাডেন ডেথ সিনড্রোম’ মনে করা হয়। কিন্তু ১৯৯২ সালে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এই নারীর অশুভ মনের খবর পান। পরে ১৯৯৪ সালে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। মারিয়া সোয়ানেনবার্গ- এই ডাচ সিরিয়াল কিলারের জীবনকাল ছিল ১৮৩৯-১৯১৫ পর্যন্ত। নিজের পরিবারের সদস্যসহ কয়েক ডজন খুন করে গেছেন তিনি। ধারণা করা হয়, তার হাতে খুন হয় ৬০ জনের বেশি মানুষ। ১৮৮০ এর দশকে বিষাক্ত আর্সেনিকের প্রয়োগে একের পর এক মানুষ মারতে থাকেন তিনি। হেলেন জেগাদো- এই ফ্রেঞ্চ নারী বেঁচেছিলেন ১৮০৩-১৮৫২ সালের মধ্যে। তিনিও আর্সেনিকের মাধ্যমে ৩৬ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেন। বিশেষজ্ঞরা তাকে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে মনে করতেন। পরে তাকে ১৮৫২ সালে গিলোটিনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। গেসচে গটফ্রাইড- এই জার্মান সিরিয়াল কিলারকে জনসমক্ষে ১৮৩১ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এই নারী বিষ প্রয়োগে তার সন্তানদের, বাবা-মাকে, তার দুই স্বামী এবং এক বন্ধুকে হত্যা করেন। তিনি সেবিকা হিসেবে খুবই ভালো ছিলেন। তার এই হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের আগে সবাই তাকে ‘ব্রিমেনের দেবদূত’ বলে ডাকতেন। অ্যামেলিয়া ডাইয়ের- ব্রিটেনের এই নারীকে একটি খুনে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। কিন্তু তিনি শত শত শিশুকে মেরে ফেলিছিলেন। একটি শিশু হাসপাতালে কাজ করেতেন। সেই সুবাদে শিশুদের কাছে পেতেন। বিভিন্ন তদন্তে ধারণা করা হয়, তার হাতে ৪০০ শিশু প্রাণ হারায়। ইতিহাসের ভয়ংকরতম সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে তিনি একজন। ১৮৯৬ সালে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরকম অনেক তথ্য আরও রয়েছে বলে জানা গেছে। এসএইচ/

যে গ্রামে প্রত্যেক পুরুষের দুই বিয়ে বাধ্যতামূলক   

পৃথিবীতে কতই না আজব ঘটনা ঘটে। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী ভারতের একটি গ্রামে রয়েছে এক অদ্ভুত রীতি। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থান। সেখানে রয়েছে ছোট একটি গ্রাম দেরাসর। প্রত্যন্ত এই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষকেই দুবার করে বিয়ে করতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক! মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামটিতে সব মিলিয়ে ৭০টি পরিবার রয়েছে। সেখানে প্রায় ৬০০ মানুষের বাস। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রত্যেক পরিবারই বিয়ে নিয়ে ওই একই রীতি মেনে চলে।     গ্রামবাসীরা জানান, বহু দিন ধরেই ওই প্রথা চলে আসছে। এখনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইসলাম ধর্মে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু ওই গ্রামে একপ্রকার জোর করেই ছেলেদের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিতে বাধ্য করে তাদের পরিবার। এমন রীতির পেছনে রয়েছে অদ্ভুত কারণ। গ্রামবাসীদের দাবি, পূর্বে ওই গ্রামে নাকি যে পুরুষই বিয়ে করতো তাদের প্রথম স্ত্রীর কোনও বাচ্চা হতো না। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই সেই স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসত। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঘটনাই ঘটে আসছে ওই গ্রামে এবং সেটাকেই রীতি হিসেবে অনুসরণ করে চলেছেন গ্রামবাসীরা। এছাড়া দ্বিতীয়বার বিয়ে শুভ কাজ বলেই মনে করেন গ্রামবাসীরা। তাছাড়া প্রথম স্ত্রীও তার সতীনের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গুছিয়েই সংসার করেন। তার সন্তানদেরও নিজের সন্তান মনে করেই বড় করে তোলেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে একে//এসি  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি