ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ৮:১৩:৫৪

কাল শিল্পী মর্তুজা বশিরের জন্মদিন   

কাল শিল্পী মর্তুজা বশিরের জন্মদিন  

  কাল ১৭ আগস্ট শিল্পী মর্তুজা বশিরের ৮৭তম জন্মদিন। বাবা ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ আর মা মরগুবা খাতুনের ৯ ছেলে-মেয়ের মধ্যে সবার ছোট মুর্তজা বশির ১৯৩২ সালেরে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই মেয়ে এবং এক ছেলের পিতা। ছোট মেয়ে এবং ছেলে ব্যাংকার। বড় মেয়ে কাছাকাছি থাকেন তাদের। মর্তুজা বশির ও তার স্ত্রী এখন ঢাকায় কাটান। তিনি জানান, ছেলেমেয়েরা কেউ আঁকাআঁকি করে না। ছোট মেয়েটা চেয়েছিল। আমি উৎসাহ দিইনি। চিত্রশিল্পীর জীবন বড় কষ্টের। আমি চাইনি আমার ছেলেমেয়েরা এই কষ্ট করুক। মুর্তজা বশির আরও বলেন,  ছোটবেলায় আমি আসলে ভাবিনি আর্টিস্ট হব। কমিউনিস্ট পার্টি চেয়েছিল বলে আর্ট কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। আমার বাবাও বলেছিলেন, প্যারিসে আমি দেখেছি আর্টিস্টের জীবন খুব কষ্টের। আমি চাই না আমার ছেলে সেই কষ্টের ভেতর দিয়ে যাক। পরে অবশ্য রাজি হন তিনি। বাবার টাকায় ইতালিতে পড়তে যাই। ১৯৫৬ সাল থেকে ৫৮ সাল পর্যন্ত ইতালির ফ্লোরেন্সে ছিলাম। আমার বাবা অবশ্য চেয়েছিলেন আমি ইউরোপ যাই। তিনি আরও বলেন, ছবি আঁকা অনেকটা সন্তান প্রসবের মতো। পূর্ণ সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার জন্য নয় মাস দশ দিন ধরে বহন করতে হয়। তার আগে হলে অসম্পূর্ণ হয়। তবে একটা জিনিস আছে, ধরো আমি ঠিক করেছি কোন কোন রং দিয়ে আঁকব। নীল কমলা। কিন্তু আঁকতে গিয়ে দেখলাম পেলেটে অন্য রং আছে। লাল সবুজ। তখন আমি ওই রং ফেলে দেই না। ওই রং দিয়েই আঁকি। রং ফেলে দিতে মায়া লাগে। যে রং দিয়ে যেভাবে আঁকব ভেবেছিলাম। আঁকতে গিয়ে সেটা বদলে ফেলতে হয়। হয়তো ভেবে রাখা ছবিটিই আঁকছি, তবে ভেবে রাখা রঙে নয়। এর কারণ হলো, আমাদের দেশে রং পাওয়া যায় না। আরেকটা ব্যাপারও আছে। কোনো ধরাবাঁধা রঙে আটকে থাকতে চাই না। আর্টিস্টের যদি কোনো রঙের প্রতি দুর্বলতা থাকে তাহলে শিল্প সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।   এসএইচ/
আজ ড. মুহাম্মদ হোসেনের ৭৯তম জন্মদিন

আজ বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সফল উপাচার্য সীতাকুণ্ডের কৃতীসন্তান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হোসেনের ৭৯তম জন্মদিন। স্বাভাবিক মৃত্যু হলে হয়তো আজ জীবদ্দশায় তাঁর জন্মদিন পালিত হতো। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস দেড়দশক আগেই অপমৃত্যুর শিকার হয়ে জ্ঞানতাপস এ শিক্ষানুরাগী অকালে আমাদের কাছ থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন। ক্ষণজন্মা ও যশস্বী এ সুধিজনের জন্মতিথিতে আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ ও পরমাত্মার প্রশান্তি প্রত্যাশা করছি। ড. মুহাম্মদ হোসেন ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মৌলভী এমদাদুল হক আর মা হাজেরা খাতুন। তিনি ছিলেন মা-বাবার দ্বিতীয় সন্তান। স্কুলজীবনে বায়ান্নোর ভাষাআন্দোলনে শরিক হয়ে দেশপ্রেমের দীক্ষা নিয়েছিলেন। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৫৬ সালের আই.এসসি পরীক্ষার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি স্কলারশিপ পান। ১৯৫৮ ও ৬০ সালে ফ্যাকাল্টি স্কলারশিপ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বি.এসসি ও প্রাণ-রসায়নে এম.এসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬১ সালে টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট কর্তৃক সেরা প্রবাসী ছাত্রনেতৃত্বের জন্যে পুরস্কারে ভূষিত হন। ড. মুহাম্মদ হোসেন ১৯৬২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার তিনমাস পরে প্রাণ-রসায়নের প্রথম শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-রসায়ন বিভাগ ছিল তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ বিভাগের উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-রসায়ন বিভাগের জনক হিসেবে পরিচয় দিতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।১৯৬৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি একই বিভাগে সহকারি অধ্যাপক, ১৯৭০ সালের ২৭জুন সহযোগী অধ্যাপক এবং ১৯৭৭ সালের ২১মে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বরে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের আগে তিনি বিভিন্নসময়ে প্রাণ-রসায়ন বিভাগের প্রধান, কৃষিঅনুষদের ডীন, শহীদ শামসুল হক হলে প্রভোস্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ হোসেনের মধ্যে সাংগঠনিক নেতৃত্বদানের সহজাত প্রতিভা ছিল।তিনি দু’বার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি’র সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সড়কদুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুর কারণে তাঁর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। অধ্যাপক হোসেনের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শিক্ষক হিসেবে তিনি বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে, একজন সফল শিক্ষাপ্রশাসক হিসেবে, সর্বোপরি একজন সৎ, ধার্মিক ও সাহসী মানুষ হিসেবে তিনি আমাদের সামনে যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন-তা আমাদের সকলের চলার পথের পাথেয় হয়ে থাকবে। ২০০০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সড়কপথে বাড়িফেরার সময় গাড়িদুর্ঘটনায় আলোকিত এ গুণিমানুষের জীবনপ্রদীপ নিভে যায়। তাঁর এ অকাল প্রয়াণে বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয় হারায় একজন প্রতিভাবান অত্যন্ত যোগ্যতম উপাচার্যকে,সীতাকুণ্ডবাসী হারায় তাদের সূর্যসন্তানকে আর তাঁর পরিবার হারায় যোগ্য এক অভিভাবককে। মৃত্যুকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ হোসেন তাঁর স্ত্রী, একপুত্র, দু’কন্যা, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন,ছাত্রছাত্রী, গুণগ্রাহী,বন্ধু ও সহকর্মী রেখে গেছেন। তাঁর ছেলেমেয়েরা দেশ-বিদেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে কর্মস্থলে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর বড়মেয়ে নাহিদ হোসাইন নবেলী আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপাল, ছেলে ক্যাপ্টেন তানভীর মুহাম্মদ নাফিউল হোসেন সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের চীফ অপারেটিং অফিসার/Chief Operating Officer(COO) ও ছোটমেয়ে নাফিসা হোসাইন মোনালী সেভরণ গ্যাস কোম্পানির জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। ড. হোসেন এর সহধর্মিণী জোহরা হোসেন পারিবারিকভাবে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুহাম্মদ হোসেন একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। লেখক- প্রধান-সম্পাদক, সাপ্তাহিক চাটগাঁর বাণী / এআর /     Top of Form  

চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্মদিন আজ

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এবং অসংখ্য দুর্লভ চিত্রকর্মের অমর কারিগর এসএম সুলতানের ৯৫তম জন্মদিন আজ। মানবপ্রেমিক এ মহান শিল্পী ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) মাছিমদিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শেখ মোহাম্মদ মেছের আলী। তিনি পেশায় ছিলেন রাজমিস্ত্রি। মায়ের নাম মাজু বিবি। সুলতানকে পরিবারের সবাই লাল মিয়া বলে ডাকতেন। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে রাজমিস্ত্রির কাজে সহযোগিতা করার পাশাপাশি ছবি আঁকার প্রতি প্রবল ঝোঁক ছিল তার। তিনি কিংবদন্তি ও চারুকলার ইতিহাসে সত্যিই এক সুলতান। তার ছবির প্রধান বিষয় হল গ্রামবাংলার খেটে খাওয়া মানুষ, কিষান-কিষানি, জেলে, মাঠঘাট, কর্মচঞ্চল পথ-প্রান্তরসহ গ্রামীণ জনপদের অসংখ্য চিত্র শিল্পীর রংতুলিতে উঠে এসেছে সুনিপুণভাবে। আবহমান বাংলার সেই ইতিহাস-ঐতিহ্য, বিপ্লব-সংগ্রাম এবং বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকার ইতিহাস তার শিল্পকর্মকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে। এই অর্থে তিনি প্রকৃত বাঙালি শিল্পী। ১৯৮২ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন এসএম সুলতান। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার জন্মস্থান নড়াইলের মাছিমদিয়ায় তাকে শায়িত করা হয়।আজ শিল্পীর জন্মদিন পালন উপলক্ষে এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সুলতান সংগ্রহশালা চত্বরে সকাল ৬টায় কোরআনখানি, ৭টায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ৮টায় শিল্পীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা, সোয়া ৮টায় শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।এসএ/    

কবি মহাদেব সাহার ৭৫তম জন্মদিন আজ

আজ ৫ আগস্ট কবি মহাদেব সাহার ৭৫তম জন্মদিন। তিনি ১৯৪৪ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জের ধানঘড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবি মহাদেব সাহা ১৯৭২ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘এই গৃহ এই সন্ন্যাস’ মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। বাংলা কবিতায় অবদান স্বরূপ একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কারসহ নানান পুরস্কারে সন্মানিত হয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি কানাডার আলবাট্রায় স্ত্রী নীলা সাহাসহ বড়ছেলে তীর্থের সঙ্গে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন এবং এ মাসেই ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।মহাদেব সাহা জানান, তার জন্মদিন উপলক্ষে ক্যালগেরির ‘কবিতালোক’ স্থানীয় বাংলাদেশ সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। এছাড়াও কবির গ্রামের বাড়ি ধানঘড়ায় গতবারের মতো দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠান উদযাপন করবে। উল্লেখ্য, মহাদেব সাহার দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং সর্বশেষ দৈনিক ইত্তেফাক থেকে অবসর গ্রহণ করেন।এসএ/

আজ কবি সিকান্দার আবু জাফরের ৪৩তম প্রয়াণ দিবস

কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবু জাফরের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে কবির কবর জিয়ারতসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সিকান্দার আবু জাফর একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, নাট্যকার, ছড়াকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গীতিকার, সম্পাদক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠকসহ নানাবিধ প্রতিভায় বিকশিত ছিলেন। ৭ মার্চ ১৯৭১-এ প্রকাশিত তাঁর ‘বাংলা ছাড়ো’ কবিতা এবং পরবর্তীকালে ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানসহ একাধিক কবিতা ও গান ব্যাপক আলোচিত হয়। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ‘সমকাল’র প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে পূর্ববঙ্গের সাহিত্য আন্দোলনে নতুন গতির সঞ্চার করেছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ : উপন্যাস : পূরবী, নতুন সকাল; ছোটগল্প মাটি আর অশ্রু; কবিতা : প্রসন্ন শহর, তিমিরান্তিক, বৈরী বৃষ্টিতে, বৃশ্চিক লগ্ন, বাংলা ছাড়ো; নাটক : সিরাজ-উদ-দৌলা, মহাকবি আলাউল; সঙ্গীত : মালব কৌশিক। এসএ/  

কমরেড নিবেদিতা নাগের জন্মশতবার্ষিকী আজ

অবিভক্ত বাংলার বিশিষ্ট নেত্রী কমরেড নিবেদিতা নাগের জন্মশতবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯১৮ সালের ৪ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়ায় মাতামহ আনন্দ রায়ের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে নারীমুক্তি, শিক্ষা প্রসার ও শ্রমিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধেও রয়েছে তার অসামান্য অবদান। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে ‘স্বাধীনতা-মৈত্রী’ পদক প্রদান করে।নিবেদিতা নাগের স্বামী ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কমরেড নেপাল নাগ। নিবেদিতা নাগের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা ও কলকাতায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।২০১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় নিবেদিতা নাগ ছিলেন কলকাতায়। সেখানে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে তিনি যুদ্ধরত কমরেডদের এবং নির্যাতনের শিকার দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান। ভাষা আন্দোলনে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। এ জন্য ২০০০ সালে বাংলাদেশে তাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। নিবেদিতা নাগ নারায়ণগঞ্জের একটি স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৪১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে এমএ পাস করেন। কমিউনিস্ট পার্টির নারী সংগঠনে কাজ করতে গিয়ে তিনি সহযোদ্ধা হিসেবে পেয়েছেন আশালতা সেন, লীলা রায় ও সুফিয়া কামালের মতো বরেণ্য নেত্রীদের। এসএ/

বজলুর রহমানের ৭৮তম জন্মদিন আজ

প্রয়াত সাংবাদিক ও দৈনিক সংবাদ-এর সম্পাদক বজলুর রহমানের ৭৮তম জন্মদিন আজ। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার চরনিয়ামতপুর গ্রামে ১৯৪১ সালের ৩ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বজলুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সংবাদ পরিবার ও বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সাংবাদিকতা পেশার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময় কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন বজলুর রহমান।১৯৬২-এর ছাত্র আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৮, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাসস, প্রেস ইনস্টিটিউট, প্রেস কাউন্সিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৬১ সালে সহকারী সম্পাদক হিসেবে বজলুর রহমান সংবাদে যোগ দেন। এরপর তিনি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আমৃত্যু তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। এ ছাড়া তিনি সাপ্তাহিক একতার সম্পাদক ছিলেন। কিছুদিন কাজ করেছেন দৈনিক ইত্তেফাকেও। এসএ/    

আজ মান্নান সৈয়দের ৭৬তম জন্মদিন

কবি, কথাশিল্পী, গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দের ৭৬তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৩ সালের এই দিনে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘সত্যের মতো বদমাশ’ এবং প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ ‘শুদ্ধতম কবি’ সমকালীন সাহিত্য সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। আবদুল মান্নান সৈয়দ মূলত কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পরে কবি জীবনানন্দ দাশ ও নজরুল গবেষক হিসেবে উভয় বাংলায় অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক।সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পান বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, নজরুল পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ), নজরুল পদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব সম্মাননা, কবি তালিম হোসেন পুরস্কার ও লেখিকা সংঘ পুরস্কার। কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন সরকারি কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক, নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কলার ইন রেসিডেন্স’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় তিনি ‘শিল্পকলা’, ‘চারিত্র’, ‘জীবনানন্দ’, ‘এখন’ নামে সাহিত্যপত্র সম্পাদনা করেছেন। মৃত্যুর পরও শিল্প-সাহিত্যের নানা বিষয়ে তার গ্রন্থ প্রকাশিত হচ্ছে। ২০১০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ৬৭ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। এসএ/

নির্মল সেনের জন্মদিন আজ

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলাম লেখক ও রাজনীতিবিদ নির্মল সেনের ৮৯তম জন্মদিন আজ। ১৯৩০ সালের ৩ আগস্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। চিরকুমার নির্মল সেন ছিলেন বামপন্থি শ্রমিক-কৃষক সমাজবাদী দলের নেতা। সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার আজীবন স্বপ্ন ছিল তার। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ’৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন নির্মল সেন।দেশ বিভাগের সময় মা-বাবা এবং ভাইবোনসহ পরিবারের সব সদস্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে কলকাতা চলে গেলেও মাতৃভূমির প্রতি টানে নির্মল সেন এ দেশে থেকে যান। ঝালকাঠি কলসকাঠি বিএম একাডেমি থেকে ১৯৪৪ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। বরিশাল বিএম কলেজ থেকে আইএ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ও এমএ পাস করেন। ১৯৪২ সালে নবম শ্রেণির ছাত্র থাকা অবস্থায় ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে যোগ দিয়ে রাজনীতি শুরু করেন। রাজনৈতিক কারণে ১৬ বার কারাবাস করতে হয়ছে তাকে। ১৯৫৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের সহ-সম্পাদক হিসেবে সাংবাদিকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবনের শুরু। এরপর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেন তিনি। এসএ/

বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২ আগস্ট। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী জামে মসজিদে পবিত্র কোরানখানি ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন হয়েছে। তার সন্তানগণ (কায়সার, খালেদ ও শীরিন) সকলকে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করতে অনুরোধ করেছেন। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী জাতীয় স্মৃতি সংসদ এ উপলক্ষে শীঘ্রই স্মরণসভার আয়োজন করবে। আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ এর ১৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর গুলিবর্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন ছাত্র নিহত হওয়ার প্রদিবাদে উপাচার্যের পদ হতে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে মুক্তি সংগ্রামের স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্তর অফ ল এবং বিশ্বভারতী দেশিকোত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।এসএ/

চলে গেলেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরী

চলে গেলেন বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি রমাপদ চৌধুরি। রেখে গেলেন অসামান্য সব বাংলা ছোটগল্প ও উপন্যাস। প্রয়াণকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রোববার সন্ধ্যায় হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই সাহিত্যিক। ১৯২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেদিনীপুরের খড়গপুরে জন্ম হয় তার। সেখানেই স্কুল শিক্ষার পাঠ সম্পূর্ণ করেন তিনি। এর পর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষার পাঠ নেওয়া শুরু করেন তিনি। প্রেসিডেন্সি থেকেই ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতোকত্তর পাস করেন। তরুণ বয়স থেকেই লেখালেখি শুরু হয় তার। তার প্রথম গল্প ‘উদয়াস্ত’। সেই থেকে শুরু তার সাহিত্যযুগের। কর্মজীবন শুরু আনন্দবাজার পত্রিকায়। সম্পাদনার পাশাপাশি চলতে থাকে সাহিত্য সৃষ্টির কাজও। উপন্যাস থেকে ছোট গল্প, প্রবন্ধ, অনুবাদ সাহিত্য—সবেতেই ছিল রমাপদ চৌধুরীর অবাধ বিচরণ। তার বহু বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘বনপলাশীর পদাবলী’, ‘এখনই’, ‘খারিজ’, ‘লালবাঈ’, ‘দ্বীপের নাম টিয়ারং’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে ১৯৬০ সালে তার লেখা ‘বনপলাশীর পদাবলী’ ব্যপক প্রশংসিত হয় বাংলার সাহিত্যিক ও পাঠক মহলে। তার বহু উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়নও হয়েছে যেগুলি চলচ্চিত্র হিসেবেও দারুন সাফল্য পায়। যেমন, দ্বীপের নাম টিয়ারং (১৯৬৩),পিকনিক (১৯৭২),বনপলাশীর পদাবলী (১৯৭৩), খারিজ (১৯৮২), এক দিন অচানক (১৯৮৯) ইত্যাদি বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৮২ সালে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনি অবলম্বনে লিখেছিলেন `অভিমূন্য`। পরবর্তী কালে চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিনহা এই কাহিনি অবলম্বনে হিন্দিতে তৈরি করেন বিখ্যাত ছবি `এক ডক্টর কি মত`। ‘বাড়ি বদলে যায়’ উপন্যাসের জন্য ১৯৮৮ সালে রমাপদ চৌধুরীকে সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। এ ছাড়াও একাধিক সাহিত্য সম্মান ছিল তার ঝুলিতে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৯৬৩ সালে পাওয়া আনন্দ পুরস্কার, ১৯৭১ সালে পাওয়া রবীন্দ্র পুরস্কার এবং ২০১১ সালের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ। ২০১৫ সালে রমাপদ চৌধুরীর শেষ লেখা প্রকাশিত হয়। নাম `হারানো কথা`। এর পর রীতিমতো ঘোষণা করেই লেখা থামিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। রমাপদ চৌধুরীর প্রয়াণে বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল যুগের অবসান হল, তা বলা যেতেই পারে। তার কলম শুধু বাংলা সাহিত্যকেই সমৃদ্ধ করেনি, তার কাহিনী বাংলা চলচ্চিত্রকেও এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। রমাপদ চৌধুরীর প্রয়াণে বাংলা সাহিত্যের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। আরকে//

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২৭তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

সংস্কৃতের পণ্ডিত, সমাজ সংস্কারক, লেখক, শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২৭তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ। ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই ইহলোক ত্যাগ করেন তিনি।ঈশ্বরচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পান্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই লাভ করেন বিদ্যাসাগর উপাধি। বাংলা ও ইংরেজিতেও বিশেষ দখল ছিল তার।তিনিই প্রথম বাংলালিপি সংস্কারক। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকারও তিনি।জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য ‘বর্ণপরিচয়’সহ একাধিক পাঠ্যপুস্তক ও সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেছেন বিদ্যাসাগর। ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ ইত্যাদি তার স্মরণীয় রচনা। বিদ্যাসাগর ছিলেন আধুনিক মনোভাবাপন্ন। এ জন্য তিনি তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে বিধবা বিবাহ চালু, বহুবিবাহ ও বাল্যবিয়ে নিষিদ্ধ এবং নারী শিক্ষা বিস্তারে আন্দোলন শুরু করেন।এসএ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি