ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২৪:১৬

গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় খুলনার মেয়র (ভিডিও)

গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় খুলনার মেয়র (ভিডিও)

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় যোগ দিয়েছেন খুলনায় সদ্য বিজয়ী আওয়ামী লীগের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও গাজীপুরে জয় পরাজয় জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। বিএনপির মেয়র প্রার্থীর সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই বলেও জানান তিনি। একই দিনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনে। যথা সময়ে খুলনায় নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। আইনি জটিলতায় প্রায় এক মাস পিছিয়ে যায় গাজীপুরের ভোটগ্রহন। এখন জোরেশোরে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে গাজীপুরে। দলীয় প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন খুলনার মেয়র। তালুকদার আব্দুল খালেকের মতে, গাজীপুরের ফলাফল আগামী জাতীয় নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে। বিএনপির প্রার্থী প্রচারণার চেয়ে অভিযোগ বেশি করছেন বলেও জানান তিনি। গাজীপুরের উন্নয়নের স্বার্থে সঠিক জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বর্ষিয়ান এই নেতা।
বাংলাদেশ এখন সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, ‘সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে উন্নয়নের যে পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করেছি তা বাস্তবায়ন করে প্রতিটি গ্রামকেই একেকটি নগরে পরিণত করে গ্রামের মানুষকে নগরের সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে সক্ষম হবো বলে আমি বিশ্বাস করি।’তিনি শনিবার সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে এ সব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছে এবং যাবে। যে আস্থা এবং বিশ্বাস বাংলার জনগণ আওয়ামী লীগের ওপর রেখেছে আমরা তার সম্মান দিচ্ছি এবং সম্মান দিয়ে যাবো।শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের মানুষ এখন বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে চিনে। এখন আর মানুষ বাংলাদেশকে আগের মতো ঝড়-ঝঞ্ঝা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ হিসেবে চিনে না। বাংলাদেশের নাম শুনলে এখন আর বিশ্বের কোন দেশ দরিদ্র ও অন্যের সাহায্য নিয়ে চলে এমন দেশ মনে করে না।তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিল সে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য সরকার সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বিরোধীদলে থাকা অবস্থায় এ পরিকল্পনাগুলো নিয়ে কাজ করা হয়েছে। যার সুফল আজ জাতি পাচ্ছে। যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ এখন সে অবস্থানে এসেছে।এ পর্যন্ত বাঙালি জাতির যা অর্জন তা আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শুধু স্বাধীনতাই দেননি, এর সাথে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথও তিনি দেখিয়েছেন। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, আমাদের স্থল সীমানা, সমুদ্র সীমানা ও সংবিধান সব কিছুই তিনি করে দিয়ে গেছেন। দেশের আইন-কানুন, নীতিমালা, যা যা করার দরকার ছিল অর্থাৎ একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সব কিছুই জাতির পিতা করে দিয়েছেন।তিনি বলেন, ‘মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলে তিনি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে গেছেন। এটাও ইতিহাসে বিরল ঘটনা। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির জীবনে একটি কলঙ্কময় দিন। সে দিন জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সাথে তাঁর পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করা হয়। আমি এবং আমার ছোট বোন বিদেশে ছিলাম বলে আমরা বেঁচে যাই।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর দেশে ফিরে এসে দলের দায়িত্ব গ্রহণ করে যে আদর্শ, চেতনা ও বিশ্বাস নিয়ে তিনি দেশ স্বাধীন করেছেন, পৃথিবীর বুকে একটি আত্ম-মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কাজ করে গেছেন। তাঁর লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে ২১ বছর পর সরকার গঠন করে তা বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করি। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে মর্যাদা লাভসহ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক উন্নত। এটা সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং নীতির কারণে। আওয়ামী লীগ কখনো মুষ্ঠিমেয় মানুষের কথা চিন্তা করেনি, সব সময় গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা তৃণমূল মানুষের কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠায় যারা জড়িত ছিলেন বিশেষ করে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকসহ সকল নেতৃবৃন্দের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি দলের প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যারা দলের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন।এসএ/

কর্মসংস্থানের জন্য হিজড়াদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার: মেনন

হিজড়া সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের জন্য সরকার তাদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।  শনিবার সংসদে সরকারি দলের মুহিবুর রহমান মানিকের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, দেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিজড়া সম্প্রদায়। দেশে বর্তমানে হিজড়া জনগোষ্ঠীর কোনো জরিপ নেই। তবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী হিজড়ার সংখ্যা ১১ হাজার ৩৯ জন। রাশেদ খান মেনন জানান, হিজড়া সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের জন্য তাদেরকে যেসব ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো হলো-হেয়ারকাটিং, বিউটিফিকেশন, প্রাইভিং, মোবাইল, টিভি, ফ্রিজ, এসি, অটোমোবাইল, সিকিউরিটি গার্ড, আনসার, ভিডিপি, নাসিং, ওয়ার্ড বয়, কৃষি, মৎস ও পশুপালন, কম্পিউটার, সেলাই, কাটিং, ব্লক, বাটিক ও হস্তশিল্প। এসব ট্রেডে তাদের জন্য ৫০ দিনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণ শেষে হিজড়াদের পুনর্বাসনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।   এমএইচ/ এসএইচ/

অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটাতে হবে  

তথ্য-প্রযুক্তি প্রসার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পয়েছে। অপরাধের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।   গত ২১ জুন জাতিসংঘভুক্ত দেশের পুলিশ প্রধানদের দ্বিতীয় সম্মেলনে মূলপর্বের অনুষ্ঠানে বক্তব্য তিনি একথা বলেন। আজ  গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতির মাধ্যমে একথা জানানো হয়। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, সহিংসতার ক্রম পরিবর্তনশীল রূপের প্রেক্ষাপটে অরক্ষিত মানুষকে রক্ষা করতে এবং অপরাধের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটাতে হবে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বলেন, অসম হুমকিসংঙ্কুল পরিবেশে নিরাপদে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় রসদের সরবরাহ এবং কন্টিনজেন্সি পরিকল্পনা উন্নত করার ওপরও জোর দেন। যক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে গত ২০ জুন এসম্মেলন শুরু হয়। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের পুলিশ প্রধানদের দু`দিনব্যাপী দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক অংশ গ্রহণ করেন। এতে বলা হয়েছে, ২০জুন বিকালে জাতিসংঘের ডেলিগেটস্ ডাইনিং রুমে সদস্যরাষ্ট্রসমূহের পুলিশ প্রধানদের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এ সম্মেলন শুরু হয়। পরের দিন ২১জুন ছিল এ সম্মেলনের মূল কর্মসূচি। ওইদিন সকাল পৌনে ১০টায় সাধারণ পরিষদ হলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশসদস্যসহ সকল নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে সম্মেলনের মূল পর্বের সূচনা করা হয়। সম্মেলনে উদ্বোধনী ভাষণ দেন জাতিসংঘ মহাসচিবের শেফ দ্য ক্যাবিনেট মিজ্ মারিয়া লুইজা রিবিরো ভায়োট্টি। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী পূর্ব তিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের সাবেক বিশেষ প্রতিনিধি জোসে র‌্যামস্-হোরতা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ পুলিশের উপর নির্মিত একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।  সম্মেলনের মূল আলোচনা অংশটিকে তিনটি পর্বে ভাগ করা হয়। এগুলো হল: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জসমূহ, জাতিসংঘ পুলিশ, সহিংসতা প্রতিরোধ ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ পুলিশের ভূমিকা এবং দায়বদ্ধতা ও কর্মদক্ষতা। উল্লেখ্য, বিশ্বের ১৬টি পিস্ কিপিং মিশনে ৮৯টি দেশের প্রায় ১১ হাজার নারী ও পুরুষ পুলিশ সদস্য বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। টিআর/এসি     

আবারও কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করল মালয়েশিয়া  

আবারও বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া স্থগিত করলো মালয়েশিয়া। নিয়োগ প্রক্রিয়াতে ১০ সিন্ডিকেটের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অভিবাসী কর্মী নিয়োগে দুই দেশের এজেন্ট-কোম্পানির বিরুদ্ধে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নিলো দেশটির সরকার।      সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় সরকার পরিবর্তনের পর আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক মাহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন। শেষ বয়সে আবারও ক্ষমতায় এসে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক সরকারের ব্যাপক দূর্নীতির বিচারসহ সবক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রভাব মুক্ত করতে কাজে হাত দিয়েছেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিলেন মাহাথির সরকার।   মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগেরা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে আগের পদ্ধতিতে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত আবেদন প্রক্রিয়া সরাসরি মালয়েশিয়ান সরকার নিয়ন্ত্রণ করবে। এ ছাড়া পূর্ণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো এজেন্ট বা সংস্থার মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করা হবে না। এই সময় পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে।  নাজিব রাজাক প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের উপকারের লক্ষ্যে এবং ব্যবসা হিসেবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছিল।  এই প্রক্রিয়াকে `জগাখিচুড়ি` আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই পদ্ধতি ও দুর্নীতির কারণে অভিবাসী কর্মীদের মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের কিছু লোককে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হতো।  ১০টি কোম্পানির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে এবং এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।   তদন্ত করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করছি।  আশা করি খুব দ্রুত এই সমস্যার প্রকৃত কারণ খুঁজে পেয়ে সমাধান সম্ভব।  কেআই/এসি     

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি