ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:১০:১৮

আজ বিশ্ব নদী দিবস

আজ বিশ্ব নদী দিবস

আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব নদী দিবস। নদী রক্ষায় নাগরিকদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে বাংলাদেশসহ ৭০টির বেশি দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য ‘নদী থেকে নির্বিচারে বালু উত্তোলন বন্ধ কর।’ নদী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে কয়েকদিন আগে থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। এ বছর জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনও নদী দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
বিশ্ব শান্তি দিবস আজ

বিশ্ব শান্তি দিবস আজ ২১ সেপ্টেম্বর। প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এ বছরের মূল প্রতিপাদ্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার। ৭০ বছর আগে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত মানবাধিকার আইনকে এবারের মূল প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে। একটি যুদ্ধবিহীন বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত নম্বর ৩৬/৬৭ প্রস্তাব অনুসারে প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ‘তৃতীয় মঙ্গলবার’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে, ২০০১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ৫৫/২৮২ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে ২০০২ সাল থেকে প্রতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিবসটি উপলক্ষে প্রত্যেক দেশে দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। সারা বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠাতেই এই দিবসের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশে দেশে সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। একে//

আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস আজ

আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস আজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। ভালচার ডে ডট ওআরজির তথ্যমতে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম শনিবার পালিত হয় এ দিবসটি। পরিবেশ সংরক্ষণে শকুনের বিকল্প নেই। মৃত প্রাণী বা পচা-গলা ও বর্জ্য শকুনের খাবার। তাই শকুনকে বলা হয় প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী; কিন্তু দিন দিন পাখিটি হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আগে গ্রামগঞ্জে শকুনের দেখা মিলত; কিন্তু এখন সেখানেও আর তাদের দেখা মেলে না তেমন। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধনের কারণে আবাসস্থল হারিয়ে অন্য অনেক প্রাণীর মতোই কমে গেছে শকুনের সংখ্যা। বিলুপ্তপ্রায় এ শকুনকে বাঁচাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই শকুন সচেতনতা দিবসের উদ্দেশ্য।এসএ/  

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ। জাতিসংঘ ২০০২ থেকে কাজ শুরু করে ২০০৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ রচনা করে। ইংরেজিতে এর নাম ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এ সনদ কার্যকর হয়। ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষদের স্মরণে এবং গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। প্রতিবারের মতো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে বিশেষ বাণী। এসএ/

আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস

পৃথিবীর নিষ্পাপ সম্পর্কের নাম ‘বন্ধুত্ব’। বন্ধু হচ্ছে চাঁদের মতো। চাঁদনী রাতে যেখানেই যাবো, সঙ্গে যাবে চাঁদ। যতদূরেই হোক, দূর আকাশ থেকে জানান দেবে ‘আমি আছি’। আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস। আসলে মানুষ একা বাস করতে পারে না। সমাজে বাস করতে হলে, প্রতিদিন কারো না কারো মুখাপেক্ষী হতে হয়। তবে বন্ধুত্ব এমন একটি বন্ধন, এতে থাকে স্বার্থহীন ভালোবাসা। পৃথিবীর অনেক সম্পর্কের মধ্যে এটি অন্যতম। তবে বন্ধুকে হতে হয় অনেক বিশ্বাসী, দায়িত্ববান। যার উপর ভরসা করা যায় নিশ্চিন্তে। যদিও ‘বন্ধু’ শব্দটির বদলে মানুষ ইংরেজি ‘ফ্রেন্ড’ শব্দটিতেই বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবুও ‘বন্ধু’ শব্দটির মাঝে যে প্রাণ-আবেদন আছে তা তুলনারহিত। আত্মার কাছাকাছি যে বাস করে, সে আত্মার আত্মীয়, বন্ধু বা স্বজন। বন্ধু শব্দের মাঝে মিশে আছে যেন নির্ভরতা আর বিশ্বাস। প্রতি বছরের আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার পালিত হয় আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস। এদিন বন্ধুরা একে অপরকে উপহার দেয়। অথবা সবাই মিলে কিছুটা বাড়তি সময় পার করে উদযাপন করা হয় দিনটি।তবে ঠিক কবে থেকে বন্ধু দিবস পালন করা হচ্ছে তার সঠিক ইতিহাস নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। ধারণা করা যায় ঊনবিংশ শতাব্দির ত্রিশ থেকে চল্লিশের দশকের মধ্যবর্তী সময়েই বন্ধু দিবস পালন শুরু হয়। ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেডের প্রতিষ্ঠাতা ড. আর্তেমিও ব্রেঞ্চো বন্ধুদের সঙ্গে প্যারাগুয়ের পুয়ের্তো পিনাসকোতে এক নৈশভোজে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সে রাতেই ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডসিপ ক্রুসেড প্রতিষ্ঠা পায়। এই প্রতিষ্ঠানটি ৩০ জুলাই বিশ্বব্যাপী বন্ধু দিবস পালনের জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব পাঠায়। প্রায় পাঁচ যুগ পর ২০১১ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৩০ জুলাইকে বিশ্ব বন্ধু দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।  অন্য একটি তথ্যে জানা যায়, প্রথম দিকে বিভিন্ন কার্ড তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ ডে’র চল শুরু করে। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সঙ্গে এই দিন উদযাপন বিশাল আকার ধারণ করে। ধারণা করা হয় ১৯৩৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এই দিন উদযাপন শুরু হয়। পরে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়। ১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। হত্যার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন। সে সময় বিষয়টি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর থেকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের অবদান আর তাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই আমেরিকান কংগ্রেস ১৯৩৫ সালে আইন করে আগস্ট মাসের প্রথম রবিবারকে আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস ঘোষণা করে। এসএ/  

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ দিবস আজ

আজ বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ দিবস। একই সঙ্গে আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। দেশব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। এবার মাতৃদুগ্ধ দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘মায়ের দুধ পান সুস্থ জীবনের বুনিয়াদ’। আগামী ৭ আগস্ট এ সপ্তাহ শেষ হবে। সচিবালয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক মঙ্গলবার এ তথ্য জানান। ২০১৪ সালের তথ্য অনুযায়ী,  দেশে শতকরা ৫৫ ভাগ শিশুকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে।জাহিদ মালিক বলেন, শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে প্রতি বছর ৮ লাখ ২৩ হাজার শিশু ও ২০ হাজার মা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়।তিনি জানান, মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপনের নানা কর্মসূচির মধ্যে আজ বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও পুষ্টিমেলা। এ ছাড়া মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১ থেকে ৭ আগস্ট মোবাইল ফোনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের বার্তা যাবে এবং বিভিন্ন স্থানে মাতৃদুগ্ধ ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। আর দেশব্যাপী বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নিয়ে সভা, সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।এসএ/  

বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০১৮: র‌্যালি-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০১৮ উদযাপন উপলক্ষ্যে এসোসিয়েশন ফর দি স্টাডি অব লিভার ডিজিজেস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জ-৩ -এ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালের লিভার বিভাগের চেয়ারম্যান ও এসোসিয়েশন ফর দি স্টাডি অব লিভার ডিজিজেস বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক অ্যধাপক ডাঃমামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি অধ্যাপক ও  এসোসিয়েশন ফর দি স্টাডি অব লিভার ডিজিজেস বাংলাদেশ-এর সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ সেলিমুর রহমান। আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জিটিভি ও সারাবাংলা.নেট-এর প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা। বিজ্ঞপ্তি। একে//

আজ ‘বিশ্ব বাঘ দিবস’

আজ রোববার ‘বিশ্ব বাঘ দিবস’। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে-‘বাঘ বাঁচাই, বাঁচাই বন, রক্ষা করি সুন্দরবন’। সর্বশেষ শুমারি অনুসারে, বিশ্বের মধ্যে বাঘ সংরক্ষণে ভারত বর্তমানে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। বাংলাদেশে বাঘ বলতে আমরা প্রধানত সুন্দরবনের ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’কেই বুঝি। দিবসটি উপলক্ষে বন বিভাগ সুখবর দিয়েছে।বন বিভাগ জানিয়েছে, যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে সুন্দরবনে বাঘ রক্ষায় বেশি মনোযোগী সরকার। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপে সুন্দরবনে দস্যুতা এবং চোরা শিকারিদের তৎপরতা কমেছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। এসব কারণে সুন্দরবনে আগের তুলনায় বাঘ অনেকটা সুরক্ষিত এবং বাঘের বিচরণক্ষেত্রও নিরাপদ হওয়ার ফলে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুন্দরবনসংলগ্ন জেলার মানুষকে সচেতন ও বাঘ রক্ষায় সম্পৃক্ত করতে দুই বছর ধরে ঢাকার বাইরে জাতীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে ‘বাঘ দিবস’।জানা যায়, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা গণনায় সুন্দরবনে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় শুমারি। ক্যামেরা ট্রাপিং পদ্ধতিতে এ শুমারির মাঠ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে মে মাসে। কিন্তু দুই মাসেও শুমারির ফল প্রকাশ করা হয়নি। যে কারণে বর্তমানে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী বছরের প্রথম দিকে ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনার কথা বলছেন কর্তৃপক্ষ।  সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সুন্দরবনে তৃতীয় দফায় ক্যামেরা ট্রাপিং পদ্ধতিতে বাঘ গণনা বা পরিবীক্ষণ শুরু হয় ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। সুন্দরবনের খুলনা ও শরণখোলা রেঞ্জের দুটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ৪৭৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় করা হয় এই মনিটরিং। ২৩৯টি পয়েন্টে গাছ বা খুঁটির সঙ্গে ৬৭০টি ক্যামেরা বসিয়ে এ বাঘ মনিটরিং করা হয়। এর আগে প্রথম দফায় ২০১৩ সালে সুন্দরবনের ২৬ শতাংশ এলাকায় ক্যামেরা ট্রাপিং পদ্ধতিতে বাঘ শুমারি হয়েছিল। ওইসময় বাঘের উপস্থিতি বেশি এমন এলাকা বেছে নেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের কাজ করা হয়। ২০১৫ সালের মার্চে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১০৬টি। এর আগে ২০০৪ সালের এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, সুন্দরবনে বাঘ রয়েছে ৪৪০টি। এর মধ্যে পুরুষ ১২১টি, স্ত্রী ২৯৮টি এবং বাচ্চা রয়েছে ২১টি। তবে সর্বশেষ সুন্দবনের বাঘের সংখ্যা, অবস্থান ও গতিপ্রকৃতি জানতে আবারও মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করে বন বিভাগ।সূত্র জানায়, ২০১০ সালে জানুয়ারি মাসে থাইল্যান্ডের হুয়ানে অনুষ্ঠিত হয় টাইগার রেঞ্জ দেশগুলোর ‘এশিয়া মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স’। এখান থেকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, প্রতিবছর ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হবে। ওই সাল থেকে এ দিবসটি পালিত হয়। সম্মেলনে বাঘ সংরক্ষণে ৯ দফা পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ২০২০ সালের মধ্যে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করা।এসএ/

সোহাগপুর গণহত্যা দিবস আজ

আজ ২৫ জুলাই সোহাগপুর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর বেনুপাড়া গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার ও আলবদর বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। গ্রামের ১৮৭ জন পুরুষকে নির্মমভাবে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।গ্রামের সব পুরুষকে হত্যা করায় স্বাধীনতার পর এ গ্রামের নাম হয় ‘বিধবাপল্লী’। দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য প্রথমবারের মতো জেলা পুলিশের উদ্যোগে শহীদদের স্মরণে বৃক্ষ রোপণ, তিনটি মসজিদে দোয়া মাহফিল ও শহীদ স্বজন বিধবাদের সংবর্ধিত করা হবে বলে জানিয়েছেন শেরপুরের পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সোহাগপুর বিধবাপল্লীর শহীদ স্বজনদের পক্ষ থেকে দিবসটি পালনের জন্য পৃথক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এসএ/  

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস আজ

‘দক্ষতা বদলে দেয় জীবন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রোববার উদ্যাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০১৮’। সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই দিবসটি উদযাপন করা হবে। একই দিনে সারাবিশ্বে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ সভায় প্রতি বছর জুলাই মাসের ১৫ তারিখকে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ হিসেবে উদযাপন করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে প্রতিবছর ১৫ জুলাই সারাবিশ্বে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন পরিষদের (এনএসডিসি) প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবিএম খোরশেদ আলম বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০১১’ প্রণয়ন করে। এ নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের যুবশক্তি ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের পথে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এনএসডিসি সচিবালয় দেশের যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের প্রতি আপামর জনসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উদ্দেশে প্রচারণামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ দিবসটি পালনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রোববার বিকেলে এ উপলক্ষে এনএসডিসি সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘দক্ষতা বদলে দেয় জীবন এবং বৃদ্ধি করে সামাজিক মর্যাদা’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন। দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সাথে সম্পৃক্ত ২৩টি মন্ত্রণালয়, ৩৫টি বিভাগ, বিভিন্ন এনজিও এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ এ সেমিনারে অংশ নেবেন। সেমিনার শেষে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। এ বছর সারা দেশে আটটি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারদের নেতৃত্বে গঠিত বিভাগীয় দক্ষতা উন্নয়ন পরামর্শক কমিটি, প্রতিটি জেলায় জেলাপ্রশাসকগণের উদ্যোগে এবং ৪৮৯টি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ দিবস পালন উপলক্ষে জেলাপ্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের জন্য প্রায় ১৫০০০ (পনের হাজার) পোষ্টার বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে টক-শো, ডকুমেন্টারিসহ বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি