ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১, || কার্তিক ৫ ১৪২৮

সাবধান ডিজিটাল মাদক!

পথচারী

প্রকাশিত : ১৭:৩৩, ৫ আগস্ট ২০২১ | আপডেট: ১৭:৩৪, ৫ আগস্ট ২০২১

দিন দিন মাদকাসক্তির মতো অনলাইন গেম খেলাতেও আসক্ত হয়ে পড়ছে দেশের তরুণ-তরুণী। স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া, অনলাইন গেমের সহজলভ্যতা ও গেমগুলোকে আনন্দদায়ক এবং অত্যাধুনিক করে গড়ে তোলার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে করোনাকালীন এ সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবং অনলাইনে ক্লাস করতে গিয়ে নিজেদের অজান্তেই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে শীক্ষার্থীরা।

ইতোমধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত মুঠোফোন, কম্পিউটার, ভিডিও গেম বা অনলাইন গেম খেলাকে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশিষ্ট জনের মতে, ভিডিও গেম, অনলাইন গেম বা ডিজিটাল মাদক থেকে দেশের যুব সমাজকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সচেতনতা। বিশেষ করে পরিবারের সচেতনতা দরকার সবার আগে।

বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় গেম বলতে গেলে ‘ফ্রি ফায়ার এবং পাবজি’ নামের দুটি গেম, যা আজকাল মাত্রাতিরিক্তভাবে খেলতে দেখা যায়। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত ফ্রি ফায়ারের ৫০০ মিলিয়নের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে। অন্যদিকে পাবজি গেমটিরও মোবাইল ডাউনলোড প্রায় ২৩৬ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।

অতীতের ঘটনা থেকে দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনলাইন গেমের আসক্তি থেকে অনেকেই এক সময় অসহিষ্ণু, খুনী ও সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে। গেমগুলো এমনভাবে তৈরি তরুণদেরকে নৃশংস, উগ্রবাদী, বর্ণবাদী চিন্তা-ভাবনায় আচ্ছন্ন করে ধীরে ধীরে আসক্ত করে ফেলে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ভিডিও গেমকে চীনে ‘ডিজিটাল আফিম’ বলা হয়। কারণ চীনে প্রায় আড়াই কোটি তরুণ-তরুণী স্ক্রিনে আসক্ত এবং ৫০ শতাংশ শিশু-কিশোর মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। আর এ জন্য শঙ্কিত চীন সরকার ২০০৮ সালে স্ক্রিন আসক্তিকে ‘মানসিক ব্যাধি’ হিসেবে ঘোষণা করে।

পত্রিকায় প্রকাশিত একটি খবর ফ্রি-ফায়ার, পাবজি গেম সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবির হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেহেরপুরের গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার। তিনি জানান, মুজাহিদ, হামিম ও আবির তিনজন পরস্পর আত্মীয় হওয়ার কারণে তারা একসঙ্গে খেলাধুলা করত। মোবাইল ফোনে সাধারণ গেম খেলতে খেলতে এক পর্যায়ে ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। কয়েক সপ্তাহ আগে মুজাহিদের কাছ থেকে আবির হোসেন ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড নিয়ে সেটি পরিবর্তন করে। সে অ্যাকাউন্টে মুজাহিদের ৫০ হাজার টাকা রয়েছে দাবি করে আবির হোসেনের কাছে ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড অথবা টাকা ফেরত চায় মুজাহিদ। আবির হোসেন আইডি ও পাসওয়ার্ড না দেয়ায় বিরোধ শুরু হয়।

ঘটনার দিন হামিমকে নিয়ে মুজাহিদ আবির হোসেনকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। পরে হামিমের বেল্ট খুলে আবিরের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর পাট দিয়ে বেঁধে ফেলে রাখার পর, আবিরের কাছে থাকা তার মায়ের মোবাইল ফোন থেকে মুজাহিদ আবিরের বাবার কাছে হিন্দি ভাষায় এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে আবিরের বাবা বিষয়টি আবিরের মাসহ স্বজনদের জানায়। স্বজনরা আবিরকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করার পাশাপাশি ৯৯৯-এ কল দেওয়া হয়। ফোন কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মুজাহিদ ও হামিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে, হত্যার ঘটনা স্বীকার করলে আবিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। মুজাহিদ ও হামিমের বয়স ১৪ ও ১৫ বছর। আসলে একই বয়সের আত্মীয় খেলার সাথী হয়ে সাথীকে হত্যা করা, আসলে ভার্চুয়াল ভাইরাস তাতে আসক্ত তরুণদের অসহিষ্ণুতা ও নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা কোন পর্যায়ে নিয়ে গেলে এটা সম্ভব, এটা আমরা সহজেই আঁচ করতে পারি।

২০১১ সালে নরওয়েতে প্রথম বড় ধরনের এক নৃশংস ঘটনা ঘটে। আন্ডার্স ব্রেইভিক মুসলিম বিদ্বেষী ও নারী বিদ্বেষী এক নরওয়েজিয়ান। ২০১১ সালের ২২ জুলাই একটি সামার ক্যাম্পে নির্বিচার গুলি চালিয়ে সে ৭৭ জন নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে। মানুষ মারার প্রস্তুতি সম্পর্কে আদালতে খুব সুস্পষ্ট বর্ণনা দেয় সে। ‘তুমি যদি এই গেমের এনভায়রনমেন্টে কাউকে উদ্দীপ্ত করতে পারো, তাহলে তোমার দাদীআম্মাও সুপার মার্কসম্যানে রূপান্তরিত হবে’। ‘কল অফ ডিউটি’ নামে একটি কম্পিউটার গেম খেলে সে হাত পাকায়। ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্র্যাফট নামে আরেকটি ভিডিও গেম সে দিনে ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত খেলত।

একই ভাবে ২০১৫ সালে আমেরিকার সাউথ ক্যারোলিনাতে ২১ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ তরুণ কৃষ্ণাঙ্গদের চার্চে ঢুকে নয়জনকে গুলি করে হত্যা করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে শৈশব থেকে সেও ভায়োলেন্ট ভিডিও গেমে আসক্ত ছিল। ১৮ বছরের আসক্ত তরুণ ১০ জনকে হত্যা ও ৩৬ জনকে আহত করার পর নিজে আত্মহত্যা করে।

জার্মানির মিউনিখে শপিং মলে হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা করে ১৮ বছরের তরুণ আলি ডেভিড সনবলি। আহত করে ৩৬ জনকে। পরে নিজে আত্মহত্যা করে। গেম খেলতে খেলতে তার ভেতরে প্রতিশোধ স্পৃহা সৃষ্টি হয়। ডেভিড সনবলি তার সহপাঠীদের হাতে দীর্ঘ সাত বছর বুলিং, অর্থাৎ মানসিক উৎপীড়নের শিকার হয়। তাদের সাথে সে মিশতে পারত না। এক সময়ে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে এবং ভিডিও গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ে। গেম খেলতে খেলতে তার ভেতরে প্রতিশোধ স্পৃহা সৃষ্টি হয়। খুনের টার্গেট হিসেবে সে বেছে নেয় তার সমবয়সী টিন-এজারদের। তার মডেল ছিল খুনি এন্ডার্স ব্রেইভিক।

২০১৯ সালে ১৫ মার্চ অস্ট্রেলিয়ান তরুণ ব্রেনটন টারান্ট নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে গুলি চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যা করে। তারও রোল মডেল ছিল নরওয়ের ব্রেইভিক। টারান্ট খুন করার দৃশ্য ফেসবুকে লাইভে প্রচার করে ও রেকর্ড করে। গ্রেফতার হওয়ার পর টারান্টকে জিজ্ঞেস করা হয়, ভায়োলেন্স ও টেরোরিজম সে কীভাবে শিখল? তার উত্তর ছিল, ‘স্পাইরো দ্যা ড্রাগন’ ভিডিও গেমটি আমাকে উগ্র জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে এবং ফোর্টনাইট গেমটি আমাকে কিলার হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়।’ ২০১১ সালের রেডিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ নর্থ আমেরিকার বার্ষিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্কুল অফ মেডিসিনের একদল বিজ্ঞানী গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে তারা বলেন, ভিডিও গেম খুব একটা খেলে না এমন ২৮ জন তরুণের উপর পরীক্ষা করে আমরা দেখেছি, মাত্র এক সপ্তাহ ভায়োলেন্ট ভিডিও গেমস খেলার পরে তাদের ব্রেনের বুদ্ধিমত্তা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। ১৯৯৮ সালে গবেষকরা শনাক্ত করেন যে, ভিডিও গেমস মস্তিষ্কে ডোপামিন লেভেল ১০০% বাড়িয়ে দেয়।

এখনকার ভিডিও গেমগুলো কত আসক্তিকর তা বোঝাতে আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক ড. নিকোলাস বলেন, ‘১৫ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি ভিডিও গেমস ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তদের চেয়ে হেরোইন ও ক্রিস্টাল মেথে আসক্তদের সুস্থ করে তোলা অনেক সহজ।’

আর পেন্টাগনের এডিকশন রিসার্চ বিভাগের প্রধান ড. এন্ড্রুর মন্তব্য হলো- ভিডিও গেমস ও স্ক্রিন আসক্তি হচ্ছে ডিজিটাল মাদক। যুদ্ধবাজ ও অস্ত্র বেনিয়া চক্র ভিডিও গেম প্রসারের মূল উদ্যোক্তা।

‘ওয়ার-প্লে, ভিডিও গেমস এন্ড ফিউচার অফ আর্মড কনফ্লিক্ট’ বইতে নিউ ইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর করি মিড পুরো ব্যাপারটা বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। ১৯৬০ এর দশক থেকে শুরু। পেন্টাগন ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী গেমগুলো ব্যবহার করে সৈন্য রিক্রুট ও প্রশিক্ষণের কাজে। বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রয়োজন অনুযায়ী, পেন্টাগনের চাহিদাপত্র অনুযায়ী, গেম কোম্পানিগুলো নতুন নতুন কম্পিউটার গেম বানিয়েছে। এই গেমগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সম্ভাবনাময় তরুণদের সেনাবাহিনীতে রিক্রুট করার উদ্দেশ্যে।

২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ি মার্কেট ওয়াচ ২০২১ সালের ২ জানুয়ারি এক রিপোর্ট প্রকাশ করে। যা থেকে জানা যায়, হলিউড-বলিউডসহ পৃথিবীর যত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আছে, সবার ব্যবসার পরিমাণ যোগ করলে এটি ১০০ বিলিয়ন ডলার হবে। আর ভিডিও গেম নির্মাতাদের ব্যবসার পরিমাণ হিসেব করলে দেখা যাবে ১৮০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চেয়েও প্রায় দ্বিগুণ।

ভিডিও গেমকে চীনে ‘ডিজিটাল আফিম’ বলা হয়। কারণ চীনে প্রায় আড়াই কোটি তরুণ-তরুণী স্ক্রিনে আসক্ত এবং ৫০ শতাংশ শিশু-কিশোর মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। আর এ জন্য শঙ্কিত চীন সরকার ২০০৮ সালে স্ক্রিন আসক্তিকে ‘মানসিক ব্যাধি’ হিসেবে ঘোষণা করে।

যদিও চীন সরকার গেমিং কোম্পানিগুলোকে সে দেশে ব্যবসা করার জন্যে কিছু নিয়ম করে দিয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো গেমার রাত দশটা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত ভিডিও গেম খেলতে পারবে না। ১৮ বছরের কম বয়সীরা ছুটির দিনে তিন ঘন্টা এবং সপ্তাহে বাকি দিনগুলোতে দেড় ঘন্টা ভিডিও গেম খেলতে পারবে। শিশু-কিশোররা গেমিং একাউন্টে প্রতি মাসে ২০০ ইউয়ান বা ২৪০০ টাকার বেশি রাখতে পারবে না।

ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজ ১১তম সংশোধিত সংস্করণে (আইসিডি-১১) ‘গেমিং অ্যাডিকশন’কে এক মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যা হিসেবে গ্রহণ করেছে ২০১৮ সালের জুনে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে প্রকাশিতব্য আইসিডি-১১ শীর্ষক রোগনির্ণয় গাইড বুকে এটি সংযুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ বলা যায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অনলাইন গেম, মুঠোফোন, কম্পিউটার বা ভিডিও গেমের ক্ষতিকর ব্যবহারকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বর্তমান তরুণ প্রজন্মের জন্য এভাবে মুঠোফোন, ল্যাপটপ–কম্পিউটারে গেমের প্রতি আসক্তি ভবিষ্যতে বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইন্টারনেটের যুগে গেম–আসক্তির বিষয়টি অন্যান্য আসক্তির চেয়ে গুরুতর। আমাদের চারদিকে একটু নজর দিলে দেখা যায়, কেউ অনলাইনে গেমের প্রতি আসক্ত, কেউ পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত, কেউ মুভি দেখায়, আবার কেউবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ সময়টুকু ব্যয় করে ফেলছে।

এ ভয়াবহ সংকট অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বুদ্ধিদীপ্ত এবং ফলপ্রসূ উদ্যোগ গ্রহণ খুবই জরুরী। এসব ভয়াবহ মানসিক রোগের হাত থেকে উত্তরণের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে তরুণ-তরুণীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। এর কোন বিকল্প নেই।

আসলে আধুনিক হলেই, ডিজিটাল হলেই, অনলাইন হলেই উল্লসিত হওয়ার কিছু নাই। উল্লাস প্রকাশ করার আগে, তাতে কল্যাণ আছে, না অকল্যাণ এটা যাচাই-বাছাই করে গ্রহণ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আসলে আমরা হুজুগে পড়ে যাই। এবং শোষকরা সবসময়ই হুজুগ সৃষ্টি করতে চায়। ধুম-ধাড়াক্কা করে তারা সাধারণ মানুষের টাকায় সাধারণ মানুষকে আরো গরিব বানিয়ে সেই অর্থে নিজেরা ভোগবিলাসে জীবনযাপন করতে চায়। আসলে ভার্চুয়াল ভাইরাস যে কতরূপে আমাদের সামাজিক বুনন, পারিবারিক বুনন, নৈতিক বুনন, এটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে সে সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি সচেতন হলেই এই দানবের হাত থেকে আমরা মুক্তি পাব।

আসলে অনলাইনে ক্লাস করার জন্যে কিনে দেয়া মোবাইল ফোন নিয়ে কত মায়ের সন্তান, কত মায়ের ছেলে, কত মায়ের মেয়ে যে গেম এবং নানা ধরনের অ্যাপসে আসক্ত হয়ে পড়েছে, এই হিসেব কারো পক্ষে দেয়াই সম্ভব নয়।

এসএ/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি