ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩৫:২০

সন্তানের সাফল্যের জন্য করুন এই কাজগুলি

সন্তানের সাফল্যের জন্য করুন এই কাজগুলি

সন্তানের সাফল্যে সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয় বাবা-মায়ের। সন্তানের সফল করতে হলে সেভাইবেই গড়ে তোলতে হয়, এটাই নিয়ম। সন্তানের সাফল্যের জন্য বাবা-মায়ের এই কাজগুলি অবশ্যই করা দরকার। মূল্যবোধের শিক্ষা  টাকা-পয়সা, নাম, যশ, খ্যাতিকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা জীবনের সফলতা ভাবি। এগুলো জীবনের সফলতা, ঠিক। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে, ভালো মানুষ হয়ে ওঠা। পরিবারই একটি শিশুর সবচেয়ে বড় শিক্ষক। সন্তানের সাফল্যের জন্য এই কাজগুলি অবশ্যই করুন। রোল মডেল বা আদর্শ হওয়া জীবনে যারা সফল হয়েছে, তারা কোনো না কোনো সময় কারো না কারো দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সেসকল মানুষই আমাদের কাছে রোড মডেল। সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় রোল মডেল তার বাবা-মা।  সন্তানের সামনে নিজেদেরকে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।  সামাজিক শিক্ষা সন্তানকে ছোট থেকেই সামাজিক হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। তার সমবয়সীদের সঙ্গে খেলতে দেওয়া, কোনো সমস্যা হলে মা-বাবা সাহায্য না করে, তার বন্ধুদের নিয়ে তার সমস্যা সমাধানের জন্য উৎসাহ দেওয়া। তবে সন্তান কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, সে অসামাজিক হয়ে উঠছে কিনা, তা নজরে রাখতে হবে। সামাজিক বোধটা জাগ্রত হলে সে কখনই অন্যায় করবে না, অন্যের ক্ষতি করবে না।   বাড়ির ছোট ছোট কাজ করতে দেওয়া সন্তানকে ৫ বছরের পর থেকেই বাড়ির ছোট ছোট দায়িত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে তার দায়িত্ববোধ গড়ে উঠবে। এই দায়িত্ববোধের জ্ঞান তাকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে সফল হতে সাহায্য করবে। খেলনা গুছিয়ে রাখা, পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখা, জুতার ফিতা বাঁধতে শেখা, এই সব ছোটো ছোটো কাজগুলি সন্তানকে একাই করতে দিন। মানসিক চাপমুক্ত রাখা কোনো কিছুই যেন সন্তানের মানসিক চাপের কারণ না হয়। পড়াশুনা নিয়ে কখনোই সন্তানকে চাপ দেবেন না। আপনাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ থাকলে, তার প্রভাব যেন কোনওভাবেই সন্তানের ওপর না পড়ে। সন্তানকে ভারমুক্ত রাখুন, সবসময়ই তার সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন।     উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি জীবনে সফল হতে হলে লক্ষ্য থাকতে হয়, সেই সঙ্গে থাকতে হয় সাধনা আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা। সন্তানকে তার লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করুন, কিন্তু কখনই নিজের ইচ্ছা তার উপর চাপিয়ে দেবেন না। ছোটো থেকেই লক্ষ্য স্থির করে সাফল্যকে ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে। পুষ্টিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা সন্তানের সুন্দর জীবন ও সাফল্য এর জন্য ছোট থেকেই তার শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানের সুষম খাবার দেন। সুসম্পর্ক সন্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখুন। তাদের সঙ্গে মন খুলে মিশুন। সন্তানের সুষ্ঠু সুন্দর বিকাশের জন্য মা-বাবার সঙ্গে বন্ধনটা থাকতে হবে মজবুত। স্বাধীনতা সন্তানকে তার নিজের ইচ্ছায় চলতে দিন, কিন্তু নজরে রাখুন যেন বিপথগামী না হয়। কখনই নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।  তার মতকে গুরুত্ব দিন। হাত বাড়িয়ে দিন সন্তানের জন্য তার বাবা-মায়ের সাপোর্টটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। তার সুখে দু:খে ও বিপদে পাশে থাকুন। চরম হতাশার সময় বন্ধুর মত হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলুন, আমরা তো আছি, তোমার পাশে। তোমার সফলতায় যেমন আছি, তেমনি ব্যর্থতারও ভাগী। সূত্র : জিনিউজ।
বেশিরভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ বংশগত কারণে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথায় কথায় ঝগড়া। এক সময় একে অপরের মুখ দেখাদেখিও বন্ধ। পরে এই পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যায়। সিদ্ধান্ত আসে বিচ্ছেদের। এভাবে বোঝাপাড়ার অসুবিধার কারণেই আমাদের সমাজে বিয়ে টিকছে না। কিন্তু গবেষকরা বলছেন বিবাহ বিচ্ছেদের পিছনে আছে বংশগত সমস্যা! তাদের মতে, বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া অধিকাংশ বাবা-মায়ের সন্তানরাও একই পথে হাঁটেন। সুইডেনের লুনড বিশ্ববিদ্যালয় ও ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় এ সব তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় দুটি বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া দম্পতিদের নিয়ে গবেষণা করেছে। এসব দম্পতির ইতিহাস পর্যালোচনা দেখা গেছে, যেসব বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়েছে, তাদের সন্তানদের মধ্যেই এই বিচ্ছেদের প্রবণতা বেশি। গবেষক ড. জেসিকা সালভাতর বলেন, আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি, কেন পরিবারে বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে? তিনি বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দম্পতির পারিবারিক ইতিহাস দেখা হয়েছে। সালভাতরের সঙ্গে ড. কেনেথ কেন্ডলার কাজ করেছেন। তারা গবেষণার প্রাপ্তিকে `গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার` হিসেবে দেখছেন। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।   আর

শরীর-মনের পরস্পরিক সম্পর্ক

শরীর ও মনের মধ্যে একটি যোগসূত্র আছে। যদিও আমরা অনেকেই মনে করি মন ও শরীর দুটি আলাদা স্বত্ত্বা। কিন্তু একটির আরেকটির সঙ্গে রয়েছে সম্পর্ক । যার কারণে একটি আরেকটির উপর প্রভাব বিস্তার করে। শারীরিক অবস্থা মানসিক অবস্থার ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে সেটি বুঝতে নিচের কয়েকটি উদাহরণ -  খাবার একটি গবেষণা দাবি করেছে যে,আমরা যে খাবার খাই তা আমাদের মেজাজ ও আচরণের উপর  প্রভাব ফেলে । এছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার যদি বেশি খাওয়া হয় তাহলে মানসিক সমস্যা যেমন-বিষন্নতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া পুষ্টির অভাবে মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে । উদাহরণ স্বরূপ আমরাদের  খাবারে যদি ওমেগা-৩ ফেটি এসিড এবং পুষ্টি পর্যাপ্ত পরিমাণ না থাকে তাহলে তা বিষন্নতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। পানি পানিশূণ্যতা মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলে। শরীরে যদি পর্যাপ্ত পানি না থাকে তাহলে আপনি কোনো বিষয়ের উপর গভীর  মনোযোগের দিতে পারবেন না। এমনকি পানি শূণ্যতা আপনার রাগ এবং বিষন্নতা বাড়িয়ে দিতে পারে। শারীরিক কার্যাবলি   শারীরিক কাজও আপনার মনের উপর প্রভাব ফেলবে । আপনি যদি ব্যায়ম করেন তাহলে আপনার মস্তিষ্ক দ্রুত কাজ করবে এবং  উৎসাহ দেবে। ঘুম যারা পর্যাপ্ত ঘুমাতে ব্যর্থ হয় তারা নেতিবাচক চিন্তাভাবনার শিকার হতে পারে। এমনকি অপর্যাপ্ত ঘুম মানসিকভাবে ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে সরাসরি অবস্থা মানসিক অবস্থার উপর  প্রভাব ফেলে। এছাড়া প্রর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে উদ্বিগ্নতা, বিষণ্নতা বেড়ে যায় এবং মানসিক অবস্থার উপর খারাপ প্রভাব ফেলে।  ড্রাগ এবং অ্যালকোহলের প্রভাব ধূমপান এবং এ্যালকোহল জাতীয় পানীয় মানসিক অবস্থার উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে । এটা এমন একটি অভ্যাস, যা মন ও শরীর মধ্যে একটি বিরুপ প্রভাব ফেলে। জ্বর আপনি জ্বরের সময় মন ও শরীরের সঙ্গে সম্পর্ক উপলব্ধি করতে পারবেন। অধিক জ্বরের সময় নিজেকে একাকিত্ব, দু:খিত ভাব এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মনে হতে পারে । এতে বুঝা যায় মন ও শরীরের উপর একটি সম্পর্ক রয়েছে । সম্পর্ক পরিবার,আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবে সঙ্গে যদি ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলা যায় তাহলে মানসিকভাবে প্রশান্তি আসে এবং সুস্থ থাকা যায়। কিন্তু সম্পর্ক যদি ভালো না হয় তাহলে তা মানসিকভাকে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে তোলে । সূত্র:বোল্ড স্কাই এম/এআর

ভালোবাসতে চান, চোখে চোখ রাখুন ...

চোখ হলো মনের জানালা। মনের কথা বলে দেয় চোখ। এই কারণেই ভালো লাগার মানুষটি মুহুর্তের জন্য চোখে চোখ রাখলে হৃদয় কম্পন সৃষ্টি হয়। হ্যাঁ, ভালোবাসায় এক বড় ভূমিকা পালন করে আমাদের চোখ। অনেক প্রেমিক-প্রেমিকা আছেন যারা মনের মানুষকে না দেখে থাকতে পারেনা। এ থেকে বোঝা যায়, প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রে চোখের বিরাট ভূমিকা আছে। হৃদয় কম্পন প্রেমিক-প্রেমিকারা কোনোভাবে অস্বীকার করতে পারবেন না দৃষ্টি বিনিময়ের অনুভূতি। একে অপরের দৃষ্টি বিনিময় হলেই শুরু হয় হৃদয় কম্পন। একই তালে একই রিদমে কাঁপতে শুরু করে হৃদয়। চোখ বড় হওয়া আপনি যখন আপনার ভালোবাসার মানুষটির দিকে তাকান তখন আপনার চোখ স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হয়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রিয় মানুষটির দিকে তাকালে চোখ অনেক বড় ও প্রসস্থ হয়ে যায়। মেয়েদের আগ্রহ তৈরি করা বার বার মেয়েদের দিকে তাকালে মেয়েরা আকৃষ্ট হয়ে থাকে অনেক সময়। প্রথম দেখায় প্রেম যারা প্রথম দেখায় প্রেমে পড়েছেন তাদের ৯০ ভাগই দৃষ্টি বিনিময়ের মাধ্যমে। প্রথম দেখায় প্রেমের ক্ষেত্রে দৃষ্টি বিনিময়ের অনেক অবদান। অবসাদ দূর করা যখন অবসাদগ্রস্ত থাকেন তখন ভালোলাগার মানুষের ছবির দিকে তাকালে মন ভালো হয়ে যায়। প্রথম সাক্ষাত প্রথম সাক্ষাতেই আপনি যদি মন জয় করতে চান তাহলে ভালোলাগার মানুষটির চোখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। গবেষণায় দেখা যায়, এই প্রক্রিয়া মস্তিস্কে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মতো কাজ করে। আকর্ষণীয় চোখ সুন্দর চোখ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়তা করে। চোখের নিচে কালো দাগ থাকলে তা কম আকর্ষণীয় হয়। আর নীল চোখের মানুষগুলোকে অনেকেই পছন্দ করে। দৈহিক আকর্ষণ আপনার সম্ভাব্য সঙ্গী যদি আপনার শরীরের দিকে তাকায় তাহলে বুঝবেন যে সে আপনার শরীরকে ভালোবাসে। আর সে যদি আপনার চোখের দিকে তাকায় তাহলে ধরে নিবেন সে আপনার সাথে রিলেশনশিপে যেতে ইচ্ছুক। সূত্র : বোল্ডস্কাই। এমআর/ডব্লিউএন    

সম্পর্ক গোপন রাখবেন যে কারণে

কাউকে মন থেকে ভালোবাসার চেয়ে, মানুষ এখন লোক দেখানোয় বিশ্বাসী। কার কত সুন্দরী প্রেমিকা, কার প্রেমিকের কত ভালো চাকরি, কত দামি গাড়ি, উইকেন্ডে কে কত ভালো সময় কাটায়, এসবেরই তুল্যমূল্য বিচার নিয়ে ব্যস্ত সবাই। আর এসব জাহির করার প্ল্যাটফর্মও প্রচুর। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামে প্রেমের সবটাই প্রকাশ্যে চলে আসে। পারলে আপন, গোপন মুহূর্তগুলোও পোস্ট করে লোকের বাহবা কুড়িয়ে নেয় অনেকে। কিন্তু জানেন কি? প্রেম আরো গভীর হয় লোকচক্ষুর আড়ালে। কেন? কারণ প্রেমকে প্রকাশ্যে আনলে সমস্যা হতে পারে। যেমন- অনলাইনে প্রেমের প্রকাশ ঘটলে মানুষ আবেগ হারিয়ে ফেলে। প্রেমের লেটেস্ট আপডেটই হয়ে ওঠে প্রেম টিকিয়ে রাখার মূল রসদ। গোটা দুনিয়া প্রেমের কথা জেনে যায়। লোকের আগ্রহ ও মন্তব্য বাড়তে থাকে। সম্পর্কের স্বতন্ত্রতা হারিয়ে যায় ধীরে ধীরে। অনেক সময় অনলাইনে সম্পর্কের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অনেকে বিষয়টি জেনে যায়। এতে করে  বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনের আগ্রহ মন্তব্য বাড়তে থাকে । অনেকে আবার এ সম্পর্কটি ভালো চোখে দেখে না। অন্যদিকে সম্পর্কের বিষয়টি অভিভাবকদের দৃষ্টিগোচর হলে সমস্যার সৃষ্টি হয় । তারা অনেক সময় এ সম্পর্ক মেনে নিতে চান না । অনেক অভিভাবক বদনামের ভয়ে ছেলেমেয়েদের আগেই বিয়ে দিয়ে দেন ।তাই সম্পর্কের বিষয়টি গোপন রাখলে এ রকম অনেক সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন ।তবে কিছু কিছু সময় অভিভাবাকরা তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়,তবে এর পরিমাণ খুব একটা বেশি নয় । সূত্র : আনন্দবাজার। /এম/এআর       

সন্তানদের সামনে পিতা-মাতার যা করা উচিত নয়

শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তাই অভিভাবকদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া পিতা-মাতার অযাচিত আচার আরচণও শিশুর জন্য নেতিবাচক ফলাফল বয়ে আনে। তাই শিশুদের সামনে পিতা-মাতার সব সময় ইতিবাচক হওয়া উচিত। একটি সুস্থ্য মানসিক বিকাশ সম্পন্ন শিশু চাইলে নিজেকে সংশোধন করা আবশ্যক, যাতে বাচ্চারা আপনার ভুলের দ্বারা প্রভাবিত না হয়| আসুন জেনে নিই কিছু টিপস যা শিশুদের সামনে করা উচিত নয়। সন্তানদের সামনে কাউকে আঘাত করা এটি খারাপ উদাহরণ স্থাপন করে| এটা হয় সন্তানদের ভীত অথবা হিংস্র করে তোলে| বাচ্চাদের সামনে চিৎকার করা আপনার বাচ্চা আপনার আচরণ অন্যত্র অনুকরণ করতে পারে|এই বয়সেই আগ্রাসন তার দ্বিতীয় প্রকৃতি হয়ে উঠতে পারে| বাচ্চাদের অনুভূতি উপেক্ষা করা মাতাপিতার সর্বদা সন্তানের কথা শোনার সময় থাকা উচিত| পিতামাতার ধৈর্য্য ধরে বাচ্চাদের উদ্বেগ শোনা আবশ্যক|অন্যথা, আপনার সন্তানের উপেক্ষিত মনে হতে পারে| সন্তানের মতামত অবহেলা করা আপনার সন্তান যদি তার মতামত প্রকাশ করতে চায়, তাহলে তাড়ার মধ্যে তাকে দমিয়ে দেবেন না, তা সেই মতামত যতই খেলো হোক|বসুন এবং ব্যাখ্যা করুন কেন তার মতামতটি অর্থহীন ও গ্রহণযোগ্য নয়| সন্তানদের যুক্তিযুক্তভাবে চিন্তা করতে শেখান| নোংরা ভাষা ব্যবহার করা এটি সম্পূর্ণই আপনার সন্তানকে নষ্ট করে দেবে কারণ সে সর্বত্র এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা শুরু করতে পারে| সকলের সামনে সন্তানের সমালোচনা করা আপনার এই আচরণে সন্তানের অপমান হয়|সন্তান আপনার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে পারে| এই সকল জিনিস পিতামাতার বাচ্চাদের সামনে করা উচিত নয়| আপনার যদি এ ধরণের আরও তথ্য জানা থাকে তাহলে বিনা দ্বিধায় আমাদের সাথে শেয়ার করুন| সূত্র : বোল্ডস্কাই ডব্লিউএন                

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি