ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ৪:১১:২৪

প্রশ্নপত্র ফাঁসে সংসদে ক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি দাবি

প্রশ্নপত্র ফাঁসে সংসদে ক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি দাবি

বিভিন্ন পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। বৃহস্পতিবার রাতে সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রাথমিকেও প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এর সঙ্গে শিক্ষকরা জড়িত। এসব কাজে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রী কী ব্যবস্থা নেবেন, তা জানতে চেয়ে সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দাবি করছি। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরো বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, আলোকবর্তিকা। কিন্তু দেশের শিক্ষাব্যবস্থার কী করুণ অবস্থা, সেটা কি আমাদের জানা আছে? প্রাথমিক পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে। এটা হওয়ার কারণ কী? এর কারণ হচ্ছে শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য চলছে। কোচিং সেন্টার, নোট বই জমজমাটভাবে চলছে। তিনি হতাশা ব্যক্ত করে আরো বলেন, প্রাথমিক স্তরের একজন ছাত্র যদি নকল শেখে, তবে তারা জাতির জন্য কী করবে? এর থেকে আমরা মুক্তি পেতে চাই। একটি শিক্ষিত জাতি গঠন করতে না পারলে, এই জাতির স্তম্ভ ভেঙে পড়বে। পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে প্রশ্ন দেওয়া হয়, তারপরও প্রশ্ন ফাঁস হয়। এর কারণ, শিক্ষকরা ওই প্রশ্নের ছবি তুলে বাইরে পাঠায়, সঙ্গে সঙ্গে বাইরে থেকে প্রশ্নের উত্তর চলে আসে। কাজেই প্রযুক্তি একদিকে আমাদের কল্যাণ করছে, অন্যদিকে আমাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিডি/টিকে
এইচআইভিতে আক্রান্ত ৮৩ রোহিঙ্গা

রোহিঙ্গাদের মধ্যে এইচআইভি আক্রান্ত ৮৩ জন রোগী পাওয়া গেছে। সরকার দলের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রশ্নের জবাব দেন। এইচআইভিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে  ২৯ জন পুরুষ, ৪১ জন নারী, সাত জন ছেলেশিশু ও ছয় জন মেয়েশিশু রয়েছে। ২৫ আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত এসব রোগীকে সনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতে স্পিকারের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কেননা সরকার এইচআইভি শনাক্তকরণসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী পদক্ষেপের নিচ্ছে।   এম/এসএইচ

পিইসির প্রশ্নে ভুল: অস্তিত্বহীন শিক্ষা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নে ভুলের ঘটনায় এক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে সরকার, যদিও খোঁজ করে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার বলেন, প্রশ্নে ভুলের ঘটনায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার আব্দুল মান্নান নামে একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সাময়িক বরখাস্ত করেছে।মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, “গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুরের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নানকে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে ২৩ নভেম্বর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হল।” গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানের স্বাক্ষরে ওই আদেশে বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক ‘সাময়িক ভাতা’ পাবেন আব্দুল মান্নান। মন্ত্রণালয় বরখাস্ত করলেও সাদুল্লাপুরের শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, ওই নামে কোনো শিক্ষা কর্মকর্তা সেখানে নেই। চলমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর সিলেট অঞ্চলের ইংরেজি ভার্সনের বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অন্তত অর্ধ শতাধিক ভুল ধরা পড়ে। ওই প্রশ্নপত্রটির ৫০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের মধ্যে ৪০টিতেই ভাষা ও ব্যাকরণগত ভুল ছিল। এনিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। এখনও সমালোচনা চলছে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রশ্নপত্রের ভুল নিয়ে সমালোচনা ফেইসবুকে প্রশ্নপত্রের ভুল নিয়ে সমালোচনা ফেইসবুকে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রাথমিক সমাপনীর প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বিষয়ের ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নটি বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের দায়িত্বে ছিলেন বলে নেপ থেকে মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়।” সাদুল্লাপুরের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী ছিদ্দিকও জানান, তাদের উপজেলায় ওই নামে কোনো সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নেই। এসএইচ/

রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিন : প্রধানমন্ত্রী

রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দ্রুত ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে মিয়ানমারকে রাজি করাতে তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার সাভার সেনানিবাসে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেনানিবাসে কম্বাইনড মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল উদ্বোধন করতে সেখানে যান তিনি। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের জন্য বোঝা আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার সেখান থেকে ছয় থেকে সাত লাখের মতো শরণার্থী আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক কারণেই আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালাচ্ছি। যাতে এই মানুষগুলি তাদের স্বদেশে ফিরে যেতে পারে।

ফের বাড়ল বিদ্যুতের দাম

গ্রাহক পর্যায়ে আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম। সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে আগের দামের তুলনায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ল বিদ্যুতের দাম। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৫ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরবি) এ তথ্য জানায়। এ ধাপে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়লেও পাইকারি বা বিতরণ কেন্দ্রগুলোর জন্য দাম বাড়ানো হয়নি। দাম বাড়ছে দরিদ্র গ্রাহক বা ‘লাইফ লাইন’ পর্যায়ে। তবে এতদিন যে নূন্যতম বিল তাদের দিতে হতো এখন আর তা দেওয়া লাগবে না। এতে লাইফ লাইন পর্যায়ে থাকা প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক উপকৃত হবে। পাইকারি ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এনইআরবি বলে, পাইকারি ক্ষেত্রে সরকার ভর্তুকি দেবে। তাতে বছরে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে। //এসএইচএস//এসএইচ/  

‘পোপের সফরে থাকবে পুলিশের ব্লক রেইড’

ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে আসছেন আগামী ৩০ নভেম্বর। বাংলাদেশে তার সফর উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। পোপের সফরের আগে রাজধানীতে ব্লক রেইডের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হবে। একইসঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে। বুধবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরের সম্মেলন কক্ষে পোপের সফর উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সহেলী ফেরদৌস জানান, সভায় আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, পোপ ফ্রান্সিস বিশ্বের অন্যতম একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। তার বাংলাদেশ সফর আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। পোপের সফরকালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। সফরের সব ভেন্যু এবং ভিভিআইপি চলাচলের সময় পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ এবং র‌্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে।সভায় পুলিশ সদর দফতরের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ইন্টারনাল অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান পোপের সফর উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা তুলে ধরেন। এ সময় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) মো. মোখলেসুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. মিজানুর রহমান, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জামিল আহমদ, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশে পোপের সফর উপলক্ষে গঠিত নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্মল রোজারিও এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

নদী দখলমুক্ত হবেই : নৌমন্ত্রী

দখল হয়ে যাওয়া নদী যে কোন মূলে উদ্ধার করা হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। একইসঙ্গে ওইসব জায়গায় কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকলে, তা স্থানান্তরে সরকার জায়গা দিবে বলেও তিনি জানান। এছাড়া নদী দখল ঠেকাতে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশে নদীগুলোর উপর জরিপ চালিয়ে সীমানা পিলার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে নদী দূষণ রোধ ও নাব্যতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির ৩৬তম সভাশেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শাজাহান খান। এসময় তিনি বলেন, নদী দখল করে গড়া উঠা মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খুব শিগগিরই স্থানান্তর করা হবে। এদেরকে সরকারি খাস জমি বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। নৌমন্ত্রী আরও বলেন ওইসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারাও ওইসব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে একমত হয়েছেন। তবে শর্ত হিসেবে তারা বলছে, এদেরকে সরকারি জায়গা দিতে হবে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের খাস জমি বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঢাকার ৪টি নদীতে সীমানা পিলার স্থাপনের বিষয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, এসব নদীতে ৯ হাজার ৪৭৭টি পিলার স্থাপন করা হয়েছে, যার অর্ধেক নিয়ে আপত্তি তুলেছে দখলকারীরা। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যে অনেক পিলার উপড়িয়ে ফেলেছে স্থানীয়রা । এসময় নৌমন্ত্রী দখলকারীদের সাবধান করে দিয়ে বলেন, কেউ সীমানা পিলার উপড়ে ফেললে তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এদিকে প্রভাবশালী মহলের বাধার কারণে নদী দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের বেগ পেতে হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান বা কর্মকর্তারা দখলী জমি উদ্ধার করতে গেলে প্রভাবশালীরা তাদের বাধা দেয়। এ কারণে জমি দখলমুক্ত করতে একটু সময় লাগছে বলে দাবি করেন তিনি। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে ১৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণের কাজও খুব দ্রুত শুরু হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ওয়াকওয়ের কাজ শেষ হলে কেউ নদী দখল করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন।   এমজে/টিকে    

দুই সপ্তাহের মধ্যে হাওরে বাঁধের কাজ শুরু: আনিসুল

দুই সপ্তাহের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। বুধবার সিলেট সার্কিট হাউসে হাওরে বন্যা পরবর্তী বাঁধ মেরামত সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশাসনিক ও পানি উন্নয়নের বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এবার হাওরে পানি ধীরে কমছে, তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করছি। গত বছরের বন্যায় সিলেট অঞ্চলের হাওরে ফসলহানী ঘটেছে, এবার সেটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। ফসলহানীরোধে সব ধরনের আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুনামগঞ্জে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামত করার কথা জানিয়ে আনিসুল আরও বলেন, এবার পিআইসি নির্বাচনে কোনো মধ্যস্বত্ব ভোগীদের স্থান দেওয়া হবে না। পিআইসি নির্বাচনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সবাইকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। মতবিনিময়ে বক্তব্য রাখেন সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক একে মুমতাজ উদ্দিন, হাওর উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দেব, জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান প্রমুখ।এসএইচ/

‘২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়াতে হবে’

বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন করতে হলে প্রতিবছর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে সবার জন্য নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা (আঙ্কটাড) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে। বুধবার জাতিসংঘের সদস্যভূক্ত ৪৭টি স্বল্পোন্নত দেশে একযোগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। এতে সিপিডির ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষণা ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বক্তব্য রাখেন।ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি করেছে। ২০১৬ সালে এ খাতে এক লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, ‘সৌর বিদ্যুৎ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় সরকারও এই খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমাতে হলে এই খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি।’প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চল যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সু্বধিা পায় গ্রামাঞ্চল সেই তুলনায় অনেক কম সুবিধা পাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশে কৃষিখাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যদি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ-জ্বালানি না থাকে তাহলে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হয়। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।প্রতিবেদন অনুযায়ী-স্বল্পোন্নত ৪৭টি দেশের মোট জনসংখ্যার ৬২ শতাংশ ৫৭৭ মিলিয়ন বিদ্যুৎ সেবার বাইরে রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এদের সবার জন্য বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে হলে- গত এক দশকে যে হারে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে,সেই তুলনায় প্রতিবছর ৩৫০ শতাংশ হারে নতুন সংযোগ বাড়াতে হবে।মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভিশন-২০৪১ অর্জনের ক্ষেত্রে টেকসই, সাশ্রয়ী এবং আধুনিক জ্বালানীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দারিদ্র বিমোচনের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এসএইচ/

স্বাভাবিক সম্পর্ক রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান: প্রধানমন্ত্রী

সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলের জোর সমর্থন আদায়ে সফল হয়েছে। আমরা কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যহত রেখে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরে সরকার দলের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন করতে বাংলাদেশ একটি খসড়া হস্তান্তর করেছে। এটি নিয়ে দুই দেশই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।’

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ ফের অন্ধকারে পড়বে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি মানে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, লুটপাট আর অগ্নিসন্ত্রাস। এই দলটি আবারও যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশ আবারও অন্ধকারে পড়বে। বাংলার মানুষ আর বিএনপির অন্ধকারে ফিরে যাবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আলোর পথে রয়েছে। আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো আরও উন্নত হবে।’বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার শক্তিপুরে ‘নূরজাহান ভবন’ চত্বরে বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মযহারুল ইসলামের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি।

প্রাথমিক স্তরে পরীক্ষার কোনো আবশ্যকতা নেই: অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে খেলাধুলা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম যুক্ত করার পাশাপাশি এই স্তরে পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিলের পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বুধবার সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির ‘সহজপাঠ: শিশুর সামগ্রিক বিকাশ’ শীর্ষক এক আলোচনা চক্রে যোগ দিয়ে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার গলদ তুলে ধরার পাশাপাশি প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির সমালোচনা করেন তিনি।প্রাথমিক স্তরে পরীক্ষা পদ্ধতির বিরোধিতা করে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য ভালো শিক্ষা পাওয়া নয়, তাদের লক্ষ্য কেবল প্রথম হওয়া। গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পরীক্ষাকেন্দ্রিক হয়ে গেছে। প্রাথমিক স্তরে পরীক্ষার কোনো আবশ্যকতা নেই।”শিশুদের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে ‘আনন্দযোগ নেই’ অভিযোগ এনে তিনি বলেন, “বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা শোচনীয়। এখানে শিশুদের পরীক্ষার নামে রীতিমতো পীড়ন করা হচ্ছে। এতে বিন্দুমাত্র আনন্দযোগ নেই। শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পরীক্ষাসর্বস্ব, জ্ঞান ও শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক আমরা নষ্ট করে ফেলেছি।”অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও শিক্ষাবিদরা যখন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৃত্যকলা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন, তখন মৌলবাদীদের একটি দল এর বিরোধিতা করে।তিনি বলেন, “শিক্ষা কমিশন যখন ছড়া, চারুকলা, নৃত্য শিক্ষা ব্যবস্থায় যোগ করার কথা বলছে, তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো ভাবনাচিন্তাই নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের সেই অযৌক্তিক কথায় কর্ণপাত করল।”স্বাধীনতার পর গঠিত কুদরত-ই খুদা শিক্ষা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে তারা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাব্যবস্থায় ‘নৈতিক শিক্ষা’কে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার কর্মকর্তারা তাদের সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে মাদ্রাসায় ধর্মভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রণয়ন করেন।নব্বইয়ের দশকে অধ্যাপক শামসুল হক নেতৃত্বাধীন শিক্ষা কমিশনেও সদস্য হিসেবে কাজ করা এই এমিরেটাস অধ্যাপক বলেন, “আমরা যতবার পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ ও বদল করতে চেয়েছি, ততবারই আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম, পাবলিক পরীক্ষার নম্বরের একটি অংশ স্কুল থেকে আসবে। কিন্তু তা করতে পারিনি।”সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলে তার এক পরিচিতের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতিতে নতুন ধারা প্রবর্তন করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।“সে সময়ে নিয়ম হল, কেউ যদি পাবলিক পরীক্ষায় কোনো একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন, তবে পরবর্তী বছরে সেই বিষয়েই পরীক্ষা দিলেই চলবে। অন্য কোনো বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না তাকে। মজার ব্যাপার হল, এরশাদ সাহেবের কোনো এক পরীক্ষার্থী আত্মীয়ের জন্য এই পদ্ধতি গৃহীত হয়েছিল।”কবি, সাংবাদিক আবুল মোমেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজির অধ্যাপক শাহীন ইসলাম, শিশু অধিকারকর্মী নুরুন্নাহার নূপুর, লেখক আনিসুল হকসহ ‘সহজপাঠ’ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবকরা। অধ্যাপক মনজুর আহমেদ শিশুদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করতে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “শিশুকে তার চিন্তার স্বাধীনতা দিতে হবে। ওর উপর কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে সে কি বলতে চায়, তা শুনতে হবে। সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিয়ে শিশুরা নিজেরা কি ভাবছে, তা আমাদের শুনতে হবে।”এসএইচ/

তদন্তের অংশ হিসেবেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আবারও তনুর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। তনুর পরিবারের পাঁচ সদস্য আজ বুধবার সকালে সিআইডি কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ নিয়ে কয়েক দফায় তনুর পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলো সিআইডি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, এই হত্যার রহস্যের জট খুলতে কাজ করছে সিআইডি। আশা করি, তনু হত্যার মূল ঘটনা তারা উদঘাটন করবে। তনুর পরিবারকে ঢাকা আনার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তনুর আত্মীয়স্বজনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এটা একটা তদন্তের অংশ। তদন্ত চলছে। তদন্তে সত্যিকারের ঘটনাটা উদঘাটিত হবে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উল্লেখ্য, গত বছরের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গল থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।   / এমআর / এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি