ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৩৩:২৮

যে রাশির পুরুষের প্রতি মেয়েরা দুর্বল

যে রাশির পুরুষের প্রতি মেয়েরা দুর্বল

আমরা প্রত্যেকেই চাই এমন একজন সঙ্গী, যে বন্ধুর মতো সব সময় আমার পাশে দাঁড়াবে। নারী হোক বা পুরুষ, এমন কেউ কেউ থাকেন যার মধ্যে এমন কিছু থাকে যা আমাদের আকর্ষণ করবেই। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পছন্দ-অপছন্দ, ব্যক্তিত্বের ধরণ সবকিছুই জন্মরাশির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। বিশেষ করে সঠিক জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে নির্ভর করতেই হয় রাশিফলের ওপর। তবে একজন মানুষ ঠিক কী দেখে অন্য একজনের প্রতি আকর্ষিত হয় তা স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তারপরেও জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, অন্যকে আকর্ষণ করতে পারার ক্ষমতা জন্মরাশির মধ্যেই নিহিত। আজ আলোচনা করব এমন তিনটি রাশি নিয়ে, যে সব রাশির পুরুষদের প্রতি মহিলারা সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত হন। মিথুন আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক হয়ে থাকেন, তাহলে নিঃসন্দেহে আপনি ভাগ্যবান। কারণ নারীদের আকর্ষণ করার ক্ষমতা আপনার সহজাত। মিথুন রাশির পুরুষরা অত্যন্ত রোমান্টিক প্রকৃতির হন। আর এ কারণেই মেয়েরা সহজেই এদের প্রেমে পড়ে যান। এরা খুব ভালোভাবেই জানে কীভাবে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে হয়। তাই মেয়েরা সহজেই এদের বিশ্বাসও করে ফেলেন। সিংহ সিংহ রাশির পুরুষরা খুব ভালো মনের মানুষ হন। এদের রোমান্টিক প্রকৃতি সহজেই মেয়েদের আকর্ষণ করে। মেয়েদের সঙ্গে এরা সহজেই বন্ধুত্ব করতে পারেন। আর ছেলেদের এই সব গুণের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হন মেয়েরা। তুলা তুলা রাশির পুরুষরা সবার চেয়ে নাকি আলাদা হয়ে থাকেন। তাদের স্টাইল অন্যদের চেয়ে একেবারে আলাদা। আর এই অন্যরকম স্টাইলের প্রতিই সহজে আকৃষ্ট হন মেয়েরা। নানা রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সমাহার থাকে এদের মধ্যে। ভালোবাসা ও কর্তব্যের মধ্যে ব্যালান্স রাখতে পারেন এরা। তাই এদের সঙ্গে কিছু সময় কাটালেই এদের প্রতি মেয়েদের আলাদা একটা আকর্ষণ তৈরি হয়ে যায়। একে// এআর
বিয়ের আগে সঙ্গীর যে ৬ বিষয় জানা উচিত

বিয়ের আগে দু’জন দু’জনকে চেনা বা দুজনের বোঝাপড়ার বিষয়টি খুবই গুরত্বপূর্ণ। কেননা বিয়ের পর একটা দীর্ঘ পথ পারি দিতে হবে একইসঙ্গে। মূলত সম্পর্ক করে বিয়ে করলে এই বিষয়ে কিছুটা হলেও সহজ হয় কিন্তু পরিবার থেকে বিয়ে হলে সঙ্গী সম্পর্কে কিছুই অভিজ্ঞতা থাকে না। এক্ষেত্রে একে অপরের সঙ্গে কথাবার্তার মাধ্যমেই বিষয়টা সহজ করে নেওয়া যায়। সুতরাং বিয়ের পূর্বেই সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধান করে নিন। বিয়ের আগে সঙ্গীর যে ৬ টি বিষয় জেনে নেওয়া প্রয়োজন সেগুলো তুলে ধরা হলো হলো- ১) নিজের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন কাউকে বিয়ে করার আগে অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিত তার নিজের পরিবারের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রয়েছে। এতে করে তার স্বভাব, আচার-আচরণ এবং তার মা-বাব, ভাই-বোনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন তা অনেকাংশে প্রকাশ পাবে। ২) তার ভবিষ্যৎ চিন্তা কি যাকে বিয়ে করার কথা চিন্তা করছেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কেমন তা জেনে অত্যন্ত জরুরী। এতে করে বুঝা যাবে সংসার চালানোর ব্যাপারে কি ধরণের চিন্তা করেন এবং তার জীবন সম্পর্কে পরিকল্পনা কেমন। ৩) তিনি কোন ধরণের পরিবার চান বর্তমান যুগে অনেকেই ছোট পরিবার পছন্দ করেন। সুতরাং আপনার সঙ্গী আলাদা থাকতে চান না কি সপরিবার থাকতে পছন্দ করেন। তাই যার সাথে বিয়ের কথা ভাবছেন তিনি কোন ধরণের পরিবার চান তা জেনে নিন। ৪) সঙ্গীর অর্থনৈতিক চিন্তা বিয়ের পর দম্পতিদের মধ্যে ঝগড়া হওয়ার সবচাইতে বড় কারণ হচ্ছে অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে। তাই এই ব্যাপারে একটু জেনে নেওয়া দরকার। এর অর্থ এটা নয় যে শুধু ধনী ব্যক্তির সঙ্গেই বিয়ে কথা চিন্তা করা উচিত। ব্যাপারটি এমনভাবে নেওয়া উচিত যে সঙ্গী টাকা-পয়সা কিভাবে খরচ করেন, তার সঞ্চয়ের হাত কেমন ইত্যাদি। ৫) মূল্যবোধ কেমন বিয়ের আগে আপনার সঙ্গীর মূল্যবোধ কেমন তা জেনে নিন। কোনটা ভালো কোনটা মন্দ তা বিচার করার বোধ আছে কি না তা যাচাই করে দেখুন। ৬) বিয়েতে সম্মতি আছে কি না বিয়ের আগে প্রত্যেক ছেলে-মেয়ের জানা উচিত এই বিয়েতে সম্মতি আছে কি না। কেননা পরিবারের কথা ভেবে হয়তো রাজী হয়ে যাচ্ছে কিন্তু পরবর্তীতে সেটি অশান্তির রূপ নিতে পারে। তাই এই বিষয়টা জেনে নেওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেএনইউ/ এআর  

সুখী হওয়ার পাঁচ উপায়

সবাই তো সুখী হতে চায়৷ যদিও সুখের সংজ্ঞা একেক জনের কাছে একেক রকম৷ তবে সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা সত্যিকার অর্থে সুখী, তারা নীচের এই পাঁচটি গুণের অধিকারী৷ দেখে নিন সেগুলো কী কী৷ ক্ষমা করার মানসিকতা রাগ, দুঃখ, অভিমান, ঘৃণা– ভুলে যান৷ কেউ আপনাকে কখনও কোনও কষ্ট বা দুঃখ দিয়ে থাকলে তাকে ক্ষমা করে দিন৷ শেষ পর্যন্ত এতে নিজেরই ভালো হবে, শান্তি পাবেন মনে৷ বিশ্বাস রাখুন নিজের যোগ্যতা এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস রাখুন৷ কারণ আত্মবিশ্বাস ছাড়া সুখকে কাছে পাওয়া সম্ভব নয়৷ এর সঙ্গে আপনাকে অবশ্যই আশাবাদী হতে হবে৷ আশাই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে! আমার দ্বারা হবে না, পারবো না, আশা করে কী লাভ?– এ ধরনের নেতিবাচক চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে৷ কৃতজ্ঞতা বোধ জীবনে যা পেয়েছেন কিংবা যা পাননি, তা মেনে নিন৷ সাফল্য আসবেই ভেবে নিয়ে নতুন কিছু করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন৷ সুখ এবং দুঃখ জীবনেরই অঙ্গ৷ তাই কষ্ট পেলে ভেঙে পড়বেন না৷ দুঃখকে মোকাবেলা করতে হবে৷ তাছাড়া দুঃখ কী তা না জানলে আসল সুখের মূল্য বুঝতে পারবেন কি? কৌতূহল নতুন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করায় আগ্রহী হতে হবে৷ জীবনের একঘেয়েমি দূর করতে চাই নতুন অভিজ্ঞতা৷ আর এর মধ্য দিয়েই খুঁজে বের করা যাবে বা বোঝা যাবে কে কী চায়! নিজেকে ভালোবাসুন নিজে কী করছেন, কী করতে পারেন বা কতটুকু করতে ভলো লাগে, সবকিছু নিয়েই ইতিবাচক চিন্তা করুন৷ নিজে থেকে আশা ছেড়ে দেওয়া মানে ইচ্ছে করে ভাগ্যকে না করা বা মেনে না নেওয়া৷ যে মানুষটি শুধু নিজের যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে, সে-ই কেবল নিজেকে ভালো বাসতে পারে এবং অন্যকেও ভালোবাসা দিতে পারে৷ জার্মান এক জ্যোতিষী তার বিশাল অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে এ সব তথ্য জানিয়েছেন৷ তার কথায়, সুখী হওয়ার মূলমন্ত্রই হচ্ছে, বাস্তবকে মেনে নিয়ে সামনের দিকে চলা৷ যে সব মানুষ ইতিবাচক চিন্তা করেন, তারাই জীবনে সত্যিকারের সুখী ও সফল হয়েছেন! তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে। একে// এসএইচ/

ছেলেদের যে ৬ টি বিষয় অপছন্দ মেয়েদের

নিজের প্রেমিক কিংবা সঙ্গীর ব্যক্তিত্বে এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করে না। কেননা একেক জনের পছন্দ একেক রকম। তাই কিছু বিষয় ছেলেদের পছন্দ থাকলেও মেয়েদের সেটা অসহ্য মনে হয়। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের কোন বিষয়গুলো মেয়েদের অপছন্দ- ১) অগোছালো ছেলেরা খুব অগোছালোর হয়ে থাকে সত্যিই কিন্তু যখন নিজের দিকেই তাকানো সময় পায় না এ সময় ছেলেদের দেখতে খুবই খারাপ লাগে। মেয়েরা চায় তার প্রেমিক কিংবা স্বামী পরিপাটি হয়ে সুন্দরভাবে থাকুক।   ২) অতিরিক্ত যুক্তিবাদী প্রেমিক কিংবা স্বামীর সঙ্গে যদি কোন বিষয় নিয়ে তর্ক লাগে তখন দেখা যায় ছেলেরা সেই বিষয়ে বিভিন্ন যক্তি তুলে ধরছেন যা মেয়েদের কাছে ভীষণ অস্বস্তী মনে হয়। অতিরিক্ত যুক্তিবাদীর কারণে দেখা যায় ঝগড়া আরও বেড়ে যায়। ৩) অতিরিক্ত স্টাইল অনেক ছেলেই স্টাইল করতে ভীষণ পছন্দ করে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় হলে সেটা মেয়েরা পছন্দ করে না। যেমন- চুল অনেক বড় করে মেয়েদের মত বেধে রাখে, হাতে চুড়ি পরতেও দেখা যায়, এক কানে দুল পরে থাকে কিংবা বিভিন্ন ইংলিশ স্টাইলে চুল কাটে। আবার দেখা যায় হাতে চেইন সিস্টেম ব্যাচ পরতে। ছেলেদের এসব বিষয় মেয়েদের একেবারেই অপছন্দ। ৪) জেদ করা ছেলেরা ছোটখাট বিষয় নিয়েও অনেক জেদ করে। যেটা মেয়েদের অপছন্দ। ছেলেরা কোন বিষয় নিয়ে মেয়েদেরকে কিছু বলে সেই বিষয় যদি মেয়েরা ‘না’ করে, তাহলে সেই বিষয়টা ছেলেরা আরও মেয়েদের উপর চাপায় দেওয়ার চেষ্টা করে। অর্থাৎ সেই বিষয়টার উপর জেদ খাটানোর চেষ্টা করে। এতে মেয়েরা খুব বিরক্তবোধ করে। ৫) সবসময়  ক্রীড়া বিষয়ক চ্যানেল দেখা দেখা যায়, ছুটির দিনগুলোতে একই সঙ্গে বাসায় সময় কাটান। এ সময় মেয়েরা একসঙ্গে বসে সিনেমা দেখতে খুব পছন্দ করেন কিংবা একসঙ্গে বসে আলাদা সময় কাটাতে চান। কিন্তু মাঝে মাঝে ছেলেদের তা করতে দেখা যায় না। ছেলেরা ছুটি পেলেই ক্রীড়া বিষয়ক চ্যানেল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরেন। এটা মেয়েদের খুবই অপছন্দ লাগে। ৬) অতিরিক্ত পরামর্শ দেওয়া অতিরিক্ত পরামর্শ দেওয়াটা মেয়েদের কাছে খুবই বিরক্ত। অনেক ছেলেই আছে যারা ছোট বিষয়গুলোতেও বেশি বেশি করে পরামর্শ দিয়ে নিজেকে খুব পণ্ডিত মনে করে। এই ধরনের ছেলেকে মেয়েরা অপছন্দ করে। এ সংক্রান্ত আরও খবর মেয়েদের যে ৭ অভ্যাস ছেলেদের অপছন্দ নারীর যে ৯ বিষয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখে পুরুষ কেএনইউ/ এআর    

মেয়েদের যে ৭ অভ্যাস ছেলেদের অপছন্দ

মেয়েদের কিছু অভ্যাস ছেলেদের ভীষণ অপছন্দ। বদঅভ্যাস কম-বেশি সবারই থাকে। বিশেষ করে ছেলেদের বদঅভ্যাস বেশিই থাকে। কিন্তু দেখা যায় মেয়েদেরও কিছু কিছু বদঅভ্যাস রয়েছে যা ছেলেরা একেবারেই পছন্দ করে না। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক মেয়েদের কোন বদঅভ্যাসগুলো ছেলেদের অপছন্দ- ১) মেয়েরা কথায় কথায় ঝগড়া করা কথাটি খাঁটি সত্য কথা। কারণে-অকারণে অযথা তারা পার্টনারের সঙ্গে ঝগড়া করে। মেয়েদের এই অভ্যাস ছেলেরা খুবই অপছন্দ করে। এছাড়া অনেক মেয়েই আছে যারা যেকোনো কথাকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে ঝামেলা সৃষ্টি করতে চায় তাদের ছেলেরা পছন্দ করে না। এসব মেয়েরা তাদের জীবনসঙ্গী হলে কখনোই সে সুখী হবে না, এটাই ভাবে ছেলেরা।   ২) যেসব মেয়ে কথায় কথায় কান্নাকাটি করে, তাদেরকেও ছেলেরা একদমই সহ্য করতে পারে না। তাই অকারণে কান্নাকাটি করার অভ্যাস পরিহার করা প্রয়োজন। না হলে ছেলেরা খুবই বিরক্তবোধ করে। ৩) অনেক মেয়েদেরই ঘামের সমস্যা থাকে। এই ঘামের গন্ধ ছেলেরা একদমই পছন্দ করে না। তাই পার্টনারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে যাওয়াই ভালো। পারলে ভালো পারফিউম দিয়ে যান।  ৪) কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। তাদের এই অভ্যাস কোনোভাবেই ছেলেরা মেনে নিতে পারে না। ছেলেরা কেবল অপছন্দ করে বলেই নয়, নেশাজাতীয় দ্রব্য কারো জন্যই ভালো নয়। কাজেই সে রকম কোনো অভ্যাস থাকলে তা ছেড়ে দেওয়াই উত্তম। ৫) আড়ালে কথা বলা মেয়েদের স্বভাবজাত। কেউ সামনে এলে তার সঙ্গে এমন আচরণ করে যেন তার মতো ভালো কেউ নেই। অথচ সেই মানুষটি চলে গেলেই তার সম্বন্ধে বদনাম শুরু করে দেয়। এই অভ্যাস কোনো ছেলেরই পছন্দ না। সুতরাং এই অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। ৬) অনেক মেয়েই অলস প্রকৃতির হয়। সবসময় কাজে অনীহা, অন্যের ঘাড়ে কাজ চাপিয়ে দেওয়ার স্বভাবের মেয়েদের একেবারেই পছন্দ করে না ছেলেরা।      ৭) মেয়েরা অনেক বেশি শপিং করে এটা সত্যি। কিন্তু অনেক মেয়ে আছে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় শপিং করে তাদেরকে ছেলেরা পছন্দ করে না। কেএনইউ/ এআর    

প্রেমের প্রথম সাক্ষাতে যা বলবেন না

প্রেমের প্রথম সাক্ষাত! কিভাবে ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে কথা বলবে, কি ধরণের আচরণ তাঁর পছন্দ হবে, কোন ধরণের কথায় সে সুধা আহরণ করবে, তা ভাবতে ভাবতে স্নায়ুতে কাঁপন ধরেনি এমন প্রেমিক যুগল পাওয়া ভার। কথায় আছে, ‘পেহলা দর্শন ফের গুন বিচারি, অথবা ‘ফাস্ট ইমপ্রেশান ইজ দ্য বেস্ট ইমপ্রেশান‘। প্রথম সাক্ষাতে পরষ্পর পরষ্পরকে তাক লাগিয়ে দিতে প্রথমেই যুগলরা নজর দেয় পোশাকের উপর। এরপর যে বিষয়টির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তা হলো সাক্ষাতে কি কথা বলবে, বর্তমান সম্পর্কে বলবে নাকি অতীত সম্পর্কে বলবে নাকি প্রথম সাক্ষাতেই ভবিষ্যতের কথা বলবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান অনেকে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম সাক্ষাতে যদি পরষ্পর পরষ্পরের প্রতি ‘গ্রিন সিগনাল’ মনোভাব দেয়, তবে সে সম্পর্ক বেশিদিন টেকে। প্রথম সাক্ষাতে যে কথাগুলো একেবারেই বলা যাবে না তা হলো রাশভারী ও গুরুগম্ভীর কথা। যেমন, ‘আচ্ছা বলো তো, সম্পর্কের মধ্যে তুমি কি চাও? আগের সম্পর্কটা তুমি কেন ব্রেক আপ করেছো? কিংবা আচ্ছা বলো তো জীবনের অর্থ কি?’   ডেটিং প্রশিক্ষক জেমস প্রিস বলেন, প্রথম সাক্ষাতে যত বেশি কৌতুকপূর্ণ কথাবার্তা বলতে পারবে, প্রেম তত সুদৃঢ় হবে। এতে একজন অপরজনের প্রতি আরও বেশি আকৃষ্ট হবে। প্রথম সাক্ষাতের প্রশ্নগুলো যেমন সহজ-সাদামাঠা হবে, এর উত্তরও হতে হবে ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, প্রথম সাক্ষাতে যতবেশি সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও ইতিবাচক কথা বলা হবে, বিপরীতজনও অপরজনের প্রতি সেই দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করবে। তাই প্রশ্ন করুন, তাদের পরিবার সম্পর্কে, তার ছুটির দিন সম্পর্কে, তার পছন্দ-অপছন্দের বিষয়ে আর কোন বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি টানে। তাদের মধ্যে এমন বিষয় নিয়ে কথা হওয়া উচিত, যাতে দুজনেরই সমান আগ্রহ রয়েছে। এতে তাদের দুজনের চেহারায় উজ্জ্বল রেখা ফুটে ওঠবে। শুধু বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেই হবে না, বরং প্রিয়তমা অথবা প্রিয়তম কথা বলার সময় পূর্ণাঙ্গ মনোযোগ দিতে হবে। মনে রাখতে হবে ভারী বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলেই, অপরজন আপনার উপর নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে পারবে।   তাই নোংর রাজনীতি, খারাপ আবহাওয়া নিয়ে কথা বলা যাবে না। অথবা এটা বলা যাবে না যে, সে এখনো সিঙ্গেল কেন? মনে রাখতে হবে, নিজেকে খুব রাশভারী ও জ্ঞানী প্রমাণ করতে যাওয়া সবচেয়ে বড় বোকামির কাজ। এ ছাড়া ‘জীবনটা উপভোগের নয়, কিংবা জীবন সংগ্রামের কিংবা জীবনের অসন্তুষ্টির বিষয়গুলো উপস্থাপন’ এগুলো সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। অতীতে ডেটের সঙ্গে বর্তমান ডেটের কোনো তুলনা, কিংবা যৌন সম্পর্কিত কোনো কথাবার্তা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়। তাই সম্পর্কে এ বিষয়গুলো অবশ্যই পালনীয়।  সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট এমজে/

নারীর যে ৯ বিষয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখে পুরুষ

প্রেমিক কিংবা সঙ্গীর প্রতি নারীর অভিযোগের অন্ত নেই। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ তাকে কেয়ার না করার কিংবা তার প্রতি খেয়াল না রাখার। অনেক নারীই এই কারণে তাঁর স্বামী, বন্ধু বা পছন্দের মানুষটির প্রতি ভীষণ বিরক্ত। তবে নারীরা নিজেরাও জানেন না, পুরুষ তাঁদের খুব সূক্ষ্ম কিছু বিষয় খেয়াল করেন। তবে পুরুষই এই পর্যবেক্ষণগুলো প্রকাশ করেন না অবলীলায়। প্রকাশ করলে নারী আরও সচেতন হবেন নি:সন্দেহে। নারীর যে ৯ টি বিষয় পুরুষ খেয়াল রাখেন, সেগুলো তুলে ধরা হলো- *মুক্তোঝড়া হাসি : কথায় আছে, হাসলে মুক্তো ঝড়ে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বা সেলফি তুলতে গিয়ে কৃত্রিম বাঁকা হাসি নয়, নারীর সহজাত, সুন্দর হাসি অনেক পুরুষকেই আকর্ষণ করে। পুরুষের আড্ডায় সৌন্দর্যের বর্ণনায় নারীর হাসিই সবসময়ই প্রাধান্য পেয়ে থাকে। *লাবন্য : নারীর লাবন্য পুরুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। তার শরীরের ঘ্রাণের মতো অনেক সূক্ষ্ম বিষয়ও অনেক পুরুষ খেয়াল করে থাকেন। অনেকে মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করেন, একজন নারী কোন পারফিউম বা শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। ভিন্ন ভিন্ন দিনে ঘ্রাণের পার্থক্য বা মাত্রাও অনেকে খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করে থাকেন। এতে নারীর ব্যাক্তিত্বও ফুটে ‍উঠে। * মোহনীয় কাঁধ : সৌন্দর্যের বর্ণনায় নারীর কাঁধও বেশ গুরুত্ব বহন কেরে। প্রতিটি কাজ করার সময় কাঁধের নানামুখী ব্যবহার খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়াল করে থাকেন পুরুষেরা। কাঁধের ওপর ঘন কালো চুল পড়ে থাকা খেয়াল করেন তাঁরা। কিংবা লজ্জা বা কৌতুক করার সময় মুখ লুকাতে কাঁধের নাটকীয় ব্যবহারও পুরুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। *গ্ল্যামার : গ্ল্যামার হচ্ছে নারীর ভেরতকার সৌন্দর‌্য। যা কথা বলা, চাল চলন, আচার আচরনের মধ্যে ফুটে উঠে। স্থান কাল পাত্র ভেদে কথা বলার ভঙ্গির সঙ্গে গ্ল্যামার ফুটে উঠে। যা পুরুষকে অনেক বেশি আকৃষ্ট করে। *দৃষ্টি : কথায় আছে দৃষ্টিতেই বহু কিছুর সৃষ্টি। প্রথম দৃষ্টিতে প্রেমে পড়ার কথা নতুন কিছু নয়। নারীর চাহনি প্রেমিক কিংবা সঙ্গীকে পাগল করে দেয়।    *চুলের ছাঁট : নারীর চুলের প্রতি আকর্ষণ অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই সাধারণ ব্যাপার। অনেকে এ পছন্দের বিষয়টি প্রকাশও করে থাকেন। মুখায়বয়বের সঙ্গে চুলের ছাটে পরিবর্তন নারীকে করে তোলে আরও মোহনীয়। *পুরুষের প্রতি আগ্রহ : নারীরা আকর্ষণীয় বা মেধাবী পুরুষকে খেয়াল করেন। হয়তো বারবার তাকান। তাঁর সঙ্গে যদি স্বামী অথবা প্রেমিক থাকেন, তখনো এমনটা হতে পারে। এই যে পুরুষের প্রতি আগ্রহ ও তাঁর প্রকাশ, এই বিষয়গুলো পুরুষরা লক্ষ করে থাকেন। *প্রাণবন্ত উপস্থিতি: আড্ডায় কিংবা ডেটে একজন নারী কতটা প্রাণবন্তভাবে কথা বলতে পারেন, নিজের উপস্থিতি জানান দিতে পারেন এটাও পুরুষের আকর্ষণের অন্যতম বিষয়বস্তু। অনেক নারীর বিভিন্ন বিষয়ে, বিভিন্ন পরিবেশে প্রাণবন্তভাবে কথা বলার দক্ষতা রয়েছে। বেশ কিছু মানুষকে একই সঙ্গে আনন্দ দেওয়ার বা সবার মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতাও প্রবল। এগুলো একজন নারীর উদ্যম এবং বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ, যা লক্ষ করে থাকেন একজন পুরুষ। *গোপন ভাষা : ইশারা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ পুরুষরা লক্ষ করে থাকে। তবে অনেক নারীর অভিযোগ, তারা এগুলো দিকে খেয়াল করে না। কেবল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বা চোখে চোখে রেখেই অনেকেই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট। / এআর /  

তুলনার অভ্যাস বিষিয়ে দেয় ‘সম্পর্ক’

ভালোর কোনো শেষ নেই। তাই শ্রেষ্ঠ খোঁজার চেষ্টাই বৃথা। বরং তুলনা টানাটানির ফাঁকে অনেক সুখের মুহূর্ত কোথায় যে হারিয়ে যায়, তা খেয়াল রাখা দরকার। আবার দু’জন মানুষের মধ্যে কে বেশি ভাল, কে কম এ তুলনা টানা বর্তমানে নতুন ঘটনা নয়। তবে সময়টা বদলাচ্ছে, গতি বাড়ছে জীবনের। এর ফলে সমস্যার মেঘও ঘনীভূত হচ্ছে। তাই আরো সতর্ক হওয়া দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। আমাদের মাঝে যত বেশি তুলনা আসবে, সম্পর্কে ততই টান পড়তে পারে। এ সম্পর্কের টানাপড়নে ঘটে যেতে পারে কঠিনতম দুর্ঘটনাও। যেমনটা ঘটেও গিয়েছে অনেক বার। কখনও প্রিয় বন্ধুর নতুন বান্ধবীর সঙ্গে তুলনা শুরু হলে ভেঙেছে মন। কখনও আবার সন্তানের জন্য কে কত বেশি কাজ করেছে, তা নিয়ে তুলনা করে নষ্ট হয়েছে পারিবারিক আহ্লাদের সময়টুকু। স্কুল, অফিস, বাড়িতে এমন ঘটনা অহরহগ ঘটছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিস্থিতি বিভিন্ন দিক থেকে আসে। সাবধানে হয়ে না চললে ভয়ঙ্কর হবে পরিস্থিতি। স্কুলে কার হাতের লেখা বেশি ভাল, তা নিয়ে শিক্ষর্থীদের মায়ের মধ্যে তুলনার লড়াই হয়। এ রেষারেষির ফলে দুই মায়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে মুখ দেখাদেখি। ভারতের বিখ্যাত মনরোগের চিকিৎসক অনিরুদ্ধ দেব বলেন, তুলনা টানলে আসলে এক জনকে ওপরে তুলতে গিয়ে অন্য জনকে নীচে নামানো হয়ে যায়। তা কারোর পক্ষেই ভালো লাগে না। ছোটদের ক্ষেত্রে তা মানসিক বিকাশের জন্য অতি ক্ষতিকর। তিনি বলেন, এর কারণে শুধু সম্পর্কই নষ্ট হয় না, হতে পারে বড় ধরণের ক্ষতি। অন্যদের সঙ্গে বারবার তুলনা করা যে কোনো মানুষের মধ্যে হিংসা ঢোকে। বড় হয়ে যা কর্মক্ষেত্রে এগোনোর সময়ে বড় বাধা হতে পারে।  তার মতে, কখন কোন আচরণে কাউকে আঘাত করে ফেলছি, সেটা সবার আগে খেয়াল করা প্রয়োজন। আনন্দবাজার আর / এআর

ঝগড়ার পরও যেভাবে গড়বেন মিষ্টি সম্পর্ক

সম্পর্ক থাকলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হবে, এটাই স্বাভাবিক। সেটা স্বামী-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক হতে পারে। তবে কথায় আছে, যত ঝগড়া তত প্রেম। কেননা ঝগড়া করার সময় ঠিকই ঝগড়া করলেন। এরপর যখন কথা বলা বন্ধ থাকে তখন দুজন দুজনের মধ্যে আবেগ অনেকটাই বেড়ে যায়। এ সময় সম্পর্ক হয় আরও গাঢ়। তবে কিছু কিছু সময় দুজনের কেউ একজন ঝগড়ার পর মধুর সম্পর্কে ফিরে আসতে পারেন না। সেক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে মিষ্টি সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব। ঝগড়ার বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন বুকের ভিতর অভিমান জমিয়ে রেখে কষ্ট পাওয়া কি দরকার। বরং ঝগড়ার পরও সম্পর্ক আবার নতুন করে মধুরতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করুন। ঝগড়ার বিষয়টি যেটাই হোক না কেন মিটিয়ে ফেলবেন। এর রেশ টেনে পরবর্তীতে আর ঝগড়া করবেন না। ক্ষমা চাইতে হবে ক্ষমা চাইলে কেউ ছোট হয়ে যায় না, বরং এতে উদার ও বড় মনের পরিচয় মেলে। এতে করে দুজনের প্রতি শ্রদ্ধাও বাড়বে, সম্পর্কও হবে দীর্ঘস্থায়ী। তাই ভুল যারই হোক না কেন একজন অপরজনের কাছে ক্ষমা চয়ে নিন। অতীতে মধুর সম্পর্ক মনে করুন ঝগড়ার পর মন অশান্ত থাকে। ঠিক এ সময় অতীতে আপনাদের একসাথে কাটানো মধুর সম্পর্ক মনে করেন এবং সঙ্গীর সাথেও শেয়ার করুন। দেখবেন তারও মন ভালো হয়ে যাবে। কথা শুনুন সম্পর্ক ঠিক রাখতে হলে ঝগড়ার সময় যে কোন একজনকে ঠাণ্ডা থাকতে হবে। তা না হলে ঝগড়ার পরবর্তীতে সম্পর্ক বজায় থাকবে না। তাই ঝগড়া করার সময় আপনি থেমে যান, তার কথাগুলো শুনুন। ঝগড়ার সময় জোর করবেন না মনে রাখবেন জেদ করে কিংবা জোর করে কোনো কিছুই হয় না। যদি সঙ্গী আপনার মতো চিন্তা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে জোর করে নিজের মতো করে ভাবতে বাধ্য করবেন না। তিনি ঝগড়ার পর যখন শান্ত হবেন তখনই তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সহজ করে নিন। নতুবা পরবর্তীতে আবারও ঝগড়ার সূচনা হবে। সূত্র : আজকাল। কেএনইউ/ এআর   

হাতের দুটি রেখা থেকেই বোঝা যাবে সম্পর্ক কেমন

প্রাচীনকাল থেকেই জ্যোতিষিরা হাত দেখে ভাগ্য গণনা করে আসছেন। তাদের মতে, হাতের রেখাতেই রয়েছে ভবিষ্যৎ। বিষয়টি অনেকেই বিশ্বাস করেন আবার অনেকেই করেন না। তবে এটা ঠিক যে হাতের রেখা থেকেই একটি মানুষ সর্ম্পকে অনেক অজানা তথ্য বলে দেওয়া সম্ভব৷ হাতের রেখা গুলি দেখতে প্রায় একই রকম হলেও প্রত্যেকটি রেখা একে অপরের থেকে আলাদা এবং প্রত্যেকটি রেখার আলাদা তাৎপর্য রয়েছে৷ আর, এই রেখার মধ্যেই থাকে হার্ট-লাইন৷ যা আপনার প্রেম এবং সর্ম্পকের কথা সহজেই বলে দিবে৷ আপনার পার্টনারের হাতে যদি রেখাটি একই লাইন বরাবর থাকে তাহলে আপনি ভাগ্যবান৷ এ ধরনের ব্যাক্তিরা সিরিয়াস এবং কনস্টান্ট রিলেশনসিপ পছন্দ করেন৷ এছাড়া, বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন হন৷ কোন বিষয়কে যুক্তি দিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করতে পছন্দ করেন৷ মানুষ হিসেবে এরা সেনসেবেল হন এবং অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিতে পছন্দ করেন৷ বাঁ হাতের নীচের দিকে রেখাটি থাকলে- এই ধরনের মানুষেরা নিজের থেকে বয়সে বড় এবং জ্ঞানী পার্টনার এরা পছন্দ করেন৷ প্রেমের দিক থেকে এরা হন বেশ দক্ষ ও রোমান্টিক ধরনের৷ সমাজের বাধা ধরা নিয়মকে এনারা তোয়াক্কা করেন না৷ বেশিরভাগ সময় নিজের সিক্সথ সেনসকে কাজে লাগান এবং ভরসা করেন৷ বাঁ হাতের উপরের দিকে রেখাটি থাকলে- সিরিয়াস রিলেশনসিপ খুব একটা পছন্দ করেন না৷ প্রেমকে জীবনের ভাল থাকার একমাত্র কারণ বলেও মনে করেন না৷ নিজের থেকে বয়সে ছোট বা অন্য ধর্মের মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন৷ নিজেকে নিয়ে জীবনের প্রতি পদক্ষেপেই আত্মবিশ্বাসী হন৷ এই গুণের জন্যই এরা জীবনের যে কোন পরিস্থিতিকে খুব সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারেন৷ সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/ এআর

পুরুষের যেসব বিষয় পছন্দ নারীদের

সাধারণত পুরুষের ধারণা টল-ডার্ক-হ্যান্ডসাম এই তিনটি গুণ হলেই সে যে কোন নারীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু বর্তমান ফ্যাশনের নিরিখে নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষের সেই ধারণায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। মনের মানুষটি চকোলেট বয় হোক কিংবা মাচো ম্যান, নারীদের জন্য সেসবই হল গৌণ্য। আসলে পুরুষদের অন্য কয়েকটি বিষয়ই মহিলাদের বেশি আকর্ষণ করে। জেনেনিন সেই বিষয়গুলো : পোশাক নিয়ে কোনও মন্তব্য নয় গার্লফ্রেন্ডকে নিজের পছন্দের মতো পোশাক পরতে দিন। যদি সেই পোশাকের প্রশংসা করতে পারেন তাহলে খুবই ভালো। তবে ভুল করেও নাক সিঁটকোবেন না। অনেক পুরুষেরই পোশাক নিয়ে নানান অভিযোগ থাকে। যা মেয়েদের একেবারেই পছন্দ নয়। নারীর পেশাককে সম্মান করুন আজকালকার মহিলারা পরনির্ভরতায় বিশ্বাসী নন। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাধীনভাবেই বাঁচতে ভালোবাসেন। তাই পড়াশোনা, খেলাধুলো বা মডেলিং করে মনের মতো পেশাটি বেছে নন। প্রতিযোগিতার বাজারে একটি চাকরি পেতে কিংবা ব্যবসা করতে যথাসম্ভব পরিশ্রমও করেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা আশা করেন সঙ্গীটি তাঁর পেশার প্রশংসাই করবেন। তাঁর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনাও করবেন। কর্মক্ষেত্রে কীভাবে আরও উন্নতি করা যাবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেবেন। কোনও পুরুষ ঠিক যেমন নিজের পেশাকে ভালোবাসেন, তেমনই গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রীর পেশাকেও সম্মান করবেন। আবেগপ্রবণ হতে দ্বিধা করবেন না এমন কোনও স্পর্শকাতর বিষয়, যা হয়তো আলোচনা করতে গিয়ে আপনার চোখে জল চলে আসতে পারে। আসলে আসুক। লজ্জা পাবেন না, প্রিয়জনের থেকে তো কিছু লুকোনোর নেই। তাই আপনি যদি পার্টনারের সঙ্গে মন খুলে কথা বলেন আর তাতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, তাতে খুশিই হবেন আপনার প্রিয় মানুষটি। অতীত ঘাঁটবেন না পার্টনারের অতীত নিয়ে অযথা জলঘোলা করলে সম্পর্কে বোঝাপড়ার অভাব হতে পারে। তাই যা হয়ে গিয়েছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। বরং আগামী দিনগুলো কীভাবে সুন্দর করা যায়, তা ভাবুন। জোর করবেন না নারী যে কাজটি করতে ইতস্তত বোধ করেন, তা নিয়ে জোর করবেন না। বিশেষ করে যৌনজীবনের ক্ষেত্রে। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে কে-ই বা ভালবাসে? অকারণ সন্দেহ কর্মক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিটি কে? কিংবা ওই বন্ধুর সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠতা কেন? এসব প্রশ্ন করে নিজের মনকে অকারণ উত্তেজিত করে তোলার মানে হয় না। অকারণে সন্দেহ বা রাগ করা কোনও নারী পছন্দ করেন না। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা আর বিশ্বাসটাই প্রয়োজন। পার্টনারের পরামর্শ নিন কাজ কিংবা পারিবারিক ক্ষেত্রে কোনও বিষয়ে সমস্যায় পড়লে পার্টনারের সঙ্গে আলোচনা করুন। তাঁর মতামত শুনুন। পরামর্শ নিন। তারপর নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। এতে নারীকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। মিথ্যা বলবেন না একটা কথা চাপার জন্য আর পাঁচটা মিথ্যে কথা বলা কখনওই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তাই সত্যি কথাটা সবার আগে আপনার মুখ থেকেই শুনতে চান আপনার স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড। এতে সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস বাড়ে। অন্যকে সম্মান রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে ওয়েটারকে সিটি বাজিয়ে ডাকার অভ্যেস অনেক পুরুষেরই আছে। কিন্তু সাধারণত মহিলাদের তা অপছন্দ। তাঁর প্রিয় পুরুষ সমাজের প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষকে সম্মান দিবে এমনটাই চান মেয়েরা। সারপ্রাইজ দিন বাঁধাধরা জীবনযাপনের মধ্যে একটু টুইস্ট না হলে একঘেয়ে লাগাটাই স্বাভাবিক। তাই গার্লফ্রেন্ডের মুখে নতুন করে হাসি ফোটাতে মাঝে মধ্যে সারপ্রাইজ দিতে পারেন। আর এতে আপনার পার্টনার অনেক বেশি খুশি হবে। আপনার প্রতি তার ভালোবাসা আরও বেড়ে যাবে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন এসএ/  

সঙ্গী বয়সে বড় হলে যেসব সমস্যা হয়

প্রেমিক বা স্বামী, প্রেমিকা বা স্ত্রী বয়সে ছোট হবে এটাই আমরা মনে করি বা ভাবি। কিন্তু এমনও হয় যে, মেয়েরা ছেলেদের থেকে বয়সে বড়। আবার ছেলে মেয়ের থেকে অনেক বড়। এটা হওয়াটা স্বাভাবিক কারণ ভলোবাসা সব সময় বয়স দেখে হয় না। যেকোনো বয়সে প্রেম হতে পারে, বিয়েও হতে পারে। কিন্তু ‘অসম’বয়সের সম্পর্ক সহজে মেনে নিতে চান না অনেকেই। এমনকি বয়সের পার্থক্যের কারণে ভবিষ্যতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও সমস্যা দেখা দেয়। আসুন জেনে নেই সঙ্গী বয়সে বড় হলে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে- পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা: স্ত্রী বয়সে বড় হলে পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সমাজের বিভিন্ন মানুষ নানা মন্তব্য করে। এর ফলে উভয়ের মধ্যেই মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। এই মানসিক চাপের ফলে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এমনও যে, কোনো কোনো সময় ভেঙে যায় সম্পর্ক। বোঝাপড়া সমস্যা: স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্যের কারণে দুজনের চিন্তা-চেতনা ও আচার-আচরণের মধ্যে নানা পার্থক্য দেখা দেয়। এর ফলে হতে পারে ভুল-বোঝাবুঝিও। বাড়ে দুরুত্ব, ভেঙে যেতে পারে সংসার। গর্ভধারণ: সাধারণত ৩০-৩৫ বছরের পরেই গর্ভধারণ মেয়েদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই স্ত্রীর বয়স বেশি হলে তা আরো বেশি সমস্যা তৈরি হয়। যৌনজীবন: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের দিক দিয়ে খুব বেশি পার্থক্য হলে একটা সময় তাদের যৌনজীবনে সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে কলহ সৃষ্টি হয়। ভেঙে পড়তে পারে সম্পর্ক। সমস্যা সমাধানের উপায়: বয়সের দিক দিয়ে বেশি পার্থক্য হলে প্রথমেই একজন অপরজনকে বোঝাতে হবে প্রেম-ভালবাসার কোনো বয়স নেই। যেহেতু বিয়ে, সন্তান, সংসার হয়েছে এটাকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে মূল বিষয় হলো- একে অপরকে বিনোদন দেওয়া,  অবসর সময়ে কোথাও বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, গল্প করা ইত্যাদি। আর / এআর

যেভাবে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চাইবেন

সম্পর্কে জড়ালে অনেক সময় অনেক ঘটনাই ঘটে যায়। আপনি আপনার সঙ্গীর কাছে অনেক ভুল করছেন, হয়তো কোন আবেগে তাকে কষ্ট দিয়েছেন। এ রকম অবস্থায় হয়তো আপনার সম্পর্কটাই ভেঙে যেতে পারে। তবে আপনি যদি আপনার নিজের ভুল বুঝতে পেরে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চান তাহলে আপনার সমস্যা সমাধান হবে। যদি আপনি আপনার ভুল স্বীকার না করেন তাহলে আপনার এই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। সুতরাং সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চেয়ে আপনি আপনার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। তবে কিভাবে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চাইবেন তা মনোবিদরা গবেষণা করে কিছু নিয়ম বের করেছেন। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে ক্ষমা চাওয়াটা অনেক সহজ হবে।   ১) সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময় আন্তরিক হোন। তবে নিঃস্বার্থ আবেগ দিয়ে বলুন, ‘দুঃখিত, আমি ক্ষমা চাইছি।’ শুধু দুঃখিত বললেই চলবে না, যে বিষয়টি নিয়ে তাকে ভুল বুঝেছেন কিংবা কষ্ট দিয়েছেন সেই বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন। যেমন- আপনার সঙ্গী হয়তো সাধারণ পোশাক পরে এসেছে। আপনি আপনার সব বন্ধু-বান্ধবের সামনে বা সহকর্মীর সামনে পোশাক নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। সবার সামনে তাকে হাস্যকর করে তুলেছেন। মনে আঘাত দিয়েছেন। তখন বলুন, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত যে, আমি এমনি মজা করছিলাম।’ ২) কখনও অজুহাত দেখাবেন না। আপনি যদি ক্ষমা চাওয়ার সময় অন্য একটি অজুহাত দেখান, তাহলে এর চেয়ে বড় ভুল আর হবে না। যেমন- কোথাও দেখা করার জন্য আপনার সঙ্গী আপনাকে ডেকেছে। আপনি হয়তো নিজ ইচ্ছায় কিংবা কোন কারণে দেরি করে এসেছেন। এ সময় আপনি যদি অজুহাত দিয়ে বলেন, অফিসে আপনার বস আপনাকে অযথাই দেরি করিয়েছিলেন অথবা আপনার বাসায় সমস্যা ছিল তাহলে ভুল হবে। বরং বলুন, ‘আমার ভুল হয়েছে, আমি ক্ষমা চাইছি। এমনটা আর কখনও হবে না।’ ৩) ক্ষমা চাওয়ার সময় মনে মনে নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। কেননা যার কাছে ক্ষমা চাইছেন, তিনি হয়তো আপনাকে ক্ষমা নাও করতে পারেন। তাকে ক্ষমা করার সময় দিন। ক্ষমা চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশা করবেন না যে তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন। এ সময় আপনি আপনার সঙ্গীকে এভাবে বলুন যে, ‘আমি জানি তোমার পক্ষে আমাকে ক্ষমা করা সম্ভব নয়। আমি বুঝতে পারছি তুমি কি অনুভব করছো। তবু আমি বলতে চাই, আমি সত্যিই ক্ষমা চাইছি এবং আমি প্রতিজ্ঞা করছি, ভবিষ্যতে কোনো দিনও আমার কাছ থেকে এ ধরনের ব্যবহার পাবে না।’ তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট। কেএনইউ/এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি