ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩০:২১

‘পাগলি’ নারীরাই ভালো স্ত্রী হন ছয় কারণে

‘পাগলি’ নারীরাই ভালো স্ত্রী হন ছয় কারণে

বেশির ভাগ পুরুষই শান্ত স্বভাব এবং ঘরোয়া মেয়েকেই স্ত্রী হিসাবে পছন্দ করেন। তবে মনোবিদরা কিন্তু এর উল্টো কথাই বলছেন। তাদের মতে, যাদের আপাতপক্ষে দেখে খানিকটা ‘পাগলি’ বলে মনে হয় আসলে তারাই স্ত্রী হিসাবে সব থেকে ভালো হন! তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এখানে পাগলির অর্থ অবশ্যই মানসিক ভারসাম্যহীন নয়। যাদের কাণ্ডকারখানা আর পাঁচজনের চেয়ে খানিকটা আলাদা তাদেরকেই বুঝানো হচ্ছে। কিন্তু কেনও? চলুন জেনে নেওয়া যাক কারণগুলো- নির্ভেজাল মানুষ এ ধাণের নারীরা যেমন, তেমনটাই সবার সামনে থাকেন। এরা কোনও ভেক ধরেন না। আপনি একবার দেখেই বুঝবেন এর দোষ-গুণ কী কী রয়েছে। এরা নিজেদের দোষ ঢাকতে মিথ্যার আশ্রয় নেন না। সৃজনশীল সৃজনশীল মস্তিষ্কের জন্যই এরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হন। জীবনে মননে এরা খুব সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকেন। অসাধারণ প্রেমিকা বিয়ের পরে অনেকের ক্ষেত্রেই প্রেম জীবন পানসে মনে হয়। কিন্তু এদের ক্ষেত্রে কথাটি একেবারে খাটে না। আদর্শ প্রেমিকা বলতে যা বোঝায় এরা তাই। ন্যাকামি পছন্দ নয় এরা মহিলা হিসাবে কখনও আলাদা সুবিধা দাবি করেন না। যেখানে যেমন, সেখানে তেমন ভাবেই থাকতে পছন্দ করেন তারা। তাই ঘুরতে বেরুলে তাদের নিয়ে সমস্যায় পড়বেন না। হারতে জানেন না : অনেকেই যে পরিস্থিতিতে হাঁপিয়ে উঠবেন বা নিয়তির ওপর নিজেকে সঁপে দেবেন, এরা সে পরিস্থিতিতে লড়াই চালিয়ে যাবেন। আপনাকে আগলাবেন তাদের সামনে যদি প্রিয়জনকে কেউ অপমান করেন, তবে আর রক্ষে নেই। একে//
সঙ্গীর খারাপ সময়ে আপনার করণীয় ৫

সম্পর্ক দুজনের মাধ্যমে তৈরি হয়। আর যদি কেউ একজন সমস্যায় থাকেন তাহলে তার প্রভাব দুজনের ওপরেই সমানভাবে পড়ে। অনেক সময় হয়তো সঙ্গী প্রকাশ করেন না নিজের বিষণ্ণতার কথা। কিন্তু তারপরও মুখের ভাব এবং ব্যবহারেই অনেক কিছু বোঝা যায়। তাই সঙ্গীর বিপদে কীভাবে সাপোর্ট করবেন তা জানা থাকাও অত্যন্ত জরুরি। না বুঝেই কোনো কথা বলবেন না সঙ্গীর খারাপ সময়ে না বুঝেই হুট করে কোনো কথা বলা একেবারেই উচিত না। যদি সঙ্গীর বিপদের সময় নাও বুঝতে পারেন তারপরও একটু চুপ থেকে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন আসলেই সমস্যা কোথায়। ধৈর্য ধরুন খারাপ সময়ে সঙ্গীর মানসিকতা সঠিক থাকে না। তাই তিনি যদি আপনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন তবুও আপনি সহ্য করে যান। মানসিক শক্তি যোগান যদি দেখেন সঙ্গী একেবারেই ভেঙে পড়েছেন তাহলে যতোটা সম্ভব সঙ্গীর মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করুন। বিপদের সময় সঙ্গীর মুখের ‘আমি তোমার সঙ্গে আছি’, ‘ভরসা রাখো, সব ঠিক হয়ে যাবে’ এই ধরণের সান্ত্বনার কথা মনে সাহস যোগায়। সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নেওয়ার চেষ্টা করুন বিপদের সময় সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নিয়ে তাকে একটু আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার আস্থা বাড়বে। সঙ্গীর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করুন বিপদের সময় সবচাইতে বেশি জরুরি একজন মানুষের পাশে থাকা। যেন নিজেকে একলা না ভাবেন সঙ্গী। একে//

প্রথম ডেটিংয়ে পুরুষের ৬ বিষয়ে নজর রাখেন নারীরা

সাধারণত প্রথম ডেটিংয়ে সবাই অনেক কিছু দেখে ও বুঝে নিতে চান। কারণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে এগুলো খুব জরুরি। পুরুষেরা যেমন খুব বিচক্ষণ এই ব্যপারে, নারীরাও কিন্তু কম নয়। তারাও প্রথম দিনেই দেখে ও বুঝে নেন অনেক কিছু। আর প্রথম ডেটিংয়ের উপরেই ভিত্তি করে সম্পর্ক এগিয়ে যায়। চলুন জেনে নিই নারীরা প্রথম ডেটিংয়ে যে বিষয়গুলো খেয়াল করে- পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা প্রথম ডেটিংয়ে পুরুষের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেই সবচেয়ে বেশি খেয়াল করেন নারীরা। হবু প্রেমিকের হেয়ার স্টাইল কেমন, তার জামা কাপড় কতটা পরিচ্ছন্ন, হাতে নখ বড় কি-না, ঠিকভাবে শেভ করা কি-না ইত্যাদি। কারণ এই পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারগুলো নারীদের খুব আকর্ষণ করে থাকে। নারীদের প্রতি সহানুভূতি বেশির ভাগ নারীই কথায় কথায় ঠিকই বুঝে নেন, হবু প্রেমিকের নারীদের প্রতি সহানুভূতি কতটা গভীর। কথার ছলে হবু প্রেমিকের মা, বোন, ভাবী সম্পর্কেও জেনে নেন নারীরা। এই মানুষগুলোর প্রতি যদি পুরুষের খুব সহানুভূতি থাকে তার মানে একজন স্ত্রী কিংবা প্রেমিকার প্রতিও সেই পুরুষের সহানুভূতি থাকবে। ব্র্যান্ড পুরুষের ব্র্যান্ডের জামা কাপড়, জুতো, ঘড়ি, ইত্যাদি পুরুষালি জিনিসপত্রগুলো নারীদের চোখের আড়াল করা যায় না। কোনো না কোনোভাবে প্রথম ডেটিংয়ে নারীরা পুরুষের এই দিকগুলো খেয়াল করেন। কারণ এর মাধ্যমে পুরুষের রুচি বোঝা যায়। কথা বলার ধরণ যে কোনও নারীই তার সঙ্গীর কণ্ঠস্বর খুব ভালোবেসে থাকেন। তাছাড়া পুরুষের পুরুষালি কণ্ঠে প্রকাশ পায় ব্যক্তিত্ব। তাই প্রথম ডেটিংয়ে নারীরা খুব আগ্রহী হয়ে থাকেন হবু সঙ্গীর কণ্ঠস্বর নিয়ে। পুরুষের অঙ্গভঙ্গি নারীরা এই বিষয়টিতে খুব সচেতন। কারণ একজন পুরুষের শারীরিক অঙ্গভঙ্গিতে তার পুরো ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। তাই পুরুষ কীভাবে হাঁটেন, কীভাবে বসেন, খাওয়ার ধরন কথা বলার স্টাইল সবকিছুই নারীরা খেয়াল করে থাকেন প্রথম ডেটিংয়ে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রতিটি পুরুষেরই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে তার নিজ জীবন নিয়ে। এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরুষের সুপরিকল্পনা নারীকে খুব আকর্ষণ করে থাকে। কারণ পুরুষের সুপরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে নারীরও ভবিষ্যৎ। তাই এই ব্যপারটিতে নারীরা খুব খেয়াল করে থাকেন। একে//

ডেটিংয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ৭ উপায়

লবন ছাড়া তরকারি যেমন স্বাদহীন, প্রণয়ের ক্ষেত্রে ডেটিংয়ের সম্পর্কও তেমন। সম্পর্ককে ভায়ব্রেন্ট ও হেলদি রাখতে দু’জনের সাক্ষাত ও একান্তে সময় কাটানোর চেয়ে মজার আর কি হতে পারে।  তবে ডেটিংয়ের খারাপ অভিজ্ঞতা অনেকের আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেটিংয়ে আত্মবিশ্বাসটা খুবই জরুরি। তরুণ বয়সের ‘ডেটিং’য়ের খারাপ অভিজ্ঞতা পরে মানসিক শান্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। মনের মতো সঙ্গী না পাওয়াও আপনার আত্মবিশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।সম্পর্কবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ‘ডেটিং’য়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কয়েকটি উপায় এখানে দেওয়া হল।নিজের মতো থাকুন: বাড়তি সাজ নিতে যাবেন না। এই মেকি সাজের কারণে আপনার ভেতরে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করতে পারে। বাড়তি সময় ও টাকা এর পেছনে খরচ করার পর যদি ফল আশানুরূপ না হয় তাহলে আর করার কিছুই থাকবে না। তাই নিজে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ও আত্মবিশ্ব্বাসী থাকেন এমন পোশাকই পরিধান করুন।আনন্দ: প্রথম অবস্থায় ডেটিং হালকাভাবে নিন। এতো সিরিয়াস হওয়ার কিছু নিন। মনে মনে ভাবুন ডেটিং প্রেমালাপের মতোই একটি গতানুগতিক বিষয়। আর যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই পাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান তাহলে ‘ক্যাজুয়াল ডেটিং’বা মাঝে মধ্যে সময় ঠিক করে বেড়াতে যাওয়া আপনার জন্য নয়। মাঝে মধ্যে দেখা করলে সঙ্গীকে যেমন দেখছেন সে যে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এমনই থাকবে- এমন কোনো কথা নেই। তাই নতুন কারও সঙ্গে দেখা করতে গেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন ও আনন্দ করুন।তৈরি হওয়া: মানুষের জন্য বাহ্যিক সৌন্দর্য রক্ষায় মনোযোগ দেওয়ার চেয়ে নিজের ব্যাক্তিত্ব ও জ্ঞানের দিকে মনোযোগ দিন। তথ্য জ্ঞান মানুষকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই তথ্যের দিকে মনোযোগী হোন। আধিপত্য বিস্তার: সঙ্গীর কোন বিষয়টা ভালো লাগে আর কোনটা লাগে না এদিকে মনোযোগ দিন। সে যদি আপনাকে মুগ্ধ করার চেষ্টা না করে তাহলে নিজের অসাধ্য সাধন করে তা স্বার্থকের চেষ্টা করার কোনো মানে নেই। আপনার ‘ডেইট’ কেমন কেটেছে তা নির্ভর করে আপনি কেমন অনুভব করেছেন তার উপর।কোনো বাঁধা-ধরা নিয়ম নেই: অনেকে হয়ত আপনাকে বোঝাতে চাইবে, ডেটিংয়ের একটা আলাদা ধরন আছে, তার সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারলে আপনি ছিটকে পড়বেন। বিষয়টা মোটেও তেমন নয়। প্রতিটা ডেটিংই আলাদা। সুতরাং আপনি নিজের মতো করে তা সাজাতে পারেন।প্রাণবন্ত : ডেটে যতটা সম্ভব খোলামেলা মনের থাকার চেষ্টা করবেন। প্রাণ খুলে হাসবেন, সঙ্গীকে হাসাবেন। নিজের মনের কথাগুলো নির্দ্বিধায় বলতে থাকবেন। দেখবেন এমনিতেই আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। চোখাচুখি : ডেটিংয়ে সঙ্গীর চোখে চোখ রাখুন। একে অপরের দিকে গভীর করে তাকান। ভাব বিনিময় করুণ। আর স্বপ্নের ভেলায় ভাসুন। দেখবেন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। / এআর /

ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করুন ৭ উপায়ে

নিজেদেরই কিছু ভুলে সঙ্গী আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পারে। অথবা নিজেদের কিছু ভুলেই সম্পর্কে চলে আসে তিক্ততা। আর এটি দূর করতে অনেকেই মনে করেন সম্পর্ক ভেঙে ফেলাই উত্তম। কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদই সমস্যার সমাধান নয়। বরং আমাদের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এবং আমাদের নিজেদের কিছু গুণই ফিরিয়ে দিতে পারে সম্পর্কের মধুরতা। সেইসঙ্গে সম্পর্ককে করতে পারে দীর্ঘস্থায়ী। চলুন জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো- সঙ্গীর ছোটোখাটো বিষয় নজর নারী ও পুরুষ দুজনেরই সাধারণত কাম্য থাকে সঙ্গী তার ছোটোখাটো ব্যাপারগুলোর দিকে নজর দিন। আর সে হিসেবে ছোট্ট কিছুর চাহিদাই পূরণ করুন। তাই সঙ্গীর এই ছোটোখাটো ব্যাপারগুলো নজর করার গুনটি সম্পর্কের জন্য বেশ সুখকর। সঙ্গীকে বুঝার চেষ্টা সঙ্গীর ভেতরের সত্যিকারের অবস্থা বুঝতে পারার ক্ষমতা সত্যিকার অর্থেই একটি সম্পর্ককে মধুর করে তোলে। সঙ্গী হয়তো রাগ দেখাচ্ছেন আপনার সঙ্গে। কিন্তু আপনি যদি তার রাগের পেছনের অভিমান বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখেন তাহলে আপনি সঙ্গীকে অনেক খুশি রাখতে পারবেন। সেইসঙ্গে ধরে রাখতে পারবেন সম্পর্ককেও। সঙ্গীকে গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব সঙ্গীকে কখনো নিজের থেকে কোনও অংশে ছোটো ভাববেন না। যদি সঙ্গীকে প্রাপ্য গুরুত্ব ও সম্মান দিতে না পারেন তাহলে সেটি কোনও সম্পর্কের মধ্যেই পড়বে না। যদি সঙ্গীকে তার প্রাপ্য সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব আপনার মধ্যে থাকে তবেই সম্পর্ক হবে দীর্ঘস্থায়ী। কিছুটা কম্প্রোমাইজ করার মনোভাব ভালোবাসার সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে এতে স্বার্থপরতা থাকে না। তাই সবসময় নিজের চিন্তা না করে সঙ্গীর জন্য কিছুটা কম্প্রোমাইজ করার মনোভাব সম্পর্কে আনে মধুরতা। সঙ্গীর পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা সঙ্গীর সুখে দুঃখে এবং তার বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকার বিষয়টি আপনার সঙ্গীর মনে প্রভাব ফেলবে অনেক। আপনার এই সাপোর্টটুকুই তাকে বিপদ থেকে উদ্ধারের আস্থা যোগাবে। এতে করে সম্পর্কে থাকবে মধুরতা ও সম্পর্ক হবে দীর্ঘস্থায়ী। ইগোটাকে দূরে রাখুন ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু তার ধরে রেখে নিজের ইগোটাকে প্রাধান্য দিলে সম্পর্কে শুধুমাত্র তিক্ততাই চলে আসবে। তাই ইগো নিজে নয় সম্পর্কের জন্য যিনি ভাবতে পারেন তিনিই সম্পর্ককে মধুর করে তুলতে পারেন। নিজেকে সবসময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখা সন্দেহ একটি সুস্থ সুন্দর সম্পর্ককে মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিজেকে সব সময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করুন। একে//

প্রথম পরিচয়ে হৃদয়ে জায়গা করে নিন ৫ উপায়ে

নিজের এমন কিছু ইতিবাচক আচরণ আছে যা প্রকাশ করলে প্রথম পরিচয়েই সঙ্গীর মনে দাগ কাটাতে সক্ষম হবেন। শুধু জীবন সঙ্গীই নয়, আপনার ক্যারিয়ার উন্নতির জন্য ‍কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সঙ্গে প্রথম পরিচয়ে তাদের কাছে আপন হয়ে উঠতে পারেন আপনার নিজের ভালো উপস্থাপনের জন্য। সুতরাং প্রথম পরিচয় দিয়েই কিভাবে হৃদয়ে জায়গা করে নিবেন তার কিছু উপায় দেখে নিন- ১) সহজভাবে উপস্থাপন প্রথম পরিচয়ে কারো সঙ্গে কোনও গুরুগম্ভীর ও বিতর্কিত বিষয়ে আলাপ করবেন না। কেননা সদ্য পরিচিত হওয়া ব্যক্তি কখনই কঠিন কিছু আশা করবেন না। কোনোক্রমে আপনি যদি তার বিপরীত মতাদর্শের কেউ হয়ে থাকেন তবে আপনাকে তিনি এড়িয়ে চলবেন। কাজেই অপেক্ষাকৃত সহজ ও সর্বজনগ্রাহ্য বিষয়ে আলাপ করুন। ২) কৃত্রিম আচরণ নয় নতুন কোনও মানুষের সঙ্গে পরিচয় হলে অনেকের মধ্যে নিজেকে কৃত্রিমভাবে উপস্থাপনের একটি প্রবণতা কাজ করে। নিজের যা নেই বা নিজে যা নয়, এমন বিষয়ও নিজের বলে জাহির করেন। যা একেবারেই একটি ঘৃণ্যতম কাজ। তারা ভাবেন নিজের সম্বন্ধে বাড়িয়ে বললে সদ্য পরিচিত হওয়া ব্যক্তির কাছে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে। কিন্তু আদতে তা নয়। বাস্তবতা হল, এমন আচরণ যে কৃত্রিম তা খুব সহজেই মানুষ বুঝতে পারে। এতে আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবার বদলে সদ্য পরিচিত হওয়া মানুষটি আপনার প্রতি বিরক্ত হয়ে উঠতে পারেন। সুতরাং এমন কৃত্রিম আচরণ নয়, বরং অকৃত্রিম হয়ে উঠুন। ৩) বিব্রতকর প্রশ্ন নয় নতুন পরিচয় হওয়ার সময় প্রায়ই ভুলে যাওয়া হয় যে, আপত্তিকর বা বিব্রতকর প্রশ্ন কোনটা! যেমন তরুণ বা তরুণী হলে হরহামেশাই জিজ্ঞাসা করে বসি, আপনার বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড আছে? প্রথম পরিচয়ে এসব প্রশ্ন করলে একমাত্র ব্যক্তিত্বহীন কেউ ছাড়া প্রায় প্রত্যেকেই বিব্রত হয়। আর যদি কেউ পরিস্থিতি সামলে হাসি মুখে এমন বিব্রতকর প্রশ্নের উত্তর দেয়, তবে জেনে রাখুন সেই উত্তর মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার প্রথম পরিচয়ে আলাপের এক পর্যায়ে কারো সেলারি বা বয়স জানতে চাওয়া আরও বেশি বিব্রতকর। সুতরাং প্রথম পরিচয়ে কখনো আপত্তিকর বা বিব্রতকর কোন প্রশ্ন নয়, বরং এমন প্রশ্ন করুন যাতে তিনি আলাপ এগিয়ে নিতে উৎসাহ পান। ৪) মনোযোগ দিয়ে কথা বলুন ও শুনুন নতুন কারো সঙ্গে কথা বলার সময় তার দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। প্রথম দিনে এমন কোন চমকলাগা কথা বলবেন না যে তিনি ভীষণ অবাক হয়ে যাবেন। এরপর তার কথা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনুন। আর আপনার পরবর্তী কথা সে অনুযায়ী নির্ধারণ করুন। তার স্বাধীন কথায় বাধ সাধবেন না। আলাপচারিতা প্রাণবন্ত করে তুলুন। নিজের কথা বলার জন্য ব্যাকুল হবেন না, বরং তার কথায় দেওয়া গুরুত্ব তার কাছে আপনাকে অধিক গ্রহণযোগ্য করে তুলবে। ৫) মিষ্টি হাসি প্রথম পরিচয়ের ক্ষেত্রে মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে একটা মিষ্টি হাসি। একটি চমৎকার স্মিত হাসি হাজার কথার চেয়েও মধুর। তাই কথা বলার সময় একটা অকৃত্রিম হাসি চোখে মুখে ফুটিয়ে তুলুন। মানুষ অনুকরণ প্রিয়। তাই আপনার হাসি মুখ সামনের মানুষটির মুখেও হাসি ফুটিয়ে তুলবে যা আলাপ করে তুলবে আরও প্রাণবন্ত। কেএনইউ/একে//  

সম্পর্কে জড়ানোর আগে জেনে নিন ৯ প্রশ্নের উত্তর

বেশিরভাগ মানুষই ভালভাবে  না ভেবেই একটি সম্পর্কে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আর এর ফলাফল স্বরূপ দেখা যায় সম্পর্কটি অল্পকদিনেই নষ্ট হয়ে গেছে। আর তা না হলে এক রাশ সমস্যার মধ্য দিয়ে তাদের সম্পর্ক আস্তে আস্তে একটা ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। তাই সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার আগে অবশ্যই কিছু বিষয় বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। নতুন কারও সঙ্গে পরিচয়ের পর তার সম্পর্কে জানবেন কীভাবে? মনে রাখবেন কেউ সহজে তার ব্যক্তিগত কথাগুলো বলে ফেলতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কিন্তু নতুন পরিচিত ব্যক্তিটি সম্পর্কে আপনি আগ্রহী। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন? এ ক্ষেত্রে সাহায্য নিতে পারেন কয়েকটি মৌলিক কিন্তু কার্যকরী প্রশ্নের। এগুলোর উত্তর যদি সঠিকভাবে পেয়ে যান, তবেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত ভুল হবে না আপনার। আপনার শেষ সম্পর্কটি কেনও টেকেনি? তিনি যদি সমস্ত দোষ তার প্রাক্তন প্রেমিকার ঘাড়ে চাপিয়ে দেন তাহলে বুঝতে হবে তিনি নিজের ত্রুটিগুলো লুকাচ্ছেন। এ পর্যন্ত কয়টি সম্পর্কে জড়িয়েছেন? উত্তরটি মিথ্যা হতে পারে। তই কৌশলে জিজ্ঞেস করুন। তিনি যদি কম সংখ্যা উল্লেখ করেন, বুঝতে হবে তিনি সম্পর্কের ব্যাপারে সিরিয়াস। আর যদি সংখ্যাটি হয় বড় তাহলে বুঝতে হবে তিনি আসলে সম্পর্ক করা, টিকিয়ে রাখা বা প্রতিশ্রুতি রাখার ব্যাপারে খুব একটা সিরিয়াস নন। এক্স গার্লফ্রেন্ড ফিরে আসতে চাইলে কী করবেন? এটি খুবই জরুরি প্রশ্ন। আপনার প্রশ্নটির উত্তর তিনি কি দিচ্ছেন, তা খেয়াল করুন। তিনি যদি বলেন, ফিরে যাবেন, তাহলে আর কোন কথাই থাকে না। আর যদি বলেন, তিনি নম্রভাবে ফিরিয়ে দেবেন, তার মানে তিনি পুরোনো সম্পর্কটি থেকে পুরোপুরি সরে এসেছেন। আর যদি তিনি বলেন, পুরোনো প্রেমিকাকে বলবেন, তিনি আর কারও কথা ভাবছেন মানে আপনার কথা ইঙ্গিত করেন তাহলে পুরো ফ্লোরই আপনার জন্য প্রস্তুত। আপনার জীবনে সবচেয়ে বিব্রতকর ঘটনাটি কী? এমন প্রশ্নে অনেক উত্তর থাকতে পারে। আবার সে উত্তর নাও দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি শুধু তার আচরণ খেয়াল করুন। যদি মানুষটি আপনাকে নিজের জীবনের এমন সব ঘটনার কথা বলে যেই পরিস্থিতিগুলো নাজুক ছিল তার জন্য, ছিল বিব্রতকরও তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার সঙ্গে নিজেকে সহজ করে নিয়েছে। আপনার কি ধরণের ট্যাটুর প্রতি আগ্রহ? ছেলেরা কিন্তু ট্যাটু খুব পছন্দ করে। এখন একজন মানুষ তার নিজের শরীরে একেবারে স্থায়ীভাবে এঁকে রাখতে চায় কি, সেটা দিয়ে আপনি তার পছন্দ, গুরুত্ব বিচার করতে পারেন। তার উত্তর হতে পারে মা এর নামের প্রথম বর্ণ। আবার হতে পারে ঈগল, এমনকি কার্টুন ক্যারেক্টারও। তার মনের দৃঢ়তা, পছন্দ অথবা ছেলেমানুষী ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক তথ্য পেতে পারেন আপনি এই একটি প্রশ্নের মাধ্যমে। কখন আপনার খুব রাগ হয়? মনে রাখবেন, মানুষকে বুঝতে হলে তার রাগের কারণ বোঝা জরুরি। যে মানুষটি খুব অল্পতে রেগে যায়, দূর্ব্যবহার করে, অথবা পথাঘাটে সিন ক্রিয়েট করতে পারে তার ব্যক্তিত্ব আসলে খুবই দূর্বল। আপনি কোন ধরণের প্রশ্নের উত্তর করেন না? তিনি যদি প্রশ্নের উত্তর দেন তাহলে তো জেনেই গেলেন বিষয়টি। কিন্তু খুব সম্ভাবনা আছে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ার। তাই সাবধানে প্রশ্ন করুন। আপনার আর্থিক অবস্থা কী? একজন মানুষ জীবন সম্পর্কে কতটা সিরিয়াস তা বোঝা যায় তার আর্থিক অবস্থা বা ভবিষ্যতে এই বিষয়ে কি করবেন সেই পরিকল্পনা দ্বারা। নিজের পকেটের খবর অবশ্য সবার সঙ্গে কেউ শেয়ার করতে চায় না। কিন্তু এই খবরটি যদি ভদ্রলোক আপনার সঙ্গে শেয়ার করেন, তাহলে এটাও বোঝা গেল যে আপনাকে তিনি যথেষ্টই গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভালবাসার মানে কি আপনার কাছে? এমন প্রশ্নের উত্তরটি খুবই সহজ। তবুও নতুন সম্পর্ক শুরু করার আগে তার মুখ থেকেই একবার জেনে নিন। কারণ সবাই একভাবে সম্পর্কের চর্চা করে না। প্রসঙ্গত, এসব প্রশ্ন কিন্তু কখনোই সরাসরি করবেন না। কৌশলেই জিজ্ঞেস করতে হবে প্রশ্নগুলো। কারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উত্তরগুলো ঠিকঠাক মত পাওয়া জরুরি। একে//

সম্পর্ক বিরক্তিকর হয়ে উঠে ৭ কারণে

বিয়ের প্রথম দিকে সম্পর্ক অনেক মধুর ও সুন্দর থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে তা তিক্ত ও বিরক্তিকর হয়ে উঠে। তবে শুধু বিবাহিত জীবন নয়, সব ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এমনটি হতে পারে। কেনও জানেন? গোপন কথা ফাঁস আপনাকে অনেকেই বিশ্বাস করে। আর সে বিশ্বাস থেকেই অনেকে তার ব্যক্তিগত বিষয় আপনাকে বলে থাকেন। কিন্তু দেখা গেল সেসব কথা আপনি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এর ফলে দেখবেন ওই ব্যক্তি আপনাকে আর কোনও দিন কোনও কথা বলবে না । কারন আপনার প্রতি তার বিশ্বাস উবে গেছে। আসক্তির কথা লুকিয়ে রাখা একজন ব্যক্তি ধূমপান, অ্যালকোহল, মদ, খাদ্য, ফোনে আসক্ত থাকতে পারেন। তা বলে এসব কিন্তু কাছের মানুষদের নিকট গোপন করা যাবে না। আপনি হয়তো তা গোপন রাখেন অথচ তারা তা টের পেলে নিমিষেই আপনার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। হঠাৎ কোনো দৃশ্যের অবতারণা আপনার সবকিছুই কাছের মানুষদের ভালো নাও লাগতে পারে। তাই বলে যেখানে সেখানে তা নিয়ে ‘সিন ক্রেট’ করা যাবে না। পারলে কাছের মানুষদের মতো করেই জীবন-যাপন করতে হবে। আর্থিক প্রতারণা কারো সঙ্গে আপনার বহুদিনের সম্পর্ক। ফলে আপনার প্রতি তার প্রচণ্ড বিশ্বাস জন্মেছে। এই সুযোগে আপনি তার কাছ থেকে কাঁড়ি কাড়ি টাকা ধার করছেন। আপনি না দিলেই তাতে সে মনে কিছুই করছে না। কিন্তু এটি যে আপনার প্রতারণা তা যদি সে টের পায় তাহলে চির জীবনের মতো সেই সম্পর্ক শেষ হয়ে যেতে পারে। মানসিক প্রতারণা কেউ হয়তো মানসিকভাবে আপনার উপর খুবই নির্ভরশীল। আর সে সুযোগে আপনি তাকে যখন তখন যেকোনও কাজে ব্যবহার করছেন। কিন্তু যখন সে জানতে পারবে আপনি তার সঙ্গে প্রতারণা করছেন তখন সেই সম্পর্ক কখনোই থাকবে না। স্বার্থপরতা অপরের স্বার্থ সুরক্ষিত হলেই আপনার উপর নির্ভরশীলতা তৈরি হয়। কিন্তু যখন কেউ জানবে আপনি চরম স্বার্থপর তখন কিন্তু কারও সঙ্গে আপনার সম্পর্ক টিকে থাকবে না। বিপদে ফেলে পালিয়ে যাওয়া কারো সঙ্গে আপনার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। কিন্তু হঠাৎ ওই ব্যক্তি বিপদে পড়তে পারে। তখন সাহায্যের জন্য আপনার শরনাপন্ন হতে পারেন। কিন্তু দেখা গেল, তার বিপদে আপনি পিছনে হটে যাচ্ছেন। সেই বিপদ থেকে সে উদ্ধার পাক আর না পাক কখনোই সে আপনার সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে না। একে//

শত কাজের চাপেও প্রেয়সীকে খুশি করার ১০ উপায়

প্রেম নিয়ে হাজারো ভুল ধারণা কাজ করছে অনেকের মধ্যে। দামি-চোখ ধাধানো উপহার, বিদেশ ভ্রমণ বা ফাইভ স্টার হোটেলে রাত কাটাতে না পারলে নাকি প্রেমিকার মন পাওয়া যায় না। কিন্তু এমন ধারণা সব সময় ঠিক নয়। সঙ্গী কিংবা প্রেয়সীর সঙ্গে একটু সময় কাটানো বা সামান্য একটু স্পর্শতেই প্রকাশ পেতে পারে প্রেমের। প্রতিদিনকার জীবনেই এমন কিছু করতে পারেন, যার ফলে বাড়তে পারে আপনার প্রেমের গভীরতা। ১) ছবি তুলুন, কিন্তু সোশাল মিডিয়ার জন্য নয়। নিজেদের ফোনে স্মৃতি হিসেবে রাখুন। বিশ্বকে দেখানোর জন্য নয়। নিজে দেখার জন্য ছবি তুলুন। ২) সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময় ফোন দূরে রাখুন। ফোন পাশে রেখে ধৈর্য ধরে তাঁর কথা শুনুন। কথা বলার সময় ফোন সঙ্গে রাখলে আপনার সঙ্গীর মনে হতেই পারে, আপনি তাঁর কথায় গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ৩) নিজের কাজকর্মের কথা শেয়ার করুন। দিন যতটাই খারাপ যাক, সঙ্গীকে বলুন। এতে সম্পর্কের গভীরতা বাড়বে। তাঁকে বোঝান তিনিও আপনার নিত্য জীবনের অঙ্গ। ৪) সবসময় মাথায় রাখবেন, আপনার ক্যারিয়ারই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাঁর কাজও গুরুত্বপূর্ণ। তাই তার গোটা দিনের বৃত্তান্ত মন দিয়ে শুনুন। ৫) সঙ্গীকে কতটা ভালবাসেন, তা একটি চিরকূটে লিখে রাখুন। এমন জায়গায় রাখুন, যাতে তাঁর চোখে পড়ে। লম্বা লাভ লেটার নয়। চিরকূটে অল্প কথায় নিজের মনের কথা লিখে রাখুন। ৬) রান্নায় সহায়তা করুন। এর চেয়ে ভাল আর কিছু হয় না। যখন আপনার সঙ্গী কাজ সেরে বাড়ি ফিরবেন, আপনার রান্না তাঁর মন ভালো করে দিতে পারে। ৭) শুধু যৌন সম্পর্ক নয়। একসঙ্গে বসে সিনেমা দেখুন। বিছানায় শুয়ে গল্প করুন, বই পড়ুন। ৮) ডেটে যান। প্রেম করছেন, বা বিয়ে করে ফেলেছেন বলে ওটি যেন ভুলে যাবেন না। আর ডেটে যাওয়ার সময় অবশ্যই সেজেগুজে যান। ৯) সম্ভব হলে সঙ্গীর কর্মক্ষেত্রে ফুল পাঠান। এতে তিনি যেমন অবাক হবেন, তেমনই তার ভালো লাগবে। আর বলাই বাহুল্য, তার ফল পাবেন আপনিও। ১০) কোনো একদিন সন্ধ্যাবেলা তাঁর বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করুন। তাদের সঙ্গে গল্প করুন। এতে আপনি আপনার সঙ্গীর আরও কাছে আসতে পারবেন। সূত্র : কলকাতা টোয়েন্টি ফোর। / এআর /

প্রেমিক-প্রেমিকাদের ব্রেক আপের উদ্ভট ১০ কারণ  

প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে অনেক কারণে সম্পর্ক ভেঙে যায়। এর মধ্যে দু’ পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মানসিকতা না থাকলে, একে অপরকে না বুঝলে, ঝগড়াঝাঁটি এমনকি কথা কাটাকাটি থেকেও ব্রেকআপ হতে পারে। এগুলো স্বাভাবিকভাবেই ঘটে থাকে। কিন্তু ব্রেকআপের সাধারণ কিছু কারণের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কিছু উদ্ভট কারণ। যেগুলো আমরা অনেকেই জানি না। ছেলে ও মেয়ে উভয়েই কিছু উদ্ভট কারণে তাদের সম্পর্ক থেকে সরে আসে। আসুন জেনে নেওযা যাক এরকম ১০ টি উদ্ভট কারণ।  ১)বন্ধুরা প্রেমিকাকে অসুন্দর বললে অনেক ছেলেই নিজের প্রেমিকার সৌন্দর্য সম্পর্কে বন্ধুদের কাছে জিজ্ঞেস করে থাকেন। এবং যদি বন্ধুরা তাকে সব সময়ই বলেন যে তার প্রেমিকা অসুন্দর তাহলে অন্য কোন দিক বিবেচনা ছাড়াই ব্রেকআপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। ২)প্রেমিকা নেতিবাচক হলে না শব্দটি শুনতে অনেক ছেলেই পছন্দ করেন না। তাই প্রেমিকা বেশিরভাগ ব্যাপারেই নেতিবাচক উত্তর দিলে ছেলেরা আগ্রহ হারায়। ফলে ব্রেকআপ হয়। ৩)প্রেমিকা বেশী মেকআপ করলে অদ্ভুত হলেও সত্যি যে এই ধরণের ব্যাপারেও ব্রেকআপের মতো ঘটনা ঘটে। বেশিরভাগ ছেলেরাই মেকআপ পছন্দ করেন না। তাই প্রেমিকা বেশী মেকআপ করলে ব্রেকআপে চলে যান এমন পুরুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৪) স্বাধীনতা হারানোর ভয়ে সুন্দর, সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক থাকলেও শুধুমাত্র মনে মনে স্বাধীনতা হারানোর ভয় ঢুকে গেলে অনেক ছেলেই ব্রেকআপ চান তার প্রেমিকার কাছ থেকে। ৫)বেশিরভাগ বন্ধুরা ব্রেকআপ করলে সবথেকে উদ্ভট ও হাস্যকর যে কারণে ছেলেরা ব্রেকআপ করে তা হচ্ছে বন্ধুরা ব্রেকআপ করলে নিজে ব্রেকআপ করা। সমস্যা হলো যখন অন্যান্য বন্ধুরা একা হয়ে যায় তখন একজন ছেলে তার বন্ধুদের সময় দিতে নিজের সময় বের করার জন্য ব্রেকআপ করে ফেলেন। ৬)প্রেমিক বেশী ভদ্র হলে সব চাইতে উদ্ভট যে কারনে অনেক মেয়ে ব্রেকআপ করেন তা হলো প্রেমিক বেশী ভদ্র হলে। মুখে না বললেও অনেক মেয়েরাই একটু দুষ্ট প্রকৃতির, অধিকার ফলানো ছেলেদের পছন্দ করে। অতিরিক্ত ভদ্র ছেলেদের সাথে বোরিং হয়ে যায় বলে ব্রেকআপ করে ফেলে মেয়েরা।  ৭)প্রেমিক হাতের নখ না কাটলে হাসি পাচ্ছে? হাস্যকর শোনালেও এটা সত্যি। অনেক মেয়েরাই শুচিবায়ু গ্রস্থতার কারনে প্রেমিকের নখের দিকে খেয়াল করে থাকেন। নখ কাটতে বলার পর না কাটলে ব্যাপারটি ব্রেকআপ পর্যন্ত গড়ায়। ৮)পোশাকের জন্য হাস্যকর হলেও সত্যি যে প্রেমিকের পোশাকের জন্যও সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। ডেটে গেলে প্রেমিক ভালো পোশাক ও পরিস্কার ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করলে প্রেমিকা ভাবেন তার প্রেমিক সম্পর্কটিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু প্রেমিক সাধারণ কিছু পরে আসলে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবেন না অনেক মেয়েই। ফলে ব্রেকআপের চিন্তা মাথায় আসে। ৯)ঘামের গন্ধের কারণে উদ্ভট হলেও সত্যি ঘামের গন্ধের কারন ব্রেকআপ পর্যন্ত চলে যেতে পারে। সাইকোলজিস্টরা বলেন এটি একটি সাইকোলজিক্যাল কারণ। অনেক মেয়ের মধ্যেই এই অভ্যাসটি লক্ষ্য করা যায় যে, তা হল প্রেমিকের গায়ের ঘ্রান নেওয়া। অবশ্যই এই ধরনের মেয়েরা ঘামের গন্ধকে প্রাধান্য দেবেন না। ১০)প্রেমিক লম্বা না হলে স্বভাবতই মেয়েরা নিজেদের থেকে বেশী লম্বা ছেলেদের বেশ পছন্দ করে। ঝোঁকের বসে সম্পর্ক করে ফেললেও মনে মনে নিজের রাজপুত্রের প্রতিক্ষায় পরবর্তীতে ব্রেকআপ করে ফেলেন।   এমএইচ/এসি    

ব্রেক-আপের যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠুন ৬ উপায়ে

একসঙ্গে বহুপথ চলার প্রত্যয় নিয়েই প্রেম। কোনো একটি ভুলে ভেঙে যেতে পারে সেই সম্পর্ক। তখন থমকে দাঁড়ায় পৃথিবী। দু’জন পথ হয়ে যায় দুটি। সেটি মেনে নেওয়া যে কারো জন্য কঠিন। তবুও মানতে হয়। জীবন তো আর থেমে থাকে না।একেবারেই তাড়াহুড়ো নয়। সম্পর্ক শেষ মানেই একাকিত্ব ভুলতে নতুন মানুষের খোঁজ শুরু—বিষয়টা এত সহজ নয় কিন্তু বরং নিজের সঙ্গে বসুন। কী চাইছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করুণ। এই সময়ে এমনিতেই মন-মেজাজ নিজের আয়ত্বে থাকে না, তাই আগে শান্ত হোন। অহেতুক হতাশায় না ডুবে বরং আনন্দ দেয় এমন কিছু করুণ। এই সুযোগে তৈরি করতে পারেন নতুন কোনও শখ।আগের ভুল শুধরে নিনএকহাতে কিন্তু তালি বাজে না। খুব ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন, সম্পর্কটা ভাঙল কেন? আপনার দিক থেকে কোনও সমস্যা ছিল কি? তা হলে আজই সে সবের একটা তালিকা করুন। পারতপক্ষে সে সব যেন আর চলার পথে থাবা বসাতে না পারে, সে দিকে যত্নবান হওয়া জরুরি। হতেই পারে, নিজের কোনও ভুল নিয়ে আক্ষেপ আছে নিজেরও। তা হলে স্বভাব থেকে আজই সরুক সেই অযাচিত ভুল। বোঝাপড়ায় গুরুত্বদু’এক দিনের আলাপ থেকেই প্রেম কিংবা লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট— হুড়োহুড়ি অনেক সময় ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় বোঝাপড়াকে। কাজেই সঙ্গী বাছতে মনের সঙ্গে মাথাকেও গুরুত্ব দিন। এতে ভুল বোঝার আশঙ্কা কমে। আবেগ আর যুক্তির মিশেলই কিন্তু একটা ভাল সম্পর্কের বুনোট তৈরি করতে পারে। কাজেই এ বার নতুন করে ভাবুন সব। পুরনো প্রেম নিয়ে দোষারোপ?সম্পর্ক ভাঙলেই সোশ্যাল সাইটে গিয়ে তেড়ে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে গাল পাড়েন? চিকিৎসকদের মতে, এ সব কিন্তু হতাশার লক্ষ্মণ। এ অভ্যাস ত্যাগ করুন আজই। যে কোনও বিষয়েই তিক্ততা বাড়তে না দেওয়াই ভাল। তার চেয়ে চেষ্টা করুন প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বটুকু রাখতে। এতে মন ভাল থাকে। একান্তই তা না পারলে এড়িয়ে চলুন। কিন্তু ঝগড়া-দোষারোপ এ সব কখনওই নয়। বেড়াতে যানমনোবিজ্ঞানীরা বলেন, মন ভাল করার সবচেয়ে উপযুক্ত দাওয়াই বেড়ানো। সম্পর্কের ক্লান্তি থেকে বেরতে ব্যাগ গোছান, টিকিট কাটুন, ঘুরে আসুন দূরে কিংবা কাছে। চেনা পরিবেশ থেকে একটু আলাদা থাকুন ক’দিন। মনকে দিন তার নিজস্ব খোরাক। এতে হতাশা কমবে। ঝরঝরে হবেন। হঠকারিতা থেকে দূরেএ সমস্যা এই প্রজন্মে বেশি। কিছু হল, কি হল না, দুমদাম সিদ্ধান্ত। না। এ বার একটু সামলে। সম্পর্ক হোক বা পরীক্ষার রেজাল্ট, জীবনের চেয়ে বড় কিন্তু কিছুই নয়। অভিভাবকের চরম ধমকের পরেও জীবনের বাঁকে বাঁকে বিস্ময় লুকনো থাকে। তাই যে কোনও ছোটখাটো বিষয়ে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মূর্খামি থেকে দূরে থাকুন। সামলাতে না পারলে পরামর্শ নিন চিকিৎসকের। সূত্র : আনন্দবাজার।/ এআর /

প্রেম ৭ রকমের, আপনারটি কেমন

প্রেম মানুষকে বাঁচায়, কাঁদায়ও। তাই বলা হয় প্রেমের মরা জ্বলে ডুবে না, প্রেম-পিরিতির এমন নীতি কাঁদিতে হয় দিবানীশি। এক কথায় প্রেমে ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। যেটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কও আছে। সাইকোলজিস্ট রবার্ট স্টেনবার্গ ভালবাসাকে তিনটি উপাদানের মধ্যে ভাগ করেছেন। সেই উপাদানটিকে একটি ত্রিভুজের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করেছিলেন। তিনটি উপাদান হল- আবেগ (যৌন অথবা রোম্যান্টিক আকর্ষণ), অন্তরঙ্গতা (গভীর অনুভূতি) এবং সহানুভূতি (শুধুমাত্র সম্পর্ককে রক্ষা করাই নয়, তাকে সসম্মানে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া)। এই উপাদানগুলিকে একসঙ্গে ৭ ভাগে ভাগ করেছেন। যার ফলে আমরা ৭ রকমের ভালবাসার সংজ্ঞা পাই। তাহলে এক ঝলকে দেখে নিন আপনার ভালবাসার নাম কী... ১.ভালোলাগা: এমন মানুষ যার সঙ্গে আপনি সব কথা শেয়ার করতে চান। সব মুহূর্ত একসঙ্গে কাটাতে চান। তাকে আপনার শুধুই ভালোলাগে। এই অনুভূতিকে কখনওই ভালবাসা বলে ভেবে বসবেন না। তিনি আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে পারে, কিন্তু কাছের মানুষ নয়। ২. মোহ: আপনি একটা মানুষকে রোজ দেখছনে বেশ ভালোও লাগছে আপনার। তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে চাইছেন। কিন্তু এটা শুধুমাত্রই মোহ। যখন আপনার এই মোহ কেটে যাবে তখন আপনার ভালোলাগাও দূরে চলে যাবে। এখানে শুধুমাত্রই আবেগ কাজ করে। আবেগ ছাড়া আর কিছুই বর্তমান থাকে না। ৩. প্রতিশ্রুতি: অনেক সময় দেখতে পাওয়া গেছে আপনি হয়ত কাউকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছেন। কিন্তু সেই মানুষটির প্রতি কোনও রকম যৌন আকর্ষণ অনুভবই করছেন না। কিন্তু তাঁকে ছেড়ে দিতেও মন চাইছে না। তখন আপনি খালি প্রেমের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় বহু বছর প্রেম করার পরেও অনেকেই বিয়ে করেন কেবলমাত্র একে ওপরের কাছে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ থাকেন বলে। ৪. রোমান্টিক প্রেম: আবেগ এবং অন্ত্রঙ্গতা যখন কোনও ভালবাসার মধ্যে থাকে তখন তাকে রোম্যান্টিক প্রেম বলা হয়ে থাকে। যেই মানুষকে হয়ত আপনি কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও একটি মধুর সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছেন আপনি। এই সম্পর্ক সব সময় বেশি দূর না চললেও একটা মধুর অনুভূতি দিয়ে যেতে পারে আপনাকে। ৫. ঘনিষ্ট প্রেম: যখন অন্তরঙ্গতা এবং প্রতিশ্রুতি দুটোই সম্পর্কের মধ্যে থাকে তখন তাকে ঘনিষ্ট প্রেম বলা হয়ে থাকে। এই প্রেম সাধারণত কোনও বন্ধুর প্রতি অথবা যে কোনও মানুষের প্রতি হয় থাকে। যাকে আপনি অনেক দিন ধরেই চেনেন, কিন্তু তার সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে কখন এতোটা ঘনিষ্ট হয়ে গেছেন সেটাও বুঝতে পারেননি। এই প্রেম টেঁকার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি। ৬. অর্থহীন প্রেম: দূর থেকে দেখার পর অনেক মানুষকেই বেশ ভালো লাগে আমাদের। আমরা সেই মানুষটির পছন্দকে নিজের পছন্দ হিসেবে মেনে নিতে থাকি। হয়ত অনেক সময় সেই ভালোলাগা বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু তারপর সমস্ত ভালোলাগার অবসান ঘটে যায়। কারণ মানুষকে কাছ থেকে না দেখে দূর থেকে দেখেই তাকে আমরা বিচার করতে থাকি। যার ফলে ভবিষ্যতে অনেক বড় ধোকা খেতে হয় আমাদের। ৭. অনবদ্য প্রেম: অন্তরঙ্গতা, আবেগ এবং প্রতিশ্রুতি এই তিনটি উপাদান যখন ভালবাসার মধ্যে মিলে মিশে যায় তখন একোটা অনবদ্য প্রেম পাই আমরা। এই প্রেমের ক্ষেত্রে অন্তরঙ্গতা যে রকম থাকে ঠিক সেই রকমই থাকে একে ওপরের প্রতি বিশ্বাস, ভরসা। যেই প্রেমিক যুগলের মধ্যে দেওয়াল তোলার ক্ষমতা কারোর থাকে না। এই প্রেমই হয় সত্যিকারের প্রেম। এই প্রেম সত্যি সত্যি কাঁঠালের আঠা, যাকে সরষের তেল দিয়েও ছাড়ানো সম্ভব নয়...। সূত্র: জিনিউজ আরকে// এআর

মেয়েরা বয়স্ক পুরুষদের প্রেমে পড়ে ৫ কারণে

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কম বয়সী মেয়েরা বয়স্ক পুরুষদের প্রেমে পড়ে যায়। অবশ্য এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে শারীরিক ও চারিত্রিক বিভিন্ন আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট পাওয়া যায়। আর এ সৌন্দর্যে তাদেরকে বেশ স্মার্ট লাগে। ম্যাচিওরিটি বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে যথেষ্ট ম্যাচিওরিটি থাকে, আকর্ষণের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় কারণ। অল্প বয়সের ছেলেদের ম্যাচিওরিটি বিষয়টি তেমন একটা থাকে না। এ কারণে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তেমন জমে উঠে না। কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের মধ্যে সেটার অভাব থাকে না। বাস্তবসম্মত বয়স্কদের প্রেম একেবারে অন্যরকম, অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। ফলে সম্পর্কও টিকে থাকে। তারা যা প্রকাশ করে সবই বাস্তববাদী। সর্বদা বাস্তবতা মেনে চলে। তাই নেতিবাচক দিক এড়িয়ে চলতে পারে। সে কারনে মেয়েরা তাদের প্রতি দুর্বল থাকে। সঠিক সিদ্ধান্ত বয়স্ক পুরুষরা সঠিক সিদ্ধান্ত সহজেই নিতে পারে, যা অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেরা পারে না। বয়স্ক পুরুষরা সব বিষয়ে বুঝে শুনে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। যে সিদ্ধান্তে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। আর সিদ্ধান্তটাও তেমনি যুক্তিবাদি। যে কোন পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে বয়স্ক পুরুষ যে কোন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া ক্ষমতা রাখে। যা মেয়েরা খুবই পছন্দ করে। মেয়েরা চায় তার সঙ্গীকে নিয়ে যে পরিবেশেই যাক না কেন তা বিরক্তবোধ না করে। পূর্ণ আত্মবিশ্বাস থাকে এই ধরনের পুরুষদের প্রতি পূর্ণ আত্মবিশ্বাস থাকে। তারা সম্পর্ক জড়ালে কিংবা বিয়ে করলে আর ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কারণ তারা নিজেরাই চান তাদের পর্যাপ্ত বয়স হয়ে গেছে সুতরাং একাধিক প্রেম নয়, একাধিক বিয়ে নয়। কেএনইউ/     

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি