ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৪:২৪

এমপিও দাবিতে শিক্ষকদের অবস্থান চলছে

এমপিও দাবিতে শিক্ষকদের অবস্থান চলছে

এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারী বেসরকারি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীরা টানা ৮ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীত পাশের সড়কে সহস্রাধিক শিক্ষক এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
একাদশে ভর্তির তালিকা প্রকাশ

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মনোনীতদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। গতকাল শনিবার রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ জানিয়েছেন।রোববার গণমাধ্যমকে তিনি জানান, প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৩৮ হাজার ২৫২ জনকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে।আবেদনকারীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথম তালিকায় স্থান পেয়েছেন, অন্যরা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালিকায় আসবেন। সবাই ভর্তির জন্য কলেজ পাবেন।ফল প্রকাশ করে কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১১ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে ১৮৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি রকেট, টেলিটক অথবা শিওরক্যাশ- এর মাধ্যমে জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে।আর ২৭ থেকে ৩০ জুন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।বিগত কয়েক বছরের মত এবারও মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। আর কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৬৭৫ জন। এরমধ্যে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৫৯৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও এবার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৯ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেননি; যাদের বেশিরভাগই ঝরে পড়বে বলে বোর্ড কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।গত ১৩ থেকে ২৪ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা।কলেজ পরিদর্শক হারুন জানান, কিছু কিছু শিক্ষার্থী তাদের সমস্যার কথা আমাদের জানিয়েছে তারা ১৯ ও ২০ জুন ফের আবেদন করতে পারবে।আগামী ২১ জুন দ্বিতীয় এবং ২৫ জুন তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।/ এআর /

‘চাকরিতে প্রবেশসীমা নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’   

সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা আপাতত বাড়ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর এমন কথার কোন যুক্তি নেই। কেননা ১০ বছর পর তার ‘আপাতত’ শব্দটি তার দল থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপুর্ণ বলে দাবি করছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ । আজ শুক্রবার রাজধানী ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন।   সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৬ জুন সরকারি দলের সদস্য সেলিনা বেগমের চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার কোন উদ্যোগ আপাতত নেই। যেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বের প্রকাশিত উন্নয়নের ধারা শীর্ষক প্রবন্ধে বলা হয়েছিল ‘আধুনিক ও বহুমূখী প্রশাসনের জন্য ৩ লাখ পদ তৈরি করা হয়েছে। এবং চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩২ বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রীর এমন ‘আপাতত’ বক্তব্যে কতটুকু সময়ের ব্যাপ্তি বুঝিয়েছেন তা পরিষ্কার নয়। কেননা ১০ বছর পর তার ‘আপাতত’ শব্দটি তার দল থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপুর্ণ। সংগঠনের আহবায়ক সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে উল্লেখ করার মত সেশনজট নেই বললেই চলে। কিন্তু বাস্তবে কিছু সেশনজটমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় একটি দেশের সামগ্রীক চিত্র প্রতিনিধিত্ব করেনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের অধিভুক্ত ৭ সরকারি কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত ২০১৪-১৫,২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন এবং ২০১২-১৩, ২০১১-১২, ২০১০-১১, ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে (বিশেষ) গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের ২০১৭ সালের ৩য় বর্ষ স্নাতক পরীক্ষার সময়সূচী ও কেন্দ্র তালিকা প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে। এ সময়সূচী অনুযায়ী ২০১৭ সালের স্নাতক ২য় বর্ষ (নিয়মিত, অনিয়মিত, গ্রেড উন্নয়ন) পরীক্ষা গত ৩১ মে থেকে শুরু হয়। যা ২৮ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ২০১৪-১৫ সেশনের স্নাতক ৩য় বর্ষের পরীক্ষা ২০১৯ সালে হতে পারে।  তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ২০১২ সালের স্নাতকের ফলাফল ২০১৫ সালে, তেজগাঁও কলেজের ২০১৩ সালের ফরাফল প্রকাশ হয় ২০১৬ সালে, সিদ্বেশ্বরী কলেজের ২০১৪ সালের ব্যবসা প্রশাসনের স্নাতকের ফলাফল প্রকাশ হয় ২০১৭ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০১৩ সালের ফলাফল প্রকাশ হয় ২০১৫ সালে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল বর্তমান সরকারের সময়কাল। আর জনপ্রশাসন মন্ত্রী একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায় এড়াতে পারেনা। কেননা এই সেশনজটে পীড়িত মানুষরাই তাদের অীধকার রক্ষায় তাকে নির্বাচিত করেছিল। মন্ত্রীর এ ধরণের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান সাধারন ছাত্র পরিষদের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশিদ, লিউনা হক, মারজুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।   টিআর/এসি    

সরকারি নার্সিং কলেজে ৩৭৫ জনের ভর্তি সুযোগ

দেশের তিনটি সরকারি নার্সিং কলেজ-এ ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং/ বিএসসি পাবলিক হেলথ নার্সিং কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তির জন্য এরই মধ্যে অনলাইনে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। প্রার্থীর আবেদনপত্র যাচাই-বাঁছাই সাপেক্ষে আগামী এক মাসের মধ্যে কলেজগুলোতে মোট ৩৭৫ জনের পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর মহাখালীতে কলেজ অব নার্সিংযে ১২৫ জন, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজে ১২৫ জন এবং বগুড়ার নার্সিং কলেজে ১২৫ জনকে ভর্তি করা হবে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট www.dgnm.gob.bd ওয়েবসাইটে ৫ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকবে। আবেদনকারীদের আগামী ৬ জুলাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল ঘোষণা হবে ৭ জুলাই। এরপর থেকেই দুই বছর মেয়াদি এ কোর্সের ভর্তির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তন্দ্রা শিকদার বলেন, নার্সিং একটি মহৎ পেশা। এই পেশায় নিজেকে উৎসর্গ করে বহু নারী মহীয়সী হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, মাদার তেরেসা অন্যতম। নার্সিং-ই একমাত্র পেশা যার মাধ্যমেই মানুষের সবচেয়ে নিকটে গিয়ে সেবা করা সম্ভব। তাছাড়া নিজেকে সমাজে সম্মানসূচক স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতেও এ পেশার জুড়ি নেই। বর্তমান সরকার নার্স বান্ধব সরকার। ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব নার্সিং এবং ০৩ (তিন) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কোর্স সম্পন্ন করার পর পরই পাচ্ছেন দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করার সুযোগ। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে থাকছে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার বিভাগে নার্সিং অফিসার হিসেবে `সিনিয়র স্টাফ নার্স` পদে সরকারি হাসপাতালে চাকরির অপূর্ব সুযোগ। এসব সুযোগকে আরো ত্বরান্বিত করছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং/ বিএসসি পাবলিক হেলথ নার্সিং কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলছে। এ কোর্স একেবারে নতুনদের জন্য নয়, এখানে তারাই সুযোগ পাচ্ছেন যারা এরই মধ্যে নার্সিং বিষয়ে কোন না বিষয়ে প্রার্থমিক সনদ ও যোগ্যতা অর্জন করেছেন। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ভর্তিচ্ছু প্রাথীকে আবেদনের জন্য নিম্বতম এসএসসি বা সমমান পাশ হতে হবে। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি পাশ হতে হবে। বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল হতে নিবন্ধনকৃত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের জন্য সিনিয়ির স্টাফ নার্স বা স্টাফ নার্স পদে কমপক্ষে ২ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শাহিনূর বেগম বলেন, রোগীর মানসম্মত ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুণগত নার্সিংসেবা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য মানসম্মত ও আধুনিক নার্সিং শিক্ষাও অপরিহার্য। চিকিৎসা সেক্টরে সেবিকার অবদান অনস্বীকার্য। হাসপাতালে ডাক্তাররা যতই রোগীর চিকিৎসা দিন না কেন, নার্সদের সেবা ছাড়া ওই চিকিৎসা পূর্ণতা পাবে না। শুধু চিকিৎসক দ্বারা রোগীকে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সেবিকার ভূমিকা অপরিসীম যা কেবল শিক্ষিত ও দক্ষ সেবিকা দ্বারাই প্রদান সম্ভব। আর সেই শিক্ষিত ও দক্ষ সেবিকা গড়ে তুলতে এ কোর্সে ভর্তি প্রকৃয়া চলছে। নার্সি ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের তথ্য মতে, দেশে মোট ৯৮টি নার্সিং ইনস্টিটিউট আছে। সরকারি ৪৩টি, স্বায়ত্তশাসিত ১টি, বেসরকারি ৫৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করে বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত নার্সের সংখ্যা ৩০ হাজার। পাবলিক সার্ভিস কমিশন ২০১৬ সালে ১০ হাজার নিয়োগ দেবার পরও, চিকিৎসক ও নার্সের অনুপাত ৮:৯।  আরকে/এসএইচ/  

বাংলা ইংরেজির নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ কাল 

শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীর উপর চাপ কমাতে ইতোমধ্যে জেএসসি ও জেডিসির বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের প্রতিটি ১০০ করে মোট দুইশ কমানো হয়েছে। এখন কিভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা শিক্ষার্থীদের জানাতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ করবে সরকার। পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।      তারা বলছেন, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের জেএসসি ও জেডিসির জন্য এই নমুনা অনুযায়ী প্রশ্নপত্র তৈরি করবে শিক্ষাবোর্ডগুলো। শুধু নমুনা প্রশ্নই না। মানবন্টন ও সিলেবাসও ২০২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলবে। গত মঙ্গলবার (৫ জুন) পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, “প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনারগণ, বোর্ডের অভিজ্ঞ পরীক্ষক, প্রশ্নকর্তা ও প্রশ্ন মডারেটরগণ মঙ্গলবার নমুনা প্রশ্নপত্র চূড়ান্ত করেছেন। বিকেলে ওই প্রশ্নপত্র নিয়ে একজন সদস্য শিক্ষা সচিবের কাছে গেছেন। “আশাকরি বৃহস্পতিবারের মধ্যে নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ করা যাবে,” যোগ করেন তিনি।      এদিকে জেএসসির বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের নতুন সিলেবাস চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন সিলেবাসে বাংলায় গদ্য-কবিতা, ব্যাকরণ ও সহপাঠ কমানো হয়েছে। ইংরেজিতে তিনটি ইউনিট কমানোসহ মোট ৩৩ শতাংশ কমানো হয়েছে। জেএসসি পরীক্ষায় বাংলা-ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা ও নম্বর কমানের পর নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। সেখানে মুস্তাফা মনোয়ারের লেখা শিল্পকলার নানা দিক গদ্য বাদ দেয়া হয়েছে। কবিতা থেকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘প্রার্থী’, বুদ্ধদেব বসুর ‘নদীর স্বপ্ন’ এবং সুফিয়া কামালের লেখা ‘জাগো তবে অরণ্য কন্যারা’ বাদ দেয়া হয়েছে। ব্যাকরণ থেকে বহুবচন গঠনের নিয়ম ও উদাহরণ, শ্রেণি বিভাজন, নির্দেশক, সর্বনামের দিক, শব্দ গঠনের প্রাথমিক ধারণা, অভিধান, ভক্তি, সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া, ক্রিয়ার কাল, নিসর্গকরণ, একই শব্দ বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ করে ব্যখ্যা ও রচনা, বাক্য রচনা, নির্মিত অর্থ, অনুচ্ছেদ, অনুধাবনসহ সহপাঠ বিষয়গুলো বাদ পড়েছে। অন্যদিকে, ইংরেজি বিষয়ে ‘ইংলিশ ফর টুডে’ বইয়ের ইউনিট ৩, ৪ ও ৮ বাদ দেয়া হয়েছে। সেখানে গ্রামার এবং কমপোজিশন, ডিগ্রি অব কমপেনসেশন, জিরান্ড এবং পার্টিসিপল, মডালস, লিংকিং শব্দসমূহ, সামারি রাইটিং এ কমপ্লিটিং স্টোরি নতুন সিলেবাসে বাদ দেয়া হয়েছে।   তবে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেটের (জেডিসি) নতুন সিলেবাস ও মানবণ্টন তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি বলে জানা গেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেবাস তৈরি করা হবে বলেও জানান একজন কর্মকর্তা। টিআর/এসি   

হলিক্রস কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির তালিকা প্রকাশ

রাজধানীর হলিক্রস কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য তিন বিভাগেই আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার নিরিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বিজ্ঞান বিভাগে ৭৬০ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১০ জন ও মানবিক বিভাগে ২৬০ জন ভর্তি হতে পারবেন। সিলেক্টেট শিক্ষার্থীদের কেউ ভর্তি না হলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমানরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। তালিকা কলেজের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে (www.hccbd.com)পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া  http://hccbd.com/?page_id=51 অথবা http://hccbd.com/?page_id=41 লিংকে প্রবেশ করেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখা যাবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে পারমিট স্লিপ নিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে হবে।প্রসঙ্গত ১৭ মে ভর্তির জন্য আবেদন ফরম বিতরণ করা হয়। ১৮ মে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।/ এআর /

ঈদের পর আন্দোলেন যাচ্ছেন বেসরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকরা

জাতীয়করণের দাবিতে ঈদের পরে বড় ধরনের আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংগঠন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মামুনুর রশিদ (খোকন) বলেন, জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের  করতে হবে। আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে না নিলে ঈদের পরে বৃহত্তর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন তারা। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে দুই দফায় প্রায় ৩৭ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে প্রাথমিক শিক্ষক মহাসমাবেশে সারাদেশে ২৬ হাজার ১৯৩টি স্কুলকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। এরপরও তিন পার্বত্য এলাকায় ২১০টি ও নঁওগা জেলায় আরও ১টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। সভাপতি বলেন, এখনও সারাদেশে জাতীয়করণযোগ্য আরও ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় ও এর কর্মরত শিক্ষকরা জাতীয়কারণ থেকে বঞ্চিত। এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের দাবি জানান। তাদের এ যৌক্তিক দাবি মেনে না নিলে ঈদের পরে বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। কী ধরণের কর্মসূচি দেয়া হবে জানতে চাইলে মামুনুর রশিদ বলেন, এখন রমজান চলছে। এছাড়া জাতীয়করণের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি চিঠি দিয়েছেন। তাই আমরা ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপর আমরা বৈঠক করে কর্মসূচি ঘোষণা করব। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব কামার হোসেন, সদস্য মো. বদরুল আমিন ফরহাদ, মো. ফিরোজ উদ্দিন, হারুন অর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  টিআর/ এআর

এবারও এমসিকিউ থাকছে জেএসসি-জেডিসিতে   

এ বছরও জেএসসিতে এমসিকিউ পদ্ধতি থাকছে। জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) প্রশ্ন পদ্ধতিতে এবারও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে আগামী বছর থেকে নম্বর ও বিষয় কমানো হবে।  রবিবার (২৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এই তথ্য জানান।    বৈঠক শেষে সচিব বলেন, ‘শিশুদের ওপর চাপ কমাতে এ উদ্যোগ নিয়েছি। কারন শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ বেশি পড়ছে। আপাতত কিছু বিষয় কমানো যায় কিনা, সেটা ভাবা হচ্ছে। কমালে এ বছর থেকেই তা বাস্তবায়ন করবো।’ সিলেবাসের বিষয়ে সচিব বলেন, ‘এমন হতে পারে যে, সিলেবাসের পুরোটাই থাকবে কিন্তু এক বছর এক অংশ থাকবে, পরের বছর অন্য অংশ।’ বছরের মধ্যবর্তী সময়ে পরিবর্তন করার বিষয়ে সচিব বলেন, ‘আমরা চাই এমন সিদ্ধান্ত, যেন কোনও শিক্ষার্থী বা অভিভাবককে কোনও দুশ্চিন্তা করার কিছু থাকবে না।’ চাপ কমাতে কারিকুলাম ও সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হবে বলেও জানান সচিব। উল্লেখ্য, জেএসসি-জেডিসিতে বর্তমানে চতুর্থ বিষয়সহ ১০টি বিষয়ে মোট ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। গত ২০ মে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা সভায় সাতটি বিষয়ে মোট ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করেন। জেএসসি-জেডিসিতে এ বছর এমসিকিউ থাকছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘এ বছর সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত পরিবর্তন আসেনি। আমি সবসময় এমসিকিউ-এর বিপক্ষে। এমসিকিউ অত্যন্ত উন্নতমানের একটা পদ্ধতি। কিন্তু আমরা সেই পর্যায়ে এখনও পৌঁছাইনি। শুধু এমসিকিউ নয়, পরীক্ষার মানেই হচ্ছে সারা বছর যা পড়া হলো, সেটি একা একাই পরীক্ষার খাতায় লিখবে। সেখানে কোনও ধরনের তথাকথিত সহযোগিতা কারও কাছে নিতে পারবে না। কিন্তু আমরা সে রকম পারি না, বিশেষ করে আমরা এমসিকিউ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ পাই, কেউ বলে দিচ্ছেন, কেউ কনট্রাক্ট নিচ্ছেন, এ ধরনের বিষয় আছে। এমসিকিউর জন্য মরিয়া হয়ে মানুষ অনেক কিছু করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে পরীক্ষা কাউকে সঠিক মূল্যায়নে করতে সহযোগিতা করে না, সে পরীক্ষা থাকার কোনও যুক্তি নেই। আমি মনে করি, এমসিকিউ না থাকলে যে স্তর থেকে শুরু হচ্ছে, সেখান থেকে শুরু করতে হবে।’ এসি   

ফাযিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ফাযিল (স্নাতক) প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা-২০১৬ এর ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল রোববার।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ফল প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ফলাফলের কপি পাঠানো হবে। ফাযিল পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট  www.iu.ac.bd এ জানা যাবে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ লাভলু।ফাযিল (স্নাতক) প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষা-২০১৬ তে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯২ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে ফাযিল প্রথম বর্ষে (অনিয়মিত) ২ হাজার ৮শ ৪৭ জন, দ্বিতীয় বর্ষে পঞ্চাশ হাজার ৯শ ৩ জন এবং তৃতীয় বর্ষে ৩৮ হাজার ৩শ ৪ জন। দেশব্যাপী ২৯৩টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাযিল (স্নাতক) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ফলাফলের কপি পাঠানো হবে। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি