ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:২৩:২৪

মুখের দাগ দূর করতে ৬টি ঘরোয়া উপায়

মুখের দাগ দূর করতে ৬টি ঘরোয়া উপায়

ত্বকে যখন মেছতা, ব্রণ কিংবা চোখের নিচে কালো দাগ পরে যায় তখন মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এই মুখ নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই লজ্জা করে। যদিও মেকাপ লাগিয়ে দাগ লুকানো সম্ভব কিন্তু দূর করা সম্ভব না। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে অবলম্বন করতে পারলে মুখের এই বিচ্ছিরি দাগগুলো দূর করা সম্ভব। এই উপায়গুলো উল্লেখ করা হলো- আলু মুখের কালো দাগ সরাতে ভালো কাজ করে আলুর রস। এক্ষেত্রে আলুর রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। দুধ ও মধু দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে কালো দাগের উপর দশ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা কয়েকদিনের ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ উধাও হয়ে যাবে। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরা জেল বা রস, মুখের দাগের উপর আলতো হাতে মালিশ করে নিন। প্রত্যেকদিন এর ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ মুছে গিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে অ্যালোভেরা থেকে রস বের করে নিন। এর রস লাগানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর রস মুখে দিয়ে মাসাজ করুন। এছাড়া অ্যালোভেরা জেল দিয়ে মাস্ক বানিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। শসা ও টমেটো শসা ও টমেটো মুখের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে দুটোই কার্যকরী। কয়েকটি শসার টুকরো নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন, তাতে সামান্য মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। টমেটো কেটে মুখে আলতোভাবে ঘষতে থাকুন। তারপর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাকা পেঁপে পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করতে ভালই সাহায্য করে। এক্ষেত্রে পাকা পেঁপের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। সামান্য লেবুর রস মিশিয়েও তা ব্যবহার করতে পারেন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবু কালো দাগ তুলতে লেবু খুবই কার্যকরী। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও কালো দাগ দূর করে। দাগের উপর কিছুক্ষণ লেবুর রস ঘষতে থাকুন, শুকিয়ে এলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। কেএনইউ/    
৫ প্রকৃতির বন্ধুকে এড়িয়ে চলা মঙ্গল

জীবনে বন্ধুর প্রয়োজন রয়েছে। আর সেই বন্ধুর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বিশ্বাস ও অনেকখানি ভালোবাসা। কিন্তু সবাইকে বন্ধু বানানো সম্ভব নয়। কেননা মানুষের মধ্যে ভালো-মন্দ দুটোই জড়িত। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কিছু বন্ধু রয়েছে যারা ক্ষতি করে, তাদের থেকে যত দূরে থাকা যাবে ততই নিজের জন্য মঙ্গল। সুতরাং আমাদের জানা প্রয়োজন কোন কোন প্রকৃতির বন্ধুকে এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। ১) যে সব সময় টাকা চায়: বন্ধুর কাছে টাকার জন্য ঘন ঘন হাত পাতা শোভনীয় নয়। যে বন্ধু আপনাকে দেখা মাত্রই টাকা দাবি করে, তার থেকে বিরত থাকাই ভালো। কেননা, সে আপনার সময়কে জটিল করতে পারে। আপনাকে বিরক্তি এনে দিতে পারে। তাই এমন বন্ধুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া ভালো নয়। ২) যে আপনার গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়: যে বন্ধু আপনার দূর্বল দিকগুলো তার বন্ধু এবং অন্যান্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়, তার সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকতে পারে না। কারণ বন্ধুত্বে বিশ্বাস জরুরী। আর যেখানে বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়, সেখানে সম্পর্ক টিকতে পারে না। তাই যে বন্ধু আপনার বিশ্বাস ভেঙ্গেছে তাকে এড়িয়ে চলুন। ৩) যে আপনাকে অপছন্দ করে যে আপনাকে মনে মনে অপছন্দ করে থাকে, তার সঙ্গ আজই ত্যাগ করুন। এই ধরণের মানুষেরা সবার সামনে আপনার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু আপনার পিছনে আপনার ক্ষতি করতে দ্বিধাবোধ করে না। ৪) অলস অলসতা অনেক বেশি ছোঁয়াচে। অলস ব্যক্তি আরেকটি মানুষকে অলস বানিয়ে দেবার চেষ্টায় থাকে। অলস ব্যক্তির সাথে বেশি সময় কাটালে তাদের অলসতা আপনার মাঝেও দেখা দেবে। ৫) যে সবসময় ব্যস্ততা দেখায়: বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন যে সর্বদাই ব্যস্ততা দেখায়। সেটা যে কীসের ব্যস্ততা তা হয়তো নিজেই জানে না। দেখা যায়, কাজের সময়ে তাকে পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। কাজেই এমন বন্ধুর থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই নিরাপদ। কেএনইউ/  

ছানার মালাইকারি

ছানা এক ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার। দুধ দিযে সাধারণত ছানা তৈরি করা হয়। তাই এটা খেতেও বেশ সুস্বাদু। তবে এই ছানা দিয়েও বিশেষ কিছু রেসিপি তৈরি করা যায়। তেমনি একটি খাবার হচ্ছে ছানার মালাইকারি। বাসায় আসা অতিথিদেরকেও এটি আপ্যায়ন করতে পারেন। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) ২০০ গ্রাম ছানা। ২) ৫০ মিলি নারকেলের দুধ। ৩) এক টেবিল চামচ আদা, জিরে ও কাঁচা মরিচ বাটা। কিছু আদা কুচিও লাগবে। ৪) এক চামচ হলুদ গুঁড়া। ৫) এক চামচ শুকনো মরিচের গুঁড়া। ৬) এক টেবিল চামচ ঘি। ৭) গরমমশলার গুঁড়া। ৮) ২০ গ্রাম ময়দা। ৯) চিনি ও লবণ স্বাদ মতো। ১০) তেল। ১১) ৪ টেবিল চামচ মালাইকারির গ্রেভি। ১২) একটি ডাবের শাঁস। প্রণালি : প্রথমে ছানাটা খুব ভালো করে মেখে নিন। মাখার সময়েই একটু আদাকুচি, শুকনো মরিচের গুঁড়া, কাঁচা মরিচের কুচি, ময়দা, চিনি আর লবণ দিয়ে দিন। এবার এই মিশ্রণটা থেকে ছোট ছোট গোল আকারের বল তৈরি করে একটু চেপটে নিন এবং গরম তেলে ভেজে নিন। এখন ওই তেলেই আদা, জিরে, মরিচ বাটা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। সেই সঙ্গে এক এক করে শুকনো মশলাগুলোও দিন। এখন অল্প কিছু পানি দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট রান্না করুন। এর সঙ্গে দিন নারকেলের দুধ, ডাবের শাঁসবাটা, মালাইকারির গ্রেভি। এগুলো ফুটে উঠলে ঘি, গরম মশলার গুঁড়া আর ছানার বল ছেড়ে দিন। তাপে কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে ফেলুন। এখন গরম গরম পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : রান্নার ঘর। কেএনইউ/

সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের ৫ উপায়

যেকোনো সম্পর্কেই জটিলতা থাকবে। কিন্তু কেউই চাইবে না এই জটিলতার কারণে গড়ে তোলা সম্পর্কটা ভেঙে যাক। বরং চেষ্টা থাকবে জটিলতা কাটিয়ে এই মিষ্টি ভালোবাসার সম্পর্কটিতে টানাপোড়ন আসুক। আর সেটা নিজের গুণেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সম্পর্ক আরও উন্নতি করতে চাইলে কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে, তাহলেই সম্ভব। সম্পর্ক উন্নতির ৫ উপায় দেওয়া হলো- ১) সঙ্গীর পাশে সবসময়  থাকার চেষ্টা সঙ্গীর সুখে দুঃখে এবং তার বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকার বিষয়টি আপনার সঙ্গীর মনে প্রভাব ফেলবে অনেক। আপনার এই সমর্থনটুকুই তার মনে আপনার উপর আস্থা যোগাবে। এতে করে সম্পর্কে থাকবে মধুরতা ও সম্পর্ক হবে দীর্ঘস্থায়ী। ২) সঙ্গীর ছোটোখাটো বিষয় নজর করা একটি স্বাভাবিক ভালোবাসার সম্পর্কে নারী ও পুরুষ উভয়ই বেশি কিছু চান না। দুজনেরই কাম্য থাকে সঙ্গী তার ছোটোখাটো ব্যাপারগুলোর দিকে নজর দিক এবং সে হিসেবে ছোট কিছু চাহিদাই পূরণ করুক। তাই সঙ্গীর এই ছোটোখাটো ব্যাপারগুলো নজর করার গুনটি সম্পর্কের জন্য বেশ সুখকর। ৩) সঙ্গীকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব সঙ্গীকে কখনো নিজের থেকে কোনো অংশে ছোটো ভাববেন না। যদি সঙ্গীকে প্রাপ্য গুরুত্ব ও সম্মান দিতে না পারেন তাহলে সেটি কোনো সম্পর্কের মধ্যেই পড়বে না। যদি সঙ্গীকে তার প্রাপ্য সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব আপনার মধ্যে থাকে তবেই সম্পর্কে আসবে সুখ এবং সম্পর্ক হবে আরও উন্নত। ৪) যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ান সম্পর্ক সহজ করতে যোগাযোগের গুরুত্ব রয়েছে। যার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক, তার সঙ্গে ঠিকভাবে যোগাযোগ রাখতে না পারলে তাতে জটিলতা বাড়বেই। এ কারণে যোগাযোগ দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ মন বুঝতে পারে না। এ কারণে আপনার মনে কী রয়েছে, তা প্রকাশ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ ছাড়া অন্যকে সম্মান করাও গুরুত্বপূর্ণ। ৫) নিজেকে সবসময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখা সন্দেহ একটি সুস্থ সুন্দর সম্পর্ককে মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিজেকে সব সময় সঙ্গীর কাছে স্বচ্ছ রাখার গুনটি সম্পর্কে কোনো প্রকার সন্দেহের সৃষ্টি করতে পারে না। কেএনইউ/ এআর

ছেলেদের যে ৫ অভ্যাস মেয়েদের আকৃষ্ট করে

নারী ও পুরুষের আচরণ ও চলাফেরার মধ্যেই সম্পর্কের ভাব বুঝা যায়। সুন্দর বা ভালো অভ্যাসের কারণে সম্পর্ক টিকে থাকা সম্ভব। ছেলেদের কিছু কিছু অভ্যাস আছে যা মেয়েদের অপছন্দ, আবার কিছু অভ্যাস আছে যা মেয়েদেরকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে। তাছাড়া মেয়েদের মনের কথা বুঝে নিতে খুব কষ্ট হয়। তারা কি চায় সহজেই তা প্রকাশ পাওয়া যায় না। তবে নারীরা সাধারণত আত্মনির্ভরশীল, ব্যক্তিত্ববান এবং রোমান্টিক ছেলেদের ভালোবাসেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের মধ্যে কি কি অভ্যাস থাকলে মেয়েরা বেশি খুশি ও আকৃষ্ট হয়- ১) মজা করতে ও দেখতে কে না পছন্দ করে! মেয়েরা সেইসব ছেলেদের বেশিই পছন্দ করে যারা মজা করতে পারে। তবে আনন্দ ও মজা করাটা থাকবে সীমাবদ্ধের মধ্যেই। এছাড়াও যেসব ছেলেরা যে কোন জোকসকে ইতিবাচক মেনে নিতে পারে তাদেরকে মেয়েরা পছন্দ করে। ২) যেসব ছেলেদের মধ্যে স্বাধীনচেতা নামক বিষয়টা থাকবে, সেসব ছেলেদের মেয়েরা বেশিই পছন্দ কর। কেননা মেয়েদের কিছু কিছু বিষয় স্বাধীনতার প্রয়োজন। এইসময় যদি ছেলেরা বাধা দিয়ে থাকে তবে সেই সম্পর্কটা খুশ মেজাজে থাকে না। তাই ছেলেদের এই অভ্যাসটা থাকলে মেয়েদের জন্য সুবিধে হয়। ৩) মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই যত্নশীলতা ও দায়িত্ববোধ দেখে বড় হয়। তাই মেয়েরা স্বভাবতই যত্নশীল ও দায়িত্ববান ছেলেদের পছন্দ করে। যেসব ছেলেদের এই অভ্যাসগুলো আছে এমন ছেলেদেরই মেয়েরা পছন্দ করে বেশি। এসব গুণ যেই ছেলেদের আছে মেয়েরা তাদের খুঁজে বেড়ায়। ৪) মেয়েরা সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টির কথা ভাবে, তা হলো নিরাপত্তা। যেসব ছেলেরা দিতে পারে নিরাপত্তার অনুভব, সেসব ছেলেদের প্রতি মেয়েদের আকর্ষণ থাকে সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই মেয়েরা সাহসী ছেলেদের প্রতি একটু দুর্বল থাকে বেশি। ৫) কোনো মেয়েই চায় না তার সঙ্গীকে অন্য কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে। এ কারণে এক নারীতে সন্তুষ্ট থাকে এমন ছেলেদের পছন্দ করে মেয়েরা। যেই ছেলেদের অনেক মেয়ে বন্ধু রয়েছে বা মেয়েদের মাঝে সবসময় থাকতে চায়, এমন অভ্যাস মেয়েরা একটুও পছন্দ করে না। কেএনইউ/ এআর

ভুঁড়ি থেকে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে

উচ্চতার তুলনায় ওজন খুব বেশি না হলেও পেটে চর্বি জমে ঝুলে পড়লে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার মায়ো ক্লিনিকের গবেষণায় এরকম তথ্যই পাওয়া গেছে। গবেষণার প্রধান হোসে মেদিনা-ইনোহসা বলেন, ওজন স্বাভাবিক হওয়ার পরও পেটে চর্বিওয়ালা একজন মানুষের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যার পেটে চর্বি নেই তার তুলনায় বেশি। এমনকি পেটের চর্বি নেই এমন মানুষটি যদি ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স’ অনুযায়ী ‘ওবেসিটি’র শিকারও হয় তবুও তার তুলনায় একজন পেটের চর্বিওয়ালা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি। এই ধরনের শারীরিক কাঠামো অলস জীবনাযাত্রা, পেশির ঘনত্ব কম এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার লক্ষণ। বডি ম্যাস ইনডেস্ক বা বিএমআই হলো একজন মানুষের উচ্চতা অনুযায়ী তার ওজন কম বা বেশি নাকি স্বাভাবিক তা মাপার মানদণ্ড। তবে তা দিয়ে শরীরে চর্বি ও পেশি পরিমাণ মাপা যায় না। শরীরের মাঝখানে স্থূলতার মানে হলো সেখানেই বাড়তি চর্বি জমা হচ্ছে যা চর্বির অস্বাভাবিক বন্টনের ইঙ্গিত দেয়। শরীরের মাঝখানে যাদের চর্বি বেশি তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা বেশি এই ধারণার যৌক্তিকতা নিয়ে কাজ করে এই গবেষণা। এজন্য ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ বছর কিংবা তারও বেশি বয়সের প্রায় এক হাজার ৭০০ জন নাগরিককে বাছাই করেন গবেষকরা। প্রত্যেকের বিভিন্ন ক্লিনিকাল পরীক্ষা করা হয়, মাপা হয় ওজন, উচ্চতা, কোমর এবং নিতম্বের বেড়। এরপর ২০০০ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে এদের কারও হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক কিংবা হৃদরোগের কারও মৃত্যু হয়েছে কিনা সেদিকে নজর রাখা হয়। দেখা যায়, স্বাভাবিক বিএমআই এবং শরীরের মাঝখানে স্থূলতা আছে যাদের তাদের দীর্ঘমেয়াদী হৃদরোগের আশঙ্কা ‍দ্বিগুন। মেদিনা-ইনোহসা বলেন, আপনার পেটের চর্বি যদি নিতম্বের চর্বির তুলনায় বেশি হয় তাহলে হৃদরোগে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন এবং শরীরে চর্বি বন্টনের ভারসাম্য পরীক্ষা করান। ভুঁড়িওয়ালাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ কোমরের বেড় কমানো, ওজন কমানো নয়। তাই ব্যায়াম করতে হবে, অলস সময় কাটানো চলবে না এবং প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে।  

অতিরিক্ত ঘামেও মেকআপ আর চুল তাজা রাখবেন যেভাবে

বাইরে প্রচন্ড গরম৷ কিন্তু বেরোতে তো হবেই৷ অনুষ্ঠানেও যেতে হবে৷ এই গরমে ঘামের মোকাবিলায় মেকআপ ঠিক রাখবেন কিভাবে? এর উপায় তুলে ধরা হলো। মেক-আপের সময় করণীয়   *যত কম প্রসাধনী ব্যবহার করবেন ত্বকের মেকআপ ততই হালকা থাকবে। *মুখের ওপর মেকআপের পুরু আস্তরণ ঘামের পরিমাণ বাড়ায়৷ তাই ব্যাকটেরিয়ারোধী মেকআপ ব্যবহার করুন৷ *ফাইন্ডেশনের বদলে কনসিলার ব্যবহার করে মুখের দাগ ঢেকে রাখা ভালো। এতে ত্বক হাল্কা থাকবে। * প্রসাধনীতে এসপিএফ’য়ের মাত্রা ৩০য়ের বেশি হলে ভালো হয়। বিবি ক্রিম একটি উপযুক্ত উপায়। কারণ এটি হল ময়েশ্চারাইজার এবং ফাউন্ডেশনের মিশ্রণ।  *এমন মেক আপ ব্যবহার করুন যা ঠোঁট, চোখের পাতা এবং গাল সবটার প্রয়োজনীয়তা মেটাতে পারে। মানে অল ইন ওয়ান৷ এতে সময় বাঁচবে, ব্যাগও হাল্কা থাকবে। ‘সামারি ব্রাইট’ কিংবা হাল্কা গোলাপি ও ‘চিক টিন্ট’ রংয়ের বিভিন্ন শেইড থেকে একটি বেছে নিতে পারেন। হাল্কা মেক-আপের সঙ্গে এগুলো দেবে স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা। ওয়াটার প্রুফ মেকআপ ওয়াটারপ্রুফ আইলাইনার, মাসকারা এবং আই পেনসিল কিনুন৷ গরমে মুখ মুছতে হবে প্রায়ই। মুখ মুছতে গিয়ে যাতে চোখের কাজল মুছে না যায় সেজন্যই এই প্রসাধনীগুলো ব্যবহার করা উচিত। বেছে নিতে হবে একদম গাঢ় কিংবা একবারে হাল্কা রংয়ের আইলাইনার। যাতে আপনাকে সারাদিন দেখায় সকালবেলার মতোই সতেজ। চুলের জন্য প্রসাধনীর মিশ্রণ মসৃণ করে এবং জটবাঁধা থেকে রক্ষা করে এমন চুলের প্রসাধনী একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে। চুল মসৃণ হবে আবার জটও বাঁধবে না। চুল ঘন দেখাতে ঘনত্ব বাড়ায় এমন শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহারের মাধ্যমে চুলে আঠা ভাব থেকে রেহাই পেতে পারেন। ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকানোর আগে চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এমন লোশন মাখিয়ে নিতে পারেন। আর চুল আঁচড়াতে হবে উপর থেকে নিচের দিকে। ঢেউ খেলানো চুল পেতে    প্রথমেই ভেজা চুলে কার্লিং মাখিয়ে ঝুটি করে বেঁধে রাখুন। পরে ‘কার্লার’ বা ‘টং’ ব্যবহার করে চুলে আনতে পারেন ঢেউ খেলানো ভাব। শ্যাম্পু করার তৃতীয় দিন আঠালোভাব থেকে বাঁচতে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এটা চুলের ঢেউ খেলানো ভাব আরেকটু বেশি দিন ধরে রাখবে। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর   এমএইচ/ এসি    

রাগ কমে যে ৫ খাবারে

রাগ যেমন সমস্যার সমাধান করতে পারে না তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ক্ষতিকর। আর তাছাড়া রেগে গেলে এ সময় মুখে যা আসে তাই বলে ফেলেন। এতে অপরজন কষ্ট পেতে পারে কিংবা আপনার উপর ঘৃণা তৈরি হবে। এটা নিশ্চই কখনই চাইবেন না। তাই রাগ হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। কিছু গবেষকরা গবেষণায় করে দেখেছেন, রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু খাবার খুব উপকার করে। এই খাবারগুলো আমাদের মনের সঙ্গে সম্পর্কিত। তা হয়তো অনেকেরই অজানা। তবে এইসব খাবারের কথা উল্লেখ করা হলো- ১) নুডলস নুডলস কারো খুব পছন্দের খাবার আবার কারোর একদমই পছন্দ না। কিন্ত এই খাবারটি আপনার রাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে। নিয়মিত নুডলস খান আর দেখুন আপনার নার্ভ আগের থেকে অনেক ঠান্ডা হয়ে গেছে। তবে হ্যাঁ, নুডলসে অতিরিক্ত ঝাল দিবেন না। ২) আলু কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধি একটি খাবার হল আলু। এটি রক্তচাপ কমিয়ে আপনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মজাদার এই সবজি নিয়মিত খান আর রাগকে নিয়ে আসুন আপনার হাতের মুঠোয়। ৩) আপেল এবং পিনাট বাটার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে আপেল এবং পিনাট বাটারের জুড়ি নেই। হঠাৎ খুব রাগ হলে একটি আপেল খেয়ে নিন আর দেখুন রাগ অনেক কমে গেছে। পিনাট বাটারও তাই। ৪) ডিম ডিম আপনার মুডকে প্রভাবিত করে থাকে। এতে প্রোটিন, ভিটামিন বি, ডি, আছে যা আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ১টি বা ২টি ডিম রাখার চেষ্টা করুন। ডিম সিদ্ধ বা ভাজি যেকোন উপায়ে খেতে পারেন। ৫) কলা কলাতে প্রচুর প্ররিমাণে ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম আছে যা আপনার নার্ভকে শান্ত রাখে। নিয়মিত কলা খাওয়ার ফলে আপনার নার্ভ অনেকটা শান্ত হয়ে যাবে। কেএনইউ/

সম্পর্কের দৃঢ়তা বাড়ায় যে ৫টি বিষয়

মানুষ সম্পর্ক তৈরি করে সারাজীবন একজন সঙ্গীকে পাশে রাখার জন্য। যাতে এই ভালোবাসার মানুষটার সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া যায়। কিন্তু এই সম্পর্কই যদি দুর্বল হয় তাহলে তো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মত কঠিনত্ব হয়ে যায়। দেখা যায় ছোট ছোট বিষয়ে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তবে একটু চেষ্ট করলই সম্পর্ক জোরালো করা সম্ভব। সম্পর্ককে জোরালো ও দৃঢ়তা বাড়াতে অবশ্যই কিছু বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ১) প্রশংসা কখনো বন্ধ করবেন না কেউ যখন আপনার প্রশংসা করে, তখন আপনার কেমন লাগে? নিশ্চয়ই শুনতে খুব ভালো লাগে! তেমনি আপনি আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করে দেখুন সে কতটা আপনার উপর খুশি হয়েছে, যা আপনি ভাবতেই পারবেন না। আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করলে আপনি কখনই ছোট হবেন না বরং আপনার সম্পর্কটা আরও দৃঢ়তা পাবে। ২) ভালোবাসার প্রকাশ থাকুক সারা জীবন ছোট্ট উপহার, ভালোবাসি বলা, সবসময় সকল প্রয়োজনে পাশে থাকা ইত্যাদি ভালোবাসার এই প্রকাশগুলো প্রতিদিন সম্পর্ককে মজবুত করে তোলে। তাই কখনো কার্পণ্য করবেন না ভালোবাসার প্রকাশে। বিয়ের আগে যেমন ভালোবেসেছিলেন তেমনি বিয়ের পরও একই ভালোবাসা রাখুন। ৩) যৌনতায় আনুন বৈচিত্র্যতা যৌন জীবন আনন্দময় থাকলে দাম্পত্য সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই অটুট থাকে। যৌনতা মানে একজনের আনন্দ নয়, বরং দুজনেই সমান সুখী হচ্ছেন। তাই যৌনতার মধ্যে বৈচিত্র্য এনে সম্পর্ককে করে তুলুন শক্তিশালী। ৪) শুধু সঙ্গীকে নয়, ভালোবাসুন সঙ্গীর সঙ্গে জড়িত সবাইকে সঙ্গীকে ভালোবাসবেন এর বাইরে কিছু বলার থাকে না। তবে সঙ্গীকে ভালোবাসার পাশাপাশি তার সঙ্গে জড়িত মানুষগুলোকেও ভালোবাসুন। যেমন- তার পরিবারের সঙ্গে আপনার ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। এতে আপনার সঙ্গী খুশি হবে এবং আপনার সম্পর্কের উপর বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি হবে। আর বিশ্বাস থাকলে সম্পর্ক মজবুত থাকে। ৫) নিজেকে সুন্দর রাখুন দেখা যায় যখন প্রথম পরিচয় হয় অর্থাৎ সম্পর্কটা যখন নতুন নতুন তখন আপনি খুব সুন্দরভাবে সেজে কিংবা খুব স্মার্ট হয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু সম্পর্ক যখন খুব গভীর হয় বা পুরাতন হয়ে যায় তখন আপনি আর তা করছেন না। স্টাইল কিংবা নিজেকে সুন্দর দেখাবার দিকে মনযোগ দেন না। এটা ভীষণ ভুল একটি কাজ। নিজেকে দেখতে সুন্দর লাগলে সঙ্গীরও ভালো রাখে, একই সঙ্গে মনও থাকে ভালো। আর অতি অবশ্যই সঙ্গীর চোখেও বজায় থাকে আপনার আকর্ষণ। আর তা না হলে দেখা যাবে, আপনার সঙ্গী আপনার দিকে আর নজর পড়ছে না। তাই যত সম্ভব নিজেকে সুন্দর রাখুন। কেএনইউ/  

ঘরে বসেই তৈরি করুন এয়ার ফ্রেশনার

মাঝে মধ্যে আমাদের ঘর স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়, তখন এক ধরণের বিচ্ছিরি দুর্গন্ধ বের হয়। আবার কখনও দেখা যায় ঘরের কোণে পোকামাকড় মরে যায়, সেই দূর্গন্ধ প্রায় দু’একদিন ঘরে থেকে যায়। এ সময় খুব বিরক্ত লাগে। আর এ দূর্গন্ধের সময় যদি ঘরে অতিথি আসে তখন কেমনটা লাগে! ঠিক এ সময় যদি ঘরে সুগন্ধি এয়ার ফ্রেশনার রাখা যায় তাহলে খুব ভালো হয়। এয়ার ফ্রেশ সাধারণত বাজার থেকে কিনে আনা হয়। কিন্তু কেমিক্যালের তৈরি এই এয়ার ফ্রেশনারগুলো স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই নিরাপদ নয় এবং এগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই উধাও হয়ে যায়। তার থেকে নিজের ঘরে থাকা উপকরণ দিয়েই নিজেই সুগন্ধি এয়ার ফ্রেশ বানিয়ে নিলে কেমন হয়! এটি যেমন সবসময় ঘরকে সুগন্ধ রাখে, তেমনি কোন ক্ষতিও হয় না। কমলা লেবু ও দারুচিনির এয়ার ফ্রেশনার কমলা লেবুর সুগন্ধ সবাই পছন্দ করে। পুরো ঘরকে কয়েক মিনিটে সুবাসিত করতে এই এয়ার ফ্রেশনারটির জুড়ি নেই। এই এয়ার ফ্রেশনাটি তৈরি করতে যা যা লাগবে- ১) দুই কোয়া কমলা লেবু। ২) কয়েকটি দারুচিনি। ৩) এক টেবিল চামচ লবঙ্গ। ৪) কিছু পানি। একটি প্যানে পানি ভর্তি করে নিন। এবার এই পানিতে উপকরনগুলো সব একসঙ্গে দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। পানি ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে আরও ৫-১০ মিনিট এভাবেই জ্বাল দিন চুলায় রেখে। এরপর ঠাণ্ডা হলে ছেঁকে একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের কোণে স্প্রে করুন দারুণ সুগন্ধ ছড়াবে। লেবু ও ভ্যানিলা লেবুর সুঘ্রাণের কথা সকলেরই জানা আছে। আবার এর সঙ্গে ভ্যানিলার মিশ্রণে পুরো ঘরময় কেক ধরণের মম সুঘ্রাণ সকলেরই মন কেড়ে নেবে। এটি তৈরি করতে যা যা লাগবে- ১) দুই টেবিল চামচ ভ্যানিলা এসেন্স। ২) একটি লেবু। ৩) দুই কাপ পানি প্রথমে পানি জ্বাল দিয়ে ফুটে উঠলে এতে ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে নিন। ঘ্রাণ ছড়ালে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর ঠাণ্ডা মিশ্রনে একটি গোটা লেবু চিপে দিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রন স্প্রে বোতলে ভরিয়ে নিন। প্রয়োজন মতো স্প্রে করে পুরো ঘরকে সুবাসিত করে তুলুন। লেবু ও বেকিং সোডা লেবু ও বেকিং সোডা চিরাচরিত দুর্গন্ধনাশক। ফ্রেশনার তৈরির জন্য এর চেয়ে সহজ পদ্ধতি আর হতে পারে না। এক্ষেত্রে যা যা লাগবে- ১) এক চা চামচ বেকিং সোডা। ২) এক টেবিল চামচ লেবুর রস। ৩) দুই কাপ পানি। স্প্রে বোতলে দুই কাপ পানির সঙ্গে এক চামচ বেকিং সোডা ও লেবুর রস মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। এটি অনেক্ষণ নাড়তে থাকতে হবে। এভাবে নাড়তে নাড়তে তৈরি হয়ে যাবে সুগন্ধি এয়ার ফ্রেশ। এখন ঘরে স্প্রে করুন। কেএনইউ/ এআর      

চুলকে সিল্কি করতে ডিম ও কলা

চুলের যত্ন নিয়ে নারীরা একটু বেশিই চিন্তিত থাকে। কেমন করে চুলের স্বাস্থ্য ফিরে আসবে, চুল সিল্কি হবে  ইত্যাদি। এইসব বিষয়ে উত্তর খুঁজতে আবার অনেকেই পার্লারে যায়। এতে দেখা যায়, টাকা যেমন নষ্ট হয়, তেমনি চুলের বারোটাও বেজে যায়। তাই এত ঝামেলা না করে নিজেই ঘরে বসে ডিম ও কলার প্যাক বানিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। এতে চুলের যেমন স্বাস্থ্য ফিরে আসবে তেমনি চুলকেও দেখাবে ঝলমলে কালো ও সিল্কি। শুধু তাই নয় চুল গজাতেও ডিম ও কলার প্যাক সাহায্য করবে।  প্যাকটি বানাবেন যেভাবে - একটি বাটিতে পাকা কলা চটকে নিন। খুব ভালোভাবে হাত দিয়ে মিহি করে চটকে নিন। খেয়াল রাখবেন যাতে কোন গোটা গোটা না থাকে। চটকানো হয়ে গেলে ডিম ফেটিয়ে কুসুম থেকে সাদা অংশটুকু আলাদা করে নিন। কুসুম দিতে চাইলে দিতে পারেন তবে না দেওয়াই ভালো। কেননা কুসুম দেওয়ার ফলে চুলে দু’একদিন ডিমের গন্ধ থেকে যায়। এবার সাদা অংশটুকু চটকানো কলার সঙ্গে মিশিয়ে আবার চটকাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশে গেলে এখন চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। তবে লাগানোর পদ্ধতি এমনটা হবে যেমনটা তেল চুলে লাগানো হয়। অল্প অল্প করে চুল নিয়ে লাগাতে হবে। পুরো চুলে লাগানো হয়ে গেলে এবার কন্ডিশন লাগিয়ে নিন। তবে সাবধান, কন্ডিশন যাতে চুলের গোড়ায় না লাগে। কন্ডিশন দেওয়ার কারণ হচ্ছে, চুলে লাগানো কলা ও ডিম শুকিয়ে গেলে শক্ত হয়ে যায়। পানি দিয়ে ধোয়ার পরও কলার কাষ্ঠা চুলে থেকে যায়। তাছাড়া চুল ধুতেও কষ্ট হয়। আর কন্ডিশন দিলে চুল যেমনটা নরম থাকে, তেমনি শ্যাম্পু করার পর চুলকে উজ্জ্বল ও সিল্কি দেখায়। কলা ও ডিমের মিশ্রণে লেবুর রসও দিতে পারেন। এতে চুলের খুশকি দূর করতে সাহায্য করবে। এছাড়া মাথার ত্বকও ভালো থাকবে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/এসি          

বয়:সন্ধিকালের বিষণ্নতা : শিশুদের জন্য যা করবেন  

বিশ্বের প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন কিশোর/কিশোরী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের সমস্যা শুরু হয় ১৪ বছর বয়সে যা ১০ বছরের মাথায় ভয়াবহ আকার নেয়।      গত বছর যুক্তরাজ্যের ১০ হাজার কিশোর কিশোরীর ওপর এক সরকারি জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে। এক তৃতীয়াংশ কিশোরী এবং প্রতি ১০ জন কিশোরের মধ্যে একজন ১৪ বছর বয়স থেকেই অবসাদে ভোগে। দারিদ্র্যদের মধ্যে এই হার সবচেয়ে বেশি।     এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতেও তাদের দেরী হয়ে যায়। এ কারণে প্রতিটি স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে। বিষন্নতার লক্ষণ সব সময় মন খারাপ, উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত থাকা।  অসহায়বোধ, আশাহীনতায় ভোগা। আত্মবিশ্বাসের অভাব। অপরাধবোধ বা সব বিষয়ে নিজেকে দোষারোপ করা। অল্পেই কেঁদে ফেলা, খিটখিটে মেজাজ, কাউকে সহ্য না হওয়া। সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা। আত্মহত্যা বা নিজের ক্ষতি করার প্রবণতা।    লক্ষণ বুঝে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেই আক্রান্তকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই আত্মহত্যা করার চেষ্টা করা ব্রিটিশ তরুণী হাটি স্পরে। তার শিক্ষক তাকে আত্মহত্যার পথ থেকে বাঁচিয়েছেন। তাই বর্তমান ২৬ বছর বয়সী ওই তরুণী শিক্ষাণবিশ শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। তার লক্ষ্য, আজকের কিশোর কিশোরীদের আত্মহত্যার প্রবণতা থেকে বের করে আনা। হাটি এখন বোঝেন ১০ বছর আগে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দেখে তার সেই শিক্ষকের কেমন লেগেছিলো। হাটির আশা তিনি যে সহায়তা পেয়েছেন এবং নিজে যা চেষ্টা করছেন তার ছাত্র/ছাত্রীরা একই কাজ করবে অন্যদের প্রয়োজনে। "একটা শিশুকে কেমন আছো জিজ্ঞেস করা খু্ব সাধারণ শোনালেও এর যে কতো শক্তি আছে তা আমাদের ধারণার বাইরে। তাদের বারবার প্রশংসা করা, গুরুত্ব দেয়া, ভালবাসি বলা। এই কথাগুলো একটা মানুষকে সারাজীবনের জন্য বদলে দিতে পারে।" বলেন জীবন জয় করা হাটি। সূত্র: বিবিসি বাংলা এমএইচ/এসি     

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি