ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫২:৫৮

ঘাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ৫ হাতিয়ার

ঘাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ৫ হাতিয়ার

গ্রীষ্মকাল হোক বা বর্ষার ভ্যাপসা গরম, ঘামের সমস্যা থেকে মুক্তি নেই প্রায় কারও। পরিপাটি গোসল, নামী পারফিউম- কোনও কিছুতেই ঘাম ও তার দুর্গন্ধ এড়ানো যায় না। কিন্তু এই ঘাম থেকে রক্ষা পাওয়ার হাতিয়ার কিন্তু রয়েছে আপনার রান্নাঘরেই! জানেন সে সব কী কী? লেবুর রস লেবু ত্বকের পিএইচ মাত্রা কমিয়ে দিতে সক্ষম। এর ফলে শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। পাতি লেবুর সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে শরীরে লাগান, মিনিট পাঁচেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। লবণের সোডিয়াম রোমকূপের মুখ পরিষ্কার করে ও ঘামের দুর্গন্ধ সরায়। শরীরে ক্ষত থাকলে সেখানে এটি লাগাবেন না। টম্যাটো ভিতরের শাঁস বাইরে আনুন। তা শরীরের নানা অংশে লাগিয়ে মিনিট পনেরো রাখুন। টম্যাটো রোদে পোড়া দাগ কমাতে সাহায্য যেমন করে, তেমনই ঘাম আটকাতে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভাল ফল পেতে এক বালতি গোসলের পানিতে মেশান এক কাপ টম্যাটোর রস। চা চায়ের ট্যানিন ত্বককে শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপকারি গ্রিন টি। পানি ফুটিয়ে তাতে গ্রিন টি-র পাতা দিন। সেই চা এবার ভরে নিন বোতলে। বেশি ঘাম হয় শরীরের এমন নানা জায়গায় স্প্রে করুন। উপকার মিলবে। বেকিং সোডা শরীরের অতিরিক্ত আর্দ্রতা শুষে নেয়। ফলে ঘাম ও তার দুর্গন্ধ দুই থেকেই বাঁচায় এটি। যে সব অংশ বেশি ঘামে সেখানে পাউডারের মতো করে ব্যবহার করুন বেকিং সোডা। ভাল ফল পেতে খানিকটা পানিতে দু’চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তা স্প্রে করুন। শুকিয়ে গেলে ঝেড়ে ফেলুন। ভিনিগার সাদা ভিনিগার ও অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার দুই-ই ঘামের পিএইচ মাত্রা কমাতে ওস্তাদ। প্রাকৃতিক পারফিউমের উপকার পেতে দুই টেবিল চামচ ভিনিগার, কয়েক ফোঁটা পিপারমিন্ট ও রোজমেরির তেল একসঙ্গে মিশিয়ে বোতলে রাখুন। বেরোনোর আগে পারফিউমের মতো স্প্রে করুন শরীরে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
তলপেটের মেদ ঝরানোর সহজ উপায়

পরিবর্তিত জীবনযাত্রা, আধুনিক খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদির প্রকোপে ওবেসিটি বা ওজন বৃদ্ধি হানা দেয় যখন-তখন। ওজনবৃদ্ধিতে প্রধান সমস্যা হল তলপেটের মেদ। মেদজনিত সমস্যায় শরীরের সব অংশের তুলনায় দ্রুত আক্রান্ত হয় তলপেট আর সবচেয়ে দেরিতে ঝরে এই অংশের মেদ। তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। ফ্রিজের পানি, দীর্ঘক্ষণ এসি-তে থাকা, একই জায়গায় অনেকক্ষণ বসে থাকা অথবা অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকা এই অংশের মেদ বাড়ানোর প্রধান ভূমিকা পালন করে। ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন জিমে যাওয়ার উপায় থাকে না। তাই মেদ নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ থাকলেও তা কমানোর উপায় অবলম্বন করা যায় না। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও অত্যন্ত সহজ কিছু ব্যায়াম নিয়মিত অভ্যাস করলে তলপেটের মেদ কমে অনেকটাই। জেনে নিন তলপেটের মেদ দূর করার সেই সব সহজ ব্যায়াম, যা অভ্যাস করতে সময়ও লাগে কম, আলাদা করে কোনও উপকরণের প্রয়োজনও পড়ে না। ১. তলপেটের মেদ ঝরাতে প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে থাকুন। দুই পা এক সঙ্গে উপরের দিকে তুলুন। কিছুক্ষণ রাখুন এভাবে। হাঁটু যেন ভাঁজ না হয় একটুও। এরপর পা নামান। এভাবে বার দশেক করুন। প্রতি দিনে এর সংখ্যা বাড়ান। প্রতি সেট ১০ বার। চেষ্টা করুন ধীরে ধীরে তিন সেট করে অভ্যাস করতে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখবেন। ২. চিত হয়ে শোওয়ার পর এবার এক এক করে দুই পা তুলুন। প্রতি পা তুলে কিছুক্ষণ রাখুন। সেই পা নামিয়ে আবার অপর পা তুলুন। এটিও বার দশেক করুন। প্রতি সেট ১০ বার। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখবেন। ৩. চিত হয়ে শুয়ে সাইক্লিং করার মতো করে পা ঘোরান। এতে তলপেটের সঙ্গে ভারী কোমরের সমস্যাও মিটবে। এ ক্ষেত্রেও ১০ বারে একটি সেট। দুই থেকে তিনটি সেট করার চেষ্টা করুন। ৪. চিত হয়ে শুয়ে পা দু’টিকে এক সঙ্গে তেরচা করে (মোটামুটি ৪৫ ডিগ্রি কোণ করে) রাখুন। কিছুক্ষণ এভাবে রাখুন। তারপর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন পা। ৫. যে কোনও ব্যায়াম প্রথম প্রথম অভ্যাস করতে গেলে পেশীতে টান পড়ে, ব্যথাও হয়। খুব ব্যথা হলে সেই অবস্থায় ব্যায়াম করবেন না। তবে অল্প ব্যথা হলে তাতে ব্যায়ামের নিয়মে কিছু হেরফের হয় না। সে ক্ষেত্রে সংখ্যায় কম করুন প্রথমে। ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়ান। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

কোরবানির মাংস সংরক্ষণের সহজ উপায়   

কোরবানি ঈদের আরমাত্র ক’দিন বাকী। ঈদের অন্যতম আনন্দের বিষয় গরু খাসির মাংস দিয়ে নিজেদের ভুরিভোজ আর অতিথিদের আপ্যায়ন। এই ঈদে নিজের খাওয়া দাওয়া, অতিথিদের আপ্যায়ন আর গরীব দুঃখীদের মাঝে মাংস বিতরণের পর অনেক মাংস থেকে যায়।    পরে তা সংরক্ষনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু একটুখানি ভুলের কারণে কোরবানির মাংস নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই আপনাদের সুবিধার্থে মাংস সংরক্ষরনের কয়েকটি সহজ ধাপ উল্লেখ করা হলো।    ফ্রিজে মাংস সংরক্ষনের পদ্ধতি   *ফ্রিজে মাংস রাখার পূর্বে ফ্রিজ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। *ভালোভাবে পরিষ্কার করে দুর্গন্ধ মুক্ত করেতে হবে। * মাংস সংরক্ষনের পূর্বে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। পানি ঝরাতে প্রয়োজনে চালনিযুক্ত ঝুড়ি ব্যবহার করতে পারেন। * মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ‘এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। * ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরো করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরোতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে। *এবার পলিব্যাগে ভরে ছোট পুটলা করে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। *ধুয়ে সংরক্ষণ করতে না চাইলে শুকনো কাপড় দিয়ে মাংসের রক্ত পরিষ্কার করে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। *একটু ভারী পলিব্যাগ পরিহার করতে পারেন। কেননা পাতলা পলিব্যাগ ব্যবহার করলে বের করার সময় পলিব্যাগ ছিঁড়ে যায়।   *প্রতিটি ব্যাগের মাঝখানে কাপড় বা কাগজ দিয়ে রাখতে পারেন এতে প্রতিটা ব্যাগ একটার সাথে আরেকটা লেগে যাবে না।   *মাংস সংরক্ষণের সময় প্যাকেটের গায়ে সংরক্ষণের তারিখ এবং গরু না খাসি সেটা লিখে রাখতে পারেন। এতে পরবর্তীতে চিনতে সমস্যা না হয় না।   এমএইচ/এসি      

যে ৬ ধরনের পুরুষ সম্পর্কে প্রতারণা করেন

সম্পর্ক করার পর অন্যদিকে ঘুরে যাওয়ার প্রবণতা কিছু পুরুষের মধ্যে দেখা যায়। এক্ষেত্রে কে প্রতারণা করবে আর কে করবে না এটা বুঝা খুব একটা সহজ কাজ নয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েক ধরনের পুরুষ আছে যাদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তাদের মধ্যে প্রতারণার প্রবণতা দেখা গেছে। এখানে এমনই ৬ ধরনের পুরুষের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।   ১. মা-ভক্ত নন : দারুণ মা-ভক্ত ছেলেদের বিরক্তির চোখেই দেখেন মেয়েরা। তারা নাকি ছিঁচকাঁদুনে হয়ে থাকেন। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল পুরুষ একেবারেই মা-ভক্ত নন, তাদের মধ্যে প্রতারণার স্বভাব প্রবল। সাধারণ অর্থেই বোঝা যায়, অতি প্রিয় মানুষের আশপাশেও এরা বেশিক্ষণ থাকতে পছন্দ করেন না। কাজেই প্রিয়তমার কাছে কিভাবে থাকবেন? ২. সব বিষয়ে রহস্যময় : অনেকেই রহস্যময়তা পছন্দ করেন। হয়তো চরিত্রের রহস্যময়তা দেখেই মেয়েটি তার প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু তিনি যদি সব ব্যাপারেই গোপনীয়তা রক্ষা করে চলেন, তবে তাকে এতটা বিশ্বাস করা ঠিক নয়। এমন গোপন থাকার স্বভাব প্রতারণার প্রথম লক্ষণ। তবে তার চরিত্রে সঙ্গিনীর বিষয়ে ভালোবাসার প্রকাশের কোনো কমতি হয়তো থাকে না। কিন্তু লুকোচুরি স্বভাবে পুরুষরা প্রতারণায় পারদর্শী। ৩. মনের টান নেই : প্রেমিকারা অল্পতেই প্রেমিকের কথায় বিগলিত হয়ে যান। তাকে সবকিছু উজাড় করে দিতে প্রস্তুত হয়ে যান। ছেলেটিও তার ভাবভঙ্গিতে সঙ্গিনীর প্রতি দারুণ আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। কিন্তু বিষয়টি যখন মনের টান, তখন ছেলেটি তা মোটেও অনুভব করেন না। দৈহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে হয়তো ছেলেটি আন্তরিক, কিন্তু সঙ্গিনীর মানসিক সমস্যা বা অন্য কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে তাকে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত দেখা যায়। এমন ছেলেরা প্রতারক না হয়ে পারে না। ৪. শুধু ভুলে যান : আগামীকাল হয়তো দুজন মিলে কোনো রেস্টুরেন্টে বসার পরিকল্পনা করেছেন। কিন্তু ছেলেটার কাজ পড়ে গেছে। সমস্যাটা হলো, পরিকল্পনা বাদ দেওয়ার বিষয়টি তিনি সঙ্গিনীকে জানানোর কথা বেমালুম ভুলে যান। পরে দেখা হলে অতি আন্তরিকতার সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেন। একই ঘটনা শপিংয়ে যাওয়া বা ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও করে থাকেন তিনি। এমন স্বভাবের ছেলেরাও প্রতারকদের লক্ষণ প্রকাশ করেন। ৫. সঙ্গিনীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান : এ ধরনের ছেলেরা সঙ্গিনীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পছন্দ করেন। তিনি নিজের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে চান না। কিন্তু সঙ্গিনীর যাবতীয় তথ্য নিতে ওস্তাদ। বাইরে কোথায় অবস্থান করছেন তা কখনো প্রেমিকাকে জানাতে চান না। এরাও প্রতারক পুরুষদের কাতারে পড়েন। ৬. সম্পর্ক গোপন রাখেন : সঠিক সময়ের আগে এই পুরুষরা কখনো সম্পর্কের কথা প্রকাশ করতে চান না। তিনি তার বন্ধু বা স্বজনের সঙ্গে কখনো সঙ্গিনীর পরিচয় করিয়ে দেন না। পরিচিত কাউকে দেখলে চট করে প্রেমিকাকে নিয়ে আড়ালে চলে যান। ফেসবুকে তিনি নিজের সিঙ্গেল স্ট্যাটাস দিয়ে থাকেন। এদের মধ্যেও প্রতারকের স্বভাব স্পষ্ট। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এসি    

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

ঠিক সময়ে না ঘুমনো, অপর্যাপ্ত ঘুম, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, এ সবের কারণে কেবল অসুখ-বিসুখেরই শিকার হতে হয় তা নয়, চেহারাতেও এর ছাপ পড়ে। চোখের নীচে কালো ছাপ এর মধ্যে অন্যতম। খুব সহজে এই ছাপ ওঠেও না। এই ছাপের ফলে সুন্দর চোখও দেখতে খারাপ লাগে। চেহারা রুগ্‌ণ দেখায়। তবে উন্নত জীবনশৈলীর সঙ্গে সঠিক খাদ্যাভ্যাসও এই দাগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে আপনাকে। প্রচুর জল, ভিটামিন সমৃদ্ধ সবুজ সব্জি ও পর্যাপ্ত ঘুম এই দাগ তুলে ফেলতে সক্ষম। চর্ম বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় ঘোষের মতে, চোখের তলার কালো দাগ নানা কারণেই পড়ে। খুব জাঙ্ক ফুড খেলেও এই দাগ আসতে পারে। তবে প্রাথমিক ভাবে এই দাগ এলে তা ঘরোয়া কিছু সব্জি, নিয়মিত জলপান, ঘুম— এ সব দিয়েই দূর করা যায়। তবে দীর্ঘ দিন যাবৎ এই সমস্যা না কাটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সাধারণত, যে সব খাবার এই ডার্ক সার্কেল বা কালো দাগের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে, তা দেখে নিন। এই সব আজই রাখুন খাদ্যতালিকায় আর নিষ্কৃতি পান এই সমস্যা থেকে। শশা: শশা শরীরে জলের চাহিদা মেটায়। এ ছাড়া শশায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে-র মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। শশার সালফার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। রোজ খাওয়ার পাশাপাশি শশার টুকরো নিয়মিত লাগান কালো দাগের উপর। শশার রস নিয়মিত ব্যবহারে এই সমস্যা অনেকটাই কমে। টম্যাটো: সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা রয়েছে টম্যাটোর রসে। তাই টম্যাটো প্রাকৃতিক টোনার ও ঝলসানো ত্বককে আরাম দিতে বিশেষ উপকারী। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের নীচের সূক্ষ্ম রক্তজালকগুলিকে পরিচর্যা করে। এর লুটেইন, লাইকোপিন, বিটা ক্যারোটিন ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সক্ষম। রোদ থেকে ফিরে টম্যাটোর শাঁস লাগান মুখে। জল: ঠিক কতখানি জল আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজন জানেন? চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে তা জানুন আগে। এর পর রুটিন মেনে সেই জল কাওয়ার অভ্যাস রাখুন। চোকের তলার কালো ছাপ কমাতে জলের চেয়ে শক্তিশালী আর কেউ নয়। জাঙ্ক ফুড, প্রচুর চা-কফি, ঠান্ডা পানীয়—এ গুলি শরীরের জল শোষণ করে। তাই এ সব এড়িয়ে পর্যাপ্ত জল খান। তিল: এটি ‘ম্যাজিক ফুড’। এতে প্রচুর ভিটামিন ই রয়েছে, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তির জন্যও কার্যকর। চোখের চারপাশের কালো দাগ দূর করতে তিলের উপর ভরসা করেন অনেক বিউটিশিয়ানরাও। বেশ কিছু ক্রিমেও তিল ব্যবহৃত হয়। তরমুজ: এই ফলে জল রয়েছে ৯২ শতাংশ। এতে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার, লাইকোপিন, ভিটামিন বি-১, বি-২, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। চোখের কালো দাগ দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে এই উপাদানগুলি। কালো দাগের উপর তরমুজের শাঁস লাগালেও ভাল কাজ হবে। টিআর/

অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ৯ কুফল

কোরবানি ঈদে অন্যতম খাবার হচ্ছে মাংস। এই ঈদে প্রায় অধিকাংশ লোকই অতিরিক্ত মাংস খেয়ে ফেলেন। কিন্তু পরিমিত মাংস খাওয়ার বাইরে যদি অতিরিক্ত মাংস শরীরে পড়ে তাহলে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো অনেক সমস্যায় ভুগতে হয়। তাই বলে এসব ক্ষতি কমাতে মাংস খাওয়া একদম বাদ দেবেন না। মাংস খাওয়ার সময়ে পরিমাণ কম রাখলেই আপনি ভালো থাকবেন। তবে চলুন অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি হচ্ছে- ১) ডিহাইড্রেশন অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। পানিশূন্যতার কারণে আপনার বেশি ক্লান্তি লাগতে পারে, ত্বক খারাপ হয়ে যেতে পারে এমনকি পেশী ব্যথা হতে পারে। ২) শরীরে দুর্গন্ধ শরীর ঘেমে গেলে যদি দুর্গন্ধ বেশি হয়, তাহলে হয়তো আপনার মাংস খাওয়াটা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে। ৩) কোষ্ঠকাঠিন্য শর্করার বদলে বেশি আমিষ খাওয়া গলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। মাংসের পরিমাণ কমিয়ে এর পাশাপাশি ফল ও সবজি বেশি খাওয়া হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমানো যায়। ৪) মাথাব্যথা মাংস বেশি খাওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশন হয়, এরই কারণে দেখা দেয় মাথাব্যথা। শুধু তাই নয়, মাংস বেশি এবং শর্করা কম খাওয়া হলে মস্তিষ্ক যথেষ্ট জ্বালানী পায় না, ফলে মাথাব্যথা এবং চিন্তায় ধীরতা চলে আসে। ৫) চোখের সমস্যা বেশি মাংস খাওয়া হলো দৃষ্টিশক্তি কমে যাবার ঝুঁকি বাড়ে। এর কারণ হলো, মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট চোখের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালীকার জন্য ক্ষতিকর। ৬) হাড়ের দুর্বলতা খুব বেশি প্রোটিন খাওয়া হলে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায় বেশি পরিমাণে। মাংসের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম খাওয়ার পরিমাণ বাড়ালে এ সমস্যাটি কমে বটে। কিন্তু মাংস খাওয়া কম রাখাই আসলে ভালো। ৭) ক্লান্তি সবসময়েই যদি আপনি ক্লান্তি বোধ করতে থাকেন তাহলে হয়তো আপনার খাদ্যাভ্যাস এর জন্য দায়ী। অনেক সময়ে মাংস বেশি খাওয়ায় তা হজম হয় না। এর কারণে ক্লান্তি দেখা যায়। ৮) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ শরীরে দুর্গন্ধের পাশাপাশি নিঃশ্বাসেও দুর্গন্ধ হতে পারে বেশি মাংস খাওয়ার কারণে। বেশি প্রোটিন এবং চর্বি খাওয়ার কারণে শরীর কিটোন নামের এক ধরণের রাসায়নিক উৎপাদন করে। কিটোন নিঃশ্বাসের সাথে শরীর থেকে বের হয় এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ তৈরি করে। ৯) পেটের সমস্যা আমাদের পেটে এমন অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে যারা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে এসব ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতি হয়। ফলস্বরূপ স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কেএনইউ

ফোসকা দূর করুন ৬ উপায়ে

আমাদের শরীরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে ফোসকা পরে। গরমে কিংবা পায়ের জুতার কারণে বেশি ফোসকা পরার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে ফোসকা দূর করার বেশ কিছু সহজ উপায় রয়েছে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসেই ফোসকা দূর করা সম্ভব। ফোসকা দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায় জেনে নিন- ১) অ্যালোভেরা অ্যালভেরা আমাদের ত্বকের যেকোন ধরণের সমস্যার সমাধান করতে পারে। অ্যালোভেরা ঠাণ্ডা হওয়ায় ফোসকার জ্বালাভাব দূর করতে সাহায্য করে। ফোসকায় কিছুটা অ্যালোভেরা লাগিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। এর ফলে কিছুক্ষণের জন্য জ্বালা বা চুলকানি দেখা দেবে কিন্তু তার ফলেই ফোসকা সেরে যাবে। শুকিয়ে যাওয়ার পর গরম পানি ধুয়ে ফেলুন। ২) গ্রিন টি গ্রিন টিতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং হিলিং উপাদান থাকে। এছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন থাকায় তা ব্যথা কমাতে এবং ফোসকার জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। গরম পানি একটা গ্রিন টি-এর ব্যাগ ভিজিয়ে তার মধ্যে বেকিং সোডা যোগ করুন। এরপর টিব্যাগ ঠাণ্ডা হলে ফোসকার ওপর প্রয়োগ করুন। বেকিং সোডায় অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান থাকে, যা ইনফেকশন হতে দেয় না। ৩) অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ফোসকা দূর করার অন্যতম সহজ উপায়। অ্যাপেল সিডার ভিনিগারে তুলো ভিজিয়ে ফোসকায় লাগিয়ে শুকানোর পর ধুয়ে ফেলতে হবে। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার লাগালে জ্বালা করতে পারে কিন্তু এই পদ্ধতি অবলম্বনে তিন-চার দিনের মধ্যেই ফোসকা সেরে যায়। ৪) ক্যাস্টার ওয়েল চুল বড় করতে, ঠোঁট সুন্দর করতে ক্যাস্টার ওয়েল ব্যবহার করা হয়। ফোসকা দূর করতেও ক্যাস্টার ওয়েল সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর আগে ফোসকায় ক্যাস্টার ওয়েল লাগিয়ে শুলে সকালে উঠেই দেখতে পাবেন ফোসকা সেরে গেছে। ৫) পেট্রোলিয়াম জেলি ফাটা ঠোঁট ছাড়াও পেট্রোলিয়াম জেলি ফোসকা দূর করতেও সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর আগে ফোসকায় পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। এর ফলে শুষ্কভাব এবং জ্বালা দূর হবে। এছাড়াও আপনি গরম পানি পনেরো মিনিট পা ভিজিয়ে, শুকনো কাপড়ে মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। গরম পানি ব্যথা কমাবে এবং ইনফেকশন দূর করবে আর পেট্রোলিয়াম জেলি পায়ের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। ৬) লবণ লবণ ফোসকা দূর করতে সাহায্য করে এবং ক্ষত দূর করে। ঠাণ্ডা পানিতে লবণ মিশিয়ে তার মধ্যে একটা কাপড় ভেজান। তারপর সেই কাপড়টা ফোসকার ওপর দিয়ে রাখুন। এছাড়াও আপনি গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে পনেরো মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। এর ফলে ফোসকার জ্বালা যেমন কমবে তেমনই ব্যথা দূর হবে। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/  

প্রচণ্ড গরমেও শান্তির ঘুমের জন্য ১২ টিপস

দু’দিন ধরে বেশ গরম পড়েছে। এই অস্বস্তি গরমে ঘুমাতে গেলে খুব বিরক্ত লাগে। ঘুমাতে চাইলেও যেন ঘুমানো যায় না। কিন্তু ঠিকমতো ঘুম না হলে সেটার প্রভাব পড়ে শরীরের উপর। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে গরমেও শান্তিতে ঘুমানো যাবে। ১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন প্রচণ্ড গরমের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় অনেক কমে যাবে। ফলে ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হবে না। এমনকি ঘুমটাও গভীর হবে। আর যদি গোসল করা সম্ভব না হয় তাহলে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে এবং পাতলা কাপড় দিয়ে গা মুছে ঘুমুতে যান। দেখবেন অনেকটা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবেন। ২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে জানালা খোলা রাখেন গরমের সময় জানালা খোলা রেখে ঘুমালেও স্বস্তি লাগে। আবার জানালায় ভারী কাপড় ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখলেও ঘরের বাইরের বাতাস প্রবেশের সময় ঠাণ্ডা বাতাস পাবেন। এতে রাতের বেলা শান্তিতেই ঘুম হবে আপনার। ৩) ঘরের কোণে ঠাণ্ডা পানি বা বরফ রাখুন রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের কোণে এক বালতি ঠাণ্ডা পানি অথবা বরফ রাখতে পারেন। তাহলে ফ্যানের বাতাসে বালতির পানি বাষ্পাকারে পরিণত হবে। এতে ঘরের গরম অনেকটাই কমে আসবে। আবার আপনি চাইলে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের মেঝেতে পানি স্প্রে করতে পারেন। এতেও ঘরের তাপমাত্রা কমবে এবং আপনার ভালো ঘুম হবে। ৪) বিছানার চাদর বদল করেন সম্ভব হলে বিছানার চাদর রোজ রাতে বদলে নিন। কারণ পরিষ্কার বিছানায় ঘুমালেই মনে এক রকমের প্রশান্তি আসে; যা ভালো ঘুমাতে সহায়তা করে। তবে এক্ষেত্রে বিছানার চাদর সুতির হওয়াই ভালো। ৫) কপালে কিছুক্ষণ ভিজা কাপড় রাখুন ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘণ্টা আগে একটি ভারী পশমি কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে ঘুমানোর সময় কাপড়টি কপালে দিয়ে শুয়ে পড়ুন। তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ঘুম এসে যাবে আপনার। ৬) মেঝেতে শুয়ে পড়ুন বিছানার তুলনায় ঘরের মেঝে ঠান্ডা থাকে। তোশকের চেয়ে কম আরামের হলেও এতে অনেক গরম কম লাগে। গরম বাতাস উপরে দিকে থাকে বেশি। তাই মেঝেতে ঘুমানো আরামদায়ক। চাইলে ঘুমানোর আগে ঘরের মেঝে পানি দিয়ে মুছে নিতে পারেন। শুকানোর পর পাটি বিছিয়ে শুয়ে পড়ুন। ৭) ঘুমানোর আগে পাউডার ব্যবহার করুন খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে ট্যালকম পাউডার মেখে নিন। এক্ষেত্রে মেনথল ফ্লেভারের পাউডার বেশ আরাম দেবে। ৮) গরমের রাতে ব্যায়াম না করাই ভালো এই গরমে সন্ধ্যায় বা রাতে ব্যায়াম না করাই ভালো। আর যদি করতেই হয় তাহলে ব্যায়ামের পর ভালোভাবে স্নান করে পোশাক বদলে নিন। ৯) এক বিছানায় অধিক লোক নয় গরমের দিনে এক বিছানায় বেশি মানুষ না ঘুমানোই ভালো। সবসময় নিরিবিলিতে ঘুমাবার চেষ্টা করুন। সেটা সম্ভব না হলে পাশের মানুষ ও আপনার মাঝে একটি কোলবালিশ রাখতে পারেন।   ১০) জাজিম-তোশক ব্যবহার করুন ফোমের বিছানায় গরম বেশি লাগে। তাই জাজিম ও তোশক ব্যবহার করুন। গরমে আরামে ঘুমাতে শিমুল তুলার বালিশও ব্যবহার করতে পারেন। ১১) বিদ্যুৎ ব্যবহার কমিয়ে রাখুন সকেট থেকে প্লাগ খুলে রাখুন, আলো সব নিভিয়ে দিন, ইলেক্ট্রনিক্স গেজেট গুলোর ব্যবহার রাখুন কম। এসব গ্যাজেট তাপ উৎপাদন করে যা আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ফোন এবং ল্যাপটপ রাখুন বিছানা থেকে দূরে। ১২) পানি পান করুন বেশি করে স্বাভাবিক ভাবেই গরমে সবারই খুব ঘাম হয়। শরীরের সিস্টেম ঘামের মাধ্যমে তাপমাত্রা কমিয়ে আনে। এই জন্যেই দরকার বেশি করে পানি পান। শরীর সতেজ রাখতে বেশি করে পানি পান করা উচিত। কেএনইউ/    

কোরবানির ঈদের প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

হাতে গোনা আর ক’দিন পরেই ঈদুল আযহা। এই দিনটিতে মুসলমানগণ ভিন্ন রকম ব্যস্ততায় থাকে। ঈদের নামাজ শেষ করেই শুরু কোরবানির কাজ। সারাদিনই লেগে যায় মাংস কাটাকাটির কাজ। এদিকে গৃহিনীদের ব্যস্ততায় থাকতে হয় রান্নার কাজে। আর রান্নার কাজকে ঘিরেই অনেক পূর্ব-প্রস্তুতিও রয়েছে এই ঈদে। ফ্রিজ পরিষ্কার করে রাখুন কোরবানি ঈদ মানেই মাংসের ঈদ। কোরবানি দেওয়ার পর পরই বাড়িতে মাংস চলে আসে, আর এই মাংসগুলো সাথে সাথে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখতে হয়। তাই ঈদের আগেই যতসম্ভব ফ্রিজ পরিষ্কার করে জায়গা খালি করে রাখুন। ব্যাগ যোগাড় করে রাখুন কোরবানি ঈদের মাংস গরীর থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের বিলাতে হয়। সেক্ষেত্রে এ সময় অনেক ব্যাগের প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের আগেই ব্যাগ যোগাড় করে রেখে দিন। নিজেদেরও মাংস রাখার জন্য ব্যাগের প্রয়োজন হয়। মাংস কাটার হাতিয়ার ধার করুন এই ঈদে যেহেতু অনেক মাংস ও শক্ত হাড় কাটতে হয় তাই দা, বটি, ছুড়িজাতীয় হাতিয়ারগুলো ধার করিয়ে রাখুন। এতে মাংস কাটা সহজ হবে। মশলাপাতি কিনে রাখুন কোরবানি ঈদে মাংস দিয়ে বিভিন্ন আইটেমের রান্না করার ধুম পড়ে। তাই ঈদের আগেই রান্নার জন্য যা যা মশলার প্রয়োজন তা সবই কিনে বাড়িতে রেখে দিন। মাংসের জন্য আদা, রসুন, পেঁয়াজ, হলুদ, শুকনা মরিচ, তেজপাতা, গরম মশলা, গোরমরিচ, জায়ফল, জিরা, পোস্তাদানা, তেল, টক দইসহ আরও বিভিন্ন মশলা আনিয়ে নিন। আগেই মশলা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন ঈদের মাংস রান্না করতে বাটা মশলা লাগবেই। তাই আগে থেকেই আদা, পেঁয়াজ, রসুন, জিরে বেটে রাখুন। শুকনা মসলা গুঁড়ো করে বয়ামে রেখে দিন। আপ্যায়নের প্রস্তুতি ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে মেহমানের আনাগোনা শুরু হবে। তাই মেহমানের জন্য কি কি রাঁধবেন তার একটা তালিকা এখনেই তৈরি করে ফেলুন। তাহলে ঈদের সময় আর কষ্ট হবে না। মিষ্টি জাতীয় কিছু খাবার কিনে রেখে দিন কিংবা নিজ হাতে বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। তৈজসপত্র পরিষ্কার ও গুছিয়ে রাখুন ঈদের সময় অনেক তৈজসপত্র ব্যবহার করতে হবে। সুকেসে অনেকদিন থেকে পড়ে থাকা তৈজসপত্র বের করে পরিষ্কার করুন এবং সুন্দর করে হাতের নাগালে গুছিয়ে রাখুন। কেএনইউ/    

বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকা!

গায়ে সুন্দর একটি পোশাক বাড়িয়ে দেয় মানুষের সম্মান বা মর্যাদা। সে মর্যাদাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় গায়ের সবচেয়ে দামি গহণা। মার্যাদা বাড়ানোর মিছিলে যোগ দেয় দুই পায়ে পরিহিত পাদুকাও। তাই পোশাক ও গহণার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকার দাম সম্পর্কে জানতে কৌতুহলের শেষ নেই সাজ পিয়াসুদের। তাদের সেই আগ্রহের খোরাক যোগাতে বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো বছরের বিভিন্ন উপলক্ষ ও সময় ধরে হাজির হয় নতুন নতুন সংগ্রহ নিয়ে। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালেও তুলে ধরা হয়েছে সবচেয়ে দামি কয়েকটি পাদুকা। লুই ভিশন: অনেকের ধারণা, বহুমূল্যের জুতা সরবরাহকারী ব্র্যান্ডগুলো কেবল নারীদের জন্যই পসরা সাজায়। তবে সে ধারণা একেবারেই মুছে ফেলে ম্যানহাটন রিশেলিউ মেন’জ জুতা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার ডলারে। ২০১০ সালে পুরনো নকশায় তৈরি চামড়ার লাইনিং ও হ্যান্ড পেইন্ট চামড়ার সোলের এ জুতা আনে লুই ভিশন। স্টুয়ার্ট ওয়াইজম্যান: এ ব্র্যান্ড সাধারণত ৩০০-৪০০ ডলারে জুতা বিক্রি করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তারা এনেছে বহু দামি কিছু পাদুকা, যা কিনা কখনো কখনো ধনকুবেরদের কাছেও অতিমূল্যের বলে মনে হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ লাখ ডলারের ডায়মন্ড ড্রিম স্টিলেটো, ১০ লাখ ডলারের মেরিলিন মনরো সু রেট্রো রোজ পাম্প। ২০ লাখ ডলারের সিনড্রেলা স্লিপার ও ৩ মিলিয়ন ডলারের রিটা হেইওয়ার্থ হিল। মানোলো ব্লানিক: মূল্যবান জুতার সংগ্রহ রয়েছে এমন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে মানোলো ব্লানিক অন্যতম। এ ব্র্যান্ডের ব্লিক্সা এলিগেটর পাম্পের দাম ৪ হাজার ৬০০ ডলার। ক্রিস্টিয়ান লুবোটান: লাল সোলের হাইহিলের সুন্দর একটি জুতা এনেছে ক্রিস্টিয়ান লুবোটান। বর্তমানের আধুনিক নারীকে উৎসর্গকৃত এ জুতা একই সঙ্গে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে শক্তি, উদ্যম ও নারীত্বের। এমন একটি জুতা পায়ে গলাতে চাইলে খরচ করতে হবে ৩ হাজার ৯৫ ডলার। গুচি: স্বকীয়তা, ভিন্ন ঘরানা ও কাঁচামালের জন্য গুচি ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় ব্র্যান্ড। গুচির এ-যাবৎ বিক্রি করা দামি জুতাগুলোর অন্যতম হলো বুনন করা চামড়ার তৈরি বুট, যার মূল্য ৩ হাজার ৭৫০ ডলার। তাছাড়া এদের সোফিয়া এটলি জুতার মূল্য ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৯৫ ডলার। সূত্র: ফিন্যান্সেস অনলাইন আরকে//  

ওজন কমাতে কার্যকর ৯ মশলা

প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করা বিভিন্ন রকম মশলা আমরা খেয়ে থাকি। তার মধ্যে বেশ কিছু মশলা ওজন কমাতে বেশ সহায়ক। তার মধ্যে গোল মরিচ, আদা, দারচিনি ইত্যাদি মশলা ওজন কমাতে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। এইসব মশলা ওজন কমাতে ও হার্ট ভালো রাখতে খুবই কার্যকরী। তাহলে জেনে নিন যেসব মশলা আমাদের ওজন কমাতে বেশ সহায়তা করে- ১) মেথি মেথি পাঁচ ফোঁড়নের অন্যতম একটি মশলা। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করা ছাড়াও আরও বিভিন্ন রোগ সারাতেও বিশেষভাবে কাজ করে। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। তাই ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে রাখে।   ২) এলাচ এলাচে রয়েছে নানা রকম রাসায়নিক উপাদান। যেমন: টর্পিন, টপিনিনোল, সিনিওল, এসিটেট, টপিনিল ইত্যাদি। এইসব উপাদান শরীরের ফ্যাটবার্ন করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে শরীরে ফ্যাট জমে না। ৩) দারচিনি ওজন কমাতে দারচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত দারচিনি খেলে খিদে কমে যায়। শুধু তাই নয়, দারচিনি শরীরের জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। এছাড়াও পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, টিবি ও ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুচিনি খুবই কার্যকরী। ৪) হলুদ হলুদের বিশেষ গুণ এই যে, এটি ফ্যাট টিস্যু তৈরি হতে দেয় না। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৫) আদা আদা শুধু সর্দি-কাশিতেই উপকারি নয়, এতে রয়েছে আরও অনেক গুণ! পেট পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে আদা খুবই কার্যকরী। এটি পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে দেয় ফলে ফ্যাট জমতে পারে না। ফ্যাট না জমলে ওজন এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এ ছাড়া আদার রস শরীরের জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে। ৬) কাঁচালঙ্কা কাঁচালঙ্কায় রয়েছে অ্যাকজেলিক অ্যাসিড, কিউনিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, এস্কার্বিক অ্যাসিড, সাক্সিনিক অ্যাসিড, শিকিমিক অ্যাসিড, ফোলিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, মেলানিক অ্যাসিড, আল্ফা-এমিরন, ক্যান্সিডিনা, ক্যারোটিন্স, ক্রিপ্টোক্যানসিন, ফ্ল্যাভনয়েডস প্রভৃতি। এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আর কাঁচালঙ্কার ক্যাপসিসিন খিদেও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কাঁচালঙ্কা মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করতে সহায়তা করে। ৭) মৌরি মৌরি পাচনতন্ত্রের উপকার করে, খিদে কমায়। আর এটি লিভারেরও ক্ষেত্রেও খুব উপকারী। মৌরি মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও খুবই কার্যকরী। ৮) ইসবগুল ইসবগুল পেট পরিষ্কার রাখে, হজম শক্তি বাড়ায়। আর ক্ষুধা অনুভব কমায়। প্রতি রাতে শোয়ার আগে ইসবগুল খেলে ওজন কমবে। অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দিনে দুবেলা খাবারের ১০ মিনিট পূর্বে তিন চামচ ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ৯) জিরা বদহজম, পেট ফোলা এবং খাবারে অরুচি সমস্যায় জিরা খুবই উপকারি। পাইলসের সমস্যায় মিছরির সঙ্গে জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত জিরা খেলে ওজন কমে। বেশি খাবার খাওয়ার অস্বস্তি থেকেও জিরা-জল মুক্তি দেয়। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

যৌন উদ্দীপনা বাড়ায় ৬ খাবার

বর্তমান শহুরে জীবনধারা মানসিক চাপ বাড়ায় এ কথা তো জানা সবারই। কিন্তু একই সঙ্গে তা যৌন ইচ্ছে কমানোর জন্যও দায়ী। মানসিক বা শারীরিক চাপ যত বাড়ে লিবিডো বা যৌনতার ইচ্ছা তত হ্রাস পায়। যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনি যৌনতা না করে থাকেন বা যৌনতার ইচ্ছাই না জন্মায় তাহলে কিন্তু সতর্ক হওয়াই ভালো। যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন, সুস্থ খাবার খাচ্ছেন এবং মানসিক চাপও খুব কম হয় তাহলে আপনার যৌন জীবনও সুন্দর। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ, উদ্বেগ, শারীরিক ক্লান্তি এবং খিটখিটে মেজাজ যত বাড়বে আপনার লিবিডো কমবে ততই। আপনার যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য, কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। তরমুজ তরমুজ শুধু শরীরে পানির মাত্রা বাড়ানো ও ওজন কমাতেই সাহায্য করে না যৌন ইচ্ছা বাড়াতেও একই রকম সাহায্য করে এই মৌসুমি ফল। এই ফলের মধ্যে রয়েছে সিট্র্রোলিন অ্যামিনো অ্যাসিড যা লিবিডোর মাত্রা বাড়ায়। কফি সীমিত পরিমাণে খাওয়া হলে, কফি সেক্স ড্রাইভ বৃদ্ধির জন্য দারুণ উপকারী পানীয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনে দু থেকে তিন কাপ কফি লিবিডো বাড়াতে সাহায্য করে। আমন্ড এবং পেস্তা বাদাম আমন্ডস ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা যায় যে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারগুলো হরমোনের উৎপাদনের জন্য ভালো, যা আবার লিবিডো বাড়াতেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে। আপনার লিবিডো বাড়াতে চাইলে আমন্ড পেস্তা বাদাম খেতে শুরু করুন। পেস্তা তামা, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্কের একটি প্রাকৃতিক উৎস। শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতেও সাহায্য করে বাদাম। পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপও দেখা দিতে পারে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য উপকারী। কলা, আভোকাডো, শুকনো খুবানি এবং নারকেল পানি সবই পটাশিয়ামের সমৃদ্ধ খাবারের উদাহরণ যা লিবিডো বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। জাফরান যৌনতার ইচ্ছার অনুঘট হিসেবে কাজ করে জাফরান। এটি প্রাকৃতিক উপাদান বলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। খাবারে জাফরান দিলে তা চাপ কমাতে সাহায্য করে, যৌনতার ইচ্ছাও বাড়ায়। এটি রক্তে ইস্ট্রোজেন, সেরোটোনিন এবং অন্যান্য ফিল-গুড হরমোন উৎপাদন বৃদ্ধি করে। জাফরান উদ্বেগ হ্রাসে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেট লিবিডোকে জাগানোর জন ডার্ক চকোলেট হল দারুণ উপকারী। এতে থাকা এল-আর্জিনিন অ্যামিনো অ্যাসিড যৌনতার ইচ্ছা বাড়াতে সাহায্য করে। ডার্ক চকোলেট আপনার অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত ​প্রবাহ বাড়ায়। সূত্র: এনডিটিভি একে//

সঙ্গী বাড়ির কাজ করে না! যা করবেন

প্রাচীনকাল থেকেই নিয়ম হয়ে আসছে যে, ছেলেরা বাহিরে কাজ করবে আর মেয়েরা ঘরের কাজ করবে। কিন্তু বর্তমানে এখন আর এই নিয়ম খাটে না। ঘরের দায়িত্ব শুধু মেয়েদের উপর নয়। ঘরের যাবতীয় কাজ করতে হয় ছেলেদেরও। কারণ মেয়েরাও এখন আর ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নেই। ছেলেদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে তাদেরও ঘর ও বাইরে সবটুকুই সামলাতে হয়। সুতরাং ঘরের কাজে ছেলেদেরও এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু দেখা যায়, কিছু সঙ্গী আছে যারা বাড়ির কাজ করেন না, সঙ্গীকে সাহায্য করেন না। তাদের ক্ষেত্রে আপনি যা করবেন- ১) তার সঙ্গে কথা বলুন তার সঙ্গে বসে হালকা মেজাজে কথা বলুন। দু’জনে একসঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করুন। না হলে কোনও সমস্যার সমাধান হবে না। আপনার কোথায় সমস্যা হচ্ছে তাও তাকে বুঝিয়ে বলুন। বুঝিয়ে দিন নিজেরাই নিজেদের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিতে পারলে দু’জনের পক্ষেই ভালো হবে। ২) তার সমস্যা বোঝার চেষ্টা করুন বাড়িতে আসার পর কোনও কাজ করতে তার কেন ভালো লাগছে না সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যদি তিনি আগে এমন না করতেন তাহলে এখন কেন করছেন সেটা দেখুন। তার শরীর ভালো না থাকলে প্রয়োজনে খাবার পরিবর্তন করতে পারেন। কারণ অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে এই সমস্যা হতেই পারে। আপনাদের লাইফস্টাইল পরিবর্তন করে দেখুন।  ৩) এর আগে কোনও কাজ করলে, কাজের প্রশংসা করুন পার্টনার কোনও কাজ করলে, কাজের প্রশংসা করুন। একেবারেই বলবেন না যে ভালো হয়নি। দেখবেন কাজের প্রশংসা করলে তারও কাজ করার ইচ্ছা বাড়বে। আর আপনার সুবিধাও হবে। ৪) ঘর পরিষ্কার রাখুন ঘর বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার করে রাখুন। ঘর পরিষ্কার রাখলে দেখবেন পার্টনারের ঘর নোংরা করতে একটু গায়ে লাগবে। আর তিনি যদি নোংরাও করেন সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গাটা পরিষ্কার করুন। মুখে কোনও কথা বলবেন না। দেখবেন এভাবে বার বার আপনাকে ঘর পরিষ্কার করতে দেখে তারও মানসিকতার পরিবর্তন হয়ে যাবে। ৫) মাঝে মধ্যে ঝগড়া করতে পারেন ঘর বেশি নোংরা করলে ঝগড়া করতে পারেন। মাঝে মধ্যে ঝগড়া করলে কোনও সমস্যা নেই। আর আপনি রাগ দেখালে পার্টনার ভয়ে আপনাকে সাহায্য করবেন। ছুটির দিনে একসঙ্গে বাজারে যেতে পারেন। তারপর কী রান্না হবে তাকে জিজ্ঞাসা করুন। রান্নার সময় তাকে হাতে হাতে জিনিস এগিয়ে দিতে বলুন। নিজের থেকে না করলে তাকে এভাবেই কাজ করান। ৬) যেমন আছে তেমনই রেখে দিন কোনও কিছুতে কাজ না হলে জিনিস যেমন আছে তেমনই রেখে দিন। যেমন নোংরা হচ্ছে সেভাবেই রাখুন। একটা পার্টনারেরও খারাপ লাগবে। দেখবেন তখন নিজেই সব ঠিক করবে। আর তাতেও কাজ না হলে রাগ করে কয়েকদিন বাড়ি থেকে চলে যান। দেখবেন এতে হয়ত কাজ হবে। কেএনইউ/ 

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি