ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২৫:৪৪

বাবার একমাত্র সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে রাখুন ৫ বিষয়

বাবার একমাত্র সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে রাখুন ৫ বিষয়

আপনি যার সঙ্গে প্রেম করতে চাইছেন সে কি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান? যদি হ্যাঁ হয়, তবে  সম্পর্কে জড়ানোর পূর্বে বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি। কারণ একমাত্র সন্তানের অনেক বৈশিষ্ট্য ভালবাসার সম্পর্কের জন্য ভালো এবং মন্দ দুটোই হতে পারে। অতিরিক্ত ভালোবাসা দাবি করে একমাত্র সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের  ভালোবাসা অনেক বেশিই থাকে, কয়েকটি ভাইবোন থাকলে সবার দিকে নজর দিতে গিয়ে অভিভাবকেরা যা পারেন না। অনেক আদরে বড় হয়ে থাকেন একমাত্র সন্তানেরা। অতিরিক্ত আদরে মানুষ হওয়া একমাত্র সন্তানেরা জীবনসঙ্গীর কাছ থেকেও তা আশা করে থাকেন। ছাড় দেওয়া মনোভাব থাকে না ছাড় দেওয়ার বিষয়ে একেবারেই আনারি থাকেন একমাত্র সন্তানেরা। কারণ তার ভাইবোন না থাকার কারণে কাউকে কোনো ব্যাপারে ছাড় দেওয়া এবং দুজনের পারস্পরিক সমঝোতার বিষয়টি বুঝে উঠতেই পারেন না তারা। ‘না’ শোনার অভ্যাসটি গড়ে উঠে না তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই অনেক আদরে মানুষ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তানের বেশিরভাগ আবদারই পূরণ করেন অভিভাবকেরা। এর ফলে ‘না’ শোনার অভ্যাসটি গড়ে উঠে না তাদের মধ্যে। আর বড় হলেও অনেকেই এই অভ্যাসটি ধরে রাখেন। নজরের কমতিটা সহ্য করতে পারেন না একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে সবার নজর তার দিকেই বেশি থাকে। এই বিষয়টির সঙ্গে তারা এতো বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়েন যে, তার প্রতি নজরের কমতিটা একমাত্র সন্তানেরা সহ্য করতে পারেন না। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেক কাঁচা এমন ব্যক্তিরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেক কাঁচা থাকেন। শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে মনেরভাব প্রকাশ করে মানুষ হওয়া একমাত্র সন্তানেরা নিজেদের ভেতরের অনুভূতিটা প্রকাশ করতে পারেন না বেশিরভাগ সময়ই। একে//
সম্পর্ক কতদিন টিকবে বলে দেবে যন্ত্র

প্রেমে পড়া যতটা আনন্দদায়ক, ততটাই কাঠখড় পোড়াতে হয় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ চান সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে। কিন্তু কেউ কি জানেন তার সম্পর্ক কত দিন টিকবে? তবে সম্পর্ক কত দিন টিকবে তা এখন জানিয়ে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে এমনটাই তুলে ধরা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন কী ভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে জানা যাবে আপনার সম্পর্কের মেয়াদ। গবেষকরা জানান, ১৩৪টি যুগলের মধ্যে পরীক্ষা চালানো হয়। এই প্রেমিক-প্রেমিকারা কতক্ষণ কথা বলেন এবং কথা বলার সময়ে তারা কি ভঙ্গিতে কথা বলছেন সেই তথ্যগুলি পরীক্ষা করে দেখে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। তবে প্রেমালাপের সময়ে কী কথা বলছে সে সব নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের। শুধুমাত্র কতক্ষণ কথা হচ্ছে এবং কথা বলার সময়ে গলার স্বর কেমন হয় তা ধরা পড়ে যন্ত্রে। এর থেকেই বুদ্ধিমান যন্ত্র বলে দিতে পারে কোন যুগলের সম্পর্ক কতদিন টিকে থাকবে।  এমএইচ/

গরম মশলা খেলে কি উপকার হয়!

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, গরম মশলা বানাতে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তার ভেতরে এতো মাত্রায় উপকারি উপাদান ভরা থাকে যে তা শরীরে প্রবেশ করার পর এমন দেখায় যে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- ১. শরীর এবং ত্বকের বয়স কমায়: দেশে-বিদেশে হওয়া বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, খাবারে গরম মশলার পরিমাণ একটু বেশি হলে কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে দেহের ভেতরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শরীর এবং ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। এর ফলে খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীর এবং ত্বকের উপর তার কোনও প্রভাবই পরে না। ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত গরম মশলা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ইমিউনিটির উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ফলে একদিকে যেমন নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি কোন ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ৩. অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে: গরম মশলায় উপস্থিত জিরায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে, রক্তসল্পতা দূর হতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: প্রচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে  সেখানে উল্লেখ রয়েছে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে গরম মশলা নানাভাবে উপকারে লেগে থাকে।আসলে এই মশলার এই মিশ্রনটি হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে, বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে স্বাদ গ্রন্থিরা খুব অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে খাবার খাওযার ইচ্ছাও বাড়ে। ৫.শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পায়: খুব কাছ থেকে যদি গরম মশলায় ব্যবহৃত মশলাগুলির দিকে দেখেন, তাহলে জানতে পারবেন এদের মধ্যে প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনপ্লেমেটারি উপাদান, অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রপাটিজ, অ্যান্টি-ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ লোয়ারিং প্রপাটিজ, যা ছোট-বড় কোনও রোগকেই ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে স্বাভাবিকভাবেই আয়ু বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। ৬.ক্যান্সারের মতো মরণ রোগকে দূরে রাখে: শুনতে আজব লাগলেও একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, রান্নায় গরম মশলার ব্যবহার বাড়লে শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। আসলে এই মশলাটিকে প্রচুর মাত্রায় উপস্থিত রয়েছে অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান, যা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।প্রসঙ্গত, নিউট্রিশন এবং ক্যান্সার নামক একটি জার্নালে প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে টানা দশ দিন গরম মশলা খেলে শরীরের ভেতরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে শরীরের বিষের পরিমাণ এতো মাত্রায় কমে যায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৭. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে: পরিবারে কি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে?  উত্তর যদি হ্যাঁ হয় বন্ধু, তাহলে যত বেশি মাত্রায় সম্ভব রান্নায় গরম মশলার ব্যবহার বাড়াতে হবে। কারণ এই মশলার মিশ্রনটি শরীরে প্রবেশ করার পর খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে।সেই সঙ্গে হার্টে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ধারে কাছে ঘেঁষারও সুয়োগ পায় না। ৮. ডায়াবেটিস ধারে কাছেও ঘেঁষতে দেয় না: রক্তে সুগারের মাত্রা কি মাঝে মধ্যেই বেশ ওঠা-নামা করে থাকে? তাহলে কিন্তু বন্ধু ভুলেও গরম মশলার সঙ্গে সম্পর্ক করবেন না! কারণ এই মশলার মিশ্রনটির মধ্যে থাকা দারচিনি, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে দরচিনির মধ্যে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধারে কাছে ঘেঁষার সুয়োগই পায় না।তাই যাদের সুগার লেভেল একবারে বর্ডারে রয়েছে, তারা হয় দারচিনি, নয়তো গরম মশলা খেতে ভুলবেন না যেন! ৯.কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমে: ট্রপিকাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক স্টাডি অনুসারে নিয়মিত গরম মশলা খাওয়া শুরু করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের ভেতরে বর্জ্যের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর এমনটা হওয়ার কারণে পটির পরিমাণ বেড়ে য়ায়।ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।তাই যাদের সকালটা একেবারেই সুন্দর যায় না, তারা রান্নার সময় গরম মশলা ব্যবহার করতে ভুলবেন না যেন! তথ্যসূত্র: স্কাইবোল্ড।  কেআই/ এসএইচ/  

সুন্দর ত্বক পেতে ৪ ফল 

শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যয়ামের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ  শরীর ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল ও শাকসবজি আমাদের শরীর ও ত্বক সুরক্ষিত রাখে। তাই আপনাদের সুবিধার্থে ৪ টি পুষ্টিকর খাবার উল্লেখ করা হলো। ১) কমলালেবু- কমলালেবু ত্বকের উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। কমলালেবুর খোসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’  থাকে। খোসায় অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকে। তাই নিয়মিত ফেস প্যাক হিসাবে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া সম্ভব।   ২) কুমড়া- কুমড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’। কুমড়ায় জিঙ্ক থাকে, যা কোষ গঠনে সাহায্য করে। কুমড়া ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব দূর করে। কোষের বিভিন্ন ছিদ্র দূর করে।  ৩) টমেটো- টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, কে, বি১, বি৩,  বি৫, বি৬, বি৭, সি। এতে মিনারেলও থাকে। টমেটোতে থাকা লাইসোপিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। উপকার পেতে টমেটোর খোসা বা রস মাখতে পারেন।     ৪) স্ট্রবেরি- আলফা- হাইড্রক্সিল অ্যাসিড সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি মৃত কোষ দূর করে নতুন কোষ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। স্ট্রবেরিতে ভিটামিন ‘সি’  থাকায় স্ট্রবেরি কলিজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। এটি ফাইনলাইন এবং বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। স্ট্রবেরিতে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।   এমএইচ/ এসএইচ/

স্তন ক্যানসার রোধে ৫ খাবার

স্তন ক্যানসারে কামাতে ভিটামিন ‘ডি’ খুবই কার্যকর। সম্প্রতি প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত হওয়া এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।  নারীদের শরীরে ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকলে তাদের স্তন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। গ্র্যাসরুটস হেলথ নন-প্রফিট পাবলিক হেলথ রিসার্চ অর্গানাইজেশনের প্রধান প্রবক্তা শ্যারন ম্যাকডোনেল জানান,  স্তন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য রক্তে উপস্থিত ভিটামিন ডি-এর পরিমাণ ২০ এনজি/ এমএল এর বেশি হওয়া প্রয়োজন। গড়ে ৬৩ বছর বয়সী তিন হাজার ৩২৫ এবং  এক হাজার ৭১৩ জন নারীকে নিয়ে পরপর দুটো ক্লিনিক্যাল গবেষণা করা হয়। গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গবেষণায় ভিটামিন ডি এর উৎস খাবার নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। তাই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ পাঁচটি খাবারের তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো। ১) মাশরুম- সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন খাদ্য তালিকায় মাশরুম রাখুন। এরপর রক্তে উপস্থিত ভিটামিন ডি এর পরিমাণের তারতম্য দেখুন। যেভাবে খুশি রান্না করে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মাশরুম খেতে পারেন। তবে বেশি পরিমাণে পুষ্টি পেতে হলে মাশরুম রোদে শুকিয়ে খেতে পারেন। এতে সূর্যের আলোর সাহায্যে  মাশরুম নিজেই তার দেহে ভিটামিন ডি উৎপাদন করতে পারে।  ২) চীজ- চীজ ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎকৃষ্ট উৎস। সকালের নাস্তায় চীজ রাখতে পারেন। এতে রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। ৩) মাছ- সব প্রকার মাছই ভিটামিন ডি এর উৎকৃষ্ট উৎস। তবে তেল যুক্ত মাছে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বেশি থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মাছ রাখতে পারেন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি স্তন ক্যানসারের ঝুকি অনেকাংশে কমে যাবে।   ৪) ডিম- ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে।  তাই এখন থেকে ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার পরিবর্তে পুরো ডিম খাওয়া শুরু করুন। এতে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি কমে যাবে। ৫) সোয়া দুধ- সোয়া দুধ একটা উদ্ভিজ্জ দুগ্ধ উপাদান। এটা সাধারণত সোয়াবিন শুকিয়ে গুঁড়ো করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয়। এতে সাধারণ গরুর দুধের সমান প্রোটিন থাকার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, সি এবং আয়রন থাকে।   তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।   এমএইচ/ এসএইচ/  

মেয়েদের ব্যাপারে ৯ ভুল ধারণা

নারী না থাকলে পুরুষ জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতো না এই পৃথিবীতে। একজন নারী হতে পারেন আপনার মা, বোন, প্রেয়সী, মেয়ে অথবা সহকর্মী। সম্পর্ক যেটাই হোক একজন পুরুষ হিসেবে নারী সম্পর্কে আপনার ভাবনায় আসতে পারে নানা ধারণা। আবার এমন কিছু পুরুষ আছেন, যারা মেয়েদের ব্যাপারে কিছু ভুল জানেন ও ভাবেন।  চলুন জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু ভুল ধারণা- ভালো করে কথা বললেই… একজন নারী যদি ভালো করে কথা বলেন, তবে পুরুষেরা ধরে নেন যে মেয়েটি তার সঙ্গে প্রেম করতে আগ্রহী। মনে রাখবেন, এর চাইতে ভুল ধারণা আর হতেই পারে না। কারণ মেয়েরা কিন্তু খুব অপছন্দের মানুষের সঙ্গেও দারুণ ভদ্র আচরণ করতে জানেন। বাড়াবাড়ি রকমের ইমোশনাল মেয়েদের বিষয়ে ভাবা হয় যে, তারা বাড়াবাড়ি রকমের ইমোশনাল। কিন্তু এটা ভুলে গেছে চলবে না যে, সবার আবেগ প্রকাশের ধরণ এক হয় না। তাই মেয়েদের আবেগ প্রকাশ নিয়ে ঠাট্টা করার কিছু নেই। আকর্ষণীয় পোশাক পরলেই… আকর্ষণীয় পোশাক পরে কোনও পুরুষের সামনে গেলেই তিনি ধরে নেন, মেয়েটি যৌন মিলনে আগ্রহী। কিন্তু এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বিয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে সব পুরুষই মনে করেন, মেয়েরা বিয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে। কিন্তু এমনটা নাও হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে কেনও মেয়ে তার নিজের কর্মক্ষেত্রে দারুণ সফল হলে বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন, মেয়েটি সৌন্দর্য দেখিয়ে বা শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু এটা একেবারে ভুল ধারণা। কারণ পুরুষেরা জানেনও না যে মেয়েরা সফলতা পেতে অনেক বেশি পরিশ্রম করে থাকে। চাকরি করলে মেয়েরা সংসারী হয় না এটি একটি বাজে ধারণা। একজন নারীর পুরুষ বন্ধু থাকলে বেশিরভাগ পুরুষ তাকে চরিত্রহীন বলে ধরে নেন। কিন্তু বাস্তবে এমনটি নাও হতে পারে। সাজগোজ বিষয়ে সাধারণত মনে করা হয়, মেয়েরা সাজলেই সেটা পুরুষদের দেখানোর জন্য। কিন্তু এটা অত্যন্ত ভুল ধারণা। কারণ মেয়েরা অনেকসময়ই নিজের জন্যই সাজেন। নিজের থেকে সফল নারীকে নিয়ে ভাবনা নিজের থেকে সফল নারীকে পুরুষেরা ‘খারাপ’ অভিহিত করেন। এটা পুরুষদের বাজে ইগো। মেয়েদের প্রথম আগ্রহ অনেক পুরুষেরা ভাবেন যে সব মেয়েরই প্রথম আগ্রহ শাড়ি, গহনা ও সাজগোজের প্রতি। এবং সব মেয়েরাই এইসব নিয়েই থাকতে ভালোবাসেন। কিন্তু এটি সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। একে//

ফল, শাক-সবজি ও মাছ ফরমালিন মুক্ত করার সহজ উপায়

ভেজালের বাজারে শাক-সবজি থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুতেই মেশানো হচ্ছে ফরমালিন। তাই আমাদের অজান্তেই শরীরে ঢুকছে এই মারাত্মক বিষ! এর ফলাফল খুবই মারাত্মক। হতে পারে নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, গ্যাসট্রাইটিস। এমনকী ক্যানসারও।   এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ফল, শাক-সবজি ও মাছ থেকে ফরমালিন মুক্ত করা যায়।    ১) রান্নার আগে কাঁচা মাছ ১ ঘণ্টা লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে ফরমালিনের পরিমাণ ৯০ শতাংশ কমে যাবে। ২) প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারণ পানি দিয়ে মাছ ধুলেও ফরমালিনের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। ২) মাছ রান্না করার আগে এক পাতিল পানিতে ৫ চামচ ভিনিগার মিশিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে মাছ পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত হয়।  ৩) অনেকে শুটকি মাছ পছন্দ করেন। কিন্তু শুটকিতে প্রচুর পরিমাণে ফরমালিন মেশানো হয়। তাই রান্নার আগে প্রথমে গরম পানিতে ১ ঘণ্টা এবং তারপর স্বাভাবিক পানিতে আরও ১ঘণ্টা শুটকি ভিজিয়ে রাখুন।    ৪) যে কোনো ফল বা সবজি খাওয়ার বা রান্না করার আগে ১০ মিনিট লবণ মেশানো গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। এমএইচ/এসি    

‘পাগলি’ নারীরাই ভালো স্ত্রী হন ছয় কারণে

বেশির ভাগ পুরুষই শান্ত স্বভাব এবং ঘরোয়া মেয়েকেই স্ত্রী হিসাবে পছন্দ করেন। তবে মনোবিদরা কিন্তু এর উল্টো কথাই বলছেন। তাদের মতে, যাদের আপাতপক্ষে দেখে খানিকটা ‘পাগলি’ বলে মনে হয় আসলে তারাই স্ত্রী হিসাবে সব থেকে ভালো হন! তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এখানে পাগলির অর্থ অবশ্যই মানসিক ভারসাম্যহীন নয়। যাদের কাণ্ডকারখানা আর পাঁচজনের চেয়ে খানিকটা আলাদা তাদেরকেই বুঝানো হচ্ছে। কিন্তু কেনও? চলুন জেনে নেওয়া যাক কারণগুলো- নির্ভেজাল মানুষ এ ধাণের নারীরা যেমন, তেমনটাই সবার সামনে থাকেন। এরা কোনও ভেক ধরেন না। আপনি একবার দেখেই বুঝবেন এর দোষ-গুণ কী কী রয়েছে। এরা নিজেদের দোষ ঢাকতে মিথ্যার আশ্রয় নেন না। সৃজনশীল সৃজনশীল মস্তিষ্কের জন্যই এরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হন। জীবনে মননে এরা খুব সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকেন। অসাধারণ প্রেমিকা বিয়ের পরে অনেকের ক্ষেত্রেই প্রেম জীবন পানসে মনে হয়। কিন্তু এদের ক্ষেত্রে কথাটি একেবারে খাটে না। আদর্শ প্রেমিকা বলতে যা বোঝায় এরা তাই। ন্যাকামি পছন্দ নয় এরা মহিলা হিসাবে কখনও আলাদা সুবিধা দাবি করেন না। যেখানে যেমন, সেখানে তেমন ভাবেই থাকতে পছন্দ করেন তারা। তাই ঘুরতে বেরুলে তাদের নিয়ে সমস্যায় পড়বেন না। হারতে জানেন না : অনেকেই যে পরিস্থিতিতে হাঁপিয়ে উঠবেন বা নিয়তির ওপর নিজেকে সঁপে দেবেন, এরা সে পরিস্থিতিতে লড়াই চালিয়ে যাবেন। আপনাকে আগলাবেন তাদের সামনে যদি প্রিয়জনকে কেউ অপমান করেন, তবে আর রক্ষে নেই। একে//

সঙ্গীর খারাপ সময়ে আপনার করণীয় ৫

সম্পর্ক দুজনের মাধ্যমে তৈরি হয়। আর যদি কেউ একজন সমস্যায় থাকেন তাহলে তার প্রভাব দুজনের ওপরেই সমানভাবে পড়ে। অনেক সময় হয়তো সঙ্গী প্রকাশ করেন না নিজের বিষণ্ণতার কথা। কিন্তু তারপরও মুখের ভাব এবং ব্যবহারেই অনেক কিছু বোঝা যায়। তাই সঙ্গীর বিপদে কীভাবে সাপোর্ট করবেন তা জানা থাকাও অত্যন্ত জরুরি। না বুঝেই কোনো কথা বলবেন না সঙ্গীর খারাপ সময়ে না বুঝেই হুট করে কোনো কথা বলা একেবারেই উচিত না। যদি সঙ্গীর বিপদের সময় নাও বুঝতে পারেন তারপরও একটু চুপ থেকে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন আসলেই সমস্যা কোথায়। ধৈর্য ধরুন খারাপ সময়ে সঙ্গীর মানসিকতা সঠিক থাকে না। তাই তিনি যদি আপনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহারও করেন তবুও আপনি সহ্য করে যান। মানসিক শক্তি যোগান যদি দেখেন সঙ্গী একেবারেই ভেঙে পড়েছেন তাহলে যতোটা সম্ভব সঙ্গীর মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করুন। বিপদের সময় সঙ্গীর মুখের ‘আমি তোমার সঙ্গে আছি’, ‘ভরসা রাখো, সব ঠিক হয়ে যাবে’ এই ধরণের সান্ত্বনার কথা মনে সাহস যোগায়। সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নেওয়ার চেষ্টা করুন বিপদের সময় সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নিয়ে তাকে একটু আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার আস্থা বাড়বে। সঙ্গীর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করুন বিপদের সময় সবচাইতে বেশি জরুরি একজন মানুষের পাশে থাকা। যেন নিজেকে একলা না ভাবেন সঙ্গী। একে//

প্রথম ডেটিংয়ে পুরুষের ৬ বিষয়ে নজর রাখেন নারীরা

সাধারণত প্রথম ডেটিংয়ে সবাই অনেক কিছু দেখে ও বুঝে নিতে চান। কারণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে এগুলো খুব জরুরি। পুরুষেরা যেমন খুব বিচক্ষণ এই ব্যপারে, নারীরাও কিন্তু কম নয়। তারাও প্রথম দিনেই দেখে ও বুঝে নেন অনেক কিছু। আর প্রথম ডেটিংয়ের উপরেই ভিত্তি করে সম্পর্ক এগিয়ে যায়। চলুন জেনে নিই নারীরা প্রথম ডেটিংয়ে যে বিষয়গুলো খেয়াল করে- পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা প্রথম ডেটিংয়ে পুরুষের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকেই সবচেয়ে বেশি খেয়াল করেন নারীরা। হবু প্রেমিকের হেয়ার স্টাইল কেমন, তার জামা কাপড় কতটা পরিচ্ছন্ন, হাতে নখ বড় কি-না, ঠিকভাবে শেভ করা কি-না ইত্যাদি। কারণ এই পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারগুলো নারীদের খুব আকর্ষণ করে থাকে। নারীদের প্রতি সহানুভূতি বেশির ভাগ নারীই কথায় কথায় ঠিকই বুঝে নেন, হবু প্রেমিকের নারীদের প্রতি সহানুভূতি কতটা গভীর। কথার ছলে হবু প্রেমিকের মা, বোন, ভাবী সম্পর্কেও জেনে নেন নারীরা। এই মানুষগুলোর প্রতি যদি পুরুষের খুব সহানুভূতি থাকে তার মানে একজন স্ত্রী কিংবা প্রেমিকার প্রতিও সেই পুরুষের সহানুভূতি থাকবে। ব্র্যান্ড পুরুষের ব্র্যান্ডের জামা কাপড়, জুতো, ঘড়ি, ইত্যাদি পুরুষালি জিনিসপত্রগুলো নারীদের চোখের আড়াল করা যায় না। কোনো না কোনোভাবে প্রথম ডেটিংয়ে নারীরা পুরুষের এই দিকগুলো খেয়াল করেন। কারণ এর মাধ্যমে পুরুষের রুচি বোঝা যায়। কথা বলার ধরণ যে কোনও নারীই তার সঙ্গীর কণ্ঠস্বর খুব ভালোবেসে থাকেন। তাছাড়া পুরুষের পুরুষালি কণ্ঠে প্রকাশ পায় ব্যক্তিত্ব। তাই প্রথম ডেটিংয়ে নারীরা খুব আগ্রহী হয়ে থাকেন হবু সঙ্গীর কণ্ঠস্বর নিয়ে। পুরুষের অঙ্গভঙ্গি নারীরা এই বিষয়টিতে খুব সচেতন। কারণ একজন পুরুষের শারীরিক অঙ্গভঙ্গিতে তার পুরো ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। তাই পুরুষ কীভাবে হাঁটেন, কীভাবে বসেন, খাওয়ার ধরন কথা বলার স্টাইল সবকিছুই নারীরা খেয়াল করে থাকেন প্রথম ডেটিংয়ে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রতিটি পুরুষেরই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে তার নিজ জীবন নিয়ে। এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরুষের সুপরিকল্পনা নারীকে খুব আকর্ষণ করে থাকে। কারণ পুরুষের সুপরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে নারীরও ভবিষ্যৎ। তাই এই ব্যপারটিতে নারীরা খুব খেয়াল করে থাকেন। একে//

ডেটিংয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ৭ উপায়

লবন ছাড়া তরকারি যেমন স্বাদহীন, প্রণয়ের ক্ষেত্রে ডেটিংয়ের সম্পর্কও তেমন। সম্পর্ককে ভায়ব্রেন্ট ও হেলদি রাখতে দু’জনের সাক্ষাত ও একান্তে সময় কাটানোর চেয়ে মজার আর কি হতে পারে।  তবে ডেটিংয়ের খারাপ অভিজ্ঞতা অনেকের আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেটিংয়ে আত্মবিশ্বাসটা খুবই জরুরি। তরুণ বয়সের ‘ডেটিং’য়ের খারাপ অভিজ্ঞতা পরে মানসিক শান্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। মনের মতো সঙ্গী না পাওয়াও আপনার আত্মবিশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।সম্পর্কবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ‘ডেটিং’য়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কয়েকটি উপায় এখানে দেওয়া হল।নিজের মতো থাকুন: বাড়তি সাজ নিতে যাবেন না। এই মেকি সাজের কারণে আপনার ভেতরে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করতে পারে। বাড়তি সময় ও টাকা এর পেছনে খরচ করার পর যদি ফল আশানুরূপ না হয় তাহলে আর করার কিছুই থাকবে না। তাই নিজে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ও আত্মবিশ্ব্বাসী থাকেন এমন পোশাকই পরিধান করুন।আনন্দ: প্রথম অবস্থায় ডেটিং হালকাভাবে নিন। এতো সিরিয়াস হওয়ার কিছু নিন। মনে মনে ভাবুন ডেটিং প্রেমালাপের মতোই একটি গতানুগতিক বিষয়। আর যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই পাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান তাহলে ‘ক্যাজুয়াল ডেটিং’বা মাঝে মধ্যে সময় ঠিক করে বেড়াতে যাওয়া আপনার জন্য নয়। মাঝে মধ্যে দেখা করলে সঙ্গীকে যেমন দেখছেন সে যে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এমনই থাকবে- এমন কোনো কথা নেই। তাই নতুন কারও সঙ্গে দেখা করতে গেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন ও আনন্দ করুন।তৈরি হওয়া: মানুষের জন্য বাহ্যিক সৌন্দর্য রক্ষায় মনোযোগ দেওয়ার চেয়ে নিজের ব্যাক্তিত্ব ও জ্ঞানের দিকে মনোযোগ দিন। তথ্য জ্ঞান মানুষকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই তথ্যের দিকে মনোযোগী হোন। আধিপত্য বিস্তার: সঙ্গীর কোন বিষয়টা ভালো লাগে আর কোনটা লাগে না এদিকে মনোযোগ দিন। সে যদি আপনাকে মুগ্ধ করার চেষ্টা না করে তাহলে নিজের অসাধ্য সাধন করে তা স্বার্থকের চেষ্টা করার কোনো মানে নেই। আপনার ‘ডেইট’ কেমন কেটেছে তা নির্ভর করে আপনি কেমন অনুভব করেছেন তার উপর।কোনো বাঁধা-ধরা নিয়ম নেই: অনেকে হয়ত আপনাকে বোঝাতে চাইবে, ডেটিংয়ের একটা আলাদা ধরন আছে, তার সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারলে আপনি ছিটকে পড়বেন। বিষয়টা মোটেও তেমন নয়। প্রতিটা ডেটিংই আলাদা। সুতরাং আপনি নিজের মতো করে তা সাজাতে পারেন।প্রাণবন্ত : ডেটে যতটা সম্ভব খোলামেলা মনের থাকার চেষ্টা করবেন। প্রাণ খুলে হাসবেন, সঙ্গীকে হাসাবেন। নিজের মনের কথাগুলো নির্দ্বিধায় বলতে থাকবেন। দেখবেন এমনিতেই আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। চোখাচুখি : ডেটিংয়ে সঙ্গীর চোখে চোখ রাখুন। একে অপরের দিকে গভীর করে তাকান। ভাব বিনিময় করুণ। আর স্বপ্নের ভেলায় ভাসুন। দেখবেন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি