ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৪৮

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু   

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু   

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।     আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম।  উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। এ কারণে শিক্ষার্থীরা খুব সহজে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। আমরা আগামীতে পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইনে করবো। এ সময় ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম সুন্দরভাবে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক,  রেজিস্ট্রার, উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও আইআইটি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।   ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মত এবারও অনলাইন ভর্তি রেজিস্ট্রেশন পরিচালনা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি)। এমএইচ/এসি   
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির সমাপনী পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সময় সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৮ নভেম্বর পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিটি পরীক্ষা শুরু হবে। মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বছরে বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হলেও এবার প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। আগে পরীক্ষার্থীদের খাতা অন্য উপজেলায় মূল্যায়ন করা হতো। কিন্তু এবার থেকে প্রত্যেকটি খাতা নিজ উপজেলায় মূল্যায়ন হবে। তবে অন্যান্য বারের মতো এবারও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য ৩০ মিনিট বেশি সময় বরাদ্দ রয়েছে। রুটিন থেকে জানা গেছে, ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর পিইসি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং ইবতেদায়ি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২২ নভেম্বর পিইসি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং ইবতেদায়ি পরীক্ষার্থীদের জন্য আরবি, ২৫ নভেম্বর গণিত, ২৬ নভেম্বর পিইসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ইবতেদায়ি পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ’ এবং ‘আকাইদ ও ফিকহ’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আরকে//

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের সম্মান তৃতীয় বর্ষের নিয়মিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এ পরীক্ষায় ৩০টি অনার্স বিষয়ে ৬১৩টি কলেজের ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৩১ জন (নিয়মিত) এবং ৪২ হাজার ১২৩ জন শিক্ষার্থী মানউন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪র্থ বর্ষে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫৩ জন। উত্তীর্ণের হার ৯৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। প্রকাশিত ফল সন্ধ্যা ৭টা থেকে SMS-এর মাধ্যমে যে কোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে nu<space>h3<space> Roll No লিখে 16222 নম্বরে Send করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd থেকে জানা যাবে।    এমএইচ/এসি         

আদর্শ শিক্ষক হতে চান স্বর্ণপদক জয়ী আশরাফুল

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে সিজিপিএ-৩.৮৭ পেয়ে স্নাতক শেষ করেছেন। তার এই ফলাফলের জন্য তিনি `প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭` লাভ করেছেন। তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন একুশে টেলিভিশন অনলাইনের কাছে। তিনি `প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক` পাওয়ায় পরিবারের সব সদস্যসহ অন্যান্যরা খুব আনন্দিত। তিনি বলেন, আমার পরিবারের ইচ্ছা এবং সহযোগিতার জন্য আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি। তাদের সাহায্য, স্যারদের অনুপ্রেরণা ও নিজের চেষ্টায় আজ এই সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আমাকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে `বিটিভি`তে সরাসরি দেখাবে বলে আব্বু-আম্মুসহ পরিবারের সবাই সকাল থেকে টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলেন। এটাই আমার কাছে অনেক গর্বের। তার সফলতার পেছনে সব থেকে বেশি ভূমিকা রেখেছেন প্রিয় কয়েকটা মুখ, তার পিতামাতা আর ভাইবোন। এছাড়া শিক্ষকরা খুব বন্ধুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষকরা তাকে পড়ালেখাসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছেন বলে জানান তিনি।তিনি পড়াশোনা শেষে আদর্শ শিক্ষক হতে চান। সেই সঙ্গে তিনি পরিসংখ্যান বিষয়কে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা হাবিবুর রহমান কৃষক। মাতা সাহেরা খাতুন গৃহিণী। তিনি তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। মেজো ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ও ছোট বোন দশম শ্রেণিতে পড়ে। তিনি চর শৌলমারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ ও চর শৌলমারী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.১০ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এসএইচ/

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ সালের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি কার্যক্রমে এলএলবি ১ম পর্ব/পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম/ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স/এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স/মাস্টার অব বিজনেস্ এ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এমবিএ)/এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং কোর্স সমূহে ২য় পর্যায়ের অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ২৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা থেকে শুরু হচ্ছে এবং তা চলবে ২৫ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত। ২য় পর্যায়ে প্রাথমিক আবেদনকারী প্রার্থীদের মেধা তালিকায় স্থান পেতে তাদের অবশ্যই ৩০ জুলাই থেকে ২ আগস্ট তারিখের মধ্যে রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।  এই ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/admissions)  থেকে জানা যাবে। কেআই/  এসএইচ/

ছয় কৌশলের কারণে এবার প্রশ্ন ফাঁস হয়নি  

ছয়টি কৌশল প্রয়োগে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন মন্ত্রী এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করার জন্য ছয়টি কৌশল নিয়েছি। এ কারণে এবার প্রশ্নফাঁস রোধ করা সম্ভব হয়েছে।  নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরিশোধন, মুদ্রণ, প্যাকেটজাতকরণ, ট্রাংকজাতকরণ ও কেন্দ্রে পাঠানোসহ প্রতিটি স্তরেই কঠোর নজরদারি, সতর্কতা এবং বেশ কিছু কৌশল অবলম্বণ করা হয়েছে। ছয়টি কৌশল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসনগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২. পরীক্ষার দিন ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্রের সব সেট পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে আনা হয়েছে। ৩. ট্রেজারি থেকে পুলিশসহ তিনজন কর্মকর্তার মাধ্যমে কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানো হয়েছে। ৪. পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সেট কোড পাঠানো হয়েছে। ৫. বিশেষ নিরাপত্তা খামে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষা চলাকালীন পুলিশসহ র‍্যাব, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর, সব বোর্ড, জেলা ও মাঠ প্রশাসনের ভিজিল্যান্স টিমের কঠোর নজরদারি ছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গৃহীত এ কৌশল সফল করতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মাধ্যমে গঠিত মনিটরিং সেল কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনের আগে শিক্ষামন্ত্রী সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ৮টি সাধারণ বোর্ডসহ ১০ বোর্ডের ফলাফল তুলে দেন। এ বছর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের ফলে দেখা গেছে, পাসের হার ও জিপিও ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যার আগেরবারের তুলনায় কম। এবার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গতবার এটা ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ ছাড়া এবার জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী। গতবার এটা ছিল ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। এসি   

শতভাগ পাস ৪০০ প্রতিষ্ঠান, ফেল ৫৫

এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাস করেছে ৪০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। আর একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫৫টি। শতভাগ পাস ও শূন্য পাস করা উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গতবারের তুলনায় এবার কমেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা বোর্ডের প্রধানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী ফল প্রকাশ করেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাস ছিল ৫৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এ বছর ১৩২টি প্রতিষ্ঠান কমে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০০-তে দাঁড়িয়েছে। গত বছর ৭২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি। তবে এবার এই সংখ্যা কমে ৫৫টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৭টি কমেছে। ২০১৭ সালের তুলনায় এ বছর বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় মোট ৮ হাজার ৯৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৭৭১টি। এ বছর ১৭৪টি প্রতিষ্ঠান বেড়েছে। এ সময় জানানো হয়েছে, এ বছর মোট পাস করেছে আট লাখ ৫৮ হাজার ১০১ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। এ বছর পাসের হার ও জিপিএ ৫ উভয়ই কমেছে। অন্যদিকে এ বছর ৫৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৭২টি। প্রসঙ্গত গত ২ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে গত ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৪ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবারই প্রথম ৫৫ দিনে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হলো। এ বছর মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডসহ ১০ শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। মোট পাশ করেছে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০১ জন। যা গত বছরের চেয়ে ৫৭ হাজার ৯০ জন বেশি। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। ফলে জিপিএ ৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।  যেভাবে মুঠোফোনে পাওয়া যাবে ফল আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে মিলবে ফল। মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাবেন। পরের এসএমএসে তাঁরা ফল পেয়ে যাবেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরের এসএমএসে ফল জেনে যাবেন শিক্ষার্থীরা। / এআর /

কারিগরিতে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ১০ বোর্ডের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পাসের হারের দিক থেকে মাদ্রাসা বোর্ডের পরই অর্থাৎ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। তবে গতবারের চেয়ে এবার তাদের পাসের হার কমেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা বোর্ডের প্রধানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলের স্বারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। এসময় তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এবার পরীক্ষা দেয় মোট এক লাখ ১৮ হাজার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ৮৯ হাজার ৮৯ জন। পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫০ ভাগ। গতবার এ বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল মোট ৯৭ হাজার ১৪ জন। এবার গতবারের চেয়ে ২০৯৯৬ জন বেশি পরীক্ষা দেয়। ২০১৭ সালে পাস করেছিল ৭৯ হাজার ৯০৪ জন। এবার পাশ কমেছে ১০ হাজার ১৮৫ জন। গতবার পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সেই হিসেবে এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবার কারিগরি বোর্ড থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে মোট দুই হাজার ৪৫৬ জন। গতবার পেয়েছিল দুই হাজার ৬৬৯ জন। এবার এ বোর্ডে জিপিএ ৫ কমেছে ২১৩ জন। ১০ শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার  ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ বছর মোট পাস করেছে আট লাখ ৫৮ হাজার ১০১ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। সারা দেশের দুই হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্রী ছয় লাখ ৮০ হাজার ৮৮৪ জন আর ছাত্র ছয় লাখ সাত হাজার ৮৭৩ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড আর একটি কারিগরি ও একটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। আজ দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন। শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অনলাইনে নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারছেন। গত ২ এপ্রিল শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৪ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ বছর মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডসহ ১০ শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। মোট পাশ করেছে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০১ জন। যা গত বছরের চেয়ে ৫৭ হাজার ৯০ জন বেশি। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। ফলে জিপিএ ৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।  যেভাবে মুঠোফোনে জানা যাবে ফলআটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে মিলবে ফল।মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাবেন। পরের এসএমএসে তাঁরা ফল পেয়ে যাবেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরের এসএমএসে ফল জেনে যাবেন শিক্ষার্থীরা। / এআর /

মাদ্রাসায় পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫

এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ১০ বোর্ডের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সবচেয়ে ভালো ফল করেছে। এবার আলিম পরীক্ষায় পাশের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। যেখানে ১০ শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার গড়ে মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। তবে পাশের হার বাড়লেও ৮ বোর্ডের মতো কমেছে জিপিএ-৫।    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ১০ শিক্ষা বোর্ডের প্রধানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন। এসময় তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী এ সময় জানান, এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে আলিম পরীক্ষা দিয়েছিল মোট ৯৭ হাজার ৭৯৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ৭৬ হাজার ৯৩২ জন। পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে এক হাজার ২৪৪ জন। অথচ গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক হাজার ৮১৫ জন। এবার পেয়েছে ১২৪৪ জন। ৫৭১ জন কম জিপিএ ৫ পেয়েছে। গত বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা দিয়েছিল ৯৬ হাজার ৮০২ জন। এর মধ্যে পাস করেছিল ৭৪ হাজার ৫৬৪ জন। গতবারের চেয়ে এবার ৯৫১ জন বেশি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশ বেশি করেছে দুই হাজার ৩৭১ জন। গত বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আর এবার পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে এক দশমিক ৬৫ শতাংশ। দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করবেন। দেড়টায় শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন। মুঠোফোনে এস এম এস করেও ফল জানা যাবে। প্রসঙ্গত গত ২ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে গত ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৪ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবারই প্রথম ৫৫ দিনে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হলো। এ বছর মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডসহ ১০ শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। মোট পাশ করেছে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০১ জন। যা গত বছরের চেয়ে ৫৭ হাজার ৯০ জন বেশি। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। ফলে জিপিএ ৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।  যেভাবে মুঠোফোনে জানা যাবে ফলআটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে মিলবে ফল।মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাবেন। পরের এসএমএসে তাঁরা ফল পেয়ে যাবেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরের এসএমএসে ফল জেনে যাবেন শিক্ষার্থীরা। / এআর /

বিদেশের ৭ কেন্দ্রে পাশ ৯৮ দশমিক ২৮ শতাংশ

এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় বিদেশের ৭ টি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মোট ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পাশ করেছে ২৬৩ জন। ফেল করেছে ২২ জন। পাশের হার ৯২ দশমিক ২৮ শতাংশ।   আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানেরা। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তৃতায় এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে যে ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। শতভাগ পাশ করেছে ১ টি কেন্দ্রের শিক্ষার্থী। ফেল করেছে একটি কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী। প্রসঙ্গত গত ২ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে গত ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৪ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবারই প্রথম ৫৫ দিনে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হলো। এ বছর মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডসহ ১০ শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। মোট পাশ করেছে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০১ জন। যা গত বছরের চেয়ে ৫৭ হাজার ৯০ জন বেশি। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। ফলে জিপিএ ৫ কম পেয়েছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।  যেভাবে মুঠোফোনে জানা যাবে ফলআটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে মিলবে ফল।মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাবেন। পরের এসএমএসে তাঁরা ফল পেয়ে যাবেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরের এসএমএসে ফল জেনে যাবেন শিক্ষার্থীরা। / এআর /

পাসের হার সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসায়

এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ১০ বোর্ডের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে। এবার আলিম পরীক্ষায় পাশের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ।  যেখানে ১০ শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।   আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ১০ শিক্ষা বোর্ডের প্রধানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন। এসময় তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী এ সময় জানান, এ বছর ১০ বোর্ডে পরীক্ষা দিয়েছে মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০১ জন। যা গত বছরের চেয়ে ৫৭ হাজার ৯০ জন বেশি। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে আলিম পরীক্ষা দিয়েছিল মোট ৯৭ হাজার ৭৯৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ৭৬ হাজার ৯৩২ জন। পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে এক হাজার ২৪৪ জন। গত বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা দিয়েছিল ৯৬ হাজার ৮০২ জন। এর মধ্যে পাস করেছিল ৭৪ হাজার ৫৬৪ জন। গতবারের চেয়ে এবার ৯৫১ জন বেশি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশ বেশি করেছে দুই হাজার ৩৭১ জন। গত বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আর এবার পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে এক দশমিক ৬৫ শতাংশ। তবে গতবার জিপিএ ৫ পেয়েছিল এক হাজার ৮১৫ জন। এবার পেয়েছে ১২৪৪ জন। ৫৭১ জন কম জিপিএ ৫ পেয়েছে। দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করবেন। দেড়টায় শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন। মুঠোফোনে এস এম এস করেও ফল জানা যাবে। যেভাবে মোবাইল ফোনে পাওয়া যাবে ফলআটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে মিলবে ফল।মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাবেন। পরের এসএমএসে তাঁরা ফল পেয়ে যাবেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। পরের এসএমএসে ফল জেনে যাবেন শিক্ষার্থীরা। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি