ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ৫:১২:৩৫

১১ ভুল আচরণে সঙ্গী ছেড়ে যায় আপনাকে

১১ ভুল আচরণে সঙ্গী ছেড়ে যায় আপনাকে

সম্পর্কে শুধু ভালোবাসা দেখালেই সম্পর্ক টিকে থাকে না। কেননা আপনার আচরণেও সম্পর্কের উপর প্রভাব পড়ে। তাই কিছু আচরণ সম্পর্ককে দূরে ঠেলে দেয়। আর এই দূরত্ব বাড়তে বাড়তে এক সময়ে সম্পর্কটাই শেষ হয়ে যায়। সুতরাং আপনি আপনার আচরণের উপর খেয়ার রাখুন। তা না হলে আপনার সঙ্গী আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে। তাহলে জেনে নিন আপনার যেসব আচরণ ভুল হচ্ছে- ১) সময় নাই বলাটা ভুল আপনার কাছে সময় নেই। আপনি সবসময় নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত আর আত্মকেন্দ্রিক। প্রিয় মানুষটিকে তখনই ডাকেন যখন আপনার ইচ্ছে। এমন হলে তো সম্পর্ক ভাঙবেই। ২) সঙ্গীর পেছনে ব্যয় করছেন না আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার পেছনে ব্যায় করে কিন্তু আপনি কখনোই করেন না। যদি ব্যাপারটা এমন হয় যে তাকে আপনার প্রয়োজন কেবল টাকার জন্যেই। এমন হলে এক সময়ে সম্পর্কে ভাঙন আসেই। ৩) শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন আপনি তাকে সময় অসময়ে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করেন নানান কৌশলে। কখনো কখনো নিজের অজান্তেই। এতে সঙ্গী আপনাকে নেগেটিভ মনে করবে। ৪) অলসতা আচরণ আপনি অলস ও নোংরা। এমন একজন মানুষকে কেউই দীর্ঘদিন ভালবাসতে পারে না। ৫) অগোছালো আচরণ জীবন সম্পর্কে আপনি একটুও সচেতন নন। জীবন নিয়ে আপনার কোন গোছানো পরিকল্পনা নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার কোন ভাবনা নেই, জীবনের কোন লক্ষ্য নেই। তাহলে সঙ্গী থাকবে না। ৬) মানসিক চাপ দিচ্ছেন আপনি বিয়ের জন্য তাকে মানসিক চাপ প্রয়োগ করছেন। এতে সে বিরক্ত হবে। ৭) কথায় কথায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল আপনি নানান ভাবে তাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন। এতে নিজের দোষ ঢাকেন বা বাড়তি সুবিধা আদায় করেন। ৮) অতিরিক্ত রাগী আপনি অতিরিক্ত রাগী। নিজের রাগের ওপরে আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই। ৯) অপমানজনক আচরণ আপনি প্রায়ই এমন কিছু বলেন বা করেন যাতে প্রিয় মানুষটিকে অপমান করা হয়। আপনি তাকে খোঁটা দিয়ে কথা বলেন, তাকে ছোট করার চেষ্টা করেন। ১০) শ্রদ্ধাজনিত আচরণ নেই আপনি তার প্রশংসা করেন না। তিনি আপনার জন্য যা যা করছে সেটার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন না। তার প্রায়ই নিজেকে অবহেলিত মনে হয়। ১১) অতিরিক্ত নারীবাদি বা পুরুষবাদি আপনি অতিরিক্ত নারীবাদি বা পুরুষবাদি। এতটাই বেশি যে সেটা আপনার সম্পর্কের ওপরে প্রভাব ফেলছে, যুক্তিতর্ককে আপনারা সম্পর্কের বাইরে রাখতে পারছেন না। কেএনইউ/
বিবাহিত জীবন হার্টের জন্য ভাল: সমীক্ষা

গোলমেলে হলেও বিয়ের পিঁড়িতে বসতে মন চায় প্রায় সবারই। যদিও অনেকেই রয়েছেন, যারা নানা কারণে জীবনের এই রঙিন দিক থেকে দূরে থাকেন। মেডিক্যাল জার্নাল ‘হার্ট’-এ এক সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে সমীক্ষা চালিয়েছে ব্রিটেনের ‘রয়্যাল স্টোক হসপিটাল’-এর কার্ডিওলজি বিভাগ। ৪৪ থেকে ৭৭ বছরের মধ্যে ২০ লাখ নারী-পুরুষকে নিয়ে সমীক্ষা চালায় এই সংস্থা। ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার মানুষকে নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনের এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, বিবাহিত মানুষের তুলনায় যারা একা তাদের মধ্যে ৪২ শতাংশ কার্ডিও-ভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এবং ১৬ শতাংশ আক্রান্ত হতে পারেন করোনারি হার্ট ডিজিজ-এ। এখানে ‘একা’ বলতে বলা হয়েছে যাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, যাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনী মারা গেছেন। প্রসঙ্গত, যারা একবারও বিয়ে করেননি তাদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ আক্রান্ত হতে পারেন কার্ডিও-ভাসকুলার রোগে। এবং ৪২ শতাংশ আক্রান্ত হতে পারেন করোনারি হার্ট ডিজিজ-এ। এবং এই সংখ্যাতত্ত্ব নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। ‘রয়্যাল স্টোক হসপিটাল’-এর রিসার্চ টিমের প্রধান চুং ওয়াই ওং জানান, বিয়ে করে এক সঙ্গে থাকা বা লিভ-ইন রিলেশনে থাকা- এমন সম্পর্কে যারা রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই কম। প্রসঙ্গত, সমীক্ষায় এমনও বলা হয়েছে, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে যারা থাকেন, তাদের স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যাও কম হয় অন্যদের তুলনায়। সূত্র: এবেলা একে//

৫ ধরনের পুরুষের সঙ্গে ডেটিং নয়  

সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন তাই পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে প্রায়ই ডেটিংয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু অনেক পুরুষের সঙ্গে ডেটিংয়ে গিয়ে পরে আপনাকে পস্তাতে হচ্ছে। এটা খুব দুঃখজনক বিষয়। তাই ডেটিংয়ের আগে পুরুষের কিছু নেতিবাচক দিক খেয়াল করুন, এরপর ডেটিংয়ে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করুন। জেনে রাখুন এই ৫ ধরনের পুরুষের সঙ্গে কখনই ডেটিংয়ে যাবেন না-   ১) জোর করে ডেটিংয়ে নিয়ে যাওয়া   যেসব পুরুষ দেখবেন আপনাকে জোর করে ডেটিংয়ে নিয়ে যেতে চাইছে সেইসব পুরুষের সঙ্গে ডেটিংয়ে না যাওয়াই ভালো। বুঝবেন সে ডেটিংয়ে নিয়ে গিয়ে খারাপ কিছু করতে পারে। সুতরাং এখন থেকেই সাবধান। ২) বাজে বদঅভ্যাস যেসব পুরুষের বাজে বদঅভ্যাস আছে যেমন- ধূমপান ও মদ্যপান করেন যারা তাদের সঙ্গে ডেটিংয়ে যাবেন না। তারা ডেটিংয়ে গিয়েও ধূমপান করবে, এতে আপনার ইমেজ নষ্ট করে দিবে। তাই এইসব পুরুষদেরকে নিয়ে ডেটিং করবেন না। ৩) কখনই ভালোবাসা প্রকাশ করে নি যেইসব পুরুষ তার সঙ্গীকে কখনই ভালোবাসা প্রকাশ করে নি তাদের সঙ্গে ডেটিংয়ে না যাওয়াই উত্তম। যেসব পুরুষ ঘন ঘন ডেটিং যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে, তাদের মধ্যে সত্যিকারের ভালোবাসা থাকে না, রয়েছে বদ মতলোব। ৪) অতিরিক্ত বিরক্তবোধ করে যেসব পুরুষ কথায় কথায় বিরক্তবোধ করে তাদের সঙ্গে ডেটিংয়ে যাবেন না। অতিরিক্ত বিরক্তবোধ হওয়া ছেলেদের সঙ্গে ডেটিংয়ে গেলে সময়টা মধুময় করে কাটাতে পারবেন না। বরং আপনারও বিরক্ত লাগবে। ৫) যারা একাধিক প্রেম করতে আগ্রহী যেসব পুরুদের একাধিক প্রেম করতে আগ্রহী হতে দেখা যায়, তাদের সঙ্গে ডেটিং করতে যাওয়া একেবারেই বোকামি কাজ হবে। এইসব ছেলেদের ডেটিং মানেই ফুর্তি। একেক দিন একেক মেয়েদের সঙ্গে তারা ডেটিং করতে চায়। কেএনইউ/এসি        

উচ্চতা বৃদ্ধিতে ৬ ব্যায়ামেই যথেষ্ট   

অনেকেই আছেন বয়সের তুলনায় অনেকটাই খাটো। তারা উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য কতই না সাধনা করেন। তবে উচ্চতা বাড়াতে এত সাধনার দরকার হয না, মাত্র সপ্তাহে তিনদিন করে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করলেই ভালো ফল পাওয়া যাবে। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে শরীরের আড়ষ্টভাব কেটে গিয়ে উচ্চতা বাড়তে শুরু করবে। তবে হ্যা, অতিরিক্ত ব্যায়াম শরীরের জন্য ভালো নয়। তাই বলে শুধু ব্যায়াম করলেই হবেনা। সুষম খাদ্যও গ্রহণ করতে হবে। সেই সঙ্গে জীবনযাত্রায় আনতে হবে পজিটিভ মনোভাব।        চলুন জেনে নেওয়া যাক উচ্চতা বাড়াতে যেসব ব্যায়ামের প্রয়োজন- ১) প্রথম ব্যায়াম: দেয়ালের সঙ্গে পিঠ লাগিয়ে দাঁড়ান। এভাবে দাড়িয়ে নিজেকে দেয়ালের সমান্তরালে সোজা রাখবার চেষ্টা করুন। সেই সঙ্গে চেষ্টা করতে হবে, আপনার শরীরের পেছন দিকটির পায়ের গোড়ালি থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত যেন দেয়াল স্পর্শ করতে পারে। এভাবে দেয়াল স্পর্শ করে সোজা হয়ে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। এভারে আট থেকে দশবার করুন ব্যায়ামটি। ২) দ্বিতীয় ব্যায়াম: প্রথম ব্যায়াম শেষ হবার পরে এই পর্যায়ে রিং বা বারের সাহায্যে হাতের ভরে ঝুলে পড়ুন। শরীরের ভার ছেড়ে দিন। পা দুটিকে দুলতে দিন অনুভব করুন মধ্যাকর্ষণ শক্তি নিজের উপরে। এভাবে দশ সেকেন্ড পর্যন্ত ঝুলে থেকে ছেড়ে দিন নিজেকে। আবার একই প্রক্রিয়ায় করুন এই ব্যায়াম। এটি আট থেকে দশবার করতে পারেন।    ৩) তৃতীয় ব্যায়াম: এবার আবার রিং ধরুন। তবে এবার ঝুলে থাকতে হবেনা। বরং রিং ধরে নিজেকে উপরে উঠানোর চেষ্টা করুন। এভাবে একবার উপরে উঠতে পারলে তারপর নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিন। ছেড়ে দিয়ে প্রায় তিন মিনিট পর্যন্ত ঝুলে থাকুন। এভাবে এই ব্যায়ামটি ছয় সেটে শেষ করুন। মনে রাখবেন শুরুতেই তিন মিনিট ধরে ঝুলবেন না। আপনার শরীর যে পরিমাণ নিতে পারবে সে পরিমাণ করবেন। ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে তিন মিনিট করুন।      ৪) চতুর্থ ব্যায়াম: এই পর্যায়ে এসে ব্যায়ামটি একটু কঠিন মনে হবে। এবার আপনাকে রিঙে উল্টা হয়ে পায়ের হাঁটুর ভাজের সাহায্যে ঝুলতে হবে। উল্টা হয়ে ঝুলে নিজের শরীর ছেড়ে দিন। হাত দুটিকে ঝুলতে দিন। এভাবে এক থেকে দশ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। গোনা শেষ হলে নেমে পড়ুন। এই পর্যায়টি সম্পন্ন করতে কারো সাহায্য নিন। ধীরে ধীরে করার চেষ্টা করুন। একবারে না পারলে জোর খাটাবেন না নিজের প্রতি। ধীরে ধীরে শেখার চেষ্টা করুন। তারপরও নিজের আয়ত্তে আনতে না পারলে এই ব্যায়ামটির সব থেকে কাছাকাছি যতটুকু করতে পারবেন তাই করবেন। ৫) পঞ্চম ব্যায়াম: আপনি যদি এই পর্যায়ে এসে পড়েন তবে আপনার জন্য সুখবর হল, সব থেকে কঠিন পর্যায় পার করে এসেছেন। এরপরে যা করতে হবে তা হল আপনি যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন সেখান থেকে আপনার বাম দিকে দীর্ঘ একটি লাফ দিতে হবে। সেই সঙ্গে চেষ্টা করুন ডান পায়ের ভরে অবতরন করতে। অর্থাৎ লাফ দিয়ে নামার সময় ডান পা আগে মাটি স্পর্শ করবে। লাফ দেওয়ার সময় চেষ্টা করবেন যত দীর্ঘ সম্ভব তত দীর্ঘ লাফ দিতে। ৬) ষষ্ঠ ব্যায়াম: এই পর্যায়ে আপনি আপনার পেটের ভরে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আপনার শরীর এবং পা থাকবে সোজা এবং টানটান। হাতদুটোকে তুলে দিন আপনার পেছন দিকে এবং টানটান অবস্থায় রাখুন। এবার এই অবস্থায় থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব বাঁকা করে তুলে ধরতে চেষ্টা করুন। আপনার মাথা এবং ঘাড় থাকবে সামনের দিকে সোজা অবস্থায়। এভাবে আট থেকে দশবার চেষ্টা করুন।        সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া। কেএনইউ/এসি    

প্রেমে পড়েছেন তো নিদ্রাহীনতা ডেকে এনেছেন: গবেষণা

প্রেমে পড়লে অনেককেই বলতে শুনা যায়, ঘুম হয় না বলে অভিযোগ করতে। আবার অনেকেই প্রিয়তম/ প্রিয়তমাকে কল্পনার জগতে ঠাঁই  দিয়ে তৈরি করে ফেলেন কল্পনার এক অসীম রাজ্য। যে রাজ্য থেকে বিদায় নেয় ঘুম। এটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে সিজোফ্রেমিয়া বা কাল্পনিক জগতে বাস।  আর জীবনে একবার হলেও প্রেমে পড়েননি বা প্রেম করেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। তাইতো কবি বলে গেছেন, ‘সবার জীবনে প্রেম আসে, তাইতো সবাই ভালোবাসে’। তবে প্রেম বা ভালোবাসা নামক অমোঘ স্বর্গীয় অনুভূতির ফলেই দেখা যায় নানা পরিবর্তন। সবচেয়ে পরিবর্তন দেখা যায় ঘুম নিয়ে। অন্যান্যদের তুলনায় তাদের ঘুম খুব কমই হয় বলে গবেষণাও বলছে। কেননা যখনই রাতে ঘুমাতে যাবে তখনই সেই প্রিয় মুখটির কথা মনে পড়তে থাকে, যে কারণে ঘুমাতে দেরী হয়ে যায়। এছাড়া প্রেমে পড়া মানুষগুলো এই বিষয়ে সবসময় মনোযোগী থাকে। ঠিক যেন ধ্যানে থাকার মত। তাই চোখে ঘুম আসার পরিবর্তে যেন চোখে নানান স্বপ্ন ভাসতে থাকে।   সুইজারল্যান্ডের এক গবেষক গবেষণা করে দেখেছেন যে, যারা প্রেম করেন না, তাদের তুলনায় যারা প্রেম করছেন বা প্রেমে পড়েছেন তারা গড়ে এক ঘণ্টা কম ঘুমান। যে যত বেশি প্রেমে মগ্ন, তার ঘুম তত কম হয়। এছাড়া গবেষণার মতে, এ সময় মস্তিষ্কের ডোপামাইন এলাকায় কাজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে সে রাতে কম ঘুমায়। গবেষণাগুলো অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নর-নারীর ওপর পরিচালনা করা হয়েছে। সম্ভবত ২৫ বছরের বেশি কারো ওপর এই গবেষণা করা হয়নি। তবে আপনি যে কোনো বয়সে প্রেমে পড়তে পারেন। তাদের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হবে। যাই হোক, প্রেমে পড়ার কারণে আপনার ঘুম কমে গেলে চিন্তার কারণ নেই, বরং বিষয়টি উপভোগ করতে থাকেন। তথ্যসূত্র : কলকাতা নিউজ। কেএনইউ/  

সম্পর্কে কখনো কখনো স্বার্থপর হওয়াও দরকার

আপনি সম্পর্ক করছেন! বেশ ভালো কথা। যদিও সম্পর্ক খুব কঠিন একটি ব্যাপার, তাই সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হচ্ছে আপনাকে। কিন্তু আপনার সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার জন্য আপনার সঙ্গীকে সব ধরনের বিষয়ে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন। এতে আপনার সঙ্গী মাথায় চড়ে বসবে। আপনি কেমন বোধ করছেন, কি চাইছেন, আপনি কোন কথায় কষ্ট পাচ্ছেন কি না এইসব ব্যপারে আপনার সঙ্গীর কোন যায় আসবে না। সুতরাং নিজের জীবনের সুখের কথা ভেবে প্রয়োজনে আপনি স্বার্থপর হোন। কিছু কিছু জায়গায় স্বার্থপরতা দেখান, দেখবেন সঙ্গী ঠিক হয়ে গেছে। এতে আপনিও সুখী হবেন। যেসব জায়গায় স্বার্থপরতা দেখাবেন-   আগে নিজের কথা চিন্তা করুন : আগে নিজের কথা চিন্তা করুন। নিজে যদি ভালো থাকেন তাহলে আপনার আশপাশের সবাই ভালো থাকবে। কিন্তু নিজে ভালো না থেকে যদি অন্যদের ভালো রাখার কথা চিন্তা করেন তাহলে এর বিপরীত হয়ে যাবে। তাই সবার আগে নিজেকে ভালোবাসুন। অন্যকে ভালো রাখার জন্য যে সময় নষ্ট করেন সেখান থেকে কিছুটা সময় বাঁচান নিজের জন্য। দেখবেন নিজে ভালো থাকলে সবাই ভালো থাকবে। না বলতে শিখুন : আপনার সঙ্গী যাই বলুক না কেন সব বিষয়ে হ্যাঁ বলা যাবে না। নিজের স্বার্থের জন্য অর্থাৎ নিজের জন্য যেটা ভালো হবে সেটাতে শুধু হ্যাঁ বলে দিবেন। অন্যথায় না বলাই শ্রেয়। মূল কথা আপনার সঙ্গীর সব কথাকেই প্রশ্রয় দিবেন না। নিজের পছন্দকেই মূল্য দিন : কে কী ভালোবাসে সেটা না ভেবে আপনি কোন জিনিসটা পছন্দ করেন সেটা ভাবুন। আপনার পছন্দের কাজগুলি করতে শুরু করুন। যদি কোনও জিনিস পছন্দ না হয় তাহলে সেটা না করুন। অন্যদের ভালো রাখার জন্য নিজের পছন্দকে যদি অবমূল্যায়ন করেন তাহলে আপনি নিজেই ঠকবেন। নিজের পায়ে দাঁড়ান : স্বামী বা বয়ফ্রেন্ড যতই টাকা রোজগার করুক না কেন, নিজে অর্থ উপার্জন করুন। অবশ্য যদি আপনার ইচ্ছে হয়। তবে সাবলম্বী হওয়া খুব প্রয়োজন। না হলে পরে অনেক পস্তাতে হবে। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/  

৬ রাশির বন্ধুর ওপর ভরসা করতে পারেন

‘সুসময়ে বন্ধু বটে হয়, অসময়ে কেউ কারো নয়’- এই উক্তিটিকে উপোভোগ করতে পারলেই প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়ে তোলা সম্ভব। যুগ যতই পরিবর্তন হোক না কেন প্রকৃত বন্ধুত্বের বন্ধন কখনও পরিবর্তন হতে পারে না। কিন্তু বর্তমান যুগে বন্ধুত্বের ধরণ পাল্টে গিয়েছে অনেকাংশে। তাই এখনকার সময় রাশি দেখেই বন্ধত্ব তৈরি করে ভরসা করতে পারেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক, যে ৬ রাশির বন্ধুর উপর ভরসা করতে পারবেন- ১) বৃশ্চিকরাশি: এরা ‘পর নিন্দা পর চর্চা’ করতে একেবারেই পছন্দ করেন না। তাই এদের উপর আপনি চোখ বুঝে ভরসা করতে পারেন। শুধু তাই নয়, বিপদের সময় এরা নিজেদের প্রিয় জনেদের হাত কখনও ছাড়েন না। ২) বৃষরাশি: এরা নিজেরা কষ্ট সহ্য করেও বন্ধুদের খুশি রাখেন। শুধু তাই নয়, বন্ধুদের মনের কথা কীভাবে গোপন রাখতে হয়, তা বৃষরাশির জাতক-জাতিকাদের থেকে ভাল কেউ আর জানে বলে তো মনে হয় না। তাই খেয়াল করে দেখবেন বিশ্বের প্রথম সারির গুপ্তচরেরা এই রাশিরই হয়ে থাকেন। ৩) কন্যারাশি: যদি কখনও বিপদে পড়েন তাহলে কন্যারাশির কোনও বন্ধু থাকলে তার কাছে গিয়ে মন উজাড় করে দিন, দেখুন আপনার সমস্যা কেটে যেতে সময় লাগবে না। কারণ এই রাশির জাতক-জাতিকারা যে কোনও মূল্যে তাদের বন্ধুদের সাহায্য করে থাকেন। শুধু তাই নয়, এরা এতটাই ভরসাযোগ্য হয় যে এমন মানুষদের যে কেনও কথা ভরসা করে বলা যেতে পারে। এক কথায় প্রকৃত বন্ধুর যা যা গুণ হওয়া উচিত, তা সবই এদের মধ্যে লক্ষ করা যায়। ৪) মকররাশি: বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রাশির জাতক-জাতিকারা মানুষ হিসেবে যতটা ভাল হোন, বন্ধু হিসেবে ততটাই ভরসাযোগ্য হয়ে থাকেন। তাই উপকারি বন্ধুদের তালিকার একেবারে উপরের দিকে এদের রাখতেই হবে। প্রসঙ্গত, এদের আরেকটি গুণ রয়েছে। তা হল- এরা একবার যাকে পছন্দ করে ফেলেন, তার হাত কখনও ছাড়েন না। ৫) মীনরাশি: এরা বন্ধুদের ধোকা দিতে জানে না। এরা আপনার বলা প্রতিটি কথা নিজের মনের মণিকোঠায় সাজিয়ে রাখেন। শুধু তাই নয়, বিপদে কোনও বন্ধুকে কীভাবে সাহায্য করা যেতে পারে, তা এদের থেকে ভাল কেউ আর জানে না। তাই তো বলি বন্ধু, জীবন পথে চলতে চলতে যদি পদে পদে ঠকতে না চান, তাহলে বন্ধু নির্বাচনের আগে তার রাশিটি একবার জেনে নিতে ভুলবেন না যেন! ৬) সিংহরাশি: এরা একটু রগচটা হয় ঠিকই। কিন্তু বন্ধু হিসেবে এদের কোনও তুলনা হয় না। কোনও বন্ধুর মনের কথা কীভাবে বাকিদের থেকে গোপন রাখতে হয়, তা এদের থেকে কেউ ভাল জানে না। শুধু তাই নয়, বিপদের দিনে প্রিয়জনদের সাহায্য করতে এরা প্রস্তুত থাকেন। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/  

প্রেমে পড়লে স্বাস্থ্য বাড়ে: গবেষণা

অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ প্রেমে পড়লে সত্যিই মানবদেহের ওজন বৃদ্ধি পায়। প্রায় ১৫ হাজার মানুষ এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে দম্পতিরা যেমন ছিল, তেমনি প্রেমে পড়া এমন নারী-পুরুষও ছিল। এদের লাইফস্টাইল, খাবার রুচি, পছন্দ অপছন্দ বিভিন্নরকম। সমীক্ষা চলাকালীন পুরুষ ও মহিলা, উভয়ের বডি মাস ইনডেক্স বা BMI পরীক্ষা করা হয়। এর পরই প্রকাশ পায় এই তথ্য। সম্পর্কে জড়ালে জীবনে প্রচুর পরিবর্তন আসে। এরমধ্যে প্রথম ও প্রধানতম হল লোকের চোখে আকর্ষণীয় হওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া। তখন কাউকে ইমপ্রেস করার চেষ্টা থাকে না। চাপ অনেকটা কমে যায়। অতএব নিজের ইচ্ছামতো কাজ করা যায়। যে খেতে ভালবাসে, সে পছন্দমতো খাবার খেতে থাকে। ফলে বাড়তে থাকে দেহের ওজন। মোটা হতে থাকে শরীর। প্রেমে পড়ার পর কাজ ছাড়া বেশিরভাগ সময়টাই কাটে বাড়িতে। গল্প করেই সময় কেটে যায়। যারা কারণে অকারণে বাড়ির বাইরে যেত, তারা ওই সময়টুকু নষ্ট না করে সঙ্গীকে দিতেই পছন্দ করে। শরীরচর্চা করার সময় কমে আসে। অনেকসময় তো রুটিন থেকে শরীরচর্চার সময়টুকুই বাদ পড়ে যায়। অনেকসময় এও দেখা যায় একজনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের প্রভাব পড়ে আর একজনের উপর। যাদের দেহের ওজন ব্যালেন্সে রাখার অভ্যাস রয়েছে, তাদের লাইফস্টাইল একটি নির্দিষ্ট নিয়মে বাধা থাকে। যতদিন তারা সিঙ্গল থাকে, হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও ঠিক শরীরচর্চার জন্য সময় বের করে নেয়। কিন্তু প্রেমে পড়লে ঘেঁটে যায় সব রুটিন। আর এর ফলেই দেহের ওজন বৃদ্ধি হয়। তবে এগুলিই শুধু কারণ নয়। হরমোনও এক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করে। প্রেমে পড়লে দেহে হ্যাপি হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। অক্সিটোসিন ও ডোপামিনের মতো হরমোন বেশি পরিমাণে নির্গত হয়। এর ফলে চকোলেট, ওয়াইন ও ক্যালোরিযুক্ত খাবারের প্রতি আসক্তি বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার উপর। সূত্র : এ বেলা। / এআর /  

যে কারণে একাধিক নারীর প্রতি আসক্ত হন পুরুষরা

একটা প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, পুরুষ বা নারী প্রত্যেকেই জীবনে একাধিক সঙ্গী বা সঙ্গিনী পেতে চান। কিন্তু গবেষকরা বলছেন, এটা সম্পূর্ণ ভুল। কখনই পুরুষ ও নারীদের মধ্যে সঙ্গী বা সঙ্গিনী পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা একই রকমের হয় না। বরং নারীদের চেয়ে অনেক বেশি এই আকাঙ্ক্ষা বা আসক্তি থাকে পুরুষদের মধ্যে। যৌবনকালই হোক বা মধ্যবয়স অথবা বার্ধক্য একাধিক সঙ্গিনীর সান্নিধ্য পেতে চান সব পুরুষই৷ কিন্তু কেন, জানেন? সম্প্রতি ১৫ হাজার পুরুষ ও নারীদের মধ্যে একটি সমীক্ষা চালান গবেষকরা৷ সেই সমীক্ষা থেকেই তারা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন৷ জানা গেছে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা পুরুষ ও নারীদের আলাদা আলাদাভাবে প্রশ্ন করা হয় তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর বিষয়ে৷ জানতে চাওয়া হয়, এখনও পর্যন্ত কতজন পুরুষ বা নারী তাদের জীবনে এসেছে? বা কতজনের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন তারা? যা উত্তর এসেছে তাতে কার্যত অবাক গবেষকরা৷ জানা গেছে, উত্তরে নারীদের তুলনায় অনেক বেশি সঙ্গিনীর কথা উল্লেখ করেছেন পুরুষরা৷ ১৬ থেকে ৭৪ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষরা জানিয়েছেন, এই সময়কালের মধ্যে তাদের জীবনে গড়ে ১৪ জন করে নারী এসেছে৷ কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, কারও সঙ্গে হয়েছে কেবল মিষ্টি প্রেম সম্পর্ক৷ অপরপক্ষে একই প্রশ্নের উত্তরে, একই বয়সের নারীরা জানিয়েছেন, গড়ে সাতজন করে পুরুষের সঙ্গে প্রেম করেছেন বা যৌন সম্পর্ক গড়ে উঠেছে৷ অর্থাৎ এটা প্রমাণিত হয়েছে, নারীদের তুলনায় পুরুষদের প্রেমে পড়ার বা যৌন আসক্তি অনেক বেশি৷ উত্তরের এই ট্রেন্ডের পিছনে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে বলে জানান গবেষকরা৷ তাদের মতে, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের মধ্যে যৌন আসক্তি বাড়তে থাকে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেবল একাধিক নারীর সান্নিধ্যই পেতে চান তারা৷ তাদের মনে বাড়তে থাকে সঙ্গমের ইচ্ছা৷ যা আরও বেশি করে পুরুষদের মধ্যে সঙ্গিনী খোঁজার তাড়না বাড়ায়৷ সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

সম্পর্ক মধুর রাখতে দু’জনেরই যে ৫ গুণ থাকা চাই

আসলে সম্পর্কে জড়ানোর পর কেউই চায় না সেটা বিষিয়ে উঠুক। অনেক সম্পর্কে দেখা যায় একজনের ভুলের কারণে সেটা তিক্ত হয়ে উঠে, এমনকি সম্পর্কটা ভেঙে যায়। যেটা কখনই কাম্য নয়। সুতরাং সম্পর্ক মধুর ও টেকসই রাখতে একজনের ভূমিকা থাকলে হবে না, এতে দু’জনেরই ভূমিকা থাকতে হবে। সম্পর্ক মধুর রাখতে দু’জনের কিছু গুণ থাকা প্রয়োজন-    প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পাশে থাকা প্রতিকূল পরিস্থিতে দু’জন দু’জনের পাশে থাকা আবশ্যক। যে আপনাকে ভালোবাসে সে সবসময় আপনাকে নানা প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করবে। আপনাকে নিয়ে কেউ মজা করলে বা হাসাহাসি করলে সে তাতে অংশ নেবে না, বরং প্রতিবাদ করবে আপনাকে রক্ষা করবে। এক্ষেত্রে আপনিও তার এ রকম পরিস্থিতিতে সে সাহায্য না চাইলেও নিজের থেকে এগিয়ে আসবেন। এতে আপনাদের দু’জনের সম্পর্ক মধুর রাখতে বেশ সহায়তা করবে। একে অপরের পরিবারকে সম্মান আপনি যাকে ভালোবাসেন সে আপনার পরিবারের প্রতি সম্মান দেখাবে তো বটেই। তাই আপনারও উচিত তার পরিবারকে সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়া। সে আপনার বাবা-মা ভাই-বোন কিংবা অন্য সদস্যদের সামনে যদি কথা বলতে হয় তাহলে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেই বলবে। তাহলে সেও আপনার উপর খুশি হবে, আপনিও তার উপর খুশি হবেন। একে অপরের খুঁত ধরে বড় করে না দেখা আপনি যদি আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসেন তবে তার সকল দোষ ত্রুটি মিলিয়েই তাকে ভালবাসতে হবে। তাহলে সেও আপনার দোষ ত্রুটিকে মিলিয়ে নিবে। কোনো মানুষের পক্ষেই পারফেক্ট হওয়া সম্ভব নয়। আপনার সঙ্গীর মধ্যেও খুঁত থাকতে পারে। কিন্তু আপনি সেই খুঁত নিয়ে কি করবেন তার ওপরেই কিছু সম্পর্ক নির্ভর করে অনেকাংশে। তাই সম্পর্ককে মধুর রাখতে চাইলে ছোট ছোট খুঁত ধরা বন্ধ করেন। মানসিকতা বুঝতে হবে এমন অনেক সম্পর্কে দেখা যায় যারা একে অপরকে বোঝেন না কিন্তু সামাজিকতার ভয়ে তিক্ত সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে আসতেও পারেন না। সঙ্গীর মানসিকতা বোঝা একটি সুস্থ সম্পর্কের জন্য অনেক বেশি জরুরি। আপনার সঙ্গী আপনার সাথে কিছু নিয়ে রাগারাগি করলেন কিংবা মন খারাপ করলেন এখন্ আপনি যদি তাকে না বুঝে তার মানসিকতা না বুঝে উল্টো আপনিও একই কাজ করেন তবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। তাই একে অপরের মানসিকতা বুঝে কাজ করুন। বিশ্বাস রাখা সম্পর্ককে মধুর রাখতে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের কারণে সম্পর্কে তৈরি হয় টানাপোড়ন। সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। তাই একে অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস আপানাদের সম্পর্কে আনবে মধুরতা। কেএনইউ/ এআর

ব্রেক-আপ যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠার সেরা ৫ উপায়

একসঙ্গে দীর্ঘপথ চলার নামই প্রেম। দুটি তরুণ হৃদয় ঘর বাধার স্বপ্ন যখন দেখতে শুরু করেন তখন মাঝে মাঝে সেই প্রেমে ছেদ দেখা দেয়। ভেঙে যায় সম্পর্ক। ব্রেক-আপের পর পুরনো সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাও অনেক সময় হয়ে উঠে চ্যালেঞ্জের। বারবার মনে পড়ে যায় প্রেয়সীকে। তার সঙ্গে কাটানো তাজা স্মৃতিগুলো মানসপটে চলে আসে। কিন্তু ভোলা ছাড়া আর কোনো উপায়ও তো থাকে না। সহজ কয়েকটি উপায় অবলম্বন করে ব্রেক-আপের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। ১) জীবনকে সহজ করুন মন থেকে হয়তো মেনে নিতে পারবেন না। কিন্তু এটা একশ’ শতাংশ ঠিক যে সম্পর্ক ভাঙার পর জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। কোনো ঝগড়া, ভুল বোঝাবুঝি, হতাশা, ত্যাগ, মানিয়ে নেওয়ার মতো ব্যাপার থাকে না। কারোর সঙ্গে যদি আপনার চিন্তাধারা না মেলে, তাহলে অনায়াসে আপনি তাকে বিদায় জানিয়ে দিতে পারবেন। কোনও পিছুটান আপনাকে আটকাবে না। ২) নিজেকে আবিষ্কার করুন একা একা ঘুরতে যেতে চাইতেন বরাবর? এবার সেই স্বপ্নপূরণ করুন। ইচ্ছেমতো জায়গায় একাই ঘুরে আসুন। নিজের কোনও ব্যবসা শুরু করার ইচ্ছা থাকলে সেটিও পূরণ করে নিতে পারেন। আর যদি এমন কোনও ইচ্ছা না থাকে, তবে বাড়িতেই ইচ্ছেমতো সময় কাটান। রান্না করতে ভাল লাগতে তাই করুন। সাঁতার শিখতে ইচ্ছা থাকলে শিখে ফেলুন। মোটকথা নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চেষ্টা করুন। ৩) যা ঘটেছে তা থেকে শিক্ষা নিন জীবনে যা কিছু ঘটে সব কিছুর পিছনেই কোনও না কোনও কারণ থাকে। আপনর ব্রেক-আপও অকারণে হয়নি। প্রথম প্রথম তো মনে হবে সম্পূর্ণ পার্টনারের দোষ। কিন্তু সব ক্ষেত্রে তা হয় না। নিজেরও কিছু ভুল থাকে। সেই কারণটি খোঁজার চেষ্টা করুন। নিজেকে বিশ্লেষণ করুন। কারণ কেউ সম্পূর্ণ সঠিক হয় না। নিজের ভুল জায়গাগুলি নিজেই সংশোধন করুন। এতে পরবর্তীকালে আপনারই ভাল হবে। ৪) ডেটিং করুন একবার সম্পর্ক ভেঙেছে মানে যে জীবন শেষ, এমন কিন্তু নয় একেবারেই। বর্তমানে এমন কেউ ভাবে না ঠিকই। কিন্তু অনেকে ব্রেক-আপের পর আর সম্পর্কে জড়াতে চান না। এমন একেবারেই করবেন না। ডেটিং করুন চুটিয়ে। আপনার জীবনের রাস্তা খোলা। এই সময় যদি অন্য কাউকে না ঢুকতে দেন তাহলে জীবন এগোবে কী করে? ৫) হাসিখুশি থাকুন আপনি সম্পর্কে আছেন কি নেই, তা কখনও আপনার খুশির পথে আসতে পারে না। তাই একা থাকুন বা সম্পর্কে থাকুন, খুশি থাকুন সবসময়। প্রথমে নিজের প্রেমে পড়ুন। তারপর অন্যের কথা ভাবুন। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

ছেলে নাকি মেয়ে কার বন্ধুত্ব শক্তিশালী, জেনে নিন 

তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কার বন্ধুত্ব সবচেয় শক্তিশালী এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। বিভিন্ন চলচ্চিত্র, গল্প উপন্যাসে দেখানো হয়, মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বন্ধু তৈরিতে এবং দলবদ্ধ বন্ধুত্ব ধরে রাখতে অনেক বেশি পারঙ্গম। কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে, উল্টোটাই বরঞ্চ সত্যি। ছেলেদের বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠতা মেয়েদের তুলনায় বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।     গবেষকরা বলেন, ছোঁয়াচে রোগ এবং টীকা কর্মসূচির পরিকল্পনা করতে সামাজিক জীবনে কিশোর-কিশোরীদের মেলামেশার ধরন সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। সে জন্যই লন্ডনের স্কুল অব হাইজিন এবং ট্রপিক্যাল মেডিসিন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই গবেষণাটি চালায়। ব্রিটেনের চারটি স্কুলের নানা আর্থ-সামাজিক শ্রেণি থেকে আসা ৭ম শ্রেণির ৪৬০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের প্রত্যেককে সমবয়সী ছয় জনের নাম করতে বলা হয়, যাদের সঙ্গে সে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে অধিকাংশ সময় কাটিয়েছে। গবেষণা দলের ড. অ্যাডাম কুচারস্কি বলেন, ‘প্রচলিত ধারণার বিপরীতে তারা দেখতে পেয়েছেন, মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বন্ধুদের জোট তৈরিতে বেশি পারঙ্গম এবং তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা অপেক্ষাকৃত বেশি দিন অব্যাহত থাকছে।’ ড. কুচরস্কি বলেন, ‘ফ্লু বা হামের মতো ছোঁয়াচে রোগ ছড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ধারণার জন্য এই সামাজিক মেলামেশার প্যাটার্ন বোঝাটা জরুরি।’ গবেষক দলের আরেক সদস্য ড. ক্লেয়ার ওয়েনহ্যাম বলেন, ‘রোগের বিস্তার সম্পর্কে জানতে বাচ্চাদের মেলামেশার আচরণ বোঝাটা অত্যন্ত প্রয়োজন।’ ক্লেয়ার বলেন, ‘এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় সংক্ষিপ্ত সময়ে, যেমন সারাদিন, মেলামেশার প্যাটার্ন বোঝার চেষ্টা হয়েছে। এবার দীর্ঘ সময়ের মেলামেশার ধরন দেখা হলো।’ তরুণ-তরুণী এবং তাদের বন্ধুত্ব নিয়ে অনেক লেখালেখি করেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং মনোবিজ্ঞানী ড. টেরি অ্যাপ্টার। এ বিষয়ে ড. টেরি বলেন, ‘ছেলেদের মধ্যে বন্ধুত্ব অনেক বেশি স্থিতিশীল, অন্যদিকে মেয়েদের সম্পর্কে অস্থিরতা বেশি। মেয়েদের মধ্যে একটা শঙ্কা কাজ করে যে, হয়তো তাদের প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক টিকবে না, আবার অনেক সময় সামাজিক চাপের কারণে তারা অনেকের সাথে জোর করে বন্ধুত্ব তৈরির চেষ্টা করে...ছেলেদের মধ্যে এসব প্রবণতা কম।’ সূত্র: বিবিসি বাংলা এসি   

শারীরিক সম্পর্ক ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

শারীরিক সম্পর্কের চূড়ান্ত তৃপ্তির মুহূর্তেই শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে অ্যালার্জি৷ সেই অ্যালার্জি মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে৷ পুরুষের বীর্য নারীর, এমনকি সেই পুরুষের জন্যও ডেকে আনতে পারে বিপদ৷ যৌনমিলনের পর, অনেকের যৌনাঙ্গে বা শরীরের অন্যান্য স্থানে অ্যালার্জি হয়৷ এই সমস্যাকে বহু বছর খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি৷ কিন্তু এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে৷ দেখা গেছে যে, মিলনের পর অনেক নারী অ্যালার্জির কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে বাধ্য হচ্ছেন৷ এমনকি বীর্যপাতের পর নিজের বীর্যের কারণে অনেক পুরুষের শরীরেও দেখা দিচ্ছে অ্যালার্জি৷ এ ধরনের অ্যালার্জির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টও শুরু হতে পারে৷ যৌনমিলনের কারণে দেখা দেওয়া অ্যালার্জির কারণে হতে পারে মৃত্যুও৷ ১৯৫৮ সালে, অর্থাৎ ৫৮ বছর আগে নেদারল্যান্ডসের এক ডাক্তার প্রথম যৌনতার কারণে দেখা দেওয়া এই অ্যালার্জির কথা লিখিতভাবে উল্লেখ করেছিলেন৷ এতদিনেও কিন্তু গবেষণামুলক লেখালেখিতে এ ধরণের রোগীর উল্লেখ খুব একটা নেই৷ যৌনমিলনের পর অ্যালার্জি দেখা দিলেও অনেকেই লজ্জায় ডাক্তারের কাছে যেতে চান না৷ এই প্রবণতা অবশ্য মেয়েদের মধ্যেই বেশি৷ অনেক সময় ডাক্তারের ভুলের কারণেও যৌনতাজনিত অ্যালার্জির কথা কেউ জানতে পারে না৷ ডাক্তার ধরে নেন, সাধারণ কোনও ইনফেকশন হয়েছে৷ সেই অনুযায়ীই চলে চিকিৎসা৷ একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রতি ১০ হাজারের মধ্যে অন্তত একজন নারী বা পুরুষ এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হন৷ পুরুষদের বীর্যে এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে৷ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যৌনতার পরের এই অ্যালার্জির জন্য দায়ি বীর্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপদান ‘প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন’ বা পিএসএ৷ এই পিএসএ-র কারণে প্রোস্টেট ক্যানসারও হয়ে থাকে৷ অন্যদিকে যৌনমিলন এবং প্রজননেও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পিএসও৷ ডিম্বানু আর শুক্রানুর মিলনও পিএসএ-র ওপর নির্ভরশীল৷ অনেক সময় কুকুরের বীর্যের কারণেও মানুষের দেহে দেখা দিতে পারে এই অ্যালার্জি৷ কুকুর প্রস্রাব করার সময় অনেক সময়ই সেই প্রস্রাব ছিঁটে তার গায়ে লাগে৷ তখন প্রস্রাবের সঙ্গে বীর্যও লাগে শরীরে৷ পোশা কুকুরকে কেউ যখন আদর করেন সেই বীর্যের সংস্পর্শেও এসে যায় মানুষ৷ এভাবে যৌনমিলন ছাড়াও হতে পারে বিপজ্জনক এই অ্যালার্জি৷ খাবারে অনেকেরই অ্যালার্জি থাকে৷ আর যৌনমিলনের সময় সেই খাবারের কারণেও কিন্তু হতে পারে অ্যালার্জি৷ ব্রাজিলে এক নারীর বাদামে অ্যালার্জি ছিল৷ তাই তার পার্টনার যৌনমিলনের আগে বাদাম খেলেও খুব ভালো করে ব্রাশ করে ভেবেছিলেন মুখে যেহেতু বাদামের কণাও নেই, সেহেতু মেয়েটির অ্যালার্জি হবে না৷ কিন্তু যৌনমিলনের পরই অ্যালার্জি শুরু হয়ে যায় মেয়েটির শরীরে৷ পুরুষদের অ্যালার্জির ধরণটা একটু অন্যরকম৷ যৌনমিলনের পর পুরুষদের সাধারণত খুব মাথাব্যথা হয়৷ কারো কারো কয়কেদিন খুব ক্লান্ত লাগে৷ কেউ কেউ আবার সপ্তাহ খানেক পর্যন্ত সর্দি-জ্বরে ভোগে৷ এমন অ্যালার্জি কয়েকবার হলে এক সময় মনে আতঙ্ক দেখা দেয়৷ অনেকে তো তখন আর সেক্সই করতে চান না৷ তবে মনে রাখবেন, আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যৌনমিলন এড়িয়ে চলা কোনেও সমাধান নয়৷ বরং যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করা যেতে পারে৷ কিন্তু যারা সন্তান নিতে চান তাদের কী হবে? তাদের তো কনডম ব্যবহার করলে চলবে না! তাদের জন্য একমাত্র সহায় অ্যান্টিহিসটামিন৷ এই ওষুধ অ্যালার্জির কষ্ট অনেকটাই কমাতে সক্ষম৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি