ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৯:২০

তুলসি পাতার নানাগুণ

তুলসি পাতার নানাগুণ

হাজার হাজার বছরে ধরে বিভিন্ন রোগ সারাতে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে থাকা বেশ কিছু শক্তিশালী উপাদান নানাবিধ রোগ দূর করতে দারুণ ভাবে কাজ করে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা তুলসি পাতা না চিবিয়ে জলের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমাদের এ আয়োজনে তুলসি পাতার বেশ কিছু উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ১. রক্ত পরিশুদ্ধ করণে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই থেকে তিনিটি তুলসি পাতা খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর ভিতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. ব্রণের প্রকোপ কমে তুলসি পাতায় উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুদের সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলে। ফলে ব্রণর প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়। প্রসঙ্গত, ব্রণর চিকিৎসায় তুলসি পাতা খেতে পারেন অথবা সরাসরি মুখে পেস্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন। দুই ক্ষেত্রেই সমান উপকার পাওয়া যাবে। ৩. ডায়াবেটিস দূরে থাকে গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা মরে যায়। এছাড়াও মেটাবলিক ড্য়ামেজের হাত থেকে লিভার এবং কিডনিকে বাঁচাতেও তুলসি পাতা দারুণ ভাবে সাহায্য করে। ৪. ক্যান্সার দূরে থাকে তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরে যাতে ক্যান্সারের সেল জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে আসার সুযোগ পায় না। গবেষণায় দেখা গেছে তুলসি পাতা লিভার, ওরাল এবং স্কিন ক্যান্সারের প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আসলে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের পাশাপাশি তুলসি পাতার ভেতরে থাকা একাধিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. স্ট্রেস কমায় তুলসি পাতা খেলে কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। ফলে স্ট্রেস লেভেলও কমতে শুরু করে। কারণ কর্টিজল হরমোনের সঙ্গে স্ট্রেসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমাতেও তুলসি পাতা দারুণ ভাবে সাহায্য করে। ৬. সর্দি-জ্বরের প্রকোপ কমায় তুলসি পাতা হল প্রকৃতির অ্যান্টিবায়োটিক। তাই জ্বর এবং সর্দি-কাশি সারাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খুবই উপকারি। যে ভাইরাসের কারণে জ্বর হয়েছে, সেই জীবাণুগুলোকে মারতে ধ্বংস করে এই তুলসি পাতা। ৭. মাথা ব্যাথা কমাতে তুলসি পাতায় সিডেটিভ এবং ডিসইনফেকটেন্ট প্রপাটিজ থাকার কারণে যে কোন ধরনের মাথা যন্ত্রণা দূর করতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি প্রায়শই সাইনাস বা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে তা কমানের জন্য তুলসি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। ৮. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে। সূত্র: বোল্ড স্কাই এম/টিকে
সঙ্গীর হাসিখুশিতে সুস্থ্য জীবন

দাম্পত্য জীবনে স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজন হাসিখুশি ও খোলা মনের হলে পরিবারে কোনো রোগ-বালাই আসতে পারে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিবাহিত জীবনে স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজন যদি হাসিখুশি হয় তাহলে তার সঙ্গী তুলনামুলকভাবে সুস্থ জীবনযাপন করেন। পরিবারে রোগ-বালাই কম আসে। ৫০ থেকে ৯৪ বছর বয়সের দুই হাজার দম্পতির উপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক উইলিয়াম চপিক। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বাস্থ্যবিষয়ক অনলাইন` দ্য জার্নাল হেলথ সাইকোলজি `তে গত সেপ্টেম্বরে এটি প্রকাশিত হয়। গবেষণাতে ছয় বছরের দাম্পত্য জীবনের সুখ, দুঃখ, স্বাস্থ্য, জীবনযাপন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। অধিকাংশ দম্পতিই জানিয়েছে, যাদের সঙ্গী সবসময় হাসি-খুশি থাকেন, তাঁদের রোগ-বালাইয়ের পরিমাণও খুব কম। তারা স্বাস্থ্যগতভাবে ভাল অবস্থানে রয়েছেন। সুখী দাম্পত্যই একজন মানুষকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে জানিয়ে তিনি বলেন, একজন হাসিখুশি সঙ্গী আরেকজনের প্রাণশক্তি বাড়ায়, অন্যের প্রতি যত্নশীল হয়, এতে তিনি সুস্থ জীবনযাপানে সহায়তা করে। তাকে ভাল অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে। চপিক আরো বলেন, একজন হাসিখুশি সঙ্গীর সঙ্গে জীবনযাপন অনেক বেশি সহজ হয়।  বিপরীতে যে পরিবারগুলোতে দম্পতির একজন গম্ভীর হয়ে থাকেন, সে পরিবারে অসুখ-বিসুখ লেগেই থাকে বলে জানিয়েছেন দম্পতিরা। এমজে/  এআর

আর্টিফিসিয়াল জুস খেয়ে বিপদ ডেকে আনছেন কি?

আজকাল সবাই এত ব্যস্ত যে বাড়িতে জুস বানানোর সময় পায় না। তাই তো স্বাস্থ্যসচেতন বাঙালি এখন প্রথম পছন্দ হচ্ছে  ফলের রেডিমেড জুস। কিন্তু প্যাক বন্দি এই সব ফলের আর্টিফিসিয়াল জুস  কি আদৌ স্বাস্থ্যসম্মত? শরীরকে সুস্থ এবং তরতাজা রাখতে প্রতিদিন পরিমিত পরিমানে সবজি এবং ফল খাওয়া উচিত। কিন্তু কর্মব্যস্ততার করণে অনেকেই প্যাকেটজাত সবজি এবং জুসের ওপর নির্ভর করে থাকে। কিন্তু একাধিক গবেষণা বলছে প্যাকেটজাত এই সব ফলের জুস শরীরের জন্য একেবারেই স্বাস্থকর নয়। শুধু চিনি আর চিনি: একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ প্যাকেটজাত ফলের রসেই এত মাত্রায় চিনি থাকে যে ফলের কোন গুণই আর অবশিষ্ট থাকে না। কারণ বেশি মাত্রায় চিনি মোটেই শরীরে পক্ষে ভাল নয়। এতে দেহের ভেতরে ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। নকলে ভরা: পছন্দের ফল দিয়ে বাড়িতে বানানো জুসে কেউ আর্টিফিশিয়াল রং মেশায় না। তাই তো বাড়িতে বানানো ফলের জুস স্বাস্থের জন্য নিরাপদ। অন্যদিকে প্যাকেটজাত প্রায় সব ফলের জুসেই অল্প হলেও ক্যামিকেলের মিশ্রণ থাকে যা স্বাস্থের নিরাপদ নয় । তাই দেখতে অনেক সুন্দর হলেও  শরীরের জন্য এমন জুস কতটা উপকারি, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। পুষ্টির ঘাটতি থাকে: প্যাকে বিক্রি হওয়া ফলের রস বানানোর সময় অনেক ক্ষেত্রেই ফলের বেশিরভাগ অংশ ফেলে দেওয়া হয়। ফলে জুসের গুণাগুণ অনেকটা কমে যায়। যেমন আঙুরের কথাই ধরুন না। বাড়িতে আঙুরের জুস বানানোর সময় আমরা পুরো আঙুরটাই দিয়ে দেই। ফলে ফলটির খোসায় থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। কিন্তু সেই একই আঙুরের রস যখন প্য়াকেটে পাওয়া যায়, তাতে কিন্তু সেই গুণ থাকে না। ভিটামিন এবং মিনারেল হারিয়ে যায়: বেশিরভাগ প্যাকেটজাত ফলের জুসই বানানোর পরে ফোটানো হয়। যাতে তার মধ্যে কোনও ব্যাকটেরিয়া থাকতে না পারে। এমনটা করাতে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে ঠিকই, কিন্তু সেই সঙ্গে ফলের রসের ভেতরে থাকা অনেক ভিটামিন এবং মিনারেলও নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে বাড়িতে বানানো ফলের রস ফোটানোর দরকার পরে না পরে পুষ্টি ঠিক থাকে। ছেঁকে ফেলা হয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: শরীরের ভেতরে থাকা টক্সিক উপাদানকে বের করে দেওয়ার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করে । আর এই উপাদানটি বেশি মাত্রায় থাকে ফলের রসে। তাই তো প্রতিদিন এক গ্লাস করে ফলের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তবে এক্ষেত্রে একটা জিনিস জেনে রাখা প্রয়োজন যে প্যাকেটজাত ফলের জুস বানানোর সময় রসটাকে এত মাত্রায় ফিল্টার করা হয় যে, তার শরীর থেকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রায় সব বেরিয়ে যায়। তাই শরীরকে যদি সুস্থ রাখতে চান , তাহলে প্যাকেটজাত জুস বাদ দিয়ে বাড়িতে বানানো ফলের জুস খান।   এম/এসএইচ  

রেসিপি : ইলিশ মাছের ভর্তা

ইলিশ মাছ পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইলিশ এমন একটি মাছ, এটি যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে ভীষণ মজা লাগে। তবে ভর্তাপ্রেমীদের জন্য সুখবর হচ্ছে ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ভর্তা। গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খেতে পারবেন এই ভর্তা। উপকরণ : ইলিশ মাছের টুকরো ৩-৪টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, শুকনো মরিচ ১টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী এবং সরিষা তেল ভাজার জন্য। প্রণালি : মাছের টুকরো ভালো করে ধুয়ে এতে মসলা ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো ভালো করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ কুচি মচমচে করে ভেজে নিন। মাছ ঠান্ডা হলে কাঁটা বেছে নিন। এখন মাছের সঙ্গে ভাজা উপকরণগুলো ভালো করে হাত দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন ইলিশের লোভনীয় ভর্তা।   এসএ/

শীতে দই খাওয়ার উপকারিতা

গরমকাল জুড়ে শেষ পাতে আনেকেই দই পছন্দ করে। কিন্তু এই শীতে এমনটা করা উচিত কিনা বুঝে উঠতে পারছে আনেকেই। বড়দেরে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, শীতকালে দই খেলে  ঠান্ডা লাগতে  পারে। কিন্তু গবেষকারা শীতকালে দধি খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা নিয়ে কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে অ্যাডভান্স রিসার্চ  জানান, দধিতে থাকা ভিটামিন সি, বি ১২, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে । পাশাপাশি  শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই শীতকালে দই খেলে কোন ক্ষতি হয় না। বরং শরীর ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালী হয় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বৃদ্ধি করতে সাহয্য করে। ১. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে  দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রস ঠিক মতো কাজ করতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমতে শুরু করে।  ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে দিনে ২০০ গ্রাম করে দই খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে কোন রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় শীতকাল মানেই ত্বক শুকিয়ে যাওয়া এবং সেই সঙ্গে সৌন্দর্য কমতে থাকা। এমন পরিস্থিতিতে নিয়ম করে দই খেলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে। দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকেক আদ্র রাখার পাশাপাশি  ত্বকের রোগে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই সারা শীতকাল জুড়ে নিয়ম করে দই দিয়ে বানানো প্যাক মুখে লাগালে দারুন উপকার পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে দই খাওয়া যদি চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে তো অনেক উপকার পাওয়া যাবে। ৪. রক্তচাপ কমায় হঠাৎ হঠাৎ ব্লাড প্রেসার বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। এই ব্লাড প্রেসার কমাতে দই খুবই উপকারি।কেননা দই এর মধ্যে থাকা বিশেষ এক ধরনের প্রোটিন ব্লাড প্রেসার কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়ানের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে নিয়মিত দই খেলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা ৩১ শাতাংশ কমে যায়। ৫. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত ২৫০ গ্রাম করে দই খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বোন ডেনসিটির উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। তাই বুড়ো বয়সে যদি অস্টিওপোরোসিস এর মতো হাড়ের রোগে আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে সারা বছর দই খেতে পারেন। ৬. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়  একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত দই খেলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে যা ব্লাড প্রেসার কমাতে খুবই উপকারী। সেই সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায় । ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি থেকে দধি  আপনাকে সাহায্য করবে। ৭. খুশকির প্রকোপ কমায় অনেকেরই শীতকালে খুশকির সমস্যা হয়ে থাকে। তারা দইকে কাজে লাগিয়ে এই খুশকি সমস্যা সমাধান করতে পারেন।দই-এ থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।   সূত্র:বোল্ডস্কাই   এম  

সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে!

ভালবাসার সম্পর্কে ছেদ পরলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা  বৃদ্ধি পেতে পারে। সম্প্রতি এক গবেষনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। তাই এ সময়ে সাবধান থাকা খুই জরুরি। ইউনিভার্সিটি অব অবের্ডিনের গবেষকরা এক পরীক্ষা করে  এ তথ্য দেন। তারা বলেন সম্পর্ক শেষ হওয়ার সময় মানসিক চাপ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এতে করে ব্রোকেন হার্ট সিনড্রমে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কী এই ব্রকেন হার্ট সিনড্রোম? গবেষকরা জানাচ্ছেন মন ভাঙলে মানসিক চাপ হঠাৎ করে মারাত্মক বেড়ে যায়। যে কারণে হার্টের উপর এমন চাপ পরে যে হৃদপিন্ডের পক্ষে স্বাভাবিক ছন্দে কাজ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্ট রেট বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যা হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। তাই মন ভাঙার পর হার্টের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। ১. মন খুলে হাসতে হবে একাধিক গবেষণা বলছে  সম্পর্ক ভাঙার পর হার্টকে সুস্থ রাখতে হাসি খুবই উপকারি। কারণ হাসার সময় আমাদের মস্তিষ্কে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এতে করে হার্টে রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটে এবং হৃদপিন্ড চাঙ্গা হয়। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে মাত্র ১৫ মিনিট হাসলে আমাদের শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হয় যা হার্ট ছাড়াও সার্বিকভাবে দেহের সচলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।  ২. নিয়মিত শরীরচর্চা শরীর এবং মনকে চাঙ্গা রাখতে এক্সারসাইজ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ হাসার সময় যেমন উপকারি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, ঠিক তেমনি শরীরচর্চা করার সময়ও একই ঘটনা ঘটে। ফলে মন তো চনমনে হয়ে ওঠে এবং  ঘামের সঙ্গে  শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়।  প্রসঙ্গত, বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করলে ব্রেন এবং হার্টের কর্মক্ষমতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। ৩.পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে বিশেষ কিছু খাবার রয়েছে যা হার্টকে ভাল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত যদি মাছ, বাদাম, জাম, বিনস, পালং শাক, নানা ধরনের ফল, টমাটো এবং ব্রকলি খাওয়া যায়, তাহলে হার্টকে নিয়ে আর কোন চিন্তা করতে হবে না। এইসব পুষ্টিকর খাবারে নানাবিধ উপকারি উপাদান , যেমন- ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, বিটা-ক্যারোটিন, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি সহ আরও অনেক উপকারি পদার্থ রয়েছে। এসব উপকারি উপাদান হার্টকে সুস্থ-সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।  ৪. ভ্রমণ করতে পারেন মন ভাল রাখতে ভ্রমণের কোন বিকল্প নেই। কারণ নতুন নতুন জায়গা ঘুরলে একদিকে যেমন মন ভাল থাকে ঠিক  তেমনি জীবনের ফোকাসটা অন্যদিকে ঘুরে যাওয়ার কারণে দুঃখ ভুলতে সময় লাগে না। ৫. পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান মন খারাপ থাকলে বা বিষন্নতা আসলে যতটা সম্ভব পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। এতে আপনার  স্ট্রেস এবং মন খারাপের বিষয়টি দূর হবে। আসলে পছন্দের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে এন্ডোরফিন নামক এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। আর এটি মন ভাল করে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৬. আবারও ভালবাসতে শুরু করুন একটা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া মানে জীবন শেষ হয়ে যাওয়া নয় । তাই দুঃখকে ভোলানোর চেষ্টা করুন। নতুনভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন। নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা শুরু করুন। হয়তো এর চেয়ে ভালো মানুষ আপনার জীবনে আসতে পারে। সূত্র: বোল্ডস্কাই এম    

ডায়াবিটিস : মিষ্টির সঙ্গে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো

আজ ১৪ নভেম্বর ওয়ার্ল্ড ডায়াবিটিস ডে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে বিশ্ব জুড়ে মেয়েদের মধ্যে ডায়াবিটিসের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বে প্রায় ২০ কোটি মহিলা এই রোগের শিকার। ডায়াবিটিসে যেমন স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে, তেমনই খাওয়ার ক্ষেত্রেও অনেক বিধি নিষেধ আরোপ হয়। জেনে নিন, সুস্থ্ থাকতে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন।  সফট ড্রিঙ্কস যে কোন প্যাকটবন্দি পানীয় যেমন ফ্রুট জুস বা সফট ড্রিঙ্কস এড়িয়ে চলুন। এই পানীয়গুলির মধ্যে বিশেষত ফ্রুট জুসে রয়েছে ফ্রুকটোজ যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।  ট্রান্স ফ্যাট অতিরিক্ত তেল মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল। এই খাবারে থাকে ট্রান্স ফ্যাট যা ইনসুলিনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে এবং ওবেসিটির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। হোয়াইট ব্রেড, পাস্তা, সাদা ভাত রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কম আছে এমন খাবার খান। যেমন ব্রাউন ব্রেড, ওটমিল। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হল খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার পরিমাণ কতটা বাড়ছে তার আপেক্ষিক পরিমাপ। এর মাত্রা বাড়লে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে। এড়িয়ে চলুন হোয়াইট ব্রেড, পাস্তা, সাদা ভাত। এগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।    বেকড ফুড এবং ডেসার্ট পেস্ট্রি, আইসক্রিম  শুনলেই জিভে জল আসে। জানেন কি কাপকেক, পেস্ট্রি, কুকিজ আপনার রসনাকে তৃপ্ত করছে ঠিকই, কিন্তু রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণ? ফ্লেভার দই দই খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ বিরল। বিশেষজ্ঞদের মতে, দই খেতে হলে ঘরে পাতা দই খান। বাজার থেকে কেনা নানা রকম ফ্লেভার দেওয়া দই নৈব নৈব চ। এগুলো ডায়াবিটিসের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়।   জাঙ্ক ফুড রান্নার সময় বাঁচিয়ে ফাস্ট ফুডেই কি ভরসা রাখছেন আজকাল? চাউমিন, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইতেই কাজ সারছেন? তাহলে সাবধান! এই খাবারগুলো ইতিমধ্যেই ‘হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’-এর তকমা পেয়েছে। রক্তে শর্করা বাড়বে হু হু করে।  জ্যাম, জেলি প্রাতরাশে কি রোজ এগুলোই খান? তাহলে এখনই ডায়েট চার্ট থেকে এগুলো বাদ দিন। বাজারে প্রচলিত জ্যাম ও জেলিতে থাক ‘আর্টিফিশিয়াল সুগার’, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। চিপস বাজারে এখন অনেক রকম চিপস পাওয়া যায় ।এই চিপসগুলো রিফাইনড তেল দিয়ে ভাজা হয় ।এই রিফাইনড তেল দিয়ে ভাজা এই চিপস মোটেই স্বাস্থকর নয়। এ খাবারগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।তাই সুস্থ থাকতে চিপস এড়িয়ে চলুন। সূত্র: আনন্দবাজার এম  

ঝটপট মেইকআপ করার কৌশল

আমাদের সাধারণত খুব সকালে অফিসে যেতে হয় এ জন্য মেইকআপও করতে হবে ঝটপট। আর এখন যেহেতু শীতকাল তাই ত্বকের আর্দ্রতার কথা মাথায় রেখেই মেইকআপ করতে হবে আপনাকে। জেনে নিন শীতকালে অফিস বা অন্য কোনো কাজে বাইরে যাওয়ার জন্য ঝটপট মেইকআপ করার কৌশল- শীতকালে অফিস বা অন্য কোনো কাজে বাইরে যাওয়ার জন্য আপনাকে ঝটপট মেইকআপ করতে হবে। কারণ একদিকে নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে যাওয়া (চাকরি বাঁচানো) অপরদিকে ত্বক বাচানো। এ অবস্থায়, দিনের সাজে প্রাকৃতিকভাব রাখাই ভালো। মনে রাখবেন, এখন শীতকাল তাই ত্বকের আর্দ্রতার কথা মাথায় রেখে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।   মেইকআপের ক্ষেত্রে প্রথমেই ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন মেখে প্রাইমার লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, পরে ত্বকে কন্সিলার লাগান। এরপর হালকা করে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার মুখে ফেইস পাউডার লাগালে ফাউন্ডেশন দীর্ঘস্থায়ী হবে। মুখের গঠন ঠিক রাখতে আপনি গালে, থুতনির নিচে ও কপালে কন্টুয়ার করতে পারেন। চোখের সাজের ক্ষেত্রে গোলাপি, বাদামি অথবা পোশাকের সঙ্গে মেলে হালকা রংয়ের শ্যাডো বেছে নিন। চোখের উপরের পাতায় চিকন করে কাজল রেখা টানুন। আর সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহার করুন মাস্কারা। ভ্রু’র নিচের অংশে হালকা শিমার ব্যবহার করলে ভ্রু ও চোখ প্রাণবন্ত লাগবে। আর ঠোঁটে পছন্দসই যে কোনো রংয়ের লিপস্টিক লাগাতে পারেন। তবে পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকই ব্যবহার করা ভাল।   আর

বাড়িতে  যে গাছ লাগিয়ে পোকামাকড় দূর করবেন

পোকামাকড়ের কারণে আমাদের সবাইকেই বেশ ভুগতে হয়। মশা জাতীয় পোকামাকড়ের  কারণে জ্বরসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়।  অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কি কি গাছ লাগালে পোকামাকড় ধারেকাছেও আসবে না। ১) গাঁদা ফুলের গাছ গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে গাঁদা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন। ২) বেসিল পাতা খাবারের স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও  এ গাছ সাহায্য করে থাকে। ৩) পুদিনা পাতা- খাবারে মধ্যে অনেকেই পুদিনা পাতা  ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু খাবারের বাইরেও এর  অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে। সূত্র: জি নিউজ এম/ডব্লিউএন    

হাতে লেখার দিন কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?

কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং কিবোর্ডের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। লেখার ক্ষেত্রে অনেকেই এই ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলো ব্যবহার করে থাকেন। তাই অনেকেই হয়তো শেষ কবে হাতে লিখেছেন তা বলতে পারবেন না। ব্রিটেনে `ডকমেইল` নামে একটি প্রতিষ্ঠান ২০১২ সালে এক জরিপ চালায় ২,০০০ লোকের উপর। এতে উত্তরদাতাদের প্রশ্ন করা হয়েছিল তারা শেষ কবে হাতে কিছু লিখেছেন। তারা জবাব দেন, তারা হাতে কিছু লিখেছেন গড়ে ৪১ দিন আগে। তাদের দু-তৃতীয়াংশই বলেন, তারা যা লিখেছেন তা বাজারের ফর্দ বা এ জাতীয় সংক্ষিপ্ত নোট। ফলে প্রশ্ন উঠছে, হাতে লেখার ক্ষমতা কি এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে? বাচ্চাদের কি আর হাতে লেখা শেখানোর দরকার আছে? বাচ্চাদের কি এখন বরং টাইপ করা শেখানো উচিত? অনেকের কাছে এটা অকল্পনীয় ব্যাপার মনে হতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু দেশ হাতের লেখা শেখানোটাকে স্কুলের কারিকুলাম থেকে বাদ দিয়ে ঐচ্ছিক বিষয়ে পরিণত করেছে। ফিনল্যান্ডে হাতের লেখা শেখানোর ক্লাস পর্যায়ক্রমে বাদ দেয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্য এক আইন পাশ করেছে যাতে বলা হচ্ছে, স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের আর `কার্সিভ` কায়দায় ইংরেজি লিখতে হবে না। ইংরেজি অক্ষরগুলো একটির সাথে আরেকটির রেখা সংযুক্ত করে লেখার রীতিকে বলা হয় `কার্সিভ` লেখা। আমেরিকায় স্কুলগুলোতে আগে এই রীতিতে লেথার উপর জোর দেয়া হতো - এখন তা বাদ দেয়া হয়েছে। হাতে লেখা এবং টাইপিং এর মধ্যে কোনটি শিশুদের জন্য ভালো- এর উপর এক জরিপ চালানো হয়েছিল ২০০৫ সালে। এতে দেখা গেছে যে হাতে লেখা শেখার ফলে শিশুরা অপেক্ষাকৃত ভালোভাবে অক্ষর চিনতে পারে। গবেষকরা বলেন, এটা সম্ভব যে হাতে লেখা শিখলে তা বাচ্চাদের পড়া শেখায় সহায়ক হয় - যদিও এটা প্রমাণ হয়নি। ২০১৫ সালের একটি জরিপে দেখা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যদি শিক্ষকদের কথা হাতে লিখে টুকে নেয় - তাহলে তারা তা কিবোর্ডে নোট নেয়া ছাত্রদের চেয়ে বেশি মনে রাখতে পারে। তবে কম্পিউটারে নোট নেয়া দ্রুততর এবং শিক্ষক যা বলেছেন তার কাছাকাছি হয়। তবে এ যুগে শিশুদের হাতে লেখা শেখানো বাদ দেয়ার সময় হয়েছে কিনা তা নিয়ে এখনো শিক্ষাবিদদের মধ্যে কোনো আন্তর্জাতিক ঐকমত্য হয়নি। সূত্র: বিবিসি এম/ডব্লিউএন

ইঁদুর তাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

ইঁদুর গরীব ধনী চেনে না। তাই এমন কোনো বাসা-বাড়ি নেই যেখানে ইঁদুরের যন্ত্রণা নেই। নতুন পুরনো, মূল্যবান কিংবা সন্তা যাইহোক সব জিনিস সহজেই অচল করে দেওয়া ইঁদুর। সবচেয়ে বড় কথা একটি ইঁদুর মানুষের জন্য কমপক্ষে ২০ ধরণের রোগের জীবাণু বয়ে বেড়ায়। খাবার আর শখের পোশাক কাটাকাটিতে ওস্তাদ এই প্রাণিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে কে না চায়। ইঁদুর তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় ইঁদুর পুদিনার পাতা, পুদিনার তেল ও মেন্থলের গন্ধ একদম সহ্য করতে পারে না। তাই ইঁদুরকে আপনার ঘর থেকে বাইরে রাখতে চান তাহলে ঘরের প্রতিটা কোনা ও ইঁদুর থাকার জায়গাগুলোতে পুদিনা পাতা রেখে দিন। আপনার বাড়ির আশেপাশে যাতে ইঁদুর ঘোরাঘুরি করতে না পারে এর জন্য বাড়ির চারপাশে পুদিনা গাছ লাগান। ফ্রিজ ও অন্যান্য জিনিসপত্র ইঁদুর থেকে দূরে রাখতে পুদিনা পাতা বেঁটে লেপে দিতে পারেন অথবা পুদিনা তেল ব্যবহার করতে পারেন। ইস্পাত বা স্টিলের উল ইঁদুর থেকে আপনার বাড়িকে বাঁচাতে সাহায্য করতে পারবে। আপনার ঘরের যে প্রান্ত বা ফাঁক ফোঁকর দিয়ে ইঁদুর ঘরে প্রবেশ করে সেখানকার প্রবেশ মুখে ইস্পাত উল লাগিয়ে দিন। ইঁদুর সারাদিন রাত চেষ্টা করেও আপনার ঘরে ঢুকতে পারবে না। ইঁদুর থেকে মুক্তি পাওয়ার সব থেকে সহজ ও কার্যকর উপাদান হচ্ছে মানুষের চুল। চুল মুখে গেলে বা পায়ে জড়িয়ে গেলে ইঁদুরের মৃত্যু অবধারিত। তাই ইঁদুর তাড়াতে রাতের বেলা আপনার ঘরের মেঝেতে ও ইঁদুরের প্রিয় জায়গাগুলোতে চুল ফেলে রাখতে পারেন। ইঁদুর সমূলে মারতে অ্যামোনিয়া কাজে লাগাতে পারেন। কোনো ইঁদুর যদি একবার অ্যামোনিয়ার ঘ্রাণ নেই তাহলে তার মৃত্যু নিশ্চিত। আপনার ঘরের ইঁদুরের আনাগোনা বেশি হওয়া জায়গাতে তরল অ্যামোনিয়া দিয়ে রাখুন। শুনে হাসি আসলে ও আপনাকে বিশ্বাস করতেই হবে যে ইঁদুর মারতে শুকনো গোবর খুব কাজের। কোনো ইঁদুর যদি শুকনো গোবর খেয়ে ফেলে তবে তার মৃত্যু ঠেকানো যাবে না। ইঁদুর মারতে গোল মরিচের জুড়ি নেই। আপনার বাড়ির ইঁদুরের বাসস্থানে গোল মরিচ রেখে দেখুন ইঁদুর মরবেই। গোল মরিচের কটু গন্ধে শ্বাস নেওয়াতে ইঁদুরের ফুসফুসে আঘাত লাগায় এরা মারা যায়। ইঁদুর মারতে আপনি আপনার সু-পরিচিত মসলার অন্যতম উপাদান পেঁয়াজ ব্যবহার করতে পারেন। ইঁদুরের গর্তের মুখে পেঁয়াজ কেটে রেখে দিন আর এতেই কাজ হয়ে যাবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন  

নেগেটিভ ইমোশন অসুস্থ করছে আমাদের

আনন্দ, হাসি, ভালবাসা ও খুশির মতো পজিটিভ ইমোশন আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। অন্যদিকে রাগ, দুঃখ, উত্কণ্ঠা, দুঃশ্চিন্তা আমাদের অসুস্থ করে তোলে। নেগেটিভ ইমোশনের কারণে শরীরের যে অঙ্গগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।   রাগ: নিজেকে এবং পরিবারকে ভাল রাখতে রাগ করা খেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন মনোবিদরা। রাগ শারীরিক স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত রাগ লিভারের ক্ষতি সাধন করে। দুঃখ: কষ্ট চেপে না রাখাই ভাল। দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা কষ্ট ফুসফুসের উপর মারাত্ম প্রভাব ফেলে। দুঃশ্চিন্তা: অযথা দুঃশ্চিন্তা করার অভ্যাস আমাদের পাকস্থলীর উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। স্ট্রেস: অতিরিক্ত স্ট্রেস চাপ ফেলে মস্তিষ্ক ও হার্টে। যার প্রভাবে গুরুতর সমস্যা হতে পারে। ভয়: ভয়ের অনুভূতি দীর্ঘ দিন স্থায়ী হলে তা কিডনির উপর প্রভাব ফেলে । সূত্র: আনন্দবাজার এম    

শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ৫ খাবার

শীতকাল তো প্রায় চলেই এলো। এই সময়ে সর্দি কাশিসহ আরোও অনেক রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। শীতের সময়ে বায়ু দূষণের কুয়াশাও শরীরের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। বিশেষত এই সময়ে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কমে যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা এই সময়ে শরীরের প্রতি যত্ন নেয়ার পরামর্শ দেন। গবেষণায় দেখা গেছে, কুয়াশা ফুসফুসের পাশাপাশি হার্ট এবং মস্তিষ্কেরও মারাত্মক ক্ষতি করে। এ সমস্যাগুলো দূর করতে কিছু খাবার আছে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আমাদের এ আয়োজনে এমন কিছু খাবার নিয়ে আলোচনা করব যা এই শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষামতা বাড়াতে সাহায্য করবে।  ১) ব্রকলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বৃদ্ধি করতে ব্রকলি অনেক বেশি কার্যকর। এই শীতে বায়ু দূষণের কারণে শরীরের ভেতরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদান বের করতে এ সবজিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কেউ যদি ব্রকলি খেতে না পারেন তাহলে ফুলকপি বা বাঁধাকপিও খেতে পারেন। কারণ, ব্রকলির মতো এই দুই সবজিও একই পরিবারের সদস্য। ২) টমাটো এমন খাবার খাওয়া উচিত যা ফুসফুসকে বিষাক্ত ধোঁয়ার হাত থেকে বাঁচাবে। এ ক্ষেত্রে টমেটো বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কারণ, টমেটোতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং লাইকোপেন নামক যে পদার্থ রয়েছে তা ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে। তাই তো যাদের শ্বাস কষ্ট বা অ্যাজমার মতো সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত টমেটো খেতে পারেন, তাহলে দারুণ উপকার পাবেন। ৩) সাইট্রাস ফল পাতি লেবু, কমলা লেবু, মৌসাম্বি লেবু এবং কিউই-এর মতো সাইট্রাস ফলে থাকা ভিটামিন সি শীতের মারাত্মক প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই সারা শীতজুড়ে যদি ফিট এবং চাঙ্গা থাকতে চান, তাহলে রোজের ডায়াটে এই ফলগুলির রাখতে পারেন। ৪) অলিভ অয়েল বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অলিভ অয়েলে থাকা অ্যালফা-টোকোফেরল নামক বিশেষ এক ধরনের ভিটামিন ই, ফুসফুসের ভেতরের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও হার্টকে সুস্থ রাখতেও অলিভ অয়েল বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫) গ্রিন টি শরীরকে রোগ থেকে মুক্ত রাখতে গ্রিন টি স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও বায়ু দূষণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে গ্রিন টি নানাভাবে কাজ করে থাকে। আসলে গ্রিন টি’তে থাকা নানাবিধ কার্যকরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফুসফুস এবং শরীরের ভেতরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদান বের করতে সাহায্য করে। সূত্র: বোল্ড স্কাই এম/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি