ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮ ১০:২৮:৫৭

ভুল চিকিৎসায় বছরে আক্রান্ত হচ্ছেন দুই হাজার নারী

আজ আন্তর্জাতিক ফিস্টুলা দিবস

ভুল চিকিৎসায় বছরে আক্রান্ত হচ্ছেন দুই হাজার নারী

সন্তান জন্মদান সময় অনেক ক্ষেত্রে মায়ের জীবন বাঁচাতে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। কিন্ত আমাদের দেশে নারী প্ররোচিত হয়ে অদক্ষ ও অযোগ্যদের হাতে জারায়ুর অপরেশন করানো হয়। আর অপারেশনের আঘাতজড়িত বা ভুল অস্ত্রোপচারের কারণে দিনে দিনে বাড়ছে ফিস্টুলার আক্রান্তে হার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জরিপে বলছে, শুধুমাত্র অসর্তক এবং অক্ষদতার কারণে বছরে প্রায় দুই নারী ফিস্টুলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে ফিস্টুলার চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ১০ থেকে ৫০ ভাগই সার্জিক্যাল আঘাতজনিত। গড়ে প্রতিবছর অন্তত দুই হাজার নারী ফিস্টুলায় নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। সে হিসাবে দিনে ৫ জনের বেশি নারী ফিস্টুলায় আক্রান্ত হন। এ প্রসঙ্গে এনজেন্ডার হেলথ বাংলাদেশের ফিস্টুলা কেয়ার প্লাস প্রকল্পের দেশীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. এসকে নাজমুল হুদা   বলেন, দেশের আনাচে-কানাচে ভুয়া ক্লিনিক রয়েছে, যেখানে প্রকৃত চিকিৎসকের পরিবর্তে হাতুড়ে ডাক্তার ও অদক্ষ ধাত্রীরা চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। যাদের সিজারিয়ান বা জরায়ু অপারেশন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। কিন্তু এসব অদক্ষ-অপ্রশিক্ষিত লোকদের হাতে অপারেশন করাতে গিয়ে অনেক নারী ফিস্টুলায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে দেশে অপারেশনজনিত ফিস্টুলার হার বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপমতে, বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ নারী এতে আক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এর মাত্রা বেশি। সর্বশেষ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রসবজনিত ফিস্টুলা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭১ হাজার। বাংলাদেশে প্রতিবছর অন্তত দুই হাজার নারী ফিস্টুলায় নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতি হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে ১ দশমিক ৭ জন ফিস্টুলায় আক্রান্ত। ২০১৪ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, ফিস্টুলায় আক্রান্তদের ৭৬ শতাংশই প্রসবজনিত এবং ২৪ শতাংশ সার্জিক্যাল বা আঘাতজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্ত। দেশে প্রতি এক হাজার বিবাহিত নারীর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৬৯ জনই প্রসবকালীন ফিস্টুলায় আক্রান্ত। প্রসবকালীন ফিস্টুলায় নারীদের যোনিপথ, মূত্রনালি ও পায়ুপথের মধ্যে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে করে প্রসবের রাস্তা দিয়ে সবসময় প্রস্রাব বা পায়খানা বা উভয়ই ঝরতে থাকে। ফিস্টুলা কেয়ার প্লাস প্রকল্প এনজেন্ডার হেলথ বাংলাদেশের তথ্য মতে, দেশে প্রতি বছর গড়ে ৯শ’ থেকে ১১শ’ ফিস্টুলায় আক্রান্ত রোগীর সফল অপারেশন করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে ২০ জন অভিজ্ঞ ও দক্ষ ফিস্টুলা সার্জন রয়েছেন। তবে ফিস্টুলা চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন ফিস্টুলা সার্জনকে বছর অন্তত ১২০টি সার্জারি করতে হবে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি ১৭টি হাসপাতাল ও সেবা কেন্দ্রে বিনামূল্যে প্রসবজনিত ফিস্টুলায় আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে এ চিকিৎসাসেবা খুবই অপ্রতুল। এছাড়া রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স সংকট।  টিআর/ এআর
লোহাগড়া ইতনা গণহত্যা দিবস আজ

জেলার লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গণহত্যা দিবস আজ বুধবার, ২৩ মে। ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতাকামী ও নিরীহ মানুষের উপর বর্বর পাক হানাদার বাহিনী যে অত্যচার, খুন, ধর্ষন ও গনহত্যা চালিয়েছিল সেই দুসঃহ স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামবাসী।জানাগেছে, মুক্তিযুদ্ধে লোহাগড়া উপজেলার মধুমতি নদী তীরবর্তী ইতনা গ্রামের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। যুদ্ধকালীন সময়ে ইতনা হাইস্কুল মাঠে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং এখান থেকেই শত্রু পক্ষের উপর আক্রমণের নানা কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতো। এ গ্রামের উল্টোদিকে মধুমতির ওপারে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চরভাটপাড়া গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের বৃহৎ ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। পাকবাহিনী বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ২২মে দুপুরে চরভাটপাড়া গ্রামে ঢুকে নিরীহ লোকজনের ওপর হামলা-নির্যাতন শুরু করে। এ সময় মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং হানাদার বাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। প্রায় দু’ঘন্টা ব্যাপী যুদ্ধে চার পাকসেনা আহত হয়। পাকসেনারা পিছু হটার সময় চরভাটপাড়া গ্রামের কৃষক অনিল কাপালীকে গুলি করতে গেলে গুলি শেষ হয়ে যায়। এসময় কৃষক অনিল কাপালী এক পাক সেনার কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে মধুমতি নদীতে ফেলে দিয়ে সাঁতার কেটে ইতনা গ্রামে আশ্রয় নেন। ক্ষিপ্ত পাক সেনারা ২৩ মে ভোরে ইতনা গ্রামে এসে ৫টি ভাগে বিভক্ত হয়ে একের পর এক বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে নিরীহ গ্রামবাসীর উপর। এদিকে নারী-পুরুষসহ ৩৯ জনকে হত্যা করে পাক বাহিনী। ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় নিরীহ মানুষ। সেদিন নিহতদের লাশ দাফনের জন্য লোক খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিহতদের স্বজনরা লাশগুলো গোসল না করিয়ে কোনরকম মাটি চাপা দিয়ে রাখে। সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি নিহতের স্বজনরা। লোমহর্ষক সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে আতকে ওঠেন স্বজনরা।এদিকে দিবসটি পালন উপলক্ষে স্থানীয়দের উদ্যোগে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। সূত্র : বাসস এসএ/  

বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস আজ

আজ ১৭ মে ‘বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস’। প্রতিবারের ন্যায় এবারও সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রধান প্রধান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোয় দিবসটিকে ঘিরে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দিন দিন উচ্চ রক্তচাপ মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তবে আক্রান্তদের অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারে না। প্রায়ই উচ্চ রক্তচাপ একটি স্থায়ী রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়, অর্থাত্ এ রোগ ভালো হয় না। এর জন্য চিকিত্সা ও প্রতিরোধ দুইটাই জরুরি। অন্যথায় বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি হঠাত্ মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকে। উচ্চ রক্তচাপ ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় না এবং এটাই এর সবচাইতে ভীতিকর দিক। যদিও অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের রোগীর কোনো লক্ষণ থাকে না, তবুও নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চরক্তচাপ কে ‘নীরব ঘাতক’ বলা যেতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত এবং চিকিত্সাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। / এআর /

মাকে নিয়ে বিখ্যাতদের সেরা ১০উক্তি

আজ ১৩ মে, বিশ্ব মা দিবস। সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা কিংবা মমতার কোনো তুলনাই হয় না। তাই দিনক্ষণ ঠিক করে মাকে ভালোবাসা জানানোর কোনো মানে হয় না। তবুও অবুঝ মনের আকুতি। যাপিত জীবনের শত ব্যস্ততাকে পিছনে ফেলে আজকের দিনে সন্তানের মনে যায় মাকে একটু আলাদা করে শ্রদ্ধা জানাতে, উপহার দিতে, একটু বুকে জড়িয়ে ধরে রাখতে। এই আবেগগুলো রোজকারই হওয়া উচিত। তবেই আনন্দে ভরে উঠবে মায়ের মন। মা যে কত দামি সেটি বুঝা যায় বিশ্ববিখ্যাতদের জীবন থেকে। মাকে নিয়ে বিশিষ্টজনদের ১০টি উক্তি পাঠকদের উদ্দেশে নিচে দেওয়া হলো- *মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছেন, `আমি যা হয়েছি বা ভবিষ্যতে যা হতে চাই তার সব কিছুর জন্য আমি আমার মায়ের কাছে ঋণী`। *ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের ভাষায়, ‘সব ভালোবাসার শুরু এবং শেষ হচ্ছে মাতৃত্বে`। *ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ন বেনোপার্ট মাকে নিয়ে অনেক কথাই বলেছেন জীবনে। তিনি বলেন, `আমার জীবনের সফলতা এবং যা কিছু অর্জন সব কিছুর জন্য আমি আমার মায়ের কাছে ঋণী।` তিনি আরও বলেছেন, `আমাকে শিক্ষিত মা দাও। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তোমাদের একটা সভ্য, শিক্ষিত জাতি উপহার দেব`। * বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকারের ভাষায়, ভরপুর দর্শকের গ্যালারি থেকে যে ‘শচীন, শচীন’ রব আমি শুনেছি, সেটাও তো মা-ই শুরু করেছিলেন। পাঁচ বছর বয়সে যখন ভাইদের সঙ্গে বাড়ির সামনে ক্রিকেট খেলতাম, ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে মা আমাকে এভাবেই ডাকতেন। কখনো ভাবিনি, মায়ের এই ডাক একদিন ক্রিকেট মাঠ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। *মার্কিন গায়িকা টেইলর সুইফট বলেন, আমার ভালোবাসা ও ঘৃণাগুলো প্রকাশ পায় আমার লেখার মধ্য দিয়ে, এটা সবাই জানে। কিন্তু সবাই যেটা জানে না, তা হলো আমি আমার সেরা গানটা লিখেছি মাকে নিয়ে। যে কথাগুলো মাকে বলতে পারিনি, সেগুলো আছে আমার ‘দ্য বেস্ট ডে’ গানে। *যুক্তরাষ্ট্রের লেখক লুসিয়া মে অরকটের ভাষায়, `মা সব কিছু ক্ষমা করে দেন। পৃথিবীর সবাই ছেড়ে গেলেও মা কখনো সন্তানকে ছেড়ে যান না`। *খ্রিস্টীয় প্রবাদে আছে, `ঈশ্বর সব জায়গায় থাকতে পারে না, এ কারণে তিনি মাকে পাঠিয়েছেন।` *মার্কিন গায়ক স্টিভ ওয়ানডার বলেছেন, `মা আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষক। তিনি এমন একজন শিক্ষক যিনি ভালোবাসা, নির্ভীকতার প্রতীক। তার কোনো তুলনা নেই। যদি ভালোবাসা ফুলের মতো সুন্দর হয়,তাহলে আমার মা হচ্ছেন সেই ভালোবাসার ফুল।` *আরেকটি প্রবাদে আছে, `মা তার সন্তানদের হাত হয়তো কিছু সময়ের জন্য ধরে থাকেন কিন্তু তাদের হৃদয়ে থাকেন সারাজীবন।` *যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ও দার্শনিক ডা. দেবীদাস মৃধা বলেন,` মা হচ্ছেন প্রকৃতির মতো। যেকোন পরিস্থিতিতে তিনি তার সন্তানের প্রশংসা করেন`। সূত্র : এনডিটিভি / এআর /    

রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৫০ জন

সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে মধুর ও মমতার শব্দ মা। মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা ছাড়া কোনো প্রাণীর পক্ষে প্রাণ ধারণ করা অসম্ভব। সন্তানের জন্য মা সীমাহীন ত্যাগ স্বীকার করেন। বিপুল ভালোবাসা দিয়ে সন্তানকে বড় করেন। প্রতিদানে কিছুই চান না। সেই মায়ের জন্য আজ একটি বিশেষ দিন। আজ রোববার বিশ্ব মা দিবস। প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা জানাতে কোনো দিনক্ষণ প্রয়োজন পড়ে না। তবু মায়ের জন্য ভালোবাসা জানানোর দিন আজ। মা দিবসের উদ্দেশ্য, প্রত্যেক মায়ের প্রতি সম্মান জানানো, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো। যিনি জন্ম দিয়েছেন, লালন-পালন করেছেন, অনেক ক্ষেত্রে সেই মা অবহেলিত। ঘরে-বাইরে, সর্বক্ষেত্রে মায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশে দেশে মা দিবস পালন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয় মা দিবস। বাংলাদেশে দিবসটি পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। নাগরিক জীবনে দিনটি পালনে বেশি সাড়া মিলছে কয়েক বছর আগে থেকে। জাতীয় পর্যায়ে এ দিবসে তেমন কর্মসূচি না থাকলেও রাজধানীতে কিছু সামাজিক সংস্থা ও সংগঠন নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করে থাকে। বিশ্ব মা দিবসে আজ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ৫০ জন রত্নগর্ভার হাতে ‘রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেবে আজাদ প্রডাক্টস। ‘আমি ও মা’ শীর্ষক ছড়াপাঠ ও ছড়াগানের বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ম্যাক্সপোজার লিমিটেড। আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হবে। যুক্তরাষ্ট্রে আনা জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জার্ভিসের উদ্যোগে মা দিবসের সূচনা হয়। ১৯০৮ সালের ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ভার্জিনিয়ার গ্রাফইনের গির্জায় আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন শুরু হয়। ১৯১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে মা দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৫০ জন রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড ২০১৭-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন ৫০ জন মা। মা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর আজাদ প্রডাক্টস রত্নগর্ভাদের এই সম্মাননা দিয়ে থাকে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে রত্নগর্ভাদের হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন মোহাম্মাদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। ৫০ জনের মধ্যে সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৫ জন এবং বিশেষ ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ২৫ জন রত্নগর্ভা। গতকাল শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে আজাদ সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানানো হয়। আজাদ প্রডাক্টসের কর্ণধার ও রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ডের উদ্যোক্তা আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ২০০৩ সালে এই অ্যাওয়ার্ড শুরু করা হয়েছে আজাদ প্রডাক্টসের উদ্যোগে। একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এটি শুরু করি। এই অ্যাওয়ার্ড প্রদানের বিষয়টি বেশ সাড়া জাগিয়েছে। একজন মা পরিবারের প্রথম শিক্ষক। সুশিক্ষিত সন্তান গড়ার ক্ষেত্রে একজন মা-ই হচ্ছেন নিপুণ কারিগর। একজন ভালো সন্তান তৈরির নেপথ্যে চাই আদর্শ তথা রত্নগর্ভা মা। আমরা সেই রত্নগর্ভা মায়েদের সম্মাননা জানানোর জন্যই প্রতিবছর রত্নগর্ভা মায়েদের সম্মান জানাই। এসএইচ/

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস আজ

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস আজ মঙ্গলবার (৮ মে)। নানা আয়োজনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বিয়ের আগে পরীক্ষা করলে রক্ত, সন্তান থাকবে থ্যালাসিমিয়া মুক্ত’। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশ থেকে থ্যালাসেমিয়া নির্মূলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করলে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বিদ্যমান রোগীর জন্য সরকার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করে যাচ্ছে।’ চিকিৎসকদের মতে, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। রক্তে যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে তাহলে থ্যালাসেমিয়া হয়। এর ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্থতা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি পর্যন্ত ঘটতে পারে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশন অব থ্যালাসেমিয়ার তথ্য মতে, দেশের ১০ ভাগ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে। এর মধ্যে চার শতাংশই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। বেঁচে থাকতে এদের নিয়মিত রক্ত নিতে হচ্ছে। দেশে বছরে সাড়ে সাত হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। সে হিসেবে দিনে ২০ জনের বেশি শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে পৃথিবীতে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি শিশু এ রোগে ভুগছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক প্রায় ২৫০ মিলিয়ন। বাংলাদেশে প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। বিশ্বে প্রতি বছর এক লাখ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। একে// এআর

আজ বিশ্ব রেড ক্রস দিবস

আজ ৮ মে বিশ্ব রেড ক্রস-রেড ক্রিসেন্ট দিবস। দিবসটির প্রতিপাদ্য- `রেড ক্রস-রেড ক্রিসেন্ট- সর্বত্র, সবার জন্য`। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে রেড ক্রস সোসাইটি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। পরে ১৯৮৮ সালে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নাম ধারণ করে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দেশের ৬৪টি জেলায় ৬৮টি ইউনিটে চলমান দুর্যোগ মোকাবেলায় জনমানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সচেতনতা বাড়ানো এবং দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজ আহমদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের কারণে বিপদাপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যার্থে সর্বদাই এগিয়ে আসে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়ায়। আজ সকাল ৭টায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরে জাতীয় ও রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টায় হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাপাতাল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং সদস্য ও তহবিল সংগ্রহ অভিযান অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও থাকবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ, মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, রেড ক্রিসেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসএইচ/

আজ আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ বা ধাত্রী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় আজ শনিবার বাংলাদেশেও পালন করা হচ্ছে দিবসটি। এবারের শ্লোগান `মা ও শিশু স্বাস্থ্যের মানসম্মত সেবা প্রদানে মিডওয়াইফ এগিয়ে`। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যপরিচর্যা ও মৃত্যুহার হ্রাসে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বিশেষ করে একজন মায়ের পরিবার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব ও প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদানে মিডওয়াইফ অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। এ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আশা করি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশুর মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে মিডওয়াইফরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেশে নতুন নতুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে আমরা সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করেছি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে রোগীদের ৩০ প্রকারের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ফলে আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন। এসএইচ/

দেশে দেশে বুদ্ধ পূর্ণিমা

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশগুলোতে অত্যন্ত ঝাকঝমক ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদযাপন করে থাকে।বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ নেপাল, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, থাইল্যাণ্ড, কম্ভোডিয়া, মালয়শিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভূটান, মিয়ানমার, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ইত্যাদি। বুদ্ধ জন্মোৎসব হলেও মূলত: বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণের ত্রি’স্মৃতি বিজড়িত দিবস হিসাবে পালিত হয়। বাংলাদেশেও বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা হিসেবে বৌদ্ধ অধ্যুষিত এলাকায় উদযাপিত হয়। বিশাখা নক্ষত্র যোগে বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল বলে অনেকে বৈশাখী পূর্ণিমা হিসেবে এ উৎসবকে অভিহিত করেন। এদিন বাংলাদেশ সরকার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। এ বৎসর অর্থাৎ ২০১৮খ্রিস্টাব্দ বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা দিবস এপ্রিল মাসে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। The United Nations Day of Vesak International Council ব্যাংকক শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতি সংঘ এ দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে। নিউইর্য়ক জাতিসংঘের সদর দপ্তরেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশ গ্রহণে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে। থেরবাদী বৌদ্ধরা চন্দ্র মাসকে অবলম্বন করে দিবসটি উদযাপন করে। আর মহাযানী বৌদ্ধরা বিশেষ করে চীন, জাপান, হংকং, ম্যাকাউ, তাইওয়ান চাইনিজ Lunar  ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে। ১৯৫০ সালে বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ বৈশাখকে বুদ্ধের জন্ম বার্ষিকী হিসেবে প্রথম কলম্বোতে আর্ন্তজাতিক সন্মেলন করেন। তাদের আবেদনে নেপালের মহামান্য প্রয়াত রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদেব ঐ দেশে বুদ্ধের জন্মবাষির্কী হিসেবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। ভগবান বুদ্ধকে পৃথিবীতে একজন শ্রেষ্ঠ মানবতাবাদী হিসেবে মনে করে থাকেন। কারণ তিনি জীবনব্যাপী মানবতা, অহিংসা ও সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন। সকল প্রাণী সুখী হোক, এছিল বুদ্ধের অসীম মৈত্রী করুণার গুণ। তিনিই একমাত্র মহামানব ভোগের পৃথিবীকে ত্যাগের পৃথিবী রূপে দেখেছেন। বুদ্ধের জীবন থেকে আমরা তিনটি মূল্যবোধের শিক্ষা পেয়ে থাকি- রাজ ঐশ্বর্য ত্যাগ করে সন্ন্যাস জীবন, মৈত্রী ও করুণার অপার মহিমা এবং প্রজ্ঞার সাধনা। এ তিনটি গুণই নির্বাণ সাধনার ফল স্বরুপ। বৈরাগ্য হচ্ছে সকল তৃঞ্চার বন্ধন ছেদন, মৈত্রী ও করুণা হচ্ছে দ্বেষের প্রতিষেধক এবং প্রজ্ঞা হচ্ছে অবিদ্যার নির্মূল। নির্বাণ লাভ করতে হলে বুদ্ধের এ শিক্ষা অনুশীলন করতে হবে। বিভিন্ন দেশে বুদ্ধ পূর্ণিমাকে ভিন্ন ভিন্ন নামে অভিহিত করেন। ইংরেজিতে এভাবেই লিখে থাকে  Vesakha, Vesak, Wesak, Waisak, Visakah Puja, Vaishaka, Buddha Purnima,Visakha Bucha, Saga Dawa, (fodan), FatDaehb and Wei SaiJie ইত্যাদি।মহাযানী বৌদ্ধরা ঐতিহ্যগত ভাবে ঠধরংধশযধ’সংস্কৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত। সিংহলী বৌদ্ধরা Vesakha কে Vesak অথবা Wesak হিসেবে অভিহিত করে। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এটাকে বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা, বুদ্ধ জয়ন্তী বলে থাকে। জাপানে, Hanamatsuri  কোরিয়াতে Seokka Tanshin-il (Hanja), চীনা ভাষাবাসীরা Mandarin, Dodan, Cantonese:Fat Daahn, ভিয়েতনামীরা, Phat Dan তিববতি বৌদ্ধরা Saga Dawa (sa ga zla ba) বার্মিজরা (Kasone la- pyae Bodane ) ঐতিহ্যগত ভাবে বার্মিজ ক্যালেন্ডারের দ্বিতীয় মাস, কম্ভোডিয়ান বৌদ্ধরা Visak Bocher in Khmer হিসেবে, লাওসের বৌদ্ধরা Vixakha Bouxa in Laotian, থাইল্যান্ডের বৌদ্ধরা Visakhah Puja অথবা Visakho Bucha, ইন্দোনেশিয়ার বৌদ্ধরা Waisak আর মালয়শিয়ান বৌদ্ধরা শ্রীলঙ্কান বৌদ্ধদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে Vesak/Wesak হিসেবে অভিহিত করে থাকে। বিশেষ করে ইংরেজির মে মাসে আর বাংলায় বৈশাখ মাসে স্বভাবত হয়। যেহেতু বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ লাভ বৈশাখে সংগঠিত হয়েছিল। জাপানের বৌদ্ধরা ব্যতিক্রমীভাবে একটা নির্দিষ্ট তারিখ অবলম্বন করে দিবসটি উদযাপন করে থাকেন। তারা মনে করেন জন্ম দিন একটা নিদিষ্ট তারিখে হয়ে থাকে, তার সে তারিখটি ৮ এপ্রিল নির্ধারিত করেন। প্রতি বৎসর ৮ এপ্রিল তারা নির্ধারিত দিনে দিবসটি উদযাপন করেন। ঐদিন কোন সরকারি ছুটি নাই। ঐচ্ছিক ছুটি যা প্রয়োজন মতো নিয়ে থাকেন। Vesakha সংস্কৃত ভাষায় আর জাপানী Hanamatsuri‡K Kanbutsu-e. Goutan-e, Busshou-e, Yokubutsu-e,Ryuge-e. Hana-eshiki  অভিহিত করে থাকেন। দিবসটিকে মহিমান্বিত করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করে। লেখক: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন email: sougata95@gmail.com

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি