ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩৪:৪৫

বরেণ্য শিক্ষাবিদের জীবনাবসান

শেষকৃত্য বিকাল ৪টায়

বরেণ্য শিক্ষাবিদের জীবনাবসান

দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ ফাদার বেঞ্জামিন ডি কস্টা আর নেই। তিনি নটরডেম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। ফাদার বেঞ্জামিন শিক্ষা-সংস্কৃতিতে নটরডেম কলেজকে আদর্শ কলেজে রূপান্তরের পাশাপাশি দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ফাদার বেঞ্জামিনের শেষকৃত্য হবে আজ শনিবার বিকাল ৪টায় ভাদুন হলিক্রস ফাদারদের প্রার্থনা কুঞ্জে। নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার বিকালে রাজধানীর সিটি হাসপাতালে ৭৫ বছর বয়সে নটরডেম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ফাদার বেঞ্জামিন মারা যান।  ১৯৪২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর গাজীপুর জেলার ভাওয়াল দড়িপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ম্যাথিও কস্টা ও মা এলিজাবেথ পালমার ১১ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন ফাদার বেঞ্জামিন কস্টা। ২০১২ সাল পর্যন্ত ফাদার কস্টা নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও সিএসসি। অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়ে তিনি কিছুদিন নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও বলেন, ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পূর্বে ১৯৯৮ হতে ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আজ শনিবার সকাল ৯টায় রমনা সেন্ট মেরি’স ক্যাথিড্রালে তাঁর অন্তেষ্ট্য খ্রীষ্টযাগ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টায় তেজগাঁও পবিত্র জপমালার গীর্জায় প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিকেল ৪টায় ভাদুন হলিক্রস কবরস্থানে শেষকৃত্য ও সমাধি হবে তাঁর। তিনি বলেন, ফাদার বেঞ্জামিন ডি কস্তা বেশ কিছুদিন ধরে যকৃতের সংক্রমণে ভুগছিলেন। এ কারণে তিনি কিছুদিন ধরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যকৃত ছাড়া তার শরীরের সবকিছুই ঠিক ভাবে কাজ করছিল। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শুক্রবার সিঙ্গাপুর থেকে তাকে ফিরিয়ে এনে রাজধানীর সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। এ বছর ২১ আগস্ট তিনি নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ থেকে অবসর নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নটরডেম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফাদার বেঞ্জামিন কস্টার পরলোক গমনে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নটরডেম কলেজ পরিবার ফাদার বেঞ্জামিন কস্টার মৃত্যুতে শোকাহত এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন। আর/এআর
এসএসসির ফরম পূরণ ফি সর্বোচ্চ ১৫৫০ টাকা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য ফি নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। এতে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫৫০ টাকা। এ বিষয়ে সব বোর্ড আলাদা আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বছরের (২০১৮) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫৫০ টাকা। আর মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফি বাবদ দিতে হবে এক হাজার ৩৭০ টাকা। আর সব বিভাগের জন্য বিলম্ব ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনলাইনে ফরম পূরণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে শিক্ষার্থীরা বিলম্ব ফি দিয়ে ১৪ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত তা পূরণ করতে পারবেন। এছাড়া সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।   /আর/এআর  

পাঠ্য বইয়ের দখলেই ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত

শিক্ষাজীবনে অনেক শিক্ষার্থীরই স্বপ্ন থাকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার। অন্যদের মতো আমার স্বপ্নটিও অভিন্ন ছিলো। স্কুল জীবন থেকেই আমি সেই স্বপ্নটিকে লালন করতে থাকি। স্বপ্ন লালন করার পাশাপাশি প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির বিষয়ে বিভিন্ন খোঁজখবর রাখতে শুরু করি। ভর্তি পরীক্ষা ও প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ করে নেওয়ার জন্য যে বিষয়টা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সচেতনা বা সব সময় চোখ-কান খোলা রাখা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস থেকেই প্রশ্ন করা হয়। সবাই উচ্চ মাধ্যমিকে একই সিলেবাসে পড়াশুনা করে আসেন। তবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় সবাই কিন্তু ভালো করতে পারে না। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেন। বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই ফেল করেন। তাই আমি বলবো, উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ালেখা করার সময় একটু সচেতনভাবে পড়ালেখা করলে বা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে রাখলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে ভালো করা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে আমি সবসময় পাঠ্য বইয়ের উপর জোড় ‍দিতাম। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশুনার সময়ই পাঠ্য বইগুলো ভালোভাবে পড়তাম। কেননা ভর্তি পরীক্ষার অধিকাংশ প্রশ্নই পাঠ্য বই থেকে করা হয়। অনেকে আবার মনে করেন কোচিংয়ে ভর্তি না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায় না, এটা ঠিক নয়। এমন মানসিকতা থেকে শিক্ষার্থীদের বেরিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়লে যে কোনো শিক্ষার্থীই ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করতে পারেন। যে সকল শিক্ষার্থীরা কোচিং করে থাকেন তারা কোচিং থেকে সাজেশান্স পেয়ে বিভিন্ন ধরনে অনেক বই কিনে থাকেন। এসব পড়তে গিয়ে তাদের পাঠ্য বই পড়ার সময় থাকে না এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ পড়ে যায়। ফলে অধিক পরিশ্রম করা সত্ত্বেও ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করতে পারে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত কয়েক বছরের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায়। ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যিক বিষয় বাংলা (২৪ নম্বর), ইংরেজি (২৪ নম্বর), হিসাব বিজ্ঞান (২৪ নম্বর), ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ (২৪ নম্বর) এবং ফিন্যান্স-ব্যাংকিং ও মার্কেটিং-এর যেকোনো একটি বিষয়ে ( ২৪ নম্বর) প্রশ্ন থাকেssss। বিষয় ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, উচ্চ মাধ্যমিকের বাংলা সাহিত্য পাঠ এবং নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ থেকেই প্রায় সব প্রশ্ন কমন পরেছে। তাই এ বইগুলো ভালোভাবে পড়লেই কোচিং করার প্রয়োজন হয় না। আর ইংরেজি বিষয়ের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্য বইয়ের প্রত্যেকটি টপিক অর্থসহ বুঝে বুঝে পড়া উচিত। প্রতিটি বাক্যের গ্রামার এবং বাক্যের গঠন ও ধরণ বুঝে বুঝে পড়লে প্রশ্ন কমন পরবে। পাশাপাশি ইংরেজি শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে হবে। এ জন্য নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি। এছাড়া গ্রামার অংশের জন্যেও বোর্ড স্বীকৃত একটি গ্রামার বইটি ভালো দখলে রাখা উচিত। হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, ফিন্যান্স-ব্যাংকিং এবং মার্কেটিং-এর ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্য বইয়ের বিষয়গুলো গদবাধা ভাবে মুখস্থ না করে বুঝে বুঝে পড়া উচিত। সেই সাথে এসব বিষয়ের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর ব্যবহারের বিধান নেই বলে অনেকেই মনে করেন হিসাব বিজ্ঞানের অংক করা সম্ভব নয়। আমি মনে করি সূত্রগুলো ভালোভাবে বুঝলে এবং সূত্রগুলো কিভাবে প্রয়োগ করতে হয় তা জানা থাকলে যে কোনো অংকের সমাধান করা খুবই সহজ। নতুন ব্যাংক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত নতুন তথ্য পেতে পত্রিকার ব্যবসা-বাণিজ্য পাতাটি নিয়মিত পড়া উচিত। ‘ঘ’ ইউনিটে মোট ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষার হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৩০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে বাংলা অংশ থেকে। আর ৩০ নম্বরের প্রশ্ন হয় ইংরেজি বিষয় থেকে। বাকি ৬০ নম্বরের প্রশ্নেই হয়ে থাক সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে। ব্যবসা শাখার যে সব শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে চান তাদের জন্য এ সাধারণ জ্ঞান অংশটি একেবারেই নতুন। মজার বিষয় হলো এই সাধারণ জ্ঞানের নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই। এর পরিসরটা অনেক বড়। তাই সাধারণ জ্ঞানে ভালো করার জন্য দেশের অভ্যন্তরে ও বিশ্বের চলমান ঘটনাবলি সম্পর্কে ভালো করে জানতে হবে। প্রতিদিন নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। বাংলাদেশ ও বিশ্ব মানচিত্র সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা থাকতে হবে। কোনো দেশের সম্পর্কে যদি কোনো তথ্য পাওয়া যায় তাহলে সেই দেশকে মানচিত্রের মাধ্যমে চিহিৃত করে পড়া যেতে পারে।   লেখক: শিক্ষার্থী, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেন সিস্টেম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ভর্তি পরীক্ষায় সি ইউনিটে ৩২তম স্থান অধিকারী)।  

গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় ‘প্রশ্ন ফাঁস’ সংক্রান্ত গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় গুজবে কান দিলে ভুল করবেন, এতে জীবনের সবচেয়ে বড় ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে। বুধবার সচিবালয়ে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ অক্টোবর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল কলেজগুলোতে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ডেন্টাল কলেজগুলোতে বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১০ নভেম্বর। মন্ত্রী বলেন, এবার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, এবার মেডিকেলে ভর্তিতে ৯ হাজার ৩৪৩টি আসনের বিপরিদে ৮২ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা ভালো হলে নিশ্চয়ই আপনি চান্স পাবেন। কম্পিউটারের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাতা মূল্যায়ন হবে, কারো কোনো প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই এখানে। পরিক্ষায় এবার কোনো গুজবে কাজ হবে না। অভিভাবকদেরও কোনো গুজবে কান না দেয়ার কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় অংশ নেয়া ডিএমপি কমিশনার জানান, পরীক্ষা সামনে রেখে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ প্রশ্ন ফাঁসের গুজব রটাচ্ছে কি না সে বিষয়ে তদারকি করা হবে।   /আর/এআর

ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি হয় কত সালে ?

                                      অষ্টম শ্রেণি                                   বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়                                  প্রথম অধ্যায় প্রস্তুতি-১বহুনির্বাচনী-৩০ ১। বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?   (ক) নবাব সিরাজউদ্দৌলা (খ) ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ (গ) নবাব আলীবর্দি খাঁ (ঘ) ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি। ২। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর একশত বছরকে মাৎস্যন্যায়ের যুগ বলা হয়। কারণ তখন-                            (i) দেশে সর্বত্র বিশৃঙ্খলা বিরাজ করত (ii) বড়মাছ ছোট ছোট মাছকে ধরে খেয়ে ফেলত (iii) শাসকবর্গ সুশাসনে অক্ষম ছিল। নিচের কোনটি সঠিক? (ক) (i) ও (ii) (খ) (ii) ও (iii) (গ) (i) ও (iii) (ঘ) (i), (ii) ও   (iii)।                                                                                                                        নিচের অনুচ্ছেদটি পড় ৩ এবং ৪নং প্রশ্নের উত্তর দাও: আশার দাদু তাকে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন যে,বাংলার নবাবকে শাসন কাজের জবাবদিহি করতে হত। তবে তাকে এ কাজে অর্থের জন্য অন্য একট কর্তৃপক্ষের মুখাপেক্ষী থাকতে হতো।                                                                                         ৩। আশার দাদুর বর্ণিত ঘটনায় কোন শাসনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে ?(ক) নবাব শাসন (খ) সুবেদার শাসন  (গ) দ্বৈত শাসন (ঘ) ইংরেজ শাসন। ৪। বর্ণিত ঘটনার ফলে-     (i) দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটে (ii) জনগণ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় (iii)জনগণের মধ্যে বিদ্রোহী মনোভাব জেগে উঠে। নিচের কোনটি সঠিক? (ক) (i) (খ) (ii) (গ) (iii) (ঘ) (i), (ii) ও (iii)।                                                                                                          ৫। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার জনসংখ্যা কত ছিল ? (ক) ৩ কোটি (খ) ৪ কোটি  (গ) ৫ কোটি (ঘ) ৬ কোটি। ৬। পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে? (ক) ১৭৫৭ সালের ২৩জুন (খ) ১৮৫৭সালের ২৩জুন (গ) ১৭৫৭সালের ৩০মার্চ (ঘ) ১৭৭৫সালের ২৬মার্চ । ৭। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার ফলে-(র ) দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় (রর) প্রজারা অতিরিক্ত কর দিতে বাধ্য হয় (ররর) রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা ইংরেজদের হাতে চলে যায়। নিচের কোনটি সঠিক ? ক) (i) (খ) (i) ও (iii) (গ) (i) ও (ii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।                                                                                                                 ৮। ইউরোপের যুদ্ধরত বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে শান্তি চুক্তি হয় কত সালে ?(ক) ১৬৪৮ সালে (খ) ১৬৫৮ সালে (গ) ১৬৭৮ সালে (ঘ) ১৬৯৮ সালে । ৯। ১৮৫৩ সালে বাংলা প্রদেশকে দ্বিখন্ডিত করেছিল কোন ঔপনিবেশিকরা ?(ক) ফরাসি (খ) পর্তুগিজ (গ) ওলন্দাজ (ঘ) ব্রিটিশ । ১০। পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে-                                          (i) ঔপনিবেশিক শক্তির বিজয় (ii) ইংরেজদের শক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে (iii) শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে।নিচের কোনটি সঠিক (ক) (i) (খ) (ii) (গ) (i) ও (iii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।                                                                                        ১১। ভাস্কো-ডা-গামা কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?                                                                      (ক) ফ্রান্স (খ) পর্তুগাল (গ) জাপান (ঘ) ইতালী । ১২। ১২০৬ সালে বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর থেকে ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত বাংলা জুড়ে-                              (র) মুসলিম শাসনের বিস্তার ঘটতে থাকে (ii) মুসলিম শাসনের অবসান ঘটতে থাকে (iii) মুসলিম শাসন তিনটি প্রদেশে বিভিক্ত ছিল। নিচের কোনটি সঠিক ?(ক) (i) ও (iii) (খ) (iii)(গ) (ii)ও (iii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।                                                             ১৩। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়-(i) দেশপ্রেমের চেতনা (ii) শিক্ষার প্রতি উদাসীনতা  (iii) রাজনৈতিক সচেতনতা। নিচের কোনটি সঠিক (ক) (i)  (খ) (ii) (গ) (ii) ও (iii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।  ১৪। ইংরেজ কোম্পানিগুলোর গভর্নর হিসেবে কে হুগলিতে আসেন -(ক) লর্ড ক্যানিং (খ) উইলিয়াম হেজেজ (গ) লর্ড হার্ডিঞ্জ (ঘ) ওয়ারেন হেস্টিংস। ১৫। মৌর্যদের পর ভারতে কোন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ? (ক) গুপ্ত (খ) মোঘল (গ) পাল (ঘ) সেন । ১৬। বঙ্গভঙ্গের ফলে-((i) সাম্প্রদায়িক দ্বন্ধ স্পষ্ট হয় (ii) দ্বি-জাতি তত্তে¡র উদ্ভব হয়  (iii) মুসলিম লীগের জন্ম ত্বরান্বিত হয়।নিচের কোনটি সঠিক (ক) (i) (খ) (i) ও (iii) (গ) (i) ও (ii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।                                                          ১৭। বাংলা বিভক্ত হয় কত সালে ?(ক) ১৮৫৭সালে (খ) ১৯০৩সালে (গ) ১৯০৫সালে (ঘ) ১৯১১সালে । ১৮। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয় কত সালে ? (ক) ১১৭৬ সালে (খ) ১২৭৬সালে (গ) ১৩৭৬সালে (ঘ) ১৪৭৬সালে। ১৯। বাংলায় ইউরোপীয় শক্তির শাসন শুরু হয় কার পতনের মধ্য দিয়ে ? (ক) ইসা খাঁর  (খ) লক্ষণ সেনের  (গ) গোপালের (ঘ) নবাব সিরাজউদ্দৌলার। ২০। অবাধে মুক্তমনে জ্ঞানচর্চার ধারা প্রবর্তন করেন - (i) ডিরোজিও  (ii) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (iii) রাজা রামমোহন রায়। নিচের কোনটি সঠিক (ক) (i) (খ) (ii) ও (iii) (গ) (i)ও (iii) (ঘ) (i), (ii) ও  (iii)।  ২১। ১৭৯১ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস কী প্রতিষ্ঠা করেন ?(ক) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (খ) কলকাতা মাদ্রাসা (গ) সংস্কৃত কলেজ (ঘ) ইংরেজি স্কুল। ২২। ইউরোপে যুগান্তকারী বাণিজ্য কখন শুরু হয়-(ক) ১২শ শতকে (খ) ১৩শ শতকে (গ) ১৪শ শতকে (ঘ) ১৫শ শতকে। ২৩। উইলিয়াম কেরি প্রতিষ্ঠা করেন নিচের কোনটি ?(ক) মুদ্রণ যন্ত্র (খ) কলকাতা মাদ্রাসা (গ) সংস্কৃত কলেজ (ঘ) ইংরেজি বিশ্ববিদ্যালয় । ২৪। ব্রিটিশরা কত সালে বাংলা প্রদেশকে দ্বিখন্ডিত করার পরিকল্পনা নিয়েছিল ? (ক) ১৭৫৩সালে (খ) ১৮৫৩ সালে (গ) ১৯২১ সালে (ঘ) ১৯৩০সালে। ২৫। কে বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালু করেন ?(ক) লর্ড ডালহৌসি (খ) লর্ড ওয়েলেসলি (গ) লর্ড কর্নওয়ালিস (ঘ) লডর্ ক্লাইভ। ২৬। ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি হয় কত সালে ? (ক) ১৬৪৮ সালে (খ) ১৬৪৯ সালে (গ) ১৬৫০ সালে (ঘ) ১৬৫১ সালে। ২৭। ১৭৮১ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস কী প্রতিষ্ঠা করেন?(ক) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (খ) কলকাতা মাদ্রাসা (গ) সংস্কৃত কলেজ (ঘ) ইংরেজি স্কুল। ২৮। ভারতে আসার নৌ-পথ আবিষ্কার করেন - (ক) বখতিয়ার খলজি (খ) লর্ড কর্ণওয়ালিশ (গ) শেরশাহ (ঘ) ভাস্কো-ডা-গামা। ২৯। পাল রাজারা কত বছর বাংলা শাসন করেন ?(ক) দুইশ বছর (খ) তিনশ বছর (গ) চারশ বছর (ঘ) পাঁচশ বছর।                                             ৩০। বাংলা ও ভারতে প্রতিষ্ঠিত ইংরেজ শাসনকে কী বলা হয় ?(ক) ঔপনিবেশিক শাসন (খ) ব্রিটিশ শাসন (গ) মোঘল শাসন (ঘ) মুসলিম শাসনউত্তর ঃ ১(খ), ২(গ), ৩(গ), ৪(গ), ৫(ক), ৬(ক), ৭(ঘ), ৮(ক), ৯(ঘ), ১০(ঘ), ১১(খ), ১২(ক), ১৩(গ), ১৪(খ), ১৫(ক), ১৬(ক), ১৭(গ), ১৮(ক), ১৯(ঘ), ২০(খ), ২১(গ), ২২(গ), ২৩(ক), ২৪(খ), ২৫(ঘ), ২৬(ক), ২৭(খ), ২৮(ঘ), ২৯(গ), ৩০(ক)।                                                                                                                                                  লেখক: শিক্ষক, হাইমচর মহাবিদ্যালয়, হাইমচর, চাঁদপুর।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি